• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kaliachak

রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

“কালিয়াচকের ঘটনা বিজেপির গেম প্ল্যান!” জনসভা থেকে কড়া আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদিঘির জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং এর পিছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে যা মন্তব্য করেছে তা সঠিক। একই সঙ্গে তিনি মানুষের কাছে আবেদন জানান, কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে এবং মালদহের ঘটনার বিষয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছে।তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যাতে নির্বাচন বাতিল করে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষকে শান্ত থাকতে হবে এবং কোনও উসকানিতে পা দেওয়া চলবে না। তিনি সকলকে বাংলার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেওয়া যাবে নাএই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

পাথরবৃষ্টি, ভাঙা কাচ, আতঙ্কে বিচারকরা! ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট

মালদহের কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রাখা হয় এবং গভীর রাতে উদ্ধার করা হলেও ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাচ ভেঙে সিটের উপর পড়ে বলে জানা গেছে।এই ঘটনার পর বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, তিনি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিতে চান না, কিন্তু পুরো ঘটনাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, বিকেল থেকেই বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছিল, অথচ রাত পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারি থাকা প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, কেউ দায় এড়াতে পারে না এবং বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বিচারকদের দেওয়া নির্দেশ মানেই আদালতের নির্দেশ, সেটি রক্ষা করা জরুরি।আদালতে শুনানির সময় একাধিক আইনজীবী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগে বিচারকদের ভয় দেখানো হত, এখন তাঁদের উপর সরাসরি হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর উদ্ধার সম্ভব হয়। কিন্তু তারপরও তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়।আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে বিচারকরা কাজ করছেন সেখানে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাঁদের থাকার জায়গাতেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বিচারকদের কোনও ধরনের হুমকি থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।আদালত এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে জানায়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং তাঁদের কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে জানানো হয়েছে।শীর্ষ আদালত আরও জানায়, রাজ্য প্রশাসন তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি এবং কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেওয়া হতে পারে।এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের কড়া অবস্থানের পর এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনের ১২ দিনে মাথায় ফের খুন মালদায়, তৃণমূলের অন্তর্কলহের জের?

ফের মালদায় গুলি। তৃণমূল নেতাকে আক্রমণ। গুলি, তারপর ইঁট দিয়ে থেঁতলে হামলা। মঙ্গলবার সাতসকালে মালদার কালিয়াচকে তিন তৃণমূল নেতাকে ইঁট দিয়ে মাথা থেঁতলে এবং গুলি চালিয়ে হামলার অভিযোগ উঠলো সশস্ত্র একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর। জখম হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূলের দুই নেতা। জখমদের সংকটজনক অবস্থায় ভর্তি করানো হয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা নাগাদ এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায়। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম আতাউর শেখ(৫০)। জখম হয়েছেন দুই তৃণমূল নেতা বকুল শেখ (৪৮) এবং এসারুদ্দিন শেখ (৩৫)। এরা সম্পর্কে দুই ভাই। আহত বকুল শেখ তৃণমূলের নওদা যদুপুর অঞ্চল কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন। অপর আহত এসারুদ্দিন শেখ নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল দলের নির্বাচিত সদস্য। বর্তমানে তিনি সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতার পদে রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় একটি ড্রেনের শিলান্যাস কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন স্থানীয় তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি বকুল শেখ এবং তার ভাই তথা নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য এসারুদ্দিন শেখ। তাঁর সঙ্গে কয়েকজন দলের কর্মী সমর্থকেরাও ছিলেন। ওই কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় আচমকা ১৫ থেকে ২০ জনের সশস্ত্র দুষ্কৃতির দল ওই দুই তৃণমূল নেতার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলি মাথায় লাগে তৃণমূল কর্মী আতাউর শেখের। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর। এরপরই ওই দুই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই গুলি মাথার পাশ দিয়ে ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। এরপরই ওই দুই তৃণমূল নেতাকে ইঁট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুনের চেষ্টা চালায় হামলাকারীরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নওদা যদুপুর এলাকায় জাকির শেখের গোষ্ঠী এবং বকুল শেখের গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিনের। ক্ষমতা এবং এলাকা দখলের লড়াই নিয়ে মূলত এই দুই গোষ্ঠীর লড়াই। তৃণমূলের ওই দুই নেতার ওপর হামলা এবং দলীয় এক কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে জাকির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। আহত বকুল শেখের এক ভাই তথা জেলা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতি মহম্মদ আজমল বলেন , জাকির শেখ কংগ্রেস করতো। কয়েক মাস আগে তৃণমূলে যোগ দেয়। কালিয়াচক ১ নং ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সারিউল ইসলামের ছত্রছায়ায় রয়েছে জাকির শেখের গোষ্ঠী। এদিন ওরাই পরিকল্পনা করে বকুল এবং এসারুদ্দিনের ওপর গুলি চালায়, হামলা করে। আর দুষ্কৃতীদের সেই গুলিতেই বকুলের এক অনুগামী আতাউরের মৃত্যু হয়। এলাকায় জাকির গোষ্ঠীর লোকেরা কোনরকম উন্নয়নমূলক কাজ করতে দিচ্ছে না। যখন তখন সন্ত্রাস কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এনিয়েই বকুল ও এসারুদ্দিনেরা প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তার ফলস্বরূপ এদিন হামলায় শিকার হতে হলো। পুরো বিষয়টি নিয়ে জাকির শেখ, নাসির শেখ সহ তার দলবলের বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। এদিকে এই হামলার ঘটনার পর জাকির শেখের সঙ্গে কোনরকম ভাবে যোগাযোগ করা যায় নি। কালিয়াচক ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সারিউল ইসলাম জানিয়েছেন, যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন । এখানে রাজনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই । পুরনো বিবাদকে ঘিরেই এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছি। উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লী এলাকায় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে খুন হন তৃণমূলের জেলার সহ-সভাপতি তথা ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলা সরকার। সেই ঘটনার রেষ কাটতে না কাটতে ফের ১২ দিনের মাথায় তৃণমূল নেতার ওপর প্রকাশ্যে হামলা এবং দলীয় কর্মীকে গুলি করে দুষ্কৃতীদের খুনের ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।যদিও এব্যাপারে জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গোপাল সরকার জানিয়েছেন, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই খুন হয়েছে তৃণমূল কর্মী। দুইজন তৃণমূল নেতা জখম হয়েছেন। জাকির শেখ আমাদের দলের কোনও দিনই ছিল না। এটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ লড়াই। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, জাকির শেখ কোনদিনই তৃণমূল দল করেনি। ও বরাবরই কংগ্রেসের একজন স্থানীয় নেতা হিসাবে পরিচিত। জাকির শেখের বিরুদ্ধে বিগত দিনেও বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। এখন কংগ্রেস নিজেদের দোষ ঢাকতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, এই হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশি পিকেট বসানো হয়েছে। বাকি হামলাকারীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
রাজ্য

বিস্ফোরণস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে বাধা পুলিশের

সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার তদন্তে নামল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেন, ঘটনাস্থলের ছবি তোলেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন যাননি তাঁরা। এনআইএ এখনও সেখানে যাবে কি না, তা স্থির হয়নি। এ বিষয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়ার বক্তব্য, কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ধরেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তা স্পষ্ট হলে তবেই নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের হবে। অন্যদিকে , শুক্রবার বেলায় সেখানে হাজির হয় কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক। তাঁরা প্রত্যেক মৃতের পরিবারের কাছে যান। দলের তরফে প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আহতদের পরিবারপিছু ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়।কংগ্রেসের তরফে বিজেপি ও রাজ্যপালের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর এদিকে , মালদহের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে বিজেপি প্রতিনিধিদল যেতে বাধা দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে এলাকাটি দ্বিস্তরীয় বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ফলে সেই ব্যারিকেড পেরতে বাধা দিয়েছে পুলিশও। আর তাতেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ওখানে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তার কারণ, বিজেপি প্রতিনিধিরা গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথাবার্তা বলে আসল সত্যটা জানত, তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে এখন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃ্ত্বে ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরি। বিজেপি প্রতিনিধিরা কারও সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পাড়ারই কয়েকজন যুবক তাঁদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞেস করেন, এমন অসময়ে কেন এসেছেন তাঁরা? কার সঙ্গেই বা কথা বলবেন? কথা না বলতে পারলে আসল ঘটনা জানবেনই বা কীভাবে? এসব প্রশ্নে জর্জরিত করে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে কার্যত এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি এনআইএ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মালদার কালিয়াচকে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৫ জনের , ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের

কালিয়াচকের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হল ৫ জনের। বিস্ফোরণের ঘটনায় ্পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। সুজাপুরের ঘটনার খবর শুনে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা স্থানীয় নেতা কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি। ইতিমধ্যেই মৃ্তদের পরিবারকে দু লক্ষ এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন , বিস্ফোরণের ঘটনায় নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রশাসনিক কর্তারা।গোটা ঘটনার উপরে নজর রাখা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার ক্ষতিপূরণের চেক পরিবারের হাতে তুলে দিতে মালদা যাচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ মালদার কালিয়াচক থানা এলাকার স্কুলপাড়ায় এক প্লাস্টিক কারখানায় ক্রাশার বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন মারা যায়। আহতদের উদ্ধা্র করে ভরতি করা হয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, ওই কারখানায় প্লাস্টিক, লোহা ও পেতল পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জন্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ হত। স্থানীয় সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে যে, কারখানার ভিতরে কোনও যন্ত্র বিকল হওয়ার ফলেই বিস্ফোরণ ঘটে। ওই প্লাস্টিক কারখানায় ৫০ জন শ্রমিক কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ওই কারখানার মালিক।

নভেম্বর ১৯, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal