• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Protest

বিদেশ

ফের রক্তাক্ত মায়ানমার, সেনার গুলিতে ১২ গণতন্ত্রকামীর মৃত্যু

ফের রক্তস্নাত মায়াসমার। শনিবার অন্তত ১২ জন গণতন্ত্রকামীকে গুলি করে মারল জুন্টা। গোটা বিশ্বজুড়ে জুন্টার ভয়ানক আগ্রাসী ভূমিকার তীব্র নিন্দা হচ্ছে। গত বুধবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘ তুলোধোনা করেছে মায়ানমারের সেনার এই ভূমিকাকে। কিন্তু কোনও সমালোচনাই যে তারা গ্রাহ্যের মধ্যে আনতে রাজি নয়, তা এদিন ফের বুঝিয়ে দিল মায়ানমার সেনা। শনিবার ম্যান্ডালায় ধর্নায় বসে থাকা নিরস্ত্র মানুষদের উপরে যেভাবে গুলি চালিয়েছে সেনা, তা দেখে আতঙ্কিত প্রত্যক্ষদর্শীরা। চোখের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পাঁচজন। তাদের মধ্যে এক ১৩ বছরের কিশোরও ছিল। সেনা যে গুলি চালানোর সময় কাউকে রেয়াত করছে না, তা ফের স্পষ্ট হয়ে গেল এই ঘটনায়। এরই পাশাপাশি ইয়াঙ্গন, প্যায় ইত্যাদি জায়গাতেও নির্বিচারে চালানো হয়েছে গুলি। ১ ফেব্রুয়ারি আচমকাই দেশের শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে তুলে নেয় মায়ানমার সেনা। পাল্টা ক্যু বা সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে পথে নামে দেশের আমজনতা। কোথাও তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তো কোথাও আবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছে। কিন্তু আন সাং সু কি-পন্থীদের দমনে মরিয়া সে দেশের সেনা। আর সেই কারণেই নির্বিচারে দমন পীড়ন চালাচ্ছে তারা। এপর্যন্ত সেনার গুলিতে ৭০ জনের বেশি প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, রবার বুলেটের আঘাতে অনেকে আহত হয়েছেন।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজ্য

শিলিগুড়ির রাস্তায় নেমে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার

রবিবার ব্রিগেড থেকে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিলিগুড়ি থেকে তার উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, মোদি যখন ফাঁকা ব্রিগেডে, আমি তখন রাস্তায়। কারণ রাস্তাই আমাকে রাস্তা দেখায়। রবিবার শিলিগুড়িতে রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল ও সভার আয়োজন করে তৃণমূল। সেই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মমতা। শেষে শিলিগুড়ির সফদর হাসমি চকে একটি সভাও করেন। আর সেখান থেকেই ব্রিগেডে মোদির ভাষণের সরাসরি জবাব দেন তিনি। তাঁর বার্তা, এ বারের নির্বাচন অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন। অস্তিত্ব রক্ষা করতে না পারলে বাংলা ভাগ করবে বিজেপি।সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর বাংলা সফর নিয়ে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী। বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে শুধু কুৎসা করতে আসেন। ব্রিগেডে বাংলা নিয়ে কথা বলার আগে ওঁর উচিত রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে জবাব দেওয়া। কেন গ্যাসের দাম বাড়ছে? পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে? মোদিকে আগে সেই জবাব দিতে হবে। রান্না ঘরে আগুন লাগালে মা-বোনেরা ছেড়ে কথা বলবেন না। রবিবার ব্রিগেডের সভা থেকে মোদি বারবার বলেছেন, বাংলায় এ বার আসল পরিবর্তন হবে। পাল্টা মমতার হুঁশিয়ারি, বাংলায় পরিবর্তন করতে পারবেন না। এ রাজ্যে তৃণমূল সরকারই থাকবে। তার আগে দিল্লিতে পরিবর্তন হয়ে যাবে। রবিবার মমতার মিছিলে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মমতার পাশেই ছিলেন মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দোলা সেন-রা। ব্রিগেডে যখন মোদি ভাষণ দিতে শুরু করে দিয়েছেন, ততক্ষণে সভামঞ্চে পৌঁছে যান মমতা। তার বেশ কিছু ক্ষণ পর ভাষণ শুরু করেন। ভোটের মুখে বারবার প্রধানমন্ত্রীর বাংলায় আসা নিয়ে তোপ দাগেন তিনি। বলেন, যখন করোনার প্রকোপ চলছিল, তখন ভয়ে ঘরে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আমি তখন সারা রাজ্যে ঘুরেছি, হাসপাতালে গিয়েছি। আর এখন কোভিডের টিকায় মোদির বড় বড় মুখ দেওয়া হচ্ছে। আসলে সবই জুমলা। একদিকে রেল, এয়ার ইন্ডিয়া, কোল ইন্ডিয়া বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে উজ্জ্বলা যোজনায় দুর্নীতি হচ্ছে। মোদির ভোটের আগে উজ্জ্বলা, ভোটের পরে জুমলা।ব্রিগেডের সভায় যখন পরপর বিজেপি নেতারা রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তখনই মমতার পাল্টা জবাব, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের থেকে অনেক বেশি সুরক্ষিত বাংলার মহিলারা। কিষান নিধি প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা টেনে তৃণমূল সরকারকে বারবার আক্রমণ করে বিজেপি। সেই সূত্রেই তৃণমূল নেত্রী বললেন, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী রাজ্য সরকার দিয়েছে। দরকার হলে এ বার পাকাবাড়িও বানিয়ে দেবে। আপনার দেওয়া পাকাবাড়ির দরকার নেই।প্রার্থিতালিকা ঘোষণার পর উত্তরবঙ্গের প্রথম সফরে লোকসভা নির্বাচনের কথা করিয়ে দিয়ে তূণমূল নেত্রীর মন্তব্য, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বলেছিল, সব চা বাগান খুলে দেবে। আপনারা ভোট দিয়েছেন। কিন্তু একটাও চা বাগান খোলেনি। এখন রাস্তা তৈরি করতে এসেছে। রাস্তা তো তৈরি হয়েই গিয়েছে, নতুন করে কী রাস্তা তৈরি করবে?

মার্চ ০৭, ২০২১
রাজনীতি

অগ্নিমূল্য জ্বালানি, প্রতিবাদে ব্যাটারি-চালিত স্কুটারে নবান্ন যাত্রা মুখ্যমন্ত্রীর

সাধারণ মানুষের দুঃখের পাশে দাঁড়াতে, এরকম কবে কোন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছিল! এদিন অভিনব পদ্ধতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গাড়ির বদলে বাড়ি থেকে হেঁটে হাজরা মোড় আসেন তিনি। সেখান থেকে ব্যাটারি চালিত স্কুটারে নবান্নে যান মমতা। চালকের আসনে ছিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।লিটার পিছু পেট্রল-ডিজেল একশো টাকা ছুঁইছুঁই। সেই কারণে গত ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কর্মীদের রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ-মিছিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। নিজে একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে লাগাতার পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। রাজ্য সরকার পেট্রল ও ডিজেলের উপর থেকে এক টাকা করে করও কমিয়েছে। কারণ, রোজ জ্বালানির দাম বেড়েই চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অন্যতম ইস্যু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আজ, বৃহস্পতিবার অভিনব পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানালেন মমতা। ইলেকট্রিক স্কুটারে চেপে নবান্নে গেলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবাদ মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
বিদেশ

দিশার গ্রেপ্তারিতে এবার সরব গ্রেটা

কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে গ্রেটা থুনবার্গের শেয়ার করা টুলকিট বিতর্ক নয়া মোড় নিয়েছে দিশা রবির গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওই বিতর্কিত টুলকিটটি সম্পাদনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন। এরপর দিশাকে তাঁর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুললেন গ্রেটা। টুইট করে প্রতিবাদ জানালেন দিশার গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে।শুক্রবার ওই টুইট করেন গ্রেটা। বরাবরের মতো স্পষ্ট ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন তিনি। লিখেছেন, বাকস্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল হল অ-আলোচনাযোগ্য মানবাধিকার। এটা যে কোনও গণতন্ত্রেই মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। সেই সঙ্গে তিনি একটি হ্যাশট্যাগও জুড়ে দেন, স্ট্যান্ডউইথদিশারবি-এরই পাশাপাশি ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার গ্রুপের একটি বিবৃতিও যোগ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, গ্রেটার শুরু করা ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার প্রচার অভিযানের ভারতীয় শাখার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২১ বছরের দিশা। সেই গ্রুপের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা দিশার পাশেই আছে।গ্রেটার টুলকিট নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয় এমাসের গোড়ায়। দিল্লি পুলিশের দাবি, বিশ্বের পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম মুখ গ্রেটার শেয়ার করা ওই টুলকিট আসলে খলিস্তানিদের তৈরি। তার মধ্যে হিংসায় উস্কানি দেওয়ার যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। আছে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করার বার্তা। এমনকী, ২৬ জানুয়ারির ঘটনার সঙ্গে টুলকিটে দেওয়া উসকানির সম্পর্ক রয়েছে বলেও পুলিশের ধারণা। যদিও গ্রেটা সেটি পরে শেয়ার করেছেন, তবুও খলিস্তানিদের মতো ভারত-বিরোধী শক্তিরা যে ষড়যন্ত্র সাধারণতন্ত্র দিবসে করেছিল, তার সঙ্গে এর উস্কানির সাযুজ্য রয়েছে বলেই মত পুলিশ প্রশাসনের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
কলকাতা

আদিগঙ্গায় নেমে পার্শ্বশিক্ষকদের অভিনব প্রতিবাদ

বিদ্যার দেবীর আরাধনার দিনে বেনজির প্রতিবাদ পার্শ্বশিক্ষকদের। আদিগঙ্গায় নেমে তারা প্রতিবাদ জানালেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি অবধি সাঁতার কেটে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন তারা। পুলিশের অনুরোধে শেষপর্যন্ত তারা উপরে উঠে আসেন। সরস্বতী পুজোর সকালে এই প্রতিবাদ রীতিমতো নজির তৈরি করল।শিক্ষা মিত্র শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা এই কাজ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। কখনও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনশনে বসছেন। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন দিয়েছেন অনেক বার। বিকাশ ভবনে অভিযান করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঘেরাও করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির উদ্দেশ্যে মিছিল হয়েছে। কিন্তু তাদের এখনও কোনও উন্নয়ন হয়নি। নির্দিষ্ট হারে বেতন বাড়ানো হয়নি।শুধু তাই নয়, পার্মানেন্ট করার বিষয়েও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে পার্শ্বশিক্ষকদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ চলছে। এবারে এক নতুন পন্থা অবলম্বন করলেন পার্শ্বশিক্ষকরা। মঙ্গলবার বেলা দশটার পরে বেশ কয়েকজন পার্শ্বশিক্ষক জমায়েত করেছিলেন। আলিপুর সেন্ট্রাল জেল লাগোয়া অঞ্চলে তারা উপস্থিত হন। আরও কয়েকজন আলিপুর পোস্ট অফিস সামনে জড়ো হন। এরপর তারা দুটি দলে ভাগ হয়ে আদিগঙ্গার দিকে চলে যান। সেখানে আদিগঙ্গার জলে ঝাঁপিয়ে পড়েন কয়েকজন। কোমর, বুক জলে তখন দাঁড়িয়ে আছেন পাঁচ ছজন। জামা খুলে ভিতরে থেকে প্লাস্টিক বের করেন। প্লাস্টিকের ভিতরে তৈরি করা ছিল প্ল্যাকার্ড। সেই লেখা প্ল্যাকার্ডগুলি নিয়ে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বহু মানুষ এই প্রতিবাদ দেখতে জড়ো হয়েছিল আদিগঙ্গার চারদিকে।পুলিশ আসে কালীঘাট থানা থেকে। তারাও অনুরোধ করেন উপরে উঠে আসতে।পার্শ্বশিক্ষকদের নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জল্পনা চলছে। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে পার্শ্বশিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে। সুদিন কবে আসবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন পার্শ্ব শিক্ষকদের। আন্দোলন চলছে বিভিন্ন উপায়ে। এবার নতুন আন্দোলনের নজির দেখা গেল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজ্য

মুরগি চুরির প্রতিবাদ করে খুন

খামার থেকে প্রতিবেশীর মুরগি চুরি করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। কাঠগড়ায় প্রতিবেশী যুবক। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার কালিতলা ঘোষপাড়া এলাকায়। খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত। খুনের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম শ্যামল সরকার(৩১)। স্থানীয় বিল্ডার্সের দোকানে কাজ করত। অভিযোগ, প্রতিবেশী দেবব্রত হালদার তাঁকে খুন করেছে।ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।পরিবারের অভিযোগ, খামার থেকে মুরগি চুরি করত অভিযুক্ত দেবব্রত হালদার। তাকে বারণ করতে মঙ্গলবার সন্ধেয় তাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন শ্যামল সরকার। তখনই দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা মিলে তাকে বেধড়ক মারধর করে। মুখ দিয়ে রক্ত উঠতে থাকে শ্যামলের। পরে দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরাই তাকে ভ্যানে তুলে চিকিৎসকের কাছে পাঠায়। যদি অভিযুক্তের পরিবারের দাবি, এক অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী এসে শ্যামলের উপর চড়াও হয়। তাঁকে জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তুনে আনেন দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
কলকাতা

সমবেতনের দাবিতে শিক্ষক বিক্ষোভে ধুন্ধুমার বিধানসভা চত্বর

অধিবেশন শুরুর আগেই উত্তাল বিধানসভা চত্বর। বুধবার সমবেতন, সমান সুবিধার দাবিতে বিধানসভা অভিযান করলেন শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের এই বিক্ষোভের জেরে বিধানসভার সামনে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয় বিক্ষোভকারীদের। এমনকী, গেট ভেঙে বিধানসভার ভিতর ঢোকারও চেষ্টা করেন তাঁরা। পরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার দাবিতে বিধানসভার বাইরে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। যদিও পুলিশ এসে পরে তাঁদের সরিয়ে দেয়।প্রাণীমিত্র, প্রাণীবন্ধু, এসএসকে, এমএসকে, পার্শ্বশিক্ষকরাই শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্য। বেতন কাঠামোর উন্নতি-সহ একাধিক দাবি রয়েছে তাঁদের। এদিন তাঁরা হাইকোর্টের বাইরে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেখান থেকেই বিধানসভা অভিযান করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিধানসভা চত্বর। তাঁদের ঠেকাতে ৬ নম্বর গেট বন্ধ করে দিয়েছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এদিন সেই গেট টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। যদিও পুলিশ তাদের আটকে দেয়।আন্দোলনকারীদের দাবি, শিক্ষকদের সমান বেতন ও সুবিধা দিতে হবে। শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্যদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী সকলের সঙ্গে দেখা করেন, দাবি দাওয়া শোনেন। ক্লাবগুলোকে টাকা দেন। কিন্তু আমাদের সঙ্গে দেখাও করেন না। আমাদের সুযোগ সুবিধাও দেখেন না।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
বিদেশ

নাভালনির মুক্তির দাবিতে উত্তাল রাশিয়া

রাশিয়ায় দুর্নীতি, দমননীতি-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে । এমন পরিস্থিতিতে রুশ বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান হাজার হাজার মানুষ।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল নাভালনিকে। তবে আদালত তিন বছর জেলের সাজা দিলেও কারাগারে দিন কাটাতে হয়নি তাঁকে। কারণ, দোষী সাব্যস্ত হলেও নাভালনির সাজা মকুব করে দেওয়া হয়। কিন্তু শর্ত অনুসারে তাঁকে থানায় বা সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে সময়ে সময়ে হাজির দিতে হয়। কিন্তু আদালতের বেঁধে দেওয়া শর্ত মানছেন না নাভালনি। শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগে ফের একটি দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। আপাতত আদালতের নির্দেশে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকতে হবে নাভালনিকে।সূত্রের খবর, শনিবার রাজধানী মস্কোর পুশকিনস্কয়া স্কোয়ারে প্রায় ৪ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে নাভালনির মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ দেখান। একইভাবে গোটা দেশে, এমনকী সাইবেরিয়ার প্রত্যন্ত প্রান্তেও সরকার বিরোধী সমাবেশে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। রুশ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই সমাবেশ করা হয়েছে। বাধা দিতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন প্রতিবাদীরা। ঘটনায় ৩৯ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ২ হাজার ৬০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনিও।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ধর্মতলা

টেট উত্তীর্ণদের বলপূর্বক অবস্থান থেকে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে বিধানভবন থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করল ছাত্র পরিষদ। সেই সময়ই ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। গার্ড রেল দিয়ে মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ধর্মতলা চত্বরে পুলিশ মিছিল আটকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আরও পড়ুন ঃ নিয়োগপত্র সত্ত্বেও কাজে যোগ দিতে বাধা, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিক্ষোভ প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। বিকাশভবন অভিযানে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। ফলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। তারা অবস্থানরত চাকরিপ্রার্থীদের তুলে দেন। তাদের শিয়ালদহ স্টেশনে পৌছে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন ছাত্র পরিষদ এই কর্মসূচি গ্রহণ করে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

অবস্থান মঞ্চ থেকে বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বলপূর্বক সরিয়ে দিল পুলিশ

টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের গেজেট পদ্ধতি মেনে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর দাবিতে সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। বুধবার গভীর রাতে আচমকাই বিধাননগর থানার পুলিশ সেখানে হানা দেয়। জোরপূর্বক উঠিয়ে দেওয়া হয় চাকরী প্রার্থীদের। যাতে পুনরায় তাঁরা অবস্থানে বসতে না পারে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া হয় তাঁদের। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। তাঁদের কর্মসূচি ছিল বিকাশ ভবনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দাবিদাওয়া তুলে ধরা হবে। তাদের এই কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। আরও পড়ুন ঃ কোভ্যাক্সিনের টিকা নিলেন ফিরহাদ হাকিম টেট উত্তীর্ণদের সমর্থন জানাতে অবস্থান মঞ্চে যান রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলগুলির নেতৃত্বরাও। চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করে দমন-পীড়নের নীতি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলগুলির শীর্ষ নেতারা। জানা গিয়েছে, আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদ শূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেখানে অনেকদিন থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুরে রাস্তায় বসে চপ ভেজে বিক্ষোভ কর্মসূচি বিজেপির

দুর্গাপুরে এন টি এস যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রবিবার বিওয়ান মোড়ের কাছে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে চপ ও মদের বোতল রাস্তায় ফেলে বিক্ষোভ দেখায় কর্মী-সমর্থকরা ৷ পশ্চিম বর্ধমানের বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, তৃণমূল সরকার বলেছিল এমএমসি খুলবে, ফার্টিলাইজার খুলবে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে এখনই নয় জাঁকিয়ে শীত কিন্তু দশ বছর ধরে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়েছে। একটা কারখানাও খোলেনি। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন চপ শিল্প করতে। বাড়িতে বাড়িতে মদ তৈরি হচ্ছে। বেকার ছেলেরা মদ খেয়ে বাড়িতে ঢুকছে। বাড়িতে বাড়িতে অশান্তি হচ্ছে। বেকার যুবক যুবতীরা কোন চাকরি পাচ্ছে না। তারা দিল্লি যাচ্ছে, গুজরাত যাচ্ছে। আর তারই প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ৷

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ

ত্রিপুরার কাঞ্চনপুরে বাঙালির উপর গুলি চালিয়ে হত্যা ও আহত করার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর ৭ জেলার সহযোদ্ধারা একটি প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশ করে হলদিয়ায়। মিছিল থেকে আওয়াজ ওঠে যে ত্রিপুরার বাঙালি আর একা নেই, ভারতে বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সমগ্র বাঙালি জাতি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ত্রিপুরার বাঙালির পাশে আছে, বাঙালি ভাইয়ের খুনীর শাস্তি চাইবে। এই মিছিল মঞ্জুশ্রী মোড় থেকে শুরু করে সমগ্র হলদিয়া শহর কেন্দ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদী স্লোগানে মুখরিত করে দুর্গাচকে সভার মাধ্যমে শেষ হয় বিপুল জন সমাগমের মাঝে। বাংলা তথা ত্রিপুরার বাঙালির মাটিতে বহিরাগত আস্তানা গড়ার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর জোরদার প্রচার ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সামাজিক মাধ্যমে। বাংলা পক্ষর সভা থেকে প্রশ্ন ওঠে, বাঙালিকে খুন করার সময়, ডিটেনশন ক্যাম্পে ভরার সময়, এনআরসি থেকে বাদ দেওয়ার সময় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই ডায়লগ কোথায় যায়? বাংলা পক্ষ দাবি করে যে বিজেপি হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে বাঙালি বিরোধী। আরও পড়ুন ঃ দুজন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয়ঃ মমতা প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় ব্রু-রিয়াং শরণার্থীদের পুণর্বাসন দেওয়ায় কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা প্রতিবাদ দেখাতে থাকে। সেই আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালালে এক যুবক ্মারা যায়। জানুয়ারি মাসে ত্রিপুরায় ব্রু-রিয়াং শরণার্থীদের পাকাপাকিভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে কেন্দ্র। বিপুল পরিমাণ আর্থিক প্যাকেজও ঘোষণা করা হয়। তাদের নাম ভোটার তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছে কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা। শুরু হয় আন্দোলন। চার দফা দাবিতে একাধিকবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা। এছাড়াও তারা অসম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে রণক্ষেত্র তুফা্নগঞ্জ

দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে উত্তপ্ত তুফা্নগঞ্জ। বিজেপির অভিযোগ , তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বন্ধ ব্যর্থ করতে না পেরে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। জোড়াই মোড়ে বিজেপির দুই কর্মী রবীন্দ্র দাস ও বিমল পাল জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ বিজেপির। দুজনকে তুফা্নগঞ্জ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি , জোর করে রাস্তা বন্ধ ও দোকানে হামলার জেরে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপি সমর্থকদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। তুফা্নগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় , বন্ধে গোলমাল এড়াতে দোকান - বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে সরকারি বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। আরও পড়ুন ঃ মালদার কালিয়াচকে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৫ জনের , ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের অভিযোগ নাককাটিগাছ এলাকার পূর্ব শিকারপুরে বুধবার সকালে খুন হন বিজেপির ৯/১৯৮ নম্বর বুথের বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় আহত হন আরও দুজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত কালাচাঁদকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মৃতের পরিজনদের দাবি, বিজেপি করার অপরাধেই তাঁদের উপরে এই আক্রমণ। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির জেলা নেতৃত্বেরও। যদিও পুলিশের দাবি কালীপুজোর ভাসানকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে পূর্ব শিকারপুরের ২টি ক্লাবের মধ্যে গণ্ডগোলকে কেন্দ্র করেই অশান্তির সূত্রপাত। বিবাদ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন ৫৫ বছরের কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় বিজেপি রাজনৈতিক রং লাগানোর অভিযোগ করছে বলে পাল্টা দাবি করছে তৃণমূলও।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির

অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকেই খড়্গপুর টাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রথমে বচসা বাধে। তারপর ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। প্রসঙ্গত , বুধবার খড়্গপুর শহরের আঠারো নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকর্তা লিপু বেরাকে গ্রেপ্তার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল এরই প্রতিবাদ জানাতে খড়গপুর টাউন থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বিজেপি। বিজেপির এই কর্মসূচির জেরে খড়্গপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় প্রচুর পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

বিক্ষোভ কর্মসূচি মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির

মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার দুর্গাপুরে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর মহকুমার সমস্ত সংগীতশিল্পী, বাদ্যযন্ত্র শিল্পী ও বাচিকশিল্পীরা। আরও পড়ুন ঃ আমরা দাদার অনুগামীদের উদ্যো্গে মাস্ক বিতরণ শিল্পী সুমন দাস বলেন, দুর্গাপুর ও আসানসোল মহকুমায় প্রায় ১ হাজার শিল্পী গত সাত মাস ধরে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে । করোনার জন্য অনুষ্ঠান কোথাও করা যাচ্ছে না। খুব কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে, তাই আমাদের আবেদন রাজ্য সরকার অনুষ্ঠানের অনুমতি দিক।

অক্টোবর ১২, ২০২০
রাজ্য

জাতীয় সড়কের বেহাল সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ তৃণমূল যুব'র

২ নম্বর ব্লকের জাতীয় সড়কের খানাখন্দে ভরা সার্ভিস রোড। এই সার্ভিস রোডটি দুর্গাপুরের ওল্ড কোর্ট মোড়ের পাশেই অবস্থিত। আর এই ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে দুর্ঘটনা। সোমবার এই খানাখন্দে ভরা দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামল দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। ওল্ড কোর্ট মোড়ে এদিন অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন তৃণমূল যুব কর্মী- সমর্থকরা। দলের যুব শাখার পশ্চিম বর্ধমান জেলার নেতা রূপেশ যাদব বলেন, কেন্দ্রের এসব ব্যাপারে কোনও তাপ-উত্তাপ নেই, শুধু রাজনীতি করতেই ব্যস্ত।বিজেপি সরকারের এই ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
বিবিধ

কৃষি বিলের প্রতিবাদে অভিনব আন্দোলনে তৃণমূলের

কৃষি বিলের প্রতিবাদে দুর্গাপুরে বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর কৃষক পরিবারগুলিকে সঙ্গে নিয়ে জমির আল ধরে পদযাত্রা করল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। দুর্গাপুর তিন নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ, কিষান ক্ষেত মজুর শাখার সদস্যরা জমিতে নেমে কেন্দ্রের কৃষক বিরোধী বিলের প্রতিবাদ করলেন, তাঁদের হাতে ছিল লণ্ঠন। এই কর্মসূচিতে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সুখবর! বকেয়া ডিএ পেতে চলেছেন আরও হাজার হাজার কর্মী

সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আগেই মিটিয়েছে রাজ্য। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও অবসর ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে খবর।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে অর্থ দফতরের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে, নির্বাচনের আগে দ্রুত বকেয়া অর্থ মেটানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মীসংখ্যা এবং বকেয়া ভাতার বিস্তারিত তথ্য দ্রুত জমা দিতে।বিশেষ করে দুই হাজার আট সালের এপ্রিল থেকে দুই হাজার উনিশ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ভাতার হিসাব সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। শিক্ষা, পুর ও নগর উন্নয়ন, পরিবহন, পঞ্চায়েত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন। তাঁদের থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।এর আগে মার্চ মাসে রাজ্য সরকার কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বকেয়া ভাতা মেটানোর কাজ শুরু করেছিল। সেই সময় সরকারি কর্মীদের একটি অংশ বকেয়া অর্থ পেলেও, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী এই সুবিধা পাননি।এবার সেই বাকি থাকা কর্মী এবং পেনশনভোগীদেরও বকেয়া ভাতা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ফলে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অনেকেই তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনে সংঘর্ষ! রোড শোতেই চরম অশান্তি

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে রোড শো চলাকালীন দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।ঘটনাটি ঘটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির সামনে। সেখানে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে এগিয়ে আসতে হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।এ দিন রোড শো চলাকালীন তৃণমূল সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরাও। দুই পক্ষের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অমিত শাহের কনভয় ওই এলাকায় পৌঁছয়। তখন জুতো ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মধ্যে কনভয় এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহকে কনভয় থেকে নেমে যেতে হয়। পরে তিনি একটি ছোট গাড়িতে উঠে ওই এলাকা পার হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এই ধরনের ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াই! “মমতাকে হারাতেই হবে”—মঞ্চ কাঁপালেন অমিত শাহ

ভবানীপুর কেন্দ্রে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সমর্থন জানাতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাজরার সভা মঞ্চ থেকে তিনি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন এবং পরিবর্তনের ডাক দেন।অমিত শাহ বলেন, দুই হাজার চৌদ্দ সালের পর যে সব রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। এবার বাংলাতেও সেই পরিবর্তন দরকার। তিনি ভবানীপুরের ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে। তাঁর কথায়, বাংলাকে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে পরিবর্তন জরুরি।তিনি আরও বলেন, রাজ্যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় বিজেপি সরকার গঠন।অমিত শাহ দাবি করেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে চায়। তাঁর মতে, কোনও গুণ্ডা ভোটারদের আটকাতে পারবে না এবং সবাইকে সাহসের সঙ্গে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু পরাজিত করাই নয়, তৃণমূলকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দিতে হবে।শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তিনি বলেন, তিনি আগে অন্য জায়গা থেকে লড়তে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁকে বলা হয় ভবানীপুর থেকেই লড়াই করতে। তাঁর দাবি, এই কেন্দ্রে জয় পেলেই গোটা বাংলায় পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে যাবে।অমিত শাহ আরও বলেন, বাংলার মানুষ এখন নতুন সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিজেপি সরকার প্রয়োজন। তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য কিছুদিন তিনি বাংলাতেই থাকবেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।এ দিনের সভা থেকে ভবানীপুর-সহ একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন জানান তিনি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং ভবানীপুরে লড়াই যে জমে উঠেছে, তা স্পষ্ট।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

“কালিয়াচকের ঘটনা বিজেপির গেম প্ল্যান!” জনসভা থেকে কড়া আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদিঘির জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং এর পিছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে যা মন্তব্য করেছে তা সঠিক। একই সঙ্গে তিনি মানুষের কাছে আবেদন জানান, কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে এবং মালদহের ঘটনার বিষয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছে।তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যাতে নির্বাচন বাতিল করে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষকে শান্ত থাকতে হবে এবং কোনও উসকানিতে পা দেওয়া চলবে না। তিনি সকলকে বাংলার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেওয়া যাবে নাএই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কার্গিল যোদ্ধার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ! তীব্র চাঞ্চল্য

দেশের জন্য প্রায় তিরিশ বছর কাজ করেছেন, অংশ নিয়েছেন কার্গিল যুদ্ধেও। সেই প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নামই এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি ওই এলাকার দুইশো নয় নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিও তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু নতুন পরিপূরক তালিকা প্রকাশের পর তিনি দেখেন, তাঁর এবং পরিবারের আরও এক সদস্যের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তিনি এবং তাঁর পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজাদ আলি সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। কার্গিল যুদ্ধের পাশাপাশি অপারেশন বিজয় এবং অপারেশন পরাক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন। উনিশশো পঁচানব্বই সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে সুবেদার পদ থেকে অবসর নেন।আজাদ আলির বক্তব্য, দেশের সুরক্ষার জন্য তিনি সবসময় প্রস্তুত ছিলেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। অথচ এখন নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার পরও তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মতো যাঁদের কাছে এত নথি নেই, তাঁদের কী হবে।স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের কাছেও দুঃখজনক, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক পক্ষের দাবি, প্রক্রিয়া সঠিকভাবেই চলছে এবং যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করলে সমাধান সম্ভব।এই ঘটনাকে ঘিরে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

পাথরবৃষ্টি, ভাঙা কাচ, আতঙ্কে বিচারকরা! ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট

মালদহের কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রাখা হয় এবং গভীর রাতে উদ্ধার করা হলেও ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাচ ভেঙে সিটের উপর পড়ে বলে জানা গেছে।এই ঘটনার পর বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, তিনি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিতে চান না, কিন্তু পুরো ঘটনাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, বিকেল থেকেই বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছিল, অথচ রাত পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারি থাকা প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, কেউ দায় এড়াতে পারে না এবং বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বিচারকদের দেওয়া নির্দেশ মানেই আদালতের নির্দেশ, সেটি রক্ষা করা জরুরি।আদালতে শুনানির সময় একাধিক আইনজীবী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগে বিচারকদের ভয় দেখানো হত, এখন তাঁদের উপর সরাসরি হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর উদ্ধার সম্ভব হয়। কিন্তু তারপরও তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়।আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে বিচারকরা কাজ করছেন সেখানে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাঁদের থাকার জায়গাতেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বিচারকদের কোনও ধরনের হুমকি থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।আদালত এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে জানায়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং তাঁদের কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে জানানো হয়েছে।শীর্ষ আদালত আরও জানায়, রাজ্য প্রশাসন তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি এবং কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেওয়া হতে পারে।এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের কড়া অবস্থানের পর এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

কালিয়াচক কাণ্ডে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত! জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নোটিস

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের ঘিরে ধরে রাখার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিল দেশের শীর্ষ আদালত। এই ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছেও বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকে তিনজন মহিলা সহ মোট সাতজন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘিরে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতির বেঞ্চে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আদালত এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে, যেখানে পুরো ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু সেই সময় জেলাশাসক বা পুলিশ সুপার কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিক ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়। এরপর রাত বারোটার পর বিচারকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের গাড়িতে হামলা করা হয় এবং পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।আদালত এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এমন ঘটনা বিচারকদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারে। আদালতের মতে, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই উদাহরণ।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।আদালত আরও জানায়, আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিতে হবে।এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে এবং গোটা বিষয়টি এখন আদালতের কড়া নজরে রয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal