• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

অত্যাচার, সিন্ডিকেট, দুর্নীতি বন্ধ হয়নি বাংলায়, শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

বিধানসভা নির্বাচনের এক বছর পরে এরাজ্যে এসে জনসভায় বক্তব্য রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে টানা তোপ দাগেন অমিত শাহ। তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় এসেও তৃণমূল কংগ্রেস যে শোধরায়নি সেকথাও জানিয়ে দেন শাহ। তাঁর হুঙ্কার এখানে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে বিজেপি। করোনা আবহ কেটে গেলেই সিএএ চালু হবে বলেও জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তৃণমূল সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে বলে শাহর দাবি।অমিত শাহ বলেন, বাংলার মানুষ বলুন সিন্ডিকেটরাজ, দুর্নীতি কী বন্ধ হয়েছে? তারপরও কী অত্যাচার বন্ধ হয়েছে? অত্যাচার বন্ধ না হলে বিজেপি লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের ওপর অত্যাচার, সিন্ডিকেটরাজ, কাটমানি চললে বিজেপি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাবে। তৃতীয়বার ক্ষমতা এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও শোধরাননি।ভোটপরবর্তী হিংসার কথাও উঠে আসে অমিত শাহর বক্তব্যে। বাংলায় আইনের শাসন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অমিত শাহ। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, মানবাধিকার কমিশনও বলছে বাংলায় আইনের কোনও শাসন নেই। ২২ মার্চ থেকে বাংলায় ৮১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। দেশে কোথাও কিছু হলে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছেন দিদি। বীরভূমে মহিলা-শিশুদের হত্যা করা হয়েছে। সেখানে কেন প্রতিনিধিদল পাঠানো হল না। বীরভূম কী বাংলায় নয়। হাঁসখালিতেও কেন প্রতিনিধি দল গেল না।এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার বাংলার অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের অত্যাচার বন্ধ না করা অবধি শান্তিতে বসতে পারব না।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

কী কারণে নৃশংস খুন নদিয়ার একই পরিবারের তিনজন? গ্রেফতার প্রতিবেশী

নদিয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করার ঘটনায় প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করেছে পলাশিপাড়া থানার পুলিশ। সোমবার রাতে নদিয়ার পলাশিপাড়ার রানিনগরে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা ঘটে। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, এক মাস আগে প্রতিবেশী কৃষ্ণ মন্ডলের বাড়ির সামনে পাথর রাখা নিয়ে গন্ডগোল হয়েছিল রাজোয়ার পরিবারের সঙ্গে। তখন থেকে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ছিল। সেই শত্রুতা থেকেই এমন অপরাধের ঘটনা ঘটিয়েছে কষ্ণ।সোমবার রাতে রানিনগরে রাজোয়ার পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। সোমবার রাতে পুলিশ উদ্ধার করে গৃহকর্তা দমন রাজোয়ার, তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা ও মেয়ে মালার মৃতদেহ। তিনজনেরই শরীর ছিল একেবারে ক্ষতবিক্ষত। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে তাঁদের। তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে জখম তিনজনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কী কারণে একই পরিবারের তিনজনকে খুন করা হল, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে যায় পুলিশ।প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছিল, সম্পত্তি বা প্রণয়ঘটিতে কারণে খুন হতে পারে। পুলিশি তদন্ত এগোতেই বেরিয়ে আসে পাথর রাখার বিষয়টি। বাড়ির সামনে পাথর, তা নিয়ে বিবাদ ও সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক মাস তিন-তিনটে খুন! একথা ভাবতেই পারছে না রানিনগর এলাকার বাসিন্দারা। তদন্তকারীরাও অবাক হয়েছেন এই ঘটনায়।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

সারা দেশেই এপ্রিলের গরম রেকর্ড ছাড়িয়েছে, আজও বৃষ্টি বঙ্গে

এবার মাত্রাতিরিক্ত গরমে সারা দেশজুড়ে রেকর্ড করল। এপ্রিলে তাপপ্রবাহ চলেছে দেশের নানা প্রান্তে। জনজীবনে গরমের প্রভাব পড়েছে। এরাজ্যে তো গরম-আতঙ্কে স্কুলে ছুটি ঘোষণা করে দেওয়া হল। যদিও এপ্রিল পার হতেই বাংলায় স্বস্তি এনেছে ঝড়-বৃষ্টি। এদিকে ইন্ডিয়া মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি)-এর তথ্য অনুযায়ী ১২২ বছরের মধ্যে তৃতীয় উষ্ণতম মাসের তকমা পেয়েছে এপ্রিল। ১২২ বছরের মধ্যে উষ্ণতম মাস হিসাবে প্রথমে মার্চ-কে চিহ্নিত করেছিল আইএমডি। সেই রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে এপ্রিল।এপ্রিলের গরম সাধারণ মানুষকে একেবারে নাজেহাল করে দিয়েছিল। মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা, তাপপ্রবাহে এগিয়ে গিয়েছে এপ্রিল মাস। বেশ কয়েকটি রাজ্যে তাপমাত্রা ছিল ৪৫ ডিগ্রির ওপর। রাজস্থান, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের বিদর্ভে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছিল, জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই তাপমাত্রা ১৯০১ সালের পর এই নিয়ে তৃতীয়বার উপলব্ধি করা গিয়েছে।চলতি বছরের এপ্রিলে সারা দেশে রেকর্ড করা মাসিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি। অতীতের রেকর্ড অনুযায়ী ২০১০ সালে এপ্রিলে মাসিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৬ সালে ৩৫.৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেখা গিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে গত মাসে রাতেও তাপমাত্রা কমেনি। আইএমডি ডানিয়েছে, অবশেষে তাপপ্রবাহের আর তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই।ইতিমধ্যে বাংলায় কালবৈশাখীর দেখা মিলেছে। তাপমাত্রা অনেকটা নেমে গিয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃ্ষ্টি চলবে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি চলছে। শনিবার থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমান কমতে পারে। মোটের ওপর প্রখর দাবদাহ থেকে মুক্তি পেয়েছে বাংলা। স্বস্তি পেয়েছে সাধারণ মানুষ।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

নয়া কমিটি গঠনেও অস্বস্তি ত্রিপুরা তৃণমূলে, পৃথক বৈঠক কোর কমিটির সদস্যর

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া রাজ্য কমিটি গঠন করার পরও দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটেনি। বরং কোর কমিটির অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠকেও অনেকে গড়হাজির ছিলেন। সূত্রের খবর, কমিটি গঠনের পরের দিনই রবীন্দ্রপল্লীতে কোর কমিটির সদস্য আশিস দাসের বাড়িতে তৃণমূলের একাংশ বৈঠকে বসে। সেখানে হাজির ২৫ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন এক্সিকিউটিভ সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস।আশিস দাসের বাড়ির বৈঠকে পায়ের দিকের তোলা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। হঠাৎ পায়ের ছবি কেন? রাজনৈতিক মহলের মতে, তাহলে কী নতুন কোনও দলের যাত্রা শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরায়। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ কর্তাকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজের ক্ষোভ সোশাল মিডিয়ায় উগরে দিয়েছিলেন বিজেপির এই প্রাক্তন বিধায়ক। কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। বিজেপি ছেড়ে আসার পর টানা চার মাস তিনি প্রায় বসেছিলেন। দলও তাঁকে কোনও গুরুত্ব দেয়নি বলেই তাঁর দাবি। ওই নেতৃত্ব দ্বারা ত্রিপুরায় পরিবর্তন আসবে না বলেই আশিসবাবু ঘনিষ্ঠ মহলে মন্তব্য করেছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে ওই নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হওয়া খুবই শক্ত। সেক্ষেত্রে দলের বাইরে পৃথক ভাবে নিজের বাসভবনে বৈঠক করা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে একাংশের বক্তব্য, এই বৈঠক করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন আশিস দাস।নব গঠিত রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠকএদিকে আরেক কোর কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিংকেও ত্রিপুরা তৃণমূলের কোনও বৈঠকে দেখা যাচ্ছে না। শারীরিক ভাবে অসুস্থতার কারণেই তিনি আসতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর যথেষ্ট সদ্ভাব রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, এমনকী ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আশিসলাল সিংয়ের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এদিকে তৃণমূলের নয়া রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন এমন খবর তিনি জানেন না। প্রয়োজনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নেবেন তিনি।তৃতীয়বার বঙ্গ বিজয়ের পর ত্রিপুরায় হানা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের গোষ্ঠীকলহ নিয়ন্ত্রণে না আনতে আদপে ফায়দা হবে বিজেপির। যে ভাবে দলকে না জানিয়ে পৃথক বৈঠক করছেন কোর কমিটির সদস্য, আরেক কোর কমিটির সদস্য অন্য দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। সেক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে সেই গোয়ার ফলফালের রিপিট যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাবে বহরমপুরে? কটাক্ষ শুভেন্দুর

রাজনীতি ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন সমার্থক শব্দ। বাংলায় ঘটনা ঘটলে বিজেপি কেন্দ্রীয় ভাবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠাচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্য বা কেন্দ্রীয় পুলিশের তত্বাবধানে কোনও ঘটনা ঘটলে সেখানে এই কমিটি গঠন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। নাম একই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এবার বহরমপুরের ছাত্রী খুনের ঘটনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠানো নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে? @MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন।জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে?@MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন। Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 3, 2022রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান খুন হওয়ার পর গণহত্যায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে আরও ২জন অগ্নিদগ্ধের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিলেন। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নাড্ডাকে রিপোর্ট দিয়েছিল। পরে হাঁসখালিতে গণধর্ষণের ঘটনাতেও দলের মহিলা সদস্যের নিয়ে ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনা স্থলে গিয়ে মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে।এরইমধ্যে উত্তরপ্রদেশে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে গলার নালি কেটে কেটে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। সেখানে পৌঁছায় তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। তারপর দিল্লির ঘটনায় ফের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায় তৃণমূল। উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় রয়েছে যোগীর সরকার। আর দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির পাল্টা তৃণমূলও গঠন করে।গতকাল সোমবার সন্ধ্য়ায় বহরমপুরে চাকু দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে অনেকের সামনে এক কলেজছাত্রীকে খুন করে যুবক। অভিযুক্ত সুশান্ত চৌধুরীকে কয়েক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিক পাশে রাজ্য আশা কর্মী নিয়োগ

আশাকর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। মাধ্যমিক পাশ মহিৃলারা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে। বয়স কত, কীকী যোগ্যতা থাকা আবশ্যিক তার বিস্তারিত পাবেন এই প্রতিবেদনে।মোট শূন্যপদ ৭১। আশা কর্মী পদে নিয়োগ হবে। স্থানীয়রা সুযোগ পাবে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ০১,০১, ২০২১-এ ৩০-৪০ বছর। প্রার্থীদের মাধ্যমিক পাশ হতে হবে। শুধু বিবাহিত, বিধবা ও বিবাহবিচ্ছিন্নরা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে।আবেদন করতে হবে অফলাইনের মাধ্যমে। আবেদনপত্রটি নির্ভুল ভাবে ফিলাপ করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি খামের ভিতরে দিতে হবে। খামের ওপর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নাম ও আবেদন করা পদের নাম লিখতে হবে। যে এলাকার জন্য আবেদন করবেন প্রার্থীদের সেই এলাকার বাসিন্দা হতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিডিও অফিসের ড্রপ বক্সে ফেলতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ মে ২০২২। পুরুলিয়ার ৫টি ব্লকে ৭১ জন আশাকর্মী নিয়োগ করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন করা হবে। তাতে মাধ্যমিকের ৯০ শতাংশ{ ইন্টারভিউয়ের ১০ শতাংশ{ফরমটি ডাউনলোড করুন ও বিস্তারিত জেনে নিন। রইল লিংক।এই লিঙ্কে ক্লিক করুনআবেদন পত্র ডাউনলোড করুন

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

নদিয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংস খুন, বহরমপুরে ছাত্রী খুনে গ্রেফতার

বহরমপুর ভরসন্ধ্য়ায় কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে খুনের রেশ মিলতে মিলতেই নদিয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার পলাশিপাড়ার রানিনগরে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বহরমপুরের ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নদিয়ার ঘটনাতেও প্রণয়ঘটিত কারণ থাকতে পারে।পুলিশ সূত্রে খবর, নদিয়ার পলাশিপাড়ার রানিনগরে একই বাড়ি থেকে গতকাল, সোমবার রাতে উদ্ধার করা হয়েছে গৃহকর্তা দমন রাজোয়ার, তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা ও মেয়ে মালার মৃতদেহ। তিনজনেরই শরীর ছিল একেবারে ক্ষতবিক্ষত। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের কোপান হয়েছে। প্রথমে তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর নিয়ে যাওয়া হয় তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে। সেখানেই তিনজনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।কী কারণে খুন সেই নিয়ে ধন্দে পড়েছে পলাশিপাড়ার পুলিশ। সম্পত্তি না পারিবারিক গন্ডগোলের জন্য খুন, নাকি প্রণয়ঘটিত কারণে খুন। পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে বহরমপুরে তৃতীয় বর্ষের কলেজছাত্রী সুতপা চৌধুরীর খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক সুশান্ত চৌধুরীকে সামশেরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

বইয়ের মাধ্যমে সত্যজিত রায়কে শ্রদ্ধা জানালেন পরিচালক সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী

তাঁর প্রথম বই প্রকাশ পেয়েছিল ইংরেজি ভাষায়। নাম - ফিল্ম ডিরেক্টর`স ওয়ার্ল্ড। বইয়ের বিষয় ছিল পৃথিবীর পঁচিশ জন চিত্র-পরিচালকের জীবন এবং চলচ্চিত্র। তার মধ্যে ভারতবর্ষ থেকে একমাত্র সত্যজিৎ রায় ছিলেন সেই তালিকায়। ওই বইটির কাজ করতে গিয়ে মনে হয়েছিল এই পঁচিশজনের প্রত্যেক পরিচালককে নিয়ে এক একটা বই লেখা যেতে পারে।বিষয় সত্যজিৎ রায়চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী। প্রিয়তম পরিচালক সত্যজিৎ রায়। সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মদিনের কথা মাথায় রেখে তাঁকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র করা শুরুও করেছিলেন বছর দুয়েক আগে। প্রায় ৭০ শতাংশ শুটিং হয়ে যাওয়ার পর করোনার কারণে ছবির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সেই ছবি করার সূত্রে সত্যজিৎ রায় ও তাঁর কাজ নিয়ে বিস্তারিত ভাবে গবেষণা করতে হয় তাকে। এরপর ছবিটি সময়ের মধ্যে শেষ করার আর কোন উপায়ন্তর দেখতে না পেয়ে তিনি এই বইটি লেখার কথা ভাবেন।বিষয় সত্যজিৎ রায়এই বইতে মানুষ সত্যজিৎ রায়ের জীবনে ঘটা বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা আছে। সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র নিয়ে, তাঁর লেখা, আঁকা নিয়ে বেশ কিছু বই আছে। কিন্তু রক্ত মাংসের মানুষ সত্যজিৎ রায় প্রায় অধরাই থেকে গেছে সাধারণ মানুষের কাছে। সৌম্যদীপ চেষ্টা করেছেন একজন আপাত সাধারণ মানিক ডাকনামের আড়ালে বেড়ে ওঠা সত্যজিৎ রায় নামক অসাধারণ বিশ্ববিখ্যাত মানুষটিকে ছোঁয়ার। তিনি সফল হয়েছে কিনা তা সময় এবং পাঠক বলবে বলে জানিয়েছেন।বিষয়-সত্যজিৎ রায় তাঁর দ্বিতীয় প্রকাশিত বই। এই বইটি সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মবার্ষিকীতে প্রকাশ করার জন্যে বিশেষ ভাবে তার বইয়ের প্রকাশক ঋতবাক - এর সুস্মিতা বসু সিং এবং রাজা মুখোপাধ্যায়ের কাছে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাতে চান।বিষয় সত্যজিৎ রায়বইমেলায় বইটি প্রকাশ পাওয়ার কিছু আগে থেকেই এই বইটি নিয়ে পরিচালক ও লেখকের পরিচিত পাঠক মহলে কিছু কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। তার একটি কারণ নিশ্চিত ভাবে সত্যজিৎ রায় হলেও দ্বিতীয় কারণটি বইটির প্রচ্ছদ। সৌম্যদীপ সিনহা এই বইয়ের প্রচ্ছদ করে তাঁকে চিরকাল ঋণী হয়ে থাকতে বাধ্য করেছে। বেশ কিছু মানুষ বইটি পড়েছেন এবং যথেষ্ট উৎসাহ প্রকাশ করেছেন।

মে ০২, ২০২২
রাজ্য

বাঘের মতো লোড়ো, অরুণ, কাপুরুষের মতো পিছিয়ে এসো না

সেই সকালটা কোনোদিন ভুলবেন না মুকেশ ক্ষেত্রপাল। ডিসেম্বর-এর শুরু, শিশিরভেজা দিল্লীর হিমেল হাওয়ায় বাবার দেওয়া প্রিয় জাভা মোটরবাইকটা চালিয়ে বাড়ি ফিরেছিল অরুণ, -অরুণ ক্ষেত্রপাল, মুকেশ-এর দাদা। তরুণ সামরিক অফিসার অরুণ তখন আমেদাবাদ-এ ইয়ং অফিসার্স কোর্স করছে, পশ্চিম সীমান্তে হঠাৎ যুদ্ধ বেধে যাওয়ায় নিজের ইউনিট-এর সব অফিসারদের মতো কোর্স অসমাপ্ত রেখে ফিরতে হচ্ছে তাকেও। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই পাঞ্জাব মেল ধরে ছুটতে হবে জম্মু-র রণাঙ্গনে; প্রিয় বাইকটা তাই সঙ্গে নিয়েই ফিরেছে অরুণ, স্টেশন থেকে সেটায় চড়েই সোজা বাড়ি।সেদিন বাড়িতেই ছিল দিল্লী আই.আই.টি.-র ছাত্র মুকেশ --- বাইকটা দাঁড় করিয়ে হেঁটে ঢুকল অরুণ; কালো সামরিক পোষাকে কী অসম্ভব সুপুরুষ লাগছিল ওকে !রাতের খাওয়াটা চটপটই চোকানো হয়েছিল সেদিন। খাওয়ার টেবিলে ঘরোয়া কথাবার্তা ...প্রাক্তন ফৌজি বাবা আর দাদু-র লড়াইয়ের স্মৃতি রোমন্থন করছিলেন মা... টুকটাক কথার মধ্যেই উচ্চারণ করেছিলেন সেই বাক্য, পরবর্তীকালে ভারতের সামরিক মহলে যা প্রবাদপ্রতিম খ্যাতি পেয়েছে --- শের কি তরাহ্ লড়না, অরুণ , কায়র কি তরাহ্ ওয়াপস্ মত্ আনা (বাঘের মতো লোড়ো, অরুণ, কাপুরুষের মতো পিছিয়ে এসো না) ! একুশ বছরের অরুণ শুধু হেসেছিল মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে। ডিসেম্বর-এর শুরুর দিকটা উড়ে গেল কোন দিক দিয়ে। বাড়িতে ছিল একটা ইমপোর্টেড হিতাচি ট্র্যানজিস্টর। সারাদিন রেডিও সিলোন খুলে বসে থাকতেন বাড়ির সবাই, যুদ্ধের বিস্তারিত রিপোর্টিং শোনা যেত ঐ চ্যানেল-এই। সিগন্যাল কখনো চলনসই, কখনো বা প্রায় অবোধ্য; তবু উৎকর্ণ হয়ে থাকতেন বাড়ির সবাই।ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় খবর পাওয়া গেল শকরগড়-এ ভয়ানক যুদ্ধ হয়েছে দুদেশের ট্যাঙ্কবাহিনীর মধ্যে। মুষড়ে পড়লেন বাড়ির সবাই , জানতেন যে অরুণ-এর রেজিমেন্ট লড়ছে ঐ অঞ্চলেই। পরদিন সকালেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। লড়াই শেষ। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন সবাই। অরুণ-এর ঘর সাফসুতরো করে রাখলেন মা, সবাই দিন গুণতে লাগলেন তার ঘরে ফেরার।উনিশে ডিসেম্বর। ডোরবেল শুনে দরজা খুললেন মা। পোস্টম্যান-এর হাতে টেলিগ্রাম--- ক্ষেত্রপাল-দের জীবন বদলে গেল চিরদিনের মতো। এক চিরস্থায়ী বিষণ্ণতা ঢেকে দিল সবাইকে। প্রাক্তন ফৌজি বাবা নীরবে গুটিয়ে নিলেন নিজেকে, দিনের বেশীরভাগ সময় ঢুকে থাকতেন নিজের ঘরেই। মা নিজেকে ডুবিয়ে নিলেন গেরস্তালির আটপৌরে পৌনঃপুনিকতায়। মুকেশ ইঞ্জিনিয়ার হলেন...চাকরী... বিয়ে... একমাত্র কন্যার জন্ম... রয়ে গেলেন শোকদীর্ণ বাবামায়ের সঙ্গেই।কেটে গেল ত্রিশ বছর। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল-কে আবার হাসতে দেখা গেল একদিন। বাবা বললেন তিনি সরগোদা যাবেন, দেশভাগের আগে পাকিস্তানে আমাদের আদি বাড়ি ছিল যেখানে। মা আর মুকেশ বিস্তর চেষ্টা করলেন তাঁকে বোঝানোর, একাশি বছর বয়স তোমার, এভাবে কোথায় যাবে তুমি? পাত্তা দিলেন না বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার, আমাদের কলেজেরই এক প্রাক্তনী-র কাছে থাকবো আমি--- লাহোর-বাসী এক পাকিস্তানী সেনা-অফিসার। কিছুটা আশ্বস্ত হলেন সবাই। নির্দিষ্ট দিনে মুকেশ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে তুলে দিয়ে এলেন তাঁকে। বাবা কিছুটা উত্তেজিত, পায়ে যেন ফিরে এসেছে শৈশবের উদ্দীপনা।তিনদিন পরে মুকেশ যখন বিমানবন্দর থেকে আনতে গেলেন তাঁকে, সেই উদ্দীপনা উধাও। বাবা নিশ্চুপ, আবার গুটিয়ে নিয়েছেন নিজেকে। এমনকি বাড়ি ফিরেও আমাদের কিছুই বললেন না সফরের ব্যাপারে। খুব অবাক হয়েছিলাম আমরা।এর সাতদিন পরে, ইন্ডিয়া টুডে পত্রিকায় এক নিবন্ধ পড়ে মুকেশ জানতে পারেন কী ঘটেছিল বাবার সংক্ষিপ্ত পাকিস্তান সফরে। মা ছেলে মুখোমুখি হন বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার-এর ; শোনেন সেই বিচিত্র আখ্যান----- লাহোর, ১লা মার্চ, ২০০১ঃডিনার শেষ; ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল তাকিয়েছিলেন তাঁর আমন্ত্রণকর্তার দিকে। পাকিস্তানী সেনা-অফিসার, ব্রিগেডিয়ার খাজা মহম্মদ নাসের-এর পোড়খাওয়া মুখে দ্বিধাগ্রস্ত হাসি--- মৌসম আচ্ছা হ্যায়, ব্রিগেডিয়ার সাহাব। ইনশাল্লাহ কুছ দের বাহার বাগিচে মে চল কর ব্যয়ঠে।চাঁদের আলোয় বাগানে এসে বসলেন দুজনে। ধীরে ধীরে বললেন নাসের, ম্যঁয় কুছ কবুল করনা চাহ্তা হুঁ, ব্রিগেডিয়ার সাহাব।কহিয়ে বেটা, ম্যঁয় শুন রহা হুঁ --- জবাব ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল-এর, তাঁর সস্নেহ দৃষ্টি ত্রিশ বছরের ছোটো আমন্ত্রণকর্তার দিকে। গলা ঝাড়লেন ব্রিগেডিয়ার নাসের, স্যর, একটা কথা বলতে চাই আপনাকে... একাত্তরের যুদ্ধে আমিও ভাগ নিয়েছিলাম। তখন আমি এক কমবয়সী মেজর, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৩ ল্যান্সার-এর স্কোয়াড্রন কম্যান্ডার। একটু অবাক হলেন ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল। ১৩ ল্যান্সার ছিল সেই রেজিমেন্ট যারা দেশভাগের সময় তাদের শিখ স্কোয়াড্রন-কে বদলাবদলি করেছিল পুনা হর্স (অরুণ-এর রেজিমেন্ট)-এর মুসলিম রেজিমেন্ট-এর সঙ্গে। সেই যুদ্ধে পুনা হর্স-এর সাথে লড়েছিলাম আমরা; স্যার.. কয়েক মুহূর্ত থামলেন নাসের, আমিই সেই লোক যে আপনার ছেলেকে মেরেছিল!বাকরুদ্ধ ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল, শুনে চলেছেন নীরবে--- ষোলই ডিসেম্বর সকালে ১৩ ল্যান্সার-এর প্রতি-আক্রমণের পুরোভাগে ছিলাম আমি; উল্টোদিকে আপনার ছেলে, দাঁড়িয়েছিল পাহাড়ের মতো। আমাদের অনেকগুলো ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেছিল ও। শেষ পর্যন্ত একসময় শুধু ওর আর আমার ট্যাঙ্ক মুখোমুখি, মাঝে দুশো মিটারের ব্যবধান। ফায়ার করলাম দুজনেই, একসঙ্গে গোলা লাগলো দুজনের ট্যাঙ্ক-এই। তবে ভাগ্যে বোধ হয় সেদিন আমারই বেঁচে যাওয়া লেখা ছিল, অরুণ-এর নয়! এক নিঃশ্বাসে বলে চলেন ব্রিগেডিয়ার নাসের, খুব সাহসী ছিল আপনার ছেলে; আমাদের সেদিনের হারের পেছনে মূল কৃতিত্ব ছিল ওরই।বজ্রাহত ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল শুধু এটুকুই বলতে পারলেন, আপনি কী করে জানলেন যে ঐ ট্যাঙ্ক-এ অরুণ ছিল?নাসের জানালেন তাঁকে--- পরদিন, ১৭ই ডিসেম্বর, যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলে তিনি বিপক্ষ শিবিরে যান মৃত পাকিস্তানী সাথীদের দেহ নিয়ে আসতে। খুবই কৌতুহল ছিল বিপক্ষের সেই অসমসাহসী দুর্দ্ধর্ষ যোদ্ধার পরিচয় জানার, তাই ভারতীয় সেনাদের শুধান কে ছিল সেই ট্যাঙ্ক-এ। ওনাকে বলা হয় পুনা হর্স-এর সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ ক্ষেত্রপাল-এর নাম। বহোত বাহাদুরী সে লড়ে আপকে সাহাব। চোট তো নেহি আয়ি উনহে?সাহাব শহীদ হো গ্যয়ে--- এসেছিল জবাব। অরুণ কতটা কমবয়সী ছিল, নাসের তা জেনেছিলেন পরে-- যখন মরণোত্তর পরমবীর চক্র দেওয়া হয় তাকে। আমি জানতাম না ওর তখন মাত্র একুশ বছর বয়স, স্যার। আমরা দুজনেই ছিলাম ফৌজি, যারা সেদিন নিজের নিজের দেশের হয়ে কর্তব্য পালন করছিলাম।সেই চন্দ্রাহত লাহোর-বাগিচায় নীরবে বসে রইলেন দুই অসমবয়সী বিরোধী সেনানায়ক। ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল ধীরে ধীরে আসন ছাড়লেন একসময়, উঠে দাঁড়ালেন ব্রিগেডিয়ার নাসের-ও। বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার এগিয়ে গেলেন দুপা; দুহাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরলেন সামনের দীর্ঘদেহী মানুষটিকে, যিনি তাঁর প্রিয় সন্তানের হন্তারক!চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙেছে তখন; তার উছলে পড়া আলো ধুয়ে দিচ্ছিল দুজনকেই। দিল্লীর বাড়িতে, পঞ্চাশ বছরের ধূসর স্মৃতির পর্দা সরিয়ে, সত্তরোর্ধ্ব মুকেশ ক্ষেত্রপাল-এর চোখের সামনে দেওয়াল থেকে আজো উজ্জ্বল হাসছেন তাঁর দাদা, একুশ বছরের ঝকঝকে তরুণ-- অরুণ ক্ষেত্রপাল। তাঁর বয়স আর বাড়বে না কোনো দিনও !The war does not determine who is right , it only decides who is left!ডঃ সুজন সরকার, বর্ধমান।তথ্যসূত্রঃ ১। ১৯৭১: Charge of the Gorkhas and other stories -- by Rachna Bisht Rawat . Published by Penguin India.২। The Times of India

মে ০২, ২০২২
রাজ্য

পর পর গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যু, উদ্বিগ্ন বনদফতর

গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যু যেন কিছুতেই কমছে না। শুক্রবার রাতে ৩১নং জাতীয় সড়কে বাগডোগরার মুনি চাবাগানের কাছে ফের গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিগত কয়েক মাসে এই রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে তিনটে চিতার মৃত্যু হয়েছে। স্বভাবতই উদ্বিগ্ন বনদফতর।বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাগডোগরার ৩১নং জাতীয় সড়কের ওপর ক্ষত বিক্ষত একটি চিতাবাঘের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় পথযাত্রী। খবর দেওয়া হয় বাগডোগরা থানায়। তৎক্ষনাৎ বিষয়টি জানানো হয় বাগডোগরা বন বিভাগে। বাগডোগরা থানার ট্রাফিক গার্ড ও বাগডোগরা বনবিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। বেঙ্গল সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়া হয় মৃত চিতাটিকে। জানা গিয়েছে, ওই পার্কেই চিতাবাঘটির ময়নাতদন্ত হবে। মাথায় আঘাত পেয়েছে চিতাটি।বাগডোগরা বনদফতরের রেঞ্জ অফিসার সমীরণ রাজ জানিয়েছেন, রাস্তা পার হতে গিয়েই সম্ভবত গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে চিতাবাঘটির। ময়না তদন্তেই জানা যাবে মৃত্য়ুর প্রকৃত কারণ। এর আগেও এই এলাকাতেই রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে একের পর এক চিতাবাঘের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। তাতে উদ্বেগ বেড়েছে বনদফতরের।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
রাজ্য

অবশেষে জটিলতা কাটল বাবুলের শপথের, ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা রাজ্যপালের

শেষমেশ তৃণমূল সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র শপথের জটিলতা কাটল। প্রায় দুই সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বাবুল। জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়র শপথবাক্য পাঠ করাবেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন।আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়ে প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন, তিনি প্রথম একাদশে খেলতে চান। শেষমেশ বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বিধায়কপদে শপথ নিয়ে জটিলতা বেড়ে যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বাবুলের শপথের ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দেন। তাঁর শপথ নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের বক্তব্য ছিল, রাজ্য সরকার রাজভবনের কোনও প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে না। যাই হোক শেষমেশ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে ক্ষমতা দেওয়ায় এবার শপথ নিতে চলেছেন বাবুল। বাংলায় প্রবাদ আছে। মচকাবেন কিন্তু ভাঙবেন না। নিজে না করে ডেপুটি স্পিকারকে শপথের দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যপাল। অর্থাৎ শপথ হলেও নিজে হাজির থাকবেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যপাল এই সিদ্ধান্ত দ্বারা বুঝিয়ে দিলেন তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরছেন না। রাজ্য সরকারের নানা কর্মকান্ডে তিনি যে সন্তুষ্ট নয়, তা এর আগে নানা মন্তব্য করে স্পষ্ট করেছেন জগদীপ ধনখড়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
রাজ্য

কালবৈশাখি-র দাপটে তছনছ বর্ধমান, দূর্গাপুর, কালনা, কাটোয়া ও আউষগ্রাম

টানা দুমাসের প্রখর দাবদাহের শেষে সস্থির বৃষ্টিতে ভিজল দক্ষিণ বঙ্গ। দুপুর থেকেই মেঘের আনাগোনা আকাশ জুড়ে। তাপমাত্রা ৩৫-৩৮ ডিগ্রী র আসপাসে থাকলেও বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়াতে হাঁসফাঁস করা গরমে মানুষ জন কাহিল হয়ে পড়ে।বিকাল গড়াতেই পশ্চিমের আকাশ কালো হয়ে আসে। ৫:৩০ এর পর বর্ধমান জুড়ে শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া। সময় গড়াতেই বাতাসের গতি বাড়তে বাড়তে প্রবল ঝড়ের আকার নেয়। সারা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শুরু হয় কালবৈশাখীর দাপট। আম, লিচু, জাম-র ব্যপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। শহর বর্ধমানে একাধিক জায়গায় ভেঙে পরে বহু গাছ। কালবৈশাখীর দাপটে বর্ধমান শহর ঢোকার মুখে উল্লাস মোড়ে পৌরসভার স্বাগতম গেট ভেঙে পড়ে ব্যাপক যানযটের সৃষ্টি হয়।দূর্গাপুর, পানাগড় ও কাঁকসা অঞ্চলে ভয়ঙ্কর শিলাবৃষ্টি হয়। বহু বাড়ির ও পথ চলতি গাড়ির কাঁচের জানলা ভেঙে যায়। দুর্গাপুর শহড়ের টানা ১০ মিনিট ধরে শিলাবৃষ্টি হয়। যা দেখলে তুষারপাত ভেবে ভ্রম হতেই হবে। এ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় সস্তির বৃষ্টি হয়েছে বিকেল ও সন্ধ্যার সময়। নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মৃত্যু হয় এক ব্যাক্তির। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দিয়েওই ব্যক্তি যাওয়ার সময় মাথায় ওপর গাছের শুকনো ডাল ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়। মৃত ব্যাক্তির নাম রবীন্দ্রনাথ প্রামাণিক।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

চেরি ফল, কমলা ও লিচু দিয়ে সাজানো গাড়িতে চড়ে বিয়ে করতে গিয়ে তাক লাগালো বর

বিয়ে করতে যাবার আগেই রীতিমতো সেলিব্রিটি বনে গেলেন বর। আর এর কারণটাও যথেষ্ট সড়া ফেলে দেওয়ার মতোই। ঐতিহ্য মনে নতুন ধুতি পাঞ্জাবি পরিহিত বর অভিষেক ঘোষ মাথায় টোপর চাপিয়ে ও গলায় রজনীগন্ধার ঝুলিয়ে বিয়ে করতে যাবার জন্য রওনা হন ঠিকই। কিন্তু বরের গাড়িটি অর্থাৎ বাহনটি ছিল একেবারে ব্যতিক্রমি সাজে সজ্জিত। ফুল নয়, তার বদলে চেরি ফল, লিচু ,কমলা লেবু আর লিচুর পাতা দিয়ে অপরুপ ভাবে সাজানো ছিল বরের গাড়ি। যা দেখে নেটিজেনদের পাশাপাশি মুগ্ধ কণে পরিবারের সদস্যরাও।বর অভিষেক ঘোষের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার হরগোবিন্দপুর গ্রামে। নিজের বিয়েতে ব্যতিক্রমি কিছু একটা করার ইচ্ছা জাগে সংস্কৃতি মনস্কো অভিষেকের। তাই এই ব্যাপারে সে বেছে নেয় বিয়ে করতে যাবার গাড়িটিকেই। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। এর জন্যে অভিষেক যোগাযোগ করে জামালপুরের হাটতলা এলাকা নিবাসী শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পালের সঙ্গে। তিনি অভিষেককে ফুলের বদলে হরেক রকম ফল দিয়ে বিয়ে করতে যাবার গাড়িটি সাজানোর প্রস্তাব দেন।সেই প্রস্তাব তৎক্ষণাত অভিষেক লুফে নেয়। চেরি ফল ,লিচু, কমলা লেবু আর লিচু গাছের পাতা দিয়ে সাজানো চারচাকা গাড়িতে চড়েই অভিষেক বৃহস্পতিবার রাতে পাত্রীর বাড়ি মেমারির দেবীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।এর আগে আঙুর আর চেরি ফল দিয়ে বরের গাড়ি সাজিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল। আর এবার লিচু, চেরি ফল আর কমলা লেবু দিয়ে বরের গাড়ি সাজিয়ে সকলের প্রশংসা কুড়িয়ে নিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন ফুল দিয়ে বরের গাড়ি সাজানোটার মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। সেই তুলনায় হরেক রকম ফল দিয়ে বরের গাড়ি সাজানোর মধ্যে আলাদা একটা চমক থাকে। অভিষেকও তাঁর নিজের বিয়েতে তেমন চকমই দিতে চেয়েছিল। তাই ৩ কেজি চেরি ফল,২৬ কেজি লিচু, ৬০ টি কমলা লেবু ও লিচু গাছের পাতা দিয়ে বর অভিষেকের গাড়িটি নজরকাড়া ভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন। বর হিসাবে অভিষেককে বাকিদের থেকে আলাদা ভাবে তুলে ধরতেই এতসব কর্মকাণ্ড বলে শিল্পী দাবী করেছেন।অভিষেক ঘোষ জানান, বিয়ে করতে যাবেন বলে তাঁর বাহন টিকে শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল যে ভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন তা এককথায় অভিনব। এর সব ক্রেডিটটাই শিল্পীর। শিল্পীর এই ভাবনার তারিফ তাঁর শ্বশুর বাড়ির লোকজনও না করে পারেন নি। অভিষেক এও বলেন,ফল দিয়ে সাজানো গাড়িতে চড়ে বিয়ে করতে গেছি দেখে কনে বাড়ির আমন্ত্রিতরাও মুগ্ধ। আমিও বাহবা কুড়োলাম।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

দাবদাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ, স্বস্তি মিলতে পারে আগামিকাল থেকে

রাজ্যে তীব্র গরমের ঝোড়ো ব্যাটিং এবার বন্ধ হতে চলেছে। আগামিকাল রবিবার থেকে এরাজ্যের আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনকী কালবৈশাখী ঝড়ও হতে পারে কয়েকটি জেলায়। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকেই কলকাতাসহ আশপাশেরে জেলা, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি পূবালি হাওয়ার জন্যই রাজ্যে জলীয় বাষ্প ঢুকে কালবৈশাখী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দুনাজপুর, মালদায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।টানা গ্রীষ্মের দহনে দক্ষিণবঙ্গ পুড়ছে। সূর্য উঁকি দিতেই রাস্তাঘাট ফাকা হয়ে যাচ্ছে। সরকারি স্কুলগুলিতে ২ মে থেকেই গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি স্কুলে অনলাইন ক্লাস চলছে। মোদ্দা কথা তীব্র গরমে নাজেহাল অবস্থা আপামর বঙ্গবাসীর। সেই অস্বস্তি থেকে মুক্তি মিলতে পারে। চাতক পাখির মতো আকাশের দিকে হা করে রয়েছে মানুষজন।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

মানুষের পকেট কেটে কেন্দ্রের আয় ১৭ লক্ষ কোটি', ৩০০ টাকা কমনো হোক রান্নার গ্যাসেরঃ মমতা

রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে। এখনই রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মমতার দাবি, যখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কম ছিল তখন ক্রমাগত দাম বাড়িয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রান্নার গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা কমানো উচিত। পেট্রল, ডিজেলের দামও কমানো উচিত। যখন সারা বিশ্বে দাম কমিয়েছিল তখনও দাম কমায়নি কেন্দ্র। ওদের একটা ফান্ড থাকবে। নিজের ইচ্ছামত খরচ করবে পার্টির স্বার্থে। দেখাবে সরকার খরচ করছে। মানুষের পকেট কেটে সব দোষ চাপায় রাজ্যের। সাধু সেজেছে সব নন্দ ঘোষ। এটা তো হতে পারে না।এবার মোদি-মমতা পৃথক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। একথা বললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাল রাতে পৌছাবে পরশু চলে আসব। এবার তাড়াতাড়ি চলে আসব। এবার আর আলাদা করে দেখা হবে না।গতকাল, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য রাজ্যগুলির ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তার মধ্যে বাংলার নামও করেছেন তিনি। তবে গতকালের বৈঠক নিয়ে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ তা এদিন তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট।মমতা বলেন, গতকাল কোভিড এজেন্ডা ছিল না। আগামি দিন আরও বাড়াবে তাই দোষটা নিজেরে ঘাড় থেকে ঝাড়বার চেষ্টা করছে। নিজেরা ১৭ লক্ষ ৩ কোটি টাকা আদায় করেছে মানুষের পরকেট কেটে। এই টাকাটা না কাটলেই হত না? ১৪ বার দাম বাড়িয়েছে। রাজ্যকে পাওনা দেবে না। দোষ হলে রাজ্যের দোষ। কোভিড লড়াইতে ক্রেডিট তোমার। মানুষ বিপদে পড়লেও দোষ রাজ্যের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল নেতার 'খাইকে পান বেনারসি ওয়ালা' ভাইরাল, উত্তাল সোশাল মিডিয়া, দেখুন ভিডিও

উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতার উদ্দাম নৃত্য ভাইরাল হতেই তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। নাচের সঙ্গে বিকৃত অঙ্গভঙ্গিতে দিলেন দলের স্লোগান। ওই নেতার নাচের দৃশ্য এখন মোবাইলে মোবাইলে ঘুরছে। এই উদ্দাম নৃত্যকে তৃণমূলের অপসংস্কৃতি বলে দাবি করলেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভাইরাল ভিডিওর জেরে জলপাইগুড়ির বানারহাটের ব্লক তৃণমূল সভাপতি নয়ন দত্ত এখন খবরের শিরোনামে। এক ভিডিওতেই বাংলাজুড়ে পরিচিতি পেলেন তৃণমূলের নয়ন। যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা।খাইকে পান বানারসি ওয়ালা আবার দয়ালবাবা কলা খাবা এমন সব চটুল হিন্দী-বাংলা গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্দাম নৃত্য করে ভাইরাল হয়েছেন বানারহাট ব্লকের তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি নয়ন দত্ত। গানের সঙ্গে সমানে চলছে সিটি। এই এক ভিডিও জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে স্পষ্ট, একটি ঘরে বাবু ঘরানায় ফিরে গিয়েছেন তাঁর অনুগামিদের নিয়ে। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক, অপ্রকৃতিস্থ বললেই চলে। বেসামাল হয়ে পড়ে যাচ্ছেন। ঘরের দেওয়াল ধরে বসে পড়ছেন। এর সঙ্গে চলছে জোরদার রাজনৈতিক স্লোগান।তাঁর সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোমর দুলিয়েছে ব্লক তৃণমূলের যুবসভাপতি বিমল মাইতিও। সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারছেন না। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিতে মেতে উঠেছেন তাঁরা। হাততালি দিতে দেখা যাচ্ছে অনুগামীদের। নয়ন দত্তের দাবি, এই ভিডিও অনেক পুরনো। তাঁকে ফাঁসানোর জন্য কেউ সেই ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাতের জের, বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়র শপথ কবে?

বিজেপির সাংসদ হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রীত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর বিজেপি ছেড়ে দেন। রাজনীতি ছেড়ে দেব ঘোষণা করেও তৃণমূলে যোগ দেন। বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কিন্তু এখনও বিধায়ক হয়ে শপথ নিতে পারেননি বাবুল সুপ্রিয়। প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এখনও জয়ী প্রার্থী হিসাবেই রয়ে গিয়েছেন বাবুল। কবে শপথ হবে তার দিনক্ষণও ঠিক হয়নি।রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত যেন কিছুতেই কমছে না। এবার সংঘাতের বলি হলেন বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তার শপথগ্রহণ সংক্রান্ত ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, শপথের বিষয়ে রাজ্যপাল সাংবিধানিক ভাবে দায়বদ্ধ। তিনি কোনও শর্ত আরোপ করতে পারেন না। সূত্রের খবর, এবার একেবারে শপথের তারিখ উল্লেখ করে ফাইল পাঠাচ্ছে পরিষদীয় দফতর।বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব রাজ্যের কাছ থেকে মেলেনি রাজ্যপালের। সূত্রের খবর, এই কারণেই নাকি গোঁসা হয়েছে রাজ্যপালের। যদিও সরকারি ভাবে রাজ্যপাল বা রাজভবন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজ্য অপেক্ষা করে আছে রাজ্যপাল কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর। অন্যদিকে নয়া বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় হতাশ। বিধায়ক না হলে বিধানসভার কোনও কমিটিতেও থাকতে পারছেন না। আবার মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ থাকলেও বিধায়ক পদে শপথ নিতে হবে বাবুলকে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা, রাজ্যে স্কুল ছুটির দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর রাজ্যের আট জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বাংলা। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের গরমে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। এর আগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন প্রয়োজনে গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। বুধবার নবান্নে গরমের ছুটির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য়মন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ২ মে থেকে গরমের ছুটি শুরু হবে। শুধু সরকারি স্কুল নয়, বেসরকারি স্কুলগুলিতেও ওই নির্দেশিকা জারি করার জন্য শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। বৈঠকে তিনি ব্রাত্য বসুকে জানান, গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হোক। ২ মে থেকে গরমের ছুটি দিয়ে দেওয়া হোক। গরমে অনেক ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানান, অনেক বাচ্চাদের গরমে কষ্ট হচ্ছে, এমনকী নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে।বুধবার দুপুরে নবান্নে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিডিও, এসডিও এবং আইসি-ওসিদের সঙ্গে বৈঠকে করেন মুখ্যমন্ত্রী। গরমের হালহকিকত নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্কুলের ছুটি এগিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে আগামী সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আপাতত তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাই জারি রয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

ফের রাজ্যে দুয়ারে সরকার-পাড়ায় সমাধান, ঘোষণা মমতার

ফের রাজ্যে দুয়ারে সরকার শুরু হচ্ছে। শুরু হবে পাড়ায় সমাধান। আগামী ২১ মে শুরু হবে দুয়ারে সরকার, চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। ৫ মে পাড়ায় সমাধান শুরু হয়ে শেষ হবে ২০ মে। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সময় সরকারি কর্মীরা ছুটে পাবে। রবিবার বা ছুটির দিন বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি মমতা জানিয়ে দেন, ফ্লাড সেন্টারগুলি পরিদর্শন করতে হবে। ডিভিসির জল কোন কোন জায়গা ভেসে যায়, তাও খতিয়ে দেখতে হবে। কোথায় কোথায় বজ্রপাত বেশি হয় সেই জায়গাগুলি চিহ্নিত করতে হবে। কেন্দ্রের কাছে ৯৭ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের ওপর দোষ চাপিয়ে সাধু সাজছে। উল্লেখ্য, এদিন মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির জন্য একাধিক রাজ্যকে দায়ী করেছেন। তার মধ্যে বাংলাও রয়েছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, সেই কারণেই একথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 107
  • ...
  • 193
  • 194
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal