• ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Howrah

রাজ্য

শালিমারে গুলি করে খুন করা হল তৃণমূলের যুব নেতাকে

আবারও প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটল হাওড়ায়। এই নিয়ে তৃতীয় বার এমন ঘটনার স্বাক্ষী থাকল হাওড়া। হাওড়ার বোটানিক্যাল থানা এলাকার বাসিন্দা, পেশায় প্রমোটার ধর্মেন্দ্র সিং(৪৫) কে পেছন থেকে বাইকে করে এসে গুলি চালিয়ে খুন করে দূষ্কৃতিরা। মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটে শালিমার ৩নম্বর গেটের কাছে। এই ঘটনার পেছনে চক্রান্তের অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। একের পর এক প্রকাশ্যে খুনের ঘটনা ঘটেছে হাওড়ায়। মঙ্গলবার বিকেলে সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটল শালিমারে। স্থানীয় ও পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল চারটে নাগাদ ধর্মেন্দ্র সিং বাইক চালিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন, পেছনে ছিলেন এক সঙ্গী যুবক। শালিমার ৩নম্বর গেটের কাছে ব্রীজে ওঠার সময়ে পেছন থেকে তিনটি বাইক নিয়ে দূষ্কৃতিরা এসে তাঁকে লক্ষ করে পর পর ছটি গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানেই মাটিতে পড়ে যান ধর্মেন্দ্র, হাতে গুলি লাগে তাঁর সঙ্গীর। দ্রুত গতিতে বাইক চালিয়ে চম্পট দেয় দূষ্কৃতিরা। স্থানীয়রা তাঁকে তুলে নিয়ে আন্দুল রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়সুত্রে জানা গিয়েছে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির ক্ষত হওয়ার পাশাপাশি মাথাও গুলি লাগে ধর্মেন্দ্রের। এই ঘটনার জেরে এলাকায় থাকা তিনটি বাইকে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। ভাঙচুর চালানো হয় কয়েকটি দোকানে। ভাঙচুরের হাত থেকে বাদ যায়নি বাসও। স্থানীয় বাসিন্দা রঞ্জিত কুমার চৌধুরী জানান, বিকেল চারটে নাগাদ ছটি গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন তিনি। এসে দেখেন রাস্তায় পড়ে রয়েছেন ধর্মেন্দ্র। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দূষ্কৃতিদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এই প্রসঙ্গে হাওড়া সদরের তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, ধর্মেন্দ্র যুব তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। এই ঘটনার পেছনে একটা চক্রান্ত আছে, তারমধ্যে বিরোধী দলের হাতও থাকতে পারে। শালিমার এলাকায় দলের নেতৃত্বও দিতেন ধর্মেন্দ্র।মানুষের সেবামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি আরও জানান , পুলিশকে বলা হয়েছে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া সদর সভাপতি সুরজিৎ সাহা জানান, গত ১৬ আগস্ট বেলিলিয়াস রোডে তৃণমূলেরই একটি রক্তদান শিবিরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢুকেছিল এই ধর্মেন্দ্র। তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুরজিৎ আরও বলেন, ওই নেতা এলাকায় তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট চালাতো। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই ধর্মেন্দ্র সিংয়ের মৃত্যু হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

ভর্তি নিয়ে হাওড়ার স্কুলে বিক্ষোভ, গেটে তালা, ধুন্ধুমার

চতুর্থ শ্রেণীতে পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ তুলে স্কুলে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। বুধবার সকালে হাওড়ার কোনা হাইস্কুলে অভিভাবকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারী অভিভাবকরা স্কুলের গেটেও তালা ঝুলিয়ে দেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে প্রাথমিক বিভাগের ছাত্রদের উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে ভর্তি নিতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, প্রাথমিক বিভাগের পক্ষ থেকে ছাত্রদের নামের তালিকা উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে ভর্তি নেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক বিভাগ সেই তালিকা ছিঁড়ে ফেলে দেয়। এই নিয়ে এদিন সকালে স্কুলের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে অভিভাবকরা। তাঁরা রাস্তা অবরোধ করেন। অবরোধের ফলে টানা যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দাশনগর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, স্কুলে ত্রুটিপূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এদিন অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখান কোনা হাই স্কুলে। অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতির জন্য কোনও স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া হয়নি। ছাত্র-ছাত্রীদের পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনা হাইস্কুলে সেই নিয়ম না মেনে লটারি করা হয়েছে। লটারির মাধ্যমেই ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি করা হচ্ছে। এতে বেশ কিছু ছাত্রের নাম লটারিতে আসেনি। তারা ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। করুণা হাজরা বলেন, যারা নার্সারি থেকে ভাল রেজাল্ট করেছে তাঁদের একটা লিস্ট করে স্কুলে পাঠানো হয়েছিল। সেই লিস্ট ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছে। প্রধান শিক্ষকের কাছে সেই লিস্ট পৌঁছোয়নি। তাঁদের দাবি, ৫৫জন ছাত্র প্রাথমিকে ভাল রেজাল্ট করেছে তাদের হাই স্কুলে প্রথমে নিতে হবে। বাকি যা সিট থাকবে তার জন্য লটারি হবে। তাঁর অভিযোগ, কোন কথা শোনেননি উচ্চমাধ্যমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক। তাঁর কাছে প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক গিয়েছিলেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও গিয়েছিলেন তাঁর কাছে। কিন্তু কোনও গুরুত্ব দেননি। প্রায় ৩০ জন ছাত্র যাদের নাম ওঠেনি তাদের স্বাক্ষর সমেত দরখাস্ত জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোনও কথা শোনেননি। অন্য স্কুলে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দেন। সেখানে উপস্থিত অপর অভিভাবক পিঙ্কি জানা বলেন, এখানে ভর্তির জন্য অনেকদিন থেকে স্কুলে আসছি। রেজাল্ট দেখতে দেখতে চাইছে না। সিট নেই বলা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি

এলাকায় ব্যবসা করার জন্য তোলা চাওয়া হয়েছিল রেস্তোরাঁ থেকে। দাবিমতো সেই টাকা না পেয়ে রেঁস্তোরায় হামলা এবং মারধরের অভিযোগ উঠল হাওড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার চ্যাটার্জীহাট থানা এলাকায় শাস্ত্রী নরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি রোডে। মাস খানেক আগে তোলা চেয়ে না পাওয়ায় এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতী এক মুদিখানার দোকানদারকে লোহার রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। তাঁকে বাঁচাতে এসে মার খেয়েছিলেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মাও। সোমবার বেশি রাতে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল হাওড়ার চ্যার্টাজিহাট থানা এলাকার। সোমবার রাতে রেঁস্তোরা বন্ধ করার সময় দুই যুবক টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ। টাকা না দেওয়ায় রেস্তোরাঁর মালিকের ছেলে এবং কর্মচারীর ওপর হামলা চালানো এবং মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা উল্টোদিকের সাইকেলের দোকানে লোকানোর চেষ্টা করলে সেখানে গিয়েও আক্রমণ করে ৬-৭ জন দুষ্কৃতী। অভিযোগ দায়ের হয়েছে চ্যাটার্জিহাট থানায়। সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে হামলার ছবি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা থেকে কেনা বেচার পর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দোকান বন্ধ করতে যাচ্ছিলেন দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদির। প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ায় রাস্তায় লোকজন নেই বললেই চলে। ওই সময় হঠাৎ এক যুবক এসে দোকানের র্কমী মহম্মদ দানেশের কাছে টাকা চায়। এরপর ধীরে ধীরে ধীরে আরও ৬-৭ জন যুবক এসে গালিগালাজ শুরু করে। দুষ্কৃতীদের দাবি, এলাকায় ব্যবসা করতে গেলে টাকা দিতে হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এরপর ওই দুষ্কৃতীরা মহম্মদ দানেশ সহ দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদেরকে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করে। মারখেয়ে রাস্তায় পড়ে যান তাঁরা। রাস্তার ওপর ঘুষি, লাথি চলতে থাকে। এই হামলা প্রসঙ্গে রেস্তোরাঁর এক কর্মচারী ফারুক আনসারি জানান, সোমবার রাত প্রায় ১১-১৫ মিনিট নাগাদ তাঁরা রেঁস্তোরা বন্ধ করে বেরোচ্ছিলেন। সেই সময় একজন লোক রেঁস্তোরায় আসে। ওই লোকটি টাকা দাবি করে। কেন জিজ্ঞাসা করায় সে বলে এখানে ব্যবসা করার জন্য তাঁকে টাকা দিতে হবে। রেঁস্তোরা মালিক সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায় লোকটি বচসা শুরু করে। দোকান খুলতে দেবে না বলে হুমকি দেয়। এরই মধ্যে সেখানে প্রায় চার পাঁচজন জন চলে আসে। এরা সকলে মিলে মারধর শুরু করে রেঁস্তোরার মালিক এবং তাঁর ছেলেকে। এই ঘটনার সময় পুলিশের একটি টহলদারি ভ্যান এসে পড়ায় দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, ‘‘তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ আমরা পাইনি। বিরিয়ানি না পেয়ে একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে শুনেছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেব।’’

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

দল ছেড়ে বিরাগভাজন শুভেন্দু, কোথাও পুড়েছে কাট-আউট, কোথাও ছবিতে কালি

মেদিনীপুর কলেজ ময়দানের জনসভায় অমিত শাহের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর পোস্টারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ হয় মালদার চাঁচলে। নানা জায়গায় ক্ষোভ উগরে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ও পোস্টার পুড়িয়ে বিক্ষোভ হয়। এবার হাওড়ার ইছাপুরে শুভেন্দুর পোস্টারে কালি লেপে দেওয়া ছবি দেখা গেল। ছবিতে লেখা চোর। তবে কে বা কারা এই ঘটনায় যুক্ত তা জানা যায়নি। কয়েকদিন আগেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফে হাওড়ার ইছাপুর জলের ট্যাঙ্ক মোড় এলাকায় এই পোস্টার দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু দল পাল্টে বিজেপিতে যেতেই তাঁর ছবিতে কালি লাগিয়ে তাঁকে চোর বলে আখ্যা দেওয়া হল। এই প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া সদরের সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, আয়নায় দেখলে যেরকম লাগবে এটা ঠিক সেরকম। শুভেন্দুদার মুখে নয়, এটা কালি লেগেছে তৃণমূলের মুখেই। ওরা শুভেন্দুদার মতো একজন দক্ষ সংগঠককে ধরে রাখতে পারেননি। ওরা নিজেরাই চোর। তাই শুভেন্দুদার মতো লোককে চোর বলছে। এই প্রসঙ্গে হাওড়ার তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তৃণমূল এই কাজ করেনি, উন্নয়নের কথা বলছি আমরা তাতেই সময় কেটে যাচ্ছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

হাওড়া স্টেশন থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা সহ ধৃত ১

কয়েক লক্ষ টাকা ভরতি ব্যাগ নিয়ে হাওড়া স্টেশনে ঘোরাঘুরি করছিল এক ব্যক্তি। শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ সেই ব্যক্তির খোঁজেই তল্লাশি চালাচ্ছিল আরপিএফ জওয়ানরা। তল্লাশি চালানোর সময় জওয়ানদের চোখে পড়ে পাশের ক্যাব রোডে পিঠে নীল রঙের পিট্টু ব্যাগ নিয়ে এক ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছে। জওয়ানদের দেখে ভয় পেয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল সে। তার কাছ থেকে ২৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সের ৮নম্বর প্ল্যাটফর্মে। ধৃত ব্যক্তির নাম সরোজ কুমার(২৪)। বিহারের বেগুসরাই জেলার ছেরিয়া বারিয়ারপুর থানা এলাকার ১০নম্বর ওয়ার্ডের সাপুরের বাসিন্দা। আরও পড়ুন ঃ পূর্বস্থলীতে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধা্র সে আরো জানায় শনিবার ডাউন পাটনা-হাওড়া জনশতাব্দী এক্সপ্রেস হাথিদাহ জংশন থেকে হাওড়া আসে ওই বিপুল পরিমাণ নগদ নিয়ে। ওই টাকা কলকাতার বউবাজারের এক সোনার দোকানে দেওয়ার জন্য তাকে দিয়েছিলেন তার মালিক পবন। এরপরে তাকে আরো নানা কথা জিজ্ঞাসা করা হলে সে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। এরপর বিকেল ৪টে নাগাদ নিজেদের হেফাজত থেকে নগদ অর্থসহ ধৃত ব্যক্তিকে হাওড়া জিআরপিকে হস্তান্তর করা হয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

ফের হাওড়ায় পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার

এবার গোটা হাওড়া শহরজুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টার পড়ল। নবান্নের সামনে থেকে শুরু করে হাওড়া স্টেশন, রবিবার গভীর রাতে গোটা শহর জুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে যায়। যার ফলে রাজীবকে নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। বনমন্ত্রীর প্রশংসা করে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। টালিগঞ্জের একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, স্তাবকতা করলেই দলে গুরুত্ব পাওয়া যায়। হ্যাঁতে হ্যাঁ বললেই ভাল, না বললেই খারাপ। যাঁরা স্তাবকতা করে ঠান্ডা ঘরে বসে থাকেন, তাঁরাই এখন দলে সামনের সারিতে থাকেন বলেও সোচ্চার হন রাজীব। পরে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে তিনি আরও বলেন, এর পরে দেখুন আরও কী হয়। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্যঃ গুরুং রাজীবের এই অবস্থানের পর রবিবারই কলকাতায় রাজীবের সমর্থনে সততার প্রতীক বলে পোস্টার পড়েছিল। তারপর রবিবার রাতেই গোটা হাওড়া শহর জুড়ে রাজীবের সমর্থনে অসংখ্য পোস্টার পড়ে। পোস্টারের প্রচারের দায়িত্বে আমরা দাদার কর্মী বলে উল্লেখ রয়েছে। নবান্নের সামনের রাস্তা, হাওড়া স্টেশন, হাওড়া ময়দান, হাওড়া কোর্ট, দানেশ শেখ লেন, কোনা এক্সপ্রেসওয়ের মতো বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়লেও রাজীবের নিজের বিধানসভা এলাকা ডোমজুড়ে কোনও পোস্টার পড়েনি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

চোরের মায়ের বড় গলা, নাম না করে রাজীবকে কটাক্ষ অরূপ রায়ের

দলের নাম না করে শনিবারই এক সভা থেকে তোপ দেগেছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলেরই আরেক মন্ত্রী অরূপ রায়। রবিবার অরূপ রায় বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। চালুনি আবার ছুঁচের বিচার করে। যারা যত বেশি ব্ল্যাকমেলার। ব্ল্যাকমেল করে বড় পদ পাওয়া। ভাঙা কাঁসির আওয়াজ বেশি বলে না। যাদের পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত দু্র্নীতিতে ভরা তারা বেশি চিৎকার করে। তাতে কিছু যায় আসবে না। যোগ্যতার থেকে অনেক বেশি তাকে দিয়েছে দল। এদিন অরূপ আরও বলেন, দলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন। তাঁরা কাজ করছেন নিঃস্বার্থভাবে। তাঁরা মন্ত্রীও নন, বিধায়কও নন। কিন্তু একজন দলের জন্য কিছু ত্যাগ না করে শুধু নিতে এসেছেন, তাঁদের মুখে এসব কথা শোভা পায় না। একইসঙ্গে তৃণমূল নেতাদের দল ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অরূপ রায় এদিন দাবি করেন, তৃণমূল হল জনসমুদ্র। সমুদ্রের জল কোনওদিন কমে না। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে চললেও দেখা নেই শীতের প্রসঙ্গত, অরূপ রায়ের সঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভাল নয়। এর আগেও বহুবার তাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এবার রাজীবকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে যেন সেই দ্বন্দ্বই আরও প্রকট হল। এদিকে, বেসুরো কথা বলার পরই উত্তর কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টারও পড়েছে। আর এই প্রেক্ষাপটে নাম না করে অরূপ রায়ের খোঁচা যে তৃণমূল শিবিরে আরও অস্বস্তি বাড়ল, তা বলাই যায়। অন্যদিকে, এদিন ফিরহাদ হাকিম দলের বেসুরোদের উদ্দেশে নাম না করে বলেন, মানসিক অবসাদ একটা বাজে জিনিস। এক জন কেউ হুক্কা হুয়া করলে আরও অনেকে তা দেখে হুক্কা হুয়া শুরু করে দেন। এদিন রাজীব প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলেই আছেন, দলেই থাকবেন। ও পরিণত নেতা। গ্যাস খাবেন না বলেই মনে করি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ায় নতুন পুর কমিশনার

ফের বদল করা হল হাওড়ার পুর কমিশনার। এবারে হাওড়া পুরসভার কমিশনার করা হল পশ্চিমবঙ্গের ২০১২ ব্যাচের আইএএস অভিষেক কুমার তেওয়ারিকে। তিনি এতদিন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিবের পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এর আগে হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন কমিশনার ধবল জৈনকে মূল্যায়ন পর্ষদে বদলি করা হয়েছিল। তাঁকে এদিন নতুন নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য কৃষি বিপণন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করা হয়েছে। মাসখানেক আগে ধবল জৈনকে হাওড়া পুরসভার কমিশনার পদ থেকে বদলি করার পর এখানকার জেলাশাসক মুক্তা আর্য্যকে পুরসভার কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ চলন্ত ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যাওয়া যাত্রীকে বাঁচিয়ে সাহসিকতার পরিচয় আরপিএফ কর্মীর প্রসঙ্গত, প্রায় দুবছর ধরে হাওড়ায় কোনও নির্বাচিত পুর বোর্ড না থাকায় প্রায় শিকেয় উঠেছে পুর পরিষেবা। সেই পরিস্থিতিতে কখনও পুরবাসীকে সুষ্ঠ পরিষেবা দিতে তৈরী করা হচ্ছে প্রশাসক মন্ডলী। কখনও তা ভেঙ্গে দিয়ে পুর কমিশনারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে দায়িত্ব। পুরসভার কাজ চালাতে পূর্ণ সময়ের একজন কমিশনারের দাবিও উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। যদিও বারেবারে পুর কমিশনার বদলের ফলে পুর পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন হাওড়ার বাসিন্দারা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি

হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। অনেক সময় অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও অপরাধীরা ধরা পড়ছে না। তাই এবার হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার অপরাধ প্রবন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে বলে সিটি পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের বেলুড়, শিবপুর, কমিশনারেট এলাকার মধ্যে থাকা জাতীয় সড়ক ও দাসনগরের বালিটিকুরির মতো ১০১২টি এলাকাকে মূলত অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বেলুড়ের বজরংবলী এলাকায় ২৫টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। হাওড়ার নগরপাল কুণাল আগারওয়াল জানালেন, কয়েকটি অপরাধপ্রবণ এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ইতিপূর্বেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রয়েছে। কিন্তু আরো নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কয়েক দফায় খুব দ্রুতই এক হাজারটি সিসিটিভি বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় বন্ধ হচ্ছে সেফ হোম

সাধারণ মানুষের সচেতনতার জেরে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। তাই এবার হাওড়ার অধিকাংশ সেফ হোম বন্ধ করতে চলেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। আগামী ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। করোনা আক্রান্তদের পৃথকভাবে রাখতে জেলা জুড়ে তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি সেফ হোম। যেখানে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হত। গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত তিন দিনে হাওড়া জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন প্রতি ১৬০থেকে ১৭০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, জেলার দশটি সেফ হোমের মধ্যে সাতটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১লা ডিসেম্বর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। আমতা, ডোমজুড় ও বাকসীর সেফ হোম তিনটি চালু থাকবে। ওই আধিকারিক আরো জানান, বর্তমানে আক্রান্তরা সেফ হোমে থাকতে চাইছেন না। তাই তাঁদের বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক আক্রান্তের সাথে একজন চিকিৎসাকে ট্যাগ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই চিকিৎসক রোগীর নিয়মিত খবর নেবেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা

হাওড়া ব্রিজের ১৭ নং পিলারের কাছে একটি কলকাতাগামী একটি যাত্রীবোঝাই বাসে আগুন লেগে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক বাসের চালক ও কন্ডাক্টর। জানা গিয়েছে , ধোঁয়া দেখতে পেয়েই যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যাত্রী সহ সকলে বাস থেকে নিরাপদে নিচে নেমে আসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে তারা বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় বাসের যাত্রী থাকলেও কোনো হতাহতের খবর নেই। বাসটিকে ব্রিজ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসে আগুন লাগার জেরে ব্রিজে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার

কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়েছিল ৯ বছর বয়সী এক বালক। বর্ধমান থেকে হারিয়ে যায় বালকটি। নাম সোমনাথ বিশ্বাস। সে বর্ধমানের গোপালপুরের বাসিন্দা। দমদমের একটি আবাসিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। মঙ্গলবার রাতে তাকে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিশ্চিন্দা থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে , এদিন ২ নং জাতীয় সড়কের বামুনডাঙা থেকে তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক জানা গিয়েছে , লকডাউনের সময় থেকে সোমনাথ বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে রয়েছে। এক ব্যক্তি সাইকেলে তাকে বর্ধমান থেকে হাওড়ায় নিয়ে এসেছে বলে সে পুলিশকে জানিয়েছে। রাস্তায় পুলিশ দেখে ওই ব্যক্তি সোমনাথকে জাতীয় সড়কের উপর নামিয়ে চম্পট দেয়। এরপর ওই বালককে উদ্ধার করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। জানা গেছে, ওই বালকের বাবা-মা নেই। তাই সে ঠাকুমার কাছেই থাকে। লকডাউনে স্কুল থেকে বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে চলে এসেছে। কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে হারিয়ে যায় সোমনাথ। তার দাবি, এরপরে এক কাকু তাকে বাড়ি পৌঁছনোর নাম করে এক সাইকেল আরোহীর হাতে তুলে দিয়েছেন। তার মাধ্যমেই এদিন সে বালিতে পৌঁছায়। কিন্তু বামুনডাঙাতে পুলিশ দেখে চম্পট দেয় ওই ব্যক্তি। এরপর তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। এরপরে নিশ্চিন্দা থানার পুলিশের হাতে সোমনাথকে তুলে দেওয়া হয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

সবার অলক্ষ্যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে পড়ে মহিলার দেহ, পুলিশি তৎপরতায় দেহ উদ্ধার

হাওড়া স্টেশনের সামনে এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হল। শুক্রবার রাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে যাত্রীদের বসার ছাউনির নিচে সিমেন্টের বেঞ্চের উপর ওই মহিলাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ এসে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। ভবঘুরে প্রকৃতির ওই মৃতা মহিলার পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। জানা গেছে, দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি ওইভাবেই সেখানে পড়েছিলেন। কিন্তু সেখানে বিষয়টি কারও নজরে আসেনি বলে অভিযোগ। হাওড়া স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করা কোনও যাত্রীও এই বিষয়টি নজরে আনেননি। শেষপর্যন্ত রাতে ঘটনাটি জানাজানি হলে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ সেখানে আসে এবং পুলিশের তৎপরতায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রশ্ন উঠেছে দীর্ঘক্ষণ ধরে এভাবে হাওড়া স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে ওই মহিলা পড়ে থাকলেও কেন এই বিষয়টি সবার নজর এড়িয়ে গেল।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন

পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের তরফ থেকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি নেওয়া হল। মঙ্গলবার এই সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন করে হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড। হাওড়ার ওল্ড এবং নিউ কমপ্লেক্সের সামনে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের এই নিয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি হাওড়া স্টেশন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক গার্ড এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধরনের কর্মসূচি আগামীদিনেও লাগাতার চলবে। আরও পড়ুন ঃ আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড সূত্রের খবর, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর প্রচার উপলক্ষ্যে মাস্ক বিলি এবং গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এদিন হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স ও নিউ কমপ্লেক্সের সামনে যেসব কুলিরা ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তাদের ঠেলায় রিফ্লেক্টর টেপ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে আসা বেশ কিছু প্রাইভেট গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফএর বড় রিফ্লেক্টর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এই রিফ্লেক্টর স্টিকারে রাতে আলো পড়লে উজ্জ্বল দেখাবে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই প্রচার কর্মসূচি চলবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজ্য

কয়েক দফা দাবিতে হাওড়া কর্পোরেশনে স্মারকলিপি প্রদান ডিওয়াইএফআইয়ের

হাওড়ায় পুর পরিষেবার হাল ফেরানো ও শূন্যপদে অবিলম্বে স্থায়ী নিয়োগের দাবি সহ কয়েক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়া কর্পোরেশন অভিযান করল বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। এদিন শতাধিক ডিওয়াইএফআই কর্মী- সমর্থক জেলা যুব কার্য্যালয়ের সামনে জমায়েত হন। সেখান থেকে মিছিল করে এসে পৌঁছন হাওড়া ময়দান চত্বরে। আরও পড়ুনঃ আমি ভালো আছি , মৃত্যুর গুজবে বিরক্ত হয়ে জানালেন রেজ্জাক সেখানে পুলিশ মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে ডিওয়াইএফআই কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে পুরসভা ভবনের মূল গেটের সামনে চলে আসেন। সেখানে পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। পুরসভার বন্ধ মূল ফটকে উঠে পড়েন কিছু সমর্থক। পরে ডিওয়াইএফআই -এর চার জনের এক প্রতিনিধি দল পুরসভায় এসে ডেপুটেশন জমা দেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কলকাতা ও হাওড়া

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ বিজেপির নবান্ন অভিযান শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে মিছিল নবান্নের দিকে আসতে শুরু করে। মিছিলের শুরুতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কলকাতার হেস্টিংস ও সাঁতরাগাছি৷ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ বিজেপির। কাঁদাতে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। এছাড়াও মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানের মাধ্যমে রঙিন জল ব্যবহার করা হয়৷ এদিকে এদিন এই মিছিলের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। সাঁতরাগাছিতে মিছিল থেকে পাল্টা পাথরও ছোঁড়া হয়। অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। হেস্টিংসে বহু বিজেপি কর্মী আহত হন৷ হেস্টিংস মোড়ে বসে পড়েন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপির নেতানেত্রীরা৷ অপরদিকে হাওড়া ময়দান এলাকায় মিছিল লক্ষ্য করে বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে। এখানেও অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। একটি বহুতলের ছাদ থেকে বোমা মারার অভিযোগ উঠছে।প্রসঙ্গত, এদিন সকালে সাঁতরাগাছি থেকে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শুরু হয় বিজেপির নবান্ন অভিযান। বাঁশের ব্যারিকেডের সামনে মিছিল এলে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। সামনে থাকেন রাজু। সেই সময় জলকামান থেকে রঙিন জল স্প্রে শুরু করে পুলিশ। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শুরু হয় রক্তবমি।পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের হাসপাতালে।এছাড়াও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিজেপি নেতা তাপস ঘোষ। আহত হয়েছেন অরবিন্দ মেনন, সায়ন্তন বসু ও জ্যোতির্ময় মাহাতো। দিলীপ ঘোষে্র নেতৃত্বে একটি মিছিল হাওড়া ব্রিজে উঠতেই বাধা দেয় পুলিশ। শুরু হয় লাঠিচার্জ। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, তাঁর উপরও লাঠিচার্জ করা হয়। পড়ে যান তিনি। জখম হন বেশ কয়েকজন কর্মী। তাঁদের পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। অন্যদিকে পুলিশের কিয়স্ক ভাঙচুর চালানো হয় হাওড়া ময়দানে। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় সেখানেও। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, কলকাতাকে গোটা দেশের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে হেস্টিংস মোড়ে দ্বিতীয় সেতুতে ওঠার মুখেই পুলিশের ব্যারিকেড। হেস্টিংসের মিছিলকে আটকায় পুলিশ। জলকামান থেকে জল ছেটানো হয়। লাঠি উচিয়ে মিছিলকে তাড়া করে পুলিশ। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এদিন তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, দুর্নীতিমুক্ত করতে পুরো রাজ্য সরকারের স্যানিটাইজেশন হোক। রাজ্য সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। বেহালা, ভবানীপুর, ডানকুনিতে বিজেপি কর্মীদের আটকেছে পুলিশ। লাঠিচার্জ করছে। তৃণমূল কার্যকর্তাদের মতো কাজ করছে পুলিশ। তৃণমূল সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। গণতন্ত্র বাঁচাও, বাংলা বাঁচাওয়ের দাবিতে এই আন্দোলন চলবে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনায় মৃত্যু হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপারের

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপার প্রণীত দাসের(৫৮)। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসায় পরের দিনই তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা। সেদিনই তিনি মারা যান। কয়েক মাস আগে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার করোনায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দেন তিনি। এছাড়াও হাওড়া জেলা হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আবার সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতা তোয়াক্কা না করে তিনি কাজ করছিলেন হাসপাতালে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

দুঃস্থ পড়ুয়াদের পাশে গ্রন্থাগার কর্মীরা

পশ্চিমবঙ্গ গ্রন্থাগার কর্মী সমিতির উদ্দোগে মোট ৫০জন মাধ্যমিক থেকে স্নাতক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হল। হাওড়া জেলা গ্রন্থাগারের সেমিনার হলে বই তুলে দেওয়া হয়। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। ফলে আর্থিক কারণে সন্তানদের পড়াশুনোয় সমস্যা হচ্ছে। এবারে গ্রন্থাগারের কর্মীরা নিজেরা চাঁদা তুলে এবং সমমনস্ক কিছু মানুষের সহযোগিতায় এই কাজ করেছেন। ডুমুরজলার চারাবাগান এলাকার সুমন একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে বই কিনতে পারেনি এখনও। বাবা সনৎ গাঙ্গুলী ক্যাটারিং এর কাজ করেন। লকডাউনের ফলে গত ৬মাস ধরে কর্মহীন। দুবেলা খাবারের জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন, ছেলের বই কিনবেন কি করে। শুক্রবার হাতে নতুন ক্লাসের বই পেয়েছে সুমন। জানিয়েছে এবারে পড়া শুরু করতে পারবে সে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে গ্রন্থাগার। কিন্তু তারপরেও চালু করা হয়নি এখনো। ফলে গ্রন্থাগার থেকে বই নিয়ে পড়াশুনা করার সুযোগও পাচ্ছেনা পড়ুয়ারা। এমন অবস্থায় এইভাবেই যতটা সম্ভব পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন গ্রন্থাগার কর্মীরা।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তালা ঝুলল তৃনমূল অফিসে

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দের জেরে তৃণমূল পার্টি অফিসে তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিল হাওড়ার শিবপুরে। শিবপুরে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে তালা ঝোলানোর অভিযোগ তোলে। শিবপুর থানায় পরষ্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করল দুই পক্ষই। ৩৭নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দীলিপ ঘোষ জানান, ওটি কাউন্সিলরের অফিস। শিবপুর বাজারে ওই অফিস ঘরটি ভাড়া নিয়ে তিনি কাউন্সিলরের অফিস করেছিলেন। এমনকি সেই ঘরের ভাড়া তিনি এখনও দেন। হঠাৎই গত শনিবার রাতে ওই কার্যালয়ের তালা ভেঙে সেখানে অন্য একটি তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত এই কাজ করেন। তাই তিনি এ ব্যাপারে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছন। ওই কার্যালয়টি ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূলের কার্যালয় ছিল বলে জানান ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত। এই অফিসে আগে প্রতি সপ্তাহে একদিন প্রাক্তন জেলা সভাপতি অরূপ রায় আসতেন বলেও জানান তিনি। দলীয় ওই কার্যালয়ের সাইন বোর্ডে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূলের কার্যালয় বলে লেখা ছিল। সেটি দীলিপবাবু তুলে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের হাওড়া জেলার চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, শিবপুর বাজারের ওই অফিসটি দলীয় কার্যালয়। ওখানে সকলেই বসতে পারেন। দীলিপ ঘোষ ও কৌশিক গুপ্ত এঁদের দুজনের কাছেই আলাদা আলাদা চাবি থাকে। ওঁরা যখন হোক গিয়ে বসবে। দলের জেলা সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, চেয়ারম্যান অরূপ রায় বিষয়টি দেখছেন। এ ব্যাপারে আমি ওঁনার সঙ্গে আলোচনা করবো। এদিকে দীলিপবাবু কার্যালয়টিতে তালা মেরে দিয়ে চলে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে দলের তরফে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান কৌশিকবাবু।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

সীমান্তে একের পর এক গোপন যুদ্ধবিমান! উপগ্রহ ছবিতে ধরা পড়তেই বাড়ল ভারতের উদ্বেগ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা উপগ্রহ ছবিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ভ্যান্টরের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভারতের উত্তর সীমান্তের কাছে চিনের দুটি বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামরিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে চিনের এই পদক্ষেপ শক্তি প্রদর্শন নাকি নিয়মিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ, তা এখনও স্পষ্ট নয়।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের উপগ্রহ ছবিতে জিনজিয়াংয়ের হোটান বিমানঘাঁটিতে আটটি যুদ্ধবিমান দেখা গিয়েছে। এই ঘাঁটি উত্তর লাদাখের ভারতীয় সামরিক ঘাঁটির তুলনায় তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। আবার জুন মাসের আর একটি উপগ্রহ ছবিতে তিব্বতের ডামসুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি একই ধরনের যুদ্ধবিমান দেখা যায়। এই ঘাঁটিও অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের কাছাকাছি।সব মিলিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ছবি সামনে এসেছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের সীমান্তের এত কাছে একসঙ্গে এত সংখ্যক এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘটনা আগে প্রকাশ্যে আসেনি। তাই বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পাচ্ছে।এই যুদ্ধবিমানগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এগুলি এমনভাবে তৈরি যে সাধারণ রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এগুলি আকাশযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হয়। এই কারণেই সীমান্তের কাছে এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই উপগ্রহ ছবির বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ফলে চিনের এই পদক্ষেপের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা চললেও সরকারি স্তরে এখনও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লিফট, জিম, সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত থিয়েটার! টুলুর বাড়ির অন্দরমহল দেখে চমকে গেল পুলিশ

বীরভূমের সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সুভাষপল্লিতে অবস্থিত তাঁর বিশাল বাড়ির অন্দরসজ্জা এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থা নজর কেড়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেখানে পুলিশি তল্লাশি চললেও এখনও পর্যন্ত নগদ টাকা বা সোনা উদ্ধারের সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।বাড়ির প্রবেশদ্বার পেরোলেই রয়েছে বড় সাজানো বাগান। বিভিন্ন বিদেশি ও বাহারি গাছ, পরিচ্ছন্ন লন এবং সারিবদ্ধ গাছপালা পুরো এলাকাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। চারতলা এই বাড়ির ভিতরে এক তলা থেকে অন্য তলায় ওঠানামার জন্য লিফট রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক শরীরচর্চার ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত সিনেমা দেখার ঘর এবং সুইমিং পুল। মার্বেল পাথরে তৈরি মেঝে, দৃষ্টিনন্দন আলো এবং সুসজ্জিত অন্দরমহল বাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।বাড়িতে রয়েছে একাধিক গ্যারেজ এবং সেখানে রাখা রয়েছে দামি গাড়ি। এছাড়া সিউড়ির পাশাপাশি মহম্মদবাজার এলাকাতেও টুলু মণ্ডলের ব্যবসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনার মণ্ডলের বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিপুল নগদের উৎস খতিয়ে দেখতেই টুলু মণ্ডলের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সুভাষপল্লির বাড়িতেও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। তদন্তকারীদের সঙ্গে স্বর্ণকারও সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে সোনা বা নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ৩০, ২০২৬
দেশ

বড় ইঙ্গিত সৌগতের! তৃণমূলে ফিরছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ? রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁদের অনুপস্থিতি এবং পরে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্য নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।সৌগত রায় জানিয়েছেন, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে এখনও তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, তিন সংখ্যালঘু সাংসদ-সহ আরও কয়েকজন বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।সৌগত রায়ের বক্তব্য, প্রথমে তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া এবং পরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ায় অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই কয়েকজন সাংসদ নতুন করে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তবে কারা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেছেন, পুরো বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের জানা রয়েছে। যদি ওই সাংসদরা আবার তৃণমূলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে করা দলত্যাগ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েও নতুন করে ভাবা হতে পারে।এদিকে, বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ওই তিন সাংসদ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি। এরপর থেকেই তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। এখন নজর, আগামী দিনে তাঁরা সত্যিই নতুন সিদ্ধান্ত নেন কি না।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

'জীবিকায় ভাগ বসাচ্ছে রোহিঙ্গারা', অভিযোগ তুলে পথে নামল বহরমপুরের তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বৃহস্পতিবার সকালে তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি জমা দেন। বহরমপুর শহর এবং সংলগ্ন এলাকার বহু তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায় এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি এলাকার সামাজিক ও পেশাগত পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বহিরাগত কিছু হিজড়া স্থানীয় এলাকায় এসে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁদের আরও দাবি, এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই বহিরাগতদের সহায়তায় স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য কাজ করছেন, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের কারণে তাঁদের দীর্ঘদিনের আয়ের উৎসে প্রভাব পড়ছে এবং আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, কয়েকজন বিক্ষোভকারী দাবি করেন, তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের আবেদন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হোক এবং স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও জীবিকার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

এনকাউন্টার নিয়ে বড় প্রশ্ন! বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের এনকাউন্টার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিযুক্তকে কী পরিস্থিতিতে গুলি করা হয়েছিল, সেই বিষয়ে জেলা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। হলফনামা আকারে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী সতেরো অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী শিলাদিত্য রক্ষিত। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে।আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে দাবি করেন, অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে রাখার দায়িত্ব পুলিশের ছিল। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ হলে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়। তাই গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতে আবেদন জানান।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, অভিযুক্ত সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রয়োজন। সেই কারণে জেলা পুলিশকে হলফনামা আকারে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বারুইপুরের এই বহুচর্চিত ঘটনায় হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি এখন আদালতের জমা পড়া রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করবে। আগামী সতেরো অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানিতে সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! অবশেষে কলকাতায় খুলল তদন্তকারী সংস্থার থানা, বদলে যাবে তদন্তের ছবি?

অবশেষে কলকাতায় চালু হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানা। এতদিন এই সংস্থার কলকাতায় শুধু শাখা দফতর থাকলেও, কোনও মামলার তদন্ত শুরু করতে হলে প্রথমে দিল্লিতে মামলা নথিভুক্ত করতে হত। এবার সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এল। এখন থেকে কলকাতাতেই মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা যাবে। নিউ টাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারেই চালু হয়েছে নতুন এই থানা।এতদিন রাজ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্ত করতে হলে দিল্লির দফতরে মামলা নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল। তার পর তদন্তের কাজ শুরু হত। নতুন থানা চালু হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, আগের রাজ্য সরকারের আমলেও এই থানা তৈরির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই সময় অনুমোদন মেলেনি। পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়।এই থানায় অন্যান্য থানার মতোই ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, তদন্তকারী আধিকারিক, উপপরিদর্শক এবং কনস্টেবল-সহ প্রয়োজনীয় পদ থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্তের প্রয়োজন হলে, সেই তদন্তের প্রশাসনিক কাজ এখন থেকে এই থানার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।বর্তমানে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করছে এই সংস্থা। বেলডাঙার অশান্তি, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড এবং বিস্ফোরণের একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। নতুন থানা চালু হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য সফরের সময়ও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তার কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দেড় কোটির তিনটি চেকই বাউন্স! বড় বিপাকে মহমেডান, প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আবারও বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিনটি চেকই বাউন্স করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মহমেডান ক্লাবের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে তিন দফায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর প্রতিটি চেকই ফেরত আসে। এর ফলে ক্লাবের আগের বকেয়া মেটানো এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ফুটবলার নিবন্ধনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের অন্য কর্তারা উদ্যোগ নিয়ে বকেয়ার একটি অংশ মেটানোর চেষ্টা করেন।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ক্লাবের সভাপতি এবং চেকের দায়িত্বও তাঁর। তাঁর বক্তব্য, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই টাকা মিটে যাবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া আগেভাগে চেক জমা দেওয়া হয়েছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছেন, হুমায়ুন কবির যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, সবকটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর দাবি, নির্ধারিত তারিখেই চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এখন খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন মেটানোই ক্লাবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও মাঠে জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছে মহমেডান। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও ক্লাবের আর্থিক সমস্যা দ্রুত না মিটলে আগামী দিনে দল পরিচালনা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমর্থকদের একাংশ।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal