• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদ, কাল বিজেপির ডাকা ধরনায় সামিল জেপি নাড্ডা

রবিবার রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে। বিপুল জনরায় নিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের রাজ্য শাসনের ভার তাঁর উপরেই ন্যস্ত হতে চলেছে। দেরি না করে তাই বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। করোনা আবহে অনাড়ম্বর শপথ অনুষ্ঠান রয়েছে রাজভবনে। আর সেইদিনই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা বিজেপি রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের পরপরই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসায় সবচেয়ে বেশি বলি বিজেপি কর্মীরা। তারই প্রতিবাদে ধরনা। সূত্রের খবর, বিজেপির এই কর্মসূচিতে শামিল হয়ে বুধবার ধরনায় বসবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও।মঙ্গলবার দুপুরে জেপি নাড্ডা এসেছেন শহরে। তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহারা। সেখান থেকেই সোজা নাড্ডা চলে যান নরেন্দ্রপুরের গোপালপুরে। সেখানে ভোট পরবর্তী অশান্তিতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। এখানে বেশ কয়েকটি পরিবারের উপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় বাড়িতে, চলে ব্যাপক লুটপাট। জেপি নাড্ডা এমনই বেশ কয়েকটি আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, মুকুল রায়, রাহুল সিনহারা।গোপালপুর থেকে তাঁরা যান সোনারপুরের প্রতাপনগরে। এখানে হারান আধিকারী নামে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। নিহতের স্ত্রী স্বর্ণলতা অধিকারী ও নাবালক ছেলে দীপ অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেন নাড্ডা এবং অন্যান্য নেতারা। এরপর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাড্ডা বলেন, এটাই তৃণমূলের গণতন্ত্র। সারা দেশের মানুষ এই হিংসা দেখছে। তবে বিজেপি এতে ভয় পায় না। এর শেষ দেখে ছাড়বে। তিনি আরও বলেন, বিরোধীদের উপর যেভাবে আক্রমণ চলছে, তা দেখেই বোঝা যায়, গণতন্ত্রকে কী চোখে দেখে তৃণমূল। সমস্ত রাজনৈতিক হত্যার বিচার হবে। গণতান্ত্রিক উপায়েই এর যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, বুধবারও কলকাতায় থাকবেন নাড্ডা। দলীয় স্তরের নেতাদের সঙ্গে দলের শোচনীয় ফলাফল নিয়ে আলোচনা করতে পারেন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

২দিনের সফরে রাজ্যে নাড্ডা, ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক বিজেপির

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার জের। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিল বিজেপি। বাংলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন জেপি নাড্ডা। ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে শাসকদল সন্ত্রাস চলছে বলে রবিবার সন্ধে থেকেই অভিযোগ করছে বিজেপি। সোমবার দলের রাজ্য দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে অশান্তি ও হিংসার জেরে প্রাণ গিয়েছে ৬ জনের। রাজ্যে অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর আরজি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যপালকে চিঠি দিচ্ছি। মুখ্যসচিবকেও চিঠি দেওয়া হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত না শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। এদিকে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় টুইটে অভিযোগ করেন, ভোটে জেতার পর তৃণমূল উৎসব করছে। এবং তারা বিজেপি কর্মীদের ঘর ভাঙছে। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তা খুন হয়েছে। এদিন রাজ্যপালকে অভিযোগ জানানোর পর রাজভবনের বাইরে বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ বলেন, ভয়ংকর খুন, সন্ত্রাস হচ্ছে। লাঠি নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঢুকে বাড়ি ভাঙছে, আমাদের কর্মীদের মারধর করছে। সব ভিডিও আসছে। এসব বন্ধের আবেদন নিয়েই রাজ্যপালের কাছে এসেছিলাম। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের উপর লাগাতার হামলার প্রতিবাদেই বুধবার দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিয়েছে বিজেপি। আজ রাজ্যে এসে আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন ডেপি নাড্ডা। কর্মীদের মনোবল চাঙা করতে বৈঠক করতে দলের নেতাদের সঙ্গেও।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে ভোটপরবর্তী হিংসার বলি ৬ বিজেপি কর্মী

ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই ফের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। ফের রক্ত ঝরল সেখানে। সোমবার সকাল থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে চলে গুলি। আর তাতেই পেটে গুলি লেগে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। এ নিয়ে ফের অশান্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের এই স্পর্শকাতর কেন্দ্র। সোমবার নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় তপ্ত রইল রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তও। পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় তৃণমূল সমর্থক এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। প্রসঙ্গত, এই জেলায় তৃণমূল-বিজেপি ১৬-০ ফলাফলের পর এমন অশান্তি বলে দাবি বিজেপির। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় খুন হয়েছেন এক আইএসএফ সমর্থকও।ভোটের দিন থেকে খবরের শিরোনামে কোচবিহারের এই কেন্দ্র। গত ১০ তারিখ ভোটের দিন এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ ভোটারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্য। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথের বাইরে এই ঘটনার জেরে ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ২৯ এপ্রিল ফের সেখানে ভোট নেওয়া হয়। জনরায় অবশ্য গিয়েছে বিজেপির পক্ষে। শীতলকুচি কেন্দ্রে ২১ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়কে হারিয়ে জিতেছেন বিজেপির বরেনচন্দ্র বর্মন। এবার সেই ফলাফলের পরদিনও ফের উত্তাপ বাড়ল শীতলকুচিতে। বুড়াপঞ্চার হাট এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ হারাতে হল তরতাজা এক যুবককে। তাঁকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, পেটে গুলি লাগার পর তাঁকে দিনহাটার হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমসপুর গ্রাম নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত। সোমবার বেলার দিকে এখানে ফলাফল নিয়েই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। তা চরমে ওঠে, শুরু হয় হাতাহাতি, সংঘর্ষ। সমসপুরের বাসিন্দা বছর ষাটের গণেশ মালিক তা আটকাতে যান। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হন তিনি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। গণেশ মালিকের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা তাঁকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেদম প্রহারের পরই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দায়ের হয়েছে খুনের অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্রের বক্তব্য, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৬টিতেই জিতেছে তৃণমূল। তার বদলা নিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকাংশ আসনে তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চলছে বলে অভিযোগ। খেজুরি, ভগবানপুর, উত্তর কাঁথি এলাকায় বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন বহু বিজেপি সমর্থক।গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৬ জন বিজেপি কার্যকর্তাকে খুন করা হয়েছে, তারা হলেন, জগদ্দলের শোভারানী মণ্ডল, রানাঘাটের উত্তম ঘোষ, বেলেঘাটার অভিজিৎ সরকার, সোনারপুর দক্ষিণের হরম অধিকারী, শীতলকুচির মোমিক মৈত্র, বোলপুরের গৌরব সরকার।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

মতুয়া ও রাজবংশীদের হাত ধরে কিছুটা মান বাঁচল বিজেপির

উত্তরে রাজবংশী। দক্ষিণে মতুয়া। প্রান্তিক, উপেক্ষিত দুই সমাজ অনেকটাই পাশে না থাকলেরাজ্য বিজেপির আসন সংখ্যা আরও বেশ কিছুটা কমতো বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। তাঁদের সমর্থনে ভর দিয়েই একটা সম্মানজনক সংখ্যায় পৌঁছে গিয়েছে গেরুয়া শিবির। না হলে আসনসংখ্যা হয়তো অর্ধশতকের আশপাশে আটকে যেত পদ্মের। ভোটের ফলাফলের বিন্যাস বলছে, মতুয়া ও রাজবংশী প্রভাবিত প্রায় প্রতিটি আসন জিতেছে বিজেপি। পূর্ববঙ্গ থেকে আসা দুই সম্প্রদায়ের মানুষের প্রভাব রয়েছে এমন এলাকার ভোটবাক্সে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি রাজ্যের শাসকদল। ব্যতিক্রম একমাত্র উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া। মতুয়া ভোট ঘরে তুলতে দুই তরফেই দীর্ঘ লড়াই জারি রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার বেশ কিছু আসন জেতা-হারা নির্ভর করে মতুয়া ভোটের উপরে। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির প্রিয় ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি রাজনৈতিক ক্ষমতার টানাপোড়েনে দুই ভাগে বিভক্ত। সেখানকার ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে পারিবারিক টানাপোড়েনের মধ্যে রাজ্যের তরফের উন্নয়নকাজ অব্যাহত। অন্যদিকে আবার বিজেপির তরফেও রয়েছে নানা প্রতিশ্রুতি এবং এনআরসি ইস্যুতে মতুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে বনগাঁর উত্তর ও দক্ষিণ, বাগদা, গাইঘাটা জিতেছে বিজেপি। হাবড়া আসনে সামান্য ভোটে জিতেছেন খাদ্যমন্ত্রী। পাশের জেলা নদিয়ায় রানাঘাট উত্তরপূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, কৃষ্ণগঞ্জে মতুয়া ভোটের আধিক্য রয়েছে। সেখানে বিজেপি জিতেছে। মতুয়া নির্ণায়ক শক্তি এমন আসন হরিণঘাটা, কল্যাণী জিতেছে গেরুয়া শিবির। তবে তেহট্টে মতুয়া ভোট পেয়েছে তৃণমূল। উত্তরবঙ্গে গত লোকসভা ভোটেই ভাল ফল করেছিল বিজেপি। তার আগের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে যে কিছুটা হলেও হাওয়া রয়েছে তা বোঝা গিয়েছিল। এবার দেখা গেল রাজবংশী এবং কামতাপুরী সম্প্রদায়ের প্রভাব রয়েছে এমন আসনগুলি হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের।অন্যিদিকে, কোচবিহারের দিনহাটা, মাথাভাঙা, তুফানগঞ্জ, মেখলিগঞ্জ, কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ আলিপুরদুয়ারের বেশ কিছু আসন জিততে পারেনি তৃণমূল। এগুলি সবই রাজবংশী ভোটার বেশি। তারাই নির্ণায়ক শক্তি। গ্রেটার কোচবিহার আন্দোলনেও প্রাণ গিয়েছে এখানকারই মানুষের। এখানে দলের মধ্যে খুবই ঝামেলা রয়েছে যা ভোটের আগেও মেটানো যায়নি। নেতাদের অন্তর্দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে ভোটের বাক্সে। আবার পাহাড়ের দার্জিলিং ও কার্সিয়াংসহ ডুয়ার্সের আদিবাসী অধু্যষিত একাধিক আসন জিতেছে বিজেপি। যেগুলি পকেটে না পুরতে পারলে মোট আসনের নিরিখে সংখ্যাটা একটুও ভারী বা ওজনদার মনে হত না। তথ্য ও পরিসংখ্যানের প্রশ্ন মতুয়া এবং রাজবংশী ভোট নিজেদের ঝুলিতে ভরতে না পারলে কম করে কুড়িটি আসন কম পেতে পারত বিজেপি। এই প্রান্তিক, উপেক্ষিত মানুষগুলির একটা বড় অংশই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মান বাঁচাল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৩, ২০২১
কলকাতা

ভোটগণনার আগে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তপ্ত বেলেঘাটা

আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। কিছুক্ষণের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে বাংলার দায়িত্ব যাচ্ছে কার হাতে, তৃণমূল না বিজেপি। তার আগে উত্তেজনা ছড়াল বেলেঘাটায়। বিজেপির বুথ এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কোচবিহার থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে বেলেঘাটা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বুথ এজেন্টের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপর বাইকে ১০ থেকে ১২ জন যুবক বেলেঘাটা মেন রোড এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয়। বোমাবাজি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেইসময় অভিযুক্তরা পুলিশের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা। পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই বোমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। অন্যদিকে, ভোটগণনা শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে কোচবিহার মাথাভাঙ্গার পঞ্চানন মোড় এবং বাইশগুড়ি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই বোমাটি উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাবাজি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে প্রকাশ্যে এসেছে অশান্তির খবর। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত পুলিশ।

মে ০২, ২০২১
রাজনীতি

গেরুয়া ঝড়ের অপেক্ষায় কী বাংলা? কত আসন পেতে পারে বিজেপি, তৃণমূলের সম্ভাবনা কতটা? আর সংযুক্ত মোর্চা!

টানটান উত্তেজনায় রাজ্যের ২৯২টি কেন্দ্রে নির্বাচন শেষ হল। শেষ দিনেও উত্তজনার পারদ ছিল চরমে। রক্তও ঝড়েছে। রাজ্যে মোট ৮ দফার ভোটে কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এরা ভোট বানচাল করার চেষ্টা করছিল। বাহিনীর ওপর আক্রমণ শানিয়েছিল। যদিও নিরীহ ভোটারদের হত্যা করা হয়েছে বলে তৃণমূল অভিযোগ করেছে।ভোট শেষ হতেই এক্সিট৷ পোল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি চ্যানেলগুলো। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হবে। শুরু হয়েও গিয়েছে। সংস্থার সঙ্গে অন্য বিশেষজ্ঞ টিমও রয়েছে। যদিও এক্সিট পোল বা কোন সমীক্ষাই শেষকথা বলে না।জনতার কথা নির্বাচনের একমাস আগে থেকেই গ্রাম-বাংলা, শহরের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। সেক্ষত্রে জঙ্গলমহলের আদিবাসী সম্প্রদায় এবারও ক্ষোভপ্রকাশ করেছে রাজ্য সরকারের ওপর। স্বাভাবিক ভাবে পদ্মশিবিরেই ঝুঁকে তাঁরা। সেখানে গত লোকসভার মতো এবারও ফের আসন বাড়তে পারে বিজেপির। এদিকে উত্তরবঙ্গের রাজবংশীদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরে ভিড়ে আছে। সেক্ষেত্রে রাজবংশীদের ভোটের সামান্য অংশ তৃণমূল পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছ। আবার মতুয়ারা এবারও বেশিরভাগ বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরায়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে দলিত, আদিবাসীদের ভোটে বাজিমাত করবে বিজেপি। তারওপর ব্যাপক অ্যান্টিএস্টাব্লিসমেন্ট ভোট। তাছাড়া মেরুকরণের ভোট আছে। উন্নয়নের নিরিখে ভোটে লড়েছে তৃণমূল। জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়েছে। গ্যাস, পেট্রলের দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এসব ক্ষেত্রে শহরে ভোটাররা প্রভাবিত হবে। গ্রামে কোনও কাজ আসবে না বলে অভিজ্ঞ মহলের মত। বরং গ্রামের পর গ্রাম হিসেব হয়েছে কী কী পায়নি। কেন আবাস যোজনার বাড়ি পায়নি। কেন এখনও কু্ঁয়ো বা পুকুরের জল পান করতে হয়। কাটমানি, আমফানের হিসেবও আছে। ভোট দেওয়ার পর এসব অনেক জায়গায় চোখেমুখে ফুটে উটেছে।এসব ছাড়া ভোটে হাজার ইস্যু কাজ করে। তার কোনও ইয়াত্তা নেই। এমন কোন ভোট পন্ডিত নেই যিনি ভোটের হারজিতের নির্দিষ্ট কারণ বলতে পারবেন। প্রচুর স্থানীয় কারণ থাকে। বোফর্স মামলায় দেশ হিলেছিল। কিন্তু এবার রাজ্য যে ৮ দফার ভোট হল তার নির্দিষ্ট কোনও ইস্যু ছিল না তা স্পষ্ট। তবে দক্ষিণবঙ্গের গড়ে অনেকটাই ভোটে লড়াই দিয়েছে তৃণমূল। এটাই ঘাসফুল শিবিরের এখন বড় ভরসা।২৯১ কেন্দ্রের যা পরিস্থিতি ওপরের বিশ্লেষন অনুযায়ী রাজ্যে শাসন ক্ষমতায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রবল। রাজ্যের জনতা মনে করছে বিজেপি ১৬০-১৮০টি আসন পেতে পারে। তৃণমূল পেতে পারে ১০০-১১০টি আসন। সংযুক্ত মোর্চার জুটতে পারে ২০-২৫টি। এটা জনতার কথা, তাঁদের মতামত। এবার অনেক রথী-মহারথীর আসন টলে যাবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এইসব পরিসংখ্যান নির্ভুল হবে তার গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। তবে আগাম রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তো থাকবেই। নেতা-নেত্রীরা ভোট ঘোষণার পর থেকে রোজ বলছে কোন দফায় কত আসন পাবে। তাহলে মোট আসন সংখ্যা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে।হুইল চেয়ারে মমতা ম্যাজিক দেখার জন্য বসে আছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। অভিজ্ঞমহলের মতেএটাও এবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অঙ্ক ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
কলকাতা

আধাসেনাদের অশ্লীল আক্রমণ ফিরহাদের! ভাইরাল ভিডিও

এবার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনল বিজেপি। একটি ভাইরাল ভিডিওকে হাতিয়ার করে বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য দাবি করলেন, বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গালিগালাজ করেছেন তিনি। সুর চড়ালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। যদিও পুরমন্ত্রীর পালটা দাবি, তিনি কোনওরকম গালিগালাজ করেননি। তাঁর মুখে কথা বসানো হয়েছে। বিজেপি ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে।অমিত মালব্যর পোস্ট করা ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, প্রচারে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাম নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন ফিরহাদ। বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের দল এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও গালিগালাজ করেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী। ভিডিওটি পোস্ট করে অমিত মালব্য অভিযোগ করছেন,মমতা নিজেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন, তাঁর দলের মন্ত্রীরাই বা পিছিয়ে থাকবেন কীভাবে? বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের আবার দাবি, হতাশা থেকে এই ধরনের মন্তব্য করছেন তৃণমূল নেতারা। সংখ্যালঘুদের ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে তৃণমূল। দিলীপের বক্তব্য, চাষির গরু হারিয়ে গেলে যা হয়, সেটাই হচ্ছে তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী যা ইচ্ছা বলছেন, তাঁর মন্ত্রীরা যা ইচ্ছা বলছেন, সংখ্যালঘুদের উসকানি দিচ্ছেন। কিন্তু কেউ রাস্তায় নেই। বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অভিযোগও জানানো হয়েছে।Ye election ho jaane do, suar ke bache CISF ke against action lenge... says Firhad Hakim, TMC leader and ex-Mayor of Kolkata.If Mamata Banerjee is constantly instigating her cadres to indulge in violence against central para military forces, how can her minions be behind? pic.twitter.com/ceL1Di7xvK Amit Malviya (@amitmalviya) April 20, 2021যদিও এই ভিডিও ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ফিরহাদ নিজে। রাজ্যের পুরমন্ত্রীর দাবি, তাঁকে এবং তাঁর দলকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করছিল এক বিজেপি কর্মী। তাঁর মুখে সেই কথা বসানো হয়েছে। তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। ফিরহাদের কথায়,আমি গালাগালি কেন দেব? প্রত্যেকবার ভোটের আগে একটা করে এমন ফেক ভিডিও বিজেপি-র আইটি সেল ছড়ায়। এডিট করে দিয়েছে, বিজেপির আইটি সেল চরিত্র হনন করে। ফেক নিউজ, ফেক ভিডিও ছড়াচ্ছে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মরশুমে কালনায় ফের খুন বিজেপি কর্মী

নদিয়ার চাকদহের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের বাগান থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের ওই কর্মীকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দিয়ে গিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের পালটা দাবি, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁকে বিজেপি কর্মী হিসেবে মানতেও নারাজ তৃণমূল। এই ঘটনায় এলাকার উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে কালনা থানার পুলিশ। তবে দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে রাজ্যের ভোটপঞ্চমী। কিন্ত তার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের পরদিন অর্থাৎ রবিবার সকালে নদিয়ার চাকদহ বিধানসভার অন্তর্গত শিমুরলিয়া গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ করা হয়েছিল, পিটিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ি করেছিল বিজেপি শিবির। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই কালনায় আরেক বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল।স্থানীয় সূত্রে খবর, কালনার কল্যাণপুরে নিজের বাড়ির পাশেই এক বাগান থেকে অখিল প্রামাণিকের (৪৫) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর ভাই দেবু প্রামাণিকের অভিযোগ, গত কয়েকমাস ধরেই আমাকে আর আমার ভাইকে হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল কর্মীরা। ওরাই আমার ভাইকে খুন করল। পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অখিল। এদিন সকাল হতেই তাঁর খোঁজে বের হন স্ত্রী ও ভাই। তখনই বাড়ি থেকে দুশো-তিনশো মিটার দূরে অখিলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদেহটির পা মাটিতে ঠেকেছিল। মাটিতে কয়েক ফোঁটা রক্তও পড়েছিল। তা দেখেই পরিবার ও বিজেপি কর্মীদের দাবি অখিলকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

চাকদহে পিটিয়ে খুন বিজেপির পোলিং এজেন্ট

ভোটের মরশুমে পিটিয়ে খুন বিজেপির পোলিং এজেন্ট। পঞ্চম দফা নির্বাচনের পরদিনই নদিয়া জেলার চাকদহ বিধানসভা এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার হল বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। বিজেপির অভিযোগ, দলীয় কর্মীর খুনের পিছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। চাকদহ বিধানসভার রাওয়াড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডল পাড়া এলাকার বাসিন্দা দিলীপ কীর্তনিয়া। এলাকায় তিনি সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। দিলীপবাবু পোলিং এজেন্টও ছিলেন। অভিযোগ, শনিবার তিনি যখন বুথে বসতে যাচ্ছিলেন তখনই তাঁকে হুমকি দেয় তৃণমূল কর্মীরা। এর পর রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় কেউ বা কারা। তার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। ভোররাত থেকে খোঁজ শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি ঝোঁপের মধ্যে দিলীপবাবুর দেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তাঁর মুখ ও কান দিয়ে রক্ত ঝরছিল। সঙ্গে সঙ্গে চাকদহ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের সামনে উপস্থিত পরিবার পরিজন ও প্রতিবেশীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। দোষীদের গ্রেপ্তারির দাবিতে হাসপাতাল চত্বরেই বিক্ষোভ চলে বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, দিলীপকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্যস্তরে জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এটা তৃণমূলের সংস্কৃতি। পোলিং এজেন্টকে বাড়ি থেক ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করছে ওরা। বিজেপি করা তৃণমূলের কাছে অপরাধ। দলের উপরতলা থেকে বিরোধী শূন্য রাজনীতি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওদের কর্মীদের। তাই দলের নিচুতলার কর্মীরা খুনোখুনি করছে। দোষীদের শাস্তি চাই।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প হবে: অমিত শাহ

দুদিন বাদেই রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। তার আগে সিঙ্গুরে শিল্পের স্বপ্ন ফেরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সিঙ্গুরের বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সমর্থনে ব়্যালি করলেন বিজেপির তারকা প্রচারক। সেই রোড শো থেকে সিঙ্গুরে শিল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। তাঁর কথায়, শুধু ছোট বা মাঝারি নয়, রাজ্যে বড় শিল্প আনবে বিজেপি। শিল্প ফিরবে সিঙ্গুরেও।২০১১ সালে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়। আর সেই পরিবর্তনের ভরকেন্দ্র ছিল সিঙ্গুরও। টাটার ন্যানো প্রকল্প ঘিরে সেইসময় রাজ্য রাজনীতি আবর্তিত হয়েছিল। ক্ষমতায় এসে শিল্পের জন্য গৃহীত জমি কৃষকদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা। দিন কয়েক আগে সিঙ্গুরে সভা করে সেই এলাকার মানুষের আবেগকে ছুঁয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। বলেছিলেন, আমার আন্দোলনের স্থান। সিঙ্গুরে আমার আবেগজুড়ে রয়েছে। ক্ষমতায় ফিরে সিঙ্গুরে অ্যাগ্রোপার্ক তৈরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই কেন্দ্রের ভোটের আগে শাহি প্রচার সারলেন। স্বপ্ন দেখালেন রাজ্যে শিল্প গড়ার। বললেন, ছোট-মাঝারি-বড় সব ধরণের শিল্প হবে।কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এদিনও বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে বিজেপি যে ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে এদিনও আত্মপ্রত্যয়ী শাহ। সিঙ্গুরের পর ডোমজুড়েও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন শাহ। সেখান থেকে তাঁর দাবি, প্রথম তিন দফা নির্বাচনে ৬৩-৬৮টি আসন পাবে বিজেপি। এদিনের রোড শোয়ের পর এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী, ভর্তি হাসপাতালে

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। এবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার ১ নং ব্লকের হরিদেবপুর এলাকায়। সেখানেই মহিলা-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা দলবলকে তাড়া করে বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। আচমকা আক্রমণের মুখে পড়ে দীপক হালদার আহত হন। বুকে চোট নিয়ে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি আরও ১৫ জন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। ১১৭ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের দুবারের বিধায়ক দীপক হালদার। একুশের নির্বাচনে তিনি ফের নিজের কেন্দ্র থেকে লড়বেন। তবে ঘাসফুলের বদলে পদ্মশিবিরের সৈনিক তিনি। আগামী ৬ তারিখ, তৃতীয় দফায় ভোট ডায়মন্ডহারবারে। তার আগে প্রচার চলছে জোরকদমে। শুক্রবার সেই প্রচারে বেরিয়েই আক্রান্ত হলেন দীপকবাবু। তাঁর সঙ্গে থাকা ৩৫ জনের উপরও হামলা চলে বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের আঘাত গুরুতর। সকলেই ভর্তি হাসপাতালে। বিজেপি জেলা সভাপতি দেবাংশু পণ্ডার অভিযোগ, তৃণমূল এখানে হেরে যাবে, তা বুঝেই প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গৌতম অধিকারীর পাল্টা দাবি, ওঁর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় জনরোষ ছিলই। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে, প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা হাসপাতালের সামনে ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন, বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালে রোগী, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। খবর পেয়ে পারুলিয়া উপকূল থানা ও ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামানো হয়। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের আইসি সুজন রায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে তাঁদের হটিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করে দেয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন সকালেই নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী

ভোটের দিন সকালে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়ায়। অভিযোগ, বুধবার রাতে তৃণমূলের তরফে উদয়শংকর দেব নামে ওই ব্যক্তিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, সেই আতঙ্কেই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তৃণমূলের তরফে। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের পূর্ব ভেকুটিয়ার বাসিন্দা উদয়শংকর দেব। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সক্রিয় কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই কারণেই বারবার তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা হত তাঁকে। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁদের বাড়িতে যান। অভিযোগ, ভোট দিতে গেলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আতঙ্কে ভুগছিলেন উদয়শংকর। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতেই উদ্ধার হয় ওই ব্যক্তির দেহ। ভোটের দিন সকালে অধিকারীদের গড় নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূলের হুমকির জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন উদয়শংকর, এই অভিযোগ তুলে পথে নামেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব হন তাঁরা। বলেন, তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভোট দিতে যাওয়া কার্যত অসম্ভব।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত হবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দিলেন দীনেশ বাজাজ, নান্টু পাল

বুধবার বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক দীনেশ বাজাজ, শিলিগুড়ির উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল-সহ একাধিক নেতা-নেত্রী। এদিন দুপুরে হেস্টিংস অফিসে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন তাঁরা।চলতি মাসেই তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন জোড়াসাঁকোর প্রাক্তন বিধায়ক দীনেশ বাজাজ। এবার দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগেই বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। এদিন দীনেশ ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দেন শিলিগুড়ির উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল, প্রাক্তন কাউন্সিলর মঞ্জুশ্রী পাল, বিধান রোড ব্যবসায়িক সংগঠনের বাবলু তালুকদার, সর্বভারতীয় বৈশ্য ফেডারেশনের রাজ্যের সহ-সভাপতি সুমন আগরওয়াল, আইএনটিটিইউসির সহ-সভাপতি বিজয়শংকর পাণ্ডে।এদিকে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল থেকে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন নান্টু পাল। বুধবার কলকাতায় কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রার্থী ঘোষণার পরই তৃণমূলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন তিনি। শিলিগুড়ির প্রার্থী হয়েছেন ওমপ্রকাশ মিশ্র। তাঁকে বহিরাগত বলে দাগিয়ে দল ছাড়েন নান্টু পাল। এবার সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি।

মার্চ ৩১, ২০২১
রাজ্য

তমলুক থানার সামনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার রাতে পুলিশের সামনে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী ড. হরেকৃষ্ণ বেরাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তমলুক জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলায় তমলুকের হাসপাতাল মোড় অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সোমবার রাতে তাঁদের এক কর্মীকে মারধর করেছিল বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার অভিযোগ জানাতে তমলুক থানায় গিয়েছিল দলীয় কর্মীরা। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী তাঁদের সামনে পড়ে যান। তখনই জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আতেআর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজই তাকে তমলুকের জেলা আদালতে তোলা হবে। এদিন সকালবেলা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ জানান, গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে দিদির সরকার। আসুন গর্জে উঠি। ইভিএমে জবাব দিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। থানার সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁরা হারছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ৩০, ২০২১
কলকাতা

খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন দিনহাটার বিজেপি নেতা, রিপোর্ট বিবেক দুবের

খুন বা রাজনৈতিক অশান্তিতে মৃত্যু নয়, দিনহাটার বিজেপি নেতা আত্মহত্যাই করেছেন। সূত্রের খবর, ভোটের আগে শাসকদলকে কার্যত স্বস্তি দিয়ে রাজ্য কমিশনের তরফে নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এমনই রিপোর্ট দিলেন। অর্থাৎ পুলিশ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে বিজেপি নেতাদের অভিযোগ কার্যত খারিজ হয়ে গেল। এখন এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন বিষয়টি দেখবে।গত বুধবার সকালে দিনহাটা শহর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি অমিত সরকারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপি কার্যালয়ের লাগোয়া পশু চিকিৎসালয়ের বারান্দায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান প্রাতঃভ্রমণকারীরা। তাঁকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে দিনহাটায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে দেহ উদ্ধার করতে বাধা দেয় বিজেপি কর্মীরা। পরে অবশ্য দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যান দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক উদয়ন গুহর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। এই গুঞ্জনও শোনা যায়, তিনি এবার ভোটে প্রার্থী হতে না পেরে অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার জেরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে নির্বাচন কমিশনও নড়েচড়ে বসে। এ রাজ্যে নিযুক্ত দুই পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে, অজয় নায়েককে। কমিশনের নির্দেশ পাওয়া মাত্রই তাঁরা কপ্টারে পৌঁছে গিয়েছিলেন এলাকায়। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত সরকারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। কথা বলেন তাঁর দেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গে। সমস্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সোমবার তাঁরা কমিশনকে রিপোর্ট পাঠান।

মার্চ ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal