• ৮ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

High Court

কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

শীতলকুচিকাণ্ডে সিআইডি'র কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

শীতলকুচিতে ভোটের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিচালনার ঘটনায় তদন্ত কতদূর অগ্রসর হয়েছে, তার রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি-র কাছে থেকে তদন্তের গতিপ্রকৃতি জানতে চাইল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। আগামী ৫ মের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে।শুক্রবার এই সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।গত শনিবার, ১০ তারিখ শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণনের বেঞ্চে মামলাটি দায়ের করেন ফিরদৌস শামিম নামে এক ব্যক্তি। কীভাবে, কোন পরিস্থিতিতে সেদিন গুলি চলেছিল, তা বিস্তারিত জানতে চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন ফিরদৌস শামিম। তাঁর দাবি মূলত তিনটি ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করা, আগামী দিনে অভিযুক্তদের ভোট প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ সরিয়ে দেওয়া ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্য দান। তারই শুনানি ছিল শুক্রবার। সূত্রের খবর, মাথাভাঙা থানায় এ নিয়ে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কোন দিকে এগোচ্ছে, কী তার স্ট্যাটাস রিপোর্ট, সেসব জানতে চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে এই ঘটনায় তৃণমূল ও সিআইএসেফের তরফে মাথাভাঙা থানায় দুটি পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। এরপরই সিআইডিকে তদন্তভার দিয়ে সংস্থার কাছ থেকে উচ্চ আদালত বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে বলে খবর। মামলাকারী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, তাঁদের দাবিমতো বিচারবিভাগীয় তদন্ত অর্থাৎ এক্ষেত্রে সিআইডি তদন্তে অনুমোদন দিয়েছে উচ্চ আদালত। সেইমতো আগামী ৫ তারিখ বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত তারপরে হবে। পাশাপাশি, এদিন হাইকোর্টের তরফে এও জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে যেন নিহতদের পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্যদান করা না হয়। জেলাশাসকের মাধ্যমে অর্থ তুলে দেবে কমিশন।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ড: সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ লালা

কয়লাকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছে সে। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা।এখনও তার নাগাল পাননি তদন্তকারীরা। কয়লাকাণ্ডের তদন্তে কার্যত সিবিআইয়ের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। তার বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, সেই এফআইআর খারিজের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায় সিঙ্গল বেঞ্চ। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কয়লা কাণ্ডে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে সিবিআই । তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। তবে, যে জায়গা রেলের আওতাধীন নয়, সেখানে তল্লাশি করতে গেলে রাজ্যের অনুমতি বাধ্যতামূলক। যদিও রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকায় থাকা কোনও ব্যক্তিকে যদি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে সমন পাঠানোর জন্য অনুমতি নিতে হবে না।এদিকে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ের পর পাল্টা তৎপরতা শুরু হয় সিবিআই-র অন্দরেও। মামলা গডায় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি সিবিআইকে রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত তল্লাশি অনুমতি দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা। সঙ্গে তার বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজের আবেদনও।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ডে হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্যের

কয়লা পাচার কাণ্ডে তল্লাশি চালাতে গেলে লাগবে না রাজ্যের অনুমতি। সিবিআইকে বড়সড় স্বস্তি দিয়ে সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা-সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে সিবিআই। ২৩ মার্চের মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ২৭ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।গত সোমবার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। কয়েকদিন আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যের সহযোগিতা নিয়ে তল্লাশি চালাতে হবে বলে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আর এতেই আপত্তি ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

বন সহায়ক পদে নিয়োগ: রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

বন সহায়ক পদে নিয়োগ তরজার জল গড়াল হাইকোর্টে।নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলা নিয়ে এবার রাজ্যের কাছে হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। ৪ মার্চের মধ্যে হলফনামা জমা করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজশেখর মন্থা। গত নভেম্বর মাসে রাজ্যের ২ হাজার বন সহায়ক পদে নিয়োগ হয়। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন মালদহের বাসিন্দা কৌশিক ঘোষ। এর আগে স্যাটেও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিন আদালতের বিচারপতি রাজশেখর মন্থা নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যের কাছে। মেধাতালিকা কী অবস্থায় রয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে আদালত। হলফনামা জমা পড়ার পরই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।প্রসঙ্গত, বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে আপাতত উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সঠিক নয় বলে অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই। দিন কয়েক আগে একই অভিযোগ শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তিনি বলেছিলেন, আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করে দিল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া

উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্যানেল থেকে শুরু করে মেধাতালিকা সবই বাতিল করে দেওয়া হল। শুক্রবার সে রায়ই দেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ শিক্ষকের উপরেই ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। টেটে যাঁদের নাম এসেছে তাঁরা সকলে যথাযথ নন। তাই মামলাকারীদের দাবি মেনে বাতিল করা হল সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া। হাই কোর্টের নির্দেশ, নতুন নির্বাচন প্রক্রিয়া আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে শুরু করতে হবে। ৫ এপ্রিলের মধ্যে তা শেষ করতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য প্রক্রিয়া ১০ মের মধ্যে শেষ করতে হবে। তাঁর রায়ে অত্যন্ত খুশি মামলাকারীরা। কলকাতা হাই কোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সুদ সমেত ফেরত দেওয়ার হুমকি দিলীপের উল্লেখ্য, উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১১ ও ২০১৫ সালে টেট হয়েছিল। টেটে যাঁরা নির্বাচিত হয়েছিলেন তাঁদের ভেরিফিকেশনের জন্য ২০১৬ সালে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। ওই তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৯ সালে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়। মামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, যাঁরা যোগ্য নন তাঁদেরও তালিকায় নাম ছিল। আর্থিক কারচুপির অভিযোগও ওঠে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করতে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ

আদালতের নির্দেশের জেরে রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরে নিষিদ্ধ ছটপুজো। রবীন্দ্র সরোবরের ৩ নম্বর গেটের সামনে শুক্রবার সকালে একদল পুণ্যার্থী জমা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুজো করতে দেওয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয়রা। যদিও আদালতের নির্দেশের কথা উঠলে তারা জানান, পুণ্যার্থীদের দাবি, মাত্র ছঘণ্টার মধ্যে ছটপুজো সেরে নেওয়া সম্ভব। আর সামান্য সময়ে ছটপুজো করলে কোনও সমস্যা হবে না। রবীন্দ্র সরোবরে ঢোকার অনুমতি না মিললে মূল দরজার সামনেই ছটপুজো করা হবে বলে জানিয়ে দেন তারা। এছাড়াও তারা বলেছেন, প্রতি বছর এখানেই পুজো করেছেন তারা। তাদের পূর্বপুরুষরাও এখানে পুজো করেছেন। এভাবে তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা বোঝাতে গেলে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায়। যাতে কেউ আদালতের নির্দেশ অমান্য করতে না পারেন তাই বিশাল পুলিশবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের প্রসঙ্গত , গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে গতবারই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রবীন্দ্র সরোবরের ছটপুজো। তারপর এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে পরিবেশ আদালতের কাছে কেএমডিএ আবেদন করেছিল , শর্তসাপেক্ষে লেকে ছটপুজো করতে দেওয়া হোক। সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় , কোনও শর্তেই লেকে ছটপুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। গত ১০ তারিখ কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজোর ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা চলছে, তা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতই শেষ কথা বলবে। সেই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ না দেওয়া হলে রবীন্দ্র সরোবরে এবং সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নিষিদ্ধ। বিধিনিষেধ মেনে কেএমডিএ ছটপুজোর আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু আবেদন খারিজ হয় সেখানেও। এরপর এই দুই আদালতের রায়ের বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে কেএমডিএ। এই আবেদনের শুনানি ২৩ তারিখ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ ছট পুজো হওয়ায় জরুরী ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হয়। কিন্তু একই রায় বহাল রাখে শীর্ষ আদালত।

নভেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

রাজ্যের সম্মতি ছাড়া কোনও তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই , নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যের সম্মতি ছাড়া কোনও তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই৷ দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করে দিল বৃহস্পতিবার। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে উত্তর প্রদেশের সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একটি মামলায় ইলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি দায়ের হয়েছিল৷ আরও পড়ুন ঃ কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে খতম চার জঙ্গি এই মামলায় রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত জানায়, আইন অনুযায়ী, রাজ্যের সম্মতি ছাড়া সিবিআইকে কোনও মামলায় নিয়োগ করতে পারে না কেন্দ্র৷ এ বিষয়ে রাজ্যের সম্মতি বাধ্যতামূলক৷ সংবিধানে উল্লেখিত যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এই আইন তৈরি করা হয়েছে৷ এই আইনটি সংবিধানের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও জানিয়েছে বিচারপতি এ এম খানউইলকর এবং বিচারপতি বি আর গভাইয়ের বেঞ্চ।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

বাজি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

বাজি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট কালীপুজোয় রাজ্যজুড়ে আতসবাজির বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেয়। কালীপুজোয় রাজ্যজুড়ে আতসবাজির বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেয়। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। বাজি কেনাবেচার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যান বাজি ব্যবসায়ীরা। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, উৎসব গুরুত্বপূর্ণ, তা আমরা বুঝতে পারছি। কিন্তু, এমন এক পরিস্থিতিতে আমরা আছি যখন জীবন এমনিতেই চরম বিপদে। জীবনের থেকে মূল্যবান কিছুই নয়। তাই জীবন রক্ষাই এখন একমাত্র অগ্রাধিকার। আরও পড়ুন ঃ বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএর প্রসঙ্গত , গত সপ্তাহেই কলকাতা হাইকোর্ট কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কোভিড পরিস্থিতির কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা। আতস বাজি সংগঠনের তরফে বাংলায় দুদিন মোট চার ঘন্টার জন্য বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার আবেদন করেছিল। কলকাতা হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির চার নেতার বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

নবান্ন অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অর্জুন সিং, মুকুল রায়, রাকেশ সিংদের বিরুদ্ধে তদন্তের উপর আপাতত স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকো্র্ট। নির্দেশ , আগামী ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা যাবে না। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজ শেখর মানথার। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোয় লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখলে ভাল হয়ঃ হাইকোর্ট প্রসঙ্গত , গত ৮ অক্টোবর ছিল বিজেপির নবান্ন অভিযান কর্মসূচি। সেই কর্মসূচির পর ভারতীয় জনতা পার্টির প্রথম সারির বেশ কয়েকজন নেতা নেত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিপর্যয় মোকাবিলা, অস্ত্র আইন, দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল হেস্টিংস থানায়। সেই অভিযোগ খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন বিজেপির এই চার নেতা।

নভেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোয় লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখলে ভাল হয়ঃ হাইকোর্ট

আসন্ন কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর দিনগুলিতে লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখলে ভাল হয়। এক জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত , কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো ও কার্তিক পুজোর দিনগুলিতে নির্দিষ্ট কয়েকটি স্টেশনে ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং ছটপুজোয় নদী ও লেকের ঘাটগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যের ৪০০-র বেশি ঘাটে ছটপুজো হয় । ছটপুজোর শোভাযাত্রা বের করা হয় সেখানে ৷ বাজি ফাটানো হয় ৷ এর জন্য কী ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার ? রাজ্য সরকার কি এই ব্যাপারে যথেষ্ট প্রচার করছে? আরও পড়ুন ঃ ভোটার তালিকা সংশোধনের দিনক্ষণ জানাল নির্বাচন কমিশন এদিনের শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট আরও জানায়, রাজ্যে অনেকগুলি জুটমিল বেল্ট আছে । সেই এলাকাগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দিক রাজ্য সরকার ৷ তা না হলে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। পাশাপাশি বিচারপতি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাজি বাজেয়াপ্ত হওয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন । তিনি বলেন, আদালত বাজিতে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দিতে পারে ৷ কিন্তু, এটা দেখার দায়িত্ব রাজ্য় ও কলকাতা পুলিশের৷ রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে যথেষ্ট প্রচার চালানো দরকার।

নভেম্বর ১০, ২০২০
দেশ

হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত

হাথরাসের নির্যাতিতা দলিত তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত শেষ করতে আর কতদিন সময় লাগবে? শুক্রবার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে এই প্রশ্ন করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। শুক্রবার হাইকোর্টে ওই ধর্ষণের মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি পঙ্কজ মিঠল ও বিচারপতি রাজন রায়ের বেঞ্চ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, এই তদন্ত শেষ করতে আর কতদিন সময় লাগবে? সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য নির্দিষ্ট করে কোনও তারিখের কথা জানাতে পারেননি। এরপরই বেঞ্চ সিবিআইকে স্পষ্ট জানায় ২৫ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। সেদিনই যেন তারা আদালতকে তদন্তের সর্বশেষ রিপোর্ট জমা দেয়। এই মামলার শুনানিতে বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে প্রশ্ন করে, হাথরাসের জেলাশাসক হিসেবে প্রবীণ কুমারকে ওই পদে রেখে দেওয়া কি ন্যায়সঙ্গত এবং যুক্তিযুক্ত? বেঞ্চের ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী এস ভি রাজু আদালতকে জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানাবেন। আরও পড়ুন ঃ আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার অর্ণব গোস্বামী প্রসঙ্গত , হাথরাসে ১৯ বছরের দলিত তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে চার যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই তরুণীর উপর চরম শারীরিক নির্যাতন করা হয়। ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। ঘটনার প্রেক্ষিতে এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। এই ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত ভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই মামলারই শুনানি ছিল এদিন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট

কালীপুজোর মণ্ডপেও দুর্গাপুজোর মতো নো-এন্ট্রি থাকবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি গোটা নভেম্বর মাসজুড়ে বাজি কেনাবেচার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধায় ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে কালীপুজোর পাশাপাশি ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোতেও ফাটানো যাবে না বাজি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ, ৩০০ বর্গমিটারের মণ্ডপে ৫ মিটার দূরে নো এন্ট্রি বোর্ড থাকবে। আরও পড়ুন ঃ আলু-পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হাতেঃ মমতা একসঙ্গে ১০ জন ঢুকতে পারবে এই আয়তনের মণ্ডপে ৷ মণ্ডপ থেকে ৫ মিটার দূরত্বে থাকবেন ঢাকি ৷ অন্যদিকে ৩০০ বর্গমিটারের থেকে বড় মণ্ডপে একসঙ্গে ৪৫ জন ঢুকতে পারবে । জগদ্ধাত্রী ও কার্তিক পুজোর ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ বহাল থাকবে। এইসঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা জানিয়েছেন , কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর , তারাপীঠ, কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, তা ঠিক করবে পুলিশই।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
দেশ

এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট

এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতে চলবে হাথরাসের দলিত তরুণীকে গণধর্ষণ ও খুনের মামলা। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সিবিআইকে তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট হাই কোর্টে জমা করতে হবে। উত্তরপ্রদেশের বাইরে হাথরস কাণ্ডের মামলা নিয়ে যাওয়ার এখনই কোনও প্রয়োজন নেই। সিবিআই তদন্ত করছে, তদন্তের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করবে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। নির্যাতিতার পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তার দিকেও নজর রাখবে হাইকোর্ট। হাথরাসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ মামলায় আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী সত্যেন দুবে। আরও পড়ুনঃ একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালানঃ মোদি হাথরাস গণধর্ষণ মামলার শুনানি উত্তরপ্রদেশে বাইরে করার আরজি জানিয়েছিলেন হাথরাসের নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী। এ বিষয়ে শীর্ষ আদালতের মত, আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত শেষ করুক। তারপর তো সেই পথ তো খোলা থাকছেই। প্রসঙ্গত , এর আগে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফেও হাথরাসকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা হয়।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল দুর্গাপুজো নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হাইকোর্টে

পুজো মামলা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট সোমবার নজিরবিহীন রায় দিয়েছিল। রাতেই জানা গিয়েছিল সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে রিট পিটিশন দাখিল করবে ফোরাম ফর দুর্গোত্সব। মঙ্গলবার সেই পিটিশন গ্রহণ করল হাইকোর্ট। বুধবার হবে মামলার শুনানি। জানা গিয়েছে ফোরামের হয়ে সওয়াল করবেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মহাপঞ্চমী অর্থাৎ বুধবার এই আরজির শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। আরও পড়ুনঃ করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন দিলীপ ঘোষ মঙ্গলবার এই আরজির প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার-সহ মামলার সকলপক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধের পর আদালতের রায়ের কপি হাতে পায় পুজো কমিটিগুলি। এরপর রায় মেনে ব্যবস্থা করতে গিয়ে একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয় তারা। এরপরই রায় পুনর্বিবেচনা ও কিছু বদল চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ পুজো কমিটিগুলি। মঙ্গলবার দুপুরে শুনানির কথা থাকলেও, আইনি জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। পুজো কমিটিগুলির আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের কাছে রিভিউ পিটিশন দাখিলের আরজি জানিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, হাই কোর্টের রায়ে বহু পুজো কমিটি একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। ফলে এই রায় পুনর্বিবেচনা করা হোক। তাঁদের পিটিশন গ্রহণ করেছে আদালত। ফোরামের তরফ থেকে এক আইনজীবী বলেন, সোমবার হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে , তা রাজ্যের বিরুদ্ধে দিয়েছে। কিন্তু এর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুজো কমিটিগুলি। কারণ , রাজ্য সরকার পুজো করে না। ফো্রাম ফর দুর্গোৎসবের সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসু বলেন, গত তিন মাস ধরে কোভিডের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিচারপতিদের উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বেশকিছু পুজো পরিদর্শন করারও আরজি জানিয়েছেন তিনি।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডির তলব এড়িয়ে গেলেন ডিসি! শান্তনুকে নিয়ে নতুন রহস্য

ইডির তলব থাকা সত্ত্বেও আজও দফতরে হাজির হলেন না কলকাতা পুলিশের ডিসি স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী ইডি দফতরে গিয়ে জানান, আপাতত তিনি কাজে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারছেন না। সেই কারণে তদন্তকারী সংস্থার কাছে কিছু সময় চাওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল ইডি। শুধু তিনি নন, তাঁর দুই ছেলেকেও তলব করা হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর বেআইনি জমি জালিয়াতি মামলার তদন্তেই তাঁর নাম সামনে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে তাঁর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। একই এলাকায় তাঁর নামে থাকা আরও কয়েকটি ফ্ল্যাটেও অভিযান চালানো হয়।সূত্রের খবর, এই মামলার সূত্রে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করে ইডি। সেই সূত্র ধরেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম উঠে আসে বলে জানা গিয়েছে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।এই মামলায় ইতিমধ্যেই এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগেও একাধিক মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করা হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর ছেলে সায়ন্তনের নামও এই মামলায় জড়িয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। অভিযোগ, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বারবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা না দেওয়ায় তদন্তে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই নজর এখন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাইক বন্ধ! কমিশনের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টে মামলা

ভোটের দুদিন আগে স্পর্শকাতর এলাকায় বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিতর্কে জড়াল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হলে তিনি সেই অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলাকারীর দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি হতে পারে এবং তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাইক র্যালি ও মোটরসাইকেল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানোও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় রাখা হয়েছে।এছাড়া বাইকে আরোহী বসানো নিয়েও কড়া নিয়ম জারি করেছে কমিশন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। যদিও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াত, চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়মে কিছু ছাড় রয়েছে।এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের অসুবিধা বাড়বে। বিশেষ করে যাঁরা ডেলিভারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উপর এর বড় প্রভাব পড়বে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই বড় ঘোষণা! কবে প্রকাশ উচ্চ মাধ্যমিকের ফল জানুন

ভোটের আবহের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন ঘোষণা করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বুধবার জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ মে প্রকাশিত হবে ফল। ওই দিন সকাল সাড়ে দশটায় সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করা হবে।সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, সল্টলেকের বিদ্যাসাগর ভবনে এই সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণার আধ ঘণ্টা পর, অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা অনলাইনে নিজেদের ফল জানতে পারবেন। তবে কোন কোন ওয়েবসাইটে ফল দেখা যাবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। পরে সংসদের তরফে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে খবর।প্রতি বছরের মতো এবারও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ফল প্রকাশ নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। ভোটের আবহের মধ্যেই এই ঘোষণা আসায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর ১৪ মে-র দিকে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগের রাতেই বড় চাল! দ্বিতীয় দফা নিয়ে গোপন বৈঠক শাহের

রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট, আর তার আগেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে দীর্ঘ বৈঠক হল, যেখানে ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। এই নেতারাই বাংলার দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন।প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ১৬টি জেলায় এই ভোট চলছে। মঙ্গলবারই প্রথম দফার প্রচার শেষ হয়েছে। সেই দিন একাধিক জনসভা করেন অমিত শাহ। প্রচার শেষ হতেই রাতেই তিনি দ্বিতীয় দফার রণকৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাঁরা দ্বিতীয় দফার আসনগুলির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার যে ১৪২টি আসনে ভোট হবে, সেখানে আগের নির্বাচনে বিজেপির ফল খুব ভালো ছিল না। এমনকি সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনেও প্রত্যাশামতো ফল পায়নি দল। তাই প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে আলাদা করে কৌশল তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছেন অমিত শাহ।সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যেই থাকতে পারেন অমিত শাহ। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তাঁর রাজ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার দাবি করছে, এবারের নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে দ্বিতীয় দফার আসনগুলিতে ভালো ফল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে বিজেপি।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কবি শ্রীজাত গ্রেফতারি! কাঁপছে রাজনৈতিক ও সাহিত্য মহল, কমিশনের দাবি ভুয়ো খবর

বিধানসভা ভোটের আগে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করল নির্বাচন কমিশন। কবি শ্রীজাতের বিরুদ্ধে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিশনের তরফে পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর লেখালেখি বা বক্তব্য থেকে ভোটের সময় উত্তেজনা ছড়াতে পারে, সেই আশঙ্কাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূলের তরফে জয়প্রকাশ মজুমদার অভিযোগ করেছেন, বাংলার সংস্কৃতি ও কৃষ্টির উপর আঘাত হানার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, বিজেপির প্ররোচনায় কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে দেবজিৎ সরকার পাল্টা বলেন, আদালতের নির্দেশেই এই গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ খোঁজা ভুল বলে দাবি করেন তিনি। বিজেপির অভিযোগ, ভোটের আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই এই ধরনের মন্তব্য করছে তৃণমূল।ঘটনাটি নিয়ে সাহিত্য মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বিনোদ ঘোষাল প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন কবির বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তাঁদের মতে, এতে সংস্কৃতি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।ভোটের মুখে এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে প্রশাসনিক পদক্ষেপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক চাপানউতোরসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারিতে নুসরত! সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা ঘিরে তোলপাড়

ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় ফের ইডির তলব পেয়ে বুধবার সকালে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হলেন অভিনেত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহান। সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তিনি ইডি দফতরে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যশ দাশগুপ্তও। সূত্রের খবর, ইডি যে সব নথি চেয়েছিল, সেগুলিও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন নুসরত।এই মামলার সূত্রপাত ২০২৩ সালে রাজারহাটের একটি ফ্ল্যাট প্রতারণা অভিযোগকে ঘিরে। অভিযোগ ওঠে, ২০১৪-১৫ সালে একটি সংস্থা চারশোর বেশি প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে মাথাপিছু সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা নেয়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। কিন্তু অভিযোগ, কেউই সেই ফ্ল্যাট পাননি এবং টাকাও ফেরত মেলেনি। ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে নুসরত জাহানের নাম ছিল বলে দাবি ওঠে, যদিও তিনি শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।এর আগেও এই মামলায় তাঁকে তলব করেছিল ইডি। প্রথমে নুসরত আবেদন করেছিলেন, যেন তাঁকে দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয় এবং কলকাতাতেই হাজিরা দিতে বলা হয়। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন।জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় একজন মহিলা আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি তদন্তকারী আধিকারিক এবং সহকারী ডিরেক্টর স্তরের এক আধিকারিকও থাকবেন। নুসরতের বয়ান রেকর্ড করা হবে এবং সেই ভিত্তিতেই তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে ইডি।এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও বিনোদন মহলে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মামলার অগ্রগতি এখন কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে তাণ্ডব! ট্যাংরায় ৫০ জনের হামলায় রণক্ষেত্র এলাকা

ভোটের আবহে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে ট্যাংরা এলাকায় ভয়াবহ অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাত প্রায় সোয়া নটা নাগাদ পুলিন খাটিক রোডে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, একই পরিবারের তিন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা বিক্রম খাটিক প্রতিদিনের মতো নিজের বাড়ির সামনে গাড়ি পার্ক করতে যান। কিন্তু সেদিন সেখানে অন্য একটি গাড়ি রাখা ছিল। সেই গাড়ি সরাতে বলতেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয় এবং প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ জন একসঙ্গে বিক্রম খাটিক ও তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়।এই হামলায় গুরুতর আহত হন বিক্রম খাটিক, সাবিত্রী খাটিক ও সানি খাটিক। তাঁদের লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুধু মারধরই নয়, অভিযুক্তরা বাড়ির ভিতর ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলেও দাবি পরিবারের।বিক্রমবাবুর স্ত্রী প্রীতি খাটিক অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা এলাকার শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এর আগেও থানায় অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।পরিবারের দাবি, তারাও ওই দলের সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খাটিক পরিবার। বিক্রম খাটিকের আর্জি, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক, কারণ তিনি আশঙ্কা করছেন ফের হামলার শিকার হতে পারেন।এই ঘটনায় ট্যাংরা থানায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
দেশ

“ভুলবে না দেশ!” পহেলগাম হামলা নিয়ে আবেগঘন বার্তা মোদীর

পহেলগাম জঙ্গি হামলার এক বছর পূর্তিতে নিহত নিরীহ মানুষদের স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, সেই ভয়াবহ ঘটনার শিকারদের কোনও দিন ভুলবে না দেশ। একই সঙ্গে শোকাহত পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে রয়েছে গোটা দেশ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ভারত কখনও সন্ত্রাসবাদের কাছে মাথা নত করবে না এবং জঙ্গিদের কোনও চক্রান্তই সফল হবে না।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, গত বছরের এই দিনে পহেলগামে যে নৃশংস হামলা হয়েছিল, তা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই ঘটনায় নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, এই শোকের মুহূর্তে দেশ একজোট রয়েছে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।গত বছর ২২ এপ্রিল পহেলগামের বৈসরণ উপত্যকায় পর্যটকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এই হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, জঙ্গিরা নাম ও ধর্ম জিজ্ঞাসা করে তারপর নারী ও শিশুদের সামনেই গুলি চালায়। এই ঘটনা দেশজুড়ে ক্ষোভ ও শোকের সঞ্চার করেছিল।হামলার পর উদ্ধারকাজ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুর্গম রাস্তার কারণে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে অনেক আহত ব্যক্তি রক্তক্ষরণেই প্রাণ হারান। পহেলগাম থেকে বৈসরণ যাওয়ার পথ ছিল অত্যন্ত কঠিন এবং যানবাহন চলাচলের উপযোগী ছিল না।এই ঘটনার পর ভারত কড়া পদক্ষেপ নেয়। অপারেশন সিঁদুর-এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে অভিযান চালায় এবং বহু জঙ্গিকে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে অপারেশন মহাদেব-এর মাধ্যমে হামলার সঙ্গে জড়িত জঙ্গিদের খুঁজে বের করে নির্মূল করা হয় বলে জানানো হয়।তবে এক বছর পরেও পহেলগামের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। নিরাপত্তার কারণে বহু পর্যটন কেন্দ্র এখনও বন্ধ রয়েছে। এর ফলে পর্যটনে বড় ধাক্কা লেগেছে এবং পর্যটকের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। স্থানীয়দের জীবিকাতেও এর গভীর প্রভাব পড়েছে, অনেকেই চরম আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal