• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Maldah

রাজ্য

আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ, ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি মালদায়

মালদা, ২১ ডিসেম্বর। সরকারি প্রকল্পে বাংলা আবাস যোজনায় তালিকা তৈরি নিয়ে দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে রাস্তায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় নাম রয়েছে বেশ কিছু সরকারি কর্মচারীদের নাম। কিন্তু প্রকৃত উপভোক্তাদের তালিকায় নাম নেই। যাদের পাকা বাড়ি নেই। কাটমানি দিতে না পারায় নাম নেই অভিযোগ এলাকাবাসীর। প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারী শতাধিক গ্রামবাসীরা। বুধবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসিহাটা এবং মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে রাজ্য সড়কে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। এলাকাবাসীর সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল সমর্থকদের একাংশ। এদিন মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মহেন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় নাম রয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ফেশান আলি সহ একাধিক নেতার, সরকারি কর্মচারীর এবং যাদের পাকা বাড়ির রয়েছে তাদেরও। কিন্তু যাদের পাকা বাড়ি নেই, দরিদ্র পরিবার তাদের কারোর নাম নেই। তারা কাটমানি দিতে পারে নি বলে নাম নেই এমনটাই দাবি বিক্ষোভকারীদের। প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে ভোট বয়কট করা হবে বলেও জানিয়েছে বিক্ষোভকারী দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। অপরদিকে তুলসিহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনেও একই অভিযোগে বিক্ষোভ। পঞ্চায়েতের কার্য্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীরা।হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের বস্ত্র দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, এরকম ঘটনার বিষয় যদি ঘটে থাকে তাহলে প্রশাসন অবশ্যই তা তদন্ত করে দেখবে। যারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না হবে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

রাসায়নিক সারের কালোবাজারি রুখতে গোডাউনে হানা কৃষি আধিকারীকের

মালদহের চাঁচলে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি রুখতে নড়েচড়ে বসল কৃষি দপ্তর। দীর্ঘদিন ধরেই রাসায়নিক সারের কালোবাজারি নিয়ে সরব হয়েছিলেন চাষীদের একাংশ।পরিপ্রেক্ষিতে নড়েচড়ে বসল কৃষি দফতর।মজুত করে রাখা সারের গোডাউন খতিয়ে দেখলেন স্বয়ং মালদা জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা সৌমেন্দ্রনাথ দাস,চাঁচল মহকুমা কৃষি আধিকারিক অতীন মোদক,ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট মনোজিৎ নস্কর সহ কৃষি আধিকারিকেরা।এদিন চাঁচল-১ ব্লকের খরবা পঞ্চায়েত এলাকার বেশ কয়েকটি সারের দোকানের গোডাউনে অভিযান চালানো হয়।এর আগে চাঁচলে অভিযোগ উঠছিল, নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে রাসায়নিক সারের।কৃষি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যে সমস্ত সার ব্যবসায়ীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চলবেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সারের সঠিক এমআরপি দামে কৃষকেরা সার কিনতে পারেন সেদিকেও আমরা লক্ষ্য রাখব।সারের কালোবাজারির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছেন চাষীরা।কৃষি আধিকারিকের আশ্বাসের পর সঠিক এম আর পি তে কৃষকরা সার কিনতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

স্কুলের বাথরুমের ছাদ ও দেওয়াল মাথায় ভেঙে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ছাত্রের মৃত্যু, দায় কার?

মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল মালদার মোথাবাড়ি থানার বাঙ্গিটোলা হাইস্কুলে। এই সরকারি স্কুলের শৌচাগারের ছাদ এবং পাঁচিল ভেঙে মৃত্যু হল এক ছাত্রের। গুরুতর জখম হয়েছে আরেক ছাত্র। আহত ছাত্রকে ভর্তি করা হয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। দুইজনই একাদশ শ্রেণির ছাত্র। বৃহস্পতিবার দুপুরে মর্মন্তুদ এই দুর্ঘটনার পর স্কুলে ভাঙচুর করা ক্ষুব্ধ জনতা। মারধর করা হয়েছে সিভিকি ভলান্টিয়ারদেরও। স্কুল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ করেছে মৃত ও আহত ছাত্রের পরিবার। জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম জিসান শেখ, বয়স ১৭ বছর। জিসানের বাড়ি বাঙ্গিটোলা ফিল্ডকলোনি এলাকায়। জখম জিসান মোমিন(১৭)-এর বাড়ি জোত-অনন্তপুর এলাকায়। মৃতের দাদা সফিকুল শেখ জানান, অন্য দিনের মতো ভাই এদিনও স্কুলে গিয়েছিল। স্কুলে টিফিন চলাকালীন ভাই শৌচাগারে যায়। সেই সেময় শৌচাগারের ছাদের একটা অংশ এবং পাঁচিল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে ভাইয়ের মাথার ওপর পড়ে। তখন আরেক ছাত্র বাথরুমে ছিল। সেও গুরুতর জখম হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে শৌচাগারটির বেহাল দশা সত্বেও কেন সংস্কার করা হয়নি? প্রশ্ন তুলেছেন মৃত ও আহতদের পরিবার। মুখ বন্ধ রেখেছে বাঙ্গিটোলা হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই খবর জানাজানি হতেই বাঙ্গিটোলা এলাকায় চরম অসন্তোষ ছড়িয়েছে। মানুষজন ভিড় করে স্কুলে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, স্কুলে গিয়ে বাড়ির ছেলেকে জীবন চলে গেল। এই ক্ষতিপূরণ কীভাবে মিটবে। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মৃত ছাত্রের পরিবার। এই ঘটনার দায় কার? স্থানীয়দের বক্তব্য স্কুল কতৃপক্ষ কি দায় এড়াতে পারবে। স্কুলে পড়াতে পাঠিয়ে জীবন চলে গেল এর শাস্তি কে পাবে? কোটি কোটি টাকা খরচ করে সাইকেল, মোবাইল দেওয়া হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের। সেখানে বাথরুমের ছাদ ও পাঁচিল ভেঙে মৃত্যুর ঘটনায় হতবাক মালদাবাসী। এই ঘটনায় যাঁরা দায়ী তাঁদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি উঠেছে।

নভেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

খেটেখাওয়া জামাইবাবু-শ্যালক এক টিকিটেই কোটিপতি

দুজনের ভাগ্য জুড়ে এক টিকিটের সিরিজেই ১ কোটি! মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের জামাইবাবু-শ্যালক ১৫ টাকা করে ভাগে টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গিয়েছেন। এও যেন এক নজির। এক সিরিজের টিকিট কেটেছেন দুজন মিলে। তাই পুরস্কারের টাকাও দুভাগ করে নেবে তাঁরা।মালদার চাঁচোলের হরিশ্চন্দ্রপুরে পিপলা গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু সাহা এবং কৃষ্ণ দাস। এরা সম্পর্কে জামাইবাবু-শ্যালক। এঁরা দুজনেই পানের দোকান চালান। কোনওরকমে দিনযাপন চলে। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। এবার এঁদের দুজনের সংসারে আলোর রোশনাই দেখা যাবে। কোটিপতি হতে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছেন শ্যালক-জামাইবাবু। তাঁরা পুরস্কারের অর্থ মূল্য দুজন সমান ভাগে ভাগ করে নেবেন। তাঁদের এই সিদ্ধান্তে বেশ খুশি পরিবারে সদস্যরাও। পুরস্কার পড়েছে শুনে টিকিট নিয়েই তাঁরা ছোটেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

মালদহের মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এসে এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন

মালদহের গাজলের মৃতের বাড়িতে এসে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। এসসি কমিশনের চেয়ারম্যানের হুসিয়ারী ডিএম এম এসপিকে তলব করা হবে ব্যবস্তা নেওয়া হবে।গাজোলে মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এলেন জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন অরুন হালদার। বুধবার রহস্য মৃত্যু হয় গাজরের বহিরগাছি এলাকার বাসিন্দা ধনঞ্জয় সরকারের। এই ঘটনায় বহিরগাছি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি কর্মীর পরিবারের তরফে। আজ সকালে ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আসেন জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন অরুণ হালদার। কথা বলেন পরিবারের সাথে। এরপর গাজল বিডিও অফিসে বিডিও এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সাথে বৈঠক করেন তিনি। যদিও পরিবারের দাবি প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি করছি।ধনঞ্জয় সরকারের বাড়িতে গিয়ে অরুন হালদার তাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন কথা বলেন। তাদের অভিযোগের পর কেন এখনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরপর তিনি সেখান থেকে গাজলের বিডিও অফিসে আসেন। সেখানে ডিএম, এসপি-কে তলব করলেও তাঁরা আসেন নি। তিনি বলেন, তাঁরা না আসায় চরম অপমানিত হয়েছি। আমাকে বিডিও সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তাঁরা কেন পরিবারের সাথে কথা বলেনি সোজন্য সাক্ষাৎ করেছি।এসসি কমিশনের ভাইস ভাইস চেয়ারপারসন অরুণ হালদার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ওই পরিবার বিচার পাবে। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি। কিন্তু মালদায় এসে চূড়ান্ত অসৌজন্যমূলক ব্যবহার পেলাম। ডিএম এসপি দেখা পর্যন্ত করতে আসলেন না। ডিএম এসপিকে তলব করব। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তিনি সেদিন পরিষ্কার ভাষায় বলেন, রাজনীতি করতে আমি এখানে আসিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

২০ বছর ধরে বাংলার এই জেলায় ১৮ হাত বিশিষ্ট লক্ষ্মী পুজিত হয়ে আসছে

সবে দশভুজার পুজো শেষ হল। এবার লক্ষ্মী পুজো। মালদার বামনগোলায় কুড়ি বছর ধরে অষ্টভুজা লক্ষ্মীর পুজো নিয়ে উৎসাহের অন্ত নেই। কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে ১৮ হাত বিশিষ্ট দেবী লক্ষ্মী পূজিত হন। বামনগোলা ব্লকের গাঙ্গুরিয়া সারদা তীর্থ আশ্রমে এই পুজোকে কেন্দ্র করেই ভিড় জমান ভক্তরা। সকালে মহালক্ষ্মী রূপে এবং রাতে কোজাগরী লক্ষ্মী রূপে পূজিত হবেন দেবী।স্বামী গ্রীয়াকানন্দজি মহারাজ জানিয়েছেন, ১৯৯৮ সালে এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠা হয়। ২০০০ সাল থেকে তিনি ১৮ হাত বিশিষ্ট মহালক্ষ্মী পুজোর সূচনা করেন। তবে এখানে দেবী সকালে এক রূপে ও রাতে আরেকরূপে পুজিত হয়ে আসছেন। পুজো দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা আশ্রমে আসেন।আশ্রম কর্তাদের মতে, দেবী এখানে লক্ষ্মী, মা দুর্গা, চণ্ডীসহ নানা রূপে পূজিত হয়ে থাকেন। সেই কাল্পনিক চিন্তাধারায় দেবীকে এখানে ১৮ হাত বিশিষ্ট হিসাবে পুজো করার প্রচলন হয়েছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে প্রহার

পুরাতন মালদার পৌরসভা অফিসের পাশে সবজি বাজারে এক মোবাইল চুরি করার সন্দেহ করে চোরকে ইলেকট্রিক খুঁটিতে বেঁধে মারধর। ঘটনাস্থল থেকে মালদা থানা পুলিশ উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় হাসপাতালে ।জানা গেছে ওই যুবকের বাড়ি বর্ধমান জেলার আসানসোলে।ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদা পুরসভা লাগোয়া বাজারে।জানা গিয়েছে,পুরাতন মালদা পুরসভা লাগোয়া বাজারে বেশ কিছুদিন থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মোবাইল ফোন চুরি হচ্ছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে বাজার কতৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করে। গত কয়েকদিনে প্রায় পাঁচটির বেশী মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। বিষয়টি বাজারের সকলের নজরে আসে। এরপর বেশ কয়েকদিন থেকে ওই যুবককে বাজারে ঘুরে বড়াতে দেখা যাচ্ছে। এরপর থেকে যুবককে নজরে রাখতে শুরু করে বাজারের দোকানীরা। এদিনও এক ক্রেতা বাজার করছিল। ঠিক সেই সময় ওই যুবক বাজার করার অচ্ছিলায় ক্রেতার বুক পকেটে নিচ ধাক্কা মারতে থাকে। এরপর মোবাইল ফোনটি পরে গেলে নিয়ে পালাতে যায়। সেই সময় স্থানীয়রা ওই মোবাইল চোর যুবককে ধরে ফেলে। এরপর তাকে ইলেক্ট্রিক পোলে বেঁধে মারধর দেয় উত্তেজিত জনতা। খবর দেওয়া হয় মালদা থানার পুলিশকে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ক্রেতারা জানান,এই বাজারে কোন নিরাপত্তা নেই। যার ফলে প্রায়ই চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে নিরাপত্তা দিতে হবে। মালদা থানার পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছ, ধৃতকে চিকিৎসার চলছে। সুস্থ হলে তাকে জিঞ্জাসাবাদ করা হবে। তার নাম পরিচয় নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিস

বাড়ির পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার কে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদার চাঁচলের কলিগ্রাম এলাকায়। খবর পেয়ে গতকাল রাতে দেহ দুটি উদ্ধার করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। কেন এই আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধন্ধে সবাই। এনিয়ে এখনও থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও রহস্যের কিনারা করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।মৃত দম্পতির নাম যোগেন রক্ষিত (৫২) ও সোনামনি রক্ষিত (৪৩)। যোগেনবাবু জমি কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। তাঁরা নিঃসন্তান। কলিগ্রামে পৈতৃক পুরোনো বাড়িতে বসবাস করতেন এই দম্পতি। গতকাল রাতে ওই বাড়িরই একটি পরিত্যক্ত ঘরে তাঁদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তাঁরা যোগেনবাবুদের আত্মীয়দের খবর দেন। খবর দেওয়া হয় চাঁচল থানাতেও। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি ওই বাড়িতেই থাকতেন। প্রতিবেশীদের সাথে তেমন যোগাযোগ রাখতেন না তারা।যোগেনবাবুর ভাইপো ছোটন রক্ষিত জানান, কাকু-কাকিমা একাই থাকতেন। তাঁদের ছেলেমেয়ে নেই। নিঃসঙ্গ ছিলেন। কারও সঙ্গে সেভাবে মেলামেশাও করতেন না। কাকু জমির ব্যবসা করতেন। কাকিমা বাড়িতেই থাকতেন। রাতে তাঁদের প্রতিবেশীরা আমাদের এই খবর দেন। এসে দেখি, কাকু-কাকিমা দুজনেই গলাই দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছেন। ব্যবসার জন্য বাজারে কোনও ঋণ ছিল কিনা জানা নেই। কাকু-কাকিমার মধ্যে কোনওদিন অশান্তির খবরও শোনা যায়নি। কেন এমন হল, বুঝতে পারছি না।স্থানীয় বাসিন্দা সৌমেন রায়চৌধুরী বলছেন, শুনলাম, এক বয়স্ক দম্পতি নিজের বাড়িতেই আত্মঘাতী হয়েছেন। লোকজনের মুখে শুনেছি, তাঁদের অনেক দেনা হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটাতে তালা মারা থাকত। তাঁদের দেখাও যেত না। তাঁরা কারও সঙ্গে মিশতেনও না। এখন শুনছি, বাড়িতে তালা মারা থাকলেও তাঁরা এখানেই থাকতেন। এর বাইরে আমাদের আর কিছু জানা নেই।চাঁচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে গতকাল রাতেই দেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। পুলিশের তরফে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। আজ দুটি মৃতদেহই ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

৩০ টাকায় ভাগ্যের চাকা ঘুরল ভাগচাষির, সূর্যাপুরে গরিবের বাড়িতে নতুন সূর্য

কথায় বলে, কপালে থাকলে শাকে বেজেও সোনা আসে। আর একটু সুযোগেই ভাগ্যদেবী সদয় হতে পারে। ভাগ্য সহায় হলেই বাজিমাত। ভাগ্যদেবীর কল্যানে মাত্র ৩০ টাকায় কোটিপতি ভাগচাষি। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সূর্যাপুর গ্রামের ভাগচাষি মহবুব আলমের জীবনে নতুন সূর্য ওঠে। জানা গিয়েছে, সোমবার সূর্যাপুরের মহবুব আলম মাত্র ৩০ টাকা দিয়ে পাঁচ সেম লটারির টিকিট কাটে। পাঁচ সেমেই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় মহবুবের। সোমবার সন্ধ্যাতেই লটারির রেজাল্ট বের হতেই একেবারে প্রথম পুরস্কার। মুহূর্তে কোটিপতি হয়ে যান তিনি। পাঁচ টিকিটে এক কোটি পেতেই ভাগচাষি মহবুব ছোটেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানায়। ওই পাঁচ টিকিটই তখন তাঁর জানপ্রাণ। নিরাপত্তার অভাব বোধ করাই স্বাভাবিক।অন্যের জমি ভাগে চাষ করে দিনাতিপাত করেন মহবুব আলম। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। ভাঙা বসত বাড়ি। মহবুব জানিয়েছেন, ভাগ্যের চাকা ঘুরবে এই আশায় মাঝে-মধ্যেই লটারির চিকিট কাটতেন তিনি। ডিয়ার লটারিই তাঁর জীবনে বড় বদল নিয়ে এল। রাতারাতি কোটিপতি হওয়ায় আশপাশের গ্রামের লোকজনও এখন এক ডাকে তাঁকে চেনে। তবে এতগুলো টাকা নিয়ে কী করবেন তিনি? ছেলে-মেয়ের ভালভাবে পড়াশুনা করাতে চান মহবুব। পাশাপাশি একটা শখের বাড়ি বানানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
রাজ্য

Omicron: এক দিনের মধ্যেই কোভিড নেগেটিভ ওমিক্রন আক্রান্ত বালক

রাজ্যের প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত সাত বছরের বালকের কোভিড পরীক্ষার ফল এল নেগেটিভ। তার পরিবারের সকলেরই কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক।বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি বলেছেন, বাচ্চাটি এখন কোভিড নেগেটিভ। তাঁর পরিবারের লোকেররাও নেগেটিভ। বাচ্চাটি এখন ভাল আছে। বতর্মানে ওই বালক, তার বাবা, দিদি, মা সকলেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন। রাজ্যের নির্দেশ পেলে তাঁদের ছাড়া হবে। তার পরও প্রোটোকল মেনে তাঁদের কিছু দিন নিভৃতবাসে থাকতে হবে। আক্রান্তের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের খোঁজ চালানো হচ্ছে এবং তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।হায়দরাবাদে জিন পরীক্ষায় ধরা পড়ে ওই বালক ওমিক্রন আক্রান্ত। তেলঙ্গানার স্বাস্থ্য দপ্তর সেই খবর জানিয়েছিল এ রাজ্যে স্বাস্থ্য দপ্তরকে। তা জানতে পেরেই মালদহে ওই বালকের আত্মীয়ের বাড়িতে বুধবার পৌঁছে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। সেখান থেকে তাঁরা ওই বালক এবং পরিবারের ছজনের নমুনা সংগ্রহ করেন। মালদহ মেডিক্যাল কলেজের পরীক্ষাগারে সেই নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাতে সকলের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Omicron: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আনা হল ওমিক্রন আক্রান্ত শিশুকে

ওমিক্রনে সংক্রমিত ৭ বছরের বালক ও তাঁর মাকে মালদা মেডিক্যাল কলেজের কোভিড ওয়ার্ডের আইসোলেশন রুম-এ নিয়ে আসা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বালকের বাবা পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। কর্মসূত্রে তিনি থাকেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবু ধাবিতে। সেখান থেকেই সম্প্রতি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে দেশে ফিরেছেন। নেমেছিলেন হায়দরাবাদে। সেখানেই নিয়মমাফিক তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেই নমুনা পজিটিভ এলে ওমিক্রন কি না জানতে তা পাঠানো হয় জিন পরীক্ষার জন্য। দেখা যায়, ৭ বছরের বালকটি করোনার ওমিক্রন রূপে আক্রান্ত হয়েছে। মা-বাবা কিংবা দিদি, বাকি সবারই রিপোর্ট নেগেটিভ।যত ক্ষণে রিপোর্ট এসেছে, তত ক্ষণে ওই পরিবার বাংলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এই খবর যখন বাংলার স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছে পৌঁছয় ততক্ষণে কলকাতা থেকে নিজেদের গাড়িতে তাঁরা বেরিয়ে পড়েছেন গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে। তাঁদের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। কিন্তু বাইরে থেকে ফিরে তাঁরা সোজা যান মুর্শিদাবাদে, তার পর সেখান থেকে বালকের মামার বাড়ি মালদায়।রাজ্যে ওমিক্রন পাওয়া গিয়েছে, এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপরতার সঙ্গে কাজে নামে স্বাস্থ্য দপ্তর। বালিয়াডাঙা গ্রামে পৌঁছন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই কদিনে বালকটির সংস্পর্শে যাঁরা যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে নিভৃতবাসে থাকার আবেদন করা হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়েও শুরু হয় সচেতনামূলক প্রচার। পরিবারের প্রত্যেককে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের কোভিড ওয়ার্ডের নিভৃতবাসে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

বড় ঘটনা (Maldah murder): হ্যাকিংয়ে পাকা অপরাধী হয়ে উঠেছিল আসিফ

কালিয়াচক-কাণ্ডে ধৃত মহম্মদ আসিফ নিজেই যেন মূর্তিমান রহস্য! বছর উনিশের ওই তরুণ সম্পর্কে পুলিশ যত জানতে পারছে ততই যেন জড়িয়ে যাচ্ছে একের পর এক রহস্যের জাল।কালিয়াচকের আনন্দ রাজনগর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছিল আসিফ। বর্তমানে একটি বেসরকারি স্কুলে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সে। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই আসিফের কম্পিউটার নিয়ে নাড়াচাড়া করার অভ্যাস ছিল বলে প্রতিবেশীদের বক্তব্য। তাঁরা এ-ও জানাচ্ছেন, অল্প বয়সেই কম্পিউটারে দারুণ দক্ষতা অর্জন করেছিল সে। আসিফের এক প্রতিবেশী বলছেন, মাস চারেক ধরে আসিফের পরিবারের কাউকে দেখতে পাওয়া যেত না। গ্রামে সকলের জানতেন, ওঁরা অন্য কোথাও চলে গিয়েছেন। পাড়ার লোক তো গতকাল জানতে পারলেন এ সব। ছেলেটাকে এর আগে সাইবার অপরাধের অভিযোগে পুলিশ ধরেছিল। ও ঘরেই থাকত। গ্রামে কারও সঙ্গে মিশত না। এমনকী, অনলাইনে খাবার এনে খেত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে গত ১০ মার্চ সাইবার ক্রাইম বিভাগ আসিফের কম্পিউটার, মোবাইল এবং ল্যাপটপ পরীক্ষা করে। তারা বুঝতে পারে, আসিফ হ্যাকিংয়ে অত্যন্ত দক্ষ। তাতেই প্রথম সন্দেহ হয় পুলিশের। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকায় তখনকার মতো ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আসিফ কোথা থেকে হ্যাকিং সম্পর্কে এত কিছু শিখল, কোথা থেকে প্রশিক্ষণ পেল এ সব প্রশ্ন ভাবাতে থাকে পুলিশকে। আসিফের এক আত্মীয় বলছেন, ওর হাবভাব মনোরোগীদের মতো হয়ে গিয়েছিল। ও মাধ্যমিকের পর থেকেই কোডিং নিয়েই মেতেছিল। অ্যাপ তৈরির চেষ্টা করছিল। বাবা ভেবেছিল ছেলের ভবিষ্যৎ ভাল হবে। এর আগেও ওকে পুলিশ ধরেছিল।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

বড় ঘটনা (Maldah Murder): দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা পর চার সদস্যকে খুন করে বাড়িতেই পুঁতে রাখল যুবক

একই পরিবারের চারজনের রহস্যমৃত্যু। মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মাটিতে দেহ পুঁতে রাখল যুবক। এই ঘটনায় পরিবারের একমাত্র ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুনের কথাও স্বীকার করেছে সে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদহের (Maldah) কালিয়াচকের আটমাইল এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই ওই পরিবারের চার সদস্যকে তাঁরা দেখতে পাচ্ছিলেন না। ওই যুবক সেই সময় বাড়িতেই ছিল। তার কাছ থেকে বারবার মা, বাবা, বোন এবং দিদার খোঁজ নেন প্রতিবেশীরা। সে জানায়, পরিবারের বাকি চার সদস্য বেড়াতে গিয়েছেন। তবে করোনা পরিস্থিতির মাঝে ওই চারজন কোথায় বেড়াতে গেলেন, তা নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। পুলিশ সূত্রে খবর, সে জানায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাবা, মা, বোন এবং দিদাকে খুন করেছে। প্রমাণ লোপাটের জন্য বাড়িতেই মাটির তলায় দেহ পুঁতে রেখেছে বলেও স্বীকার করে অভিযুক্ত। কী কারণে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করল, সে প্রশ্ন উঠছে। সম্পত্তিগত বিবাদের জেরে খুন নাকি অন্য কিছু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, নিহত গৃহকর্তা ইট, বালি, পাথরের ব্যবসা করতেন। ডাম্পারও ছিল তাদের। পরিবার যথেষ্ট বিত্তশালী। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত এলাকারই এক মিশন স্কুলে একাদশ শ্রেণিতে পড়ত। প্রতিবেশীদের কারও সঙ্গে বিশেষ মিশত না। পরিজনদের সঙ্গে তেমন কথাবার্তা বলত না। নিজের ঘরেই বেশিক্ষণ সময় কাটাত সে। সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে থাকত বছর ১৮-র আসিফ মেহবুব। ঘরে ল্যাপটপ, একাধিক ফোন, সাউন্ড সিস্টেম, টিভি, সিসি ক্যামেরা সমেত বহু অত্যাধুনিক গেজেট উদ্ধার হয়েছে। বাইরের কারও প্রবেশের অনুমতি ছিল না বাড়িতে। নিজের বাড়িতেই ল্যাব তৈরি করেছিল সে। আরও জানা গিয়েছে, প্লাইউড দিয়ে বেশ কয়েকটি কফিন তৈরি করেছিল অভিযুক্ত। বাবা-মা ভেবেছিলেন, ছেলে হয়তো গবেষণা করছে। তাই ছেলের কথা মতো ওই কফিনের মধ্যে জীবিত অবস্থা মা, বাবাকে ঢুকিয়েছিল সে। প্রত্যেকের মুখে লাগিয়েছিল সেলোটেপ। অভিযুক্তের দাদার দাবি, গোটা ঘটনাটির সাক্ষী ছিলেন তিনি। তারপরই অভিযুক্ত তার দাদাকে মারধর করে। খুনের হুমকি দেয়। জীবন বাঁচাতে কলকাতায় পালিয়ে যান তিনি। দিনদুয়েক আগে এলাকায় ফিরে বাবা, মা, বোন, দিদার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা জানতে পারে। তারপরই পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানান তিনি।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

Black Fungus: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল থেকে পলাতক আক্রান্ত মহিলা

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে পলাতক মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ( Black Fungus) সংক্রমিত এক মহিলা। কোথায় পালিয়ে গেলেন ওই মহিলা, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তাঁর খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ওই মহিলা মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন আগেই নানা শারীরিক উপসর্গ নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন বছর পঞ্চান্নর ওই মহিলা। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায়, ওই মহিলার শরীরে থাবা বসিয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। সেকথা জানানো হয় তাঁকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের কথা শুনে বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন রোগী। কিছুক্ষণ পর নার্সরা তাঁর খোঁজ নিতে আসেন। দেখেন নির্দিষ্ট বে়ডে নেই ওই মহিলা। শুরু হয় খোঁজখবর। গোটা হাসপাতালেই পাওয়া যায়নি তাঁকে। মহিলার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (North Bengal Medical College Hospital) ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, আমাদের মেডিক্যাল কলেজ থেকে এক ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত এক মহিলা উধাও হয়ে গিয়েছেন। সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ওই মহিলার খোঁজ করছেন।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

মালদার গঙ্গায় কী 'করোনা আক্রান্তের' দুটি মৃতদেহ! তদন্তে পুলিশ

অবশেষে আশঙ্কায় সত্যি হলো রাজ্য প্রশাসনের। মানিকচক ব্লকের ভুতনি থানা হীরানন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশরপুর গঙ্গার ঘাটে ভেসে আসলো দুটি মৃতদেহ। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ওই দুটি মৃতদেহ ভিন রাজ্য থেকে নদীপথে ভেসে এসেছে মালদার ভুতনি এলাকার গঙ্গা নদীতে, এমনটাই অনুমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের। শনিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় এলাকার জেলেদের। এরপরই খবর পৌঁছায় ভুতনি থানায়। অবশেষে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশরপুর গঙ্গার ঘাটে ওই মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য তদারকির কাজ শুরু করেন। দুটি দেহ মধ্য বয়স্ক পুরুষের বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।এদিকে এই ঘটনায় গোটা জেলা জুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে গঙ্গায় করোনায় মৃতদেহের ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপর থেকেই সেই দেহ গঙ্গা নদী পথে প্রবাহিত হয়ে মালদার মানিকচকের গঙ্গার ঘাটে আসতে পারে এমনটাই অনুমান করে রাজ্য সরকার। জেলা পুলিশ ও প্রশাসনকে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। আর বেশ কয়েকদিন পরেই কেশরপুর এলাকার গঙ্গার ঘাটে ভেসে এলো দুটি মধ্য বয়স্ক পুরুষের মৃতদেহ। সেই মৃতদেহ দুটি গঙ্গা নদীর ঘাটের একটি কচুরিপানা সংযুক্ত গাছের আটকে থাকায় বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। পুলিশের অনুমান করোনায় আক্রান্ত ওই দুটি মৃতদেহ ভিন রাজ্য থেকে মালদায় ভেসে এসেছে। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার কার্য চালাচ্ছে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। ইতিমধ্যে ওই এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে জেলার প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবেলা দপ্তরের কর্মীরাও। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। মৃত ওই দুটি দেহ অজ্ঞাত বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা।

জুন ০৫, ২০২১
রাজ্য

এবার আর মালদা থেকে শূন্য হাতে ফিরতে চান না মমতা

তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্ষেপ মালদায় এত মানুষের জনসমাগম হয়, অথচ ভোট এলে অংকটা অন্যরকম হয়ে যায়। বুধবার মালদার জনসভায় মমতা বলেন, লোকসভাতেও শূন্য আর বিধানসভাতে মালদায় একইরকম। এবার আর শুন্য হাতে ফিরতে চাই না। এতদিন কংগ্রেস-বিজেপিকে ফজলি আম খাইয়েছেন। এবার আমাকেও দুটো ফজলি আম খাওয়ান।একইসঙ্গে বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, নির্বাচন এলেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা সাজতে চাইছে বিজিপি। বিজেপিকে প্রত্যাখান করবে বাংলার মানুষ। বুধবার মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সংলগ্ন মাঠে তৃণমূলের জনসভা হয়। সভা শুরু হয় দুপুর একটা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী আসার কথা ছিল তিনটেয়। কিন্তু দুপুর আড়াইটা নাগাদ মঞ্চে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। পাশের মাঠেই তৈরি করা হয়েছিল হেলিপ্যাড। হেলিপ্যাড থেকে প্রায় ৪০০ মিটার হেঁটে মঞ্চে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সহ জেলার প্রথম সারির নেতানেত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, নিহার ঘোষ, বাবলা সরকার, জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস।বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলনেত্রী বলেন, বিজেপির মতো মিথ্যাবাদী কেউ নেই। ওরা দাঙ্গা লাগায়। আজকে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাবের চাষিরা কাঁদছে। বাংলার চাষীদের চোখে জল নেই। কারণ, এই রাজ্যে বিজেপি সরকার নেই। চাষীদের জন্য আমরা কৃষক বন্ধু যোজনা চালু করেছি। যাতে ছয় হাজার টাকা করে পাবেন চাষিরা। কৃষকদের নিয়ে বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে। ওদের কাছে কি তথ্য নেই। আসলে মিথ্যা কথা বলাটাই ওদের কাজ।বিজেপির রথযাত্রার কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জগন্নাথ , বলরাম, সুভদ্রাকে নিয়ে ওরা নোংরা রাজনীতি করছে। আমরা জগন্নাথের রথকে প্রণাম জানাই। আমরা এরকম রাজনীতি করি না। এখন এরা রথকে নিয়ে কেউ জগন্নাথ, কেউ বলরাম আবার কেউ শ্রীকৃষ্ণ সাজছেন। মনে রাখবেন এই রথে করে সীতা হরণ করেছিল রাবন। আমরা মনে করি হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান, শিখ সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষেরা তাদের মতোন চলবেন। বিজেপি মানেই দাঙ্গা। আর এই দাঙ্গার উস্কানি দেওয়া হচ্ছে ওদের আসল কাজ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী উসকে দিয়েছেন মালদার মিথ গনিখান চৌধুরীর স্মৃতিও। মমতা বলেন, মালদায় আমি আজ থেকে আসছি না, বরকতদার সময় থেকেই যখন যুব কংগ্রেস করতাম, তখন থেকে আসছি। এই জেলায় উন্নয়নে তৃণমূল সরকার অনেক কাজ করেছে। উদাহরণ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভুতনি সেতু তৈরি করেছি। মালদা - বালুরঘাট ট্রেন চালু করা হয়েছে। কিন্তু মালদা নিয়ে আমার অনেক দুঃখ এবং বেদনা রয়েছে। এই সরকার সকলের জন্য কাজ করছে। ১৮ বছর বয়সে যদি কেউ বিধবা হন, তাহলে পেনশন পাবে। বাজেটে এই সুবিধা করে দিয়েছি। এরকম সুবিধা অন্য কোন রাজ্যে নেই। স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ট্যাপ কেনার ক্ষেত্রে এককালীন দশ হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের সরকার জনগণের সরকার।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মালদায় তৃণমূল একটি আসনও পায়নি। ১২ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছিল ৮টি, সিপিএম পেয়েছিল ২টি, বিজেপির ছিল ১টি। পাশাপাশি ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস ও সিপিএম জোটের সমর্থনে নির্দল প্রার্থীর দখলে ছিল একটি আসন। যদিও বর্তমানে এইসব বিধানসভা কেন্দ্রের অধিকাংশ বিধায়কেরা তৃণমূলে যোগদান করেন। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি ও কংগ্রেস একটি করে জয় পেয়েছে। সেই আক্ষেপ থেকেই তৃণমূলনেত্রী এবার খালি হাতে ফিরতে চান না।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
শিক্ষা

গৌড়বঙ্গের মুকুটে নতুন পালক, খুলে গেল মহাকাশ গবেষণা ও কর্পোরেট ফার্মিং-এর দরজা

মহাকাশ গবেষণার দরজা খুলে গেল এবার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে। মালদার ভূমিপুত্র তথা মহাকাশ বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর হাত ধরেই এই ঐতিহাসিক সুযোগ আসতে চলেছে গৌড়বঙ্গে। সম্প্রতি সন্দীপ বাবুর মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ' ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স'-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আর তাতেই আশার আলো দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা। একইসঙ্গে হায়দ্রাবাদের 'আর আর এনিম্যাল হেল্থকেয়ার' সংস্থার সঙ্গে কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়েও একটি মউ স্বাক্ষর করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগ। এর ফলে অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির গবেষণার পাশাপাশি আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিতর্ককে পিছনে ফেলে ক্রমেই উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে চলেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নাম তুলেছিলেন। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে খুলে গেল মহাকাশ গবেষণার সুবর্ণ সুযোগ। সম্প্রতি 'ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' নামে এক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর মালদার ভূমিপুত্র তথা জ্যোতির্বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠিত ওই সংস্থার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এখানকার পড়ুয়ারা মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে। যারা উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে গৌড়বঙ্গ অথবা উত্তরবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তেমনভাবে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাচ্ছিলেন না, তারাও এখন উপকৃত হবেন। এমনকি সন্দীপ বাবুর 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' থেকে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। এর ফলে একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষতা বাড়বে তেমনই সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্সের পরিকাঠামো ব্যবহার করে গবেষণার সুযোগ পাবেন ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রসঙ্গত বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর জন্ম ও বেড়ে ওঠা মালদা জেলাতেই। এমনকি তাকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন উৎসবে সাম্মানিক 'ডক্টর অফ সায়েন্স' উপাধি দেওয়া হয়। মহাকাশ গবেষণার জন্য সন্দীপ চক্রবর্তীকে আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক সমীক্ষায় ভারতবর্ষের সেরা বিজ্ঞানীর শিরোপা দেওয়া হয়েছে। তার 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' সংস্থাটি ইতিমধ্যেই মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছে। পূর্ব ভারতের সবচেয়ে উন্নত মানের টেলিস্কোপ রয়েছে ওই সংস্থার কাছে। এমনকি মহাকাশ গবেষণার জন্য বিশাল আকারের বেলুন ও যন্ত্রপাতি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার উচ্চতায় ভেসে থাকা সেই বেলুন থেকেই সম্প্রতি বৃহস্পতি ও শণি গ্রহের নৈকট্য লেন্সবন্দী করেছে সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স। এমনকি কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরির প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে ওই সংস্থা। স্বভাবতই এমন সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পেরে উচ্ছ্বসিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর চঞ্চল চৌধুরী জানান," সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সন্দীপবাবু সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স প্রতিষ্ঠানকে সহযোগী সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন ভাবনার আদান-প্রদান, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার দরজা খুলে যাবে। গৌড়বঙ্গের পড়ুয়ারাও মহাকাশ গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের অবদান রাখতে পারবেন। এমনকি গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বা সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স থেকে গবেষণা করলে পিএইচডি ডিগ্রি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়ার সুযোগ থাকছে।" এ প্রসঙ্গে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি বলেন," সন্দীপবাবু সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা সৌভাগ্যের ব্যাপার। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার একটা নাড়ির টান রয়েছে। তিনি মালদার ভূমিপুত্র। তাই গৌড়বঙ্গ তথা উত্তরবঙ্গের জন্য তিনি কিছু করতে চেয়েছিলেন। তিনি যখন মহাকাশ গবেষণার প্রস্তাব আমাদের দেন, তখন আমরা তাতে সম্মত জানাতে দেরি করিনি। এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরফলে এস্ট্রোফিজিক্স নিয়ে গবেষণার নতুন দিক উন্মোচিত হবে।" অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী। তিনি জানান," গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমার সংস্থার তরফ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সে প্রস্তাবে তারা রাজি হয়েছেন। এর ফলে আখেরে গৌড়বঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের পড়ুয়াদের সামনে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ইতিমধ্যেই এখানকার ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী গবেষণায় সফলতা পেয়েছেন। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ফলে এখানকার পড়ুয়ারা আমার সংস্থায় গবেষণা করার সুযোগ পাবেন। গবেষণার পর পিএইচডি ডিগ্রি দেবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এর ফলে যে সমস্ত প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেত না, তাদেরও প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটবে বলে আশা করি।" একদিকে যখন মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নতুন দিগন্ত খুলতে চলেছে তখন অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করলো হায়দ্রাবাদের প্রাণী সম্পদ বিকাশ সংস্থা 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার'। উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কর্পোরেট ফার্মিং অর্থাৎ ভক্ষ প্রাণীর উন্নত পরিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে গবেষণা ও কাজকর্ম করে থাকে সংস্থাটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে ওই সংস্থা গাঁটছড়া বাঁধায় এবার এখানকার পড়ুয়ারাও কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়ে যেমন তালিম পাবেন যেমন তেমনিই তাদের সামনে খুলে যাবে গবেষণার রাস্তাও। গরু, ছাগল,ভেড়া,হাঁস, মুরগি, মাছ সমেত পোলট্রি ফার্মিং বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ওই সংস্থা। সাধারণ মানুষের কাছে দূষণমুক্ত উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গবেষণা ও উৎপাদনের কাজ করে ওই সংস্থা। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের পড়ুয়াদের নিয়ে এই সংক্রান্ত গবেষণার কাজ করেছে সংস্থাটি। শারীরবিদ্যা বিভাগ সূত্রে খবর, যারা পোলট্রি তথা অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির সঙ্গে যুক্ত তারা যাতে নিজেরাই উন্নত মানের প্রজাতির প্রাণীর ব্রিডিং করতে পারেন সেজন্য সিমেন এক্সটেন্ডার মেশিন তৈরির চেষ্টা যৌথ ভাবে করা হবে। ওই মেশিন তৈরি হলে উন্নত মানের পুরুষ পশু বা পাখির বীর্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে তার সফল প্রয়োগ বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে। শারীরবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক তথা ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি জানান," যে সমস্ত প্রাণীর মাংস, দুধ, ডিম আমাদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে তাদের বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রতিপালন করা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা করার বিষয়ে পড়ুয়ারা গবেষণার সুযোগ পাবেন। আমরা গবেষণার মাধ্যমে যদি উন্নততর কিছু আবিষ্কার করতে পারি তবে তার বাণিজ্যিক প্রয়োগের মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন পশু পালক ও পোলট্রি ফার্মাররা। আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে আমূল সংস্কার আনা সম্ভব হবে এর মাধ্যমে। নিঃসন্দেহে এটি বড় প্রাপ্তি।" এ প্রসঙ্গে 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার' এর রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের প্রধান লাবণ্যময় কোলে জানান," গৃহপালিত প্রাণীর উন্নত প্রতিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি সম্পর্কে পড়ুয়ারা যেমন জানতে পারবেন তেমনি এখানে গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ প্রজননক্ষম গৃহপালিত প্রাণী ও তার উৎপাদনের বিষয়টিও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। এর ফলে গ্রামের পশুপালকরাও উপকৃত হবেন।" নানা ইস্যুকে কেন্দ্র করে যখন গৌড়বঙ্গে অচলাবস্থা তৈরীর চক্রান্ত চলছে বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এমন দু'টি বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থার গাঁটছড়া বাঁধার ঘটনা নিঃসন্দেহে আশার আলো দেখাচ্ছে শিক্ষাপ্রেমীদের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

জেএমবি জঙ্গিদের দিয়ে ভোটে জিততে চাইছে তৃণমূলঃ দিলীপ

তৃণমূলের আমলে এ রাজ্যে কোনও চাকরি হয়নি। চাকরি হয়েছে গুজরাট, হরিয়ানায়। মঙ্গলবার সরকার বিরোধী প্রচারে নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়লেন দিলীপ ঘোষ। মালদহের চা- চক্র থেকে তাঁর তোপ, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে এগিয়ে বাংলা, মহিলাদের উপর নির্যাতনে এগিয়ে বাংলা, বেকারত্ব বৃদ্ধি, পরিযায়ী শ্রমিক সবেতে এগিয়ে বাংলা। রাজ্য বিজেপি সভাপতির আরও দাবি, এই যে বলা হচ্ছে রাজ্যে প্রচুর চাকরি হয়েছে, পাড়ায় পাড়ায় খোঁজ নিয়ে দেখুন না, একজনও চাকরি পায়নি। হ্যাঁ, চাকরি যদি কেউ কোথাও পেয়ে থাকে, তাহলে সেটা গুজরাটে পেয়েছে, হরিয়ানায় পেয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আমাকে যারা আক্রমণ করছেন ভোটের বোতামে তাঁরা টের পাবেন, বিস্ফোরক শুভেন্দু বীরভূমের পাইকর থেকে এক জেএমবি জঙ্গির গ্রেপ্তারি নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া, কেন্দ্রীয় সরকারের কড়াকড়ির জেরে সারাদেশ জঙ্গিমুক্ত হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি ধরা পড়ছে। কেন্দ্রীয় সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে দেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশ থেকে লক্ষ রোহিঙ্গা আসছে। তাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকার চায়, এই জেএমবি জঙ্গিরা এখানে আসুক, উৎপাত করুক, ভয়ের পরিবেশ তৈরি করুক। তারা টিএমসি-কে জেতাবে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ সায়ন্তনের

এবার নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে মালদহে যান বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। সকালে পুরাতন মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় চা-চর্চায় যোগ দেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, কালিঘাট প্রাইভেট লিমিটেডের শাড়ি পড়া হিটলারি শাসন কেউ বরদাস্ত করবে না। একুশের পর কালিঘাটে মাত্র ২ জন থাকবেন। ডুবন্ত জাহাজ ছেড়ে পালাবেন বাকি সকলে। যারা মমতা সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে চান, তাঁদের সকলকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ গোটা রাজ্যে আমিই পর্যবেক্ষকঃ মমতা সুজাপুর বিস্ফোরণ কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সায়ন্তন বসু দাবি করেন, ওই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি। সরকার সংখ্যা গোপন করছে, দেহ লুকিয়ে ফেলা হয়েছে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জঙ্গি গ্রেপ্তারির ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেন তিনি। বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

সুজাপুরে পাওয়া যায়নি কোনও বিস্ফোরক সামগ্রীর নমুনাঃ ফরেনসিক

সুজাপুরে বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনও বিস্ফোরক সামগ্রীর নমুনা পাওয়া যায়নি। মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই বিস্ফোরণ হয়েছে। শনিবার সুজাপুরে বিস্ফোরণস্থলে দ্বিতীয় দফায় পরিদর্শনে আসে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। সেখান থেকে তারা নমুনা সংগ্রহ করে। এরপরেই ফরেনসিক আধিকারিক চিত্রাক্ষ সরকার বলেন, মেশিনের যান্ত্রিক ক্রটির জন্যই মালদার কালিয়াচকের সুজাপুরে বিস্ফোরণ হয়। উল্লেখ্য, এদিন ফরেনসিক টিম ধ্বংস হয়ে যাওয়া মেশিন পরীক্ষা করার সময় ফের মৃদু বিস্ফোরণ ঘটে। টিমের প্রতিনিধিরা মেশিনে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ দিতেই ঘটে বিস্ফোরণ। ফরেনসিক সূত্রে খবর, বাকি প্লান্টগুলোতে কীভাবে কাজ চলে, সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখতে চায় তারা। আরও পড়ুন ঃ সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে ফরেন্সিক দল সুজাপুরে এই বিস্ফোরণের পর থেকে এখনও কোনও মামলা করেনি পুলিশ। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর অভিযোগ , বিস্ফোরণের ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৬ জন। তবুও কোনও মামলা করেনি পুলিস। বিষয়টি সন্দেহজনক।

নভেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভুতনির বন্যা দেখতে নদীপথে মন্ত্রীদল! বানভাসিদের জন্য কী পরিকল্পনা রাজ্যের?

মালদহের ভুতনিতে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ এলাকায় পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদল। ইতিমধ্যেই মালদহে পৌঁছেছেন একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন জেলার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলমগ্ন দুর্গম এলাকাগুলি নদীপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মন্ত্রীদের।মন্ত্রীদলের মধ্যে রয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং দমকল ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। প্রথমে মন্ত্রীরা রতুয়ায় যাবেন। সেখান থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে ভুতনিতে। দুপুরে বন্যাত্রাণ শিবিরও পরিদর্শন করবেন তাঁরা।এর পাশাপাশি ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রীরা। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, ত্রাণের ব্যবস্থা এবং মানুষের প্রয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই সফরের পর ভুতনির জলবন্দি এলাকাগুলিতে পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।ভুতনির পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও রিপোর্ট দেবেন মন্ত্রীরা। অর্থাৎ শুধু বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন নয়, বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর এলাকায় কী ভাবে কাজ শুরু করা হবে, সেই বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, মালদহে নদীভাঙন এবং বন্যা দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।এদিকে ভুতনিতে গঙ্গার জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর ১৭ সেন্টিমিটার কমেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। চলতি মরশুমে এক দিনে জলস্তর কমার ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পতন বলে দাবি করা হচ্ছে।তবে জল কমলেও এখনও স্বস্তি ফেরেনি ভুতনিতে। মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ২৫.৩৪ মিটারে নেমে এসেছে বলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যা চরম বিপদসীমার থেকে এখনও চার সেন্টিমিটার বেশি। ফলে নদীর জলস্তর কমলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি।ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। কোথাও তাকালেই চোখে পড়ছে জল। টানা বহু দিন ধরে জলবন্দি থাকার কারণে একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দুর্গম এলাকায় অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।চরম বিপদসীমার উপরে থাকা গঙ্গা পেরিয়ে দুর্গম এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। নৌকায় করে জল পেরিয়ে অসুস্থ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁদেরও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। অন্যের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই তাঁরা কাজ করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।জলস্তর কমার ফলে পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও ভুতনির বহু এলাকায় এখনও জল রয়েছে। তাই এখন নজর শুধু গঙ্গার জলস্তরের দিকে নয়, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসা, ত্রাণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকেও। মন্ত্রীদের এই সফরের পর ভুতনির পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

২৪৯ বছরের ঐতিহাসিক মহাকরণে ফিরছে সচিবালয়! ১৩ বছর পর বদলাতে চলেছে বাংলার প্রশাসনিক ঠিকানা

দীর্ঘ ১৩ বছরের ব্যবধানের পর ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার আবহে পুরনো মহাকরণে ফিরতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের ছয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দফতরের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয় নবান্ন থেকে। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলছে সংস্কারের কাজ।১৩ বছর আগে নবান্নে সরেছিল সচিবালয়প্রায় ২৪৯ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং একসময় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ১৩ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। এরপর থেকে সেখান থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়ে আসছে।তবে পুরনো ভবনের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ না হওয়ায় এতদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে পুরোপুরি ফেরা সম্ভব হয়নি। এবার সেই কাজ দ্রুত শেষ করে ঐতিহাসিক মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।সংস্কারকাজ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকরাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। পূজা উৎসবের আগেই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের দফতরও দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর দফতর তৈরির প্রস্তুতিরাইটার্স বিল্ডিংয়ে যাঁদের দফতর চালু করার প্রস্তুতি চলছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেনশুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীদিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীঅগ্নিমিত্রা পাল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীশঙ্কর ঘোষ পর্যটন মন্ত্রীশারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীঅজয় পোদ্দার পূর্তমন্ত্রীসব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আগে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে ঠিক কবে থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু হবে, তা সরকারি ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

‘কিছু প্রত্যাহার করব না’, হলদিয়া আদালতে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মিলন প্রধানের! নন্দীগ্রামে নতুন মোড়

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার হলদিয়া আদালতে তোলা হল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। আদালত চত্বরে তাঁকে ঘিরে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। কংগ্রেসের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন? জবাবে মিলন বলেন, শাসক দল ভয় পেয়েছে, কিছু প্রত্যাহার করব না।শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকার একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের চারটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।মিলনকে গ্রেফতার করার পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তারা দাবি করেছে।কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছে। রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, মিলন প্রধানের গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে বিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাইছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তারা পিছিয়ে যাবে না।তবে পুলিশের বক্তব্য আলাদা। তাদের দাবি, পুরনো মামলায় আদালতের জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করতেই মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে গ্রেফতারির আইনি কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগদুই দিকই সামনে এসেছে।এর মধ্যেই শনিবার আদালতে দাঁড়িয়ে মিলন প্রধান জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রার্থী পদ থেকে কিছু প্রত্যাহার করবেন না। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাঁর নিজের বক্তব্যে তার জবাব মিলেছে।নন্দীগ্রাম এমনিতেই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমি আন্দোলনের পর থেকেই এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেই নন্দীগ্রামেই এ বার উপনির্বাচনের আগে প্রার্থী প্রত্যাহার, নতুন সমর্থন এবং কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। ফলে ভোটের আগে এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

গুগল ম্যাপ দেখেই বাইক চালাচ্ছিলেন! হঠাৎ রাস্তা শেষ, বাইক-সমেত খাদের নীচে যুবক

মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে সেই পথ দেখেই বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন যুবক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটি যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এবং পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। আচমকাই রাস্তার একটি ভাঙা অংশের কাছে গিয়ে বাইক-সহ গভীর খাদে পড়ে যান। দীর্ঘ সময় পর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আহত যুবকের নাম প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর। কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাল এলাকার বাসিন্দা প্রসূন শুক্রবার রাতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। অচেনা পথে সুবিধার জন্য মোবাইলে গুগল ম্যাপ চালু করেছিলেন তিনি। ম্যাপে যে রাস্তা দেখানো হচ্ছিল, সেই পথ ধরেই বাইক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছনোর পর বিপদ ঘটে। ওই এলাকা পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে গিয়ে সেখানে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাপে সেই বিপজ্জনক অংশের কোনও ইঙ্গিত ছিল না বলে জানা গিয়েছে।অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোর সময় প্রসূন সেই খাদের কাছে পৌঁছে যান। বাইকের গতি বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পাননি বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। বাইক-সহ তিনি খাদের নীচে পড়ে গুরুতর জখম হন।এ দিকে রাতে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও প্রসূন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর তাঁর মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু হয়। মোবাইলের অবস্থান পাণ্ডবেশ্বরের ওই খনি এলাকার আশপাশে দেখাচ্ছিল।এর পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, খাদের মধ্যে পড়ে রয়েছে প্রসূনের বাইক। কিছুটা দূরে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত প্রসূনকে খাদের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। তা হলে প্রসূন কী ভাবে সেই পথে পৌঁছলেন, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কি শুধুমাত্র গুগল ম্যাপে দেখানো পথ অনুসরণ করেই ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, নাকি অন্য কোনও কারণে সেই রাস্তা ব্যবহার করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি কত ছিল, রাস্তার পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং ঠিক কোন জায়গায় বাইকটি খাদে পড়ে যায়, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গুগল ম্যাপে ওই রাস্তা কেন দেখাচ্ছিল এবং বিপজ্জনক অংশটি কেন চিহ্নিত ছিল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।তবে আপাতত পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি আহত প্রসূনের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুর্ঘটনার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে, ঠিক কী ভাবে গুগল ম্যাপের পথ ধরে চলতে গিয়ে পরিত্যক্ত খনি এলাকার গভীর খাদে বাইক-সহ পড়ে গেলেন ওই যুবক।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সকালে বললেন মনোনয়ন তুলবেন, দুপুরে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন! রবিউলকে ঘিরে রেজিনগরে নাটক

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, রেজিনগরেও কি একই পথে হাঁটবেন মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী? শনিবার সকালে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। রবিউল নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না।শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের উপর চাপ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক কর্মী সরে যাচ্ছেন বলেও জানান রবিউল। ফলে কর্মীদের ছাড়া কী ভাবে ভোটের লড়াই করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি।রবিউলের কথায়, কর্মীরাই যদি না থাকেন, তা হলে একা ঘুরে ভোট করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সেই কারণেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল জানান, তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁর এই মতবদল বলে জানান তিনি। রবিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতার নির্দেশ মেনে তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন।রবিউল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের যে চিন্তাভাবনা করেছিলেন, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারে নামার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ, সকালের সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থীর অবস্থান বদলে যায়।রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। দুই কেন্দ্রেই আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্তের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়।নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।সেই জল্পনার মধ্যেই প্রথমে রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত এবং পরে মমতার সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা তৈরি করে। তবে পরবর্তী আপডেটে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে সকালের সিদ্ধান্ত, দুপুরের মতবদল এবং পরে ফের মনোনয়ন প্রত্যাহারসব মিলিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনে রবিউলকে ঘিরে তৈরি হয় একাধিক নাটকীয় মোড়।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal