• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Agreement

খেলার দুনিয়া

‌যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান, ইমামির সঙ্গে চুক্তি হল ইস্টবেঙ্গলের

এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন অগনিত লালহলুদ সমর্থক। অবশেষে যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান। ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি হয়ে গেল। মঙ্গলবার মধ্য কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে দুই পক্ষ চুক্তিপত্রে সই করে। তবে মোহনবাগানের মতো নামের আগে অন্য ক্লাবের নাম জুড়ে খেলতে হবে না ইস্টবেঙ্গলকে।মে মাসে দুই পক্ষের কর্তাদের উপস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ঘোষণা করেছিলেন, এই মরশুমের ইস্টবেঙ্গলে লগ্নি করবে ইমামি গোষ্ঠী। সেই ঘোষণার পর দুমাসের বেশি সময় কেটে গেলেও নানা জটিলতায় সরকারিভাবে চুক্তিপত্রে সই হয়নি। দুই পক্ষের কর্তারা বারবার চুক্তিপত্র নিয়ে আলোচনায় বসেন। নানা সংশোধনী হয়। অংশীদারিত্ব নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত লালহলুদ কর্তারা ৭৭ শতাংশ শেয়ার লগ্নিকারী সংস্থার হাতে ছেড়ে দিতে রাজি হয়। এরপরই সমস্যার সমাধান হয়।ইমামির সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর নতুন সংস্থার নাম হল ইমামি ইস্টবেঙ্গল প্রাইভেট লিমিটেড। নতুন কোম্পানির ৭৭ শতাংশ শেয়ার থাকবে ইমামির হাতে। ২৩ শতাংশ শেয়ার থাকবে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। নতুন বোর্ডে ৭ জন ইমামির প্রতিনিধি থাকবেন, ৩ জন ইস্টবেঙ্গল প্রতিনিধি। কলকাতা লিগ এবং ডুরান্ড কাপে ইমামি ইস্টবেঙ্গল নামে খেলবে লালহলুদ। আইএসএলে শুধুমাত্র ইস্টবেঙ্গল এফসি নাম ব্যবহার করা হবে। মঙ্গলবার চুক্তিপত্রে সই হওয়ার পর ইমামি গোষ্ঠীর কর্ণধার আদিত্য আগরওয়াল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ক্রীড়াজগতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে ইমামির। প্রয়াত মিলখা সিংহ থেকে শুরু করে সৌরভ গাঙ্গুলি, শচীন তেণ্ডুলকার, বীরেন্দ্র শেহবাগ, সাইনা নেহাল, সানিয়া মির্জা, মেরি কম, সুশীল কুমারের মতো ক্রীড়া জগতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বকে আমরা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তুলে এনেছি। ৯০এর দশকে আমরা ইস্টবেঙ্গলের স্পনসর হিসেবে ছিলাম। এ বার বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত হতে পেরে খুশি।ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সচিব কল্যাণ মজুমদার বলেন, ইমামিকে বিনিয়োগকারী হিসেবে পেয়ে আমরা খুব খুশি। ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে দেশের অন্যতম সেরা ফুটবল দল বানানোই আমাদের লক্ষ্য। আপাতত ডুরান্ড কাপ এবং কলকাতা লিগে ভাল দল গড়াই প্রধান লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলের। আইএসএলের জন্য দল গঠন ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে তারা। এদিন চুক্তিপত্রে সই অনুষ্ঠানে ইস্টবেঙ্গলের একঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার হাজির ছিলেন।

আগস্ট ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্রে সই করে পাঠিয়ে দিলেন কনস্টানটাইন, ইমামির সই কবে?‌

সামনের মরশুমে আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনকেই লালহলুদের রিজার্ভ বেঞ্চে দেখা যাবে। মঙ্গলবারই বিষয়টা নিশ্চিত হয়ে গেল। ইমামি গোষ্ঠীর পাঠানো চুক্তিপত্রে সই করে এদিনই তা পাঠিয়ে দিয়েছেন এই ব্রিটিশ হাই প্রোফাইল কোচ। ক্লাবের একটা বিশেষ সূত্র থেকে খবরটা জানা গেছে। কনস্টানটাইন চুক্তিপত্রে সই করায়, একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, আইএসএলে তাংর কোচিংয়ে খেলতে নামবে ইস্টবেঙ্গল। কনস্টানটাইনের চুক্তিপত্রে সই করার কথা শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা বাকি।লালহলুদের চুক্তিপত্রে সই করলেও এখনই কলকাতায় আসছেন না কনস্টানটাইন। ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, ডুরান্ড কাপ চলার সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। নিজের পছন্দ করা সাপোর্ট স্টাফদেরও তিনি সঙ্গে নিয়ে আসবেন। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ত কাপে ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্ব সামলাবেন বিনো জর্জ। তিনি দুএকদিনের মধ্যেই কলকাতা চলে আসছেন। বিনো জর্জ আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন।এদিকে, চলতি মাসেও ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হচ্ছে না। কয়েকদিন আগে শোনা গিয়েছিল বুধ কিংবা বৃহস্পতিবার চুক্তিপত্রে সই হতে পারে। কিন্তু সূত্রের খবর, সামনের সপ্তাহের প্রথম দিকে চুক্তিপত্রে সই হবে। তবে দল গঠন প্রক্রিয়া চলবে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি পাকা হয়েছে। গত বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলা অঙ্কিত মুখার্জির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গেছে। আরও কয়েকজন ফুটবলার প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছেন বলে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইমামির সঙ্গে চুক্তিজটে ইস্টবেঙ্গলের হাতছাড়া আরও এক বিদেশি স্ট্রাইকার

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি না হওয়ায় ফুটবলারদের সি করাতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও এর ফলে একের পর এক ফুটবলার হাতছাড়া হয়ে চলেছে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েও ভরসা করতে পারলেন না বিদেশি স্ট্রাইকার দেশর্ন ব্রাউন। এবার তিনিও হাতছাড়া। লালহলুদের অপেক্ষায় না থেকে নতুন ক্লাব বেছে নিলেন মেজর সকার লিগে খেলা জামাইকার এই স্ট্রাইকার।শনিবারই দেশর্ন ব্রাউন সই করেছেন মেজর সকার লিগের ক্লাব সাক্রামেন্টোতে। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি সাক্রামেন্টোও প্রস্তাব দিয়েছিল ব্রাউনকে। ইস্টবেঙ্গলের টালবাহনার জন্য তিনি মেজর সকার লিগের এই ক্লাবকেই বেছে নিলেন। লালহলুদে সই না করার পেছনে তিনি ক্লাবের চুক্তি জটের কথা জানিয়েছেন।দেশর্ন ব্রাউন ছাড়াও তরুণ গোলকিপার ভাস্কর রায়কেও পাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। তাঁকেও প্রস্তাব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কিন্তু ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটের জন্য তিনি আর অপেক্ষা করতে পারলেন না। তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য ঝঁাপয়েছিল মুম্বই সিটি এফ সি। দুবছরের চুক্তিতে তিনি মুম্বইতে সি করেছেন। গত মরশুমে আই লিগে রাজস্থান ইউনাইটেডের জার্সিতে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। মুম্বই সিটি এফ সির চুক্তিপত্রে সই করার পর তিনি বলেন, মুম্বই সিটির হয়ে আইএসএলে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমি বদ্ধপরিকর।এদিকে, সামনের মরশুমের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার পথে এগোচ্ছে বেঙ্গালুরু এফ সি। রয় কৃষ্ণাকে তুলে নেওয়ার পর এবার তারা সই করাল অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার অ্যালেক্সজান্ডার জোভানোভিচকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও চার ফুটবলারকে সই করাল বেঙ্গালুরু এফসি। এরা হলেন, সুধীর কোটিকালা, অঙ্কিত পদ্মনাভন, ক্লারেন্স এবং ফেলিক্সসন ফার্নান্ডেজ। সুধীরকে দুই বছরের চুক্তিতে এবং অঙ্কিতকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করবে না ইমামি

শ্রী সিমেন্টের পর এবার ইমামি। লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে জট কিছুতেই কাটছে না। প্রাথমিক কথা হওয়ার প্রায় মাসখানেক পর ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ইমামির চুক্তির খসড়া। চুক্তিপত্র দেখে সই করতে বেঁকে বসেছেন লালহলুদ কর্তারা। এবার শুরু হয়েছে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষি।ইমামি যে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছে তাতে ৮০ শতাংশ শেয়ার চেয়েছে তারা। লালহলুদ কর্তারা এই পরিমান শেয়ার ছাড়তে রাজি নন। তাঁরা ইমামির সঙ্গে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষির খেলায় নেমেছে। সূত্রের খবর, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ৫০ শতাংশ শেয়ার নিজেদের কাছে রাখতে চান। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, ক্লাবের ৪ জন কর্তাকে বোর্ড অফ ডিরেক্টরে রাখতে হবে। লালহলুদ কর্তাদের দ্বিতীয় দাবিটা মেনে নিতে রাজি ইমামি। কিন্তু শেয়ারের ব্যাপারে তারা অনড়। ১০ জন সদস্যকে নিয়ে বোর্ড অফ ডিরেক্টর গঠন করা হবে। ১০ জন সদস্যের মধ্যে ৬ জন থাকবে ইমামির ও ৪ জন ইস্টবেঙ্গলের। চুক্তির খসড়া লালহলুদ তাঁবুতে পৌঁছনোর পর ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদার ইমামিকে একটা চিঠি লিখেছেন। সেই চিঠিতে তিনি আবেদন জানিয়েছেন, দল গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত সেরে ফেলার জন্য। প্রাকারান্তে তিনি চুক্তি নিয়ে ইমামির ওপর চাপ তৈরি করতে চাইছেন। চিঠিতে লালহলুদ সচিব লিখেছেন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সামনে একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলাম। দল গঠনের প্রক্রিয়া যদি গতি না পায় তাহলে গত দুই তিন বছরের মতো আবার আমাদের লক্ষ্য অপূর্ণ থাকবে এবং ফুটবলপ্রেমীদের হতাশা ছাড়া আর কিছুই দেওয়া যাবে না। তাই চুক্তির প্রক্রিয়া সমান্তরালে চলুক যাতে দল গঠনের প্রক্রিয়া তাড়াতাড়ি শেষ করা যায়।সূত্রের খবর, এই সপ্তাহে চুক্তিপত্রে সই হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। সামনের মাসের প্রথম সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করার পরই চুক্তিতেই সই করতে চান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এদিকে, ইমামি কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তারা বিনিয়োগ করতে রাজি নয়।

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুই তরুণ ফুটবলারের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করল এটিকে মোহনবাগান

কথাবার্তা আগেই চূড়ান্ত হয়েছিল। সোমবার সরকারিভাবে এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করলেন আশিক কুরুনিয়ান ও আশিস রাই। এই দুই ফুটবলারের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করেছে এটিকে মোহনবাগান। বেঙ্গালুরু এফসি থেকে সবুজমেরুণে এলেন আশিক কুরুনিয়ান। অন্যদিকে গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হায়দরাবাদ এফসি থেকে যোগ দিনেল আশিস রাই।দীর্ঘদিন ধরেই এটিকে মোহনবাগানে খেলার স্বপ্ন ছিল আশিক কুরুনিয়ানের। অবশেষে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ পেয়ে তিনি খুশি। এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করার পর আশিক বলেন, কলকাতা ফুটবলের মক্কা। সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে কলকাতায় খেলা। ফুটবলের প্রতি কলকাতার দর্শকদের অন্যরকম আবেগ রয়েছে। যুবভারতীতে এশিয়ান কাপে খেলতে এসে ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ মন ছুঁয়ে গেছে। দেশের খেলা দেখতে এসেও সমর্থকরা নিজেদের ক্লাবের পতাকাও নিয়ে এসেছিল। এটিকে মোহনবাগান দেশের অন্যতম সেরা ক্লাব। এই ক্লাবের পরিকাঠামোও দুর্দান্ত। সমর্থকরাও আবেগপ্রবন। বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে যখন খেলতে এসেছিলাম, তখন মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগ দেখে ভাল লেগেছিল। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সুযোগ পেলেই এই ক্লাবে খেলব। এটিকে মোহনবাগান কর্তারা সেই সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞ। চেষ্টা করব নিজের সেরা খেলা উপহার দিয়ে ক্লাবকে সাফল্য এনে দেওয়া।হায়দরাবাদের হয়ে আইএসএল জেতা আশিস রাইও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, সিকিমে জন্ম হলেও কলকাতায় খেলার আমার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল। বাইচুংকে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। এটিকে মোহনবাগানের প্রস্তাব পেয়ে দ্বিতীয়বার ভাবিনি। মোহনবাগান নামের সঙ্গে অনেক ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। সেই ক্লাবের জার্সি গায়এ তোলার সুযোগ পেয়ে আমি দারুণ উত্তেজিত।এটিকে মোহনবাগান থেকে প্রবীর দাস বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর পরিবর্ত হিসেবেই আশিস রাইকে দলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এদিন বেঙ্গালুরু এফসিও সরকারিভাবে প্রবীর দাসের চুক্তির কথা জানিয়েছে। এদিকে, মিলন সিংকে আরও এক মরসুমের জন্য ধরে রাখল মহমেডান স্পোর্টিং।

জুন ২০, ২০২২
রাজ্য

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইজরায়েলের কাছ থেকে পেগাসাস কিনেছে ভারত দাবি নিউইয়র্ক টাইমসের

মোবাইল ফোন আড়ি পাতার স্পাই সফটওয়্যার পেগাসাস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত। আমেরিকার প্রথম সারির ট্যাবলয়েড নিউইয়র্ক টাইমসের পেগাসাস সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি আলোড়ন ফেলে দিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মহলে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ সমরাস্ত্র অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও ভারত সরকার ২০১৭-তে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েল থেকে এক বড় অঙ্কের চুক্তিতে পেগাসাস কিনেছিল। এবং প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সেই চুক্তিটি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছিল।নিউইয়র্ক টাইমস শুক্রবার গুপ্তচর সস্টওয়্যার পেগাসাস নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেই প্রতিবেদনে তাঁরা আরও দাবি করেছে যে, ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনও (FBI) এই স্পাইওয়্যারটি সস্টওয়্যার কিনেছে এবং সেটা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে।প্রতিবেদনটিতে সবিস্তারে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে বিশ্বব্যাপী স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে চুক্তির বিনিময়ে তাঁরা পেগাসাসের লাইসেন্স পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশকেও বিক্রি করেছে। এতে ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরাইল সফরের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে। সেখানে উভয় দেশ ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ও গুপ্তচর সফটওয়্যার প্যাকেজ ক্রয় করার চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এতে পেগাসাস এবং মিসাইল সিস্টেমও রয়েছে। জুলাই ২০১৭তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েলের ঐতিহাসিক সফরের কথা এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়। নরেন্দ্র মোদি-ই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইজরাইল সফর করেন। নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে যে, সফরটি যখন হয়েছিল তখন ভারত একটি নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করেছিল যা প্যালেস্তাইন বা ইজরায়েলের প্রতি প্রতিশ্রুতির কথা বলা হচ্ছিল। ইজরাইলের সাথে ভারত ঠান্ডা সম্পর্ক রেখে চলছিল।নিউইয়র্ক টাইমস তার প্রতিবেদনে আরও লিখেছে, মোদির সফর, যদিও উল্লেখযোগ্যভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ, তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইজরায়েলের একটি সমুদ্র সৈকতে ছিলেন। তাদের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু এই উষ্ণতার পেছনে কিছু কারণ ছিল। তাদের দুই দেশ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র এবং গুপ্তচর সরঞ্জামের একটি প্যাকেজ বিক্রি করতে সম্মত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল ফোকাস ছিল পেগাসাস এবং একটি মিসাইল সিস্টেম।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, সফরের মাত্র কয়েক মাস পরে, জুন ২০১৯-এ তৎকালীন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ভারতে একটি সরকারি সফর করেন, ভারত প্যালেস্তানিদের মানবাধিকারের অনুমতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলে ইজরায়েকে সমর্থনে করে ভোট দেয়।যদিও সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত ভারত সরকার স্বীকার করেনি যে তারা ইজরায়েলর থেকে পেগাসাস সফ্টওয়্যার কিনেছে বা ইজরায়েল সরকারও একইভাবে স্বীকার করেননি যে তারা এই গুপ্তচরবৃত্তির ব্যবস্থা ভারতের কাছে বিক্রি করেছে। ২০১৯ লোকসভা ভোট অতিক্রান্ত হবার পর থেকেই এই বিশেষ গুপ্তচর বৃত্তির সফ্টওয়্যার নিয়ে পার্লামেন্টে দুই কক্ষে-ই ঝড় চলেছে। পশ্চিবঙ্গের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে এর বিরেদ্ধে কমিশনও গঠন করেন। বিশেষজ্ঞ সুত্রে জানা যায়, পেগাসাস একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক স্পাই সফটওয়্যার। এটি তৈরি করেছে ইসরায়েলি কোম্পানি এনএসও গ্রুপ (NSO)। তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://www.nsogroup.com/) অনুসারে, এটি শুধুমাত্র কোনও সরকারের কাছেই বিক্রি করা হয়। এটি খরচ সাধরণের ক্রয়ের উর্ধে।এর আগে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক পেগাসাসের গুপ্তচরবৃত্তির রিপোর্ট স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ১৮ জুলাই লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেছিলেন যে নজরদারির ক্ষেত্রে ভারত এমন প্রোটোকল তৈরি করেছে যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সময়ের সাথে সাথে এর উত্তর পাওয়া যাবে। তিনি পেগাসাস সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে ভারতীয়দের গুপ্তচরবৃত্তির দাবি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, যে এনএসও গ্রুপ-ও (স্পাইওয়্যার প্রস্তুতকারক) বলেছে যে পেগাসাস ব্যবহার করা দেশের তালিকাটি ঠিক নয়। তালিকায় যাদের নাম দেখা যাচ্ছে, সব দেশ-ই আমাদের গ্রাহক নয়। এনএসও জানিয়েছে তাদের বেশিরভাগ গ্রাহক-ই পশ্চিমা-দেশ। এটা স্পষ্ট যে এনএসও-ও ভারতকে পেগাসাস বিক্রির ব্যাপারটা স্পষ্টভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে।বিজেপি বিরোধি রাজনৈতিক দলগুলি বারংবার পেগাসাসের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ করে চলেছে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২১ সুপ্রিম কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরভি রভেন্দ্রনের নেতৃত্বে দুই বিশেষজ্ঞ নিয়ে একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করে, এবং তারাই এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

East Bengal : বিদেশি বাছাইয়ের দায়িত্ব ফাউলারকে, দল গঠনে নেমে পড়লেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা

বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বৈঠকে জটিলতা কেটেছে। এই মরশুমে আবার আইএসএলে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা। স্বস্তির পাশাপাশি আশঙ্কাও রয়েছে। ৩১ আগস্ট ট্রান্সফার উইন্ডোর সময়সীমা শেষ। এত কম সময়ে আদৌও ভাল দল গড়া সম্ভব? এসসি ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা অবশ্য ভাল দল গড়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করছেন। যদিও দলগঠন নিয়ে লালহলুদ কর্তাদের কোনও ভুমিকা নেই। পুরোটাই দেখাশোনার দায়িত্ব শ্রী সিমেন্টে। বুধবার আইএসএলে খেলার ব্যাপারে জট কাটতেই শ্রী সিমেন্ট কর্তারা দলগঠনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে টালবাহনা থাকলেও বেশকিছু ফুটবলারের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা বলে রেখেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দুএকদিনের মধ্যেই চুক্তি করা হবে। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখার্জিরা গতমরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। এটিকে মোহনবাগান থেকে কয়েকজনকে নিতে পারে। প্রবীর দাসদের সঙ্গে কথা বলছেন লালহলুদ কর্তারা। অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনিবেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলারের বায়োডাটা আগেই দেখে রেখেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলারের ওপর বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট। গতমরশুমে খেলে যাওয়া ব্রাইট এনবাখারে, মাত্তি স্টেইনম্যানরা অন্য ক্লাবে সই করলেও জাক মাঘোমা এখনও কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি। তাঁর সঙ্গে চুক্তি করার কথা ভাবছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলার বাকি বিদেশিদের সঙ্গে নিয়েই আসবেন।আরও পড়ুনঃ ঔদ্ধত্য ভেঙে চুরমার, লজ্জাজনক আত্মসমর্পন কোহলিদেরএদিকে, লালহলুদ কর্তারাও দল গঠনে শ্রী সিমেন্ট কর্তাদের সাহায্য করতে তৈরি। বুধবার রাতেই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, দল গঠনের কাজে শ্রী সিমেন্টকে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে। ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা স্থানীয় ফুটবলারদের একটা তালিকাও তৈরি করেছেন। যাতে এই ফুটবলারদের নিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগে খেলা যায়। যদিও কলকাতা লিগে খেলার ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেননি শ্রী সিমেন্ট কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সমর্থকরা আবেগে ভাসলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব?কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের নতুন সূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে খেলার কথা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তবে হাতে সময় মাত্র ৫ দিন। এর মধ্যে দল গঠন করে মাঠে নামা খুবই কঠিন। যদিও ক্লাবের অন্যতম ক্লাব কর্তা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাছে দল তৈরি আছে। আমরা সাহায্য করতে তৈরি। তবে এই ব্যাপারে আগে থেকে হস্তক্ষেপ করব না। যদি সাহায্য চায়, এগিয়ে যাব।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : সমর্থকরা আবেগে ভাসলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব?‌

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের নবান্নে বৈঠকে ডেকেছিলেন, তখনই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল, এবছর আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। সেই সম্ভাবনাই বাস্তবে রূপ পেল। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মেনে শ্রী সিমেন্ট মেনে নিলেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। তবে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার খবর পেয়ে সন্ধেবেলা ক্লাবে হাজির ছিলেন বেশ কিছু সমর্থক। লালহলুদ পতাকা, মশাল, স্লোগানে মেতে ওঠে ক্লাবের সামনে। তবে যে বিষযয়ে সমস্যা ছিল, সেই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র আপাতত স্বাক্ষরিত হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনি৩১ অগাস্ট ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। হাতে মাত্র ৬ দিন সময়। এত কম সময়ের মধ্যে ভাল দল গড়া যে সম্ভব নয়, সেকথা বোঝার জন্য ফুটবল বোদ্ধা হওয়ার দরকার নেই। লালহলুদ আইএসএলে খেললেও কতটা শক্তিশালী দল গড়া যাবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। স্বদেশি ভাল ফুটবলাররা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলেছে। যেসব ফুটবলাররা পড়ে রয়েছেন আর যাইহোক তাঁদের নিয়ে ভাল দল গড়া সম্ভব নয়। তবে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের দাবি, আইএফএ প্রেসিডেন্ট অজিত ব্যানার্জি ভাল মানের স্বদেশি ও বিদেশি ফুটবলারের কথা ভেবে রেখেছেন। দল গঠনের ব্যাপারে অবশ্য ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কোনও হাত নেই। শ্রী সিমেন্ট দল গঠনে লালহলুদ কর্তাদের কতটা নাক গলাতে দেবেন, সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।আরও পড়ুনঃ আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যতদেবব্রত সরকার ব্যাপারটা নিয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। তিনি বলেছেন, দল গঠনের ব্যাপারে শ্রী সিমেন্টের কাজে হস্তক্ষেপ করব না। তবে যে কোনও সহযোগিতার জন্য আমরা তৈরি। হাতে সময় কম থাকলেও ভাল দল গড়া সম্ভব। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেললেও চুড়ান্ত চুক্তিপত্র নিয়ে জট থেকেই গেছে। অর্থাৎ যে শর্তগুলো নিয়ে লালহলুদ কর্তাদের বিরোধিতা ছিল, তা রয়েই গেছে। পুরনো চুক্তিপত্রেই ইস্টবেঙ্গল খেলবে। তবে ক্লাব হস্তান্তরের বিষয়টা নাকি মিটে গেছে। এই ব্যাপারে লালহলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, অবশেষে ফুটবল বাঁচল। ক্লাবকেও হস্তান্তরের হাত থেকে বাঁচানো গেল। আগের চুক্তিতেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে। লক্ষ লক্ষ সমর্থকের কথা ভেবে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জট খুলল। লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানা গেছে, তারা চান এবছর দল গঠন করে আইএসএল খেললেও ভবিষ্যতে ক্লাবের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হোক। ক্লাবের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা হয়নি। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র ইস্যুতে সমস্যা থেকেই গেল। এদিকে, ইস্টবেঙ্গলের কলকাতা লিগে খেলার ব্যাপারে আশাবাদী আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি। তিনি বলেন, আমরা আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কলকাতা লিগ খেলবে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

E‌ast Bengal : মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনি

দীর্ঘদিনের টালবাহনার অবসান। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমস্যা মিটল ইস্টবেঙ্গলের। কেটে গেল ক্লাবের সঙ্গে লগ্নিকারী শ্রী সিমেন্টের চুক্তি সংক্রান্ত যাবতীয় জটিলতা। এবছর আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। অবশেষে সদস্যসমর্থকদের মুখে হাসি।ইস্টবেঙ্গল ও লগ্লিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে বৈঠকে ছিলেন কোম্পানি সেক্রেটারি এস এস খাণ্ডেলওয়াল, চিফ ফিনান্স অফিসার এস জাজু ও সিনিয়র ম্যানেজার সন্দীপ কুমার। বৈঠকে অবশ্য আসেননি শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর। ইস্টবেঙ্গলের তরফে ছিলেন সদানন্দ মুখোপাধ্যায়, দেবব্রত সরকার ও অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক ২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড চলার পরেই শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দেয় এবছর আইএসএলে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বৈঠকে শ্রী সিমেন্টের কর্তা মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, টার্মশিটে স্বাক্ষর হলেও এক বছর ধরে চেষ্টা করেও চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা গেল না। যেহেতু আপনি অনুরোধ করেছিলেন, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই বছর আইএসএল খেলব।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানবৈঠকের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের বলেন, মোহনবাগান আইএসএলে খেলছে। শ্রী সিমেন্টের উদ্যোগে ইস্টবেঙ্গলও গত বছর আইএসএলে খেলেছে। এবছর একটা অনিশ্চয়তা ছিল যে খেলতে পারবে কিনা। আমিও হস্টাইল হয়ে পড়েছিলাম। পরে শ্রী সিমেন্টকে অনুরোধ করি। ওদের বলেছিলাম, শেষ মুহূর্তে খেলা বন্ধ হলে কোটি কোটি সমর্থক কোথায় যাবে? আমরা চাই ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান আইএসএল খেলুক, পরে মহমেডানও খেলুক। সারা বিশ্বজুড়ে এই দলগুলির ব্র্যান্ড ভ্যালু রয়েছে। শ্রী সিমেন্টের কর্তারা আশ্বাস দিতেই মুখ্যমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খেলা হবে। ইস্টবেঙ্গল খেলবে। শেষ মুহূর্তে অনুরোধ মেনে নেওয়ায় আপনাদের ধন্যবাদ। অন্য কিছু বিষয় নিয়ে পরে আলোচনা হবে। শ্রী সিমেন্ট বাংলায় সিমেন্ট শিল্পে বিনিয়োগ করছে। সব ভাল যার শেষ ভাল।আরও পড়ুনঃ তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরএবছর ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা নিশ্চিত হলেও যে শর্তগুলি নিয়ে চুক্তিপত্রে সই করা আটকে রয়েছে, সেই শর্তগুলি সমাধানের রাস্তা এখনও বার হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধেই শ্রী সিমেন্ট নমনীয় হয়েছে। শ্রী সিমেন্টের প্রতিনিধি যে এই বছর শব্দ ব্যবহার করেছেন, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ও রিলায়েন্স কর্তাদের কথাতেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারছে। যে শর্তগুলি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, সেগুলি নিয়ে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা কিছু বলতে চাননি। দেবব্রত সরকার বলেন, এবছর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে দিদি উতরে দিলেন। শ্রী সিমেন্টকেও অজস্র ধন্যবাদ।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত

এটিকে মোহনবাগান পৌঁছে গেল এএফসি কাপের নক আউটে। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল পৌঁছে গেল নবান্নে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্র জট এমন জায়গায় পৌঁছেছে, ট্রোলড হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই পরিস্থিতি থেকে কি বেরিয়ে আসতে পারবে লালহলুদ? ইস্টবেঙ্গলের অগনিত সমর্থক তাকিয়ে নবান্নের দিকে। চুক্তিপত্র জট কাটতে নবান্নে আজ বিকেলে ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসতে পারে, মনে করছে লালহলুদ সমর্থকরা। সমর্থকদের আশা বাড়িয়ে দিয়েছেন শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, চুক্তিপত্র জট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তাকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। আশা করছি এই বৈঠক থেকেই সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে। আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি হাজির থাকবেন কিনা, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি হরিমোহন বাঙ্গুর। তবে সূত্রের, খবর তিনি বৈঠকে যেতে পারেন। এই মুহূর্তে তিনি কলকাতায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানশ্রী সিমেন্ট কর্তাদের মতো ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও মনে করছেন আজকের বৈঠকে জট কেটে যেতে পারে। ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আলোচনার জন্য ডেকেছেন। আমাদের সমস্যার কথা তুলে ধরব। উনি যা বলবেন, সেইমতো আমরা এগোব। মুখ্যমন্ত্রী যা চাইবেন, সেটাই করব। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্লাবের মালিকানা হস্তান্তরের সমস্যার কথা তুলে ধরা হবে। তবে শ্রী সিমেন্টকে ক্লাব তাঁবু স্বাধীনভাবে ব্যবহার করার ব্যাপারে রাজি হতে পারে ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে, শ্রী সিমেন্ট মালিকানা হস্তান্তরের শর্তের ব্যাপারেও কিছুটা নমনীয় হতে পারে সূত্র মারফত জানা গেছে।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেআজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যদি জট কেটে যায়, দ্রুত দল গঠনে নেমে পড়বেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। হাতে বেশি সময় নেই। যদিও জানা গেছে অনেক ফুটবলারের সঙ্গে আগে থেকেই প্রাথমিক কথা সেরে রেখেছেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। বেশ কয়েকজন বিদেশির সঙ্গেও কথা বলেছেন। যদি আজ নবান্নে বৈঠকের পর চুক্তিপত্রে সই করে দেন লালহলুদ কর্তারা, তাহলে কাল থেকেই ফুটবলারদের সই করাবে শ্রী সিমেন্ট। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আজ নবান্নের ওপর।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : এ কী করল শ্রী সিমেন্ট!‌ চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল

শ্রী সিমেন্টের আচরণে চরম সঙ্কটে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএলে খেলা নিয়েও তৈরি হল অনিশ্চয়তা। লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়ে দিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। তবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সরাসরি তারা কিছু জানায়নি। সোমবার সন্ধে পর্যন্ত কোনও চিঠি দেয়নি কিংবা ইমেল করেনি। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা নবান্নে জানিয়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট।আরও পড়ুনঃ পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে কয়েক মাস ধরে লগ্নিকারী শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের চাপানউতোর চলছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোরে ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবসে জানিয়েছিলেন, জটিলতা কাটিয়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলতে কোনো অসুবিধা হবে না। তারপর লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠানো হয়। সেই সংশোধিত চুক্তিপত্রের বেশ কয়েকটা শর্ত নিয়ে আবার আপত্তি জানান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এরপর মধ্যস্থতাকারীদের সক্রিয়তায় কয়েকটা শর্তে নমনীয় হয় শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু তাঁবু সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা কাটছিল না।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবসংশোধিত চুক্তিপত্র আসার পরও ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতি তাতে সই করতে রাজি ছিলেন না। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের তরফে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়। মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছিলেন, শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের রাস্তা খোঁজার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণে তিনি বিরক্ত। তাই লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!আজ, সোমবার নবান্নে চিঠি পাঠিয়ে শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দেয়, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। বিকেল পর্যন্ত লাল হলুদের শীর্ষ কর্তারা লগ্নিকারীদের পদক্ষেপ সম্পর্কে ধোঁয়াশায় ছিলেন। তাঁরা নবান্ন থেকেই শ্রী সিমেন্টের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানতে পারেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে দেবব্রত সরকার জানান, আমাদের ক্লাবেও এরকম কোনও ইমেল এখনও আসেনি। তবে শুনেছি, ওরা আর থাকছে না। নতুন করে জটিলতা বাড়ানোর জন্য অনেকে মধ্যস্থতাকারী শ্রেনিক শেঠের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। দেবব্রত সরকারও বলেন, যিনি মধ্যস্থতা করছিলেন, সেই শ্রেনিক শেঠ যদি আর একটু সহযোগিতা করতেন, সমস্যা মিটে যেত।আরও পড়ুনঃ অভিষেক বচ্চন হাসপাতালে, চিন্তায় পরিবার থেকে অনুরাগীরাশোনা যাচ্ছিল, কোনও ক্ষতিপূরণ ছাড়াই শ্রী সিমেন্ট স্পোর্টিং রাইটস ফেরত দেবে। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এরকম কিছু জানানো হয়নি। শ্রী সিমেন্টের সিইও শিবাজি সমাদ্দার বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে কোনও ইমেল তিনি পাঠাননি। এখন প্রশ্ন, স্পোর্টিং রাইটস ফেরত পেলেও ৩১ অগাস্ট ট্রান্সফার উইন্ডো শেষের আগে কি দল গঠন করতে পারবে ইস্টবেঙ্গল? ভাল মানের ফুটবলারও পড়ে নেই। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগেও খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা। চলতি মরশুমে আইএসএল খেলাও বিশ বাঁও জলে। শোনা যাচ্ছে, বিনা শর্তে লাল হলুদকে শ্রী সিমেন্ট ছেড়ে দিলে আম্বানি গ্রুপ ইস্টবেঙ্গলে লগ্নি করতে পারে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে শ্রী সিমেন্ট?‌ সম্ভাবনা প্রবল

ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক কি ছিন্ন করতে চলেছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লালহলুদের কর্তাদের টালবাহনা আর মেনে নিতে পারছেন না শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। ক্ষতির সামনে পড়েও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণে তিতিবিরক্ত হয়ে স্পোর্টিং রাইটস ফেরত দিতে চলেছেন। দুএকদিনের মধ্যেই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রিলায়েন্সের এক মধ্যস্থতাকারী। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়। সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কোন কোন জায়গায় আপত্তি রয়েছে, তা মধ্যস্থতাকারীদের জানান লালহলুদ কর্তারা। বৈঠক থেকেই মধ্যস্থতাকারী ফোন করেন শ্রী সিমেন্ট কর্তাদের। লালহলুদ কর্তাদের আপত্তির কথা জানান। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর না পাওয়ায় সেদিনের সন্ধের কার্যকরী কমিটির বৈঠক স্থগিত করে দেয় ইস্টবেঙ্গল। মধ্যস্থতাকারী শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?এদিকে, লালহলুদ কর্তাদের আচরণে রীতিমতো তিতিবিরক্ত শ্রী সিমেন্টের কর্তা হরিমোহন বাঙ্গুর। শোনা যাচ্ছে তিনি আর অপেক্ষা করতে রাজি নন। লালহলুদ কর্তাদের আচরণে অপমানিত বোধ করছেন শ্রী সিমেন্টের কর্তা। এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে এগোতে চান। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আর সুযোগ দিতে নারাজ তিনি। গতবছর প্রাথমিক চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে শ্রী সিমেন্ট। আর টাকা ঢালতে নারাজ শ্রী সিমেন্টের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারী৩১ আগস্টের মধ্যে ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনও ঘনিয়ে আসছে। তাই শ্রী সিমেন্ট আর সময় দিতে রাজি নয়। বিচ্ছেদের রাস্তা বেছে নিতে চলেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইস্টবেঙ্গলকে স্পোর্টিং রাইটস ফিরিয়ে দিয়ে সম্পর্ক ছিন্ন করবে। তবে গত মরশুমে যে অর্থ লগ্নি করেছিল, সেই অর্থ হয়তো ফেরত চাইবে না। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা যদি শেষ মুহূর্তে সই করতে রাজি হয়, তাহলেও হয়তো মেনে নেবে না শ্রী সিমেন্ট। কারণ দল গড়ার মতো পর্যাপ্ত সময় পাবে না।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলের

তারিখের পর তারিখ। বৈঠকের পর বৈঠক। একের পর এক চিঠি চালাচালি। তবুও জট কাটার লক্ষন নেই ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্কে। শুক্রবার রিলায়েন্সের মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না লালহলুদের।প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। পরে সোমবার সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠায় শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। কিন্তু সংশোধিত চুক্তিপত্রেও দুটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিলালহলুদ কর্তাদের পক্ষ থেকে আবার চিঠি দেওয়া হয় শ্রী সিমেন্টকে তাদের মতামত জানার জন্য। তারপর কর্মসমিতির বৈঠকে সই করার বিষয়টি অনুমোদন করানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের কোনও উত্তর না পাওয়ায় পরপর দুদিন কর্মসমিতির বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। আমরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছি। যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে মধ্যস্থতাকারীরা সিদ্ধান্ত জানাবেন। বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে কোন কোন বিষয়ে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মধ্যস্থতাকারী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে পরের পদক্ষেপ জানাবেন। তারপর ক্লাব নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। তাই শুক্রবার সন্ধ্যার কার্যকরী সমিতির বৈঠক বাতিল করে ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশলালহলুদ সূত্রের খবর, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে নো অবজেকশন দেওয়ার শর্তে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ক্লাবের দাবি, লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হোক, ক্লাব তাঁবুর কোন অংশ ক্লাবের অধীনে থাকবে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে এই ব্যাপারে ইস্যুতে তাদের দাবি মানা না হলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবে না। অন্যদিকে শুক্রবার ইনভেস্টর শ্রীসিমেন্টের প্রতিনিধি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ চুক্তিপত্রের কোন রকম পরিবর্তন হবে না। নতুন কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
বিদেশ

Baiden-Kadhimi: ইরাক থেকে সরবে মার্কিন সেনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা করেছেন, আমেরিকান যুদ্ধ বাহিনী (Combat Forces) চলতি বছরের শেষের দিকে ইরাক থেকে ফিরে আসবে। কিন্তু আমেরিকান বাহিনী ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রাখবে। সোমবার হোয়াইট হাউসে বাইডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-কাদিমির সঙ্গে বৈঠক করার পরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর লড়াইয়ের মিশন শেষ করার কথা ঘোষণা করা হয়।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি বলেছেন, আমরা ইরাকের গণতন্ত্রের শক্তিশালীকরণকে সমর্থন করি এবং আগামী অক্টোবরের নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা উদগ্রীব। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সুরক্ষা সহযোগিতা, আইএসআইএসের বিরুদ্ধে আমাদের যৌথ লড়াইয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা এই নতুন পর্বে সরে আসার পরেও তাঁদের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ইরাকি প্রধানমন্ত্রী কাদিমী জবাবে বলেন, আজ আমাদের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও দৃঢ়। ইরাকের অস্থিরতা থামাতে কোনও বিদেশি যুদ্ধ সেনার আর প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনইরাকে বর্তমানে ২,৫০০ মার্কিন সেনা রয়েছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী ২০০৩ সালে রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হুসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং তাঁর বিধ্বংসী অস্ত্রের ব্যবহার ও ব্যাপক ধ্বংসলীলা নির্মূল করতে ইরাক আক্রমণ করেছিল। যার বাস্তবতা সেভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সেনারা শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে ইরাক থেকে সরে আসে। তবে তিন বছর পরে ইরাকি সরকারের অনুরোধে তারা আবার ফিরে এসেছিল। যখন আবার আইএসআইএস গ্রুপ ইরাকের বেশিরভাগ অঞ্চলে তাদের কার্যকলাপ শুরু করেছিল।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালমার্কিন-ইরাকি যৌথ বিবৃতিতে স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত অনেকগুলি অসামরিক ও সামরিক চুক্তির বিশদ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাঁরা ইরাককে বিশ্বব্যাপী কোভিড ভ্যাকসিন আদান-প্রদান নীতিকে মর্যাদা দিতে ফাইজার / বাইওএন্টেক তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কোভাক্স-এর ৫০০,০০০০ ডোজ সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছে। বাইডেন জানিয়েছেন যে ডোজগুলি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরাকে পৌঁছে যাবে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল ওগো নিরুপমার শুটিংইরাকের আগামী অক্টোবরের নির্বাচন পরিচালনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে সাহায্য করতে ৫.২ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করবে। বাইডেন বলেন, অক্টোবরে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন দেখার অপেক্ষায় আছি।

জুলাই ২৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal