• ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

সুস্থ

স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের রবিবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২০ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫ হাজার ৩১৪ জন। একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ হাজার ৩৮৩ জন। তার ফলে মোট কোভিড জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৫৪ জন। বর্তমানে সুস্থতার হার ৮৯.৬৭ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় মৃত্যুহার একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৮৭ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৪৮ লক্ষ ৬৯ হাজার ৫৫৪ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৮.২৫ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনার বলি হয়েছেন ৭ হাজার ২৯৪ জন। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮১৩ জন। ্তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯৬ জন।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় মৃত্যুহার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২৮ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১ হাজার ৩৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডের কারণে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার ফলে রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ২৩৫ জন। তবে এই পরিস্থিতিতে আশা জোগাচ্ছে করোনায় সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৯ জন। যা দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই বেশি। রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭১ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯.৪৬ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ছে করোনায় সুস্থতার হার অন্যদিকে , একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ২২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪৮ লক্ষ ৬৯ হাজার ৫৫৪ জনের। তার মধ্যে ৮.২৪ শতাংশ ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫১ জন। সংক্রমিতের নিরিখে তারপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ছে করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ৯৪২ জন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩, ৯৭, ৪৬৬। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা ৭, ১৭৭। এই একদিনে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন বাংলার মোট ৪, ২৮৩ জন। অর্থাৎ ৮৯.২৫ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩, ৫৪, ৭৩২। এদিন মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫, ৩৫২ জন। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৮, ২৩, ৩২৭ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনা জয়ীর সংখ্যা সংক্রমণের নিরিখে ফের প্রথম স্থানে কলকাতা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৬ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮১৬। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮৭ জন। হুগলিতে একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪৮ জন। হাওড়ায় ২৩৯ জনের নতুন করে সংক্রমণ হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বাড়ল করোনা জয়ীর সংখ্যা

বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৮ জন। ফলে এনিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯৩ হাজার ৫৭৪ জন। তবে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা বেশ কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৯৫৩ জন। স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৪ হাজার ১৮৭ জন। ফলে বাংলায় করোনামুক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৪৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হল ৮৯.০৫ শতাংশ। রাজ্যে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ১২২ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় মৃত্যুর হার এদিন কলকাতায় ৮৫৫ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ঘটেছে। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগণায় একইদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন। এদিকে দুশোর উপর করোনা সংক্রমিতের সন্ধান মিলেছে উত্তর ২৪ পরগণা, হাওড়া ও হুগলিতে। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে ১৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। জলপাইগুড়িতে ১০২ জন একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় মৃত্যুর হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বুধবারে বাংলায় কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৭ জন। এদিন রাজ্যে মোট করানা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১২৯ জন। ফলে রাজ্যে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৩৬ হাজার ২৪৬ জন। উলটোদিকে কোভিডজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৬২ জন। শতাংশের নিরিখে সুস্থতার বেড়ে হল ৮৮.৮৮। আরও পড়ুন ঃ আশঙ্কা বাড়িয়ে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ তবে কিছুতেই কমছে না রাজ্যে করোনায় মৃত্যুহার। একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জন করোনা সংক্রমিতের। ফলে রাজ্যে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৬৮ জন। রাজ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৮২ শতাংশ৷ আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের সর্বাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে কলকাতায়। একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৪ জন। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭৮ জন। উত্তরে শতাধিক করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে দার্জিলিং, কোচবিহার ও মালদায়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশঙ্কা বাড়িয়ে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৯৮১ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬০৮। তবে দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা সংক্রমণের চেয়ে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০৫৮ জন। এখন পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৪২ হাজার ১৩৩ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার আশা জাগিয়ে সুস্থতার হার বেড়ে হল ৮৮.৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে । ফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭,০১৩ জনে৷ তবে সংক্রমণের শীর্ষে এখনও কলকাতা। এখানে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৭০০০১। কিছুটা পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে করোনার কবলে ৬৬৯৮ জন। করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম। এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ১৫ ও ১১।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৭ জন। এনিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬০৮ জন। বাংলায় সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৯৫৭। এছাড়া আশা জাগিয়েছে করোনায় সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭৫ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৮.৫৯ শতাংশ। সোমবার ৪৩ হাজার ২৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ১১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে , আশঙ্কা বাড়িয়ে কলকাতায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮২ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭২ জন। রাজ্য প্রশাসনের ক্রমশ মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া এবং উত্তরের দার্জিলিং, কোচবিহারও।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৭ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৬৫১ জন। রাজ্যবাসীকে সামান্য স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। একদিনে করোনা জয় করে প্রিয়জনদের কাছে ফিরে গিয়েছেন ৪ হাজার ৫৩ জন। ফলে বর্তমানে বাংলায় করোনাজয়ীর মোট সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ৯৯০ জন। সুস্থতার হার ৮৮.৪৪ শতাংশ। বর্তমানে অ্যাকটিভ কেস ৩৬ হাজার ৭৬১। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে করোনায় রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৯০০ জন। আরও পড়ুন ঃ আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ এদিকে শুধু কলকাতাতেই আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৪। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনায় একইদিনে ৮৮০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। হাওড়ায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছে ২৪৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭২ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৬ জন । নদিয়ায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮১ জন। এছাড়াও উত্তরের দার্জিলিংয়ে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৮১ জন।

নভেম্বর ০২, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যু দিন কয়েকের জন্য ক্ষণিক স্বস্তি দিয়েছিল বঙ্গবাসীকে। কিন্তু লক্ষ্মীপুজো কাটতে না কাটতেই ফের করোনা সংক্রমণের উচ্চ হারে চিন্তা বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯৩ জন। এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৬৪। এখন রাজ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৮৮৬ জন। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৮৪১ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৩৭ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৮.৩০ শতাংশ। শনিবার ৪৪ হাজার ১৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ৪২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২২০৬ জন কলকাতায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ১৫৭৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

শুক্রবারও কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা মোট বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৫ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৮৮ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৮.১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৭৮৪ জন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি সংক্রমণের নিরিখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত ৮৬৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩ হাজার ৭৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লক্ষ ১২ হাজার ২৭০ জনের।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
স্বাস্থ্য

বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৯ জন। এদিনের হিসেব অনুযায়ী রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৯২ জন। বাংলায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৭২৫। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ২১ হাজার ৮৭৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৮৮.০২ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃ্ত্যুর হার দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা । সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৮৯৪ জন। এর ঠিক পিছনেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ৮৭৮ জন। ওদিকে উত্তরবঙ্গে শতাধিক করোনা আক্রান্ত হয়েছে দার্জিলিং ও মালদা জেলায়। এই দুই জেলায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছে যথাক্রমে ১১৯ ও ১০৮ জন। শতাধিক সংক্রমিত হয়েছেন নদিয়াতেও।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
স্বাস্থ্য

চার হাজারের নীচে বাংলার করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৭ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ৭৭৯ জন। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৭ হাজার ১৭২। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৬০৪। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৭৬ শতাংশ। মঙ্গলবার ৪২ হাজার ১০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ আশা জাগিয়ে বাংলায় কমল করোনায় মৃত্যু্র হার কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগণায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭৫ জন। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে ১৩২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানে একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৩২ জন। প্রসঙ্গত , সংক্রমণ ও মৃত্যু্র নিরিখে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলা। তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা সংক্রমণের নিরিখে এগিয়ে কোন কোন জেলা ?

কলকাতায় করোনা সং ক্রমণ কমার কোনও লক্ষণই নেই । বরং প্রতিদিন তা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত হয়েছে কলকাতায়। সেখানে ৮৯৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর সামান্য পিছনেই রয়েছ উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৬ জন। হাওড়ায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ২৭৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় একইদিনে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ২৪৪ জন। হুগলিতে সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে ১৯৭ জন। উত্তরে সর্বাধিক আক্রান্ত হয়েছে পর্যটকে ঠাসা দার্জিলিং-এ। সেখানে একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৮৯ জন। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদিয়া ও জলপাইগুড়িও। নদিয়ায় একইদিনে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ১৬১ জন। জলপাইগুড়িতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪২ জন। আরও পড়ুনঃ সমস্ত রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪১৫৭ অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৪,১৪৩ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৪২৬ জন। এছাড়াও একইদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৬৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩,৬৭৬ জন। বাংলায় মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৮৭ জন। সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৭.৪৫ শতাংশ।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

সংক্রমণে রেকর্ড ভেঙে একইদিনে আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ১২৬। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৫৭৯ জন। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৩০৩ জন। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে চার হাজারের গণ্ডি পেরল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৫ শতাংশ।গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬২৪৪। বুধবার ৪৩ হাজার ৫৯২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪১ লক্ষ ২২ হাজার ২৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

কমনওয়েলথ গেমসের দলে নীরজ, তবে কি এখনও পুরোপুরি ফিট নন অলিম্পিক সোনাজয়ী তারকা?

চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভারতের তারকা জ্যাভলিন নিক্ষেপক নীরজ চোপড়া। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ঘোষিত ৩২ সদস্যের ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স দলে রাখা হয়েছে। রবিবার দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। তবে নীরজকে শর্তসাপেক্ষে দলে রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রীড়ামহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই কৌতূহল, অলিম্পিক সোনাজয়ী এই তারকা কি এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি?এবারের দলে রয়েছেন দেশের একাধিক তারকা অ্যাথলিট। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় রেকর্ড নিয়ে আলোচনায় থাকা স্প্রিন্টার গুরিন্দরবীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন তেজস্বিন শঙ্কর, তাজিন্দরপাল সিং তুর এবং সর্বেশ কুশারের মতো অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদরাও।গত মে মাসে রাঁচিতে আয়োজিত ফেডারেশন কাপে বেশ কয়েকজন ভারতীয় অ্যাথলিট দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতা অর্জন করেন। তবে পুরুষদের চার গুণ একশো মিটার রিলে দলটি সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশ্ব রিলে প্রতিযোগিতায় ব্যাটন বদলের সময় দুর্ঘটনার জেরে ভারতীয় দল অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিল। যদিও পরে তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো সময় করলেও শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।জ্যাভলিন বিভাগে নির্ধারিত মান পূরণ করতে না পারা অ্যাথলিটদের জন্য গত ১৩ জুন জলন্ধরে অতিরিক্ত বাছাইপর্বের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে রোহিত যাদব এবং যশবীর সিং নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করে যোগ্যতা অর্জন করেন। দুজনেই নির্ধারিত দূরত্বের বেশি জ্যাভলিন ছুড়ে নজর কাড়েন।ফেডারেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন নীরজ। গত বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে প্রথমবার নব্বই মিটারের গণ্ডি পেরনোর পর থেকেই তিনি পিঠের চোটে ভুগছিলেন। তবে ফেডারেশনের দাবি, নীরজ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন।ফেডারেশনের আশা, কমনওয়েলথ গেমস শুরুর আগে নীরজ প্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার সব শর্ত পূরণ করতে পারবেন। তাই তাঁকে দলে রাখা হয়েছে শর্তসাপেক্ষে।এদিকে ট্রিপল জাম্পার সেলভা প্রভুকেও বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে নির্ধারিত যোগ্যতা মান অতিক্রম করেছেন। ফলে তাঁকেও নিয়ে আশাবাদী ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স মহল।এখন সকলের নজর কমনওয়েলথ গেমসের দিকে। নীরজ চোপড়া কত দ্রুত প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন এবং ভারতীয় অ্যাথলিটরা কতটা সফল হন, সেটাই দেখার।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

‘ওনার কাছ থেকে কোনও উপহার চাই না’, মমতার দেওয়া গয়না ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা সাংসদপুত্রের

তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন বিতর্ক সামনে এল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সোনার গয়না ও পুজোর উপহার ফেরানোর সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি জানান, বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীকে দেওয়া সোনার হার এবং তাঁকে দেওয়া পুজোর পোশাক ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।বৈদ্যনাথ তাঁর পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কিছু কারণেই এই উপহারগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি লেখেন, এই সৌজন্যের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে উপহারগুলি আর নিজেদের কাছে রাখতে চান না।ছেলের এই সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ছেলে ও পুত্রবধূর সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। কাকলি ঘোষ দস্তিদার দীর্ঘদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে মনে করা হচ্ছে।কিছু দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে এক সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি নিজের ছেলের জন্য দলের টিকিট চেয়েছিলেন। সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় তিনি অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পরে দলের আরও কয়েকজন নেতার মুখেও একই ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন বৈদ্যনাথ, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ওই উপহারগুলি ফেরত দিয়ে আসবেন। এমনকি সোনার হার দীর্ঘদিন তাঁদের কাছে থাকার কারণে যদি কোনও অতিরিক্ত অর্থ বা সুদ দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন।এখানেই থামেননি বৈদ্যনাথ। তাঁর অভিযোগ, পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। সেই কারণে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের দুই সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বিরোধ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দুর বড় কর্মসূচি, আমন্ত্রণ পেলেন তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলররাও

সোমবার কলকাতা পুরসভায় বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে শুরু হতে চলেছে স্বচ্ছতাকে স্বাগত শীর্ষক বিশেষ সাফাই অভিযান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অনুষ্ঠানে শুধু শাসক দলের প্রতিনিধিরাই নন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি আগেও দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভার সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে সৌজন্য ও সহযোগিতার বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন মেয়র পারিষদ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানে যোগ নাও দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বড় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে কলকাতাকে আরও পরিচ্ছন্ন করে তুলতে শহর জুড়ে ছয় দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু করছে প্রশাসন।এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। রবিবার ছুটির দিন হলেও পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক পুরভবনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তদারকি করেছেন বলে সূত্রের খবর।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণার টাকা মিলেছে, এবার কবে যুবশক্তি? মালদহ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি এবং বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প আদৌ চালু হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। তবে যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প এখনও চালু না হওয়ায় অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মালদহের এক সভা থেকে তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।এরপর যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই বেকার ভাতা চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর প্রকল্প দুটির সুবিধাপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেটে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরে নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দেয়, ক্ষমতায় এলে যুবশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি যাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল।সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত, প্রকল্প চালুর আগে উপভোক্তাদের তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। যোগ্য ব্যক্তিরাই যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতেই যাচাই প্রক্রিয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে যুবশক্তি প্রকল্প চালু হওয়ার আগে আবেদন ও যাচাই সংক্রান্ত নিয়মাবলি নিয়েও শীঘ্রই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

স্পিকারের দরজায় অভিষেকের চিঠি! বিদ্রোহী সাংসদদের বড় পরিকল্পনার আগেই দিল্লিতে তৃণমূলের পাল্টা চাল

দিল্লিতে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। সূত্রের খবর, আজই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা ব্লক গঠনের আবেদন জানাতে পারেন তৃণমূলের একাংশ সাংসদ। তার আগেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি নিয়ে স্পিকারের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ।জানা গিয়েছে, তিন পাতার ওই চিঠি আগেই ই-মেলের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। রবিবার সাগরিকা ও কীর্তি সরাসরি স্পিকারের হাতে সেই চিঠি তুলে দেন। চিঠিতে অভিষেকের আবেদন, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে যেন আলাদা স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এমন পদক্ষেপের কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কীর্তি আজাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিভাজনকে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর আশা, আইন ও সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার।অন্যদিকে, সাগরিকা ঘোষের বক্তব্য, লোকসভার মধ্যে তৃণমূলের সাংসদদের নিয়ে আলাদা ব্লক তৈরির উদ্যোগ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এর কোনও আইনি বৈধতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এ দিন দিল্লিতে একজোট হন বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদরা। সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। এরপর তাঁদের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তাঁরা আলাদা ব্লক গঠন করে এনডিএকে সমর্থনের আবেদন জানাতে পারেন।এই পরিস্থিতিতেই স্পিকারের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী হবে। ফলে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে নামেননি নেইমার, তবু ব্রাজিলের গোলের নেপথ্যে তিনিই! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল চর্চা

চোটের কারণে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। শুধু তাই নয়, তিনি রিজার্ভ বেঞ্চেও ছিলেন না। তবু ম্যাচের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, মাঠে না নেমেও ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ গোলের নেপথ্যে ছিলেন নেইমারই।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল চাপে পড়ে গেলেও ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোর কিছুই করার ছিল না।তবে গোলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, প্রথমার্ধে জলপান বিরতির সময় মাঠের ধারে এসে ভিনিসিয়াসের সঙ্গে কথা বলছেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরে ব্রুনো গিমারেসকেও ডেকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিও দেখে অনেকের ধারণা, ভিনিসিয়াসকে আরও বেশি করে বক্সের ভিতরে ঢুকে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নেইমার। কারণ ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাইরে খেলতে দেখা গিয়েছিল।মজার বিষয় হল, সেই কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরেই গিমারেসের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর সেই কারণেই সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, মাঠের বাইরে থেকেও ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন নেইমার।যদিও এই ম্যাচে খেলেননি তিনি, তবে পরের ম্যাচে নেইমারকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সমর্থকের মতে, দলটিকে একেবারেই চেনা ব্রাজিলের মতো লাগেনি। রাফিনহাদের খেলায় ধার ও গতি দুটোরই অভাব ছিল। অন্যদিকে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানী ভবনে মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল! সাড়ে তিন ঘণ্টার জেরা ঘিরে বাড়ছে রহস্য

সই জাল কাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড়। রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের নেতা কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা জেরার পর ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন কুণাল ঘোষ। বেরিয়ে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে এর বেশি কিছু বলতে চাননি।অন্যদিকে, রাত পর্যন্ত ভবানী ভবনেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, টানা প্রায় আট ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এই মামলায় গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করেছিল সিআইডি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সেই জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলেই রবিবার তাঁকে ফের তলব করা হয়। দুপুর বারোটার মধ্যে হাজিরার নির্দেশ থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান অভিষেক। এরপর বিভিন্ন নথি সামনে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পরে ভবানী ভবনে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। সূত্রের দাবি, প্রথমে দুজনকে আলাদা করে জেরা করা হয়। পরে অভিষেক ও কুণালকে মুখোমুখি বসিয়ে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই জেরাই চলে দীর্ঘ সময় ধরে।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কুণাল ঘোষ সরাসরি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। যদিও সেখানে যাওয়ার কারণ নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।সই জাল কাণ্ডকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এর আগে তদন্তের সূত্রে সিআইডি আধিকারিকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের পাশের দফতরেও তল্লাশি চালিয়েছিলেন। ফলে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড় শক্তিপ্রদর্শন! ওম বিড়লার বাড়িতে ১৭ সাংসদ, তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে জল্পনা

দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি রবিবার আরও নাটকীয় হয়ে উঠল। বিকেলে তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। পরে সামনে আসে একটি ছবি, যেখানে তৃণমূলের ১৭ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে একসঙ্গে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও।সূত্রের খবর, সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন ব্লক গঠনের দাবি জানাতে পারেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ তাঁদের পাশে রয়েছেন। সেই দাবিকে সামনে রেখেই তাঁরা নতুন রাজনৈতিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।রবিবার সকাল থেকেই একের পর এক সাংসদ দিল্লিতে পৌঁছতে শুরু করেন। তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চান। সেই কারণেই তিনি তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান।অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবির স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছনোর আগেই সেখানে যান তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। যদিও স্পিকারের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। তাঁরা স্পিকারের দফতরে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি জমা দেন। সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, লোকসভায় একটি রাজনৈতিক দলের দুটি পৃথক ব্লক থাকতে পারে না।এর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছন। যে ছবি সামনে এসেছে, সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, অরূপ চক্রবর্তী, দীপক অধিকারী, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার এবং মিতালি বাগ-সহ মোট ১৭ জন সাংসদকে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর সোমবারের দিকে। স্পিকারের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা কী দাবি জানান এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব কী হয়, তা নিয়েই তুঙ্গে আলোচনা।

জুন ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal