• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গলের লাস্ট বয় হওয়ার ভাগ্য ঝুলে রইল শেষ ম্যাচের ওপর

এবারের আইএসএলে লাস্ট বয় হবে কে? লড়াইটা মূলত দাঁড়িয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল ও নর্থইস্ট ইউনাইটেডের মধ্যে। সোমবার দুই দল মুখোমুখি হওয়ার আগে ১৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ১৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। নিজেদের শেষ ম্যাচে ১১ ড্র করে ১৪ পয়েন্টে আটকে থাকল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট দাঁড়াল ১১। এবারের আইএসএলে লাস্ট বয় কে হবে, তা ঝুলে থাকল এসসি ইস্টবেঙ্গলের শেষ ম্যাচের ওপর। লাস্ট বয় হওয়ার লজ্জা এড়াতে দুই দলই মরিয়া ছিল। ম্যাচের শুরুতে নর্থইস্ট ইউনাইটেড আক্রমণের ঝড় তুললেও মিনিট পাঁচেক যেতে না যেতেই খেলা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকেন পেরোসেভিচ, লালরিনলিয়ানা নামতে, মহেশ সিংরা। ৮ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত লালহলুদ। নামতের দুরন্ত শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান নর্থইস্ট গোলকিপার মির্শেদ। ১৭ মিনিটে আবার সুযোগ এসেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ফ্রান সোতার সেন্টার নর্থইস্টের এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করলে বল যায় নোরেম মহেশ সিংয়ের কাছে। তাঁর শট ক্রশবারে লেগে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য থাকলেও এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ৪৫ মিনিটে ডানদিক থেকে এগিয়ে গিয়ে এগিয়ে গিয়ে সেন্টার করেন সুহের। ডেশর্ন ব্রাউন হেড করতে ব্যর্থ হলে বল লালহলুদ গোলকিপার শঙ্কর দাসকে পরাস্ত করে পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল ফলো করে জোরালো শটে জালে পাঠান মার্কো সাহনেক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই নর্থইস্ট ইউনাইটেড আধিপত্য দেখাতে থাকে। এসসি ইস্টবেঙ্গলও প্রতিআক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করতে থাকে। অবশেষে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৫৪ন মিনিটে পেনাল্টি আদায় করে এসসি ইস্টবেঙ্গল। নর্থইস্ট ইউড়াইটেডের বক্সে ভেসে আসা বল ফ্রান সোতা হেড করতে উঠলে তাংকে পেছন থেকে ধাক্কা দেন প্যাট্রিক ফ্লোটম্যান। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান আন্তোনীও পেরোসেভিচ। বাকি সময় দুই দল আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও গোল পায়নি। দুই দলকেই ১ পয়েন্ট করে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরু'কে হারিয়ে লিগের শীর্ষস্থানের লড়াই জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান

এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচ দুদলের কাছেই ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে এটিকে মোহনবাগানকে জিততেই হত। অন্যদিকে, প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য জেতাটা জরুরি ছিল বেঙ্গালুরু এফসির কাছে। আক্রমণাত্মক ফুটবলের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও শেষরক্ষা হয়নি বেঙ্গালুরু এফসির। বাজিমাত করে গেল জুয়ান ফেরান্দোর দল। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসিকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে ওঠার লড়াই আরও জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান। ১৮ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শীর্ষে যাওয়ার দৌড়ে থাকল সবুজমেরুণ শিবির।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির কাছে আটকে গিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে ফেলেছিল এটিকে মোহনবাগান। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল। সবুজমেরুণের জয়ের নায়ক লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিং। আইএসএলে বিদেশিদের ভিড়ে দারুণ উজ্জ্বল এই দুই ভারতীয়। ডিফেন্সে এদিন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন সন্দেশ ঝিঙ্ঘান ও তিরি। এটিকে মোহনবাগানের এই দুই ডিফেন্ডার এদিন কোনও সুযোগ দেননি সুনীল ছেত্রি, ক্লেইটন সিলভা ও ইবারাদের।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে সেভাবে উইং দিয়ে আক্রমণ শানাতে পারেননি লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে লিস্টন কোলাসো ছন্দে ফিরতেই চেনা বাগান। প্রথমার্ধে বারবার বেঙ্গালুরুর বক্সে পৌঁছে গেলেও গোলমুখ খুলতে পারছিলেন না লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। অবশেষে প্রথমার্ধের একেবারে শেষলগ্নে ডেডলক ভাঙেন লিস্টন কোলাসো। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বক্সের ঠিক বাইরে লিস্টনকে একসঙ্গে মিলে ফাউল করেন ব্রুনো সিলভা ও অজয় ছেত্রি। রেফারি ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন। বাঁক খাওয়ানো দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। এই নিয়ে আইএসএলে ৮টি গোল করে ফেললেন এই ভারতীয় উইঙ্গার।এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচদ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা অব্যাহত থাকে এটিকে মোহনবাগানের। ৫৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত সবুজমেরুণের। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনননি ইবারা, সুনীলরা। ৮৫ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে গড়ানো শটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন মনবীর সিং। প্লে অফের স্বপ্নের সলিলসমাধি ঘটে বেঙ্গালুরুর।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লাস্ট বয়ের তকমা ঘোঁচানোই এখন চ্যালেঞ্জ এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে

আইএসএলে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে সবার শেষে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৮ ম্যাচে মাত্র ১০ পয়েন্ট। ১৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে দশম স্থানে রয়েছে নর্থইস্ট ইউনাইটেড। সোমবার আইএসএলের দুই লাস্ট বয়ের লড়াই। বাকি দুম্যাচ জিতলে বড়জোর দশম স্থানে শেষ করতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এর বেশি এগোনোর সুযোগ নেই। কারণ, ১৯ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে নবম স্থানে রয়েছে এফসি গোয়া। বাকি দুটো ম্যাচ জিতলেও গোয়াকে টপকাতে পারবে না। শুধু লাস্ট বয় হওয়ার তকমা মুছবে। আপাতত এটাই লক্ষ্য এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরার। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, এই ম্যাচটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জিতলে আমরা লিগ টেবিলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে টপকে যাব। আপাতত সেই চেষ্টাই করব। আমরা ভাল খেলছি ঠিকই। কিন্তু জয় চাই। এই মুহূর্তে আমাদের হারানোর কিছু নেই। লিগের একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে ফুটবলারদের নতুন করে মোটিভেট করার কিছু দেখছেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, আমরা যদি শেষ ৪৫ দেখি, তাহলে দেখা যাবে ফুটবলারদের মুড খুবই ভাল জায়গায় আছে। দল আগের থেকে অনেক ভাল খেলছে। আরও বেশি আক্রমণাত্মক। ফুটবলারদের আলাদা করে মোটিভেট করার কিছু নেই। শেষ দুই ম্যাচের জন্য অনন্ত তামাংকে দলে নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। কেন নেপালের এই ডিফেন্ডারকে দলে নেওয়া হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, টমিস্লাভ মার্সেলা অস্ট্রেলিয়ার একটা ক্লাবে গোটা মরশুমের জন্য ভাল প্রস্তাব পেয়েছে। আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল যাবে কিনা। আমি ওকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছি। মার্সেলার জায়গায় একজন এশিয়ান কোটার বিদেশি ডিফেন্ডার দরকার ছিল। তাই অনন্ত তামাংকে নেওয়া হয়েছে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে অনন্তকে খেলাবেন কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি মারিও রিভেরা।এসসি ইস্টবেঙ্গেলের দায়িত্ব নেওয়ার পর শেষ কয়েকটা ম্যাচে আলাদা আলাদা ফর্মেশনে দলকে খেলাচ্ছেন মারিও রিভেরা। শেষ দুই ম্যাচে ১৮ জন ফুটবলারকে খেলিয়েছেন। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধেও স্ট্র্যাটেজি বদল করছেন লালহলুদ কোচ। প্রথম একাদশেও বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করতে চলেছেন। তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। তবে মারিও রিভেরার চোখ ৩ পয়েন্টে। তাহলেই যে লাস্ট বয়ের তকমা ঘুঁচবে। আপাতত এটাই সম্মানের হয়ে দাঁড়িয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

BIG BREAKING: সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধের ডাক বিজেপির, নির্বাচন কমিশনারকে গ্রেফতারের দাবি

আগামিকাল, সোমবার ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। পুরভোটে অশান্তি, ব্যাপক ভোট লুট-ছাপ্পার প্রতিবাদে বঙ্গ বিজেপি এই বনধের ডাক দিয়েছে। রাজ্যের এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ইনভেলিড বলে দাবি করেছে বিজেপি। পুরভাগুলিতে নির্বাচন না করে প্রশাসক বসানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নির্বাচন কমিশনকে পুরভোট বাতিল করতে হবে বলে দাবি করেছে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। নতুন করে নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, রাজ্য নির্বাচন কমিশন সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের জন্যই এদিন রাজ্য রক্তপাত, অশান্তি, গন্ডগোল হয়েছে বলে বিজেপি সাংসদের দাবি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ২ ম্যাচ জিতে রনজির নক আউটে কার্যত নিশ্চিত বাংলা

বিগত কয়েক বছর ধরে বোলিংই বাংলার মূল শক্তি। ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও বোলারদের দাপটেই জয় এসেছে। কয়েকবছর ধরে এই ছবিটা দেখা বাংলার ক্রিকেটে। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়। রনজির প্রথম ম্যাচে বরোদার বিরুদ্ধে জয় এসেছিল বোলারদের দাপটেই। হায়দরাবাদের দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটারদের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন বোলাররা। বোলারদের দাপটেই হায়দরাবাদকে ৭২ রানে হারিয়ে রনজির নক আউট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে বাংলা। কটকে অনুষ্ঠিত হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয় সত্ত্বেও বাংলা প্রথম ইনিংসে তোলে ২৪২। জবাবে বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে ২০৫ রানে শেষ হয়ে যায় হায়দরাবাদের প্রথম ইনিংস। ৩৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। শেষ পর্যন্ত অনুষ্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আমেদের সৌজন্যে ২০১ রানে পৌঁছয়। হায়দরাবাদের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৩৯। তৃতীয় দিনেই ম্যাচের ভবিতব্য অনেকটাই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে ১৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল হায়দরাবাদ। চতুর্থদিন সকালেই হিমালয় আগরওয়ালকে (০) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদকে কোনঠাসা করে দেন আকাশ দীপ। তিলক ভার্মা ও প্রতীক রেড্ডি প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। প্রতীককে (১৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। রাহুল বুদ্ধিকে (১৭) আকাশ দীপ। একসময় ৮৫ রানে ৬ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। শেষ দিকে রবি তেজা ও তিলক ভার্মা লড়াই করেন। রবি তেজাকে (২৩) শাহবাজ আমেদ তুলে নিতেই আবার ধস। শেষ পর্যন্ত ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদের দ্বিতীয় ইনিংস। তিলক ভার্মা ৯০ রান করে আউট হন। এটাই ম্যাচের সর্বোচ্চ স্কোর। বাংলার হয়ে আকাশ দীপ ৪১ রানে ৪টি, শাহবাজ আমেদ ৪১ রানে ৩টি ও মুকেশ কুমার ৪৯ রানে ২টি উইকেট নেন। ঈশান পোড়েল ২০ রানে নেন ১ উইকেট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন শাহবাজ আমেদ।পরপর দুটি ম্যাচ জিতে বাংলার পয়েন্ট ১২। শেষ ম্যাচে বাংলা খেলবে চন্ডীগড়ের বিরুদ্ধে। আর হায়দরাবাদ খেলবে বরোদার বিরুদ্ধে ২ ম্যাচে হায়দরাবাদের পয়েন্ট ৬। নক আউট পর্বে যেতে গেলে বোনাস পয়েন্টসহ জিততে হবে হায়দরাবাদকে। আর বরোদার বিরুদ্ধে হায়দরাবাদ যদি বোনাস পয়েন্টসহ না জেতে তাহলে বাংলা পরের রাউন্ডে পৌঁছে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

আবার ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার, জমে উঠেছে ম্যাচ

নাটকীয়ভাবে জমে উঠেছে বাংলা-হায়দরাবাদ রনজি ম্যাচ। চতুর্থ দিন জয়ের জন্য হায়দরাবাদের দরকার ২৩৫ রান। অন্যদিকে, বাংলার প্রয়োজন ৯ উইকেট। বেশ কয়েকবছর ধরে ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার রোগে পরিনত হয়েছে। এই মরশুমেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে কোনও ইনিংসেই আড়াইশো রানের গন্ডি টপকাতে পারল না বাংলা। প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৪২। দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে গেল মাত্র ২০১ রানে। অনুস্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আমেদের জন্যই ২০০ রানের গন্ডি টপকাতে সমর্থ হয় বাংলা।দ্বিতীয় ইনিংসে হায়দরাবাদের ঘাড়ে বাংলা বড় রানের বোঝা চাপাতে পারত। কিন্তু আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্য সম্ভব হলে না। আগের দিন দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম ওভারে আউট হয়েছিলেন সুদীপ ঘরামি। তৃতীয় দিন ১৫.৩ ওভারে দলের ৩৪ রানের মাথায় অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরনের উইকেট হারায় বাংলা। ২৪ রান করেন ঈশ্বরন। ৬৯ রানের মাথায় পড়ে তৃতীয় উইকেট। ১৭ রান করে আউট হন সায়নশেখর মণ্ডল। প্রাক্তন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি আবার ব্যর্থ। মাত্র ১৭ বল ক্রিজে ছিলেন। ১০ রান করে তিনি রান আউট হন। ৮১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলা। ঋত্বিক রায়চৌধুরি (৪১) মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন।১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান অনুস্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আমেদ। জুটিতে ৬৫ রান তুলে দলের মান বাঁচান। ৪২ রান করে তনয় ত্যাগরাজনের বলে অনুস্টুপ আউট হন। পরপরই রান আউট হন অভিষেক পোড়েল (০)। বাংলার সপ্তম উইকেট পড়ে ১৮৩ রানে। সেখান থেকে ২০১ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলা। ৮৭ বলে শাহবাজ আহমেদ ৫১ রান করে ধারাবাহিকতার পরিচয় দেন। তনয় ত্যাগরাজন ও তিলক ভর্মা ৩টি করে উইকেট নেন। ২৩৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারের প্রথম বলেই মুকেশ কুমারের শিকার হন অধিনায়ক তন্ময় আগরওয়াল। দিনের শেষে হায়দরাবাদ ১ উইকেট হারিয়ে চার রান তুলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে বেকায়দায় হায়দরাবাদ

বল হাতে জ্বলে উঠেছেন মুকেশ কুমার। যোগ্য সহায়তা ঈশান পোড়েল ও আকাশ দীপের। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে গেল বাংলা। বাংলার ২৪২ রানের জবাবে হায়দরাবাদের প্রথম ইনিংস ২০৫ রানে শেষ হয়। দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলা ১ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৬। এখনও পর্যন্ত বাংলা দু ইনিংস মিলিয়ে ৫৩ রানে এগিয়ে রয়েছে।আগের দিনের ২ উইকেটে ১৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে হায়দরাবাদ। মুকেশ কুমার, ঈশান পোড়েল ও আকাশ দীপের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে হায়দরাবাদের ব্যাটাররা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। ২৮ রানের মাথায় মুকেশ কুমার তুলে নেন হিমালয় আগরওয়ালকে (১৬)। ৪০ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। প্রতীক রেড্ডিকেও(৬) ফেরান মুকেশ। রাহুল বুদ্ধি ৪ রান করে আকাশ দীপের বলে কট বিহাইন্ড হন। হায়দরাবাদ পঞ্চম উইকেট হারায় ৪৫ রানে। ৬১ রানে পড়ে ষষ্ঠ উইকেট। অধিনায়ক তন্ময় আগরওয়াল ৮০ বলে ২৯ রান করে ঈশান পোড়েলের বলে মনোজ তিওয়ারির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। হায়দরাবাদের সপ্তম উইকেট পড়ে ৭০ রানে। মিকি জয়সোয়াল ২ রান করে সায়নশেখর মণ্ডলের বলে বোল্ড হন। ৭০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে হায়দরাবাদ। মনে হচ্ছিল ১০০ রানও পার করতে পারবে না। এরপর রবি তেজা ও তন্ময় ত্যাগরাজন রুখে দাঁড়ান। অষ্টম উইকেট জুটিতে তাঁরা যোগ করেন জুটি ভাঙেন মনোজ তিওয়ারি। তুলে নেন তন্ময়কে। তিনি ১০৩ বলে ৫২ রান করে আউট হন। রবি তেজার লড়াকু ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে শেষ পর্যন্ত ৮০ ওভারে ২০৫ রানে শেষ হয় হায়দরাবাদের ইনিংস। ১৯৬ বলে ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন রবি তেজা। মুকেশ কুমার ৪৯ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন। ঈশান পোড়েল, আকাশ দীপ, সায়নশেখর মণ্ডল, শাহবাজ আহমেদ ও মনোজ তিওয়ারি ১টি করে উইকেট নেন। ৩৭ রানে এগিয়ে থেকে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলা। রক্ষণ রেড্ডির বলে শূন্য রানে আউট হন সুদীপ ঘরামি। দিনের শেষে বাংলা ৮ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৬ রান তুলেছে। অভিমন্যু ঈশ্বরন ১০ ও ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরী ৩ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

অক্ষরেখার টানে বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্পের প্রভাবেই সকাল থেকে শুরু বৃষ্টি

আজও রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা। সকাল থেকেই পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকেই মেদিনীপুর, পুরুলিয়ায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শুক্রবার কলকাতা শহর দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলার যেমন মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। এদিন দুপুরের পর থেকে কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার করে বৃষ্টিপাত হবে। এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। একে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং সঙ্গে পূবালি হাওয়ার সংঘাত। তার জেরেই অসময়ে বৃষ্টি। শনিবার থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে, এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।মধ্য ভারত থেকে পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারত পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখাকেই দায়ী করছেন আবহবিদেরা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মিলিয়ে সকাল থেকে শহরের কিছু অংশে বৃষ্টি শুরুও হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই মহানগরীর আকাশের মুখ ভার। তবে, গত কয়েক দিনের মত ঘন কুয়াশার চাদর ছিল না। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং মালদহ, দুই দিনাজপুরে। দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই বর্ধমান, পুরুলিয়াতেও বৃষ্টি হতে পারে। কাল, শনিবার এবং তার পরের দিন, রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টি হতে পারে বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪ পরগনাতেও। আবহবিদদের বক্তব্য, অক্ষরেখার টানে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তা ঘনীভূত হয়ে তৈরি করতে পারে বজ্রগর্ভ মেঘ। তা থেকেই বৃষ্টি হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২ ম্যাচের জন্য বিদেশি ডিফেন্ডার!‌ শেষ পর্বে ঘুম ভাঙল এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের‌

সারা বছর ঘুমিয়ে থাকার পর আইএসএলের শেষ পর্বে এসে ঘুম ভেঙেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের! না হলে লিগের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে বিদেশি ডিফেন্ডার দলে নেবেন কেন? কোন যুক্তিতে ২ ম্যাচ আগে নতুন ফুটবলার সই করালেন কর্তারা, বোধগম্য নয়।শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জেরবার এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দল গড়া থেকে শুরু করে, মাঝপথে কোচ বিতরণ, ফুটবলার ছাঁটাই। মাঝে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধেও ফুটবলাররা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন। আইএসএলে আর মাত্র দুটি ম্যাচ বাকি এসসি ইস্টবেঙ্গলের। একটা নর্থইস্ট ইউনাইটেড, আর একটা বেঙ্গালুরু এফ সির বিরুদ্ধে। দুম্যাচের জন্য নেপালের তরুণ ডিফেন্ডার অনন্ত তামাংকে সই করালেন লালহলুদ কর্তারা।নেপালের থ্রি স্টার ক্লাবে খেলতেন ২৪ বছর বয়সী অনন্ত তামাং। নেপালের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের হয়ে দারুণ নজর কেড়েছিলেন। সেই সুবাদে জায়গা পান জাতীয় দলে। ২০১৫ সালে ভারতের বিরুদ্ধে সাফ কাপে ভারতের বিরুদ্ধে নেপালের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়। ২০২০ সালে নেপালের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিতও হয়েছিলেন। এখন দেখার বাকি দুটি ম্যাচে তিনি কতটা রক্ষা করতে পারেন লালহলুদ রক্ষণকে। এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবের জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ পেয়ে খুশি অনন্ত তামাং। লালহলুদ মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি দারুণ খুশি। আমার কাছে গর্বের মুহূর্ত। চেষ্টা করব দলকে সবরকম ভাবে সাহায্য করতে।🚨𝐀𝐍𝐍𝐎𝐔𝐍𝐂𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓🚨We are happy to announce the signing of Nepal🇳🇵defender Ananta Tamang for the remainder of the season.🗣️I am happy to join SC East Bengal. I look forward to helping the club in every way I can. It is a proud moment for me.#WeAreSCEB pic.twitter.com/aRKzGGwMM6 SC East Bengal (@sc_eastbengal) February 23, 2022আইএসএলে ১৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। মাত্র ১টা ম্যাচে জয় এসেছে। ৭টি ড্র। ১০টিতে হার। ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শেষে রয়েছে। বাকি ২ ম্যাচ জিতলেও খুব বেশি হেরফের হবে না। এই অবস্থায় নতুন বিদেশি ফুটবলার সই করানো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এতদিন কি কর্তারা ঘুমিয়ে ছিলেন?এদিকে, বুধবার মুম্বই সিটি এফসির কাছে হার একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তিনি মনে করছেন, মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর দল হারার মতো খেলেননি। রিভেরা বলেন, ফুটবলাররা দারুণ খেলেছে। ১ গোলে হারতে হয়েছে। অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম। কাজে লাগাতে পারিনি। পেনাল্টিও পাইনি। এই বার আমাদের প্রাপ্য ছিল না।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অন্যতম সেরা ম্যাচ খেলেও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের

মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা বলেছিলেন, একমাত্র ভাগ্যই তাঁদের ড্র করাতে পারে কিংবা জেতাতে পারে। ভাগ্য সহায় হল না লালহলুদ শিবিরের। আইএসএলে নিজেদের অন্যতম সেরা ম্যাচ খেলেও মুম্বই সিটি এফসির কাছে হারতে হল মারিও রিভেরার দলকে। ম্যাচের ফল মুম্বই এফসির পক্ষে ১০। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলতে। জিতে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল মুম্বই সিটি এফসি।সেমিফাইনালের যাওয়ার জন্য এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না মুম্বই সিটি এফসির সামনে। অথচ ম্যাচের প্রথমার্ধ দেখলে মনে হবে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছেই যেন মরণবাঁচন। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়েছিলেন মারিও রিভেরার ফুটবলাররা। ৮ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত লালহলুদ। নওরেম মহেশ সিংয়ের শট আটকে দেন এক ডিফেন্ডার। ২৬ মিনিটে পেনাল্টি পেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংকে বক্সের মধ্যে হাত দিয়ে টেনে ফেলে দেন মোর্তাদা ফল। রেফারি এড়িয়ে যান। ৪২ মিনিটে আবার মহেশ সিংয়ের সামনে গোল করার সুযোগ এসে গিয়েছিল, কাজে লাগাতে পারেননি। যা সুযোগ পেয়েছিল, প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যাওয়ার কথা এসসি ইস্টবেঙ্গলের।ক্লাবের প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্তকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য হাতে কালো ব্যাজ পড়ে এদিন মাঠে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। প্রথমার্ধে লালহলুদের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল, ফুটবলাররা হয়তো ভাল শ্রদ্ধার্ঘই দেবেন ক্লাবের প্রাক্তন ফুটবলারকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ছবিটা বদলে গেল। শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে মুম্বই সিটি এফসি। ৫১ মিনিটে এগিয়েও যায়। ব্র্যাডেন ইনম্যানের কাছ থেকে বল পেয়ে বিপিন সিং ডানদিক দিয়ে এগিয়ে যান। কাট করে ভেতরে ঢুকে বাঁপায়ের মাটিঘেঁষা জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। মুম্বই সিটিও আক্রমণাত্মক খেলার স্ট্র্যাটেজি নেয়। ৭০ মিনিটে ফ্রান সোতার শট আটকে দেন মুম্বই গোলকিপার। ৭৪ মিনিটে মুম্বই সিটি এফসির হয়ে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি বিনিত রাই। ৮০ মিনিটে ফ্রান সোতার শট দারুণভাবে বাঁচান মহম্মদ নওয়াজ। শেষদিকে মরিয়া হয়েও সমতা ফেরাতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ফুটবলারদের ওপর ভরসা নেই রিভেরার?‌ জয়ের জন্য ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে লালহলুদ কোচ‌

আইএসএলের প্রথম পর্বের ম্যাচে গতবছরের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসিকে আটকে দিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম পর্বে দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও ধারাবাহিকতা হারিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। ছন্দ হারানো মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কি অঘটন ঘটাতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল? খুব একটা আশাবাদী নন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তবে তিনি মনে করছেন, ভাগ্যের সহায়তা থাকলে তাঁর দল ড্র করতে পারে কিংবা জিততেও পারে। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মারিও রিভেরা বলেন, প্রথম পর্বে মুম্বই সিটি এফসি দারুণ ছন্দে ছিল। তা সত্ত্বেও ওদের সঙ্গে আমরা ড্র করেছিলাম। সেবার আমরা ভাগ্যের সহয়তা পেয়েছিলাম। এবারও যদি আমরা ভাগ্যের সহায়তা পাই, তাহলে ড্র করতে পারি কিংবা জিততেও পারি। অর্থাৎ ফুটবলারদের ওপর বিন্দুমাত্র ভরসা নেই লালহলুদ কোচের। রিভেরা আরও বলেন, আমরা যদি ড্রয়ের জন্য খেলি, তাহলে ড্র করা সম্ভব হবে না। ড্রয়ের জন্য খেলাটা যথেষ্ট কঠিন। তাই আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। তার জন্য আমাদের ঝুঁকি নিতেই হবে। ভাগ্য যদি সহায় হয় তাহলে এই ম্যাচে সফল হতে পারি। সেমিফাইনালের জায়গা নিশ্চিত করতে মুম্বই সিটি এফসিকে জিততেই হবে। চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে ডেস বাকিংহামের দলকে। সেই সুযোগটাই নিতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। মারিও রিভেরা বলেন, প্লে অফে যাওয়ার জন্য মুম্বই সিটি এফসির কাছে ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওদের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই। তাই চাপ নিয়ে মাঠে নামবে। কিন্তু আমরা যে অলআউট খেলব, সে সুযোগ নেই। ম্যাচটা আমাদের কাছে মোটেই সহজ হবে না। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একেবারেই স্বস্তিতে নেই এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোটের জন্য মার্সেলো রিবেরা ও অমরজিৎ সিং খেলতে পারবেন না। কার্ড সমস্যায় নেই হীরা মণ্ডলও। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে তিনিই লালহলুদের প্রাণ ভোমরা। নওচা সিংকেও পাবেন না লালহলুদ কোচ। কারণ তিনি মুম্বই সিটি এফসি থেকে লোনে এসসি ইস্টবেঙ্গলে এসেছে। চুক্তির সময় শর্ত ছিল তিনি মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না। আদিল খানও খেলতে পারবেন না। ফলে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সমস্যায় জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালকে সমর্থন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা চলে ক্লাবের জেনারেল মিটিংয়ের মতোন

বাংলার ইতিহাসে যা কোনওদিন হয়নি সেটাই এবার করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সাংবিধানিক পদাধিকার প্রয়োগ করে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থগিত করে দিয়েছেন এই রাজ্যের বিধানসভার অধিবেশন। এর আগে এতবড় সিদ্ধান্ত বাংলার কোনও রাজ্যপাল নেননি। শাসক দলের মন্ত্রী ও বিধায়করা প্রতিবাদে সোচ্চার হলেও রাজ্যপাল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় যথেষ্টই খুশি। আর এটা যে নিছক কথার কথা নয় তা রবিবার বর্ধমানে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রী সুভাষ সরকার। যা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেন নি তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার এদিন রাজ্যপালের পক্ষ নিয়ে বলেন, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ রাখা নিয়ে রাজ্যপাল যা করেছেন সেটা সংবিধান মোতাবেকই করেছেন। একই সঙ্গে সুভাষ সরকার অভিযোগ করেন, বিধানসভার অধিবেশনের যে পদ্ধতি রয়েছে সেই রকম ভাবে অধিবেশন আজকাল এই রাজ্যে হয় না। একটা ক্লাবের জেনারেল মিটিং যেমন হয় সেই রকম ভাবে বিধানসভা চলে। এটাতো কাম্য নয়। বিধানসভায় প্রশ্ন, উত্তর এইসবের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর কোনটাই হয় না।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অলোক মাঝি বলেন, রাজ্যপাল যা কিছু করছেন তার সবটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই করছেন। বিধানসভা ভোটে বিজেপির পরাজয়ে হয়তো রাজ্যপালও দুঃখ পেয়েছেন।তাই রাজ্যপাল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের ভোটে নির্বাচিত রাজ্য সরকার কে যতটা সম্ভব বিপাকে ফেলে বিজেপি নেতাদের খুশি করতে চাইছেন। তবে এইসব করে উনি বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের সাময়িক খুশি করে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী ভাবে পারবেন না। আগামী দিনে বংলার মানুষ এইসব ষড়যন্ত্রের জবাবও বিজেপিকে দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবেও ফিরে আসা যায়!‌ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জয় দিয়ে রনজি অভিযান শুরু বাংলার

এভাবেও ফিরে আসা যায়! রনজি ট্রফিতে প্রত্যাবর্তনের সেরা উদাহরণ হতে পারে বাংলা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে বরোদার বিরুদ্ধে যেভাবে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিল, এককথায় অবিশ্বাস্য। বাংলার জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল। টসে জিতে বরোদাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। প্রথম ইনিংসে ১৮১ রান তোলে বরোদা। জবাবে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার প্রথম ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে বরোদা তোলে ২৫৫। জয়ের জন্য বাংলার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪৯। বাংলার সামনে লক্ষ্যটা খুব একটা সহজ ছিল না। চতুর্থ ইনিংসে সাড়ে তিনশো রান তাড়া করা যে কোনও দলের কাছেই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই সহজ করে দিলেন বাংলার দুই ব্যাটার শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল।জয়ের জন্য ৩৪৯ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ২ উইকেটে ১৪৬। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৭৯ রানে ও অনুষ্টুপ মজুমদার ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন শুরুতেই ফিরে যান অভিমন্যু। আগের দিনের সঙ্গে কোনও রান যোগ করতে পারেননি। অনুষ্টুপ মজুমদারও (৩৩) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। সুদীপ চ্যাটার্জিও (১৮) ব্যর্থ। মনোজ তেওয়ারি (৩৭) কিছুক্ষণ দলকে টানার চেষ্টা করেন। একসময় ২৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। এরপরই মঞ্চে আবির্ভূত হন অভিষেক পোড়েল। প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে না পারলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রুখে দাঁড়ালেন। শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অভিষেক পোড়েল। রনজি অভিষেকেই যেভাবে চাপ সামলালেন, এককথায় অনবদ্য। শাহবাজ ও অভিষেকের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ১০৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ৩৫০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। শাহবাজ আমেদ ৭১ ও অভিষেক পোড়েল ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

বাংলা রঞ্জি ও কেকেআর দলে বাঙ্গালি খেলানোর দাবীতে গ্রেপ্তার ও লকআপে বাংলা পক্ষ সদস্য-র হাত ভেঙ্গে দেওয়া হয়

রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে অভাবনীয় ভাবে বরোদাকে পরাজিত করেছে বাংলা ঠিক সেই দিনই ইডেনের সামনে অহিংস প্রতিবাদে অংশগ্রহন করার উদ্দশ্যে যাত্রা শুরু করে বাংলা পক্ষ। তাঁরা ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে ইডেনে সামনে জমায়েত করেছিল। তাঁদের আজকের প্রতিপাদের মূল দাবি, বাংলা যে কোনও শ্রেনির ক্রিকেট সহ রঞ্জি দল ও বিনদনমূলক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে বাঙালি খেলোয়াড়রা বঞ্চিত কেন? ঠিক দাবি নিয়ে বাংলা পক্ষর নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচী রবিবার দুপুর তিনটে থেকে ইডেনের সামনে শুরু হয়।এই প্রতিবাদ কর্মসুচী তে অংশগ্রহণ করেন বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, বাংলা ক্রীড়া পক্ষর প্রধান জয়দীপ দে, অপর শীর্ষ পরিষদ সদস্য সোয়েব আমিন সহ অন্যান্যরা। তাঁরা দাবি তোলেন বাঙ্গালি বলেই কি ঋদ্ধিমান সাহা উপেক্ষিত? শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন। তাঁদের এই নীরব প্রতিবাদের উদ্দশ্যে প্রেস ক্লাব থেকে যাত্রা শুরু হতেই কলকাতা পুলিস তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তুলে লালবাজার সেন্ট্রাল লক আপে নিয়ে আসে।তাঁদের কৌশিক মাইতি জানান গ্রেফতারের করেও বাংলা পক্ষকে থামান জাবেনা। তাঁরা এই প্রতিবাদ কর্মসুচী থেকে সরে আসছেন না। তাঁরা জানান বাঙালি খেলোয়াড়দের স্বার্থে বাংলা পক্ষ লড়ছে, লড়বে। কৌশিক মাইতি আরও জানান, এটাই প্রথম নয়, ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে এর আগেও বাংলা পক্ষ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি) সদর দফতরে স্মারকলিপি দিয়ে এসেছেন। শুধুমাত্র রঞ্জি ট্রফি নই, তাঁদের দাবি ঘরোয়া ক্লাব খেলা গুলোতেও ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি তুলেছিল বাংলা পক্ষ। এবং বাংলা ক্রিকেটের সদর দপ্তর ইডেন গার্ডেন্সের সামনে গিয়ে রীতিমত বিক্ষোভ দেখিয়ে এসেছিল তাঁদের সদস্যরা।কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রধান শহর কলকাতার নাম ভাঙিয়ে দল করেছে মুম্বাইয়ের চিত্রতারকা শাহরুখ খান, সেই দলে বর্তমানে একজনও বাঙ্গালি ক্রিকেটার নেই। তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাংলা রঞ্জি দলে প্রায় ৭ থেকে ৮ জন ভিন রাজ্যের ক্রিকেটার। আমাদের জেলার ক্রিকেটারদের বঞ্চিত করে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা খেলোয়াড় দের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে আমাদের বাংলার ছেলেরা সেইভাবে অন্য রাজ্যে সুযোগ পাচ্ছে না শুধুমাত্র বাঙ্গালি বলে। কৌশিক মাইতি জানান, বাংলা পক্ষের এর আগের আন্দোলনের প্রভাবে সিএবির বয়স ভিত্তিক খেলায় প্রচুর ভুয়ো আধার কার্ড ও জন্মপঞ্জী ধরা পড়েছে।তাঁরা জানাই কলকাতা পুলিশ যাদের আটক করেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, সোহাইব আমিন, হাওড়া বাংলা পক্ষ সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর 24 পরগানা গ্রামীণ বাংলা পক্ষ সম্পাদক দেবাশিস মজুমদার, কাকলি মজুমদার, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সিটিজেন অরুণ সেন এবং অন্যান্য সদস্য যথা, অভিজিৎ কুন্ডু, অভিজিত বার, সুমিত বকুলী ছাড়াও আরও অনেকে। তাঁরা আরও জানাই দেবাশীষ মজুমদারকে নির্দয়ভাবে মারধর করা হয় এবং লকআপে বহিরাগত অপরাধীরা তাঁর হাত ভেঙে দেয়। বাংলা পক্ষ সদস্যদের পরে ব্যক্তিগত জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বাংলা পক্ষ দাবি তোলে কেকেআর যদি বাঙ্গালি ক্রিকেটার দলে না নেই তাঁরা যেনও তাঁদের দল থেকে কলকাতা নামটা মুছে দেয়, আর শাহরুখ খান কে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছে এই আন্দোলন থেকে সরছে না যতদিন না তাঁদের দাবি না মেনে নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যাট হাতে মন্ত্রীমশাইয়ের অবদান শূন্য, চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার

দীর্ঘদিন ক্রিকেটের মধ্যে না থাকার ফল যে কী হতে পারে, বাংলাবরোদা রনজি ম্যাচে তারই প্রমান পাওয়া গেল। বরোদার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার। ৫ জন ব্যাটারের নামের পাশে শূন্য। তালিকায় রয়েছেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মনোজ তেওয়ারি। বরোদার ১৮১ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলা গুটিয়ে গেল মাত্র ৮৮ রানে। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৪। সব মিলিয়ে ২৩৭ রানে এগিয়ে বরোদা। কটকে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে বৃহস্পতিবার বরোদাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে মাত্র ১৮১ রানে গুটিয়ে যায় বরোদা। ইশান পোড়েল ৪০ রানে ৪ উইকেট নেন। মুকেশ কুমার ৩৩ রানে ৩টি ও আকাশ দীপ ৬৩ রানে ২ উইকেট নেন। প্রথম দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ১৩ ওভারে ২৪/১। দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। দিনের তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান সুদীপ চ্যাটার্জি (১১)। পরের ওভারেই ১ বলের ব্যাবধানে অনুষ্টুপ মজুমদার (০) ও মনোজ তেওয়ারিকে (০) তুলে নেন অতীত শেঠ। ওপেন করতে নামা সুদীপ ঘরামিও (২১) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। এরপর সাময়িকভাবে কিছুটা রুখে দাঁড়ান রনজিতে অভিষেককারী অভিষেক পোড়েল ও শাহবাজ আমেদ। অভিষেক (২১) ফিরতেই ধস বাংলার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (৯), আকাশ দীপ (০), মুকেশ কুমার (০), শাহবাজ আমেদ (২১)। শেষ পর্যন্ত ৩৪.৩ ওভারে ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন। লুকমান মেরিওয়ালা ১৫ রানে নেন ৩ উইকেট। ৯৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে বরোদা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪১। জ্যোৎস্নিল সিংকে (১২) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ইশান পোড়েল। অন্য ওপেনার কেদার দেবধরকে (৪১) ফেরান শাহবাজ আমেদ। ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (১০) তুলে নেন আকাশ দীপ। দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ১৪৪/৫।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাহাড় থেকে বাইচুংকে নিয়ে এসে লালহলুদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্তই

কতটা ইস্টবেঙ্গল অন্তঃপ্রাণ ছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত? মোহনবাগানের জার্সি গায়ে প্রথম বড় ক্লাবে খেললেও তাঁর লালহলুদ প্রীতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। বাইচুং ভুটিয়াকে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে। ১৯৭৪ সালে সবুজমেরুণ জার্সি ছেড়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত টানা ৬ বছর তিনি লালহলুদ জার্সি গায়ে কাটিয়েছিলেন। শত প্রলোভন সত্ত্বেও তিনি সবুজমেরুণ জার্সি তুলে নেননি। জীবনের সেরা সময়টা লালহলুদ জার্সি গায়েই কাটিয়েছেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে ইস্টবেঙ্গলে কাটানোর পর তুলে নেন সাদাকালো জার্সি। ১৯৮০ সালে মহমেডানে যোগ দেওয়ার পেছনে অন্য কারণ ছিল। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত টানা ৫ বছর লিগ জেতার পর ১৯৭৯ মরশুমে ভাল পারফরমেন্স হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ইস্টবেঙ্গ শোনা যায়, ঘরের ছেলেদের নাকি শিক্ষা দিতে বেশ কয়েকজন বাইরের ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেন লালহলুদ কর্তারা। এতেই চটে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ৮ জন ফুটবলার মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল ছাড়বেন। যোগ দেবেন মহমেডানে। সেই দলে ভাস্কর গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে প্রশান্ত চক্রবর্তী, শ্যামল ঘোষরাও ছিলেন। মোহনবাগান থেকে একজন ফুটবলারকে নিজেদের জোটে নিয়েছিলেন সুরজিৎ। একবছর মহমেডানে কাটিয়ে ১৯৮১ সালে আবার যোগ দেন মোহনবাগানে। ফুটবল জীবনের শেষ সময়টা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন।ফুটবল ছাড়ার পরও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল সুরজিৎ সেনগুপ্তর। সুখদুঃখে সবসময় লালহলুদের পাশে ছিলেন। পাহাড় থেকে বাইচুং ভুটিয়াকে নিয়ে এসে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলেরই হাতে। স্টেট ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। পাহাড় থেকে ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার একটা প্রকল্প ছিল স্টেট ব্যাঙ্কের। সুরজিৎ সেনগুপ্তর সঙ্গে ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল ভাস্কর গাঙ্গুলির। সিকিমে একটা স্টেট ব্যাঙ্কের ক্যাম্প হয়েছিল। ক্যাম্পে বাইচুংয়ের খেলা নজরে পড়েছিল সুরজিৎ সেনগুপ্ত ও ভাস্কর গাঙ্গুলির। দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিতে হবে বাইচুংকে। সেই কথামতো কাজ। সিকিম থেকে ফিরে এসে লালহলুদ কর্তাদের বাইচুংয়ের কথা বলেছিলেন সুরজিৎ। একপ্রকার জোর করেই লালহলুদ কর্তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। বাকিটা ইতিহাস।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রয়াত সুরজিৎ সেনগুপ্ত, বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তিনিও ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে থাকবেন

মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে তিনি মারা যান। সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ জানুয়ারি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। মাঝে মাঝে চিকিৎসায় সারা দিচ্ছিলেন। পরের দিকে শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়। ২৯ জানুয়ারি থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে বিশেষ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে থেকেই শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত হন এই প্রাক্তন ফুটবলার।১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম সুরজিৎ সেনগুপ্তর। মফঃস্বল থেকে উঠে এসে কলকাতা ময়দানে পদার্পন করেন। কলকাতা ময়দানে প্রথম খিদিরপুর ক্লাবে ফুটবলজীবন শুরু করেন। খিদিরপুরের হয়ে কলকাতা লিগে যথেষ্ট নজর কাড়েন। মোহনবাগান কর্তাদের নজরে পড়ে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭২ সালে খিদিরপুর থেকে মোহনবাগানে সই করেন। দুমরশুম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপানোর পর ১৯৭৪ সালে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গে খেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৮ সালে ইস্টবেঙ্গলের লিগজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁর জায়গায় লালহলুদের অধিনায়ক করা হয় শ্যামল ঘোষকে। সেবছরও ইস্টবেঙ্গল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়।১৯৭৯ মরশুম শেষে লালহলুদ কর্তারা বাঙালী ফুটবলারদের কোনঠাসা করার জন্য বাইরের কয়েকজন ফুটবলারদের সই করান। কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ৮ জন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি মহমেডানে যোগ দেন। মোহনবাগান থেকে নিয়ে যান একজন ফুটবলারকে। ১ বছর সাদাকালো জার্সি গায়ে কাটানোর পর ১৯৮১ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। ফুটবলজীবনের শেষ ৩ বছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।১৯৭৩ সালে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পরেই ভারতীয় দলে সুযোগ পান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে তিনি ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে মারডেকা কাপ, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন সন্তোষ ট্রফিতে খেলেন। ১৯৭৬ সালে বাংলার অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সংযুক্ত দলের বিরুদ্ধে কর্ণার থেকে তাঁর বাঁক খাওয়ানো শটে গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। পরলোকে চলে গেলেও তিনিও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

আজ গীতশ্রীর শেষকৃত্য, উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর পেয়ে উত্তরবঙ্গ সফর মাঝপথে ছেড়েই কলকাতায় ফিরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কোচবিহারে ছিলেন তিনি। সেখানেই গীতশ্রীর মৃত্যুর খবর পৌঁছয় তাঁর কাছে। সেখান থেকে কলকাতায় প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নিজের সফরসূচিতে কাঁটছাট করেন মমতা। জানিয়ে দেন, বুধবার সরকারি তত্ত্বাবধানেই হবে সন্ধ্যার শেষকৃত্য।কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। মমতা বলেন, কোচবিহারে আমার সভা রয়েছে। কিন্তু সন্ধ্যাদির মৃত্যু খবর পেয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। তাই বুধবার দ্রুত কাজ সেরে আমি কলকাতায় ফিরে আসছি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার সর্ব্বোচ্চ সম্মান দিয়ে সন্ধ্যার শেষকৃত্য করবে। আজ বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রবীন্দ্রসদনে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে। বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশানে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে পূর্ণ মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।মঙ্গলবার কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী। তারপর উত্তরবঙ্গের শিল্পপতিদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক কর্মসূচি রয়েছে। সেই কর্মসূচি দ্রুত শেষ করে কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার হার, লজ্জা আরও বাড়ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর ফিটনেস সমস্যার জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে বসেই ছিলেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ফ্রান সোতাকে প্রথম একাদশে জায়গা দিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। দিনেন সহজতম সুযোগ নষ্ট করে দলকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিলেন ফ্রান সোতা। কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে ১০ গোলে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার টানা দ্বিতীয় হার লালহলুদের। ম্যাচের আগের দিন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা বলেছিলেন, তাঁর দলের বিরুদ্ধে যে কোনও দল খেলতে ভয় পাবে। কথাটা খুব একটা ভুল বলেননি। লিগ টেবিলে চার নম্বরে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সকে জয় পেতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হল। আর ফ্রান সোতা যদি দিনের সহজতম সুযোগ নষ্ট না করতেন, তাহলে তো জয়ই পেত না কেরালা ব্লাস্টার্স। চোট সমস্যার জন্য কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রথম একাদশের কয়েকজন ফুটবলার ছিলেন না। ড্যারেন সিডোয়েল ও গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় এসসি ইস্টবেঙ্গলও সমস্যায় পড়ে। প্রথম একাদশে এদিন বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ফ্রান সোতা, জয়নার লরেন্সো, মহম্মদ রফিক, শঙ্কর দাস, রাহুল পাসোয়ানদের নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। প্রথমার্ধে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করেন লালহলুদ ফুটবলাররা। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট পর্যন্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল সেভাবে ছন্দে ছিল না। এরপর আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয়। দারুণ ফুটবল উপহার দেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। বেশ কয়েকবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। তাঁর সেন্টার থেকে লালহলুদ জার্সি গায়ে অভিষেককারী রাহুল পাসোয়ান গোল করতে পারলে ছবিটা বদলে যেত। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৪৯ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এনেস সিপোভিচ। পিছিয়ে পড়েও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। পেরোসেভিচের নেতৃত্বে আবার ম্যাচে ফিরে আসে। ৮২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান সাতো। সামনে শুধু গোলকিপারকে পেয়েও বাইরে মারেন। গোল করতে পারলে অন্তত ড্র করে মাঠ ছাড়তে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

যত জিতব তত নম্র হতে হবে, বললেন মমতা

তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সফরে যাওয়ার আগে চার পুরসভায় তৃণমূলের বিপুল জয়কে জনগণকে উৎসর্গ করলেন দলের সভানেত্রী।বিমানে ওঠার আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই জয়ের জন্য আমরা মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। যত জিতব তত আমাদের নম্র হতে হবে। আগামী দিনে আমার লক্ষ্য শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান। আমাদের সমস্ত সামাজিক প্রকল্প যাতে সুষ্ঠু ভাবে চলে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু হবে। বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর, আসানসোল, কলকাতা পুরসভায় জিতেছি। আগামী দিনে আরও কয়েকটি পুরসভা নির্বাচন আছে।তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের পরিষেবা, বাংলার সবুজায়ন, শিল্প সমৃদ্ধ করা, মায়ের সম্মান, ছাত্র যুবদের সম্মান, শ্রমিক কৃষকের ভালবাসা, সর্বধর্ম সমন্বয়ের মধ্যে দিয়ে সংস্কৃতি সম্প্রীতির মধ্যে দিয়ে আমরা করে চলেছি এবং করে যাব। আরও বেশি করে মানুষের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আগামিদিন আমার ডেস্টিনেশন ইন্ডাস্ট্রি। কাজের সুযোগ বাড়ানো।একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দেন, জনগনের পরিষেবা পুরনিগম, পুরসভা দেবে। সরকারের অনেক কাজ। মঙ্গলবার থেকে আবার দুয়ারে সরকার শুরু হচ্ছে। আমাদের সমস্ত সরকারি প্রকল্প যেন ঠিকমতো চলে তা সবাইকে দেখতে হবে। কোভিড কমে গেলেও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। এই জয় মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি। আজ শিলিগুড়ি যাচ্ছি। কোচবিহারে অনুষ্ঠান আছে। ট্রাইবাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের মিটিংও আছে। আজ পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন। ওখানে পৌঁছে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করব।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ...
  • 45
  • 46
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal