• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

অভিযুক্ত প্রমোটারের দেখা মিলতে পারে নেতাজি ইন্ডোরে, বিচারপতির মন্তব্যে হইচই

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একাধিক পর্যবেক্ষণ ও মন্তব্যে হইচই পড়ে যায়। রীতিমতো চর্চা চলে সব মহলেই। বিচারে রায়ের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে ভগবান তকমা দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে আপাতত নিয়োগ দুর্নীতির কোনও মামলাই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের হাতে নেই। তবুও এই বিচারপতির মন্তব্যে তোলপাড় পড়েছে। হাওড়ার লিলুয়ায় পার্থ ঘোষ নামে এক প্রোমোটারের বিরুদ্ধে বেআইনি নির্মাণ তৈরির অভিযোগ উঠেছে। মামলা গড়িয়েছে হাইকোর্টে। উচ্চ আদালত আগেই সেই নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু মামলাকারী সন্ধ্যা ঘোষের অভিযোগ যে, আদালতের নির্দেশের পরেও সেই নির্মাণ ভাঙা হয়নি। বৃহস্পতিবার ছিল এই মামলার শুনানি। যা নিয়ে এদিন এজলাসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দুপুর সাড়ে তিনটের মধ্যে অভিযুক্ত প্রোমোটার পার্থ ঘোষকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। পুলিশকেও ভর্ৎসনা করেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় পুলিশকে অভিযুক্ত নির্মাণকারীর দালাল বলে কটাক্ষ করেন।শুনানিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে এজলাসে বলতে শোনা যায়, ওকে (পার্থ ঘোষ) কোথাও খুঁজে না পাওয়া গেলে নেতাজি ইন্ডোরে গিয়ে খুঁজুন। পেয়ে যাবেন। পরে ওই বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার সময়ও নির্দিষ্ট করে দেন বিচারপতি। আদালতের নির্দেশ, আগামী ৬ দিনের মধ্যে বালির বেআইনি ওই নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে, কাল সকাল ১১টা থেকেই ভাঙার কাজ শুরু করেত হবে।বৃহস্পতিবার বেলায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশন ছিল। সাংসদ, বিধায়ক মন্ত্রীদের সঙ্গে এসেছিলেন তাঁদের অনুগামীরা ও দলের বিভিন্নস্তরের কর্মীরা। এই সভার মূল বক্তা ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ হেন অবস্থায় ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অভিযুক্ত প্রোমোটারের দেখা মিলতে পারে- বিচারপতির এই মন্তব্য বেশ ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

'ক্রিকেটে ইন্ডিয়া হেরে গিয়েছে, বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোটের অবস্থা আরও খারাপ,' দাবি দিলীপ ঘোষের

ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে শিল্প সম্মেলন নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি। এদিন কি বলেছেন তিনি?রাজ্যপালকে বাদ দিয়ে বাণিজ্য সম্মেলন:ওনাকে বাদ দিয়ে যদি শিল্প আসে তাহলে ভালো। উনি সবাইকে নিয়ে চলার ডাক দিচ্ছেন। উনি বলেছেন প্রয়োজনে বিরোধীদের সঙ্গে নিতে। এর আগে যে ৭ বার সম্মেলন হয়েছে তার নেট ফল তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না। উনি দুটি কুমির ছানা বারবার দেখান। তাজপুর বন্দর এবং দেউচা পাঁচামি। এখনও টেন্ডার পাল্টানো হচ্ছে। আদানি হাত তুলে নিয়েছে। আর কি কেউ করবে?লোকসভার লক্ষ্যে আজ বৈঠকে তৃণমূল:দলের ভিতরের ব্যাপার। দলে কজন আছে। পার্টি কিভাবে চলবে, এই নিয়েই কথা হবে।অমিত শাহর সভা রুখতে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য:রাজ্য ভাবছে সভা আটকে বিজেপি কে আটকাবে। এভাবে বিজেপিকে আটকানো যায়না।রাজ্যে নিয়মিত শ্যুট আউট:এ রাজ্যে জীবন ও সম্পত্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই। সেখানে শিল্প সম্মলেন করে কি হবে? কে আসবে রাজ্যে? আগে ইমেজ ঠিক করুন।বামেদের ব্রিগেডে রাজ্যের আপত্তি:কে কার জোট? ক্রিকেট ইন্ডিয়া হেরে গেছে। এই ইন্ডিয়া জোটের অবস্থা আরও খারাপ। কেউ সভা করতে চাইলে আটকাতে চেষ্টা করেন ও কোর্টে গিয়ে হেরে যান। এভাবে গণতান্ত্রিক দেশে কাউকে আটকানো যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

সৌরভকে বড় সম্মান মমতা সরকারের, ঘোষণা বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে

এবার বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার হলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে বক্তব্যের একবারে শেষ পর্যায়ে সৌরভের নাম ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মঞ্চে ডেকে নিন বাংলার আইকনকে। সৌরভের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। নিজের লেখাও তুলে দিয়েছেন সৌরভের হাতে।এর আগে বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার ছিলেন মুম্বাইয়ের স্টার শাহরুখ খান। দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছিল সৌরভকে ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার করার জন্য। এর আগে স্পেনে মুখ্যমন্ত্রীর নানা অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন সৌরভ। সুদূর স্পেন থেকে শালবনিতে ইস্পাত কারখানার কথা ঘোষণা করেছেন। তা নিয়ে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। আজ বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে শিল্পপতি হিসাবেও হাজির ছিলেন সৌরভ।

নভেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

মালদার বামনগোলায় খাটিয়ায় বয়ে নিয়ে যাওয়া বধূ মৃত্যুর অভিযোগে দিনভর শোরগোল

মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। খাটিয়ায় রোগী নিয়ে যাওয়ার ভাইরাল ভিডিও ঘিরে দিনভর তোলপাড় হল বাংলা। চলেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করে বসলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে!খাটে শুয়ে অসুস্থ গৃহবধূ। আর সেই খাট বাঁশ আর দড়ি দিয়ে পালকির মতো বেঁধে বেহাল রাস্তা দিয়ে হেঁটে নিয়ে যাচ্ছেন অসুস্থ গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা। যদিও ওইভাবে হাসপাতালে যাওয়ার সময়ই মৃত্যু হয় ওই গৃহবধূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ভাইরাল ভিডিও মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনাটি মালদার আদিবাসী অধ্যুষিত বামনগোলার গোবিন্দপুর মহেশপুর পঞ্চায়েতের মালডাঙা গ্রামের। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গ্রামের এই কাঁচামাটির রাস্তায় কোনও গাড়ি ঢুকতে চায় না। তাই ওই গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা মাচা তৈরি করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূকে। কিন্তু শেষমেশ আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।মৃতের নাম মামনি রায় (২০)। দুই বছর আগে এলাকার বাসিন্দা কার্তিক রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মামনির। সম্প্রতি তিনি জ্বরে ভুগছিলেন বলে খবর। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করেন। বাড়িতে তাঁর ২ বছরের এক সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, বেহাল রাস্তার বলি হলেন বছর কুড়ির গৃহবধূ।দীর্ঘ দিন ধরেই বেহাল ওই রাস্তা। প্রশানের কাছে জানিয়েও কাজের কাজ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। গা শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন বলেই দাবি জেলা তৃণমূল নেতাদের।কিন্তু, বামগোলার ঘটনা নিয়ে শোরগোল ফেলা মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন মমতা মন্ত্রিসভার সদস্য সিদ্দকুল্লা চৌধুরী। শনিবার বর্ধমান শহরে জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের যুদ্ধ বিরতি মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, রাস্তার কারণে নয়, ভাগ্যে ছিল তাই ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। ১০০ জনের মধ্যে ১ জনের অবস্থার ভিত্তিতে বাকি ৯৯ জনকে খারাপ বলব কি করে। হাতে কষ্ট হলে কি বলব মাথা খারাপ হয়েছে? আমাদের বললেই সারিয়ে দিতাম।বামনগোলা নিয়ে সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে। এ ধরণের অসংবেদনশীল মানুষই রাজ্যের মন্ত্রী। এবার এসএসকেএম সহ রাজ্যের সব হাসপাতালে তান্ত্রিক, ওঝা বসবে। আসলে বিরোধী জনপ্রতিনিধি হলেই সেই পঞ্চায়েত, পুরসভার ওয়ার্ড বা বিধানসভায় কাজ করার সুযোগ নেই। টাকা অনুমোদনই হয় না। ফলে রাস্তার ওই বেহাল অবস্থা।সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ওনার কথা মুখ্যমন্ত্রী লুফে নেবেন। যাঁরা চাকরির দাবিতে রাস্তায় বসে রয়েছেন মন্ত্রী তাঁদের কাছে গিয়ে বলুন যে ভাগ্যের জন্যই তারা ন্যায্য চাকরি থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতির দায়ে জেলবন্দি পার্থ, বালুদের বলুন ভাগ্যের কারণেই তাঁদের এই পরিণতি। উনি মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন ভাগ্য ভাল তাই মমতা এখনও টিঁকে গেছেন। এরা মন্ত্রী বলতে লজ্জা করে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

শীতের শুরুতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার খেঁজুর গাছের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

শির শিরে হিমেল হাওয়া ও হালকা কুয়াশায় দক্ষিন দিনাজপুর জেলায় এখন প্রাক শীতের আমেজ চলছে। শীতের মৌসুম শুরুর সাথে সাথে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, শুরু হয়েছে শীতের মধু, খেঁজুর রস আহরণ। এই রস আহরণে গাছিরা (খেঁজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহকারি) এখন যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ মসসুমে আবহমান বাংলায় খেঁজুর রস আহরণ, খেঁজুর গুড় আর নবান্নের উত্সব একটি প্রাচীন ঐতিহ্য। আর খেঁজুর রসের পিঠা পায়েস বাংলার উপাদেয় খাদ্য তালিকায় এখনও বেশ জনপ্রিয়, সর্বপরি নলেন গুরের পাটালি।গাছিরা জানান, বছরজুড়ে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকলেও শীতকালে চাষিদের কাছে খেঁজুর গাছের কদর বেশ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কারণ এ গাছ থেকেই আহরিত হয় সুমিষ্ট রস। আর এ রস জ্বালিয়ে ঝোলা গুড়, দানা গুড় ও পাটালি তৈরি করা হয়। খেঁজুরের গুড় থেকে এক সময় বাদামি চিনিও তৈরি করা হতো। যার মৌতানো স্বাদ ও ঘ্রাণ সর্ম্পূণ ভিন্ন। খেঁজুর গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি মিষ্টি রস দেবে। শীতের সকালে খেঁজুর রস পান শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয়। খেঁজুর রস আহরণ আর তার থেকে বিভিন্ন উপাদেয় খাদ্য তৈরি আবহমান বাংলার সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। খেঁজুরের নলেন গুড় ছাড়া শীত মৌসুমের পিঠা খাওয়া জমেনা।দক্ষিন দিনাজপুর জেলার কৃষকরা নতুন ধান সংগ্রহের পাশাপাশি খেঁজুর রস আহরণের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এখন চলছে খেঁজুর গাছের ডগা চাঁচার কাজ। এরপর সেই পরিষ্কার ডগায় বাঁশের তৈরি বিশেষ নল লাগিয়ে সংগ্রহ করা হবে ফোঁটা ফোঁটা রস। মাটির হাঁড়িতে খেঁজুর রস সংগ্রহ করা হয়। তবে আজকাল প্লাস্টিকের বোতলেও খেঁজুর রস আহরণ করে চাষিরা। শীতের পুরো মরশুম জুড়ে চলবে রস, গুড়, পিঠা-পুলি, পায়েস খাওয়ার পালা। আর কিছুদিন পর নতুন গুড়ের মিষ্টি গন্ধে ধীরে ধীরে আমোদিত হয়ে উঠবে গ্রাম-বাংলা। দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বাউল এলাকার গাছি মিন্টু বসাক জনতার কথা কে জানান, গাছের ডগা চেঁচে বাশের খিল লাগানোর কাজ চলছে। অল্পদিনের মধ্যেই রস আহরণ পর্ব শুরু হবে। খেঁজুর গাছ আমাদের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এর পরিকল্পিত আবাদ তেমন নেই। উপরন্তু নির্বিচারে খেঁজুর গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। যা পল্লী বাংলার পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। খেঁজুর গাছ থেকে শুধু সুমিষ্ট রস ও গুড়ই হচ্ছে না, প্রকৃতির ভারসাম্য সুরক্ষায় খেঁজুর গাছের আবাদ সম্প্রসারণ জরুরি।প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা সমাগত। বাঙালির এ সময়ের অন্যতম আকর্ষণ খেঁজুর গুড়ের পিঠা-পায়েশ। প্রাচীনকাল থেকেই খেঁজুর গুড়ের জন্য গ্রাম বাংলা বিখ্যাত। দিন বদলের সঙ্গে মানুষের জীবন-যাত্রায় অনেক কিছু বদলে গেলেও বদলায়নি খেঁজুরের রস সংগ্রহ এবং গুড়-পাটালি তৈরির পদ্ধতি। তাই শীতের আগমনী বার্তা জানান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এখানকার গাছিরা প্রস্তুতি নেন খেঁজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের। এ জন্য প্রথমেই খেঁজুর গাছ কেটে পরিষ্কার করেন তারা। এরপর শুরু হয় রস সংগ্রহ। চিরাচরিত পদ্ধতিতে মাটির ভাঁড়ে (কলসি) রাতভর রস সংগ্রহ করা হয়। সূর্য ওঠার আগেই তা আবার গাছ থেকে নামিয়ে আনে তারা। পরে এই রস মাটির হাঁড়িতে কিংবা টিনের তৈরি কড়াইয়ে জ্বালিয়ে তৈরি করে গুড়-পাটালি। ইতিমধ্যে জেলার নানান জায়গায় শুরু হয়েছে গুড়-পাটালি তৈরির সেই প্রক্রিয়া। গাছিরা এখন কাজের ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন। অল্প দিনের মধ্যেই বাজারে পাওয়া যাবে নতুন খেঁজুর গুড়।গ্রামে গ্রামে পড়ে যাবে খেঁজুরের রস দিয়ে পিঠা, পায়েশসহ নানা মুখরোচক খাবার তৈরির ধুম। শীতের আগমনী বার্তা গ্রামবাংলায় নিয়ে আসে নানা রকম সুস্বাদু খাবারের সমাহার। বিভিন্ন রকমের খাবারের মধ্যে গ্রামবাংলায় শীতের প্রধান অনুষঙ্গ সুস্বাদু খেঁজুরের রস। সেই রসে তৈরি পাটালি গুড় আর শীতের রকমারি পিঠাপুলি সবার মন ভরিয়ে দেয়। লোভনীয় খেঁজুর রসের জোগান দিতে এখন থেকেই ব্যস্ত গাছিরা। চলছে খেঁজুর গাছ চাঁচা-ছোলার কাজ। সেসব গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, দল বেঁধে গাছিরা খেঁজুর গাছ পরিষ্কারের কাজ করছেন। মরশুমের শুরুতেই বাজারে পাটালি গুড় ও খেঁজুর রস ওঠে গাছিদের আগাম গাছ ঝোড়ার কারণে। বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কোমরে মোটা রশি বেঁধে ঝুলে ঝুলে খেঁজুর গাছ ঝুড়ে মাথায় চাঁচ দিচ্ছেন। এ গ্রামের পেশাদার গাছিদের পাশাপাশি গৃহস্থরাও বসে নেই, নিজের গাছ তৈরি করছেন তারা। দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুরের যথাক্রমে বড়াইল, শেরপুর, শিববাড়ি ও সর্বমঙ্গলা গ্রামের কয়েকজন গাছিরা জানান, কার্তিক মাসের শুরু থেকেই খেঁজুর গাছের পরিচর্যা চলছে। গাছের বাইগা (ডাল) ঝোড়া, গাছের মাথা ছেনি অথবা ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে কয়েক দফা চাঁচ দেওয়ার কাজ চলছে। রস জ্বালানো ভাটি, জ্বালানি ও রসের ঘটি সংগ্রহের কাজ শেষের দিকে। আরেক গাছি নীরদ সরকার বলেন, এই গ্রামের খেঁজুর রস ও পাটালির সুনাম আছে। তাই আমরা আগাম কাজ করি। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এখানকার গুড় বিক্রি হয়। জেলার গ্রামীণ মেঠোপথের ধারেই রয়েছে সারি সারি খেঁজুর গাছ। তাই এ অগ্রহায়নের বিকেলের দিকে গ্রামের যে পথেই হাঁটা যাক না কেন, চোখে পড়বে খেঁজুর গাছ ঝোড়ার অপূর্ব দৃশ্য। অগ্রহায়ণের প্রথম সপ্তাহেই গ্রামের ঘরে ঘরে খেঁজুর রস আর গুড় দিয়ে নতুন আমন ধানের পিঠা-পুলি ও পায়েশ তৈরির ধুম পড়বে। আসন্ন পৌষপার্বন-পুষনা বা পীঠেপুলির উত্সবে এই খেঁজুর গুড় ও রস নতুন মাত্রা আনবে গ্রামের গৃহস্থদের রসুইখানায়।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজ্য

জয়নগরের তৃণমূল নেতা খুন, নদিয়া থেকে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, পুলিশের জালে আরও ৪

জয়নগরের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের অভিযোগে নদিয়া গ্রেফতার করা হল সিপিএম নেতা আনিসুর রহমান লস্করকে। গাড়ি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন আনিসুর। শেষপর্যন্ত মোবাইল ট্র্যাক করে ঘটনার ৩ দিন পরে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে পুলিশ। এছাড়া আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে তাঁদের নাম, পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।সইফুদ্দিন লস্করকে খুনে সিপিএম নেতা আনিসুর রহমানই মূল চক্রী বলে মনে করছে পুলিশ। নিহত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে নাম ছিল এলাকায় সিপিএম নেতা বলে পরিচিত আনিসুরের।পুলিশ সূত্রে খবর, সইফুদ্দিন খুনের পর থেকেই পলাতক ছিলেন সিপিএম নেতা আনিসুর। বন্ধ ছিল তাঁর মোবাইলও। সইফুদ্দিন খুনে জড়িত সন্দেহে গত মঙ্গলবার ভোরে গণপিটুনিতে প্রাণ যায় সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির। গ্রেফতার করা হয় শাহরুল শেখ নামে আরেক অভিযুক্তকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আটকও করা হয় বেশ কয়েকজনকে। তাদের জেরা করেই সইফুদ্দিন খুনে আনিসুর যোগের কথা জানতে পারে পুলিশ।তদন্তের স্বার্থে পুলিশ দলুয়াখাঁকির আনিসুর রহমান লস্করের খোঁজ শুরু করে। বাড়ি সহ সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালালেও অনুসুরের খো্জ মেলেনি। তার আগেই পালিয়ে যান আনিসুর। ফলে অভিযুক্তের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করা শুরু করে পুলিশ। সেই মত নানা জায়গায় হানা দিলেও কোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষপর্ষন্ত নদিয়ার রানাঘাটে আনিসুরের মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখে সেখানে যায়। ওখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তবে আনিসুরকে দলের নেতা বলে মানতে অস্বীকার করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। সে আমাদের সমর্থক হতে পারে। আসলে পুলিশ তৃণমূলের নেতা খুনে যে কোনও উপায়ে বিরোধী সিপিএমকে জড়াতে মরিয়া। তাই আততায়ীকে ধরে এখন আমাদের দলের নেতা বলে দেওয়া হচ্ছে। আবার বলা হচ্ছে উনি নাকি কর্মী। আসলে পুরোটাই সাজানো গল্প। তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, আইন আইনের পথে চলবে। সিপিএম যে ধোয়া তুলসী পাতা নয় এই গ্রেফতারি থেকে তা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে এই সন্ত্রাস, খুনের রাজনীতিই সিপিএমের সংস্কৃতি।ভোরবেলা নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় বামনগাছি অঞ্চলের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে গুলি করে খুন করা হয় মঙ্গলবার ভোরে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। এই খুনের খবর জানাজানি হতেই দলুয়াখাঁকি, লস্করপাড়ার একাধিক বাড়িতে পরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জয়নগরের দলুয়াখাঁকি গ্রাম। গ্রাম ছাড়া হয় বহু পরিবার।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

ফের ইডি দফতরে টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সঙ্গে নিয়োগ তালিকা

পৌর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টিটাগড় পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী বৃহস্পতিবার ফের এলেন ইডি দপ্তরে। বেশ কিছু নথি নিয়ে তাঁকে এদিন আসতে বলা হয়েছে। সেই নথি নিয়ে তিনি ইডি দপ্তরে এসেছেন। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। গতকাল তলব না পেয়েও এসেছিলেন প্রশান্ত। তাহলে কি এ দিন ইডি-র সমন পেয়েছেন? পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে প্রশান্তর। সিজিও-তে এসেই টিটাগড়ের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এদিন তাঁকে ডেকেছে ইডি। প্রশান্ত চৌধুরী জানান, ২০১৪-১৫ সালে টিটাগর পুরসভায় যে নিয়োগ হয়েছিল সেই তালিকা তাঁকে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। এসব নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে অনুমান।পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় গত ৭ এবং ৮ নভেম্বর ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন প্রশান্ত চৌধুরী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন ইডির গোয়েন্দারা। তার আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চলেছিল। টিটাগড়ের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জানান, তল্লাশির দিনই তাঁর দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে হাজিরার দিন তাঁর সামনেই ওই দুটি মোবাইলের সিল খুলে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছিল ইডি।সূত্রের খবর ২০১৪ এবং ১৫ সালে টিটাগর পৌরসভায় যে নিয়োগ হয়েছিল সেই তালিকার নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর। সেই সময় কতজন নিয়োগ হয়েছিল, কিভাবে নিয়োগ হয়েছিল সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

বাগুইআটির বৃদ্ধের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও, জামতারা গ্যাংয়ের পান্ডা গ্রেফতার কুলটি থেকে

ফের সাইবার প্রতারণায় জামতারা গ্যাং। ব্যাংকের তথ্য হাতিয়ে বৃদ্ধার থেকে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণার অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রেফতার কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থার এক কর্মী। জানা গিয়েছে, বর্ধমান থেকে গ্রেফতার জামতারা গ্যাংয়ের এক পান্ডা।পুলিশ সূত্রে খবর, বাগুইআটি এলাকার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী আনন্দ শঙ্কর দাস বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে গত মার্চ মাসে তাঁর কাছে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোন করে এক ব্যক্তি একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপরেই তাঁর অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি করানোর নাম করে তাঁর কাছ থেকে ওটিপি দিতে বলে। তিনি সেই ওটিপি দিলে কিছুক্ষণ পরে তাঁর কাছে এসএমএস আছে যে তার একাউন্ট থেকে ছয় লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ঘটনার তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ। পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে হানা দিয়ে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত রঞ্জন মাঝিকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর এই অভিযুক্ত পেশায় কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থা BCCL এর কর্মী। তবে সে জামতারা গ্যাংয়ের হয়ে কাজ করে বলে অভিযোগ। আজ, বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে বিধাননগর আদালতে তোলা হচ্ছে। পুলিশ অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে বিধাননগর সাইবার ক্রাই ক্রাইম থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও মেয়েকে ৯ কোটি ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর! ফেরত মেলেনি কানাকড়িও

রেশন দুর্নীতির তদন্তে পরতে পরতে রহস্যে মোরা। নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও ধৃত চাল ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের সম্পর্ক কতটা গভীর তা জানাতে গিয়েই আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন ইডির আইনজীবী। এই দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী ও বাকিবুরের জেরা চলছে। আদালতে ইডির আইনজীবীর দাবি, সেই জেরাতেই সামনে এসেছে ভয়ংকর তথ্য। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, সুদ এবং সিকিউরিটি ছাড়াই মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও মেয়েকে ৯ কোটি ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর! এখনও পর্যন্ত সেই ঋণের কানাকড়িও মেটানো হয়নি।কেন এই ঋণ প্রদান? এর নেপথ্যে গভীর রহস্য দেখছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। শনিবার রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত চাল ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে আদালতে তোলা হয়েছিল। ঋণের কথা বলে বাকিবুরের জামিনের বিরোধিতা করেন ইডির আইনজীবী। শেষপর্যন্ত এদিন ২২ নভেম্বর পর্যন্ত বাকিবুরের জেল হেফাজত মঞ্জুর হয়েছে। প্রয়োজনে জেলে গিয়েও এবার তাঁকে জেরা করতে পারবেন ইডির গোয়েন্দারা।নিজেদের দাবির সপক্ষে এদিন আদালতে একাধিক নথিও পেশ করেছেন ইডির আইনজীবী। ইডির দাবি, খুব ঘনিষ্ঠতা না থাকলে কেন কেউ কোনও কাগজ ছাড়াই অচেনা কাউকে ৯ কোটি টাকা ঋণ দেবে? ইডির সূত্রের খবর, রেশনের দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতে ভুয়ো কৃষক সংগঠন তৈরি করা হয়েছিল। কৃষকদের নামে রয়েছে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। যা অনেকটাই নাকি নিয়ন্ত্রণ করতেন চাল ব্যবসায়ী বাকবুর।উল্লেখ্য, ফার্মারস ফোরাম নামে একটি কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছিল এ রাজ্যে। তখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকই। এই কৃষক সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন চালকল মালিক বাকিবুর রহমান।রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইডির গোয়েন্দারা বাকিবুর রহমানের বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে তাঁর একাধিক সংস্থা। ইডি সূত্রে দাবি, ৬টি এমন সংস্থা রয়েছে যেখানে আটা বণ্টন দুর্নীতির টাকা ঢুকেছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এনপিজি রাইসমিল প্রাইভেট লিমিটেড। এই সংস্থায় ঢুকেছিল ১০ কোটি ৩০ লক্ষ ৯৭ হাজার ১০০ টাকা। সূত্রের খবর, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও বাকিবুর রহমানের গ্রেফতারির পর খাদ্য দফতরের পোর্টালে এই সংস্থাকে হোল্ড হিসেবে দেখানো হয়েছে। এছাড়াও কলকাতা, রাজারহাট ও এ রাজ্যে বাকিবুরের ৯ টি ফ্ল্যাটের খোঁজ মিলেছে বলে খবর। দুবাইতেও তাঁর নাকি ২টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে বলেও দাবি ইডি সূত্রের।শনিবার দুপুরে ইডি দফ্তরে আসেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ির পরিচারক রাম স্বরূপ শর্মা। যদিও তার দাবী তিনি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের খাবার নিয়ে এসেছেন। বেশ কিছুক্ষন পর তিনি ইডি দফ্তর থেকে বেরিয়ে আসেন। এর পর তিনি জানান, আমি কোম্পানির ব্যপারে কিছু বলতে পারবো না। আমার কিছু জানা নেই। তবে আমার কেষ্টপুরে একটি ফ্ল্যাট আছে। আমি লোন হিসাবে নিয়েছি এবং পাঁচ লাখ টাকা শোধও করেছি। সাহেব এর কাছ থেকে নিয়েছি। লকডাউন এর আগে নিয়ে ছিলাম। বাকি টাকা মাসে মাসে দিচ্ছি। আমার কাছ থেকে সাদা কাগজে সই করিয়ে ছিল আমি করেছিলাম। যারা এসেছিলো তাদের চিনি না সাহেব এর নাম করে বলেছিলো। অনেক বছর আগে এসেছিলো। সইটা উল্টোডাঙা দিকে রাস্তায় সই করিয়েছিলো। বলেছিলো সাহেব পাঠিয়েছে এটা তোমায় করে দিতে হবে। সাহেব বলতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কথা বলছিলো। ইডি ডেকেছিল আমি কথা বলেছি। সত্যি কথা যেটা যেটা ছিল সেটাই বলেছি। যা যা জিজ্ঞাসা করেছে আমি বলেছি। ডকুমেন্টস জমা দিয়েছি।

নভেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

২টি বাচ্চা ময়ূর পাচার করতে গিয়ে ধৃত দুই পাণ্ডা, মাথার খোঁজে তদন্ত

দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর থেকে দুটি ময়ূর বাচ্চা সহ গ্রেপ্তার দুই পাচারকারী। পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল। বারুইপুর বনবিভাগ এবং ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে তাদেরকে বারুইপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো সূত্রের খবর, সূত্র মারফত তারা খবর পায় দুটি ভারতীয় ময়ূরের বাচ্চা নিয়ে দুই পাচারকারী বারুইপুরে পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে। সেই মতো তারা বারুইপুরে হানা দিয়ে দুই পাচারকারীকে আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে দুটি ভারতীয় ময়ূরের বাচ্চা উদ্ধার হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে তারা বাঁকুড়া থেকে এই ময়ূর গুলি নিয়ে এসেছিলো । এই ময়ূরগুলিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্রি করা হতো। এই চক্রের সাথে আর কারা রয়েছে জানার চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

এবার আর ৯-১০ ঘন্টা নয়, মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই ইডি দফতর ছাড়লেন অভিষেক

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সূত্রেই এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, কিছু নথি চেয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি, সেটা পাঠিয়ে দিলেও হত, কিন্তু সশীরের আসার কথা বলা হয়েছিল তাই এসেছি। তদন্তে সহযোগিতা করছি। আবার ডাকলে আসব। বিস্তারিত মিডিয়ায় আর কিছু বলছি না। অভিষেক জানান, এদিন প্রায় ৬ হাজার পাতার নথি ইডি আধিকারিকদের কাছে জমা করেছেন তিনি। তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে আমাগী দিনেও সহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এই নথি দেখে যদি মনে করেন তদন্তকারীর আবার ডাকবেন, জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে, তাহলে আবার আসব। শুধু নথি পাঠিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু তা করিনি। তদন্ত এড়াতে কোনওদিন কোনও অজুহাত খুঁজিনি।গত কয়েকমাসে কেন্দ্রীয় একাধিক সংস্থার বারবার তলবের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর আগেও তৃণমূলের শীর্ষ নেতাকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছিল। একটানা ৯-১০ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তৃণমূল নেতাকে। যদিও বারাবর তাঁকে এই তলব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই তোপ দেগেছেন অভিষেক ও তাঁর দলের নেতারা। ইডি-সিবিআইকে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের চাপে রাখতে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।রাজনৈতিকভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পেরে না উঠে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি, এমনই অভিযোগ রাজ্যের শাসকলের। এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তাঁকে ফের একবার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে এই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। এই মামলায় এর আগে ইডি এবং সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেলিন তৃণমূল নেতা। আজ ফের একবার ওই একই মামলায় হাজিরা তৃণমূলের সেকন্ড ইন কম্যান্ডের।

নভেম্বর ০৯, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের সঙ্গে দূরত্ব কমাতে তৎপর বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য, থানায় তলব বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে

২৪ ঘন্টা হয়েছে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য সঞ্জয় কুমার মল্লিক। কবিগুরুর বিশ্বভারতীর গড়িমা ধরে রাখার আহ্বান জানালেন সকলকে। এদিকে এদিন মেয়াদ শেষের পরই প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে তলব করল শান্তিনিকেতন থানা। ৬টি মামলার প্রেক্ষিতে তাঁকে ডাকা হয়েছে। ১০ নভেম্বরের পর থেকে বিদ্যুৎবাবুকে ক্রমান্বয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সঞ্জয় কুমার মল্লিক। তিনি বলেন, বিশ্বভারতীর সমস্ত সমস্যার সমাধান জানতে চেয়ে আমি মন্ত্রকে চিঠি পাঠিয়েছি। তারা জানালেই আমি পদক্ষেপ করব। তবে আমার সর্বস্তরের মানুষের কাছে আবেদন যে শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি সকলকেই ধরে রাখতে হবে৷ বিশ্ব ঐতিহ্যের তকমা ধরে রাখতে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়৷ সঞ্জয়বাবু জানিয়েছেন, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের কী কাজ, কতটা এক্তিয়ার সেগুলো তাঁর জানা নেই৷ এসব জানাতে চেয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকে চিঠি দিয়েছেন।উপাচার্য বলেছেন, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হওয়ায় আমার কাজ স্থায়ী উপাচার্য যাতে দ্রুত আসতে পারেন তার পথ প্রশস্ত করে দেওয়া। এ জন্য ইসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের সভা ডাকতে হয়। আপাতত সেটাই করা আমার মূল লক্ষ্য।ফলক বিতর্কে উত্তাল বিশ্বভারতী। সেই ফলক বাতিলের কী নির্দেশ দেবেন বর্তমান উপাচার্য? সঞ্জয়বাবুর জবাব, আমি কোনও নির্দেশ বা পদক্ষেপ করতে পারি কিনা সেটা আমি এখনও জানি না। তাই আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক থেকে আমার এক্তিয়ার জানানো হোক, তারপরই আমি কী করণীয় তা বলতে পারব।নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের বাড়ির জমি থেকে রাস্তার দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা- একাধিক কারণে তাঁর নানা পদক্ষেপের জেরে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিশ্বভারতীয় প্রাক্তন উপাচার্য। উপাচার্যে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর আমলে নবান্নের সঙ্গে দূরত্ব ক্রমেই বেড়েছে বিশ্বভারতীয়। সেই ব্যবধান কমাতে কী পদক্ষেপ করবেন বর্তমান উপাচার্য? ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে দূরত্ব যাতে কমে ও বিশ্বভারতী যাতে সঠিক পথে চলে সেটাই তিনি করবেন। পৌষমেলার আয়োজন করার চেষ্টা তিনি যে করবেন, তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন উপাচার্য সঞ্জয় কুমার মল্লিক।বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর একাধিক সিদ্ধান্ত, পদক্ষেপ, মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বহু অভিযোগ দায়ের হয়েছে শান্তিনিকেতন থানায়। ৮ নভেম্বর তাঁর মেয়াদ শেষ হয়েছে। এখনও তিনি সরকারি বাসভবনেই রয়েছেন। এদিন শান্তিনিকেতন থানার মহিলা অফিসারের নেতৃত্বে পুলিশ যায় বিদ্যুৎবাবুর বাসভবনে৷ জানা গিয়েছে, ৬টি পৃথক মামলায় তাঁকে নোটিস দিয়ে শান্তিনিকেতন থানায় তলব করা হয়েছে। ১০ নভেম্বর থেকে পর পর হাজিরার তারিখ দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

নভেম্বর ০৯, ২০২৩
রাজ্য

'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?', সিজিওতে পাল্টা প্রশ্ন জ্যোতিপ্রিয়র

জন্মদিনে জনসংযোগ মিটতেই ইডির নোটিস। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বৃহস্পতিবার ফের তলব করেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ইডির হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তাঁকে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই বনমন্ত্রীর পাল্টা জিজ্ঞাসা, আমি জানি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?। এরপর আর এ বিষয়ে কোনও কথা শোনা যায়নি তাঁর মুখে। এদিনও তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে জ্যোতিপ্রিয় বলতে থাকেন, আপনাদের একটা কথা বলি শুনুন। আমি সমস্ত ব্যাপারে নির্দোষ, এটা জেনে নিন। ১৩ তারিখ আমাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হবে। সেখানে বুঝতে পারবেন আমি অত্যন্ত ক্লিয়ার।স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতর থেকে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । সিজিও থেকে গাড়িতে ওঠার সময়ই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন বনমন্ত্রী। হাসপাতাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়ে দেন শরীরটা খুব খারাপ।রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় রানাঘাট এর রেশন ডিলার জয়িতা পালকে তলব করেছিল ইডি। এদিন তিনি ইডি দফতরে আসেন। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য জানতে চায়। জানা গিয়েছে, এবার আরও রেশন ডিলারদের দিকে নজর দিয়েছে ইডি।ফের আজ, বুধবার ইডি দফতরে এলেন টিটাগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। পৌরনিয়গ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে তলব করেছিল। এর আগে তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি টিটাগর পুরসভাতে তল্লাশি করেছে ইডি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

বিশ্বভারতীতে নয়া উপাচার্য, মেয়াদ বৃদ্ধি নয় বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর

বিতর্কে বারং বার জড়িয়ে সংবাদ শিরোনামে এসেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বুধবারই তাঁর কাজের মেয়াদ শেষ হল। তাঁর মেয়াদ কী ফের বাড়বে? গত কয়েকদিনে চর্চায় বারে বারে এই প্রশ্ন উঠেছে। এসবের মধ্যেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য করা হল ডঃ সঞ্জয়কুমার মল্লিককে।৫৬ বছর বয়সী অধ্যাপক সঞ্জয়কুমার মল্লিক কলাভবনের অধ্যক্ষ। বিশ্বভারতীর কর্মসমিতিরও সদস্য তিনি। বিশ্বভারতী অ্যাক্ট অ্যান্ড স্ট্যাটু অনুযায়ী সিনিয়র মোস্ট অধ্যাপক হিসাবে উপাচার্যের ভার সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হল সঞ্জয় মল্লিককে। উপাচার্য পদে সঞ্জয়বাবুর নিয়োগের কথা প্রকাশ্যে আসতেই উচ্ছ্বাস দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, অধ্যাপক ও কর্মীদের মধ্যে৷ এই বদলকে তাদের আন্দোলনের জয় বলে দাবি করেছে রাজ্যের শাসক শিবিরের একাংশ।উপাচার্য পদে বিদ্যুৎ চক্রবর্তী যতদিন ছিলেন ততদিনই তাঁর বহু সিদ্ধান্ত ঘিরে তোলপাড় হয়েছে। থানা, পুলিশ, আইন-আদালত কিছুই বাকি নেই। মেয়াদ শেষের দিনও তাঁকে ঘিরে আন্দোলন, বিক্ষোভ হতে পারে, এই আশঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর, উপাচার্যের বাড়ি ও দফতর এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে উপাচার্যের বাসভবন ল থেকে বুধবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে স্বাক্ষর করেন বিদ্যুৎবাবু। কোনও উপাচার্যের মেয়াদ শেষে এই দৃশ্য বিশ্বভারতীতে নজিরবিহীন বলে দাবি আশ্রমিকদের।নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের বাড়ি বিতর্ক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা, বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তার দাবি থেকে পৌষ মেলা বন্ধ, আশ্রমিকদের একাংশকে আক্রমণ। বহু কারণে কখনও মুখ খুলে, কখনও আবার তাঁর সিদ্ধান্তের কারণে একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিধানসভা ভোটে বিজেপির পরাজয় নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করে সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা বিদ্যাৎবাবুকে টানা আক্রমণ করে গিয়েছেন। শেষমেষ বিতর্কের অবসান হল, নয়া ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য পেল কবিগুরুর বিশ্বভারতী।

নভেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ প্রাক্তন ও বর্তমান পুরকর্তাকে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয় যোগ

একদিকে রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলা পাশাপাশি পুরনিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে জোরদার তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। উত্তর ২৪ পরগণার একের পর এক পুরসভার কর্তাদের তলব করছে ইডি। প্রাক্তন পুরপতি-উপ-পুরপতিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বরানগর পৌরসভার চেয়ারম্যান অপর্ণা মৌলিককে মঙ্গলবার ফের তলব করে ইডি। এদিন সকাল ১১ টা নাগাদ তিনি সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে দফতরে হাজিরা দেন।প্রায় ছয় ঘন্টা পর তিনি ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান। বেরোনোর সময় তিনি বলেন, আজ কিছু ব্যক্তিগত নথি নিয়ে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। এবং ২০১৬-১৭ সালের যে পুরসভা নিয়োগ হয়েছিল সেই নিয়ে আজ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অয়ন শীলের সাথে তাঁর কোন যোগাযোগ রয়েছে কিনা বা বরানগর পৌরসভার সাথে অয়নের কোন সংযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ইডি।এদিন টিটাগর পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান প্রশান্ত চৌধুরী ইডি দপ্তরে আসেন। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসা করার জন্য তাঁকে তকব করে ইডি। এর আগে প্রশান্ত চৌধুরীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। তখন তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। প্রশান্ত চৌধুরী ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে জানান, তার যে দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল সেই মোবাইল ফোন ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছিল এবং ডেটা ট্রান্সফারের জন্য দেরি হল। তিনি যে সময় চেয়ারম্যান ছিলেন কিভাবে নিয়োগ হয়েছিল তা জানতে চাওয়া হয়। প্রশান্ত চৌধুরী এবং তার কোথায় কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে তার নথি খতিয়ে দেখা হয়।আগামীকাল ফের তাঁকে ডাকা হয়েছে।কামারহাটি পুরসভার চিপ ইঞ্জিনিয়ার তামাল দত্তকেও আজ ডাকা হয়েছিল পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান।একদিকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত, একইসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে পুরসভা কর্তাদের কি সম্পর্ক তাও খতিয়ে দেখছে ইডি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর, সামাল দিল পুলিশ

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বাড়িতে চড়াও হল পঞ্চায়েত এলাকার একদল বাসিন্দা। এই ঘটনায় মঙ্গলবার বিকালে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার কামারহাটি গ্রামে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনার কথা জেনে বিস্মিত পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।তাঁর আশঙ্কা,এই ঘটনার পিছনে বিরোধীদের উস্কানি থাকলেও থাকতে পারে! জানা গিয়েছে, পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত।রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক বাড়ি রায়না ২ নম্বর ব্লকের গোতান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কামারহাটি গ্রামে। শুধু বসত বাড়ি নয়, ওই গ্রামে রয়েছে মন্ত্রীর পরিবারে একাধিক পুকুর ও জমিজমা। মাঝে মধ্যে পৈত্রিক বাড়িতে যাওয়া আসা করেন মন্ত্রী। লাঠি ডাণ্ডা নিয়ে সেই বাড়িতেই এদিন বিকালে চড়াও ক্ষুব্ধ একদল গ্রামবাসী। তারা ডাণ্ডা দিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সদর দরজা ঠোকে, বাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোড়া, কিছুই বাদ রাখেন না। তির-ধনুক নিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে লোহার গেট থেকে শুরু করে বাড়ির ভিতরে জানলা, দরজার কাঁচ, চেয়ার, টেবিল, আলো,ফুলের গাছ ভাঙচুর করে তাণ্ডব চালানো হয় । মাছ-চাষিদের তিনজনের বাড়িও ভাঙচুর হয়। কেন মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকার ও তার দলবল নির্মম ভাবে মরধোর করেছে, তার বিহিত চাইতেই মূলত ক্ষুব্ধ মানুষজন এদিন মন্ত্রীর বাড়ির বিক্ষোভে ফেটো পড়েন।এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, কাউকে কিছু না জানিয়ে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক পুকুর থকে মাছ ধরা নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় অশান্তি ছড়ায়। মাছ ধরা নিয়ে মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মারধোরে অভিযোগ ওঠো মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকারে বিরুদ্ধে। ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহেন্দ্রকে মন্ত্রীর বাড়ির মধ্যে তুলে নিয়ে নিয়ে গিয়ে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। তার খবর পেয়েই মাধবডিহি থানার পুলিশ গিয়ে তখনকার মত পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে মারধোরের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ স্তিমিত হয় নি। মঙ্গলবার বিকেলে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ ফের আছড়ে পড়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর পৈত্রিক বাড়িত । পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মির্জা আখতার আলি বলেন, এটা সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রশ্ন, সে জন্যে গ্রামবাসীরা নির্মমতার বিরুদ্ধে একত্র হয়েছেন। আমরা অন্যায়কে তো আর ন্যায় বলতে পারি না। বিজেপির জেলা সম্পাদক (কাটোয়া) মাণিক রায় বলেন, তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৩
রাজ্য

৭ দিনের ইডি হেফাজত জ্যোতিপ্রিয়র, বারে বারে নিজেকে নির্দোষ দাবি মন্ত্রীর

সোমবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে আদালতে যাওয়ার পথে ফের নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ইডির দফতর থেকে বেরিয়ে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, আমি নির্দোষ। আমি নির্দোষ। আমি নির্দোষ। এরপরই সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলতে থাকেন, এরা যা করেছে, অন্যায়, অনৈতিক কাজ করেছে। কোর্ট নিশ্চয়ই বিচার করবে।কিন্তু কে বা কারা অন্যায় কিংবা অনৈতিক কাজ করেছে? এদিন অবশ্য তা স্পষ্ট করেননি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। পাশাপাশি জ্যোতিপ্রিয় দাবি করেছে যে, তিনি অসুস্থ।গত শুক্রবার হাসপাতালে যাওয়ার সময় জ্যোতিপ্রিয় চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন। যা নিয়ে তোলপাড় পড়ে যায়। মমতা মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য বলেছিলেন যে, মমতাদি-অভিষেক সবটা জানে। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। চার দিনের মধ্যে সব প্রকাশ হবে। আমি দলের সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব। সেই সূত্রেই এদিন আদালতে কী বোমা ফাটাবেন বনমন্ত্রী সেদিকেই সকলের নজর। এদিন ফের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে যান মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস। বেশ কিছু নথি তিনি ইডিতে জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আদালত থেকে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আসার সময় মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ৬দিন পর আবার দেখা হবে। তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমান করবেন বলে ফের দাবি করেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে ব্যবসায়ীর গাড়ি থেকে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, জামিন পেলেন ধৃত

পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্লাট থেকে টাকার পাহাড় মিলেছিল। সেই ঘটনায় অর্পিতার সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। হইচই পড়ে গিয়েছিল। তারপর হাওড়ায় ঝাড়খন্ডের বিধায়কদের গাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এবার বর্ধমানের তেলিপুকুর সাবওয়েতে এক ব্যবসায়ীর গাড়ির ডিকি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা টাকা উদ্ধার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। টাকা ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি চালকল ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানিয়েছেন, ধৃতের নাম অচিন্ত্য কুমার যশ। তিনি ধানকলের মালিক। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে।এদিকে এই ঘটনায় বর্ধমানের চালকল ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পড়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ পুলিশ বর্ধমান-আরামবাগ রোডের তেলিপুকুর মোড়ে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছিল। ওই সময়ে কালো রঙের একটি চারচাকা গাড়ি সেখানে পৌছাতেই পুলিশ গাড়িটি দাঁড় করায়। গাড়িতে দুজন মহিলা সহ পাঁচ জন ছিলেন। গাড়ির ডিকি খুলিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালাতে গেলে পুলিশ ডিকিতে কয়েকটি ব্যাগ দেখতে পায়। ওই ব্যাগগুলিতে টাকা ভর্তি রয়েছে দেখেই পুলিশ গাড়ি সহ যাত্রীদের আর যেতে না দিয়ে আটকে রাখে। এত টাকার উৎস কি তা জানার জন্য পুলিশ গাড়ির সকল আরোহীকে বর্ধমান থানায় নিয়ে যায়।জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, অচিন্ত্য যশ খণ্ডঘোষ ব্লকের উখরিদ অঞ্চলের শরঙ্গা গ্রামের বাসিন্দ। খণ্ডঘোষের বাদুলিয়া ও রায়নায় অচিন্ত্য যশের একাধিক চালকল রয়েছে। বর্ধমানের রামকৃষ্ণ পল্লীতেও ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি বর্ধমান শহরে বহুজাতিক সংস্থার একটি পোষাকের শোরুমও আছে ব্যবসায়ী অচিন্ত্য যশের। তাঁর ভাই একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক বলেও জানা জানা গিয়েছে। কোনও নথি ছাড়া মোটা অংকের নগদ টাকা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ ব্যবসায়ী অচিন্ত্য যশকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। ধৃতের আইনজীবী পার্থ হাটি এদিন বলেন, সন্দেহের বশে পুলিশ জিডি (জেনারেল ডাইরি) করে আমার মক্কেলকে গ্রেফতার করে। শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হতেই বিচারক জামিন দেন। আমরা পুলিশকে সব নথি জমা দেব। তবে বিচারক জামিন দিলেও টাকা বা গাড়ি এদিন ওই ব্যবসায়ী ফেরত পাননি।আদালত পুলিশের কাছে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর সেই রিপোর্ট পুলিশকে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

শুধু টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক শিক্ষক, ৯৪ জনের চাকরি গেল পাকাপাকি

টেটই পাস করেননি, তবে চাকরি জুটেছিল প্রাথমিক শিক্ষক পদে। টাকার বিনিময়ে নাকি এই চাকরি হয়েছিল। শেষরক্ষা হল না শেষপর্যন্ত আদালতেও সঠিক নথি পেশ করতে ব্যর্থ হন ওই ৯৪ জন প্রাথমিক শিক্ষক। এরপরই প্রথামিক শিক্ষা পর্ষদ ওই ৯৪ জনের চাকরি বাতিলের কথা আদালতে জানিয়েছে।উল্লেখ্য, মানিক ভট্টাচার্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকালীনই ওই ৯৪ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছিল। যাঁরা টেট পাস করেননি।প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা হয়েছে। সেই সংক্রান্ত একটি মামলাতেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন তুলেছিলেন যে কীভাবে টেট পাশ না করে চাকরি পেলেন প্রার্থীরা। পর্ষদের কাছে রিপোর্ট তলবও করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। সেই রিপোর্টেই পর্ষদ জানিয়েছিল, টেট পাশ না করেই ২০১৪ ও ২০১৬ সালে চাকরি পেয়েছেন এমন ৯৬ জন প্রাথমিকে শিক্ষক হিসাবে কাজ করে চলেছেন। যা নিয়ে সর্বত্র শোরগোল পড়ে যায়।এরপরই বিচারপতি সিনহা ওই ৯৬ জনকে পর্ষদের কাছে তাঁদের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ওই ৯৬ জনের থেকে নথি চেয়ে পাঠায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। জানা যায়, ৯৬ জনের মধ্যে ৯৪ জনই সঠিক নথি পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ওই ৯৪ জনের চাকরি বাতিল করল পর্ষদ। চাকরি বাতিলের নির্দেশ ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ডিপিএসসি চেয়ারম্যানদের জানানো হয়েছে। আগামী সোমবার থেকেই পর্ষদের নির্দেশ কার্যকর হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

ইডির নজরে উত্তর ২৪ পরগণার একাধিক পুরসভার পুরকর্তা, এখনও মুখে কুলুপ জ্যোতিপ্রিয়র

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা সহ একাধিক পুরকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বিভিন্ন পুরসভার কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ফের জোরদার তদন্ত শুরু করছে ইডি। উত্তর ২৪ পরগনার ২৭টি পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা ইডির নজরে রয়েছে। এই জেলার পুরসভাগুলির কর্তা ও কাউন্সিলররা অনেকেই আবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি মাস্টারমাইন্ড অয়ন শীল। তিনি আবার শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতিতেও অভিযুক্ত। ইতিমধ্যে রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতেও তল্লাশি করেছে ইডি। রাজ্যে সব থেকে বেশি পুরসভা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এই জেলায় দীর্ঘ দিন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সূত্রের খবর, বিশেষত জেলার ২৭টি পুরসভার যেসব পুরপতি বা উপপুরপতি জ্যোতিপ্রিয়র অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মূলত সেদিকেই নজর রয়েছে ইডির। ইডি মনে করছে, জ্যোতিপ্রিয় সম্পর্কে এঁরা অনেক তথ্য দিতে পারবে। নতুন তথ্য পেলে তদন্তের গতি বাড়বে। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই জেলার কাউন্সিলরদের সম্পত্তিও বেড়েছে হুহু করে। এদের অনেকের জীবনযাত্রার মান একেবারে আকাশ ছোঁয়া। সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদের অনেকেই জ্যেতিপ্রিয়র হাত ধরে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছেন। সূত্রের খবর, আগামী দিনে এই সমস্ত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে পারে ইডি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন পুরকর্তা ও কাউন্সিলরকে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। এদের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র যোগসূত্র রয়েছে বলেই ধারনা তদন্তকারীদের।এদিকে এখনও অবধি সেভাবে তদন্তকারীদের সামনে মুখে কুলুপ এঁটেছেন জ্যোতিপ্রিয়। সূত্রের খবর, মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিত দাসের ডায়েরিতে বালুদা বলে নাম উল্লেখ রয়েছে। ডায়েরিতে আছে নানা ধরনের লেনদেনের হিসেব। জ্যেতিপ্রিয়র ডাক নামও বালু। জানা গিয়েছে, জেরার সময় মন্ত্রী বলেছেন, ওই ডায়েরিতে কি লেখা আছে তা আমি জানি না। যাঁর ডায়েরি তিনি বলতে পারবেন। কে লিখেছে? কেন লিখেছে? আমি কিছুই জানি না। জেরার প্রথম দিন থেকেই একপ্রকার মুখ বন্ধ রেখেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 59
  • ...
  • 186
  • 187
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal