• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজ্য

Speaker: বিধানসভায় আদালতের হস্তক্ষেপ নিয়ে সরব স্পিকার, পাল্টা বিজেপির

বিধানসভার এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করছে আদালত। শুধু আদালতই নয়, দেশের বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা থেকে শুরু করে রাজ্যপাল পর্যন্ত বিধানসভার কাজে নাক গলাচ্ছেন বলে স্পিকারদের এক সর্বভারতীয় সম্মেলনে সরব হলেন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। রাজ্যের বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, গত ১০ বছরের বেশি সময়ে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের নেতা হয়েই রয়ে গিয়েছেন। পরিষদীয় ব্যবস্থাকে তামাশায় পরিণত করেছেন।আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সময়জ্ঞানের পাঠ দিলেন মোদিগত জুন মাসে এরকমই এক সম্মেলনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে সরব হন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপালের আচরণ নিয়ে তিনি সেবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছেও অভিযোগ করেন। মে মাসে বিধানসভা চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তায় থাকা কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এরপরই স্পিকার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বিধানসভায় ঢুকতে পারবে না। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি স্পিকারকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল, এমনটাই সূত্রের খবর।স্পিকারদের সম্মেলনে রোল অব লেজিসলেটর অ্যান্ড মিনিংফুল ডেমোক্রেসি শীর্ষক একটি বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এদিন বিমানবাবু বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা বিধানসভার স্পিকারকে না জানিয়ে কাজ করছে। কোনও সাংসদের বিরুদ্ধে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও পদক্ষেপ নিতে চাইলে সংসদের অনুমতি লাগে। বিধায়কদের ক্ষেত্রে তা করা হচ্ছে না। বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা হলে তা বিধানসভাতেই সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু আমাকে না জানিয়ে আদালতে চলে যাওয়া হচ্ছে। আদালতও সেইসব অভিযোগ গ্রহণ করছে। খোদ রাজ্যপাল বিভিন্নভাবে বিধানসভার এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করছেন। ফলে বিধানসভার কাজে হস্তক্ষেপ হচ্ছে বিভিন্নভাবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Nomination-Suvendu: মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুর

ঢাক-ঢোল বাজিয়ে, ধুনুচি নাচ নেচে সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন। পাশেই বসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রিয়াঙ্কার মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরই শুভেন্দু বলেন, এই লড়াই প্রিয়াঙ্কার একার নয়। সমগ্র রাজ্যবাসীর। এই লড়াই ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়। গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই।আরও পড়ুনঃ মমতার মনোনয়ন পেশ, লড়াই শুরু ঘর-এর মাঠেইএদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শাস্ত্র মতে, পঞ্জিকা মেনে শুভ কাজের জন্য আমরা এসেছি। লড়াইটা প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের একার লড়াই নয়। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত গণতন্ত্র প্রিয় মানুষের লড়াই। এমনকী আমি বলব, ভারতবর্ষের যাঁরা অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন দেখেন, এক দেশ শ্রেষ্ঠ দেশের স্বপ্ন দেখেন, ভারত মাতার বন্দনা করেন তাঁদের সকলের লড়াই। কারণ পশ্চিমবাংলায় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যে ভাবে ৫৫ জন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী সমর্থক থেকে ভোটাররা প্রাণ দিয়েছেন, মহিলাদের ইজ্জত সম্ভ্রম লুন্ঠিত হয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোর্টেও জানিয়েছে এ রাজ্যে আইনের শাসন নেই, শাসকদলের আইন চলছে। তাই গণতন্ত্রকে বাঁচানোর এই লড়াইয়ে ভবানীপুরের ভোটাররা বাড়িতে বসে থাকবেন না।আরও পড়ুনঃ অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরেঅন্যদিকে এ বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, আমি তো একটা প্রতীক মাত্র ছিলাম। নন্দীগ্রামের মানুষই ওনাকে হারিয়েছেন। মানুষ যদি ভোট দিতে পারে, বুথে ছাপ্পা না হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি কোয়ারেনটাইনের নামে মানুষকে আতঙ্কিত না করতে পারেন তবে ভবানীপুরেও মোদিজির আশীর্বাদপুষ্ট পদ্মফুলের প্রার্থী জিতবে। এক জন ১ লক্ষ মানুষকে ঘরছাড়া করেছেন। আর এই তরুণ আইনজীবী লড়াই করে তাঁদের বাড়ি ফিরিয়ে দিয়েছেন। তাই এখানেও গণতন্ত্রের জয় হবে।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের আগেই মমতাকে নন্দীগ্রামের হার মনে করালেন শুভেন্দুসোমবার সকালে ভবানীপুরের গোলবাড়ি মন্দিরে পুজো দেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। এরপর আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে মনোনয়ন পত্র পেশ করেন তিনি। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও ছিলেন সাংসদ অর্জুন সিং, দীনেশ ত্রিবেদী, শিশির বাজোরিয়া। মনোনয়ন জমা দিয়ে প্রিয়াঙ্কার হুঁশিয়ারি, বাংলা বাঁচাও, বাঙালি বাঁচাও স্লোগানকে সামনে রেখে লড়ব। একবার ভবানীপুরে ভোট হয়েছে। মানুষ তাঁদের রায় দিয়েছেন। তারপরও মুখ্যমন্ত্রী নিজের চেয়ার বাঁচাতে জোর করে ভোট করাচ্ছেন। আসলে উনি ভাবেন, উনি ছাড়া ওই চেয়ারে ওনার দলের আর কারও বসার যোগ্যতা নেই। সে জন্য কুর্সিটা ধরে রাখার জন্য ভোট করালেন।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজনীতি

BJP Candidate: ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা

শেষমেশ ভবানীপুর উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। ওই কেন্দ্রে রাজ্য বিজেপি-র যুবনেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করল গেরুয়াশিবির।মমতার বিরুদ্ধে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে একটা দোলাচল সৃষ্টি হয় দলের অন্দরে। বিজেপি-র অনেক বড় নেতাই মুখ ফিরিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যাঁদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তীও ছিলেন। কিন্তু তিনি মমতার বিরুদ্ধে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল। ফলে কাকে দাঁড় করানো হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আইনজীবী প্রিয়াঙ্কাকেই প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল বিজেপি। যদিও প্রিয়াঙ্কাকে ওই পদে প্রার্থী করা হতে পারে বলে একটা জল্পনা চলছিল। ঘটনাচক্রে প্রিয়াঙ্কা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। সেই জল্পনাকে সত্যি করেই নাম ঘোষণা করল পদ্মশিবির।আরও পড়ুনঃ ১৬ বছর বাদে দোষী সাব্যস্ত মূল অভিযুক্ত২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেয়াল। একসময়ে বাবুল সুপ্রিয় আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে এন্টালি থেকে প্রার্থী করা হলেও সেখানে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। হাইকোর্টও তাতে মান্যতা দেয়। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁকে দাঁড় করানো একপ্রকার পুরস্কারস্বরূপই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

CBI: বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রামে খুন হন বিজেপি নেতার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। হাইকোর্টের নির্দেশে এই খুনের মামলার তদন্তে নেমে ধৃতদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করলো সিবিআই। অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার কথা সিবিআই রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছে। সিআইয়ের দাবি, তল্লাশীতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তরোয়াল, কাস্তে ও কাটারি। এরআগে পুলিশও বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সহ সব কিছু নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে সোমবার বর্ধমান আদালতে আবেদন জানিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী ইন্সপেক্টার অরুন কুমার সিং। বিজেপি কর্মীর মা-কে খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সিবিআইয়ের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই নবগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ৩ মে দুপুরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। আশিসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি টাঙি দিয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী অনিল ক্ষেত্রপালকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি ক্ষেত্রপালও আক্রান্ত হন। নির্মম মারধর ও ভোজালির আঘাতে কাকলিদেবী মারাত্মক জখম হন। একই হামলায় জখম হন আশিস ক্ষেত্রপালেরকাকা মানস ক্ষেত্রপালও। জখমদের সকলকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলি ক্ষেত্রপালকে মৃত ঘোষণা করেন। জখম আশিসের বাবা ও কাকাকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি শক্তিপ্রমুখের বাড়িতে হামলা-আক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশ থেকে বিজেপির কর্মীসমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌছে তৃণমূলের লোকজনকে ঘিরে ফেলে। ওই সময়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘের্ষ তৃণমূলের দুই কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু ও বিভাস বাগ গুরুতর জখম হন।তাঁদের ওইদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করার কিছু সময় পর তাঁরাও মারা যান।আরও পড়ুনঃ আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?রাজনৈতিক হিংসায় একই দিনে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই তরফের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ পৃথক দুটি মামলা রুজু করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে যদিও বাড়ি ছাড়া থাকে আশিস ক্ষেত্রপাল পাল। পুলিশ পরের দিন ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্ত সম্পূর্ণ করে পুলিশ গত ৩ অগস্ট আদালতে চার্জশিটও পেশ করে দেয়। পুলিশি তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে বিজেপি নেতা আশিস ক্ষেত্রপাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটপরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। তদন্তের জন্য সিবিআই আধিকারিক দল ২৯ আগষ্ট প্রথম নবগ্রামে পা রাখে। তাঁর পর থেকে বেশ কয়েকদিন ধরে সিবিআই দল নবগ্রাম এলাকাচষে বেড়ায়। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক টিমও নবগ্রামে তদন্তে যায়। কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সকল সদস্যের পাশাপাশি এলাকার বেশ কয়েকজনের বয়ানও সিবিআই আধিকারিকরা নথিুভুক্ত করেন। তারই মাঝে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়েও এদিন আদালতে দাবি জানালো সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: ইডি দপ্তরে ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর বিস্ফোরক অভিষেক

৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা শেষে বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা করার আছে করে নিন। তৃণমূল কোনও অবস্থাতেই মাধা নোয়াবে না। ৯ ঘণ্টা ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ চলার পর বেরিয়ে এমনটাই বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪-এ বিজেপিকে হারানোর ডাক দিলেন তিনি। ইডি, সিবিআই লাগিয়ে নয়, রাজনৈতিক পথেই লড়ার বার্তা দিলেন অভিষেক। আজ সকাল ১১ টায় দিল্লিতে ইডির জামনগরের অফিসে ঢোকার পর চলে ম্যারাথন প্রশ্নোত্তর পর্ব। একগুচ্ছ প্রশ্নের মধ্যে উঠে আসে বিনয় মিশ্র, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ। ৯ ঘণ্টা পর ইডি দপ্তর থেকে বেরোন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েই পদ্ম শিবিরকে কড়া বার্তা দেন তিনি। দিল্লি থেকে তো বটেই, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে গিয়েও তৃণমূল গেরুয়া শিবিরকে পরাজিত করবে বলে বার্তা দেন তিনি। তিনি এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, আমাদের জীবন দিয়ে দেব তবু মাথা নোয়াব না এই সব ভীতুদের কাছে, যারা রাজনৈতিকভাবে হারাতে পারে না। তাঁর কথায়, আমাদের পেটের মধ্যে আগুন আছে। আমরা ২০২৪-এ বিজেপিকে হারাবই। কথা দিয়ে গেলাম।আরও পড়ুনঃ অধীরের ইচ্ছাবদল, মমতার বিরুদ্ধে জোট-প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেসবিজেপিকে তোপ দেগে অভিষেক মনে করিয়ে দেন, বাংলার নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের ফল প্রত্যাশাজনক হয়নি। তিনি বলেন, অমিত শাহ অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন। কী অবস্থা হল দেখুন। অমিত শাহের গাড়ি ৭০-এ আটকে গেল। ৯ ঘণ্টার জিজ্ঞসাবাদে অভিষেককে যে একাধিক অস্ব্স্তিজনক প্রশ্নে তদন্তকারী আধিকারিকেরা চাপের মুখে ফেলতে চেয়েছেন, তেমনটাই সূত্রের খবর। আর সেই জেরা শেষ করে রীতি মতো গলার জোরে অভিষেক বলেন, কোন মায় কা লালের হিম্মত আছে দেখি, যে ধমকে- চমকে তৃণমূলকে চুপ করাবে। যা করার আছে করে নিন। ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স যা লাগানোর আছে লাগিয়ে দিন। কিন্তু বিজেপিকে আমরা হারাবই। পাশাপাশি অভিষেক দাবি করেছেন, বাংলায় ২৫ জন বিধায়ক এই মুহূর্তে বিজেপিতে আসার জন্য আটকে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

CBI Visit: নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমে

হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য রবিবার পূর্ব বর্ধমানে পা রাখলো সিবিআই দল। চার সদস্যের সিবিআই আধিকারিকের দলটি এদিন দুপুরে পৌছান জেলার জামালপুর থানার আঝাপুর পঞ্চায়েতের নবগ্রামে।সিবিআই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে জেলার শাসক দলের নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছেন। তেমনি নবগ্রামের নিহত বিজেপি সমর্থকের পরিবার সদস্যরা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাত্রা শুরু ভিস্তাডোমের! তিস্তার বুক চিরে, ডুয়ার্সের চা-বাগানের ঘ্রাণ নিয়ে, সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে ঝর্ণায় মন ভিজিয়ে গহন জঙ্গলের পথেবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম। সেই হিংসার ঘটনায় নিহত হন দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭)। একই হিংসার ঘটনায় ওই দিন প্রাণ হারাণ নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার কেরে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!সিবিআই আধিকারিকরা এদিন নিহত বিজেপি সমর্থক কাকলি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। পরে তাঁরা যান নবগ্রামের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে পুলিশের সাক্ষী করা এলাকার বাসিন্দা মামনি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলে সেদিনের ঘটনা নিয়ে জানতে চান। মামনি ক্ষেত্রপাল যদিও সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়ে দেন, তিনি ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতেও ছিলেন না বলে সিবিআই আধিকারিকদের জানান। একই সঙ্গে মামনিদেবী সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পুলিশ কেন- কি জন্য তাঁকে সাক্ষী করেছে তার বিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না। এনাদের বক্তব্য নথিভুক্ত করার পাশাপাশি ভিডিওগ্রাফিও করেন সিবিআই আধিকারিকরা। কড়া পুলিশি পাহারায় এই দু জনের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রাম ছাড়েন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল জানান, তিনি সিবিআই অফিসারদের জানিয়েছেন তাঁর ছেলে আশিষ বিজেপি পার্টি কর। সেই কারণে তৃণমূলের লোকজন তাঁর ছেলেকে ও তাঁদের শত্রু বানিয়ে ফেলে। ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন তৃণমূলের সশস্ত্র দুস্কৃতিরা তাঁর ছেলের বাড়িতে আক্রমণ করে। ছেলেকে না পেয়ে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী কাকলিকে মারধোর শুরু করেদেয়। তারা টাঙ্গি দিয়ে তাঁর পায়ে মারে। ওই সময়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি তাঁকে বাঁচাতে গেলে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকেও আঘাত করে। তার জেরে কাকলি প্রাণ হারায়।মারধরে মারাত্মক জখম হয়ে এখন সাবলিল ভাবে পায়ে হেঁটে চলার শক্তি হারিয়েছেন বলে অনিল ক্ষেত্রপাল জানান।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরঅনিলবাবুর ছোট ছেলে, নবম শ্রেণির ছাত্র দীপঙ্করের সঙ্গেও সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন। কাকলিদেবীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন আশিস এখনও ঘরছাড়া হয়ে রয়েছে। তবে আক্ষেপ প্রকাশ করে অনিলবাবু বলেন, আমার সিবিআই কর্তাদের আরও অনেক কথা বলার ছিল। কিন্তু ওনারা আমাদের সব কথা সেই ভাবে শুনতেই চাইলেন না। এদিন নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যদিও যাননি সিবিআই আধিকারিকরা। তা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নিহত তৃণমূল কর্মীদের পরিবার।নিহত বিভাস বাগ ও শাজাহান শেখের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সিবিআই তাঁদের বাড়িতে না আসা থেকেই প্রমাণ হয়ে গেল সিবিআই পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে কাজ করছে। সিবিআই কেন তাঁদের কথা শুনবে না সেই প্রশ্ন এদিন তুলেছেন নিহত তৃণমূল কর্মী বিভাস বাগের স্ত্রী ঝর্ণাদেবী।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রজেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, সিবিআই বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলেই নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলার সদিচ্ছা দেখায় নি । যদিও জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিবিআই তদন্ত হওয়ায় তৃণমূল অশনি সংকেত দেখছেন। সে জন্যই এই সব মন্তব্য করছেন তৃণমূলের নেতারা।ভোট পরবর্তী হিংসায় জেলার কেতুগ্রাম থানার শ্রীপুর গ্রামের নিহত বিজেপি কর্মী বলরাম মাজির বাড়িতেও এদিন সন্ধ্যায় যায় ৪ সদস্যের সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। তাঁরা নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। নিহতের মা টুম্পা মাজি কেতুগ্রাম থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সিবিআই আধিকারিকদের কাছে। ছেলের হত্যার সুবিচার চেয়ে টুম্পাদেবী সিবিআই আধিকারিকদের কাছে আর্জিও জানান।

আগস্ট ২৯, ২০২১
কলকাতা

Bratya Basu: আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীর

বদলির প্রতিবাদে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা পাঁচ শিক্ষিকাকে বিজেপি ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এই ঘটনা অনভিপ্রেত বলে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ ফেসবুক পোস্ট করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ওই পাঁচ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। তাঁরা সকলেই আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।অন্যায়ভাবে বদলির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষিকারা। বদলির অস্বচ্ছতার দাবি তুলে রাস্তায় নামে শিক্ষক ঐক্য মঞ্চ। বিকাশ ভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েই সেই বিক্ষোভ। তারপর তাঁরা মুখে কিছু ঢেলে দেন। এরপর মুখ দিয়ে গ্যাজলা বেরোতে থাকেন। যে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে তাঁদের বিক্ষোভ, সেই ব্রাত্য বসুই তাঁদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা রাজ্যেরশিক্ষামন্ত্রী ফেসবুকে দাবি করেন, বাম সরকারের আমলে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগের অধীনে এসএসকে এবং এমএসকে-র সহায়ক-সহায়িকা, সম্প্রসারক-সম্প্রসারিকরা নামমাত্র সাম্মানিকের বিনিময়ে কাজ করতেন। কাজের নিশ্চয়তা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা বলে কিছু ছিল না। কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার শিক্ষা বিভাগের অধীনে এনে তাঁদের একটি সুসংবদ্ধ রূপ দেয়। সহায়ক-সহায়িকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে মাসিক ১০,৩৪০ টাকা এবং সম্প্রসারক সম্প্রসারিকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে ১৩,৩৯০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও বাৎসরিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট চালু করা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, যাঁরা ৬০ বছর বয়সে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন, তাঁদের অবসরের সময়ে প্রত্যেকের জন্য ৩ লক্ষ টাকা এককালীন অবসর-ভাতা চালু করা হয়েছে। এত কিছুর পরও যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা শিক্ষক শিক্ষিকা নন, বিজেপি ক্যাডার।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Lakshi Bhandar: লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ’ভিখারি’ বললেন দিলীপ ঘোষ

বাংলা ভাগের কথা অস্বীকার করে রাজ্য সরকারের লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে ফের অপ্রীতিকর মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিতে মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, ৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা ভিখারি নয়তো কি? একই সঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, ১০ বছরের তৃণমূল সরকার মানুষকে ভিখারি বানিয়ে ৫০০ টাকার জন্য লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতৃত্ব।রাঢ় বঙ্গের কার্যকর্তাদের নিয়ে এদিন বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বর্ধমানের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ, বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া , রাজু বন্দোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ১০ বছর সরকার চালানোর পর মানুষকে ভিখারি বানিয়ে দিয়ে ৫০০ টাকার জন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না। ভিড় করার জন্যেই এই সময়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প করা হচ্ছে। যাঁরা লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন তাঁদের ভিখারি বলছেন কেন? দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট জবাব, ৫০০ টাকার জন্য যারা লাইনে দাড়াচ্ছেন তাঁরা ভিখারি নয় তো কি? এটাকে কি উন্নয়ন বলে? দেশের কোটি কোটি লোক বাড়িতে বসেই হাজার হাজার টাকা ভাতা-অনুদান পেয়ে যাচ্ছেন। মোদিজি কৃষকদের ৬০০০ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। বাড়িতে বসেই তিন কিস্তিতে কৃষকরা সেই টাকা নিচ্ছেন। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন সবাইকে রাস্তায় দাঁড় করাচ্ছেন? বয়স্ক মানুষেরা চাপা পড়ে মরে যাচ্ছে।এই সব কোথাও শুনেছেন? মোদিজীকে দেখে ওঁরা শিখুক । অশোকনগরের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, টিএমসি নেতারা সব জায়গায় দাদাগিরি করছে। সরকারি যোজনার সুবিধা পেতে এত ভিড় করার কি দরকার আছে। একাউন্টে দিলেই তো পারতো।বাংলা ভাগের প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে এদিন ভিন্ন সুর শোনা যায় তাঁর গলায় । দিলীপ ঘোষ এদিন জানান, বিজেপি কখনই বঙ্গভঙ্গের কথা বলেনি। তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা পাকিস্তানকে ভাগ করে এই বাংলা নিয়ে এসেছে। সেই বাংলা যাতে সোনার বাংলা তৈরি হয় সেই চেষ্টাই তাঁরা করছেন বলে দিলীপ বাবু এদিন জানান।জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে বিহার বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলি যে মত দিয়েছে তার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সমাজের প্রতিটি লোকের নিজের মত বলার অধিকার আছে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন, সেন্সাস বোর্ড ও সরকার আছে। তাঁরা সবার সঙ্গে কথা বলে সহমত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।আদালতের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে সিবিআই বিভিন্ন জেলায় যাবে ।এই বিষয়ে বিজেপির অবস্থান কি হবে তা জানতে চাওয়া হলে দিলীপ ঘোষ বলেন ,আমাদের ডাকলে আমরা যাবো, সব তথ্য দেব।লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলাদের ভিখারি বলা নিয়ে দিলীপ ঘোষকে বাংলা দ্রোহী বলে আখ্যা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু । তিনি আরও বলেন, এইসব খারাপ কথা বলে বাংলার মেয়েদের ও মায়েদের অপমান করছেন দিলীপ ঘোষ।বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মহিলারা ওঁদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এই কু-মন্তব্যের জবাব বাংলার মহিলারা আগামী লোকসভা নির্বাচনেও দিয়ে দেবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

BJP: বিজেপিকে ভোট, অনাহারে মালদার ৫ হাজার জলবন্দি মানুষ

বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে অভুক্ত থাকতে হচ্ছে মালদার বানভাসি বহু মানুষকে। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ফুলহারের জলে প্লাবিত ৮ টি গ্রাম। প্লাবিত ঘর বাড়ি, জমি। জলবন্দি প্রায় ৫ হাজার পরিবার। অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিতে চলেছেন এই ৮ টি গ্রামের মানুষ। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ টি গ্রাম কাউয়াডোল, উত্তর ও দক্ষিণ ভাকুরিয়া, মিরপাড়া, রশিদপুর, খোপাকাঠি,তাঁতিপাড়া এবং ইসলামপুরে ফুলহার গ্রাম এখনও প্লাবিত।গত পঞ্চায়েত এবং বিধানসভা নির্বাচনে এই সব গ্রামে নামমাত্র ভোট পেয়েছে তৃণমূল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই কারণেই তাঁরা যাবতীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এমনকী, দেওয়া হচ্ছে না ত্রাণও। জুটছে না একটা ত্রিপলও। নেই খাওয়ার, নেই পানীয় জল। কার্যত অনাহারেই দিন কাটাচ্ছেন জলবন্দি প্রায় ৫ হাজার পরিবার। রাগ-ক্ষোভ জমতে জমতে এবার তা বিক্ষোভের আকার নিয়েছে। গ্রামে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দুর্গতরা। সোমবার সকাল থেকেই গ্রামে গ্রামে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীদুর্গতদের অভিযোগ, বন্যা পরিস্থিতি মালদার বিভিন্ন ব্লকেই। কিন্তু বেছে বেছে ত্রাণ বিলি করা হচ্ছে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি হিসেবে তাঁদের ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমনকী, প্রশাসনও এই বিষয়ে মদত দিচ্ছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, জল থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। কিন্তু চিকিৎসা করাতে পারছেন না। কারণ তাঁদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ডও নেই। এমনকী, করোনা ভ্যাকসিন থেকেও তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় এক মহিলার কথায়, ;আমাদের খাবার জুটছে না। ছোটো ছোটো বাচ্চা নিয়ে থাকি। আমাদের তো কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!এইসব গ্রামগুলোর মানুষের দুর্ভোগের কারণ শুধুমাত্রই কী শাসক দলকে ভোট না দেওয়া? মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য দলের সব স্তরের কর্মীদের এইধরনের ভেদাভেদ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ত্রাণ থেকে যাতে কাউকেই বঞ্চিত না করা হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলেছেন। কিন্তু, নেত্রীর কথা উপেক্ষা করেই চলছে সবকিছু। কার্যত অনাহারে দিন কাটছে জলবন্দি ৫ হাজার পরিবারের।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

TMC Murder: খড়দহে তৃণমূল নেতা খুনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বিজেপি-র ছোড়া গুলিতে এক তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে। শুক্রবার রাতের ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চাপানউতর শুরু হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। গভীর রাতে খড়দহে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন। মৃত রণজয় শ্রীবাস্তব ব্যারাকপুর লোকসভায় তৃণমূলের হিন্দি সংগঠনের সম্পাদক। এই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক ও তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরীর অভিযোগ, খুনের পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের নাম রণজয় শ্রীবাস্তব। তিনি গাড়ি নিয়ে খড়দহের বিটি রোড ধরে টাটা গেটের দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, তখনই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতী। তারপর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি এবং বোমা ছুড়তে শুরু করে। গুরুতর জখম হন রণজয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতএ নিয়েই রাজনৈতিক তরজা বেধেছে তৃণমূল-বিজেপিদুই দলের মধ্যে। তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরী এই ঘটনার পিছনে বিজেপিকে দায়ী করেছেন। আবার উল্টো দিকে বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের অভিযোগ, পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তারই পাল্টা অর্জুন সিং বলেন, প্রশান্ত চৌধুরীর বয়স হয়ে গিয়েছে। এর জন্য কেসটা ঘোরানোর চেষ্টা করছে। পশ্চিমবাংলায় ১৮২ জনের ওপর বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। কালকেই সোদপুরে জয় সাহাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা হয়েছে। কাজল সিনহার অনুগামীরা গোষ্ঠী কোন্দলে জড়িয়ে। বিজেপি খুনের রাজনীতি করেনি। এটা পুরোপুরি ওদের গোষ্ঠীকোন্দলের লড়াই। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, খড়দহের বাগদিপাড়া এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মোট চার রাউন্ড গুলি চলে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: ফের মুকুলের মুখে বিজেপি! নতুন কোন ইঙ্গিত দিলেন?

কৃষ্ণনগরে আবারও নির্বাচন হলে তিনিই জিতবেন। তবে তৃণমূলের টিকিটে নয়, বিজেপির টিকিটে লড়লেই জিতবেন। শুক্রবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে বললেন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বারবার তাঁর মুখে চলে আসছে বিজেপির নাম। এটা কেন, প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মুকুল বলেন, বিজেপির কাছে প্রশ্ন করা হলে, তার হিসাবেই উত্তর পাবে। অন্য রাজনৈতিক দলের কাছে প্রশ্ন করলে, সে জবাব দেবে। আমি বিজেপি দল হিসাবে বলেছি। আমি এখন স্বাভাবিকভাবে পুরোপুরি তৃণমূলে আছি।আরও পড়ুনঃ শাশুড়িকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার জামাই এদিন পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির দ্বিতীয় দিনের বৈঠক ছিল। বৈঠক শুরু হওয়ার ৩৬ মিনিট পর তিনি পৌঁছন। ১.৩০ নাগাদ তিনি বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কৃষ্ণনগর থেকে দাঁড়ালে জিতবেন কী না প্রশ্ন করা হলে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, আবারও বিপুল ভোটে জিতব। তবে বিজেপির টিকিটে দাঁড়াতে হবে। তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ালে কী হবে, সেটা মানুষ ঠিক করবে।বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, যিনি বঙ্গ রাজনীতিতে পরিচিত চাণক্য নামে। তাঁর এই মন্তব্যের পিছনে গূঢ় কোনও মানে রয়েছে কি না তা খোঁজার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা।। তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেবলই কৌতুক করতেই তাঁর এই উক্তি, নাকি এর পিছনে লুকিয়ে অন্য সমীকরণ, তা বোঝার চেষ্টা করছেন সকলেই।ত্রিপুরা ইস্যুতেও মুকুল এদিন মুখ খোলেন। সেখানে যা হচ্ছে, তা অন্যায়। তৃণমূল সেখানে ভালো ফল করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Manoranjan Bapari: বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবির

ফেসবুক পোস্ট থেকে বিরাম নেই বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর। তাঁর সোশাল মিডিয়ায় লাগাতার পোস্ট অস্বস্তিতে ফেলছে দলকে। এমনকী জনপ্রিয় স্লোগান খেলা হবে তুলে ধরে সরাসরি তিনি বিঁধেছেন বলাগড়ের দলীয় নেতৃত্বের একাংশকে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ দলের কেউ কেউ। রিক্সাচালক সাহিত্যিকের এমন ফেসবুক পোস্ট দেখে মুচকি হাসছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির হাতে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত এবং শয্যাশায়ী তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ কিছুতেই বিধায়কের খেলা হবে মানতে পারছেন না।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবলাগড়ের তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এনেছে। তাঁর আক্রমণের তিরে প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক অসীম মাঝি, হুগলি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়ককে নির্বোধ বলতেও ছাড়েননি, গদ্দার ও বেইমান তকমা তো রয়েছে! বিধায়ক বলেছেন, যাঁরা ভেবেছিলেন লোকসভা ভোটে ৩৬ হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা আসনে আমি হারব, আমি জেতায় তাঁরা সহ্য করতে পারছেন না। তাঁরা ভোটের সময় কাজ করেনি, বরং অন্য প্রার্থীকে ভোট দিতে বলেছে। আমি দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে গোটা বিষয় জানিয়েছি। বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট দেখে তৃণমূল কর্মীরাও বিভ্রান্ত।জিরাট কলেজের সামনে ফ্লেক্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির নীচে অসীম মাঝি ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। জানা গিয়েছে, ওই ফ্লেক্স সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন বিধায়ক। তা সরিয়ে শৌচাগারের কাছে রাখা হয়। তা দেখে দলনেত্রীকে অসম্মানের অভিযোগে অধ্যক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। পরে ফের তা লাগানো হলেও তৃণমূল নেতৃত্বই পরে গিয়ে ফ্লেক্সটা খুলে নেয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বিধায়ক। যদিও তাঁর প্রচারে অংশ না নেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেই সরব হয়েছে দলের একাংশ। সাধারণ কর্মীদের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কীভাবে মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সমর্থনে দিন-রাত খেটেছেন অসীম মাঝি, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে গতকাল ফেসবুক পোস্টে মনোরঞ্জন ব্যাপারী লিখেছিলেন, যারা বন্দুক রিভলবার দেখিয়ে ভোটে জেতে তাদের জনগনের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা থাকে না । তাঁরা মনে করে ওইভাবে বার বার জিতে যাবে। আমি তেমন ভাবে জিতি নি, জিততে চাই না। আমি জিতেছি মা মাটি মানুষের নেত্রী দিদি মমতা ব্যানার্জীর আশীর্বাদ আর আপনাাসায়। একাংশ মনে করছে বিধায়কের এই পোস্ট বিজেপির অভিযোগকে শক্ত করেছে। কারা বন্দুক, রিভলবার নিয়ে ভোটে জয়ী হয় সেই প্রশ্ন উঠেছে।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও ভোটের সময় বন্দুক দেখিয়ে নমিনেশনে বাধাদানের কথা বিধায়ক লিখেছেন ফেসবুকে। যদিও বিধায়কের মন্তব্য নিয়ে কিছু বলতে রাজি নন শান্তনু এবং প্রাক্তন বিধায়ক অসীম মাঝি। বিরোধীদের কটাক্ষ, বলাগড়ে বহিরাগত বিধায়ক হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তৃণমূল। তাঁর দলে থাকা নিয়েই সংশয়ে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেদলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ চেয়ে সোচ্চার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ। ভোটের ফলপ্রকাশের পর বাপ্পা ঘোষ, তাঁর ভাই বাপন-সহ জনা পঁচিশ তৃণমূল কর্মীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। বাপ্পার পেটে ছুরি চালানো হয়, বাপনের কাঁধে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। থানায় যে এফআইআর দায়ের হয় তাতে সাত নম্বরে নাম রয়েছে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বেচু নায়েকের। বেচুবাবু মনোরঞ্জন ব্যাপারীর বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করছেন! বাপ্পা ঘোষ জানান, তার উপর হামলার পরদিন বিধায়ক বাড়িতে এসেছিলেন। তারপর আর খোঁজ নেননি। সেদিন রাতে বিধায়ককে ফোনে পাইনি। বিধায়কের সঙ্গী শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন ধরে বলেছিলেন, দেখছি। তখন রাত ১১টা। কিন্তু হামলার খবর পেয়েই ছুটে এসেছিলেন শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপদে তাঁকে ছাড়া কাউকে পাশে পাইনি। তিনিই প্রথমে চুঁচুড়া ও পরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করান, প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদা মিটিয়ে প্রাণ রক্ষা করেছেন। নাহলে কী যে হত! বাপ্পার বক্তব্য, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের কয়েকজন আমার পরিবারকে দেখছেন। এখনও আমি অসুস্থ। অথচ আক্ষেপ যে মণ্ডল সভাপতি অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে পুলিশ পর্যন্ত যায়নি। কেন যায়নি সেটা আজ তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে বুঝছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
দেশ

RajyaSabha: রাজ্যসভায় হুইপ জারি বিজেপির

বাদল অধিবেশনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, তার আগেই হুইপ জারি করল বিজেপি। আজ ও আগামিকাল অর্থাৎ ১০ ও ১১ অগস্ট বিজেপির রাজ্যসভার সব সাংসদকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। কোনও এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে হুইপে। সোমবারই এই সংক্রান্ত তিন লাইনের একটি হুইপ জারি করা হয়েছে।সোমবার একটি নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজ্যসভার সব বিজেপি সাংসদকে জানানো হচ্ছে, মঙ্গলবার রাজ্যসভায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তাই মঙ্গলবার ও বুধবার রাজ্যসভার সব বিজেপি সাংসদকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে। সরকারকে সমর্থন করার জন্য উপস্থিত থাকতে হবে সাংসদদের। গত ১৯ জুলাই বাদল অধিবেশন শুরু হয়। এ বার অধিবেশনের শুরুর দিন থেকেই বিরোধীদের বিক্ষোভে বারবার উত্তাল হয় সংসদের উভয় কক্ষই। পেগাসাস থেকে কৃষি বিল বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয় বিরোধীরা। এমনকী, নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরিচয় করাতে গিয়েও বাধা প্রাপ্ত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৩ অগস্ট সেই অধিবেশন শেষ হয়ে যাচ্ছে। তার আগে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেন্দ্র সামনে আনতে চাইছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জটএ দিকে, গতকালই রাজ্যসভায় পেগাসাস নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট। সোমবার সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যে ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও-র সঙ্গে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়নি কেন্দ্রের। এ দিন রাজ্যসভার অধিবেশনে পেগাসাস প্রসঙ্গ তোলেন সিপিএম সাংসদ ভি শিবদাসন। তিনি জানতে চান, কেন্দ্রের সঙ্গে পেগাসাস প্রস্তুতকারক সংস্থা এনএসও-র কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কিনা। সেই প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট স্পষ্ট জানান, ইজরায়েলি সংস্থার সঙ্গে কোনওরকম আর্থিক লেনদেন হয়নি কেন্দ্রের। এই প্রথমবার কেন্দ্রের তরফ থেকে আড়িপাতার ঘটনায় কোনও স্পষ্ট জবাব দেওয়া হল।

আগস্ট ১০, ২০২১
কলকাতা

Torch Rally: বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালাম

বিজেপির মশাল মিছিল ঘিরে বিকেল গড়াতেই জায়গায় জায়গায় শুরু উত্তেজনা। ৯ অগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী বিজেপির বাংলা বাঁচাও সপ্তাহ উদযাপন কর্মসূচি রয়েছে। প্রথম দিনই ছিল মশাল মিছিল। মুরলীধর সেন লেন, ভবানীপুরে এই মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে। বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে মিছিল বেরোতেই করোনা পরিস্থিতির কারণে তা আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ। এরপরই শুরু হয় গোলমাল। বিজেপি অফিসের সামনে থেকে সাতজনকে আটক করে পুলিশ।করোনা পরিস্থিতির কারণে মশাল মিছিলে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। বিজেপির দপ্তরের সামনে সে সংক্রান্ত পোস্টারও লাগানো হয় কলকাতা পুলিশের তরফে। অভিযোগ, সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মশাল হাতে পথে নামেন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির রাজ্য দপ্তর মুরলীধর সেন লেন থেকে মশাল মিছিল এগোতে পারেনি। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি পর্যন্ত এই মিছিলের গন্তব্য হলেও শুরুর আগেই তা থেমে যায়। আটদিন ব্যাপী পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচির প্রথম দিনই ধাক্কা বিজেপি কর্মীদের।আরও পড়ুনঃ আজ ঝাড়গ্রাম সফরে মুখ্যমন্ত্রীপরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বিজেপি কর্মীদের সামলাতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন হয়। পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগেনোর চেষ্টা হয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় পুলিশের। পরে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ চত্বরে মাটিতে বসে পড়ে বিক্ষোভে সোচ্চার হতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা।এদিকে, পুলিশ মিছিল আটকানোয় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল, পুলিশ দিয়ে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। এরই পাশাপাশি এদিন বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় ভবানীপুরেও। মশাল মিছিল করতে আগেভাগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিল শুরুর আগেই সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ।মিছিল শুরুর চেষ্টা হলেই পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলাতেও এদিন বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্তের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয় ঘোলায়। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি বেধে যায় বিজেপি নেতৃত্বের।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Tripura TMC: মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, উত্তপ্ত ত্রিপুরা

মহামারী আইনে শনিবার রাতে তৃণমূল যুব নেতৃত্বের ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। দেবাংশু, জয়াদের আজ আদালতে পেশ করবে পুলিশ। এদিকে শেষ রক্ত বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আগেই। এবার আজ, রবিবার ফের ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের হুঁশিয়ারি, পারলে আটকান। তৃণমূলের অভিযোগ, শনিবার তাদের যুব কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে ত্রিপুরায়। উল্টে দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপি অবশ্য তৃণমূলের অভিযোগকে নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছে। আজ আবার উত্তপ্ত হতে পারে ত্রিপুরা।আরও পড়ুনঃ বিপ্লব করতে আজ ত্রিপুরায় যাচ্ছেন অভিষেকত্রিপুরা অভিযান শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করেই ত্রিপুরা যাতায়াত শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার এই বাংলা থেকে ত্রিপুরা যাতায়াত করাকে বহিরাগতদের ত্রিপুরা আগমন বলে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। এরাজ্যে সর্বভারতীয় বিজেপি নেতাদের আসাকে বহিরাগত বলে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াএর আগে অভিষেক ত্রিপুরায় যাওয়ার দিন ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। অভিষেকের যাতায়াতের রাস্তায় পথ অবরোধ, তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তো ছিলই। তাছাড়া ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের গাড়িতেও বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ত্রিপুরার গনতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। যদিও বিজেপির বক্তব্য ছিল পুরো ঘটনা সাজানো। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গের তুলনা টেনে এনেছেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১৫ জেলায় সারাদিন চলবে বৃষ্টিএদিকে গতকাল ত্রিপুরার আমবাসার রাস্তায় তৃণমূলের যুব নেতৃত্ব দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, সুদীপ রাহাদের ওপর বিজেপি হামলা করেছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল। বোমা, গুলি চলেছে বলেও অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে আজ পরশি রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূলের যুবরাজ। ফের রাতেই খবর আসে ১১ জন তৃণমূল যুব নেতাকে গ্রেফতার করেছে মহামারী আইনে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

CM letter to PM: ফের একবার মোদিকে চিঠি মমতার, কী বললেন চিঠিতে?

কেন্দ্র পর্যাপ্ত টিকা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে মমতা অভিযোগ করেছেন, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যদিকে টিকাকরণের গতি ভাল হলেও চাহিদার তুলনায় বাংলা অনেক কম টিকা পাচ্ছে বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারতবৃহস্পতিবার চিঠিতে মমতা লেখেন, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, কর্নাটকের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি পরিমাণে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যান্য রাজ্য বেশি টিকা পেলে আমার কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু বাংলাকে বঞ্চিত হতে দেখে আমি চুপ করে থাকতে পারব না। মমতা আরও অভিযোগ করেছেন, টিকার জোগানে ঘাটতি নিয়ে বার বার কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। দিল্লি সফরে গিয়েও টিকার প্রসঙ্গ তুলেছেন। কিন্তু কোনও জবাব পাননি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে সংক্রমণ বাড়ায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু রাজ্যগুলিকে পর্যাপ্ত টিকা না পাঠানোর ফলেই প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, বাংলায় এই মুহূর্তে প্রতি দিন ৪ লক্ষ টিকাকরণ হচ্ছে। রাজ্য প্রতিদিন ১১ লক্ষ টিকা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু সেই তুলনায় অনেক কম টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩ কোটি ৮ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম টিকা পেয়েছেন ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন ৮৮ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে টিকা সব থেকে কম নষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য ১৪ কোটি টিকা প্রয়োজন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র মাত্র ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Babul Supriyo: নাড্ডার কথায় মত বদল বাবুলের

থাকবেন না কি ছাড়বেন, এই নিয়ে ২ দিন টানাপড়েন ভালই চলছিল। অবশেষে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হল। রাজনীতি ছাড়লেও সাংসদ পদ ছাড়ছেন না বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংসদ হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করার কথা জানালেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসিনি। তবে এখনই ইস্তফা দিচ্ছি না। বিকল্প আয় না থাকায় বাবুল সাংসদ হিসেবে তাঁর বেতন এবং ভাতা নেবেন বলেও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতসোমবার রাতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁর বাড়িতে বাবুলের সঙ্গে বৈঠকে করেন। রাত ৮ নাগাদ বাবুল নিজেই গাড়ি চালিয়ে নড্ডার বাড়িতে পৌঁছন। বিজেপি সূত্রের খবর, বাবুলের মান ভাঙাতেই হয় বৈঠক। বৈঠকের পর অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেন বাবুল। পাশাপাশি সাংসদ হিসেবে ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, সাংসদ হিসেবে আমার সাধ্যমত আসানসোলের মানুষের সেবা করে যাব।আরও পড়ুনঃ মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালশনিবার বাবুল প্রথমে রাজনীতি ছাড়ছেন ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন অন্য কোনও দলেই তিনি যোগ দিচ্ছেন না। এর পরে তিনি কেন সাংসদ পদ ছাড়ছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানতে চান, উনি কি ইস্তফা দিয়েছেন, খোঁজ নিন। এর পরে পরেই বাবুল নিজের ফেসবুক পোস্ট এডিট করে জানান, তিনি খুব তাড়াতাড়ি ইস্তফা দেবেন। মন্ত্রী ও সাংসদ হিসেবে পাওয়া দিল্লির বাড়িও ছেড়ে দেবেন। শনিবার রাতেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডার ডাকে দলের সদর দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বাবুল। সূত্রের খবর, তিনি নাড্ডাকে দল সম্পর্কে নিজের ক্ষোভের কথা জানান। বিজেপি সূত্রের খবর, এরপর মন্ত্রিত্ব হারানো বাবুলের ক্ষোভ প্রশমনে রবিবার সক্রিয় হয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন অমিত শাহ। নাড্ডা বাবুলকে সোমবার আলোচনার জন্যও ডাকেন। সেই ডাকে সাড়া দেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুএদিকে, বাবুল সাংসদ পদে ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষে ফের তাঁর বিরুদ্ধে নাটক করার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, পুরোটাই কাঁচা হাতের চিত্রনাট্য। কী ঘটতে চলেছে, তা আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজনীতি

TMC: 'পদত্যাগ করিনি, তৃণমূলেই আছি', বললেন মুকুল-অনুগামী সাংসদ

আপাতত নানা জল্পনার অবসান ঘটালেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। বিধানসভা ভোটের মুখে হঠাৎই বেসুরো শোনা গিয়েছিল সুনীলকে। কিন্তু এরইমধ্যে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অন্যরকম হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল থেকে মোহভঙ্গ হয়ে যাঁরা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন, অনেকেই নিজেদের সিদ্ধান্ত বদল করে ঘাসফুলেই ফিরে এসেছেন। এরমধ্যে বড় নাম মুকুল রায়।একদা মেদিনীপুরে অমিত শাহর সভায় দেখা গিয়েছিল সুনীল মণ্ডলকে। তখন থেকেই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। তাহলে কী রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে বিজেপিতে নাম লেখাতে চলেছেন তৃণমূলের সাংসদ? প্রশ্ন উঠেছিল। এতদিনে সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন সুনীল নিজেই। সাংসদ জানালেন, তৃণমূলে ছিলাম, আছি। কবে তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেছি? যদিও বিজেপিকে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।আরও পড়ুনঃ বেপরোয়া গতি প্রাণ কাড়ল ৬ শ্রমিকেরসম্প্রতি, মুকুল রায়ের বাসভবনে গিয়েছিলেন সুনীল, সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ২ জনের মধ্যে বৈঠকও হয় বলে খবর। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকেই হয়তো সুনীলের মনের ভাব বুঝে নিয়েছেন মুকুল। আর কাজ হয়েছে তাতেই। তাই এবার তিনি ঘোষণা করেই ফেললেন, তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেননি। দলেই আছেন ও থাকবেনও। উল্লেখ্য, গলসির ফরওয়ার্ড ব্লক বিধায়ক থেকে সুনীলের তৃণমূলে যোগদানের পিছনে মুকুল রায়ের বড় হাত ছিল। এরপর থেকেই মুকুলের অনুগামী হিসেবেই পরিচিত সুনীল মণ্ডল। এরপর মুকুল রায় বিজেপিতে যাওয়ার পর তিনিও হয়তো মন তৈরিই করে ফেলেছিলেন বিজেপিতে যাওয়ার। কিন্তু এরইমধ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর আপাতত সেই চিন্তাধারায় আপাতত ইতি পড়ল বলে মত রাজনৈতিক মহলের। বিশেষজ্ঞদের মতে, মুকুল যেখানে, সুনীলও সেখানে।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজনীতি

বড় খবরঃ Babul Supriyo: রাজনীতিকে আলবিদা বাবুলের, ছাড়ছেন সাংসদ পদও

রাজনীতি ছাড়তে চলেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়! বাবুলের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনীতিতে। মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন আলবিদা। লিখেছেন চললাম....। তবে তিনি সিপিএম, কংগ্রেস বা তৃণমূলে যোগ দেনেন না বলেও ঘোষণা করেছেন। সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন বাবুল।শনিবার বিকেলে লম্বা লেখা পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। কি লিখেছেন বাবুল?প্রথমেই লিখেছেন...চললাম.. Alvida সবার সব কথা শুনলাম - বাবা, (মা) স্ত্রী, কন্যা, দুএকজন প্রিয় বন্ধুবান্ধব.. সবটুকু শুনে বুঝেই অনুভব করেই বলি, অন্য কোন দলেও যাচ্ছি না - #TMC, #Congress, #CPIM, কোথাও নয় - Confirm করছি, কেউ আমাকে ডাকেওনি, আমিও কোথাও যাচ্ছি না 😊 Iতাঁর রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সঙ্গে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সম্পর্কের কথাও স্বীকার করেছেন দুবারের গেরুয়া শিবিরের গায়ক সাংসদ। তিনি লিখেছেন, কিন্তু একটা প্রশ্নের জবাব আমাকে দিয়ে যেতেই হবে because its pertinent ! প্রশ্ন উঠবেই কেনই বা রাজনীতি ছাড়তে গেছিলাম? মন্ত্রিত্ব চলে যাওয়ার সাথে তার কি কোনো সম্পর্ক আছে? হ্যাঁ আছে - কিছুটা তো নিশ্চয় আছে ! তঞ্চকতা করতে চাইনা তাই সে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেই তা সঠিক হবে-আমাকেও তা শান্তি দেবে |বাবুল দলের প্রাক্তন সভাপতি অমিত শাহ ও বর্তমান সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা সম্পর্কে লিখেছেন...বিগত কয়েকদিনে বার বার মাননীয় অমিত শাহ ও মাননীয় নাড্ডাজির কাছে রাজনীতি ছাড়ার সঙ্কল্প নিয়ে গেছি এবং আমি ওঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ যে প্রতিবারই ওঁরা আমাকে নানাভাবে অনুপ্রাণিত করে ফিরিয়ে দিয়েছেন | আমি তাঁদের এই ভালোবাসা কোনো দিন ভুলবো না আর তাই আবার তাঁদের কাছে গিয়ে সেই একই কথা বলার ধৃষ্টতা আর আমি দেখাতে পারবো না 🙏 বিশেষ করে আমার আমি কি করতে চায় তা যখন আমি অনেকদিন আগেই ঠিক করে ফেলেছি || কাজেই আবার একই কথার পুনরাবৃত্তি করতে গেলে কোথাও না কোথাও তাঁরা ভাবতেই পারেন যে আমি কোনো পদের জন্য Bargain করছি। আর তা যখন একেবারেই সত্য নয় তখন একেবারেই চাইনা যে তাঁদের মনের ঈশান কোণেও সেই সন্দেহের উদ্রেক হোক - এক মূহুর্তের জন্য হলেও।প্রার্থনা করি ওঁরা আমায় ভুল না বুঝে, ক্ষমা করবেন।

জুলাই ৩১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • ...
  • 44
  • 45
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal