• ৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman

রাজ্য

Adhar : আধার কার্ড তৈরিতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিষ্ঠান মালিক

সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নতুন আধার কার্ড তৈরি ও সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। ধৃত ব্যক্তির নাম খোকন শেখ ওরফে ফরজ। পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানেই খোকন আধার কার্ড তৈরির ব্যবসা ফেঁদেছিল। প্রতারিতদের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানার পুলিশ মঙ্গলবার সেখান থেকেই খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচরক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতারপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন মাস ধরে কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ার ভাড়া বাড়িতে আধার কার্ড তৈরির কারবার চালাচ্ছিল খোকন শেখ। অভিযোগ, সেখানে বসেই আধার কার্ড তৈরির জন্য সাধারণ ও গরীব মানুষজনের কাছ থেকে তিনি ৬০০ ও তার বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এই বিষয়ে স্থানীয় দীপঙ্কর রায় সহ বেশ কিছু বাসিন্দা মঙ্গলবার প্রতিবাদে সরব হন। তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠলে কালনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি পুলিশ খোকন শেখের প্রতিষ্ঠান থেকে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে। তাতে অনিয়মের প্রমাণ মেলায় পুলিশ খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Literacy Day: সাক্ষরতা দিবসে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের শিক্ষার পাঠ দিলেন পুলিশ কর্তা

কোন বিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনি নন। তিনি আইনের রক্ষক। কিন্তু তাতে কি যায় আসে। শুধু শিক্ষকরাই শিক্ষা দান করতে পারবেন এমনটা তো আর কোথাও বলা নেই। আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের দিনে তাই একেবারে শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েই আদিবাসী পরিবারের শিশুদের পাঠ দান করলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার অফিসার ইনচার্য সৈকত মণ্ডল। আদাবাসী পরিবারের শিশুরা শিক্ষার আলোকে আলোকিত হোক এই অভিপ্রায়ে এদিন সৈকতবাবু শিশুদের হাতে তুলে দিলেন সিলেট ও চক পেন্সিল। দিলেন উপহার সামগ্রীও।শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে পুলিশ কর্তা শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার ভূয়সী প্রশসা করেছেন ভাতারের শিক্ষাপ্রেমী মানুষজন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশভাতার থানার ওড়গ্রাম লাইনডাঙ্গা এলাকাটি আদিবাসী অধ্যুষিত। করোনা অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় একটু মনমরাই ছিল এই আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামের শিশুরা। স্কুল না যেতে পাারর জন্য শিশুদের আক্ষেপের অন্ত ছিল না। তা জানতে ফেরে বুধবার সাক্ষরতা দিবসের দিন সকালে ভাতার থানার ওসি সৈকত মণ্ডল তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে ওই গ্রামে পৌছে যান। গ্রামের সবুজে ঘেরা জায়গায় খোলা আকাশের নিচে অনেকটা শান্তিনিকেতনের আঙ্গিকে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের পাঠ দানের বন্দোবস্ত করা হয়।পুলিশ পোষাকেই সেখানে শিক্ষকের গুরু দায়িত্বে অবতীর্ণ হন ওসি সৈকত মণ্ডল । শিশুদের হাত ধরে তিনি সেখানে বসেই তাঁদের অ,আ,ক,খ লেখা শেখালেন। পাঠ দান শেষে পুলিশের পক্ষ থেকে দেড় শতাধিক শিশুর হাতে পুলিশ আধিকারিকরা তুলে দেন স্কুল ব্যাগ, বই, সিলেট, পেন্সিল সহ উপহার সামগ্রী। শিশুদের পড়াশোনা শেখার ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলার জন্য ওসি শিশুদের অভিভাবকদের পরামর্শও দেন। লেখাপড়া শেখায় আগ্রহী শিশুদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন ওসি। পুলিশবাবুর এমন সহৃদয়তা মুগ্ধ করে আদিবাসী মহল্লার বাসিন্দাদের।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেসাক্ষরতা দিবসের দিনে শিশুদের শিক্ষাদানে পুলিশের আসরে নামার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ওড়গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক তারাপদ পাল। তিনি বলেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ শিক্ষাদানে অগ্রণী ভূমিকা নিলে আখেরে সমাজ উন্নত হবে।শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি পুলিশ কর্তারা শিশুদের শিক্ষার আলোকে আনার ব্যাপারে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা এক কথায় অনবদ্য। এমন উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে বলে শিক্ষক তারাপদ পাল মন্তব্য করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Aushgram: আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ

ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে গোটা একটা দিন।আগ্নেআস্ত্র মিললেও মেলেনি পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধানের ছেলে চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত আততায়ীদের হদিশ। তাই আততায়ীদের হদিশ পেতে দুই বর্ধমান জেলা পুলিশের পাশাপাশি বুধবার বেলা থেকেই জোরদার তদন্তে নেমে পড়লো সিআইডি দল। মৃতর পরিজন ও আউসগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্বের প্রত্যাশা খুব শিঘ্রই সিআইডির জালে ধরা পড়বে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত দুস্কৃতিরা। তার পরেই পর্দা ফাঁস হবে খুনের রহস্যের।আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে মঙ্গলবার হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। একদা দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন চঞ্চল। বৈঠক শেষে দুপুর ৩টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাপালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দিনে দুপুরে গুলির পর গুলি চালিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার খবর পেয়েই আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌছান। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের খানিকটা দূর থেকে পুলিশ একটি আগ্নেআস্ত্র পায়। রাতে পুলিশ কুকুর এনেও তদন্ত চলে। বুধবার বেলা ১১ টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌছায় ৪ সদস্যের সিআইডি আধিকারিকের দল। তাঁরা ঘটনাস্থল ছাড়াও যে জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ও একটি জামা উদ্ধার হয়েছিল সেইসব জায়গা খতিয়ে দেখেন। তাঁরা মাপযোগ করেন ও ছবি তোলেন।সেখান থেকে সিআইডি আধিকারিক দল সোজা চলে যান নিহতের বাড়িতে। দরজা বন্ধ করে তাঁরা কথা বলেন চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর সঙ্গে। এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের দেহের ময়না তদন্ত হয়। সেখানে গিয়েও সিআইডি আধিকারিকরা বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন চিকিৎসকদের কাছে। সিআইডি আধিকারিকরা বিকালে ফের ঘটনাস্থলে যান।তারই মধ্যে এদিন নিহতের ভাই রাহুল বক্সী পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তাঁর দাদাকে খুনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আউসগ্রাম থানার পুলিশ খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনার তদন্তের জন্য দুই বর্ধমান জেলার পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। চঞ্চল বক্সূকে খুনের ঘটনায় কারা জড়িত থাকতে পারে সে বিষয়ে এদিনও সঠিক কিছু জানাতে পারেননি তাঁর বাবা শ্যামল বক্সী। পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগেও কারও নাম উল্লেখ করেননি নিহতের ভাই।আউসগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার বলেন, খুনি যারাই হোক কেউ পার পাবে না। সিআইডি তদন্তে ভরসার কথা শোনা গিয়েছে তৃণমূল বিধায়কের গলায়। ময়নাতদন্ত শেষে এদিন বিকালে নিহতের মৃতদেহ দেবশালা অঞ্চল তৃণমূল কার্যালয়ে পৌছায়। সেখানে দলের সর্বস্তরের নেতা, কর্মী ও এলাকার বিধায়ক তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

আউশগ্রামে জঙ্গলের রাস্তায় খুন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলে, চরম উত্তেজনা

তৃণমূল প্রধানের ছেলেকে দিনেদুপুরে গুলি করে খুন করার ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়াল বুদবুদের দেবশালা গ্রামে। গ্যারাই থেকে ভাতকুন্ডা যাওয়ার পথে হঠাৎ জঙ্গলের মধ্য থেকে বেরিয়ে দুষ্কৃতীরা গুলি চালাতে শুরু করে। দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সীর ছেলে স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতা চঞ্চল বক্সীকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যপ চাপান-উতর শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের তির ছুড়লেও এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল বলেই বিজেপির দাবি।মঙ্গলবার বিকেল ৩টে ১০মিনিট নাগাদ বুদবুদ থানার গ্য়ারাই ও ভাতকুন্ডার মাঝে জঙ্গলের মধ্যে এই ঘটনাটি ঘটেছে। আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হায়দর আলি বলেন, গ্যারাইতে দলের একটা বৈঠক ছিল। ওদিক থেকে আসছিলাম। আমরা আগেই পেরিয়ে এসেছি। আমাদের দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তাঁর ছেলে চঞ্চল বক্সী মোটর সাইকেলে ছিল। জঙ্গল থেকে বেরিয়ে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ৫টি গুলি চালিয়েছিল, তার মধ্যে ৩টি গুলি লাগে চঞ্চলের গায়ে। বিজেপি এই ঘটনা ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে দলীয় কর্মীরা তাকে আউশগ্রাম দু নম্বর ব্লকের জামতারা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এই ঘুনের ঘটনায় বিজেপিকে দায়ী করলেও মৃতের বাবা শ্যামল বক্সীর গলায় অন্য সুর। তিনি বলেন, আমাদের একটা দলীয় কর্মসূচিতে গ্যারাই গিয়েছিলাম। সেখান থেকে খাওয়া-দাওয়া করে ফিরছিলাম। ভাতকুন্ডার একটু আগে জঙ্গলের মধ্যপ দুটি বাইক আমাদের ওভারটেক করে গুলি চালায়। ৫টা গুলি চালিয়ে ভাতকুন্ডার দিকে পালিয়ে যায়। গুলি করায় গাড়ি থেকে আমরা পড়ে গিয়েছিলাম। কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ? প্রধান বলেন, কেন এই আক্রমণ বুঝতে পারছি না। আমার কাছে গরীব-বড়লোক নেই বা দল বলে কিছু নেই। বিজেপি, সিপিএম, তৃণমূল সবাই সমান। অন্য দল অ্যাক্টিভ নয় এই অঞ্চলে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পানাগড়ের বাসিন্দা তথা বর্ধমান সদরের বিজেপির জেলা সহ সভাপতি রমন শর্মা বলেন, ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিজেপি এই ধরণের কাজ করে না। এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি কোনওভাবেই যুক্ত নয়। তৃণমূল নিজেরাই রক্তের খেলা শুরু করেছে। একাজ নিজেরাই করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Goldsmith : মহারাষ্ট্র পুলিশের হাতে গ্রেফতার মেমারির স্বর্ণশিল্পী

১২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সোনা চুরি করে এই রাজ্যে পালিয়ে আসার অভিযোগে এক স্বর্ণশিল্পীকে গ্রেপ্তার করলো মহারাষ্ট্র পুলিশ। ধৃতের নাম হরি বাগ। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার হরকালী গ্রামে তার বাড়ি। স্থানীয় থানার সাহায্য নিয়ে মহারাষ্ট্র পুলিশ রবিবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ।পুলিশের দাবি, সোনা চুরির কথা ধৃত কবুল করেছে। সোমবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে।তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৫ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে মহারাষ্ট্র নিয়ে যাওয়ার জন্য মহারাষ্ট্র পুলিশের তদন্থকারী অফিসার এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানিপুলিশ জানিয়েছে, মেমারির হরকালি গ্রামের হরি বাগ কাজের সন্ধানে বছর খানেক আগে মহারাষ্ট্রে যান। তিনি সেখানকার সাংলি জেলার লাঙ্গরতলে একটি সোনার দোকানে কাজ পান। পরে ওই দেকান থেকে ১০৬.৩৭০ গ্রাম সোনা চুরি যায়। সেই বিষয়ে দোকান মালিক বিজয় মারুতি খান্ডগেলে গত ১২ এপ্রিল সেখানকার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশকে তিনি জানান, অলঙ্কার তৈরির জন্য ওই সোনা হরি বাগকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, হরি সেই সোনা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। যে সোনার মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা বলে দোকান মালিক পুলিশকে জানান। এই অভিযোগের তদন্তে নেমে মহারাষ্ট্র পুলিশ মেমারি পৌছে হরি বাগকে গ্রেপ্তার করে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

CBI: বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রামে খুন হন বিজেপি নেতার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। হাইকোর্টের নির্দেশে এই খুনের মামলার তদন্তে নেমে ধৃতদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করলো সিবিআই। অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার কথা সিবিআই রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছে। সিআইয়ের দাবি, তল্লাশীতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তরোয়াল, কাস্তে ও কাটারি। এরআগে পুলিশও বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সহ সব কিছু নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে সোমবার বর্ধমান আদালতে আবেদন জানিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী ইন্সপেক্টার অরুন কুমার সিং। বিজেপি কর্মীর মা-কে খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সিবিআইয়ের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই নবগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ৩ মে দুপুরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। আশিসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি টাঙি দিয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী অনিল ক্ষেত্রপালকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি ক্ষেত্রপালও আক্রান্ত হন। নির্মম মারধর ও ভোজালির আঘাতে কাকলিদেবী মারাত্মক জখম হন। একই হামলায় জখম হন আশিস ক্ষেত্রপালেরকাকা মানস ক্ষেত্রপালও। জখমদের সকলকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলি ক্ষেত্রপালকে মৃত ঘোষণা করেন। জখম আশিসের বাবা ও কাকাকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি শক্তিপ্রমুখের বাড়িতে হামলা-আক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশ থেকে বিজেপির কর্মীসমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌছে তৃণমূলের লোকজনকে ঘিরে ফেলে। ওই সময়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘের্ষ তৃণমূলের দুই কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু ও বিভাস বাগ গুরুতর জখম হন।তাঁদের ওইদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করার কিছু সময় পর তাঁরাও মারা যান।আরও পড়ুনঃ আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?রাজনৈতিক হিংসায় একই দিনে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই তরফের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ পৃথক দুটি মামলা রুজু করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে যদিও বাড়ি ছাড়া থাকে আশিস ক্ষেত্রপাল পাল। পুলিশ পরের দিন ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্ত সম্পূর্ণ করে পুলিশ গত ৩ অগস্ট আদালতে চার্জশিটও পেশ করে দেয়। পুলিশি তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে বিজেপি নেতা আশিস ক্ষেত্রপাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটপরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। তদন্তের জন্য সিবিআই আধিকারিক দল ২৯ আগষ্ট প্রথম নবগ্রামে পা রাখে। তাঁর পর থেকে বেশ কয়েকদিন ধরে সিবিআই দল নবগ্রাম এলাকাচষে বেড়ায়। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক টিমও নবগ্রামে তদন্তে যায়। কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সকল সদস্যের পাশাপাশি এলাকার বেশ কয়েকজনের বয়ানও সিবিআই আধিকারিকরা নথিুভুক্ত করেন। তারই মাঝে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়েও এদিন আদালতে দাবি জানালো সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

CBI: নবগ্রামের ফেরার তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি সিবিআইয়ের

রাজনৈতিক হিংসায় বিজেপি নেতার মায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে রবিবার ফেরার তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে তল্লাশি চালালো সিবিআই।সিবিআইয়ের এই অতি সক্রিয়তায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নবগ্রামে। সিবিআইয়ের এই অতি সক্রিয়তা জামালপুরের শাসক দলের নেতা কর্মীদের দুশ্চিন্তাও যথেষ্টই বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন সিবিআই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে তদন্ত করেছে।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরদিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম। ওই দিন নিহত হন নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। ওই রাজনৈতিক হিংসায় দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭) নিহত হন। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন ছিল বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী। মা কাকলি ক্ষেত্রপালের মৃত্যুর বিষয়ে জাতীয় মাণবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায় ছেলে আশিস ক্ষেত্রপাল। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় কাকলি ক্ষেত্রপালের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই।আরও পড়ুনঃ ৩৭ বছর বয়সেও চমক দেখিয়ে চলেছেন সুনীল ছেত্রীজামালপুরের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য গত ২৯ আগষ্ট সিবিআই দল প্রথম পা রাখে নবগ্রামে। তার পর থেকে এক প্রকার নবগ্রামের মাটি কামড়ে পড়ে আছে সিবিআই দল। এখনও পর্যন্ত পাঁচ দিন সিবিআই দল নবগ্রামে তদন্তে গিয়েছে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবার সদ্যসদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি এলাকার মানুষজনের সঙ্গেও কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা। এলাকার ভিডিওগ্রাফিও করেন। ১ সেপ্টেম্বর ফরেন্সিক টিম নিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রামে পৌছান। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে মাটি ও অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করেন। এদিন বেশ কিছু কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সিবিআইয়ের তিনটি দল বেলায় নবগ্রামে পৌছায়। তাঁরা নবগ্রামের ঘোষ পাড়া ও ওড়িষ্যা পাড়ার ফেরার তৃণমূল কর্মী সোমনাথ শিল, অমরেশ বাগ, সাগর রায়, কুমারেশ ঘোষ ,সমীর ঘোষ,সমর ধাড়া ও সমীর বাগের বাড়িতে পৌছে গিয়ে তল্লাশী চালান। পরে জামালপুর থানাতে গিয়েও সিবিআই আধিকারিকরা রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার মামলার নথিপত্র খতিয়ে দেখতে যান বলে জানা গিয়েছে। সিবিআইয়ের এই সক্রিয়তা নিয়ে জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা অবশ্য কোন মন্তব্য করতে চাননি।আরও পড়ুনঃ জনতার কথা-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের ছেলে আশিস ক্ষেত্রপাল ঘটনার দিনের পর থেকে বাড়ি ছাড়া রয়েছেন। এদিন আশিষ ক্ষেত্রপালকে ফোন করা হলে তিনি বলেন,, ভোটের ফল প্রকাশের পরদিন পরিকল্পনা মাফিক তৃণমূলের লোকজন তাঁদের বাড়ি আক্রমণ করে। সেই সশস্ত্র আক্রমণে তাঁর মা কাকলি ক্ষেত্রপাল মারা যান। মারাত্মক জখম হয়ে তাঁর বাবা অনীল ক্ষেত্রপাল চলার শক্তি হারিয়েছেন। আশিস অভিযোগে বলেন , হামলা আক্রমণের বিষয়ে তাঁর পরিবার যে অভিযোগ থানায় জমা দিতে দিয়েছিল তা পুলিশ গ্রহন করেনি। অভিযুক্ত অনেকে এখনও এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই অবস্থায় পুলিশি তদন্তে সুবিচার মিলবে না বুঝে তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আশিস এদিন দাবি করেন,সিবিআই যে ভাবে তদন্ত করছে তার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা সুবিচার পাবেন বলে আশা করছেন। একই দাবি করেছেন নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল।আরও পড়ুনঃ ৭৭ থেকে কমে ৭১! ফের ভাঙন বিজেপি শিবিরেসিবিআইয়ের এই তদন্তকে যদিও পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, একই দিনে নবগ্রামে দুই তৃণমূল কর্মীও খুন হন। অথচ সিবিআই আধিকারিকরা নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু নিয়ে কোন তদন্তই করছে না। শুধুমাত্র বিজেপি কর্মী পরিবারের মহিলার মৃত্যু নিয়েই তদন্ত করে যাচ্ছে। এর থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণদিত ভাবেই হচ্ছে সিবিআই তদন্ত।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Vaccine Theft : করোনা ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে

কোভিড ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ উঠলো হাসপাতালেরই এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভুঁড়ি এলাকায়। ভুঁড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অস্থায়ী কর্মী উৎপল ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে কোভিডের ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করছিলেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাঁরা ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করা নিয়ে বৃহস্পতিবার গলসি ২ ব্লকের বিডিও এবং আদড়াহাটী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উৎপল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর।গলসির ভুঁড়ি এলাকার বাসিন্দা গোপিনাথ মুখোপাধ্যায়, রাজু মল্লিক, আসগর মল্লিকরা জানান, বুধবার ভুঁড়ি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের ক্যাম্প ছিল। সেখানে ১৯৭ জনের ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২৭ জন ভ্যাকসিন পাননি। তাঁদের পরের ক্যাম্পের দিন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে জানিয়ে টোকেন দেন হাসপাতাল কর্মী উৎপল ঘোষ ও আশা কর্মীরা। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ২৭ জন লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন না পেলেও ওইদিন সাতটি ভ্যাকসিন উৎপল তাঁর বাড়িতে নিয়ে চলে যায়। অর্থের বিনিময়ে হাসপাতাল কর্মী উৎপল সরকারি ভ্যাকসিন বিক্রি করেন বলেও বাসিন্দরা অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে আদড়াহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিএমওএইচ জসিমউদ্দিন হাজারীকে ফেন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
শিক্ষা

College Open: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেই খুলে গেল বর্ধমানের কলেজ

রাজ্যে এখনও জারি রয়েছে কোভিড বিধি। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি থাকায় বন্ধ রয়েছে সমস্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই পুজোর পর রাজ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী এমনটা ঘোষনা করলেও বূহস্পতিবার থেকে খুলে গেল বর্ধমানের এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি। অফলাইনে ক্লাস চালু করার কথা ১ সেপ্টেম্বর ছাত্রছাত্রীদের Whatsapp গ্রুপের মাধ্যমে কলেজ চালুর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস করার জন্য এদিন কলেজে আসতেও বলা হয়। সেই নির্দেশ পেয়ে এদিন সকাল থেকেই বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী ক্লাস করতে কলেজে উপস্থিত হয়। যেসব পড়ুয়া দূরবর্তী এলাকার বাসিন্দা তাঁরাও কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেয়ে এদিনই কলেজ হোস্টেলে পৌঁছে যায়। পরে তাঁরা জানতে পারে কলেজ কর্তৃপক্ষ হস্টেল ও ক্যান্টিন খোলার কোন অনুমতি দেয়নি।পড়ুয়া রামকৃষ্ণ কর্মকার, বিকাশ মাণ্ডি এদিন বলেন, সমস্ত পরিষেবা স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে কলেজ খুললে ভাল হত। তাহলে সকল ছাত্রছাত্রী একসঙ্গে কলেজে আসতে পারতো।বিধিনিষেধের কারণে সব পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় এদিন তাঁদের কলেজ খুললেও অল্পসংখ্যক ছাত্র নিয়েই পঠন-পাঠন শুরু করতে হল কলেজ কতৃপক্ষকে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুজোর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হতে পারে বলে জানিয়ে দিলেও এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি একদিনের নোটিসে কীভাবে এদিন থেকে তাঁদের প্রতিষ্ঠান চালু করলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে কলেজের ইনচার্জ উৎপল সামুইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনও কথা বলতে অস্বীকার করেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Hospital Waste : দূষণ ছড়ানোয় হাসপাতালের বর্জ্য সুপারের অফিসের সামনে ফেলে দিয়ে পালালো বাসিন্দারা

হাসপাতালের বর্জ্য থেকে ছড়ানো দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন বাসিন্দারা। প্রতিবাদ স্বরূপ তাঁরাই ওই বর্জ্য তুলে এনে ফেলে দিলেন হাসপাতাল সুপারের অফিসের সামনে। অতিমারি সময়কালে দূষণ নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের এমন প্রতিবাদ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মহলে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল সুপার বৃহস্পতিবার কাটোয়া থানার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বর্জ্য সাফ করা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থা এরপর নেয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাসিন্দারা।কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ রাখার ঘরের পিছন দিকে সাইকেল স্ট্যান্ডের কাছেই রয়েছে হাসপাতালের বায়ো মেডিকেল ওয়েষ্টেজ(বর্জ্য) ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা। ছাউনি দিয়ে ঘেরা ওই জায়গায় রয়েছে ঢাকনা দেওয়া পাত্র।সেখানেই হাসপাতালের যাবতীয় বর্জ্য সামগ্রী ফেলার কথা। ওই আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি এজেন্সিকে দায়িত্বও দেওয়া রয়েছে। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ওয়েষ্টেজ কালেকশন সেন্টারে জমা হওয়া আবর্জনা দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি। তার করণে ঢাকনা দেওয়া পাত্র ছাপিয়ে গিয়েছে হাসপাতালের বায়োমেডিকেল ওয়েষ্টেজে। বর্তমানে ওই সমস্ত বর্জ্য বাইরে স্তুপাকার হয়ে রয়েছে। অতিমারির সময়কালে হাপাতালের ওইসব বর্জ্য থেকে দূর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি দূষণও ছড়াচ্ছে। এছাড়াও কাক ও কুকুর ওইসব বর্জ্য মুখে করে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতাল লাগোয়া বাসিন্দাদের বাড়িতে নিয়েনিয়ে গিয়েও ফেলছে। ওইসব বর্জ্য থেকেও রোগ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বাসিন্দা মহলে।বাসিন্দারা দাবি করেন বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বার বার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দূষণের কারণে অতিষ্ঠ হওয়া এলাকার প্রতিবাদিরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টনক নড়াতে বুধবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বেশ কিছু ওই বর্জ্য তুলে এনে সুপারের অফিস ঘরের সামনে ফেলেদিয়ে চলে গায়েব হয়ে যান। তখন যদিও হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় অফিসে ছিলেন না। হাসপাতাল কর্মীদের কাছ থেকে ঘটনার কথা জানতে পেরে তিনি ক্ষুব্ধ হন। এদিন বিষয়টি নিয়ে সুপার কাটোয়া থানার পুলিশেরও দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন বলে খবর। হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য সময়মতো তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে এজেন্সি রয়েছে তারা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করবেন বলেই আশ্বাস দিয়েছিল। একই সঙ্গে সুপার বলেন, তাঁর অফিসের সামনে যারা আবর্জনা ফেলে দিয়ে গিয়েছে তাঁদের চিহ্নিত করে থানায় লিখিত অভিযোগ জানাবেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Students Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্র

আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা যাতে থমকে না যায় তার জন্য রাজ্য সরকার চালু করেছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড।তার মাধ্যমে পড়ুয়ারা ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবে। পড়ুয়াদের স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেওয়া এমন উদ্যোগ গোটা দেশের পড়ুয়া মহলে সাড়া ফেলে দেয়। কিন্তু এত কিছুর পরেও স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোন নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পড়ুয়ার কাছ থেকে সিকিউরিটি বাবদ বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা রাখার কথা বলায় পণ্ড হতে বসেছে স্টুটেন্ড ক্রেডিট কার্ড চালু করার মূল উদ্দেশ্য। ব্যাঙ্কের জারি করা এমন ফরমানে চরম বিপাকে পড়ে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বি-টেক পড়ুয়া আবির মিত্র। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ যাতে এমন ফরমান প্রত্যাহার করে নেয় তার জন্য ছাত্র আবির চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও কালনার মহকুমা শাসকের কাছে আর্জি জানিয়েছে। পড়ুয়ার আর্জির কথা জানতে পেরে নড়ে চড়ে বসেছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।কালনা শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটমিত্র পাড়ায় বাড়ি বি-টেক এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবির মিত্রর।তাঁর বাবা ওষুধের দোকানে কাজ করে সামান্য যেটুকে অর্থ রোজগার করেন তা দিয়েই কোনরকমে তাঁদের সংসার চলে। তবুও নিম্নবিত্ত পরিবারের মেধাবি ছাত্র আবিরের স্বপ্ন উচ্চ শিক্ষিত হওয়া। এখন তাঁর লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থই বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু করায় লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশার আলো দেখেছিল আবির।পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য আবির ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের রেজিষ্ট্রেশন করে। এরপর সে পড়াশোনার জন্য দেড় লক্ষ টাকা লোন নিতে চেয়ে বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের কালনা শাখায় আবেদন করে। আবিরের অভিযোগ, ওই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে দেড় লক্ষ টাকা লোন পাওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা (বন্ধক )রাখতে বালায় সে বিপাকে পড়ে যায়। আবির এদিন জানিয়েছে, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমন ফরমান যাতে প্রত্যাহার করে তার আর্জি জানিয়ে সে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও মহকুমাশাসকের কাছে চিঠি লিখেছে।যদিও ওই ব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার প্রদীপ অধিকারী এদিন বলেন, লোন নিয়ে প্রাথমিক একটা আলোচনা হয়। ওই লোন সেন্ট্রাল বর্ধমান থেকে দেওয়া হচ্ছে। জমি, বাড়ি বন্ধক রাখার কথা কাউকে বলা হয়নি বলে প্রদীপ বাবু জানান। কালনা মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। ওই ছাত্রের লোন পেতে কোনও অসুবিধা হবে না।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Fixed Deposit Missing : গ্রাহকের অজান্তেই গায়েব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা, পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়

গ্রাহকের আজান্তেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব হয়ে গেল তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। ঘটনার বিহিত চেয়ে কালনা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন কালনার মধূবন পাড়ার বিডিও অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ধীরেন্দ্রনাথ দাস। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশকে ধীরেন্দ্রনাথ দাস জানিয়েছেন, বিডিও অফিস থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি এককালীন ২ লক্ষ টাকা পান। ২০১৮ সালের ২৯ আগষ্ট ওই ২ লক্ষ টাকা তিনি কালনার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে গচ্ছিত রাখেন। ২০২৩ সালের ১৯ আগষ্ট ছিল ফিক্সড ডিপোজিটের ম্যাচিউরিটি ডেট। ধীরেন্দ্রনাথ বাবু জানিয়েছেন, তাঁর ছোট মেয়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য তাঁর টাকার প্রয়োজন হয়। সেই কারণে মেয়াদ উত্তির্ণ হওয়ার আগেই চলতি মাসের ১৬ তারিখ তিনি ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেট ভাঙিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কে যান। তখনই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানিয়ে দেয়, ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা নাকি তুলে নেওয়া হয়েছে । ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেটেও ক্লোজ বলে লিখে দেয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমনটা জানিয়ে দেওয়ায় মাথায় হাত পড়ে যায় ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর। তিনি নিশ্চিত হন জালিয়াতি করে কেউ তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরপরেই ধীরেন্দ্রনাথবাবু ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে কালানা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।আক্ষেপ প্রকাশ করে ধীরেন্দ্রনাথ দাস এদিন বলেন, রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কে জীবনের সঞ্চয়টুকু জমা রেখে এইভাবে ঠকতে হবে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। এখন অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসা কীভাবে করবেন তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ম্যানেজার ইন্দ্রজিৎ মজুমদার শুধু বলেন, লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে তাঁকে কেউ কিছু জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Take Oath: দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা

মোদি ও অমিত শাহ একাধিকবার প্রচারে এসেও পদ্ম ফোটাতে পারেননি পূর্ব বর্ধমানে। এই জেলার ১৬টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থীরা। ঘাসফুল দুর্গ অটুট রাখতে পারা সকল বিধায়ককে রবিবার সম্বর্ধনা দিল জেলার জামালপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকেই শ্লোগান উঠলো আর নয় মোদি- ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি।আরও পড়ুনঃ নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমেএদিন জামালপুর থানা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের আয়োজক ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি আলোক মাঝি। এদিনের সভায় জেলার বিধায়করা ছাড়াও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপনদেবনাথ, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা তথা দুর্গাপুরের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ সভাধিপতি দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা সভায় তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, এই সংবর্ধনা সভা আসলে ২০২৪-এ বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার শপথ নেওয়ার সভা। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পায়ে খেলে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করেছে। মোদি, অমিত শাহর বংলা জয়ের স্বপ্ন এক পায়ে খেলেই ভঙ্গ করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ২০২৪-এ দলনেত্রী দুপায়ে খেলবেন। দলের সবাইকে এই সভা থেকেই শপথ নিতে হবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাতের জন্য। এখন থেকেই শ্লোগান তুলতে হবে আর নয় মোদি, ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি। অন্যদিকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপির এখন ভরসা সিবিআই আর ইডি। তবে বিজেপি যতই সিবিআই ও ইডি এই রাজ্যে পাঠাক না কেন লাভ কিছু হবে না। এবার ত্রিপুরাতে ঘাসফুল ফুটবে। কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাবে। সেই লড়াই আন্দোলনেও দিশা দেখাবেন এই বাংলার মানুষ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
রাজ্য

CBI Visit: নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমে

হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য রবিবার পূর্ব বর্ধমানে পা রাখলো সিবিআই দল। চার সদস্যের সিবিআই আধিকারিকের দলটি এদিন দুপুরে পৌছান জেলার জামালপুর থানার আঝাপুর পঞ্চায়েতের নবগ্রামে।সিবিআই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে জেলার শাসক দলের নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছেন। তেমনি নবগ্রামের নিহত বিজেপি সমর্থকের পরিবার সদস্যরা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাত্রা শুরু ভিস্তাডোমের! তিস্তার বুক চিরে, ডুয়ার্সের চা-বাগানের ঘ্রাণ নিয়ে, সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে ঝর্ণায় মন ভিজিয়ে গহন জঙ্গলের পথেবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম। সেই হিংসার ঘটনায় নিহত হন দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭)। একই হিংসার ঘটনায় ওই দিন প্রাণ হারাণ নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার কেরে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!সিবিআই আধিকারিকরা এদিন নিহত বিজেপি সমর্থক কাকলি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। পরে তাঁরা যান নবগ্রামের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে পুলিশের সাক্ষী করা এলাকার বাসিন্দা মামনি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলে সেদিনের ঘটনা নিয়ে জানতে চান। মামনি ক্ষেত্রপাল যদিও সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়ে দেন, তিনি ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতেও ছিলেন না বলে সিবিআই আধিকারিকদের জানান। একই সঙ্গে মামনিদেবী সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পুলিশ কেন- কি জন্য তাঁকে সাক্ষী করেছে তার বিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না। এনাদের বক্তব্য নথিভুক্ত করার পাশাপাশি ভিডিওগ্রাফিও করেন সিবিআই আধিকারিকরা। কড়া পুলিশি পাহারায় এই দু জনের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রাম ছাড়েন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল জানান, তিনি সিবিআই অফিসারদের জানিয়েছেন তাঁর ছেলে আশিষ বিজেপি পার্টি কর। সেই কারণে তৃণমূলের লোকজন তাঁর ছেলেকে ও তাঁদের শত্রু বানিয়ে ফেলে। ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন তৃণমূলের সশস্ত্র দুস্কৃতিরা তাঁর ছেলের বাড়িতে আক্রমণ করে। ছেলেকে না পেয়ে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী কাকলিকে মারধোর শুরু করেদেয়। তারা টাঙ্গি দিয়ে তাঁর পায়ে মারে। ওই সময়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি তাঁকে বাঁচাতে গেলে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকেও আঘাত করে। তার জেরে কাকলি প্রাণ হারায়।মারধরে মারাত্মক জখম হয়ে এখন সাবলিল ভাবে পায়ে হেঁটে চলার শক্তি হারিয়েছেন বলে অনিল ক্ষেত্রপাল জানান।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরঅনিলবাবুর ছোট ছেলে, নবম শ্রেণির ছাত্র দীপঙ্করের সঙ্গেও সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন। কাকলিদেবীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন আশিস এখনও ঘরছাড়া হয়ে রয়েছে। তবে আক্ষেপ প্রকাশ করে অনিলবাবু বলেন, আমার সিবিআই কর্তাদের আরও অনেক কথা বলার ছিল। কিন্তু ওনারা আমাদের সব কথা সেই ভাবে শুনতেই চাইলেন না। এদিন নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যদিও যাননি সিবিআই আধিকারিকরা। তা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নিহত তৃণমূল কর্মীদের পরিবার।নিহত বিভাস বাগ ও শাজাহান শেখের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সিবিআই তাঁদের বাড়িতে না আসা থেকেই প্রমাণ হয়ে গেল সিবিআই পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে কাজ করছে। সিবিআই কেন তাঁদের কথা শুনবে না সেই প্রশ্ন এদিন তুলেছেন নিহত তৃণমূল কর্মী বিভাস বাগের স্ত্রী ঝর্ণাদেবী।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রজেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, সিবিআই বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলেই নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলার সদিচ্ছা দেখায় নি । যদিও জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিবিআই তদন্ত হওয়ায় তৃণমূল অশনি সংকেত দেখছেন। সে জন্যই এই সব মন্তব্য করছেন তৃণমূলের নেতারা।ভোট পরবর্তী হিংসায় জেলার কেতুগ্রাম থানার শ্রীপুর গ্রামের নিহত বিজেপি কর্মী বলরাম মাজির বাড়িতেও এদিন সন্ধ্যায় যায় ৪ সদস্যের সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। তাঁরা নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। নিহতের মা টুম্পা মাজি কেতুগ্রাম থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সিবিআই আধিকারিকদের কাছে। ছেলের হত্যার সুবিচার চেয়ে টুম্পাদেবী সিবিআই আধিকারিকদের কাছে আর্জিও জানান।

আগস্ট ২৯, ২০২১
রাজ্য

Marrying a Minor: নাবালিকাকে বিয়ে করার দায়ে শ্রীঘরে ঠাঁই চাইল্ড লাইন সদস্যের

নাবালিকাকে বিয়ে করার দায়ে গ্রেপ্তার হলেন নাবালিকা বিয়ে রোখার দায়িত্বে থাকা চাইল্ড লাইনেরই এক সদস্য। ধৃতের নাম অরুপ সাহা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার বরমপুর গ্রামের অরপ সাহা চাইল্ডলাইনের কাটোয়া শাখার একজন সদস্য।কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচরক ধৃতের ৪ দিন জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। চাইল্ড লাইন সদস্যের এমন কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত কাটোয়াবাসী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৬ বয়সী যে নাবালিকাকে অরুপ সাহা গত ১ জুলাই বিয়ে করে তার বাড়ি কাটোয়ার মুস্থুলি গ্রামে। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই বিয়ের বিষয়ে খবর পায় চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ। ঘটনা জানার পরেই ৩ সদস্যের কমিটি গড়ে সংস্থার তরফে শুরু হয় তদন্ত। তাঁরা নাবালিকার বয়সের প্রমাণপত্র ও বিয়ের প্রমানসহ সবকিছু তথ্য খতিয়ে দেখেন। তদন্ত কমিটি গত ২৯ জুলাই উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য সহ রিপোর্ট জমা দেয়। এরপর গত ৬ আগষ্ট পূর্ব বর্ধমান জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিকের কাছে এ নিয়ে ই-মেলের মাধ্যমে অভিযোগ জানান সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জে মজুমদার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিক প্রশান্ত রায় গত মঙ্গলবার কাটোয়া থানায় অরূপ সাহার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে অরূপ সাহাকে গ্রেফতার করে।আরও পড়ুনঃ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চার নাবালক ছাত্রধৃত অরুপ সাহা যদিও দাবি করেছেন, তাঁর বাবা মারা গিয়েছেন। বাড়িতে অসুস্থ মা একাই থাকেন। সংসার সামালনোর জন্য তাঁর মা বিয়ে করে নেওয়ার জন্য তাঁকে খুব চাপ দিচ্ছিলেন। এমন অবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে বাধ্য হন ।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Cannabis Smugglers: কাটোয়ায় গ্রেপ্তার তিন আন্তরাজ্য গাঁজা পাচারকারী, উদ্ধার ১ কুইন্টল গাঁজা

মুরগির খাবারবাহী পিকআপ ভ্যানে গাঁজা পাচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লো তিন গাঁজা পাচারকারী। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে কাটোয়ার জাজিগ্রাম মোড় থেকে তাদের ধরে। ধৃতরা হল মদন সরকার, সঞ্জু মালো ও শিবু বর্মন। ধৃতরা কোচবিহার জেলার কোতয়ালি থানার রাজপুর গ্রাম, দিনহাটার রঙ্গপালি ও হুগলির ত্রিবেনীর বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, ধৃতদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১ কুইন্টল গাঁজা। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গাঁজা বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ পিকআপ ভ্যানটিও আটক করেছে।আরও পড়ুনঃ ইতালিয়ান ফুটবলে সি আর সেভেন যুগের পরিসমাপ্তি, যোগ দিচ্ছেন ম্যান ইউতেতিন ধৃতকেই পুলিশ শুক্রবার পেশকরে মাদক সংক্রান্ত মামলার বিচারের জন্য গঠিত বর্ধমানের বিশেষ আদালতে। বিচারক ৩ ধৃতকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস?পুলিশ ছানিয়েছে, গাঁজা পাচারকারীদের কাটোয়া এলাকায় গাঁজা পাচার করতে আসার খবর আগাম পৌছে গিয়েছিল কাটোয়া থানায়। গোপন সূত্রে সেই খবর পাওয়ার পর কাটোয়া থানার পুলিশ কয়েকদিন যাবৎ বিভিন্ন সড়ক পথে নাকাচেকিং চালানো শুরু করে। বৃহস্পতিবার রাতে জাজিগ্রাম মোড়ে মুরগির মালবাহী পিকআপ ভ্যানটি আটকে পুলিশ তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় বস্তাবন্দি ১০০ কেজি গাঁজা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, মদন সরকার এই আন্তরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের মূল পান্ডা। তারা কোচবিহার ও শিলিগুড়ি থেকে গাঁজা এনে দক্ষিনবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করতো। চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২১
রাজ্য

Sitavog & Mihidana: বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানকে বিশেষ স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগের

জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তির পর এবার বর্ধমানের দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শুক্রবার বর্ধমান মুখ্য ডাকঘরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে সীতাভোগ ও মিহিদানার ছবি ও তথ্য সম্বলিত বিশেষ খাম ও স্পেশাল কভারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দক্ষিণবঙ্গ রিজিয়নের পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল শশী সালিনী কুজুর। ডাক বিভাগ বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্ঠান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দেওয়ায় খুশি বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীয়া।বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার খ্যাতি এখন দেশ জোড়া। অনেক টানাপোড়েনের পর ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পায় শতাব্দী প্রাচীন বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন। রাজ আমলের ঐতিহ্যশালী সীতাভোগ ও মিহিদানাকে এবার স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শশী সালিনি কুজুর এদিন বলেন, বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টির প্রচার এবং জনপ্রিয়তা বাড়ানোর লক্ষ্যে ভারতীয় ডাক বিভাগ প্রমোট করছে। এর ফলে বর্ধমান ছাড়াও দেশের অনান্য জায়গায় সীতাভোগ ও মিহিদানার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। অনু্ষ্ঠানে ডাক বিভাগের বর্ধমান ডিভিশনের সিনিয়র সুপারিনটেন্ডেন্ট সৈয়দ ফরজ হায়দার নবী, বর্ধমানের হেড পোস্টমাস্টার মুধুসূদন রায় ও বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডাস ওয়েলফেয়ার এস্যোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং উপস্থিত ছিলেন।প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমানের রাজ আমলের ইতিসাস। বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলার তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য মহারাজ বিজয়চাঁদ মহতাব তাদানীন্তন বর্ধমানের নামজাদা মিষ্টি প্রস্তুতকারক ভৈরবচন্দ্র নাগকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিশেষ মিষ্টি প্রস্তুত করতে বলেন। ভৈরবচন্দ্র নাগ তৈরি করে দেন মিহিদানা ও সীতাভোগ।জানাযায়, এই দুই মিষ্টির স্বাদ পেয়ে বড়লাট-সহ বাকি অতিথিরা খুবই খুশি হয়েছিলেন। সেই দুই মিষ্টান্নই এদিন ভারতীয় ডাক বিভাগ কর্তৃক সমাদৃত হল।বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং এদিন বলেন, এই প্রথম কোনও সরকারি সংস্থা বর্ধমানের মিষ্টান্নকে এই ভাবে প্রমোট করলো।এর ফলে গোটা দেশ জুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার নাম ছড়িয়ে পড়বে। পাশাপাশি গোটা দেশে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ, মিহিদানার চাহিদা আরও বাড়বে । এত কিছুর মধ্যেও প্রমোধ কুমার সিং আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পাবার পর তাঁরা ভেবেছিলেন কেন্দ্র অথবা রাজ্য সরকার তাদের প্রমোট করবে। কিন্তু কোনও সরকারই এগিয়ে আসেনি। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের পোষ্টাল বিভাগ এগিয়ে এলো।

আগস্ট ২৭, ২০২১
রাজ্য

Bank Robbery: মেমারিতে ব্যাঙ্ক ডাকাতির চেষ্টা, গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ চার জন

সমবায় ব্যাঙ্কের শাখায় ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার হল এক সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ আরও ৪ জন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপুল শিকারি, আকাশ রায় ও অসীম মণ্ডল। মেমারি থানার দলুই বাজার এলাকা নিবাসী চন্দন মেমারি থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। বাকি ধৃতরা মেমারির পারিজাতনগর এলাকার বাসিন্দা।আরও পড়ুনঃ অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা ব্যাঙ্ক ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সঞ্জু ঘোষ, অভিজিৎ দে, শেখ জাবেদ ওরফে চিঙ্কা, বাপি মণ্ডল ও অভিজিৎ দত্তকে গ্রেপ্তার করে। তাদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ ঘটনায় সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ চার জনের জড়িত থাকার কথা জানতে পেরে গ্রেপ্তার করে। চার ধৃতকেই পুলিশ এদিন পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ১ সেপ্টেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মা হলেন নুসরত, পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন তিনিপুলিশ জানিয়ছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে মেমারির ডাকাত দল রসুলপুরে সাহানুই এসকেইউএস সমবায় ব্যাঙ্কের শাখা অফিসে হানা দেয়। তারা ব্যাঙ্কের সাটার ভেঙে ভিতরে ঢোকে। ব্যাঙ্কের আধিকারিক পার্থ দে বাড়িতে বসেই তাঁর মোবাইলের সিসি ক্যামেরার ফিড থেকে ডাকাতদের ব্যাঙ্কে ঢোকার বিষয়টি জানতে পারেন। তখনই তিনি মেমারি থানায় ঘটনার কথা জানান। খবর পেয়েই মেমারি থানার ওসি দেবাশিষ নাগের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী দ্রুত ওই ব্যাঙ্ক শাখার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তখন ডাকাতরা ব্যাঙ্কের ভল্ট ভেঙে টাকা লুটের চেষ্টা করছিল। পুলিশ সেখানে পৌছে প্রথমেই চারজনকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে। পরে আরও এক ডাকাত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়। এই পাঁচ জনকে হেপাজতে নিয়ে জেরা চালিয়েই পুলিশ ব্যাঙ্ক ডাকাতির চেষ্টায় সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ চারজনের জড়িত থাকার কথা জানতে পারে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Arrest: অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা

বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার জেলা নেতা শিবশংকর ঘোষ। ওই খুনের ঘটনায় জেলা নেতা আব্দুল রব, প্রাক্তন জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতেকার আহমেদ ওরফে পাপ্পুকে খুঁজছে পুলিশ। দলীয় সূত্রে খবর, শিবশংকর বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় এর আগে দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি(৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজতধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। তদন্তের প্রয়োজনে ও খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বুধবার সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানখুনের ঘটনায় খোকন দাস ও শিবু অনুগামীরা যুক্ত বলে অভিযোগ করেন সেলিম। যদিও খোকন দাসের দাবি, দীর্ঘ বছর ধরে সেলিমের সঙ্গে রাজার বিবাদ রয়েছে। তা থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Murder: বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজত

নির্মম ভাবে পিটিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি (৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। বুধবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহত তৃণমূল কর্মীর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। এদিনই খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ চার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে। সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর নির্মম আক্রমণে প্রাণ হারান তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি।আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই দিনই অশোকের স্ত্রী চন্দনা মাঝিকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় বর্ধমান মেডিকেল হাসপাতালে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরপ্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম আক্রমনের সবিস্তার উল্লেখ করে মঙ্গলবার রাতে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুর ৩ টে নাগাদ তিনি পৌরসভা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে খালাসীপাড়া এলাকায় সশস্ত্র অবস্থায় থাকা ৫০-৬০ জন অতর্কিতে তাঁর উপর আক্রমন চালায়। তাঁকে মারতে দেখে খালাসী পাড়ার দলের কর্মী অশোক মাঝি ও তাঁর স্ত্রী চন্দনা মাঝি ছুটে আসে। মহম্মদ সেলিম বলেন, আক্রমণকারীদের হাত থেকে তিনি নিজেকে কোনওরকমে বাঁচাতে সক্ষম হন। তবে আক্রমণকাীদের নির্মম মারধরের হাত থেকে রেহাই পায়নি অশোক মাঝি ও তাঁর স্ত্রী চন্দনা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁরা ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে। তাঁদের দুজনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যায় সেখানেই দলের কর্মী অশোক মাঝি মারা যায়। আক্রমণকারী সকলে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস সহ তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষ, আব্দুল রব, ইফতিকার আহমেদের অনুগামী। এইসব নেতাদের মদতে ও নির্দেশেই চলেছে আক্রমণ। আক্রমণকারী সহ আক্রমণে মদতকারী সকলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে সৈয়দ মহম্মদ সেলিম এদিন দাবি করেন। একই দিনে মৃতর স্ত্রী চন্দনা মাঝিও বর্ধমান থানায় ১০ জনের নামে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বাকি অভিযুক্তদের সন্ধান চালাচ্ছে।মৃত তৃণমূল কর্মীর মা কল্পনা মাঝি এদিন বলেন, তাঁর ছেলে অশোক পেশায় ছিল গাড়ি চালক। শিবশংকর ঘোষের দলে না ভিড়ে সেলিমের সঙ্গে থাকাটাই কাল হল ছেলে ও বৌমার। নির্মম মারধরে অকালে প্রাণ হারাতে হল ছেলে অশোককে। বৌমা চন্দনাও মারাত্মক জখম হয়েছে। ছেলেকে খুনের ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন কল্পনাদেবী।আরও পড়ুনঃ তালিবানের থেকে বাঁচলেও করোনা থেকে শেষরক্ষা হল নাপূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় যদিও এদিন দাবি করেন, যা ঘটেছে তা গোষ্ঠীদন্দের কোন ঘটনা নয়। এটা পাড়াগত বিবাদ। পুলিশ ঘটনার উচ্চপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছে। দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হবে। বিধায়ক খোকন দাস ও শিবশংকর ঘোষ এই ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটায় তাঁদের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগস্ট ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal