• ২২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৯ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

'২৬-এর নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম থেকেই লড়বেন মমতা? BJP নেতার দাবি জোর চর্চায়!

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ২০২৬-এর বিধানসভা ভোট। নন্দীগ্রামের রাজনীতি আবারও সরগরম। গতবছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর কঠিন লড়াইয়ে নন্দীগ্রাম হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান। যদিও এবার ভোটে কিছুই নিশ্চিত নয়, কিন্তু সময় পেরোতেই মঞ্চ সাজাতে শুরু করেছেন দুই পক্ষের অনুগামীরা।গত নির্বাচনের পর তৃণমূলের অভিযোগলোডশেডিং করে ভোট কারচুপিএখনও বিচারাধীন। সেই মামলার ফলাফল না এলেও, নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছে। প্রশ্ন জাগেকি এবারও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই নামবেন?তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কৌশলের বাইরেতমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রলয় পাল দাবি করেছেন, ২০২৬-তেও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেই সঙ্গে তিনি BJPর জয়ী হওয়ার চ্যালেঞ্জ দিয়ে রেখেছেন।বিপরীতে, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের TMC সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ দাবি করেছেন, দলের মনোনয়ন বিষয়ে শুধু দলই জানে। তবে তিনি নিশ্চিতশুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রাম থেকে আসন ছাড়বেন। তার যুক্তি, শুভেন্দুর নিজের বুথ তালিতায় তৃণমূল জিতেছে, লোকসভা ক্ষেত্রেও তিনি তৃণমূলকে ৪১২ ভোটে এগিয়ে রেখেছেন, আর পঞ্চায়েত সমিতিতেও প্রায় ২৫০০ ভোটের লিড দিয়েছেনএসব তথ্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন, শুভেন্দুর এখন নন্দীগ্রামে যা শক্তি সেটা তৃণমূলের পক্ষেই যাবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চক্রান্ত করে আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় তিনি ঘরভাড়াও নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিযোগ করেছেন,গাড়ি দাঁড় করিয়ে মন্দিরে প্রণাম করছিলাম তখন চার-পাঁচ জন আমাকে ঠেলে দেয়। তখনই আমার মুখে ও পায়ে আগাত লাগে। আপাতত কলকাতায় যাচ্ছি।এদিন হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। রাণীচকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। এদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল। বিজেপি পুরো বিষয়টা নাটক হিসাবে দেখছেন। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, এই ঘটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত। সূত্রের খবর,, ভিড়ের মধ্যে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ধাক্কা-ধাক্কিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যান মমতা। তাঁর পায়ে প্রচণ্ড চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এসএসকেএম-এ তাঁর চিকিৎসা হবে। ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বা কোনও রাজ্য পুলিশ ছিল না। বলেই অভিযোগ মমতার। জানা গগিয়েছে, খবর জানাজানি হতেই নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে।ভোটের বাংলায় এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। জেড প্লাস নিরাপত্তা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার মধ্যেই নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে কীভাবে এত মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিলেন? সব মহলেই এই প্রায় উঠেছে।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

"খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে", প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বললেন মমতা

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। কালিঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই জানিয়ে দেন পাহাড়ের তিনটে সিট গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে ছাড়া হয়েছে। বাকি ২৯১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন তিনি। এদিন তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন সুব্রত বক্সী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৫০ জন মহিলা প্রার্থী দেবে তৃণমূল। ৪২ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী হচ্ছেন। তপসিলি ৭৯ জন। মমতা বললেন, খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে। মমতা এদিন বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি নন্দীগ্রামেই দাঁড়াব। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রাসবিহারী কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হবেন দেবাশিস কুমার। অতীন ঘোষ কাশীপুর-বেলগাছিয়া, রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুর, কাঞ্চন মল্লিক উত্তরপাড়া, ইদ্রিস আলি ভগবানগোলা, রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব, সিঙ্গুর বেচারাম মান্না, মদন মিত্র কামারহাটি, বিধাননগর সিজিত বসু, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মন্তেশ্বর। বীরবাহা হাঁসদা ঝাড়গ্রা, কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী ইংরেজবাজার, উদয়ন গুহ দিনহাটা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম, হুমায়ুন কবির ডেবরা, সায়নী ঘোষ আসানসোল দক্ষি, জ্যোতিপ্রয় মল্লিক হাবড়া, অদিতি মুন্সী রাজারহাট-গোপালপুর, চিরঞ্জিত চট্টোপাধ্যায় বারাসাত, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী বাঁকড়া, সোহম চক্রবর্তী চন্ডীপুর, মনোজ তিওয়ারি শিবপুর, লাভলি মিত্র সেনারপুর দক্ষিন, অরূপ বিশ্বাস টালিগঞ্জ, অরূপ চক্রবর্তী তালডাংরা, চন্দ্রনাথ সিনহা বোলপুর, ব্রাত্য বসু দমদম, কোশানূ মুখোপাধ্যায় কৃষ্ণনগর উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার’, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতৃত্বের

হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে রেরে করে উঠেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা প্রয়োগ নিয়ে। বিজেপির কোনও নেতা টুইট করেছেন তো কেউ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছেন।বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জে জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কটাক্ষ করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে। মমতা বলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার। মমতার সভার ৪৮ ঘণ্টা আগে এখানেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। এই নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।তৃণমূলনেত্রীর হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূত কিমাকার বক্তব্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ো ফেসবুকে লেখেন, ছিঃ !!! এই একজন মূখ্যমন্ত্রীর ভাষা !! এই ভাষা বলতে আপনার যে লজ্জা করে না তা আমরা বহুদিন আগেই দেখেছিজেনেছি কিন্তু আমাদের তো লজ্জা আছে, বাঙালির তো আত্মভিমান আছে, লজ্জাও আছে !! সারা পৃথিবীর বাঙালির মাথা আপনি হেঁট করে দিচ্ছেন !! আপনি আবার নিজেকে বাংলা গর্ব বলেন???বিজেপির এই রাজ্যের কোইনচার্জ অমিত মালব্য এদিন মমতার মন্তব্যের বিরোধিতা করে টুইটে লেখেন, নিশ্চিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া হাওয়া অনুভূত হচ্ছে।পিসির তা অসহ্য লাগছে। তাই এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন। যা বাংলার সংস্কৃতি নয়। শারীরিক গঠন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন। আসলে পিসি হেরে গিয়েছেন। এদিন মধ্য কলকাতার লেবুতলা পার্কে দলীয় সভায় বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তোপ দেগেছেন। রাজীব বলেন, কখনও তুইতোকারি করছেন, কখনও বিরোধী দলের নেতার শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষ করছেন। এগুলো কী মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হওয়া উচিত?রাজনৈতিক মহলের মতে, সব কিছুকে ছাপিয়ে এবার বাঙালি, বাংলার মনীষী, বহিরাগত নিয়েই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি। একই বিষয় নিয়ে একদল আক্রমণ করছে প্রতিপক্ষ পাল্টা মন্তব্য করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত’-‘কিম্ভূতকিমাকার’, নাম না করে শাহ-মোদিকে কটাক্ষ মমতার

এখানেই দুদিন আগে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জের জনসভা থেকে নাম না করে শাহ-মোদিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্তব্য করলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার । গত সোমবার এই মাঠেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা।এই সভাতেই বাংলা চলচ্চিত্রের এক ঝাঁক তারকা তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন ঘাসফুল শিবিরে ভিড়েছেন কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া, সুদেষ্ণা রায়, মানালী দে। এছাড়াও তৃণমূলে যোগ দেন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি ও শিক্ষাবিদ অনন্যা চট্টোপাধ্যায়। এদিনও তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দিয়েছেন গোলপোস্টের নীচে তিনিই দাঁড়াবেন। একদিকে থাকবে তৃণমূল, অন্যদিকে সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি। মমতার দাবি, সব ওপর দিয়ে চলে যাবে। একটা বলও গোলপোস্টে ঢুকবে না।তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ভাবা যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। এদেশে এখন দুটো নেতা, একটা হোঁদল কুতকুত। আরেকটা কিম্ভূতকিমাকার। আমি এর ইংরেজি, হিন্দি জানি না। এদিকে মঙ্গলবারই অভিষেকের বাড়িতে কয়লাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়েছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করে সাংসদপত্নী রুজিরাকে। সিবিআই আসার আগে মমতা পৌঁছান তাঁর ভাইপোর বাড়িতে। এদিন মমতা বলেন, ঘরে ঢুকে বাইশ-তেইশ বছরের এক বউকে কয়লা চোর বলছে। আর কয়লা চোরেদের নিজেরা কোলে করে ঘুরছেন। আমার বাড়ির মা-বোনেরা কয়লা চোর? তোমার সারা গায়ে ময়লা। নোটবন্দির ময়লা।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীও বলছেন খেলা হবে, কী ভূমিকা নেবেন মমতা?

খেলা হবে স্লোগানে মাতোয়ারা বাংলার রাজনীতি। ডান-বাম সব পক্ষই বলছে খেলা হবে। কী খেলা হবে তা কেউ ব্যাখ্যা করছে না। তবে খেলায় জিতব বলে সকলেই দাবি করছে। এরই মধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন তিনি খেলবেন গোলরক্ষকের ভূমিকায়। তিনি যে কারও চমকানি ধমকানিতে ভয় পান না, ফের হুঁশিয়ার করেছেন মমতা। তাছাড়া জয় বাংলা স্লোগান যে বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান দিয়েছেন সেকথাও স্মরণ করিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।খেলা হবে-তে তিনি থাকছেন বলেই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা বলেছেন, একুশেই চ্যালেঞ্জ হবে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম দেখি কার জোর কত বেশি। একুশে একটাই খেলা হবে, আমি থাকব গোলরক্ষক। কারা হারে কারা জেতে সেটা আমি দেখতে চাই। জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ করে আসছে পদ্মশিবির। এটা বাংলাদেশের স্লোগান বলেই বিজেপির দাবি। সেই দাবিকেই সিলমোহর দিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, যদি জেলে পাঠিয়ে দেয় তাহলেও আমি জেল থেকে ডাক দেব বঙ্গবন্ধুর মতো জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় বাংলা, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম। হারতে আমরা শিখিনি আমরা হারব না। হারাতে আমাদের পারবে না। এটাই আমাদের ভাষা দিবসে আমাদের শপথ। ভাষা দিবসের অঙ্গীকার।ভাষা দিবসে মমতার আক্ষেপ কেন এই রাজ্যের নাম বাংলা হবে না। এটা তো রাজ্য বা প্রদেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে মিলবে কেন? বলেন মমতা। তিনি বলেন, ওড়িষা হবে, বাংলা হবে না। বরাবরই বাংলার প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ। এটাতো বাংলা রাজ্য। বাংলাদেশ তো নয়। পাকিস্তানেও তো পাঞ্জাব আছে। তাতে কী হয়েছে। নেতাজি সুভাষ বোস, রবীন্দ্রনাথকে অবহেলিত হতে হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, বাংলা মানেই বাঙ্গাল ওতো সবসে জাদা খারাপ হ্যায়। বাঙাল বলেছে কাঙাল বলেছে কত কিছু বলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
দেশ

'দম বন্ধ হয়ে আসছে', রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দীনেশ ত্রিবেদীর, পদ্মশিবিরে যোগ?

রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী পদত্যাগের কথা জানিয়ে দিলেন অধিবেশনেই। শুক্রবার দীনেশ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বাংলায় মানুষের উপর অত্যাচার চলছে। এভাবে আর চুপ করে থাকা যায় না। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। আমার অন্তরাত্মা ডাক দিয়েছে। আমি রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। হঠাৎই তাঁর এই ঘোষণায় হইচই শুরু হয়ে যায়। শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে তিনি কি পদ্মশিবিরে যোগ দিতেচলেছে? এ দিন দীনেশ ত্রিবেদী বিবেকানন্দের উক্তি ও পড়ে শোনান। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আমরা রাজ্যসভায় বসে আছি। অথচ মানুষের উপর যে অত্যাচার, অন্যায় হচ্ছে তার জন্য কিছু করতে পারছি না। এটা মেনে নেওয়া যায় না। দীনেশ ত্রিবেদীর ইস্তফা প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বক্তব্য, এটা দুর্ভাগ্যজনক। তবে তিনি একেবারেই অসন্তোষের কথা বলেননি তাও নয়। তবে নির্বাচনের মুখে এভাবে দল ছেড়ে চলে গেলে অসুবিধা হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দীনেশ ত্রিবেদীর ইস্তফাকে স্বাগত জানিয়েছেন। রাজ্যসভার এই তৃণমূল সাংসদ পদত্যাগ করায় বেজায় খুশি ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তিনিও স্বাগত জানিয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদীকে। উল্লেখ্, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে অর্জুন সিংয়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
রাজনীতি

ভোটে দাঁড়াবেন না রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, তিন লাইনের চিঠি মমতাকে

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মাটি উৎসবের মঞ্চে হাজির ছিলেন না। বুধবার সকালে সরাসরি টুইট করে রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি লড়বেন না। গত ৩০ জানুয়ারি বর্ধমান দক্ষিণের দুইবারের বিধায়ক চিঠি লিখে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন। এই খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত বাংলার অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে অবশ্য দলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রার্থী হিসাবে ডা. স্বরূপ দত্তের নাম ঘোষণা করেছিল। তাঁকে প্রার্থী করা নিয়ে দলের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। বর্ধমানে দলের একাংশ স্বরূপ দত্তের নামে প্রচারও শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু পরে তাঁকে বদলে প্রার্থী করা হয় রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়কে। জয় পেয়ে রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রীও হয়ে যান রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। এখনও তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রয়েছেন।আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রী @MamataOfficial কেও এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি।আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীদের ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। pic.twitter.com/h0CYEUZCtW Rabiranjan Chattopadhyay (@RabiranjanChat1) February 10, 2021এদিন প্রবীণ এই তৃণমূল বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রীকে এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি। আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীকে ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। এই টুইটের পরেই বর্ধমান শহরে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে রীতিমতো জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।সম্প্রতি বর্ধমানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এক গোষ্ঠী মিছিল করলেই আরেক গোষ্ঠী পাল্টা মিছিল করেছে। এদিকে বর্ধমানের প্রাক্তন পুরপতি আইনুল হক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তাঁর দলে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহী হয়েছেন আরেক তৃণমূল নেতা খোকন দাস। প্রকাশ্যে বিরোধিতাও করেছেন। বর্ধমান শহরে গোষ্ঠীকলহের জেরে সংঘর্ষও হয়েছে। দলবল নিয়ে থানা ঘেরাও করেছেন খোকন দাস। এককথায় নজীরবিহীন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায় বর্ধমান শহরে। দলের একাংশ মনে করেন, কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই কখনও সামলাতে পারেননি রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। ২০১৬ তে বিধায়ক হওয়ার পর দল রবিবাবুকে আর মন্ত্রীও করেনি। শোনা যায় ক্রমশ দলনেত্রীর সঙ্গেও তাঁর দূরত্ব বেড়ে গিয়েছিল। শেষমেশ রবিরঞ্জনবাবু টুইট করে ঘোষণা করে দিলেন তিনি আর প্রার্থী হবেন না।বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, আইনুল ও খোকন শিবির প্রার্থীপদের প্রত্যাশী। তার মধ্যেই বেড়েছে বিজেপি। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে জিতলেও বর্ধমান দক্ষিণে সামান্য ভোটে পিছিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। এই ফলাফলে উৎসাহিত বিজেপি আসন্ন নির্বাচনে টার্গেট করেছে এই আসনটিকেও।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজনীতি

"ভাল হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে", তোপ তৃণমূল সুপ্রিমোর

কালনায় দলীয় জনসভা করার পর বর্ধমানে মাটি উৎসবে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি মুর্শিদাবাদে জনসভা করেন।রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাধিক তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে ভিড়েছেন। মঙ্গলবার কালনার জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভাল। কয়েকটা দুষ্টু গরু হাম্বা হাম্বা ডাকতে ডাকতে ইদার উধার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেদের দুর্নীতি চাপা দেওয়ার জন্য তারা গেছেন। ভালো হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে। যাঁরা তৃণমূলে থেকে খারাপ করে তাদের তৃণমূল কংগ্রেসের থাকার প্রয়োজন নেই।কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কালনা বিধানসভা আসন এবার তাই তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জ। নাম না করে বিঁধেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও। কালনায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, বুঝে তো নিতেই হবে বিজেপি পার্টিকে। যে পার্টিটা কোনও ধর্ম জানে না। জানে না হিন্দু ধর্মের মধ্যে কত ধর্ম আছে। স্বামী বিবেকানন্দকে বিবেকানন্দ ঠাকুর বলে দিচ্ছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদবী বসিয়ে দিচ্ছেন।কৃষি ভান্ডারে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, কৃষকদের জন্য কি কি করছে রাজ্য সরকার। ধান প্রতিবার কেনা হবে বলেও ঘোষনা করেন মমতা। পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বলেন, বিজেপি টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। টাকা দিলে খেয়ে নেবেন। মুরগির মাংস খেয়ে নেবেন। বিজেপি গোঁজামিল পার্টি। শুধু মিথ্যা কথা বলে। বিজেপি থেকে সাবধান। ঠাকুরঘরে তৃণমূলের জোড়াফুল চিহ্নে পুজো দিয়ে বাড়ি থেকে বাইরে বের হন হলে জানান মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

অভিষেকগড়ে শুভেন্দুর হানা, তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে

বারুইপুরের জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিলেন ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদার। তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও প্রায় ১৬ জন তৃণমূল নেতা। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই যোগদানের মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধস নামল, যা বিধানসভা ভোটের আগে নিঃসন্দেহে ধাক্কা তৃণমূল শিবিরের কাছে। সভায় চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দ। বেশ কয়েকদিন ধরেই ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদারকে নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের প্রথমে তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান বিজেপির কলকাতা সংগঠনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ এই সৈনিক নিজের রাজনৈতিক শিবির বদল নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁর গতিপ্রকৃতি বুঝতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন। স্পিডপোস্টে নিজের ইস্তফা পাঠান দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে। আর পুরনো পরিচয় থেকে বেরিয়ে এসে ২ তারিখই নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে পা রাখলেন দীপক হালদার।মঙ্গলবার বারুইপুরে বিজেপির যোগদান মেলায় মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন দীপক হালদার।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

"উত্তরবঙ্গে গোহারা হেরেছি, প্লিজ এবার পুষিয়ে দেবেন তো!", আবেগপ্রবণ তৃণমূল সুপ্রিমো

উত্তরবঙ্গ উদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি আসনেই পদ্ম পতাকা উড়েছিল। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারে আবেগপ্রবণ হয়ে পুষিয়ে দেওয়া ডাক দিলেন তৃণমূলনেত্রী। যদিও বিজেপির বক্তব্য, লোকসভায় উত্তরবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফিরিয়েছে এবার একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফেরাবে।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পরাজয় নিয়েও আপশোষ নেই বলেও জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার তৃণমূল নেত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে আমরা গোহারা হেরেছি। তাতে আমার কোনও লজ্জা নেই। তবে এবার আপনারা পুষিয়ে দেবেন। প্লিজ পুষিয়ে দেবেন তো! এভাবেই মমতা আবেদন জানান উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে। একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গে আগে কেউ আসত না। সকলে উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করত। আমি কিন্তু প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসি। এবারের বিধানসভা নির্বাচনও যে অত্যন্ত কঠিন লড়াই তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট।এর আগে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে গিয়েছেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। উদ্দেশ্য একটাই হৃত জমি পুনরুদ্ধার করা। এদিকে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গ শুধু নয় দক্ষিণবঙ্গে এবার তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিরর কাছে পরাজিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দবি মমতার

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, কৃষকদের দাবি মেনে নিক। তা নাহলে গদি ছাড়ুক। বিজেপি ভাষা বিভেদ করছে বলেও দাবি করেছেন তৃণমূলনেত্রী।তৃণমূল কোনও ভাষাবিভেদ করে না বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি বলেন, আমরা ভাষা নিয়ে বৈষম্য করি না। ভাষা নিয়ে কোনও বিভাজন করি না। পাঞ্জাবের কৃষকরা লড়াই করছে তাঁদের পাশে আছি বলেও তিনি জানান। তাছাড়াও তিনি রাজস্থান, জাঠ, হরিয়ানার কৃষকদের আন্দোলনের সঙ্গে আছেন তাও জানিয়ে দেন। মমতার বক্তব্য, বাংলায় হিন্দু-মুসলিম নিয়ে রাজনীতি করলে কোনও ফায়দা হবে না বলে বাঙালি-অবাঙালি বিভাজন করছে বিজেপি।কীভাবে তৃণমূল কংগ্রেস হিন্দি ভাষীদের পাশে আছে সেকথাও জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বলেন, তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গে হিন্দিকে প্রথম সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। তৃণমূল সরকার ছট পুজোর জন্য দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এবং হোলির জন্যও ছুটি ঘোষণা করেছে। আমরা হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয় এবং হিন্দি কলেজ তৈরি করেছি, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছি এবং তাঁদের জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করছি। আমরা ভবিষ্যতে আরও কিছু করব।তৃণমূল ভবনে হিন্দিভাষীদের ওই অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, আমার বিহারী, পাঞ্জাবী, রাজস্থানী, উত্তর প্রদেশের ভাই বোনেরা, বলুন তো আপনাদের এই বাংলায়, তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের আমলে কোনও সমস্যায় পড়তে হয়েছে? আমি কিন্তু হিন্দি পড়তে পারি।আমরা হিন্দি, কুরমি, উর্দু ভাষাকে মান্যতা দিয়েছি বাঙালিদের যদি বাংলা ভাষা শেখার অধিকার থাকে তাহলে অন্যান্য ভাষারও একই অধিকার আছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপি ও সিপিএমের সভায় লোক পাঠাবেন তৃণমূলনেত্রী

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী এই অভিযোগ করে আসছেন। বনগাঁর সভাতেও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোস্টার নিয়ে একদল মানুষ তৃণমূল নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে। সোমবার নন্দীগ্রামের সভাতেও যাওয়ার পথে চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মঙ্গলবার পুরুলিয়ার জনসভায় বেতন বৃদ্ধির দাবি করতে থাকেন একদল মানুষ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বারেবারে তাঁর সভায় পরিকল্পনা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, প্রতি জায়গায় গিয়ে এরকম বদমায়েশি করে দুএকজন। কেউ পাঠিয়ে দেয়। আপনার বক্তব্য থাকলে কাগজে লিখে দেবেন। মিটিংয়ের মধ্যে ডিস্টার্ব করবেন না। এক লক্ষ লোকের মধ্যে ১০ জন। বসুন। এখানে বললে একটি কাজও করব না। আমাকে চিঠি লিখে দিতে হবে। সভা নষ্ট করার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে?মমতার অভিযোগ, বিজেপি লোক পাঠিয়ে জনসভা ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছে। প্রয়োজনে অ্যাকশন নেওয়া হবে তিনি জানিয়ে দেন। তৃণমূল নেত্রী বলেন, প্রতিদিন আমার মিটিংয়ে বিজেপি শিখিয়ে দিচ্ছেন আর করছেন। এসব আমি বুঝি। আমি এবার থেকে বিজেপির মিটিংয়ে লোক পাঠিয়ে দেব। সিপিএমের মিটিংয়েও লোক পাঠিয়ে দেব। চালাকি বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় পোস্টার, ব্যানার নিয়ে গিয়ে দাবি-দাওয়া জানাতে হাজির হয়ে যাচ্ছেন একদল। সহজেই মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। মমতা বলেন, যদি কারও কোনও দাবি-দাওয়া থাকে তাহলে সেটা চিঠি দিয়ে জানাতে পারেন। কিন্তু এটা কোন পদ্ধতি নয়। এরকম করলে আমি কিছু করব না। যদিও পরে মমতা বলেন, আমি একটু বকাঝকা করেছি কিছু মনে করবেন না। আপনাদের দাবিপত্র নেওয়ার ব্যবস্থা করছি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজনীতি

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে সেরা বাজি মমতার, তৃণমূলনেত্রীই নন্দীগ্রামে প্রার্থী

২০২১ বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে যে মরণ-বাঁচন লড়াই তা নন্দীগ্রামের জনসভায় তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট। এই বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থী হতে চেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে আমি প্রার্থী হলে কেমন হয়। দলকে আমি বলব এই নন্দীগ্রামে আমার নাম রাখতে। আবেগে ভেসে তিনি এই কথা বলেন বলেও জানিয়ে দেন। শেনা মাত্রই মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দেন ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, আমাকে ২৯৪ কেন্দ্রে ঘুরতে হবে। আপনারা এই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়াও নন্দীগ্রামে একগুচ্ছ উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শহিদ ও নিখোঁজ পরিবারের হাতে মাসে ১ হাজার টাকা পেনশন দেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, তোপ অভিষেকের

নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সভা-সমাবেশে বক্তব্যে ঝড় বইছে। বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য চলছে। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরে এক জনসভায় বিজেপিকে একহাত নিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ সরাসরি আক্রমণ করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে।অভিষেক এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বহিরাগতদের নিয়ে এসে বাংলার ঐতিহ্য, কৃষ্টি নষ্ট করতে চাইছে। ভোট নেওয়ার সময় বিজেপি আসে। পরিষেবা দেয় তৃণমূল। চোর, ছেঁচড়, চিটিংবাজরা সবাই বিজেপিতে গিয়েছে। বাংলায় নির্বাচন হবে, পরিযায়ী নেতারা এখানে এসে জুড়ে বসবেন। এখানকার সাংসদ সুকান্ত মুজমদার বলেছেন, আমি বহিরাগত। বাংলায় জন্ম, বাংলায় কথা বলি, ব্রাহ্মন সন্তান আমি বহিরাগত? ইন্দোরের কৈলাস বিজয়বর্গীয় বাংলা বলতে পারে না, বাংলা লিখতে পারে না, বাংলা পড়তে পারে না, তিনি দিনাজপুরের বা বাংলার ভূমিপুত্র? চাটুকারিতা আর তল্পিবাহক হয়ে গিয়ে বাংলাকে গুজরাট ও দিল্লির হাতে বন্ধক রাখতে চলেছে।বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে আক্রমণের সময় নাম না করে ভাইপো সম্বোধন করছেন। তোলাবাজ ভাইপো বলছেন সদ্য বিজেপি যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও{ অভিষেক বলেন, কথায় কথায় আমাকে আক্রমণ করছে। বলছে তোলাবাজ ভাইপো হঠাও। আমার তোলাবাজি কেউ যদি প্রমান করতে পারে, কোনওরকম তোলাবাজির সঙ্গে আমি বিন্দুমাত্র জড়িত তাহলে আমার পিছনে ইডি, সিবিআই করতে হবে না একটা ফাঁসির মঞ্চ করবেন। আমি গিয়ে মৃত্যুবরণ করে নেব।নাম নিয়ে কথা বলার বুকের পাটা নেই। বলে ভাইপো। ভাইপো বললে মামলা করা যায় না।অভিষেক বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, নাম নিয়ে কথা বলতে পারে না। আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, আমি নাম করে বলছি দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, অমিত শাহ বহিরাগত, বিজেপির দিল্লির নেতারা বহিরাগত। তোমার ক্ষমতা থাকলে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে দেখাও। জেলে ঢোকাও।শুভেন্দু সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলছেন বাংলাটাকে নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দিতে হবে। বিজেপি এলে এসএসসি হবে, টেট হবে, চাকরি হবে যুবকদের। অভিষেক বলেন, বাংলা কী একটা বস্তু। তাহলে চুরি করতে সুবিধা হবে। অভিষেক নাম না করে এদিন তোলাবাজ নিয়ে প্রশ্ন করেন হাজির জনতাকে। তিনি প্রশ্ন করেন, আপনারা টিভির পর্দায় কাকে টাকা নিতে দেখেছেন? একটু জোরে? জবাব আসে, শুভেন্দু অধিকারীকে। একাধিকবার একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে থাতেন। কিন্তু নিজে নাম নেননি মুখে। এদিকে শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা তোপ দেগেছেন বিনয় মিশ্রকে নিয়ে। শুভেন্দুর বক্তব্য, তৃণমূল যুবার সহসভাপতি ছিলেন, তারপর ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। টুইট করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শুভেন্দুর প্রশ্ন, বিনয় মিশ্রের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক?

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজনীতি

মন্ত্রী, বিধায়ক বা প্রক্তন মেয়র নয়, ক্ষোভ উগরে দিতে সাংবাদিক বৈঠক হাওড়ার পঞ্চায়েত প্রধানের

এবারে বিস্ফোরক তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। নাম করে সরাসরি আক্রমণ অরূপ রায়কে। দলের ওই ভাঙনের জন্যে দায়ী করলেন মন্ত্রী অরূপ রায়কে। একের পর এক তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসছে। মঙ্গলবার দলের সভাপতি ও মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন হাওড়ার মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এদিকে বুধবার সকালে হাওড়ার মহানাগরিক বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ রথীন চক্রবর্তীর পরে নাম করে জেলা সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায়কে সরাসরি দলের ভাঙনের জন্য দায়ী করলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধান। বুধরার নিজের অফিসে বসেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের কান্ডারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন জগদিশপুরের পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা। হাওড়ায় দলের ভাঙ্গন আরো বড় হবে। এরজন্যে সরাসরি জেলা সদরের তৃণমূল চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করেন তিনি। আগামিদিনে হাওড়ার মানুষ স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন গোবিন্দ হাজরা। আধিকারিকরা ঠিকভাবে কাজ করছে না। সকালে জানানো হচ্ছে আগামীকাল স্বাস্থ্য সাথি কার্ডের জন্যে ছবি তোলা হবে। লিস্ট ধরে সারাদিন ধরে ফোন করে ২হাজার মানুষকে সেই কথা জানানোর পরে রাত ৮টার সময়ে বিডিও অফিস থেকে আবার জানানো হচ্ছে কিট না আসায় আগামীকাল ছবি তোলা যাবে না। মানুষ ভোর চারটে থেকে লাইন দিয়ে তারপরে এই কথা জানতে পারছেন। এত বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বাস্থ্য সাথীর কথা প্রচার করে মানুষকে পরিষেবা দিতে না পারলে ভোটের বাক্সে তার প্রতিফলন পড়বে বলেও মনে করেন তিনি। আগামী দিনে দলে আরো বড় ভাঙন আসতে পারে বলেও অভিমত ব্যাক্ত করেন তিনি। ক্ষমতায় আসার পরে সরকার ভালো কাজ করলেও বর্তমানে সরকারি কাজ ভালো হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের এক বিধায়ক কল্যান বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে গোবিন্দ হাজরা বলেন, ওনাকে আমি ঘৃনা করি। পাশাপাশি তিনি জানান, দিদি আমাকে কোর কমিটির সদস্য করেন। কালেঘাটে দিদির মিটিং এ ডাক পেলেও হাওড়ায় অরূপ রায়ের মিটিং এ ডাক পেতেন না বলে অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা কমিটির বর্তমান সদস্যদের চোর গুন্ডা বলে অবিহিত করেন। ভালো লোকদের নিয়ে কমিটি করলে দলের এমন হাল হতো না। চোর গুন্ডাদের নিয়ে কমিটি নিয়েছেন অরূপ রায়। হাওড়ায় ভরাডুবি অনিবার্য। নতুন সভাপতি প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ভরাডুবির দায় থেকে নিজের বাঁচার তাগিদে অন্যের কাঁধে বন্দুক রাখা। যদিও আগামীদিনে দল বদল করবেন কি না তা স্পষ্ট করেন নি গোবিন্দ হাজরা। পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি। এদিন সকালে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মূখ খোলেন হাওড়ার প্রাক্তন তৃণমূল মেয়র ডঃ রথীন চক্রবর্তী। তৃণমূল দল থেকে বিদায় নিয়েছে সৌজন্যবোধ এই ভাষায় নিজের ক্ষোভ ব্যাক্ত করেন তিনি। তিনি আরো জানান, হাওড়ার মানুষের জন্যে যে জল প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি, সেই প্রকল্পের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় এই ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তৃণমূল দলকে প্রাইভেট কোম্পানির সাথে তুলনা করে বলেন এখানে শুধুমাত্র নেতার ঘনিষ্ঠ কারো কথা শুনে চলাই রীতি। অন্য কিছুই দেখা বা শোনা হয়না। চোখ কান ইত্যাদি ইন্দ্রিয় গুলো ঢাকা পড়ে রয়েছে এমন মন্তব্য করেন প্রাক্তন মহানাগরিক। এখানে যারা কাজ করে তাদের এক ঘরে করে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়। যারা কাজ করে তারা ব্যাকসিটে চলে যায়। আগামী দিনে যেখানে থেকে মানুষের সেবা করা যাবে, মানুষের কাজ করা যাবে, সেখানেই সে তার পাশেই তিনি থাকবেন বলেও জানান তিনি। হাওড়া জেলা সদর সভাপতির পদ থেকে ও মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষীরতন শুক্লা জানানোর পরেই একে একে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মূখ খুলছেন অনেকেই। এদিকে নবনিযুক্ত তৃণমূল সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্য সকলকে নিয়ে চলতে চাইছেন। মান-অভিমান ভুলে আলোচনা করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

অনুব্রত মন্ডলের মাথায় রুপোর মুকুট, কটাক্ষ দিলীপের

কেউ বলছেন ঝেঁটিয়ে সাফ করে দিন। কেউ বলছেন থেকে ঠেঙিয়ে পগার পার করে দিন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে জানুয়ারির প্রথমেই তাপ উত্তাপ চরমে উঠেছে। এসবের মাঝেই বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডল মাথায় রুপোর মুকুট পড়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।কোথায় পেলেন এই মুকুট? অনুব্রত গিয়েছিলেন নানুরের একটি মেলাতে। সেই মিলন মেলায় উদ্যোক্তারা তাঁকে একটি দু কেজি ওজনের রুপোর মুকুট উপহার দেন। তিনি সেই রুপোর মুকুট পরে মঞ্চে বসেছিলেন। সেই দৃশ্য দেখতে মঞ্চের সামনে হাজির জনতা হা করে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলেন। অদ্ভুত সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।মুকুট পরে হালকা মেজাজে থাকলেও বিজেপির বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিতে ছাড়েননি বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর হুঁশিয়ারি, ঠেঙিয়ে বিজেপিকে পগার পার করে দিন। এডাল থেকে ওডাল উঠলেই হবে নাকি। বড় হনু নাকি? মন্তব্য অনুব্রতর।এদিকে তাঁর মাথায় রুপোর মুকুট দেখে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর মুখ বন্ধ করে রাখতে পারেননি। তিনি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অনুব্রত মন্ডলকে। দিলিপের বক্তব্য, রাজ্য, রাজ্যপাট চলে যাবে। আর মুকুট পরার সময় পাবে না। তাই আগেভাগেই মুকুট পড়ে নিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত রুপোর মুকুট নিয়ে রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

কর্মসূচি ঘোষণা করে পগার পার! বলছে পরে কর্মসূচি করব। আমরাও তার পরে করব। ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অন্তত ১ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। ভোটের পর আমিও দেখিও দেব নন্দীগ্রামের মানুষ আমার সঙ্গে আছেন কিনা। আজ বজরঙ্গবলীর মন্দির চত্ত্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমার ছবিতে কালি লেপছে, ছবি ছিঁড়ছে। আমি এখানকার কাউকে দোষ দিই না। তোলাবাজ ভাইপোর অফিস থেকে এ সব করে ছবি পাঠাতে বলছে। আমি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী। মানুষের সেবার কথা সব সময় বলি। আমি যে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা আজ ফের এখানে এসে বুঝলাম। তিনি বলেন, এটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সেখানে আসার সময় ভুতা মোড়ে যে হামলা হয়েছে হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। আমাদের দুর্বল ভাবার কারণ নেই। খড়দহে দলীয় কর্মসূচি সেরে আমি নন্দীগ্রাম ফিরব। যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সেখানে আমার মন পড়ে আছে। বিজেপিতে যোগদানের পর এদিন প্রথম নন্দীগ্রামে গেলেন শুভেন্দুবাবু। অরাজনৈতিক ধর্মীয় রোড শো ঘিরে নন্দীগ্রামে ফের জনসমুদ্র বুঝিয়ে দিল, মানুষ রয়েছেন জননেতার সঙ্গেই।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

তাজপুর থেকে সিঙ্গুর: নতুন কর্মপথ, নতুন দিশা

বড়দিনের আগেই রাজ্যে নতুন বিনিয়োগ ও বিপুল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কথা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ তিনি বলেন, তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করছে রাজ্য সরকার। আন্তর্জাতিক টেন্ডার ডাকা হচ্ছে। ৪,২০০ কোটি টাকার প্রকল্প। আমরা কোথাও জোর করে কোনও জমি অধিগ্রহণ করি না। এই বন্দর তৈরি হলে ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে। ২৫ হাজার কর্মসংস্থান হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের বিপুল প্রসার ঘটবে। দেশে লৌহ-ইস্পাত রফতানির ১৩ শতাংশ হয় এই রাজ্যে। বন্দর হলে তা বৃদ্ধি পাবে। খড়গপুর ও সংলগ্ন এলাকায় ইস্পাত শিল্পের রফতানি বৃদ্ধি পাবে। দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমানে নতুন কর্মপথ, নতুন দিশা তৈরি হবে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-সহ বিভিন্ন দেশে সি-ফুড রফতানি বাড়বে। মৎস্যজীবীরা উপকৃত হবেন, বহু মানুষ কাজ পাবেন। এটা একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সিঙ্গুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরির ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কৃষি আর শিল্প একসঙ্গে, এটা আমি হাসি আর খুশি বলে থাকি। অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে উঠবে এখানে। রেল স্টেশন ও ট্রমা কেয়ার সেন্টারের কাছে ১১ একর জমিতে শিল্প পার্ক গড়ে উঠবে। উৎপাদিত ফসল বিক্রি, প্রদর্শনী, ডিসপ্লে আইটেম তৈরি ইত্যাদি ব্যবস্থা থাকবে। ১০ থেকে ৩০ কাঠা জমি প্লট করে শিল্পপতিদের দেওয়া হবে। পানাগড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে ধানুকা ধানসেরি গোষ্ঠী। সিলিকন ভ্যালিতেও জমি পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া মসৃণ করছে হিডকো, আইটি ক্ষেত্রে জোর দিচ্ছি। উইপ্রো, ইনফোসিস লগ্নি করার কথা জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য চিত্র! চার হাজার ডলারের টিকিট নেমে এল প্রায় এক তৃতীয়াংশে, আসল কারণ জানলে চমকে যাবেন

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব মানেই সাধারণত টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে একেবারে উল্টো ছবি। কয়েক দিন আগেও যে টিকিটের দাম প্রায় চার হাজার মার্কিন ডলার ছুঁয়েছিল, এখন সেই টিকিটের দাম অনেকটাই কমে গিয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে অনেক ফুটবলপ্রেমীরই প্রশ্ন, হঠাৎ কেন এমন হল?টিকিট বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ও বেলজিয়ামের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের দাম প্রায় দুই হাজার নয়শো পঞ্চাশ মার্কিন ডলার থেকে নেমে প্রায় এক হাজার দুইশো ডলারে এসেছে। অনেকের মতে, আয়োজক দেশ আমেরিকা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারলে টিকিটের চাহিদা এবং দাম দুটোই অনেক বেশি থাকত। কিন্তু শেষ ষোলোয় বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।পর্তুগালের বিদায়ও টিকিট বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। স্পেনের কাছে হেরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দল ছিটকে যাওয়ায় সম্ভাব্য বড় আকর্ষণের ম্যাচ আর হচ্ছে না। ফলে দর্শকদের আগ্রহও কমেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে ফ্রান্স ও মরক্কোর কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের টিকিট চারটি ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এই ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য এক হাজার ডলারেরও কম।এর আগেও আমেরিকা ও বেলজিয়ামের শেষ ষোলোর ম্যাচের টিকিটের দাম ওঠানামা করেছিল। একসময় সেই ম্যাচের টিকিটের মূল্য চার হাজার মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছলেও পরে তা অনেকটাই নেমে আসে। আমেরিকা শেষ ষোলোয় ওঠার পর কিছু সময়ের জন্য দাম বাড়লেও পরে আবার কমতে শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যেই টিকিটের মূল্য প্রায় এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় তারকা এবং জনপ্রিয় দলগুলির বিদায় টিকিটের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। ব্রাজিল, পর্তুগাল এবং আয়োজক আমেরিকার বিদায়ের পর অনেক দর্শক আর মাঠে যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কানাডার বিদায়ের পরও সংশ্লিষ্ট ম্যাচের টিকিটের দাম কমে যায়।তবে এখনও অনেকের বিশ্বাস, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা যত এগোবে, ততই বিশ্বকাপে আবার দর্শকদের আগ্রহ বাড়বে। ফুটবলপ্রেমীদের আশা, মেসির ম্যাচ ঘিরেই আবার গ্যালারি ভরে উঠবে এবং টিকিটের চাহিদাও নতুন করে বাড়বে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বারুইপুরের পর ফের পুকুর থেকে দেহ উদ্ধার! কলকাতায় রহস্য ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য

খাস কলকাতায় ফের রহস্যজনক দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকালে পর্ণশ্রী থানার অধীন ইউনিক পার্ক এলাকার একটি পুকুর থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরে দেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিদ্যাসাগর হাসপাতালে পাঠায়।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি এলাকার বাসিন্দা নন। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের সন্দেহ, ওই ব্যক্তিকে অন্য কোথাও খুন করার পর দেহটি এনে এই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।গত কয়েক দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জলাশয় থেকে দেহ উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার বারুইপুরে পুকুর থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তার পর সোমবার অশোকনগরের একটি জলাশয় থেকেও এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার বেহালা এলাকায় পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের পরিচয়, মৃত্যুর কারণ এবং এর পিছনে কোনও অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত চলছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মমতা! নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড়, তোলপাড় রাজনীতি

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের ডাকা মিছিল ঘিরে হাজরায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হলেও কিছু দূর এগোতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির সামনে তখন বিপুল ভিড় জমে যায়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সামনে থাকা নিজের দলের এক কর্মীকে সপাটে চড় মারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা থামাতে আরও কয়েকজন কর্মীকেও ধাক্কা ও চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।মিছিল চলাকালীন এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ, একদিকে চোর চোর স্লোগান ওঠে, অন্যদিকে রাস্তার পাশ থেকে কটাক্ষ করে গান বাজানো হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, তাদের একাধিক কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন।ঘটনার পর বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছেন এবং সেই কারণেই এমন আচরণ করছেন। যদিও এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই ছাত্র ও যুবরা মিছিল করেছে এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সকলের রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখারও দাবি জানান।বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের এক ঘোষণায় চাপে ভারত? তুরস্ককে যুদ্ধবিমান দেওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। তুরস্কের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, তুরস্ককে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের বৈঠকে ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে। তিনি স্পষ্ট জানান, তুরস্কের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং যুদ্ধবিমান দেওয়ার বিষয়েও ইতিবাচকভাবে ভাবা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পর তুরস্কের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিরই এবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সামরিক প্রকল্পে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে। ফলে তুরস্কের হাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি এলে ভবিষ্যতে তার প্রভাব পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বহু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই তুরস্কের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পেলে তা ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই কারণেই দিল্লি গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত সহযোগিতা অনেকটাই বৃদ্ধি করেছে নয়াদিল্লি। তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক গ্রিস সফরেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল। ফলে আমেরিকা-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যেই ভারতও নিজের কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

অপরাধীদের আর কোনও ছাড় নয়....! বারুইপুরে এনকাউন্টার নিয়ে বিস্ফোরক শমীক

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেই সময় চারপাশে প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকার ছিল। অভিযোগ, ওই সুযোগে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত একটি গুলিও চালায়। এরপর আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অপরাধীদের কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি কামদুনি মামলার তদন্ত নতুন করে শুরু করার দাবিও জানান। বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকারও বলেন, অভিযুক্তের মৃত্যু এক ধরনের কঠোর বিচার বলে তিনি মনে করেন।এদিকে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এসেছে অত্যন্ত নৃশংস ঘটনার ছবি। সূত্রের দাবি, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর মাথায় আঘাত করা হয়। তারপর তাকে জলে ফেলে দেওয়া হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, জলে ডুবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, এই মামলার তদন্ত দ্রুত এগোচ্ছে। ধৃত অন্য অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে গভীর রাতে বড় মোড়! এনকাউন্টারে মৃত্যু অভিযুক্তের, যা বললেন নিহত নাবালিকার বাবা

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া জানালেন নিহত নাবালিকার বাবা। তিনি জানান, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের তদন্তের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসেও তিনি সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের দাবি, পালানোর সময় সে এক রাউন্ড গুলিও চালায়। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অভিযুক্তের মৃত্যুর পর নিহত নাবালিকার বাবা বলেন, পুলিশের উপর তাঁর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। সেই প্রতিশ্রুতির উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁর কথায়, পুলিশ না থাকলে তদন্ত এত দ্রুত এগোত না। তিনি আরও বলেন, তদন্তে এখনও যাঁরা জড়িত, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাঁর একমাত্র দাবি, এই নৃশংস অপরাধে জড়িত প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।নিহত নাবালিকার এক আত্মীয়ও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও তাঁদের জানানো হয়েছে।এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠিক কী কারণে পুলিশ এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছিল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তদন্তে বড় মোড় এসেছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম এক অভিযুক্তের। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করার পাশাপাশি এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে সে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে আচমকা পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর বন্দুক কেড়ে নিয়ে এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। সেই গুলিতেই অভিযুক্ত গুরুতর জখম হয়।পুলিশ জানিয়েছে, আহত অবস্থায় অভিযুক্তকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই অভিযুক্তকেই আগে প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে নাবালিকার সঙ্গে শেষবার দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের সময়ও ওই অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং পুকুর থেকে দেহ উদ্ধারে পুলিশকে সাহায্য করেছিল।উল্লেখ্য, শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত বিচার এবং দোষীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছিলেন।এদিকে একই মামলায় বড় সাফল্য পেয়েছে তদন্তকারী দল। এতদিন পলাতক থাকা চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ বাহিনী, জেলা পুলিশ এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের যৌথ অভিযানে বসিরহাট থেকে তাকে ধরা হয়। মোবাইল ফোনের অবস্থান অনুসরণ করেই অভিযুক্তের খোঁজ পায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেপ্তারের ফলে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal