• ৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজনীতি

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা। আর এই ঘটনার জেরে গলসি ১ নং ব্লকে প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। জানা গেছে, গলসি ১ নং ব্লকের ঘাগরা গ্রামের তৃণমূল কর্মী বকুল মোল্লাকে একা পেয়ে মেরে তার হাত পা ভেঙে দেয় দলের অপর গোষ্ঠীর লোকজন।আর এই ঘটনার জেরে এদিন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দলীয় নেতা নেত্রীরা। রবিবার সন্ধা নাগাদ পুরসা গ্রামে তৃণমূল কর্মীসভা আয়োজন করেছিল ব্লক এসসি ওবিসি সেল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। যেখানে সকল অঞ্চলের অসংখ্য কর্মী যোগদান করেন। আর সেই সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। আর এতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তবে ছাত্র নেতা তাপস সোমকে থামিয়ে কর্মীদের শান্ত হওয়ার বার্তা দেন প্রাক্তন ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজনীতি

ফের শাসক দলের দলীয় কোন্দলে উত্তপ্ত পুর্ব-বর্ধমানের গলসি

ফের তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। রবিবার শাসকদলের বিবদমান দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে উপ্তত্ত হল গলসির ১ নম্বর ব্লকের ঘাগরা গ্রাম। গ্রামের তৃণমূল নেতা নূর আমিন মোল্লা ওরফে বকুলকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। মেরে তার দুহাত ও পা ভেঙে দেওয়া হয় বল তিনি জানান। তার অভিযোগ, রবিবার বেলা এগারোটা নাগাদ তিনি তার মেয়ের বিয়ের জন্য খাট কিনতে গিয়েছিলেন গ্রামেরই একটা ফার্নিচারের দোকানে। সেখানেই দলের অপর গোষ্ঠী জনা দশ পনেরো লোক চড়াও হয়ে তাকে টাঁঙি, রড ও দা দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। ঘটনার জেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যাশ। সেখান থেকে তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

এবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার! ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিখে প্রচার

আসানসোলের পর এবার বর্ধমানে পোস্টার। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো বর্ধমান শহরে। শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চায়না কুমারীর নামে পোষ্টার ঘিরে চাঞ্চল ছড়ালো লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়।বর্ধমান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চায়না কুমারী। রবিবার এই ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় চায়না কুমারীর সন্ধান চাই বলে একাধিক পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। এই পোষ্টার ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই ধরনের পোষ্টার লাগিয়েছে। জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, ওই ওয়ার্ডে প্রতিনিয়ত উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। ওয়ার্ডে কাউন্সিলর থাকলেও সামগ্রিক উন্নয়নের দ্বায়িত্ব পৌরসভা নেয়। কাউন্সিলর কোথাও বেরাতে গিয়ে থাকতে পারে। তার জন্য তার নামে নিখোঁজ পোষ্টার এটা বিরোধীদের কাজ। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য এটা বিরোধীরা করছে বলে দাবী করেন প্রসেনজিৎ বাবু। অপরদিকে বিজেপির দাবী এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূলে পিসি ভাইপোর গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সারা রাজ্য দেখছে। এই লড়াইটা এখন ওয়ার্ড স্তরে চলে এসেছে। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা বিজেপির কালচার নয়। কিছু তৃণমূল নেতা করেকম্মে খেতে না পারার জন্যই তাদের মধ্যে এই কাদা ছোড়াছুড়ি। এটা তারই ফল। এবিষয়ে কাউন্সিলর চায়না কুমারী টেলিফোনে জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কে বা কারা এটা করেছে জানিনা।বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। খোঁজ না নিয়ে কোন মন্তব্য করবো না।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

গোষ্টী সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বর্ধমানের মেমারি শহরে

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্টী সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। মারধর ও দোকান ভাংচুরের পাশাপাশি সংঘর্ষে জখম হয় দুপক্ষের ৪ জন। মেমারি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।বৃহস্পতিবার মেমারির চেকপোস্টের কাছে দুপক্ষের গালিগালাজ ও বচসাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জখম চারজনকে চিকিৎসার জন্য মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপক্ষই দুপক্ষের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করে মেমারি থানায়।জখম তৃণমুল নেতা প্রসূন দাসের অভিযোগ তাদের একটি ছেলেকে গালিগালাজ করে। প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করে। তখনকার মত সমস্যা মিটে গেলে দোকানে গিয়ে মেমারির শহর সভাপতি স্বপন ঘোষালের অনুগামীরা লাঠি, রড দিয়ে মারধর ও দোকান ভাংচুর করে।পাল্টা সুভাষ পণ্ডিতের মা অনিমা পণ্ডিত মারধর ও দোকান ভাংচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার ছেলে বাড়ি আসার সময় গালিগালাজ করে।গালিগালাজকে কেন্দ্র করে বচসা এবং তারপরই আমার ছেলেকে রড দিয়ে মারধর করে।আমি তৃণমূল করি কিন্তু আমার ছেলে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। ঘটনার পরিপেক্ষিতে মেমারি থানার পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে ভাইফোঁটা সারলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র

বাঙালির এই বিশেষ দিনে যখন সবাই পরিবারের নিজেদের নিয়ে আনন্দে মাতোয়ারা, ঠিক সেই সময় বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দিনটা কাটালেন অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের এক অনাথ আশ্রমের শিশুদের পাশে নিয়ে ভাইফোঁটায় অংশ নিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের নীলপুরের ব্লাইণ্ড একাডেমিতে প্রতিবছরের মত এবারও ভাইফোঁটার আয়োজন করা হয়। সেখানে নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে উপস্থিত হন দেবু টুডু। তিনি বলেন, আনন্দের দিনে অনাথ শিশুদের সঙ্গে নিয়ে সব কিছু ভাগ করে নিতেই তো প্রতিবছর হাজির হই ব্লাইণ্ড একাডেমিতে। তিনি আরও জানান, এবার নিজের সন্তানকেও তিনি এই আন্নন্দে সামিল করতে নিয়ে এসেছেন।ব্লাইণ্ড একাডেমির দায়িত্বে থাকা রায় চাঁদ সুরানা বলেন,আমাদের কোন নেশা নেই। এই বাচ্চাগুলোই আমার কাছে নেশা ও ভালোবাসা। ভাইফোঁটার আয়োজনে কোন খামতি ছিল না। নানার মিষ্টি, লুচি সবই ছিল থালায় সাজানো। বাচ্চারাও খুব খুশি আজকের বিশেষ দিনে।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

দীপাবলির মাঝ রাতে বর্ধমানে নির্মলঝিল মহাশ্মশানে মহা গণ্ডগোল, ত্রস্ত দর্শনার্থী

কালীপুজো ও দীপাবলির রাত দেড়টা নাগাদ বর্ধমানে নির্মলঝিল মহাশ্মশান এলাকায় ভাঙচুর ও তান্ডব চালালো বেশ কয়েকজন। অভিযোগ তারা সকলেই নিজেদের স্থানীয় তৃনমূল নেতা ও কর্মী বলে পরিচয় দেয়। এই ঘটনায় শ্মশান কালি মন্দির কমিটির ১০ জন সদস্যকে বেধারক মারধর করা হয়, তাদের মধ্যে তিনজন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি বলে জানা গেছে। তান্ডবের ঘটনায় রাতে নির্মলঝিল মহাশ্মশান এলাকায় উত্তেজনা দেখা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।বর্ধমান শহরের নির্মলঝিল মহাশ্মশানে কালিপূজো দেখতে ভির জমান বহু মানুষ, এবারও প্রচুর মানুষ উপস্থিত ছিলেন কালিপূজো দেখতে। পুজো কমিটির অভিযোগ, হঠাৎই নিজেকে তৃণমূল নেতা পরিচয় দেওয়া আকাশ সিং মদ্যপ অবস্থায় সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মহাশ্মশানে উপস্থিত হয়। কমিটির সদস্যদের সাথে দু-এক কথা হওয়ার পরেই ভাঙচুর চালায় মহাশ্মশান চত্বরে। ভেঙে দেওয়া হয় প্রায় ৫০ টি চেয়ার ও টেবিল। সেই সঙ্গে কমিটির ১০ জন সদস্যকে বেধারক মারধর করা হয় বলে তাঁদের অভিযোগ। এই তান্ডব লীলা দেখে মহাশ্মশানে আগত সকল দর্শনার্থীরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেয়, মুহুর্তে শান্ত এলাকা রনক্ষেত্রের চেহারা নেয়। ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত দুটো নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন ২১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসান্ন ব্যানার্জি। তিনি জানান, এই ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেননি। সম্পূর্ণ বিষয়টি এলাকা মানুষদের কাছে শুনেছেন তিনি। প্রশাসনের কাছে তিনি একটাই আবেদন রাখেছেন দোষীদের বিরুদ্ধে যাতে করা ব্যবস্থা নেয়া হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি সাংসদ স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেত্রী স্ত্রীর

সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে নিয়ে সরব হলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমানের মেহেদী বাগানে একটি কালী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। তিনি বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা তথা তার প্রাক্তন স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ করেন।তিনি বলেন, উনি তো কোথাও গুরুত্ব পান না। উনি যখন যে দলে থাকেন সেই দলকেই পাগল করে মারেন। তিনি যখন তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন তখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উল্টো পাল্টা কথা বলেছেন। এখন তিনি যে দলে আছেন সেই দলের বিরুদ্ধে বলছেন। নিশ্চয় গুরুত্ব না পাবার মত কিছু করেছেন। তবে ওই দলে কদিন থাকবে তা নিয়েও তিনি সন্দিহান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি করতে আসা মানে পাবার জায়গা নয়। পদ চাই তা নয়।মানুষের জন্য কাজ করা।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজনীতি

জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য। নাম না করে বিজেপিকে তোপ পূর্ব-বর্ধমান জেলার তৃণমূলে মুখপাত্র দেবু টুডুর। পাশাপাশি বিজেপি র দাবি এই ফেষ্টুন জনরোষে মানুষ লাগিয়েছে।পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েতে সমিতির অফিসের মূল ফটকের পাশেই আজ সকালে একটি ফেষ্টুন নজরে আসে এলাকার মানুষের। ফেষ্টুনে লেখা রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাটমানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা অবিলম্বে দিতে হবে। রাতারাতি বড়লোক হওয়া তৃণমূল নেতাদের অবিলম্বে টাকার হিসেব দিতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে কাজের নামে যে কাটমানি নেয়া হয়েছে তা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে।স্বাভাবিকভাবেই এই ফেষ্টুন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের ঝড় উঠেছে বর্ধমান জেলার জামালপুরে। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু জানান, যারা কেন্দ্রের টাকা দিচ্ছে না মানুষকে বঞ্চিত করছে তারাই রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে এবং আগামী দিনে যদি কেন্দ্র টাকা না দেয় আবাস যোজনা ও একশ দিনের কাজের। গ্রামে গ্রামে বৃহত্তর প্রতিবাদ গড়ে উঠবে। মানুষের কাছে এর জবাব দিতে হবে।পাশাপাশি বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষ জনরোষে এই ফেষ্টুন লাগিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘিরে জামালপুরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

বিজয়া সন্মিলনী ঘিরে গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব চরমে বর্ধমানের মেমারীতে

শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনে গড় হাজির পূর্ব বর্ধমানের মেমারী শহরের একাধিক নেতৃত্ব। শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির ইঙ্গিত পূর্ণ তির্যক মন্তব্যে প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল।মেমারী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান হলেও মেমারি পৌরসভার একাধিক নেতৃত্বর অনুপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। এমন কি অনুপস্থিত ছিলেন মেমারী পৌরসভার পৌর প্রধান স্বপন বিষয়ী ও উপ পৌরপ্রাধান সুপ্রীয় সামন্ত।এ বিষয়ে মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি স্বপন ঘোষালের অভিযোগ, ২০২১ সালে যারা বিজেপি জিতবে বলে উল্লাস করেছিল, তারা আজকে অনুপস্থিত আছে। ২১ সালে যারা সিপিএম এবং বিজেপির সাথে টক্কর লাগিয়ে লড়াই করেছিল তারা সবাই আছে।কার্ডে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান এর নাম নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটা সাংগঠনিক ব্যাপার, এখানে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান নাম থাকার কোনো ব্যাপার নেই। পুরসভার কোন অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই চেয়ারম্যান-ভাইস-চেয়ারম্যানের নাম থাকত। তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের এই সম্মেলনকে আটকাবার জন্য আজকে যারা আসেনি তারা রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড করেছে। সিপিএমের আমলে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস কে ভোট দিতে যেমন বাধা দেওয়া হতো, আটকে দেওয়া হতো, ঠিক তেমনি ভাবে একটি সম্মেলনে না আসার জন্য আমাদের কর্মীদেরকে ভয় দেখানো হয়েছে। যারা অনুপস্থিত তারাই ভয় দেখিয়েছে। তবে যারা আটকাচ্ছে তারা তৃণমূল কিনা জানি না। যারা বিজেপির সাথে আঁতাত করে ২১ সালে বিধায়ককে হারানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাই আজকে ব্যারিকেড করেছে।যদিও এই বিষয়ে মেমরি পৌরসভার পৌর প্রধান ও উপ-পৌরপ্রধান কোন কোন প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি একটু দেরিতে পৌঁছেছি এখানে, অনুপস্থিতির বিষয়টি দেখতে পাচ্ছি তবে কারণ কি এখনও জানি না, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হবে।গোটা বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস তোলাবাজদের দল। কোন নেতার সাথে থাকলে বেশি ভাগবাটোয়ারা পাওয়া যাবে সেই নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে কোন্দল আছে। সেকারণে সব নেতারা একসাথে থাকতে পারে না।শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মেমারীর কৃষ্টি প্রেক্ষা গৃহে মঙ্গলবার বিকেলে বিজয়া সম্মেলন ও দলীয় প্রবীণ নেতৃত্বদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা তথা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী, মেমারীর বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তবে মেমারী পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২জন কাউন্সিলর থাকলে ও গড়হাজির ছিলেন বাকি ১৪ জন কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজনীতি

বিস্ফোরক বিজেপি নেতা! কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত থেকে গা ঢাকা দিতে আমেরিকা গেছেন বলে অভিযোগ

ইডি, সিবিআইয়ের তদন্ত থেকে বাঁচতে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ইউএসএ পালিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।রবিবার দুপুরে বাঁকুড়া থেকে কলকাতা যাবার পথে ক্ষনিকের জন্য বর্ধমান সদর বিজেপি কার্যালয়ে আসেন সৌমিত্র খাঁ। এখানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি এক চোখের ছবি ঘুরে বেরাচ্ছে। উনি যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে কুনাল ঘোষ জানিয়েছেন, সেই হাসপাতালে আমার এক বন্ধুকে দিয়ে খোঁজ নিয়েছি। তিনি শুধুমাত্র চোখ দেখিয়েছেন বলে জানতে পারছি। তিনি বলেন, ইডি,সিবিআই এর ইনট্রোগেশন থেকে বাঁচতে তিনি ইউএসএ পালিয়ে গেছেন। ২০২৪ সাল পর্যন্ত অভিষেক বাইরেই থাকবেন বলে মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ। অভিষেকের স্ত্রী ও শালিকার ডাক পরেছে, এর পর অভিষেকের ডাক হতো। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মানিক ভট্টাচার্যের যে চাকরি প্রার্থীদের লিস্ট পাওয়া যাচ্ছে তাতে বেশিরভাগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশেই কাজ হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।শিবপুরে টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কয়লা ও বালি পাচার নগদ লেনদেনের মাধ্যমে হয়। তাই এখানে টাকা উদ্ধার হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। মেট্রো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো শহরে এই ধরনের প্রজেক্ট করতে গেলে কিছু ক্ষতি হয়। তবে মেট্রোর নকশা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা মত পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,এর আগেও বড় বাজারে ওভারব্রিজ ভেঙে কত মানুষের প্রান গেছে। একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনার টাকা আটকে যাওয়া প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁ জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন একশো দিন ও আবাস যোজনার টাকা আমাদের দরকার নেই। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের একটি বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠানে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি বিজেপি নেতাদের গাছে বেঁধে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে সৌমিত্র বলেন, আমরা এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভাল ফল করবো। জেলা পরিষদে দেবু টুডু যে দূর্নীতি করেছেন তার তদন্ত হবে।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র

বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে নিদান দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু। যতক্ষণ না কেন্দ্র সরকার পাওনা টাকা দিচ্ছে ততক্ষণ বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে কর্মীদের বার্তা দিলেন দেবু টুডু। পাশাপাশি তার হুশিয়ারি, মিটিং মিছিল করতে এলে ওদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখা হবে।শনিবার পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনীর সভায় দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বিজেপি গরিব মানুষদের একশো দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষদের আবাস যোজনার টাকা আটকে রেখেছে। আমাদের পাওনা টাকা দিচ্ছে না। পাওনা টাকা না দিলে ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না। প্রতিবাদ করুন। ওরা মিটিং মিছিল করতে এলে বেঁধে রাখুন। আগে পাওনা টাকা মেটাক। তারপর ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে। আদিবাসী গরিব খেটে খাওয়া মানুষের টাকা আটকে রেখেছে বিজেপি সরকার।গুসকরায় তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী সভায় বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, তৃণমূল সরকার শিক্ষকদের চাকরী চুরি করেছে। টাকা নিয়ে অযোগ্যদের চাকরীতে ঢুকিয়েছে।এ খন সেসব ধরা পড়ছে। সেই আতঙ্কে এসব বলে হাওয়া গরম করতে চাইছে। এতদিন বলতো সব টাকা দিদি দেয়। তাহলে এখন তারা বলতে বাধ্য হচ্ছেন টাকা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। দুর্নীতি করেছে একশো দিনের কাজে, আবাস যোজনায়। অডিট রিপোর্টে সব ধরা পড়েছে।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

দ্বিতীয় বার জেলা সভাপতি হয়ে কেষ্ট গড়ে বিজয়া সম্মিলনীতে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়

জেলা সভাপতি হওয়ার পর এই প্রথম পূর্ব বর্ধমানের কোন দলীয় সভায় হাজির হলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডল জেলে যাওয়ার পর আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের দলীয় সংগঠন সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে। আর দায়িত্ব পাওয়ার পর শুক্রবার প্রথম আউশগ্রামে দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশ নিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। এবং তাৎপর্যপূর্ন ভাবে সেই যাত্রা শুরু অনুব্রত গড় বলে ক্ষ্যাত আউশগ্রাম।শুক্রবার আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী ছিল গেরাই উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে। এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বুথস্তরের কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় রেখে চলার বার্তা দিলেন। পাশাপাশি আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য প্রস্তুতির পাশাপাশি গুরুদায়িত্ব হিসাবে আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকা প্রশাসনিকভাবে পূর্ব বর্ধমানের মধ্যে পড়লেও বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত আউশগ্রাম। এই বিধানসভা এলাকায় দলীয় সংগঠন এতদিন ধরে সামলাছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু তিনি গরুপাচার মামলায় জেলে যাওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান জেলা নেতৃত্বকে আউশগ্রাম এলাকায় সংগঠন দেখার দায়িত্ব দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে ছিলেন বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অসিত মাল, জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্যনেত্রী জয়া দত্ত, আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার, বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক ও যুব নেতা তথা জেলা-যুব সম্পাদক বর্ধমানের রাসবিহারী হালদার।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
কলকাতা

'দুর্গাপুজোয় গান্ধিজিকে অসুর, জনগণ জবাব দেবে,' বললেন মমতা

এবার রাজ্যে দুর্গাপুজোয় ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে। পুজোয় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয় সব থেকে বেশি। বৃহস্পতিবার উত্তীর্ণ সভাঘরে দলের বিজয়া সম্মেলনীতে একথা বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মায়ের আরাধনা শেষ করে লড়াই শুরু করছি। চারটে ডান্ডা নিয়ে গেলেন মনে করলেন তৃণমূল উঠে গিয়েছে, এত সোজা নয়। উতৎসব মরসুমে এসব করি না।কলকাতায় অসুরকে গান্ধির রূপ দিয়েছিল একটি পুজো কমিটি। তা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল। থানায় অভিযোগও হয়েছিল। শেষমেশ সেই রূপের পরিবর্তন করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, কথায় কথায় বলেন বাংলায় দুর্গাপুজো হয়না, সরস্বতী পুজো হয় না। এদিকে গান্ধিজিকে অসুর বানিয়ে দিলেন। এটা লজ্জার বিষয়। আমরা জানতে পারিনি। গোপনে করে দিয়েছে। মা দুর্গা গান্ধিজিকে মারছে। পরে তা সরানো হয়েছে। পুজোর সময় আমি কাউকে কিছু বলিনি। শুনলে সবার দুঃখ হবে। প্রতিবাদ করতে শুরু করবে। জনগণই এর জবাব দেব।এদিন ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইডি, সিবিআইযের হাতে নানা সময়ে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও জেলবন্দি হয়ে আছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ ক্ষমতায় আছ। এজেন্সি দেখাচ্ছ। কাল যখন ক্ষমতায় থাকবে না তখন এজেন্সি তোমার ঘরে ঢুকে দুকান মূলে দেবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
কলকাতা

বিজয়া সম্মিলনীতে ডাক না পাওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের গোসাঁ, চরম কটাক্ষ বিরোধীদের

তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়া তাপসের জোড়া মন্তব্যে চরম অস্বস্তিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দুই তাপসই উত্তর ২৪পরগনার বিধায়ক। একজন আদি কংগ্রেসের অন্যজন সিপিএম থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়ের বিস্ফোরক মন্তব্যের পর বোমা ফাটালেন নিউটাউন-রাজারহাটের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। বুধবার নিউটাউনে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় নিজেকে অপমানিত বোধ করছেন স্থানীয় এই বিধায়ক। তিনি মর্মাহত। তাপসের কটাক্ষ, দলে দুটি শ্রেণি, বাবু ও চাকর। চাকরেরা ডাক পান না। আমি বোধ হয় দ্বিতীয় শ্রেণিতেই পড়ি। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল ও বিরোধীদের প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করে আগুনে ঘি ঢেলেছেন নিউটাউন-রাজারহাটের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। এর আগে উত্তর কলকাতার তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়। বুধবার সন্ধেয় ইকো পার্কে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনীতে একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকলেও ব্রাত্য ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। তাঁরই বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন হলেও তাঁকেই সেখানে ডাকেননি উদ্যোক্তারা। তাতেই গোসাঁ হয়েছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়।স্বভাবতই এই ঘটনায় হতাশ তৃণমূল বিধায়ক। দলের প্রতি একরাশ অভিমান পড়েছে তাঁর গলায়। তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেন,দলে দুটি শ্রেণি, বাবু ও চাকর। চাকরেরা ডাক পান না। আমি বোধ হয় দ্বিতীয় শ্রেণিতেই পড়ি। আমার বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় এই অনুষ্ঠান হয়েছে। তবে আমি এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে কিছু জানি না। আগেও ডাক পাইনি। সেবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েও সদুত্তর পাইনি। ওখানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন আমি কি তাঁদের মধ্যেও পড়ি না? দলে বাবু ও চাকরদের শ্রেণির মধ্যে আমি বোধ হয় দ্বিতীয় শ্রেণিভুক্ত। তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।এই বিজয়া সম্মিলনীতে ডাক না পাওয়ায় তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্তকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়। সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁর বক্তব্যে। সব্যসাচী দত্তের সঙ্গে তাপস চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক বরাবরই অম্লমধুর। একাধিকবার পরষ্পরকে পরষ্পরের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেও দেখা গিয়েছে। যদিও দলের শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপে বিতর্ক বাড়েনি। তাঁকে বারবার বিজয়া সম্মিলনীতে ব্রাত্য রাখায় পরোক্ষে সব্যসাচীরই হাত দেখছেন তাপস, অন্তত তাঁর কথাবার্তায় সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট হয়েছে।তাপসের মন্তব্য, যাঁরা বলেছিলেন আর কটা দিন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেগম বলেছিলেন তাঁরা ডাক পান। আমি ডাক পাই না। দিনরাত পরিশ্রম করা অপরাধ কিনা জানি না। বিষয়টা খুব অপমানের। স্থানীয় বিধায়ককে বাদ দেওয়া হল। আমি সিপিএম থেকে এসেছি বলে হয়তো এখনও আমার বিশ্বাসযোগত্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তড়িঘড়ি বিষয়টি নিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছে।এদিকে তাপসের ওই অনুষ্ঠানে ডাক না পাওয়াকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, বিধায়ক মদন মিত্র গুরুত্ব দিতে নারাজ। এমন ঘটনা ঘটতেই পারে বলে প্রবীণ দুই নেতা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তবে, মদন মিত্র বলেন, তবে নিজেকে গালমন্দ করেছে তাপস, তবে আমি বলবো যেন আত্মহত্যা না করে। খেলা অনেক বাকি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওই দলে তো সবাই কর্মচারী। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, বেশি তেলা আদায় করতে পারছে না বলে রেগে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও আশীর্বাদ চাইছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজনীতি

ক্রেন নিয়ে অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগ বর্ধমানে, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

ফের বিতর্কে বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। তার বিরুদ্ধে বর্ধমানের বাবুরবাগ এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো গাছ কাটার অভিযোগ করে বনদপ্তরের দ্বারস্থ হলেন খোদ বর্ধমান শহর জয়হিন্দ বাহিনীর সহ সভাপতি মুক্তার মিঞা। বাদশার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সোমবার দিনের বেলা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি শিরিশ গাছ কাটছিল তারা। কাটা গাছটি নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গে ছিল ক্রেন। বনদপ্তরে খবর গেলে বনদপ্তরের কর্মীরা আসতেই গাছ অর্ধেক কেটে রেখেই ক্রেন সহ কিছু কাটা কাঠ নিয়ে বেপাত্তা হয় অভিযুক্তরা। মুক্তার মিঞা অভিযোগ করেন, এই গাছটি রাস্তার উপরে রয়েছে। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই গাছ কাউন্সিলর বিক্রি করার উদ্দেশ্যে কেটে নেওয়ার জন্য এসেছিল। আমি খবর পাওয়া মাত্র বনদপ্তরে জানাই। বনদপ্তরের কর্মীরা আসতেই সবাই পালিয়ে যায়। বসির আহমেদ সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে বনদপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন মুক্তার মিঞা। স্থানীয় বাসিন্দা সেখ রাজিবুল বলেন, অনেক দিনের পুরোনো গাছ কাউন্সিলর বাদশা সহ বেশ কয়েকজন কাটতে এসেছিল। আমরা বনদপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছি। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা অনিমা মল্লিক জানান, গাছটি অনেক পুরোনো শুকিয়ে গেছে। ডালপালা কাটার জন্য আমরা কাউন্সিলরকে জানিয়েছিলাম। উনি কি করেছেন আমরা জানি না। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই কাউন্সিলর বসির আহমেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। গাছটি মারা গেছে, কেটে ফেলার জন্য আমার কাছে স্থানীয়রা এসেছিল। আমি বনদপ্তর ও পৌরসভাকে জানাতে বলেছিলাম। পরে শুনলাম কেউ গাছটা কেটে নিচ্ছে। আমিই বনদপ্তরকে জানিয়েছিলাম বলে দাবী করেন কাউন্সিলর। অতিরিক্ত বনাধিকারিক সোমনাথ চৌধুরী জানান, গতকাল গাছটি কাটা হচ্ছিল বলে আমাদের কাছে খবর আসে। আমাদের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়া মাত্রই সবাই পালিয়ে যায়। কাটা গাছের কিছু অংশ আমরা ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত করি। আজ স্থানীয়রা কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করবো। এই গাছ কাটার জন্য কয়েকজন অনুমতি নিতে এসেছিলেন। কিন্তু কাগজপত্রে অসঙ্গতি থাকায় আমরা তাদের অনুমতি দিইনি। যারা এটা করেছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেব।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে কাউন্সিলর বসির আহমেদের বিরুদ্ধে তার দলেরই এক কর্মী তুহিনা খাতুনকে মারধর ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে ওই মামলায় জামিনে রয়েছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রেস্তোরাঁয় আরও তোলার দাবিতে ব্যাপক মারধর, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

শাসকদলের নাম করে রেস্তোরাঁয় ঢুকে টাকা ও মদ চেয়ে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান শহরে। তবে টাকা দিয়েও রেহাই মেলেনি। আরও বেশি টাকা চেয়ে মালিকের ভাইপোকে চলল বেধড়ক মারধর। এই ঘটনা তিনদিন হয়ে গেলেও অধরা দুস্কৃতীরা। বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের মদতেই তোলাবাজরা এত সাহস পাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র জানিয়েছেন, দোষী যে দলেরই হোক শাস্তি হবেই।তোলার টাকা চেয়ে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় রেস্তোরাঁতে হামলার অভিযোগ ওঠে। দুদিনের বেশী কেটে গেলেও ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা বলে অভিযোগ। বিজপির দাবি, অভিযুক্তরা বর্ধমান-দক্ষিন বিধানসভার বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ{ এলাকায় অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশের খাতায় তারা ফেরার, তাদের ধরতে বর্ধমান থানার পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরেও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় আতঙ্কিত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী পরিবার। প্রসঙ্গত, ৭ই অক্টোবর বর্ধমানে দুর্গাপুজো কার্নিভালের দিন শহরের ছোটনীলপুর এলাকায় সদ্য ব্যবসা শুরু করা এক রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীর কাছে ৫০হাজার টাকা তোলা চেয়ে না পেয়ে রেস্টুরেন্টের সামনেই ওই ব্যবসায়ীর ভাইপোকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ{ এই ঘটনায় জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার জানান, জঘন্য কাজের জন্য দোষীদের শাস্তি পাওয়া উচিত, যদি তারা দোষী হয়। প্রশাসন প্রশাসনের মতো কাজ করবে, দোষীদের রেয়াত করবে না।নতুন খোলা এই রেস্তোরাঁ ঘটনার পর দুদিন বন্ধ ছিল। মালিক সুজিত চৌধুরী জানান, তাঁরা মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষ। কষ্ট করে ব্যাবসা করছেন। দোকান খোলার আগে থেকে কয়েকজন হুমকি দিচ্ছিল। বারবার ৫০ হাজার টাকা ও প্রতিদিন মদের বোতল দাবি করে। ভয় পেয়ে তাঁর ছেলে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও তার ভাইপোকে মারা হয়।এই ঘটনার জেরে শেফ কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন। তাঁরা শান্তিতে ব্যবসা করতে চান।দোকানের কর্মচারিরা জানান, তাঁরা এসে মাংস ও ডিম চায়। বিল ছাড়া তাঁরা দিতে পারেন না জানানোয় হুমকি দিয়ে চলে যায়। দুদিন পরেই মালিকের ভাইপোকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়।বিজেপি জেলা যুব মোর্চার সভাপতি পিন্টু সাম বলেন, শাসকদলের বিধায়ক ও স্থানীয় কাউন্সিলরের মদতেই দুস্কৃতীরা এত বেড়েছে। দোকানের মালিক অবশ্য জানিয়েছেন, বিধায়কের বিরুদ্ধে তার কোনও অভিযোগ নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু, বলেছেন এসব গর্হিত কাজ। তাদের দল এসব কাজের তীব্র বিরোধী। আইন মেনে পুলিশ ঠিকই ব্যবস্থা নেবে।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতার মদতে মারধর করে খুনের অভিযোগ মৃতার পরিবারের

পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রী ও শ্বাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ পূর্ব বর্ধমানের আলুডাঙ্গা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী শেখ ফিরোজের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শ্বাশুড়ি আজো রাউতের মৃত্যু ঘটেছে। তার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মারধর করেই তাকে খুন করা হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শিবশঙ্কর ঘোষের হাত আছে বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি করেন। যদিও শিবুবাবু এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমানের লোকো এলাকায়।পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ গতকাল তাদের জামাই ভাগ্নেকে নিয়ে মদ্যপ অবস্থায় তাদের বাড়ি আসে। এসে সে ডিভোর্সের মামলা করার জন্য হম্বিতম্বি করতে থাকে। একইসঙ্গে নিজের স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। তাকে বাঁচাতে ছুটে এলে শ্বাশুড়িকে ভীষণভাবে মারে। তার জেরেই তিনি মারা যান বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।মৃতার মেয়ে ও তার ভাই জানায়, বেশ কয়েকবছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে পণ ও দানসামগ্রী সব দিয়েও জামাইয়ের মন পাওয়া যায়নি। সে মদ্যপ অবস্থায় স্ত্রীকে লাগাতার নির্যাতন করতো। উপায়ান্তর না দেখে মেয়েটি ছেলেমেয়েকে নিয়ে লোকো নেপালী পল্লীতে বাপের বাড়ি চলে আসে। পরে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করা হয়। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শিবু ঘোষ বারবার তাদের ডেকে হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগ তুলে নেবার চাপ দিয়েছেন। এমনকি অফিসে ডেকেও ভয় দেখিয়েছেন। এছাড়াও তার হস্তক্ষেপেই স্থানীয় পার্টি অফিসে গিয়েও সুবিচার পাননি তারা। তাদের দাবি অভিযুক্ত শেখ ফিরোজ শিবু ঘোষের অনুগামী। তার উস্কানিতেই সে এত বড় ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে শেখ ফিরোজকে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা শিবশঙ্কর ঘোষ জানান, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। তার অফিসে বা পার্টি অফিসে কোনো মিটিং হয়নি। পরিবারের সদস্যরা শেখ ফিরোজের চরম শাস্তি দাবি করেছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

এবার বর্ধমানে শাসক দলের নেতা জড়ালেন 'খাস' কেলেঙ্কারীতে

খাস জমি নিজের বাবা মায়ের নামে পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ব্লকের ভূমি দপ্তরের কাজ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ। যা নিয়ে বারবার ক্ষুব্ধ হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে এবার গলসিতে ৬৭ শতক খাসজমি নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে খোদ গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কুর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই গলসি ২ নম্বর ব্লক বিএলআরওকে লিখিত ভাবে অভিযোগে জানিয়েছেন গলসি ২ নম্বর ব্লকের মসজিদপুর গ্রামপঞ্চায়েতের তেঁতুলমুড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে বিজেপি ও সিপিআইএম। অভিযোগে গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কু তার সময়েই ওই দুর্নীতি করেছেন। তাদের দাবী, ক্ষমতা ও টাকার বলে ওই জমির পাট্টা বের করে নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করিয়েছেন রুবিমনি। তবে জমিটি এখনও তেঁতুল মুড়ি গ্রামের কয়েকজন চাষি চাষ করেন। অভিযোগকারীরা আরও জানিয়েছেন, বেলান মৌজায় অবস্থিত ওই জমিটির দাগ নম্বর ১০৫৪। গোরা জমিটির পরিমাণ ২ একর ৭৬ শতক। সেখান থেকেই ৬৭ শতক জমি পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছেতবে জমিটি এখনও স্থানীয় চাষিদের দখলেই রয়েছে। মূল্যবান ওই জমিটি গলসি-শিকারপুর রোডের পাশে অবস্থিত। বিষয়টি নিয়ে গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিএলআর প্রবোধ আড্ড এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

তমলুকের টোলপ্লাজায় নবান্ন অভিযানের দিন তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস

১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানকে ঘিরে পূর্ব মেদিনীপুরের সোনাপাত্যা টোলপ্লাজায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ সেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে আকবরকে মারধোর করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ ই সেপ্টেম্বর ওই একই জায়গায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌমেন কুমার মহাপাত্র স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে সোনাপ্যত্যা টোল প্লাজা থেকে মিলন নগর বাজার পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয়। এবং এর পাশাপাশি প্রধান কে যারা মারধোর যারা করে ছিলেন, তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছিলেন এই প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তমলুক থানার পুলিশ সুরজিৎ ধাড়া, টোটন মাইতি, কার্তিক হাজর, সুমন জানা, পার্থপ্রতিম মান্না, বিবেকানন্দ বেরা, চিন্তা মনি মাইতি, মিলন অধিকারী, ও অরুন মল্লিককে 147/148/149/341/323/325/307/379/506 জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করে।কিন্তু এই জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে সেই একই জায়গায় পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচি নিল এলাকার বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। উপস্থিত তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি, সহ-সভাপতি আশিক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র মাইতি সহ জেলা ও রাজ্যস্তরের একাধিক নেতৃত্বরা।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

দলের দুর্নীতি ও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধানের

পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগ। দুর্নীতির অভিযোগ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন বীরভূমের দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলে দে। প্রধানের অভিযোগ, অর্থ তছরুপে বাধা দেওয়ায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও প্রধানকেই দুর্নীতিগ্রস্থ বলে অভিযোগ করেছেন দলের অন্য গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, বুধবার ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও-র কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দেন দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি দে। দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দলের চাপে পড়ে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে বলে জানান শিউলি দে। তিনি বলেন, দলের নেতারা দুর্নীতিতে যুক্ত। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত দলের অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল ও ব্লক সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক অভিজিৎ রায়। প্রতিবছর পুজোর আগে অঞ্চল সভাপতির মাধ্যমে আড়াই লক্ষ টাকা নিত ব্লক নেতৃত্ব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মোটা অঙ্কের টাকা বাড়ি প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি নিত। এমনকি রুপশ্রী ও কন্যাশ্রীর টাকাও তুলত। সমস্ত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাটমানি নিত অঞ্চল সভাপতি। আমি এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিলাম। তাতেই আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিজিৎ রায়কে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। কারণ তার কাছেও কাটমানির টাকা যেত। আমাকে অসুস্থ বলা হলেও আমি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি।প্রধানের স্বামী জয়দেব দে বলেন, সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু অঞ্চল কমিটি পঞ্চায়েত সদস্যদের কাজ করতে দিত না। নিজেরাই কাজ করত। তারা টিউবওয়েলের জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে নিম্নমানের। ফলে কোন সদস্য ওই জিনিসপত্র নিতে চাইছে না। সেগুলি পঞ্চায়েতেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই পদত্যাগ করেছেন। ব্লক সভাপতি তথা বিধায়ক অভিজিৎ রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রধানের সঙ্গে কোন সদস্যর হচ্ছিল না। তাই জেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে উনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এরপর উনি কি বললেন সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। ওনার সঙ্গে সদস্যদের হচ্ছিল না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দলকে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • ...
  • 57
  • 58
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal