• ৮ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Uttar Pradesh

দেশ

কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন! প্রাণ বাঁচাতে জানলা ভেঙে ঝাঁপ, মৃত অন্তত ১৪

লখনউয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার দুপুরে আলিগঞ্জ এলাকার ওই কোচিং সেন্টারে আচমকাই আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবনের ভিতরে এখনও কিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে বহু পড়ুয়া ভবনের একতলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সেই সময় হুড়োহুড়িতে অনেকে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি ভিডিওতে আতঙ্কের চিত্র ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, আগুনের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া চেষ্টা করছেন ভিতরে আটকে থাকা মানুষজন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। চারপাশের এলাকা খালি করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। তবে ঘিঞ্জি এলাকা এবং আগুনের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে দমকল কর্মীদের বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয়।আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁদের চিকিৎসা শুরু করেছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং ভবনের ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

লক্ষদ্বীপ প্রথম, উত্তর প্রদেশ একেবারে শেষে! ভোটার তালিকায় বড় ফাঁকফোকরের ইঙ্গিত

দেশের ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের কাজ। প্রথম দফায় পরীক্ষামূলক ভাবে এই কাজ শুধু বিহারেই শুরু হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় তা একসঙ্গে একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে। এই কাজ ঘিরেই শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। কোথাও আতঙ্ক, কোথাও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। কোনও কোনও রাজ্যে আত্মঘাতী হয়েছেন বিএলও-ও। এই পরিস্থিতির মধ্যেই নিজের গতিতে চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। সোমবার সেই কাজের বর্তমান অবস্থা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত লক্ষদ্বীপে ১০০ শতাংশ ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে এখন শুধুই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা। লক্ষদ্বীপে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫৭ হাজারের একটু বেশি। সেখানে কাজ করেছেন ৫৫ জন বিএলও।লক্ষদ্বীপের পরেই রয়েছে গোয়া। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৯২ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। গোয়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লক্ষ ৮৫ হাজার। কাজ করেছেন ১ হাজার ৭২৫ জন বিএলও। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজস্থান। সেখানে ৮৯ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। রাজস্থানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৪৬ লক্ষেরও বেশি। কাজ করেছেন ৫২ হাজার ২২২ জন বিএলও।এর পরেই চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলা। বাংলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৮ শতাংশ ভোটার তালিকার ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। সেখানে ৮৬ শতাংশ কাজ হয়েছে। রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৭৪ লক্ষ। কাজ করেছেন ৬৫ হাজার ১৪ জন বিএলও।ষষ্ঠ স্থানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। সেখানে ৮৩ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। মোট ভোটার ১০ লক্ষ ২১ হাজার। কাজ করছেন ৯৬২ জন বিএলও। সপ্তম স্থানে রয়েছে গুজরাট। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৮১ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। সেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৮ লক্ষেরও বেশি। কাজ করছেন প্রায় ৫০ হাজার বিএলও।অষ্টম স্থানে রয়েছে ছত্তিশগড়। সেখানে ৭৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর পরেই রয়েছে আন্দামান ও নিকোবর। সেখানে ৭৬ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। দশম স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে ৭৫ শতাংশ কাজ হয়েছে।এই তালিকার একেবারে নীচে রয়েছে কেরল ও উত্তর প্রদেশ। কেরলে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৬৪ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। আর উত্তর প্রদেশে সবচেয়ে কম, প্রায় ৫৫ শতাংশ কাজই শেষ হয়েছে। কমিশনের এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

বিএলওদের মৃত্যু-ক্ষোভের মাঝে নজিরবিহীন পদক্ষেপ—৬০ জনের নামে এফআইআর

বিএলওদের উপর অতিরিক্ত চাপ, অমানবিক পরিস্থিতি, ডিজিটাইজেশন নিয়ে বিশৃঙ্খলাএসব অভিযোগে যখন গোটা দেশজুড়ে ক্ষোভ তুঙ্গে, বাংলায় যেখানে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন তিন জন বিএলও, কেরলেও আত্মঘাতী হয়েছেন এক জনঠিক সেই আবহেই অবিশ্বাস্য পদক্ষেপ করল উত্তর প্রদেশ প্রশাসন। নয়ডায় একসঙ্গে ৬০ জন বিএলও এবং সাত জন সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হল এফআইআর। পাশাপাশি বেহরিচে দুজন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তার ইতিহাসে এমন পদক্ষেপ প্রায় নজিরবিহীন।নয়ডা জেলা প্রশাসনের অভিযোগএসআইআর বা ভোটার তালিকা পরিমার্জনের কাজে যুক্ত ওই ৬০ জন বিএলও বারবার নোটিস পাঠানোর পরও কোনও রিপোর্ট দাখিল করেননি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা করেছেন তাঁরা। সেই কারণেই জনপ্রতিনিধি আইন ৩২ ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে তিনটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন জেলার জেলাশাসক মেধা রূপম। তিনি এখন জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন।প্রশাসন সূত্রে খবর, বহুবার ফোন এবং লিখিত নির্দেশ পাঠিয়েও কাজের অগ্রগতি না পাওয়ায় শেষমেশ কঠোর সিদ্ধান্তে পৌঁছয় প্রশাসন। শুধু নয়ডা নয়, একইভাবে বেহরিচ জেলাতেও সাসপেন্ড করা হয়েছে দুই বিএলওকে। প্রথমজন শামা নাফিজস্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষিকা। তাঁকে বিএলওর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি কোনও কাজই করেননি বলে অভিযোগ। এমনকি ফোন করলেও তিনি রিসিভ করতেন না। দ্বিতীয় সাসপেন্ড হওয়া বিএলও অনুরাগের বিরুদ্ধেও অভিযোগতিনি দায়িত্ব নিয়ে কাজই করেননি।বিএলওদের মৃত্যুর ঘটনার পর যেখানে কমিশন ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে সর্বত্র, সেখানে এত বড় সংখ্যায় সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থান যেমন স্পষ্ট, তেমনি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের চাপ-অস্বচ্ছতা ও দুরবস্থার ছবিও ফের সামনে চলে এসেছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
দেশ

ভোরের ট্র্যাজেডি... চোখের সামনে ছিন্নভিন্ন দেহ, ট্র্যাকে লুটিয়ে পড়লেন পুণ্যার্থীরা

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে ভোরের শান্ত সকাল মুহূর্তে পরিণত হল বিভীষিকায়। কার্তিক পূর্ণিমার পুণ্যস্নান শেষ করে স্টেশনে ফিরছিলেন বহু ভক্ত। সকালের ব্যস্ততার মাঝেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা। প্ল্যাটফর্মের উল্টো দিকে নামতে গিয়ে হাওড়া-কালকা মেলের তলার তলায় চলে গেলেন তাঁরা। মুহূর্তের মধ্যে প্রাণ গেল অন্তত ছয় পুণ্যার্থীর, আহত একাধিক। চিৎকারে, কান্নায় আর আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে ভীতি, স্তব্ধ হয়ে যায় চুনার স্টেশন।বুধবার ভোরবেলা ঘটনাটি ঘটেছে মির্জাপুর জেলার চুনার রেলওয়ে স্টেশনে। কার্তিক মাস হওয়ায় বহু পুণ্যার্থী সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। রেলসূত্রে জানা যাচ্ছে, ভোরের সেই ভিড়ে অনেকেই প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় দ্রুতগতিতে এসে পড়ে হাওড়া-কালকা মেল। আর তারই ধাক্কায় থেঁতলে যান পুণ্যার্থীরা। সেকেন্ডের মধ্যেই মৃত্যু, লুটিয়ে পড়ে নিথর দেহ, চারদিকে শুধু আর্তনাদ আর শোকের হাহাকার।ঘটনার পরই স্টেশন জুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা। পুলিশ ও রেল আধিকারিকরা দ্রুত পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রেল প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেকেন মানুষজন ট্র্যাক দিয়ে নামলেন, স্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কি না, সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ভয়াবহ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এসডিআরএফ ও এনডিআরএফ-কে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আহতদের যত্নসহকারে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।উল্লেখ্য, মাত্র একদিন আগেই ছত্রিশগড়ের বিলাসপুরের কাছে মালগাড়ি ও যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণ যায় ১১ জনের। তার রেশ কাটার আগেই ফের ট্র্যাজেডি। রেল নিরাপত্তা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

অবশেষে মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা জানাল উত্তরপ্রদেশ সরকার

প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভে স্নান করতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক ছিল। শেষমেশ উত্তর প্রদেশ সরকার মহাকুম্ভে পদপৃষ্ট এবং মৃত্যুর ঘটনা স্বীকার করে নিয়েছে। মহাকুম্ভের ডিআইজি বৈভব কৃষ্ণা জানিয়েছেন, গতকাল রাতে কুম্ভস্নান করতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। জখম হয়েছেন ৯০ জন। স্থানীয় একটি হাসপাতালে ৩৬ জনের চিকিৎসা চলছে।মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। সূত্রের খবর, মহাকুম্ভের ডিআইজি বৈভব কৃষ্ণা এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত ১টা থেকে ২টোর মধ্যে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। তাতেই পদপিষ্ট হয়ে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২৫ জনের পরিচয় মিলেছে, বাকি ৫ জনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন।মহাকুম্ভে বুধবার ভোররাতে শাহি স্নান ঘিরে প্রবল হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মাত্রাতিরিক্ত ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে বেশ কয়েকজন পুণ্যার্থী। বুধবার ভোরে মৌনী অমাবস্যায় পবিত্র স্নানের জন্য প্রচুর পুণ্যার্থী একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন। তখনই এই ভয়ঙ্কর বিপত্তি ঘটে। অবশেষে উদ্ধারকার্যে সেনাবাহিনী নামাতে হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য, দর্শনার্থীদের ধৈর্য ধরে থাকার এবং ব্যারিকেড এবং পন্টুন সেতুতে ভিড় এড়াতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৫
রাজ্য

উত্তরপ্রদেশের হাতরস ফের শিরোনামে, এবার পদপিষ্টে ৫০ জনের মৃত্য়ুর আশঙ্কা

আবার খবরের শিরোনামে উত্তরপ্রদেশের হাথরস। চার বছর আগে এই হাথরসেই এক দলিত নাবালিকার গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল সারা দেশ দেশ। এবার যোগী রাজ্যের এই শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫০ জনের। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনের ভূমিকা।সূত্রে খবর, হাথরসের মুঘলগড়ি গ্রামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এটাওয়ার পুলিশ সুপার রাজেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, হতাহতদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। মৃতদের দেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ হতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। বিপুল সংখ্যক ভক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। হুড়োহুড়ির ফলে অনেকে মাটিতে পড়ে যান, তাতেই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। নিহতের মধ্যে বহু মহিলা এবং বেশ কয়েকটি শিশুও রয়েছে। কীভাবে কেন এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শিবকথা চলছিল। তা শেষ হতেই হলের ছোট দরজা দিয়ে সবাই একসঙ্গে বেরনোর চেষ্টা করেন। তাতেই ঘটে বিপত্তি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আহতদের মধ্যে অনেকেই আশঙ্কাজনক। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার বিবরণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ০২, ২০২৪
দেশ

নিউটাউনে হিডকো জমি দুর্নীতি, যোগীরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ২

জমি দুর্নীতি কাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের মথুরা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ট্রাঞ্জিট রিমান্ডে তাদের নিয়ে আসা হচ্ছে।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিডিডি বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, হিডকো জমি দুর্নীতি নিয়ে মোট দশটি কেস হয়েছে। বেশিরভাগ কেস হয়েছেনিউটাউনের টেকনোসিটি থানায়। এছাড়া লেকটাউন থানা ও বিধাননগর দক্ষিণ থানাতেও অভিযোগ হয়েছে। এই মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে তন্ময় নায়েক নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে এফআইআর এ নাম আছে এমন ২ জনকে ধরার জন্য বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার স্পেশাল টিমকে পাঠানো হয়। গোয়েন্দারা বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে চালাতে অবশেষে মথুরাতে তাঁদেরকে চিহ্নিত করে। সেখান থেকে অশোক পাত্র ওরফে আকাশ পাত্র এবং সুদীপ্ত রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়। আজকে তাদের ওখানকার কোর্টে তুলে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসার পরে এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই দুর্নীতিতপ আর কারা কারা জড়িত আছে তাদের খোঁজ চালানো হবে। এরা দুজন টেকনোসিটি থানার কেসে অভিযুক্ত ছিল কিন্তু গোটা ঘটনা এখন তদন্ত করছে বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

আগস্ট ১২, ২০২৩
রাজ্য

স্বাধীনতার পর এই প্রথম ১৫ই অগাস্ট ছুটি বাতিল করল রাজ্য সরকার, মিশ্র পতিক্রিয়া জনমানসে

দে স্বাধীনের ৭৫ বছর পর মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসের ছুটি বাতিল করে দিলেন। এই ঘোষণায় তোলপাড় দেশজুড়ে। ২০২২ এর স্বাধীনতা দিবসে আর ছুটি নেই। ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে বিদ্যালয়, কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না। সরকারি-বেসরকারি অফিসও খোলা রাখতে হবে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে রীতিমত নির্দেশিকা জারি করা হল সারা রাজ্যে। বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, আগামী ১৫ অগাস্ট সবাইকে অন্যান্য দিনের মতোই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে হাজির হতে হবে। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত?২০২২ ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি সেই উপলক্ষে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আজাদী কা অমৃত মহোৎসব। এই দিনটি উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষভাবে পালিত হবে। সরকার বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে অন্যান্য বারের মত এবার স্কুল-কলেজ-অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বা ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা উচিত নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। যোগী আদিত্যনাথ সকল রাজ্যবাসীকে ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।এই প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব ডিএস মিশ্র জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়েছে। সাধারণত প্রতিবার উত্তরপ্রদেশে দীপাবলির সময় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। তবে এবারের লক্ষ্য এই অভিযানকে জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত করা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্ত জায়গায় বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচি রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসকে শুধু সরকারি অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। এই কর্মসুচীর সাথে জনগণকে যুক্ত করতে হবে।উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব আরও বলেছেন যে, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (NGO), এনসিসি (NCC), এনএসও-র (NSO) ক্যাডেটদের পাশাপাশি জনগণেরও স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়া উচিত। সেখানে সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ১৫ অগাস্ট দিনটা যেন একটা নিছক ছুটির দিন না হয়ে থাকে সেই কারনেই এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে, স্বাধীনতা দিবসে স্কুল-কলেজ, সরকারি, বেসরকারি অফিস খোলার পথে হাঁটল যোগী প্রশাসন। যা স্বাধীনতার পর এই প্রথম।

জুলাই ১৭, ২০২২
দেশ

কোথায় এখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি? উত্তরপ্রদেশের পাঁচ নৃশংস খুন নিয়ে তোপ তৃণমূলের

প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচ জনকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা নিয়ে যোগী সরকারের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ডাবল ইঞ্জিন সরকার ডাবল অত্যাচার করছে। যে ভূমিকে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ভূমি বলে আখ্যা দিয়েছেন সেই প্রয়াগরাজের খেবরাজপুর গ্রামে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে তাতে আমরা বেদনাহত। গতকাল রাতে বাড়ির ছেলে না থাকার সময় পাঁচজনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। তাতে একটি শিশুও আছে। খুন করেই ক্ষান্ত থাকেনি একটি মেয়েকে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার পর বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। চন্দ্রিমা বলেন, আমাদের প্রশ্ন ভারতে অনেকে যোগীরাজের কথা বলেন। ফলাও করে প্রচার করেন। এটা কি যোগীরাজ না গুন্ডারাজ? এক সপ্তাহের মধ্যে আরও একটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটেছে। এখানে যাঁরা অবান্তর ভাবে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলেন আজ তাঁরা মূক ও বধির হয়েছে। আজ তাঁরা সাইলেন্ট মোডে চলে গিয়েছে। তাঁরা কী এখন সেখানে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা জারি করার কথা বলবেন। আজ তাঁদের আওয়াজ নেই কেন। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন হবে না। সম্প্রতি আনিস খুন থেকে রামপুরহাটের বগটুই, হাঁসখালি গণধর্ষণসহ নানা ঘটনা নিয়ে বাংলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপির দুটো ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘুরে গিয়েছে এরাজ্য থেকে। ওই কমিটি দলের সভাপতির কাছে বাংলায় ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার উপযোগী বলে সুপারিশ করেছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে খুন প্রকাশ হতেই উত্তরপ্রদেশের মুখ যোগী মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে প্রয়াগরাজের ঘটনা নিয়ে আক্রমণ শানাল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন একযোগে তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা টুইট করেছেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
দেশ

শুরু উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটগণনা, নজরে উত্তরপ্রদেশ-পঞ্জাব

উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা। বাকি চারটি রাজ্য হল-পঞ্জাব, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগণনা, কোন দল জিতবে এই পাঁচটি রাজ্যে, সেই ফলাফল জানার অপেক্ষায় সমগ্র দেশ। রাজনৈতিক মহল তো বটে, গোটা দেশের নজর এখন এই পাঁচ রাজ্যের ফলাফলের দিকে। উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর বিজেপির দখলে রয়েছে, পঞ্জাব কংগ্রেসের দখলে। প্রতিটি দলই জয়ের বিষয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাসী। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় চলছে ভোটগণনা।উত্তরপ্রদেশে এবার লড়াই হয়েছে চতুর্মুখী। বিজেপি, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস ও বহুজন সমাজ পার্টির মধ্যে। গোয়ায় লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির মধ্যে, লড়াইয়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসও। পঞ্জাবে এবার জোরদার টক্কর হয়েছে বিজেপি এনডিএ জোট, কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে। উত্তরাখণ্ডে লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরে লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস জোট ও এনপিপি এবং এনপিএফ-এর মধ্যে। উত্তরপ্রদেশে এবার বিজেপিই জিতবে, ভোটগণনা সকালে এমনই দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ব্রজেশ পাঠক ও রাজেশ্বর সিং। উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস জিতবে বলে আশাবাদী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত। ভোটগণনা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এদিন সকালে গুরুদ্বারে গিয়ে প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবে আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবন্ত মান। প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিও।

মার্চ ১০, ২০২২
দেশ

গোয়ায় হিন্দুভোট ভাঙানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল, কানপুরের জনসভায় অভিযোগ মোদির

একদিকে তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন চলছে, অন্যদিকে প্রচারের ময়দানে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি উত্তরপ্রদেশের কানপুরে একটি নির্বাচনী ব়্যালিতে অংশ নেন। সেখান থেকেই একদিকে যেমন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে সমাজবাদী পার্টি-কে আক্রমণ করলেন, তেমনই আবার গোয়ায় হিন্দু ভোট ভাঙানোর অভিযোগ আনলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনি এই বিষয়ে দৃষ্টিপাতের আবেদন জানান।এদিন কানপুরের দেহাতে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় ভোটের হার দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফের একবার বিজেপিই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। পরিবারবাদীরা ফের একবার পরাজিত হবে উত্তর প্রদেশের মানুষের কাছে। আগামী ১০ মার্চই উত্তরপ্রদেশে হোলি উৎসব পালন করা হবে।এদিকে, তৃণমূলকেও এদিন একহাত নেন নমো। সম্প্রতিই একটি সাক্ষাৎকারে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা গোয়ায় দলের ইনচার্জ বলেছিলেন যে তাদের জোটসঙ্গী মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্ত্রক পার্টি হিন্দু ভোট ভাগ হওয়া আটকাবে। মহুয়া মৈত্র বলেছিলেন, উত্তর গোয়ায় এমজিপির সঙ্গে ১৩-১৪টি আসনে বিজেপির মুখোমুখি লড়াই হবে। এই আসনগুলির কেউই কংগ্রেসের জন্য ভোট করবে না।এদিনের প্রচার সভায় সেই প্রসঙ্গই টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ভোট ভাগাভাগি করার কথা সরাসরি স্বীকার করে নিচ্ছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনের এই দিকে দৃষ্টিপাত করা উচিত। অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টিকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমাজবাদী পার্টি দিনরাত উত্তর প্রদেশে লুঠতরাজ চালাচ্ছে। এরাই মাফিয়াদের খোলা হাতে ছাড় দিয়েছিল। এই ঘোর পরিবারবাদী দল বিভিন্ন অঞ্চলকে নিজেদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করত। যদি এদের হাতে ক্ষমতা থাকত, তবে কানপুরের মাফিয়াগঞ্জ মহাল্লাকে প্রতিটি শহরে তৈরি করে ফেলত।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজনীতি

অখিলেশের আমন্ত্রণে উত্তরপ্রদেশে গেলেন মমতা

বিধানসভা ভোটে সমাজবাদী পার্টির প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে রওনা হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে দমদম বিমানবন্দর থেকে লখনউ রওনা হন তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অখিলেশ যাদবের সঙ্গে যৌথ সভা করবেন তিনি।বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, সমাজবাদী পার্টির পক্ষে বিধানসভা ভোটে প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে যাচ্ছি। অখিলেশ আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি চাই উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি বিদায় নিক। পিকে-র সংস্থা আই প্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি শেষ করা নিয়ে মমতার বক্তব্য, এ সব প্রশ্নের উত্তর এখানে দেব না।প্রসঙ্গত, এ বার উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোটে লড়ছে না তৃণমূল। দলের নেত্রী মমতা বিজেপি-কে হারানোর উদ্দেশ্যে সব আসনেই অখিলেশের দল এসপি-র নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন করেছেন। বিধানসভা ভোটের লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গের সব আসনে তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়েছিলেন অখিলেশ। এবার তার প্রতিদানের পালা।উত্তরপ্রদেশে প্রার্থী না দিলেও আর এক বিজেপি শাসিত রাজ্য গোয়ার বিধানসভা ভোটে লড়ছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে মমতা সোমবার কংগ্রেসের নাম না করে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম সব রাজ্যেই বিজেপি-র বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই হোক। কিন্তু সকলে তা চায়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
দেশ

Lightning Killed: তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে বজ্রপাতে একদিনেই মৃত্যু ৬৮ জনের!! মোট তিনটি রাজ্যে বাজ পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এই মানুষগুলোর। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বজ্রপাতের মধ্যে সবথেকে বেশি বজ্রপাত হয়েছে উত্তরপ্রদেশেই। রবিবার বিকেল থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু অতিরিক্ত বাজ পড়ে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের একাধিক জায়গায়। কেবল উত্তরপ্রদেশেই বাজ পড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১-এ। মধ্য প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের, রাজস্থানে ২০ জনের। আহতের সংখ্য়াও প্রায় একশোর কাছাকাছি।জানা গিয়েছে, জয়পুরে একটি ওয়াচটাওয়ারে নিজস্বী তুলতে গিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিএই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিন্দিতে টুইট করে লিখেছেন, রাজস্থানের কিছু এলাকায় বজ্রাঘাতে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। মৃতদের পরিবারকে জানাই গভীর সমবেদনা। শোকপ্রকাশের পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচিন পাইলট ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াও শোকপ্রকাশ করেছেন এই ঘটনায়।PM @narendramodi has announced an ex-gratia of Rs. 2 lakh each from PMNRF to the next of kin of those who lost their lives due to lightning in parts of Rajasthan. Rs. 50,000 would be provided to the injured. PMO India (@PMOIndia) July 12, 2021রাজস্থানে মৃতদের মধ্যে ১১ জন জয়পুর, চার জন কোটা, তিন জন ঢোলপুর, এক জন ঝালওয়ার ও এক জন বারানের বাসিন্দা। জয়পুরের আমের এলাকায় একটি ওয়াচটাওয়ারে ৪০ মিনিটের মধ্যে পর পর দুবার বাজ পড়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরের সওয়াই মান সিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Terrorism: কলকাতায় জেএমবি, লখনউয়ে আল কায়দা!

দুই শহরে বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক। কলকাতায় ধরা পড়ল জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য। শনিবার রাতে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) অভিযান চালিয়ে ওই জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আপাতত জানা গিয়েছে, ওই জঙ্গিরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক। অন্যদিকে, এদিন সকালেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ল দুই আল কায়কা জঙ্গি। গোপন সূ্ত্রে খবর পেয়েই লখনউয়ের কাছ থেকে ওই দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয় রবিবার। কাকোরির একটি বাড়িতে দুই আল কায়দা জঙ্গি ঘাপটি মেরে আছে খবর পেয়েই বলে অভিযান চালায় উত্তরপ্রদেশ এটিএস। পুরো অপারেশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন আইজি জিকে গোস্বামী।আরও পড়ুনঃ মারণ রোগমুক্ত জীবন চান? রোজকার ডায়েটে রাখুন কালো খাবারযোগী রাজ্যের পুলিশের ওই অভিযান যখন চলছে উত্তরপ্রদেশে, ঠিক সেই সময়ই কলকাতায় ধরা পড়ল জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, জেএমবি-র ৩ জঙ্গিই বড় মাপের নেতা বলে অনুমান করা হচ্ছে। ধৃতরা সবাই বাংলাদেশ থেকে এ রাজ্যে এসেছে। তবে তারা কী কারণে এসেছিল, কোনও জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না, ওই সদস্যদের সঙ্গে আল কায়দা জঙ্গি গোষ্ঠীর কোনও সম্পর্ক আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, জেএমবি জঙ্গি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। খাগড়াগড়-কাণ্ড যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ। এ ছাড়া মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে এই সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যা থেকে পুলিশ আধিকারিকরা মনে করছেন, এই জঙ্গিগোষ্ঠী যথেষ্ট সক্রিয় রয়েছে। আরও পড়ুনঃ বোল্ড লুকে অভিনেত্রী সুরভী সান্যালঅন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে খবর, এক সপ্তাহ ধরেই ওই দুই আল কায়দা জঙ্গির খোঁজ চলছিল। তাদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি প্রেসার কুকার বোমা, একটি ডেটোনেটর, ৬-৭ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাস্থলে যায় বম্ব স্কোয়াড। আশেপাশের এলাকা খালি করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের অনুমান, বড়সড় হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের। ওই এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে আসে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

জুলাই ১১, ২০২১
দেশ

স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম মহিলার ফাঁসির প্রস্তুতি

স্বাধীনতার পরে এই প্রথম কোনও মহিলার ফাঁসির সাক্ষী হতে চলেছে দেশ। বিরল অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের শবনমের ফাঁসির সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও এখন সময় কেবল ডেথ ওয়ারেন্টের। সেটা পেয়ে গেলেই ফাঁসি কার্যকর করা হবে। আপাতত তাই যোগীরাজ্যের মথুরায় শুরু হয়ে গিয়েছে ফাঁসির প্রস্তুতি।উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের একমাত্র ফাঁসির ঘরটি রয়েছে মথুরার জেলে। যদিও এখনও ফাঁসির চূড়ান্ত তারিখ স্থির হয়নি। তবুও ইতিমধ্যেই সেখানে হাজির হয়ে গিয়েছেন মীরাটের বাসিন্দা পবন জহ্লাদ। নির্ভয়ার ধর্ষকদের তিনিই ফাঁসি দিয়েছিলেন। এই ফাঁসির দায়িত্বও রয়েছে তাঁর উপরই। দুবার ফাঁসিকাঠও পরীক্ষা করা হয়ে গিয়েছে।উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে নিজেরই পরিবারের সাতজন সদস্যকে কুঠার দিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দেয় সে। একাজে তাকে মদত জুগিয়েছিল তার প্রেমিক। আমরোহা জেলার হাসানপুরের বাসিন্দা ধনী পরিবারের সদস্য শবনমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল স্থানীয় ওই যুবকের। এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি শবনমের পরিবার। প্রতিশোধস্পৃহায় বাবা, মা, দশ মাসের ভাইপো-সহ সাতজনকে নৃশংস ভাবে মেরে ফেলে শবনম। এই অপরাধকে বিরল আখ্যা দিয়ে তাকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আদালত।বক্সার থেকে ফাঁসির দড়ি আনানো হচ্ছে। পবন জহ্লাদ ফাঁসিঘর পরীক্ষা করে ফাঁসি দেওয়ার লিভার ও বোর্ডে কিছু পরিবর্তন করার জন্য বলেছেন জেল কর্তৃপক্ষকে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
দেশ

এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট

এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতে চলবে হাথরাসের দলিত তরুণীকে গণধর্ষণ ও খুনের মামলা। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সিবিআইকে তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট হাই কোর্টে জমা করতে হবে। উত্তরপ্রদেশের বাইরে হাথরস কাণ্ডের মামলা নিয়ে যাওয়ার এখনই কোনও প্রয়োজন নেই। সিবিআই তদন্ত করছে, তদন্তের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করবে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। নির্যাতিতার পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তার দিকেও নজর রাখবে হাইকোর্ট। হাথরাসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ মামলায় আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী সত্যেন দুবে। আরও পড়ুনঃ একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালানঃ মোদি হাথরাস গণধর্ষণ মামলার শুনানি উত্তরপ্রদেশে বাইরে করার আরজি জানিয়েছিলেন হাথরাসের নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী। এ বিষয়ে শীর্ষ আদালতের মত, আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত শেষ করুক। তারপর তো সেই পথ তো খোলা থাকছেই। প্রসঙ্গত , এর আগে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফেও হাথরাসকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা হয়।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
দেশ

​ফের যোগীরাজ্যে ধর্ষণ, বুলান্দশহরে নির্যাতিতা ১৪ বছরের নাবালিকা

উত্তরপ্রদেশ: হাথরাসে গনধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের যোগীরাজ্যে ঘটল ধর্ষণের ঘটনা। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বুলান্দশহরে বছর ১৪ বয়সী এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছে তাঁরই প্রতিবেশী। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার। আপাতত চিকিৎসার জন্য সে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কিশোরীর পরিবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে অভিযুক্ত আপাতত পলাতক। এদিকে আবার ৩০ তারিখেই উত্তরপ্রদেশে আরও এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। জানা যাচ্ছে, আজমগড়ের এক ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও পলাতক অভিযুক্ত। পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। তবে হাথরাসকাণ্ডের পর দেশজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছে সাধারণ মানুষ। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগ দাবি করেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তিতিবিরক্ত হয়ে উঠছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমুন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কার্যকলাপ দেখে। সেই কারণে গতকালই হাথরাস কাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যার জেরে কার্যত চাপে পড়ে এই ঘটনায় তদন্তের জন্য গতকালই স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট গঠন করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই সঙ্গে এই মামলার শুনানি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে হবে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, তিন সদস্যের এই স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিমকে বলা হয়েছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে। কোনওভাবেই যাতে দোষীরা রেয়াত না পায় সেদিকে লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ০১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

তিন সপ্তাহেই বক্সা ছাড়ল বাঘিনী, বাঘ ফেরানোর উদ্যোগে বড় ধাক্কা

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হল নতুন করে অনিশ্চয়তা। বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা বাঘিনী টি ১৩৮ বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে চলে গিয়েছে বলে বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।গত ২ অক্টোবর সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে অত্যন্ত ঘটা করে বাঘিনীটিকে বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তার নাম রাখা হয় বিটিআর টিএফ-১। দীর্ঘ দুই দশক ধরে বাঘের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি, পর্যাপ্ত শিকারের ব্যবস্থা এবং জলাশয় গড়ে তোলার কাজ হয়েছে বলে দাবি করেছিল বন দপ্তর। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও বাঘিনীর অন্য জঙ্গলে চলে যাওয়ার ঘটনায় গোটা পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বন দপ্তর সূত্রের খবর, বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার পর প্রথম দেড় সপ্তাহ বাঘিনীটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। পরে ধীরে ধীরে তার বিচরণক্ষেত্র বাড়তে থাকে। একসময় প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ঘুরে অসম ও বাংলার সীমান্তবর্তী সংকোশ নদীর আশপাশে পৌঁছে যায় সে। শেষ পর্যন্ত তার গন্তব্য হয় অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যান।বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সঙ্গী বা মর্দা বাঘের সন্ধান কিংবা স্বাভাবিক বিচরণ প্রবৃত্তির কারণেই বাঘিনীটি বক্সা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে গিয়ে থাকতে পারে। তাঁদের মতে, বক্সায় বাঘের বংশবিস্তার ও স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একসঙ্গে একাধিক বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেখানে মাত্র একটি বাঘিনীকে এনে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।বাঘিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখতে তার গলায় পরানো হয়েছিল হাই-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও কলার। স্যাটেলাইট ও গ্রাউন্ড ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা তার অবস্থান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। তা সত্ত্বেও বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যদিও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যে সহজ নয়, সেই যুক্তিও সামনে আসছে। তবে এত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরেও বাঘিনীর গতিপথ নিয়ে বন দপ্তরের পরিকল্পনা ও নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বনকর্তার বক্তব্য, নজরদারির ব্যবস্থা থাকলেও বন্যপ্রাণীকে নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুযায়ী সে অন্যত্র চলে যেতেই পারে।এদিকে বাঘিনীটিকে ঘিরে বন দপ্তরের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, একবার অসমের জঙ্গলের পথ চিনে নেওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনা হলেও ভবিষ্যতে সে আবার একই পথে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের একটি বিশেষ দল অসমে পৌঁছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। অন্যদিকে, অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে ইতিমধ্যেই ছয়টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বাঘিনীটি স্থায়ীভাবে থেকে যায়, নাকি আরও গভীরে মানস ব্যাঘ্র প্রকল্পের দিকে চলে যায়, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।সব মিলিয়ে, বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার শুরুতেই এই ঘটনা বন দপ্তরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির দাবি এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বাঘিনীর অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া নতুন করে ভাবাচ্ছে বনকর্তা ও বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বক্সায় বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বেহালায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে অমানবিকতার চরম নজির, বাবা-ছেলেকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ, গ্রেফতার ৩

কলকাতার বেহালায় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তাঁর বাবার উপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠল তরুণীর পরিবারের বিরুদ্ধে। তিনজনকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো, মারধর এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়ায়। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর সরশুনা থানার অন্তর্গত বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। ওই যুবকের সঙ্গে তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। সেই আক্রোশ থেকেই যুবক ও তাঁর বাবাকে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটি নাবালিকা বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর ওই যুবক ও তরুণীকে একসঙ্গে দেখতে পান তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। এরপর যুবককে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামার জড়িত থাকার দাবি উঠেছে। পরে যুবকের বাবাকেও ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠানো হয়।অভিযোগ, সেখানে ছেলের সামনেই যুবকের বাবার হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁকে ভয় দেখানো হয়। ছেলেকে গুলি করতে হবে, না হলে বিবস্ত্র হয়ে রাস্তায় হাঁটতে হবে, এমন শর্ত দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি। এরপর যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় যুবকের এক বন্ধুকেও মারধর করা হয় এবং একইভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সমাজমাধ্যমে ভিডিও ছড়াতেই উত্তেজনা বাড়েঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তরুণীর বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সরশুনা থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের খবর, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই তরুণীর বাবা-সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, তরুণীর মামাকে স্থানীয় বাসিন্দারা ধরে মারধর করার পর পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অস্ত্র আইন ও বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলাজানা গিয়েছে, এই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সরশুনা থানায় ২২২/২০২৬ নম্বর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। অস্ত্র আইনের ২৫(১বি)(ক) ধারা-সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৯, ১১৮(১), ১১৭(২), ১২৭(২), ৩৫৬(২), ৩৫১(৩), ১৪০(৩) এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পাশাপাশি, তরুণীর পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলেও কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এই দাবির বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। সূত্রের খবর, ঘটনার তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকজন স্থানীয় সাক্ষীকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, নির্যাতনের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

জোড়াফুলের দখল কার? ঋতব্রতদের ১০ দিনের সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট, পালটা হলফনামার সুযোগ কালীঘাট শিবিরকেও

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ঘাসের উপর জোড়াফুল কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে আইনি লড়াই এখনও অব্যাহত। এই বিতর্কের নিষ্পত্তির জন্য এবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে (ঋতব্রত শিবির) আরও ১০ দিন সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে, প্রতিপক্ষের জমা দেওয়া নথি ও হলফনামা খতিয়ে দেখে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরও অতিরিক্ত ১০ দিন সময় পাবে। ফলে দুই পক্ষের নথি আদানপ্রদান ও পালটা বক্তব্য পেশের প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগবে। অন্যদিকে, আদালতে নথি জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কালীঘাটের তরফে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।নথি জমার সময়সীমা বাড়ল, কী বলল আদালত?সোমবার ছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দুই পক্ষের প্রয়োজনীয় নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা। আদালতের নির্দেশ মেনে কালীঘাট শিবির তাদের নথি জমা দিলেও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এরপরই অতিরিক্ত সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী।আদালতে তাঁদের তরফে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় দরকার। দুর্গাপুজোর কারণে স্ট্যাম্প পেপার সংগ্রহ করতে সমস্যা হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি বলেও যুক্তি দেওয়া হয়। সেই কারণে আরও দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছিল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস।তবে এই আবেদনের বিরোধিতা করেন কালীঘাট শিবিরের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে চাওয়া দুই সপ্তাহের পরিবর্তে ১০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় আদালত। পাশাপাশি, ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে পালটা হলফনামা পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরকেও আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।উপনির্বাচনে আলাদা নাম-প্রতীক, কিন্তু স্থায়ী সমাধান কোথায়?তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের জেরে দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। দলের পরিচিত নাম এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনী প্রতীক নিজেদের দখলে রাখার প্রশ্নেই মূলত এই আইনি লড়াই।গত ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করেছিল। সেই সময় অস্থায়ী সমাধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নামে ফুটবল প্রতীক পায়। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ হয় খাম প্রতীক।কিন্তু উপনির্বাচনের জন্য করা সেই ব্যবস্থা স্থায়ী সমাধান নয়। দলের পুরনো পরিচয় এবং ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি-পালটা দাবি অব্যাহত রয়েছে। সেই কারণেই বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। কোন পক্ষ শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ঐতিহ্যবাহী প্রতীকের অধিকার পাবে, তা নির্ধারণের আগে দুই শিবিরের বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক নথি খতিয়ে দেখতে চাইছে আদালত।হরিয়ানায় নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ ঋতব্রতরআদালতে নথি জমা দেওয়া নিয়ে যখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক সেই সময়ই নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নথিপত্র দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়া হয় এবং সেগুলি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে।ঋতব্রতর দাবি, কালীঘাট শিবির ২৫ অক্টোবর, রবিবার রাতে চার্টার্ড বিমানে নিজেদের নথি দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ২৪ অক্টোবর, শনিবার সড়কপথে নথিপত্র নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। সেই নথি নিয়ে যাওয়ার সময় সোমবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ হরিয়ানায় তাঁদের ট্রাক আটকানো হয় বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার।তাঁর আরও দাবি, ওই সময় নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে দলের কর্মীরা সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাট শিবিরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।চার্টার্ড সংস্কৃতি বনাম তৃণমূল স্তর, কটাক্ষ বিরোধী দলনেতারঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণের সুরও চড়িয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, একদিকে চার্টার্ড বিমানে নথি পাঠানোর ব্যবস্থা, অন্যদিকে দলের কর্মীদের সড়কপথে নথি নিয়ে যাওয়াএই দুই পরিস্থিতির মধ্যে যেন একটি সংঘাত তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতা ও গায়ের জোর দেখিয়ে সবকিছু দখল করার চেষ্টা করা হলেও তা সবসময় সফল হয় না।যদিও নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী সময়ে কী প্রতিক্রিয়া আসে, সেদিকেও নজর থাকবে।পুরসভা নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক গুরুত্বকলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন সামনে আসায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নির্বাচনের আগে দলের পরিচয় ও প্রতীকের প্রশ্নে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।এখন নজর সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারে কি না, তার পরিপ্রেক্ষিতে কালীঘাট শিবির কী পালটা বক্তব্য পেশ করে এবং শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার কার হাতে যায়সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। আপাতত আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় দুই শিবিরই।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
দেশ

মোদির বাবা তুলে খাড়গের কটাক্ষ, দেশজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ! ‘ভারতের অপমান’ বলে তীব্র আক্রমণ রাজনাথের

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। খাড়গের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবিতে সরব গেরুয়া শিবির। বিতর্কে কংগ্রেসকে পালটা আক্রমণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়েরও।নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজনৈতিক মহল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যে রাস্তায় নেমে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে, এই মন্তব্যকে ভারতের অপমান বলে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বিজেপির অভিযোগ, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমালোচনা করতে গিয়ে খাড়গে ব্যক্তিগত আক্রমণের সীমা অতিক্রম করেছেন। এই মন্তব্যের জন্য তাঁর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। শুধু ক্ষমাপ্রার্থনাই নয়, কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশ।বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিক্ষোভে বিজেপিখাড়গের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোমবার বিহারে বড়সড় মিছিল বের করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মিছিল থেকে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক স্লোগান তোলা হয়। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে খাড়গের কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।একই ইস্যুতে উত্তেজনা ছড়ায় জম্মুতেও। সেখানে বিজেপি কর্মীরা খাড়গের পোস্টার পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি, আরও কয়েকটি রাজ্যে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বিজেপির বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বিরোধিতা করতে গিয়ে কোনও ব্যক্তির পরিবারকে টেনে এনে আক্রমণ করা রাজনৈতিক শালীনতার পরিপন্থী। সেই কারণেই খাড়গের মন্তব্যের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছে দল।এটা ভারতের অপমান, খাড়গেকে নিশানা রাজনাথেরএই বিতর্কে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্য, খাড়গের মতো একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। যে দল নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়, সেই দলের সভাপতির মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলেও দাবি করেছেন তিনি।রাজনাথের কথায়, এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে এই মন্তব্যগুলি কোনও সাধারণ কংগ্রেস কর্মী বা যুব নেতা করেননি, বরং এমন এক দলের সভাপতি করেছেন, যে দলটি নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে।এখানেই থামেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। খাড়গের মন্তব্যকে দেশের মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, খাড়গের এহেন মন্তব্য আসলে ভারতের অপমান।রাজনাথের আরও অভিযোগ, নিজেদের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করার পরিবর্তে কংগ্রেসের তরফে খাড়গের মন্তব্যকে সমর্থন করা হচ্ছে। তাঁর মতে, এই ধরনের আচরণ রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও তিক্ত করে তুলছে। ফলে শুধু খাড়গে নন, গোটা কংগ্রেস নেতৃত্বকেই এই বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে দাবি বিজেপি শিবিরের।কী বলেছিলেন খাড়গে? কোথা থেকে বিতর্কের সূত্রপাত?এই বিতর্কের সূত্রপাত রবিবার বিহারের পাটনায়। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সেই সভায় বক্তৃতা করার সময়ই ঘটে বিতর্কিত ঘটনাটি।খাড়গে যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। তবে ওই ব্যক্তির বক্তব্যের সম্পূর্ণ অংশ খাড়গে শুনতে পাননি বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি কথাটির অর্থ বুঝেছিলেন অন্যভাবে। তাঁর কানে পৌঁছয়, মোদি কোথাও যাবেন না।এরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই সময় তিনি বলেন, মোদির বাপকেও যেতে হবে।খাড়গের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাঁর বাবাকে টেনে এনে এমন মন্তব্য করা অনভিপ্রেত এবং নিন্দনীয়। এই বক্তব্যের জন্য খাড়গের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজনৈতিক সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কাঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে খাড়গের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করছে বিজেপি। অন্যদিকে, এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত আগামী দিনে কতটা বাড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধিতা নতুন নয়। তবে সেই বিরোধিতা ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছলে তা রাজনৈতিক শালীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। খাড়গের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কেও উঠে এসেছে সেই প্রশ্নই। এখন দেখার, এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কী অবস্থান নেয় এবং বিজেপির ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত কোন দিকে এগোয়।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে ফিরুক পাস-ফেল, মোবাইল নিষিদ্ধের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

স্কুলশিক্ষায় একাধিক পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা এবং পড়ুয়াদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলার উপরে জোর দিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি (NCC) এবং এনএসএস (NSS) চালু করার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশ ঘটানোও জরুরি।রবিবার রামনগরে চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণ নিয়েও কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিরোধীদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্যও করেন মুখ্যমন্ত্রী।স্কুলশিক্ষার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা এবং পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস এবং আধুনিক ভাষার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচিত করে তোলার উপরেও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, শিক্ষার পরিসর শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ছাত্রছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য সহপাঠক্রমিক কার্যকলাপেও গুরুত্ব দিতে হবে।প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি এবং এনএসএস ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও স্কুলে থাকা উচিত। পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভা খুঁজে বের করে তা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শিক্ষানীতি নিয়েও আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এনসিসি তুলে দিয়ে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করা হয়েছিল। ব্রতচারী কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভাষা ও শব্দের ব্যবহার নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজনীতি

জেল থেকে ফিরেই হুমকির অভিযোগ! আমোদপুরে তৃণমূল নেতাকে দড়ি বেঁধে ঘোরালেন স্থানীয়রা

বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার আমোদপুরে এক তৃণমূল নেতাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। জামিনে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফের বিভিন্ন জনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর পর পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। অভিযুক্তের নাম তাহিরুল শেখ। তিনি সাঁইথিয়া ব্লকের ভ্রমরকোল অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি। ঘটনার খবর পেয়ে আমোদপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।ঘটনার সূত্রপাত সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের দিন। অভিযোগ, ওই দিন ভ্রমরকোল অঞ্চলের ৬৮ নম্বর বুথে বিজেপির নির্বাচিত বিধায়ক দেবাশিস ওঝার ছেলে, নির্বাচনী এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ বিজেপির কয়েকজন নেতাকে মারধর করা হয়েছিল। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা তাহিরুল শেখের নাম জড়ায়। বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। প্রায় দুমাস আগে জামিনে মুক্তি পান তিনি।বিজেপির অভিযোগ, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফের দলের কর্মীদের হুমকি দিতে শুরু করেন তাহিরুল। রবিবার বেলার দিকে তিনি আমোদপুর লাগোয়া ঈশ্বরপুর গ্রামে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রশান্ত সাধুর বাড়িতে যান। সেই খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ তাঁকে ধরে কোমরে দড়ি বেঁধে আমোদপুর বাজার এলাকায় ঘোরান। পরে তাঁকে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির হাতে তুলে দেওয়া হয়।বিজেপির ভ্রমরকোল মণ্ডল সভাপতি সুদীপ ঘোষের দাবি, ভোটের দিন তাহিরুলের নেতৃত্বে তাঁদের দলের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়েছিল। তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, জামিনে মুক্তির পর ফের বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই খবর পেয়েই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁরা তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ ইউনুসের বক্তব্য, বিজেপি অনেক জায়গাতেই পুলিশের মদতে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হেনস্থা করছে। তবে আমোদপুরের এই নির্দিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের দিন বিজেপি নেতাদের মাথা ফাটানোর অভিযোগের জেরেই তাহিরুল জনরোষের মুখে পড়েছেন। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত নেতার কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন। আমোদপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এবং ঘটনার নেপথ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

রং-তুলিতে সমাজের মুখ আঁকা থামল! প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী, বয়স ৮৭

ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে ১৪ মাসের লড়াই, সঙ্গে মূত্রনালির সংক্রমণকলকাতার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস শিল্পীর। চিত্রকলার পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও রেখেছিলেন স্বতন্ত্র ছাপ।বাংলার শিল্পজগতে নেমে এল শোকের ছায়া। প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী। রবিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বিরল ধরনের ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন এই বিশিষ্ট শিল্পী। তার উপর মূত্রনালির সংক্রমণ এবং শারীরিক নানা জটিলতা ক্রমশ তাঁর অবস্থাকে সংকটজনক করে তোলে। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৪ মাস ধরে মাইলোপ্রোলিফেরেটিভ নিওপ্লাজম নামে এক ধরনের রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। চলছিল কেমোথেরাপিও। শারীরিক অসুস্থতা বাড়তে থাকায় দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তাঁর অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সংক্রমণের কারণে সেপসিসের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। চিকিৎসকদের সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানেন বর্ষীয়ান শিল্পী।ফরিদপুর থেকে কলকাতা, শিল্পী হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রা১৯৩৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরের দাহারপাড়া গ্রামে জন্ম যোগেন চৌধুরীর। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। পরিবারের পরিবেশও তাঁর শিল্পীসত্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর মা সুন্দর আল্পনা আঁকতেন। মায়ের সেই শিল্পচর্চা ছোট্ট যোগেনের মনে ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ তৈরি করেছিল।দেশভাগের সময় পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। এই শহরেই শুরু হয় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষা। কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফ্টে পড়াশোনা করেন তিনি। শিল্পশিক্ষা শেষ করে হাওড়া জেলা স্কুলে অঙ্কন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পরে ১৯৬২ সালে কলকাতার হ্যান্ডলুম বোর্ডে ডিজাইনার হিসেবে যোগ দেন। শিল্পচর্চার পাশাপাশি পেশাগত জীবনেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি।উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৬৫ সালে প্যারিসে পাড়ি দেন যোগেন চৌধুরী। ইউরোপীয় শিল্পধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয় সেই সময়। ভারতীয় শিল্পের ঐতিহ্য এবং পাশ্চাত্যের আধুনিক শিল্পভাবনার সংমিশ্রণ তাঁর কাজকে স্বতন্ত্র মাত্রা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের আর্ট গ্যালারির কিউরেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।ব্যঙ্গ, সমাজ ও রাজনীতিক্যানভাসে ধরা পড়ত সময়ের ছবিযোগেন চৌধুরীর শিল্পকর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সমাজ ও রাজনীতির নানা অসংগতি তুলে ধরার ক্ষমতা। তাঁর ছবিতে কেবল রং, রেখা কিংবা অবয়বের প্রকাশ ঘটত না; ফুটে উঠত সমকালীন সমাজের নানা প্রশ্ন, দ্বন্দ্ব ও বাস্তবতা। ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি সমাজের অসংগতিগুলিকে শিল্পের ভাষায় প্রকাশ করতেন। সেই স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।ভারতীয় ঐতিহ্য এবং ইউরোপীয় আধুনিক শিল্প আন্দোলনের প্রভাব তাঁর কাজে লক্ষ করা যায়। তবে প্রভাবের মধ্যেও নিজস্ব শিল্পভাষা নির্মাণ করেছিলেন তিনি। তাঁর সৃষ্টিতে মানুষের অবয়ব, অভিব্যক্তি এবং সামাজিক বাস্তবতা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশ-বিদেশে তাঁর শিল্পকর্ম প্রশংসিত হয়েছে এবং বিভিন্ন সম্মানেও ভূষিত হয়েছেন তিনি।দুর্গাপুজোর শিল্পভাবনাতেও ছিল তাঁর ছোঁয়াক্যানভাসের বাইরেও বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। বিভিন্ন সময়ে একাধিক দুর্গাপুজোর থিম এবং প্রতিমা-ভাবনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে বেহালা নূতন দল দুর্গাপুজোর প্রতিমার স্কেচ তৈরি করেছিলেন এই শিল্পী। পরের বছর ঠাকুরপুকুর স্টেট ব্যাঙ্ক পার্ক সর্বজনীনের দুর্গাপ্রতিমার চালচিত্রের নকশাতেও তাঁর শিল্পভাবনার প্রতিফলন ঘটেছিল।বাংলার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে শিল্পের যে বিস্তৃত পরিসর তৈরি হয়েছে, সেখানে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রথাগত শিল্পচর্চা থেকে জনপরিসরের শিল্পবিভিন্ন ক্ষেত্রেই নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছিলেন তিনি।শিল্পের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেওচিত্রকর হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনও ছিল যোগেন চৌধুরীর। ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। ২০২০ সাল পর্যন্ত সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প ও সংস্কৃতির জগতের সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সংসদীয় রাজনীতিতে উপস্থিতি তাঁকে অন্য পরিচিতিও দিয়েছিল।তবে তাঁর দীর্ঘ জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে থাকবে শিল্পচর্চা। রং, রেখা ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজকে দেখার যে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তিনি তৈরি করেছিলেন, তা ভারতীয় আধুনিক চিত্রকলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণে হারালেন বাংলা তথা ভারতের শিল্পজগতের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর সৃষ্টি, শিল্পভাবনা এবং সমাজকে দেখার স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনেও শিল্পপ্রেমীদের কাছে প্রাসঙ্গিক থাকবে। মানুষটি চলে গেলেন, কিন্তু ক্যানভাসে রেখে গেলেন সময়, সমাজ ও মানুষের বহু না-বলা কথার চিহ্ন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
দেশ

হস্টেলে আত্মহত্যা রুখতে বিশেষ ফ্যান! অতিরিক্ত ওজন পড়লেই খুলে যাবে, বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন

সুরাট: পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় অভিনব উদ্যোগ বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়েরছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্টেলের ঘরে বিশেষ প্রযুক্তির সিলিং ফ্যান বসাল গুজরাটের সুরাটের বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় (Veer Narmad South Gujarat University)। আত্মহত্যার ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি এই বিশেষ ফ্যানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একটি স্প্রিং মেকানিজম। ফ্যানে অতিরিক্ত ওজন পড়লে সেটি খুলে নীচে নেমে আসবে এবং একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ফলে ফ্যানকে আত্মহত্যার কাজে ব্যবহার করা কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলিতে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ সিলিং ফ্যানের পরিবর্তে বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত এই ফ্যান ব্যবহারের মূল লক্ষ্য হল, কোনও পড়ুয়া চরম মানসিক সংকটের মুহূর্তে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে সেই ঝুঁকি কমানো।বিশেষ স্প্রিং ব্যবস্থার কারণে নির্দিষ্ট সীমার বেশি ওজন পড়লে ফ্যানটি তার মাউন্টিং ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি। এর ফলে বিদ্যুৎ সংযোগও বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে এই প্রযুক্তি কতটা কার্যকর, তা নির্ভর করবে যন্ত্রটির নকশা, নির্ধারিত ওজনসীমা এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের উপর।#WATCH | Surat, Gujarat | Veer Narmad South Gujarat University installs anti-suicide ceiling fans, with special spring mechanism, in hostels, designed to detach under excessive weight and cut off the power supply. https://t.co/1GM7E91n3K ANI (@ANI) October 24, 2026শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পড়াশোনার চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে অনেক পড়ুয়াই মানসিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যান। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা, কাউন্সেলিং এবং সময়মতো সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থাও জরুরি।বিশেষ ফ্যান বসানোর এই উদ্যোগ হস্টেলের নিরাপত্তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বিকল্প প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ। তবে আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়পড়ুয়াদের পাশে থাকা, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং প্রয়োজনে দ্রুত পেশাদার সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal