• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Murder

রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ফের প্রতিবাদ মিছিল অভয়া মঞ্চের

অবশেষে আরজি কর মামলার সাজা ঘোষণা করল শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস। এদিন ফের দোষী সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির সাজার সওয়াল করেছিলেন সিবিআই আইনজীবী। অন্যদিকে, সঞ্জয় রায়ের আইনজীবী তার মক্কেলকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন। আরজি কর কাণ্ডে গত শনিবার সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করেছিল শিয়ালদহ আদালত।সোমবার নির্ধারিত সময়ে সঞ্জয় রায়কে শিয়ালদহ আদালতে আনা হয়। প্রথমে সঞ্জয় নিজের বক্তব্যে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, মেডিকেল না করেই কেন্দ্রীয় সংস্থা তাকে হেফাজতে নিয়েছিল বলেও দাবি করে সঞ্জয়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলে সঞ্জয় রায়। তখন বিচারক জানিয়ে দিয়েছিল বিকেল ২.৪৫ রায় ঘোষণা হবে। ঠিক ঘোষিত সময়ে আরজি কর কাণ্ডে সাজা ঘোষণা করেন শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস। সঞ্জয় রায়কে আজীবন কারবাসের নির্দেশ দেন বিচারক অনির্বান দাস।এদিন বিচারক আরজি করের নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সরকারকে। সাজা ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতের তিনতলার বারান্দা থেকে আইনজীবীরা চিৎকার করে জানিয়ে দেন সঞ্জয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এদিন রায়ের পর অভয়া মঞ্চ শিয়ালদাহ থেকে মৌলালি পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেন। উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান চলতে থাকে। এই রায় নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন অভয়ার পরিবার, চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের বড় অংশ।

জানুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে একা সঞ্জয় রায়ই দোষী সাব্যস্ত, সাজা ঘোষণা সোমবার

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হালপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। রায় শোনাল শিয়ালদা কোর্টের বিচারক অনির্বান দাস। আগামী সোমবারই সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করবে শিয়ালদা আদালতের বিচারক। বিএনএসের ৬৪,৬৬,১০৩/১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে সঞ্জয়কে। ৯ অগাস্ট তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার রুমে। কর্তব্যরত অবস্থায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংস খুনের ঘটনার পর ৫ মাস ৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করল শিয়ালদা আদালত। নিহত তরুণী চিকিৎসকের সুবিচারের আশায় গর্জে উঠেছে রাজপথ। দেশ থেকে বিদেশ সর্বত্র আছড়ে পড়েছিল প্রতিবাদের ঢেউ। অবশেষে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। বিএনএসের তিনটি ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে শিয়ালদা আদালত। তবে এখনও যে মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক প্রশ্নের উত্তর অধরা রয়ে গিয়েছে তা রায় ঘোষণার আগেই স্পষ্ট জানিয়েছেন মৃতার বাবা-মা। অবশেষে শনিবার ১২ মিনিটেই সিবিআই তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করল শিয়ালদা আদালতের বিচারপতি। ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি করে নারকীয় হত্যাকাণ্ড! কী কারণে খুন? খুনের ঘটনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে দেশ জুড়ে বেনজির প্রতিবাদ চলতে থাকে। আদালতের নির্দেশে তদন্ত হাতে নেয় সিবিআই। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট তারপর সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার বাআব্রু পরিস্থিতি ধরা পড়ে। তরুণী চিকিৎসক খুন-ধর্ষণের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। যদিও এদিনও কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সঞ্জয় রায় বলেন, আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আরও কিছু বলার চেষ্টা করলে বিচারপতি দাস বলেন, আপনার সব বক্তব্য সোমবার শোনা হবে। গত ১১ নভেম্বর শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। তার পর কেটে গিয়েছে দুমাস। অবশেষে আজ শনিবার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করলেন শিয়ালদা কোর্টের বিচারপতি অনির্বান দাস। দোষী সাব্যস্ত হলেন সঞ্জয় রায়। সাজা ঘোষণা আগামী সোমবার।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৫
রাজ্য

কালিয়াচকের তৃণমূল কর্মী খুনের মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, এদিনই মালদায় গিয়েছিলেন ডিজি

মালদায় এসেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। শুক্রবার তিনি নিহত বাবলা সরকারের স্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তার আগে পুলিশ সুপারের অফিসে উত্তরবঙ্গের আইজি, ডিআইজি সহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজীব কুমার। অবশেষে এদিন বিকেলেই জানা গিয়েছে, মালদার কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনে গ্রেফতার হয়েছে মূল অভিযুক্ত জাকির শেখ। তৃণমূল কর্মী খুনের তিন দিন পর এদিন সন্ধ্যায় কাশিমনগরের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী জাকির শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মী আতাউল হককে খুন এবং দলের দুই নেতার ওপর গুলি করে মাথা থেঁতলে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় সাতসকালে খুন হন তৃণমূল কর্মী আতাউল হক (৫০)। এই ঘটনার সময় নওদা যদুপুর তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি বকুল শেখ এবং সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসকদলের নির্বাচিত শাসকদলের সদস্য এসারুদ্দিন শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। আহত দুই তৃণমূল নেতা এখনও চিকিৎসাধীন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আমির হামজা নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরই ওই খুন এবং হামলার মূল ষড়যন্ত্রী জাকির শেখকে ধরতে ড্রোন উড়িয়ে এবং পুলিশ কুকুর দিয়েও চলে তল্লাশি অভিযান। গ্রেফতার হয় জাকির শেখ। পুলিশ জানিয়েছে, কাশিমনগরের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী জাকির শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামিকাল, শনিবার মালদা আদালতে জাকিরক পেশ করা হবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে দুই সন্তানের সামনে নৃশংস খুন স্ত্রীকে, তারপর মেঝেতে পুঁতে........ এ কেমন গৃহকর্তা?

দুই সন্তানের সামনে নৃশংস খুন স্ত্রীকে, মেঝেতে পুঁতে শুয়ে পড়ল বাবাএ কেমন বাবা? এ কোন স্বামী? কি এমন হল এমন ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটলেন বর্ধমানের আউশগ্রামের যদুগড়িয়া গ্রামের সোম হাঁসদা। অভিযোগ, দুই শিশু কন্যার সামনে মাকে নৃশংস ভাবে খুন করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে দিয়েছে বাবা। শুধু তাই নয় এই ঘৃন্যতম কাণ্ড ঘটানোর পর সেই ঘরেই দুই কন্যাকে নিয়ে রাতের ঘুমিয়ে পড়ে বাবা। গৃহবধূ খুনের এমন রোমহর্ষক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জঙ্গলমহলে। সোম হাঁসদাকে গ্রেফতার করেছে আউশগ্রাম থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রের খবর, সোম হাঁসদার সঙ্গে ভাব ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল লক্ষ্মীর। বছর সাতেক আগে তাঁরা বিয়ে করেন। দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে দম্পতি বেশ সংসার জীবন কাটাচ্ছিলেন। বড় মেয়ের বয়স ছয় বছর, ছোট মেয়ে তিন বছর বয়স, সে হামাগড়ি দেওয়া ছেড়ে হাঁটতে শিখেছে। সোম হাঁসদার মা পানমনি হাঁসদা এদিন বলেন, আমার ছেলে মদের নেশায় ভীষণ ভাবে আশক্ত হয়ে পড়েছিল । প্রতিদিন মদ খেতো। কাজকর্ম সেরকমর করতো না। নেশা করা নিয়ে বৌমা মা আপত্তি করলে ছেলে অশান্তি করতো। তারই মধ্যে হঠাৎ করেই মঙ্গলবার সকাল থেকে বৌমাকে বাড়িতে আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না। বৌমা কোথায় তা আমি আমার ছেলের কাছে জানতে চাই । তখন ছেলে জানায়, তাঁর মার খেয়ে বৌমা পালিয়ে গেছে। এরপর সন্ধ্যায় দেখি বাড়িতে পুলিশ এসে ছেলের ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ছে। বেশ খানিকটা মাটি খোঁড়া হতেই বেরিয়ে আসে বৌমার মৃতদেহ। পুলিশ বৌমার মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি আমার ছেলে সোমকেও ধরে নিয়ে গিয়েছে আউশগ্রাম থানার পুলিশ। বড় নাতনী পুলিশের কাছে তাঁর বাবার সব কীর্তি ফাঁস করে দিয়েছে। সে পুলিশকে জানায়, ছোট বোন ও তাঁর সামনেই তাঁদের মাকে হত্যা করেছে বাবা। তারপর তাঁর বাবাই ঘরের মাটি খুড়ে তাঁদের মায়ের মৃতদেহ পুঁতে দিয়ে ওই ঘরে তাঁদেরকে নিয়ে শুয়ে পড়ে। এই ঘটনা সোমবার রাতে ঘটেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে শিশুকন্যাটি। পানমনি হাঁসদা বলেন, নাতনির কাছে জেনেছি ঘটনার দিন শাবল দিয়ে বৌমার মাথায় আঘাত করেছিল আমার ছেলে সোম। তাতেই বৌমার মৃত্যু হয়। তারপর ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে ছেলে বৌমার মৃতদেহ মাটি চাপা দিয়ে রাখে। এই ঘটনা বাইরে থেকে কেউ যাতে বুঝতে না পারে তার জন্য ছেলে সোম তার ঘরের দরজায় তালা দিয়ে রাখে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনের ১২ দিনে মাথায় ফের খুন মালদায়, তৃণমূলের অন্তর্কলহের জের?

ফের মালদায় গুলি। তৃণমূল নেতাকে আক্রমণ। গুলি, তারপর ইঁট দিয়ে থেঁতলে হামলা। মঙ্গলবার সাতসকালে মালদার কালিয়াচকে তিন তৃণমূল নেতাকে ইঁট দিয়ে মাথা থেঁতলে এবং গুলি চালিয়ে হামলার অভিযোগ উঠলো সশস্ত্র একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর। জখম হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূলের দুই নেতা। জখমদের সংকটজনক অবস্থায় ভর্তি করানো হয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা নাগাদ এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায়। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম আতাউর শেখ(৫০)। জখম হয়েছেন দুই তৃণমূল নেতা বকুল শেখ (৪৮) এবং এসারুদ্দিন শেখ (৩৫)। এরা সম্পর্কে দুই ভাই। আহত বকুল শেখ তৃণমূলের নওদা যদুপুর অঞ্চল কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন। অপর আহত এসারুদ্দিন শেখ নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল দলের নির্বাচিত সদস্য। বর্তমানে তিনি সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতার পদে রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় একটি ড্রেনের শিলান্যাস কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন স্থানীয় তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি বকুল শেখ এবং তার ভাই তথা নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য এসারুদ্দিন শেখ। তাঁর সঙ্গে কয়েকজন দলের কর্মী সমর্থকেরাও ছিলেন। ওই কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় আচমকা ১৫ থেকে ২০ জনের সশস্ত্র দুষ্কৃতির দল ওই দুই তৃণমূল নেতার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলি মাথায় লাগে তৃণমূল কর্মী আতাউর শেখের। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর। এরপরই ওই দুই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই গুলি মাথার পাশ দিয়ে ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। এরপরই ওই দুই তৃণমূল নেতাকে ইঁট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুনের চেষ্টা চালায় হামলাকারীরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নওদা যদুপুর এলাকায় জাকির শেখের গোষ্ঠী এবং বকুল শেখের গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিনের। ক্ষমতা এবং এলাকা দখলের লড়াই নিয়ে মূলত এই দুই গোষ্ঠীর লড়াই। তৃণমূলের ওই দুই নেতার ওপর হামলা এবং দলীয় এক কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে জাকির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। আহত বকুল শেখের এক ভাই তথা জেলা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতি মহম্মদ আজমল বলেন , জাকির শেখ কংগ্রেস করতো। কয়েক মাস আগে তৃণমূলে যোগ দেয়। কালিয়াচক ১ নং ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সারিউল ইসলামের ছত্রছায়ায় রয়েছে জাকির শেখের গোষ্ঠী। এদিন ওরাই পরিকল্পনা করে বকুল এবং এসারুদ্দিনের ওপর গুলি চালায়, হামলা করে। আর দুষ্কৃতীদের সেই গুলিতেই বকুলের এক অনুগামী আতাউরের মৃত্যু হয়। এলাকায় জাকির গোষ্ঠীর লোকেরা কোনরকম উন্নয়নমূলক কাজ করতে দিচ্ছে না। যখন তখন সন্ত্রাস কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এনিয়েই বকুল ও এসারুদ্দিনেরা প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তার ফলস্বরূপ এদিন হামলায় শিকার হতে হলো। পুরো বিষয়টি নিয়ে জাকির শেখ, নাসির শেখ সহ তার দলবলের বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। এদিকে এই হামলার ঘটনার পর জাকির শেখের সঙ্গে কোনরকম ভাবে যোগাযোগ করা যায় নি। কালিয়াচক ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সারিউল ইসলাম জানিয়েছেন, যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন । এখানে রাজনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই । পুরনো বিবাদকে ঘিরেই এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছি। উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লী এলাকায় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে খুন হন তৃণমূলের জেলার সহ-সভাপতি তথা ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলা সরকার। সেই ঘটনার রেষ কাটতে না কাটতে ফের ১২ দিনের মাথায় তৃণমূল নেতার ওপর প্রকাশ্যে হামলা এবং দলীয় কর্মীকে গুলি করে দুষ্কৃতীদের খুনের ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।যদিও এব্যাপারে জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গোপাল সরকার জানিয়েছেন, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই খুন হয়েছে তৃণমূল কর্মী। দুইজন তৃণমূল নেতা জখম হয়েছেন। জাকির শেখ আমাদের দলের কোনও দিনই ছিল না। এটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ লড়াই। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, জাকির শেখ কোনদিনই তৃণমূল দল করেনি। ও বরাবরই কংগ্রেসের একজন স্থানীয় নেতা হিসাবে পরিচিত। জাকির শেখের বিরুদ্ধে বিগত দিনেও বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। এখন কংগ্রেস নিজেদের দোষ ঢাকতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, এই হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশি পিকেট বসানো হয়েছে। বাকি হামলাকারীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনে ধৃত নরেন্দ্রনাথ "চিরস্থায়ী" বহিষ্কৃত, মালদায় তৃণমূলের ঘোষণা

মালদার তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দলের ইংরেজবাজার টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিকে বহিষ্কার করলো দল। বৃহস্পতিবার বিকালে এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে এই বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী। এদিন ইংরেজবাজার শহরের স্টেশন রোড এলাকার দলীয় কার্যালয়ে এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী ছাড়া ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি শুভদীপ সান্যাল সহ অন্যান্য কাউন্সিলাররা। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, গত এক বছর ধরে দলের কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তৃণমূলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিকে। উনি অসুস্থ ছিলেন বলেই জানতাম। তাকে আপাতত চিরস্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইংরেজবাজার টাউন সভাপতির পদে নতুন কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটা রাজ্য নেতৃত্ব ঠিক করবে। এদিকে এদিন পুলিশের হেফাজতে থাকা বাবলা সরকার খুনে ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ইংরেজবাজার থানা থেকে হাসপাতালে মেডিকেল করতে যাওয়ার পথে বলেন, দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাই মানতে হবে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৫
রাজ্য

আমবাগানে উদ্ধার অগ্নিদগ্ধ মহিলার খুন কী পরকীয়ার জের? কাটোয়া থেকে গ্রেফতার যুবক

মালদার মালতিপুরের আমবাগান থেকে অগ্নিদগ্ধ মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চঞ্চল্য় ছড়িয়েছিল গতকাল। ওই মহিলার পরিচয় জানতে পেরেছে পুলিশ। তারপর জোরদার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে আসে ফরেন্সিক দল। এই ঘটনায় যুক্ত থাকার সন্দেহে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশন থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।তদন্তকারীদের অনুমান, মালতিপুরের নৃশংস খুনের ঘটনায় পরকীয়া সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত দুটো নাগাদ কলকাতাগামী ডাউন - রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের সাধারণ বগি থেকে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে কাটোয়া থানার পুলিশ। ধৃতকে মালদা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। শনিবার অগ্নিদগ্ধ ওই মহিলার দেহ উদ্ধারের পর চাঁচোল থানার মালতিপুর এলাকার আমবাগানে তদন্তে পৌঁছায় তিনজনের একটি ফরেন্সিক অফিসার। ফরেনসিক দলের তদন্তকারী কর্তা দীপক রায় জানিয়েছেন, ওই মহিলার দেহের সমস্ত অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ফলে তদন্তে কিছুটা সমস্যা তো হবেই। তবে পুড়ে যাওয়া কিছু শরীরের অংশ নমুনা হিসেবে সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে কিনা সেটি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই বলা সম্ভব। এদিকে ওই মহিলার নাম পরিচয় সনাক্ত করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার বয়স ৪০ বছর। মৃতার বাবার বাড়ি চাঁচোল থানার দক্ষিণ শহর এলাকায়। ১২ বছর আগে ওই মহিলার বিয়ে হয়েছিল উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ এলাকার এক দিন মজুরের সঙ্গে। তাঁর নাবালক দুই ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। দেড় বছর আগে ওই মহিলার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তিনি বাবার বাড়িতে থাকতেন। মাঝেমধ্যে ভিন রাজ্যে কাজ করতে যেত সে।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত আবু তাহের ওই মহিলার শ্বশুর বাড়ির পাশাপাশি এলাকায় থাকে। দীর্ঘদিন আগে তাদের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাস ধরে বাবার বাড়িতে থাকাকালীন ওই মহিলা অভিযুক্ত আবু তাহেরকে পাত্তা দিচ্ছিল না। এছাড়াও একাধিক যুবকের সঙ্গে ওই মহিলার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলেও প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। আর সেটা থেকেই হয়তো ধৃত আবু তাহের বদলা নিতেই এই খুনের ঘটনায় ঘটাতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। তবে ওই মহিলাকে রাতের অন্ধকারে খুন করা হয়েছে। ধর্ষণ করে খুন কিনা সেটা বোঝা যাচ্ছে না। তবে কুপিয়ে খুন করার পর খড়ের গাদায় দেহ রেখে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪
রাজ্য

একসঙ্গে সাতজনকে ফাঁসির রায়! নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল টোটোচালককে

সাতজনকে ফাঁসির আদেশ! নৃশংস ভাবে এক টোটোচালককে খুনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার এই রায় দেন চুঁচুড়া আদালতের বিচারক। ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয় হুগলির কুখ্যাত দুস্কৃতী বিশাল দাস ও তার ৬ সাকরেদ রাজকুমার প্রামানিক, রথীন সিংহ, রতন ব্যাপারী, রামকৃষ্ণ মন্ডল, বিনোদ দাস, বিপ্লব বিশ্বাসকে ফাঁসির রায় দেন বিচারক। অপর এক আসামি মান্তু ঘোষকে ৭ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। এক টোটো চালককে মোট ৯ জন দুস্কৃতী নৃশংস ভাবে খুন করেছিল। শেখ মিন্টু এই মামলায় রাজসাক্ষী হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে চুঁচুড়া ফার্স্ট ট্রাক কোর্টের বিচারক শিব শঙ্কর ঘোষ এদিন বিশাল দাস সহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। বাকি ১ জনের ৭ বছরের সাজা শোনানো হয়। তিনদিন আগেই এই অভিযুক্তরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। ফাঁসির রায়দানকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য়ের সৃষ্টি হয় আদালত চত্বরে। চুঁচুড়া আদালতে ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঘটনা ঘটেছিল চার বছর আগে। দিনটা ছিল ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর। টোটোচালক বছর তেইশের যুবক বিষ্ণু মালকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এক গোপন স্থানে আটকে রেখে রীতিমতো টুকরো টুকরো করে দেহের বিভিন্ন অংশ নানা জায়গায় ফেলা দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তাঁকে রায়ের বেড় এলাকা থেকে বাইকে করে তুলে নিয়েছিল বিশাল। কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিশাল দাস ও তার দলবল এই কান্ড ঘটিয়েছিল। বিষ্ণুর কি ছিল অপরাধ? বিষ্ণুর সঙ্গে যে মেয়েটির ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল, সেই মেয়েকে পছন্দ ছিল বিশাল দাসের। এই খুনের কিছুদিন পরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার জীবনতলা এলাকা থেকে ধরা পড়ে বিশাল।

নভেম্বর ২৮, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার আবেদনে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি! মনে করে চিকিৎসকরা নিজেদের অবস্থানে অনড়

আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে টানা কর্মবিরতি চালাচ্ছেন সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারেরা। কোনও বড় পদক্ষেপ না হলে তারা কর্মবিরতি তুলবেন না তা বারে বারে ঘোষণা করেছেন। বুধবার তাঁদের আরও এক বার কাজে ফেরার আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই আবেদনের মধ্যেও প্রচ্ছন্ন হুমকির সুর রয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। যা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা পাল্টা বলেছে, কর্মবিরতি উঠছে না।বুধবার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সেই সময়ই আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে কলকাতায় মিছিল বের করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে ডাক্তারদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি যাঁরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের উদ্দেশে মমতা বলেন, আমরা কিন্তু ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিইনি। দিল্লিতে বিজেপি সরকার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডাক্তারদের প্রতি আমার সমর্থন আছে। কিন্তু আপনাদের আরও একটু মানবিক হওয়ারও আবেদন করব। সুপ্রিম কোর্টও আপনাদের কাজে ফিরতে অনুরোধ করেছে। অনেক গরিব মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে মারা গিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যগুলোকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কিন্তু আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। আপনাদের ক্ষোভ আছে। অভিমান আছে। আমি সেটা বুঝি। কিন্তু এ বার আস্তে আস্তে কাজে যোগদান করুন।তারপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানবিক মুখ রয়েছে। আমরা চাই না, কারও সারা জীবনটা নষ্ট হোক। আমরা যদি এফআইআর করি বা কোনও আইনি ব্যবস্থা নিই, তা হলে আপনাদের কেরিয়ারটা নষ্ট হয়ে যাবে। ভিসা, পাসপোর্টে অসুবিধা হয়ে যাবে। আমি তা চাই না। আমি চাই আরও ভাল ভাল ডাক্তার তৈরি করতে।মমতার এই আবেদনের মধ্যেই হুঁশিয়ারি দেখতে পাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মমতার সভা শেষ হওয়ার পরই মিছিল থেকে জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, তাঁদের যেন এফআইআরের ভয় না দেখানো হয়। আন্দোলন চলবে। এদিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শ্যামবাজারের দিকে তাঁদের মিছিল এগোয়। তাঁরা বলেছেন, তাঁদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আগস্ট ২৮, ২০২৪
রাজ্য

কাঁথির ভূপতিনগরে খুন বিজেপি কর্মীর বাবা, উত্তপ্ত এলাকা

কিছুতেই কমছে না ভোট পরবর্তী অশান্তি। কাঁথি সাংগঠনিক জেলার ভূপতি নগর থানার অন্তর্গত অর্জুননগরে বিজেপি কার্যকর্তার বাবাকে পিটিয়ে মেরে ফেলল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।অর্জুননগর অঞ্চলের ধাঁইপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা BJP র সক্রিয় কর্যকর্তা শশাঙ্ক মাইতি লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে ঘরছাড়া। তৃণমলের পক্ষ থেকে শশাঙ্ক মাইতির নামে মিথ্যে মামলা করা হয়।তারপর থেকেই তিনি ঘরছাড়া। মঙ্গলবার রাত এগারোটায় কুড়ি থেকে ত্রিশজন সশস্ত্র তৃণমূল আশ্রিত হার্মাদ বাহিনী শশাঙ্ক মাইতির বাড়িতে চড়াও হয়, এবং তার মা, স্ত্রী ও বৌদির উপর আক্রমণ ও টানাহেঁচড়া করে। এমতাবস্থায় শশাঙ্ক মাইতির বাবা গৌরহরি মাইতি বেরিয়ে আসেন এবং এই দুষ্কৃতিদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সেই দুষ্কৃতীরা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং তিনি গড়িয়ে পড়েন। গড়িয়ে পড়ার পর সেখানেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। পাড়ার লোক বেরিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। পাড়ার লোকজন গৌরহরিবাবুকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী মুগবেড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গৌরহরিবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

জুন ১৯, ২০২৪
কলকাতা

বিধাননগরে বিক্ষোভের মুখে ফিরে গেল বিজেপির প্রতিনিধি দল

রবিবার বিধাননগরের শান্তিনগর অঞ্চলের বাসিন্দা সাহেব আলীকে খুন করে বিট্টু সরদার। অভিযুক্ত বিট্টু সর্দারকে স্থানীয় মানুষরা ধরে ফেলে ও তাকে গণপিটুনি দেয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং পরে সেখান থেকে তাকে আরজিকর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সোমবার দুপুরে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল নিহত সাহেব আলীর বাড়িতে যেতে চায় তাঁর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে।সেই মতো তাঁরা সুকান্তনগরে জড় হয় এবং সেখান থেকে মিছিল করে নিহত বাড়ির দিকে রওনা দেয়। নিহত সাহেব আলীর বাড়ির কিছুটা আগেই স্থানীয় মানুষ বিজেপির প্রতিনিধিদের আটকে দেয় এবং তারা বলে সেখানে কোন রাজনৈতিক রং চলবে না। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়, বিজেপির প্রতিনিধিদের রীতিমতো ধাক্কা দিয়ে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। যদিও পরবর্তীতে আবার নিহতের পরিবারের সাথে দেখা করতে আসবে বলেই জানিয়েছে বিজেপির বারাসাত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তুষার কান্তি ঘোষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

জয়নগরের তৃণমূল নেতা খুন, নদিয়া থেকে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, পুলিশের জালে আরও ৪

জয়নগরের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের অভিযোগে নদিয়া গ্রেফতার করা হল সিপিএম নেতা আনিসুর রহমান লস্করকে। গাড়ি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন আনিসুর। শেষপর্যন্ত মোবাইল ট্র্যাক করে ঘটনার ৩ দিন পরে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে পুলিশ। এছাড়া আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে তাঁদের নাম, পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।সইফুদ্দিন লস্করকে খুনে সিপিএম নেতা আনিসুর রহমানই মূল চক্রী বলে মনে করছে পুলিশ। নিহত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে নাম ছিল এলাকায় সিপিএম নেতা বলে পরিচিত আনিসুরের।পুলিশ সূত্রে খবর, সইফুদ্দিন খুনের পর থেকেই পলাতক ছিলেন সিপিএম নেতা আনিসুর। বন্ধ ছিল তাঁর মোবাইলও। সইফুদ্দিন খুনে জড়িত সন্দেহে গত মঙ্গলবার ভোরে গণপিটুনিতে প্রাণ যায় সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির। গ্রেফতার করা হয় শাহরুল শেখ নামে আরেক অভিযুক্তকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আটকও করা হয় বেশ কয়েকজনকে। তাদের জেরা করেই সইফুদ্দিন খুনে আনিসুর যোগের কথা জানতে পারে পুলিশ।তদন্তের স্বার্থে পুলিশ দলুয়াখাঁকির আনিসুর রহমান লস্করের খোঁজ শুরু করে। বাড়ি সহ সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালালেও অনুসুরের খো্জ মেলেনি। তার আগেই পালিয়ে যান আনিসুর। ফলে অভিযুক্তের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করা শুরু করে পুলিশ। সেই মত নানা জায়গায় হানা দিলেও কোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষপর্ষন্ত নদিয়ার রানাঘাটে আনিসুরের মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখে সেখানে যায়। ওখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তবে আনিসুরকে দলের নেতা বলে মানতে অস্বীকার করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। সে আমাদের সমর্থক হতে পারে। আসলে পুলিশ তৃণমূলের নেতা খুনে যে কোনও উপায়ে বিরোধী সিপিএমকে জড়াতে মরিয়া। তাই আততায়ীকে ধরে এখন আমাদের দলের নেতা বলে দেওয়া হচ্ছে। আবার বলা হচ্ছে উনি নাকি কর্মী। আসলে পুরোটাই সাজানো গল্প। তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, আইন আইনের পথে চলবে। সিপিএম যে ধোয়া তুলসী পাতা নয় এই গ্রেফতারি থেকে তা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে এই সন্ত্রাস, খুনের রাজনীতিই সিপিএমের সংস্কৃতি।ভোরবেলা নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় বামনগাছি অঞ্চলের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে গুলি করে খুন করা হয় মঙ্গলবার ভোরে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। এই খুনের খবর জানাজানি হতেই দলুয়াখাঁকি, লস্করপাড়ার একাধিক বাড়িতে পরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জয়নগরের দলুয়াখাঁকি গ্রাম। গ্রাম ছাড়া হয় বহু পরিবার।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

দুই ভাইকে গাছে বেঁধে ছোট ভাইকে গুলিতে ঝাঁঝরা, চাঁচলের ঘটনায় উত্তাল

দুই ভাইকে পোলের সঙ্গে বেঁধে রেখে, আরেক ভাইকে বাড়ি থেকে ডেকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠলো জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ পৌঁছলে তাঁদের ঘিরে চরম বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। মৃতদেহ গ্রামের রাস্তায় ফেলে রেখেই পুলিশের সামনে চলে তুমুল বিক্ষোভ। মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ এই শুট আউটের ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল থানার জালালপুর গ্রামে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের বাড়ির ছোট ছেলেকে মাথায় গুলি করার পর দেহের বিভিন্ন অংশেও গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। এরপর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রামবাসীরা অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার হন। মৃত ওই যুবকের পরিবার হামলাকারী গফুর আলী, আহাদ শেখ, খাইরুল শেখ, শাহজাহান আলী সহ তার দলবলের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সহিদুল আলী (৩০)। তিনি পেশায় মুয়াজ্জেম ছিলেন। সহিদুলরা ছিল ছয় ভাই। সে বাড়ির ছোট। পরিবারে তাঁর স্ত্রী এবং এক নাবালক সন্তান রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জমির দখলদারিকে ঘিরে গোলমালের জেরেই এই শুট আউটের ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার পর দুষ্কৃতীদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। মৃতের এক দাদা সামিউল শেখ জানিয়েছেন, তাদের একটি চার বিঘার জমি দখলদারিকে ঘিরেই গফুর আলি ও তার দলবলের সঙ্গেই গোলমাল চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। এই নিয়ে আদালতে মামলাও পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু এদিন অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে তাঁদের জমি দখল করতে আসে। সেই সময় তাঁরা বাধা দিলে তাঁদের দুই ভাইকে জমির সামনে একটি খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়। তারপরেই ছোট ভাই সাইদুল আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার সময় কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়ার উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁরা একবারের জন্য বাধা দিতে আসেননি। চোখের সামনে ভাইকে গুলি করে দেওয়ার পর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। আর তারপরে গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।স্থানীয় গ্রামবাসীদের বক্তব্য , সহিদুল আলী অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। ওই পরিবারটি কারও সঙ্গে কোন রকম ঝামেলার মধ্যে ছিল না। ওদের একটি জমির দখলদারি নিয়েই মামলা চলছিল। এরপরই এদিন দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যেই ওই পরিবারটির কয়েকজন সদস্যকে মারধর করে এবং সাইদুলকে গুলি করে খুন করেছে। এই ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় এলে তাদেরকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। চাচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত ঘটনাকে ঘিরেই গোলমালে সূত্রপাত। তারপরই এই খুনের ঘটনাটি ঘটেছে। ইতিমধ্যে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কিছু মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে গোটা এলাকায় তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে পুলিশ।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সহ ৩ নেতার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা, পুলিশের ভূমিকাতে ক্ষুব্ধ শাসক শিবিরের একাংশ

জনতার কথাঃ গলসি ১ ব্লকে গণনার দিন গণ্ডগোল। মারপিঠ হয়। বিরোধীদের অভিযোগ পেয়ে শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করল পুলিশ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তরা পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেসের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে কোন তদন্ত না করেই পুলিশ প্রভাবিত হয়ে মামলা রুজু করেছে। সূত্রের খবর, পুলিশের এই ভূমিকা ইতিমধ্যে তাঁরা দলকে জানিয়েছেন। ঘনিষ্ট মহলে পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামাল করার কথাও জানিয়েছেন অভিযুক্তরা। গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সহসভাপতি তথা এবারের বিজয়ী প্রার্থী অনুপ চট্টোপাধ্যায় ও মানকর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান তন্ময় ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছ বুদবুদ থানার পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটের গণনার দিন কংগ্রেস কর্মী তথা মানকর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী অসিত কুমার মুখ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের প্রার্থী জয়গোপাল দে কে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারধর করার। এমনকি অভিযোগকারীকে তাঁরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ঘটনাটি ঘটে বুদবুদ বাজারে দুর্গাপুর যাবার বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায়। এবারে মানকর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী অসিত কুমার মুখার্জী পুলিশকে লিখিত এই অভিযোগ করেছেন। তাঁরও এই অভিযোগ ভিত্তিতে পুলিশ খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছেন।আর এখানেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদলের একটা বড়ো অংশ। তাঁরা বলছেন, এ দিন পর্যন্ত জনার্দনবাবু, অনুপবাবুদের বিরুদ্ধে একটি পিঁপড়ে মারার অভিযোগ নেই। ঘটনার সময় ওই এলাকাতেই তিনজনই ছিলেন না। তা হলে তাঁরা কী করে কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর করলেন?তাছাড়া এবার অনুপবাবু ১৭০০ বেশি ভোটে পঞ্চায়েত সমিতিতে নির্বাচিত হয়েছেন। তা হলে তিনি কেন কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর বা হুমকি দিতে যাবেন? তাদের আরও দাবি, অনুপবাবু বিরোধী বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রতন সাউয়ের বাড়িতে গিয়ে এজেন্টদের ডেকে নিয়ে এসে গণনা কেন্দ্রে বসিয়েছিলেন। তারপরেও অনুপবাবুর বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত। সূত্রের খবর, গলসি ১ পঞ্চায়েতে সভাপতি পদটি সংরক্ষতি। তাই এবারও দলের একটা বড় অংশ অনুপবাবুকে পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে দায়িত্ব দিতে চাইছেন। সেখানেই দলের নেতাদের একাংশে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনুপবাবু ঘনিষ্টদের আশঙ্কা, এর সঙ্গে দলের একাংশ যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্ধ সেই নেতারা পুলিশ ও কংগ্রেসকে প্রভাবিত করে মিথ্যা মামলাতে ফাঁসিয়ে অনুপবাবুকে আটকাতে চাইছেন। এবং তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে বসার চক্রান্ত করছেন। এ ক্ষেত্রে আঙুল উঠেছে, গলসির দলের বিধায়ক নেপাল ঘরুইয়ের এক ঘনিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে। অনুপবাবুর ঘনিষ্ট তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, ভোট গণনার দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে বহু লোকের জমায়েত করেছিলেন ওই নেতাই। কারণ, তাঁর হারের আশঙ্কা ছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে পুলিশের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন জনার্দনবাবুও। তিনি তাঁর কর্মীদের বলেছেন, পুলিশ তদন্ত করল না, অথচ খুনের চেষ্টা মামলা রুজু করে দিল। পুলিশ তদন্ত করলে সিসিটিভি ফুটেছে, মোবাইল লোকেশন সহ একাধিক তথ্য হাতে পেত। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ পেয়েই সরাসরি খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে দিল। ঘনিষ্ট মহলে অভিযুক্তদের দাবি, বুদবুদ থানার ওসি মনজিৎ ধারা তৃণমূলকে হারাতে প্রথম থেকেই বিরোধীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন। হেরে যেতেই তৃণমূলকে রুখতে কংগ্রেসকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করে তাঁদের ফাঁসানো চেষ্টা চালাছেন। বিষয়টি দলকে তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে হাইকোটে যাবার চিন্তাভাবনা করছেন তাঁরা। তবে তৃণমূলের অভিযোগ মানতে নারাজ পুলিশ। পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, আইন মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

জুলাই ১৩, ২০২৩
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন বীরভূমের মহম্মদবাজারে, অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ সহ সভাপতিকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।মৃত বিজেপির বুথ সভাপতির নাম দিলীপ মাহারা (৪৮)। বাড়ি বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের হিংলো অঞ্চলের সারেন্ডা গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের কুলু পুকুরের কাছে চন্দ্রপুর গ্রাম যাওয়ার রাস্তার ধারে তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। তাঁর স্ত্রী ছবি হিংলো গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নম্বর আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ওই আসনে সিপিএম, তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চন্দ্রপুর গ্রামের সারদা সাহা। বিজেপির দাবি কৌশলগত কারণে তারা ছবিকে নির্দল প্রার্থী করেছে।এদিকে ঘটনার পর থেকে চন্দ্রপুর-সারেন্ডা রাস্তার উপর মৃতদেহ রেখে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা সাংগঠনিক সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ দলের জেলা নেতারা। দাবি ওঠে, পুলিশ কুকুর এনে ঘটনার তদন্ত করতে হবে। বিজেপির দাবি মেনে বিকেলের দিকে পুলিশ কুকুর এলে অবস্থান বিক্ষোভ উঠে যায়। ধ্রুব সাহা বলেন, খুব কাছ থেকে মাথার পিছনে গুলি করা হয়েছে দিলীপ মাহারাকে। গুলির খোল পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়রা এরকম ঘটনা ঘটিয়ে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করে পাঁচ বছরের জন্য চুরির লাইসেন্স পেতে চাইছে। পুলিশের পক্ষপাতিত্ব করছে। তাই এই খুনের ঘটনা ঘটল। আমরা মহম্মদবাজার থানার ওসিকে ক্লোজ করার জন্য সাত দিন আগে পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। জেলা রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আমরা প্রশাসনকে বলেছিলাম এই ওসি থানায় থাকলে নিরপেক্ষ ভোট হবে না। তাই আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি। আমরা দাবি করছি ওসির বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত করতে হবে।ছবি মাহারা বলেন, বুধবার বিকেলে ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এদিন সকালে মৃত্যুর খবর পাই। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বামীকে খুন করেছে। একই বক্তব্য তাঁর ছেলে উৎপল মাহারার। তিনি বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দিতে শুরু করে। মনোয়ন তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল। কিন্তু মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় বাবাকে হারাতে হল। আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি।সারেন্ডা গ্রামের বিজেপি প্রার্থী পরিতোষ পাল বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকে তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি বাড়ি হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই কারণে আমরা সব আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছিলাম। একজন তুলে নিলে আরেকজন থেকে যাবে এই ভেবে। সেই ভেবেই ছবিকে প্রার্থীকে করা হয়েছিল। কিন্তু ভয়ে গা ঢাকা দেওয়ায় মনোনয়ন তোলার সময় আসতে পারেননি। তবে ওই পরিবার আমাদের বিজেপির সক্রিয় কর্মী। আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ কোনরকম সাহায্য করেনি। এমনকি এদিন সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুলির খোল চুপচাপ নিয়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের চাপে পরে ফের একই জায়গায় রাখতে বাধ্য হয়।এদিকে বিজেপির দাবি মেনে পুলিশ কুকুর এসে ঘটনাস্থলের পর সোজা চলে যায় পুকুর ঘাটে। সেখান থেকে দিলীপের বাড়ি হয়ে পৌঁছে যায় প্রতিবেশী প্রদীপ মাহারার বাড়িতে। পুলিশ প্রদীপ মাহারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কেউ যুক্ত নয়। ওটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য হয়েছে। জেলা পুলিস সুপার রাজ নারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত চলছে। পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের ঘটনায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

কয়লা মাফিয়া দুর্গাপুরের বাসিন্দা রাজু ঝা খুনের মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। চার মাসের মধ্যে তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এই ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচা হাবের সামনে গাড়ির মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন রাজু ঝা। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজু। বামফ্রন্ট আমলে তাঁর বেআইনি কয়লার রমরমা কারবার চলত। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজু ঝা গ্রেফতারও হয়েছিলেন। গত ১ এপ্রিল খুন হয়েছিলেন কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা। তাঁর গাড়িতে ছিলেন গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের আব্দুল লতিফ। কয়লা মাফিয়া ও গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত একই গাড়িতে কেন? উঠেছে এই প্রশ্ন। তাহলে রাজুর সঙ্গে লতিফের সঙ্গে কি লেনদেনের সম্পর্ক ছিল? তাও খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআইকে চার মাসের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে এল, তবে এখনও খুনিরা অধরা

ঘটনা ঘটে গিয়েছে প্রায় দু সপ্তাহ হতে চলল। এখনও গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের খুনীদের গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। তবে এবার রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে চলে এসেছে। এর আগে গরুপাচার চক্রে অভিযুক্ত লতিফের মোবাইল ফোনে কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যদিও লতিফ এখনও ফেরার। তাঁকে তলব করেই চলেছে ইডি। সিসি টিভি ফুটেজের দেখা যাচ্ছে সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়ি দাড়িয়ে আছে। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ি থাকে নামে। একেবারে সাধারণ ভাবে সাদা গাড়ির সামনে আসে। তারপর একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে সাদা গাড়িতে বসে থাকা কাউকে এক নাগারে গুলি করতে থাকে। পরে জানা যায় সাদা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে দুষ্কৃতীরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাজুকে মৃত বলে চিকিৎসকরা ঘোষণা করেন। বর্ধমান শহর থেকে অনতি দূরে আমড়ায় জাতীয় সড়কের দুধারে ল্যাংচার দোকানের সামনের এই ঘটনা ঘটেছে ১ এপ্রিল। তারপর ৯ দিন কেটে গিয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। খুনিদের গাড়ি ঝাড়খন্ডের দিক থেকে এসেছে সেই সিসি টিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। ঝাড়খন্ডে পুলিশ খুনিদের ধরতে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনও একজনও দুষ্কৃতী ধরা পড়ার খবর মেলেনি।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
দেশ

শ্রদ্ধাকে খুনের পর দেহ ৩০ টুকরোই, রোমহর্ষক খুনের ৬,৬২৯ পাতার চার্জশিট পেশ

দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়াকারের রোমহর্ষক খুনের ঘটনার তদন্ত শেষ করেছে দিল্লি পুলিশ। গায়ে কাঁটা দেওয়া ওই খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল সারা দেশ। হতবাক হয়েছে দেশবাসী। অভিযোগ, খুন করেই ক্ষান্ত হয়নি অপরাধী। তাঁর লিভ-ইন-পার্টনার মৃতদেহ কেটে একাধিক টুকরো করেছিল। শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যা মামলায় মোট ৬,৬২৯ পাতার চার্জশিট আদালতে পেশ করছে দিল্লি পুলিশ। সূত্রের খবর, ওই চার্জশিটে বলা হয়েছে, গত বছরের মে মাসে লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করেছে আফতাব পুনাওয়ালা। হত্যার করে শ্রদ্ধার দেহ টুকরো টুকরো করে দেহাংশগুলো ফেলে এসেছিল কাছের জঙ্গলে। কেন খুন করা হয়েছে সেই কারণও বলা হয়েছে চার্জশিটে। তদন্তকারীদের অনুমান, পুরোনো এক বন্ধুর শ্রদ্ধার দেখা হওয়াই কাল হয়েছিল। ওই সাক্ষাতের পর ১৮ মে আফতাব ও শ্রদ্ধার মধ্যে মারপিট হয়। তারপরই শ্রদ্ধাকে নৃশংস ভাবে খুন করে আফতাব।দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার(সাউদার্ন রেঞ্জ) মিনু চৌধুরী বলেন, শ্রদ্ধা তাঁর এক পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফিরেছিল। আফতাব এই ঘটনায় হতাশ হয়ে পড়ে। সে শ্রদ্ধার সঙ্গে মারামারি করে। এই সময়ই রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করে আফতাব। চার্জশিটে মোট ১৫০ জন সাক্ষীর উল্লেখ করা হয়েছে। শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিল আফতাব। তারপর নিজের লিভ-ইন পার্টনারের দেহ সে ৩০ টুকরো করে। সেই দেহাংশগুলোই মেহরৌলির জঙ্গলে ফেলে দিয়ে এসেছিল আফতাব। চার্জশিটে আফতাবের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারা (খুন), ২০১ ধারা (প্রমাণ নষ্ট)-র অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ।এই মামলার তদন্তে পুলিশ মোট ৯টি দল গঠন করেছিল। গঠন করা হয়েছিল বিশেষ তদন্তকারী দলও। পুলিশকে তদন্তের কারণে ছুটতে হয়েছে হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন জায়গায়। পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলার তদন্তে ডিএনএ টেস্ট, নার্কো টেস্ট, ভয়েস অ্যানালাইসিস এবং মুখমণ্ডল পরীক্ষাও করা হয়েছে। মোবাইল, ল্যাপটপ, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ এবং ফোনের কল ডিটেলসেও চার্জশিটে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুন, এর পিছনে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না বালির কারবার?

সাতসকালে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ভরা বাজারেই লুটিয়ে পড়ল তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল। এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের আমগরিয়া এলাকার জনবহুল বাজারে। মৃতের নাম দুলাল শেখ (৪৫)। এই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বালির কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কেতুগ্রামের রতনপুরের পীড়তলা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ দলের অন্তর্কলহে খুন হয়েছেন দুলাল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলাল শেখ বালির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, পাশাপাশি ঠিকাদারিও করতেন। তবে এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত, পরিচিতিও আছে। পরিবার সূত্রে খবর, এদিন সকালে আমগরিয়ায় গিয়েছিলেন কোনও কাজে। সেখানেই বাজারে বসে গল্প করতে করতে চা খাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ করে বাইকে চেপে এসে কেউ বা কারা তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি ছোঁড়া হয়। ঘটনাস্থলেই দুলালের মৃত্যু হয়। সাতসকালে ভরাবাজারে প্রকাশ্যে জনবহুল এলাকায় শুটআউটের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা।পুলিশ তদন্ত করে দেখছে ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটল। বালি ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টাই কি কাল দুলালের? তা নিয়েও জল্পনা চলছে। গোষ্ঠী কোন্দলের অভিযোগ করেছে বিজেপি।জেলা পুলিশ সুপারকামনাশী সেন নিজে ঘটনাস্থলে তদন্তে গেছেন। পুলিশ সুপার জানান, কেস রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। খুনিদের সন্ধানে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের সন্ধান পাওয়ার জন্য জেলা ও ভিন জেলার সঙ্গে সংযোগকারী বিভিন্ন সড়কপথে পুলিশি নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেব টুডু বলেন, কি কারনে এমন ঘটনা ঘটলো সেটা আমাদের কাছে এখনো পরিষ্কার নয়, পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তৃণমূল কর্মী খুনের পর থেকে পুরো এলাকা থমথমে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্তের মৃত্যু রহস্য খতিয়ে দেখতে সিবিআইয়ের দুঁদে কর্তা কলকাতায়

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে কলকাতায় এলেন সিবিআই এর অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। মঙ্গলবার দমদম এয়ারপোর্ট থেকে তিনি সরাসরি এলেন সিজিও কমপ্লেক্সে। বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েই বিরাট প্রশ্ন উঠেছে। লালনের স্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। কলকাতায় সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন অজয় ভাটনগর।সিবিআই হেফাজতে বগটুই-কাণ্ডে কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য। বিক্ষোভ চলেছে রামপুরহাট সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে। হেফাজতে থাকাকালীন কীভাবে লালনের মৃত্যু হল? তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সিবিআইয়ের দাবি, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে লালন সেখ। তবে কেন্দ্রীয় সংস্থার এই দাবি মানতে নারাজ তাঁর পরিবার। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও লালন শেখের মৃত্যুর তদন্তের দাবি জানিয়েছে। খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে সিবিআইকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন।নিজেদের হেফাজতে মূল অভিযুক্তের মৃত্যু ঘিরে বেশ বেকায়দায় সিবিআই। লালন-মৃত্যুর প্রতিবাদে আজ দিনভর বোলপুরে সংস্থার অস্থায়ী ক্যাম্পের বাইরে চলে দফায়-দফায় বিক্ষোভ, চলতে থাকে অশান্তি। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভের আঁচ আছড়ে পড়ে কলকাতাতেও। এপিডিআর কলকাতার নিজাম প্যালেসের সিবিআই অফিসের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায়। এক কথায় বগটুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু ঘিরে সিবিআইয়ের ওপর দায় ঠেলছে অনেকেই।সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর বক্তব্য, সিবিআই যদি এত সিরিয়াস, তাহলে কীভাবে হেফাজতে থাকাকালীন একজনের মৃত্যু হল? এই ঘটনায় মঙ্গলবার মেঘালয়ের শিলঙে সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বীরভূমে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু হয় ভাদু শেখ খুন পরবর্তী বগটুই গ্রামে হিংসার ঘটনায় সম্প্রতি গ্রেফতার হয় লালন। এই গটনায় এফআইআর দায়ের করেছেন লালনের স্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal