• ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ১১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কেন্দ্রীয়

রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব খারিজ কৃষক সংগঠনগুলির

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দেওয়া সব শর্ত উড়িয়ে দিল পঞ্জাবের কৃষক সংগঠনগুলি। ওই কৃষক সংগঠনগুলি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা দিল্লি সীমানায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি সরকারের নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের একাধিক রাজ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। কৃষকদের প্রবল আন্দোলনের মুখে পড়ে শনিবারই সুর নরম করেছিল কেন্দ্র। শর্ত সাপেক্ষে চাষীদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু রবিবার সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিল কৃষক সংগঠনগুলি। ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের সভাপতি জগজিৎ সিং রবিবার বলেন, যন্তর মন্তরের পরিবর্তে নয়াদিল্লির বুরারির মাঠে বিক্ষোভ প্রদর্শনের শর্তে কেন্দ্র যে বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছিল তা সর্বসম্মতভাবে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকার কী ব্যবস্থা নেয় আমরা সকলেই সেদিকে তাকিয়ে আছি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকারের আমলে সর্বোচ্চ সীমায় দেশে বেকারত্বের হার কৃষকদের আশঙ্কা, সরকারি নির্ধারিত স্থানে তাঁদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে কার্যত বন্দি করে রাখবে দিল্লি পুলিশ। অমিত শাহ জানান, কৃষকরা চাইলে ৩ ডিসেম্বরের আগেই সরকার বৈঠকে বসবে। তবে এজন্য কৃষক সংগঠনগুলিকে কিছু শর্ত মানতে হবে। শর্ত হিসেবে শাহ জানিয়েছিলেন সরকার নির্ধারিত স্থানে এই আন্দোলনকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি দেখতে পাচ্ছি অনেক জায়গাতেই প্রবল ঠান্ডায় জাতীয় সড়কের উপর ট্রাক্টর এবং ট্রলিতে রাত কাটাচ্ছেন বহু বয়স্ক মানুষ। তাই আমি চাই, কৃষকরা বুরারি ময়দানে সরে আসুন। সেখানে তাঁদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করবে পুলিশ। কেউ কৃষকদের বাধা দেবে না। বরং পানীয় জল, অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করবে সরকার।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

২০২১ নির্বাচনে বাংলায় কৈলাসেই ভরসা কেন্দ্রীয় বিজেপির

কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে ফের রাজ্যের দায়িত্ব দিল কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাকে পুনরায় পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক হিসেবে বেছে নেওয়া হল। তাঁর নামে এদিন অনুমোদন দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজয়বর্গীয়র সহযোগী করা হয়েছে অরবিন্দ মেনন এবং বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যকে। এছাড়াও অরবিন্দ মেনন ও শিবপ্রকাশ যেমন সহকারী পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে আছেন , ঠিক তেমনই থাকবেন। পাশাপাশি, অনুপম হাজরাকে বিহারের এবং বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকারকে ঝাড়খণ্ডের সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিকিমের দায়িত্ব বর্তেছে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ওপর। আরও পড়ুন ঃ আমাকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেইঃ শুভেন্দু এর আগে জল্পনা ছিল, কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে অন্য কাউকে নিয়ে আসা হবে। শুক্রবার বিকেলে বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় পর্যবেক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

আমফানের  ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্রের

আমফান ঝড়ের জেরে ্পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতিপূরণ বাবদ আরও এক দফা সাহায্য ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে এক উচ্চস্তরীয় বৈঠক শেষে দুর্যোগ মোকাবিলায় মোট ৬ রাজ্যকে সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এর মধ্যেই বাংলাই সবচেয়ে বড় অঙ্কের সাহায্য পাচ্ছে। প্রায় ২ হাজার ৭০৭ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এই রাজ্যের জন্য। ওড়িশাকে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। এছাড়া সাইক্লোন নিসর্গের হানায় ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্রকে প্রায় ২৬৮ কোটি, বন্যা মোকাবিলায় কর্ণাটককে প্রায় ৫৭৭ কোটি, মধ্যপ্রদেশকে প্রায় ৬১১ কোটি এবং সিকিমকে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করায় আক্রান্ত পুলিশ , ধৃত ৫ প্রসঙ্গত , গত মে মাসের ২০ তারিখ আমফান নামক এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল বাংলার বিভিন্ন এলাকা। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, মেদিনীপুর-সহ বেশ কয়েকটি জেলা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের কাছে সাহায্যের আরজি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোাধ্যায়। মমতার আরজিতে রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি হেলিকপ্টারে চেপে বিভিন্ন এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন। তখন প্রাথমিকভাবে ১ হাজার কোটির প্যাকেজ ঘোষণা করেন মোদি। কিন্তু রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল , যা ক্ষতি হয়েছে , সেই তুলনায় ১ হাজার কোটি টাকা অর্থ কিছুই নয়। কারণ, আমফানে রাজ্যে ক্ষতির পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়ার ্পর সেই টাকা নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ , যারা আমফানের জেরে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত , তারা কোনও ্টাকা পায়নি। তৃণমূলের একাংশের নেতা-কর্মীরা সেই টাকা পেয়েছেন।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
দেশ

কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশে নয়া কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। যেখানে বলা হয়েছে , ২০২০ সালের অক্টোবরের পর যে সমস্ত সংস্থা নতুন কর্মী নিয়োগ করবে সেই সব সংস্থা ইপিএফও র অধীন বিশেষ কিছু সুবিধা পাবে। এছাড়াও পুরনো যেসব কর্মী ইপিএফও র সদস্য ছিল না , তাদেরকেও ইপিএফও র অধীনে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের কম কর্মী থাকবে, সেই সংস্থায় নতুন কর্মীদের ইপিএফওর ২৪ শতাংশ খরচই কেন্দ্র বহন করবে। আর যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের বেশি কর্মী, সেই সব সংস্থার শুধুমাত্র কর্মীদের ভাগের ১২ শতাংশ অর্থ ভারত সরকার দেবে। অর্থাৎ ইপিএফও বাবদ সংস্থাকে শুধু সংস্থার অংশের টাকাই দিতে হবে, কর্মীর ভাগের টাকা দিতে হবে না। এই সুবিধা মিলবে আগামী ২ বছর পর্যন্ত। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ সংস্থাই প্রথম অংশে পড়বে। আরও পড়ুন ঃ কাজ করলে সমর্থন মিলবেঃ মোদি পাশাপাশি কৃষকদের জন্যও বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী অর্থবর্ষে ৬৫ হাজার কোটি টাকা সার এবং কৃষি উপকরণে ভরতুকি হিসেবে দেওয়া হবে। ১৪ কোটি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ রোজগার যোজনার আওতায় আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হল। যা ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে খরচ করা হবে। এর ফলে ১০০ দিনের কাজের বাজেট বেড়ে হল ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, বেশ কয়েকটি সূচক দেখাচ্ছে, অর্থনীতি সুস্পষ্টভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। একটানা সংস্কারের ভিত্তিতে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে চলেছে সরকার। তিনি আরও বলেন , জিএসটি আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে। বাজারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ছে। আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে দেশবাসী বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পেয়েছে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। শুক্রবার তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিনে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, অনেক আশা নিয়ে ২০১০ সালে মা-মাটি-মানুষকে ক্ষমতায় এনেছিল বাংলার জনতা। মানুষের কোনও আশাই পূরণ করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার । মা-মাটি-মানুষের সরকারের স্লোগান এখন বদলে গিয়ে তুষ্টিকরণের স্লোগানে পরিণত হয়েছে। ১০ বছর ধরে শুধু তোষণের রাজনীতি হয়েছে। বাংলায় সঠিক পরিবর্তন আনতে পারে মোদির নেতৃ্ত্বাধীন বিজেপি সরকার। নরেন্দ্র মোদির দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে বাংলার মানুষ। যে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে , সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। সুযোগ পেলে ৫ বছরের সোনার বাংলা বানাবে বিজেপি। বাংলার মানুষের কাছে তাঁর আর্জি, আপনারা সবাইকে একটা করে সুযোগ দিয়েছেন। কমিউনিস্টদের সুযোগ দিয়েছেন, কংগ্রেসকে দিয়েছেন, তৃণমূলকেও দিয়েছেন। এবার মোদীজিকে একটা সুযোগ দিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মমতার আমলে প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে, রাজনীতির সঙ্গে অপরাধ জড়িয়ে গিয়েছে ও অবৈধ কাজকর্ম রাজ্যে প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি অমিত শাহঃ অভিষেক অমিত শাহ আরও বলেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের রূপায়ণে সবথেকে খারাপ অবস্থায় রয়েছে রাজ্য। আয়ুষ্মান ভারত ও কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা পায়নি এই রাজ্যের মানুষ। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি -তে যোগদানের জল্পনাও জিইয়ে রাখলেন তিনি। বললেন, শুধুমাত্র দুজনের নামই না, তালিকা আরও অনেক বড় । তবে সরাসরি এই বিষয়ে কোনও উত্তর দেননি তিনি। তিনি আরও বলেন , করোনা পরিস্থিতি গেলেই দেশজুড়ে সিএএ চালু হবে। রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপাল তার সাংবিধানিক সী্মার মধ্যে থেকে কাজ করছে। এই রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপালের রিপোর্ট ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে যে কোনও রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করা হয়। সামনের বছরের এপ্রিল মাসে তো বিজেপি সরকার রাজ্যে আসবেই। তাই ৩৫৬ ধারা জারির কোনও প্রশ্ন নেই। এনসিআরবি রিপোর্ট নিয়ে তিনি বলেন, সব রাজ্য সেখানকার অপরাধের রিপোর্ট দিচ্ছে। বাংলা থেকে দেওয়া হচ্ছে না। ২০১৮ সালের পর আর রিপোর্ট পাঠাচ্ছে না রাজ্য । অ্যাসিড আক্রান্তে ঘটনায় বাংলা শীর্ষে । কতজন অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া সম্ভব হয়েছে ? পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে হবেন তা নিয়েও আজ দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। বলেন, বিজেপি বহু নির্বাচন কোনও মুখ ছাড়াই লড়েছে । বাংলায় বিজেপি-র মুখ শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে । তিনি আরও বলেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতি মাসে চিঠি লিখে টাকা চান। ওঁর হাতে অর্থ গেলে তৃণমূলের ক্যাডাররা খেয়ে নেবে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি অমিত শাহঃ অভিষেক

রাজ্য সফরের দু দিনেই আদিবাসী ও মতুয়াদের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার আদিবাসী ও মতুয়াদের বাড়িতে খাওয়া নিয়ে অমিত শাহকে বিঁধলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তিনি টুইটে লিখেছেন , তফসিলি ও সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী ওই পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলারও প্রয়োজন বোধ করা হয়নি। এটাই অমিত শাহের মধ্যাহ্নভোজনের নেপথ্যের বাস্তব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- আপনি কি শুধু ছবি তুলতে এখানে এসেছেন? আরও পড়ুন ঃ বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের উল্লেখ্য , এর আগে অমিত শাহের মিছিল চলাকালীন বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। এছাড়াও বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে কানহু মুর্মুর মূর্তি ভাঙারও অভিযোগ ওঠে। বাঙালি কি এটা পাওয়ার যোগ্য ? এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে এই প্রশ্ন তোলা হয়। অন্যদিকে , বৃহস্পতিবার বীরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্যদান করার বিষয়েও অমিত শাহকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। প্রসঙ্গত , বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার পুয়াবাগানে যে মূর্তিকে ভগবান বীরসা মুণ্ডার বলে মালা দিয়েছেন অমিত শাহ , জানা গিয়েছে তা আসলে এক অজ্ঞাত পরিচয় আদিবাসী শিকারীর মূর্তি। যদিও ভুল বুঝতে পেরেই পরে বীরসার একটি ছবি এনে মূর্তির নীচে রাখা হয়। অমিত শাহ তাতেই মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। আবারও বহিরাগত একই কাজ করলেন। অন্য একজনের মূর্তির পায়ের কাছে ভগবান বীরসা মুণ্ডার ছবি রেখে মাল্যদান সত্যিই অপমানকর। এই ধরণের আচরণে বাংলার সংস্কৃতি উপেক্ষিত। তিনি কি কখনও বাংলাকে সম্মান করবেন? টুইটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও ট্যাগ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের

বাগুইআটির একটি মতুয়া পরিবারে শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। মধ্যাহ্নভোজ সেরে গৃহকর্তা নবীন বিশ্বাসকে অমিত শাহ জানালেন , বাঙালিয়ানায় ভরপুর নিরামিষ খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। এদিন সকাল থেকে কয়েকটি কর্মসূচি সেরে বিকেলের দিকে আমিত শাহ পৌঁছে যান বাগুইআটির আদর্শনগরের গৌরাঙ্গপল্লিতে। আরও পড়ুন ঃ আমার দল মিউজিক পার্টি, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রথমেই এলাকার হরিচাঁদ মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজো দিয়ে ঢোকেন নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে। সেখানেই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য। ভাত, রুটি, ডাল, পনির, শুক্তো, চাটনি, পায়েস-সহযোগে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া সারেন অমিত শাহ। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা ও মুকুল রায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

‘আমার দল মিউজিক পার্টি’, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর

পূর্বঘোষণা মতো পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান শ্রুতিনন্দনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে অমিত শাহের আসা প্রসঙ্গে অজয় চক্রবর্তী বলেন , অমিত শাহের মত একজন ব্যক্তি এসেছেন, এই সম্মান পাওয়ার জন্য আমি গুরুদের ধন্যবাদ দেব। তাঁর কথায়, রাজনীতি সংক্রান্ত কোনও কথা তাঁকে বলা হয়নি। আর তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি কোনও দলের সঙ্গে নেই। তাঁর দল একটাই, সঙ্গীত। তাছাড়া আমি মনে করি , দেশ সেবার জন্য রাজনীতি করতে হবে , তার কোনও মানে নেই। যে কোনও মানুষ তাঁর নিজের ক্ষেত্র থেকে দেশ সেবা করতে পারেন। আমি গানের মাধ্যমেই দেশ সেবা করতে চাই। দিল্লিতে অমিত শাহের বাসভবনে তাঁকে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেছেন , আমার গান খুব পছন্দ করেন। তাই কলকাতায় এসে একবার আমার বাড়িতে আসার ইচ্ছা ছিল। তাই আমার বাড়িতে আসা। আরও পড়ুন ঃ আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন একইসঙ্গে অজয় বাবু বলেন, শুধু অমিত শাহ নন , এর আগে অনেক রাজনীতিবিদ আমার বাড়িতে ঘুরে গিয়েছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন এপিজে আবদুল কালাম আমার বাড়ি ঘুরে গিয়েছেন। তিনি নিয়মিত আমার গান শুনতেন। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব সুসম্পর্ক ছিল। জ্যোতি বসু আমার বাড়িতে এসেছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য এই বাড়ি করার জন্য জমি দিয়েছেন। বাবুল সুপ্রিয় আমার ছাত্র। ওকে স্নেহ করি। দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও কথা হয়। এছাড়াও তিনি বলেন , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার খুব ভাল সম্পর্ক।আমার খুব ইচ্ছা ওনাকে একদিন আমন্ত্রণ করে বাড়িতে আনার।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে পা রেখেই মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ

বুধবার রাতে কলকাতা শহরে পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বুধবার দমদম বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, অনুপম হাজরা-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। পূর্বসূচি অনুযায়ী রাত ৯. ০৫ নাগাদ বিমানবন্দরে নামেন অমিত শাহ। পুষ্পবৃষ্টি ও ঢাকঢোল বাজিয়ে তাঁকে বরণ করা হয়। শহরে এসেই তিনি কথা বললেন মৃত বিজেপি কর্মী মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তা ও লাগাতার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন মৃত ওই বিজেপি কর্মীর পরিবার। সব শুনে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ জানা গিয়েছে, এদিন অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাত করতে শঙ্কুদেব পণ্ডার সঙ্গে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন মদন ঘড়ুইয়ের ছেলে, বউ ও ভাই। অভিযোগ, বিধাননগর পুলিশ বাধা দেয় তাঁদের। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে কথা বললে তাঁদের শাহর সঙ্গে দেখা করানোর অনুমতি মেলে। শঙ্কুদেব পণ্ডার দাবি, অমিত শাহই মৃত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলেছিলেন। বৃহস্পতিবারও ময়নাতদন্ত না হলে তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন , নিষ্ঠুরতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা আত্মত্যাগ করেছে , বিজেপি সবসময় সেই কার্যকর্তাদের কাছে ঋণী থাকবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

আজ দু'দিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহ

বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যে বুধবার রাতে দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুদিনের সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আজ রাতে তিনি থাকবেন রাজারহাটের একটি হোটেলে। সেখানে তিনি বৈঠক করবেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেননের সঙ্গে। আগামীকাল তিনি বাঁকুড়ায় সাংগঠনিক বৈঠক করবেন নেতৃত্বের সঙ্গে। সেখানে বিরসা মুণ্ডার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আদিবাসী গ্রাম চতুর্দহীতে আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে নাঃ শুভেন্দু এছাড়াও শুক্রবার, ৬ নভেম্বর দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন অমিত শাহ। তারপর সল্টলেকে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একুশের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করবেন শাহ। এছাড়াও সল্টলেকের ইজেডসিসিতে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। শুক্রবারই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ২০০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করবেন শাহ। জানা গিয়েছে , উত্তর ২৪ পরগনার গৌরাঙ্গনগরে কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহের। রাজ্য সফরে এসে বৃহস্পতিবার রাজারহাটের মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে মাটিতে বসে ভাত-ডাল খাবেন অমিত শাহ। এছাড়াও তিনি পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন না। তাঁর বদলে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ৫ নভেম্বর মেদিনীপুর এবং রাঢ়বঙ্গের বৈঠক এবং ৬ ডিসেম্বর কলকাতা এবং নবদ্বীপ জোনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেপি নাড্ডা আসছেন না, সেকথাও জানিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন এই এলাকাগুলিতে কি অবস্থায় রয়েছে , সে বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির প্রসঙ্গত , নভেম্বর মাসে রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা , দলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ অনিবার্য কারণ বশত তিনি এই সময় রাজ্যে আসতে পারছেন না বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্যে অমিত শাহকে এনে সভা করতে চেয়ে দিল্লির কাছে দরবার করেছিল রাজ্য বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না  লোকাল ট্রেন , সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে রাজ্য অনুরোধ করলে অনুমতি দিতে পারে রেলমন্ত্রক। স্কুল- কলেজ খোলার বিষয়টিও রাজ্যের উপরই ছেড়েছে সরকার। আনলক ৫-এর গাইডলাইন বলবৎ থাকার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছিল এই নির্দেশিকার সময়সীমা। এখন তা বাড়িয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কার্যকর করা হল। আরও পড়ুনঃ চিনের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের ডাক ভারত- আমেরিকার প্রসঙ্গত , গত কয়েকদিন ধরেই দেশে করোনার গ্রাফ নিম্নমুখী। অনেকেই আশা করেছিলেন , এবার হয়তো লোকাল ট্রেন চালু করার বিষয়ে অনুমতি দিতে পারে কেন্দ্র। কিন্তু সকলকে হতাশ করে নতুন কোনও ছাড় দিল না কেন্দ্রীয় সরকার।

অক্টোবর ২৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদিকে হত্যার ছক? বেঙ্গালুরুতে প্রধানমন্ত্রীর রুট থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেঙ্গালুরু সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। যে রাস্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কনভয় যাওয়ার কথা ছিল, সেই পথের ধারে উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত জেলাটিন স্টিক। ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। পুলিশ এক সন্দেহভাজন যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বেঙ্গালুরুর আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) । সেই সময় কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছে রাস্তার ধারে কয়েকটি জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।জানা গিয়েছে, মোদির (PM Modi) সফরের আগে পুলিশের কাছে একটি সন্দেহজনক ফোনকল আসে। ফোনে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। এরপরই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। সেই তল্লাশিতেই রাস্তার ধারে পড়ে থাকা জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।ঘটনার পরই হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, রবিবার ভোরে এক ব্যক্তি স্থানীয় থানায় ফোন করে এইচএএল এবং আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি (PM Modi) ।পরে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কোরামাঙ্গালায় তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এইচএএল বিমানবন্দরের কাছে কোনও সন্দেহজনক বস্তু না মিললেও আর্ট অফ লিভিং যাওয়ার রাস্তায় জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। কীভাবে ওই বিস্ফোরক সেখানে পৌঁছল, কারা তা সরবরাহ করেছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সন্দেহভাজন যুবকের পাশাপাশি তাঁর বাবা-মাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি অতীতেও বেঙ্গালুরুতে ভিআইপি সফরের সময় একই ধরনের ফোন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছিলেন। তখনও তাঁকে আটক করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরের রুট থেকে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সাসপেন্ড হতেই বিস্ফোরক ঋজু! “চাকরি বিক্রি হয়েছে, সবাই জানে”

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন দলের নেতা ঋজু দত্ত। চাকরি বিক্রি থেকে শুরু করে কাটমানি, টিকিট বাণিজ্য একের পর এক অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, চাকরি বিক্রি হয়নি, এটা বলার মতো বড় পাপ আর কিছু হতে পারে না। চাকরি বিক্রি হয়েছে, সেটা প্রমাণিত।এখানেই থামেননি ঋজু। তাঁর অভিযোগ, বাড়ির প্ল্যান পাশ করানো থেকে শুরু করে নির্মাণ কাজ সব ক্ষেত্রেই টাকা দিতে হয়। এমনকি বাড়িতে কোমড বসানোর ক্ষেত্রেও তৃণমূলের লোকেরা টাকা নেয় বলে দাবি করেন তিনি।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ঋজু বলেন, বাংলার মানুষ এবার মন খুলে কথা বলতে পারছেন। কলকাতার রাস্তায় বেরোলে মনে হচ্ছে ভারত জিতেছে, পাকিস্তান হেরেছে। মানুষ নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে।তৃণমূলে থাকার সময় নিজের অবস্থান নিয়েও মুখ খুলেছেন ঋজু দত্ত। তিনি বলেন, আরজি কর আন্দোলনের সময় আমি দলের হয়ে লড়াই করেছি। সন্দেশখালির সময়ও দলকে সমর্থন করেছি। কারণ আমি দলের মুখপাত্র ছিলাম। কিন্তু মন থেকে কোনওদিন সেগুলো মেনে নিতে পারিনি। দল যা বলতে বলত, বাধ্য হয়ে সেটাই বলতে হত।আইপ্যাক নিয়েও তীব্র অভিযোগ করেছেন তিনি। ঋজুর দাবি, দল চালাত আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন। তৃণমূল নয়। টিকিট দেওয়ার জন্য টাকা চাওয়া হত। আমার কাছেও ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে বিজেপিও কটাক্ষ করতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য, এখন ধাক্কা খেয়ে অনেকেরই চেতনা ফিরছে।তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ঋজু দত্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি কোনও আবেদন করেননি। যদিও বিজেপি নেতাদের পাশে পাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আমার এলাকার বিজেপি বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি পুলিশকে ফোন করে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতারাও আমার পরিবারকে সাহায্য করেছেন।ঋজুর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

বেঙ্গালুরু থেকেও বাংলার জয়গান মোদীর, “তিন থেকে ২০০, এটাই নতুন ইতিহাস”

বাংলায় বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভাসছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির শীর্ষ নেতাদের মুখে বারবার উঠে আসছে বঙ্গজয়ের প্রসঙ্গ। এবার কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সভা করেও বাংলার জয় নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে তিনি তুলে ধরলেন গত ১০ বছরে বাংলায় বিজেপির উত্থানের কাহিনি।বেঙ্গালুরুতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মোদী বলেন, অসমে টানা তিনবার এনডিএ সরকার গঠন করেছে। বাংলায় প্রথমবার বিজেপি এত বড় আশীর্বাদ পেয়েছে। গুজরাটেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে দারুণ ফল করেছে বিজেপি। এই সবই নতুন ইতিহাস তৈরির ঘটনা।এরপর বাংলায় বিজেপির লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দশ বছর আগে বাংলায় আমাদের মাত্র তিনজন বিধায়ক ছিল। তখন সংগঠনও খুব শক্তিশালী ছিল না। আজ সেই বাংলা থেকেই ২০০-র বেশি আসনে জয় পেয়ে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। এটা ইতিহাস রচনার থেকে কম কিছু নয়।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি মাত্র তিনটি আসনে জয় পেয়েছিল। এরপর ২০২১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৭। আর ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে।এবারের নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে এসেছে ৮০টি আসন। রাজ্যের একাধিক এলাকায় গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। বিজেপির ভোটের হারও ৪৫ শতাংশের বেশি বলে দাবি দলের।শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজে নেমে পড়েছেন তিনি। সোমবার নবান্নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার কথা রয়েছে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর।বাংলায় প্রথমবার বিজেপি সরকার গঠন করায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। আর সেই আবহেই দেশের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলার জয়কে ইতিহাস বলে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের পর রক্তাক্ত খুন! এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী হত্যায় আরও এক গ্রেপ্তার

এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী তাপস নস্কর খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে হাসনাবাদ থেকে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম ভোলা কর। রবিবার তাঁকে শিয়ালদহ আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবরবিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিন, মঙ্গলবার গভীর রাতে খুন হন তাপস নস্কর। ঘটনার পরই একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। এরপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাসনাবাদের মিঠুন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই ভোলা করকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআরে ভোলা করের নাম ছিল। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনার পিছনের কারণ জানার চেষ্টা চলছে। যদিও পুলিশের দাবি, এই খুনের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই।স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন তাপস নস্কর। সেই সূত্রে এলাকায় প্রোমোটিংয়ের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অবৈধ কাজের অভিযোগ ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় থানায় তাপসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল।নির্বাচনের আগে পুলিশ তাঁকে সতর্ক করেছিল বলেও জানা গিয়েছে। এমনকি ভোটের আগে তাঁকে নজরবন্দিও রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান তাপস। ভোট শেষ হওয়ার পর ফের এন্টালিতে ফিরে আসেন তিনি।তারপরই ৫ তারিখ গভীর রাতে এন্টালির চৌধুরী লেনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। স্থানীয় মানুষ পুলিশে খবর দিলে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাপসের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়, যার মধ্যে ভোলা করের নামও ছিল।এই খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেও কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়েছেন, এটি রাজনৈতিক খুন নয়। তাঁর দাবি, নির্মাণ ব্যবসা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছুদিন বাইরে থাকার পর সম্প্রতি এলাকায় ফিরেছিলেন তাপস। তারপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সরকার বদলাতেই বড় পদক্ষেপ! অবশেষে প্রকাশ্যে এসএসসি-র গোপন ওএমআর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই বদলে গেল স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান। দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কে থাকা ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট অবশেষে প্রকাশ করল এসএসসি। সূত্রের খবর, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের দিনেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের ওএমআর প্রকাশ করা হয়েছে।এর আগে ২০২৪ সালেই কলকাতা হাইকোর্ট সমস্ত ওএমআর প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখে। কিন্তু তারপরেও এতদিন পর্যন্ত সব ওএমআর প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওএমআর মূল্যায়নকারী সংস্থার এক প্রাক্তন কর্মীর ঠিকানা থেকে একটি হার্ডডিস্ক উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই হার্ডডিস্ক থেকেই নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষার্থীর ওএমআর পাওয়া যায়। এরপরই তা প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে সমস্ত ওএমআর প্রকাশের নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখলেও এতদিন পর্যন্ত পুরো তথ্য সামনে আনা হয়নি। এবার এসএসসি জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র সমস্ত ওএমআরও প্রকাশ করা হবে।এখন ২০১৬ সালের সমস্ত পরীক্ষার্থী নিজেদের ওএমআর দেখতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার এসএসসি-র তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সিবিআই সূত্রে পাওয়া ওএমআর শিট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পুরো প্যানেল বাতিল হয়। এরপর থেকেই চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ওএমআর প্রকাশের দাবি উঠছিল। ওএমআর নষ্ট করা এবং কারচুপির অভিযোগও সামনে এসেছিল।এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে ওএমআর প্রকাশ হওয়ায় নতুন করে রাজ্যের শিক্ষা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
রাজ্য

“শেষে রাহুলের কাছেই হাতজোড় করতে হবে!” মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক অধীর

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, একসময় বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন তিনিই রাজনৈতিক সংকটে পড়ে সকলকে পাশে চাওয়ার চেষ্টা করছেন।অধীর চৌধুরী বলেন, বামেদের সরানোর সময় উনি নকশালদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন। পরে কিষানজিকে হত্যা করা হয়। এখন দিদি নিজেই বিপদে পড়েছেন। তাই সবাইকে ডাকছেন। তাঁর কটাক্ষ, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধীর কাছেও হাতজোড় করতে হতে পারে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও কটাক্ষ করেছেন অধীর। তিনি বলেন, বিকেল চারটে থেকে ছটার মধ্যে ওঁর বাড়িতে কারা দেখা করতে যাচ্ছেন, সেটা দেখতে চাই। যদি কেউ যান, তাহলে বোঝা যাবে বাংলার মানুষ এখনও তাঁকে আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে মানছেন কি না।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও আক্রমণ শানান অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, শুনছি খোকাবাবুর বাড়ি এখন দর্শনীয় জায়গা হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো হওয়ার সুবাদে কত ক্ষমতা পাওয়া যায় এবং সেই ক্ষমতায় কেমন বাড়ি তৈরি হয়, তা দেখতে মানুষ ভিড় করছেন। এখানেই থামেননি অধীর। তাঁর মন্তব্য, খোকাবাবুর বাড়ি যেমন মিউজিয়াম হয়েছে, দিদির বাড়িও খুব শীঘ্রই মিউজিয়াম হয়ে যাবে।জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ সমীকরণ নিয়েও মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, দিদি আগামী দিনে কী করবেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। তবে এটা নিশ্চিত, শেষ পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর কাছেই তাঁকে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের পর বিজেপিকে রুখতে বিরোধী জোট গঠনের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসতে হবে। বাম এবং অতিবাম দলগুলিকেও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মমতা স্পষ্ট বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।যদিও তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তায় এখনও ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বামেরা। আপাতত তারা একাই লড়াই করার অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যেই অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

টোল প্লাজার ক্যামেরায় ধরা পড়ল খুনিদের গাড়ি! ইউপিআই সূত্রে চাঞ্চল্যকর মোড়

চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে বড় সূত্র পেল পুলিশ। খুনে ব্যবহৃত গাড়ির ফাস্ট্যাগ পেমেন্ট থেকে একটি ইউপিআই লিঙ্কের খোঁজ মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই ঝাড়খণ্ডের এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তদন্তকারীদের দাবি, খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি বালি টোলপ্লাজা হয়ে এলাকায় ঢুকেছিল। টোলপ্লাজার সিসিটিভি ফুটেজে গাড়িটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে টোলের টাকা ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সেই অনলাইন পেমেন্টের সূত্র ধরেই কোন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গিয়েছে, তা জানতে পেরেছে পুলিশ।চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্ক ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। চন্দ্রনাথ ছিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর পাঁচ গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন সময় থেকেই তাঁদের পরিচয়। ধীরে ধীরে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন চন্দ্রনাথ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখভালের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।বুধবার রাতে আচমকাই খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তারপর থেকেই তদন্তে নেমেছে বিশেষ তদন্তকারী দল। আততায়ীদের গতিবিধি জানতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্তকারীরা টাওয়ার ডাম্পিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার আগে এবং পরে এলাকার মোবাইল ফোনের তথ্য খতিয়ে দেখছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় কোন কোন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল বা কল রিসিভ করা হয়েছিল, তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সন্দেহজনক নম্বর চিহ্নিত করতে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক মোবাইল টাওয়ারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে বহু ফোন কলের মধ্যে থেকে সন্দেহভাজন নম্বর আলাদা করার কাজ চলছে। তদন্তকারীরা দেখছেন, ঘটনার আগে ও পরে কোন কোন নতুন নম্বর থেকে হঠাৎ ফোন আদানপ্রদান হয়েছে। সেই নম্বরগুলির টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে আততায়ীদের গতিবিধি জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় ঘোষণা থলপতি বিজয়ের! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ থেকে নারী সুরক্ষায় একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার থলপতি বিজয়। শপথ নেওয়ার পরই প্রথম ভাষণে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়ের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের মানুষের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।চেন্নাইয়ে শপথ গ্রহণের পর প্রথম ভাষণে বিজয় বলেন, আমি সাধারণ মানুষ। আপনাদের ভালবাসা আর সমর্থনেই আজ এখানে পৌঁছেছি। সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্ত এবং কাজের দায়ভার আমারই থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগের ডিএমকে সরকার বিপুল ঋণের বোঝা রেখে গিয়েছে। তবে মানুষের সমর্থন থাকলে তাঁর সরকার সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন জোট রাজনীতি নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনও জোটসঙ্গীর চাপের কাছে মাথা নত করবে না। সরকার নিজের নীতি মেনেই চলবে।অনুরাগীদের উদ্দেশেও আবেগঘন বার্তা দেন দক্ষিণী তারকা। তিনি বলেন, আপনারাই আমার জীবন। আপনাদের ভালোর জন্যই আমি কাজ করব। আপনাদের ছাড়া আমি কিছুই নই। তাঁর মুখে শোনা যায় জনপ্রিয় তামিল শব্দবন্ধ এন নেনজিল কুডিয়িরুক্কুম, যার অর্থ, যাঁরা আমার হৃদয়ে থাকেন।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন বিজয়। তিনি জানান, তামিলনাড়ুর মানুষ মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠন করা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।এছাড়াও রাজ্যে মাদক রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজয়ের দাবি, নতুন সরকার স্বচ্ছভাবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী ইস্তাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন বিজয়ের সঙ্গে আরও নজন শপথ নেন। সূত্রের খবর, তাঁদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোত্তাইয়ান, আধব অর্জুন, নির্মল কুমার, এন আনন্দ, অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু, প্রাক্তন আইআরএস আধিকারিক অরুণ রাজ, পি ভেঙ্কটারামনন এবং সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক কীর্তনা। বিরুধুনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা।

মে ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal