• ২০ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Parliament

রাজ্য

রাজ্যে ৭ দফায় দেড় মাস ধরে লোকসভা নির্বাচন, দুই আসনে হবে উপনির্বাচন

লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে এবার ৭ দফায় লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ২০১৯ সালেও এরাজ্যে মোট ৭ দফায় লোকসভা ভোট হয়েছিল।এবছর ভোটের একাধিক দফা-ইস্যু নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি ছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের। এমনকী রাজ্যে সফররত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চের কাছেও ভোটের দফা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল শাসকদল তৃণমূল। তবে শেষমেশ সব দিক বিবেচনা করেই ফের একবার ৭ দফায় লোকসভা ভোটের ঘোষণা কমিশনের।আগামী ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট শুরু। ওই দিন কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে লোকসভা নির্বাচন হবে। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ আগামী ২৬ এপ্রিল। ওই দিন ভোটগ্রহণ রায়গঞ্জ, বালুরঘাট ও দার্জিলিঙে।তৃতীয় দফার ভোট আগামী ৭ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ মালদহ দক্ষিণ, মালদহ উত্তর, জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদে। বাংলায় চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ আগামী ১৩ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান-পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোল, বোলপুর, বীরভূমে।আগামী ২০ মে রাজ্যে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ওই দিন ভোটগ্রহণ হবে বনগাঁ, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, হুগলি, আরামবাগ, বারাকপুর, শ্রীরামপুরে। আগামী ২৫ মে রাজ্যে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। ওই দিন তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যে শেষ অর্থাৎ সপ্তম দফার নির্বাচন আগামী ১ জুন। ওই দিন ভোটগ্রহণ দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিণ, কলকাতা উত্তর কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।এরই পাশাপাশি রাজ্যের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই এরাজ্যের ভগবানগোলা কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও একেবারে শেষ দফার লোকসভা নির্বাচনের অর্থাৎ ১ জুন বরাহনগর কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মার্চ ১৬, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলায় লোকসভা নির্বাচন, তৃণমূলের নিশ্চিত জয় ৩০-৩৫ টি আসনে! বিজেপির টার্গেটও ৩৫

আর আগের মতো ৪২ এ ৪২ নয়। বাংলা লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের অনুমান তাদের নিশ্চয় জয় ৩০-৩৫ আসনে। ২০১৯এর মতো ২০২৪ এ তৃণমূলের হুঙ্কার ছিল বাংলার ৪২টির মধ্যে সবকটিতেই উড়বে জোড়াফুল পতাকা। ৪২এ ৩৫ টার্গেট বেঁধে দিয়েছিল বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ। সময় এগোতে সেই সংখ্যাই যেন পাখির চোখ তৃণমূলের!লোকসভা ভোটের আগে শুক্রবারই প্রকাশিত হয় বিভিন্ন সংস্থার জনমত সমীক্ষা। আর ভোট ঘোষণার দিনই তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলে দিলেন, এবার লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস কটি আসন পেতে পারে।শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল ঘোষ বলেছেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল ৩০ থেকে ৩৫ আসন নিশ্চিতভাবে পাবে। বাম, কংগ্রেস শূন্য পাবে। কোথাও কোনও আসন পাবে না তারা। আর বিজেপিকে কীভাবে দুটি, তিনটি, চারটি আসনে বেঁধে রাখা যায়, তা দেখতে হবে। আমাদের টার্গেট বাংলায় বিয়াল্লিশটার মধ্যে বিয়াল্লিশটা আসন। তবে ৩০ থেকে ৩৫ আসন নিশ্চিত। এর পর তা কতটা এগোনো যায়, দেখতে হবে।অর্থাৎ ৪২টির বদলে এখন তৃণমূলের নজরে বাংলার ৩৫ আসন।২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে তৃণমূল ৪২-এর মধ্যে ৩৪ টি আসন পেয়েছিল। ২০১৯-য়ের ভোটে তৃণমূলের আসন সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২-টিতে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বাংলার কটি আসন তৃণমূল পায় সেটিই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৪
দেশ

বাংলাই জনসভা সেরে দিল্লি পৌঁছাতেই ঘোষণা ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপি-র পার্থীতালিকা

আরামবাগ ও কৃষ্ণনগরে জনসভা সেরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে পৌঁছাতেই বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে এরাজ্যের ২০টি আসন আছে। এখনও লোকসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়নি। সর্বভারতীয় দল হিসাবে প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলো বিজেপি।নীচে রইল এরাজ্যের ২০ আসনে বিজেপির ঘোষিত প্রার্থী।পশ্চিমবঙ্গের প্রার্থী তালিকাকোচবিহার - শ্রী নিশীথ প্রামাণিকআলিপুরদুয়ার - শ্রী মনোজ টিগ্গাবালুরঘাট - ড. সুকান্ত মজুমদারমালদা উত্তর - শ্রী খগেন মুর্মুমালদা দক্ষিণ - শ্রীমতী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীবহরমপুর - ড. নির্মল কুমার সাহামুর্শিদাবাদ - শ্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষরানাঘাট - শ্রী জগন্নাথ সরকারবনগা - শ্রী শান্তনু ঠাকুরজয়নগর - শ্রী অশোক কান্ডারীযাদবপুর - ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলিহাওড়া - ড. রথীন চক্রবর্তীহুগলি - শ্রীমতী লকেট চট্টোপাধ্যায়কাঁথি - শ্রী সৌমেন্দু অধিকারীঘাটাল - শ্রী হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়পুরুলিয়া - শ্রী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোবাঁকুড়া - ড. সুভাষ সরকারবিষ্ণুপুর - শ্রী সৌমিত্র খাঁআসানসোল - শ্রী পবন সিংবোলপুর - শ্রীমতী প্রিয়া সাহা

মার্চ ০২, ২০২৪
রাজনীতি

পূর্ব মেদিনীপুর নিয়ে বিরাট প্ল্যান শুভেন্দুর, দুই আসনেই কি অধিকারী পরিবারের প্রার্থী?

লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ করবে বিজেপি। এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর জেলার দিকে সকলের নজর।২০০৯ থেকে ২০১৯- টানা তিনবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন শিশির অধিকারী। তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী সাংসদ হয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে সেখানকার সাংসদ শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু।রাজনৈতিক মহলের খবর, এবার লোকসভা নির্বাচনে এই দুটি আসনের অন্তত একটি থেকে অধিকারী পরিবারের কাউকে প্রার্থী করতে চাইছে বিজেপি। সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার লক্ষ্যে কোনও একটি আসন থেকে দাঁড় করানোর প্রস্তাব এলেও শুভেন্দু তা নাকচ করেছেন। শুভেন্দু বারবারই বলে চলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে ছাড়বেন। ফলে দিল্লির রাজনীতিতে তিনি চলে গেলে বাংলায় যাতে তৃণমূল খোলা ময়দান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক শুভেন্দু। তাঁর বর্তমানে একটাই লক্ষ্য, রাজ্যে সরকারের পালাবদল ঘটানো।তবে কাঁথি ও তমলুক লোকসভা আসন দুটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। স্ট্র্যাটেজিও তৈরি করছেন। সূত্রের খবর, পরিবারতন্ত্রের তির যাতে তাঁর দিকে ধেয়ে না আসে, সে কারণে অধিকারী পরিবারের কেউ প্রার্থী হোন, তা চাননি শুভেন্দু। কিন্তু অনড় বিজেপি নেতৃত্ব।শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারীকে যে তৃণমূল প্রার্থী করবে না তা স্পষ্ট। শিশির অধিকারী বয়সের কারণে আর ভোটে দাঁড়াবেন না বলেই খবর। তবে তিনি ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করবে না তৃণমূল। তাঁর সমর্থন থাকবে শুভেন্দু-সহ ছেলেদের দিকেই।শিশির অধিকারীর চার পুত্র। সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তৃণমূল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চেয়েছে বলেও অভিযোগ। শুভেন্দুর ছোট ভাই জেলার নানা প্রান্তে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়।দিব্যেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানিয়েছেন। রাজ্যে মোদীর কোনও সভাতেই দিব্যেন্দু দল বদল করতে পারেন বলে জল্পনা রয়েছে। তবে তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করবে না বলেই জানা যাচ্ছে। দিল্লিতে কোনও উচ্চপদ দেওয়া হতে পারে তাঁকে।সেক্ষেত্রে দিব্যেন্দুর তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে বড় চমক থাকবে বলেই খবর। তা এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। শিশির অধিকারীর কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন সৌমেন্দু অধিকারী। জেলায় বিজেপির প্রচারে সক্রিয়ভাবে দেখা যেতে পারে বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে। যেভাবে অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে নানা কু-কথা বলেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব তাতে বীতশ্রদ্ধ শিশির, দিব্যেন্দুরা। তাঁদের নিষ্ক্রিয় করে রেখে আক্রমণ করা হয়েছে লাগাতার। বিশেষ করে দলের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে প্রভূত অবদান রেখেও যে অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে হয়েছে বিগত কয়েক বছরে, তাতে বিরক্ত শিশির অধিকারী। এই আবহে অধিকারী পরিবার যে কত বড় ফ্যাক্টর, আসন্ন লোকসভা ভোটে ফের সেই শিক্ষা তৃণমূল পাবে বলেই উপলব্ধি জেলার রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
দেশ

এক দেশ এক ভোট

১৮-২২ শে সেপ্টেম্বর সংসদে বিশেষ অধিবেশন বসবে। এই ঘোষণার পরের দিন ই এক দেশ এক ভোটের লক্ষ্যে অর্থাৎ লোকসভা, সব রাজ্যের বিধানসভার, পুরসভা ও পঞ্চায়েতের ভোট একসঙ্গে করার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এক উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি করে কেন্দ্র। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের এই কমিটি সবদিক পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। সংসদের বিশেষ অধিবেশন ও এক দেশ এক ভোটের লক্ষ্যে কমিটি গঠনের মধ্যে কোন যোগসূত্র রয়েছে কিনা তার এখনও পরিষ্কার নয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এক দেশ এক ভোটের বিষয়টি দেশে নতুন কিছু নয়। ১৯৫২ সালে দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত লোকসভার সঙ্গেই সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনে প্রথমবার রাজ্যে ও কেন্দ্রে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, তামিল নাড়ু, ও কেরলে ক্ষমতা হারায় কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই শক্তি ক্ষয়ের ফলে দেশের রাজনৈতিক শক্তির বিন্যাসেও বড়সড় বদল হতে থাকে। রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তনের কারণে দেশের ভোট ক্যালেন্ডারেও পরিবর্তন আসে। যেমন ১৯৬৭-১৯৭২ এই পাঁচ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে চার বার বিধানসভা ভোট হয়। ১৯৬৮-১৯৭২ এই চার বছরে পশ্চিমবঙ্গে চারবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। এই সমস্ত কারণে ১৯৬৭ সালে ই দেশে শেষ বার লোকসভা সঙ্গে সব রাজ্যে বিধানসভা ভোট হয়।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনপরবর্তী সময় এক সঙ্গেই সব নির্বাচন করার বিষয়ে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বহুবার আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে। সারা বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে কোনো না কোনো নির্বাচন হতে থাকায় অর্থ খরচের বহর বেড়েছে। পাশাপাশি ভোটের জন্য আদর্শ নির্বাচন বিধি বিভিন্ন সময় জারি হওয়ায় উন্নয়ন মূলক কাজের পরিকল্পনাও বাধা পায়। এর ওপর ভোটের বৈতরণী পার হতে বিভিন্ন শাসক দল জনতার মন পেতে একেরপর এক চট জলদি লাভের প্রকল্প ঘোষণা করে থাকেন। এর ফলে দেশে দীর্ঘ মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনাও ব্যাহত হয়।কিন্তু প্রশ্ন হল সংসদীয় আইন মেনে এখন লোকসভার সঙ্গে সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট গ্ৰহন কিভাবে সম্ভব? এখন তো বিভিন্ন রাজ্যে বিধানসভার মেয়াদ একসঙ্গে শেষ হয় না। তাহলে সব রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ এক ই সময় শেষ করার বিষয়ে কী পদক্ষেপ হবে?আরও পড়ুনঃ কর্মক্ষেত্রে বার্ধক্যের আধিক্য উদ্বেগজনকএক দেশ এক ভোট নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে দেশের আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করতে কমিশন প্রস্তুত। মুখের নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেছেন দেশের সংবিধান এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুসারে কোনো নির্বাচিত সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছমাস আগে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা যেতে পারে। এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিশন প্রস্তুত।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন সব ভোট একসঙ্গে করতে হলে অন্তত তিরিশ লক্ষ ইভিএম এবং voter verified paper audit trail বা VVPAT য়ের প্রয়োজন। এর পাশাপাশি সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের জন্য দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে ২০২৪ সালে একসঙ্গে সব ভোট গ্রহণ অত্যন্ত কঠিন কাজ। ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার একসঙ্গে ভোট গ্ৰহনের বিষয় নির্বাচন কমিশনকে সুবিধা অসুবিধাগুলি খতিয়ে দেখতে বলে। তখন কমিশন জানিয়েছিল লোকসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট একসঙ্গে করতে হলে সংবিধান ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কিছু সংশোধনী আনতে হবে। এর পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছিল একসঙ্গে ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম ও অন্যান্য যন্ত্রাদি কিনতে যথেষ্ট সময় ও অর্থের প্রয়োজন।আরও পড়ুনঃ ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাববিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশ গত মার্চ মাসে সংসদে আইন মন্ত্রী জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের হাতে ইভিএমের ১৩.০৬ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট ও ১৭.৭৭ লক্ষ ব্যালট ইউনিট রয়েছে। আরো ৯.০৯ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট ও ১৩.২৬ লক্ষ ব্যালট ইউনিট তৈরির কাজ চলছে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে ২২.১৫ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৩১.০৩ লক্ষ ব্যালট ইউনিট কমিশনের হাতে থাকবে। প্রযুক্তিবিদদের মতে ছয় থেকে সাত লক্ষ ইভিএম তৈরি করতে এক বছর সময় লাগে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হল ২০২৪ সালে এক সঙ্গে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম কি কমিশনের হাতে থাকবে?কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি সারা বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন হতে থাকার কারণে নির্বাচনী খরচ যেমন বাড়ছে তেমনি মুল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে কেন্দ্রের এই যুক্তি সঠিক। তবে তাঁদের মতে একসঙ্গে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম ও VVPAT কিনতে অন্তত এক হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। এছাড়াও অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করাও একটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ভোট এলে সব রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি ওঠে। এই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ভোট কর্মীদের দেশের সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজটিও অত্যন্ত কঠিন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সংবাদ পত্রে প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এস কৃষ্ণমূর্তি জানিয়েছেন, একসঙ্গে ভোট হলে আর্থিক ব্যায় প্রশাসনিক কাজের বোঝা যে কমবে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে এই কঠিন কাজ সম্পূর্ণ করতে হলে তিন থেকে চার মাস ধরে ভোট গ্ৰহন পর্ব চলতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩
দেশ

ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাব

মঙ্গলবার থেকে লোকসভায় শুরু হল বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক। দুদিন ধরে চলবে বিতর্ক। তার পরে সরকার পক্ষের শীর্ষ ব্যাক্তি তাঁর জবাবই বক্তব্য বলবেন। লোকসভায় বিরোধীদের মিলিত শক্তির চেয়ে সাংসদ সংখ্যার বিচারে সরকার পক্ষের শক্তি অনেক বেশি। তাই বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নরেন্দ্র মোদী সরকারের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব আনলো বিরোধীরা। আর এই প্রথম লোকসভায় বিরোধীদের পারস্পরিক ঐক্য অনেক জমাট দেখাচ্ছে। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পিছনে সংসদীয় রাজনীতির যে কৌশল রয়েছে তা হল মনিপুর প্রসঙ্গে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হবেন। কারণ, সময়, পরিস্থিতি ও বিষয় বিচার করে প্রধানমন্ত্রী কখনো মুখ খোলেন কখনো নীরব থাকেন। যেমন মনিপুরে হিংসা ছড়ানোর ৭৯ দিন পরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেন। মনিপুরে এখনো হিংসা থামেনি, লাগাতার হিংসা চললেও প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে আর মুখ খোলেননি।লোকসভার নিয়ম অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে গেলে নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ মল্লিকার্জুন খারগের পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাবের ৭৯জন সাংসদ সাক্ষর করেছেন। বিজেডি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস ছাড়া সংসদে অস্তিত্ব রয়েছে এমন সব বিরোধী দলই প্রস্তাবের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরুর আগের দিন রাহুল গান্ধী সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ায় বিরোধী শিবির, বিশেষত কংগ্রেস অনেকটাই উজ্জীবিত। ১৩৪ দিন সংসদের বাইরে থাকার পরে সাংসদ পদ ফিরে পেলেন রাহুল।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনইতিহাসের হুবহু পুনরাবৃত্তি না হলেও ইতিহাসের অনেক ঘটনা কিছু কিছু লক্ষণ পরবর্তী কালে দেখা যায়। যেমন ১৯৬৩ সালে অগাষ্ট মাসে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে নেহেরু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের সঙ্গে চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্যও রয়েছে। ১৯৬৩ সালে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব ছিল স্বাধীন ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথম। সেই সময় দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করতেন স্বাধীনতা এনেছে কংগ্রেস। তাই ১৯৬২ সালে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। তখন লোকসভায় আসন সংখ্যা ছিল ৪৯৪। ৩৬১টি আসন পেয়ে তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হন নেহেরু। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দেড় বছরের মাথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকে। ১৯৬২সালের চিন-ভারত যুদ্ধের ফলে নেহেরু সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। কংগ্রেস কোনঠাসা হয়ে পড়ায় ক্রমাগত হারতে থাকা বিরোধীরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। এই আবহে বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে পরাজিত হয় কংগ্রেস। কংগ্রেসকে সংসদে আরও চাপে ফেলতে বিরোধীরা কক্ষ সমন্বয় ঐক্যে পৌঁছয়। ফলে লোকসভায় প্রথমবার অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয় নেহেরু সরকার।সেই সময় লোকসভার অধ্যক্ষ ছিলেন হুকোম সিং। লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতে একাধিক রাজনৈতিক দল অধ্যক্ষের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন প্রজাশক্তি পার্টির শীর্ষ নেতা ও সাংসদ আচার্য জে বি কৃপালনী। ভারতীয় জনসংঘ ও সিপিআই, পৃথকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। এছাড়াও আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। সিপিআইয়ের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে প্রয়োজনীয় নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সাক্ষর না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আচার্য কৃপালনীর আনা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ায়। অধ্যক্ষ হুকোম সিং আচার্যর আনা প্রস্তাবে আলোচনার অনুমোদন দেন। ১৯ অগাষ্ট লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক শুরু হয়।বিরোধীদের পক্ষে আলোচনা শুরু করেন আচার্য কৃপালনী । তিনি তাঁর বক্তব্যে শুধু চিন-ভারত যুদ্ধ নয়, সরকারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ও আনেন। লোকসভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের শক্তির ফারাকের কথা মাথায় রেখে আচার্য কৃপালনী বলেন, শুধু সাংসদ সংক্ষ্যা হিসেব করলে চলবে না। প্রাপ্ত ভোটের হিসেব করলে দেখা যাবে বিরোধীদের শক্তি সরকার পক্ষের থেকে বেশি। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে সরকার পক্ষ ৪৬ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়েছে। বাকি ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিরোধীরা । এর থেকে প্রমানিত হয় বিরোধীরাই সংসদে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতকেই পেশ করছে। প্রস্তাবের পক্ষে বিরোধী নেতারা বক্তব্য বলার পাশাপাশি সরকার পক্ষের হয়ে বক্তব্য বলেন মোরারজি দেশাই ও ভগবৎ ঝা আজাদ প্রমুখ। সবশেষে জবাবী ভাষনের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,বিরোধীদের মধ্যে এই বিচিত্র সমঝোতার মূল কারণ হলো আমার বিরোধিতা করা। তাই বিরোধীদের বক্তব্যের পুরোটাই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা আসলে সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তা হল প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও ব্যক্তি নেহেরুর বিরুদ্ধে মিলিত ব্যক্তিগত আক্রমণ।আরও পড়ুনঃ বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়প্রত্যাশিত ভাবেই বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব সংসদ কক্ষে ভোটে পরাজিত হয়। তবে চিন-ভারত যুদ্ধের ফলাফলে নেহেরুর জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরে। সেই সুযোগে দলের মধ্যেও তাঁর বিরোধীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনে ক্ংগ্ৰেসের পরাজয় এবং বিরোধীদের জমাট এক্য - সব মিলিয়ে ঘরে বাইরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন নেহেরু। তার আঁচ গিয়ে পড়ে তাঁর শরীরে। ধীরে ধীরে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। ১৯৬৪ সালের ২৭ শে মে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু হয়।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

প্রসঙ্গ নারী নির্যাতন: গতকাল কাঁদলেন লকেট, আজ তৃণমূল সাংসদের চোখে জল

পশ্চিমবঙ্গে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল্লিতে বসে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই কেঁদে ভাসিয়েছেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর শনিবার চোখের জলে ভাসিয়ে দিলেন তৃণমূলের আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। যা লকেটের পালটা বলেই মনে করা হচ্ছে।২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে মণিপুর নিয়ে তোপ দেগেছিলেন স্বয়ং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। নারী সুরক্ষা নিয়ে সোচ্চার হয়ে বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। পালটা রাজ্যে বেহাল নারী নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে হাওড়ার পাঁচলার ঘটনাকে তুলে ধরেন লকেট। যা বাংলায় নারীদের অসহনীয় পরিণতির প্রমাণ বলে দাবি বিজেপি সাংসদের। সেই সময়ই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি।লকেট চট্টোপাধ্যায় অসত্য বলছেন বলে এদিন দাবি করেছেন অপরূপা পোদ্দার। আরামবাগের সাংসদের দাবি, আপনি মুখ্যমন্ত্রীর নামে তো মিথ্যা বলছেন। অপরূপার প্রশ্ন, হাথরস, বালেশ্বরের মর্মান্তিক মৃত্যুর সময় লকেটদি আপনার মানবিক মুখ কোথায় ছিল? আপনার তো গর্ব হওয়া উচিত, ভাবা উচিত একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কাজ করছেন তাতে আপনি পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের সাংসদ হয়েও সুরক্ষিত। কিন্তু, আমরা এ রাজ্য থেকে গিয়ে ত্রিপুরায় সুরক্ষিত নই। মনে রাখবেন যেভাবে কাজ মমতাদি করেছেন, তাতে দেশের মানুষের মনে উনি রয়েছেন। স্মৃতি ইরানির উচিত মণিপুরে যাওয়া। তাহলেই ফারাক বুঝতে পারবেন।এরপরই ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আনেন অপরূপা। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাটিতে ফেলে মেরে সঙ্গে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, সেদিন কারও লজ্জা হয়নি? সেদিন গণতন্ত্র বিপন্ন ছিল না?

জুলাই ২২, ২০২৩
রাজ্য

চার জেলার ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগীতা শুরু বর্ধমানে

চারটে জেলা নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা এবার পূর্ব বর্ধমানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১১ই নভেম্বর শুক্রবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের দূরশিক্ষা বিভাগের অডিটোরিয়ামে আনিষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন হল। চারটে জেলা নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা শুরু হতে চলেছে পূর্ব বর্ধমানে । প্রতি জেলা থেকে ২টি করে স্কুল ও কলেজ নিয়ে এই প্রতিযোগিতা। অংশগ্রহণ করছে চার জেলা। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি ও বীরভূম জেলা নিয়ে ১১ ও ১২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা বিভাগ ক্যাম্পাসে আজ থেকে শুরু হলো এই প্রতিযোগিতা।আলাদা আলাদা চারটে বিষয়ের উপর প্রতিযোগতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চারটে জেলা ৩২ টি স্কুল কলেজের ৩২০ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছে এই প্রতিযোগিতায়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের জন্য পুরস্কার রয়েছে ১লাখ, ৭৫ হাজার ও ৫০ হাজার টাকা। আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, জেলা সভাধিপতি সম্পা ধারা, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, সহকারী জেলাশাসক সানা আখতার। এছাড়াও চার জেলার বিধায়ক রাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠান বাংলার যুব সমাজকে সঠিক পথে চালনার করার জন্য খুব-ই দরকারি। তিনি অতীত ও বর্তমান কালের বিশিষ্ঠ সাংসদ দের নাম উল্লেখ করে বলেন, তাঁদের নাম চিরকাল সংসদে বা বিধানসভায় স্মরণ করা হবে। এই ধরনের অনুষ্ঠান থেকেই হয়ত ভবিষ্যতের নামকরা সাংসদ বিধায়ক উঠে আসবে।মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার নিজেকে ৭৭ বছরের যুবক সম্বোধন করে বলেন, শরীরে বয়সটা গৌন মনের বয়সটাকে বাড়তে দিতে নেই। তিনি বলেন, ভারতের প্রথম মক পার্লামেন্ট-র সাক্ষী ছিলেন। সে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ যারা করেছিলেন তাঁদের অনেকেই পরবর্তীকালে ভারতবর্ষের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিচিত হয়েছিলেন। তিনি পার্লামেন্টের বিভিন্ন কাজ সবিস্তারে ব্যখ্যা করেন।পূর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই পূর্ব বর্ধমান জেলাকে ভেনূ হিসাবে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন উর্ধতন কতৃপক্ষকে। তিনি বলেন, মোট চারটে জেলা যথা পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও হুগলীর মোট ৩২টা স্কুল কলেজ মিলিয়ে এই প্রোগ্রামে ৩২০ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করছে। তিনি আরও বলেন মোট চারটি বিভাগের এই প্রতিযোগিতায় যুব সংসদ, কুইজ, তাৎক্ষনিক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি সকল প্রতিযোগীদের সাফল্য কামনা করে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান। প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও বলেন, বিজয়ী-র পুরস্কার থাকলেও; পুরষ্কারের থেকে গুরুত্বপূর্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করা।

নভেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে অনুষ্ঠিত হবে চার জেলার ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা, জানালেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা

চারটে জেলা নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা এবার হতে চলেছে পূর্ব বর্ধমানে। এই নিয়েই আজ অংশগ্রহণকারী চার জেলা নিয়ে এক প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব বর্ধমানের বিডিএ হলে। উপস্থিত ছিলেন ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় ভারতী, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা, জেলা শাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ এবং অন্য তিনটি জেলার নোডাল অফিসাররা সহ ডিআই সেকেন্ডারি, ডিআইও।জানা গেছে, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি ও বীরভূম জেলা নিয়ে 11 ও 12 নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই প্রতিযোগিতা হবে বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা বিভাগ ক্যাম্পাসে। আলাদা আলাদা চারটে বিষয়ের উপর প্রতিযোগতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগীদের থাকা খাওয়া ও নিরাপত্তা নিয়েই আজকের বৈঠক বলে জানান বিজয় ভারতী। তিনি বলেন, চারটে জেলা থেকে চারটি জেলা থেকে 32 টি স্কুল কলেজের 320 জন প্রতিযোগী অংশ নেবে। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের জন্য পুরস্কার রয়েছে 1লাখ, 75 হাজার ও 50 হাজার টাকা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

দুই উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম, ভাঙল অগ্নিমিত্রার গাড়ি

আসানসোল লোকসভা ও বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে তাপ-উত্তাপ বেড়েই চলেছে সকাল থেকে। বালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কেয়া ঘোষ সকালেই অভিযোগ করেন, বুথের মধ্যে কলকাতা পুলিশ থাকছে। তাছাড়া ফলস ভোটের অভিযোগও করেছেন তিনি। এদিকে আসানসোলের উপনির্বাচনের শুরু থেকেই ধুন্ধমার কান্ড। বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর থেকে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এরই পাশাপাশি এদিন বারাবনিতে পুলিশ সংবাদ মাধ্য়মের গাড়ি আটকে দেয়। যদিও কোনও সরকারি নোটিশ দেখাতে পারেনি পুলিশ।আসানসোল ও বালিগঞ্জের উপনির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে প্রেস্টিজ ফাইট। পাশাপাশি আসানসোল কেন্দ্র ধরে রাখার দায় রয়েছে বিজেপির। এদিকে সাংবাদিক আটকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, সাংবাদিকদের কোনও ভাবেই আটকাতে পারবে না পুলিশ। সাংবাদিকরা ফ্রি মুভমেন্ট করতে পারবে। কেউ বাধা দিতে পারবে না।এদিন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি চলে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এমনকী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে অগ্নিমিত্রার নিরাপত্তা রক্ষীরা। অগ্নিমিত্রার অভিযোগ, ফলস ভোট দিয়ে জেতার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বরং তৃণমূলের অভিযোগ, বেশ কিছু জায়গায় বিজেপি ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। এককথায় আসানসোলের উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম অবস্থা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল লোকসভা উপ-নির্বাচনে প্রস্তুতি তুঙ্গে

রাত পোহালেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সেই উপ-নির্বাচন উপলক্ষে এ দিন বিকেল থেকেই বিভিন্ন বুথে বুথে পৌঁছেছেন ভোট কর্মীরা। ইভিএম সহ ভোটের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কর্মীদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন বুথে। বুথে বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। শংকরপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে ২৩৫-২৩৬ নম্বর বুথ, ঠিক তার উল্টো দিকেই শংকরপুর শিশু আলয় রয়েছে ২৩৪ ও ২৩৪ এ । এই চারটি বুথেই শংকরপুর এলাকার মানুষরা ১২ তারিখ সকাল থেকেই নিজেও প্রার্থীর সমর্থনে ইভিএমে ভোট দেবেন। বুথের সামনেই রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছাউনী। সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা এই চারটি বুথের দায়িত্বে রয়েছেন।

এপ্রিল ১১, ২০২২
বিদেশ

ইমরানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের আগেই সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি পাক পার্লামেন্ট

পাক আইনসভায় বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে তাঁর সরকারের পতন নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু বিশেষ অধিবেশন মুলতুবি করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সাময়িক স্বস্তি দিলেন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার আসাদ কাইজার।প্রসঙ্গত, ইমরান সরকারের ব্যর্থতার জন্যই পাকিস্তানের আর্থিক পরিস্থিতি ক্রমশ বেহাল হচ্ছে এবং মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছুঁয়েছে বলে অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে বিরোধীরা। চাপের মুখে ইমরান কখনও বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে আপত্তিজনক মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন, কখনও আলু-পেঁয়াজের দাম ঠিক করতে রাজনীতিতে আসিনি বলে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।শুক্রবার বিরোধীদের তরফে অনাস্থা পেশের আগেই সোমবার পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবির ঘোষণা করেন। তার আগে বিধি মেনে অধিবেশনের সূচনায় প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রফিক তারার-সহ সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্টদের স্মরণ করা হয়। আসাদ জানিয়েছেন, পাক পার্লামেন্টের বিধি অনুযায়ী প্রয়াতদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণের পর প্রথম দিনের অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। তিনি সেটাই করেছেন। যদিও বিরোধীরা তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছে। পাক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে শুক্রবার ট্রেজারি বেঞ্চের তুলনায় বিরোধী সদস্যদের উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল। ফলে ভোটাভুটি হলে ইমরানের হারার সম্ভাবনা ছিল প্রবল।অনাস্থা প্রস্তাবের পর প্রধানমন্ত্রী পদে টিকে থাকতে গেলে, সংসদের নিম্নকক্ষে মোট ৩৪২ সদস্যের মধ্যে ১৭২ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়া জরুরি। যেহেতু দলের ২০ জন সদস্যই ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছে, তাই ২০২৩ সাল অবধি তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন কি না সন্দেহ।

মার্চ ২৫, ২০২২
দেশ

সংসদে ফের আক্রমণাত্মক প্রধানমন্ত্রী, করলেন কংগ্রেসকে তুলোধনা

লোকসভার পর রাজ্যসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিশানায় ফের বিরোধীরা। মঙ্গলবার ফের তিনি বিঁধলেন কংগ্রেসকে। চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন গান্ধি পরিবারকে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে টেনে দাবি করলেন, গোয়ার প্রতিরোধকে নেহরু ঠেকিয়ে রেখেছিলেন কেবল বিশ্বের দরবারে নিজের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করতে। বললেন, কংগ্রেসের দর্শন এখন শহুরে নকশালদের কব্জায়।এ দিন রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে মোদি বলেন, কংগ্রেস অহরহ আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, ইতিহাস বদলে দেওয়ার। এ দিকে কংগ্রেসেরই দর্শন শহুরে নকশালদের কব্জায় চলে গিয়েছে! তাঁর দাবি, কংগ্রেস না থাকলে দেশবাসীকে যেমন জরুরি অবস্থার মুখে পড়তে হত না। তেমনই শিখ গণহত্যার ঘটনাও ঘটত না। মহাত্মা গান্ধিও ভারতে কংগ্রেসকে চাননি বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। মোদির দাবি, আজ যদি কংগ্রেস না থাকত, তা হলে এক অন্য দেশ দেখতে পাওয়া যেত। একই সঙ্গে গান্ধি পরিবারকে আক্রমণ করে বলেন, আজ দেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদের নাম পরিবারবাদ। কংগ্রেসের সমস্যা হল, তারা কখনওই একটি পরিবারের বাইরে কিছু ভাবতে পারেনি।দিন কয়েক আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি সংসদের দাঁড়িয়ে মোদি সরকারকে তুলোধোনা করেছিলেন। বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেস না থাকলে আজ দেশে গণতন্ত্র থাকত না।অভিযোগ করেছিলেন, আজ কংগ্রেস কেন্দ্রে নেই, তাই মোদি সরকার রাজার মতো শাসন করছে। রাহুলের সেই কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় মোদি বললেন, কংগ্রেস না থাকলে!এরপরই মোদি চলে আসেন শিখ দাঙ্গা , এবং কাশ্মীরি পণ্ডিত নিধন ইস্যুতে। বলেন, আজ কংগ্রেস না থাকলে শিখদের গণহত্যা হত না। পঞ্জাবকে বছরের পর বছর সন্ত্রাসবাদের জ্বালা বয়ে বেড়াতে হত না। পঞ্জাবের ভোটের ঠিক আগে আগে মোদির এই শিখ দাঙ্গা স্মরণ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ৩৭ বছর পরেও শিখ দাঙ্গার কালো দাগ মুছতে পারেনি কংগ্রেস। চুরাশির সেই ঘটনার জন্য ইতিমধ্যেই পাঞ্জাববাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং। ক্ষমা চেয়েছেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধিও। রাহুল গান্ধিও এ প্রসঙ্গে ক্ষমা চেয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
দেশ

বাজেট ২০২২: পাঁচ বছরে দেশে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান ! ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলার

অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, দেশের আর্থিক সংস্কার করতে হলে শুধু শিল্পে নয়, কর্মসংস্থানেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণও জানালেন, আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে দেশে।দেশে কর্মসংস্থানের অভাব আর বাড়তে থাকা বেকারত্ব নিয়ে গত এক বছরে বহু বার কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন বিরোধীরা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বাজেটে দেখা গেল, সেই খামতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, অতিমারি পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ বাড়তে শুরু করেছে দেশে। উন্নত করা হচ্ছে পর্যটন, রেল-সহ একাধিক পরিষেবা। আগামী পাঁচ বছরে এই সব ক্ষেত্রে এবং আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। চাকরি পাবেন দেশের বেকাররা।✅ ₹1,38,394 crore Gross GST Revenue collected for January 2022✅ GST collection crossed ₹1.30 lakh crore mark for the 4th time✅ Revenues for month of January 2022 15% higher than GST revenues in Jan. 2021 and 25% higher than the GST revenues in January 2020 Ministry of Finance (@FinMinIndia) January 31, 2022নির্মলা জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অ্যানিমেশনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তথ্যপ্রযুক্তি হাব তৈরি করা হবে। নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ওই হাব তৈরি করবে। এ ছাড়াও দেশে ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত জাতীয় সড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়ে বিস্তার করা হচ্ছে। চালু হতে চলেছে ১১টি নতুন মেট্রোলাইন। এই সব ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবায় জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে বলা হয়েছে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত গ্রামে পৌঁছে যাবে অপটিক্যাল ফাইবার। চলতি বছরের শেষে শুরু হচ্ছে ৫জি স্পেকট্রাম পরিষেবাও। সেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর পাশাপাশি বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি দেশে তৈরি করার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। শহরে, শহরতলিতে সংখ্যায় বাড়ানো হবে চার্জিং স্টেশন। সেখানেও নিয়োগ করা হবে নতুন কর্মী।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য দিয়ে শুরু হল বাজেট অধিবেশন

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সোমবার শুরু হল ২০২২-এর বাজেট অধিবেশন। অধিবেশন শুরু হওয়ায়র আগে বক্তব্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বক্তব্যে শুরু হল অধিবেশন। সংসদের সেন্ট্রাল হলে সব সাংসদদের উপস্থিতিতে বক্তব্য পেশ করেন তিনি। শুরুতেই করোনা অতিমারির কথা উল্লেখ করে প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সরকার কৃষকদের শক্তি বাড়াতে নিরন্তর কাজ করে চলেছে। রবি শস্য উৎপাদনের সময়, সরকার যে ফসল কিনেছে, তাতে উপকৃত হয়েছে ৫০ লক্ষ কৃষক। খারিফ শস্য উৎপাদনের সময়, যে পরিমান ধান কিনেছে সরকার, তাতে উপকৃত হয়েছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কৃষক। দেশের কৃষি ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য দেশের ছোট কৃষকদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দেশের ৮০ শতাংশই ছোট কৃষক। কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার মাধ্যমে সরকার সুবিধা দিচ্ছে সেই ছোট কৃষকদের।রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা ঘর পেয়েছেন ২ কোটি মানুষ। পাশাপাশি, সব ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে জল জীবন মিশন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের জীবন পাল্টাচ্ছে। ঘরে ঘরে জল পৌঁছে গিয়েছে। গ্রামের মা বোনেরা উপকৃত হয়েছে। জনধন যোজনার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ৪৪ কোটি ভারতবাসীর জনধন অ্যাকাউন্ট থাকায় করোনা-কালে তাঁরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পেয়েছেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের বড় বড় দেশে খাদ্যের অভাব দেখেছি আমরা। কিন্তু দেশের সংবেদনশীল সরকার নিশ্চিত করেছে যাতে ১০০ বছরের মধ্যে সবথেকে ভয়ঙ্কর অতিমারিতে কেউ অভুক্ত না থাকে। দেশের সব দরিদ্র মানুষকে আমাদের সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়। ৮০ কোটি ভারতবাসীকে ১৯ মাস ধরে বিনামূল্যে রেশন দিতে ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি খরচ হয়েছে। ভারতে আজ বিশ্বের সবথেকে বড় খাদ্যদ্রব্য বিতরণের উদ্যোগ চলছে।পিছিয়ে পড়া জনজাতিকে সামনে নিয়ে আসছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পদ্ম পুরস্কারেও তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনাকালে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই কঠিন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র থেকে রাজ্য, সব চিকিৎসক, বিজ্ঞানী , নার্স, প্রত্যেকে একটা টিম হিসেবে কাজ করেছে। আমি সেই সব স্বাস্থ্যকর্মী তথা প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, সরকার এবং নাগরিকের মধ্যে এমন পরিস্থিতে বোঝাপড়া, সুসম্পর্ক গণতন্ত্রের জন্য অভূতপূর্ব নজির বলে মনে করি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

আজ শুরু সংসদের বাজেট অধিবেশন, বাজেট পেশ কাল

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। সম্ভবত ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০২২ সালে চতুর্থবারের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রত্যেকবার বাজেট পেশের আগে কেন্দ্রীয় সরকার হালুয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতি এবার বন্ধ রাখা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের মাধ্যমে এবারের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি অবধি চলবে অধিবেশনের প্রথম ধাপ। পরবর্তী ধাপে মার্চ মাসের ১৪ তারিখ থেকে শুরু হয়ে এপ্রিলের ৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে অধিবেশ।২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রথমবারের জন্য পেপারলেস বাজেট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। একইভাবে এইবারও পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। শুধুমাত্র সাংসদরা এই অ্যাপ ব্যবহার করে বাজেট সম্পর্কিত যাবতীয় খুঁটিনাটি জানতে পারবেন। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই এই অ্যাপে বিস্তারিত তথ্য মিলবে।কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কিত ১৪ টি নথিপত্র এই মোবাইল অ্যাপ থেকে পাওয়া যাবে। হিন্দি ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই ব্যবহার করা যাবে এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি। সাধারণ জনগণ ডব্লুউডব্লুউডব্লুউ ডট ইন্ডিয়াবাজেট ডট কম-ওয়েবসাইট থেকে বাজেটের নথিপত্র দেখতে পাবেন। এবারের বাজেট অধিবেশনে ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি কোনও জিরো আওয়ার থাকবে না। ৩১ জানুয়ারি রাজ্যসভার নেতারা ভার্চুয়ালি কথা বলবেন। বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদে কঠোরভাবে করোনাবিধি মেনে চলার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

Parliament-Protest: সাংসদ সাসপেন্ড-প্রতিবাদে যোগ দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ সকালেই দিল্লিতে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের দুই রাজ্যসভার সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রতিবাদে সংসদ ভবন চত্বরে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে ধরনা চলছে। আজ সেই ধরনায় দলীয় সাংসদদের সঙ্গে যোগ দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শান্তনু সেন এবং অন্যান্য তৃণমূল নেতারা।Our National General Secretary and Honble MP Shri @abhishekaitc participates in a protest in Delhi.We strongly condemn the suspension of MPs. @BJP4India, YOU CANNOT SILENCE US! pic.twitter.com/IwggjfEVgJ All India Trinamool Congress (@AITCofficial) December 7, 2021পরে দলীয় সাংসদদের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন অভিষেক। শীতকালীন অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতে তৃণমূল কোন পথে এগোবে, সেই নিয়ে একটি দিক নির্দেশ করেন তিনি। সূত্রের খবর, আগামী দিনে কেন্দ্রের ট্রেজারি বেঞ্চের বিরুদ্ধে আরও বেশি করে সরব হতে চলেছে তৃণমূল সাংসদরা।জাতীয় রাজনীতিতে এখন তৃণমূল এবং কংগ্রেসের অবস্থানে একটি আড়াআড়ি ফাটল স্পষ্ট। তৃণমূল নেত্রী ইউপিএকে অস্বাকীর করে সমান্তরাল বোঝাপড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অথচ সেই সমান্তরাল বিরোধী জোটকে একেবারেই প্রশ্রয় দিতে চাইছেন না উদ্ধব ঠাকরেরা। পড়শি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে থাকারই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি যাত্রা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
দেশ

Nagaland-Amit Shah: ভুল বোঝার কারণেই নাগাল্যান্ডে গুলি চলেছিল, সংসদে বিবৃতি অমিত শাহের

ভুল বোঝাবুঝির কারণেই নাগাল্যান্ডে গুলি চলেছিল বলে লোকসভায় বিবৃতিতে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নাগাল্যান্ডে সেনা এবং অসম রাইফেলসের গুলিতে ১৬ জন গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনাকে গভীর দুঃখজনক বলেন তিনি। সেই সঙ্গে সোমবার বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শনিবার রাতে মন জেলার ওটিং গ্রামের কাছে জঙ্গি ভেবে ভুল করে খনি শ্রমিকদের গাড়িতে গুলি চালিয়েছিল সেনা। অভিযানে ছিলেন, সেনার ২১ জন কমান্ডো। তাঁদের গুলিতে গাড়ির আট যাত্রীর ছজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত দুজনকে সেনারাই হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানিয়েছেন তিনি। গুলি চালনার পরই সেনাঘাঁটিতে হামলা হয় বলেও উল্লেখ করেন শাহ।শাহ বলেন, গাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনার পর গ্রামবাসীরা এলাকায় অসম রাইফেলসের শিবিরে চড়াও হলে জওয়ানেরা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান। সেই ঘটনায় আরও সাত জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়। এর পর ফের জওয়ান-জনতা সংঘর্ষে স্থানীয় এক গ্রামবাসী নিহত হন। গ্রামবাসীদের হামলায় এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু ঘটেছে বলেও জানান তিনি।শাহ জানান, এক মাসের মধ্যেই রিপোর্ট পেশ করবে বিশেষ তদন্তকারী দল। তিনি বলেন, ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানের জন্য় ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের এক আধিকারিক কোহিমায় গিয়েছেন।প্রসঙ্গত, শনিবার রাতের ওই গুলিচালনার ঘটনায় তদন্তে আগেই পৃথক কমিটি গঠন করেছেন নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রীও নেইফিউ রিও।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
দেশ

Omicron-Loksabha: ওমিক্রন নিয়ে আলোচনায় চেয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাব তৃণমূল সাংসদের

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের আতঙ্ক এখন থরহরিকম্প গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওমিক্রনকে উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে। আর এই নয়া স্ট্রেইন নিয়ে লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনেও আলোচনার জন্য নোটিস দিলেন সাংসদরা। এদিন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় কোভিডের নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাবের নোটিস দেন। অন্যদিকে বৃহস্পতিবারই কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ভাইরাস নিয়ে ১৯৩- এ-র অধীনে বিনায়ক রতন বহুরাও রাউত ও রতন লাল কাটারিয়া লোকসভায় নোটিস দিয়েছেন। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিক আলোচনাই যার উদ্দেশ্য।এদিকে এদিন সংসদে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনার জন্য মুলতুবি প্রস্তুাব দেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। অর্থাৎ, এদিন আলোচনায় ওমিক্রনে গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। এর জন্য ৫০ সাংসদের সমর্থন লাগবে। সংসদ মান্যতা দিলে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনা হবে।করোনা ঢেউ কিছুটা থামতে আস্তে আস্তে সচল হচ্ছিল বিভিন্ন পরিষেবা। কিন্তু তার মধ্যেই দাঁতনখ নিয়ে আক্রমণ করতে হাজির করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। আর এই প্রেক্ষিতেই একসময় করোনায় সবচেয়ে প্রভাবিত রাজ্য মহারাষ্ট্রে জারি হল বেশ কিছু বিধিনিষেধ। এবার বিমান যাত্রীদের জন্য নয়া গাইডলাইন দিল সরকার। যেখানে শুধু করোনার দুটো টিকা নেওয়াই নয়, করোনার আরটি পিসিআর নেগেটিভ রিপোর্টও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। অন্যদিকে এদিকে ওমিক্রনের আশঙ্কাকে সামনে রেখে সিকিমে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সিকিমে এখন বিদেশিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Rakesh Tikait: সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান উঠবে না, হুঁশিয়ারি টিকায়েতের

বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার কথা শুক্রবার সকালেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ এক বছর ধরে চলা আন্দোলন তুলে নিয়ে কৃষকদের মাঠে ফেরার আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মুখের কথায় ভরসা রাখতে পারছেন না ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন (বিকেইউ)-এর নেতা রাকেশ টিকায়েত। সরকার যত ক্ষণ না পাকাপাকি ভাবে এই আইন প্রত্যাহারে সিলমোহর দিচ্ছে তত ক্ষণ অবস্থান উঠবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।তাঁর কথায়, সবে তো শুরু! যত দিন না সংসদে এই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পাশ হচ্ছে তত দিন অবস্থান জারি থাকবে। খুঁটি তখনই উঠবে যে দিন কাজ পাকা হবে।২০২০-র সেপ্টেম্বরে পাশ হয় তিন কৃষি আইন। তার পর থেকেই এই আইনের বিরোধিতায় হরিয়ানা, পঞ্জাব-সহ দেশের নানা প্রান্তে আন্দোলন শুরু হয়। নভেম্বরে কৃষকরা দিল্লিতে গিয়ে ধরনায় বসেন। সেই থেকেই আন্দোলন চলছিল। সেই আন্দোলনের শুরু থেকেই ছিল বিকেইউ। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করতেই বিকেইউ-এর নেতা টিকায়েত হুঙ্কার দেন, ৬০০ কৃষকের আত্মবলিদানকে বিফলে যেতে দেওয়া হবে না। এই আন্দোলনকে মজবুত করতে বহু কৃষক প্রাণ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মবলিদানকে উৎসর্গ করে পরবর্তী পদক্ষেপের কথা ভাবা হবে। তবে তিনি সাফ জানিয়েছেন, মুখের কথায় নয়, সরকার পাকাপাকি ভাবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ না করলে আন্দোলন জারি রাখা হবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal