• ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

দেশ

আবার কি লকডাউন আসছে? জ্বালানি সঙ্কটে দেশজুড়ে আতঙ্ক, মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে, আবার কি লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারের মতো কয়েকটি দেশ জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই কারণেই ভারতে একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও।তবে এই জল্পনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশে আবার লকডাউন জারি করার কোনও পরিকল্পনা নেই। কোভিডের সময় যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তেমন কিছু ফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন নিয়ে যে খবর ছড়াচ্ছে তা পুরোপুরি ভুল। এই সময়ে শান্ত থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও কেন্দ্রের দাবি, ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ তৈরি হলেও দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন এবং আগাম জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, কোনও ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য দেশ প্রস্তুত।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

ঢাকায় বড় চমক! তারেকের মন্ত্রিসভায় কারা পূর্ণমন্ত্রী, কারা প্রতিমন্ত্রী—ফাঁস সম্পূর্ণ তালিকা

আজ মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিমধ্যেই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নির্বাচিত সদস্যরা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন, কারা থাকছেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায়।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো সূত্রে খবর, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই নামের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৯ সদস্যের বড় মন্ত্রিসভা গড়তে চলেছেন তারেক রহমান।সূত্রের খবর, তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মুখ হতে চলেছেন খলিলুর রহমান। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস-এর নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁকে রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয় সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের এপ্রিলে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হন। সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাঁকেই বিদেশমন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর জল্পনা।পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল), ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) এবং শেখ রবিউল আলম।প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরী, এক ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় দুজন হিন্দু মুখও রয়েছেন। তাঁরা হলেন নিতাই রায় চৌধুরী ও দীপেন দেওয়ান। ফলে নতুন মন্ত্রিসভায় সাম্প্রদায়িক ভারসাম্যের দিকেও নজর রাখা হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আজকের শপথের পরই আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব নেবে নতুন সরকার। কোন মন্ত্রীর হাতে কোন দফতর যাবে, তা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

‘বালোচিস্তানে সেনা অসহায়’—সংসদে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, বালোচিস্তানে মোতায়েন নিরাপত্তাবাহিনী কার্যত বড় সমস্যার মুখে পড়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশটির বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে সেনারা অনেক ক্ষেত্রেই শারীরিকভাবে অসহায় হয়ে পড়ছেন। পিটিআই সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।সোমবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খাজা আসিফ বলেন, পাকিস্তানের মোট ভূখণ্ডের ৪০ শতাংশেরও বেশি জুড়ে রয়েছে বালোচিস্তান। এত বড় এলাকা নিয়ন্ত্রণ করা কোনও জনবহুল শহরের মতো সহজ নয়। সেখানে বিপুল সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করতে হয়। সেনারা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অভিযান চালালেও এত বড় এলাকা পাহারা দেওয়া ও টহল দেওয়ার কারণে তারা বাস্তবে বড় সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি বালোচিস্তানের ১২টি জায়গায় একযোগে জঙ্গি হামলার পর বড়সড় অভিযান চালায় নিরাপত্তাবাহিনী। সেই অভিযানে ১৭৭ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু অপরাধী চক্র নিষিদ্ধ বালোচ লিবারেশন আর্মির নাম ব্যবহার করে চোরাকারবারিদের রক্ষা করছে।সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে খাজা আসিফ বলেন, হিংসাকে কোনওভাবেই যুক্তিসঙ্গত বলে দেখানোর চেষ্টা মানা হবে না। তাঁর মতে, হিংসাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের রং দেওয়া হচ্ছে, যা আদতে অপরাধমূলক কাজ ঢাকার চেষ্টা ছাড়া কিছু নয়।এ ছাড়াও তিনি অভিযোগ তোলেন, বালোচিস্তানে কিছু জঙ্গি গোষ্ঠী ভারতের মদতপুষ্ট এবং আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে তারা সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে। তাঁর দাবি, জঙ্গিদের নেতৃত্ব আফগানিস্তানে বসেই কাজ করছে এবং সেখান থেকেই সাহায্য পাচ্ছে।বালোচিস্তান বঞ্চিতএই অভিযোগও নাকচ করেন খাজা আসিফ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে প্রদেশটির উন্নয়ন হয়েছে এবং অন্য যে কোনও প্রদেশের তুলনায় এখানে বিমানবন্দরের সংখ্যাও বেশি। বন্ধ থাকা বিমানবন্দরগুলি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে নিহত জঙ্গিদের নামই ওই তালিকায় উঠে আসছে।জঙ্গিদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর দাবি, জঙ্গিদের ব্যবহৃত রাইফেলের দাম প্রায় ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা এবং থার্মাল সাইটের দাম ৪ থেকে ৫ হাজার ডলার। এত অর্থের জোগান কোথা থেকে আসছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত লাগোয়া বালোচিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই হিংসাত্মক বিদ্রোহ চলছে এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পগুলিও বারবার হামলার লক্ষ্য হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

শোভনদেবকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে চাওয়ায় ফের আলোচনায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

কখনও তৃণমূলের মন্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম আবার কখনও প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য....। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির আয়োজিত রক্তদান শিবিরেও ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলেন তিনি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি প্রণাম জানানোর প্রসঙ্গ তুলতেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক।মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপাচার্য জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কে শুনে আসছেন, কিন্তু কখনও কাছ থেকে সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। সেই আবেগ থেকেই তিনি প্রকাশ্যে মন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিতে চান বলে জানান। বক্তব্য থামিয়ে তিনি এগিয়ে যেতেই মুহূর্তে পরিস্থিতি ঘুরে যায়।উপাচার্যের সৌজন্যমূলক উদ্যোগের জবাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেই এগিয়ে এসে তাঁর হাত ধরে ফেলেন। মন্ত্রী বলেন, তাঁর পরিবারে বহু শিক্ষক রয়েছেনস্ত্রী, পুত্রবধূ থেকে শুরু করে প্রয়াত বাবাও শিক্ষক ছিলেন। সেই কারণে তিনি শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাশীল। পায়ে হাত না দিয়ে হাতজোড় করেই প্রণাম জানানো যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রীর কথাতেই উপাচার্য হাতজোড় করে প্রণাম করেন এবং শোভনদেবও একইভাবে সৌজন্য প্রদর্শন করেন।তবে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথ। এক অনুষ্ঠানে ক্রিকেট আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে করা মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। সেই সময় সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর জীবনে মা, স্ত্রী ও কন্যার ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও তাঁর কার্যকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্মে ধর্মের উল্লেখ, সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্য, রাজ্য সরকারের মনোনীত রেজিস্ট্রারকে অপসারণ, শাসকদলের বিধায়কের প্রশংসা কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গণেশ পুজোর আয়োজনপ্রতিটি বিষয়ই কমবেশি বিতর্ক তৈরি করেছে।সব মিলিয়ে মঙ্গলবারের এই প্রণাম-প্রসঙ্গ নতুন করে উপাচার্যের ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিতর্কের তালিকায় আরও একটি অধ্যায় যোগ হলো বলেই মনে করছেন অনেকে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান পৌরসভার পৌরপতি পরেশ চন্দ্র সরকার সহ তৃণমূলের বিশেষ পদাধিকারিকেরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

৯১ বছর বয়সে প্রয়াত প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিবরাজ পাটিল, কী রেখে গেলেন দেশের জন্য?

দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা শিবরাজ পাটিল আর নেই। শুক্রবার ভোরে মহারাষ্ট্রের লাতুরে নিজের বাড়িতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বয়সজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। পিছনে রেখে গেলেন ছেলে শৈলেশ পাটিল, পুত্রবধূ ও বিজেপি নেত্রী অর্চনা পাটিল এবং দুই নাতনি।১৯৩৫ সালের ১২ অক্টোবর লাতুরে জন্ম শিবরাজ পাটিলের। সেখান থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু। পুরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে পৌরপ্রধান হন তিনি। এরপর ৭০-এর দশকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। টানা সাতবার লাতুর থেকে লোকসভায় জিতে নজির গড়েছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে শেষবার লড়ে বিজেপি প্রার্থী রুপাতাই পাটিলের কাছে পরাজিত হন।২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন শিবরাজ পাটিল। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর সমালোচনার মুখে পড়ে তিনি নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করেন। এর আগে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি লোকসভার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পঞ্জাবের রাজ্যপাল ও চণ্ডীগড়ের প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন।শান্ত, সংযত এবং মার্জিত ব্যবহারএই গুণেই পরিচিত ছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি কখনও, রাজনৈতিক বিতর্কেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সতর্ক। পাঠ্যপুস্তক ও নানা বিষয়ে বই পড়া ছিল তাঁর নেশা। মারাঠি, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় তাঁর দখল ছিল অসাধারণ। সংবিধান নিয়ে ছিল গভীর জ্ঞান।এক বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নামিয়েছে রাজনীতিতে। তাঁর অবদান আজও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

কর্নাটক কংগ্রেসে রদবদল হাওয়ায়, ডি.কে. শিবকুমারের অবস্থান শক্ত, সিদ্ধান্ত ঘিরে রহস্য

কর্নাটকের রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে অবশেষে পদক্ষেপ নিল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিবাদমান দুই শীর্ষনেতাকে দিল্লিতে তলব করেছেন। পাশাপাশি রাজ্যের আরও একাধিক প্রথম সারির নেতা এই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে খবর। বিশেষভাবে বলা হচ্ছে, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে, যেখানে রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।রাজ্য কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন ডেপুটি চিফ মিনিস্টার ডি.কে. শিবকুমার। দিল্লির নেতৃত্ব এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে শিবকুমারের যোগাযোগও তাৎপর্যপূর্ণ। শিবকুমারকে সম্প্রতি রাহুল গান্ধীর তরফে হোয়াটসঅ্যাপে এসেছে একটি বার্তা, যেখানে লেখা ছিল, অপেক্ষা করুন, আমি শীঘ্রই ফোন করছি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকে ইঙ্গিত করছে।সূত্রের খবর, আগামী ১ ডিসেম্বর লোকসভা অধিবেশনের শুরু হওয়ার আগে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে রদবদলের সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে টানাপোড়েন চলছিল। শিবকুমারও গত এক সপ্তাহ ধরে দলের বিষয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন, তবে সরাসরি ফোনে কথা বলা সম্ভব হয়নি।এদিকে কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়াও হাই কম্যান্ডের উপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের নেতৃত্ব নিয়ে এই দ্বন্দ্ব দলের জন্য ক্ষতিকর। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মল্লিকার্জে খাড়গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দুই নেতার সঙ্গে আলোচনা না করেই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।এই আবহেই কর্নাটকের রাজনৈতিক মহলের নজর এখন দিল্লির এই বৈঠকের দিকে। মুখ্যমন্ত্রী পদ কে দখল করবেন, তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত হওয়া উন্মুখ দৃষ্টিকোণ তৈরি করেছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

বিহারের মসনদে ফের নীতীশ কুমার, আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ

বিহারে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নীতীশ কুমার আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। গান্ধী ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি সম্পন্ন। নতুন NDA সরকারের গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা।প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক প্রভাবএবার বিধানসভা নির্বাচনে NDA একক ভাবে শক্তিশালী জয় পেয়েছে। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় তাদের ২০২টি আসন লাভ করেছে। এনডিএ ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তেজস্বী যাবদ, পিকের নয়া দলও। নীতীশ কুমারকে জোটের বিধায়করা নেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছে। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি।প্রশাসনিক এবং আনুষ্ঠানিক গঠনইতিমধ্যে নীতীশ কুমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খানকে। আজ আবার প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে বিহার সরকারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। নীতীশের নতুন মন্ত্রীসভায় প্রায় ৩৫ জন মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল ১১:৩০মিনিট নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা। থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অন্যান্য NDA নেতা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
বিদেশ

গাজা শান্তি সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি কীর্তি বর্ধন সিং

মিশরের শর্ম-এল-শেখে সোমবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গাজা শান্তি সম্মেলন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসি শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানান। তবে মোদি নিজে অংশ না নিয়ে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীকে।এই সম্মেলনে অংশ নেবেন আরও বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল মাক্রোঁ, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদরো স্যাঞ্চেজ এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।কূটনৈতিক মহল মনে করছে, গাজা উপত্যকার সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা তৈরি হতে পারে। উল্লেখ্য গাজায় আপাতত যুদ্ধবিরতি চলছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৫
রাজ্য

চোখের চিকিৎসা করতে নেপালে আটকে পড়েছিলেন বর্ধমানের বাসিন্দা, সামাজিক মাধ্যমে আবেদন করতেই .....

বিগত কয়েক দিন ধরেই উত্তপ্ত পরশি দেশ নেপাল। সরকার উপরে ফেলেছে ওই দেশের জনগণ। সেই দেশেই চোখের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে পড়েছিলেন বাংলার বাসিন্দা সৈয়দ আরজাদ হোসেন ও তাঁর মেয়ে কবিতা খাতুন। পূর্ব বর্ধমানের সরাইটিকর গ্রামের বাড়ি আরজাদের। কিন্তু কীভাবে বাড়ি ফিরবেন সেই চিন্তায় আকূল হয়ে পড়েছিলেন। বাড়ি ফেরার পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরেই সমস্যার সমাধান মেলে। ভারতীয় সেনা, দার্জিলিং এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আরজাদ হোসেন ও তাঁর মেয়ে দেশে ফিরছেন। এখন দুশ্চিন্তা মুক্ত বর্ধমানের এই পরিবার। পরিবার সূত্রে খবর, গত ৮ সেপ্টেম্বর মেয়ে কবিতাকে নিয়ে নেপালে যান আরজাদ হোসেন। পরের দিন তাঁরা চক্ষু চিকিৎসকের কাছে পৌঁছান। তাঁরা যখন নেপালে গিয়েছিলেন তখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে বাইরে বেরিয়ে তাঁরা হকচকিয়ে যান। গণ বিক্ষোভে আগুনে পুড়তে দেখেন পাহারী দেশকে। সেই পরিস্থিতি দেখে আরজাদ ও তাঁর মেয়ে সোজা হোটেলে ঢুকে পড়েন। হোটেলেই তাঁরা বন্দি হয়ে পড়েন। নেপালের পরিস্থিতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিভাবে বাড়ি ফিরবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান।নিরুপায় হয়ে সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন করেন আরজাদ হোসেন। বিষয়টির ওপর নজর দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। তাঁরা উদ্যোগী হয় হোসেন পরিবারকে এই দেশে ফিরিয়ে আনতে। তাঁরা ভারতীয় সেনার সঙ্গে যোগাযোগের পরেই সমস্য সমাধানের পথ তৈরি হয়। সেনার তৎপরতায় বৃহস্পতিবার সকালে যোগবানী সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন আরজাদ হেসেন ও তাঁর মেয়ে। এই পরিবারের বক্তব্য ভারতীয় সেনা ও প্রশাসন ছাড়া তাঁরা এখন ফিরতে পারতেন না। স্বস্তি ফিরেছে সরাইটিকরের হোসেন পরিবারে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫
বিদেশ

প্রধানমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রীর পদত্যাগ, মন্ত্রীদের বাড়িতে আগুন, জ্বলছে প্রতিবেশি নেপাল

দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সহিংস হয়ে ওঠার পর মঙ্গলবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভূতপূর্ব, গুরুতর পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সমস্ত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। টিআইএ-র জেনারেল ম্যানেজার হংসরাজ পান্ডে জানিয়েছেন, কোটেশ্বরের কাছে ধোঁয়ার কুণ্ডলীর কারণে দুপুর ১২:৪৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীসহ সিনিয়র মন্ত্রীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন এমন গুজবের মধ্যে টিআইএও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাজধানী কাঠমান্ডুতে পরিস্থিতি আবারও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠার পর প্রধানমন্ত্রী সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন। বিক্ষোভকারীরা ললিতপুরের সানেপা পাড়ায় নেপালি কংগ্রেস পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এপির প্রতিবেদন অনুসারে, বিক্ষোভকারীরা বালকোটে প্রধানমন্ত্রী ওলি, রাষ্ট্রপতি রাম চন্দ্র পৌদেল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বাসভবনেও আগুন ধরিয়ে দেয়। নেপাল সরকার দেশে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার একদিন পরই নতুন করে এই বিক্ষোভের ঢেউ শুরু হয়েছে। জেনারেল-জেডের নেতৃত্বে নিষেধাজ্ঞা এবং সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ফলে কমপক্ষে ১৯ জন নিহত এবং ৪০০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

ভারতে ইজরায়েলি অর্থমন্ত্রী, প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক এসএফআইয়ের

৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর তিন দিনের ভারত সফরে আসছেন ইজরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ। এই সফর ঘিরে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (এসএফআই)। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির অভিযোগ, বিজেপি সরকার ইজরায়েলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি (BIT) স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ওই চুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) করার পথ খুলে যাবে বলেও দাবি করেছে এসএফআই। তাদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারতের ঐতিহাসিক নীতি ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার পরিপন্থী।সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ইজরায়েলি শাসনকে তারা অপরাধী রাষ্ট্র মনে করে, কারণ ফিলিস্তিনে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। সংগঠনের দাবি, এমন রাষ্ট্রের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো এবং বাণিজ্য চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে।এসএফআই ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর সংগঠনের সমস্ত ইউনিটকে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবাদের মূল স্লোগান হবে বেজালেল স্মোটরিচ গো ব্যাক।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

লাল কেল্লা থেকে তেরঙ্গা উত্তোলন করেননি দেশের এই ২ প্রধানমন্ত্রী, কারণ জানলে চমকে যাবেন

Independence Day 2025: ভারতের স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অন্যতম গর্বের দিন। ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট আমরা উদযাপন করব দেশের ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ সালের এই দিনে দীর্ঘ ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। অসংখ্য সংগ্রামী মানুষের আত্মত্যাগ, সাহস এবং অবিচল মনোবল আমাদের এনে দিয়েছে স্বাধীনতার স্বাদ। সাধারণত প্রতি বছর ১৫ আগস্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল কেল্লার প্রাচীর থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। এই ঐতিহ্য শুরু হয়েছিল ১৯৪৭ সালে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর হাত ধরে।তবে জানেন কী দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী যারা কোনওদিন লালকেল্লা থেকে তেরঙ্গা উত্তোলন করেননি। কিন্তু তার পিছনে কী কারণ রয়েছে? সেটা হয়তো অনেকেই জানেন না। স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ এই দিনে দেশের প্রধানমন্ত্রী ঐতিহ্য অনুযায়ী লালকেল্লার প্রাচীর থেকে তেরঙ্গা উত্তোলন করেন এবং জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। কিন্তু দেশের ইতিহাসে এমনও দুই প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যারা কখনও এই সুযোগ পাননি। তারা হলেন গুলজারিলাল নন্দ ও চন্দ্রশেখর।গুলজারিলাল নন্দগুলজারিলাল নন্দ দুবার দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেনপ্রথমবার ১৯৬৪ সালে জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর এবং দ্বিতীয়বার ১৯৬৬ সালে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুর পর। দুই ক্ষেত্রেই তাঁর মেয়াদ ছিল মাত্র ১৩ দিনের মতো। ফলে কোনওবারই ১৫ আগস্ট তাঁর কার্যকালের মধ্যে পড়েনি, আর তিনি লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলনের সুযোগ পাননি।চন্দ্রশেখরভারতের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখর ১৯৯০ সালের নভেম্বর থেকে ১৯৯১ সালের জুন পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তাঁর সরকার মাত্র ছয় মাসেই পতন হয়। সেই সময়ের মধ্যে স্বাধীনতা দিবস না পড়ার কারণে তিনিও কখনও লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলন করতে পারেননি।লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলনের তাৎপর্য১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভের পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত নেহরু এই ঐতিহ্য শুরু করেন। এরপর থেকে প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলন করে দেশের উদ্দেশে ভাষণ দেন। এটি শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা, গর্ব ও গণতন্ত্রের প্রতীক।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
দেশ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে ৫০০০ কোটির বেশি মূল্যের প্রকল্পের সূচনা করবেন

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন।১৯৫০ কোটি টাকার বেশি অর্থ বরাদ্দে তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোয় প্রধানমন্ত্রী বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন (CGD) প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘরোয়া, বাণিজ্যিক ও শিল্পগ্রাহকদের PNG সংযোগ প্রদান করা হবে, রিটেল আউটলেটে CNG উপলব্ধ থাকবে এবং এই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর-হলদিয়া প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইনের দুর্গাপুর থেকে কলকাতা পর্যন্ত ১৩২ কিমি দীর্ঘ অংশটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যা প্রধানমন্ত্রী উর্জা গঙ্গা (PMUG) প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত জগদীশপুর-হলদিয়া ও বোকারো-ধামরা পাইপলাইন প্রকল্পের অংশ। আনুমানিক ১,১৯০ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও নদিয়া জেলার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। স্থানীয়দের জন্য এই পাইপলাইন নির্মাণকালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং এখন লক্ষাধিক পরিবারকে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে সহায়তা করবে।পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর স্টিল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন এবং রঘুনাথপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে ফ্লু গ্যাস ডিজালফারাইজেশন (FGD) সিস্টেম সংযোজনের প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার আনুমানিক ব্যয় ₹ ১,৪৫৭ কোটি টাকা। এটি এলাকার পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী পুরুলিয়া জেলার পুরুলিয়া-কোটশিলা রেললাইন দ্বিগুণ করার ৩৬ কিমি দীর্ঘ প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার ব্যয় প্রায় ৩৯০ কোটি। এই প্রকল্পটি জামশেদপুর, বোকারো ও ধানবাদের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে রাঁচি ও কলকাতার সংযোগ উন্নত করবে, পণ্য পরিবহনের গতি বাড়াবে এবং শিল্প ও ব্যবসার ক্ষেত্রে লজিস্টিক্স সুবিধা উন্নত করবে।সেতু ভারতম প্রকল্পের অধীনে পশ্চিম বর্ধমানের তোপসি ও পাণ্ডবেশ্বরে নির্মিত দুটি রোড ওভার ব্রিজ (ROBs)-এর উদ্বোধনও প্রধানমন্ত্রী করবেন, যার মোট ব্যয় প্রায় ৩৮০ কোটি টাকা। এই সেতুগুলি রেল লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা রোধ এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন

জুলাই ১৭, ২০২৫
রাজ্য

বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার ডাক রাজ্যের মন্ত্রীর

সল্টলেকে অনুষ্ঠিত হলো ইন্ডিয়ান গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (IGBC), কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (CII)। গ্রিন বেঙ্গল সামিট 2025, এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্ব), পরিবেশ। আমাদের যে কাজটা করতে হবে শুধুমাত্র আজকের দিনের জন্য সীমিত নয়। ভবিষ্যতে যেন আমরা বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে যেতে পারি সেদিকে তাকিয়েই কাজগুলো করতে হবে। বিল্ডিং যাতে গ্রীন হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যাতে রূপ টপ এবং অন্যান্য জায়গায় ভাবনা চিন্তা করে আমরা যেন বাসযোগ্য পৃথিবীটা গড়ে তুলতে পারি। এই ভাবনাটিকে বাস্তবায়িত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

জুন ০৬, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

"ভারত সেরা" ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, ঘোষণা ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানের

মহিলা ফুটবলে ভারত সেরা ইস্টবেঙ্গল। সেই উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কি বলেছেন এদিনের অনুষ্ঠানে:-ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে আমার অন্তরের আত্মিক সম্পর্ক। এই ক্লাব একাধিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১০০ বছর অতিক্রম করে বাংলার ফুটবলকে যে সম্মানের জায়গায় প্রদর্শিত করেছেন তার জন্য আমি গর্বিত। সদ্য ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মহিলা ফুটবল টিম ভারতসেরা IWL জয়ী হয়েছে, আমি তাদের প্রতি বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলাম। ইস্টবেঙ্গল মহিলা টিমের এই সফল্যে বাংলা আজ গর্বিত। তাদের খেলার সার্বিক বিকাশের জন্য আজকের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে ৫০ লক্ষ টাকা তুলে দিলাম। এছাড়াও রবীন্দ্রসদনের এই মঞ্চে প্রকাশ করলাম পরিচালক গৌতম ঘোষের তৈরি শতবর্ষে ইস্টবেঙ্গল নামে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ইতিহাসের একটি তথ্যচিত্র।আমি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার খেলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন একাডেমি গঠন করার কাজ শুরু করেছিলাম। বাংলায় প্রায় ৮টি একাডেমি তৈরি করেছি। ফুটবল খেলায় বাংলাকে সম্মানের উচ্চস্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান ক্লাবকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেছি। পূর্বে খেলার জন্য বরাদ্দ ছিল ১২৬ কোটি টাকা, বর্তমানে ৬ গুণ বেড়ে হয়েছে ৮৪০ কোটি টাকা। আমরা ৪৪টি যুব আবাস, ৩৪টি স্টেডিয়াম, ৭৯৫টি মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম, ৪ হাজারের বেশি মাল্টি জিম গড়ে তুলেছি। ৪০০-র বেশি খেলার মাঠের উন্নয়ন করা হয়েছে। সুইমিং পুল গড়ে তোলা হয়েছে ৬টি। রাজ্যের যুব আবাসগুলিতে ৪,৮০০ বেশি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলাশ্রী প্রকল্পের আওতায় বাংলার ৩৪ হাজার ক্লাবকে আমরা ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করি। এছাড়াও ৩৪টি ক্রীড়া সংস্থাকে বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা করে প্রদান করি। আমি সন্তোষ ট্রফি বিজয়ী ২১ জন খেলোয়াড়কে পুলিশের চাকরির মানপত্র তুলে দিয়েছি। ভালোবাসা, ভালোলাগার খেলাকে যাতে আরও সুন্দর ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এবং আগামীতে নিজেদের পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে প্রস্তুত করে, তার জন্য আমাদের সরকার সবসময় বাংলার যুবক-যুবতীর পাশে আছে। আগামী দিনে বাংলার যুব সমাজ ক্রীড়াতে ভারত তথা বিশ্বের কাছে বাংলার নাম আরও উজ্জ্বল করবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
রাজ্য

রাতভর চাকরিহারা শিক্ষকদের ঘেরাও, অবস্থান, যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ নিয়ে কি বললেন ব্রাত্য?

সোমবারই পার হয়েছে ডেডলাইনই। তবে যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করেনি স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। দাবি আদায়ে রাতভর এসএসসি ভবন ঘেরাও করে রেখেছিল চাকরিহারা শিক্ষকরা। চাকরিহারা শিক্ষকদের চাপের মুখে পিছু হটেছে পুলিশও। সোমবার সারা রাত কমিশনের দফতরেই আটকে ছিলেন এসএসসির চেয়ারম্যান। গোটা বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মন্ত্রী বলেছেন কোর্ট বললেই তালিকা প্রকাশ করা হবে, রিভিউ পিটিশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। শুধু এসএসসি দফতর নয়, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদেও চাকরিহারা শিক্ষাকর্মীরা ঘেরাও করে রাখে। অযোগ্যদের বাঁচানোর চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে সরকার, এমনই দাবি যোগ্য চাকরিহারাদের। মধ্যরাতে ফের এসএসসি ভবনের সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশকে ঠেলে বের করে দেয় আন্দোলনকারীরা তাঁদের মূল দাবি, যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতেই হবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকায় বিভাজনের কৌশল দেখছেন চাকরিহারা।শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বক্তব্য, যাঁরা যোগ্য বঞ্চিত শিক্ষক, সময়মতোই বেতন পাবেন। এসএসসি বলেছে, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনেই চলবে। আমরা দ্রুত রিভিউ পিটিশনে যাচ্ছি। এখানে জলঘোলা করার কোনও ব্যাপার নেই। আইনজ্ঞদের অনুমতি না মেলাতেই তালিকা প্রকাশিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেই তালিকা প্রকাশিত হবে। রিভিউ পিটিশন করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এদিকে, সোমবার রাত ১২টার পরে এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বিবৃতিতে বলেন, ২০১৬ সালে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে যে, এসএসসি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চলবে। এবং বিভাগ কর্তৃক জানানো হচ্ছে, যে শিক্ষকেরা চাকরি করেছেন, তাঁদের বেতন বর্তমান ব্যবস্থা অনুসারে বিতরণ করা হবে। অন্য দিকে, বিক্ষোভকারী চাকরিহারা শিক্ষকেরা জানিয়ে দেন, যোগ্য-অযোগ্যের তালিকা না পেলে তাঁদের আন্দোলন চলবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
কলকাতা

রণক্ষেত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, জখম ছাত্র-অধ্যাপক

হুলস্থুল কাণ্ড যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, শিক্ষা মন্ত্রীর গাড়ির চাকার হওয়া খুলে দিল ছাত্রছাত্রীরা একেবারে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আটকে পড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বাম ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তুমুল ধস্তাধস্তি চলে। ক্যাম্পাসের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলতা। অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়েছে। মূলত, ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ভাষণ চলাকালীন সেখানে ঢুকে পড়ে বাম সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের কয়েকজন সদস্য। তারপর চেয়ার ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কির জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপকদের অনেকেই বলে অভিযোগ। ব্রাত্যের গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়। চোর-চোর এবং গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। মন্ত্রীর গাড়ির বেনেটেও উঠে পড়ে ছাত্ররা। ওয়েবকুপার বার্ষিক সভা শুরুর আগে ছাত্র ভোট চেয়ে সভাগৃহের বাইরে এসএফআইয়ের সদস্যরা হোর্ডিং, পোস্টার টাঙিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার দাবি জানাতে থাকেন। এরপরই ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির জন্য টিএমসিপি (TMCP) প্রতিবাদ করতেই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তিন নাম্বার গেট দিয়ে ওয়েব কুপার মিটিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয় শিক্ষামন্ত্রীকে। ছাত্র বিক্ষোভে আটকে থাকা অবস্থায় ব্রাত্য বসু বলেন, এটাই হচ্ছে এই সব (বাম-অতিবাম) ছাত্র সংগঠনের গণতন্ত্র। এরাই রাস্তায় নেমে অসভ্যতা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধৈর্যে বিশ্বাস করেন। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। আমরা সহিষ্ণুতার পাঠ জানি। আমি ওদের বললাম আপনারা দুজন আসুন। ওরা বলল চল্লইস জন যাব। আর এতজন মিলে কথা হয়। এরপরই ওরা বাধা দেয়। আমাদের প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে যাতে পুলিশ ডাকি। কিন্তু সেটা করব না।দুপক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া ও অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেই খবর। এদিকে বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাঁচ। যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড-এ অবস্থান SFI-এর। এদিকে গোটা ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় SSKM হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ আজকের হামলাকে প্রাণঘাতী হামলা বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এক পোস্টে লিখেছেন, তৃণমূলের সৌজন্য মানে দুর্বলতা নয়। গায়ে হাত দেবে কেন? শাসক বলে সংযত নিশ্চয় থাকা উচিত। কিন্তু বাঁদরামি সীমা পার করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া উচিত।

মার্চ ০১, ২০২৫
দেশ

প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, এইমসে সনিয়া, প্রিয়াঙ্কা, আসছেন রাহুল

প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে দিল্লির ভর্তি করা হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। আজ রাতেই দিল্লির এমসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এইমসে পৌঁছান সনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি।পঞ্জাবের গাহতে জন্মগ্রহণ করেন মনমোহন সিং। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্ণরও ছিলেন। অর্থনীতিতে পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন মনমোহন সিং। দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার সঙ্গে বিচরণ করছেন। মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই দিল্লির AIIMS-এ পৌঁছোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কর্ণাটক থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জন খাড়গেরা। মনমোহন সিংয়ের মেয়ে এবং স্ত্রীও এইমস-এ রয়েছেন। অন্যদিকে, কর্ণাটকের বেলাগাভিতে চলমান CWC সভা মাঝপথে বাতিল করেছে কংগ্রেস। শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। শুধু ভারতে নয়, গোটা বিশ্বের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অগ্রগণ্য তিনি। তাঁর অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে তাঁকে রাজনীতিতে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়। নরসিমা রাওয়ের মন্ত্রিসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। মনমোহন সিং ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁকে অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার বলে অভিহিত করলেও প্রধানমন্ত্রী থেকে তাবড় বিজেপি নেতৃত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন। সজ্জন, ভদ্র, সৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই দেশের জনতা মনে রাখবেন মনমোহন সিংকে।তিনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি লোকসভা নির্বাচনে না জিতে রাজ্যসভা সদস্য হয়ে দুবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এরপরেও তিনি রাজ্যসভার মাধ্যমে কংগ্রেসের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি বজায় রেখেছিলেন। তাঁর সরকারের অনরাত্মা ছিলেন সনিয়া গান্ধী।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিদেশি প্রতিযোগীদের টেক্কা দিয়ে সাফল্য, আন্তর্জাতিক ক্যারাটে মঞ্চে গুসকরার জয়জয়কার

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ফের উজ্জ্বল হল পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার নাম। কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দশম আন্তর্জাতিক ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সাফল্য পেল গুসকরার একটি ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিদেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে একসঙ্গে ৩১টি পদক জয় করেছেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১৬ জন প্রতিযোগী।গত ৩১ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গুসকরার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা মোট ৩১টি ইভেন্টে অংশ নেন। তাঁদের ঝুলিতে এসেছে ৫টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য এবং ১৮টি ব্রোঞ্জ পদক। এই সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে গুসকরা জুড়ে।স্বর্ণপদক জয়ীদের মধ্যে রয়েছেন শ্রেয়াঙ্ক মুর্মু, অন্যরা সাউ, সৌরদীপ অধিকারী এবং অরণ্যা দত্ত। তাঁদের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাকি প্রতিযোগীরাও বিভিন্ন ইভেন্টে সাফল্য অর্জন করে গুসকরার ক্রীড়াক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা-সহ সাতটিরও বেশি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। ফলে এমন একটি প্রতিযোগিতার মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই সাফল্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জেলার ক্রীড়ামহলের সঙ্গে যুক্তরা।প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্ণধার তথা প্রধান প্রশিক্ষক সেনসাই পার্থ সারথী পাল বলেন, গুসকরা থেকে এই প্রথম এত সংখ্যক প্রতিযোগী আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জন করল। তাঁর মতে, ক্যারাটেকে শুধুমাত্র পদক জয়ের খেলা হিসেবে দেখলে চলবে না। শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো, আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো, শৃঙ্খলাবোধ তৈরি, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলাই এই খেলার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।অভিভাবকরা যদি সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সন্তানদের ক্যারাটে প্রশিক্ষণে উৎসাহিত করেন, তাহলে আগামী দিনে আরও বহু প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।এলাকার ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, গুসকরার এই সাফল্য কোনও একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাফল্য নয়। এটি গোটা পূর্ব বর্ধমান জেলার গর্ব। আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই নজরকাড়া পারফরম্যান্স আগামী দিনে জেলার ক্যারাটে চর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দেরও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের মেলে ধরার ক্ষেত্রে এই সাফল্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘মেসি’ হয়ে ওঠার নেপথ্যের মানুষ আর নেই, প্রয়াত জর্জ মেসি

৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন লিওনেল মেসির বাবা জর্জ মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মেসির পরিবারের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ফুটবল মহলেজর্জ মেসি শুধু লিওনেল মেসির বাবা ছিলেন না, ছেলের দীর্ঘদিনের এজেন্ট ও পরামর্শদাতাও ছিলেন। মেসির ফুটবলজীবনের শুরু থেকে তাঁর পাশে ছিলেন জর্জ। ছেলের প্রতিভার উপর আস্থা রেখে ছোটবেলা থেকেই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি।রোজারিওতেই ছোটবেলায় ফুটবলের হাতেখড়ি হয়েছিল মেসির। নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের যুব দলে খেলার সময় তাঁর প্রতিভা নজর কাড়ে। শারীরিক বৃদ্ধির জন্য হরমোনের চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল মেসির। সেই পরিস্থিতিতে ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে জর্জই তাঁকে নিয়ে স্পেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বার্সেলোনায় মেসির ফুটবলজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।ছেলের সঙ্গে বার্সেলোনায় থেকেছেন জর্জ। মেসির পেশাদার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সাঁ জাঁ এবং ইন্টার মায়ামিমেসির ক্লাবজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বাবার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।শুধু ফুটবল নয়, মেসির ব্যক্তিগত জীবনেও বাবার প্রভাব ছিল গভীর। কঠিন সময়েও জর্জ ছেলের পাশে থেকেছেন। তাই মেসির জীবনে জর্জ ছিলেন একইসঙ্গে বাবা, অভিভাবক, পরামর্শদাতা এবং দীর্ঘদিনের পেশাদার প্রতিনিধি।চলতি বছর বিশ্বকাপের সময় থেকেই জর্জের অসুস্থতার খবর সামনে আসতে শুরু করেছিল। মেসিও একসময় জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে তিনি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। পরে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই শেষ হল জর্জ মেসির।মেসির ফুটবলজীবনের উত্থানের সঙ্গে জর্জের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ছেলের প্রতিভায় বিশ্বাস রেখে যে মানুষটি তাঁর পথচলার শুরু থেকে পাশে ছিলেন, তাঁর প্রয়াণে মেসির জীবনে তৈরি হল এক গভীর শূন্যতা। ফুটবল দুনিয়াতেও নেমে এসেছে শোকের আবহ।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
ভ্রমণ

সিকিমের অফবিট সৌন্দর্যে মুগ্ধ করবে জুলুক থেকে জোংগু, ঘুরে এলে মন চাইবে বারবার

ব্যস্ত শহরের কোলাহল, কর্মব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি আর প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপ থেকে কিছুদিনের জন্য মুক্তি পেতে আমরা কয়েকজন বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম ভারতের উত্তর-পূর্বের ছোট্ট অথচ অপরূপ সুন্দর রাজ্য সিকিমের উদ্দেশ্যে। পাহাড়, মেঘ, ঝরনা আর সবুজ প্রকৃতির টানে বহুদিন ধরেই সিকিম আমাদের স্বপ্নের গন্তব্য ছিল।শিলিগুড়ি থেকে গাড়িতে চড়ে যখন সিকিমের পথে যাত্রা শুরু করলাম, তখনই বুঝতে পারলাম এক অন্য জগতে প্রবেশ করতে চলেছি। তিস্তা নদী আমাদের পথসঙ্গী হয়ে বয়ে চলছিল। পাহাড়ের গা বেয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা, দূরে মেঘে ঢাকা পাহাড়ের সারি আর নদীর কলকল শব্দ যেন মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিল।গ্যাংটক পৌঁছে আমরা প্রথমেই শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং শৃঙ্খলা দেখে মুগ্ধ হলাম। তবে আমাদের আসল লক্ষ্য ছিল সিকিমের কিছু অফবিট বা কম পরিচিত স্থান ঘুরে দেখা। তাই পরদিন সকালে আমরা রওনা দিলাম জুলুকের উদ্দেশ্যে। পূর্ব সিকিমের এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি পর্যটকদের কাছে এখনও তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত। পথে বিখ্যাত জিগজ্যাগ রোডের ৩২টি বাঁক দেখে আমরা অভিভূত হয়ে গেলাম। পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচের রাস্তা দেখতে যেন বিশাল কোনো শিল্পকর্মের মতো লাগছিল।জুলুকের ঠান্ডা আবহাওয়া আর নিস্তব্ধ পরিবেশ আমাদের মন জয় করে নিল। রাতের আকাশে অসংখ্য তারার মেলা দেখে মনে হচ্ছিল যেন স্বর্গের খুব কাছাকাছি এসে গেছি। শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে এই অভিজ্ঞতা সত্যিই ছিল অসাধারণ।পরের দিন আমরা গেলাম থাম্বি ভিউ পয়েন্টে। ভোরবেলায় সূর্যের প্রথম আলো যখন কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফঢাকা শৃঙ্গে পড়ল, তখন সেই দৃশ্য ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। সোনালি আলোয় ঝলমল করা পর্বতশ্রেণি আমাদের চোখে এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে রইল।এরপর আমরা উত্তর সিকিমের এক সুন্দর অফবিট গ্রাম জোংগুতে পৌঁছালাম। এটি লেপচা সম্প্রদায়ের সংরক্ষিত এলাকা। এখানকার মানুষজন অত্যন্ত আন্তরিক এবং অতিথিপরায়ণ। তাদের সংস্কৃতি, জীবনযাপন এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমাদের গভীরভাবে মুগ্ধ করল। ছোট ছোট কাঠের বাড়ি, পাহাড়ি ঝরনা এবং সবুজ বনভূমির মধ্যে কয়েকটি দিন কাটিয়ে মনে হলো প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এক অপূর্ব সহাবস্থান প্রত্যক্ষ করছি।জোংগু থেকে ফেরার পথে আমরা কয়েকটি অজানা ঝরনা এবং ছোট পাহাড়ি গ্রামে থামলাম। প্রতিটি স্থান যেন প্রকৃতির নিজস্ব হাতে সাজানো একেকটি চিত্রপট। কোথাও পাখির ডাক, কোথাও ঝরনার শব্দ, আবার কোথাও শুধুই নীরবতাসব মিলিয়ে সিকিমের প্রকৃতি যেন হৃদয়কে নতুন করে বাঁচতে শেখায়।ভ্রমণের শেষ দিনে আমরা বুঝতে পারলাম, সিকিম শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়; এটি এক অনুভূতির নাম। এখানে পাহাড় শুধু চোখকে নয়, মনকেও ছুঁয়ে যায়। প্রকৃতির এত কাছে এসে জীবনের ছোট ছোট সুখগুলোর মূল্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায়।ফেরার পথে গাড়ির জানালা দিয়ে শেষবারের মতো পাহাড়গুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল, সিকিম যেন নীরবে বলছেআবার এসো। আমরাও মনে মনে প্রতিশ্রুতি দিলাম, এই অফবিট সৌন্দর্যের রাজ্যে আবার ফিরে আসব। কারণ সিকিমের মায়া একবার যার মনে জায়গা করে নেয়, তাকে বারবার টেনে নিয়ে যায় তার সবুজ পাহাড়, নীল আকাশ আর মেঘের দেশে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘রাজনীতিটাই জটিলতা’, শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে বড় বার্তা দুই সাংসদের

এনডিএ-তে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনার মধ্যেই শনিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন এনসিপিআইয়ের দুই সাংসদ আবু তাহের ও খলিলুর রহমান। বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে তাঁদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন তাঁরা। আবু তাহের জানান, এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে তাঁরা যাবেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাজনীতিটাই জটিলতা। প্রতিদিন জটিলতার মধ্যে দিয়ে চলছি।এনসিপিআইয়ের মোট ২০ জন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠানকে ঘিরেই মূলত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তিন সাংসদের নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে তাঁদের বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।এই তিন সাংসদ এখনও পর্যন্ত এনডিএ-র বিভিন্ন বৈঠক থেকে দূরে থেকেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়। তার পরেই শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়।পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন দুই সাংসদ। বৈঠকে তাঁদের রাজ্য এবং নিজ নিজ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাঁরা। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেন দুই সাংসদ।বৈঠকের পর আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান জানান, তাঁদের উত্থাপিত সমস্যাগুলি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এনডিএ-র সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা পুরোপুরি থামেনি।বিশেষ করে তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই আবু তাহেরের এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে যাব না মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি এবং তার পরেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎদুই ঘটনাকে পাশাপাশি রেখে রাজনৈতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে পুলিশের অভিযান, দত্তপুকুর থেকে পাকড়াও নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক

নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে তোলা হবে।২০২৪ সালের উপনির্বাচনে নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন সনৎ দে। তবে তার আগে থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় সূত্রে তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং জমি দখলের অভিযোগ ছিল বলে জানা যায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়। এরপর সনৎ দে-র বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরেই শুক্রবার রাতে দত্তপুকুরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে গত জুন মাসে জনরোষের মুখেও পড়েছিলেন সনৎ দে। নৈহাটির বিজয়নগরে নিজের বাড়ির কাছে দলীয় কার্যালয় খোলার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ সামনে আসে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা সেই অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখছেন। সব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।শুক্রবার গভীর রাতে গ্রেফতারের পর শনিবার সনৎ দে-কে বারাকপুর আদালতে পেশ করার কথা। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে পুলিশ কী তথ্য পায় এবং আদালতে কী অবস্থান জানায়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal