• ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West Bengal

রাজ্য

বসন্তেই হঠাৎ বৃষ্টির দাপট! কোন কোন জেলায় নামবে ঝড়বৃষ্টি, নতুন সতর্কবার্তা আবহাওয়া দফতরের

বসন্তের মাঝেই হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ অনেক জায়গায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টিও দেখা গেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।এই বৃষ্টির জেরে আপাতত গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন মানুষ। গত বছর এই সময়েই পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছিল। কলকাতাতেও তখন তীব্র ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল। তবে এ বার পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। বৃষ্টির কারণে এখনো সেই তীব্র গরমের মুখে পড়তে হয়নি রাজ্যবাসীকে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশ এলাকায় তৈরি হওয়া একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই এই বৃষ্টি হচ্ছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া কিছুটা শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পরিমাণ আবার বাড়তে পারে। বিশেষ করে রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সময় কলকাতাতেও বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবারও পাহাড় এবং সংলগ্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শুক্রবার সকালে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ কিছুটা বেড়েছে। আজ শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার থেকে আবারও কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে আলাদা নজরদার, নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন পরিকল্পনা করেছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এ বার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার ভাবনা চলছে।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোট একশো ষাট জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ছিলেন। সে ক্ষেত্রে এক জন আধিকারিককে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার সেই ব্যবস্থা বদলাতে পারে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি আরও শক্ত হবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষকই নয়, ভোটের খরচের হিসেব দেখার জন্য ব্যয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও এ বার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও।গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট সাতত্রিশ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এ বার সেই সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। সূত্রের খবর, জেলা বা মহকুমা ভিত্তিক নিয়োগের বদলে নির্দিষ্ট এলাকা বা বিধানসভা কেন্দ্র ধরে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এমনকী কিছু স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এক জনের বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষকও থাকতে পারেন।কমিশনের এই সূক্ষ্ম পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, ভোটের সময় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। তালিকায় ন্যূনতম পদমর্যাদা হিসেবে মহকুমা শাসক স্তরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। যদিও সিনিয়র পদমর্যাদার আধিকারিকও থাকতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে নিচের স্তর হিসেবে মহকুমা শাসক পদই নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন ডিএমডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেতেন। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই পদমর্যাদার কাউকে রাখা হয়নি। যাঁদের নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সকলেই তুলনামূলক ভাবে সিনিয়র আধিকারিক বলে জানা গেছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাংলায় নতুন রাজ্যপাল! শপথ নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, অনুপস্থিত বিজেপি

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় দায়িত্ব নিলেন নতুন রাজ্যপাল। রবীন্দ্র নারায়ণ রবি এ দিন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।রাজভবনে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। তবে এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বিজেপির কোনও প্রতিনিধিকেও এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফার পরই নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে। এর আগে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন একাধিক ইস্যুতে সে রাজ্যের সরকারের সঙ্গে তাঁর সংঘাত তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বিভিন্ন বিল নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ে। সেই সময় ডিএমকে সরকার একাধিকবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তাঁকে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর আবেদন জানিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতেই এবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। অন্যদিকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবনের সরকারি সামাজিক মাধ্যমের পাতায় সেই চিঠি প্রকাশ করা হয়।সেই চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সবসময় অটুট থাকবে। বাংলার আবেগকে সামনে রেখে তিনি মহাত্মা গান্ধীর একটি বক্তব্যও উল্লেখ করেন। সেখানে লেখা ছিল, আমি বাংলা ছেড়ে যেতে পারছি না, আর বাংলা আমাকে ছেড়ে যেতে দেবে না।এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে তাঁকে হঠাৎ করেই পদ ছাড়তে হয়েছে। প্রায় তিন বছর চার মাস আগে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন আনন্দ বোস।দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা থেকে প্রশাসনিক নানা বিষয় নিয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে বারবার সমালোচনা করেছিলেন। রাজ্যপাল এবং নবান্নের মধ্যে একাধিক ইস্যুতে ঠান্ডা লড়াই চলেছিল দীর্ঘদিন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা এবং নতুন রাজ্যপাল হিসেবে রবীন্দ্র নারায়ণ রবির আগমন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের একাংশের দাবি, তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন রাজ্য সরকারের সঙ্গে বারবার সংঘাতে জড়ানো একজনকে বাংলায় পাঠানোর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।এদিকে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে নিজের পদত্যাগ নিয়ে আনন্দ বোস সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সময় হলে সব কথা জানাবেন। এরপর আর রাজভবনে ওঠেননি তিনি। সৌজন্যের খাতিরে তাঁকে রাজ্য সরকারের তরফে সৌজন্য নামে একটি ভবনে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এমনকি যাওয়ার আগে নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে রাজভবনেও আর যাননি তিনি।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ভোটের দিন কি ১৬ মার্চই ঘোষণা? তুঙ্গে জল্পনা, ঝুলে ৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই সঙ্গে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।তবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ। এখনও তাঁদের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই এখন আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হতে পারে বলে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। তাদের দাবি, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে।সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে। আর ভোটের ফল ঘোষণাও এপ্রিল মাসের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিচারাধীন ভোটারদের বিষয়টি। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই তালিকার ভাগ্য নির্ধারণের কাজ করছেন বিচারিক আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচশো জন বিচারিক আধিকারিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আগাম আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তবে সেই আবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের বিষয় ঝুলে রয়েছে।জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানির প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হবে। এখন সবাই তাকিয়ে রয়েছে ১৬ মার্চের দিকে। ওই দিনই কি বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

বুথে গোলমাল হলেই পুনর্নির্বাচন! বাংলায় বড় বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

বাংলায় বিভিন্ন নির্বাচনে বুথ জ্যাম, ভোট লুঠ বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। অনেক সময় বুথের সিসিটিভি বন্ধ করে গন্ডগোলের অভিযোগও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপের কথা জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, বুথে কোনও ধরনের গন্ডগোল বা অনিয়ম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনও করা হবে।রবিবার রাতে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ দল রাজ্যে পৌঁছয়। সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। এরপর মঙ্গলবার দিল্লিতে ফেরার আগে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতেই একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটের সময় অশান্তি বা গন্ডগোল কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জানান, এবার প্রতিটি বুথে সিসিটিভি এবং ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। শুধু বুথের ভিতরেই নয়, বুথের বাইরেও নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে।এর আগে অনেক বুথে সিসিটিভি থাকলেও সেখানে গন্ডগোলের অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে সিসিটিভির উপরে চুইনগাম লাগিয়ে বা সেটি বিকল করে বুথ জ্যাম করা হয়েছে।এই ধরনের ঘটনার কথা মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি দেখা যায় কোনও বুথে সিসিটিভি ইচ্ছাকৃতভাবে বিকল করে দেওয়া হয়েছে, তবে সেই বুথে সঙ্গে সঙ্গেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শুধু বুথের ভিতরের দৃশ্য নয়, বুথের বাইরের পরিস্থিতিও নজরে রাখা হবে। যদি বাইরে কোনও ধরনের গোলমালের ছবি ধরা পড়ে, তবে কমিশন থেকে তা পর্যবেক্ষণ করে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে কমিশনের এই কড়া বার্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ রাখতে কমিশন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শিলিগুড়ি সফরে প্রোটোকল বিতর্ক, কেন্দ্র রাজ্যকে রিপোর্ট তলব

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে রবিবার সকালে এই নির্দেশ পাঠানো হয়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোটবোনের মতো। আমি বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা হয়তো রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি বা কোনও মন্ত্রী আসেননি। তবে এটা বড় বিষয় নয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবারই প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ওঁর (দ্রৌপদী মুর্মু) অনুষ্ঠানের কথা আমি জানতাম না। এটি কোনও সরকারি অনুষ্ঠান নয়, সম্পূর্ণ বেসরকারি। আমরা এখানে কী করব? আমি এখন ধরনায় আছি, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছি। আপনারা বিজেপির অগ্রাধিকার হতে পারেন, আমার কাছে আমার জনতাই সব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রপতি একজন সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, আমরা তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু বিজেপি তাঁকে রাজনীতি করতে পাঠিয়েছে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ঘটনা শান্ত হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছেন। মুখ্যসচিবকে জানতে চাওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল।

মার্চ ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বেকারদের জন্য বড় চমক! ঘোষণার আগেই ঢুকছে ভাতা, আজ থেকেই টাকা পাচ্ছেন যুবক-যুবতীরা

বাজেট ঘোষণার সময়েই জানানো হয়েছিল, রাজ্যের মাধ্যমিক পাশ করা অথচ এখনও চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন ভাতা চালু করবে রাজ্য সরকার। যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এই ভাতা।প্রথমে জানা গিয়েছিল, চলতি বছরের অগস্ট মাস থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা অনেকটাই এগিয়ে এনে ঘোষণা করা হয়, ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে শনিবার আরও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে এই ভাতা। অর্থাৎ ১ এপ্রিল নয়, শনিবার ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা পাওয়া শুরু করবেন বেকার যুবক-যুবতীরা।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে যেটা ঢোকার কথা ছিল সেটা আজ থেকেই ঢুকবে। যুবসাথীর টাকা আজ থেকেই পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা যা বলি, তা করি।যুবসাথী প্রকল্পে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সম্প্রতি ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের মহিলারা এখন আগের থেকে আরও পাঁচশো টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়েও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর চলছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ভোটের আগে ভাতা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এই পরিস্থিতিতে বেকার ভাতা আগেভাগে চালু হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
রাজ্য

মোদির রাজ্যে স্কুল-আদালতে বোমাতঙ্ক! বাংলার যুবক গ্রেপ্তার, ফাঁস হতে পারে বড় চক্রান্ত

মোদির রাজ্য গুজরাট-এর একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানোর অভিযোগে বাংলার এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার আহমেদাবাদ-এর অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ দমন শাখার যৌথ অভিযানে তাকে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে এ রাজ্যে আনা হচ্ছে। এখানে আনার পর আদালতে পেশ করা হবে।ধৃত যুবকের নাম সৌরভ বিশ্বাস। অভিযোগ, গুজরাটের একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়াতে তিনিই হুমকি মেল পাঠিয়েছিলেন। গত ২৩ জানুয়ারি গুজরাটের অন্তত ১৭টি স্কুলে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়। সেই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্কুলগুলিতে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারিতে পরপর কয়েক দিন গুজরাটের বিভিন্ন আদালতেও একই ধরনের হুমকি মেল আসে।তদন্তে নামে আহমেদাবাদের অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ শাখা। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার আহমেদাবাদ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় সৌরভকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই কাজের পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর খুঁজে তা কাজে লাগাতেই এই হুমকি মেল পাঠানো হয়ে থাকতে পারে।শুধু গুজরাট নয়, দিল্লি এবং সম্প্রতি এ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা আদালত ও পোস্ট অফিসেও একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল হুমকি মেল। পরে সেগুলি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই ঘটনাগুলির সঙ্গেও কি ধৃত যুবকের যোগ রয়েছে?তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কেন বারবার স্কুল ও আদালতকেই নিশানা করা হচ্ছিল। এর পেছনে বড় কোনও চক্রান্ত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৌরভকে এ রাজ্যে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকায় মৃত্যু ঘোষণা, সরকারি পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কায় দিশেহারা পরিবার

জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় মৃত! এমনই অবিশ্বাস্য ঘটনার অভিযোগ উঠেছে কালনা পুরসভার বারো নম্বর ওয়ার্ডে। খসড়া ভোটার তালিকায় নামের পাশে মৃত বলে উল্লেখ করা হলেও, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আর নামই নেই বিয়াল্লিশ বছরের পূর্ণ সাহার। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পূর্ণ সাহা পেশায় দিনমজুর। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা ও স্ত্রী। অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও খসড়া তালিকায় তাঁর নামের পাশে মৃত বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নিজেই কালনা পুরসভায় যান এবং ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহের চেষ্টা করেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়ে বসে প্রশাসন। তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়, ভোটার তালিকায় জীবিত হিসেবেই নাম তোলা হবে।কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, তাঁর মা ও স্ত্রীর নাম থাকলেও পূর্ণ সাহার নাম নেই। ফলে জীবিত থেকেও সরকারি ভাবে মৃত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে তাঁর পরিবারের। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই নানা হেনস্থা ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, পুরো বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের হাতে, তাই দায় তাদেরই। পাল্টা বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে নিয়োগ পাওয়া বুথ স্তরের কর্মীরাই এই ধরনের ভুল করছেন। সাধারণ এক দিনমজুরের জীবনে প্রশাসনিক ভুল কত বড় প্রভাব ফেলতে পারে, সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

যে কোনও মুহূর্তে প্রয়োজন হতে পারে! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

ভোটার তালিকা প্রকাশ, দোলযাত্রা ও হোলি উৎসবকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য পুলিশের তরফে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার জারি হওয়া অর্ডার নম্বর ৪১২ অনুসারে সমস্ত বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনী ও বিশেষ ইউনিটগুলিকে জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।ডিআইজি, আইজিপি এবং এডিজি-সহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রত্যেক ব্যাটালিয়ন সদর দফতরে সর্বোচ্চ সংখ্যক অফিসার ও জওয়ান মোতায়েন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও রুটিন ডিউটি থেকে বাহিনীকে সরিয়ে প্রস্তুত রাখা হবে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে চরম সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যাতেই রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আপাতত ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বীরভূমে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনে ৪ কোম্পানি এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। অধিকাংশ জেলাতেই ১০-এর কম কোম্পানি বাহিনী রাখা হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এই ২৪০ কোম্পানির পর আরও ৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে রাজ্যে। পরবর্তী ধাপে আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে দোল ও হোলি উৎসবের আগে এবং ভোটার তালিকা প্রকাশের প্রেক্ষিতে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! ঘরে বসেই দেখুন আপনার নাম আছে কি না

অবশেষে প্রকাশিত হল পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। এই তালিকায় রয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারের নাম। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বিডিও অফিস থেকে তালিকা বিতরণ শুরু হয়েছে। বিএলও-রা নিজেদের এলাকায় সেই তালিকা পৌঁছে দিচ্ছেন। তবে নাম দেখার জন্য ভিড় করার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসেই খুব সহজে দেখে নেওয়া যাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আপনার এবং আপনার পরিবারের নাম রয়েছে কি না।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই তালিকা অনলাইন এবং অফলাইনদুইভাবেই দেখা যাবে। অফলাইনে নির্দিষ্ট সরকারি অফিস, এসডিও, ডিইও, বিডিও অফিস এবং পঞ্চায়েত ভবনে গিয়ে তালিকা দেখা সম্ভব। পাশাপাশি অনলাইনেও নির্বাচন কমিশনের দুটি ওয়েবসাইটে গিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা দেখা যাবে। তবে দুপুর ২টার পর থেকেই ওয়েবসাইটে তালিকা দেখা যাবে বলে জানানো হয়েছে।অনলাইনে নিজের এপিক নম্বর দিয়ে সরাসরি নাম খোঁজা যাবে। আবার ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করেও নিজের নাম খুঁজে দেখা সম্ভব। যদি এপিক নম্বর জানা না থাকে, তবে ভোটার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর যুক্ত থাকলে সেই নম্বর ব্যবহার করেও সার্চ করা যাবে। এমনকি মা বা বাবার নাম দিয়েও খোঁজ করা সম্ভব। ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করে নিজের পোলিং বুথ খুঁজে নিয়ে সেখান থেকে নাম মিলিয়ে নেওয়া যাবে।তবে তালিকায় নাম থাকলেই যে সবাই ভোট দিতে পারবেন, এমন নয়। শোনা যাচ্ছে, ৭ কোটি ৮ লক্ষ নামের মধ্যে বৈধ ভোটারদের পাশাপাশি অমীমাংসিত ভোটারদের নামও রয়েছে। যাঁদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের নামের পাশে অ্যাডজুডিকেশন লেখা থাকবে। এই ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। আবার যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের নামের উপর ডিলিটেড লেখা থাকবে। যাঁদের নাম অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত নয়। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

আজই প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! আপনার নামের পাশে কী লেখা আছে, তার উপরেই নির্ভর করবে ভোটাধিকার

উত্তেজনাপূর্ণ ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিনে আজ, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। কতজনের নাম থাকবে, কতজনের নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র সংশয়। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, আজ তালিকা প্রকাশ হলেও তা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় তিনটি আলাদা ক্যাটেগরি থাকবে এবং আপনি কোন ক্যাটেগরিতে রয়েছেন, তার উপরেই নির্ভর করবে আপনার ভোটাধিকার।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজকের তালিকায় প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ মানুষের নাম থাকতে পারে। কিন্তু এখনও সবার যোগ্যতা যাচাই সম্পূর্ণ হয়নি। তাই আপাতত সকলের নামই থাকবে তালিকায়। তবে প্রত্যেকের নামের পাশে একটি করে স্টেটাস লেখা থাকবে। সেই স্টেটাস দেখেই বোঝা যাবে, কেউ বৈধ ভোটার হিসেবে নিশ্চিত কি না, নাকি তার তথ্য এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।চূড়ান্ত তালিকায় যেমন বৈধ বা যোগ্য ভোটারদের নাম থাকবে, তেমনই যাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং যাঁদের জমা দেওয়া নথি এখনও বিচারাধীন, তাঁদের নামও থাকবে। তবে তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকবে অমীমাংসিত বা অ্যাডজুডিকেশন। যাঁদের নামের পাশে অমীমাংসিত লেখা থাকবে, তাঁদের ক্ষেত্রেই মূল সমস্যা। কারণ চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকলেও তাঁদের ভোটাধিকার এখনও নিশ্চিত নয়।এই সমস্ত নথি আবার খতিয়ে দেখা হবে। তার পর নির্বাচন কমিশন একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে। যদি সেখানে নাম না থাকে, তা হলে ভোটাধিকার থাকবে না। শোনা যাচ্ছে, আপাতত প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে অমীমাংসিত স্টেটাস থাকতে পারে। ফলে আজ তালিকা প্রকাশ হলেও এই বিপুল সংখ্যক মানুষ নিশ্চিত হতে পারবেন না। তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী সাপ্লিমেন্টারি তালিকার জন্য। যদিও সেই তালিকা কবে প্রকাশ হবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি নির্বাচন কমিশন।এ ছাড়া আজকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের নামও সম্পূর্ণ মুছে দেওয়া হচ্ছে না। নামের পাশে ডিলিটেড লেখা থাকবে। ফলে এক নজরে বোঝা যাবে কার নাম বহাল রয়েছে, কার তথ্য বিচারাধীন, আর কার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ কড়া বন্ধ করুন! রাজ্যকে তীব্র বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ঠিক আগে ফের আইনি লড়াই তীব্র হল। এই ইস্যুতে রাজ্য সরাসরি দ্বারস্থ হল ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্যের হয়ে আইনজীবী কপিল সিব্বল শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান।শুনানিতে তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য যাঁদের জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে, সেখানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত নেওয়া হচ্ছে না। তাঁর দাবি, কমিশন একতরফাভাবে নির্দেশিকা জারি করছে, যা আইনসম্মত নয় এবং শীর্ষ আদালতের নির্দেশের সঙ্গেও অসঙ্গত।কপিল সিব্বল আরও অভিযোগ করেন, জুডিশিয়াল অফিসারদের পিছনের দরজা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং কোন নথি গ্রহণ করা হবে বা হবে না তা নিয়েও আলাদা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডমিসাইল শংসাপত্র গ্রহণ না করার বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, কমিশন এই নথি অগ্রাহ্য করার কথা বলছে।এই অভিযোগের পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়ে অযথা সন্দেহ করা উচিত নয় এবং বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন। বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, কমিশনই প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্বে থাকবে এবং আদালতের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট, তা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।গত মাসে ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, এই প্রক্রিয়ায় ডমিসাইল শংসাপত্র বাধ্যতামূলক নয় এবং কোন ক্ষেত্রে কোন নথি বৈধ হবে তার নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। আদালতে এই বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিচারপতি বাগচী বলেন, যদি আদালতের নির্দেশে কোনও নথি গ্রহণের কথা বলা থাকে, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।শুনানিতে আরও বলা হয়, বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে করতে দেওয়া রাজ্য সরকার ও কমিশন উভয়ের দায়িত্ব। এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করে। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। অন্যদিকে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, অনেক মানুষের ভোটাধিকার থাকবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই বিতর্ক আরও গভীর হল।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে গরম, কী বলছে হাওয়া অফিস

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে রাজ্যে ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। দুপুরের দিকে বাইরে বেরলেই গরমে অস্বস্তি অনুভূত হচ্ছে। তবে এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা শীতের আমেজ থাকবে, যদিও বেলা বাড়লে গরম অনুভূত হবে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী আটচল্লিশ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। স্বাভাবিকের নিচে তাপমাত্রা থাকলেও সকালে ও সন্ধ্যায় সামান্য ঠান্ডা লাগবে। তবে গভীর শীতের মতো পরিস্থিতি আর থাকবে না এবং দুপুরের দিকে গরম বাড়বে। আগামী সাতদিন রাজ্যের অধিকাংশ জায়গায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।এদিকে দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। দুই মার্চ নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, মার্চের শুরু থেকেই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে এবং এক মার্চ নাগাদ তাপমাত্রা প্রায় চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।পার্বত্য উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় মাটির কাছাকাছি তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রবিবারের পর বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং পরবর্তী সাতদিন শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। সিকিম ও সংলগ্ন এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। সিকিমে হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রভাব দার্জিলিংয়ের উঁচু পার্বত্য এলাকাতেও পড়তে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ দুদিন এই আবহাওয়ার ধারা বজায় থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইস্তফা কি সত্যিই দিচ্ছেন ফিরহাদ? দু’দিন পরেও মিলল না উত্তর

কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিতে চলেছেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। তবে দুদিন ধরে নানা জল্পনা চললেও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি মেয়রের পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম?সম্প্রতি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, ফিরহাদ হাকিম দলনেত্রীর কাছে মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না এবং সেই কারণেই ইস্তফা দিতে চান। কুণালের দাবি অনুযায়ী, এই বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও জানানো হয়েছিল।কিন্তু সেই মন্তব্যের পর কয়েক দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ইস্তফা সংক্রান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। বরং এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি কোনও কথা বলবেন না।এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। গত কয়েক দিনে একাধিক সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। পরিবেশ দিবসের কর্মসূচিতেও তাঁকে কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারের সঙ্গে দেখা যায়।শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও নিয়মিত বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে মেয়রকে। পুর প্রশাসনের কাজকর্ম নিয়েও তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। ফলে ইস্তফার জল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে আসছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি সত্যিই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণত প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা সে ধরনের কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে না।ফলে মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। ফিরহাদ হাকিম শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে এখন কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে। তবে সরকারি ভাবে কিছু ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্ক ও জল্পনা যে চলতেই থাকবে, তা বলাই যায়।

জুন ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টাকা না দিয়েই বিশ্বকাপের টিকিট! ফিফার বড় ভুলে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই টিকিট বিক্রি নিয়ে বড় বিতর্কে জড়াল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কয়েকজন সমর্থক বিনামূল্যে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।সূত্রের খবর, অন্তত ষাট জন ফুটবলপ্রেমী বিশ্বকাপের টিকিট কাটার সময় কোনও টাকা না দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। অভিযোগ, টিকিট বুকিংয়ের শেষ ধাপে গিয়ে তাঁদের কাছ থেকে কোনও অর্থ নেওয়া হয়নি। ফলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকিট তাঁদের হাতে চলে যায়।বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে। অনেকের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে টিকিটের মূল্য। এই পরিস্থিতিতে কিছু দর্শক বিনামূল্যে টিকিট পাওয়ার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছেন, তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।জানা গিয়েছে, কানাডার টরন্টো শহরে আয়োজিত কয়েকটি ম্যাচের টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দেয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে অর্থ পরিশোধ ছাড়াই টিকিট ইস্যু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। যাঁরা বিনামূল্যে টিকিট পেয়েছেন, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা না দিলে তাঁদের টিকিট বাতিল করে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।এদিকে টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে ফিফা। টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে এই ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিয়া জোটে বড় বিস্ফোরণ! ডিএমকে সরে যেতেই বিজয়ের দিকে কংগ্রেসের ঝোঁক?

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বদলেছে রাজনৈতিক চিত্র। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ইন্ডিয়া জোটের অন্দরেও কি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে?তামিলনাড়ুতে নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করলেও ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সরকার গঠনের সময় কংগ্রেস সমর্থন জানায় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের দলের প্রতি। সেই সমর্থনের ফলস্বরূপ কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও পেয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন বিজয়ের দলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী। আগামী আট জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকে বিজয়ের দলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবনাচিন্তা করছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে ডিএমকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবে না। দলের নেতাদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনায় তারা অত্যন্ত হতাশ। কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শুধু ডিএমকে নয়, ইন্ডিয়া জোটের ভেতরে আরও কয়েকটি দলের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই একাধিক শরিক দলের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।আসন্ন বৈঠকে কোন দল উপস্থিত থাকে এবং কোন দল দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকেই এখন নজর দেশের রাজনৈতিক মহলের। কারণ সেই বৈঠকের ফলাফলই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় সুখবর! রেপো রেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের

বিশ্বজুড়ে অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, আপাতত রেপো রেটের কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। ফলে বাড়ি, গাড়ি বা অন্যান্য ঋণের মাসিক কিস্তি এখনই বাড়ার আশঙ্কা নেই।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুদ্রানীতি কমিটির সব সদস্যই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে মত দেন। বর্তমানে রেপো রেট রয়েছে পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে। আগামী দুমাস এই হারই বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কারণে আপাতত সতর্ক অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত। ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।গত বছর একাধিকবার রেপো রেট কমিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রথমে ধারাবাহিকভাবে হার কমানোর পর জুন মাসে আরও পঞ্চাশ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়। পরে ডিসেম্বর মাসে আবার পঁচিশ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে রেপো রেট পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। সেই হারই এখনও বজায় রয়েছে।তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভবিষ্যতে রেপো রেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সেই কারণেই আগামী কয়েক মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।এদিকে দেশের অর্থনীতি নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষার জন্য দেশের সঞ্চিত সোনার একটি বড় অংশ বিক্রি করা হয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে। তবুও বিষয়টি নিয়ে অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা থামেনি।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার ঘনিষ্ঠ নেতা এবার বিদ্রোহী শিবিরে! জাভেদ খানের পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাভেদ খান। রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে।গত সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় জাভেদ খানকে। শুক্রবারও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের সম্পত্তি নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন জাভেদ খান। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে তৃণমূল ভবনের জমি নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জাভেদ খানের দাবি, ওই জমি তাঁদের পরিবারের ছিল এবং পরে তা দান করা হয়েছিল। তবে সেই জমি ফেরত নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের নেই বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না।রাজনৈতিক জীবনে জাভেদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। কলকাতা পুরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কলকাতা পুর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন জাভেদ খান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের দায়িত্বে থেকে তিনি দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।বিদ্রোহী শিবিরে তাঁর উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

থানায় স্বরূপ, নেটদুনিয়ায় অনির্বাণ! রাতারাতি বদলে গেল সমীকরণ

টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। এক মেকআপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হত। পাশাপাশি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতে থানার সামনে ভিড় জমায় এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের একাংশ প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগানও শোনা যায়।টালিগঞ্জের একাংশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ, ফেডারেশনের ক্ষমতা ব্যবহার করে বহু শিল্পীর কাজের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নামও বারবার উঠে এসেছে।স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে অনির্বাণের একটি পুরনো ভিডিও। সেখানে তাঁকে এক জনপ্রিয় লোকগান গাইতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। পাশাপাশি অভিনেতার বিভিন্ন ছবি ও সংলাপ ব্যবহার করে একাধিক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট এবং মিমও ভাইরাল হয়েছে।টলিপাড়ার অনেকের দাবি, অতীতে নানা বাধার মুখে পড়লেও নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অনির্বাণ। পরবর্তীকালে বড় বড় প্রযোজনায় তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসাও পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর একাধিক নতুন কাজ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।এদিকে ফেডারেশন এবং তথাকথিত ব্যান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। কিছু শিল্পী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দাবি, ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে কোনও শিল্পীকে ব্যক্তিগত মতামতের কারণে বাধার মুখে পড়তে হবে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করেছেন তাঁরা।স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর টলিপাড়ার।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

কুড়ি সাংসদ নিয়ে গোপন বৈঠক! লোকসভায় বড় চমক দিতে চলেছেন কাকলি?

লোকসভায় তৃণমূলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম সামনে আসতে পারে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি নিজে। তাঁর দাবি, এ নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা কাকলি ঘোষ দস্তিদার। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের অংশ ছিলেন। লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে কয়েক সপ্তাহ আগে সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলের অন্দরে তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।বিশেষ করে ভোটকৌশল সংস্থা আইপ্যাককে নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ ছিল, আইপ্যাকের ভূমিকার কারণেই দলের ক্ষতি হয়েছে। পরে তিনি দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। এর কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকের দাবি, বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বেড়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।এদিকে সূত্রের খবর, আগামী রবিবার প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা পড়তে পারে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। ওই চিঠিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।এই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পোস্ট করেন কাকলি। সেখানে তিনি লেখেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী যদি চারবারের সাংসদ হন এবং চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তবে তিনি শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের কথা ভাবতে পারেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি আসলে নীতির বিরুদ্ধে জনরায় এবং শাসনের ব্যর্থতার প্রতিফলন।কাকলির এই বার্তার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর মন্তব্য কি শুধুই রাজনৈতিক মূল্যায়ন, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও ইঙ্গিত? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য

রাজধানী দিল্লিতে এক বাঙালি অধ্যাপিকার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজী কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবস্মিতা পালের (৪২) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মসূত্রে থাকেন।পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার থেকে দেবস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। ফোনেও কোনও সাড়া মিলছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর দিদি দেবারতী পাল নিউ অশোক নগর থানায় ফোন করে জানান, বন্ধ ফ্ল্যাটের ভিতরে তাঁর বোনের দেহ পড়ে রয়েছে।দেবারতীর বক্তব্য, সকাল থেকেই ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। দীর্ঘ সময় ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় তিনি আশঙ্কা করেন কিছু অঘটন ঘটেছে। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই রক্তাক্ত অবস্থায় দেবস্মিতাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় কোনও পরিচিত ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। খুনের পর দরজায় তালা দিয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং হাতের শিরাও কাটা ছিল।মৃত্যুর সময় ও প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিল্লির লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে চুরির কোনও চিহ্ন মেলেনি। সোনার গয়না ও নগদ টাকা অক্ষত ছিল।খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানতে পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুন ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal