• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Supreme Court

রাজ্য

'দাগি' তালিকায় TMC কাউন্সিলরের নাম, হাইকোর্টে ফের মামলা করার হুঁশিয়ারি

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর নাম। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও উঠে এসেছে দাগি তালিকায়। শনিবার প্রকাশিত তালিকায় ১,৮০৪ জনের মধ্যে রয়েছেন তিনিও। তালিকায় নিজের নাম দেখে ক্ষুব্ধ কুহেলি জানিয়েছেন, তিনি আগামী সোমবার ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন।কুহেলি ঘোষ বলেন, আমি আগেই মামলা করেছিলাম। সিবিআই-কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলাম। আদালতে জানিয়েছিলাম, আমাকে যে কোনও তদন্তকারী সংস্থা ডাকুক। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে ডাকেনি। হঠাৎ করেই জানতে পারলাম তালিকা প্রকাশ হচ্ছে, আর সেখানে আমার নাম রয়েছে। কেন আমার নাম এসেছে, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।তালিকার ৬৪৭ নম্বরে রয়েছে কুহেলির নাম। প্রথমে তিনি প্রাথমিক শিক্ষিকার পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরে হাইস্কুলে শিক্ষিকার চাকরিও পান। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পুরনো প্রাইমারির চাকরিতে ফেরার জন্য সব নথি জমা দিলেও এখনও সেই প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরীক্ষা দিয়ে নিয়ম মেনে তিনি চাকরি পেয়েছেন বলেই দাবি করেছেন কুহেলি ঘোষ।শুধু কুহেলি ঘোষই নন, ওই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন একাধিক রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী নামও। তালিকার ৩১৬ নম্বরে রয়েছেন হুগলির খানাকুলের দাপুটে তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিভাস মালিক। তিনি তারকেশ্বরের একটি বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ১,৩৩২ নম্বরে রয়েছে তাঁর স্ত্রী সন্তোষি মালিকের নামও। তালিকায় আরও রয়েছে জেলা পরিষদের সদস্যা সাহিনা সুলতানার নাম।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

অযোগ্য শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশের দিন কড়া নির্দেশ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট

এসএসসি মামলায় নয়া মোড়। আর কোনও অজুহাত নয়, ৭ দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে ওয়েবসাইটে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এই নির্দেশ দিয়েছেন। এসএসসিকে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে ফের বিড়ম্বনায় রাজ্য সরকার। আদালত জানতে চেয়েছে, কোনও মন্ত্রী সুপারিশ করছে? কিছু পাইয়ে দিতে চাইছে? চাকরি যাওয়ার জন্য় সম্পূর্ণ দায়ী এসএসসি, দায়ী বোর্ড। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেন স্বচ্ছতা থাকে। আপনারা কেন তালিকা প্রকাশ করছেন না? একজনও যদি আবেদন করে, পরীক্ষা দেয়, তাহলে ফের সিবিআইকে ডাকবে আদালত। বিচারপতি বলেন, কেন এতদিন তালিকা প্রকাশ করেননি? আগামী ৭ দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। একজন দাগী পরীক্ষার্থীও যদি পরিক্ষায় বসে তাহলে তার ফল ভোগ করতে হবে এসএসসিকে। আইনজীবীদের একাংশ জানিয়েছেন, রাজ্য় সরকার অযোগ্য়দের কাছ থেকে টাকা ফেরতের কোনও বন্দ্যোবস্ত করেনি। বরং সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। যোগ্য আন্দোলনকারীরা বলেন, আমরা বারে বারে বলেছি আযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে। আমাদের কথা শোনা হয়নি। এবার সেই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

আগস্ট ২৮, ২০২৫
রাজ্য

এসএসসির ২৬হাজার শিক্ষকের রিভিউ পিটিশন, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় ফের বড় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে ছিল রাজ্য সরকার, স্কুল সার্ভিস কমিশন, চাকরিহারাদের একাংশ-সহ নানা পক্ষ। সেই মামলার শুনানি শেষ হয় গত ৫ অগস্ট। দুই বিচারপতির বেঞ্চ এ বার জানিয়ে দিল, পুনর্বিবেচনার আর্জির আদালতে শুনানির দরকার নেই। পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতিরা। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগে গত ৩ এপ্রিল এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ অনিয়মের অভিযোগে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেয়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, সঠিক তথ্য না থাকায় যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে পুরো প্যানেল বাতিল করা হল। নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয় এসএসসিকে। দাগি বা চিহ্নিত অযোগ্যদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত। পরবর্তীতে এসএসসি এবং রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানায়। আবেদন জানায় চাকরিহারাদের একাংশও। কিন্তু রিভিউ পিটিশন বাতিল হওয়ায় চাকরি ফিরে পাওয়ার তেমন কোনও সম্ভাবনা থাকল না বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যে চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে কলকাতার রাস্তায় বহু আন্দোলন সংগঠিত করেছে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকরা।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

চাকরিহারা শিক্ষকদের আন্দোলন থেকে সুপ্রিম কোর্টের ডিএ নির্দেশ, কি বললেন সুকান্ত মজুমদার?

নিউটাউন বাস ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।গতকাল বিকাশ ভবনের সামনে শিক্ষকদের আন্দোলনে অশান্তিগতকাল রাতে যে বর্বরোচিত আচরণ শিক্ষক সমাজের উপর হয়েছে সেটা এর আগে অন্য কোনো রাজ্যে দেখা যায়নি এটা লজ্জার এরাজ্যের। বাংলার মানুষ এর জবাব দেবে। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করা উচিত। গতকালের বিকাশ ভবন এর ঘটনা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যযে ছবি গতকাল দেখা গিয়েছে সেটা যদি পুলিশের সংযম এর ছবি হয় তাহলে এই পুলিশ কতটা হিংস্র ভেবে দেখুন। একদিন রাজ্যের সব শিক্ষক কাজ বন্ধ করে এর প্রতিবাদ করা উচিত। পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলি হেলনে লাঠি পেটা করে এই শিক্ষকদের যোগ্য চাকরির আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল সব্যসাচী দত্ত বিকাশ ভবনসব্যসাচী দত্ত কে পাঠানো হয়েছিল গুন্ডামি করানোর জন্য। এরা পুলিশ নয় তো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা তো এত খারাপ নয় যে হাফ প্যান্ট পরে পুলিশকে ঘুরতে হবে। শিক্ষকদের আন্দোলন বিকাশ ভবনেআসল লোক বসে আছে নবান্ন এ। তাকে প্যাঁচে ফেলুন। রাজ্য সরকার বারবার শিক্ষকদের ললি পপ দিয়ে বোকা বানিয়েছেন। গতকাল বিকাশ ভবনে সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ আটকে থাকাগতকাল বিকাশ ভবনে যদি সাধারণ মানুষ বা সরকারি কর্মচারী আটকে থাকে তাহলে পুলিশের উচিত ছিল বুঝিয়ে বলা। আর মনে হয় না আমার যে কোনো শিক্ষক শিক্ষিকা কোনো গর্ভবতী মহিলাকে আটকে রেখে হেনস্থা করবে বললে। সুপ্রিম কোর্ট এর নির্দেশ ডিএ নিয়েসুপ্রিম কোর্ট প্রথম নির্দেশ দিয়েছিলেন ৫০% ডিএ মেটানোর কথা ।কিন্তু পরে আজ বলা হয়েছে কোর্টের তরফে ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য। তবে এই বকেয়া ডিএ পুরোটা মেটানো উচিত। রাজ্য সরকার এই রাজ্যকে ভিখিরিতে পরিণত করেছে।কোর্টের এই রায় কে স্বাগত জানাই। সরকার যদি চুরি না করত তাহলে এই হাল হতো না রাজ্যের। মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে রিপোর্ট পেশযদি পূর্ব পরিকল্পিত হয় তাহলে রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ জানতে পারেনি কেন? তাহলে ব্যর্থতা কার। ব্যর্থতার দায় কে নেবে মুখ্যমন্ত্রী, ডিজি পুলিশ নাকি অন্য কেউ। দায় নিতে হবে সরকাকে।

মে ১৬, ২০২৫
দেশ

ফুটপাথ দখলমুক্ত রাখতে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা! গাইডলাইন তৈরির জন্য দু’মাস সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট, সম্প্রতি দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যে, ফুটপাথ বা পথচারি চলাচলের পথ যেন কোনোভাবেই দখল না হয়। এই রায়ের মাধ্যমে আদালত শুধু অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি, বরং নাগরিক অধিকারের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দিয়েছে।রায়ের মূল নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে:প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করতে হবে, যা ফুটপাথ ব্যবস্থাপনা ও হকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে পুরসভা ও নগর উন্নয়ন সংস্থাগুলিকে সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করতে হবে, যাতে জীবিকার অধিকার ও পথচারি অধিকারের মধ্যে সুষম ভারসাম্য বজায় থাকে।কেন এই রায় গুরুত্বপূর্ণ?১. সাধারণ মানুষের অধিকারের স্বীকৃতিফুটপাথ মূলত পথচারীদের জন্য। কিন্তু দেশের বহু শহরে ফুটপাথ দখল হয়ে যায় দোকান, হকার বা নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা। এর ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল বিঘ্নিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায় এই রাইট টু মোভমেন্ট বা চলাচলের অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিয়েছে।২. হকারদের জীবিকা বনাম জনসাধারণের সুবিধাহকাররা দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে হকারদের অনিয়ন্ত্রিত বসতি শহরের অবকাঠামোকে সংকুচিত করে। আদালত এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সমাধান চেয়েছেহকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, এবং পথচারীদের জন্য মুক্ত রাস্তা।৩. শহরের পরিকল্পিত উন্নয়নফুটপাথ দখল মুক্ত হলে শহরের সৌন্দর্য, যানবাহন চলাচল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত হবে। এটি নগর উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত।চ্যালেঞ্জ ও করণীয়অনেকেরই ধারণা রাজ্য সরকারগুলির নিষ্ক্রিয়তা দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়েছে। অনেক রাজ্যে এখনও হকারদের রেজিস্ট্রেশন বা স্থান নির্ধারণের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা নেই।অনেকে মনে করেন স্থানীয় রাজনীতি এবং ভোট ব্যাঙ্ক হিসাবেও হকার ইস্যু ব্যবহৃত হয়ে থাকে, যার ফলে প্রশাসনের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়।বিশিষ্ট সমাজকর্মীদের আনেকের মতে, এই সমস্যার সমাধান হতে পারে একটি জাতীয় পর্যায়ের গাইডলাইন দিয়েই, যাতে সব রাজ্য তার ভিত্তিতে স্থানীয় নিয়মনীতি তৈরি করতে পারে।তাঁরা মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের এই রায় নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি শহুরে পরিকাঠামো, নাগরিক অধিকার এবং জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার এক বাস্তবসম্মত চেষ্টার প্রতিফলন। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি রাজ্য সরকারগুলি আন্তরিক হয়, তবে ভারতের শহরগুলো আরও বাসযোগ্য, সুশৃঙ্খল ও মানবিক হয়ে উঠতে পারে।

মে ১৪, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল, হাজার হাজার চাকরি গেল

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার ২০১৬ সালের SSC-র পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। যাদের চাকরি বাতিল হল তাদের একাংশের বেতনের টাকাও ফেরত দিতে হবে। রাজ্যের ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়ে গেল। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অবৈধ শিক্ষকদের বেতনের টাকা ফেরতেরও নির্দেশ। নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে এদিন জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। তবে যাঁরা অন্য সরকারি দফতর থেকে এসএসসি-র শিক্ষকতার চাকরিতে এসেছিলেন, তাঁরা চাইলে তাঁদের পুরনো চাকরিতে ফিরে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই প্রক্রিয়াও আগামী তিন মাসের মধ্যে শেষ করে ফেলতে হবে বলে স্পষ্ট করেছে সর্বোচ্চ আদালত।

এপ্রিল ০৩, ২০২৫
দেশ

ন্যায় দেবীর চোখ এখন খোলা, দাঁড়িপাল্লা রয়েছে তবে বাঁ হাতে তরবারি নয়

চোখ থেকে খুলে গেল কাপড়ের পট্টি। ন্যায় দেবীর চোখ এখন খোলা, সজাগ। ডান হাতে দাঁড়িপাল্লা রয়েছে তবে বাঁ হাতে তরবারি নয়, রয়েছে সংবিধান। দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের গ্ৰন্থাগারে বসানো হয়েছে এই নতুন মুর্তি। এর পরেই ন্যায়ের বন্ধ চোখ খুলে যাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। এর ই পাশাপাশি উঠছে প্রশ্ন ন্যায়ের বন্ধ চোখ তো খুলল, এবার কি শাসকের চোখ খুলবে?বিভিন্ন সুত্র বলছে, প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় মনে করেন, আইনের চোখে সবাই সমান। কিন্তু আইনের চোখে কখনও বন্ধ থাকে না।পাশাপাশি তার মত, আইন মানে শুধু ই শাস্তি নয়। তাই প্রধান বিচারপতির ভাবনা সুত্র ধরে মুর্তির হাতে তরবারির বদলে এসেছে সংবিধান। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় যেমন এই বইটির প্রসঙ্গ এসেছে ঠিক, তেমন ই সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে ও শাসক বিরোধীর ন্যারেটিভের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল দেশের সংবিধান। উপনিবেশ আমলের প্রাচীন মূর্তির উৎস ইতিহাসের ধুসর পথে। প্রধান বিচারপতি মনে করছেন, সেই পথেই থেমে না থেকে এখন সামনে এগিয়ে চলার সময়। কিন্তু আমাদের মত সাধারনের অভিজ্ঞতা হলো দেশদ্রোহ, রাষ্ট্রদ্রোহের শঙ্কা জাগিয়ে সেই ঔপনিবেশিক আমলের বাতাবরণ বজায় রাখাই পছন্দ সব রঙের শাসকের।বর্তমান সময় বলছে, শাসকের সমালোচনা করা, তুলি, কলম বা তর্জনীর দাসত্ব মানতে না চাওয়া এ সবই ভয়ঙ্কর অপরাধ। মেরুদণ্ড সমান রাখা এই শ্রেণী শাসকের চোখে লঙ্কা গুঁড়োর মতো অসহ্য। অতএব , আইনের মারপ্যাঁচ আর নিগড় কঠিন করে কারাগারে ভরো। খুব দূরে যেতে হবে না, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে মহারাষ্ট্রের ভীমা কোরেগাঁওয়ের ঘটনা, দলিত মাহার সম্প্রদায়ের এই প্রাচীন অনুষ্ঠানে ও প্রতি স্পর্ধার ভূত দেখেছিল শাসক। তাই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া কয়েকজন অধ্যাপক , সাংবাদিক ও সমাজসেবী কে গ্ৰেফতার করা হয়। অভিযোগ, তারা নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জানিনা এই অভিযোগ তুলে আইনের রক্ষকদেরও বন্ধ দরজার ওপারে হাসি পেয়েছিল কিনা। তবে তাদের আসল অপরাধ হলো খাদ্য,বস্ত্র, ও বাসস্থানের অভাবে যে বিপুল ভারতবাসীর পেট আর পিঠ এক হয়ে গিয়েছে তাদের দিন বদলের স্বপ্ন দেখা। বিদেশি সংবাদপত্র উদ্ধৃত করে দেশের সব প্রথম সারির সংবাদ পত্রে লেখা হয়েছিল ইজরায়েলি সংস্থার তৈরি পেগাসাস প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে আইনের চোখে অপরাধ যোগ্য তথ্যের অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছিল। এই প্রযুক্তি রাষ্ট্র ছাড়া আর কোনো পক্ষকে বিক্রি করা হয় না। দীর্ঘ সময় কারাবন্দী থাকার পরে শাসক পক্ষের অভিযোগ দূর্বল ঠেকায় শীর্ষ আদালতের রায়ে একে একে শর্ত সাপেক্ষ জামিন পান অভিযুক্তরা। তবে, এই সৌভাগ্য হয়নি ঝাড়খণ্ডের অবহেলিত আদিবাসীদের পাশে দাঁড়ানো সমাজসেবী ফাদার স্ট্যান স্বামীর। দুরূহ রোগে আক্রান্ত এই বৃদ্ধ সীমাহীন লাঞ্ছনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিহার জেলে। সামাজিক ন্যায় ও মুক্তচিন্তার এই পুজারীর দেখা হল না খোলা আকাশ আর ন্যায়ের মূর্তির খোলা চোখ। তবে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পরে খোলা আকাশের নিচে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জি এন সাইবাবার। যদিও ন্যায়ের মূর্তির খোলা চোখ দেখে যাওয়া হলো না তাঁর। ভীমা কোরেগাঁও কান্ড থেকে যে শব্দ বন্ধের জন্য সেই আরবান নকশাল তকমা নিয়ে জেল বন্দি হন এই অতি বিদ্বান মানুষ টি। Wheel chair ছাড়া চলাফেরা করা সম্ভব ছিল না সাইবাবার। তাঁকে কাছ থেকে যারা দেখেছেন তাঁদের মতে অগাধ পান্ডিত্য আর তীক্ষ্ণ মননের অধিকারী মানুষ টির মন ছেয়ে ছিল দেশের প্রান্তিক ও আদিবাসী মানুষের কল্যাণ চিন্তা। আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক বন্দি মুক্তির পক্ষে আর আদিবাসী দের জমিতে বহুজাতিক সংস্থার মৃগয়ার বিপক্ষে অবস্থান ছিল তাঁর। এই সবই রাষ্ট্রের চোখে দেশদ্রোহিতা। অতএব জেলেই ঠাঁই হয়েছিল সাইবাবার। আদালতের চৌকাঠ থেকে বারবার ফিরে এসেছে তাঁর জামিনের আবেদন। দীর্ঘ দিন জেলের মধ্যে সঠিক চিকিৎসার অভাব ও মানসিক নিপীড়নের কারণে অশক্ত শরীর আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই সম্প্রতি শীর্ষ আদালতের রায়ে সব অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেও নিরুপদ্রব যাপনের দিন ফুরিয়ে এসেছিল সাইবাবার। কয়েকদিন আগে মৃত্যু হয় তাঁর। সাইবাবার মৃত্যু যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে তা হল , এবার কি সময় হয় নি সাংবিধানিক অধিকার কোথায় কীভাবে কঠোর আইনের যথেচ্ছ ব্যবহার ক্ষুন্ন হচ্ছে তা খুঁজে দেখার? এই কাজ তো বিচার ব্যবস্থা কেই করতে হবে। বিচারের দীর্ঘসুত্রতায় বিচার না পাওয়ার তো প্রখর হয়। মুক্তি পাওয়ার কিছু দিন পর এক সাক্ষাৎকারে সাইবাবা বলেছিলেন, দান্তে থেকে সলোমন রুশদি, ইউরোপ থেকে মিশরের সভ্যতা সবখানেই নরকের বর্ননা এবং ধারণা রয়েছে, আন্ডা সেল ঠিক সেই রকম ই নরক। সাইবাবাকে সব অভিযোগ থেকে মুক্ত করে বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বলেছিল, এক্ষেত্রে বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতাই ধরা পড়েছে। এমনকি ৫৭ বছরের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ইউ এ পি এ লাগুর ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি মানা হয় নি বলেও মন্তব্য করেছে উচ্চ আদালত। এই রায়ে পৌঁছতে ১০ বছর সময় লেগেছে। ততদিন কুখ্যাত আন্ডাসেল যেখানে কুখ্যাত অপরাধী ও জঙ্গিদের রাখা হয় সেখানে থাকতে হয়েছিল শীর্ষ মস্তিষ্কের মানুষ টিকে।বর্তমানে দেশের কিছু নির্দিষ্ট গোষ্টীর খাওয়া পরা কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে নাগরিক হিসেবে অর্থনৈতিক কাজ বা সাধারণ জীবনযাপনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার। বি জে পি শাসিত কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্যের সরকারের নানা নিয়ম ও আইন লাগু করার মধ্যে ই এই অশনি সংকেত রয়েছে। তবে, অ বিজেপি শাসিত পশ্চিম বঙ্গের অবস্থাও কি স্বস্তিকর? বোধহয় নয়। বছর খানেক আগের দিল্লি দাঙ্গার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গ্ৰেফতার করা হয় ছাত্রনেতা উমর খালিদ কে। প্রায় তিন বছর ধরে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে চলেছে। জামিনের আবেদনের যথার্থতা বিচার করার কথা অসংখ্য বার বিচারপতিদের মুখে শোনা গিয়েছে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় উল্টো ছবি। সাইবাবার অসময় মৃত্যু এবং ন্যায়ের মূর্তির আবরণ হীন চোখ কি বিচার ব্যবস্থার এই দীর্ঘসুত্রতা দূর করে উমর খালিদদের উপযুক্ত বিচার পাওয়ার সুযোগ করে দেবে? এর উত্তর সময় বলবে। আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের বিচার চেয়ে প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে কলকাতা। প্রতিবাদ ছড়িয়েছে কলকাতা ছাড়িয়ে বিদেশের নানা প্রান্তে। এই ধর্ষণ ও খুন কলকাতাকে উন্নাও, কাঠুয়া, হাথরসের সঙ্গে এক আসনে বসিয়ে দিয়েছে। কলকাতাতেও প্রশাসনিক গাফিলতির সঙ্গে চোখে পড়ছে পুলিশ প্রশাসনের অতি সক্রিয়তা। জামায় প্রতিবাদী উচ্চারণ থাকায় কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে গ্ৰেফতার করা হয়। প্রতিবাদী জমায়েতের ডাক দেওয়ায় পুলিশি হেনস্থার মুখে পড়তে হয় কয়েক জন তরুণীকে। শাসক বিরোধী ও আর জি করের বিচার চেয়ে শ্লোগান দেওয়ায় গ্ৰেফতার করা হয় কয়েকজন তরুণ কে। নানা ছুতো এবং নানা অছিলায় প্রতিবাদী জমায়েত আটকাতে তৎপর পুলিশ। তালিকা দীর্ঘ কিন্তু শাসকদের ছায়া এক। সংবিধান হাতে নতুন ন্যায়ের দেবী চোখ খুলেছেন এই অসময়ে! তবে কি সুসময় ফিরবে?

অক্টোবর ২১, ২০২৪
দেশ

কেন্দ্রের ন্যায় সংহিতা আইন, খতিয়ে দেখতে রাজ্য সরকাররে রিভিউ কমিটি

কেন্দ্রের ন্যায় সংহিতা আইন নিয়ে আগেই প্রতিবাদ জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই আইন খতিয়ে দেখে পর্যালোচনা করার জন্য নতুন রিভিউ কমিটি তৈরি করল রাজ্য সরকার। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে সাত সদস্যের এই কমিটি তৈরি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, কমিটির শীর্ষে রয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অসীম কুমার রায়। প্রসঙ্গত, ১ জুলাই থেকে ফৌজদারি বা অপরাধ সংক্রান্ত বিচার ব্যবস্থায় চালু হয়েছে নয়া তিন আইনের শাসন। ভারতীয় দণ্ডবিধি বা আইপিসির বদলে ভারতীয় ন্যায়সংহিতা (বিএনএস), ফৌজদারি কার্যবিধি বা সিআরপিসি-র বদলে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা(বিএনএসএস) এবং এভিডেন্স অ্যাক্টের বদলে ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম (বিএসএ) চালু হয়েছে গোটা দেশে। এই আইন প্রনয়ণ নিয়ে আগে বিতর্ক শুরু হয়েছিল।

জুলাই ১৮, ২০২৪
রাজ্য

অযোগ্য নিয়োগ আদালতে মানলো এসএসসি, জানাল যোগ্য শিক্ষকদের সংখ্যাও

শেষমেশ অযোগ্যরা যে শিক্ষকতায় নিয়োগ করা হয়েছিল তা মেনে নিল এসএসসি। পাশাপাশি মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে যোগ্যদের সংখ্যাও জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার।চাকরিহারা যোগ্যদের পাশে দাঁড়াল SSC ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ২০১৬ সালের প্যানেলে চাকরি পাওয়া ১৯ হাজার নিয়োগ বৈধ ও তার উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে দাবি করেছে SSC। অর্থাৎ প্রায় ৭ হাজার নিয়োগ অবৈধ বলেই কার্যত এদিন মেনে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এদিকে, SSC-র এই বক্তব্য শুনে বিস্মিত সুপ্রিম কোর্টও। SSC দায়িত্ববানের মতো কাজ করেনি বলে উষ্মা প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত।নিয়োগ ঘিরে রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত নিয়ে CBI তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এদিন রাজ্যের আইনজীবীও সওয়াল করেন শীর্ষ আদালতে। মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে বেনিয়মের কোনও প্রমাণ নেই বলে তিনি দাবি করেছেন। তাই রাজ্য মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়ে গেলে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে এদিন সওয়ালে দাবি করেছেন রাজ্যের আইনজীবী।

মে ০৭, ২০২৪
দেশ

পতঞ্জলির বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না হলে মোটা টাকা জরিমানা, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

অসুখ সারানোর বিভ্রান্তিকর ও ভুয়ো বিজ্ঞাপনের কারণে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। গত বছর ২১সে নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের বেঞ্চ, অবিলম্বে পতঞ্জলির এই মিথ্যা বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ সংস্থাটি অমান্য করে চলেছে বলে অভিযোগ ওঠে, ফলে এই বিষয় নিয়ে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯ সে মার্চ মঙ্গলবার ভুয়ো বিজ্ঞাপন নিয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা যোগগুরু বাবা রামদেব ও সংস্থার পরিচালক অধিকর্তা আচার্য বালাকৃষ্ণকে তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিমকোর্টে বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি আসানউদ্দিন অমানুল্লার বেঞ্চে এই মামলাটি ওঠে। এই মামলায় পতঞ্জলি সংস্থার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুকুল রোহিতেগি এবং বিপক্ষে ছিলেন ইন্ডিয়ান মেডিকেল এসোসিয়েশনের আইনজীবী পি এস পাটোয়ালিয়া। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি হিমা কোহলি জানতে চান, সুপ্রিম কোর্টের নোটিস অবমাননার কারণ। আইনজীবী রোহিতেগি জানান, জবাব দেওয়া হয়নি। প্রতুত্তরে বিচারপতি কোহলি জানান, আমরা এই বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আপনারা জবাব দেননি, ফলে নির্দেশ ও পরিণতির বিষয়টি সামনে আসে এরপরই যোগগুরু বাবা রামদেবকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশনের অভিযোগ, পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ অ্যালোপ্যাথি ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি রোগ নিরাময়েরও ভুল দাবি করে চলেছেন। সেই সব বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে ও সংস্থার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেয়ার জন্য সুপ্রিমকোর্টের কাছে আবেদন করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশন। নভেম্বর মাসে এই মামলার শুনানির সময় বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও চিকিৎসা ব্যাবস্থার অপপ্রচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য পতঞ্জলি সংস্থাকে ভৎসনা করেছিল সুপ্রিমকোর্ট। বিচারপতি আমানুল্লা জানান, ভবিষ্যতে এই প্রচার চালানো হলে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে বলে সতর্ক বার্তা দেন। জরিমানার বিষয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে রামদেব জানিয়েছেন, কিছু চিকিৎসক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার সংস্থা পতঞ্জলিকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছেন। শুধু পতঞ্জলিই নয়, আয়ুর্বেদের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। এক সাংবাদ মাধ্যমে রামদেব বলেছেন, যদি আমরা মিথ্যাবাদী হই, তবে ১০০০ কোটি টাকা জরিমানা করুন। আমরা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

বিহিত চাইতে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক, তিরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও অমৃতা সিনহা

এবার একযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ দাবি করে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এছাড়া, বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ থেকেও মামলা সরানোর আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।নিয়োগ মামলা থেকে অভিষেকের সম্পত্তি- এছাড়াও আর্থ সামাজিক নানা বিষয়ে প্রকাশ্যে নিজের মতামত জানান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সন্দেশখালির ঘটনার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। বলেছিলেন, বাংলায় সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আইনশ়ৃঙ্খলার পরিস্থিতি মোটেই ভাল নয়। কেন কিছু বলছেন না রাজ্যপাল? এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল সম্পত্তির উৎস জানতে চেয়েছিলেন তিনি? বলেছিলেন, স্বচ্ছতা রাখতে অভিষেকের উচিত সোশাল মিডিয়ায় তাঁর সম্পত্তির হিসাব পোস্ট করা।বহু সময় বিচারপতির সেইসব মন্তব্য রাজ্যের শাসক দলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের দাবি, এতে প্রভাব পড়ে মামলায়। এসবের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন, বিষয়ের বাইরে গিয়ে মামলার বিষয় নিয়ে আদালতের বাইরে মন্তব্য করা থেকে যেন বিরত থাকেন। সেই মর্মে যেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ নিয়েও সম্প্রতি শাসক দল প্রশ্ন তুলেছিল। তৃণমূলের মুখপাত্রদের মতে, মামলার প্রকৃত রায় এখনও অজানা। তার আগেই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ থেকে মামলায় নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। শীর্ষ আদালতে আবেদনে অভিষেক জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হোক যে তিনি যেন একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। সেই বেঞ্চ নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা শুনবে। মূলত বিচারপতি সিনহার এজলাসে যে মামলাগুলি রয়েছে, সেই মামলাগুলি যাতে ওই বিশেষ বেঞ্চে যায়।

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেকের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, সংবাদ মাধ্যমেও হস্তক্ষেপ নয়

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অমৃতা সিনহা যে ধরনের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন, তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর তাঁর মানহানি হচ্ছে বলে অনুযোগ করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি সিনহার বেঞ্চ থেকে নিয়োগ মামলা সরানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার ছিল এই আবেদনের শুনানি। এ দিন অভিষেকের সেই আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না নির্দেশে জানিয়েছেন, নিয়োগ মামলা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সিনহার এজলাস থেকে সরানো যাবে না। এছাড়া, বিচারপতির পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়েও কোনও নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়নি।নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তের কারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তির খতিয়ান আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। সম্প্রতি মুখবন্ধ খামে ৫ হাজার পৃষ্ঠার রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে ইডি। তার পরই বিচারপতি সিনহা ইডিকে প্রশ্ন করেছিলেন, সম্পত্তির পরিমাণ যদি কম হত, তাহলে কি এত নথি জমা পড়ত? এই সব সম্পত্তির জন্য আয়ের উৎস কী তা কি খতিয়ে দেখা হয়েছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে অধিকাংশ সম্পত্তি ২০১৪ সালের পর হয়েছ বলেও পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। ঘটনাচক্রে ২০১৪ সালেই নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছিল। এ ব্যাপারটা তদন্ত কি করা হয়েছে তাও প্রশ্ন ছিল বিচারপতি সিনহার।আদালতের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জোর চর্চা হয়। এ ব্যাপারে আপত্তি করে অভিষেকের আইনজীবী এ দিন সুপ্রিম কোর্টে একটি পাঁচ পৃষ্ঠার রিপোর্ট জমা দেন। তিনি বলেন, এই ধরনের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় তাঁর মক্কেলের মানহানি হচ্ছে।বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এদিন জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্ট নিয়োগ মামলায় কোনও নির্দেশ দিলে সুপ্রিম কোর্ট তা বিবেচনা করে দেখতে পারে। কিন্তু বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে কী বলছেন তা শীর্ষ আদালতের কাছে বিবেচ্য নয়। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাতেও হস্তক্ষেপ করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাবা-মা সহ লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সমস্ত বর্তমান ও প্রাক্তন ডিরেক্টর তথা অধিকর্তাকে তাঁদের সম্পত্তির হিসাব পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদালতে ওই রিপোর্ট বৃহস্পতিবার পেশ হয়েছে। ২০ তারিখ এ ব্যাপারে আবার শুনানি হতে পারে বিচারপতি সিনহার এজলাসে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

উপাচার্য নিয়োগে জটিলতা কাটাতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, গঠন করা হবে সার্চ কমিটি

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব চরমে চলছে। এরইমধ্যে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল নবান্ন। রাজ্য সরকারের যুক্তি, আনন্দ বোস যে পদ্ধতিতে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন তা আইনসম্মত নয়। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই এককভাবে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন আচার্য। এদিন ছিল সেই মামলার শুনানি। নির্দেশে জানানো হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগের জন্য শীর্ষ আদালতই সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে। সেই সার্চ কমিটিতে কাদের সদস্য করা হবে সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার, রাজ্যপাল এবং ইউজিসি-কে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩ থেকে ৫ জনের নাম পাঠাতে হবে। সেই সুপারিশ করা নামের মধ্যে থেকে ব্যক্তিদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সার্চ কমিটি গঠন করবে। যে কমিটি স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে।সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, রাজ্যপাল আচার্য হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের নিয়োগ কর্তা। অর্থাৎ তিনি অ্যাপয়ন্টিং অথরিটি। কিন্তু রাজ্যপাল উপাচার্যদের নির্বাচন কর্তা নন। কারণ, রাজ্যপালের কাছে কোনও সিলেকশন কমিটি নেই।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর।শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, রাজ্য-রাজ্যপালের ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু আদালত তার মধ্যে ঢুকতে চায় না। আদালত স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের লক্ষ্যে শুধু পদক্ষেপ করবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
রাজ্য

বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হবেন অভিষেক, তদন্তেেও সহযোগিতা

আইনের উপর আমার সম্পূর্ণ আস্থা আছে। আমি যে কোন তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার সকালেই হাইকোর্টের বিচারপতি বিচারপতি অমৃতা সিনহা রায় দেন যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। এর পাশাপাশি আদালতে সময় নষ্টের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়। আদালতের এদিনের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান আইনের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে, যে কোনও তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত। এর পাশাপাশি অভিষেক জানান, ডিভিশন বেঞ্চ কিংবা সুপ্রিম কোর্টের দরজা খোলা রয়েছে, তিনি অবশ্যই সেই আদালতের দ্বারস্থ হবেন। জরিমানা প্রসঙ্গে কার্যত তিনি বিচার ব্যবস্থাকে বিঁধলেন। তিনি বলেন, যাঁরা কথায় কথায় পিআইএল করে তাদের কোন জরিমানা করা হয় না, কনভয়ে মানুষের মৃত্যু হলে যাঁরা রক্ষাকবচের আবেদন করে , তাঁদের জরিমানা করা হয় না। আমি অধিকারকে সামনে রেখে বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হয়েছি বলে আমায় জরিমানা করা হল। প্রয়োজনে কর্মসূচি স্থগিত রেখে তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত বলেও জানিয়ে দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।

মে ১৮, ২০২৩
রাজ্য

"সুপ্রিম কোর্ট যুগ যুগ জিও, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে,": বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিক নিয়োগের দুটি মামলা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত থেকে সরিয়ে নিয়েছে। সেই রায়ের পর থেকে দিনভর সবার মুখে একটাই নাম। রায়ের পক্ষে একদল হইহই করে নৃত্য করছে। আরেক দল মুখ গোমরা করে রয়েছে। প্রথমত প্রথম দিকে খবর রটেছিল সমস্ত মামলাই সরে যাচ্ছে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে। যদিও তিনি সেই আশঙ্কাই প্রকাশ করেছেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, আজ আমার মৃত্য়ু দিন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সবাইকে মানতে হয়। আমি তো নিজে সরছি না। পদত্যাগ করছি না। পালিয়ে যাওয়ার মানুষ আমি নই। আমার মন খারাপ নয়। ব্যক্তিগতভাবে কারও মন খারাপ হতে পারে। এই মামলা তো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য নিয়ে করিনি। আমার কাজের ধরন একরকম। এরপরে যে বিচারপতি আসবেন, তাঁর কাজের ধরন হয় তো অন্যরকম হবে। আমার ধারনা দুর্নীতি সংক্রান্ত সব মামলাই আমার হাত থেকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে।তবে এখানেই থামেননি বিচারপতি। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, যখন বিচারপতি থাকব না, যাই করি না কেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে, অবসরের পরও। সুপ্রিম কোর্ট যুগ যুগ জিও।

এপ্রিল ২৮, ২০২৩
রাজ্য

দেহরক্ষী হীন কেষ্ট, সুপ্রিম-রায়ে ইডি-র ডাকে দিল্লি চলল সহগল

একদিকে মানিক ভট্টাচার্য্য ও ২৬৯ জন বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের সাময়িক স্বস্থিদানের রায় দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট ঠিক সেই সমইয়েই, গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত, জেলবন্দি বীরভূমের বেতাজ বাদশা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী রাজ্য সরকারের কনস্টবল পদে কর্মরত সহগল হোসেনের আবেদন খারিজ করে এক অন্য বার্তা দিল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট।পরিণাম স্বরুপ সহগলকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র আর কোনও বাধাই রইল না। উল্লেখ্য এর আগে সহগলকে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে নিয়ে গিয়ে জেরার জন্য আসানসোলে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেছিল ইডি। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তারপর ইডি কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে এবং কলকাতা হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে তদন্তকারী সংস্থার সেই আবেদনও বাতিল হয়ে যায়।কলকাতা হাইকোর্টে রায় জানার পর পরেই ইডি দিল্লির রউস অ্যাভিনিউ কোর্টের আবেদন করে। সেখানে সোমবার ইডির আবেদনে সম্মতি দিয়ে সহগলকে সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দেয়। সেই রায়ের বিরোধিতা করে সহগলের আইনজীবী দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট রউস আদালতের এই নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। এবং জানায়, শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহগলের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না ইডি। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লি হাই কোর্টই আবার জানায়, গরু পাচার কান্ডে ধৃত সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আবার দিল্লিতে জেরা এড়াতে মড়িয়া সহগল দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান। শুক্রবার সহগলের আর্জি খারিজ করে দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরার আবেদনে শিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

সুপ্রিম স্বস্তি মানিকের, আপাতত গ্রেফতার নয় অপসারিত পর্ষদ সভাপতিকে

এক দিনের জন্য মানিকের স্বস্তি। ২৪ ঘন্টার জন্য মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের মতো কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না, টেট সংক্রান্ত সিবিআই তদন্ত মামলায় নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামীকাল ফের শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। উল্লেখ্য, এদিন রাত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, আজ রাত ৮টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে প্রথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। সহযোগিতা না করলে প্রয়োজনে সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে। তবে সুপ্রিম নির্দেশে কড়া পদক্ষেপ থেকে স্বস্তি পেয়েছেন মানিক। তবে তাঁকে হাজিরা দিতে হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
দেশ

জোর করে করোনার টিকাকরণ নয়, বিধিনিষেধও ঠিক নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

কাউকে করোনা টিকাকরণে জোর করা যাবে না। সোমবার করোনার টিকা সংক্রান্ত মামলায় এই রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, টিকাকরণ নীতিকে অযৌক্তিকও বলা যায় না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, টিকা না নেওয়ার ফলে জনগণকে যে সব বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হয়, তা ঠিক নয়।কেন্দ্র টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করেছিল, ওই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জনৈক চিকিৎসক মামলা দায়ের করেন। এদিন সেই মামলার রায়দান ছিল। বেশ কয়েকদিন ধরেই মামলার সওয়াল-জবাব চলছিল। তার প্রেক্ষিতে এদিন এই রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও এবং বিআর গাভাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন।জনবহুল এলাকায় টিকাহীন ব্যক্তিদের প্রবেশের উপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে ঘোষণা করেছে আদালত। এই ধরনের নির্দেশ জারি থাকলে তা এখনই সরকারকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, বৃহত্তর জনকল্যাণের জন্য কিছু শর্ত আরোপ করতে পারে সরকার। আদালত রায়ে বলেছে, টিকাকরণের ফলে কোনও ব্যক্তি অসুস্থ হলে সেই বিষয়টা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এর আগে দেখা গিয়েছে করোনার টিকা না নিলে অনেক জায়গায় ঢোকা নিষেধ ছিল। টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলকও ছিল। রায়ের পর এই ধরনের বিধিনিষেধ রইল না।

মে ০২, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, বিজেপির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টেও

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভায়। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। আগেই হাইকোর্টে সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই ভরসা করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর এবার সেই একই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।বিজেপির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে বলা হয়েছে, ১০৮ পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় বিজেপি। বিভিন্ন জেলা থেকে বিরোধীরা হামলার অভিযোগ তুলেছেন। অন্য একটি মামলায় বিজেপি প্রার্থীরা নিরাপত্তার অভাবের কথাও জানিয়েছেন আদালতে। এই সব অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিজেপি।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন, তাহলে কেন দেওয়া হল না, সেই কারণ আদালতে জানাতে হবে কমিশনারকে। আর তারপর যদি ভোটের দিন কোনও অশান্তির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার দায় নিতে হবে কমিশনারকেই।কমিশন সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার ভোটের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশই। মোতায়েন করা হবে ৪৪ হাজার পুলিশ। প্রতি বুথে থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। এছাড়াও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স, ইএফআর জওয়ান, র্যা ফের তত্ত্বাবধানে থাকবে বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal