• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

বিনোদুনিয়া

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হল

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চিত্র প্রদর্শনীর। ২৭ মে এই চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চলবে ১ মে পর্যন্ত। ১৯ জন শিল্পীর ৪টি করে ছবি অর্থাৎ মোট ৭৬টি ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে দেখানো হচ্ছে। এই চিত্র প্রদর্শনী সম্পর্কে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অশোক রায় জনতার কথা- কে জানালেন, এই চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হয়েছে। কলকাতা, জয়পুর, দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু এবং অসমের শিল্পীদের ছবি আছে এই চিত্র প্রদর্শনীতে। কলকাতার ৭ জন চিত্রশিল্পীর ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ১৫ বছর ধরে আমার ছবি আঁকার বিষয় মাইথোলজি। জায়তি আর্ট গ্যালারিতে আমার ৪টে ছবিও মাইথোলজির ওপর ভিত্তি করেই আঁকা হয়েছে। বিভিন্ন চিত্র প্রদর্শনীর মতো এই চিত্রপ্রদর্শনীতেও যে যে আঁকাগুলো রয়েছে সেগুলো অনেকে কিনছেনও। জানা গেছে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের অধীনে ৪-৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্প উৎসব অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৮ বছর পর এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে নজির সিন্ধুর

এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে আবার সিন্ধু গর্জন। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন ভারতের মহিলাদের ১ নম্বর তারকা পি ভি সিন্ধু। ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় কোয়ার্টার ফাইনালে চীনের হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন তিনি। সেমিফাইনালে ওঠার পথটা অবশ্য ততটা মসৃন ছিল না সিন্ধুর সামনে। ২৫ বছর বয়সী চীনের হে বিং জিয়াও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন সিন্ধুকে। শেষ পর্যন্ত ১ ঘন্টা ১৬ মিনিটের লড়াইয়ে ২১৯, ১৩২১, ২১১৯ ব্যবধানে জেতেন সিন্ধু। গত ১ বছরের মধ্যে এই নিয়ে টানা তিনবার হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে জিতলেন তিনি। গতবছর টোকিও অলিম্পিকে চীনের এই শাটলারকে হারিয়েই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। এদিনও হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করলেন। ২০১৪ সালে শেষবার দক্ষিণ কোরিয়ার গিমচেওনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন এই ব্যাডমিন্টন তারকা। ২০১৭ সালে ইউহানে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিং জিয়াওয়ের কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন সিন্ধু। সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধও নিলেন। দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এখনও ৯৮ ব্যবধানে এগিয়ে বিং জিয়াও।এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে দারুণ শুরু করেছিলেন সিন্ধু। শুরুর দিকে বিং জিয়াওকে একেবারে দাঁড়াতেই দেননি। একসময় ১১২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। মাত্র ১৩ মিনিটেই প্রথম গেম ২১৯ ব্যবধানে জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান বিং জিয়াও। ২১১৩ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম জমে ওঠে। শুরুর দিকে সিন্ধুর দাপট থাকলেও পরে খেলায় ফেরেন বিং জিয়াও। এক সময় ৬১১ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে সমতা ফেরান। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। বিং জিয়াওয়ের একের পর এক আনফোর্সড এররের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শেষপর্যন্ত ২১১৯ ব্যবধানে তৃতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান সিন্ধু।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেথ ওভার বোলিংয়ে বুমরাদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন এই তরুণ জোরে বোলার

ডেথ ওভার বোলিংয়ে দারুণ সুনাম আছে যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। কিন্তু চলতি আইপিএলে তাঁদেরও পেছনে ফেলে দিয়েছেন এক অখ্যাত তরুণ জোরে বোলার। অথচ একসময় পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলেই সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে কানাডায় চলে যেতে। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করে নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে। রাজি হননি তরুণ অর্শদীপ। বাবার পরামর্শ অগ্রাহ্য করে ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথে।ছোট থেকেই ক্রিকেটই ছিল ধ্যানজ্ঞান। বাবা ছেয়েছিলেন ছেলে হকি খেলোয়াড় হোক। কিন্তু অর্শদীপের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখে বাবা আর জোরাজুরি করেননি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে ভাল খেলেও পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ২০০৭ সাল। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন কানাডার ব্র্যাম্পটনে দিদির কাছে চলে যেতে। রাজি হননি অর্শদীপ। বাবার কাছে একবছর সময় চেয়ে নেন। এক বছরের মধ্যে পাঞ্জাবের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অর্শদীপ সিংকে। সুযোগ এসে যায় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলেও। ২০১৮ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপেও দলে ছিলেন। কিন্তু সেভাবে খেলার সুযোগ পাননি। তাংকে বসিয়ে খেলানো হয়েছিল ঈশান পোড়েল, কমলেশ নাগরকোটিদের। আইপিএলে তাঁরাই এখন ডাগ আউটে বসে। আর বাইশ গজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অর্শদীপ সিং।২০১৯ সাল থেকেই পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়ে খেলছেন এই তরুণ জোরে বোলার। ওই বছর খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন। উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ৩টি। পরের বছর ৮ ম্যাচে ৯ উইকেট। তবে গত বছর আইপিএলে রীতিমতো নজর কাড়েন ১২ ম্যাচে তুলে নেন ১৮ উইকেট। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে অর্শদীপকে ধরে রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছেন।চলতি আইপিএলে ডেথ ওভারের বোলিংয়ে কৃপনতার দিক দিয়ে তারকা বোলারদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন অর্শদীপ সিং। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ পর্যন্ত ডেথ ওভারে তাঁর ইকনমি ৫.৬৬। অর্শদীপ ডেথ ওভারের বোলিংয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন সুনীল নারাইন, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। ডেথ ওভারে সুনীল নারাইনের ইকনমি ৬.০০। অন্যদিকে ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ যশপ্রীত বুমরার ইকনমি ৮.১৬। মহম্মদ সামির ৮.৪০, ভুবনেশ্বর কুমারের ৮.৫০। শেষ ৪ ওভারে ৩০ বল করার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে অর্শদীপ সিংই সেরা।সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ডেথ ওভারে তাঁরই বোলিংই পাঞ্জাব কিংসের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। চেন্নাই ইনিংসের ১৭তম ওভারে অর্শদীপের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর ওই ওভারে তাঁর ওই ওভারে মাত্র ৭ রান তুলতে সক্ষম হয় চেন্নাই। ১৯ তম ওভারেও ৭ রান দেন অর্শদীপ। অর্থাৎ ২ ওভারে মাত্র ১৪ রান। এতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। মহেন্দ্র সিং ধোনি, রবীন্দ্র জাদেজার মতো ফিনিশাররাও জ্বলে উঠতে পারেননি অর্শদীপের বোলিংয়ের সামনে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ধাওয়ান, রানের শিখরে পাঞ্জাব কিংস

দুরন্ত ছন্দে শিখর ধাওয়ান। একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন করার করার সঙ্গে সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে গেলেন। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তুলল পাঞ্জাব কিংস। ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব কিংস ও চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এদিনের ম্যাচ ছিলই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন মাঠে নামার আগে ৭ ম্যাচ খেলে পাঞ্জাব কিংসের পয়েন্ট ছিল ৬। চেন্নাই সুপার কিংসের পয়েন্ট ছিল ৪। অষ্টম স্থানে থাকা পাঞ্জাবের পরেই চেন্নাই সুপার কিংস রয়েছে নবম স্থানে।এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।এদিন ৩৭ বলে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় তথা আইপিএল কেরিয়ারে ৪৬ তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শিখর ধাওয়ান। চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ধাওয়ান করেছিলেন ৪৩। এরপর নাইট রাইডার্স ম্যাচে ১৬, লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩৩, গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৭০ রান করেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে ৮ ও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯ রানে আউট হয়েছিলেন। তারপর আজ দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন! এ কী করলেন শিখর ধাওয়ান!

চলতি আইপিএলে একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন। দুর্দান্ত নজির গড়লেন শিখর ধাওয়ান। এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন শিখর ধাওয়ান। এটা একটা মাইলস্টোন। আর আইপিএলে ২০০ তম ম্যাচ খেলার দিনেও আরও দুটি নজির গড়লেন পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনার। এদিন তিনি আইপিএলে ৬০০০ রানের সীমা অতিক্রম করে গেলেন। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, টি২০ ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলস্টোনেও পৌঁছে গেলেন শিখর ধাওয়ান। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন।টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির মোট রান ১০৩৯২। আর রোহিত শর্মা টি২০ ক্রিকেটে করেছেন ১০০৪৮ রান। চলতি আইপিএলেই তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন। আর শিখর ধাওয়ান সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৯ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছলেন। এদিন মহেশ থিকসানাকে স্লগসুইপ করে ছক্কা মেরে টি২০ ক্রিকেটে ৯ হাজার রানে পৌঁছন শিখর ধাওয়ান।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আইপিএলে ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শিখর ধাওয়ান। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। তিনি করেছেন ৫২টি হাফ সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরির দিক দিয়ে শিখর ধাওয়ান রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। সবথেকে বেশি বাউন্ডারি মারার রেকর্ড অবশ্য পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনারের দখলে। তিনি মোট ৬৭৫টি বাউন্ডারি মেরেছেন। ২০১৯ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে ৫০০র বেশি রান করেছেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ৭ ম্যাচে শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ছিল ২১৪ রান। সর্বাধিক ৭০। গড় ৩০.৫৭, স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৩। আইপিএলে শিখরের দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে শিখর ধাওয়ানের। দুটিই সেঞ্চুরিই এসেছিল ২০২০ সালে। এবছরও খুব একটা খারাপ ফর্মে নেই। বছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকভাবে রানের মধ্যে থাকলে আবার জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে ধাওয়ানের।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল শচীন্দ্রলালের বাড়ি, সেখানেই থাকতেন বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা শচীন্দ্রলাল সিংয়ের বাড়ি, অরুন্ধতি নগরের বাড়িতে থাকতেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান এবং রাতে শচীনবাবুর সরকারি বাসভবনে থাকতেন। মুজিব ও তাঁর সহকারীদের রান্না করে খাওয়াতেন শচীন্দ্রলালে-র ভগিনী হেমাঙ্গিনী সিং। শচীন্দ্রলাল এখনও ত্রিপুরার মানুষের মনে গেঁথে রয়েছেন। উন্নয়নের কান্ডারী টানা ২৪ বছরের মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং জন্মসুত্রে ভিন রাজ্যের হলেও, কার্যত তিনি ত্রিপুরার ভূমিপুত্রই। ত্রিপুরার রূপকার বললে অত্য়ুক্তি হবে না।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নায়ক মুজিবর রহমান। যিনি বঙ্গবন্ধু নামে অধীক পরিচিত। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকাও দেশবাসী অবগত রয়েছেন। পাকিস্তান ভেঙে নতুন দেশ গঠন না হলে এখন হয়তো অন্য ইতিহাস লেখা হত। কিন্তু একজনের কথা দেশবাসীকে স্মরণ করতেই হবে, তিনি হলেন ত্রিপুরার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী তথা টানা ২৪ বছর প্রশাসনিক প্রধান শচীন্দ্রলাল সিং। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় মুজিবর রহমানের এদেশের ঘর ছিল শচীন্দ্রলালবাবুর বাড়ি। সেখানে থেকে যাবতীয় পরকল্পনা রচিত হত। তাছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়নের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত শচীন্দ্রলাল সিং।স্বাধীনতা সংগ্রামী হওয়ার কারণে শচীন্দ্রলাল সিং ১৭ বছর ব্রিটিশ জেলে কাটিয়েছেন। ভারত সরকার স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ ভুমিকার জন্য ৯৭ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ, অতুল্য ঘোষ, গোপিনাথ বড়দলুই, হরেকৃষ্ণ মহাতাব, প্রফুল্ল্য সেনেদের সাথে শচীন্দ্রলাল সিংও ছিলেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনসান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।শচীন্দ্রলাল সিং যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ত্রিগুনা সেনকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন ত্রিপুরা থেকে। ওনার সঙ্গে ত্রিগুনা সেনের কথা ছিল কেন্দ্রে মন্ত্রী হলে ওএনজিসি দেবেন। ত্রিগুনা সেনের ঠিকানা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ওই ডিমান্ড ফুলফিল করেছিলেন ত্রিগুনা সেন। শচীন্দ্রলাল সিংয়ের আমলেই রাজ্যে গোবিন্দ বল্লভ হাসপাতাল হয়েছিল। তারপর ত্রিপুরায় বড় কোনও হাসপাতাল হয়নি। পাওয়ার প্রোজেক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কী হয়নি তখন পরশি রাজ্যে।বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সব থেকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল সিং। বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন জেল থেকে বেরিয়ে শচীন্দ্রলাল সিংকে বাংলাদেশের ঢাকায় নিয়ে যান মুজিবর রহমান। সেখানে রেড কার্পেটে তাঁকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। মুজিবর রহমান শচীনবাবুর জন্য চেয়ার ছেড়ে দেন। তখন শচীনবাবু বলেছিলেন, এটা হয় না, আপনি বসুন। শচীন্দ্রলাল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্য়তম হোতা। মুজিবর রহমানের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। শচীন্দ্রলালবাবুর ছোট ছেলে ঢাকায় গিয়েছিলেন। বাবার সৌজন্যে তাঁকে সোনার নৌকা দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। একসময় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল ত্রিপুরা, রাজ্য গঠন করার ক্ষেত্রেও অগ্রনী ভূমিকা ছিল শচীন্দ্রলাল সিংয়ের। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দাবি করেছিলেন রেললাইন চাই, ধর্মনগর অবধি সেই রেললাইন স্থাপিত হয়। ১৯৭৭ এ যখন তিনি সাংসদ হন সে সময় তৎকালীন রেলমন্ত্রী মধু দণ্ডবতকে অনশন করার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ধর্মনগর থেকে আগরতলা রেললাইন করতে হবে। যেদিন সংসদ ভবনের সামনে অনশনে বসার কথা, সেদিন সকালে মধু দন্ডবতে তাঁর দিল্লী বাসভবনে এসে সরকারের অর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে বলেন আপাতত কুমারঘাট অবধি রেললাইন দেওয়া হচ্ছে, পড়ে ওটা বর্ধিত করা হবে।শচীন্দ্রলাল সিং খেলার প্রসারের জন্য স্টেডিয়াম করেছিলেন। উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র। মহারাণী কাঞ্চনপ্রভাদেবী বনমালীপুরে একটি বাড়ি দিয়েছিলেন ত্রিপুরার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শচীনবাবুকে বসবাস করার জন্য। ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল খোঁজ নিয়ে জানলেন ত্রিপুরাতে কোনও মহিলা কলেজ নেই। তিনি মহিলাদের শিক্ষাপ্রসারের জন্য সেই বাড়ি দান করে দেন কলেজ করার জন্য। এখন সেখানে স্থাপিত হয়েছে আগরতলা উইমেন্স কলেজ। শচীনবাবুর প্রধান সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখ্যগয় হলেন তসলাম ফা, ওয়াজেদ আলি, মনসুর আলি, চক্র ফা, বুলু কুকি, কৃষ্ণদাস ভট্টাচার্য। এই কৃষ্ণদাস তাঁর মন্ত্রী সভায় অর্থ মন্ত্রী ছিলেন।২০১২-এর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্র, ঢাকাতে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বাঙালি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা তাঁকে প্রদান করেন।মুজিবর রহমান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই থাকতেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী, জহরলাল নেহরুর সময় থেকেই। ১৯৭১ ১লা নভেম্বর সারাদিন বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্প ঘুরে দেখেন সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ও শচীন্দ্রলাল সিংকে নিয়ে। ফিরে এসে আগরতলা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে কথাবার্তা চলাকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, আপনি সীমান্ত খুলে দিয়েছেন, অস্ত্র ও অর্থ সাহায্য করছেন, আপনি তো দেশকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দিরাকে ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল জবাব দেন, আমি যা করছি তা দেশের মঙ্গলের জন্যই করেছি এবং আপনার জন্যই করছি। আমি একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সমগ্র বিশ্ব আপনার নামই করবে, আমার নই। ইতিহাস আপনাকেই স্মরণ করবে। আরও বলেন, আমি আপনার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আপনি আমাকে রাজনীতি শেখাবেন না। একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হজম না করতে পেরে দিল্লী ফিরেই ১লা নভেম্বর ১৯৭১ রাতে ত্রিপুরাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলেন ইন্দিরা। ভেঙে দিলেন কংগ্রেসের-ই সংখ্যাগড়িষ্ট সরকার। তবুও দমলেন না দেশ তথা ত্রিপুরার প্রতি দায়বদ্ধ শচীন্দ্রলাল সিং, তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে ফোন করে বলেন Imposition is a great sin। সেই রাতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন ত্যাগ করে পৈতৃক ভিটে জয়নগরের বাসভবনে ফিরে যান। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন দাপুটে ইন্দিরা গান্ধীকে। তখনও তাঁর পাশে ছিলেন ত্রিপুরার আপামর সাধারণ মানুষ। অনবরত সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছেন শচীনবাবুকে। নির্দল প্রার্থী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল।জাতপাতের উর্দ্ধে রাজনীতি করতেন শচীন্দ্রলাল সিং। মানুষকে মানুষ ভাবতেন। সাধারণের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন অনায়াসে। এই দেশে এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন অমিল। ত্রিপুরার আদিবাসীরা মনে করতে শচীন্দ্রনাথবাবু তাঁদের ঘরের লোক। আদিবাসী সমাজে তাঁর নাম ফাটা ছিলুম তার মানে ছেঁড়া কাপড়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে এতটাই আপন ছিলেন তিনি। কাছে টেনে নিয়েছিলেন মনিপুরি, সংখ্যালঘুসহ সকলকেই। কোনও ভেদাভেদ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারেননি। ২০০০ সালে ইহলোক ত্যাগ করলেও ত্রিপুরার মানুষ ভোলেনি শচীন্দ্রলাল সিংকে। এখনও তাঁর জন্মদিনের উৎসবে হাজির হন অগনিত মানুষ।শচীন্দ্রলালবাবুর বড় ছেলে আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। এখন দলের কোর কমিটির সদস্য। তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাছেও আশিসবাবু কাছের মানুষ, মাটির মানুষ। পাহাড় থেকে সমতল হোক রাত-বিরেতে কেউ বিপদে পড়লেই পাশে থাকেন শচীন্দ্রপুত্র আশিসলাল। তিনিও মহান পিতার মতোই কোনও জাতিগত ভেদাভেদে বিশ্বাস করেন না। তাঁর ভাবনাতেও রয়েছে বাবার মতোই ত্রিপুরার উন্নয়ন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এবারের আইপিএলে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। চতুর্থ ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৮ উইকেটে। দলকে এখনও জেতাতে না পারলেও এদিন নজির গড়ল চেন্নাই সুপার কিংস। নাম তুলে ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নাদের তালিকায়। প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে, জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে ১৫০ তম ম্যাচ খেলে ফেললেন রবীন্দ্র জাদেজা। রবীন্দ্র জাদেজা হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নার পর চেন্নাই সুপার কিংসের তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছলেন।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি খেলেছেন ২১৭টি ম্যাচ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ২০০ ম্যাচ। আর রবীন্দ্র জাদেজা খেললেন ১৫০ ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ডোয়েন ব্রাভো। তিনি খেলেছেন ১২৩টি ম্যাচ। রবিচন্দ্রন অশ্বিন খেলেছেন ১২১ ম্যাচ। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৫০ ম্যাচে রবীন্দ্র জাদেজার রান ১৫৪৬। উইকেট নিয়েছেন ১১০টি। ক্যাচ ধরেছেন ৬৯টি।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে একের পর এক মাইলস্টোন করে চললেও চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবীন্দ্র জাদেজা। টানা ৪ ম্যাচে হারতে হয়েছে। চেন্নাই সমর্থকরা আশা করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হয়তো দল ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৪/৭ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে দুই উইকেটের বিনিময়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবছর আইপিএলের আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়। নতুন অধিনায়কের দায়িত্বে এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজনীতি

কাশীনাথ মিশ্রের আদর্শ মেনে চলার আহ্বান আশিসলালের

বাঁকুড়া বিধানসভা থেকে পাঁচবার বিধায়ক হয়েছিলেন। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন কাশীনাথ মিশ্র। ২০১২-এর ১০ এপ্রিল এসএসকেএম হাসপাতালে প্রয়াণ হয়েছিল এই জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের। যিনি নিয়মিত বিধানসভার অধিবেশনে হাজির হতেন। সাধারণের জন্য রাজনীতি করতেন। রবিবার তাঁর প্রয়াণ দিবসে একাধিক কর্মসূচি পালিত হয় বাঁকুড়ায়। সমস্ত অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।রবিবার সকালে কাশীনাথ মিশ্রের দশম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তারপর তাঁর স্মরণে ছিল রক্তদান শিবির। এই অনুষ্ঠানে মূল পৃষ্ঠপোষক ছিলেন প্রয়াত কাশিনাথ মিশ্রের স্ত্রী মিনতি মিশ্র। রবীন্দ্র ভবনে ওই অকৃতদার নেতার স্মৃতিচারণা করেন প্রাক্তন সাংসদ অভিজিত মুখোপাধ্যায়, ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আশিসলাল সিং, রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি, জেলা নেতা অরূপ চক্রবর্তী ও অরূপ খাঁ, অলোক মুখোপাধ্যায়, তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সাংগঠনিক সভাপতি দিব্যেন্দু সিনহা মহাপাত্র, সমাজসেবী অচিন্ত্য ঘোষ, লড়াকু নেত্রী বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী মৌ সেনগুপ্ত, ৬ বারের কাউন্সিলর রাখী রজক, মূল আয়োজক রাহুল সেন, জেলা পরিষদের পূর্ত ও পরিবহণ কর্মাধক্ষ শিবাজী ব্যানার্জী, প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য নেতা পলাশ সাধুখাঁ।ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং বলেন, কাশীনাথ মিশ্রকে আমরা ভুলতে পারব না। তাঁর কর্মপদ্ধতি থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। তাঁর আদর্শে আমরা চলতে চেষ্টা করব। তাঁর সম্বন্ধে জানতে পারলে আগামী প্রজন্মের অনেক কাজে আসবে। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা বলেন, কাশীনাথ মিশ্রের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতৃত্বের সঙ্গেও সদ্ভাব ছিল। বিধানসভায় তাঁর অংশগ্রহণ থেকে অনেকেই শিক্ষা নিতে পারেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তাইতো রোজই গান বেঁধে যান

সময়টা ১৯৯২ সালের ইংরাজীর এপ্রিল বা মে মাস। কলকাতার হাজড়া মোড়ের ঠিক পাশেই আশুতোষ কলেজ থেকে একটি ছেলে নিজের কলেজের শেষে এক মুহূর্ত ও সময় নষ্ট না করে লাফিয়ে উঠে পড়ল একটি সরকারি বাসে। গন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রাইভেট টিউশন্ পড়াতে যাওয়া।তারপর একের পর এক টিউশন্ সেরে রাত ১১ টা বা ১১.৩০ টায় বেরিয়ে নিজের বাড়ি ফেরা। কোন রকমভাবে হাত মুখ ধোয়া। ততক্ষণ অসুস্থ মা অপেক্ষা করছেন ছেলেটির পথ চেয়ে।মা কে জড়িয়ে ধরে সারাদিনের কথা বলা সঙ্গে একসাথে রাতের খাবার খাওয়া। তারপর এক মূহুর্ত সময় আর নষ্ট না করে নিজের পড়াশোনা নিয়ে বসে পড়া। তাঁরই সঙ্গে চলত সারাদিনের লড়াইয়ের কিছু কিছু মূহুর্ত কে নিজের কলমে কবিতা বা গানের আকারে বন্দী করা।কখন যে প্রভাতী আলোর সাড়া পেয়ে পাখির কুজনে শুরু হয়ে যেত আরও একটা দিন। সেই পাখির কুজনেই টের পেত সে, তাঁর জীবনের আরো একটা দিনের লড়াই শুরু হয়ে গেল।কখনও বা ক্লান্ত শরীরে ভোরের ঠান্ডা পরিবেশে জড়িয়ে আসত বহু দিনের জমে থাকা ঘুম। চোখ জুড়ে যেত ঘুমের দেশে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছায়। কিন্তু ছেলেটির যে অবকাশ নেই। লড়তে হবে যে তাঁকে এই সমাজে টিকে থাকতে। আবার শুরু হত জীবনের লড়াই। হ্যাঁ, এমন করেই ছোটবেলা পিতৃবিয়োগের পর থেকেই চলেছে সেই ছেলেটির জীবনের বেঁচে থাকার লড়াই।কেউ কি জানেন সেই ছেলেটি কে?সেই বিশ্রামহীন লড়াকু ছেলেটি আর কেউ নন, আজকের বাংলা আধুনিক গানের সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। যিনি একাধারে যেমন অনায়াসে লিখে ফেলেন গানের কথা, পাশাপাশি তৈরি করে ফেলেন তাঁরই মন ভরানো সুর। হয়ে ওঠে নতুন বাংলা গান। নিজেরই দৃপ্ত ও আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে ছড়িয়ে দিতে থাকেন সমাজের সঙ্গীতপ্রেমীদের মাঝে তাঁর স্বরচিত সেই গানেদের। সেই গানেই দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে আমাদের সঙ্গীত সমাজ।ছোটবেলা তাঁর প্রতিদিনের লড়াইয়ের মুহূর্তগুলোকে কলমে বন্দী করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র অবকাশে নিজের মায়ের কাছে গান শেখা শুরু। তারপর নিজের গান তৈরীর আগ্ৰহে পৌঁছে যান নিজের মায়ের গানের শিক্ষকের কাছে। শুরু হয় সঙ্গীত শিক্ষার আর এক অধ্যায়। গান তৈরীর মূল মন্ত্র গুলোর শিক্ষা গ্ৰহণের সঙ্গে সঙ্গে তৈরী করতে থাকেন তাঁর স্বরচিত বাংলা গানেদের।তাঁর গান ক্রমশ সঙ্গীতপ্রেমী ও শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আজ তাঁর গানের ঝুলিতে কম বেশি ১৩৫ থেকে ১৫০ টি গানের সম্ভার। দিন দিন তার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।তিনি জানিয়েছেন নতুন সৃষ্টিতে আনন্দ পান। নতুন কিছু তাঁকে প্রেরণা দেয়।তাঁরই একটি লেখায় তিনি বলেছেন,তোমার চলা স্রোতের টানে,পুরনো সেই দিনের গানে,আমি আবার অন্যরকম,নতুন খুঁজি তাল ও তানে।একটুখানি অন্যরকম,নতুন গানের চেষ্টা করি,না হয় স্রোতের প্রতিকূলেই,আমার গানের বাইবো তরী।প্রথম প্রথম ভরবে না মন,গাইব যখন সন্ধ্যা ইমন,কয়েকটা বার শোনার পরেই,খুঁজে পাবে তাতেই জীবন।তাইতো রোজই গান বেঁধে যাই,তোমার ভালো লাগার আশায়,নতুন করে পড়বে তুমি,আমার গানের ভালোবাসায়।আজ নতুন বাংলা গানের এক নির্ভরযোগ্য মুখ সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। তাঁর গানে খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের বিভিন্ন স্বাদ যা প্রতিটি হৃদয়ে আন্তরিক ভাবে সাড়া ফেলে দিয়ে যায় জীবনের প্রতিটা মূহুর্তের ভালোলাগা, কষ্ট, দুঃখ, প্রেম ও স্মৃতি গুলোর। তাঁর এই সঙ্গীতময় পথ আরো দীর্ঘ প্রসারী হোক্ জনতার কথা-র পক্ষ থেকে এই শুভকামনা রইল।

এপ্রিল ১০, ২০২২
দেশ

থমকে ত্রিপুরা তৃণমূলের গতি, বিধানসভা ভোটের আগে অন্য দলে ঝুঁকছে দলের বড় অংশ

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে রোড শো করার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের ত্রিপুরা, মেঘালয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের কথা বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে ২৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল। যদিও কোনও আসনেই জয় পায়নি ঘাসফুল শিবির। এবার লক্ষ্য উত্তর পূর্ব ভারত। কিন্তু ত্রিপুরার সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আশাহত সেখানকার তৃণমূলের বড় অংশ।তিন দিন আগে ত্রিপুরায় তৃণমূলের মহামিছিলে তেমন জনসমাগম হয়নি বলেই ওই অংশ দাবি করেছে। ওই মিছিলে অংশ নেননি ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তথা কোর কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং, প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস, দলের সংখ্যালঘু নেতা জহিরুদ্দিন শেখসহ নেতৃত্বের বড় অংশ। কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরায় তৃণমূলের একমাত্র কাউন্সিলর যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামি ২০২৩-এ বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে সংগঠনের এমন দশা হলে লড়াই তো দূরের কথা তৃণমূল হালে পানি পাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু বাংলায় বিপুল জয়ের পর ত্রিপুরা অভিযানে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বহু মানুষ তৃণমূলে যোগও দিয়েছিল। কিন্তু কী এমন হল যে দলের বিস্তার না হয়ে, ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে কার্যকলাপ? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের দাবি, সম্মান না পেয়ে দল ছেড়েছেন একমাত্র কাউন্সিলর সুমন পাল। এমনকী দলের সংগঠন বৃদ্ধি করতে গিয়ে বিজেপির হাতে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের পাশেও সেভাবে নেতৃত্ব দাঁড়ায়নি বলেই তাঁদের অভিযোগ। ত্রিপুরার ৮ জেলার মধ্যে ৪ জেলায় দল আশিসলাল সিংকে দায়িত্ব দিয়েছিল। অথচ মারধর খেয়ে দিল্লিতে চিকিৎসা করতে চলে যান তিনি। তাঁকেও সামান্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে দলের একাংশে অভিযোগ।জানা গিয়েছে, ২১ দিনের নোটিশে ২০১৪-এ ত্রিপুরার দুটি লোকসভা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেদিন দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ত্রিপুরা পশ্চিম কেন্দ্রে ১ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি ভোট পায় তৃণমূল প্রার্থী রতন চক্রবর্তী। ত্রিপুরা পূর্বে ভৃগুরাম রিয়াং ৭৭ হাজারের বেশি ভোট পায়। দুটি আসনেই তৃণমূল ছিল তৃতীয়, তারপরে চতুর্থ স্থানে ছিল বিজেপি প্রার্থী। ২০১৭-এ ত্রিপুরা তৃণমূলের সভাপতি করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং-পুত্র আশিসলালকে। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে জোট গড়ে ত্রিপুরায় প্রার্থী দেয় তৃণমূল। সব আসনেই হেরে যায় তৃণমূল।দলের বিক্ষুব্ধ অংশের বক্তব্য, দলবদলুরা ত্রিপুরায় তৃণমূলের দায়িত্ব নেওয়ায় সংগঠন তলানিতে পৌঁছেছে। দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বিজেপি থেকে আসা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, দল তাঁকে ত্রিপুরায় দায়িত্ব দিলে বিজেপি-সিপিএমকে টেক্কা দেবে তৃণমূল। পাঁচ-পাঁচবার বিজেপি আশিসলাল সিংয়ের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ। তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না। আশিসবাবুর দাবি, কোনও উপজাতিকে ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। তাহলেই বাজিমাত করতে পারবে দল। তিনি চান ত্রিপুরা তৃণমূলের হাল ধরুক আশিস দাস। রেললাইনের পথ ঘুরিয়ে জনজাতিদের উচ্ছেদ রুখে ছিলেন আশিসলাল। সিপিএম সরকার রেললাইনের ম্যাপিং করেছিল। কিন্তু তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় ১০ হাজার জনজাতিকে উচ্ছেদ হতে হয়নি। সেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল-পুত্র। মাছমারায় বাঁশের সেতু লোহার সেতু হয়েছে, তাঁরই উদ্যোগে হাসপাতাল হয়েছে।এই মুহূর্তে ত্রিপুরার পাহাড়ী এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে ত্রিপ্রা মথা। তবে সমতলেও প্রভাব বাড়ছে দুবছর আগে তৈরি হওয়া এই দলের। সূত্রের খবর, শচীন্দ্রলাল-কন্যা নন্দিতা সিং, শ্যামাচরণ ত্রিপুরার মেয়ে অদিতি ত্রিপুরা, শচীন্দ্রলাল সিংয়ের মন্ত্রীসভার প্রাক্তন জনপ্রিয় মন্ত্রী তসলমফা ওরফে রাজপ্রসাদ চৌধুরী-র পুত্র ভৃগুরাম রিয়াং ত্রিপ্রা মাথায় যোগ দিতে পারেন। সূত্রের খবর, তৃণমূলে বসে যাওয়া নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশ নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন ত্রিপ্রা মথার সঙ্গে। বছর গড়ালেই বিধানসভা ভোট। তাই অনেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। সূত্রের খবর, আশিসলাল ব্যক্তিগত ভাবে দল ছাড়তে চাইছেন না। কিন্তু কর্মীরা ক্ষিপ্ত। সংখ্যালঘু ও পাহাড়ের তৃণমূলীরা কি সিদ্ধান্ত নেবে তা নিয়ে ব্যাপক সংশয় আছে। তাঁরা মনে করছে, এমন চলতে থাকলে আশিসবাবুও তাঁদের পথ ধরতে পারেন।ত্রিপুরার পাহাড়ের কোনায় কোনায় ঘাসফুলের পতাকা উড়েছে। এবার তা বন্ধ হতে বসেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কর্মী মুজিবর মারা গিয়েছেন। তাঁকে জখম অবস্থায় নেতৃত্ব ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ। মুজিব ও তাঁর স্ত্রী সেদিন টোটো করে বাড়ি যায়। জানা গিয়েছে, মামন খানকে বেধরক মারধর করা হয়েছিল। এসএসকেএম থেকে ফিরে আসছে তাঁরও খোঁজ নেয় না দল। ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে দলের পতাকা উচিঁয়ে রেখেছে বেচারাম দাস। তাঁকে ১৫ অগাস্ট বেধরক মারধর হয়। তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়, অথচ দল খবরই নেয়নি বলে অভিযোগ। আশিসলাল সিং বিজেপির কাছে মার খেল, ত্রিপুরা তৃণমূল নাকি তখনও চুপ ছিল। তৃণমূলের মহিলা নেতৃত্বও নিগৃহীত হয়েছেন। অমরপুর পাহাড়ের জঙ্গলে বাচ্চা কোলে অবস্থায় এক মহিলাকে গুলি মারা হয়েছিল। সেখানে কর্মীদের নিয়ে রাতেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আশিসলাল। তাছাড়া খুমলুঙে মদ্য়পরা ছাত্রদের ব্যাপক মারধর করেছিল। খুমলুঙ জ্বলছিল। অশান্ত খুমলুঙে গিয়েছিলেন আশিসবাবু। যে পার্কে সেদিন ঘটনা ঘটেছিল তা দাবি জানিয়ে বন্ধ করিয়েছিলেন তিনি। সেদিনও আগরতলা শহর থেকে কেউ যায়নি।কার্যত ত্রিপুরার দলের কর্মীরা নেতৃত্বের ওপর ভরসা হারাচ্ছে বলেই খবর। দলের ওই অংশের বক্তব্য, পার্টি অফিস হয়নি বরং বাড়িতে বাড়িতে দলের অফিস গড়ে উঠছে। সেসব জায়গায় অনেকে যেতেও পারছেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের এমন দশা থাকলে ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় কোনও আশা না করাই ভাল। অল্প সংখ্যক ভোট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ঘাসফুল শিবিরকে।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

ঘটনার তিন দিন পরেও স্বামীর পারলৌকিক কর্ম হল না, সিবিআই তদন্ত চায় সন্তোষপুরও

খুনের বাদলা নিতে বগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তাঁর পরিজনদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। সোমবার বিকালে পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ এমন ঘটনা ঘটানোর পরেই পুলিশ ব্যাপক ধরপাকড় অভিযানে নামে। পুলিশ ৩৯ জনকে গ্রেফতারের পর থেকে এখন কার্যত পুরুষ শূণ্য রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের সন্তোষপুর গ্রাম। আর তাতেই বিপাকে পড়ে গিয়েছেন উৎপল ঘোষ (৩৩) এর স্ত্রী সাধনা ঘোষ ও তাঁর পরিবার। কারণ গ্রামে এখন নাপিত, ব্রাহ্মণ কেউ নেই।স্বামীর পারলৌকিক কাজ সম্পাদনের জন্য ক্ষৌরকর্ম পর্যন্ত তাঁরা করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য বুধবার পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষেভ উগরে দিয়েছেন সাধনাদেবী। পাশাপাশি তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর ঘটনার সিবিআই তদন্তও দাবি করেছেন।ছেলের সাথে অসহায় উৎপল ঘোষ-র স্ত্রী সাধনা ঘোষকৃষি প্রধান গলসির সন্তোষপুর গ্রাম হঠাৎ করে এই ভাবে খবরের শিরণামে জায়গা করে নেওয়ার নেপথ্য কারণটাও যথেষ্ট শিহরণ জাগানো। স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করেছিলেন এই গ্রামেরই বাসিন্দা উৎপল ঘোষ (৩৩)। শুধু প্রতিবাদ করাই নয়, স্ত্রীকে উত্যক্ত করার ঘটনায় জড়িত প্রতিবেশী মনোজ ঘোষের বিরুদ্ধে তিনি গলসি থানায় অভিযোগও জানিয়ে ছিলেন। তারই বদলা নিতে রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুড়ুর দিয়ে কুপিয়ে উৎপল ঘোষকে নৃশংস ভাবে খুন করে মনোজ ঘোষ। রাতে মাথায় কুড়ুল গেঁথে থাকা অবস্থায় এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে উদ্ধার হয় উৎপলের মৃতদেহ। মৃতর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তে নেমে গলসি থানার পুলিশ ওই রাতেই মনোজ কে আটোক করে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উৎপলকে নৃশংস ভাবে খুন করার কথা জেরায় মনোজ পুলিশের কাছে স্বীকারও করে নেয়। পুলিশ মনোজ ঘোষকে গ্রেফতারের পর সেমবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে ৪ দিন পুলিশি হেপাজতে নিয়েছে।ভষ্মীভুত গাড়িএই পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও মনোজের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকালে উৎপলের মৃতদেহ বাড়িতে ফেরার পর। তা আঁচ করে গ্রামে পুলিশও চলে যায়। তারই মধ্যে গ্রামের উত্তেজিত মানুষজন মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে চড়াও হয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে পোড়ে মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা, কাকার বাড়িতে থাকা একাধিক গাড়ি ও খড়ের পালুই। আগুন নেভানোর জন্য খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও খুনের ঘটনার বদলা নিতে বাগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তার পরিজনদের বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রামের ৩৯ জনকে গ্রেফতার করে।ভষ্মীভুত ট্রাকটারপুলিশের এই গ্রেপ্তারি নিয়ে এদিন প্রশ্ন তুলেছে নিহত উৎপল ঘোষের স্ত্রী সাধনাদেবী। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ নিরপরাধ গ্রামবাসীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। অথচ অপরাধীরা এখনও দিব্যি গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুনি মনোজ ঘোষকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও তার বাবা কার্তিক ঘোষ ও কাকা হারাধন ঘোষকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। এখনও গ্রেফতারির ভয়ে গোটা গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে রয়েছে।গ্রামে ব্রাহ্মণ নেই, নাপিত নেই। স্বামীর মৃত্যুর তিন দিন পরও পারলৌকিক কাজ সম্পাদনে জন্য ক্ষৌরকর্ম করার রীতি থাকলেও তা করতে পারা গেল না। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ সাধনাদেবী এদিন বলেন, আমি চাই সিবিআই আমার স্বামীকে খুনের ঘটনার তদন্তু করুক। নিহত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষও বলেন, পুলিশ ঠিক মত কাজ করছে না। যার বাড়ি থেকে অস্ত্র গেল উৎপলকে খুন করার জন্য তাকে পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনিও সিবিআই তদন্ত চাইছেন। যদিও জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, পুলিশ খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সব দিক বিবেচনা করেই পুলিশ তদন্ত করছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

সারা ভারত আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জিমনাস্টিক প্রতিযোগীতায় স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক জয় রাজমিস্ত্রির মেয়ে রোজিনার

সরা ভারত আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জিমনাস্টিক প্রতিযোগীতায় অংশনিয়ে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলো পূর্ব বর্ধমানের কন্যা রোজিনা মির্জা। ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এই প্রতিযোগীতা ২৯ মার্চ শুরু হয় পাঞ্জাবের অমৃতসরে। সেখানেই ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় চুড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীতা। প্রতিযোগীতায় সার্বিক ভাবে দ্বিতীয় স্থান লাভ করার জন্য বঙ্গতনয়া রোজিনা রৌপ্য পদক লাভ করেছে। এছাড়াও টেবিল ভল্টে প্রথম স্থান অর্জন করা ও টিম চাম্পিয়ান হওয়ার জন্যেও রোজিনা দুটি স্বর্ণ পদক ও ট্রফি লাভ করেছে। রোজিনার এই সাফল্যে খুশি তাঁর কোচ, পরিবার পরিজন ও গুরুনানক দেব ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। রোজিনা মির্জার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের রায়নার নাড়ুগ্রাম পঞ্চায়েতের শংকরপুর গ্রামে। তাঁর বাবা মির্জা কাশেম আলী পেশায় রাজমিস্ত্রী। মা সাবিলা মির্জা সাধারণ গৃহবধূ। কাশেম আলীর তিন মেয়ের মধ্যে রোজিনা সবার ছোট। ছোট বয়স থেকেই রোজিনার জিমনাস্টিক্সের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। তখন সে তাঁর কাকা মির্জা হাসেম আলীর সহযোগীতা নিয়ে গ্রামের মাঠে জিমনাস্টিক অনুশীলন করতো। ওই সময়েই জিমনাস্টিকে তাঁর প্রতিভার প্রকাশ ঘটতে শুরু করে। রোজিনা গ্রামের স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করে। এর পর পরিবারের লোকজন তাঁকে কলকাতার সুকান্তনগর বিদ্যানিকেতনে ভর্তি করেন। সেখানে পড়াশুনার পাশাপাশি রোজিনা কলকাতার সাই (Aports Authority of India) জিমনাস্টিকের কোচিং নেওয়াও শুরু করে। কঠোর অনুশীলন চালিয়ে গিয়ে স্কুল জীবনেই রোজিনা জিমনাস্টিকে ৪ বার বেঙ্গল চাম্পিয়ান হয়। পরে ২০১৫ সালে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে রোজিনা স্বর্ণ পদক ছিনিয়ে নিয়ে আসে। কলকাতার স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর সেখানকার কলেজে বি, প্রথম বর্ষে ভর্তি হয় রোজিনা। কলকাতায় অনুশীলন করার সময়ে সে পায়ে গুরুতর চোট পায়। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পায়ের চিকিৎসা চলে। তার কারণে তাঁর কলেজ যাওয়াও বন্ধ হয়ে থাকে। পায়ের চোট পুরোপুরি সারলে তারপর ২০২০ সালে রোজিনা পাঞ্জাবের গুরুনানক দেব ইউনিভার্সিটি অধীন অমৃতসরে খালসা কলেজে বি এ প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়। পাঞ্জাবে থেকে পড়াশুনা চালিয়ে যাবার পাশাপাশি সেখানে কোচের তত্বাবধানে রোজিনা জিমনাস্টিকের অনুশীলনও চালিয়ে যাচ্ছে।রোজিনা জানিয়েছে, ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটি অ্যাসোসিয়েশন সরা ভারত আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জিমনাস্টিক প্রতিযোগীতার আয়োজন করে। ২৯ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত অমৃতসরে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিযোগীতায় দেশের ১৯২ টি বিশ্ববিদ্যালয়েয় প্রতিযোগীরা অংশ নেয়। রোজিনা জানায় সেই প্রতিযোগীতায় আর্টিস্টিক জিমনাস্টিকে সে মহিলা বিভাগে গুরুনানক দেব ইউনিভার্সিটির য়ে প্রতিনিধিত্ব করে। সেই প্রতিযোগীতায় সার্বিক ভাবে সে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে রৌপ্য পদক ও ট্রফি পায়। এছাড়াও টেবিল ভল্টে স্বর্ণ পদক ও টিম চাম্পিয়ান হওয়ার জন্যে আরও একটি স্বর্ণ পদক ও ট্রফি পয়েছে বলে রোজিনা মির্জা জানিয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরের প্রতিযোগীতায় পদক প্রাপ্তিতে রোজিনা যথেষ্টই খুশি। তবে এখন তাঁর লক্ষ দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে পদক ছিনিয়ে আনা।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন পুর্ব-বর্ধমান জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা'র

পূর্ব বর্ধমান জেলায় স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বারবার অভিযোগ ওঠায় বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে গেলেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা. উল্লাসের কাছের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে তিনি জানান, হাসপাতলে ফ্রণ্ট ডেস্কের স্বাস্থ্য সাথীর ডিসপ্লে থাকার কথা সেটা নাই, তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যসাথী ডিসপ্লে ও স্বাস্থ্যসাথী রেজিস্টার মেইন্টেন করার নির্দেশ দেন তিনি, এরথেকে বোঝা যাবে কতজন রোগী ভর্তি আছেন আর কতজন ছুটি পেয়েছেন তা হাসপাতালে মজুত কার্ডের সাথে মেলানো যাবে।জেলাশাসক সরজমিনে ঘুরে দেখেন এই হাসপাতালে রাজ্য সরকারের প্রকল্প স্বাস্থসাথী-র কোনও গণ্ডগোল হচ্ছে কিনা। তিনি ছাড়াও শনিবারের এই হঠাৎ পরিদর্শনে জেলাশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ অধিকর্তা, সহকারি-স্বাস্থ অধিকর্তা, ও বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের মহুকুমা শাসক। সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।হাসপাতালে উপস্থিত সাধারণ মানুষ জনতার কথাকে জানান, এই ধরনের হঠাৎ হাসপাতালে এলে আধিকারিক রা জানতে পারবেন কি ধরনের পরিসেবা সাধারণ মানুষ এদের থেকে পায়। এবং হাসপাতাল কর্ত্তিপক্ষ ও সদা সতর্ক থাকবে পরিসেবা ব্যাপারে।

এপ্রিল ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্যানসার কেড়ে নিল টম পার্কারের জীবন

চলে গেলেন ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী টম পার্কার। দ্য ওয়ান্টেড দিয়ে তিনি আলোচনায় এসেছিলেন। কয়েক মাস ধরে ব্রেন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করা পার্কার অবশেষে হার মানলেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৩ বছর। টম পার্কার ২০২০ সালের অক্টোবরে ভক্তদের তার টিউমারের কথা বলেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে টমের স্ত্রী কেলসি হার্ডউইক লিখেছেন, আমাদের হৃদয় ভেঙে গেছে। টম ছিল আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্র। তার অমলিন হাসি আর সাহসী উপস্থিতি ছাড়া আমরা জীবন কল্পনাই করতে পারি না। টম-কেলসি হার্ডউইক যুগলের ঘরে দুই সন্তান রয়েছে। পরিবার ও ব্যান্ডের অন্য সব সদস্য বুধবার যে সময় উপস্থিতি ছিলেন তখনই টম শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে ব্রিটিশ-আইরিশ বয় ব্যান্ড দ্য ওয়ান্টেড। ব্যান্ডের অন্য আরেক সদস্য ম্যাক্স জর্জ ও সিবা কেনেসরন, ন্যাথান স্কাইসরা জানিয়েছেন, এই অকালমৃত্যুতে আমরা বাকরুদ্ধ, টম আমাদের ভাই ছিল... শব্দ দিয়ে এই শূন্যতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। আমাদের মনের পরিস্থিতি বলে বোঝাতে পারব না... টম আজীবন আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ৪ আগস্ট যুক্তরাজ্যের বোল্টনে জন্মগ্রহণ করেন টম পার্কার। পুরো নাম থমাস অ্যান্থনি পার্কার। তার দুই সন্তান বোধি থমাস ও প্যারিস পার্কার।

এপ্রিল ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাবাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গান গাইলেন বাপ্পি লাহিড়ীর ছেলে

জি বাংলার সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড-এ জি-র ধারাবাহিকের সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়। এই অ্যাওয়ার্ডের দিন সঙ্গে থাকে নাচ, গান। এই জি বাংলার মঞ্চে দাঁড়িয়েই প্রয়াত বাবা বাপ্পি লাহিড়ীকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তাঁর ছেলে বাপ্পা লাহিড়ী। বাপ্পি মারা যাওয়ার সময় দেশে ছিলেন না তিনি। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দেশে ফেরেন বাপ্পা। জি বাংলা ২০২২ সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চ মাতালেন বাপ্পা লাহিড়ী। মঞ্চে গান গেয়ে তাঁর প্রয়াত বাবাকে সম্মান জানালেন বাপ্পা। প্রথমে বাপ্পি লাহিড়ির গাওয়া গান পরিবেশন করেন জাভেদ আলি। তারপর জাভেদের অনুরোধেই মঞ্চে উঠে আসেন বাপ্পা। কাভি আলবিদা না কহেনাগানটি গেয়ে শোনান তিনি।২০২২ সালের শুরুতেই ভারতীয় সঙ্গীতের তিন তারা চলে গেছেন সকলকে কাঁদিয়ে। প্রথমে লতা মঙ্গেশকর, তারপর বাপ্পি লাহিড়ি, আর তারপর সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। ১৫ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৬৯ বছর বয়সে প্রয়াত হন ডিস্কো কিং। তিনি চলে গেলেও থেকে গেছে তাঁর অমূল্য কীর্তি। বরাবরই ফ্যাশন আইকন হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। বলিউডকে ডিস্কো গানের সাথে পরিচিতি করানোর পিছনেও তাঁর বড় হাত ছিল। বাপ্পি লাহিড়ী আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও তিনি আমাদের মনের মণীকোঠায় চিরবিরাজমান থাকবেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে সিন্ধু গর্জন, কী এমন করলেন এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা?

রবিবার সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে ঘটল সিন্ধু গর্জন। থাইল্যান্ডের বুসানন ওংবামরুঙ্গফনকে উড়িয়ে সুইস ওপেনে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। চলতি বছরে এটা দ্বিতীয় খেতাব সিন্ধুর। জার্মান ওপেন ও অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন দেশের এই এক নম্বর মহিলা শাটলার। সুইস ওপেনের ফাইনালে জিতলেন ২১১৬, ২১৮ ব্যবধানে। এবছরের শুরুতেই সৈয়দ মোদী আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। এবার সুইস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন। এই নিয়ে সুইস ওপেনে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছিলেন সিন্ধু। এদিন ফাইনালে প্রতিযোগিতার চতুর্থ বাছাই বুসাননকে হারাতে সময় নেন মাত্র ৪৯ মিনিট। বুসাননের বিরুদ্ধে সিন্ধুর পরিসংখ্যান যথেষ্ট ভাল। সুইস ওপেনে মুখোমুখি হওয়ার আগে ১৬ বার সাক্ষাৎকারে ১৫ বার জিতেছিলেন সিন্ধু। ২০১৯ সালে হংকং ওপেনেই একমাত্র বুসাননের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু। সুতরাং ফেবারিট হিসেবেই এদিন ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন। এদিনের ফাইনালে প্রথম গেমে সিন্ধু ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপরই ঘুরে দাঁড়ান বুসানন। এসময় প্রথম গেমে ফল দাঁড়ায় ৭৭। আবার এগিয়ে যান সিন্ধু । বুসানন কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দেন সিন্ধুকে। তুল্যমূল্য লড়াই করে এক সময় ১৩১৩ করে ফেলেন। কিন্তু এরপর একের পর এক ভুল করতে থাকেন বুসানন। তাঁর সেই ভুল কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যান সিন্ধু। সিন্ধু ১৬১৩ লিড নিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। প্রথম গেমে তবু একটু লড়াই দিয়েছিলেন বুসানন। দ্বিতীয় গেমে দাঁড়াতেই পারেননি। দ্বিতীয় গেমের শুরুতেই ৫০ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। এই সময় তিনি অনেক বেশি আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলছিলেন। বিরতিতেই তিনি এগিয়ে যান ৯ পয়েন্টের ব্যবধানে। একসময় ১৮৪ ব্যবধানে এগিয়ে খেতাবের কাছাকাছি পৌঁছে যান। শেষ অবধি দ্বিতীয় গেম ২১৮ ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে সিন্ধু চ্যাম্পিয়ন হলেও পুরুষদের সিঙ্গলসে ব্যর্থ এইচএস প্রণয়। ইন্দোনেশিয়ার জোনাথন ক্রিস্টির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায় এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার। ক্রিস্টি ২১১২, ২১১৮ ব্যবধানে প্রণয়কে হারিয়ে খেতাব জেতেন।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

রামপুরকাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশের পরই সিটের থেকে এফআইআর কপি চাইল সিবিআই

রামপুরহাট হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর রাজ্য পুলিশের সিটের সঙ্গে কথা বললেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের অফিসাররা। সিটের থেকে এফআইআরের কপি চাইলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মামলা রুজু করে তারপর কেস ডায়েরি হাতে নেবে সিবিআই। এদিকে সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, সিটের তরফেও তদন্তে সবরকম সাহায্য করা হবে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ফোনে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের অর্ডার কপি হাতে পাওয়ার পরই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা যোগাযোগ করেন সিটের সদস্যদের সঙ্গে। এরপর ই-মেল মারফত এফআইআরের কপি চাওয়া হয়েছে বলে খবর। রামপুরহাটে মূলত দুটি ঘটনার তদন্ত চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা তথা পঞ্চায়েত উপপ্রধান ভাদু শেখের খুন এবং তারপর সোনা শেখের বাড়ি-সহ এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। এক্ষেত্রে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাতে রাজ্য পুলিশের তরফে যে এফআইআর করা হয়েছে, সেই এফআইআরের কপি চেয়ে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।জানা গিয়েছে, এই এফআইআর কপি হাতে পাওয়ার পর সিবিআই নিজেদের তদন্তকারী দল গঠন করবে। তারপর যত দ্রুত সম্ভব সেই তদন্তকারী দল রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে পাঠাবে সিবিআই। এখনও পর্যন্ত সূত্র মারফত যা খবর, তাতে শনিবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল যেতে পারে বগটুই গ্রামে। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবের বিশেষজ্ঞ দল ইতিমধ্যেই বগটুই গ্রাম থেকে ঘুরে গিয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির ভাঙতে বসা সংসার কি এক হতে চলেছে, জোর জল্পনা

নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির ভাঙতে বসা সংসার কি জুড়তে চলেছে? বলিপাড়ায় এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে পুরো ঘটনাটা সত্যি না ও হতে পারে। গত বছর দুই সন্তানকে নিয়ে দুবাইয়ে চলে গিয়েছিলেন নওয়াজের স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকি। সেখানেই পাকাপাকি ভাবে থাকার পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু এবার মত বদলে ছেলেমেয়েকে নিয়ে ফিরে এসেছেন মুম্বইয়ে। সেখানে ইয়ারি রোডে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকছেন তিনি। তবে এখনই নওয়াজ তাঁদের সঙ্গে থাকবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।২০২০ সালে নওয়াজ এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন আলিয়া। জানিয়েছিলেন, স্বামী কোনও দিন গায়ে হাত না তুললেও তাঁর ভাই শামাশ সিদ্দিকির কাছে প্রহৃত হয়েছিলেন তিনি। এর পর যদিও নওয়াজের সঙ্গে সব কিছু মিটমাট করে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে তেমন কিছু হওয়ার আগেই দুবাইয়ে উড়ে যান দুই সন্তানকে নিয়ে। সেই সময়ে করোনার কারণে ভারতে স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ ছিল না। তাই তাদের নিয়ে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আলিয়া। ব্যস্ত নওয়াজের পক্ষে পরিবারকে দেখতে ঘনঘন দুবাই যাওয়া প্রায় অসম্ভব। আলিয়ার কথায়, আমার দুই সন্তান এবং নওয়াজের পক্ষে দুবাইয়ে মানিয়ে নেওয়া সহজ ছিল না। ওদের নিজের দেশের কথা মনে পড়ছিল। এর পরেই মুম্বইয়ে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মার্চ ২২, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে কাটোয়ায় আক্রান্ত পুলিশ

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার বাঁধমুড়ো গ্রামে। এই গ্রামেই বাড়ি বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিকের। তাঁর পরিবারের লোকজনের হামলায় জখম হন এএসআই আবদুল হাসিম হাজারি ও সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহা। জখমদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাতেই পাঠানো হয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। এই ঘটনার পরেই পুলিশ বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিক ও তাঁর পরিবার সদস্যদের সন্ধানে জোরদার অভাযানে নেমে পড়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, আনসার মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে হুকিং করে সাবমার্বিল পাম্প চালাচ্ছেন বলে বিদ্যুৎ দপ্তর থানায় অভিযোগ জানায়। তার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত আনসারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে। এদিন রাতে আনসারকে ধরতে বাঁধমুড়ো গ্রামে গিয়েছিলেন কাটোয়া থানার এসআই আবদুল হাসিম হাজারি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার কৈলাস সাহা। তাঁরা আনসারকে ধরে যেই গাড়িতে তুলতে যাবেন ঠিক সেই সময় অভিযুক্তের তিন ছেলে, পুত্রবধূরা, আরও কয়েকজন আত্মীয় মিলে পুলিশের উপর চড়াও হয়। তারা পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক আনসারকে ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। এরপর আনসারের পরিবারের মহিলারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট ছুড়তে শুরু করে। ইঁটের আঘাতে মাথা ফাটে এসআই আবদুল হাসিম হাজারির। জখম হয় সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহাও। কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, পুলিশের উপর হামলা চালানোর ঘটনায় জড়িত কাউকেই রেয়াত করা হবে না।

মার্চ ১৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বহিরাগত খোঁচা বিহারীবাবুকে, বালিগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী বাবুলকে হুঙ্কার ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের

গতবছর ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেওয়ার কথা ছিল বিহারীবাবুর। শেষমেশ আসানসোল লোকসভা আসনের টিকিট হাতে নিয়েই তৃণমূলে যোগ দিলেন অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। বালিগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী করেছে বিজেপি থেকে দলে যোগ দেওয়া প্রাক্তন আরেক বিজেপি সাংসদ গায়ক বাবুল সুপ্রিয়কে। লোকসভা ও বিধানসভা দুই আসনের প্রার্থী আগে বিজেপি করতেন, দুজনই সাংসদ ছিলেন, দুজনই শিল্পী জগতের লোক। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই প্রার্থীর নাম টুইট করে জানানোর পরই বিজেপির তরফ থেকে নানা ধরনের কটাক্ষ করা হয়।বিজেপির রাজ্য পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য টুইটে লেখেন অভিষেকের লোককে প্রার্থী না করে বহিরাগতকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, নিজেদের প্রার্থী নেই বলে দুই প্রাক্তন বিজেপি নেতাকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। প্রায় একই মন্তব্য করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। যদিও তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য, একজন প্রাজ্ঞ রাজনীতিক সাংসদ হলে তৃণমূলের লাভ হবে।It was widely speculated that TMC would field Saayoni Ghosh, president of partys youth wing, considered close to Abhishek Banerjee, from Asansol. But Mamata Banerjee, just to cut her nephew to size has fielded a complete outsider, not just for Asansol but Bengal, from the seat. Amit Malviya (@amitmalviya) March 13, 2022এদিকে এরই মধ্যে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিয়েশন বাবুলের বালিগঞ্জে প্রার্থী হওয়া নিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছেন। সংগঠনের সভাপতি মহম্মদ ইয়াহ ইয়াহ বলেছেন, একজন দাঙ্গাকারীকে তৃণমূল প্রার্থী করেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। প্রয়োজনে আমি নিজে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হব। ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের প্রার্থী হব আমি। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস বহিরাগত তত্বকে হাতিয়ার করেই সর্বত্র প্রচার করেছে বিজেপির বিরুদ্ধে।এবার অন্য রাজ্য থেকে একজন অবাঙালিকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূলের পক্ষে কেউ কেউ যুক্তি খাড়া করতে চাইছেন এটা লোকসভা নির্বাচন। যার প্রেক্ষিত সর্বভারতীয়। ১২ এপ্রিল উপিনর্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ...
  • 22
  • 23
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal