• ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

২৪ ঘণ্টায় ইউ-টার্ন! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

দিন কয়েক ধরেই জল্পনা চলছিল, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। ক্রিকেট মহলে কানাঘুষো ছিল, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে যেমন পাকিস্তান ভারতের মাটিতে খেলতে রাজি হয়নি, ঠিক তেমনই বাংলাদেশও ভারতে খেলতে না চাইলে ভাইজান-এর পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় জল ঢালল পিসিবি। সূত্রের খবর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করার কোনও পরিকল্পনাই নেই পাকিস্তানের।পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাকি পাকিস্তানের কাছে ক্রিকেট ও প্রশাসনিক সহায়তা চেয়েছিল। আগেও পাক বোর্ডপ্রধান মহসিন নকভি বাংলাদেশকে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এমনও শোনা যায়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছিল পিসিবি। এমনকি সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ থেকে সরে যেতে পারে এমন বার্তাও নাকি দেওয়া হয়েছিল।এই আবহেই সোমবার আচমকা খবর ছড়ায়, পাকিস্তান নাকি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি বন্ধ করে দিয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হওয়ার কথা পাকিস্তানের অভিযান। সেই ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু ম্যাচের আগে হঠাৎ করেই অনুশীলন বন্ধ করে দেয় সলমন আলি আঘা নেতৃত্বাধীন দল। পাক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে শীঘ্রই টিম ম্যানেজমেন্টকে জানাবে পিসিবি। এমনকি বিশ্বকাপ না খেললেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে দলকে।তবে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পূর্ণ উল্টো অবস্থান নেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবির এক প্রতিনিধি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপ বয়কট করার প্রশ্নই নেই। আগেই ঠিক করা হয়েছিল, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে সব ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান। সেই সিদ্ধান্তেই তারা অনড়। ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অবস্থানের কারণে পাক দল ভারতে খেলবে না ঠিকই, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা গোটা টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়াবে। পাকিস্তান নির্ধারিত সূচি মেনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কোর্টে আর নয়! অবসর ঘোষণা করলেন সাইনা নেহওয়াল

অবশেষে প্রতিযোগিতামূলক ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানালেন সাইনা নেহওয়াল। ভারতের ব্যাডমিন্টনে প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেওয়া এই তারকা খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরেই চোট-আঘাতে ভুগছিলেন। শেষ দুবছরে তাঁর শারীরিক সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে আর কোর্টে ফেরা সম্ভব হয়নি। শেষবার ২০২৩ সালের সিঙ্গাপুর ওপেনে তাঁকে খেলতে দেখা গিয়েছিল।একটি পডকাস্টে নিজের অবসরের কথা জানিয়ে সাইনা বলেন, তিনি আসলে অনেক আগেই ব্যাডমিন্টন খেলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিজের ইচ্ছাতেই এই খেলায় এসেছিলেন, আবার নিজের ইচ্ছাতেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। আলাদা করে অবসর ঘোষণা করার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। যখন বুঝেছেন আর খেলা সম্ভব নয়, তখনই থেমে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছেন তিনি।চোটের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাইনা। তিনি বলেন, তাঁর হাঁটুর কার্টিলেজ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও রয়েছে। বাবা-মা ও কোচদের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে উঠছে। বিশ্বমানের খেলোয়াড় হতে গেলে দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা অনুশীলন প্রয়োজন, কিন্তু তিনি সেখানে দুঘণ্টার বেশি চালিয়ে যেতে পারছিলেন না। হাঁটু আর আগের মতো সঙ্গ দিচ্ছিল না বলেই কেরিয়ার থামানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে ব্যাডমিন্টনে পেশাদার কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সাইনা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে বড় নাম। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন তিনি। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ব্যাডমিন্টনে ভারতের প্রথম অলিম্পিক পদক এনে দেন সাইনা নেহওয়াল।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে আবারও সোনা এবং এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। জুনিয়র স্তরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা জিতেছিলেন সাইনা। তবে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের পর থেকেই হাঁটুর চোট তাঁর কেরিয়ারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ছন্দ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বুঝে যান, আর নয়। সেই সঙ্গে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও পর্দা নামল।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঘরের মাঠে লজ্জার হার! ভারতের ‘ভিলেন’ কে, ইঙ্গিত দিলেন সানি

শুভমান গিলের নেতৃত্বে এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। এবার ঘরের মাঠেই প্রথমবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ হারতে হল টিম ইন্ডিয়াকে। বিরাট কোহলি একা লড়াই করলেও দলকে জেতাতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কোথায় ভুল হল? এই সিরিজ হারের জন্য দায়ী কে? নাম না করেই সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর।গাভাসকর বলেন, তিনি কারও নাম নিতে চান না। তবে তাঁর মতে, ভারতের ফিল্ডিংয়ে বড় ঘাটতি ছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার বিপক্ষকে খুব সহজে সিঙ্গল নিতে দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, রোহিত শর্মা খুব দ্রুত ফিল্ডিং করেন, বিরাট কোহলি যে কত বড় অ্যাথলিট তা সবাই জানে। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে ফিল্ডিং আরও ভালো হতে পারত। সেই কারণেই ড্যারিল মিচেল এবং গ্লেন ফিলিপসদের চাপে রাখা যায়নি। তাঁরা অনায়াসেই বড় রান করে যান।এখানেই থামেননি গাভাসকর। তিনি বলেন, যতক্ষণ না বিরাট কোহলি কাউকে পাশে পাচ্ছেন, ততক্ষণ তাঁর পক্ষে ম্যাচ জেতানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এই ম্যাচেও কোহলি খুব কম সাহায্য পেয়েছেন। গোটা সিরিজে ভারতের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ম্যাচের শুরু। ভালো শুরু না হলে বড় রান তাড়া করা কঠিন হয়ে যায়। এই সিরিজে বারবার খারাপ শুরু করেছে ভারত, যার ফলেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে।সিনিয়র ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে গাভাসকর তরুণদের মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, তরুণ ক্রিকেটারদের কোহলির কাছ থেকে শেখা উচিত। কোহলি শুধু একটাই কাজ জানেন, রান করা। তাঁর লড়াকু মানসিকতাই তাঁকে আলাদা করে তোলে। তিনি কখনও হার মানেন না। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান।কোহলির ১০৮ বলে ১২৪ রানের ইনিংসকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন গাভাসকর। তিনি বলেন, এই ইনিংস থেকে তরুণরা শিখতে পারে কীভাবে চাপ সামলাতে হয় এবং কীভাবে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা যায়। ৩৭ বছর বয়সেও যেভাবে দ্রুত স্ট্রাইক রোটেট করেছেন কোহলি, তার তুলনা পাওয়া কঠিন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তিনি কাউকে পাশে পাননি। আর তার ফলেই ম্যাচ এবং সিরিজ দুটোই হারতে হল ভারতকে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! নতুন বছরে পুরনো মেজাজে কোহলি......

নতুন বছরেও পুরনো মেজাজে কোহলি, সাত কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় ভারতের। কোহলির দাপটে বডোদরায় জয়, নিউ জ়িল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ়ে এগিয়ে ভারতবডোদরার নতুন স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের শেষে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। শুভমন গিলের নেতৃত্বাধীন দলের এই জয়ের মূল কারিগর বিরাট কোহলি, যাঁর ব্যাট থেকে এল দায়িত্বপূর্ণ ও ম্যাচজয়ী ৯৩ রান।টস হারিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউ জ়িল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ৩০০ রান। ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলস শুরুটা মজবুত করেন। প্রথম উইকেটে ১১৭ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে দাপট দেখান দুজন। নিকোলস ৬২ এবং কনওয়ে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। মাঝের ওভারে চার নম্বরে নামা ড্যারেল মিচেল একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৭১ বলে ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তিনি। শেষ দিকে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্কের ঝোড়ো ব্যাটে কিউয়িরা পৌঁছয় ৩০০ রানে।ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদুজনেই নেন ২টি করে উইকেট। হর্ষিত রানাও ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তবে চোটের কারণে ওয়াশিংটন সুন্দর পুরো কোটা শেষ করতে না পারায় ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়।৩০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। শুভমন গিল ধীরে খেলেও দায়িত্ব নেন৭১ বলে করেন ৫৬ রান। তবে ইনিংসের আসল নিয়ন্ত্রণ নেন বিরাট কোহলি। চেনা ছন্দে, সাবলীল অথচ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ নিজের মুঠোয় নিয়ে আসেন তিনি।🗣️ If I look back at my whole journey, its nothing short of a dream come true. ✨🎥 Virat Kohli reflects on his incredible career after becoming the 2⃣nd highest run-getter in mens international cricket🙌👏#TeamIndia | #INDvNZ | @imVkohli | @idfcfirstbank pic.twitter.com/87BgcZlx4b BCCI (@BCCI) January 11, 2026এই ইনিংসেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮ হাজার রান পূর্ণ করেন কোহলি। পাশাপাশি কুমার সাঙ্গাকারাকে ছাপিয়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক রান সংগ্রাহকদের তালিকায় উঠে আসেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর সামনে এখন শুধুই সচিন তেন্ডুলকর।কোহলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন শ্রেয়স আয়ার। সহ-অধিনায়ক ৪৭ বলে ৪৯ রান করে দলের ভিত মজবুত করেন। তবে কোহলি আউট হওয়ার পর হঠাৎ ছন্দ হারায় ভারত। দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ায় ম্যাচ জমে ওঠে। সেই সময় চাপের মুখে দায়িত্ব নেন লোকেশ রাহুল। শেষ দিকে হর্ষিত রানার সাহসী ২৯ রানের ইনিংস এবং রাহুলের অপরাজিত ২৯ রানে ৪৯ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।নিউ জ়িল্যান্ডের হয়ে বল হাতে লড়াই চালান কাইল জেমিসন। ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি ভারতকে চাপে ফেললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি কিউয়ি অধিনায়ক।সব মিলিয়ে কোহলির অভিজ্ঞতা, মাঝের ওভারের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং এবং শেষের ঠান্ডা মাথার লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। তবে জয়ের আনন্দের মাঝেই ওয়াশিংটন সুন্দরের চোট ভারতীয় শিবিরের চিন্তার কারণ হয়ে রইল।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৫০-র লড়াইয়ে ফিরছেন শুভমন-শ্রেয়স, পিচ নিয়ে সংশয়ে ভারতীয় থিঙ্ক-ট্যঙ্ক

দক্ষিণ আফ্রিকা অধ্যায় শেষ। এবার ঘরের মাঠে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের নতুন পরীক্ষা ভারতের। রবিবার শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়, যেখানে একাদশে একাধিক বদল প্রায় নিশ্চিত। চোট কাটিয়ে ফিরছেন অধিনায়ক শুভমন গিল ও সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। অন্য দিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে এই সিরিজ়ে বিশ্রামে রাখা হয়েছে জসপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ড্যকে। ফলে নতুন কম্বিনেশনেই নামতে চলেছে ভারত।ওপেনিংয়ে বদলের ইঙ্গিত নেই। যশস্বী জয়সওয়াল ও রোহিত শর্মার বাঁহাতি-ডানহাতি জুটি এক দিনের ক্রিকেটে এখনও দলের সবচেয়ে ভরসার জায়গা। তিন নম্বরে বিরাট কোহলি অবধারিত। সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্রিকেটেও তাঁর ব্যাট যে কতটা ছন্দে, তা চোখে পড়ার মতো। চার নম্বরে ব্যাট করবেন শুভমন গিল। অধিনায়ক হিসেবে চাপ থাকলেও, এক দিনের ফরম্যাটে তাঁর ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। পাঁচ নম্বরে ফিরছেন শ্রেয়স আয়ার। অস্ট্রেলিয়া সফরের চোট কাটিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন তাঁর। প্রস্তুতির অভাব নেই, তা বিজয় হজারে ট্রফিতেই বোঝা গেছে।মিডল অর্ডারে ছনম্বরে থাকবেন লোকেশ রাহুল। শেষ ম্যাচে খেলা রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও তিলক বর্মার জায়গায় এই ম্যাচে অভিজ্ঞতাকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে। সাত নম্বরে অলরাউন্ডারের ভূমিকায় রবীন্দ্র জাডেজানিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যাঁর কার্যকারিতা নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের।বোলিং আক্রমণে থাকবে চার বিশেষজ্ঞ। স্পিনে কুলদীপ যাদব, পেসে মহম্মদ সিরাজের জায়গা প্রায় পাকা। তাঁদের সঙ্গে দেখা যেতে পারে হর্ষিত রানা ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। শেষ এক দিনের দলে থাকা অর্শদীপ সিংয়ের বদলে এই ম্যাচে সিরাজকে ফেরানো হচ্ছে বলেই ইঙ্গিত।প্রতিপক্ষকে হালকা করে দেখছে না ভারত। কিউয়ি শিবিরে ডেভন কনওয়ে, ড্যারেল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস বা কাইল জেমিসনের মতো ম্যাচ-ঘোরানো ক্রিকেটার রয়েছেন। তার উপর ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ় হারের স্মৃতি এখনও তাজা।আর একটি বড় প্রশ্ন বডোদরার নতুন কোটাম্বি স্টেডিয়ামের পিচ। এই মাঠে প্রথম এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পিচের আচরণ এখনও অজানা। শিশিরের প্রভাবও থাকতে পারে। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই অনিশ্চয়তার কথাই তুলে ধরেছেন শুভমন। সব মিলিয়ে টসের ভূমিকা বড় হয়ে উঠতে পারে। নতুন মাঠ, নতুন কম্বিনেশনরবিবারের ম্যাচে তাই চ্যালেঞ্জ যেমন আছে, তেমনই নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের সুযোগও ভারতের সামনে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যে ঝাঁপে শেষ হতে পারত জীবন, সেই জেমাইমাই আজ বিশ্বজয়ের স্তম্ভ

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৩৪ বলে অপরাজিত ১২৭ রানের অনবদ্য ইনিংস ক্রিকেট ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সেই ইনিংসের জোরেই কার্যত একার হাতে সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালে হারিয়েছিল ভারত। বিশ্বকাপ জয়ের সেই নায়ক জেমাইমা রডরিগেজ এবার শোনালেন জীবনের এক ভয়ংকর অজানা কাহিনি। জানালেন, ছোটবেলায় ক্যাচ ধরতে গিয়েই প্রায় মৃত্যুর মুখে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি।সম্প্রতি ইউটিউবের এক অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের সেই অভিজ্ঞতার কথা বলেন জেমাইমা। তিনি জানান, তখন তাঁর বয়স মাত্র আট বছর। গির্জার একটি অনুষ্ঠানে পরিবারের সঙ্গে গিয়েছিলেন। সেখানে বাইরে খেলতে খেলতে বাচ্চারা একে অপরের দিকে চপ্পল ছুড়ে দিচ্ছিল। সেই সময় তাঁর এক মামাতো বোন তাঁর দিকে একটি জুতো ছুড়ে মারেন। সেটি ধরতেই ঝাঁপ দেন জেমাইমা।কিন্তু সেই ঝাঁপই প্রায় প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছিল। ক্যাচ ধরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোতলা থেকে নিচে পড়ে যান তিনি। সৌভাগ্যবশত নিচে একজন বসে ছিলেন। তাঁর মাথার উপর গিয়ে পড়ায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা পান জেমাইমা। তবে মুহূর্তের জন্য তাঁর ভাইবোনদের মনে হয়েছিল, তিনি আর বেঁচে নেই।ভাগ্যের জোরে সেদিন কোনও গুরুতর আঘাত পাননি জেমাইমা। আজ সেই শিশুই বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে ভারতের হয়ে ইতিহাস গড়েছেন। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার তিনি। এর আগে ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নকআউট ম্যাচে ১৭১ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছিলেন হরমনপ্রীত কৌর। এবার সেই তালিকায় নিজের নাম তুলে ধরলেন জেমাইমা রডরিগেজ। বিশ্বজয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শুনিয়ে আবেগপ্রবণ করলেন ক্রিকেটপ্রেমীদের।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘জাতীয় অপমান হলে বিশ্বকাপ নয়’, ভারত নিয়ে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের

ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে কি না, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল বাংলাদেশ। দেশটির সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আজিফ নজরুল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ দল। তাঁর কথায়, জাতীয় মর্যাদার বিনিময়ে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়।সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আইপিএল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় সেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহলে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে আবেদন জানায়, যাতে ভারতের বদলে অন্য কোনও দেশে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা হয়। যদিও আইসিসি সেই আবেদন খারিজ করে দেয় বলে খবর, কারণ তাদের কাছে কোনও নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সতর্কতার তথ্য ছিল না।আজিফ নজরুল জানান, আইসিসি থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেলেও তারা ভারতের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির গুরুত্ব ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমী দেশ এবং বিশ্বকাপ খেলতে চায়। কিন্তু ক্রিকেটার, সাংবাদিক, সমর্থক এবং দেশের সম্মান যদি বিপন্ন হয়, তাহলে সেই বিশ্বকাপ খেলার কোনও মানে নেই।বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ক্রিকেটার নয়, প্রচুর সাংবাদিক, সমর্থক ও স্পনসরও ভারতে যাবেন। তাঁদের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে কি না, তা নিয়েই সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি প্রয়োজন, তাই সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতেই তাঁরা এসেছেন।বুলবুল আরও বলেন, আগে একাধিকবার হাইব্রিড বিশ্বকাপ হয়েছে শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণেই। তাই বাংলাদেশের দাবি অযৌক্তিক নয়। আইসিসির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে জানানো হয়েছে, সূচি ও ভেন্যু বদলানো হবে না এবং না খেললে পয়েন্ট কাটা যেতে পারে। যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দাবি করেছে, এমন কোনও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পায়নি।এর মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মোস্তাফিজ বিতর্কের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার ও প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৫ জানুয়ারি জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইপিএল সংক্রান্ত কোনও অনুষ্ঠান বা প্রচার দেখানো যাবে না।বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের চারটি লিগ ম্যাচই ভারতের মাটিতে হওয়ার কথা। এই পরিস্থিতিতে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেট দুনিয়া।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েনে আইপিএল সিদ্ধান্ত, কেকেআর দলে বড় বদল

শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সে আর খেলবেন না বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। আইপিএল ২০২৬-এ তাঁকে খেলানো যাবে না বলে কেকেআরকে জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে আইপিএলে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে সরানোর জন্য কেকেআরকে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিসিআই। বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি ক্রিকেটারের বদলে কেকেআর অন্য কোনও বিদেশি খেলোয়াড় নিতে পারবে। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদসংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এবারের আইপিএল নিলামে মোট সাতজন বাংলাদেশি খেলোয়াড় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে একমাত্র মুস্তাফিজুর রহমানই দল পেয়েছিলেন। কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ৯.২০ কোটি টাকায় কিনেছিল। তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে তাঁর আইপিএলে খেলা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।গত কয়েক দিন ধরে এই ইস্যুতে বিসিসিআই ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ নীতি নিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বোর্ড নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেকেআরকে মুস্তাফিজকে ছাড়ার অনুরোধ জানায়।প্রসঙ্গত, ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর থেকেই কোনও পাকিস্তানি ক্রিকেটার আইপিএলে খেলার সুযোগ পান না। এবার বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও কি একই নীতি নেওয়া হবে, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আবার রেগে আগুন! ভারতীয় দাবাড়ুর কাছে হেরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কার্লসেন

ভারতীয় দাবাড়ুর কাছে হার মানলেই কেন এতটা রেগে যান ম্যাগনাস কার্লসেন, সেই প্রশ্ন নতুন করে উঠে এল। আগেও দেখা গিয়েছে, হার সহ্য করতে না পেরে বোর্ডে ঘুষি মারা থেকে শুরু করে নানা আচরণে বিতর্কে জড়িয়েছেন নরওয়ের এই তারকা দাবাড়ু। সোমবার দোহায় ফিডে বিশ্ব ব্লিট্জ চ্যাম্পিয়নশিপে ফের একই ছবি দেখা গেল। প্রতিপক্ষ ছিলেন ভারতের অর্জুন ইরাইগিসি। শেষ দিকে অর্জুনের নিখুঁত চালের সামনে দাঁড়াতে পারেননি কার্লসেন। ম্যাচে হার বুঝতেই মেজাজ হারান তিনি।অর্জুনের কাছে হেরে কার্লসেন আচমকা চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। এতটাই রেগে যান যে, পাশে দিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তি পর্যন্ত ভয় পেয়ে যান। সেই সময় টেবিলের উপর থাকা দাবার ঘুঁটিগুলি ছিটকে পড়ে মাটিতে। এরপর রাগের মাথায় টেবিলে ঘুষি মারতেও দেখা যায় কার্লসেনকে। এই জয়ের ফলে ১১ রাউন্ড শেষে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে যান অর্জুন ইরাইগিসি।কার্লসেনের এমন আচরণ নতুন নয়। এর আগেও ভারতের ডি গুকেশের কাছে হেরে একই ভাবে টেবিলে ঘুষি মেরে রাগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। শুধু ভারতীয় দাবাড়ু নন, অন্য প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও হার মানলে তাঁর মেজাজ যে সহজে ঠান্ডা হয় না, তা আগেও দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি র্যাপিড চ্যাম্পিয়নশিপে রাশিয়ার গ্র্যান্ডমাস্টার ভ্লাদিস্লাভ আর্টেমিয়েভের কাছে হেরে ক্যামেরাম্যানকে ঠেলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন কার্লসেন।এ দিন অবশ্য ডি গুকেশের জন্যও দিনটা খুব ভালো যায়নি। দোহাতেই তিনি অপ্রত্যাশিত ভাবে হেরে যান মাত্র ১২ বছর বয়সি দাবাড়ু সের্গে স্ক্লোকিনের কাছে। সের্গে একজন ফিডে মাস্টার, যার টাইটেল গ্র্যান্ডমাস্টারের থেকে দুধাপ নীচে। অন্য দিকে গুকেশ একজন সুপার গ্র্যান্ডমাস্টার, যার রেটিং ২৭৫০। ফলে ম্যাচটি একতরফা হবে বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু দীর্ঘ ৭০ চালের লড়াইয়ে সময়ের চাপে পড়ে যান গুকেশ। শেষ পর্যন্ত আরও ১০ চালের মধ্যেই হার মানতে বাধ্য হন তিনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

হরমনপ্রীত কৌরের রেকর্ড জয়ের ধারা! মহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস গড়ল ভারত

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর এবার টি-টোয়েন্টিতেও মেয়েদের ক্রিকেটে ভারতের জয়যাত্রা অব্যাহত। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচেও জয় পেয়ে সিরিজ নিজেদের পকেটে ভরিয়েছে ভারতীয় দল। আর এই জয়যাত্রার মধ্যে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর।ভারতীয় মেয়েদের ক্রিকেটে হরমনপ্রীত ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে ৭৭টি ম্যাচ জিতেছেন। অর্থাৎ জয়ের হার ৫৮.৪৬ শতাংশ। এটি মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি জয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক লেগ ল্যানিংয়ের নামে ছিল, যিনি ১০০টি ম্যাচে ৭৬টি জিতেছিলেন। যদিও ভারতের ঝুলিতে এখনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসেনি, হরমনপ্রীতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল যে পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে, তাতে ভক্তরা আশা করছেন টি-টোয়েন্টিতেও সাফল্য আসবে।পুরুষদের ক্রিকেটেও এই রেকর্ড এখনও কারও নেই। রোহিত শর্মা ৬২ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৪৯টি জয় পেয়েছেন। মহেন্দ্র সিং ধোনি ৭২ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৪১টি জয় পেয়েছিলেন।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন দীপ্তি শর্মা। মাত্র ১৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন তিনি। এই জয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৩। এর ফলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এলসি পেরিকে (৩৩১ উইকেট) ছাপিয়ে গেছেন। সব ফরম্যাট মিলিয়ে বর্তমানে দীপ্তি তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী, শীর্ষে রয়েছেন ঝুলন গোস্বামী, যাঁর উইকেট সংখ্যা ৩৫৫।মহিলাদের ক্রিকেটে এই রেকর্ড ও পারফরম্যান্স ভারতের খেলা ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়াচ্ছে, এবং আশা জাগাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাফল্যের।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

এশিয়া কাপ ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ, দুবাইয়ে পাকিস্তানের কাছে লজ্জার হার ভারতের

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ল ভারত। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৪৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আয়ুষ মাত্রের দল গুটিয়ে গেল মাত্র ১৫৬ রানে। ফলে ১৯১ রানের বড় ব্যবধানে হার স্বীকার করেই শিরোপা হাতছাড়া করতে হল টিম ইন্ডিয়াকে।টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। কিন্তু শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় পাকিস্তান। দলের হয়ে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন সামির মিনহাস। মাত্র এক ইনিংসেই তিনি করে ফেলেন ১৭২ রান। উসমান খানের সঙ্গে ৯২ রানের এবং আহমেদ হুসেনের সঙ্গে ১৩৭ রানের দুটি বড় জুটিতে ভর করে দ্রুত ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় পাকিস্তান।বিশেষজ্ঞদের মতে, একসময় পাকিস্তানের ইনিংস ২৭০২৮০ রানের মধ্যেই থামতে পারত। কিন্তু মিনহাসের ব্যাটে ভর করেই ৪৩ ওভারের মধ্যেই ৩০০ ছুঁয়ে ফেলে তারা। পরে তাঁর আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। ৩০২/৩ থেকে ৩২৭/৮ মাত্র ২৫ রানের মধ্যে পাঁচ উইকেট হারালেও ততক্ষণে ম্যাচ কার্যত একপেশে হয়ে গিয়েছিল।লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ভারতীয় ব্যাটিং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ মাত্রে, অভিজ্ঞান কুণ্ডুর মতো পরিচিত নাম থাকলেও কেউই দায়িত্ব নিতে পারেননি। আশ্চর্যজনকভাবে দলের সর্বোচ্চ রান আসে ১০ নম্বর ব্যাটার দীপেশ দেবেন্দ্রনের ব্যাট থেকে। তিনি মাত্র ১৬ বলে ৩৬ রান করে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও তা যথেষ্ট ছিল না।এই হার যেন সাম্প্রতিক সিনিয়র দলের বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল। সেবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে, এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মঞ্চ ফাইনাল, ফলাফলও প্রায় একই রকম হতাশাজনক।উল্লেখযোগ্যভাবে, ফাইনালে ওঠার আগে টুর্নামেন্টে একমাত্র অপরাজিত দল ছিল ভারত অনূর্ধ্ব-১৯। গ্রুপ পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে পাকিস্তান গ্রুপে ভারতের কাছেই একমাত্র হেরেছিল। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে ধরা দেয় তারা। শেষ পর্যন্ত দুবাইয়ে দাপটের সঙ্গে জয় ছিনিয়ে নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ নিজেদের ঝুলিতে ভরল পাকিস্তান। আর ফাইনালে বারবার হোঁচট খাওয়ার প্রবণতা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন থেকে গেল ভারতীয় যুব দলের সামনে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

মায়ানগরীতে কী চমক দেখান মেসি, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে

হতে পারত মেসিময় এক স্মরণীয় সন্ধ্যা। কিন্তু বাস্তবে তা পরিণত হল চরম বিশৃঙ্খলায়। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসেও লিওনেল মেসিকে দেখতে পেলেন না দর্শকরা। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে ওঠে যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় স্টেডিয়াম। ভিড় ও বিশৃঙ্খলার জেরে যুবভারতী ছেড়ে দ্রুত বেরিয়ে যান মেসি। স্টেডিয়াম থেকেই তিনি রওনা দেন বিমানবন্দরের দিকে।কলকাতার অভিজ্ঞতা সুখকর না হলেও সন্ধ্যাবেলায় হায়দরাবাদে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি দেখা যায়। সেখানে রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয় গোট ট্যুর-এর অনুষ্ঠান। গোটা স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন মেসি। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সঙ্গে ফুটবল খেলেন তিনি। কিছুক্ষণ পায়ে বল নাচান আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী তারকা। আলোয় সাজানো স্টেডিয়ামে শেষ পর্যন্ত তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে মেসি রাহুল গান্ধীকে একটি সই করা জার্সি উপহার দেন।গোট ট্যুর-এর পরবর্তী গন্তব্য মুম্বই। মায়ানগরীতে কী চমক দেখান মেসি, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। জানা গিয়েছে, বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ক্রিকেট ক্লাব অফ ইন্ডিয়ায় একটি প্যাডেল ম্যাচে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন ক্রিকেটের ঈশ্বর শচীন তেণ্ডুলকর। এরপর বিকেল পাঁচটায় ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয়েছে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ। ৭ বনাম ৭ জনের সেই ম্যাচে অংশ নেবেন বলিউডের একাধিক তারকা। মাঠে উপস্থিত থাকবেন মেসি এবং সেখানেই শচীনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হওয়ার কথা।ওয়াংখেড়েতেই দর্শকরা মেসিকে কাছ থেকে দেখতে পারবেন। এছাড়াও নির্দিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য একটি ফ্যাশন শো এবং নিলামের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে আর্জেন্টিনার ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের স্মারক প্রদর্শিত হবে। ওই অনুষ্ঠানে জ্যাকি শ্রফ, জন আব্রাহাম ও করিনা কাপুরের মতো বলিউড তারকাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।এর আগে কলকাতায় উদ্যোক্তাদের ব্যর্থতায় ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ বোতল ছোড়ে, ভাঙচুর চালানো হয় ফেন্সিং ও চেয়ার। ঘটনায় ইতিমধ্যেই মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কলকাতার সেই ব্যর্থ আয়োজনের রেশ কাটতে না কাটতেই এখন নজর মুম্বইয়ে, সেখানে কি অবশেষে মেসির ম্যাজিক দেখতে পাবেন দর্শকরা, সেটাই বড় প্রশ্ন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

আইসিসির অনুরোধ উড়িয়ে, অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপেও পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলাল না ভারত

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলায়নি ভারত। সেই ছবি আগেই দেখা গিয়েছে সিনিয়র দলের ম্যাচে। এবার নজর ছিল অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে। দেখার ছিল, পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটাররা হাত মেলায় কি না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়েও একই ছবি দেখা গেল। আইসিসির অনুরোধ উপেক্ষা করেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাল না ভারতীয় দল।টসের সময়েও দুই দলের মধ্যে করমর্দন হয়নি। টসে জিতে পাকিস্তানের অধিনায়ক ফারহান ইউসুফ প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারত ব্যাট করতে নামে। মাঠের বাইরের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা চললেও মাঠের ভিতরে শুরু হয় লড়াই।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে ব্যর্থ হলেন ভারতের তরুণ ব্যাটার বৈভব। অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রেরা কিছুটা স্বচ্ছন্দে শুরু করলেও বৈভব আলি রাজার বলের সামনে বারবার সমস্যায় পড়েন। শেষ পর্যন্ত ১৪ বছর বয়সি বৈভব ৬ বলে মাত্র ৫ রান করে আউট হন। মহম্মদ সায়ামের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। আগের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে ৯৫ বলে ১৭১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রান পেলেন না তিনি।এর আগেও সিনিয়রদের এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন না করার নীতি বজায় রেখেছিল ভারত। তিনবার পাকিস্তানকে হারালেও টসের আগে বা পরে হাত মেলাননি সূর্যকুমার যাদবরা। এমনকি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির কাছ থেকে ট্রফি নেননি ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সেই ট্রফি এখনও হাতে পায়নি ভারত।একই নীতি দেখা গিয়েছিল মহিলা দলের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও। হরমনপ্রীত কৌরদের দলও পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন করেনি। যদিও অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ক্ষেত্রে আইসিসি চেয়েছিল, মাঠে যেন রাজনীতির ছায়া না পড়ে। গোটা বিষয়টির উপর নজরও রেখেছিল ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। তবু শেষ পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হাত মেলানোর ছবি দেখা গেল না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় বিতশ্রদ্ধ, হায়দরাবাদে হাসিমুখ মেসি! কেন এত ফারাক?

ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসিকে (Lionel Messi) দেখে হাসিতে ভরে উঠল হায়দরাবাদ। মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে বল পাস করার চেষ্টা, মাঠ জুড়ে হাঁটাহাঁটি, দর্শকদের দিকে শট, খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলানোসব মিলিয়ে আবেগে ভাসলেন মেসি। এমন দৃশ্য কলকাতাতেও দেখা যেতে পারত। কিন্তু তা হয়নি। যে শহর ফুটবলের পাগল বলে পরিচিত, সেই কলকাতাই মেসিকে (Lionel Messi) হাসিমুখে ফিরিয়ে দিতে পারল না। উল্টো দিকে হায়দরাবাদ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি।হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সন্ধে ৭টা ৫৫ মিনিট নাগাদ পৌঁছন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ল্যুই সুয়ারেজ় এবং রড্রিগো ডিপল। প্রথমে তাঁরা ভিআইপি বক্সে বসে প্রদর্শনী ম্যাচ উপভোগ করেন। এরপর মাঠে নামেন মেসি (Lionsl Messi)। সঙ্গে ছিলেন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। মুখ্যমন্ত্রী পুরো ফুটবল জার্সি পরে মাঠে নামেন। মেসির দিকে বল পাস করার চেষ্টা করলেও সফল হননি। অন্যদিকে সহজ ভঙ্গিতেই গোল করেন এলএম১০। তখন মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উল্লাস।মাঠে নেমে এক গাল হাসি নিয়ে গোটা স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন মেসি। খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলান। দর্শকদের দিকে শট মারেন। গ্যালারিতে বসে থাকা প্রায় ৪০ হাজার দর্শক তখন আবেগে ভেসে যান। হাততালি, চিৎকারে ফেটে পড়ে গোটা স্টেডিয়াম। মেসির মুখে ছিল ম্যাচ জেতার পরের সেই চওড়া হাসি ।কলকাতায় এই ছবিটা দেখা যায়নি। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভিড়ের ঠেলাঠেলি, বিশৃঙ্খলা আর ভাঙচুরের জেরে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন মেসি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় মেসির গোট ট্যুরে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েও পড়েছিলেন। কিন্তু মাঝপথেই গাড়ি ঘুরিয়ে নিতে হয়। কারণ ততক্ষণে যুবভারতী ছাড়েন মেসি। স্টেডিয়ামের ভিতরে তখন ভাঙচুর চলছিল।কলকাতা থেকে হায়দরাবাদে পৌঁছলেও মেসির মুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল না। বরং কলকাতার তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিতে ও খুশি দেখায় তাঁকে। কারণ সেখানে অনুষ্ঠান ঘিরে কোনও হুড়োহুড়ি বা অযথা ভিড় ছিল না। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তবে তিনি মেসির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ভিড় করেননি। বরং ছোট ফুটবলার বা শিশুদের আগে জায়গা করে দেন। পরে তাঁকে মেসির সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। তাঁর এই সৌজন্য সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।কলকাতায় যেখানে রাজনৈতিক নেতা ও অতিথিদের সঙ্গে ছবি তোলার ভিড়েই ঢেকে গিয়েছিল মেসিকে দেখার সুযোগ, সেখানে হায়দরাবাদে দর্শকরাই ছিলেন কেন্দ্রবিন্দুতে। কলকাতায় অনেক দর্শক ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করেও মেসির মুখটুকু দেখতে পাননি। হায়দরাবাদে দর্শকরা পেয়েছেন মাঠের মেসিকে, হাসি, শট আর আবেগে ভরা মুহূর্ত (Lionesl Messi)।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসির হায়দরাবাদ সফর অনেক আগে থেকে ঠিক ছিল না। কলকাতা, মুম্বই বা দিল্লির মতো শহরের তালিকায় প্রথমে ছিল না হায়দরাবাদ। শেষ মুহূর্তে সংযোজন হয় এই শহরের নাম। তবুও ভিড় সামলে, সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করে নজির গড়ল নিজামের শহর। আর কলকাতা? সেই ছবি ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্ব দেখে ফেলেছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতার হোঁচট, হায়দরাবাদের সাফল্য: মেসিকে ঘিরে দুই শহরের দুই ছবি

বিশ্ব ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসিকে ঘিরে শনিবার একই দিনে ভারতের দুই শহরে দেখা গেল সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সকালে কলকাতায় যেখানে বিশৃঙ্খলা, ভিড় ও নিয়ন্ত্রণহীনতার ছবি উঠে এল, সন্ধ্যায় হায়দরাবাদ সেখানে তুলে ধরল পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার এক আদর্শ মডেল। ফুটবলপ্রেমে পিছিয়ে না থেকেও আয়োজনের দিক থেকে কলকাতা যে বড়সড় প্রশ্নের মুখে, তা স্পষ্ট করে দিল এই দুই অনুষ্ঠান।শনিবার সকালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির উপস্থিতি ঘিরে পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যায়। অতিরিক্ত লোকজন, ছবি তোলার হুড়োহুড়ি, নিরাপত্তার ঘাটতিসব মিলিয়ে মেসিকে ঠিকমতো দেখতেই পাননি বহু দর্শক। সেই ঘটনার পর দেশের অন্য শহরগুলিতে মেসির কর্মসূচি আদৌ হবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বিকেলের পর সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিল হায়দরাবাদ।নির্ধারিত সময় মেনেই মেসি পৌঁছন নিজ়ামের শহরে। কলকাতার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে হায়দরাবাদে ছিল কড়া ও সুপরিকল্পিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিমানবন্দর থেকে স্টেডিয়ামপ্রতিটি ধাপে ছিল নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা। সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে উপ্পল স্টেডিয়ামে পৌঁছন মেসি। তখন মাঠে প্রদর্শনী ম্যাচ চলছিল। ভিভিআইপি বক্স থেকে সতীর্থ লুই সুয়ারেজ় ও রদ্রিগো ডিপলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে সেই ম্যাচ উপভোগ করেন তিনি।রাত ৮টা ১০ মিনিটে মাঠে নামতেই গোটা স্টেডিয়াম গর্জে ওঠে মেসি, মেসি ধ্বনিতে। কিন্তু সেই উন্মাদনার মধ্যেও ছিল স্পষ্ট নিয়ন্ত্রণ। মাঠে মেসির চারপাশে রাখা হয়েছিল যথেষ্ট খোলা জায়গা, যাতে দর্শকেরা নির্দ্বিধায় তাঁকে দেখতে পারেন। কোথাও ঠেলাঠেলি নেই, নেই ক্যামেরার বন্যা কিংবা অযথা ভিড়।মাঠের মাঝখানে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সঙ্গে বল পাসিং, দুএকটি লম্বা শটে গোল, বল পায়ে নাচানোসব মিলিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট খোলা মনে ফুটবল উপভোগ করালেন মেসি। মাঝেমধ্যেই গ্যালারির দিকে বল পাঠিয়ে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। মুখে ছিল স্বচ্ছন্দ হাসিযা কলকাতার অনুষ্ঠানে বারবার অনুপস্থিত ছিল।সবচেয়ে বড় পার্থক্য ছিল মেসির চারপাশের ব্যবস্থাপনায়। কলকাতায় যেখানে প্রায় ২৫০-৩০০ জন সারাক্ষণ তাঁকে ঘিরে রেখেছিলেন, হায়দরাবাদে সেই সংখ্যা সীমিত ছিল ৫০-৬০ জনের মধ্যে। কাউকেই নির্দিষ্ট দূরত্বের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী নিজেও মেসির ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রেখেছেন।অনুষ্ঠানের শেষে গোট কাপ-এর ট্রফি তুলে দেন মেসি। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি তাঁর নাম লেখা আর্জেন্টিনার জার্সিতে সই করিয়ে নেন এবং স্মারক উপহার দেন। মাইক হাতে মেসি, মেসি ধ্বনি তুললে পাশে দাঁড়িয়ে হাসতে দেখা যায় বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে।মেসি স্পেনীয় ভাষায় বলেন, ভারতে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনাদের ভালবাসা আমি আজীবন মনে রাখব। হায়দরাবাদের মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আমি সত্যিই আপ্লুত।ঠিক রাত ৮টা ৫০ মিনিটে দর্শকদের দিকে হাত নেড়ে মাঠ ছাড়েন ফুটবলের রাজপুত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় হায়দরাবাদের এই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তেই আক্ষেপ ধরা পড়ে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের মনে। আবেগ ছিল, ভালবাসা ছিলকিন্তু পরিকল্পনার অভাব সব কিছু মাটি করে দিল। যে শহর নিজেকে ফুটবলের রাজধানী বলে গর্ব করে, সেখানেই মেসিকে ঠিকমতো উপভোগ করা গেল না।হায়দরাবাদ দেখিয়ে দিলবড় তারকা মানেই বড় আয়োজন নয়, দরকার সঠিক পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা।আর কলকাতা? সে রইল প্রশ্নের মুখেভালবাসা থাকলেই কি যথেষ্ট?

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানেই অশান্তি! সময়ের আগেই যুবভারতী ছাড়লেন বিশ্বতারকা

ভারতীয় ফুটবলের মক্কা বলা হয় কলকাতাকে। সেই কলকাতাতেই লিয়োনেল মেসির অনুষ্ঠানে ঘটে গেল অনভিপ্রেত ঘটনা। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির উপস্থিতিকে ঘিরে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। সেই কারণেই নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যান আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা ফুটবলার।জানা গিয়েছে, মেসিকে যে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল, তা নেওয়ার আগেই তিনি যুবভারতী ছাড়েন। শুধু মেসি নন, তাঁর সঙ্গে লুই সুয়ারেজ, রড্রিগো ডিপল-সহ আর্জেন্টিনা দলের অন্যান্য তারকারাও সময়সূচির অনেক আগেই মাঠ থেকে বেরিয়ে যান। ফলে হাজার হাজার দর্শক প্রিয় তারকার এক ঝলক দর্শন থেকেও বঞ্চিত হন।মেসি মাঠ ছেড়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্যালারিতে ক্ষোভ ছড়ায়। ছেঁড়া হয় ফ্লেক্স ও ব্যানার। দর্শকাসন থেকে মাঠের দিকে ছোড়া হয় জলের বোতল। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।খবর অনুযায়ী, যুবভারতীতে মেসিকে দেখানোর জন্য তিনটি জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হয়েছিল। কিন্তু মাঠে মেসিকে ঘিরে ছিলেন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন। সাধারণ দর্শকরা, যাঁরা হাজার হাজার টাকা খরচ করে টিকিট কেটেছিলেন, তাঁরা কাছ থেকে মেসিকে দেখতে পাননি। সেই হতাশা থেকেই ক্ষোভ জমতে শুরু করে।মাঠের বাইরে দর্শকদের ক্ষোভ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এক দর্শক বলেন, আমরা কিছুই দেখতে পাইনি। প্রায় ১০ হাজার টাকার টিকিট কেটেছিলাম। শুধু মন্ত্রীরাই মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। অনেকে গ্যালারির গেট ভাঙার চেষ্টাও করেন। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে, যে মাঠে জলের বোতল নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ, সেখানে দর্শকদের হাতে বোতল এল কীভাবে।উৎসবের বদলে এ দিন যুবভারতীতে তৈরি হল হতাশা আর বিশৃঙ্খলার ছবি। কলকাতায় মেসির আগমন ঘিরে যে স্বপ্ন ছিল, তা পূরণ হল না বহু ফুটবলপ্রেমীর।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় মেসি মানেই উৎসব হওয়ার কথা ছিল, কেন রণক্ষেত্র হল যুবভারতী?

শনিবার কলকাতায় পা রাখেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিয়োনেল মেসি। শহরে আসার পর প্রথমে তিনি যান এক পাঁচ তারা হোটেলে। সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান। পরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছন মেসি। গ্যালারিতে তখন মানুষের ঢল। কেউ এসেছেন মুম্বই থেকে, কেউ আবার সুদূর আমেরিকা থেকেও। কারও চোখে জল, কারও চোখে উত্তেজনাপ্রিয় তারকাকে সামনে থেকে দেখার আবেগে ভাসছিল গোটা মাঠ।কিন্তু সেই উন্মাদনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অভিযোগ, যুবভারতীতে ঢোকার পর থেকেই মেসিকে ঘিরে ধরেন কর্তা ও মন্ত্রীরা। সাধারণ দর্শকদের কাছে পৌঁছনোর সুযোগই পাননি তিনি। মোটা টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও প্রিয় ফুটবলারকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। শুরু হয় হইচই। কেউ বোতল ছোড়েন, কেউ চেয়ার ছুড়তে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই রাত আনুমানিক ১১টা ৫২ মিনিটে মেসিকে ক্রীড়াঙ্গন থেকে বাইরে নিয়ে যান আয়োজকরা।এরপর আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে জনতা। মাঠে ঢুকে পড়েন অনেকে। যুবভারতীতে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। এই দিন ক্রীড়াঙ্গনে আসার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। মেসির সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর। কিন্তু অশান্তির খবর পেয়ে ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছনোর আগেই নিজের কনভয়ের দিক ঘুরিয়ে ফিরে যান মুখ্যমন্ত্রী।দর্শকদের অভিযোগ, মধ্যবিত্ত পরিবারের বহু ছেলে-মেয়ে কষ্টের টাকা জমিয়ে টিকিট কেটে এসেছিলেন শুধু মেসিকে এক ঝলক দেখবেন বলে। কিন্তু সেই সুযোগ তাঁরা পাননি। অনেকের অভিযোগের তির ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তের দিকেও। ক্ষুব্ধ দর্শকদের দাবি, পুরো আয়োজনেই ছিল চরম অব্যবস্থাপনা। টাকা নেওয়া হলেও দর্শকদের কথা ভাবা হয়নি।অনেকেই টিকিটের টাকা ফেরতের দাবি তুলেছেন। কেউ কেউ বলছেন, মেসি এসেও যেন এলেন না। শনিবার যুবভারতীর যে ছবি হওয়ার কথা ছিল, বাস্তবে তা একেবারেই অন্যরকম হয়ে গেল। উৎসবের বদলে তৈরি হল অশান্তি, হতাশা আর ক্ষোভ।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

মধ্যরাতে কলকাতায় পা রাখলেন মেসি, যুবভারতীতে শাহরুখ–মমতা–সৌরভের উপস্থিতিতে ফুটবল উৎসব

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী সুপারস্টার ফুটবলার লিওনেল মেসি (Lionel Messi) অবশেষে পা রাখলেন ফুটবল-পাগল শহর কলকাতায়। শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। রাত দেড়টা নাগাদ নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দের তাঁর চার্টার্ড ফ্লাইট মাটি ছোঁয়। বিমান থেকে নামার পর দমদম বিমানবন্দরের শুধুই চিৎকরা চলে মেসি মেসি। লিওনেল মেসির আগমনকে ঘিরে শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।কলকাতা থেকেই শুরু মেসির ভারত সফর-১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের চারটি শহরে হারিকেন ট্যুর করবেন লিওনেল মেসি। এই সফরের সূচনা হল কলকাতা থেকেই। কলকাতার পর তিনি হায়দরাবাদ, মুম্বই ও নয়াদিল্লি সফর করবেন। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মতে, মেসির ভারত সফরের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায় নিঃসন্দেহে কলকাতা।যুবভারতীতে ব্যস্ত সূচি, উপস্থিত থাকছেন নামী ব্যক্তিত্বরাশুক্রবার সারাদিন কলকাতায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন মেসি। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীরাত ১:৩০: কলকাতায় আগমনসকাল ৯:৩০ ১০:৩০: মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠান।সকাল ১০:৩০ ১১:১৫: লিওনেল মেসির মূর্তির ভার্চুয়াল উদ্বোধন।সকাল ১১:১৫ ১১:২৫: বিবেকানন্দ যুবভারতী স্টেডিয়ামে প্রবেশ। সকাল ১১:৩০: বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের আগমন।দুপুর ১২:০০: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি।দুপুর ১২:০০ ১২:৩০: মোহনবাগান অল স্টারস বনাম ডায়মন্ড হারবার অল স্টারস প্রীতি ম্যাচ।দুপুর ২:০০: হায়দরাবাদের উদ্দেশে রওনা।সুয়ারেজ ও ডি পলের উপস্থিতিতে বাড়তি আকর্ষণএই বিশেষ ইভেন্টে মেসির সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন তাঁর প্রাক্তন বার্সেলোনা সতীর্থ ও উরুগুয়ের তারকা স্ট্রাইকার লুই সুয়ারেজ এবং আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রড্রিগো ডি পল। তাঁদের উপস্থিতিতে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা আরও বেড়েছে।প্রধানমন্ত্রী ও সেলিব্রিটিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ-ভারত সফরকালে লিওনেল মেসি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি কলকাতায় তাঁর সঙ্গে দেখা হতে পারে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান-এর। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে।টিকিট প্রায় শেষ, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া-এই ইভেন্টের টিকিট ডিস্ট্রিক্ট বাই জ়োম্যাটো অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। কলকাতা-সহ অধিকাংশ শহরে টিকিটের ন্যূনতম মূল্য ছিল ৪,৫০০ টাকা। তবে বিপুল চাহিদার কারণে বর্তমানে প্রায় সব টিকিটই শেষের পথে।সব মিলিয়ে, লিওনেল মেসির কলকাতা সফর শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া আয়োজন নয় বরং শহরের ফুটবল ইতিহাসে আরও এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে লেখা থাকল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • ...
  • 73
  • 74
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal