• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণ বিলেই লুকিয়ে বঙ্গভঙ্গের চক্রান্ত? বিস্ফোরক দাবি মমতার

কেন্দ্রের প্রস্তাবিত নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, অর্থাৎ মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই কোচবিহারের ঘোকসাডাঙার ছোটশিমূলগুড়ি ময়দানের জনসভা থেকে এই বিষয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, এই বিলের আড়ালে বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণকে তাঁর দল সমর্থন করে এবং এ নিয়ে তারা বহুদিন ধরে লড়াই করেছে। কিন্তু তিনি প্রশ্ন তোলেন, এতদিন ধরে পড়ে থাকা এই বিলের সঙ্গে হঠাৎ আসন পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি কেন জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে এবং বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং এনআরসি কার্যকর করার পরিকল্পনাও লুকিয়ে থাকতে পারে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে এই নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম সংসদে পাশ হয়েছিল এবং সেই সময় বিরোধীরাও এই বিলকে সমর্থন করেছিল। বিলে বলা হয়েছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। একই সঙ্গে উল্লেখ ছিল, জনগণনার পর আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে এবং তারপর সেই আসনের মধ্যে ৩৩ শতাংশ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে।এই প্রক্রিয়া কার্যকর হলে লোকসভা আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে প্রায় ৮৫০ হতে পারে। তবে এখন কেন্দ্র সরকার ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করে ২০১১ সালের তথ্যের ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে। সেই অনুযায়ীই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় একজোট হয়েছে বিরোধী শিবির।সংসদে এই বিল পাশ করাতে গেলে মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। অর্থাৎ, ৫৪৩ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে অন্তত ৩৬২ জনের সমর্থন দরকার হবে। বর্তমানে শাসক জোটের হাতে রয়েছে ২৯৩টি আসন। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের শক্তি প্রায় ২৩০ থেকে ২৪০ জনের মধ্যে। ফলে ভোটাভুটির সময় সাংসদদের উপস্থিতি এই বিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।সব মিলিয়ে এই বিল ঘিরে রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বিএসএফ ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, মুহূর্তে পুড়ে মৃত্যু জওয়ানের

হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া এলাকায় বিএসএফের একটি ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হল এক জওয়ানের। মৃতের নাম জ্যোতিরাম সিংহ। তিনি এএসআই পদে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে ক্যাম্পের জ্বালানি মজুত রাখার ঘরে ঢুকতেই হঠাৎ আগুন লেগে যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে তিনি আর বাইরে বেরোতে পারেননি এবং ঘরের ভিতরেই আটকে পড়ে ঝলসে মৃত্যু হয় তাঁর।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, স্পিডবোটের জন্য তেল ভরার সময় থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুন লাগার পর স্থানীয় মানুষজন ও অন্যান্য জওয়ানরা উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কেউ ভিতরে ঢুকতে পারেননি।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাসনাবাদ থানার পুলিশ। বিএসএফের জওয়ান, পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে জল ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে দমকল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর জ্যোতিরাম সিংহকে উদ্ধার করে বসিরহাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই ঘটনার বিষয়ে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি সন্দীপ দাস জানিয়েছেন, বিএসএফ ক্যাম্পে আগুন লাগার ঘটনায় এক এএসআই পদমর্যাদার জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আতঙ্ক! একসঙ্গে অসুস্থ বহু জওয়ান, তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব কমিশনের

ভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি, তার মধ্যেই কোচবিহারে হঠাৎ একের পর এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়তেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল, কী কারণে জওয়ানরা অসুস্থ হলেন, সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের থাকার জন্য স্কুল ও অন্যান্য ভবনে অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের একটি স্কুলেও এমনই একটি শিবিরে ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার সন্ধ্যায় আচমকা ২৪ জন জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাকি ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফিরে যান বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।অসুস্থ জওয়ানদের মধ্যে বেশিরভাগই তীব্র পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। দ্রুত তাঁদের তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে জানা যাচ্ছে, জওয়ানরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছিলেন।ঠিক কোন খাবার বা পানীয় থেকে এই সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাঁদের খাওয়ার জল ও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বাইককে ধাক্কা, দুই যুবকের মৃত্যু—খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে ঠাকুমার মৃত্যু

বাংলা নববর্ষের সকালেই জয়নগরে ঘটে গেল মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। এই ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই খবর শুনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন এক বৃদ্ধা। আনন্দের দিনে এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এ বছরও নববর্ষ উপলক্ষে মলিনা মণ্ডলের বাড়িতে পুজো ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই জন্যই বাজার করতে বেরিয়েছিলেন সুভাষ মণ্ডল ও বিকি মণ্ডল। তারা বাইকে করে জয়নগরের ব্যাজরা এলাকায় যান। সেখানে রাস্তার ধারে বাইক দাঁড় করিয়ে কথা বলছিলেন দুজন। সেই সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি সবজিবোঝাই চারচাকা গাড়ি তাদের ধাক্কা মারে।ধাক্কায় দুজনই ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনার পরেই গাড়িটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আশপাশের মানুষ দ্রুত ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।ঘটনার খবর পরিবারের কাছে পৌঁছতেই শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকি মণ্ডলের বয়স ছিল ২২ বছর। তার মৃত্যুর খবর শুনে তার ঠাকুমা মনিলা মণ্ডল ভেঙে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁরও মৃত্যু হয়।একই দিনে পরপর তিনটি মৃত্যুর ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা এবং এলাকার মানুষজন। পুলিশ মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া গাড়িটির খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন জায়গার নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে বড় প্রতিশ্রুতি! ভিডিও বার্তায় বিস্ফোরক অভিযোগ অমিত শাহের

পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার দার্জিলিঙের লেবংয়ে তাঁর একটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর হেলিকপ্টার নামতে না পারায় তিনি সেখানে পৌঁছতে পারেননি। তবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের কাছে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দেন তিনি।সেই বার্তায় রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে বহু গোর্খা যুবক এবং সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে পাহাড়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।অমিত শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পরিস্থিতি বদলে যাবে। তাঁর আশ্বাস, সরকার গঠন হলে সমস্ত মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজার কথাও বলেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে এবং পাহাড়ের মানুষ তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায়বিচার পাবেন।অমিত শাহের এই বার্তা ভোটের আগে পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! তৃণমূল প্রার্থীর হলফনামা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

নমিনেশন জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠল মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরার বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর গুছাইত। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন এবং তৃণমূল প্রার্থীর প্রার্থী পদ বাতিলের দাবি করেছেন।জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে নমিনেশন জমা দেন সুজয় হাজরা। সেই সময় জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি নাকি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ বিজেপির ।বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর গুছাইতের দাবি, সুজয় হাজরা একটি পার্টনারশিপ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে তাঁর কোনও পার্টনারশিপ ব্যবসা নেই। শুধু তাই নয়, তাঁর আয়ের তথ্যও সঠিকভাবে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে নথি দেখিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ তোলেন বিজেপি প্রার্থী। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নির্বাচন আধিকারিকের কাছেও লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকেও বিভ্রান্ত করা হয়েছে ।এই বিষয়ে আইনজীবী তীর্থঙ্কর ভক্ত জানিয়েছেন, হলফনামায় তথ্য গোপন করা গুরুতর বিষয়। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতে পারে।যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা। তাঁর দাবি, তিনি তাঁর পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন এবং আয় সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আয়কর দপ্তরে জমা রয়েছে। তাঁর মতে, বিরোধীরা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি এ বিষয়ে কোনও নোটিস পাঠায়, তবে তিনি যথাযথ উত্তর দেবেন।ভোটের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগের জেরে নির্বাচনের সমীকরণ কতটা বদলাবে, সেটাই দেখার।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা! বাংলায় নামছে হাজার হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন ঘোষণা করার সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তায় কোনওরকম ঢিলেমি রাখা হবে না। এবার প্রথম দফার ভোটের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। জানানো হয়েছে, এই দফায় রাজ্যে মোতায়েন করা হবে মোট ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। এই দফাতেই রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই এই দিন ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও এই দফায় ভোট নেওয়া হবে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে মোট ৩১৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। এর মধ্যে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি এবং মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দার্জিলিংয়ে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি এবং কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদহে ১৭২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূমে ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন থাকবে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী।কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, যাতে ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে হয়, তার জন্য কোনওরকম ফাঁক রাখা হচ্ছে না। সর্বত্র কড়া নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ঝাঁঝ বাড়ছে রোদে, তবু স্বস্তির আশা! কবে নামবে বৃষ্টি? জানাল হাওয়া অফিস

চৈত্র মাসের শেষেই তাপমাত্রা পৌঁছে গেল চল্লিশ ডিগ্রির কাছাকাছি। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, বৈশাখে গরম বাড়বে। এখন সেই পূর্বাভাসই সত্যি হতে শুরু করেছে। পানাগড়ে তাপমাত্রা উঠেছে ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে গরমের তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবর, বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।গত বছর চৈত্র মাসে গরম থাকলেও এ বছরের পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এই বছর প্রায় পুরো চৈত্র মাস জুড়েই দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বৈশাখ শুরু হতেই তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। তার মধ্যেও কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।আজ পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির আভাস রয়েছে। কলকাতাতেও এই দুদিন হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও এখনই ভ্যাপসা গরম থেকে পুরোপুরি স্বস্তি মিলবে না।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মালদহ এবং দুই দিনাজপুর জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

নববর্ষের শুভেচ্ছায় তীব্র রাজনৈতিক বার্তা! মোদী-মমতার কথায় চমক

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাতেও এ বার স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল রাজনৈতিক আবহ। ভোটের মুখে শুভেচ্ছা বার্তাতেও দেখা গেল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের সুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সকলেই নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার মানুষকে।প্রধানমন্ত্রী বাংলাতেই পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, এই বিশেষ দিনে সকলের জীবনে আনন্দ ও ভ্রাতৃত্ব বজায় থাকুক। তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করেন এবং উল্লেখ করেন যে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি ভারতের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে।অমিত শাহ তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিপ্লবীদের গৌরবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নতুন বছরে রাজ্যে উন্নয়ন, সুশাসন এবং সকলের কল্যাণের নতুন অধ্যায় শুরু হোক। একই সুর শোনা যায় বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীনের বক্তব্যেও। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ নতুন আশা ও স্বপ্নের সূচনা করে এবং এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়, যেখানে উন্নয়ন ও সম্মানের সঙ্গে মানুষ বাঁচতে পারবে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বার্তায় বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার কথা জোর দিয়ে বলেন। তিনি সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলা সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির কেন্দ্র। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার বহু সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছে, যা মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সহায়তা করছে।একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বাংলার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং ভোট প্রক্রিয়াতেও হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। তিনি মানুষের উদ্দেশে আবেদন জানান, এই পরিস্থিতির জবাব ভোটের মাধ্যমে দিতে। তিনি আরও বলেন, যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাদের জন্য তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তা চালিয়ে যাবেন।শেষে তিনি শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে বলেন, হিংসা নয়, বরং ভালোবাসা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নতুন বাংলা গড়ে তুলতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যদি তাঁর নেতৃত্বে সরকার চান, তবে সব কেন্দ্রে তাঁর দলের প্রার্থীদের সমর্থন করতে হবে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা! দলকে সতর্ক করলেন অভিষেক, কী বললেন জানেন?

আর মাত্র নদিন পর শুরু হবে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল প্রচারে জোর দিয়েছে। কেউ ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে এগোচ্ছে, আবার কেউ নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি বলেছেন, আগামী কয়েকদিন সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হবে। কাউন্সিলরদেরও আলাদা করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।এদিকে রাজ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা যাচ্ছে, তিনি প্রায় পনেরো দিন বাংলায় থাকবেন। এতে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বলেন, বিজেপি এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে যাতে মনে হয় তারা ক্ষমতায় আসছে। চারদিকে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে যে তৃণমূলের বহু ভোট কমে গিয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণে অনেকের নাম বাদ পড়ায় ভোটের সমীকরণ বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।দলের ভিতরে যে মতভেদ রয়েছে, তা নিয়েও সতর্ক করেছেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন। এখন কোনও ত্রুটি হলে পরে আর আফসোস করার সুযোগ থাকবে না। তাই আগামী পনেরো দিন সব গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব ভুলে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি ।একই সঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো ও নতুন কর্মীদের মধ্যে কোনও বিভেদ রাখা যাবে না। সকলকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। পুরোনো কর্মীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এখন আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই, সবাইকে মাঠে নেমে কাজ করতে হবে।বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক দাবি করেন, তারা বুঝে গিয়েছে যে বাংলায় জেতা তাদের পক্ষে সহজ নয়। তাই তারা তৃণমূলের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। একুশের নির্বাচনেও একই কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এবারের ফলাফল আগেরবারের থেকেও ভালো হবে বলেই আশাবাদী তিনি।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! উচ্চমাধ্যমিকের ফল কবে প্রকাশ পাবে জানলে চমকে যাবেন

নির্বাচনের আগে উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হচ্ছে না বলে জানা যাচ্ছে। সংসদ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, ফল প্রকাশ কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। সেই অনুযায়ী, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুর দিকে ফলপ্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।এবার থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হওয়ায় বছরে দুবার পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এই নতুন ব্যবস্থায় একবারে বার্ষিক পরীক্ষার চাপ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ করা হবে। তারপর তার কয়েক দিনের মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হবে। বর্তমানে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।তবে নির্বাচনের কারণে অনেক শিক্ষক ও সরকারি কর্মী ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় ফলপ্রকাশের দিন কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। জানা যাচ্ছে, মে মাসের সাত বা আট তারিখের মধ্যে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হতে পারে। তার দুএক দিনের মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।এই নতুন সেমিস্টার পদ্ধতি শিক্ষাব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের উপর চাপ কমবে এবং তারা আরও ভালোভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলেই অপেক্ষা করছে কবে প্রকাশ পাবে তাদের পরিশ্রমের ফল।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

উত্তপ্ত বরাহনগর! হামলার অভিযোগে রাস্তায় বিজেপি, ফোন করলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক

সোমবার রাতে বরাহনগরে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।জানা গিয়েছে, বরাহনগরের সাত নম্বর ওয়ার্ডের আমতলায় বিজেপির একটি সভা ছিল। সেই সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎই কয়েকজন দুষ্কৃতী সেখানে এসে বিজেপি কর্মীদের হুমকি ও গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। এরপর আচমকাই তাদের উপর হামলা চালানো হয়। বিজেপির দাবি, বন্দুকের বাট দিয়ে মারধর করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় তিন থেকে চারজন কর্মী আহত হয়েছেন।সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত অজয় গুপ্তার নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এর আগেও ওই ব্যক্তি এবং তার সহযোগীরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। সে সময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত থাকলেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি। এরপর তিনি বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগর থানার সামনে পৌঁছে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।বিক্ষোভ চলাকালীন সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। ফোনে তিনি পুরো ঘটনা জানান এবং বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মনোজ আগারওয়াল তাঁকে আশ্বাস দেন যে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সজল ঘোষ পরে জানান, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেছেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের পর পুলিশ জানায়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই জন্য বিজেপিকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে রাত পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলেই জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে দুই দলকে নিশানা! তৃণমূলই বিজেপির রাস্তা খুলছে—রাহুলের তীব্র আক্রমণ

রায়গঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে এসে কড়া ভাষায় বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসদুই দলকেই আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তাহলে তৃণমূলও কোনও অংশে কম নয়। সারদা চিটফান্ড থেকে শুরু করে আরজি কর কাণ্ডএকাধিক ইস্যু তুলে ধরে তিনি তৃণমূলকে নিশানা করেন।রায়গঞ্জ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্তর সমর্থনে সভা করতে এসে রাহুল বলেন, তৃণমূলই আসলে বাংলায় বিজেপির প্রবেশের পথ তৈরি করে দিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল যদি সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে শক্তি বাড়াতে পারত না।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন। রাহুলের দাবি, মোদী তাঁর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসও বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছে না। তাঁর অভিযোগ, মোদী যেমন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তেমনই তৃণমূলও নানা দুর্নীতিতে জড়িত। সারদা চিটফান্ডের প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, রাজ্যে হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল পাঁচ লক্ষ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রায় চুরাশি লক্ষ মানুষ বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছেন।রাহুল আরও বলেন, এক সময় বাংলা শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সিপিএমের পর তৃণমূল ক্ষমতায় এসে শিল্প পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন তাঁর বক্তব্যে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যা খুশি তাই করছে এবং বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। কংগ্রেস কর্মী তপন কুণ্ডুকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।শেষে রাহুল বলেন, কংগ্রেস হিংসার বিরুদ্ধে এবং সত্য ও অহিংসার পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বৈশাখেই আগুন ঝরাবে আকাশ! বাংলায় ৪০ ছুঁতে চলেছে পারদ, বড় সতর্কবার্তা মৌসম ভবনের

চৈত্র মাসে তেমন গরম অনুভূত হয়নি বাংলায়। মাঝে কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়লেও বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া বেশ আরামদায়কই ছিল। কিন্তু বৈশাখ মাস শুরু হতেই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা অনেকটাই বাড়বে।শুধু গরমই নয়, এবার বর্ষাতেও স্বস্তির বৃষ্টি কম হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এল নিনো পরিস্থিতি। জুন মাসের মধ্যে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যার ফলে গোটা দেশে প্রায় ৮ শতাংশ কম বৃষ্টি হতে পারে। যদিও কিছু কিছু রাজ্যে স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সার্বিকভাবে বৃষ্টির পরিমাণ কমই থাকবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও একই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।মৌসম ভবন জানিয়েছে, বৈশাখের শুরুতেই গরমের দাপট বাড়বে বাংলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। কলকাতাতেও তাপমাত্রা বেড়ে ৩৭ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে।তবে চলতি সপ্তাহে কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। পয়লা বৈশাখের দিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমানসহ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। পরের দিনও দক্ষিণবঙ্গের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে কলকাতার ক্ষেত্রে এখনই বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। বরং নববর্ষের দিন থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও গরম থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে নাগরিকত্ব! উত্তরবঙ্গে ৪০ জনকে শংসাপত্র ঘিরে তোলপাড়

উত্তরবঙ্গে ভোটের আগে নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বসবাস করা অন্তত ৪০ জন মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমা এলাকায় ঘটেছে। নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি ও খুশি প্রকাশ করেছেন ওই পরিবারগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার পর এই নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও যাঁরা আইনি স্বীকৃতি পাননি, তাঁদের এই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁদের কাছে এটি একটি বড় স্বস্তির বিষয়।গত কয়েক মাস ধরে আবেদন যাচাই, শুনানি এবং নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ক্রান্তি ব্লক থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। ভোজারি পাড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পরিবার ইতিমধ্যেই এই সুবিধা পেয়েছে। এছাড়াও ময়নাগুড়ি, রাজগঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির অন্যান্য এলাকা থেকেও বেশ কিছু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়েছেন।এই নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের আগে এই পদক্ষেপকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে। একই সময়ে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নাম বাদ পড়ার অভিযোগও সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।সব মিলিয়ে নাগরিকত্ব প্রদান এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের এই দুই ইস্যু উত্তরবঙ্গের নির্বাচনী পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ফল ঘোষণা? আসনসংখ্যা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

সিউড়ির জনসভা থেকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এ বার তৃণমূল অন্তত ২২৬টির বেশি আসন পাবে। এর আগে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ২০২১ সালের থেকে অন্তত একটি আসন বেশি জিতবে তৃণমূল। তবে এ দিন প্রথমবার নিজেই নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা উল্লেখ করে দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছিল।সভা থেকে ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কোথাও ভোটযন্ত্রে সমস্যা হলে সেই যন্ত্রে ভোট না দিতে। গণনার সময় ধীরে ধীরে ফল প্রকাশ করা হতে পারে এবং আগে থেকেই কোনও পক্ষ জয়ের দাবি ছড়াতে পারে, সেইসব কথায় গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আর একদিন ধৈর্য ধরলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, তাঁর বিশ্বাস, আগামী নির্বাচনে তৃণমূল ২২৬টির বেশি আসন পাবে। তিনি অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে বাহিনী এনে বা নানা প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাকে দখল করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, হামলার জবাব মানুষই দেবে ভোটের মাধ্যমে।এ দিন তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও চ্যালেঞ্জ জানান। মমতা বলেন, বাংলায় তৃণমূল সরকার চাইলে তিনি নিজেকে সবকটি আসনের প্রার্থী হিসেবেই মনে করেন। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী যদি সব আসনের প্রার্থী হওয়ার কথা বলেন, তবে তাঁকে ঠিক করতে হবে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন নাকি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে চান। সেই সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে জানাতেও তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।এই মন্তব্য ঘিরে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! সামনে কঠিন সপ্তাহের সতর্কতা

টানা কয়েক দিনের ঝড়বৃষ্টির পর রাজ্যে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। রবিবার সকাল থেকেই রোদের তেজ চোখে পড়ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী সপ্তাহে রাজ্যজুড়ে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া আরও বাড়বে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। চৌদ্দ থেকে সতেরো এপ্রিল পশ্চিমের জেলাগুলিতে তীব্র গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। দক্ষিণবঙ্গে চৌদ্দ ও পনেরো এপ্রিল দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের কিছু জেলা এবং উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তিও বাড়বে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকবে, ফলে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। মঙ্গলবার থেকে গরমের তীব্রতা বাড়বে এবং শুক্রবার পর্যন্ত অস্বস্তিকর আবহাওয়া চলবে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘের কারণে সামান্য ঝড়বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়।মঙ্গলবার ও বুধবার এই জেলাগুলিতে গরমের সঙ্গে অস্বস্তিও বাড়বে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর সতর্ক থাকতে বলেছে।উত্তরবঙ্গে রবিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ উপরের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি চললেও বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে।কলকাতাতেও তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। রবিবার সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার, দিনের দিকে আংশিক মেঘলা হতে পারে। আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী সপ্তাহে গরম ও অস্বস্তি বাড়বে শহরেও। রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ছাব্বিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি। দিনের তাপমাত্রা তেত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় তাপমাত্রা চব্বিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাটা ভিডিয়ো না আসল সত্য? বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের দলের

বিতর্কিত ভিডিয়ো ঘিরে জোর চর্চার মাঝেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল হুমায়ুন কবীরের দল। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মুখপাত্র কামাল হোসেন জানান, যে ভিডিয়োকে ঘিরে এত বিতর্ক, তার সম্পূর্ণ অংশ খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।তিনি দাবি করেন, ভিডিয়োটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে হুমায়ুন কবীর-কে হেনস্থা করার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর কথায়, আসল ভিডিয়ো সামনে এলেই সত্যিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।কামাল হোসেন আরও জানান, ভিডিয়োটি কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে তাঁদের দল। তাঁর দাবি, ভিডিয়োটি গত বছরের উনিশে ডিসেম্বরের, কিন্তু তা প্রকাশ করা হয়েছে অনেক পরে। এতদিন পরে কেন এটি সামনে আনা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। যে সোশ্যাল মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি ছড়ানো হয়েছে, তা নিয়েও অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করছে। তাঁর বক্তব্য, হুমায়ুন কবীর রাজনৈতিকভাবে তাদের চাপে ফেলেছেন বলেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে আসা এই স্টিং ভিডিয়ো ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভিডিয়োতে নাকি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিপুল টাকার লেনদেনের ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও হুমায়ুন কবীর নিজে এই ভিডিয়োর সত্যতা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বাড়ছে এবং ভোটের আগে তা আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিলিগুড়ি করিডর নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, তৃণমূলকে নিশানা মোদীর

শিলিগুড়ির সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি অভিযোগ করেন, শিলিগুড়ি করিডর কেটে উত্তর-পূর্ব ভারতকে দেশ থেকে আলাদা করার যে হুমকি এক সময় উঠেছিল, সেই ধরনের শক্তিকে নাকি তৃণমূল সমর্থন করেছে। মোদীর কথায়, তথাকথিত টুকরে টুকরে মানসিকতার লোকদের রাস্তা থেকে সংসদ পর্যন্ত মদত দেয় তৃণমূল, এটাই তাদের আসল চরিত্র।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নিরাপত্তা এবং উন্নতির জন্য শিলিগুড়ি করিডর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই করিডরের নিরাপত্তা সবসময় নিশ্চিত করতে হবে বলেও জোর দেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার পাল্টা জবাবে বলেন, যাঁরা উত্তরবঙ্গ আলাদা করার কথা বলেছেন, তাঁদের মধ্যে বিজেপির সঙ্গেই যুক্ত কিছু নাম রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সেইসব নেতাদের বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।তৃণমূলের দাবি, বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করতে এই করিডরের প্রসঙ্গ তুলছে। তাদের মতে, সীমান্ত সুরক্ষা এবং করিডরের নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রের দায়িত্ব, সেখানে রাজ্য সরকারকে দায়ী করা ঠিক নয়।উল্লেখ্য, এর আগে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ উত্তরবঙ্গকে আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনার দাবি তুলেছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অস্বস্তিও তৈরি হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে উত্তরবঙ্গের মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যরাত থেকে বড় অপারেশন! খণ্ডঘোষে বিস্ফোরক দাবি মমতার

ভোটের মুখে খণ্ডঘোষের সভা থেকে বড় অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপির বিরুদ্ধে একটি বড় ষড়যন্ত্র চলছে এবং রবিবার মধ্যরাত থেকেই সেই পরিকল্পনা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। যদিও এই পরিস্থিতিতেও দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং প্রার্থীদের আরও জোর দিয়ে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের যন্ত্র ব্যবহার নিয়ে সবাইকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ধীরগতিতে ভোট গ্রহণ ও গণনা করানোর চেষ্টা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, প্রথমে এমনভাবে ফলাফল দেখানো হতে পারে যাতে মনে হয় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। পাশাপাশি অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।তিনি আরও বলেন, টেলিভিশনে যদি দেখানো হয় বিজেপি জিতছে, তা মিথ্যে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি জানান, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জিতবে এবং তাঁদের হারানোর ক্ষমতা কারও নেই। এর আগেও একাধিকবার ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।এছাড়াও বহিরাগতদের দিয়ে ভোটে প্রভাব ফেলার চেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করতে টাকা বিলি করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনওভাবেই নিজের ব্যাঙ্কের তথ্য বা অ্যাকাউন্ট নম্বর কাউকে দেওয়া উচিত নয়।এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • ...
  • 192
  • 193
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal