• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
কলকাতা

বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে টলিপাড়ার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের রাজনীতিতে যোগদান ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এবার বিজেপিতে যোগ দিলেন বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত থেকে পদ্ম পতাকা নিলেন শ্রাবন্তী। এই অভিনেত্রী বিজেপিতে যোগ দিয়ে জানিয়ে দেন তিনি দেশ ও রাজ্যের জন্য কাজ করতে চান।এর আগে একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী যোগ দিয়েছেন রাজনৈতিক দলে। সম্প্রতি বাংলা সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার। কেউ যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল এবং কেউ বিজেপিতে। সম্প্রতি সায়নী ঘোষ, রাজ চক্রবর্তী, কাঞ্চন মল্লিক সহ একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী তৃণমূলে যোগ দেন। তার পাল্টা হিসেবে যশ দাশগুপ্ত, পায়েল সরকার, তার আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ। এদিন যোগ দিলেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এখনও কয়েকজন রয়েছেন বামেদের শিবিরেও। কার্যত টলিপাড়ায় এখন বাংলার রাজনীতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে। রাজনৈতিকভাবে টলি পাড়া বিভক্ত। এখন দেখার বিষয় ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে কতজন অভিনেতা-অভিনেত্রী প্রার্থী হন।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যের কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কবে ভোট, জানতে পড়ুন

এবার রাজ্যে ভোটগ্রহণ শুরু ২৭ মার্চ, শেষ দফা ২৯ এপ্রিল। এক মাস ধরে মোট ৮ দফায় নির্বাচন। ভোটের ফলপ্রকাশ ২ মে। কবে কোথায় ভোট দেখে নেওয়া যাক একনজরে।প্রথম দফা ২৭ মার্চ (৩০টি আসন)পুরুলিয়া (৯টি)- বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুণ্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পারা, রঘুনাথপুর। বাঁকুড়া (৪টি)- শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর। ঝাড়গ্রাম (৪টি)- নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, বিনপুর। পশ্চিম মেদিনীপুর (৬টি আসন)- দাঁতন, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর গ্রামীণ, গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর। পূর্ব মেদিনীপুর (৭টি আসন)- পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরাদ্বিতীয় দফা ১ এপ্রিল (৩০টি আসন)বাঁকুড়া (৭টি)- তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী। পশ্চিম মেদিনীপুর (৯টি)- খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, কেশপুর। পূর্ব মেদিনীপুর (৯টি)- তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না, নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৪টি)- গোসাবা, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, সাগর।তৃতীয় দফা ৬ এপ্রিল (৩১টি আসন)হাওড়া (৭টি)- উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়ণপুর, জগৎবল্লভপুর। হুগলি (৮টি)- জাঙ্গিপাড়া, হরিপাল, ধনেখালি, তারকেশ্বর, পুরশুড়া, আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১৬টি)- বাসন্তী, কুলতলি, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া, বিষ্ণুপুর।চতুর্থ দফা ১০ এপ্রিল (৪৪টি আসন)হাওড়া (৯টি)- বালি, হাওড়া উত্তর, হাওড়া মধ্য, শিবপুর, হাওড়া দক্ষিণ, সাঁকরাইল, পাঁচলা, উলুবেড়িয়া পূর্ব, ডোমজুড়। হুগলি (১০টি)- উত্তরপাড়া, শ্রীরামপুর, চাঁপদানি, সিঙ্গুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া, বলাগড়, পাণ্ডুয়া, সপ্তগ্রাম, চণ্ডীতলা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১১টি)- সোনারপুর দক্ষিণ, ভাঙড়, কসবা, যাদবপুর, সোনারপুর উত্তর, টালিগঞ্জ, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মহেশতলা, বজবজ, মেটিয়াবুরুজ। কোচবিহার (৯টি)- মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ। আলিপুরদুয়ার (৫টি)- কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট।পঞ্চম দফা ১৭ এপ্রিল (৪৫টি আসন)উত্তর ২৪ পরগনা (১৬টি)- পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট-নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট-গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর, হিঙ্গলগঞ্জ। নদিয়া (৮টি)- শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা। পূর্ব বর্ধমান (৮টি)- খণ্ডঘোষ, বর্ধমান দক্ষিণ, রায়না, জামালপুর, মন্তেশ্বর, কালনা, মেমারি, বর্ধমান উত্তর। জলপাইগুড়ি (৭টি)- ধুপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা। কালিম্পং (১টি)- কালিম্পং। দার্জিলিং (৫টি আসন)- দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।ষষ্ঠ দফা ২২ এপ্রিল (৪৩টি আসন)উত্তর দিনাজপুর (৯টি)- চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার। নদিয়া (৯টি)- করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ। উত্তর ২৪ পরগনা (১৭টি)- বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর। পূর্ব বর্ধমান (৮টি)- ভাতার, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, পূর্বস্থলী উত্তর, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, গলসি।সপ্তম দফা ২৬ এপ্রিল (৩৬টি আসন)দক্ষিণ দিনাজপুর (৬টি)- কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর। মালদহ (৬টি)- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশচন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া। মুর্শিদাবাদ (১১টি)- ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম। পশ্চিম বর্ধমান (৯টি)- পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি। কলকাতা (৪টি)- কলকাতা বন্দর, ভবানীপুর, রাসবিহারী, বালিগঞ্জ।অষ্টম দফা ২৯ এপ্রিল (৩৫টি আসন) মালদহ (৬টি)- মানিকচক, মালদহ, ইংলিশবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর। মুর্শিদাবাদ (১১টি)- খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি। কলকাতা (৭টি)- চৌরঙ্গি, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। বীরভূম (১১টি)- দুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হাঁসন, নলহাটি, মুরারই।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
কলকাতা

বাংলায় ৮ দফা ভোট নিয়ে প্রশ্ন মমতার

পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে কেন একদিনে নির্বাচন? বাংলার ২৯৪ আসনের ভোট কেন ৮ দফায়? পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানালেও এই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচনকে সামনে রেখে গোটা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য তৃণমূলের তরফে ১২ জনের একটি দল তৈরি হয়েছে বলে জানান দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটের অন্তিম ঘণ্টা বাজিয়ে শুক্রবারই বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে এক দফায় ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে। তবে ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ৮ দফায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে একদফায় ভোট হলে, কেন বঙ্গে এত বেশি দফায় ভোট?নির্বাচন কমিশনের দিকে সরাসরি এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরও প্রশ্ন, কাকে সুবিধা করে দিতে এত দফা? নাম না করে কমিশনের এই সিদ্ধান্তেও বিজেপির যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিযোগ, বাংলার নির্বাচনে কমিশনের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যে তালিকা তিনি বিজেপি পার্টি অফিসে দেখেছিলেন, সেটাই আজ প্রকাশ্যে এল। মমতার আরও অভিযোগ, বিজেপি সব ভাগাভাগি করছে, ভোটের দফাতেও হিন্দু-মুসলিম ভাগ করছে। তবে বিজেপির এসব চক্রান্ত জনতাই ব্যর্থ করে দেবেন বলেও আত্মপ্রত্যয়ী সুরে জানিয়েছন তৃণমূল সুপ্রিমো।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

আপনার কেন্দ্রে কবে নির্বাচন? জেনে নিন ভোটের নির্ঘণ্ট

একনজরে দেখে নিন কোন দফায় কবে ভোটগ্রহণ:প্রথম দফা (৩০) নির্বাচনের দিন: ২৭ মার্চ, ২০২১পুরুলিয়া (৯), বাঁকুড়া (৪), ঝাড়গ্রাম (৪), পশ্চিম মেদিনীপুর (৬), পূর্ব মেদিনীপুর (৭)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৯ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১০ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১২ মার্চদ্বিতীয় দফা (৩০)নির্বাচনের দিন: ১ এপ্রিল, ২০২১বাঁকুড়া (৮), পশ্চিম মেদিনীপুর (৯), পূর্ব মেদিনীপুর (৯), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৪)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৫ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১২ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১৫ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১৭ মার্চতৃতীয় দফা (৩১)নির্বাচনের দিন: ৬ এপ্রিল, ২০২১হাওড়া (৭), হুগলি (৮), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১৬)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১২ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১৯ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ২০ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২২ মার্চচতুর্থ দফা (৪৪)নির্বাচনের দিন: ১০ এপ্রিল, ২০২১হাওড়া (৯), হুগলি (১০), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১১), আলিপুরদুয়ার (৫), কোচবিহার (৯)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১৬ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ২৩ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ২৪ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২৬ মার্চপঞ্চম দফা (৪৫)নির্বাচনের দিন: ১৭ এপ্রিল, ২০২১উত্তর ২৪ পরগনা (১৬), নদিয়া (৮), পূর্ব বর্ধমান (৮), জলপাইগুড়ি (৭), দার্জিলিং (৫), কালিম্পং (১)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২৩ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৩০ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৩১ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ৩ এপ্রিলষষ্ঠ দফা (৪৩)নির্বাচনের দিন: ২২ এপ্রিল, ২০২১উত্তর ২৪ পরগনা (১৭), নদিয়া (৯), পূর্ব বর্ধমান (৮), উত্তর দিনাজপুর (৯)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২৬ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৩ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৫ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ৭ এপ্রিলসপ্তম দফা (৩৬)নির্বাচনের দিন: ২৬ এপ্রিল, ২০২১মালদহ (৬), মুর্শিদাবাদ (১১), পশ্চিম বর্ধমান (৯), কলকাতা (৪), দক্ষিণ দিনাজপুর (৬)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৩১ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৭ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৮ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১২ এপ্রিলঅষ্টম দফা (৩৫)নির্বাচনের দিন: ২৯ এপ্রিল, ২০২১মালদহ (৬), মুর্শিদাবাদ (১১), বীরভূম (১১), কলকাতা (৭)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৩১ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১৭ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১৮ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২২ এপ্রিল

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
দেশ

বাংলা-সহ ৫ রাজ্যের নির্বাচনের দিন ঘোষণা আজই

বাংলা-সহ চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা আজই। বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ সাংবাদিক সম্মেলন করে ভোটের দিন ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অসমের একটি সভায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট ঘোষণা হতে পারে আগামী ৭ মার্চ। কিন্তু সূত্রের খবর, অতদিন পর্যন্ত অপেক্ষা নয়। আজই ঘোষণা হয়ে যেতে পারে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন। বাংলা ছাড়াও অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে একসঙ্গে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার কথা। সবকটি রাজ্যেরই বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে মে মাসে। LIVE: #ElectionCommissionOfIndia announcing the schedule for holding General Elections to the Legislative Assemblies of Assam, Kerala, Puducherry, Tamil Nadu West Bengal. #AssemblyElections2021 #ECI https://t.co/yS9EwLsH5w Election Commission of India #SVEEP (@ECISVEEP) February 26, 2021ইতিমধ্যেই বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্য ঘুরে ভোটপ্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এরাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, প্রশাসনিক কর্তা এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরা। কোভিডের জন্য নিযুক্ত নোডাল অফিসার অর্থাৎ রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গেও কথা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে গিয়ে ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে দিল্লিতে পর্যালোচনা বৈঠকও সেরে ফেলেছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও রাজ্যে আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। এক কথায়, রাজ্যের নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতিই মোটামুটি সারা। বাংলার নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটাকে বড়সড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে কমিশন। শুরু থেকেই এরাজ্যের উপর রয়েছে বাড়তি নজর।শোনা যাচ্ছে, বাংলায় ন্যূনতম ৭ দফায় ভোট করাতে চায় কমিশন। প্রয়োজনে দফা বাড়ানোও হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার’, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতৃত্বের

হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে রেরে করে উঠেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা প্রয়োগ নিয়ে। বিজেপির কোনও নেতা টুইট করেছেন তো কেউ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছেন।বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জে জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কটাক্ষ করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে। মমতা বলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার। মমতার সভার ৪৮ ঘণ্টা আগে এখানেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। এই নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।তৃণমূলনেত্রীর হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূত কিমাকার বক্তব্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ো ফেসবুকে লেখেন, ছিঃ !!! এই একজন মূখ্যমন্ত্রীর ভাষা !! এই ভাষা বলতে আপনার যে লজ্জা করে না তা আমরা বহুদিন আগেই দেখেছিজেনেছি কিন্তু আমাদের তো লজ্জা আছে, বাঙালির তো আত্মভিমান আছে, লজ্জাও আছে !! সারা পৃথিবীর বাঙালির মাথা আপনি হেঁট করে দিচ্ছেন !! আপনি আবার নিজেকে বাংলা গর্ব বলেন???বিজেপির এই রাজ্যের কোইনচার্জ অমিত মালব্য এদিন মমতার মন্তব্যের বিরোধিতা করে টুইটে লেখেন, নিশ্চিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া হাওয়া অনুভূত হচ্ছে।পিসির তা অসহ্য লাগছে। তাই এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন। যা বাংলার সংস্কৃতি নয়। শারীরিক গঠন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন। আসলে পিসি হেরে গিয়েছেন। এদিন মধ্য কলকাতার লেবুতলা পার্কে দলীয় সভায় বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তোপ দেগেছেন। রাজীব বলেন, কখনও তুইতোকারি করছেন, কখনও বিরোধী দলের নেতার শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষ করছেন। এগুলো কী মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হওয়া উচিত?রাজনৈতিক মহলের মতে, সব কিছুকে ছাপিয়ে এবার বাঙালি, বাংলার মনীষী, বহিরাগত নিয়েই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি। একই বিষয় নিয়ে একদল আক্রমণ করছে প্রতিপক্ষ পাল্টা মন্তব্য করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

বামেদের ব্রিগেডে হাজির থাকতে পারেন ভাইজান

চলতি মাসের ২৮-এ বামেদের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দিলেন আইএসএফের কান্ডারী পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান। মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে দলীয় সভায় ভাইজান বলেন, আমার আশা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রিগেড সমাবেশে ভিড় উপচে পড়বে বলেও তিনি জানিয়ে দেন।আটচল্লিশ ঘণ্টার নোটিসে মঙ্গলবার ধর্মতলায় সভা ডেকেছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট। আব্বাস সিদ্দিকি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন। অপর মিছিলটি আসে হাওড়া স্টেশন থেকে। ছোট জায়গায় সভার অনুমতি মেলায় উষ্মাপ্রকাশ করেছেন ভাইজান। তাঁর খেদোক্তি, ভোট নেওয়ার সময় আমরা। এদিকে একটা বড় জায়গা পাওয়া যায় না সভা করার জন্য। একটা দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এদিনের সভায় ভাইজান জানিয়ে দিয়েছেন টাকা রোজগারের জন্য তিনি রাজনীতি করতে আসেননি। তাছাড়া কলকাতায় সম্পত্তি করতেও তিনি রাজনীতি করছেন না। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতেও রাজনীতিতে আসিনি।কেন্দ্রীয় কৃষি বিল, পেট্রল-ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিন সভা করে আইএসএফ। ওয়াই চ্যানেলের সভা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারকেই তোপ দেগেছেন আব্বাস সিদ্দিকি। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা করা নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে বাম-কংগ্রেসের। সেই জোট হলে বাংলার ভোট ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই আসন সমঝোতা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীও বলছেন খেলা হবে, কী ভূমিকা নেবেন মমতা?

খেলা হবে স্লোগানে মাতোয়ারা বাংলার রাজনীতি। ডান-বাম সব পক্ষই বলছে খেলা হবে। কী খেলা হবে তা কেউ ব্যাখ্যা করছে না। তবে খেলায় জিতব বলে সকলেই দাবি করছে। এরই মধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন তিনি খেলবেন গোলরক্ষকের ভূমিকায়। তিনি যে কারও চমকানি ধমকানিতে ভয় পান না, ফের হুঁশিয়ার করেছেন মমতা। তাছাড়া জয় বাংলা স্লোগান যে বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান দিয়েছেন সেকথাও স্মরণ করিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।খেলা হবে-তে তিনি থাকছেন বলেই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা বলেছেন, একুশেই চ্যালেঞ্জ হবে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম দেখি কার জোর কত বেশি। একুশে একটাই খেলা হবে, আমি থাকব গোলরক্ষক। কারা হারে কারা জেতে সেটা আমি দেখতে চাই। জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ করে আসছে পদ্মশিবির। এটা বাংলাদেশের স্লোগান বলেই বিজেপির দাবি। সেই দাবিকেই সিলমোহর দিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, যদি জেলে পাঠিয়ে দেয় তাহলেও আমি জেল থেকে ডাক দেব বঙ্গবন্ধুর মতো জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম। হারতে আমরা শিখিনি আমরা হারব না। হারাতে আমাদের পারবে না। এটাই আমাদের ভাষা দিবসে আমাদের শপথ। ভাষা দিবসের অঙ্গীকার।ভাষা দিবসে মমতার আক্ষেপ কেন এই রাজ্যের নাম বাংলা হবে না। এটা তো রাজ্য বা প্রদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে মিলবে কেন? বলেন মমতা। তিনি বলেন, ওড়িষা হবে, বাংলা হবে না। বরাবরই বাংলার প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ। এটাতো বাংলা রাজ্য। বাংলাদেশ তো নয়। পাকিস্তানেও তো পাঞ্জাব আছে। তাতে কী হয়েছে। নেতাজি সুভাষ বোস, রবীন্দ্রনাথকে অবহেলিত হতে হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, বাংলা মানেই বাঙ্গাল ওতো সবসে জাদা খারাপ হ্যায়। বাঙাল বলেছে কাঙাল বলেছে কত কিছু বলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

ভোটের মুখে তৃণমূলের নতুন স্লোগান

ভোটের মুখে তৃণমূলের নতুন স্লোগান। দিদিকে বলো, বাংলার গর্ব মমতার পর এবার বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে নতুন স্লোগান প্রকাশ্যে আনতে চলেছে তৃণমূল। শনিবার দুপুরে তৃণমূল ভবনে এই নতুন স্লোগানের উদ্বোধন করবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। উপস্থিত থাকতে পারেন সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ দলের শীর্ষ নেতারা।বাংলার নির্বাচনের আগে স্পষ্টতই বাঙালি আবেগকে হাতিয়ার করতে চাইছে তৃণমূল। তাঁদের প্রচারের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বাংলা বনাম বহিরাগতর তত্ত্ব। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বহিরাগত বলে দেগে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘরের মেয়ে হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে রাজ্যের শাসকদল। সেই লক্ষ্যেই বাংলার গর্ব মমতা নামের প্রচারাভিযান ইতিমধ্যেই শুরু করেছে শাসকদল। এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের মেয়ে ভাবমূর্তিকে কাজে লাগাতে চাইছে শাসকদল। সূত্রের খবর, তৃণমূলের এই নতুন স্লোগানের পিছনেও রয়েছে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। ইতিমধ্যেই বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় শীর্ষক বেশ কিছু ব্যানার পড়েছে শহর কলকাতায়। সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই-প্যাক এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রচার শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
রাজ্য

'রিগিং আমরা করব, ওরা দেখবে'

রিগিং আমরা করব ওরা দেখবে, আমরা জিতব। মন্তব্য বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ এর।বুধবার বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার দ্বিতীয় সভায় বক্তব্য রাখতে এসে এই মন্তব্য করেন সৌমিত্র বাবু। তিনি বলেন, খন্ডঘোষ রায়নার তৃণমূল নেতা নবীন ও ফাগুনকে ভয় পাবেন না। ওরা হাটুর নীচে থাকবে। রিগিং যদি করতে হয় আমরা করব, ওরা দেখবে।বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি মাফুজা খাতুন বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার দলের নেতাদের ব্লাড টেস্ট করাচ্ছেন না। ব্লাড টেস্ট করালেই সব তৃণমূল নেতারা বিজেপি পজিটিভ হয়ে যাবে। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর মা ক্যান্টিন প্রকল্পকে কটাক্ষ করে বলেন দ্বিতীয় দিনে ফুল ডিম হাফ হয়ে গিয়েছে।এই সভায় সৌমিত্র খাঁ, মাফুজা খাতুন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া-সহ জেলার বিজেপি নেতৃত্ত্ব।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

দলিত ভোটে থাবা বসাতে বাংলায় ২৯৪ আসনেই লড়বে লোক জনশক্তি পার্টি

লোক জনশক্তি পার্টি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪টি বিধানসভাতে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। লোক জনশক্তি পার্টির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি মীরা চক্রবর্তী শুক্রবার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, বৈশ্যর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১৭%, ওবিসি, তপসিলি জাতি ও উপজাতির সংখ্যা প্রায় ৫৩% আর মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ আছেন প্রায় ৩০%। কিন্তু বিধায়ক সংখ্যার বিচারে এই বিপুল সংখ্যক দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করার সংখ্যাটা খুবই নিতান্ত। আমাদের স্বর্গীয় রামবিলাস পাশোয়ানজি চেয়েছিলেন দলিত উত্থান সমগ্র ভারতবর্ষে। পশ্চিমবঙ্গে যা আজ অবধি হয়ে উঠতে পারেনি।মীরা চক্রবর্তী ছাড়াও এ দিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পার্টির সভাপতি পরিমল চন্দ্র বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক রিক যাদব, সেলিম মোল্লা, যুবসভাপতি জয় রায়, মহিলা সভানেত্রী কল্পনা সেন, মাইনরিটি প্রেসিডেন্ট ইকবাল মোল্লা, পার্টির সোহো সভাপতি চন্দন রানা, সাধারণ সম্পাদক ভীম পাত্র এবং প্রদীপ দাস। কোষাধ্যক্ষ অসিত ঝা, বিনীত চক্রবর্তী ইত্যাদি, জেলা সভাপতিগণ। এই কনফারেন্সে রামবিলাস পাশোয়ানজিরও লোক জনশক্তি পার্টির মত ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন দল ও সমাজসেবী সংগঠন বিভিন্ন জেলা হতে প্রায় শতাধিক নেতা ও কর্মীবৃন্দ যোগদান করেছে।আমরা লোক জনশক্তি পার্টি চেয়েছিলাম পশ্চিমবঙ্গে দলিত নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ যাতে খেয়ে পরে বেঁচে থাকেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল হয়েছে। তাতে ৫,২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। যেখানে চাকরি হয়েছে মাত্র ৮০০ জনের। তারমানে ১৩ কোটি টাকার বিনিময়ে একটা মানুষের চাকরি হয়। কিন্তু আমরা যদি বলি স্মলস্কেল ইন্ডাস্ট্রি বা মিডিয়ামস্কেল ইন্ডাস্ট্রি করা হয় তাহলে এক কোটি টাকার বিনিময়ে ৩ জনের চাকরি হয়। পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার এক কোটি ৮৭লক্ষ মানুষ বেকার। জানালেন মীরা চক্রবর্তী।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

ভোট ঘোষণার আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রশ্নের জবাব যাতে পত্রপাঠ দিয়ে দেওয়া যায় সেই লক্ষ্যে সব আয়োজন সেরে ফেলতে চাইছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। এবং সেই তাগিদেই বৃহস্পতিবার রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব।ইতিমধ্যেই অসম ও পশ্চিমবঙ্গের ভোট প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখে গিয়েছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারপর দিল্লিতে কয়েক দফায় পর্যালোচনা বৈঠকও হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তামিলনাড়ুতে পা রেখেছে ফুল বেঞ্চ। সেখানে দুদিনের সফর সেরে ১৩ তারিখ তামিলনাড়ু, কেরলে উড়ে যাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ। ১৩ এবং ১৪ তারিখ কেরলের ভোট প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখার পর ১৫ তারিখ দিল্লি ফিরবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, তার পরই চার রাজ্যের সিইওর সঙ্গে ভোটপ্রস্তুতি সংক্রান্ত চূড়ান্ত বৈঠক করতে চলেছে কমিশন। ওই বৈঠকের পরই নির্বাচনী সূচি ঘোষণা হয়ে যাবে। মনে করা হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারির পর যে কোনও দিন ভোট ঘোষণা হতে পারে। ওই বৈঠকে কমিশনের যাবতীয় প্রশ্নের জবাব পত্রপাঠ দিয়ে দিতে হোমওয়ার্কে এক তিল খামতি রাখতে চান না সিইও।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
রাজনীতি

"ভাল হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে", তোপ তৃণমূল সুপ্রিমোর

কালনায় দলীয় জনসভা করার পর বর্ধমানে মাটি উৎসবে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি মুর্শিদাবাদে জনসভা করেন।রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাধিক তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে ভিড়েছেন। মঙ্গলবার কালনার জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভাল। কয়েকটা দুষ্টু গরু হাম্বা হাম্বা ডাকতে ডাকতে ইদার উধার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেদের দুর্নীতি চাপা দেওয়ার জন্য তারা গেছেন। ভালো হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে। যাঁরা তৃণমূলে থেকে খারাপ করে তাদের তৃণমূল কংগ্রেসের থাকার প্রয়োজন নেই।কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কালনা বিধানসভা আসন এবার তাই তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জ। নাম না করে বিঁধেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও। কালনায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, বুঝে তো নিতেই হবে বিজেপি পার্টিকে। যে পার্টিটা কোনও ধর্ম জানে না। জানে না হিন্দু ধর্মের মধ্যে কত ধর্ম আছে। স্বামী বিবেকানন্দকে বিবেকানন্দ ঠাকুর বলে দিচ্ছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদবী বসিয়ে দিচ্ছেন।কৃষি ভান্ডারে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, কৃষকদের জন্য কি কি করছে রাজ্য সরকার। ধান প্রতিবার কেনা হবে বলেও ঘোষনা করেন মমতা। পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বলেন, বিজেপি টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। টাকা দিলে খেয়ে নেবেন। মুরগির মাংস খেয়ে নেবেন। বিজেপি গোঁজামিল পার্টি। শুধু মিথ্যা কথা বলে। বিজেপি থেকে সাবধান। ঠাকুরঘরে তৃণমূলের জোড়াফুল চিহ্নে পুজো দিয়ে বাড়ি থেকে বাইরে বের হন হলে জানান মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজনীতি

"ইতনা গুসসা কিউ হ্যায়", মমতাকে কেন বললেন নাড্ডা?

জয় শ্রীরাম ধ্বনি নিয়ে এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন। শনিবার মালদার সাহাপুর কৃষকদের আয়োজিত এক সভায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বলেন, আমি যখন হেলিপ্যাডে নেমে গাড়িতে করে আসছি। তখন রাস্তার দুধারে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁরা আমাকে জয় শ্রীরাম বলে অভিবাদন জানান। এই জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনে রেগে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপকা ইতনা গুসসা কিঁউ হ্যায়। পরিবর্তন যাত্রার সফরে প্রথম জনসভায় এভাবেই তৃণমূল নেত্রীর প্রতি আক্রমণ শোনালেন জেপি নাড্ডা।এই জনসভায় তিনি কৃষকদের কেন্দ্রীয় সাহায্য না পাওয়ার জন্য দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নাড্ডা বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকরা কেন্দ্রীয় সাহায্য পাচ্ছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেদের জন্য এরাজ্যে কৃষকরা সেই সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এরপর সাহাপুরে কৃষকদের সঙ্গে দুপুরের ভোজন সারেন জেপি নাড্ডা। এদিন মালদায় র্যালি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজনীতি

৬ দিনের ব্যবধানে মোদি, নাড্ডা, শাহ, রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মরিয়া প্রয়াস

৬ দিনের ব্যবধানে বিজেপির ৩জন শীর্ষ নেতৃত্ত্ব এরাজ্যে আসছেন। প্রথমে আসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা, তার পরের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসছেন তার পরে। রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রা ও বিজেপির সার্বিক কর্মসূচি নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের কোর কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠক শেষে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি নদিয়া থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি ফের একই কর্মসূচিতে ৯ ফেব্রুয়ারি আসবেন এই রাজ্যে। সেদিন দুটো জোন থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। ১১ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূত্রপাত করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাঁচটা জোনে পাঁচটা পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচি আয়োজন করেছে বঙ্গ বিজেপি। সরকারি অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অনুমতি না পেলে আদালতে যাবেন বা বিকল্প ব্যবস্থা নেবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি জানান, শেষ পর্যায়ে পরিবর্তন যাত্রা হবে কলকাতা জোনে। সেই কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।এদিকে ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় সরকারী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই দিন হলদিয়ায় বিজেপির সমাবেশেও থাকবেন মোদি। জানিয়েছেন দিলীপ। জনসভায় থাকার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য বিজেপি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে রথযাত্রা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। জোন ভিত্তিক প্রস্তুতি ছিল চূড়ান্ত। কোচবিহার থেকে রথ যাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল। অন্য রাজ্য থেকে রথও চলে এসেছিল। কিন্তু আইনের গেরোয় সেদিন রথযাত্রার উদ্বোধন করতে রাজ্যেই আসতে পারেননি অমিত শাহ। এবারও তাঁর সেই কোচবিহারেই পরিবর্তন যাত্রা সূচনা করার কথা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

অভিষেকগড়ে শুভেন্দুর হানা, তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে

বারুইপুরের জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিলেন ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদার। তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও প্রায় ১৬ জন তৃণমূল নেতা। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই যোগদানের মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধস নামল, যা বিধানসভা ভোটের আগে নিঃসন্দেহে ধাক্কা তৃণমূল শিবিরের কাছে। সভায় চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দ। বেশ কয়েকদিন ধরেই ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদারকে নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের প্রথমে তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান বিজেপির কলকাতা সংগঠনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ এই সৈনিক নিজের রাজনৈতিক শিবির বদল নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁর গতিপ্রকৃতি বুঝতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন। স্পিডপোস্টে নিজের ইস্তফা পাঠান দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে। আর পুরনো পরিচয় থেকে বেরিয়ে এসে ২ তারিখই নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে পা রাখলেন দীপক হালদার।মঙ্গলবার বারুইপুরে বিজেপির যোগদান মেলায় মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন দীপক হালদার।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

"উত্তরবঙ্গে গোহারা হেরেছি, প্লিজ এবার পুষিয়ে দেবেন তো!", আবেগপ্রবণ তৃণমূল সুপ্রিমো

উত্তরবঙ্গ উদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি আসনেই পদ্ম পতাকা উড়েছিল। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারে আবেগপ্রবণ হয়ে পুষিয়ে দেওয়া ডাক দিলেন তৃণমূলনেত্রী। যদিও বিজেপির বক্তব্য, লোকসভায় উত্তরবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফিরিয়েছে এবার একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফেরাবে।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পরাজয় নিয়েও আপশোষ নেই বলেও জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার তৃণমূল নেত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে আমরা গোহারা হেরেছি। তাতে আমার কোনও লজ্জা নেই। তবে এবার আপনারা পুষিয়ে দেবেন। প্লিজ পুষিয়ে দেবেন তো! এভাবেই মমতা আবেদন জানান উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে। একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গে আগে কেউ আসত না। সকলে উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করত। আমি কিন্তু প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসি। এবারের বিধানসভা নির্বাচনও যে অত্যন্ত কঠিন লড়াই তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট।এর আগে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে গিয়েছেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। উদ্দেশ্য একটাই হৃত জমি পুনরুদ্ধার করা। এদিকে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গ শুধু নয় দক্ষিণবঙ্গে এবার তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিরর কাছে পরাজিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যে বিজেপিতে বিধায়ক ২৭জন!

এই মূহুর্তে বিজেপির মোট বিধায়কের সংখ্যা কত? সংখ্যাটা শুনলে হিসেব গুলিয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দল থেকে যোগ দেওয়ার পর এরাজ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭-এ। যোগদানকারীদের মধ্যে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন। তবে সব থেকে বেশি বিধায়ক এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। এছাড়া রাজ্যের তিনজন প্রাক্তন মন্ত্রী যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপি মাত্র ৩ আসনে জয় পেয়েছিল। খড়্গপুর থেকে জয় পান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় দিলীপ ঘোষকে। তখন বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়ায় দুইয়ে। তারপর ২০১৯ উপনির্বাচনে আরও ৪ আসনে জয়লাভ করে পদ্মশিবির। মোট বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৬-এ। উল্লেখ্য, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এখন সেই দলে রয়েছে মোট ২৭ জন বিধায়ক। আর দুজন প্রাক্তন বিধায়ক। শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁরা প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও পরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।তৃণমূল থেকে ১৫জন বিধায়ক এসেছেন পদ্মশিবিরে। কংগ্রেস থেকে ৩জন। ২জন সিপিএম থেকে ও সিপিআইয়ের ১ জন। এর মধ্যে দিপালী বিশ্বাস সিপিএম থেকে ভায়া তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কংগ্রেসের দুলাল বর তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দলে যোগদান করে এখন বিজেপির বিধায়ক ২৭ জন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় কীনা সেটাই দেখার।কংগ্রেস এখনও বিধানসভায় বিরোধী দল। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক লিখিতভাবে কংগ্রেসে থাকলেও তৃণমূল ও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যে এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা কত? তা বলতে হিমসিম খাবে রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলে একদিকে যেমন অন্য দল থেকে বিধায়ক এসে যোগ দিয়েছে, ঘাসফুল থেকেও একটা অংশ বিজেপিতে গিয়ে ভিড়ছেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

কোটি টাকার পিকের টিমকে বাদ দিয়ে সুব্রত কেন? প্রশ্ন তুললেন বৈশাখী

কোটি কোটি টাকার ঠিকাদার সংস্থা পিকের টিমকে বাদ দিয়ে কেন নন্দীগ্রামে রেইকি করতে যাচ্ছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়? দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় এই প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, একসময় যারা দিদির জেলযাত্রার কামনা করত, যাঁরা তাঁকে বেদের মেয়ে জোসনা বলত, তাঁদের উপর ভরসা রাখছেন। কোটি কোটি টাকা দিয়ে পিকের টিম এতদিন কি করল?উল্লেখ্য বুধবার সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তিন দিন থাকবেন এবং সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। অভাব-অভিযোগ শুনবেন। সেখানে তিনি একটা সার্ভে করবেন। এরপর বিভিন্ন মহলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, ১৯৮৪-তে কংগ্রেস নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই আসনে বিশিষ্ট সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করে সংসদীয় রাজনীতিতে পা রাখেন কংগ্রেসের তৎকালীন যুব নেত্রী। এবার সেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেই নন্দীগ্রামের দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে এরপরেই কটাক্ষ শুরু করেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।এই জনসভায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে একহাত নেন তৃণমূল যুব সর্বভারতীয় সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৈশাখী বলেন, ৪২টি গাড়ি নিয়ে ঘুরলেই ভাইপো উন্নয়ন হয় না। উন্নয়ন হয়নি তোমার জেলায়। আজ গ্রামে গিয়ে বুঝলাম। ওই মায়ের চোখের জল দেখে বুঝলাম। রাস্তা দেখে বুঝলাম। ওই ৪২টা গাড়ির একটা থেকে জনতার মাঝে নেমে দেখাও। থাপ্পড় মেরে বের করে দেবে বাংলার জনতা। তিনি সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নেইমারের এক পোস্টেই তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব! কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, কেন তাঁকে খোঁচা?

বিশ্বকাপে দুরন্ত জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে মরক্কোর কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস। এই দুই ঘটনার পরই ব্রাজিল তারকা নেইমারের একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি লিখেছেন, মিস্টার জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, পরের বিশ্বকাপে আবার চেষ্টা করবেন। এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এবং কেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করলেন নেইমার?জোয়াকিম ক্লেমেন্ট পেশায় একজন জার্মান অর্থনীতিবিদ। তবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি পরিচিত তাঁর বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য। অতীতে তিনি বিশ্বকাপ জয়ীদের নিয়ে একাধিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, যার মধ্যে কয়েকটি বাস্তবের সঙ্গে মিলেছিল। সেই কারণেই এবারের বিশ্বকাপেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এবার ক্লেমেন্ট দাবি করেছিলেন, নেদারল্যান্ডস বিশ্বকাপ জিতবে এবং ব্রাজিল জাপানের কাছে হেরে বিদায় নেবে। কিন্তু বাস্তবে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দেখা যায়। ব্রাজিল জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা করে। অন্যদিকে টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে হেরে বিদায় নেয় নেদারল্যান্ডস। একদিনেই ভুল প্রমাণিত হয় তাঁর দুই বড় ভবিষ্যদ্বাণী।ব্রাজিলের জয়ের পরই নেইমার সামাজিক মাধ্যমে সেই ভাইরাল পোস্ট করেন। পরে নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও ক্লেমেন্টের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, ভুল প্রমাণিত হওয়া ভবিষ্যদ্বাণীর জবাব দিতেই এই কটাক্ষ করেছেন ব্রাজিল তারকা।এর আগে ক্লেমেন্ট মন্তব্য করেছিলেন, ব্রাজিলের বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের মান আগের মতো নয়। সেই মন্তব্যও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ের পর সমর্থকদের একাংশের দাবি, মাঠের ফলই সমালোচনার সবচেয়ে বড় জবাব দিয়েছে সেলেকাও ফুটবলাররা।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মোথাবাড়ি কাণ্ডে বড় বিস্ফোরণ! একসঙ্গে তেইশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, খুনের চেষ্টার অভিযোগও

মোথাবাড়িতে বিচারকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্তে আরও বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। এই দুই মামলায় মোট তেইশ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে খুনের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।জানা গিয়েছে, প্রথম মামলায় বাইশ জন এবং দ্বিতীয় মামলায় একজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথম মামলার চার্জশিটের দৈর্ঘ্য চুয়ান্ন পাতা এবং দ্বিতীয় মামলার চার্জশিট এগারো পাতার। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, অভিযুক্তরা সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, বিচারকদের হেনস্তা, সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি, বেআইনিভাবে আটকে রাখা এবং কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন।মোথাবাড়ি অশান্তির ঘটনায় মোট বারোটি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই চারটি মামলায় একত্রিশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে একাধিক অভিযুক্তের নাম ছিল। এবার আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়ার ফলে মোট ছয়টি মামলায় তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পূর্ণ হল। এখনও বাকি থাকা মামলাগুলির তদন্তও দ্রুত এগোচ্ছে বলে সূত্রের খবর।তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়া নতুন চার্জশিটে আরও কয়েকজন অভিযুক্তের নাম যুক্ত হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ তুলে আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়ি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরও বহু মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা বিডিও অফিসের ভিতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করতে গেলে বিচারকদের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। মহিলা বিচারক-সহ একাধিক সরকারি কর্মী হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আগামী দিনে আরও চার্জশিট জমা পড়তে পারে বলেও সূত্রের দাবি।

জুন ৩০, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বকাপের উন্মাদনার মাঝেই চাঞ্চল্য! বাংলাদেশজুড়ে কারা ওড়াচ্ছে এই রহস্যময় কালো-সাদা পতাকা?

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে রয়েছে গোটা বিশ্ব। উপমহাদেশের কোনও দেশ প্রতিযোগিতায় না থাকলেও ফুটবল নিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাটা পড়েনি। প্রতিবেশী বাংলাদেশেও প্রতি বিশ্বকাপেই ফুটবল নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে থাকে। তবে এবার ফুটবল উন্মাদনার পাশাপাশি অন্য একটি বিষয় ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে কালো-সাদা রঙের আরবি লেখাযুক্ত এক ধরনের পতাকা। সেই পতাকা নিয়ে বাইক মিছিলও হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তার ধারে সারি সারি ওই পতাকা টাঙানো থাকতেও দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।প্রথমবার গত সতেরো জুন ঢাকায় এই ধরনের পতাকা প্রকাশ্যে দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে মিরপুর, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, পাবনা-সহ বাংলাদেশের একাধিক এলাকায় একই ধরনের পতাকা দেখা যেতে শুরু করে। বিশ্বকাপ চলাকালীন এই পতাকা কেন এত জায়গায় দেখা যাচ্ছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।সামাজিক মাধ্যমে এই পতাকা নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে। একটি পরিচিত ধর্মীয় বিষয়ক পাতা থেকে দাবি করা হয়েছে, এই পতাকাকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করা হলে অন্য দেশের জাতীয় পতাকা নিয়েও একই প্রশ্ন তোলা উচিত। পাশাপাশি কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে এই ধরনের পতাকা বিক্রি ও প্রচারের অভিযোগও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, বর্তমানে যে দুটি ধরনের পতাকা দেখা যাচ্ছে, তার একটি আফগানিস্তানের তালিবানদের ব্যবহৃত পতাকার সঙ্গে মিল রয়েছে। অন্য ধরনের পতাকার নকশার সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলির ব্যবহৃত পতাকার সাদৃশ্য রয়েছে বলেও মত তাঁদের। যদিও শুধুমাত্র পতাকার চেহারা দেখে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ, এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে এই পতাকাগুলির উৎস, উদ্দেশ্য এবং কারা এগুলি ছড়াচ্ছে, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় প্রশাসনের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপের সরকারি ঘোষণা সামনে আসেনি।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বড় ধাক্কা! কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় রক্ষাকবচ দিল না হাই কোর্ট, সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিতে রাজি হননি। শুধু তাই নয়, মামলাটি থেকে নিজেও সরে দাঁড়ান তিনি। ফলে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত এই মামলায় অভিষেকের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠল।ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বক্তব্যকে ঘিরে। সেই বক্তব্যে তিনি ডিজে বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নেমে সিআইডি অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার সেই নমুনা সংগ্রহের দিন নির্ধারিত ছিল।এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা করার অনুমতি দিলেও নির্ধারিত দিনে শুনানি হয়নি। পরে দ্রুত শুনানির জন্য মামলাটি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওঠে।শুনানির সময় অভিষেকের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল স্বীকার করছেন যে বক্তব্যে শোনা যাওয়া কণ্ঠস্বর তাঁরই। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এর জবাবে বিচারপতি জানতে চান, যদি কণ্ঠস্বর নিজের বলেই স্বীকার করা হয়, তাহলে তদন্তকারী সংস্থাকে নমুনা দিতে আপত্তি কোথায়? পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, তদন্তকারী সংস্থা কীভাবে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করবে, তা আদালত নির্ধারণ করতে পারে না।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, একই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি মামলা ইতিমধ্যেই অন্য একটি এজলাসে বিচারাধীন রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি ঠিক করবেন, কোন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে আরও বলেন, আগে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। এখন কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে পারে। তবে সেই যুক্তিতে সাড়া দেয়নি আদালত। মঙ্গলবারের শুনানিতে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা না পাওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অবস্থান আরও চাপে পড়ল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

তিন বছর পর বড় পদক্ষেপ! তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী সংস্থা, চাঞ্চল্য রিষড়ায়

রামনবমীর সময় রিষড়ায় হওয়া অশান্তির মামলায় বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘ তিন বছর পর মঙ্গলবার রিষড়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরামবাগের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী।মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল রিষড়ায় সাকির আলির বাড়িতে পৌঁছয়। বাড়িটি ঘিরে ফেলার পর দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।সাকির আলি রিষড়া পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর। দুই হাজার তেইশ সালে রামনবমীর সময় রিষড়ায় যে অশান্তি ও হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই মামলায় তাঁর নাম উঠে আসে। অভিযোগ ছিল, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর ঘটনায় তাঁর ভূমিকা ছিল। সেই সময় এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক দিন কারফিউও জারি করা হয়েছিল।তদন্তের শুরু থেকেই এই মামলাটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। কারণ, সাকির আলি শুধু তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামীও। যদিও পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে অপরূপা পোদ্দারকে আর প্রার্থী করা হয়নি, সাকির আলি কাউন্সিলর পদে বহাল ছিলেন।সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই গ্রেপ্তারি নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পুরনো মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।এই গ্রেপ্তারের পর রামনবমীর অশান্তি মামলার তদন্তে নতুন মোড় এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আগামী দিনে এই মামলায় আরও কেউ তদন্তের আওতায় আসেন কি না, সেদিকেই এখন নজর।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই বড় পদক্ষেপ! হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ

মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে বিতর্ক আরও গভীর হল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সতর্কবার্তার পর মঙ্গলবার সকালে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁর বিতর্কিত স্যাটাভাঙা মার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া দুটি পৃথক মামলায় তাঁকে আগামী তিন ও পাঁচ জুলাই থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে।তবে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, তিনি এই মুহূর্তে বাড়িতে নেই। তাই নোটিসের বিষয়ে তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। নোটিস হাতে পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, তিনি কারও দাসত্ব করবেন না।গত শুক্রবার রেজিনগরের কাশীপুর এলাকায় একটি রাজনৈতিক সভায় হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই সভায় তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া মন্তব্য করেন। পাশাপাশি মামলা হলেও তা নিয়ে তিনি ভয় পান না বলেও দাবি করেন। পরে শক্তিপুরের আরেকটি সভায় তিনি স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিককে নিয়েও প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দেন। সেই বক্তব্যও নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়।এই ঘটনাগুলির পর সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া অবস্থান নেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, আইনই শেষ কথা বলবে এবং বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা পুলিশই নেবে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই রাজনৈতিক সভার তিন আয়োজককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার সকালে তদন্তের অংশ হিসেবে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে গিয়ে দুটি মামলায় থানায় হাজিরার নোটিস দিয়ে আসে পুলিশ।এখন হুমায়ুন কবীর নির্ধারিত দিনে থানায় হাজিরা দেবেন কি না, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলার তদন্তে আগামী দিনে আরও কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের কোটি কোটি টাকার তহবিল নিয়ে নতুন মোড়! হাই কোর্টে যা ঘটল, বাড়ল জল্পনা

তৃণমূলের তহবিল নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে ফের বড় ধাক্কা খেল কালীঘাট শিবির। দলের তহবিল সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও মঙ্গলবার সেই আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্ধারিত তালিকার বাইরে এই মামলার শুনানি এগিয়ে আনা সম্ভব নয়। ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই মামলার শুনানি হবে।আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মামলায় সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতের কাছে আবেদন জানান, দ্রুত শুনানি সম্ভব না হলেও অন্তত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানির সুযোগ দেওয়া হোক।কালীঘাট শিবির থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন গোষ্ঠী গঠনের পর থেকেই তৃণমূলের প্রতীক ও তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। সেই বিরোধের জেরে দলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে আবেদন করেন, যাতে দলের কোনও পক্ষই তহবিল ব্যবহার করতে না পারে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়। ওই তিনটি অ্যাকাউন্টে মোট চারশো চল্লিশ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে।তহবিল নিয়ে বিরোধ আদালতে পৌঁছানোর পর মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে। এদিকে ঋতব্রতপন্থী শিবির দলের আর্থিক লেনদেনের পূর্ণ তথ্য জানতে বিশেষ নিরীক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনাও করেছে।সোমবার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলে বিচারপতি নির্দেশ দেন, মামলায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারকে পক্ষ হিসেবে যুক্ত করতে হবে এবং তাঁদের কাছে নোটিস পাঠাতে হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর মঙ্গলবার ফের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি।বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে মামলার নির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করা হবে না। তবে রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে আগামী বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal