• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona

দেশ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউকেও কাবু করবে ভারত, দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

করোনার প্রথম তরঙ্গের মতো এর দ্বিতীয় ঢেউকেও কাবু করতে সক্ষম হবে ভারত। এমনটাই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার কোভিড পরিস্থিতি এবং টিকাকরণ নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।শনিবার কেন্দ্রের কয়েকটি দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কোভিড পরিস্থিতি আলোচনা করেন মোদি। তিনি বলেন, গত বছর একজোট হয়ে কোভিডকে হারিয়েছিল ভারত। এবং এ বার ফের তা-ই করতে পারবে ভারত। টানা ৩ দিন ধরে দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষের উপর হয়েছে। এই আবহে শনিবারের বৈঠকে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে আশ্বাসের সুর শোনা গিয়েছেন মোদির কণ্ঠে। তাঁর মতে, কঠোরভাবে করোনাবিধি পালনের মাধ্যমে আরও দ্রুত গতিতে সমন্বয় সাধন করে কোভিডকে রোখা সম্ভব।সংক্রমণের গতিকে রুখতে কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বার করা এবং তাঁদের চিকিৎসা করানোর উপরেও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সন্ধান করা এবং তাঁদের চিকিৎসা করার কোনও বিকল্প নেই। কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইসিইউ বেডের বন্দোবস্ত করার দিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি, কোভিড রোগীদের জন্য রেমডেসিভির-সহ অন্যান্য ওষুধের সরবরাহ ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন তিনি।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

করোনা নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাওড়া জেলা প্রশাসনের

উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে হাওড়ার করোনা পরিস্থিতি। লাফিয়ে লাফিয়ে উর্ধগামী হাওড়া পুর এলাকার করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরিস্থিতি দেখে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন নিচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ। হাওড়া প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গত বছর লকডাউনের পর থেকে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, ধাপে ধাপে সেগুলি প্রায় সবই ফিরিয়ে আনা হবে। তবে এবার কোনও রাস্তা বা বড় এলাকা ধরে কন্টেইনমেন্ট জোন নয়, এবার করা হবে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন। কোনও বাড়ি বা আবাসন থেকে পাঁচজন বা তার বেশি সংখ্যক করোনা আক্রান্তের খবর এলে সেই আবাসন বা নির্দিষ্ট কয়েকটি বাড়িকে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে নজরদারির আওতায় আনা হবে। এছাড়াও আবার চালু করা হচ্ছে টেলিমেডিসিন ব্যবস্থা। এছাড়া বাজারহাট, জনবহুল এলাকাগুলি একদিন অন্তর জীবাণুমুক্ত করা, সেফ হোম পরিষেবা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ধাপে ধাপে এই কাজগুলি শুরু হয়ে যাবে। হাওড়া জেলা প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক এই খবর জানিয়েছেন। হাওড়া শহরে সংক্রমণের বাড়াবাড়ির কথা মাথায় রেখে নেওয়া হচ্ছে আরও কিছু ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বাজারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের তোড়জোড় চলছে। এক-দুদিনের মধ্যে সেই বৈঠক সেরে কীভাবে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাজারগুলি চালু করা যায় এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা করোনা বিধি মেনে চলেন, সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হাওড়ার মঙ্গলাহাটে প্রতি সপ্তাহে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হচ্ছে। আগের মতো সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মঙ্গলাহাটের বেচাকেনা চলছে। সেখানে অনেকেই মাস্ক পরার বিষয়ে কোনও তোয়াক্কা করছেন না। এই বিশাল পাইকারি হাটেও কীভাবে করোনা বিধি চালু করা যায় বা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ লাগু করা যায়, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত করোনা সংক্রান্ত বুলেটিন থেকে জানা যাচ্ছে, গত ১১ এপ্রিল ২৯৩ জন, ১০ এপ্রিল ২৮৯ জন এবং ৯ এপ্রিল ২২৩ জন নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। মাসখানেক আগেও এই দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৩০-৪০ এর মধ্যে ছিল। এই কদিনে যেভাবে তা বেড়ে গেল, এখনই তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামী মাসখানেকের মধ্যে সংক্রমণের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। সূত্রের খবর, ১১ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী হাওড়ার প্রায় ১৮০০ সক্রিয় করোনা রোগীর মধ্যে প্রায় ১৪০০ জনই হাওড়া পুরসভা এলাকার। তাই শহর নিয়েই আপাতত উদ্বেগ বেশি রয়েছে প্রশাসনের। বালিটিকুরি হাসপাতালকে ইতিমধ্যে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করে অতিরিক্ত ৬০০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে সত্যবালা আইডি হাসপাতালও। সব ধরনের পরিকল্পনা ঠিকঠাক কার্যকর হলে আগামী সপ্তাহ তিনেকের মধ্যে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

শুক্রবার থেকেই বন্ধ ভিক্টোরিয়া-জাদুঘর-সহ বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান

আবারও বাড়ছে করোনার আতঙ্ক। ইতিমধ্যে দৈনন্দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ২ লক্ষ। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ হয়ে গেল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার বা এএসআইয়ের অধীনে থাকা শহরের একাধিক পর্যটন স্থান। এর মধ্যে রয়েছে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, ভারতীয় জাদুঘর, বিড়লা প্লানেটোরিয়াম, সায়েন্স সিটির মতো দর্শনীয় স্থানগুলো। শুধু এ রাজ্যে নয়, গোটা দেশেই এএসআই -এর অধীনে থাকা সমস্ত মিউজিয়াম, স্মৃতি সৌধ আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারই এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। টুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেলও।দেশে এএসআইয়ের অধীনে রয়েছে ৩৬৯৩টি সৌধ এবং ৫০টি মিউজিয়াম। তাতে নাম রয়েছে তাজমহল, পুরীর জগন্নাথ মন্দির, সোমনাথ মন্দির-সহ দেশের একাধিক দর্শনীয় স্থানের। স্বভাবতই এই জায়গাগুলিতে ভিড়ও হয়। আর করোনা সংক্রমণ রুখতে তাই আগামী ১৫ মে পর্যন্ত এই সমস্ত জায়গা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার থেকেই। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কলকাতার দর্শনীয় স্থানগুলি। জগন্নাথ মন্দির এবং সোমনাথ মন্দির পুজো হলেও দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সংস্থা এএসআইয়ের অধীনে থাকা সমস্ত স্মৃতিসৌধ এবং মিউজিয়াম জরুরিভিত্তিতে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বা পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়া পর্যন্ত এগুলি সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ থাকবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর

প্রয়াত হলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর রঞ্জিত সিনহা। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দিল্লিতে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। সূত্রের খবর, করোনায় আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছেন ১৯৭৪ ব্যাচের এই অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বেশ কয়েকদিন ধরেই নাকি অসুস্থ ছিলেন রঞ্জিত সিনহা। এমনকী শরীরে কোভিডের উপসর্গও দেখা দিয়েছিল। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতেই করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল তাঁর। আর করোনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে রঞ্জিত সিনহার। যদিও পরিবারের তরফ থেকে এই ব্যাপারে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।রঞ্জিত সিনহা চাকরিজীবনে বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপি-র ডিজি, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের চিফ এবং সিবিআইয়ের পাটনা ও দিল্লি অফিসের অনেক উঁচু পদে দায়িত্বভার সামলেছেন। পরবর্তীতে সিবিআইয়ের ডিরেক্টরও হয়েছেন। ২০১২ সাল থেকে দুবছরের জন্য ওই দায়িত্ব সামলেছিলেন। যদিও ২০১৭ সালে কয়লা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছিল রঞ্জিত সিনহার।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

করোনায় মৃত্যু কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের

ভোটের মরশুমে রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। উর্ধ্বমুখী মৃত্যুও। এবার করোনা প্রাণ কাড়ল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া এলাকায়। ২৬ এপ্রিল অর্থাৎ সপ্তম দফায় সামশেরগঞ্জ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সামশেরগঞ্জের দাপুটে কংগ্রেস নেতা রেজাউল হক ওরফে মন্টু বিশ্বাস। করোনার উপসর্গ থাকায় ঝুঁকি না নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসে পজিটিভ। প্রবল শ্বাসকষ্ট থাকায় বুধবার তাঁকে জঙ্গিপুর থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করা হল একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সেখানেই মৃত্যু হয় রেজাউল হকের। এই মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে সামশেরগঞ্জের নির্বাচন। আপাতত ওই আসনে ভোটগ্রহণ বাতিল করা হবে, নাকি পিছিয়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি। উল্লেখ্য, বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের জোট বাঁধার পর আসনরফা নিয়ে জট তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বাম, কংগ্রেস উভয়েই। তার মধ্যেই একটি আসন সামশেরগঞ্জ। সেখানে বামেরা প্রার্থী করেছিল মোদাসসর হোসেনকে। এদিনে কংগ্রেস প্রার্থী করে রেজাউল হককে। জোটের জটিলতা এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলে কাটাকুটির খেলা। বাকি আসনের সমস্যা মিটে গেলেও মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ আসনে সংযুক্ত মোর্চা অর্থাৎ বাম-কংগ্রস-আইএসএফ জোট কার্যকর হয়নি। ফলে ওই আসনে আলাদাভাবে প্রার্থী দিয়েছিলে বাম ও কংগ্রেস।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
কলকাতা

করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ, একদিনে গ্রেপ্তার ১৬৭ জন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করছে কলকাতাকে। করোনা রুখতে চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে শুরু হয়েছে পুলিশের প্রচার। মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ধরপাকড়ের উপর আরও গুরুত্ব দিল পুলিশ। বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাস্ক না পরার অভিযোগে ১৫০ জনের উপর পথচারীকে ধরা হয়। এর মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে হাতেনাতে ধরা পড়ে ১৫ জন। অন্যান্য বাজারেও মাস্ক না পরলেই তাকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, করোনা আক্রান্তর সংখ্যা কলকাতায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বহু পথচারী ও গাড়ি, বাস আরোহীর মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক নেই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরও। এবার সেদিকেও বিশেষ নজর পুলিশের। পুলিশের উপর ভোটের ডিউটির চাপ রয়েছেই। সেই সঙ্গে এবার করোনা রোখারও ব্যবস্থা নিল পুলিশ।গত বছর করোনার ঢেউ কলকাতায় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার সচেতনতার প্রচার শুরু করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু আক্রান্তর সংখ্যা কমতে থাকায় সেই প্রচারে ভাটা পড়ে। যদিও সংখ্যায় কম হলেও মাস্ক না পরার অভিযোগে চলছিল ধরপাকড়। গত মাস থেকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবার গত বছরের আদলেই প্রচার করতে শুরু করেছে পুলিশ।এদিকে, বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে করোনা বিরোধী সচেতনতার প্রচার শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি থানা। পুলিশের অভিযোগ, এই বছর এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই করোনা নিয়ে সচেতন নন। তাই বাজারগুলিতে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা, এমনকী, বিক্রেতাদের মুখেও নেই মাস্ক। পারস্পরিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না। এদিন নিউ মার্কেট অঞ্চলে মাস্ক না পরে নামতে দেখলেই ওই যাত্রীকে ধরেছে পুলিশ। একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, যাদবপুর, হাতিবাগানের মতো বাজারগুলিতেও। এ ছাড়াও ওই বাজারগুলিতে মাস্ক না পরে কেনাকাটা করার অভিযোগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
দেশ

দেশে প্রথমবার দৈনিক করোনা আক্রান্ত ২ লক্ষ, অ্যাকটিভ কেস বাড়ল লক্ষাধিক

আতঙ্কের মধ্যেই শুরু হচ্ছে বাঙালির নতুন বছর। এদিকে করোনা সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন নজির গড়ল ভারত। প্রথমবার একদিনে দেশে করোনার কবলে পড়লেন ২ লক্ষ মানুষ! শুধু ভারতে নয়, এটা গোটা বিশ্বের নিরিখেই রেকর্ড। আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধির জেরে রেকর্ড হারে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। এদিন আরও একবার দৈনিক অ্যাকটিভ কেস বেড়েছে লক্ষাধিক।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৭৩৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪০ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫৬৪ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ১২৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৮ জনের। যা সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৯৩ হাজার ৫২৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের অর্ধেকের থেকেও বহু কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১৪ লক্ষ ৭১ হাজার ৮৭৭ জন। এই নিয়ে পরপর দুদিন দেশে দৈনিক অ্যাকটিক কেস বাড়ল এক লক্ষের বেশি। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৪ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৬৪ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ৪৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ২৩৮ জন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
দেশ

বাতিল সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা, স্থগিত দ্বাদশের পরীক্ষাও

সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল হল। পিছিয়ে গেল দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাও। দেশে কোভিড সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার দুপুরে বৈঠকে বসেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী-সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে দ্বাদশের পরীক্ষা স্থগিত হলেও কবে তা নেওয়া হবে সে বিষয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে। ১ জুন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল।বৈঠকের পর দশমের পরীক্ষা বাতিল এবং দ্বাদশের পরীক্ষা স্থগিত রাখার বিষয়টি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষা না হলেও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদি কোনও ছাত্র বা ছাত্রী অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে সন্তুষ্ট না হয়, তাহলে সে পরীক্ষায় বসতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নেওয়া হবে সেই পরীক্ষা। বুধবার দুপুরের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল এবং শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিকরা। মে মাস থেকে সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রোজ দেশের কোভিড সংক্রমণ লাগামছাড়া হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে সিবিএসই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনার জন্যই বৈঠকে বসেছিলেন মোদি। জানা গিয়েছে সেই বৈঠকে মোদি বলেছেন, পড়ুয়াদের ভাল সরকারের কাছে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।৪ মে থেকে সিবিএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেওয়ার সূচি প্রকাশ করা হয়েছিল। দশম শ্রেণির পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল ৭ জুন পর্যন্ত। সেই পরীক্ষা অফলাইনে লিখিত ভাবে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল বোর্ডের তরফে। কিন্তু দেশে তখনও আছড়ে পড়েনি কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ। সংক্রমণ বাড়তেই বিভিন্ন রাজ্যে স্কুল-কলেজ নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কংগ্রেস নেতা রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধি কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছিলেন পরীক্ষা বাতিলের জন্য। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংও একই আবেদন করেছেন বুধবার। সেই বিষয়টি নিয়েই সিদ্ধান্তের জন্য বৈঠক করেন মোদি। তার পরই নেওয়া হল পরীক্ষা সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। কেজরিওয়াল জানিয়েছেন এই সিদ্ধান্তে তিনি খুশি।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজ্য

কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধিতে চিন্তিত কমিশন, শুক্রবার সর্বদল বৈঠকের ডাক

রাজ্যে এক দিকে নির্বাচন চলছে, অন্য দিকে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা নয়া রেকর্ড ছুঁয়েছে। কিন্তু কোনও মতেই প্রচারের জন্য জমায়েতে রাশ টানা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় সর্বদল বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।কমিশনের তরফে রাজ্যের ১০টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি লিখে এ কথা জানানো হয়েছে। ১৬ এপ্রিল, শুক্রবার, দুপুর ২টোর সময় কমিশনের রাজ্য দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়েছে তাদের। স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি দল থেকে ১ জন করে প্রতিনিধি যাবেন এই বৈঠকে। কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নয়, শুক্রবারের বৈঠকে এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগমোহন ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও প্রচারে জমায়েত কমানো যাচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। মঙ্গলবার এই ব্যাপারে শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রচারের সময় যাতে কোভিড গাইডলাইন মেনে চলা হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে। মাস্ক পরা, নির্দিষ্ট দূরত্ব বিধি মেনে চলার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পরেই বৈঠক ডাকা হয়েছে কমিশনের তরফে। কী ভাবে কোভিড বিধি মেনে প্রচার করা যাবে সেটা নিয়েই কথা হবে শুক্রবারের বৈঠকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
দেশ

করোনায় মৃত্যুমিছিল, খুলল ১৫ বছর আগের শ্মশান !

করোনায় মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে৷ ক্রমেই খারাপ হচ্ছে গুজরাতের সুরাতের পরিস্থিতি৷ এক একটি শ্মশানে দেহ সৎকার করতে গিয়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছিল মৃতের পরিজনদের৷ অবস্থা এতটাই খারাপ যে বাধ্য হয়ে ১৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি শ্মশান খুলে দিতে হল সুরাতের স্থানীয় প্রশাসন৷একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, করোনা বিধি মেনে সুরাতে দৈনিক একশোরও বেশি দেহ সৎকার করা হচ্ছে৷ কিন্তু শ্মশানে গিয়ে মৃতদেহ সৎকার করার জন্য ৮-১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছিল৷ ১৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া যে শ্মশানটি ফের খোলা হচ্ছে, সেটিতে একসঙ্গে ৩০টি দেহ সৎকার করা যায়৷ বিজেপি কাউন্সিলর নীলেশ প্যাটেল জানিয়েছেন, শ্মশানগুলিতে ভিড় এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷সোমবারই সুরাত প্রশাসনেক তরফে জানানো হয়েছিল, শহরাঞ্চলের পাশাপাশি জেলার গ্রামাঞ্চলগুলেও নাইট কার্ফু জারি করা হচ্ছে৷ করোনা সংক্রমণ এড়াতে গত সপ্তাহেই সুরাত-সহ গুজরাতের কুড়িটি শহরে রাতের বেলা চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল গুজরাত সরকার৷ তবে এই পরিস্থিতিতেও সাধারণ মানুষের হুঁশ ফিরছে না৷ বাজার, রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সর্বত্রই ভিড় করছেন মানুষ৷

এপ্রিল ১৩, ২০২১
টুকিটাকি

এইসব উপসর্গ দেখলে করোনা পরীক্ষায় দেরি করা যাবে না

করোনা আবার বাড়ছে। ফলে সংক্রমণের ভয় এখন তুঙ্গে। এই সময়ে নিজের এবং অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক না বাড়িয়ে সাবধান হওয়া দরকার। কী ভাবে হতে হবে সতর্ক? মাস্ক পরা, স্যানিটাইজার ব্যবহার করা অবশ্যই জরুরি। তবে আরও একটি দিকে খেয়াল রাখতে হবে ভাল ভাবে। কোনও সঙ্কেত পেলেই করোনা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া দরকার। কী ধরনের অসুবিধা থাকলে ভাবতেই হবে পরীক্ষা করার কথা? দুদিনের বেশি যদি জ্বরজ্বর ভাব থাকে, তবে গাফিলতি না করাই ভাল। সারা দিন কাশি যদি এমন হয় যে গলার স্বর বদলে যাচ্ছে, তবে তা চিন্তার।অন্য সময়ের তুলনায় বেশি ক্লান্ত লাগছে দিনভর, তা-ও স্বাভাবিক নয়।এমন সব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হওয়াই ভাল। উপসর্গ থাকলে তাতে গুরুত্ব না দিলে বিপদ বাড়তে পারে। সমস্যায় পড়বেন অন্যরাও।এক বার পরীক্ষা করিয়ে নিলে ক্ষতি কী!

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি

ভোটের মরশুমে রীতিমতো চোখ রাঙাচ্ছে মারণ করোনা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জন। একদিনে করোনার বলি হয়েছেন ১০ জন। অর্থাৎ শনিবারের তুলনায় সামান্য হলেও কমেছে মৃত্যু। এদিনই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিজেপি প্রার্থী আনন্দময় বর্মন।স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জনের মধ্যে ১,১০৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানকারও একহাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এদিন। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৪৭ জন। তৃতীয় স্থানে হাওড়া। একদিনে নতুন করে করোনা থাবা বসিয়ে সেখানকার ২৯৩ জনের শরীরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা রয়েছে চতুর্থ স্থানে। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ২৮৮ জন। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের করোনা গ্রাফও রীতিমতো ভয় ধরিয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। তবে এদিন নতুন আক্রান্তের হদিশ মেলেনি কালিম্পংয়ে। যদিও বাকি সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন সংক্রমিতের হদিশ। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬, ১৪, ৮৯৬। একদিনে করোনা রাজ্যের যে ১০ জনের প্রাণ কেড়েছে তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে সেখানকার ৩ জনের। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনার বলি একজন। ফলে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০, ৪০০।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

দৈনিক সংক্রমণ ৪ হাজার, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত ১২

রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ পেরিয়ে গেল ৪ হাজারে গণ্ডি। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪০৪৩ জন নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ১০ হাজার ৪৯৮এ। শতাংশের বিচারে দেখলে দৈনিক সংক্রমণের হারও বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। শেষ ২৪ ঘণ্টার বিচারে সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ১০.৯৭ শতাংশ।আক্রান্তের নিরিখে এখনও সর্বোচ্চ স্থানেই রয়েছে কলকাতা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯৭ জন। এরপর রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮৭ জন। রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায় সমান তালে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এর মধ্যে হাওড়া (২৮৯), হুগলি (১৯১), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২৯১), পশ্চিম বর্ধমান (২৬৬) ও বীরভূম (২৭১) উল্লেখযোগ্য। এখন পর্যন্ত রাজ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন। শুক্রবারে তুলনায় শেষ ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যুও। স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। এদের মধ্যে ৪ জন কলকাতার, ও ৫ জন উত্তর ২৪ পরগনার। মুর্শিদাবাদ, হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে সমান তালে চলছে টিকাকরণের কাজও। এখনও পর্যন্ত ৭৬ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬৩৪ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় টিকা পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৯৪০ জন।

এপ্রিল ১১, ২০২১
দেশ

মারাত্মক পরিস্থিতি, দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৪৫ হাজার

ভয়াবহতার সব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে করোনা। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছিল সপ্তাহ দেড়েক আগেই। এবার সেই সংখ্যাটা এগোচ্ছে দেড় লক্ষের দিকে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ১ লক্ষ ৪৫ হাজার। রেকর্ড গড়েছে মৃতের সংখ্যাও। একই সঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৮৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৪ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৫ হাজার ৯২৬ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪৩৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭৯৪ জনের। এই সংখ্যাটা চলতি বছরে সর্বোচ্চ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭৭ হাজার ৫৬৭ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অর্ধেকেরও কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৩১ জন। চলতি বছরে প্রথমবার অ্যাকটিভ কেস পেরোল ১০ লক্ষের গণ্ডি। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৯ লক্ষ ৯০ হাজার ৮৫৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ৯ কোটি ৮০ লক্ষ ৭৫ হাজার ১৬০ জন। দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ এবার রীতিমতো চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তবে, কেন্দ্র এখনই লকডাউনের পথে হাঁটতে চাইছে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যগুলোকে মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ নিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
দেশ

করোনা রুখতে ‘টিকা উৎসব’-এর নিদান প্রধানমন্ত্রীর

দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। প্রায় রোজই রেকর্ড সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার চিন্তার ভাঁজ ফেলছে প্রশাসনের কপালে। এহেন পরিস্থিতি ভ্যাকসিনকে হাতিয়ার করে এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার ১১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টিকা উৎসব পালন করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার, দেশে বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, আমাদের কাছে করোনা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। যে কোনওভাবে আমাদের মৃত্যুর হার কম রাখতে হবে। আবার কঠিন সময় আসছে। আমাদের সতর্কতায় ঢিলেমি করলে চলবে না। সম্পূর্ণ লকডাউনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোন তৈরির উপর জোর দিয়েছেন। এছাড়া, নাইট কার্ফুয়ের বদলে করোনা কার্ফু শব্দবন্ধ ব্যবহারের আর্জি জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাত ৯টা বা ১০টা থেকে সকাল ৫টা অথবা ৬টা পর্যন্ত নাইট কার্ফুয়ের সময় হওয়া উচিত। সংক্রমণ রুখতে কনট্যাক্ট ট্রেসিং করা উচিত। মহারাষ্ট্র, গুজরাত, পঞ্জাব ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যগুলি করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণের প্রাথমিক ঢেউ দেখেছে। তাই মানুষের মধ্যে কিছুটা গাফিলতি দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রশাসনের মধ্যে ঢিলেমি দেখা যাচ্ছে। এমনটা করলে চলবে না।বৃহস্পতিবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা পেরিয়ে গিয়েছে সওয়া এক লক্ষ। যা গত বছর যে সময় দেশের করোনা সংক্রমণের পরিমাণ একেবারে চরমে ছিল তার থেকেও অনেকটা বেশি। এই নিয়ে গত চারদিনের মধ্যে তিনদিন দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক। এই পরিসংখ্যান ভয় ধরানোর জন্য যথেষ্ট। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী টিকা উৎসবের কথা বললেও মহারাষ্ট্র-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় টিকার জোগান পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ আসছে। সব মিলিয়ে দেশে মহামারি পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি, মৃত ৬৩০

গত বছর এই সময়ই ভারতে প্রভাব বাড়াতে শুরু করেছিল করোনা। আর এখন এই মারণ ভাইরাস নতুন করে জাঁকিয়ে বসেছে। গত বছরও আক্রান্তের যে সংখ্যাটার সাক্ষী হয়নি দেশ, সেটাই হল এবছর। দিন দুয়েক আগেই দৈনিক সংক্রমণ ছাড়িয়েছিল এক লক্ষের গণ্ডি। এবার তা আরও বাড়ল। পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী মৃতের সংখ্যাও।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় সে রাজ্যে আক্রান্ত ৫৫ হাজারেরও বেশি। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলিও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ১ হাজার ৭৮৫ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৬৩০ জন। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৭৭ জন। এই সংখ্যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই বেশি। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪৭৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৫৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ১৭ লক্ষ ৯২ হাজার ১৩৫ করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ৮ কোটি ৭০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৭৪ জন। টিকাকরণের পাশাপাশি চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১২ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, পঞ্জাবে ৮০ শতাংশ মানুষের সংক্রমণের কারণ ব্রিটেন থেকে আসা স্ট্রেন। নির্বাচন, কৃষক বিক্ষোভের মতো কারণে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলেো দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় করোনার তাণ্ডব, একদিনে সংক্রমিত ২ হাজারের বেশি

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে নতুন করে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। বেড়েছে মৃত্যুও। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজ্যের সুস্থতার হারও। মঙ্গলবার তৃতীয় দফা ভোট মিটল বঙ্গে। এখনও বাকি পাঁচ দফা। আর তার আগে জোরকদমে চলছে মিটিং-মিছিল-সমাবেশ। কোভিডবিধি উড়িয়ে মাস্ক ছাড়াই জমায়েত করছেন হাজার হাজার মানুষ। আর সেই উদাসীনতার মাশুল গুনতে হচ্ছে বঙ্গবাসীকেই। স্বাস্থ্যদপ্তরের মঙ্গলবারের রিপোর্ট বলছে, একদিনে রাজ্যে কোভিড আক্রান্ত ২ হাজার ৫৮ জন। ফলে এদিন রাজ্যের মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ৬৩৪ জন। স্বাস্থ্যভবনের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে কলকাতায়। সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮২ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭২ জন। এই দুই জেলা ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া ও বীরভূমে। সরকারি হিসেব বলছে, বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৭৫ জন। যা সোমবারের তুলনায় ১ হাজার ৩২৯ জন বেশি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫০৪ জন। একদিনে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭২২ জন। ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৬.১২ শতাংশ। সোমবারের তুলনায় রাজ্যে বেড়েছে মৃত্যুও। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিন জন কলকাতার বাসিন্দা। বাকিরা হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, মালদা ও মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। এদিনে এ রাজ্যে করোনা মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ৩৫৫ জন।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
দেশ

৬ মাস পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ ফের ৮১ হাজার পেরলো

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্রমেই বেসামাল হচ্ছে দেশের কোভিড পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭২ হাজার। শুক্রবার তা প্রায় সাড়ে ৮১ হাজার। ২৮ সেপ্টেম্বরের পর এত সংখ্যক লোক এক দিনে আবার আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবচেয়ে করুণ। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা গোটা করোনাকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেখানে এক দিনে আক্রান্ত ৪৩ হাজার ছাড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৮১ হাজার ৪৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৩১ জন। করোনার নতুন প্রজাতির জন্যই সংক্রমণ এ রকম আকার নিচ্ছে বলে সম্প্রতি মত প্রকাশ করেছিলেন দিল্লি এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। দেখা যাচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এক লাফে বাড়িয়ে দিয়েছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশের দৈনিক মৃত্যু এক মাস আগেও ছিল ১০০-র আশপাশে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৪৬৯। মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৪৯ জনের। কর্নাটক, দিল্লি, পঞ্জাব এবং ছত্তিশগড়েও গত কদিনে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
দেশ

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস, মৃত ৩৫৪ জন

পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন আর হোলির মধ্যে দেশজুড়ে বাড়তে থাকা করোনার দৈনিক গ্রাফ চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। তবে এই নিয়ে দুদিন দেশে করোনা সংক্রমণ সামন্য কম। তবে ২৪ ঘণ্টায় একলাফে অনেকটা বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৩ হাজার ৪৮০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে সামান্য কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৩৫ জন। তবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে দেশে করোনা চিকিৎসাধীনের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৬। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। গতকালের বুলেটিন অনুযায়ী যেখানে একদিনে ২৭১ জনের প্রাণ গিয়েছিল, সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ৩৫৪ জন। অর্থাৎ টেস্টিং কম হওয়ায় আক্রান্ত কমলেও মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াল। ভারতে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৪৬৮ জন করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন।এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে শক্তি জোগাচ্ছেন কোভিডজয়ীরাই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ৪১ হাজার ২৮০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩০১ জন করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন।

মার্চ ৩১, ২০২১
দেশ

এপ্রিলেই ভারতে শিখর ছুঁতে পারে কোভিডের দ্বিতীয় তরঙ্গ

ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারতে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে কোভিড সংক্রমণ। দৈনিক আক্রান্ত ১০ হাজার থেকে বেড়ে ৫০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ শুরু হয়েছে। আর এই দ্বিতীয় তরঙ্গের শিখর আসতে পারে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে, এমনটাই একটা রিপোর্টে জানিয়েছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। অন্তত ১০০ দিন এই দ্বিতীয় তরঙ্গ থাকবে বলেই জানানো হয়েছে এই রিপোর্টে। স্টেট ব্যাংকের এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২৩ মার্চ পর্যন্ত সংক্রমণের গতি-প্রকৃতি বিচার করে বোঝা যাচ্ছে এই দ্বিতীয় তরঙ্গে ভারতে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হবে। সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে এই দ্বিতীয় তরঙ্গ শিখরে পৌঁছবে। ২৮ পাতার এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্থানীয় ভাবে লকডাউন করলে সংক্রমণ থামানো যাবে না। তার বদলে শুধুমাত্র ব্যাপক পরিমাণে টিকাকরণ করলে তবেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।সংক্রমণ বাড়ায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তার ফলে কিছু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়েছে। আগামী মাস থেকেই অর্থনীতির উপর এই সংক্রমণের প্রভাব বোঝা যাবে বলেই জানানো হয়েছে রিপোর্টে।

মার্চ ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal