• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Councillor

কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

মৃত ভোটারের তালিকায় জীবিত কাউন্সিলর! নিজের সৎকার করতে শ্মশানে হাজির তৃণমূল নেতা

ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য হুগলির ডানকুনিতে। মৃত ভোটারের তালিকায় উঠে এল এক জীবিত কাউন্সিলরের নাম। আর সেই তালিকা দেখে নজিরবিহীন প্রতিবাদে নামলেন তিনি নিজেই। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের আয়োজন করে শ্মশানে পৌঁছে গেলেন ওই কাউন্সিলর। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।ঘটনাটি ডানকুনি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সূর্য দে দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। মঙ্গলবার সকালে যখন ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হয়, তখন দেখা যায় সূর্য দে-র নাম মৃত ভোটারের তালিকায় রয়েছে। তাঁর ক্রমিক নম্বর ৪০ এবং বুথ নম্বর ২২৬। জীবিত কাউন্সিলর নিজের চোখেই দেখেন, তাঁকে সরকারি নথিতে মৃত দেখানো হয়েছে।এই ভুলে ক্ষুব্ধ হয়ে কাউকে কিছু না জানিয়েই অভিনব প্রতিবাদে নামেন সূর্য দে। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করেন তিনি। তারপর সেগুলি সঙ্গে নিয়ে সরাসরি শ্মশানে পৌঁছে যান। কাউন্সিলরের এমন প্রতিবাদে ডানকুনি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।শ্মশানে বসেই নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করেন সূর্য দে। তিনি বলেন, তিনি নিজেই হেঁটে এসেছেন নিজের সৎকার করতে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে কীভাবে মৃত দেখানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেহেতু তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাই এসে যেন তাঁকেই চুল্লিতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।ভোটার তালিকার খসড়ায় এমন গরমিল ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

'দাগি' তালিকায় TMC কাউন্সিলরের নাম, হাইকোর্টে ফের মামলা করার হুঁশিয়ারি

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর নাম। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও উঠে এসেছে দাগি তালিকায়। শনিবার প্রকাশিত তালিকায় ১,৮০৪ জনের মধ্যে রয়েছেন তিনিও। তালিকায় নিজের নাম দেখে ক্ষুব্ধ কুহেলি জানিয়েছেন, তিনি আগামী সোমবার ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন।কুহেলি ঘোষ বলেন, আমি আগেই মামলা করেছিলাম। সিবিআই-কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলাম। আদালতে জানিয়েছিলাম, আমাকে যে কোনও তদন্তকারী সংস্থা ডাকুক। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে ডাকেনি। হঠাৎ করেই জানতে পারলাম তালিকা প্রকাশ হচ্ছে, আর সেখানে আমার নাম রয়েছে। কেন আমার নাম এসেছে, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।তালিকার ৬৪৭ নম্বরে রয়েছে কুহেলির নাম। প্রথমে তিনি প্রাথমিক শিক্ষিকার পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরে হাইস্কুলে শিক্ষিকার চাকরিও পান। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পুরনো প্রাইমারির চাকরিতে ফেরার জন্য সব নথি জমা দিলেও এখনও সেই প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরীক্ষা দিয়ে নিয়ম মেনে তিনি চাকরি পেয়েছেন বলেই দাবি করেছেন কুহেলি ঘোষ।শুধু কুহেলি ঘোষই নন, ওই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন একাধিক রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী নামও। তালিকার ৩১৬ নম্বরে রয়েছেন হুগলির খানাকুলের দাপুটে তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিভাস মালিক। তিনি তারকেশ্বরের একটি বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ১,৩৩২ নম্বরে রয়েছে তাঁর স্ত্রী সন্তোষি মালিকের নামও। তালিকায় আরও রয়েছে জেলা পরিষদের সদস্যা সাহিনা সুলতানার নাম।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজনীতি

কাউন্সিলরকে 'বিয়ের প্রস্তাব' ঘিরে বিরাট বিবাদ গড়াল থানা পর্যন্ত, পাল্টা অভিযোগ তৃণমূল নেতার

দলেরই কাউন্সিলরকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ শেষমেশ এলাকারই দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, তা থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। তরুণী কাউন্সিলর তাঁর এই অভিযোগ দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। এদিকে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই তৃণমূল নেতা। উল্টে তাঁর দলেরই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগণার রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডের।এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এলাকারই তৃণমূল নেতা প্রতীক দের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করেছেন তিনি। পাপিয়া বলেন, প্রতীক দে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিভিন্নভাবে আমাকে অপদস্থ করেছেন। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে প্রতীক দে ও তাঁর সঙ্গীরা আমাকে ওয়ার্ড থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। আমার বাড়ির সামনে গালিগালাজ করে ও আমাকে পদত্যাগ করতে বলে। আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে। গভীর রাতে আমার বাড়িতে হামলার প্রমাণ আছে আমার কাছে। আমি সেই ভিডিও দলের উচ্চ নেতৃত্বকে পাঠিয়েছি। প্রতীক দে আমাকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ভাগ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। স্থানীয় প্রশাসনকে আমি বিষয়টি জানিয়েছি।যদিও কাউন্সিলরের তোলা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা প্রতীক দে। তাঁকে ফাঁসাতেই কাউন্সিলরের এই অভিযোগ বলে পাল্টা দাবি তাঁর। এব্যাপারে দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রশাসনের তদন্তেই আস্থা রয়েছে তাঁর।তৃণমূল নেতা প্রতীক দের কথায়, অভিযোগ যে কেউ করতেই পারেন। ওঁর অভিযোগের কি সত্যতা আছে সেটা ওঁকেই প্রমাণ করতে হবে। দলের উচ্চ নেতৃত্ব ওঁকে ডেকেছিল উনি যাননি। দল তদন্ত করুক। আমি যে কোনও তদন্তের জন্য তৈরি আছি। আমাকে অপদস্থ করার চেষ্টা হচ্ছে। ওয়ার্ড কমিটিকে মাসে ১ লক্ষ টাকা করে পৌরমাতা তুলে দিতে বলেছিলেন। টাকা না তুলে দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি পর্যন্ত উনি দিয়েছেন। গত তিন মাস ধরে পার্টি অফিসে দলের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। পার্টিকর্মীদের সঙ্গে ওঁর বিরোধিতা তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

কাউন্সিলর খুনের তদন্তভার সিআইডিকে, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

পানিহাটি পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে খুনের ঘটনার তদন্তভার পেয়েই ঘটনাস্থলে গেল সিআইডি-র তদন্তকারী দল। সোমবার দুপুরে সিআইডি-এর পাঁচ জন তদন্তকারী পানিহাটি গিয়ে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।অন্যদিকে, অনুপম দত্ত খুনের ঘটনার ধৃত অমিত পণ্ডিত ওরফে শম্ভুকে সোমবার ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশের তরফ থেকে আদালতে ১০ দিনের পুলিশ হেপাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক তা মঞ্জুর করেন। পানিহাটি ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সোমবার সকাল থেকেই ছিল চাপা উত্তেজনা। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা সকালে ফের বিটি রোড অবরোধ করেন। পুলিশ সূত্রের খবর, অনুপমকে খুন করার জন্য নদিয়ার হরিণঘাটার বাসিন্দা শম্ভুকে ভাড়া করা হয়েছিল। তাঁকে জেরা এই খুনে আরও কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতার খুনের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সিআইডি-র তদন্তকারী অফিসারেরা।রাজ্যে দুই কাউন্সিলরের হত্যার ঘটনায় কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার নবান্নের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।সেখানে বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোল করার অভিযোগ তুলে তিনি রাজনৈতিক রং না দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এদিন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, এডিজি আইনশৃঙ্খলা, ডিআইজি-সিআইডির কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এই মর্মে নির্দেশ দেন।নবান্ন সূত্রে খবর, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় গণ্ডগোল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিরোধীরা। অশান্তির ঘটনায় রং না দেখে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যদিকে রাজ্যে দুই কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় বিরোধী বিজেপি পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছে। রাজ্য বিধানসভার দৃষ্টি আকর্ষণ পর্বে আজ বিজেপি সদস্য শঙ্কর ঘোষ গতকালের ওই দুই নৃশংস ঘটনার কথা উল্লেখ করে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি করেন।তিনি বলেন, বর্তমানে যখন বিভিন্ন পুরসভায় চেয়ারম্যান নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে তখন এধরণের ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে কিনা তার অনুসন্ধান প্রয়োজন।এব্যাপারে ওই বিজেপি সদস্য মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী বিধানসভায় বিবৃতি দাবি করেন।এরপরে বিজেপি সদস্যরা সভায় কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এই অভিযোগ তুলে তারা স্লোগান দিতে শুরু করেন।প্রথমার্ধের অধিবেশন শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলতে থাকে।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

জোড়া কাউন্সিলর খুনে উত্তেজনা পানিহাটি ও ঝালদায়

রবিবারের সন্ধ্যাতেই দুই জেলায় দুই কাউন্সিলর খুনের ঘটনা ঘিরে সোমবার সকাল থেকে শোরগোল শুরু হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি পুরসভার কাউন্সিলর অনুপম দত্ত খুনে রবিবার রাতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মূল অভিযুক্ত। তবে পুরুলিয়ার ঝালদায় কাউন্সিলর খুনের অভিযোগে সোমবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। শুরু হয়েছে তল্লাশি। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে নিহত কাউন্সিলর তপন কান্দুর আত্মীয়-পরিজনদেরও। পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ড সীমানায় চলছে ব্যাপক নজরদারি। ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টা পুরুলিয়া বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে সোমবারই নিহত দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। সোমবার বেলা ৩টে নাগাদ ঝালদায় পৌঁছনোর কথা তাঁর। এবার ঝালদা পুরসভার ভোটের ফল ত্রিশঙ্কু হয়েছিল। কংগ্রেস-তৃণমূল সমান সমান আসন পায়। তা নিয়ে একটা রাজনৈতিক চাপানউতর এলাকায় চলছিল বলে কংগ্রেসের দাবি। এরইমধ্যে কাউন্সিলরের খুনের ঘটনা। এই ঘটনায় পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, পুলিশের প্রত্যক্ষ মদত না থাকলে এ ঘটনা ঘটে না।পানিহাটির আট নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অনুপম দত্ত মাথা লক্ষ্য করে গুলি। রবিবার সন্ধ্যায় দুষ্কতীরা পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তৃণমূল কাউন্সিলরকে উদ্ধার করে প্রথমে ভর্তি করানো হয় সাগরদত্ত মেডিক্যাল হাসপাতালে। সেখান থেকে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।অন্য দিকে, রবিবার ঠিক একই রকম ঘটনা ঘটে পুরুলিয়ার ঝালদায়। সেখানে সদ্য জয়ী কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুকে গুলি করে মোটর বাইকে উঠে চম্পট দেয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কাউন্সিলরকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে রাঁচিতে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় ওই কাউন্সিলরেরও।

মার্চ ১৪, ২০২২
কলকাতা

TMC: লালবাড়ি দখলে বিশাল জয় তৃণমূলের, একনজরে দেখে নিন কোন ওয়ার্ডে কে জিতলেন

পুরসভা নির্বাচনে রীতিমতো রেকর্ড গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি করে ছোট লালবাড়ি দখল করেছে ঘাসফুল শিবির। বিধানসভা ভোটের হিসেবে, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ড অঞ্চলে তৃণমূলের ভোট ছিল ৫৯.০৩ শতাংশ। সেখানে বিজেপির ভোট ছিল ৩২.৯২ শতাংশ। কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ভোট বেড়ে হয়েছে ৭১ শতাংশ এবং বিজেপির ভোট কমে হয়েছে ৮.৯ শতাংশ। অর্থাৎ বিজেপি-র ভোট কমেছে প্রায় ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ। এই ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ ভোটের একটা সিংহভাগ অংশ তৃণমূলের দিকে গেলেও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে বামেদের দিকে। ফলত বামেদের ভোট ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১১.৪ শতাংশ।কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোর ১৪৪টি ওয়ার্ডের ভোট গণনা। রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে সাড়ে ৯০০ প্রার্থীর। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে জিতেছেন কোন প্রার্থী-১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কার্তিক মান্না।২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কাকলি সেন।৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবীকা চক্রবর্তী ।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের গৌতম হালদার।৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তরুণ সাহা ।১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অতিন ঘোষ।১২ নম্বর বরোর সব ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস।১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অনিন্দ রাউত।১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অমল চক্রবর্তী।২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায়।২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মীরা হাজরা।২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিত।২৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী বিজয় ওঝা।২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তারক চক্রবর্তী ।২৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অয়ন চক্রবর্তী ।২৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ইকবাল আহমেদ।৩০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস।৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পরেশ পাল।৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অলকানন্দা দাস।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শচিন সিং।৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা চৌধুরী ।৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মহম্মদ জসিমুদ্দিন।৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সুপর্ণা দত্ত।৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রীতা চৌধুরী ।৪২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী মহেশ শর্মা।৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী আয়েশা কানিজ।৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক।৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিমল সিং।৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিশ্বরূপ দে।৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়।৫০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।৫১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল কুমার।৫২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোহিনী মুখোপাধ্যায়।৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সবিতারানি দাস।৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন।৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুস্মিতা ভট্টাচার্য চট্টোপাধ্যায়।৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী শাম্মি জাহান বেগম।৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের নিবেদিতা শর্মা।৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজনলাল মুখোপাধ্যায়।৭২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সন্দীপ বক্সী।৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬,৪৯৩ ভোটে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়।৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবলীনা বিশ্বাস।৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নিজামুউদ্দিন শামস।৭৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ষষ্ঠী দাস।৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শামিমা রেহান খান।৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা দাস।৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রামপেয়ারে রাম।৮০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী আনোয়ার খান।৮১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী জুঁই বিশ্বাস।৮২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৪,৮৬৭ ভোটে জয়ী ফিরহাদ হাকিম।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী প্রবীর মুখোপাধ্যায়।৮৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী পারমিতা চট্টোপাধ্যায়।৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের দেবাশিস কুমার।৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সৌরভ বসু।৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মালা রায়।৮৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মমতা মজুমদার।৯১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।৯২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সিপিএম প্রার্থী মধুছন্দা দেব।৯৬ ওয়ার্ডে জয়ী বসুন্ধরা গোস্বামী।১০১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৬ ভোটে জয়ী সিপিএম প্রার্থী নন্দিতা রায়।১০৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তারকেশ্বর চক্রবর্তী ।১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অরিজিৎ দাস ঠাকুর।১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের লিপিকা মান্না।১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত কুমার ঘোষ।১১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বরাজ মণ্ডল।১১২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী গোপাল রায়।১১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অনিতা কর মজুমদার।১১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ মণ্ডল১১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না শূর।১১৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণা সিং।১১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অমিত সিং।১১৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের তারক সিং।১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কাকলি বাগ।১২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সুশান্ত ঘোষ।১২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের রূপক গঙ্গোপাধ্যায়।১২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সোমা চক্রবর্তী।১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী রুবিনা নাজ।১৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেসের ওয়াসিম আনসারি।১৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের আবু মহম্মদ তারিক।১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী পূর্বাশা নস্কর।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

TMC Councillor: তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ফ্ল্যাট থেকে বোমা উদ্ধার

বন্ধ ফ্ল্যাটের (Flat) চাবি খুলতেই নজরে পড়ল কৌটো বোমা। কামারহাটির আনোয়ার বাগানে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ফ্ল্যাটটির মালিক স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে। তার ফলে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও তৈরি হয়েছে। এদিকে, বোমা উদ্ধারের ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই এলাকাছাড়া তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে। তাই এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগসাজশের সন্দেহ আরও জোরাল হয়েছে বলেই দাবি স্থানীয়দের।আরও পড়ুনঃ শিশু মৃত্যুতে ক্ষোভ, পথ অবরোধ নয়াবাজে স্থানীয়দের দাবি, স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councillor) কালামউদ্দিন আনসারির ছেলে চন্দন আনসারির ফ্ল্যাটটি ভাড়া দেওয়া ছিল। কয়েকমাস আগে ভাড়াটে বিহারে চলে যান। শনিবার সন্ধেয় তিনি কামারহাটিতে ফেরেন। তালা খোলার চেষ্টা করেন। তবে দেখেন তাঁর কাছে থাকা চাবি দিয়ে তালা খোলা যাচ্ছে না। কিছুটা অবাক হয়ে যান তিনি। আশেপাশের লোকজনকে সমস্যার কথা জানান। তালা ভেঙে কার্যত ফ্ল্যাটের ভিতরে ঢুকতে যান। তবে দেখেন ঘরের মধ্যে ঠিক গ্যাস সিলিন্ডারের পাশে কমপক্ষে ৫০টি কৌটো বোমা রাখা রয়েছে।প্রতিবেশীদের মাধ্যমে পুলিশে যোগাযোগ করেন ওই ভাড়াটে। পুলিশ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কৌটো বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় দিন দিন দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বাড়ছে অপরাধমূলক কাজকর্মও। তবে তা সত্ত্বেও পুলিশ নিশ্চুপ বলেও অভিযোগ এলাকাবাসীর। কী কারণে বোমা মজুত করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিরোধীদের দাবি, এলাকায় অশান্তি তৈরি করতেই বোমা মজুত করেছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে।

জুন ২৭, ২০২১
রাজ্য

দুর্গাপুরে কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার

দ্বন্দ্ব ভুলে উন্নয়নের স্বার্থে কাউন্সিলরদের একসঙ্গে চলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দুর্গাপুর থেকে বনগাঁ উড়ে যাওয়ার ঠিক আগে ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনে দুর্গাপুরের প্রতিটি কাউন্সিলরকে জরুরি তলব করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তথা বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, পশ্চিম বর্ধমান জেলার সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নব্বই সাল থেকে সিপিএমের হাতে মার খেয়ে খেয়ে কোমর ভেঙে গেছে। হাত ভাঙা আছে। কোমরে বেল্ট ছাড়া হাটাচলা করতে পারি না। মাথায় ৬৫ টি স্টিচ আছে। এখন যারা ছোট তারা জানো না। তোমরা একসঙ্গে কাজ করো। আরও পড়ুন ঃ মতুয়ারা সকলেই নাগরিক, ঘোষণা মমতার সূত্রের খবর, তিনি নির্দেশ দিয়েছেন কারখানাগুলোতে যাতে স্থানীয় বেকার যুবকদের চাকরি হয় সেই বিষয়টি দেখতে। মেয়র পারিষদ সদস্য প্রভাত চট্টোপাধ্যায়কে আসানসোল সংগঠন নিয়ে ফের সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে যেন আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ এবং দুর্গাপুর নগর নিগম যৌথভাবে দুর্গাপুর শহরের বিভিন্ন কাজ করে সে নির্দেশও দেন। যেমন, রাস্তা, জল, আলো, নিকাশি সমস্যার দ্রুত সমাধান করা। দুর্গাপুর নগর নিগমে ট্রেড লাইসেন্স বা অন্যান্য কাজ যেন বাকি না থাকে সে বিষয়ে দুর্গাপুরের মেয়রকে বলেন। এবং ওই আলোচনা থেকেই দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সাথে ফোনে কথা বলে পুরনো দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়েে ফের সক্রিয় হয়ে ময়দানে নামার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন রিঙ্কু নস্কর। তিনি কলকাতা পুরসভার ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর। বর্তমানে দলের তরফে ওয়ার্ড কোর্ডিনেটরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর বহু অনুগামীও এদিন বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রিঙ্কু নস্করের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। ২০১৫ সালের পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল কলকাতার অন্যান্য জায়গায় বিরোধীদের ধরাশায়ী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে দাঁত ফোটাতে পারেনি। প্রসঙ্গত , মঙ্গলবারই বাম ও কংগ্রেস আগামী বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল ঠিক করার জন্য বৈঠকে বসেছে। তার আগেই কাউন্সিলরের দলত্যাগ সিপিএম-এর কাছে বড় ধাক্কা বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের। রিঙ্কু নস্কর জানান , কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট মানতে না পারায় তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর স্বামী মানস মুখোপাধ্যায় আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দিলীপবাবু বলেন , যাঁদের কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে , কিন্তু অন্য দলে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছেন তাঁদের জন্য বিজেপির দ্বার খোলা রয়েছে। অন্যন্যা দল থেকে প্রায় প্রায় ৩০০ কর্মী এদিন বিজেপিতে নাম লিখিয়েছে। আরও অনেকেই যোগাযোগ করছেন বিজেপিতে যোগদানের জন্য। আরও পড়ুন ঃ একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা প্রসঙ্গত , কাউন্সিলর হওয়ার আগেই লোকসভা ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর কেন্দ্র থেকে রিঙ্কুকে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। তবে, চৌধুরী মোহন জাটুয়ার কাছে হারতে হয় তাঁকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal