• ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bomb

রাজ্য

ফের আদালতে বোমাতঙ্ক, ইমেলে বিস্ফোরণের হুমকিতে তোলপাড় আসানসোল

বুধবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়াল আসানসোল আদালত চত্বরে। নতুন করে বোমা রাখার হুমকি ইমেল আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ। নিরাপত্তার স্বার্থে আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎ এই হুমকি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতই কি টার্গেট, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এর আগেও মঙ্গলবার একই ধরনের হুমকি ইমেল আসে জেলা জজের কাছে। সেই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল আদালত ভবনের ভিতরে আরডিএক্স রাখা রয়েছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে। এমনকি কয়েকজন মাওবাদী সদস্য আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছে পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটাবে বলেও উল্লেখ ছিল। এই খবর ছড়াতেই আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং আদালত খালি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। স্নিফার ডগ ও বিশেষ দল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক আদালতেও একই ধরনের ভুয়ো হুমকি ছড়িয়েছিল। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ইমেলগুলির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে এবং সাইবার দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার নির্দিষ্ট সময়েই আদালতের কাজ শুরু হলেও বেলার দিকে ফের নতুন ইমেল আসায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বার্তায় আবার বিস্ফোরণের হুমকি থাকায় দ্রুত তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই বারবার এই হুমকি পাঠানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা জজ আগেই জানিয়েছেন, আগের হুমকি ভুয়ো ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহের শুরুতেই আতঙ্ক! একসঙ্গে ৯ স্কুলে বোমা হুমকি, ছুটল পুলিশ-বম্ব স্কোয়াড

সপ্তাহের প্রথম দিনেই দিল্লির একাধিক স্কুলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। সোমবার সকালে রাজধানীর নয়টি স্কুলে এই হুমকি আসে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ, দমকল এবং বম্ব স্কোয়াড।দিল্লির দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথম হুমকির খবর আসে। রাজধানীর বেশ কয়েকটি নামী স্কুলে ইমেইলের মাধ্যমে এই হুমকি পাঠানো হয়। এর মধ্যে ছিল লরেটো কনভেন্ট স্কুল (দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট), কেমব্রিজ স্কুল (দক্ষিণ দিল্লি), ভেঙ্কটেশ্বর স্কুল (উত্তর-পশ্চিম দিল্লি), সিএম স্কুল ও বাল ভারতী স্কুল (রোহিণী), ডিটিএ স্কুল এবং দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমেইলে উসকানিমূলক ও উদ্বেগজনক বার্তা লেখা ছিল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, দিল্লি খালিস্তান হয়ে যাবে, পঞ্জাব খালিস্তান। ইমেইলে আফজল গুরুর নামও লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে।শুধু স্কুল নয়, উড়ো ইমেইলে সংসদেও বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ১১ মিনিটে সংসদে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।হুমকির খবর ছড়াতেই স্কুলগুলিতে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেক অভিভাবক তড়িঘড়ি স্কুলে পৌঁছে যান। পড়ুয়াদের দ্রুত বাইরে বের করে ভবন খালি করা হয়। পরে পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াড স্কুলগুলিতে তল্লাশি চালায়। এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও বিস্ফোরক মেলেনি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার রাতে ভয়াবহ তাণ্ডব দক্ষিণ কলকাতায়, গোলপার্কে গুলি-বোমা, আহত ২

দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক এলাকায় রবিবার রাতে ভয়াবহ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পিকনিককে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর থানার অন্তর্গত কাঁকুলিয়া রোড এলাকায় রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রবিবার তাঁরা পিকনিক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় হঠাৎ অন্য এলাকার কয়েকজন যুবক এলাকায় ঢুকে গোলমাল শুরু করে। তাদের আচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ। ভয়ে বহু মহিলা ঘরের ভিতরে চলে যান।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এই দুষ্কৃতীদের বাধা দিতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। ইটের আঘাতে কয়েকজন আহত হন বলে অভিযোগ। রাস্তায় রক্তের দাগও দেখা যায়। অভিযোগ, সংঘর্ষ চলাকালীন দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে এবং অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় দুই জন আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, সেই সময় জনতার একাংশ পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। এই গোলমালের মধ্যে কয়েকটি বাইক ও স্কুটি ভাঙচুর করা হয়।এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর গ্যাং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এলাকা দখলের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এমনকি একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে হামলার পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল ও বোমার টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের বিজয় মিছিলে কিশোরীর মৃত্যু, ৬ মাস পর চরম সিদ্ধান্ত তামান্নার মায়ের

ছয় মাস আগে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া বোমায় প্রাণ হারিয়েছিল নাবালিকা তামান্না খাতুন। সেই ঘটনার পর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন তাঁর মা সাবিনা ইয়াসমিন। অবশেষে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হল তাঁকে। বর্তমানে তিনি শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।পরিবারের দাবি, মেয়ের খুনের ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। এখনও সব অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়নি। এই অনিশ্চয়তা এবং লাগাতার আতঙ্কের জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে খাবার খাওয়ার পর সাবিনা ইয়াসমিন অতিরিক্ত কয়েকটি ঘুমের ওষুধ খান। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে পলাশী মীরা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৩ জুন নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন তৃণমূলের বিজয় উৎসব চলাকালীন বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তামান্না খাতুনের। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, মোট অভিযুক্তের সংখ্যা আরও বেশি এবং অনেকেই এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মামলা আদালতে চললেও বিচার আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে পরিবারে সংশয় রয়েছে।তামান্নার পরিবারের অভিযোগ, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা জামিনে ছাড়া পেয়ে গেলে ফের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের দিক থেকে নানা হুমকিও আসছে বলে দাবি। এই আতঙ্কেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তামান্নার মা।তামান্নার কাকা রবিউল শেখ বলেন, মেয়ের মৃত্যুর পর থেকেই সাবিনা ইয়াসমিন শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। নিয়মিত ওষুধ খেতেন। এখনও অনেক অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। যাঁরা ধরা পড়েছেন, তাঁরা জামিন পেলে ফের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। এই ভয় আর চাপই তাঁকে চরম অসুস্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
দেশ

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, তার, জ্বালানি—গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরণের কারখানা! চাঞ্চল্যকর তথ্য

লালকেল্লার কাছে যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার তদন্তে এবার উঠে এল আরও ভয়াবহ তথ্য। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ধৃত জঙ্গি-চিকিৎসক উমর নবি নাকি আই-২০ গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি করেছিল। যে ৫০টিরও বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই কিলোগ্রামেরও বেশি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়েছিল দিল্লির ওই বিস্ফোরণে। সঙ্গে ছিল পেট্রোলিয়াম জাতীয় এক ধরনের জ্বালানি। গোয়েন্দাদের কথায় এটা ঠিক সেই ধরনের বিস্ফোরক, যা খনি এলাকায় ব্যবহৃত হয়।আই-২০ গাড়ির ধ্বংসাবশেষে মেলে সরু তার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের চিহ্ন এবং জ্বালানির দাগ। এখান থেকেই সন্দেহ প্রবল হয়গাড়িতেই কি বিস্ফোরক বানায় উমর? তদন্তকারীরা বলছেন, ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই এই ধরনের বিস্ফোরক তৈরি করা যায়। আর সব তথ্য মিলিয়ে তাঁরা এখন প্রায় নিশ্চিতগাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি হয়েছিল।তবে প্রশ্ন একটাইবিস্ফোরণ কি লালকেল্লার সামনেই করার পরিকল্পনা ছিল? নাকি আরও জনবহুল জায়গায়? সোমবার লালকেল্লা বন্ধ থাকে, তাই গোয়েন্দাদের মনে আরও সন্দেহ। পরিকল্পনা কি আসলে ছিল অন্য জায়গা টার্গেট করার?জেরায় ধৃতরা আরও স্বীকার করেছে যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশ ছাড়ার ছক ছিল মুজাম্মিল-শাহিনদের। তাঁদের লক্ষ্য ছিল কাতার বা তুরস্কে পালিয়ে অন্তত ছয় মাস লুকিয়ে থাকা। সেই উদ্দেশ্যে অনলাইনে নতুন পাসপোর্টের আবেদনও করেছিলেন তাঁরা। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই সেই পুলিশ অফিসারের সঙ্গে কথা বলছেন, যিনি আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে গিয়ে তাঁদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করেছিলেন। সব নথি আদৌ ঠিক ছিল কিনা, সেটাই এখন তদন্তের অন্যতম বড় প্রশ্ন।সূত্র বলছে, ৯-১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই শাহিন, মুজাম্মিল ও আদিল দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল। আর উমর নবি কাশ্মীরে গিয়ে জঙ্গি ডেরায় লুকোতে চেয়েছিল। জেরা করে গোয়েন্দারা আরেকটি ভয়ংকর তথ্যও পেয়েছেন৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনই তৈরি হয়েছিল এই বড় নাশকতার ছক।মুজাম্মিল ও শাহিনের নথিতে সমস্যা না থাকলেও, আদিলের নথিতে একাধিক গরমিল ধরা পড়েছে। নিজের বাড়ির ঠিকানা না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা দাখিল করেছিল আদিল, অথচ কোনও প্রমাণপত্র দিতে পারেনি। তদন্তকারীদের সন্দেহ, অধিকাংশ নথিই জাল। যে পুলিশকর্মীরা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের কাজ করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায়। এমনকি শাহিনের পাসপোর্টের ছবি তুলতে গিয়েও মোবাইলে ছবি তোলে সেই অফিসারএটিও নজরে এসেছে তদন্তকারীদের।ক্রমশ এই বিস্ফোরণকাণ্ড এক ভয়ংকর জঙ্গি-চক্রের দিকে আঙুল তুলছে, আর উঠে আসছে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা নাশকতার পরত-ওপর-পরত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

ফের দিল্লির স্কুলগুলিতে বোমা হামলার হুমকি

আজ বুধবার সকালে, দিল্লির ৫০টিরও বেশি স্কুল একটি গ্রুপের পক্ষ থেকে ইমেইলের মাধ্যমে বোমা হামলার হুমকি পেয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের, অভিভাবকদের এবং স্কুল সহকারী কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে যে, Terrorizers 111 নামে পরিচয় দিয়ে এই গ্রুপ দাবি করেছে, তারা স্কুলগুলিতে বিস্ফোরক বসিয়ে দিয়েছে এবং ২৫,০০০ মার্কিন ডলার মুক্তিপণের দাবি করেছে। বলা হয়েছে, এই হুমকি ইমেইলগুলো স্কুলের প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনিক কর্মীদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে, সার্বোধয়া কন্যা বিদ্যালয় (SKV), মলভিয়া নগর এবং অন্ধ্রা স্কুল, প্রসাদ নগরদুটি স্কুলে হুমকির ইমেইল আসে এদিন সকাল ৭টা ৪০মিনিটে ও ৭টা৪২ মিনিটে। আধিকারিগণ দ্রুত স্কুলগুলোর সুরক্ষা হিসেবে পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, ডগ স্কোয়াড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের পাঠায় এবং সামগ্রিক তল্লাশি শুরু করা হয়। তবে এখনও কোনো সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।এটি এই সপ্তাহে দ্বিতীয়বার যখন দিল্লির স্কুলগুলো একইরকম ইমেইল হুমকি পেয়েছে। দুই দিন আগে, সোমবার (১৮ আগস্ট) ৩২টি স্কুল হুমকি পেয়েছিল। কোনও ক্ষেত্রেই কিছু পাওয়া যায়নি। আতঙ্ক ছড়াতেই এমন কাণ্ড ঘটানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারা, কেন বারে বারে এমন ইমেইল পাঠাচ্ছে, তদন্ত চলছে।

আগস্ট ২১, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি ও বিধায়কের প্রাণনাশের আশঙ্কায় তোলপাড়, বোমায় উড়েছে বাড়ি, মৃত্যু একজনের

পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা বাঁধার সময় বিরাট বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে একাধিক বাড়ি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এক দুস্কৃতীর। জখম হয়েছে আরও তিন সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রাজৌর গ্রামে। এই বিষ্ফোরণের পর প্রাণনাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত খোদ পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা তৃণমূলের শীর্ষনেতার আশঙ্কায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, আমার ওপর হামলা হতে পারে। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হতে পারে। তার জন্য়ই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা তুফান চৌধুরী বোমা বাঁধছিল। তুফানের মাথার ওপর হাত ছিল জঙ্গল শেখের। বোমা ফেটে বাড়ি উড়ে যায় কাটায়োরার রাজৌর গ্রামে। জঙ্গল শেখের পরিকল্পানা ছিল পার্টি অফিসে আক্রমণ করা। পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ রাজৌর গ্রামে ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফেরণে মৃত্যু হয় বরকত শেখের(২৮)। এই দুষ্কৃতীর বাড়ি বীরভূমের নানুর থানার সিয়ালা গ্রামে। জখমরা হল সেখ তুফান চৌধুরী, ইব্রাহিম সেখ ও সফিক মণ্ডল। জখম তিন জনই রাজৌর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ রাতেই চিকিৎসার জখম তিনজনকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তুফানকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ তুফান চৌধুরীকে করেছে। এই তুফানই বোমা বাঁধার মূল পান্ডা। জানা গিয়েছে, তারা লম্বু শেখের বাড়িতে বোমা বাঁধছিল। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বালি খাদানে দখলদারি করার উদ্দেশ্যেই এই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। এতে নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জঙ্গল শেখের। তার নির্দেশে তুফানরা বোমা বাঁধছিল বলে অভিযোগ। বোমা বেশ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। জঙ্গল শেখের নেতৃত্বে বোমা বাঁধা হচ্ছিল বলে দাবি করেছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। ২০১৫ সালে কাটোয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কাউন্সিলর হয়েছিলেন জঙ্গল শেখ। এমনকী পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তখন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জঙ্গল শেখ দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন। এখন জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৫
রাজ্য

এবার সামশেরগঞ্জে বোমা ফেটে জখম দুই নাবালক

ফের খবরের শিরোনামে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ। মঙ্গলবার বিকেলে সামসেরগঞ্জ থানার চকসাপুরে বোমা ফেটে জখম হয় দুই বালক। জখম দুজনের হল রবিজুল শেখ (১১) এবং রাকিব শেখ(১১)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুইজনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের অন্য ছেলেদের সঙ্গে ওই দুইজন চকসাপুরের মাঠে খেলা করছিল। খেলার সময় বল মাঠের পাশে ঝোঁপে চলে যায়। ওই দুইজন বল আনতে গেলে ঝোঁপের মধ্যে রাখা বোমা ফেটে যায়। বোমা ফাটার শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং দেখেন দুইজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। তড়িঘড়ি দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সামসেরগঞ্জ থানার জনৈক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৫
রাজ্য

ভয়ংকর বিস্ফোরণ কেতুগ্রামে, উড়লো ছাদ - ভাঙলো ইটের দেওয়াল

গুলি, বিষ্ফোরণের পালা চলছে। এবার ভয়ংকর বিস্ফোরণ পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের চেঁচুড়া গ্রামে। বিস্ফোরণে উড়ে গেল পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারের কংক্রিটের ছাদ। গুড়িয়ে গিয়েছে শৌচাগারের ইটের দেওয়ালের একাংশ। গতকাল, রবিবার সন্ধ্যায় এই বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে চেঁচুড়া গ্রামে। খবর পেয়ে কেতুগ্রাম থানার আই সি ও কাটোয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশিনাথ মিস্ত্রির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে যায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, কেউ গোপনে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারে প্রচুর বোমা বা বিস্ফোরক পদার্থ মজুত করে রেখেছিল। কারা কি উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত ওই শৌচাগার শক্তিশালী বোমা মজুত রেখেছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে । উল্লেখ্য, দুদিন আগে কল্যাণীতে বেআইনি বাজির কারখানায় বিষ্ফোরণে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যে বাড়ির শৌচাগারে এদিন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেই বাড়িতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কেউ থাকেন না। বাড়ির মালিকরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। বছরে একবার তাঁরা আসেন। ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদের বর্ডার সংলগ্ন। ঘটনাস্থলের আশপাশের বাড়ির বাসিন্দারা বলেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তাঁদের বাড়ি পর্যন্ত কেপে উঠেছিল। তাই ঘটনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে তটস্থ ঘুম ছুটেছে চেঁচুড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের।বিগত লোকসভা ভোটের আগের রাতেই বাইকে চড়ে বাড়ি ফেরার সময় দুস্কৃতি হামলায় খুন হন চেঁচুড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি মিন্টু শেখ। বোমা মেরে ও কুপিয়ে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। ওই হামলায় মিন্টুর এক সঙ্গী মিশির শেখ ওরফে নজরুল ইসলাম গুরুতর জখম হয়েছিল। আজও ওই খুনের হামলাকারী দুস্কৃতীদের নাগাল পায়নি পুলিশ। সেই আতঙ্ক আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি চেঁচুড়ি গ্রামবাসী। তারই মাঝে ভয়ংকর বিস্ফোরণে একটা পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারের কংক্রিটের ছাদ উড়ে যাওয়ার ঘটনায় সিঁদূরে মেঘ দেখছে গ্রামবাসীরা।কাটোয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (SDPO) কাশিনাথ মিস্ত্রি জানিয়েছেন,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যে বাড়ির শৌচাগারে বিস্ফোরণ ঘটেছে ওটি পোড়ো বাড়ি। ১৫-১৬ বছর ধরে ওই বাড়িতে কেউ থাকেন না। আমারা সুয়োমোটো মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

ভাঙড়ে মনোনয়ন ঘিরে ধুন্ধুমার, মুড়ি-মুরকির মত বোমাবাজি, এখনও ভোট বাকি

পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমার চতুর্থ দিনেও বাংলায় হিংসা ছড়াল। মঙ্গলবারও উত্তপ্ত হল ভাঙড়। আইএসএফ প্রার্থীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়-২ ব্লকে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মনোনয়ন জমা না দিতে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন আইএসএফ কর্মীরা। প্রতিরোধ করলেই উভয় দলের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এদিকে আরাবুল ইসলামের ছেলের গাড়ির ড্যাস বোর্ডে মিলেছে তাজা বোমা।এর মধ্যেই বোমাবাজি শুরু হয় ভাঙড়ের ২ ব্লক অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে। বিজয়গঞ্জ বাজারের কাছে মাঠ এলাকায় মুড়ি-মুরকির মত বোমা পড়তে থাকে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি, হয়। ছোড়া হয় ইট-পাথর। ফলে শুরুর দিকে পিছু হঠতে থাকে পুলিশ। এর মিনিট পাঁচেক পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় হয় পুলিশ বাহিনী। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আহত হয়েছেন এক এসআই।স্থানীয়দের দাবি, সাত রাউন্ড গুলি চলেছে।। অশান্তি এড়াতে মনোনয়ন কেন্দ্রের এক কিলোমিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি তা সোমবার থেকে একাধিক হিংসার ঘটনাতেই স্পষ্ট। প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে বিডিও অফিসের কাছে মনোনয়নের সময় প্রচুর মানুষ জড়ো হলেন হলেন তা নিয়েই। ভাঙড়ে অশান্তির খবর সামনে আসতেই কমিশনকে জেলা শাসককে ফোন করে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি বলেছেন, আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনময় ঠেকাতেই এই কাজ করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সকালেই আমি পুলিশকে ফোন করে সতর্ক করেছিলাম। কিন্তু, পুলিশ পদক্ষেপ করেনি। তাই যা হওয়ার তাই হচ্ছে। পুরোটাই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানান নওসাদ। পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার দাবি, সকাল থেকেই এলাকা অশান্ত করে তুলেছে আইএসএফ। বোমাবাজিতে তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। যথেচ্ছভাবে তাদের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে সোমবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি চলে রাতভরই। ভোর হতেই শুরু হয় বোমাবাজি। আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা আইএসএফ প্রার্থীদের। সেই নিয়ে যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তার জন্য সকাল থেকে রাস্তায় নেমে টহল দিচ্ছিল কাশিপুর থানা এবং বারুইপুর থানার পুলিশ। ছিল ব়্যাফ। ভাঙড়ের অতিরিক্ত ডিএসপি মহিদুল্লা এবং বারুইপুরের ডিএসপি শঙ্কর চ্যাটার্জীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ঠেকানো গেল না হিংসা।

জুন ১৩, ২০২৩
রাজনীতি

ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াইয়ে বোমা পড়বে! ভবিষ্যত বানী বিজেপি নেতার

বোম তৈরি করা আর সবাইকে বোম ছোড়া, এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের কালচার। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না এটা তার আভাস। কালীঘাটেও বোমা পড়বে, যেদিন ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াই হবে বোমা পড়বে আমরা দেখবো। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ এর। তিনি আরও বলেন, এই ফিরহাদ হাকিম একদিন কালীঘাটে পাথর ছুঁড়েছিল। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের উন্নয়ন মানে পারিবারিক উন্নয়ন। একই সাথে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে একহাত নেন তিনি। বর্ধমানে যত অপসংস্কৃতি খোকন দাস এনেছেন, উনি বর্ধমানের কেষ্ট হয়ে গেছেন। খুব তাড়াতাড়ি উনি যাবেন বলে মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ।মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজনীতি

দলের আস্থায়ী কার্যালয় থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য, দলীয় কোন্দল দাবী দুই গোষ্ঠীর

তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের ভিতর থেকে তাজা বোম উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। পুলিশ জামালপুরের জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েত অমরপুর গ্রামের হিরু সেখের নির্মীয়মান বাড়ি থেকে ৯ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে। জোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কার্তিক ঘোষের দাবী দলীয় গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে তাদেরকে হেনস্তা করার জন্যই বোমা রাখা হয়েছে। তার অভিযোগ জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের গোষ্ঠীর লোকজনই এখানে বোম রেখেছে তাদের বদনাম করার জন্য। তারা প্রদীপ পাল ও অরবিন্দ ভট্টাচার্যের সঙ্গে দল করেন। তারা দলের পুরনো কর্মী।একই দাবী করেন জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের সদস্যা রেবা ধারা পঞ্চায়েত সদস্য গোষ্ঠ পাল। তারা বলেন, ব্লক সভাপতি মেহমুদ খানের অনুগামীরা এই ফাঁকা অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে বোম রেখেছে। এখানে বাচ্চারাও খেলে। নির্মীয়মান বাড়ি মালিক তৃণমূল কর্মী হিরু সেখ বলেন,এখানে বোম রেখে তাদের বদনাম করা হচ্ছে।বিজেপি নেতা রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম থেকেই গোষ্ঠী কোন্দল আছে। আর এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছে। নিজেদের মধ্যে বালির টাকার ভাগ নিয়ে অশান্তি করছে তৃণমূল নেতারা। তার ফল ভোগ করছে এলাকার বাসিন্দারা।রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে বলতে পারবো। তবে পুলিশ প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজ্য

জগদ্দলের চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন রেল লাইনে বোমাবাজি করার অভিযোগে ধৃত মদ্যপ যুবক

মদ্যপ অবস্থায় জগদ্দল স্টেশনের চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের চার নম্বর লাইনে বোমা মারার অভিযোগ উঠল এক মদ্যপ যুবকের বিরুদ্ধে । শুক্রবার রাতের ঘটনা এক মদ্দপ যুবক জগদ্দল রেল স্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলে বমাবাজি করে বলে পুলিস সুত্র খবর। প্রাথমিক আতঙ্ক কেটে গেলে রেলপাড়ের বস্তি এলাকার মানুষজন চারদিক থেকে ওই যুবককে ঘিরে রাখে । খবর পেয়ে নৈহাটি জিআরপি থানা এবং জগদ্দল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। ওই যুবকের পকেট থেকে পুলিশ আরও তিনটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক জেরায় ধৃত যুবক জানিয়েছে, তার নাম পিন্টু নন্দী। সূত্রের খবর, ধৃতের বাড়ি জগদ্দলের গুপ্তার বাগান এলাকায়। কি কারনে ওই যুবক বোমা মারলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল ভাতার, ব্যাপক বোমাবাজি, জখম আট

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার। শুক্রবার ভাতারের মোহনপুরে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্য়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি চলে। গুলিও চলে বলে অভিযোগ। সংঘর্ষে জখম হয়েছে ৮ জন। ঘটনাস্থলে গিয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। আহতদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হালপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এদিন সংঘর্ষের পর মোহনপুর গ্রাম জনমানব শূন্য হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভাতার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা যাতে না ঘটে তাই পুলিশি টহল চলছে। বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে ভাতার থানার পুলিশ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি জখম আমির মল্লিক জানান, ভাতারের প্রাক্তন বিধায়ক সুভাষ মণ্ডলের সঙ্গে বর্তমান বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর অনুগামীদের মধ্যে ঝামেলা হয় জমি দখলকে নিয়ে।

জুন ২৪, ২০২২
কলকাতা

তিলজলায় দেদার বোমাবাজি, চলল গুলি

রিজেন্ট পার্কের পর এবার তিলজলায় চলল গুলি। দোলের বিকেলে রিজেন্ট পার্কে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। এবার তিলজলায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। জানা গিয়েছে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন। শনিবার সকালের এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে তিলজলা থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।স্থানীয়দের অভিযোগ, তিলজলার দাড়িখানা মোড় এলাকায় এদিন সকালে গুলি চলে। একইসঙ্গে অনবরত বোমাবাজির শব্দেও কাঁপতে থাকে এলাকা।জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন ট্যাক্সিচালক। সূত্রের দাবি, টাকা নিয়ে বচসার জেরেই এই ঘটনা। তদন্ত করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব বাড়ছে। কোনও উৎসবের আবহে এরা গোলমাল করে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করে।গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম রাজু রায়। ট্যাক্সি চালান তিনি। রাজুর পরিবারের দাবি, শুক্রবার রাতে স্থানীয় তিন যুবক রাজুর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। তা দিতে রাজি না হওয়ায় ঝামেলার সূত্রপাত। অভিযোগ, এরপরই শনিবার সকালে রাজু তাঁর ভাইকে নিয়ে বাজার করে ফেরার সময় ওই তিন যুবক-সহ মোট পাঁচজন আচমকা রাজুর উপর হামলা করেন। রাজুকে প্রথমে চপার দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। রাজু পালানোর চেষ্টা করতে চালানো হয় গুলি। সেই সময় এলাকায় বোমাবাজিও শুরু করেন অভিযুক্তরা। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চপার উদ্ধার করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২২
কলকাতা

টিটাগড়ে বোমাবাজি, আহত শিশু

শনিবার দুপুরে টিটাগড়ে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে। টিটাগড়ের এমজি রয়াদ অঞ্চলে ঘটেছে এই ঘটনা। বিস্ফোরণে জখম হয়েছে ৪ বছরের এক শিশু। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে।শনিবার দুপুরের নিজের বাড়ির সামনে খেলতে খেলতে রাস্তার উল্টোদিকে চলে যায়। সেই সময়েই হঠাৎই বিকট আওয়াজ শোনা যায় ওই অঞ্চলে। এলাকার বাসিন্দারা ছুটে এসে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় খুঁজে পায়। এরপরেই শিশুটিকে নিয়ে প্রথমে বিএন বোস হাসপাতাল এবং পরে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরিবারের তরফে জানান হয়েছে যে দিনেরবেলা শিশুটি রোজই ওখানে খেলতে আসে। কে বা কারা ওখানে বোমা রাখল নাকি অন্য কোনও জায়গা থেকে এসেছে ওই বোমা, সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে টিটাগড় থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
কলকাতা

Bombing: রক্ত ঝড়ল পুরভোটে, বেলেঘাটা, শিয়ালদহে বুথের সামনে বোমাবাজি, আহত এক

বেলেঘাটার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে বোমাবাজির অভিযোগ। সেখানকার খান্না হাই স্কুলের সামনে বোমাবাজি চলেছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। আরও অভিযোগ, বেলেঘাটার পাশাপাশি শিয়ালদহেও হয়েছে বোমাবাজি।সেখানকার টাকি স্কুলের সামনে দুটি বোমা পড়েছে। এর জেরে আহত হয়েছেন এক জন। তাঁর পায়ে আঘাত লেগেছে।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী রবিকান্ত সিং এই বোমাবাজির জন্য আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের দিকে। তিনি বলেছেন, কাল থেকেই বহিরাগতরা ঢুকে বসে রয়েছে। আমি পুলিশকে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। সকাল থেকে বুথের সামনে ঘুরছে তাঁরা। বোমার দাগ এখনও রয়েছে। অভিযোগ করার পরও পুলিশ ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ তাঁর। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।টাকি স্কুলের সামনে বোমার আঘাতে আহত হয়েছেন এক জন। পায়ে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ। স্কুলের অদূরেই এ দিন পরপর দুটি বোমা ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বোমার আঘাতে আহত হন এক ব্যক্তি। তিনি কেনাকাটা করতে রাস্তা বেরিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর পায়ে বোমার আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই বোমা কারা ফেলল, এর পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে তৃণমূলের অভিযোগ দুষ্কৃতীরা আদতে কংগ্রেস প্রার্থীর লোক।জখম ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুই জায়গাতেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan: অবশেষে জামিন পেলেন আরিয়ান খান

অবশেষে জামিন পেলেন আরিয়ান খান। বম্বে হাইকোর্ট শাহরুখ-পুত্রের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল বৃহস্পতিবার। দীপাবলির আগেই সম্ভবত বাড়ি ফিরবেন শাহরুখ-গৌরীর ছেলে। মঙ্গলবার এবং বুধবার আরিয়ানের জামিনের শুনানি অসমাপ্ত ছিল। তৃতীয় দিনে রায় শোনাল হাইকোর্ট। শুক্র বা শনিবার ঘরের ছেলে ঘরে ফিরতে পারেন। মুনমুন ধমেচা এবং আরবাজ মার্চেন্টকেও জামিন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই তিন জনকে জামিন দেওয়ার কারণ সবিস্তার জানাবে হাইকোর্ট।দীর্ঘ ২২ দিন মুম্বইয়ের আর্থার রোডের জেলই ছিল সুপারস্টার শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানের ঠিকানা। অবশেষে নিজের বাড়ি মন্নতে ফিরছেন তিনি।গত ২ অক্টোবর মুম্বই থেকে গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে আটক করা হয়েছিল আরিয়ানকে। তার পর ৩ তারিখ তাঁকে গ্রেপ্তার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। মোট দুবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যুক্তি হিসেবে বলা হয়, জামিনে ছাড়া পেলে, আরিয়ান তাঁর বিরুদ্ধে যাবতীয় তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করতে পারেন।ছেলে জেল থেকে না ফেরা পর্যন্ত মন্নতে মিষ্টি খাওয়া বন্ধ রেখেছিলেন গৌরী। অন্যদিকে সলমনের বাবা-মা সেলিম খান ও হেলেন রোজ আরিয়ানের জন্য প্রাথর্না করতেন। বৃহস্পতিবার সকালেই সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরিতে বিচার ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলে আরিয়ানের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন হৃত্বিক। দাদা জেলে, তাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বোন সুহানা। দুশ্চিন্তা ও ক্লান্তির ছাপ ছিল তাঁর চেহারাতেও শাহরুখের। ২ নভেম্বর শাহরুখের জন্মদিন। ৫৬ বছর বয়সে পা দেবেন তারকা। জন্মদিনের আগে ছেলেকে কাছে পাচ্ছেন, দীপাবলি কাটাবেন একসঙ্গে এতেই বা কম কীসের!

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Bhatpara: রাতেই ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া! চলল দুষ্কৃতী তাণ্ডব

অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির পরই মঙ্গলবার রাতেই ফের উত্তপ্ত হয় ভাটপাড়া। চলে বেপরোয়া বোমাবাজি, অস্ত্র উঁচিয়ে উন্মত্ত দাপাদাপি, হামলা। পিস্তলের বাঁট দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এক যুবকের। বোমার স্প্লিন্টারে গুরুতর জখম হয় আরেক যুবক। সবমিলিয়ে টানা বৃষ্টির মধ্যেই রাতভর দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলল ভাটপাড়ায়।আরও পড়ুনঃ উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গিস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়ার কলাবাগান তিন নম্বর গেট এলাকা। রাতে অতর্কিতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। পিস্তলের বাঁট দিয়ে অজিত কুমার সিং নামে এক যুবকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিষ্ণুদেব যাদব নামে আরেক ব্যক্তি বোমার ঘায়ে আহত হয়েছেন। দুজনকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত দুজনই জগদ্দল জেজেআই জুটমিলের কর্মী। রাতে দুজনেই কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এই ঘটনায় মহম্মদ সোনু নামে এক জনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ, মহম্মদ সোনুর নেতৃত্বে এক দল আচমকা বোমাবাজি করতে শুরু করে এলাকায়। তারই প্রতিবাদ করায় এই হামলা। ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ চালাচ্ছে ভাটপাড়া থানার পুলিশ।উল্লেখ্য, অভিযোগ মঙ্গলবার সকাল নটার সময়ে আচমকাই অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পিছনে বোমা ছুড়ে মারে দুষ্কৃতীরা। গত ৮ সেপ্টেম্বরের বোমাবাজির পর এলাকায় নতুন করে আরও ২০টা সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। বাড়ানো হয় পুলিশ পিকেট। সিআইএসএফ জওয়ানদের প্রহরাও রয়েছে। তার মধ্যেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আর এবার মঙ্গলবার রাতভর ভাটপাড়ায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব। সবমিলিয়ে উত্তপ্ত অর্জুন-গড়।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজনীতি

একদা কমিউনিষ্ট ঘাঁটিতে টানা তিনবার জিতেও নিশ্চিন্ত নয় তৃণমূল! বর্ধমান দক্ষিণে এবার কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

দক্ষিণ বর্ধমান বরাবর কমিউনিস্টদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে প্রথম দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। তখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টি তথা সিপিআই থেকে। তারপর এই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বর্ধমানের মহারানী রাধারাণী মহতাব জয়ী হয়েছিলেন। তার আগের নির্বাচনে বিনয় চৌধুরী পরাজিত করেছিলেন বর্ধমানের মহারাজাকে। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন মহারাণী। তার পরে শুধু ১৯৬৭ ও ১৯৭২ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল। এখানে থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাছাড়া ২০০৬ পর্যন্ত সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ব্যাপক ভোটের ব্য়বধানে পরাজিত করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনকে। প্রায় ৩৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন নিরুপম সেন। ২০১৬-তেও জয় পায় তৃণমূল। তখনও এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী দল ছিল সিপিএম। রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্য়বধানে সিপিএম প্রার্থী আইনুল হককে পরাজিত করেন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দীকে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস। তবে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকে তৃণমূলের থেকে। এই নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা প্রায় ২৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়েছিল।বর্ধমান পুরসভা এলাকা নিয়েই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। তবে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কি হতে চলেছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই শহরজুড়ে। প্রথমত বিধায়ক খোকন দাসই টিকিট পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বিধায়ক অনুগামীরা জোরের সঙ্গে বলছেন টিকিট খোকন দাসই পাচ্ছেন। শহরে এক যুব নেতার নাম ভাসিয়ে দেওয়া হলেও বর্ধমান দক্ষিণে আদৌ সে টিকিট পাবেন কিনা তা নিয়ে কম জল্পনা নেই। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্রীড়া অনুষ্ঠান সবেই জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে তৃণমূলের দুই তরফ থেকেই। অনেকের আবার বক্তব্য, নেপোয় দই মেরে দেবে না তো!তৃণমূল যাকেই প্রার্থী করুক এবার জোরদার লড়াই হবে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিকে তৃণমূলের একটা সূত্রের দাবি, শহরে দলে ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি হয়েছে। সেই ঘরও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই সেই অংশের দাবি। তাঁদের ভূমিকা জয়-পরাজয়ে অনেকটা নির্ভর করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। পাশাপাশি যে ভাবে পর পর নির্বাচনে ওয়ার্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল তাতে সংশয় বেড়েছে। মোদ্দা কথা, পর পর তিনবার জয় পেলেও এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে নেক-টু-নেক ফাইট হবার সম্ভাবনা প্রবল। একতরফা জয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ধরনা শেষ করেই প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মমতার! কেন্দ্রকে নিশানা করে বড় মন্তব্য

ধর্মতলায় একশো এক ঘণ্টা ধরে চলা ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পরেই প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্মতলা থেকে সোজা সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন তিনি। সেই সময় আবারও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় তাঁকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেহেতু প্রাক্তন রাজ্যপাল পরের দিন রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। তিনি জানান, আনন্দ বোসের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর এবং তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্কও ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভোটের আগে আচমকা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তিনি বলেন, নিজের মনের কথাও আনন্দ বোসকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে আবার বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।এই সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোসের প্রশংসা করেন। মমতা লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডক্টর সিভি আনন্দ বোস রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ধর্মতলায় পাঁচ দিনের ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, আনন্দ বোস অত্যন্ত পণ্ডিত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় রাজ্যের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হয়েছিল। সেই আলাপচারিতা তাঁর কাছে সবসময় মূল্যবান হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আনন্দ বোসের আগামী দিনের সমস্ত উদ্যোগ ও দায়িত্বের জন্য তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর অগাধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় আরও বড় সাফল্য এনে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, তবু বাংলাদেশের পাশে ভারত! পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর বড় সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। তার জেরে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারতেও গ্যাস ও জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। দুঃসময়ে প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য করতে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল তিনটে কুড়ি মিনিট নাগাদ ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় চুয়াল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুর ডিপোতে পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার এই সময়ে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি জ্বালানি আসায় পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই অনেক কমে যায়।কিছুদিন আগেই বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ভারতের পক্ষ থেকে ডিজেল রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে পরে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতেই আবার বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তৈরি করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইন প্রকল্প। এই প্রকল্প দুই দেশের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়।বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার সরকার। তবে উদ্বেগ শুধু জ্বালানি নিয়েই নয়। খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতির মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের পর ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন দেশের তেলের ট্যাঙ্কার এবং জাহাজ এখন সমুদ্রে অপেক্ষা করে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ষাট লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ঝুলে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের উত্তরে বাড়ল ধোঁয়াশা

এসআইআর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ষাট লক্ষ। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ইতিমধ্যেই দশ লক্ষ ভোটারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিবেচনাধীন ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে এড়িয়ে গেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও বিবেচনাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কোনও দিশা দিতে পারেননি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্ঞানেশ কুমার জানান, বিবেচনাধীন ভোটারদের নথি পরীক্ষা করে দেখার কাজ করছেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং সেখানে জানিয়েছেন যে দশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে বাকি পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিয়ে তিনি আর কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা উচিত।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত আটাশ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকার পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে। প্রার্থীদের মনোনয়নের আগের দিন পর্যন্ত এই তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে বলে নির্দেশ রয়েছে। ফলে বিবেচনাধীন ভোটারদের অনেককেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে তাঁদের ভোটাধিকার রয়েছে কি না তা জানার জন্য।এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, বিবেচনাধীন ভোটারদের বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোটের ঘোষণা করা উচিত নয়। তবে নির্বাচন কমিশন আগামী সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে বলে জল্পনা চলছে। অর্থাৎ ভোটের সময় একেবারেই সামনে চলে এসেছে। হাতে সময় খুবই কম। এখনও পর্যন্ত মাত্র দশ লক্ষ ভোটারের নথি পরীক্ষা শেষ হয়েছে, বাকি বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি বাকি। এত কম সময়ে এই বিশাল কাজ শেষ করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকেও এখনও স্পষ্ট কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে বিবেচনাধীন লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুলে রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় মন্তব্য! “একজনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না” বলল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশন দাখিল হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই ধরনের আগাম আবেদন ভুল বার্তা দিতে পারে। আদালতের মতে, এতে মনে হতে পারে যে আবেদনকারীরা বিচারব্যবস্থার উপর ভরসা রাখতে পারছেন না। প্রধান বিচারপতি মেনকা গুরুস্বামীকে জানান, আগাম পিটিশনের মাধ্যমে এমন বার্তা যাচ্ছে যে সিস্টেমের উপর আস্থা নেই। তাই তিনি আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শও দেন। একই সঙ্গে আদালত আশ্বাস দেয়, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়বে না।এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এর মধ্যেই সোমবার আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। আগের দিন মেনকা গুরুস্বামী অভিযোগ করেছিলেন, অনেক ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের নথিও গ্রহণ করা হয়নি। তিনি জানান, যাঁরা আগে ভোট দিয়েছেন তাঁদের নথিও এখন গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রায় দশ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না। তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করছেন। যাঁরা প্রকৃত ভোটার, তাঁদের অবশ্যই তালিকায় যুক্ত করা হবে বলে আদালত জানায়।রাজ্যের নতুন আবেদন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই পিটিশন আগাম করা হয়েছে এবং এখনই তার প্রয়োজন ছিল না। তিনি মেনকা গুরুস্বামীকে আবেদন প্রত্যাহারের পরামর্শ দেন এবং বলেন, ভোট ঘোষণার আগেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে আদালত এও জানায়, প্রয়োজন হলে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার নোটিসও জারি করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আদালত সব পক্ষকেই নজরে রাখছে বলে মন্তব্য করে বেঞ্চ।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বর্তমানে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা অমীমাংসিত ভোটারদের তালিকা পরীক্ষা করে দেখছেন। এদিন আদালত নির্দেশ দেয়, রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এই কাজে সবরকম সাহায্য করতে হবে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের যখন লগইন পরিচয়পত্র প্রয়োজন হবে, তখনই নির্বাচন কমিশনকে তা দ্রুত ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে জানায় আদালত।অমীমাংসিত তালিকার তথ্য পরীক্ষা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই বিষয় দেখভালের জন্য একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে রাখা হবে এবং একাধিক বিচারপতি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন। নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে আদালত জানিয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal