• ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death

স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৭ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৮১৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৪০৫। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৪৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.১৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৩৭৬। আরও পড়ুন ঃ ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৫ হাজার ২০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা সেই সংক্রমণের শীর্ষেই। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের রেকর্ড শহর কলকাতায়। রবিবারও কলকাতায় ৯০০র কাছাকাছি বাসিন্দা নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। যদিও এই সময়েই কলকাতায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ৯৪১ জন রোগী। কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনাতেও সংক্রমণের দাপট বেড়েই চলেছে। এই মুহূর্তে জেলায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ৬,২২২।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৫৯ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৪৬ জন। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের। তার ফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৩২২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা জয় করেছেন ৩ হাজার ৪৮৭ জন। রাজ্যে মোট করোনাজয়ী বর্তমানে ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন। বর্তমানে রাজ্যের সুস্থতার হার ৯৩.১২ শতাংশ। যা কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা কিন্তু কলকাতায় করোনা সংক্রমণ যেন রোখা যাচ্ছে না। ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে একদিনে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। ঠিক তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলায় সংক্রমিত ৮৬৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৮৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা টেস্ট হয়েছে ৫৭ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৪৭ জনের।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৮৭। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ৬১৭। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ১০০ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.০৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮২৭০। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার ৪৫ হাজার ১২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৯৩ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৫৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়ার সংক্রমণের ছবিটা অবশ্য বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২৩৮ ও ২৩০। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০২।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩৫০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫৩৭ জন। এই মুহূর্তে ৯৩ শতাংশ সুস্থতার হারেই করোনাযুদ্ধে এগিয়ে বাংলা। স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগী ২৪, ৬৭০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে প্রাণহানি ঘটেছে ৫২ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা তা নিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৮২২৪। কলকাতায় এই মুহূর্তে সংক্রমিতে সংখ্যা ৬৮২৮, উত্তর ২৪ পরগনায় তা সামান্য কম ৬৫৬৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪, ৭১৩ জনের, যার মধ্য়ে ৮.২৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৫৬,৫৪, ৫২৪।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫২৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৭৫২। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৭ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৯৫ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১৭২। বুধবার ৪৪ হাজার ৬৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৮৮০ জন৷ এই পর্যন্ত শহরে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০৩ জন৷ এর পরই উত্তর ২৪ পরগণা৷ এই জেলায় মোট আক্রান্ত ৯৬ হাজার ৭৫৯ জন৷ কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা মিলে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৬২ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭২৯ জন৷কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ দুই জেলা মিলে একদিনে মোট মৃত্যু ২৬ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় একদিনে মোট মৃত্যু হয়েছে মাত্র ২৫ জনের৷

নভেম্বর ২৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৫ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৮০। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৮৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১২১। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৪ হাজার ৫৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৯ হাজার ৮৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩, ৫৪৫ জন। তাঁদের মধ্যে কলকাতার ৮৬৭ জন। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৮১৬ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানকার মোট ২৩২ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। নদিয়া (২১৯), হুগলি (১৯১), জলপাইগুড়ি (১৩৩), এছাড়াও প্রায় সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন আক্রান্তের হদিশ। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৬৩, ৪৬৩। এদিনে মৃত ৪৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথমে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৭ জন। বাংলায় মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯১৮ জন। দৈনিক মৃতের কমেছে কিছুটা। একদিনে রাজ্যে কোভিডের বলি ৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়েছেন ৩ হাজার ৬৮৭ জন। তার ফলে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৮১৬ জন। বাংলায় করোনায় সুস্থতার হার ৯২.৮০ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার একদিনে বাংলায় কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪২ হাজার ৩৬৭ জনের। তার ফলে বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৩১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪৭ জন। তার ফলে শুধুমাত্র মহানগরীতে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৭৫৬ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩,৫৯১ জন। ফলে বাংলার মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৫৬, ৩৬১। এদিনে করোনার বলি হয়েছেন বাংলার ৪৯ জন। মোট মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ৮ হাজারের গণ্ডি। তথ্য অনুযায়ী এই একদিনে করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৩,৭২৬ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বাংলার মোট ৪, ২৩, ১২৯ জন। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪৪, ৬৫৩ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৫, ২২, ৯৬৪ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি এছাড়াও কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৭৯ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮২৮ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৩৬৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নতুন আক্রান্ত ২৫৬ জন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি

একদিনে বাংলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৩৯ জন। ফলে এদিন বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ১০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৩ হাজার ৭৯৪ জন। তবে রাজ্যের সুস্থতার হার রয়েছে ৯২.৬৩ শতাংশ। বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৩৯১ জন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সেই হার আবার বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৭৬ জন। এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় ৫৫ লক্ষ৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ২০৮ টি৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। এর সামান্য পিছনে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। একদিনে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪২ জন। ২০০-এর বেশি করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায়। এদিকে যথারীতি উত্তরবঙ্গের চিন্তা বাড়িয়েছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি। দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক মানুষ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬২৬ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫৯৯। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.৫৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৯২৩। শুক্রবার ৪৪ হাজার ১৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২২৬, ১৭৮, ৩০৩ এবং ২১০ জন। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০৪।

নভেম্বর ২১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬২০ জন। সবমিলিয়ে এদিন বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫০৫ জন। রাজ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৭৩ জন। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩ হাজার ৯৯০ জন। ফলে এদিন রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৭৫৯ জন। শতাংশের হিসেবে ৯২.৪৩। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৮৭৩ জন। আরও পড়ুন ঃ ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৮২ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৩ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি।

নভেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪২৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৭ হাজার ৭৬৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.২৮ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৮৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৬ হাজার ২৯৬। এদিনের সংক্রমিতদের মধ্যে ৮৭৪ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮০৫ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্ত ২৪৯ জন। হুগলিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৫। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৮২০। বুধবার ৪৪ হাজার ৫১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্যে ফের লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ৩৬৫৪ জন। এ নিয়ে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৫২ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৭৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৩৮৮ জন। সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪০। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণগত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ২৩৮টি, যার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ১ হাজার ১৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে উদ্বেগ বাড়িয়েছে সেই দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। উভয় জেলাতেই ৬৯০০র বেশি অ্যাকটিভ করোনা রোগী এই মুহূর্তে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৭ হাজার ৮৯৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৭১৪ জন। তবে স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯৫২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯১.৮১ শতাংশ। কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭২৮ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৮ জন। একদিনে পরীক্ষা হয়েছে ৩৮ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় ৫২ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৯৭ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ০৫৩ জন। যা শেষ কিছুদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৩১, ৫৫১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫১ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭, ৬৬১। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ৪, ৪৮০ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে হল ৩, ৯৪, ৫৭৬। সুস্থতার হার বেড়ে হল ৯১.৪৩ শতাংশ৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ এই একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮, ৬৫৮ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১, ৮০, ১৩৯ জনের। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭০১ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ২৪৩ জন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮২৩ জন। তার ফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। তার ফলে বর্তমানে মোট করোনার বলি ৭ হাজার ৬১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৯ জন। তার ফলে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৬ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৯১.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার বাংলায় একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বঙ্গে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫১ লক্ষ ৮০ হাজার ১৩৯ জনের। তার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮২০ জন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী , গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৬৮ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬১৭ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯০.৮০ শতাংশ। যা প্রকৃ্তপক্ষে আশাব্যঞ্জক। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৫ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৭৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩১ হাজার ৫০১। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৫৫৭। শুক্রবার ৪৪ হাজার ৩১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫১ লক্ষ ৩৬ হাজার ১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে , এবার কলকাতাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগণা। এতদিন উল্টোটা ছিল। উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬০ জন। কলকাতাতে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩৯ জন।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

মদের দোকানের চার কর্মীকে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে খুন , ধৃত অভিযুক্ত

মদের দোকানের চার কর্মীকে পিটিয়ে খুন করা হল। ঘটনাটি ঘটেছে , পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার শিবপুরে। জানা গিয়েছে , তখন ওই ্চার কর্মী ্দোকানের ভিতরে ঘুমোচ্ছিলেন। অভিযোগ, সাধু মাঝি মাঝরাতে ওই ৪ কর্মীর উপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম অম্বুজ মণ্ডল(৪০), প্রশান্ত সাহা(৫৮), সুবোধ বাউরি(৬১)। বাড়ি বাঁকুড়ায়। আরও পড়ুন ঃ করোনা আবহে নৈহাটির বড়মার পুজো এবার অনলাইনে খবর পেয়ে পুলিশ আসতেই জমায়েত করেন স্থানীয়রা। দেহ উদ্ধারের সময় হামলাবাজ সাধু ফিরে এসে ফের লাঠি চালায় জনতার ভিড়ে। সেই সময় লাঠির আঘাতে স্থানীয় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। এরপরই জনতা কোনক্রমে হামলাবাজ সাধু মাঝিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মৃত বৃদ্ধের নাম কালিয়া ভুঁইঞা। তিনি তার মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। জানা গিয়েছে , দিন দুয়েক আগে ওই মদ দোকানে মদ্যপ অবস্থায় সাধু মাঝি অশান্তি পাকায়। মদের দোকানের মালিকের হাত ভেঙে দেয় সে। সেই অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। বৃহস্পতিবার পুলিশ হেফাজত থেকে জামিনে মুক্ত হয়েই প্রতিহিংসা নিতে সে এই ঘটনা ঘটায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৬ জন। তার ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৮৪০ জন। তবে স্বস্তি জাগিয়ে বাংলায় ক্রমশই বাড়ছে সুস্থতা। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৫৩ জন। মোট কোভিড জয়ীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ১৪৯ জন। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০.৫৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে মোট কোভিডের বলি হয়েছেন ৭ হাজার ৫০৬ জন। আরও পড়ুন ঃ স্বস্তি বাড়িয়ে রাজ্যে অনেকটাই কমে গেল মৃত্যুর হার একদিনে রাজ্যে ৪৪ হাজার ৩৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৫০ লক্ষ ৯১ হাজার ৭০০ জনের কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৮.২৭ শতাংশের ফল পজিটিভ এসেছে। অন্যদিকে , একদিনে কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮৬৭ জন। ঠিক তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫৯ জন।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

স্বস্তি বাড়িয়ে রাজ্যে অনেকটাই কমে গেল মৃত্যুর হার

বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৭২ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৮৪। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩২ হাজার ৮৩৬। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৩১ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৯৬ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯০.৩৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৪৫২। বুধবার ৪৪ হাজার ১৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫০ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি অন্যদিকে , কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩৯ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮২০ জন। ২০০ জনেরও বেশি করোনা সংক্রমিত হয়েছে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলায়। দার্জিলিংয়ে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৫১ জন। এছাড়াও জলপাইগুড়িতে ১১৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

জম্মুতে চাঞ্চল্য! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জম্মুতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জম্মুর গ্রেটার কৈলাস এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ফারুখ আবদুল্লা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও। সেই সময় খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা ঘেরাটোপে বিয়েবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেই সময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার মধ্যে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। এরপর খুব কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।তবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের কমান্ডোরা দ্রুত তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ফলে গুলিটি তাঁর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই ফারুখ আবদুল্লা এবং রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের নাম কমল সিং জমওয়াল বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। জেরায় তিনি দাবি করেছেন, গত প্রায় কুড়ি বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে যে বন্দুকটি ছিল সেটিও তাঁর নিজের এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত।এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এত কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে হামলাকারী এত কাছে পৌঁছে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ কি আমেরিকার মাটিতেও? ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার আশঙ্কা, সতর্ক করল এফবিআই

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সেই সংঘাতের আঁচ এবার আমেরিকার মাটিতেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই। সংস্থার দাবি, ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালাতে পারে ইরান। এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সতর্ক করেছে এফবিআই।বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার লাগাতার হামলার মুখে ইরানও পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নিতে ইরান মার্কিন ভূখণ্ডেও হামলার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এফবিআই একটি সতর্কবার্তায় জানিয়েছে যে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ইরান মার্কিন ভূখণ্ডে হঠাৎ হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তখনও আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করেনি। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম উপকূলকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।তবে তদন্তকারীদের উদ্বেগের বড় কারণ হল, সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও তাদের হাতে নেই। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।এদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার হামলার পরেও পিছু হটতে রাজি নয় ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে পালটা আঘাত হানছে তারা। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।খবর পাওয়া গেছে, ইরাকের একটি বাণিজ্য বন্দরে তেলবাহী একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। এছাড়াও কুয়েত, কাতার, আরব আমিরশাহী এবং সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দেশেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে সেই হামলা প্রতিরোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।এরই মধ্যে যুদ্ধ থামানোর জন্য তিনটি শর্তও দিয়েছে ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, প্রথমত সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর তৃতীয়ত ভবিষ্যতে আর কোনও আগ্রাসন হবে না, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে নিশ্চয়তা দিতে হবে।অন্যদিকে নতুন খবর, ইরাকের একটি বন্দরে আমেরিকার একটি সংস্থার দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। সেই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও হরমুজ প্রণালীর কাছে ভাসমান একাধিক জাহাজেও হামলার খবর মিলেছে।সৌদি আরব দাবি করেছে, ইরানের হামলায় তাদের একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক হামলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীকে কার্যত অবরুদ্ধ করার কৌশল নিয়েছে ইরান। এর ফলে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের উপর যুদ্ধ থামানোর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
রাজ্য

কোচবিহারে নৃশংসতা! স্ত্রীর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, পুড়ে মৃত্যু নার্সের

কোচবিহারে এক নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে ওই মহিলার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দাউদাউ করে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরের বকশিবাড়ি এলাকায়। মৃত মহিলার নাম ছন্দা রায়। তাঁর বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। পেশায় তিনি নার্স ছিলেন।জানা গিয়েছে, রাত প্রায় নটা থেকে সাড়ে নটার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর গায়ে আগুন লাগানো হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনি দাউদাউ করে জ্বলতে থাকেন। গুরুতর অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। মাঝেমধ্যে তাঁর স্বামী এসে সেখানে থাকতেন। ঘটনার সময়ও স্বামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযুক্তের নাম রণজিৎ রায়। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কোচবিহারের ভাওয়াল মোড়ের কাছে একটি টোল গেট এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে। খবর পেয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। সেই অশান্তি থানাতেও গড়িয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণেই কি এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার সময়ের একটি ভয়াবহ দৃশ্যের কথাও জানিয়েছেন এক প্রতিবেশী। স্থানীয় বাসিন্দা রুমা দত্ত বলেন, তিনি তখন ঘরের ভিতরে ছিলেন। হঠাৎই বাইরে এক মহিলার তীব্র চিৎকার শুনতে পান। বাইরে বেরিয়ে দেখেন, আগুনে জ্বলতে জ্বলতে একজন দৌড়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে একজন নিজের জামা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে তিনি দেখেন বারান্দায় আগুন জ্বলছে।এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এবং কেন এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাংলায় নতুন রাজ্যপাল! শপথ নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, অনুপস্থিত বিজেপি

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় দায়িত্ব নিলেন নতুন রাজ্যপাল। রবীন্দ্র নারায়ণ রবি এ দিন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।রাজভবনে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। তবে এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বিজেপির কোনও প্রতিনিধিকেও এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফার পরই নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে। এর আগে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন একাধিক ইস্যুতে সে রাজ্যের সরকারের সঙ্গে তাঁর সংঘাত তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বিভিন্ন বিল নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ে। সেই সময় ডিএমকে সরকার একাধিকবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তাঁকে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর আবেদন জানিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতেই এবার পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। অন্যদিকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবনের সরকারি সামাজিক মাধ্যমের পাতায় সেই চিঠি প্রকাশ করা হয়।সেই চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সবসময় অটুট থাকবে। বাংলার আবেগকে সামনে রেখে তিনি মহাত্মা গান্ধীর একটি বক্তব্যও উল্লেখ করেন। সেখানে লেখা ছিল, আমি বাংলা ছেড়ে যেতে পারছি না, আর বাংলা আমাকে ছেড়ে যেতে দেবে না।এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে তাঁকে হঠাৎ করেই পদ ছাড়তে হয়েছে। প্রায় তিন বছর চার মাস আগে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন আনন্দ বোস।দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা থেকে প্রশাসনিক নানা বিষয় নিয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে বারবার সমালোচনা করেছিলেন। রাজ্যপাল এবং নবান্নের মধ্যে একাধিক ইস্যুতে ঠান্ডা লড়াই চলেছিল দীর্ঘদিন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা এবং নতুন রাজ্যপাল হিসেবে রবীন্দ্র নারায়ণ রবির আগমন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের একাংশের দাবি, তামিলনাড়ুতে দায়িত্বে থাকাকালীন রাজ্য সরকারের সঙ্গে বারবার সংঘাতে জড়ানো একজনকে বাংলায় পাঠানোর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।এদিকে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে নিজের পদত্যাগ নিয়ে আনন্দ বোস সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সময় হলে সব কথা জানাবেন। এরপর আর রাজভবনে ওঠেননি তিনি। সৌজন্যের খাতিরে তাঁকে রাজ্য সরকারের তরফে সৌজন্য নামে একটি ভবনে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এমনকি যাওয়ার আগে নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে রাজভবনেও আর যাননি তিনি।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিতর্কিত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম, আপাতত গ্রেফতারি থেকে রক্ষা

সহকর্মী এক মহিলা আইনজীবীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে অভিযুক্ত আইনজীবী ফিরদৌস শামিম আপাতত গ্রেফতারি থেকে স্বস্তি পেলেন। আগামী একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই নির্দেশ দিয়েছেন।অভিযোগ সামনে আসার পরই ফিরদৌস শামিম কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তিনি আগাম জামিনের আবেদন করেন। বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে সেই মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় ফিরদৌসের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পরই বিচারপতি আপাতত তাঁকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দেন।অভিযোগকারী মহিলা আইনজীবীর দাবি, তিনি জুনিয়র হিসেবে ফিরদৌস শামিমের চেম্বারে কাজ শুরু করেছিলেন। সেখানেই তাঁকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই ঘটনার পর হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা আইনজীবী। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এক মহিলা আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ এবং কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ করেছেন।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চুয়াত্তর, পঁচাত্তর, ঊনআশি, তিনশো একান্ন উপধারা দুই এবং একশো ছাব্বিশ উপধারা দুই ধারায় শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থা, অশ্লীল আচরণ, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগে মামলা হয়েছে।তবে শুরু থেকেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফিরদৌস শামিম। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আপাতত একত্রিশ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ প্রণালী খুলল ভারতের জন্য! মোদি সরকারের কূটনীতিতে নরম ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের মাঝেই ভারতের জন্য এল বড় স্বস্তির খবর। সূত্রের দাবি, কূটনৈতিক তৎপরতার জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যেই পুষ্পক এবং পরিমল নামে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা ভয়াবহ যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহণ কার্যত থমকে গিয়েছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল বাণিজ্য হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। শুধু রাশিয়া এবং চিনের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতের নামও। সূত্রের খবর, ইরানের বিদেশ মন্ত্রক মৌখিকভাবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে। তবে আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইউরোপের দেশগুলির জাহাজের উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড ফোর্স।এই সিদ্ধান্তের আগে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আরাগাছির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই কথোপকথনে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।সূত্রের দাবি, গত দুসপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার এই বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। একাধিকবার ফোনে কথা হয়েছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে। পর্দার আড়ালেও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছিল। সেই তৎপরতার ফলেই আপাতত হরমুজ প্রণালীর ওপারে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার অনুমতি মিলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ভারত শুরু থেকেই প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে। তবে ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমার কাছে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে আমেরিকার হামলার পর ভারত মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছেই একটি থাই পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছিল।তার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। ভারত সরকার দ্রুত ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। সেই কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলেই এই অনুমতি মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের হামলায় জ্বলল মার্কিন তেল ট্যাঙ্কার, নিহত এক ভারতীয় নাগরিক

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আরও এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের উপকূলের কাছে আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই হামলার পর ভয়াবহ আগুন ধরে যায় জাহাজে। ওই ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষ চলছে। ইরানের উপর হামলা আরও জোরদার করেছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইরানও। এই সংঘর্ষে ক্রমশ বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সাধারণ মানুষও এই যুদ্ধের বলি হচ্ছেন। কাজের সূত্রে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বহু ভারতীয় থাকেন। সেই কারণে এই সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিকরাও বিপদের মুখে পড়ছেন।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের জলসীমার মধ্যে খোর আল জুবায়ের বন্দরের কাছে হামলার ঘটনা ঘটে। সাফেসি বিষ্ণু নামে একটি জাহাজে থাকা আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে ইরানের নৌকা থেকে হামলা চালানো হয়। হামলার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় ট্যাঙ্কার দুটিতে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং জাহাজ থেকে তেল সমুদ্রে পড়তে শুরু করে।এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্যাঙ্কার থেকে আগুনের বিশাল শিখা উঠছে এবং চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে। জানা গিয়েছে, ওই ট্যাঙ্কারগুলিতে প্রায় চার লক্ষ ব্যারেল তেল ছিল।হামলায় নিহত ভারতীয় নাগরিকের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। জাহাজে থাকা বাকি সাতাশ জন সদস্য এবং কর্মীকে উদ্ধার করে দক্ষিণ ইরাকের বসরা শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘর্ষ এখন ত্রয়োদশ দিনে পৌঁছেছে। এখনও পর্যন্ত তিনজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কুড়ির বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই দুজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন সংসদে বিদেশমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্য জয়শঙ্কর জানান, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে দুই ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনও নিখোঁজ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।মৃত ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি শোকপ্রকাশও করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ইরানে বহু ভারতীয় পড়ুয়া এখনও আটকে রয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটির বেশি ভারতীয় বসবাস করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ভোটের দিন কি ১৬ মার্চই ঘোষণা? তুঙ্গে জল্পনা, ঝুলে ৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই সঙ্গে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।তবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ। এখনও তাঁদের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই এখন আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হতে পারে বলে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। তাদের দাবি, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে।সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে। আর ভোটের ফল ঘোষণাও এপ্রিল মাসের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিচারাধীন ভোটারদের বিষয়টি। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই তালিকার ভাগ্য নির্ধারণের কাজ করছেন বিচারিক আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচশো জন বিচারিক আধিকারিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আগাম আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তবে সেই আবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের বিষয় ঝুলে রয়েছে।জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানির প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হবে। এখন সবাই তাকিয়ে রয়েছে ১৬ মার্চের দিকে। ওই দিনই কি বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal