• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Family

নিবন্ধ

পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যার

আজ পিতৃদিবস। আমাদের ছোটবেলায় এরকম কিছুর নাম শুনিনি । বোধহয় কারও জানা ছিল না যে বছরের বিশেষ কোন দিন বাবাদের জন্যও হয়। আমাদের শৈশব ছিল পিতৃময়। সংসারের সিদ্ধান্ত সব বাবাই নেবে, আমরা কি করব, কোথায় পড়ব, কি ভাবে সংসার চলবে সব কিছু। খুব ছোটতে বাবা আমাকে ভোরবেলা উঠিয়ে জল খাইয়ে নিয়ে যেত বাথরুমে। সকাল ৭টায় রিকশা আসবে স্কুলে নিয়ে যেতে।স্কুল থেকে ফিরে বাবাকে দেখতে পেতাম না, বাবার তখন অফিস। কিন্তু দুপুরগুলো চলতো বাবার করে দেওয়া রুটিনে। অঙ্ক দেওয়া থাকত খাতাতে। অঙ্ক কষে একটু ঘুমিয়ে নেওয়া। সেটাও আগাম বলে দিত বাবা। সন্ধ্যেয় এসে পড়াতে বসা। যখন একটু বড় হলাম, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সাইকেল চালানো শিখতে হবে। আমাদের মফস্বল শহরে কোন বাস সার্ভিস ছিল না। আর রিকশা ভাড়া দিয়ে টানা যাচ্ছে না। তখন তেরো বছরের কিশোরীর চোখে ভয়, লজ্জা সব। সাইকেল আর শেখা হয় না। মাঠে বিকেলে অনেকে খেলছে, কিশোর থেকে কিছু যুবকও। তাদের চোখের সামনে পিঠে পড়লো বিরাশি সিক্কার এক থাপ্পড়। সদ্য কিশোরী আমার মুখ চোখ লাল হয়ে চোখে জল। মারলো তো বাবাই , কিন্তু এত ছেলের সামনে? মুগ্ধ দৃষ্টি গুলো কেমন বদলে গেল ব্যঙ্গের হাসিতে। কিন্তু ওমা! দিব্যি সাইকেল টাও চলতে থাকলো গরগড়িয়ে। একটু হাত সরগর হতেই বাবার সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে হাজারদুয়ারী। বাবা বড় সাইকেল-এ সামনে, আমি পিছনে লেডিস ছোট লাল সাইকেল আমার। বোর্ড-এর পরীক্ষা, ভোরে ওঠা নিয়ে আমি নাজেহাল। ভোরে উঠতে পারি না, বাবা এলো কফির কাপ হাতে। গরম গরম কফি খেয়ে আমি আবার ঘুমে। এইভাবেই কেটে চলে দিন। ইউনিভার্সিটিতে এডমিশন। বাবা পৌঁছাতে গেল আমাকে, সেদিনটা টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল। বাবা আমাকে পৌঁছে টুকিটাকি জিনিস কিনে ফিরে যাচ্ছে, আমি দাঁড়িয়ে আছি দরজায়। বাবা বারবার বলছে তুই ভেতরে না গেলে আমি যাই কি করে আর আমি বলছি, তুমি যাও তারপরে তো যাব আমি। এই পহলে তুম-পহলে তুম এর টানাপোড়েনে কে যে জিতেছিল আজ আর মনেও নেই। বিয়ের পরে আমার ঘুম থেকে উঠে সর্বপ্রথম কাজ ছিল বাবাকে ফোন করা। ততদিনে বাবা অনেকটাই অসুস্থ, তবু ঘড়ির কাঁটা ৭টা ছুঁলেই ফোন আসত, তুমি কি আমাকে ফোন করতে ভুলে গেলে? তুই নয় তুমি, সম্বোধনেই ধরা পড়ত উষ্মা। তারও পরে তখন আমি মা, সন্তান পালনের টুকিটাকি বাবা আমাকে শিখিয়েছিল। বিশেষত, বাচ্চার খাওয়া-দাওয়া। আমার অতি দুরন্ত মেয়েকেও সামলেছে অপটু হাতে। তখন আমি জীবন যুদ্ধে পাগলপ্রায়। যখন একটু গুছিয়ে বসেছি, কন্যা আমার কাছেই। অফিস থেকে ফেরার পথে বিউটি পার্লার এ বসে আছি। উদ্দেশ্য, কিঞ্চিৎ সৌন্দর্য বৃদ্ধি। বাবার ফোন আসতেই কেটে দিলাম, দ্বিতীয় ফোনটা আসতে ধরলাম। নাহলে রিং করা থামাবেন না উনি। বললাম পার্লার এ আছি, পরে করছি ফোন ঘন্টা খানেক পরে আবার ফোন, বাধ্য হয়ে ধরে বললাম, এখনও হয়নি, শেষ হলে করছি আমার বাবার রাগে ক্ষোভে উক্তি, এখনও ওই পার্লার-এ বসে আছিস, ছোট থেকে এত মন দিয়ে যদি অঙ্কটা করতিস তাহলে কোথায় যে থাকতিস আজ! এবং হতভম্ব আমার প্রত্যুত্তর, এটা কি এইসময় ই মনে এলো তোমার! বাবা চলে গেছে, না বলেই। যে বাবা কিছু আমাকে না বলে করত না, কিরকম যেন এই সিদ্ধান্তটা একাই নিয়ে নিল। বাবাকে কোনদিন বলা হলো না তোমাকে ভালোবাসি। কোনওদিন জীবনে যা ভুল করেছি নতজানু হয়ে স্বীকার করা হল না। বলা হলো না বাবা তোমাকে ছেড়ে থাকা এখনও ভালো করে শেখা হয়নি আমার। অসমাপ্ত শিক্ষা নিয়ে কি করে চলবো আমি। কিছুই তো বলা হল না। তাহলে এতগুলো বছরে কি কথা বললাম আমি বাবার সঙ্গে? এতগুলো জরুরি কথা কি করে বাকি থেকে গেল? কবে শেষ করব এই অসমাপ্ত কথোপকথন আমি আর আমার বাবা? সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

বড় ঘটনা (Maldah Murder): দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা পর চার সদস্যকে খুন করে বাড়িতেই পুঁতে রাখল যুবক

একই পরিবারের চারজনের রহস্যমৃত্যু। মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মাটিতে দেহ পুঁতে রাখল যুবক। এই ঘটনায় পরিবারের একমাত্র ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুনের কথাও স্বীকার করেছে সে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদহের (Maldah) কালিয়াচকের আটমাইল এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই ওই পরিবারের চার সদস্যকে তাঁরা দেখতে পাচ্ছিলেন না। ওই যুবক সেই সময় বাড়িতেই ছিল। তার কাছ থেকে বারবার মা, বাবা, বোন এবং দিদার খোঁজ নেন প্রতিবেশীরা। সে জানায়, পরিবারের বাকি চার সদস্য বেড়াতে গিয়েছেন। তবে করোনা পরিস্থিতির মাঝে ওই চারজন কোথায় বেড়াতে গেলেন, তা নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। পুলিশ সূত্রে খবর, সে জানায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাবা, মা, বোন এবং দিদাকে খুন করেছে। প্রমাণ লোপাটের জন্য বাড়িতেই মাটির তলায় দেহ পুঁতে রেখেছে বলেও স্বীকার করে অভিযুক্ত। কী কারণে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করল, সে প্রশ্ন উঠছে। সম্পত্তিগত বিবাদের জেরে খুন নাকি অন্য কিছু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, নিহত গৃহকর্তা ইট, বালি, পাথরের ব্যবসা করতেন। ডাম্পারও ছিল তাদের। পরিবার যথেষ্ট বিত্তশালী। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত এলাকারই এক মিশন স্কুলে একাদশ শ্রেণিতে পড়ত। প্রতিবেশীদের কারও সঙ্গে বিশেষ মিশত না। পরিজনদের সঙ্গে তেমন কথাবার্তা বলত না। নিজের ঘরেই বেশিক্ষণ সময় কাটাত সে। সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে থাকত বছর ১৮-র আসিফ মেহবুব। ঘরে ল্যাপটপ, একাধিক ফোন, সাউন্ড সিস্টেম, টিভি, সিসি ক্যামেরা সমেত বহু অত্যাধুনিক গেজেট উদ্ধার হয়েছে। বাইরের কারও প্রবেশের অনুমতি ছিল না বাড়িতে। নিজের বাড়িতেই ল্যাব তৈরি করেছিল সে। আরও জানা গিয়েছে, প্লাইউড দিয়ে বেশ কয়েকটি কফিন তৈরি করেছিল অভিযুক্ত। বাবা-মা ভেবেছিলেন, ছেলে হয়তো গবেষণা করছে। তাই ছেলের কথা মতো ওই কফিনের মধ্যে জীবিত অবস্থা মা, বাবাকে ঢুকিয়েছিল সে। প্রত্যেকের মুখে লাগিয়েছিল সেলোটেপ। অভিযুক্তের দাদার দাবি, গোটা ঘটনাটির সাক্ষী ছিলেন তিনি। তারপরই অভিযুক্ত তার দাদাকে মারধর করে। খুনের হুমকি দেয়। জীবন বাঁচাতে কলকাতায় পালিয়ে যান তিনি। দিনদুয়েক আগে এলাকায় ফিরে বাবা, মা, বোন, দিদার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা জানতে পারে। তারপরই পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানান তিনি।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

Homeless: জঙ্গলে তাবু খাটিয়ে দিন কাটানো ঘরছাড়া বিজেপি নেতাদের পাশে নকশাল নেতৃত্ব

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে জঙ্গলে তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটানো বিজেপি কর্মী পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াননি কোনও বিজেপি নেতা।মানবিকতার খাতিরে শেষ পর্যন্ত নকশাল নেতৃত্বই পাশে দাঁড়ালেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের প্রেমগঞ্জ গ্রামের ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের পাশে।তাদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্য আউশগ্রাম ২ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানালেন সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক। এই ঘটনা বিজেপি নেতাদের মুখ যথেষ্টই পোড়াল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল । আউশগ্রাম ২ ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম প্রেমগঞ্জ। এবারের বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর প্রেমগঞ্জ গ্রামে বিজয় মিছিল করে তৃণমূল । তার পরেই গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। ঘরছাড়া থাকা বিজেপি কর্মী কমল বাগদি ,বলরাম বাগদি প্রমুখরা বলেন , তৃণমূলের বিজয় মিছিলে থাকা লোকজন বেছে বেছে এলাকার বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে চড়াও হয় । বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধোর শুরু হয় । এরপর প্রাণভয়ে ওইদিন রাতেই তাঁরা প্রায় ২৫ - ৩০ টি বিজেপি সমর্থক পরিবার বাড়ি ছাড়েন। তার পর থেকে এক মাসের বেশি দিন হয়েগেল তারা প্রেমগঞ্জ থেকে বহু দূরে কাঁকশা লাগোয়া ভাতকুণ্ডা গ্রামের অদূরে জঙ্গলের ভিতরে দুটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। সঙ্গে ১০টি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। কমল বাগদি জানান, বাড়ি ফিরলে ফের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হামলার মুখে পড়তে হতে পারে, এই ভয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। আধপেটা খেয়ে তাঁবুতে অসহায়ভাবে দিন কাটিয়ে চললেও বিজেপি নেতারা কেউ পাশে দাঁড়াননি। ঘরছাড়ারাই জানান, এই অসময়ে তাঁদের কিছুটা হলেও সহযোগিতা করছে একমাত্র নকশাল সংগঠন।এই বিষয়ে সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের জেলা সম্পাদক ফতেমা বেগম বলেন, ঘরছাড়া অসহায় পরিবারগুলি রাজনৈতিক হিংসার শিকার।তাঁরা খুব কষ্টে দিন কাটচ্ছে বলে মানবিকভাবেই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফতেমা বেগম জানান, ওই ঘর ছাড়াদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্যে তিনি চিঠি লিখেও আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দর আলি বলেন,যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ওদের গ্রামে ফিরতে কেউ নিষেধ করেনি।ওরা গ্রামে ফিরুক, কোন অসুবিধা নেই ।জেলা বিজেপির সম্পাদক শ্যামল রায় বলেন, ঘরছাড়াদের পাশে বিজেপি নেতারা দাঁড়ায়নি এই কথা সঠিক নয় । ওদের বিষয়ে প্রশাসনকে বলা হলেও কোন কাজ হয়নি। বাড়ি ফিরলেই তৃণমূলের লোকজন ফের আক্রমণ করবে এই ভয়ে ঘরছাড়ারা ঘরে ফিরতে পারছেন না।

জুন ১১, ২০২১
রাজ্য

দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি দেখতে পাচ্ছে না? কোচবিহারে তোপ রাজ্যপালের

ভোট চলাকালীন রক্তাক্ত হয়েছিল শীতলকুচি । সিআরপিএফের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল চারজনের। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাকে লক্ষ্য করে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। পূর্বসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কোচবিহার যান রাজ্যপাল। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার কথা বলেন। বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতি দেখে আমি চুপচাপ রাজভবনে বসে থাকতে পারব না। আমি কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় যাব। যাঁরা আতঙ্কে অসমে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনব। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে এই জায়গাকে কলঙ্কিত হতে দেখতে পারব না। এরপরই সড়কপথে মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটার হিংসা কবলিত এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে লক্ষ্য করে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ধনকড়কে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিত পরিবারগুলি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধনখড় আরও বলেন, এখানে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে, আমরা ঝান্ডা লাগিয়েছি তাও বাঁচতে পারছি না কেন? আমাদের খুব ভুল হয়ে গিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে শ্বাস নিতে চাই। ওরা বলছে, প্রশাসনের কেউ আসেনি। পুলিশে গেলে বরবাদ হয়ে যাব। আমার মনে হচ্ছে, এখানে পুলিশ ও প্রশাসনের হৃদয় নেই। আইনের শাসন নেই। ঘরে-বাইরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসের বাতাবরণ। আমার নিজের লজ্জা হচ্ছে। দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কী করছে! ওরা কি দেখতে পায়না? উল্লেখ্য, এই জেলা সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। ধনকড় প্রথা ভেঙে এই সফর করছেন, এমনটা দাবি করে বুধবার তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। এদিন ওই চিঠির শুরু থেকেই রাজ্যপালের কোচবিহার সফর ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। বৃহস্পতিবার নিশীথ প্রামাণিককে সঙ্গে নিয়ে কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। মাথাভাঙার বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, যে রাস্তা দিয়ে রাজ্যপালের কনভয় যায়, তারই দুপাশে বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, হামলার নিদর্শন স্পষ্ট ছিল। একটি এলাকায় পৌঁছতেই দেখা যায়, রীতিমতো রাজ্যপালের পায়ের কাছে পড়ে যান আক্রান্ত পরিবারের এক মহিলা। বিচার চেয়ে কাঁদতে থাকেন তিনি। আরও এক মহিলাকে রাজ্যপালের পায়ে পড়তে দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য মহিলা আধিকারিকরা দুজনকে সরিয়ে নেন। এলাকায় বিপর্যস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে, শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। দিনহাটা শহরে বিজেপি নেতার ভাঙা বাড়ি দেখে রাস্তায় ওঠার মুখেই কিছু যুবক রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখান। এরপর গাড়ি থেকে নেমে পড়েন রাজ্যপাল। পুলিশকে ডেকে জানতে চান, এসব কী হচ্ছে। দিনহাটার এসডিপিওকে ধমক দেন। রাজ্যপালের রোষের মুখে পরে দিনহাটা থানার আইসি স্বয়ং। তাঁকেও ডেকেও রাজ্যপাল জানতে চান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন কেন দিনহাটা জুড়ে? এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জেলা সফরে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর কথায়, অপমানিত, আহত বোধ করছেন তিনি। কোনও চাপের কাছে মাথা নত নয় বলে সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্ট করে রাজ্য সরকারকে বার্তা দেন রাজ্যপাল।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি দেখতে পাচ্ছে না? কোচবিহারে তোপ রাজ্যপালের

ভোট চলাকালীন রক্তাক্ত হয়েছিল শীতলকুচি । সিআরপিএফের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল চারজনের। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাকে লক্ষ্য করে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। পূর্বসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কোচবিহার যান রাজ্যপাল। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার কথা বলেন। বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতি দেখে আমি চুপচাপ রাজভবনে বসে থাকতে পারব না। আমি কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় যাব। যাঁরা আতঙ্কে অসমে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনব। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে এই জায়গাকে কলঙ্কিত হতে দেখতে পারব না। এরপরই সড়কপথে মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটার হিংসা কবলিত এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে লক্ষ্য করে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ধনকড়কে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিত পরিবারগুলি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধনখড় আরও বলেন, এখানে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে, আমরা ঝান্ডা লাগিয়েছি তাও বাঁচতে পারছি না কেন? আমাদের খুব ভুল হয়ে গিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে শ্বাস নিতে চাই। ওরা বলছে, প্রশাসনের কেউ আসেনি। পুলিশে গেলে বরবাদ হয়ে যাব। আমার মনে হচ্ছে, এখানে পুলিশ ও প্রশাসনের হৃদয় নেই। আইনের শাসন নেই। ঘরে-বাইরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসের বাতাবরণ। আমার নিজের লজ্জা হচ্ছে। দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কী করছে! ওরা কি দেখতে পায়না? উল্লেখ্য, এই জেলা সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। ধনকড় প্রথা ভেঙে এই সফর করছেন, এমনটা দাবি করে বুধবার তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। এদিন ওই চিঠির শুরু থেকেই রাজ্যপালের কোচবিহার সফর ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। বৃহস্পতিবার নিশীথ প্রামাণিককে সঙ্গে বিয়ে কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। মাথাভাঙার বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, যে রাস্তা দিয়ে রাজ্যপালের কনভয় যায়, তারই দুপাশে বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, হামলার নিদর্শন স্পষ্ট ছিল। একটি এলাকায় পৌঁছতেই দেখা যায়, রীতিমতো রাজ্যপালের পায়ের কাছে পড়ে যান আক্রান্ত পরিবারের এক মহিলা। বিচার চেয়ে কাঁদতে থাকেন তিনি। আরও এক মহিলাকে রাজ্যপালের পায়ে পড়তে দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য মহিলা আধিকারিকরা দুজনকে সরিয়ে নেন। এলাকায় বিপর্যস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে, শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। দিনহাটা শহরে বিজেপি নেতার ভাঙা বাড়ি দেখে রাস্তায় ওঠার মুখেই কিছু যুবক রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখান। এরপর গাড়ি থেকে নেমে পড়েন রাজ্যপাল। পুলিশকে ডেকে জানতে চান, এসব কী হচ্ছে। দিনহাটার এসডিপিওকে ধমক দেন। রাজ্যপালের রোষের মুখে পরে দিনহাটা থানার আইসি স্বয়ং। তাঁকেও ডেকেও রাজ্যপাল জানতে চান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন কেন দিনহাটা জুড়ে? এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জেলা সফরে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর কথায়, অপমানিত, আহত বোধ করছেন তিনি। কোনও চাপের কাছে মাথা নত নয় বলে সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্ট করে রাজ্য সরকারকে বার্তা দেন রাজ্যপাল।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চাকরি নেবে শীতলকুচির আনন্দ বর্মনের পরিবার

অবশেষে রাজ্য সরকারের দেওয়া চাকরি নিতে চলেছে কোচবিহারে ভোটের দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত কিশোর বিজেপি কর্মী আনন্দ বর্মনের পরিবার। আনন্দর দাদা গৌতম বর্মনই রাজ্যের দেওয়া হোমগার্ডের চাকরি নেবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল কোচবিহারে ভোটের দিন শীতলকুচি বিধানসভা এলাকায় প্রথমবার ভোট দিয়ে বুথ থেকে বেরনোর সময় দুষ্কৃতীদের গুলিতে আনন্দর মৃত্যু হয়। তাঁকে দলীয় কর্মী বলে দাবি করে গুলি করে খুনের অভিযোগে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলে বর্মন পরিবার এবং জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।পরদিনই মাথাভাঙার জোড়পাটকিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনন্দ-সহ জোড়পাটকিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃতদের পরিবারকে চাকরির আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি দপ্তরে রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হয়ে ছেলের খুনের জন্য তৃণমূলকে দুষে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চাকরি নেবেন না বলে জানান আনন্দর মা বাসন্তী বর্মন। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ফের শপথগ্রহণের পরদিন বৃহস্পতিবারই শীতলকুচিতে গুলিতে মৃত পাঁচ জনের পরিবারেরই একজন করে সদস্যকে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ওই পাঁচ পরিবারের সদস্যরা কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই মাসখানেকের মাথায় কার্যত সুর বদলালেন সন্তানহারা সেই মা। আনন্দ বর্মনের মা বাসন্তী বর্মন এদিন বলেন, আমরা পুরনো কোনও কথা ধরে রাখতে চাইছি না। মুখ্যমন্ত্রী চাকরি দিচ্ছেন। সেই চাকরি আমরা নেব। তাঁর দেওয়া অর্থসাহায্যও গ্রহণ করব। আনন্দ বর্মনের দাদা গৌতম বর্মন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সকলের। তাই তিনি যখন নিহত পাঁচজনের পরিবারকেই সহযোগিতা করছেন, তাহলে অবশ্যই সেই সহযোগিতা নেব। দোষীদের শাস্তির দাবিও করছি। পুলিশ তদন্ত করছে অবশ্যই দোষীদের শনাক্ত করবে।

মে ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দীপিকা পাড়ুকোন, সংক্রমিত গোটা পরিবারও

বলিউডে আরও ভয়াবহ করোনা চিত্র। এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। মঙ্গলবার সকালেই খবর মিলেছিল, দীপিকার বাবা, প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সন্ধেবেলাই দীপিকার করোনা সংক্রমণের দুঃসংবাদ এল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে থাকা দীপিকার শরীরেও মারণ করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। মৃদু উপসর্গ নিয়ে আপাতত তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেক আগে দীপিকার বাবা প্রকাশ, মা উজ্জ্বলা এবং ছোট বোন অনিশার করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সকলের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়। তাঁরা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। প্রকাশ পাড়ুকোনের জ্বর না কমায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এবার দীপিকার করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মাসে মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অভিনেতা রণবীর কাপুরও। দীপিকা নিজের পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন থাকতে চেয়েছিলেন। তবে তা খুব একটা আনন্দদায়ক হল না। পরিবারের সকলেই পড়লেন করোনার কবলে। এই মুহূর্তে দীপিকার হাতে বলিউডের বেশ কিছু কাজ রয়েছে। কিন্তু তিনি আচমকা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেসব কাজই অনেকটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। যদিও খবর, এখনও পর্যন্ত দীপিকার তেমন গুরুতর অসুস্থতা নেই। তাই বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। প্রিয় নায়িকার এই অবস্থার কথা জানতে পেরে মুষড়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তবে এই মুহূর্তে রণবীর কেমন আছেন, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

মে ০৪, ২০২১
কলকাতা

নিউ মার্কেটের হোটেলে বাবা-মা-ছেলের দেহ উদ্ধার

দুদিন আগে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বাবা-মা-ছেলে। নিউ মার্কেটের রফি আহমেদ কিদওয়াই রোডের হোটেল থেকে তিন জনের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, দেহ থেকে পচা গন্ধ বেরোচ্ছে। মনে করা হচ্ছে ১৪ তারিখ রাতেই আত্মঘাতী হয়েছেন তাঁরা। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে গোটা বিষয় স্পষ্ট হবে বলেই মত তদন্তকারীদের।১৭, রফি আহমেদ কিদোয়াই রোডের একটি হোটেলে সোমবার দুপুর দেড়টা নাগাদ এসে ওঠেন শিলিগুড়ির তিন বাসিন্দা। সুশীল বনশাল, ছন্দাদেবী বনশাল এবং সুনীত বনশাল নামে তিনজন শিলিগুড়ির সেবক রোডের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, ওই দিন রাতের খাবার হিসেবে তাঁরা রুটি, চানা দেওয়ার কথা জানায় হোটেলে। খাবার নিয়ে সাড়ে নটা নাগাদ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর মঙ্গলবার বেলা গড়ালেও ওই ঘর থেকে কেউ না বেরনোয় সন্দেহ হয় হোটেল কর্মীদের। তাঁরা খবর দেন নিউ মার্কেট থানার পুলিশে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হোটেল কর্মীরা দরজা ভেঙে ঢোকেন ঘরে। দেখা যায়, তিন সদস্যই অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। পাশে বিষের শিশি, সুইসাইড নোট।পুলিশ সূত্রে খবর, সুইসাইডে নোটে আত্মহত্যার কথা উল্লেখ করেছেন তাঁরা। কিন্তু কী কারণে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতায় এসে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। আবার তাঁরা খুন হতে পারেন, এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত সুশীল বনশালের বয়স ৬৬ বছর, ছন্দাদেবী ৬০ বছরের এবং সুনীত সিংয়ের বয়স ৪৫ বছর। তাঁদের মৃত্যুর খবর পাঠানো হয়েছে শিলিগুড়ির সেবক রোডের বাড়িতে। একটি সূত্রে খবর, সুনীতের মানসিক সমস্যা ছিল। তাঁকে নিয়ে বিপর্যস্ত ছিল পরিবার। ঠিক কী কারণে এই সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদেহগুলো পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।

মার্চ ১৬, ২০২১
রাজ্য

বোলপুরের বাউল বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ অমিত শাহর

শ্যমবাটিতে বাউল শিল্পী বাসুদেব দাসের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্দিষ্ট সময়ের খানিকটা পরেই অমিত শাহ পৌঁছন বাউল বাসুদেবের বাড়িতে। সেখানকার শিবমন্দিরে প্রথমে পুজো দেন। এরপর দাওয়ায় এসে বসেন। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন বাড়ির মেয়েরা। তোমায় হৃদমাঝারে রাখব গান শুনে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, অনুপম হাজরা প্রমুখ। কথা ছিল, বোলপুরে গেলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেবারে স্থানীয় খাবার খাবেন বাউল পরিবারে। আরও পড়ুন ঃ ৭০ বছর পর ঐতিহাসিক সাফল্য ভারত সরকারের সেইমতো রবিবার অতিথি আপ্যায়ণের জন্য সকাল থেকেই তোড়জোড় শুরু হয় রতনপল্লির বাউল বাসুদেব দাসের পরিবারে। পাতে ছিল, ভাত, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, পালং শাকের তরকারি, আলু পোস্ত, চাটনি। কলাপাতায় এই সব পদ সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নিজের গলায় একখানা গানও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শোনান শিল্পী। মাটির দাওয়ায় বসেই তা বেশ উপভোগও করলেন অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায়

মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একাধিক কর্মসূচির মাঝে মধ্যাহ্নভোজ সারতে বালিজুড়ি গ্রামে কৃষক পরিবারে পৌঁছলেন তিনি। পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান তাঁকে। মেদিনীপুরের বালিজুড়ির কৃষক ঝুনু ওরফে সনাতন সিংয়ের বাড়িতে তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। মাটি দিয়ে নিকোনো বাড়িতে সূক্ষ্ম হাতে আঁকা হয়েছিল আলপনা। এছাড়াও লেখা হয় স্বাগতম। শুক্রবার সকাল থেকে গেরুয়া শিবিরের নেতাকর্মীদের আনাগোনা লেগেই ছিল। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছিল নিরাপত্তারক্ষীদের। শনিবার দুপুর দেড়টার কিছু পরে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কৃষক সনাতনের মাটির বাড়ির সামনে এসে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কনভয়। সেই সময় তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সনাতনের পরিজনেরা। আরও পড়ুন ঃ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ অমিত শাহের পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অল্প কিছুক্ষণ আলাপচারিতা সারেন অমিত শাহ। বসেন বাড়ির সামনে থাকা খাটিয়ায়। তারপর ধীরে ধীরে সনাতন সিংয়ের বাড়ির দাওয়ায় গিয়ে পৌঁছন অমিত শাহ। মাটিতে বসে কলাপাতায় খাবার খান তিনি। তাঁর মেনুতে ছিল লাউ মুগডালের বিশেষ পদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খাওয়ানো হয় ভাত, রুটি, উচ্ছে ভাজা, পটল ভাজা, বেগুন ভাজা, খসলা শাকের ভাজা, লাউ মুগডাল, শুক্তো, চাটনি ও পাঁপড়। ছিল স্যালাড এবং টক দই। পরিমাণে অল্প হলেও সব পদই খান তিনি। তাঁর সঙ্গে একই পংক্তিতে বসে ওই খাবার খান দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়রাও।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

তপনে একই পরিবারের পাঁচজনের রহস্যমৃত্যু

একই পরিবারের পাঁচজনের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। ঘটনাটি ঘটেছে , দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানা এলাকার দক্ষিণ জামালপুরে। মৃতদের নাম কুলো বালা বর্মন (৬০), তাঁর ছেলে অনু বর্মন (৩২), অনু বর্মনের স্ত্রী মল্লিকা বর্মন (২৮), দুই শিশু সন্তান বিউটি বর্মন (১০) ও স্নিগ্ধা বর্মন (৭)। জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে ওই বাড়ি থেকে কাউকে বের হতে দেখা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া প্রতিবেশীরা জানান, অনেক ডাকাডাকি করা হলেও সাড়া মেলেনি। এরপর তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করে। ৪ জনের দেহ ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় থাকলেও, অনু বর্মণের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলি পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে , তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়িতে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। ঘটনাটিকে খুন বলে অনুমান করছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের

বাগুইআটির একটি মতুয়া পরিবারে শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। মধ্যাহ্নভোজ সেরে গৃহকর্তা নবীন বিশ্বাসকে অমিত শাহ জানালেন , বাঙালিয়ানায় ভরপুর নিরামিষ খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। এদিন সকাল থেকে কয়েকটি কর্মসূচি সেরে বিকেলের দিকে আমিত শাহ পৌঁছে যান বাগুইআটির আদর্শনগরের গৌরাঙ্গপল্লিতে। আরও পড়ুন ঃ আমার দল মিউজিক পার্টি, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রথমেই এলাকার হরিচাঁদ মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজো দিয়ে ঢোকেন নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে। সেখানেই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য। ভাত, রুটি, ডাল, পনির, শুক্তো, চাটনি, পায়েস-সহযোগে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া সারেন অমিত শাহ। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা ও মুকুল রায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

মন্তেশ্বরে গায়ে আগুন দিয়ে একই পরিবারের তিনজন আত্মঘাতী

সপরিবারে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হল একই পরিবারের তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে , মন্তেশ্বরের বাঘাসোন গ্রামে। মৃতদের নাম সুদেব চন্দ্র দে (৩৯) , তাঁর স্ত্রী রেখা দে (২৮) ও তাঁর ছেলে স্নেহাংশু দে (৮)। জানা গিয়েছে , সুদেব চন্দ্র দে রেল পুলিশে কর্মরত। মঙ্গলবার ভোরবেলায় মন্তেশ্বর থানার পুলিশ একই ঘর থেকে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণ , মৃত ১ তাদের বড় মেয়ে রিমঝিমকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বর্ধমান হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। মৃতের দাদা জানান আজ ভোর ৩ টে ১৫ নাগাদ তাঁর ভাইঝি তাঁকে ফোন করে আগুন লাগার ঘটনার কথা জানায়। এরপরই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঢুকে তিনজনের মৃতদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকেরা। এরপর পুলিশ দেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।ঘটনার তদন্তে নেমেছে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ। ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকবঃ শুভেন্দু

আমাকে আমার লক্ষ্য ,কর্মপদ্ধতি ও দায়বদ্ধতা থেকে কেউ কোনওদিন সরিয়ে দিতে পারেনি আর পারবেও না। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। রবিবার নেতাই শহীদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির ব্যবস্থাপনায় গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৫২ জন মহিলাকে সেলাই প্রদান ও ১৭ জনকে বাড়ি প্রদান করা হয় এদিন। তিনি এদিন বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। নেতাইয়ের মানুষের সমস্ত প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তুলে ধরলেন নেতাইয়ের শহিদ ও আহত পরিবার, মামলায় সাক্ষীদের ক্ষোভের কথা। আরও পড়ুনঃ নেতাইয়ে গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন , তিনি বলেন, এর আগে আমি এখানে ক্ষোভ লক্ষ্য করেছি কিন্তু আমার প্রতি তাঁদের কোনওরকম ক্ষোভ নেই। তাঁরা ৮ জনের কর্মসংস্থানের কথা বলেছিলেন। আমি তাদের পাঁচজনের ছোটখাটো কর্মসংস্থান করতে পেরেছি। বাকি তিন জনের কথাও ভাবছি। নেতাইয়ের সঙ্গে আমার আত্মিক, মানসিক ও হৃদয়ের সম্পর্ক।তিনি বলেন, চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী যতদিন থাকবে শুভেন্দু অধিকারী যতদিন হাঁটাচলা করতে পারবে ততদিন নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকব। পুজোতে তিনি ফের জঙ্গলমহলে আসবেন বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
দেশ

যুবতীর পরিবার ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

হাথরস-কাণ্ডে দলিতকন্যার পরিবার ও সম্ভাব্য সাক্ষীদের সুরক্ষা যেন নিশ্চিত করা হয়।মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ সরকারকে একথা বলল সুপ্রিম কোর্ট। যুবতীর পরিবার ও মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তার বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছ থেকে ৮ অক্টোবর-এর মধ্যে এই সংক্রান্ত জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। সমাজকর্মী সত্যমা দুবে মামলার তদন্তভার সিবিআই বা বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আদালতে পিটিশন জমা দিয়েছিলেন । ঘটনার তদন্তে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের যে গাফিলতির ছবি সামনে এসেছে, তা তুলে ধরে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে পিটিশনে। আরও পড়ুনঃ আলোয়ার গণধর্ষণ মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শীর্ষ আদালত জানতে চায়, পিটিশন কেন এলাহাবাদ হাইকোর্টে জমা করা হয়নি । তার উত্তরে আইনজীবী কৃতি সিং জানান, মামলাটি এলাহাবাদ হাইকোর্টে জমা পড়ে আছে এবং তাঁরা মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তরিত করতে চান । এর উত্তরে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে বলেন, মামলাটির এলাহাবাদ হাইকোর্টে শুনানি চলছে । হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ কী তা আমরা দেখতে পারি । যদি হাইকোর্টে কোনও ভুল হয়, তবে আমরা আছি । প্রধান বিচারপতি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার কাছে জানতেও চেয়েছেন, ওই দলিত পরিবার কোনও আইনজীবী নিয়োগ করতে পারছে কিনা। তুষার মেহতা জানান, সংবাদমাধ্যম মারফত শোনা যাচ্ছে কোনও কোনও আইনজীবী ওই পরিবারের সঙ্গে তাদের হয়ে আইনি লড়াই লড়ার জন্য যোগাযোগ করেছেন।এক সপ্তাহ পরে আবার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal