• ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

President

রাজনীতি

মতুয়া, জঙ্গলমহল ছাড়িয়ে এবার পূর্ব বর্ধমানের বিজেপি শিবিরে বিদ্রোহ, সভাপতি পদ ছাড়লেন যুব নেতা

রাজ্য ছাড়িয়ে এবার পূর্ব বর্ধমানের বিজেপি শিবিরেও ছড়িয়ে পড়ল বিদ্রোহের আগুন। বিজেপির জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে দলের যুব সভাপতির পদ ছাড়লেন শুভম নিয়োগী। পদত্যাগ করেই তিনি জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে স্বজনপোষণ ও একনায়কতন্ত্রসহ একাধিক অভিযোগ সামনে এনে সোচ্চার হয়েছেন। সামনেই বর্ধমান সহ গোটা জেলার পাঁচটি পৌরসভার নির্বাচন। তার প্রাক্কালে জেলা বিজেপি শিবিরে বিদ্রোহ শুরু হওয়ায় উৎফুল্ল তৃণমূল শিবির। শুভম নিয়োগী এদিন বলেন, তাঁর বয়স যখন ১৭ তখন থেকে তিনি বিজেপি পার্টি করছেন। শুধুমাত্র বিজেপি পার্টি করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ১৪ টি মামলা হয়েছে। দুবারে ২৮ দিন জেল খেটেছেন। ২০ বছর বয়সে জেলা যুব সভাপতির দায়িত্ব পান। বর্তমান জেলা বিজেপি সভাপতি অভিজিৎ তা দলের হয়ে তেমন কোনও আন্দোলনই সংঘটিত করতে পারেননি। তিনি ভয়ে নিজের বাড়িতে বা ফ্লাটেও থাকেন না। অথচ জেলা সভাপতি হয়ে তিনি নিজের ইচ্ছেমত জেলা কমিটি বানিয়ে ফেলেছেন। যে কমিটিতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ নেতারা কেউ স্থান পাননি। শুভববাবু বলেন, এই সব ঘটনার তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। কিন্তু জেলা সভাপতি নিজের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকেন। সেই কারণেই জেলা যুব সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে শুভম নিয়োগী জানিয়েছেন। এদের এনিষ্ঠ কর্মী হয়েই এবার জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে পথে নেবে প্রতিবাদ আন্দোলন সংঘটিত করবেন বলে শুভম নিয়োগী এদিন হুঁশিয়ারী দিয়েছেন। জেলা বিজেপি সভাপতির বিরুদ্ধে শুধু শুভম নিয়োগী বিদ্রোহ ঘোষনা করেছেন এমনটা নয়। তলে তলে জেলা বিজেপির অনেক নেতা ও কর্যকর্তা বিদ্রোহ শুরু করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, সামনেই বর্ধমান সহ জেলার পাঁচ পৌরসভার নির্বাচন। তার আগে তৃণমূলের নানা দুর্নীতির খবর মিডিয়াতে উঠে আসছে। কিন্তু সেইসব বিষয় নিয়ে জেলা বিজেপি সভাপতি আন্দোলন নামার কোন আগ্রহই দেখাচ্ছেন না। এমনকি অন্যান্য রাজ্যনৈতিক দলগুলি দেওয়াল লিখন শুরু করলেও জেলা বিজেপি এখনও সেই কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি। বিদ্রোহীদের আরও অভিযোগ, পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রচুর ভোটার রয়েছেন। সেই মতুয়া সম্প্রদায়ের কাউকেই নতুন জেলা কমিটিতে রাখেননি নতুন জেলা বিজেপি সভাপতি অভিজিৎ তা। এইসব বিষয়গুলি রাজ্য নেতৃত্বকে অভিযোগ আকারে জানিয়েছেন শুভম নিয়োগী সহ অন্য বিদ্রোহীরা।বিদ্রোহীদের এইসব অভিযোগ বিষয়ে জেলা সভাপতি অভিজিৎ যদিও কোন প্রতিক্রিয়া দিতে অস্বীকার করেন। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র তথা পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহ- সভাধিপতি দেবু টুডু বিজেপি শিবিরের এই বিদ্রোহ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন ,রাজ্য থেকে জেলা সর্বত্রই বিজেপি শিবিরে বিদ্রোহ চরম পর্যায়ে পৌছেছে। গোটা বিজেপি দলটাই পচে গিয়েছে। রাজ্যের মানুষও ওদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আর কিছুদিন বাদ এই রাজ্যে বিজেপি দলটাই সাইনবোর্ডে পরিণত হয়ে যাবে ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য দিয়ে শুরু হল বাজেট অধিবেশন

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সোমবার শুরু হল ২০২২-এর বাজেট অধিবেশন। অধিবেশন শুরু হওয়ায়র আগে বক্তব্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বক্তব্যে শুরু হল অধিবেশন। সংসদের সেন্ট্রাল হলে সব সাংসদদের উপস্থিতিতে বক্তব্য পেশ করেন তিনি। শুরুতেই করোনা অতিমারির কথা উল্লেখ করে প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সরকার কৃষকদের শক্তি বাড়াতে নিরন্তর কাজ করে চলেছে। রবি শস্য উৎপাদনের সময়, সরকার যে ফসল কিনেছে, তাতে উপকৃত হয়েছে ৫০ লক্ষ কৃষক। খারিফ শস্য উৎপাদনের সময়, যে পরিমান ধান কিনেছে সরকার, তাতে উপকৃত হয়েছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কৃষক। দেশের কৃষি ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য দেশের ছোট কৃষকদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দেশের ৮০ শতাংশই ছোট কৃষক। কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার মাধ্যমে সরকার সুবিধা দিচ্ছে সেই ছোট কৃষকদের।রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা ঘর পেয়েছেন ২ কোটি মানুষ। পাশাপাশি, সব ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে জল জীবন মিশন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের জীবন পাল্টাচ্ছে। ঘরে ঘরে জল পৌঁছে গিয়েছে। গ্রামের মা বোনেরা উপকৃত হয়েছে। জনধন যোজনার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ৪৪ কোটি ভারতবাসীর জনধন অ্যাকাউন্ট থাকায় করোনা-কালে তাঁরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পেয়েছেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের বড় বড় দেশে খাদ্যের অভাব দেখেছি আমরা। কিন্তু দেশের সংবেদনশীল সরকার নিশ্চিত করেছে যাতে ১০০ বছরের মধ্যে সবথেকে ভয়ঙ্কর অতিমারিতে কেউ অভুক্ত না থাকে। দেশের সব দরিদ্র মানুষকে আমাদের সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়। ৮০ কোটি ভারতবাসীকে ১৯ মাস ধরে বিনামূল্যে রেশন দিতে ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি খরচ হয়েছে। ভারতে আজ বিশ্বের সবথেকে বড় খাদ্যদ্রব্য বিতরণের উদ্যোগ চলছে।পিছিয়ে পড়া জনজাতিকে সামনে নিয়ে আসছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পদ্ম পুরস্কারেও তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনাকালে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই কঠিন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র থেকে রাজ্য, সব চিকিৎসক, বিজ্ঞানী , নার্স, প্রত্যেকে একটা টিম হিসেবে কাজ করেছে। আমি সেই সব স্বাস্থ্যকর্মী তথা প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, সরকার এবং নাগরিকের মধ্যে এমন পরিস্থিতে বোঝাপড়া, সুসম্পর্ক গণতন্ত্রের জন্য অভূতপূর্ব নজির বলে মনে করি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

প্রজাতন্ত্র দিবসেই অবসর নিল বিরাট, স্নেহ-ভালোবাসায় ভরালেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিরা

বুধবার দেশের ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অনেকের অজান্তেই এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দিল্লির রাজপথ। বিদায়ের দিনেও শেষবারের মতো দায়িত্ব পালন করল বিরাট। এই বিরাট-কে দেশের সবথেকে সেরা ঘোড়া বা বলা যেতে পারে ঘোড়াদের রাজা।বুধবার শেষ বারের মতো রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের লিমুজিনকে এসকর্ট করে রাজপথ অবধি নিয়ে গিয়েছিল বিরাট। এবার থেকে আর দেশের প্রথম নাগরিকের কনভয়ে তাঁর স্থান হবে না, অবসরের বয়স হয়ে গিয়েছে যে। বিরাটের বিদায়ে সবথেকে বেশি মন খারাপ রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলের অগোচরে বিরাট নিয়ে তৈরি হয়েছে আবেগঘন পরিস্থিতি।দেশের সব প্রেসিডেন্টের বডিগার্ড টিমে একদল ঘোড়া রয়েছে। তাদের ক্যাপ্টেন এই বিরাট। সে নিজেও একটা কালো ঘোড়া। বিরাট রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী কমান্ড্যান্টের চার্জার। বিরাট নামের ঘোড়াটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাচীনতম রেজিমেন্টের গর্ব এবং তাদের মধ্যে সবচেয়ে শান্ত প্রভাবশালী। দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবস পালনের সময় অবসর নেওয়া বিরাটকে স্নেহ, ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোভিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ১৭৭৩ সালে তৈরি রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী বাহিনীর ঘোড়া রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে রাজপথ অবধি পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়। আপনি যদি রাষ্ট্রপতি নিরাপত্তারক্ষীদের বাকি ঘোড়াগুলির দিকে নজর দেন, ফারাকটা স্পষ্ট বুঝতে পারেন যে কেন বিরাট বাকিদের তুলনায় আলাদা। তাঁর মধ্যে রাজকীয়তার ছাপ স্পষ্ট।২০০৩ সালের ৩ বছর বয়স থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন রাষ্ট্রপতির অন্যতম প্রধান সঙ্গী ছিল বিরাট। ১৩ বছর ধরে কমান্ড্যান্টের চার্জার হিসাবে, সে রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপ্রধানদের পরিদর্শন করার জন্য আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার নেতৃত্বে ছিল। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের থেকে জানা গিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের সময় রাজপথে উল্লাসের মধ্যে তাঁর আরোহীর ক্ষীণতম ফিসফিস শোনার ক্ষমতা তাঁকে সবচেয়ে বিশ্বস্ত ঘোড়া করে তুলেছিল। দূর থেকে বন্দুকের আওয়াজ বা ব্যান্ডে জাতীয় সঙ্গীত কোনও কিছুতেই ভয় পেতে দেখা যায়নি বিরাটকে। সবকিছুতেই সে ধীর, স্থির- কর্তব্যে অবিচল। অসংখ্য দর্শকরে মাঝেও তাঁর আত্মবিশ্বাস বারবার প্রকাশিত হয়েছে।গত সপ্তাহে সেনাপ্রধান নারভানে বিরাটকে সিওএএস কম্যান্ডেশন কার্ড দিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে ফরিয়াদের পরে দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ঘোড়াকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। অবসর নিলেও বিরাট পেনশন পাবে, তা অবশ্য জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বাকি জীবনটা কাটবে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজনীতি

District BJP: জেলা বিজেপির সভাপতি পদেও বড়সড় রদবদল

উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি সভাপতি বদল করা হল। সূত্রের খবর, পুরভোটে ব্যর্থতার জেরেই এই রদবদলের সিদ্ধান্ত বঙ্গ বিজেপির। এছাড়া অধিকাংশ সাংগঠনিক জেলার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, উত্তর কলকাতার দায়িত্ব এবার দেওয়া হল কল্যাণ চৌবেকে। দক্ষিণ কলকাতা সামলাবেন সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরী।বৃহস্পতিবারই বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার ছিল নবগঠিন রাজ্য কমিটির বৈঠক। বৈঠকের পর শনিবার সকালে বিজেপির অধিকাংশ জেলা সভাপতিই বদল করে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ৩৯টি সাংগঠনিক জেলা ছিল বিজেপির। সেই সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।এবার থেকে বিজেপির ৪২টি সাংগঠনিক জেলা হল। অর্থাৎ লোকসভা কেন্দ্রের সমসংখ্যক এবার বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সংখ্যা। ৪২টির জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ৪২ জন সভাপতি। কলকাতার দুই সাংগঠনিক জেলারই সভাপতি বদল করা হল। হাওড়া-সহ দু তিনটে সাংগঠনিক জেলা বাদ দিলে প্রায় সব জেলাতেই নতুন সভাপতি ঠিক করেছে বর্তমান রাজ্য কমিটি। একসঙ্গে এতজন সভাপতি বদলে দেওয়ার ঘটনা বিরল বলেই দলের অন্দরের একাংশের মত।বিজেপি সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোট, উপনির্বাচন, কলকাতার পুরভোটের বিজেপির ব্যর্থতাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সংগঠন। সামনেই বাকি পুরসভায় ভোট রয়েছে। এই অবস্থায় বঙ্গ সংগঠনের খোলনলচে বদলে একেবার টাটকা লড়াই শুরু করতে মরিয়া পদ্মশিবির।বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটিতে সহ-সভাপতি করা হয়েছে ১১ জনকে। সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছে পাঁচ জনের নাম। বিজেপির সাংগঠনিক পরিকাঠামো অনুযায়ী, সভাপতি পদের পরেই সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-এর পদ এবং অন্যান্য সাধারণ সম্পাদক। নতুন রাজ্য কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, অগ্নিমিত্রা পল, দীপক বর্মন ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।এবার সাংগঠনিক জেলা সভাপতিতেও বিপুল রদবদল। পুরভোটকে মাথায় রেখেই এই বদল বলে মনে করা হচ্ছে। দুই বিধায়ককে জেলা সভাপতি করা হয়েছে এবার। বিধায়ক আনন্দময় বর্মন সামলাবেন শিলিগুড়ির সভাপতির দায়িত্ব। একইভাবে দক্ষিণ নদিয়ার দায়িত্ব সামলাবেন বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : অবশেষে মুখ খুললেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট, কোহলির মন্তব্য নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বিরাট কোহলির সঙ্ঘাত নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করে বুধবারই বিবৃতি দিয়েছেন কোহলি। বেশ কিছুদিন আগে সৌরভ দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি কোহলিকে টি২০ নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, কেউ তাঁকে নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেননি। কোহলির এই বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে।কোহলির মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সকলেই তাকিয়ে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতিক্রিয়ার দিকে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত সৌরভ কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। নিজের বেহালার বাড়ি থেকে বার হলেও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বার হওয়ার সময় অবশ্য আর সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যাননি সৌরভ। এদিন কোহলির মন্তব্যের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট। সৌরভ বাড়ি থেকে বার হতেই একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত সৌরভ বলেন, বিষয়টা খুবই স্পর্শকাতর। কোহলির মন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টা নিয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার, বোর্ড সঠিক সময়েই নেবে। এরপর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হলেও সৌরভ কোনও উত্তর না দিয়ে নিজের অফিসে ঢুকে যান। সৌরভের এই ছোট্ট জবাবেই পরিস্কার, উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে তিনি আর আগুনে ঘৃতাহুতি দিতে চান না। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতীয় দলের এইরকম সঙ্ঘাত নজিরবিহীন। অতীতে কখনও এই ধরণের ঘটনা ঘটেননি। কোনও অধিনায়ক সরাসরি বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করেননি। কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, টেস্ট দল নির্বাচনের বৈঠক শুরুর দেড় ঘন্টা আগে নির্বাচক কমিটির প্রধান তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানোর কথা বলেছিলেন। নেতৃত্ব হারিয়ে কোহলি যে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন, তাঁর কথাতেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অনেক কর্তাই দাবি করেছেন, কোহলি মিথ্যে কথা বলছেন। তাঁদের কাছে নাকি উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। বোর্ড কর্তাদের মতে, অধিনায়ক হিসেবে কোহলি সঠিক কাজ করেননি। সবমিলিয়ে বল কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলির কোর্টে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Condolence: জেনারেল রাওয়াতের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রীর

জেনারেল বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাংবিধানিক সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ টুইটারে তাঁর শোকবার্তায় লেখেন, জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং তাঁর স্ত্রী মধুলিকা জির অকাল মৃত্যুতে আমি মর্মাহত ও ব্যথিত। জাতি তার এক বীর সন্তানকে হারাল। মাতৃভূমির জন্য তাঁর চার দশকের নিঃস্বার্থ সেবা নায়কোচিত এবং ব্যতিক্রমী বীরত্বের সূচক। তার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানাই।Its deeply painful for me to learn of the loss of lives in the chopper crash. I join the fellow citizens in paying tributes to each of those who died while performing their duty. My heartfelt condolences to the bereaved families. President of India (@rashtrapatibhvn) December 8, 2021জেনারেল রাওয়াতের স্মৃতিচারণ করে বুধবার একাধিক টুইট করেন মোদি। একটি টুইটে তিনি লেখেন, জেনারেল বিপিন রাওয়াত একজন অসামান্য সেনানী ছিলেন। ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। দেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। কৌশলগত অবস্থানের প্রশ্নে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি এবং দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ব্যতিক্রমী। তাঁর মৃত্যু আমাকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। ওম শান্তি।Gen Bipin Rawat was an outstanding soldier. A true patriot, he greatly contributed to modernising our armed forces and security apparatus. His insights and perspectives on strategic matters were exceptional. His passing away has saddened me deeply. Om Shanti. pic.twitter.com/YOuQvFT7Et Narendra Modi (@narendramodi) December 8, 2021অন্য একটি টুইটে মোদির মন্তব্য, তামিলনাড়ুতে মর্মান্তিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। সেখানে আমরা জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর অন্য সদস্যদের হারিয়েছি। তাঁরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ভারতের সেবা করেছেন। শোকাহত পরিবারের পাশের রয়েছি আমি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় কর্মীসভা থেকে দলের জেলা সভাপতিকে হুমকি অনুব্রত ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতার

বিধানসভা ভোটে অভাবনীয় জয়ের পরেও পূর্ব বর্ধমান জেলায় চরমে উঠেছে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কর্মী সভা থেকে দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে হরিদাস পাল বলে কটুক্তি করলেন দলের অনুব্রত অনুগামী কাটোয়ার নেতা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনা জেলার রাজনৈতিক মহলে যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি জেলার বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও কাটোয়ার বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথবাবু এদিন স্পষ্ট জানিয়েদেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হওয়া কর্মী সভা দলের কর্মীসভা নয়। অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় নামে নামে কে কর্মী সভার আয়োজন করেছে তাঁকেও চেনেন না বলেও রবীন্দ্রনাথবাবু জানিয়েদেন।কাটোয়া শহরের রবীন্দ্র পরিষদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের ঘনিষ্ট ও অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামী হিসাবে পরিচিত দলের জেলা সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কর্মী সভায় নেতৃত্ব দেন। কর্মী সভায় তিনি বেশ কয়েকজন কর্মীকে সম্বর্ধনা দেন। অরিন্দমবাবু দাবি করেন, দলের কর্মসূচিতে যে সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের বিধায়ক ডাকেন না সেইসব তৃণমূল কর্মীদের তিনি সম্বর্ধনা দিলেন। সম্বর্ধনা শেষে বক্তব্য রাখতে উঠে অরিন্দম বাবু জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে একের পর এক কটুক্তি করেন। তিনি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে না এনে বলেন, ২০১৫ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধায়ক ও দলের জেলা সভাপতি হয়েছেন। পুরানো তৃণমূল কর্মীদের কোন অসম্মান করতে আর ওনাকে দেব না।আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপে বিধ্বস্ত রাজ্য, রাতভর তুমুল বৃষ্টিতে ভাসছে শহর থেকে জেলামমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে স্লোগান দিতে কোন হরিদাস পালের অনুমোদন লাগে না। হরিদাস পালের অনুমতিও নেবেন না। পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।২০১৫ সালে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগাল দিত তাঁরাই আজ কাটোয়ায় তৃণমূলের ক্ষমতায় আছে। তাঁরাই রাজনীতিটাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এমন নেতা ও তাঁর সাগরেদদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে নাম না করে হুমকির সুরে অরিন্দমবাবু বলেন, আপনি এমন কোন হরিদাস পাল নন যে আপনাকে মাথায় করে রাখতে হবে।আপনাকে ছেড়ে কথা বলব না।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব মাস খানেক আগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদে বদল ঘটায়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে সরিয়ে কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে জেলা সভাপতি করে দল। তারপর থেকে দলের একাংশ রবীন্দ্রনাথবাবুর বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছিলেন। এমনকি রবীন্দ্রনাথবাবু জেলা সভাপতি হওয়ার পরে কেতুগ্রামে এক জনসভা মঞ্চ থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, দলের কাটোয়ার দায়িত্ব সামলাবে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে খবর অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের যেমন অনুগামী তেমনই তিনি প্রাক্তন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি স্বপন দেবনাথেরও ঘনিষ্ট। তবে রবীন্দ্রনাথবাবুকে কটুক্তি করা নিয়ে প্রাক্তন জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ তাঁর ঘনিষ্ট অরিন্দম বন্দ্যোপধ্যায়ের পাশে দাঁড়াননি। স্বপনবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অরিন্দমের বক্তব্য আমি সমর্থন করি না। কর্মীসভা করতে হলে দলের জেলা সভাপতির অনুমতি নিয়েই করতে হবে।আরও পড়ুনঃ বাবা-মায়ের সঙ্গে ভালো সময় কাটছে ইউভানবিজেপি পূর্ব বর্ধমান জেলা সহসভাপতি অনিল দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের এক নেতা তাঁদেরই জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে হুংকার ছাড়ছেন। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল এখন কোন পর্যায়ে পৌছেছে। দলের জেলা সভাপতিকে যিনি কটুক্তি করছেন তাঁর মাথায় তৃণমূলের উপর সারির নেতাদের হাত রয়েছে বলেই মত বিজেপি নেতৃত্বের।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Sukanta Majumder: কি কি কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হলেন সুকান্ত মজুমদার?

বিজেপি যুব শক্তির ওপর নির্ভর করেই দল পরিচালনা করার ওপর জোর দেয়। সেক্ষেত্রে মাত্র ৪১ বছরের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ওপর নির্ভর করেছে দল। তিনি সুবক্তাও। তাছাড়া আরএসএস ঘনিষ্ঠতাও রয়েছে। বিজেপি বালুরঘাটের এই সাংসদকে সামনে রেখে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে লড়াই করতে চাইছে।প্রথমত সুকান্ত মুজমদার আরএসএসের কাছের লোক। এখন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকরী। বিজেপি এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে বিশ্বাসী। সেক্ষেত্রে অন্য কাউকে দলের সভাপতি করাই দস্তুর। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট থেকে পদ্মফুল চিহ্নে জয়ী হন সুকান্ত মজুমদার। এর আগেও রাজ্য সভাপতি হিসাবে তাঁর নামে রটনা হয়েছিল।দ্বিতীয়ত বর্তমান রাজ্য সভাপতির ভাষা-জ্ঞান নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। মাঝে মধ্যে এমন কিছু বিষয় তিনি উত্থাপন করতেন তাতে দলের অন্যরা অস্বস্তিতে পড়ে যেতেন। দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে তাঁর প্রচার বা পরিচিতি বৃদ্ধি পেলেও দলের তাতে কোনও ফায়দা হত না। বরং সেই সব নিয়ে হাসি-ঠাট্টাই চলত রাজনৈতিক মহলে। দিলীপবাবুর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তা আদালত অবধি গড়িয়েছিল। সুকান্ত মজুমদার উচ্চশিক্ষিত। গুছিয়ে কথা-বার্তা বলতে পারেন তিনি। এখন সুকান্ত মজুমদারের বয়স ৪১। তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে তরুণ নেতৃত্বের খোঁজ করছিল বিজেপি। তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বের সামনে এগিয়ে দিতে চায় গেরুয়া শিবির। রাজ্য চষে বেড়াতে পারবেন তিনি।Heartiest congratulations to both Shri @DilipGhoshBJP for being appointed as National Vice President of @BJP4India Shri @DrSukantaMajum1 for being appointed as President of @BJP4Bengal.I wish them very best believe that both would give their best to strengthen the Party. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 20, 2021আর একটা বড় বিষয়, দলের বড় দায়িত্বে না থাকার কারণে তাঁর সঙ্গে রাজ্য নেতৃত্বের অনেকের সঙ্গেই তেমন একটা বিরোধ নেই। দলীয় কোন্দলেও সেভাবে তিনি জড়িয়ে যাননি। সকলকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করতে পারবেন বলে দল মনে করছে।আগামি লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির পাখির চোখ উত্তরবঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে ভাল করেছে। দক্ষিণবঙ্গে যথেষ্ট শক্তিশালী তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তরবঙ্গের লোকসভা আসন নিশ্চিত করতে চাইছে বিজেপি। তাছাড়া এতদিন দক্ষিণবঙ্গ থেকেই দলের সভাপতি হয়ে আসছিল। উত্তরবঙ্গ যে দলের কাছেও অবহেলিত না তা-ও বুঝিয়ে দিল বিজেপি নেতৃত্ব। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও করেছে দল। রাজনৈতিক মহলের ধারনা এসব কারণে রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসাবে অনেকেই দাবিদার ছিলেন। কিন্তু এই যুবক সাংসদকে বেছে নিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজনীতি

Breaking: সরছেন দিলীপ, আসছেন সুকান্ত

বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি নিযুক্ত হতে চলেছেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ ড. সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এমনটাই ঘোষণা করেছেন। অর্থাৎ বঙ্গ বিজেপির সভাপতি পদ থেকে সরতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁকে দেওয়া হয়েছে সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ। যে দায়িত্ব এক সময় সামলাচ্ছিলেন মুকুল রায়। দিলীপ ঘোষ নিজে টুইট করে নিজের উত্তরসুরিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।ভারতীয় জনতা পার্টির নতুন রাজ্যসভাপতি হিসেবে ডঃ সুকান্ত মজুমদারকে অভিনন্দন জানাই এবং তার সাফল্য কামনা করি | pic.twitter.com/Sgl8em4U8J Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) September 20, 2021 আগামিকাল থেকেই সভাপতির দায়িত্ব নেবেন সুকান্ত মজুমদার। দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে দলকে শক্তিশালী করবেন, টুইটে করে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য বিজেপি সভাপতির বদলকে সময়োচিত সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করলেন তথাগত রায়। সুকান্ত জানিয়েছেন, দিলীপদা ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সবার সঙ্গেই কথা হয়েছে। আমার মূল লক্ষ্য দলকে শক্তিশালী করা। দিলীপদা দলের যে শক্তিশালী ভিত তৈরি করে গিয়েছেন তাকে আরও মজবুত করাই এখন আমার লক্ষ্য। বাংলার ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী বিজেপি তৈরির লক্ষ্যই কাজ করব। বাঙালির ভবিষ্যত ও বাঙালির অস্তিত্বের জন্য বিজেপির শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।বাবুল সুপ্রিয়র দলত্যাগের প্রসঙ্গ উঠে এল সুকান্তর কথায়। এনিয়ে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, বিজেপি একটি আদর্শ নির্ভর দল। কোনও নেতা নির্ভর দল নয়। নেতা বদল হয়। কিন্তু দলের আদর্শ ঠিকই থাকে। তাই কোনও নেতা চলে গেলে আদর্শ চলে যায় না। কর্মীরা পদ্মফুল দেখে লড়াই করেছেন। আগামীতেও সেটাই করবেন।উল্লেখ্য দিলীপ ঘোষের সভাপতিত্বের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সাল পর্যন্ত। কিন্তু দিন কয়েক ধরেই কানাঘুষো চলছিল দিলীপ ঘোষের পরিবর্তে নতুন রাজ্য সভাপতি পদে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে দিলীপ ঘোষ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে তা অস্বীকারও করেন। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছিল, বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা সরাসরি দিলীপ ঘোষকে নতুন সভাপতি পদে নতুন নিয়ে নাম জানতে চেয়েছিলেন। আর সেখানেই সুকান্ত মজুমদারের নাম প্রস্তাব করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। এর মাত্র কদিন পরেই কেন্দ্রীয় বিজেপির এই ঘোষণা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
বিদেশ

Taliban: পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাই

আফগানিস্তানের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহর ভাই রোহুউল্লাহ সালেহকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তালিবানরা। সূত্র জানিয়েছে, পঞ্জশীরে তালিবানের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। শুক্রবার পঞ্জশীর উপত্যকায় তাঁর দেহ তালিবানরাই উদ্ধার করেছে বলে খবর। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে দাবি, প্রথমে রোহুউল্লাহর উপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এরপর নৃশংসভাবে মেরে ফেলা হয় তাঁকে।আরও পড়ুনঃ সিআরপিএফকে উড়িয়ে ডুরান্ডের নক আউটে মহমেডানপঞ্জশীরে সম্পূর্ণ দখল নেওয়ার দাবিতে অবশ্য এখনও অনড় রয়েছে তালিবান। তবে বারবারই নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রতিরোধ বাহিনী তালিবদের সেই দাবি অস্বীকার করে এসেছে। ফলে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এখনও অব্যাহত রয়েছে পঞ্জশীরে। আপাতত সেই ভুখণ্ডেই আশ্রয় নিয়েছেন আফগানিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহ। তবে এরই মধ্যে খবর এসেছে, আফগান বিরোধী প্রতিবাদী ফৌজের প্রধান আহমেহ মাসুদ নাকি আমরুল্লাহ সালেহর সঙ্গে তাজিকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছেন। তালিবান পঞ্জশীরে দখল নেওয়ার পর থেকে এমনই খবর রটে গিয়ে আফগানিস্তানে। তবে তাজিকিস্তানের পক্ষ থেকে এমন খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি।জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে সালেহ ও তালিবান যোদ্ধাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। তালিবানের দাবি, তারা আমরুল্লা সালেহর গোপন ডেরার লাইব্রেরি পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। সেখানেই লড়াইয়ে নিহত হয়েছেন রুহুল্লা সালেহ। আহমেদ মাসুদের একটি অস্ত্রাগারও দখল করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জেহাদিরা। বলে রাখা ভাল, প্রায় মাসখানেকের লড়াইয়ের পর গত সোমবার বা ৬ সেপ্টেম্বর পঞ্জশির দখল করার কথা ঘোষণা করে তালিবান। শুধু তাই নয়, তালিবানের দাবি, পঞ্জশিরে প্রতিরোধ বাহিনীর অন্যতম নেতা আহমেদ মাসুদের বাড়িরও দখল নিয়েছে তারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছে। তালিবানের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ দাবি করে, আফগানিস্তানের শেষ প্রদেশ হিসাবে পঞ্জশির এখন আমাদের দখলে। গোটা আফগানিস্তানেরই দখল নিয়েছে তালিবান।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
বিদেশ

Kabul Airport: কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!

বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের ক্ষত এখনও টাটকা। কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৭০ পেরিয়েছে। এরই মধ্যে শনিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানালেন, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে কাবুল বিমানবন্দর চত্বরে ফের হামলা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ অসহায় আত্মসমর্পন কোহলিদের, সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড এখনও আফগানিস্তানে রয়ে গিয়েছেন প্রায় ৩৫০ জন আমেরিকার নাগরিক, যাঁরা দেশে ফিরতে চান। তাঁদের সতর্ক করে বাইডেন বলেছেন, পরিস্থিতি এখনও বেশ বিপজ্জনক। আগামী ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আবার হামলা হতে পারে। অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। দরকারে সেনাবাহিনীর সাহায্য নিন। বাইডেনের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরে কাবুলে আমেরিকার দূতাবাসও জানিয়েছে বিমানবন্দর সংলগ্ন বিস্তৃত এলাকায় যেন লাল সতর্কতা জারি করা হয়। হামিদ কারজাই বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকার পাশাপাশি বিমানবন্দরের দক্ষিণ প্রান্তের এয়ারপোর্ট সার্কেল গেট এবং উত্তর-পূর্ব দিকের পঞ্জশির পেট্রল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবিলম্বে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে বিবৃতিতে।বাইডেন এই ঘোষণা করেন আমেরিকার সময়ে শনিবার দুপুরে। তার ঘণ্টা খানেক আগেই আমেরিকার সেনাবাহিনীর এক কর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা দুজন শীর্ষস্তরের আইসিস-কে জঙ্গিকে খতম করেছে আমেরিকা। দুই জঙ্গির মৃত্যু সংবাদ দিয়ে পেন্টাগনের ওই শীর্ষ পদাধিকারী বলেন, আমেরিকার ড্রোন হামলাতে দুই জঙ্গি নেতার মৃত্যু হয়েছে। হামলায় এক আইসিস-কে জঙ্গি আহতও হয়েছে। এমনকী, ওই জঙ্গি সংগঠনের আর এক শীর্ষনেতার উপরও নিয়ত নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান পেন্টাগনের ওই কর্তা। উক্ত জঙ্গি নেতা, আপাতত জালালাবাদেরই একটি বাড়ির ভিতর লুকিয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: 'টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি,' মুখ খুললেন আসরাফ

তালিবান কাবুলে প্রবেশ করার পরই প্রাণভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর অবস্থান ঠিক ভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। আফগানিস্তান ছেড়ে কোন দেশে গেলেন আসরাফ ঘানি, সেই প্রশ্নে ঘুরছিল আন্তর্জাতিক মহলে। অবশেষে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তরফে জানানো হয়েছে যে মানবিকতার খাতিরে সেখানেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছে তাঁকে। গতকালের সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পর একটি ভিডিও বার্তায় দেশ ছাড়ার পর প্রথম মৌনতা ভাঙলেন আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। রক্তপাত এড়াতে যে কাবুল ছেড়েছেন সে কথা আগেই বলেছিলেন ঘানি। এবার তিনি নাম না করে জবাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। সেই সঙ্গে টাকা নিয়ে দেশ ছাড়ার যে গুজব তৈরি হয়েছে তা মিথ্যা বলেও ওড়ালেন তিনি।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে খুঁটিনাটি স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রীআসরাফ ঘানি দেশ ছাড়ার পর রাশিয়ার এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে গাড়ি এবং চপার ভর্তি টাকা নিয়ে আফগানিস্তান ছেড়েছেন ঘানি। সেই অভিযোগ উড়িয়ে আসরাফ ঘানি বলেন, আমি খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। এত কম সময়ের মধ্যে আমাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে যে আমার পায়ের চটি খুলে বুট পর্যন্ত পরার সময় পাইনি। টাকা নেওয়ার অভিযোগ যে মিথ্যা তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। প্রয়োজন হলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাস্টমসে খোঁজ নিন।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাআফগান প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম ভিডিও বার্তা। গতকাল দুবাই থেকে সেই বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, যদি তিনি কাবুলে থাকতেন তাহলে সেখানে আরও ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটত।সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের থেকে লড়াই করার জন্য আফগান সেনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের যে প্রক্রিয়া চলছে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এবং প্রাক্তন নেতা আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহের নেতৃত্বে, সেই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। ঘানি বলেন, আমি আমি চাই এই প্রক্রিয়া সফল হোক। তিনি আরও বলেন, আমি যদি আফগানিস্থানে থাকতাম তাহলে একজন প্রেসিডেন্টকে আফগানিস্তানের মানুষের চোখের সামনে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হতো।

আগস্ট ১৯, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: কাবুল দখল নিতেই দেশ ছেড়ে পালালেন প্রেসিডেন্ট ঘানি

অবশেষে কাবুল দখলে নিয়ে নিয়েছে তালিবান। চারিদিক থেকে কাবুলে প্রবেশ করছে তালিবানরা । কথা চলছিল শান্তিপূর্ণভাবেই আফগান প্রশাসন তালিবানের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে। এরইমধ্যে আত্মসমর্পণ এড়াতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন সপরিবার প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। একটি সংবাদ মাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তান প্রশাসন ও তালিবানদের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা চললেও সরকার পতনের পরই পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন আসরাফ ঘানি।সূত্রের দাবি, প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি আহমেদ জালালির হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন, যদিও সরকারি সূত্রে এই খবরে সিলমোহর দেওয়া হয়নি। এ দিকে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে আফগান প্রশাসনের দখলে থাকা শেষ পোস্ট তোরখাম সীমান্তও দখল করে নিয়েছে তালিবানিরা।আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য স্বাধীনতার গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীএ দিন দুপুরেই তালিবানদের তরফে জানানো হয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতার হস্তান্তর চায়। কাউকে শহর ছেড়ে যেতে হবে না। তালিবান বাহিনীকেও শহরের বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। যদিও তাদের এই আশ্বাসের উপর বিশ্বাস কেউ রাখতে পারছে না। তবে দেশের সমস্ত সীমান্তই তালিবানের দখলে চলে যাওয়ায় একমাত্র কাবুল বিমানবন্দরই পালাবার শেষ রাস্তা।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন কাবুলজুড়েই বিভিন্ন অংশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে কেউ উত্তপ্ত পরিস্থিতির অসৎ ব্যবহার না করে। পুলিশকে প্রয়োজনে গুলি চালানোর অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ন্যাটোর তরফেও জানানো হয়েছে আফগানিস্তানের সঙ্গে গোটা বিশ্বের সংযোগ বজায় রাখতে কাবুল বিমানবন্দরকে সচল রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আপাতত কাবুলে কিছু মার্কিন কূটনীতিবিদও থাকবেন বলে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপেরতবে আফগান প্রশাসনের পতনের ঘটনাটিকে নিশ্চিত করেই ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল সাত্তার মিরজাকাওয়াল টুইটে বলেছেন, কাবুলে কোনও আক্রমণ হবে না। শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতা হস্তান্তরের আলেচনা চলছে। এ দিকে, তালিবান প্রধান মোল্লাহ আবদুল ঘানি বারাদার ইতিমধ্যেই দোহা থেকে কাবুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন বলে তালিবান সূত্রে খবর।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন?‌ জানতে পড়ুন

ভারতইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট ১২ আগস্ট থেকে শুরু হবে লর্ডসে। দ্বিতীয় টেস্টে হাজির থাকতে লন্ডন উড়ে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। যদিও তাঁকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না।কেন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব থেকে ছাড় পাচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? ব্রিটিশ সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রোটেকল অনুযায়ী ভ্যাকসিন নেওয়া আছে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের। তাই তাঁকে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। সৌরভ সরাসরি মাঠে হাজির থাকতে পারবেন। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইংল্যান্ড না গেলেও সিরিজ চলাকালীন যে কোনও টেস্টে হাজির থাকতে পারেন বোর্ড সচিব জয় শাহ, ভাইসপ্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা, কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমলও।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিএদিকে, দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে সোমবারই নটিংহাম থেকে লন্ডন পৌঁছল ভারতীয় দল। সূর্যকুমার যাদব, পৃথ্বী শরাও দলের সঙ্গে লন্ডন গেছেন। তবে তাঁরা এখন অনুশীলনে নামতে পারবেন না। ১২ আগস্ট লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। ১৩ আগস্ট এই দুই ক্রিকেটারের ১০ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হবে। পরের দিন থেকে তাঁরা অনুশীলনে নামতে পারবেন। ফলে দ্বিতীয় টেস্টে খেলার কোনও সুযোগ নেই। তৃতীয় টেস্ট থেকে সূর্যকুমার ও পৃথ্বী খেলার জন্য বিবেচিত হবেন।এদিকে, ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্টে সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও বৃষ্টির জন্য জয় আসেনি। চূড়ান্ত হতাশ অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তবে প্রথম টেস্টে বেশকিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন। টেল এন্ডারদের ব্যাটিংয়ে তিনি খুশি। যশপ্রীত বুমরা জীবনের সর্বোচ্চ ২৮ রান করেছেন। মহম্মদ সামির অবদান ১৩। মহম্মদ সিরাজ ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?টেল এন্ডারদের ব্যাটিং প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, ওরা নেটে নিয়মিত ব্যাট করে। ব্যাটিংয়ে সবসময় অবদান রাখতে চায়। ট্রেন্ট ব্রিজে সফল হয়েছে। দলের এই তিন টেল এন্ডারের কাছ থেকে ৫০র বেশি রান পাওয়াটা দলের কাছে অনেকটা সোনা পাওয়ার মতো। আমরা ৪০ রানের আশেপাশে এগিয়ে যাওয়ার আশা করেছিলাম। টেল এন্ডারদের প্রয়াসে শেষ পর্যন্ত ৯৫ রানে এগিয়ে গিয়েছিলাম।

আগস্ট ০৯, ২০২১
বিদেশ

Arunachal: গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্ট

ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা তিব্বতের এক শহর ঘুরে গেলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কিন্তু কেউ টেরই পেল না!শুক্রবার চিনের সংবাদমাধ্যম সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, তিব্বতের নিয়াংচি শহরে ঘুরে গিয়েছে তিনি। অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের কাছেই এই তিব্বতি শহর কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত বুধবার তিনি এসেছিলেন ওই শহরে। এই প্রথম কোনও চিনা প্রেসিডেন্ট এই শহরে পদার্পণ করল, অথচ সেই খবর দুদিন ধরে প্রকাশিত হল না চিনের সংবাদমাধ্যমে।আচমকা জিনপিং-এর এই সফর নিয়ে জল্পনা চরমে। তিব্বতকে চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তুলে ধরতেই কি এমন গোপন সফর, উঠেছে প্রশ্ন। লাদাখে যখন ভারত-চিন সংঘাতের ঘা পুরোপুরি শুকোয়নি, তারই মধ্যে জিনপিং-এর এই সফর। গত বছরের মে মাস থেকে লাদাখে এই সংঘাতের সূচনা। প্যাংগং থেকে দুই দেশই সেনাবাহিনী সরিয়ে নিলেও এখনও কোনও কোনও অংশে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। এই ইস্যুতে দফায় দফায় আলোচনায় বসেছে দুই দেশ। কিন্তু সমাধান এখনও অধরা।আরও পড়ুনঃ ধর্ম-বিতর্কে চাপের মুখে সাফাই মহুয়ারবেশ কিছুদিন ধরেই তিব্বতে সেনা উপস্থিতি বাড়াচ্ছে বেজিং। তারই মধ্যে এই সফরে জল্পনা বাড়ালেন জিনপিং। বৃহস্পতিবারা তিব্বতের রাজধানী লাসায় প্রথমে পৌঁছন জিনপিং। এই সফরে জিনপিং অরুণাচলপ্রদেশ-তিব্বত সীমান্তের কাছে অবস্থিত নিয়াংচি শহরেও যান। সিচুয়ান-তিব্বত রেল প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখেন সেখানে। এ ছাড়া নিয়াং নদীর সেতুও পরিদর্শন করেন তিনি। এই অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর তৈরি হচ্ছে বাঁধ। চিনে ইয়ারলুং জাংবো নামে পরিচিত ওই নদীতে বাঁধ তৈরির অনুমোদন চলতি বছরেই দিয়েছে বেজিং। আর চিনের সেই উদ্যোগ ঘিরে আশঙ্কা বেড়েছে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা শহরগুলিতে। তিব্বতের সুইজারল্যান্ড বলে পরিচিত এই নিয়াংচি শহর।উল্লেখ্য, অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে থাকে চিন, যে দাবি ভারত বরাবরই প্রত্যাখ্যান করেছে। ভারত ও চিনের ৩,৪৮৮ কিলোমিটার সীমান্ত নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Mongalkote: মঙ্গলকোটে শুটআউট -নিহত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে খুন। বাইক দাঁড় করিয়ে কাছ থেকে গুলি চালিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। মৃত ব্যক্তির নাম অসীম দাস। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের সিওর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। গূলি লাগার পর রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন অসীমবাবু। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কেরএদিকে, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে মারার ঘটনা জানাজানি হতেই মঙ্গলকোটজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়েই মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী-সহ অন্য তৃণমূল নেতারা মঙ্গলকোট হাসপাতালে পৌঁছে যান। একইভাবে ঘটনার কথা জানার পর জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দুষ্কৃতীদের খোঁজে পুলিশ পার্শ্ববর্তী জেলার সীমান্তে জোরদার নজরদারি চালানোর পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালানো শুরু করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মত এদিন সন্ধ্যায় কাশেমনগর বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে একাই সিওর গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন অসীম দাস। পথে বাড়ির কাছেই সিওর মোড়ের কাছে কেউ দাদা বলে ডেকে অসীম দাসের মোটরসাইকেল দাঁড় করায়। এরপরেই খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। উত্তেজনা চরমে ওঠায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিতৃণমূল নেতা অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় বিজেপির যোগসাজোস রয়েছে বলে দাবি করেছেন মঙ্গলকোটের তৃমূলের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী। একই অভিযোগ করে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার বদলা নিতে মঙ্গলকোটের বিজেপি কর্মীরা এখন সন্ত্রাস ও খুনের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে। খুনিরা কেউ পার পাবেনা বলে দেবু টুডু জানিয়েদেন। মঙ্গলকোট বিধানসভার পর্যবেক্ষক তথা বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন,অসীম দাস দক্ষ সংগঠক ছিলেন। বিজেপির লোকজনই পরিকল্পনা করে তাকে খুন করেছে। মৃতর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বুধবার মঙ্গলকোট যাচ্ছেন বলে অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন। যদিও বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অনীল দত্ত পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। তা ধাপাচাপা দিতেই তৃণমূলের নেতারা বিজেপির দিকে আঙুল তুলছে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করেলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে বিজেপি নেতা অনিল দত্ত মন্তব্য করেছেন।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজনীতি

Resignation: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণঃ যুব মোর্চার সভাপতি পদ ছাড়লেন সৌমিত্র

রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি পদ ছাড়লেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ফেসবুক ও টুইটার পোস্টে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম, কিন্তু বিজেপির সঙ্গেই থাকছি। এদিকে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে হতে চলেছে কেন্দ্রে। সেই মন্ত্রিসভায় রাজ্য থেকে নতুন চারজন সাংসদ জায়গা পেতে চলেছেন বলে খবর।বিজেপিতে ছিলাম,বিজেপিতে থাকবো,বিজেপি জিন্দাবাদ। নরেন্দ্র মোদী জিন্দাবাদ। pic.twitter.com/TLnNFQK8Zd Saumitra khan (@KhanSaumitra) July 7, 2021একদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এরাজ্যের যুব সাংসদরা যখন শপথ নিতে চলেছেন, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা আগে সভাপতি পদ ছাড়লেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই দুটি ঘটনার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বেশ কিছু দিন ধরেই জঙ্গলমহল-রাঢ়বঙ্গ নিয়ে পৃথক রাজ্যোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন সৌমিত্র। উল্লেখ্য, সৌমিত্রর স্ত্রী সুজাতা খাঁ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগ দেন। আরামবাগ কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থীও হয়েছিলেন।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেকেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে পারেন শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, জন বার্লা ও সুভাষ সরকার। এই মন্ত্রীসভাশ জায়গা না পেয়েই সম্ভবত গোঁসা হয়েছে সৌমিত্রর। এমনই ধারনা রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজনীতি

বড় দায়িত্বে অভিষেক, ব্যাপক রদবদল তৃণমূলে

বড়সড় সাংগঠনিক পরিবর্তন হল তৃণমূল কংগ্রেসে। শনিবার তৃণমূল ভবনে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ তথা মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন। যুব তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে অভিনেত্রী তথা আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রের প্রার্থী সায়ণী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়াও একাধিক পরিবর্তন হয়েছে এদিনের কর্মসমিতির বৈঠকে। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, এক ব্যাক্তি এক পদের নীতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সায়ণী বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য যুব তৃণমূলের সভানেত্রী। কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী, ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায়কে রাজ্য আইএনটিটিইউসির সভাপতি ও সর্বভারতীয় স্তরে শ্রমিক সংগঠনরে দায়িত্বে থাাকছেন সাংসদ দোলা সেন। কৃষক সংগঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন পূর্ণেন্দু বসু। বঙ্গজননী বাহিনীর সভানেত্রী করা হয়েছে মালা রায়কে। দলের সাংস্কৃতিক সেলের সভাপতি বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। এছাড়া কুনাল ঘোষ দলের রাজ্য় সাধারন সম্পাদক হলেন। সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম মান্না, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও দুজনকে দলের রাজ্য সম্পাদক করা হয়েছে।

জুন ০৫, ২০২১
রাজনীতি

ভোটের মুখে বর্ধমান জেলায় নতুন বিজেপি সভাপতি

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার দিনই বর্ধমান সাংগঠনিক জেলায় সভাপতি পদে পরিবর্তন করল বিজেপি। সরানো হল সন্দীপ নন্দীকে। নতুন সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। এক বিবৃতিতে রাজ্য বিজেপি নতুন সভাপতি অভিজিৎ তা-কে দ্রুত ওই পদে নিয়োগ করতে বলেছে। এদিকে সন্দীপ নন্দীকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে রাঢ় বঙ্গ জোনের বুথ ম্যানেজমেন্ট ইনচার্জ করেছে দল।দীর্ঘ দিন ধরেই কানাঘুষো চলছিল বিজেপির বর্ধমান সাংগঠনিক জেলায় নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে। দলের অভ্যন্তরে এই দাবিও উঠছিল বলে খবর। সম্প্রতি বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। অভিযোগ, ভাঙচুর করা হয় জেলা কার্যালয়। ওই ঘটনায় জেলা সভাপতি সহ একাধিক নেতাকে শোকজ করে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেদিন বিক্ষোভ চলাকালীন দলের সভাপতি বদলের দাবিও উঠেছিল।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

"তোদের খেলা তো হয়ে গিয়েছে, আমরা খেলব তোরা দেখবি", হুঁশিয়ারি দিলীপের

রবিবার পরিবর্তনের রথ চন্দ্রকোনার গাছশীতলা মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে কেশপুর ব্লকের বিভিন্ন জায়গা ঘোরে পাছখুরি হয়ে কেশপুর বাজারে এসে পৌঁছয়। পরিবর্তন যাত্রার রথ দেখতে সেখানে প্রচুর মানুষ ভিড় করেন।কেশপুরের খেতুয়া থেকে বাইক রেলির মধ্য দিয়ে বিজেপি কর্মীরা পাছখুরি বাজার এলাকায় রথকে স্বাগত জানান। এদিন কেশপুর উত্তর মণ্ডলের পক্ষ থেকে পাছখুরি বাজার এলাকায় একটি পথ সভারও আয়োজন করা হয় । কেশপুরের পরিবর্তন যাত্রায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, রাম নামে সমস্ত দলের কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন দিদির দূত বেরিয়েছে। তৃণমূলের সেইসব দূত যখন আপনাদের পাড়ায় যাবে, তখন আপনারা ঝাঁটা নিয়ে বিতাড়িত করে পশ্চিমবাংলা থেকে তৃণমূল নামক লিমিটেড কোম্পানিকে উৎখাত করেবেন। এখন বাংলার রাজনীতি খেলা হবে নিয়ে সরগরম। তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম কেউ খেলার কথা বলতে ছাড়ছে না। এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, স্লোগান দিচ্ছে খেলা হবে, খেলা হবে। আমরাও বলছি খেলা হবে। পরিবর্তন হবে। বিজেপির সরকার হবে। এখন থেকে চিৎকার করে আওয়াজ দেওয়া হচ্ছে খেলা হবে। তোরা কী খেলবি। তোদের খেলা তো হয়ে গিয়েছে। আমরা খেলব তোরা দেখবি। দেখার জন্য প্রস্তুত হও। হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, এবারের খেলায় দিদির ভাইদের শুনিয়ে রাখছি। এখনও দু-তিন মাস সময় আছে যেন ভদ্রলোক হয়ে যায়। নাহলে ভোটের আগে হাসপাতাল পাঠাব। আমি এখানে ঘোষণা করছি ক্যামেরার সামনে।এদিন রাস্তাঘাট উন্নয়ন সহ কৃষকদের উন্নয়ন করার লক্ষ্যে কার্যত বিজেপিকে রাজ্যে নিয়ে আসার আহ্বান জানান দিলীপ ঘোষ। কেশপুর বাজারে কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসকে হু্ঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভোটের দিন যে সমস্ত দিদির চামচারা ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করতে আসবে, তারা যেন বাড়িতে বলে আসে তাদের আর ফেরা নাও হতে পারে l রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ২০১১ তে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময় যা দেনার পরিমাণ করেছিল, তার থেকে ১৫০ গুণ বেশি এই সরকার ১০ বছরে দেনা করেছে। তিনি বলেন, যে বাংলার স্বপ্ন স্বামী বিবেকানন্দ, সুভাষচন্দ্র বসুরা দেখেছেন, সেই স্বপ্ন সত্যি করতে একবার বিজেপিকে পাঁচ বছরের জন্য সুযোগ দিন। যদি দেখেন আমরা কাজ করতে পারলাম না, তখন আপনারা আবার পাল্টে দেবেন l

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিরাটির পর দত্তপুকুরে রাতভর তাণ্ডব! একে একে পাঁচ সিপিএম অফিসে ভাঙচুর-আগুন, উঠল বিজেপির নাম

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটিতে সিপিএমের সভা ঘিরে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাতের দিকে দত্তপুকুরে একের পর এক সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বামেদের দাবি, দত্তপুকুরে মোট পাঁচটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কয়েকটি অফিসে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শুক্রবার রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা রড ও হাতুড়ি নিয়ে একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অফিসের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়। দেওয়ালে থাকা বাম নেতাদের ছবিও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি দলের। দত্তপুকুরের দুনম্বর রেলগেট, গঙ্গাপুর মোড় এবং দত্তপুকুর স্টেশনের কাছে-সহ একাধিক এলাকায় এই হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। একটি কার্যালয়ে কাগজপত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।এই হামলার পিছনে সরাসরি বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম। দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার বারাসত এক নম্বর বিডিও দফতরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সিপিএমের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির পরেই পার্টি অফিসগুলিতে হামলার ঘটনা ঘটায় দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনায় পুলিশে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।তবে সিপিএমের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ফলে দত্তপুকুরের ঘটনা নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপানউতোর।এর আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটির বণিক মোড়ে সিপিএমের একটি পথসভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সভামঞ্চে ভাঙচুর, চেয়ার ভাঙা এবং ব্যানার নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বামেদের দাবি, সভায় হামলার পাশাপাশি তাঁদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল।বিরাটির ঘটনার ক্ষেত্রেও সিপিএম বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। দলের বক্তব্য, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভামঞ্চে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের আটকাতে কার্যকর পদক্ষেপ করেনি। সুজন চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত প্রতিবাদ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপির তরফে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারের দাবি, সভায় স্থানীয়রা কিছু স্লোগানের প্রতিবাদ করেছিলেন এবং উল্টে তাঁদের দলের মহিলা কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন।একই রাতে হাবড়াতেও বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার অভিযোগ ওঠে। হাবড়া এক নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ঘটনায় হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বিরাটি, হাবড়া এবং দত্তপুকুরের পরপর ঘটনাকে ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। দত্তপুকুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এসএফআই নেতা আকাশ করকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ-সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন। তবে সিপিএম যে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার মূল অভিযোগ তুলেছে, সেই অভিযোগের সঙ্গে ওই গ্রেফতারের যোগসূত্র বা হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিলের কাছে ৪-০ হার, তবু যুবভারতীতে লড়াইয়ের গল্প লিখল ভারত

যুবভারতীতে ফলাফলটা ভারতের পক্ষে নয়। স্কোরবোর্ডে ৪-০। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে শনিবার যে লড়াই উপহার দিল ভারত, তা নিছক চার গোলের হারের গল্প নয়। গুরপ্রীত সিংহ সান্ধুর দুটি বড় ভুলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত। তবে রায়ান উইলিয়ামস, মনবীর সিংহ, অভিষেক সিংহদের লড়াকু ফুটবল প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের মন জিতে নিল।ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটাই প্রশ্নব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ভারত কত গোল হজম করবে? মাঠে সেই আশঙ্কার ছাপ অবশ্য শুরুতে খুব একটা দেখা যায়নি। বরং প্রথমার্ধের একটা বড় সময় ভারত রক্ষণ সামলে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে উঠে এসেছে। ব্রাজিলের তারকা সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে বেশ কিছুটা সময় আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় রক্ষণ।কিন্তু বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলের মূল্য যে কতটা চড়া হতে পারে, যুবভারতী তারই সাক্ষী থাকল।গুরপ্রীতের দুই ভুলেই পিছিয়ে পড়ল ভারতশুরুতেই ভিনিসিয়াসের শট আটকে গুরপ্রীতকে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল। গ্যালারি থেকেও এসেছিল প্রশংসার আওয়াজ। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না।২৮ মিনিটে বক্সের ডান দিক থেকে এস্তেভাওর নেওয়া শট ছিল গুরপ্রীতের নাগালের মধ্যেই। বলের গতি বেশি থাকলেও সেটি সামলানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল ভারতীয় গোলরক্ষকের। কিন্তু তাঁর হাতের নীচ দিয়ে বল গড়িয়ে জালে ঢুকে যায়। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০।প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ভারত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বিরতির ঠিক আগে ফের বিপর্যয়। ৪২ মিনিটে এস্তেভাওর তৈরি করা সুযোগ থেকে পেদ্রোর শট আটকাতে গিয়ে গুরপ্রীতের ডান হাতের গ্লাভসে বল লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল। অথচ প্রথমার্ধে ভারত যে ভাবে রক্ষণ সামলাচ্ছিল, তাতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল।এরপর আরও একটি বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। ভিনিসিয়াসের শট গুরপ্রীতের গায়ে লেগে গোলের দিকে যাচ্ছিল। পিছন থেকে দানিলো ছুটে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় রক্ষণ কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলে নেয়।ব্রাজিলের তারকাদের আটকে রাখল ভারতব্রাজিল যে ভারতকে হালকা ভাবে নেয়নি, প্রথম একাদশেই তার প্রমাণ ছিল। ভিনিসিয়াস, মার্কুইনহোসদের সঙ্গে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলাররাও ছিলেন দলে।তবু ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের আক্রমণকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়নি। ভিনিসিয়াস বাঁ দিক দিয়ে বারবার আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও তাঁকে বেশির ভাগ সময় নজরে রেখেছিলেন অভিষেক সিংহ। ব্রাজিলীয় তারকা কয়েক বার ড্রিবল করে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অভিষেক পিছনে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।শুধু রক্ষণ নয়, সুযোগ পেলেই ভারতীয় ফুটবলাররা পাল্টা আক্রমণে উঠেছেন। রায়ান উইলিয়ামস ও মনবীর সিংহের গতির উপর ভর করে ব্রাজিলের বক্সে ঢোকার চেষ্টাও হয়েছে একাধিক বার।বিরতির পর বদলে গেল ব্রাজিলদ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। মাঠে আসেন গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ়, স্যামুয়েল লিনোর মতো ফুটবলাররা। পরিবর্তিত দল নিয়েও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি।৫৮ মিনিটে বিজয়ের পা থেকে বল কেড়ে নেয় ব্রাজিল। দূর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। ভারত তখন ৩-০ পিছিয়ে।তবে এই সময়েও ভারত লড়াই থেকে সরে যায়নি। ৬৪ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামস ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেন। তাঁর শট আটকে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক মাউরো।এর কিছুক্ষণ পর রায়ান ও মনবীরের দারুণ বোঝাপড়ায় ফের সুযোগ তৈরি হয়। রায়ান বল বাড়ান মনবীরকে। পরে মনবীরের ক্রস ফের রায়ানের দিকে। চলতি বলে শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।সেই মুহূর্তে যুবভারতীর গ্যালারিতে হয়তো অনেকেরই মনে হয়েছিলএকটি গোল অন্তত প্রাপ্য ভারতের।শেষ মুহূর্তেও গোলের ধাক্কাম্যাচের বাকি সময়ে দুদলই আক্রমণে উঠেছে। ভারত চেষ্টা করেছে ব্যবধান কমানোর, ব্রাজিল খুঁজেছে আরও গোল। শেষ পর্যন্ত সংযুক্তি সময়ের একেবারে শেষ দিকে চতুর্থ গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল।লিনোর শট প্রভসুখন গিলের শরীরের নীচ দিয়ে গোলে ঢুকে যায়। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।চার গোলের ব্যবধান নিঃসন্দেহে বড়। কিন্তু ম্যাচের পুরো ছবিটা শুধু স্কোরলাইন দিয়ে বোঝা যাবে না। ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ব্যক্তিগত ভুল এবং আক্রমণে শেষ পাস বা ফিনিশিংয়ের অভাব।তার বিপরীতে ইতিবাচক দিকও কম নয়। বিশ্বমানের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ভারত ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকেনি। রায়ান, মনবীর, অভিষেক, বিজয়রা বারবার প্রতিপক্ষের অর্ধে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে অভিষেকের ভিনিসিয়াসকে সামলানোর চেষ্টা এবং রায়ানের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নজর কেড়েছে।সামনে আরও কঠিন পরীক্ষাব্রাজিলের বিরুদ্ধে ০-৪ হার দিয়ে ভারতের এই পর্ব শেষ হচ্ছে না। বরং সামনে আরও একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামী ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।যুবভারতীর রাত ভারতের জন্য ফলের দিক থেকে হতাশার হলেও, লড়াইয়ের মানসিকতা পরের ম্যাচের আগে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাতেই পারে। চার গোলের ব্যবধানের আড়ালে তাই থেকে গেল অন্য এক ছবিবিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফুটবলারদের হার না মানা লড়াই।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের চেয়ার এবার কাকলির হাতে! দোলার জায়গায় বিজেপি, সংসদে রদবদল ঘিরে তুমুল চর্চা

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হাতছাড়া হয়েছে। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির থেকে বেরিয়ে যাওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার। অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে। তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীকে।শনিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলির পুনর্গঠনের পরই এই রদবদলের কথা প্রকাশ্যে আসে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং লোকসভার স্পিকারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের স্থায়ী কমিটির নতুন চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য পুনর্গঠিত কমিটিগুলির মধ্যে রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন সুধাংশু ত্রিবেদী।এই বদলকে ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে মূলত কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একদল সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। তাঁরা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছিলেন। পরে সংসদে তাঁদের আসনেও পরিবর্তন করা হয়।এ বার সেই বিদ্রোহী শিবিরেরই অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদের জায়গায় রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। ফলে সংসদীয় কমিটির এই রদবদলকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদে দোলা সেনের জায়গায় এসেছেন বিজেপির সুধাংশু ত্রিবেদী। অর্থাৎ একই রদবদলে তৃণমূল দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হারাল। একটি পদ গেল বিজেপির হাতে, অন্যটি গেল তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রীর হাতে।তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ সাংসদপদ এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তৃণমূলের তরফে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। লোকসভার সচিবালয় ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তাঁদের সাংসদপদ বাতিল হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।ফলে এক দিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে তৃণমূলের দুই চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হওয়া, অন্য দিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব পাওয়া এবং একই সময়ে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকাসব মিলিয়ে সংসদে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেয়েদের পর ছেলেরাও সোনা! মালয়েশিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে ইতিহাস, অলিম্পিকের টিকিটও পাকা ভারতের

৪৪ বছর পর মেয়েদের হকিতে সোনা এসেছিল। এ বার পুরুষদের দলও সেই পথেই ইতিহাস গড়ল। মালয়েশিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকির সোনা ধরে রাখল ভারত। শুধু সোনাই নয়, এই জয়ের সঙ্গে ২০২৮ সালের অলিম্পিকের সরাসরি যোগ্যতাও অর্জন করল হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম একই আসরে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল দুটিই সোনা জিতল। পুরুষ হকিতে পরপর দুবার সোনা জেতার নজিরও এই প্রথম ভারতের।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তবে বেশিক্ষণ সেই ব্যবধান থাকেনি। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আবার ভারতকে এগিয়ে দেন যুগরাজ সিং। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকেই আসে সেই গোল।বিরতির পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করছিল ভারত। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান হার্দিক সিং। এর পর ৫৪ মিনিটে শিলানন্দ লাকরা গোল করে ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৫-১ করেন হরমনপ্রীত। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারত তার মধ্যে তিনটি কাজে লাগাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়েই সোনা নিশ্চিত করে ভারত।হকির পাশাপাশি কুস্তিতেও সোনা এসেছে। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমন সেহরাওয়াত। এক সময় এগিয়ে থেকেও পরে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় কুস্তিগির। এই বিভাগে এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন আমন। অন্য দিকে মহিলাদের ৫৩ কেজিতে রুপো পেয়েছেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। পুরুষদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন দীপক পুনিয়া।তিরন্দাজিতেও ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভ বিভাগে সোনা জিতেছেন কুমকুম মহোদ। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের পর লড়াই ৫-৫ সমতায় শেষ হয়। শুট-অফে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট তুলে সোনা নিশ্চিত করেন কুমকুম। এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজ তিনি। পুরুষদের রিকার্ভে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন নীরজ চৌহান।গলফেও এল ঐতিহাসিক সাফল্য। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে ১৫ আন্ডার ২৬৫ স্কোর করে সোনা জিতেছেন প্রণবী উরস। এশিয়ান গেমসে এই বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা এটি। দলগত বিভাগেও রুপো পেয়েছে ভারত।দিনের শেষে ক্রিকেটেও সোনার মুকুট পেল ভারত। পুরুষদের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ২১১ রান তোলে। অভিষেক শর্মা ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তিলক বর্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায়। হাসান নওয়াজ ৫১ বলে ৯৬ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে জেতাতে পারেননি।এর ফলে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের দুই সোনাই এ বার ভারতের দখলে। মহিলা দলও আগে সোনা জিতেছিল। হকি এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি কুস্তি, তিরন্দাজি ও গলফে সাফল্য মিলিয়ে শেষ দিনে ভারতের সোনার সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৮৫টি পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করেছে ভারত। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এস্তেভাঁও-পেদ্রো-লিনোর গোলের ঝড়, তবু ভারতকে নিয়ে কেন আলোচনা? ব্রাজিলের বিরুদ্ধে যুবভারতীর ম্যাচে চমক

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে স্বপ্নের ম্যাচ। ফল অবশ্য ভারতের পক্ষে গেল না। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতকে ৪-০ গোলে হারাল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এস্তেভাঁও, পেদ্রো এবং স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলোত্তির দল। তবে স্কোরলাইন যতই একপেশে হোক, ভারতের ফুটবলাররা বেশ কিছু সময়ে ব্রাজিলকে চাপে ফেলেছেন এবং একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি করেছিলেন।বিশ্ব ক্রমতালিকায় ব্রাজিল পঞ্চম এবং ভারত ১৩৮ নম্বরে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট। ভারতের সামনে ছিল দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার বিরল সুযোগ। শেষ পর্যন্ত হার এলেও ম্যাচের শুরুতে ভারত যথেষ্ট লড়াই করেছে। ব্রাজিল প্রথম গোল পায় ২৮ মিনিটে। এস্তেভাঁওয়ের বাঁ পায়ের শটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৪২ মিনিটে পেদ্রো ব্যবধান বাড়ান। প্রথমার্ধ শেষ হয় দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই।দ্বিতীয়ার্ধে ভারত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ব্রাজিলের আক্রমণ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বদলি হিসেবে নামা স্যামুয়েল লিনো ৫৮ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় ৪-০ করেন তিনি। ফলে বড় ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হলেও ভারতের লড়াইয়ের কয়েকটি মুহূর্ত আলাদা করে নজর কেড়েছে।ভারতের আক্রমণেও সুযোগ এসেছিল। মনবীর সিং এবং রায়ান উইলিয়ামস গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের রক্ষণ এবং গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তাঁরা। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ভারত আক্রমণে উঠেছে এবং শুধু নিজেদের অর্ধে আটকে থাকেনি।রক্ষণেও আনোয়ার আলি ও আকাশ মিশ্রকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দায়িত্ব সামলাতে দেখা যায়। ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা থাকলেও ভারত শুরুতে তাঁদের গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুও একাধিক বার ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকান।এই ম্যাচে ভারতীয় গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলেরও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলাটাই তাঁর কাছে বড় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল। ভারতের কোচ খালিদ জামিলের কৌশল নিয়েও ম্যাচের আগে যথেষ্ট আলোচনা ছিল। পানামার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের পর ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর দল কী ভাবে খেলবে, ছিল সেটাই বড় প্রশ্ন।ভারত শেষ পর্যন্ত গোলের মুখ খুলতে পারেনি এবং চার গোল হজম করেছে। কিন্তু দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার এই অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও ম্যাচটিকে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।ফল ভারতের পক্ষে নয়, সেটাই সত্যি। কিন্তু যুবভারতীর সেই সন্ধ্যায় ব্রাজিলের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে ভারতের ফুটবলাররা যে লড়াইয়ের কিছু ছবি রেখে গেলেন, সেটাই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। ০-৪-এর স্কোরলাইন তাই ম্যাচটির পুরো গল্প বলে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ককপিটে হামলার পর যাত্রীরাই ধরলেন সহ-পাইলটকে! তারপর তাঁকে ছেড়ে দিতে কেন চাপ এসেছিল?

মাঝ আকাশে ককপিটে হামলা। তার পর যাত্রীদের তৎপরতায় আটক হলেন অভিযুক্ত সহ-পাইলট। তাঁকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে দাবি যাত্রীদের। কিন্তু সেই সময় বিমানের অন্য কর্মীদের কয়েক জন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অন্য কর্মীরা কোনও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত চলছে।ঘটনাটি ঘটে বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, ওমানের নাগরিক সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় ককপিটের জরুরি কুঠার ব্যবহার করা হয়েছিল এবং অভিযুক্ত সহ-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।হামলার পর বিমানটি আচমকা নীচে নামতে শুরু করে। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর গুরুতর আহত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তখন কয়েক জন যাত্রী ভিতরে ঢুকে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে বেঁধে রাখা হয় বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। এই তৎপরতার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে অন্য দুই পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।বিমানে থাকা দুই যাত্রী জিকা মানেস এবং ড্যানিয়েল স্লিখটার দাবি করেছেন, কয়েক জন যাত্রী মিলে হামামকে আটকেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, হেডফোনের তার এবং টেপ ব্যবহার করে তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এর পর বিমানের অন্য কয়েক জন কর্মী এসে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কেন তাঁকে মুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তা তাঁরা বুঝতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন ওই যাত্রীরা।এই দাবিই এখন নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে শুধু যাত্রীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিমানের অন্য কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, এমন তথ্য এখনও নেই। ফ্লাইদুবাইয়ের ওই কর্মীরা কেন অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে যাত্রীরা দাবি করছেন, তা তদন্তের বিষয়।এদিকে হামাম আল-হামামির অতীত নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর আগে ওমানের বিমান সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং তাঁকে উড়ান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন দাবির সবটাই এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত হয়নি।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্ত সহ-পাইলটের অতীত এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।ফ্লাইদুবাই বিমানের এই ঘটনায় দ্রুত যাত্রীদের হস্তক্ষেপ এবং পরে অন্য পাইলটদের বিমান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘটনাই বড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে বেঁধে রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কর্মীদের চাপ দেওয়ার যে দাবি যাত্রীরা করেছেন, সেটি তদন্তে কতটা সত্যি, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
কলকাতা

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? পুজোর পর কীসের প্রস্তুতি

দিল্লি, মুম্বইয়ের পর এবার কি কলকাতার রাস্তাতেও নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত এই কর্মসূচির দিনক্ষণ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি।এর আগে নিট পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে সেই কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি বলে দাবি। এবার এসআইআর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কলকাতায় নতুন করে কর্মসূচি করার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর।সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব। কোথায় এবং কবে সভা করা হবে, তা নিয়ে তৃণমূলের পাশাপাশি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গেও আলাদাভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে অভিজিৎ দীপকেরা এই বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন বলে সূত্রের দাবি।এর মধ্যেই আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ওই কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে দিল্লির পর কলকাতাতেও একই ধরনের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে তৃণমূলের সাহায্যের খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে সিপিএম। সংগঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, স্যান্ডো গেঞ্জির আবার বুকপকেট। ওদের দলে কতজন আছে যে সহযোগিতা করবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে নিট আন্দোলন থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির বিভিন্ন কর্মসূচিতে এসএফআই সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। কলকাতায় কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বও কথা বলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির আদৌ কোনও সভা হয় কি না, হলে তাতে কারা যোগ দেন এবং এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কী কর্মসূচি নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বারবার ধসে বন্ধ শিলিগুড়ি-সিকিমের পথ! এবার বদলে যাবে দশ নম্বর জাতীয় সড়ক, তৈরি হবে সুড়ঙ্গ-উঁচু সেতু

বর্ষা এলেই ধস, কখনও মাটি বসে যাওয়া, আবার কখনও যানজটে থমকে যায় পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার অন্যতম প্রধান পথ দশ নম্বর জাতীয় সড়কের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু হল। রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার রাস্তার আমূল উন্নয়নের জন্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার প্রকল্পের দরপত্র ডেকেছে জাতীয় সড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে রাস্তা চওড়া করার পাশাপাশি একাধিক সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধসপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দশ নম্বর জাতীয় সড়কের রংপো থেকে রানিপুল অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫.৮৭ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রাস্তার একাধিক অংশ বর্ষায় ধস এবং মাটি বসে যাওয়ার সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন প্রকল্পে বর্তমান রাস্তা দুই লেনে উন্নীত করা হবে। রাস্তার দুপাশে পাকা অংশও রাখা হবে। পাশাপাশি ধসপ্রবণ এবং মাটি বসে যাওয়ার এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এই প্রকল্পে একাধিক সুড়ঙ্গ এবং উঁচু সেতুপথ তৈরির পরিকল্পনা। পাহাড়ের যে অংশগুলিতে রাস্তা বারবার ধসের কবলে পড়ে বা মাটি বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে নতুন পরিকাঠামোর মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হবে। ফলে প্রকল্পটি শুধু রাস্তা চওড়া করার কাজ নয়, বরং গোটা রংপো-রানিপুল পথের পরিকাঠামো নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা।এই প্রকল্পের জন্য দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ৬ নভেম্বর থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তা জমা দেওয়া যাবে। ১৭ নভেম্বর দরপত্র খোলার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রয় ও নির্মাণ পদ্ধতিতে করার পরিকল্পনা হয়েছে। সরকারি নথিতে কাজের সময়সীমা ৪৭৪৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা দীর্ঘদিন ধরেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এই রাস্তা শুধু সিকিম বা কালিম্পংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ, পর্যটন, পণ্য পরিবহণ এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে।বর্ষায় দশ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামলে সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী থেকে পণ্যবাহী গাড়িসবাইকে তার প্রভাব সামলাতে হয়। সেই কারণে নতুন প্রকল্পে রাস্তার নিরাপত্তা এবং সারা বছর যোগাযোগ সচল রাখার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সরকারি দরপত্রের নথিতে প্রকল্পটির আনুমানিক মূল্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ ৪০ হাজার ১৮৭ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দরপত্রের কাজের বিবরণে দুই লেনের রাস্তা, পাকা পাশের অংশ, সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধস ও মাটি বসে যাওয়ার প্রবণ এলাকার চিকিৎসার কথা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত দশ নম্বর জাতীয় সড়কের চেহারা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। পাহাড়ি পথে ধসের ঝুঁকি কমানো, যান চলাচল আরও মসৃণ করা এবং সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ আরও নির্ভরযোগ্য করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal