• ১ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ফাইনালে কারা এগিয়ে?‌ কনওয়ের না থাকা বড় ধাক্কা নিউজিল্যান্ডের

টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। দুটি সেরা দল যে ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।এখন প্রশ্ন হল ফাইনালে এগিয়ে কোন দল? সত্যি কথা বলতে কী এই ধরণের ম্যাচে বিশেষ কোনও দলকে এগিয়ে রাখা বোকামি। একেই খেলাটার নাম ক্রিকেট। তার ওপর টি২০ ফর্ম্যাট। এই ফর্ম্যাটে ভবিষ্যতবানী করা খুবই কঠিন। টি২০ ক্রিকেটে টস জেতাটা অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। যেটা চলতি বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই দেখা গেছে। সুতরাং আমার মনে হয় না ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হতে পারে।ফাইনালে মুখোমুখি দুটি দল এর আগে কখনও টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মুখিয়ে, তেমনই নিউজিল্যান্ডও মুখিয়ে থাকবে। ২০১০ সালের টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই পরাজয়ের পর আবার টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অসিরা। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই প্রথমবার। ফলে এবারের বিশ্বকাপ উপহার দেবে নতুন চ্যাম্পিয়নকে। নিউজিল্যান্ড ২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে হেরেছিল। এইবছর আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে টানা তিনটি ফাইনাল খেলতে চলেছে। ফলে মানসিকভাবে ড়িউজিল্যান্ড কিন্তু এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে।আইসিসির প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া কিন্তু বড় শক্তি। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে ওরা অনেক এগিয়ে। এই বিশ্বকাপের প্রথম থেকে ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। সবথেকে বড় কথা দলে একাধিক ম্যাচ জেতানোর ক্রিকেটার রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি দারুণ ভয়ঙ্কর। ছন্দে থাকলে ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ জুটি যে কোনও দলের বোলিং শক্তিকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। আইপিএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়ার্নার ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। মিডল অর্ডারে রয়েছে স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটসম্যান। বড় ম্যাচের ঘোড়া। ম্যাক্সওয়েলও যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ম্যাথু ওয়েড সেমিফাইনালে দেখিয়ে দিয়েছেন কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন। বোলিং শক্তিও অসাধারণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজেলউডের মতো জোরে বোলার রয়েছে। অ্যাডাম জাম্পার মতো স্পিনার যে কোনও দলকে বেগ দিতে পারেন।নিউজিল্যান্ডে সেই অর্থে কোনও তারকা নেই। ওদের আসল শক্তি দলগত খেলা। নিউজিল্যান্ড বরাবরই দল হিসেবে খেলে। এই বিশ্বকাপেও সেই একই ধারা অব্যাহত। মার্টিন গাপটিল, ড্যারিল মিচেল ছন্দে থাকলে যে কোনও বোলারের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে পারে। কেন উইলিয়ামসন নিঃশব্দে বিপক্ষে খুন করতে পারেন। তবে ফাইনালে ডেভন কনওয়ের খেলতে না পারাটা বড় ধাক্কা। মিডল অর্ডারে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। এমনিতেই লকি ফার্গুসন আগেই ছিটকে যাওয়ায় বোলিং কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ডেভিড ওয়ার্নারদের থামানোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, জিমি নিশামদের। দল হিসেবে খেললে নিউজিল্যান্ডকে আটকানো মুশকিল হবে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচে যেমন চাপ থাকে, তেমনই অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড ম্যাচও স্নায়ুচাপের। এটাও অনেকটা ফ্যাক্টর করবে ফাইনালে।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : একদিনের ম্যাচে কবে নেতৃত্ব ছাড়ছেন বিরাট কোহলি?‌ বড় ইঙ্গিত দিলেন রবি শাস্ত্রী

আগেই ঘোষণা করেছিলেন বিশ্বকাপের পরই টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। সেই মতো রোহিত শর্মার হাতে টি২০ দলের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। একদিনের ম্যাচেও বিরাট কোহলির হাতে নেতৃত্ব থাকবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার আগেই সসম্মানে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন বিরাট কোহলি। এমনই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। পাশাপাশি টি২০ বিশ্বকাপে দেশের ব্যর্থতার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আবার কাঠগড়ায় তুলেছেন রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাদ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা থাকার ফলে ক্রিকেটাররা মানসিকভাবে ক্লান্ত ছিল। এটাই ব্যর্থতার মূল কারণ। ঠাসা ক্রীড়াসূচির কারণে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার টানা ৬ মাস বাড়ির বাইরে। এমন অনেক ক্রিকেটার রয়েছে, যারা তিন ধরণের ফরম্যাটেই নিয়মিত খেলেছে। ফলে সব মিলিয়ে বছরে ২৫ দিনের বেশি বাড়িতে কাটানোর সময় পায়নি। মানসিক ক্লান্তি নিয়ে সেরাটা দেওয়া যায় না। যেটা হয়েছিল পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচে। সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডের উচিত, ক্রিকেটারদের মানসিক ক্লান্তির কথা মাথায় রেখে ক্রীড়াসূচি তৈরি করা। বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর কপিলদেবও ঠাসা ক্রীড়াসূচি, সঠিক সূচি নির্ধারণের কথা বলেছিলেন। কপিলদেবের বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন রবি শাস্ত্রী। শুধু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা করেই থেমে থাকেননি রবি শাস্ত্রী। বিরাট কোহলির নেতৃত্ব নিয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিরাট কোহলি খুব তাড়াতাড়িই একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবে। কোহলি টেস্ট ক্রিকেটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। টেস্ট ক্রিকেটে নিজের কেরিয়ার আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। তাই টেস্ট ক্রিকেটে আরও ভালভাবে মনোনিবেশ করার জন্য একদিনের ক্রিকেটেও নেতৃত্ব ছেড়ে দেবে। তবে কবে কোহলি একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবেন, সে বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলেননি রবি শাস্ত্রী। সামনের বছর জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ খেলে নেতৃত্ব ছাড়তে পারেন কোহলি।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Test Team : সাফল্য না থাকা সত্ত্বেও ৪ বছর পর টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন এই ক্রিকেটারের !‌ উঠছে প্রশ্ন

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য বেছে নেওয়া হল ভারতীয় ক্রিকেট দল। প্রত্যাশামতোই নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অজিঙ্কা রাহানের হাতে। সহঅধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে চেতেশ্বর পুজারাকে। তবে ভারতীয় দলে সবথেকে বড় চমক জয়ন্ত যাদব। প্রায় ৪ বছর পর টেস্ট দলে ফেরানো হলে এই অফস্পিনারকে।ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন: অজিঙ্কা রাহানে (অধিনায়ক), চেতেশ্বর পুজারা (সহঅধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, শুভমান গিল, শ্রেয়স আয়ার, ঋদ্ধিমান সাহা, শিখর ভরত, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট খেললেও শুধুমাত্র প্রথম টেস্টের জন্য দল বেছে নেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, শার্দুল ঠাকুর, ঋষভ পন্থদের আগেই বিশ্রাম দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তাই তাঁদের কথা বিবেচনা করা হয়নি। পরের টেস্টেও রোহিতকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তবে বিরাট কোহলি দ্বিতীয় টেস্টে দলে ফিরবেন।এদিকে, ৪ বছর পর জয়ন্ত যাদবের আবার টেস্ট দলে ফেরাটা নিঃসন্দেহে বড় চমক। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক ঘটে জয়ন্ত যাদবের। অভিষেক ম্যাচেই তুলে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে দুই ইনিংসে করেছিলেন ৩৫ ও ২৭ রান। পরের ম্যাচেও ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। সঙ্গে ৫৫ রান। ওই সিরিজেই ৯ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। পরের বছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজেও দলে ছিলেন। একটা বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। সেই টেস্টে মাত্র দুটি উইকেট নিয়েছিলেন। কোনও রান করতে পারেননি। ব্যর্থতার জন্য তাঁকে সিরিজের বাকি টেস্টে আর ভাবা হয়নি।হঠাৎ করে কেন আস্তাকুঁড় থেকে তুলে নিয়ে আসা হল জয়ন্ত যাদবকে, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। আইপিএলে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান না। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতাতেও তেমন সাফল্য নেই। গত বচর রনজি ট্রফি হয়নি। তার আগের বছর রনজিতে হরিয়ানার হয়ে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন। তা সত্ত্বেও দলে ফেরানো হয়েছে জয়ন্ত যাদবকে। জয়ন্ত যাদবের সুযোগ পাওয়াটা যেমন বিষ্ময়ের, তেমনই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সাফল্য পাওয়া হনুমা বিহারীর সুযোগ না পাওয়াটাও অবাক করার বিষয়।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : থেমে গেল বিজয়রথ, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। সেমিফাইলানে এসে সব জারিজুরি শেষ। অসিদের কাছে থেমে গেল বিজয় রথ। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল অস্ট্রেলিয়া। ১৪ নভেম্বর ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে তোলার মূল কারিগড় মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। টস জিতলে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানোর ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি টি২০ বিশ্বকাপে। একদিকে যেমন টার্গেট দেখে ব্যাট করার সুবিধা পাওয়া যায়, তেমনই শিশিরের জন্য সমস্যায় পড়তে হয় না। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ টস জিতে শিশিরের কথা মাথায় রেখে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন। গ্রুপ লিগের মতোই সেমিফাইনালে ধারাবাহিতা দুই পাক ওপেনারের। দারুণ শুরু করেছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭১। দশম ওভারের শেষ বলে জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জাম্পা। জাম্পাকে ৬ মারতে গিয়ে লং অনে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ধরা পড়েন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ৩৪ বলে তিনি করেন ৩৯। বাবর আজম ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান মহম্মদ রিজওয়ান ও ফখর জামান। শুরুর দিকে কিছুটা মন্থর ব্যাটিং করলেও পরের দিকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুই পাক ব্যাটসম্যান। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান। তিনি মারেন ৩টি ৪ এবং ৪টি ৬। রিজওয়ান যখন আউট হন পাকিস্তান ১৭.২ ওভারে ১৪৩। পরের ওভারেই ১ বল খেলে কোনও রান না করে আউট হন আসিফ আলি। তাঁকে তুলে নেন প্যাট কামিন্স। শেষ দিকে ঝড় তুলেছিলেন ফখর জামান। শোয়েব মালিক (২ বলে ১) ব্যর্থ হলেও দলকে দারুণ জায়গায় পৌঁছে দেন ফখর। ৩২ বলে ৫৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ফখর জামানের ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ২০ ওভারে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত তোলে ৪ উইকেটে ১৭৬। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ভাল বল করেন অ্যাডাম জাম্পা। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দেন তিনি। তুলে নেন ১ উইকেট। মিচেল স্টার্ক ৪ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ফিরে যান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। মাত্র ১ বল খেলে তিনি কোনও রান না করেই শাহিন আফ্রিদির বলে এলবিডব্লু হন। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে যান পাকিস্তান বোলাররা। জুটিতে ওঠে ৫১। শাদাব খানের বলে আফি আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ (২২ বলে ২৮)। স্টিভ স্মিথ (৬ বলে ৫) ব্যর্থ। তিনিও শাদাব খানের শিকার। ডেভিড ওয়ার্নার (৩০ বলে ৪৯) জ্বলে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। তঁকে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন শাদাব। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (১০ বলে ৭) ফিরিয়ে অসিদের আরও চাপে ফেলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১২.২ ওভারে ৯৬/৫। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। শাহিন আফ্রিদির ১৯ তম ওভারই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। শেষ ১২ বলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২২ রান। শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে কোনও রান হয়নি। দ্বিতীয় বলে ১ রান লেগ বাই থেকে আসে। তৃতীয় বলে ম্যাথু ওয়েডের ক্যাচ ফেলে দেন হাসান আলি। পরের ৩ বলে তিনটি ছক্কা মেরে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ম্যাথু ওয়েড। ১৭ বলে ৪১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মার্কাস স্টয়নিস ৩১ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৯ ওভারে ১৭৭/৫ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানের হয়ে শাদাব খান ২৬ রানে ৪টি, শাহিন আফ্রিদি ৩৫ রানে ১ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : রাহুল দ্রাবিড়ের সাহায্যকারী বেছে নিল বোর্ড, কারা পেলেন দায়িত্ব?‌

কিছুদিন আগেই ভারতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রাহুল দ্রাবিড়কে। এবার বিরাট কোহলিদের ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং কোচও বেছে নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ব্যাটিং কোচ হিসেবে রেখে দেওয়া হল বিক্রম রাঠোরকে। বোলিং কোচ ভরত অরুণের জায়গায় এলেন বিক্রম রাঠোর এবং ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরের স্থলাভিষিক্ত হলেন টি দিলীপ। এই তিনজনই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কাজ করবেন। চলতি টি২০ বিশ্বকাপের পরপপরই শেষ ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান সপোর্ট স্টাফদের কার্যকালের মেয়াদ। হেড কোচসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগের জন্য মাসখানেক আগে আবেদনপত্র আহ্বান করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। হেড কোচ পদের জন্য রাহুল দ্রাবিড়কে আগেই বেছে নিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পরামর্শদাতা কমিটি। বৃহস্পতিবার ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং কোচের জন্য ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে বিক্রম রাঠোর, পরশ মামরে এবং টি দিলীপকে বেছে নেওয়া হয়েছে। রবি শাস্ত্রীর সঙ্গেই ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন বিক্রম রাঠোর। তাঁর কাজে যথেষ্ট খুশি ছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। ক্রিকেটাররাও বিক্রম রাঠোরকে নিয়ে সন্তুষ্ট। তাই তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। রাহুল দ্রাবিড় চেয়েছিলেন বোলিং কোচ হিসেবে পরশ মামরেকে। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তিনি পরশ মামরের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। মামরেও আবেদন করেছিলেন বোলিং কোচ হওয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত তাঁকেই বোলিং কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছে ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটি। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে বিরাট কোহলিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছিলেন আর শ্রীধর। তাঁর জমানায় ভারতীয় দলের ফিল্ডিংয়ে খুব একটা উন্নতি হয়নি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারাও শ্রীধরের ওপর তেমন খুশি ছিলেন না। টি দিলীপ আগেও রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কাজ করেছেন। জুলাইয়ে ভারতীয় দলের শ্রীলঙ্কা সফরে তিনি ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন। আর শ্রী ধরের মতো তিনিও হায়দরাবাদের। প্রত্যেকেই জয়পুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচের আগে হাজির হবেন।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : কোহলির পরিবর্তে টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিতে চলেছেন এই তারকা

গতবছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর হাত ধরেই সিরিজে জয় এসেছিল। আবার সেই অজিঙ্কা রাহানের হাতেই উঠতে চলেছে ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে কানপুরে প্রথম টেস্টে রাহানেকে অধিনায়ক করার কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে স্থায়ীভাবে তাঁর হাতে নেতৃত্ব উঠছে না। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের বিশ্রামের জন্য তাঁকে ক্যাপ্টেন করা হচ্ছে।একটানা ক্রিকেট খেলে শারীরিকভাবে ক্লান্ত বিরাট কোহলি। দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মানসিকভাবেও ক্লান্ত। তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। কানপুরে প্রথম টেস্টেও খেলবেন না। এই ব্যাপারে তিনি নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছেন। কোহলি আগেই ঘোষণা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের পর তিনি আর এই ফরম্যাটে দলকে নেতৃত্ব দেবেন না। সেইমতো রোহিত শর্মাকে টি২০ ক্রিকেটের জন্য অধিনায়ক করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে রোহিত শর্মাকেও বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য বারবার উঠে এসেছে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার ক্লান্তির কথা। দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মানসিকভাবে ক্লান্ত ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও ক্রিকেটারদের ক্লান্তির দিকটা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাইছে। তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের কথা মাথায় রেখে টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাদের। কয়েকদিন আগেই টি২০ সিরিজের দল নির্বাচন করা হয়েছে। টি২০ দলে অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে। সামি, বুমরাদের পাশাপাশি শার্দূল ঠাকুর, ঋষভ পন্থদেরও টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। টেস্ট সিরিজেও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কোহলিকে আগেই বিশ্রামের সিদ্ধান্ত হওয়ায় অজিঙ্কা রাহানে প্রথম টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেবেন। রোহিত শর্মাকেও প্রথম টেস্টে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। প্রথমে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পরিকল্পনা করেছিল টি২০ সিরিজ খেলার পর রোহিত শর্মাকে পুরো টেস্ট সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কিন্তু পরে পরিকল্পনা বদলেছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে খারাপ ফল হলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট কমে যাবে। তাই রোহিতকে একটা টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কানপুরে প্রথম টেস্টে না খেললেও ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে দ্বিতীয় টেস্টে আবার রোহিতকে দেখা যাবে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : মধুর প্রতিশোধ নিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ। আবু ধাবিতে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ ওভার বাকি থাকতে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। কিউয়িদের স্মরণীয় জয় এনে দেন ড্যারিল মিচেল। তিনিই ম্যাচের সেরা।টস জিতে এদিন ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। চোটের জন্য জেসন রয় খেলতে না পারায় সেমিফাইনালে জস বাটলারের সঙ্গে ইংল্যান্ডের হয়ে ওপেন করতে নামেন জনি বেয়ারস্টো। ১৭ বলে ১৩ রান করে দলের ৩৭ রানের মাথায় আউট হন তিনি। অ্যাডাম মিলনের বলে বেয়ারস্টোর ক্যাচ অসামান্য দক্ষতায় তালুবন্দি করেন কিউয়ি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ইংল্যান্ডের রান ছিল ১ উইকেটে ৪০। ৭.৩ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয়। দলের ৫৩ রানের মাথায় আউট হন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জস বাটলার। ২৪ বলে ২৯ রান করে তিনি ইশ সোধির বলে এলবিডব্লু হন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬৩ রান যোগ করেন ডেভিড মালান ও মইন আলি। চারটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ৩০ বলে ৪১ রান করে আউট হন মালান।মালান ফিরে গেলেও লিভিংস্টোনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মইন আলি। ১৮ তম ওভারে অ্যাডাম মিলনের বলে ১৬ রান তোলেন মইন ও লিভিংস্টোন। ১৯.২ ওভারে জিমি নিশামের বলে মিচেল স্যান্টনারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লিভিংস্টোন। ১০ বলে তিনি করেন ১৭। টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম অর্ধশতরান করে ৩৭ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন মইন আলি। তিনি মারেন ৩টি ৪ ও ২টি ৬। অধিনায়ক মর্গ্যান ২ বলে ৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তোলে ইংল্যান্ড। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ১ উইকেট পান। ট্রেন্ট বোল্ট ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। অ্যাডাম মিলনে, ইশ সোধি ও জিমি নিশাম ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই আউট হন মার্টিন গাপটিল (৪)। তাঁকে তুলে নেন ক্রিস ওকস। কেন উইলিয়ামসনও (৫) দ্রুত ফেরেন। তিনিও ওকসের শিকার। ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পরে নিউজিল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান ড্যারেল মিচেল ও ডেভন কনওয়ে। জুটিতে ওঠে ৯২ রান। ৩৮ বলে ৪৬ রান করে আউট হন কনওয়ে। তাঁকে ফেরান লিয়াম লিভিংস্টোন। জিমি নিশাম ১১ বলে ১৭ রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাট করেন মিচেল। ৪৭ বলে ৭২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয় এনে দেন। ১৯ ওভারে ১৬৭/৫ তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Venkatesh Iyar : জাতীয় দলে এত তাড়াতাড়ি সুযোগ পাওয়ার কথা ভাবেননি বেঙ্কটেশ?‌

এবছর আইপিএলের প্রথম পর্বে সুযোগ পাননি। দ্বিতীয় পর্বে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে সকলের নজর কেড়েছিলেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আইপিএলের ফাইনালে তোলার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছিলেন বেঙ্কটেশ আয়ার। আইপিএলে ভাল খেলার পুরস্কার পেয়েছেন মধ্যপ্রদেশের এই অলরাউন্ডার। আসন্ন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন বেঙ্কটেশ। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আবেগে ভাসছেন তিনি।কেরলের বিরুদ্ধে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় মধ্যপ্রদেশের ম্যাচ ছিল। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ খেলে হোটেলে ফিরেছেন। কেরলের কাছে হারের হতাশা ছিল। সেই সময়ই বেঙ্কটেশের হোটেলের ঘরের দরজায় সামনে এসে হাজির হন মধ্যপ্রদেশ দলের তাঁরই সতীর্থ আবেশ খান। এরপর তিনি দরজায় হালকা ধাক্কা দেন। বেঙ্কটেশ দরজা খুলে দেখেন আবেশ খান দাঁড়িয়ে। এরপর বেঙ্কটেশকে জড়িয়ে ধরে অভিনন্দন জানান আবেশ। বেঙ্কটেশ বুঝতে পারছিলেন না, কেন তাঁকে আবেশ অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এরপর ঘরের ভেতর ঢুকতে ঢুকতে জাতীয় দলে বেঙ্কটেশকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার কথা বলেন আবেশ। তখন বেঙ্কটেশ আবেগে জড়িয়ে ধরেন আবেশকে। স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আবেগে ভাসছেন বেঙ্কটেশ আয়ার। রীতিমতো তিনি আপ্লুত। বেঙ্কটেশ বলেন, আমি দারুণ খুশি। এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে স্বপ্ন দেখছিলাম জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেওয়ার। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চেলেছে। জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম। এত তাড়াতাড়ি সুযোগ পাব স্বপ্নেও ভাবিনি। জাতীয় দলের নির্বাচকদের, আমার দলের সতীর্থদের, কোচকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সকল ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানো। আমার সেই স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হল। এই আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করার ভাষা আমার নেই।টি২০ বিশ্বকাপে চূড়ান্ত ব্যর্থ হার্দিক পান্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে হার্দিক পান্ডিয়ার বিকল্প হিসেবে বেঙ্কটেশ আয়ারকে দলে নিয়েছেন নির্বাচকরা। প্রত্যাশাপূরণ করার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। বলেন, আশা করছি আমি নির্বাচকদের আস্থার মর্যাদা দিতে পারব। যে কোনও জায়গায় খেলার জন্য আমি তৈরি। দেশের হয়ে পারফর্ম করার দিকে মুখিয়ে রয়েছি। সবসময় আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যাট করতে নামি। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ২৭ নভেম্বরের ডার্বি নিয়ে কী ভাবছেন এটিকে মোহনবাগানের কোচ হাবাস?

আইএসএলের প্রস্তুতি যখন জোর কদমে শুরু করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, কিছুটা হলেও পিছিয়ে এটিকে মোহনবাগান। কারণ অন্যকিছু নয়। প্রস্তুতি ম্যাচের অভাব। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ১৯ নভেম্বর আইএসএল অভিযানে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ভাবছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীও লোপেজ হাবাস। তাঁর কাছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা বিশেষ জরুরি নয়।সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এটিকে মোহনবাগান কোচ বলেন, আমার কাছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। গত মরশুমে আইএসএল অভিযানে নামার আগে আমরা কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলিনি। কারণ, যাদের বিপক্ষকে প্রস্তুতি ম্যআচ খেলব, তারা কেউই সেরা দল নামায় না। মাঠে নেমে সেরা খেলাও উপহার দেয় না। তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক খেলা হয় না। তাছাড়া ম্যাচ খেলার মতো সেরা পরিবেশও পাওয়া যায় না। ফলে এইরকম প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে দলের কোনও লাভ হয় না। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার তুলনায় ভালভাবে অনুশীলন করে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়িয়ে তোলাটাই সবথেকে ভাল দিক। গত বছরের মতো এবছরও সেই পথেই এগোচ্ছি।১৯ নভেম্বর কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচই ডার্বি। ২৭ নভেম্বর এটিকে মোহনবাগান খেলতে নামবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। গত বছর আইএসএলে দুটি ডার্বিতেই জিতেছিল হাবাসের এটিকে মোহনবাগান। তবে এখনই ডার্বি নিয়ে ভাবছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ। তাঁর মাথায় এখন শুধুই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ। তিনি বলেন, ডার্বি ম্যাচের এখনও ১৫ দিন বাকি। এত আগে থাকতে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ভাবতে চাই না। তাছাড়া আমি কখনওই বিপক্ষ শিবিরকে নিয়ে বেশি ভাবি না। নিজের দলের পারফরমেন্সের ওপর বেশি গুরুত্ব দিই। তাঁর দল প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াই এবারের আইএসএলে মাঠে নামবে। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযানে নামার আগে বেশ কয়েকটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে মাঠে নামায় মানেলো দিয়াজের দল বাড়তি সুবিধা পাবে কিনা সে প্রসঙ্গে হাবাস বলেন, সময় মতো এর উত্তর পাওয়া যাবে।গত মরশুমে ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। নতুন মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আক্ষেপ মেটাতে চান আন্তোনীও লোপেজ হাবাস। এই মরশুমের প্রত্যাশা সম্পর্কে তিনি বলেন,নতুন মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামব। লক্ষ্য থাকবে সব ম্যাচে জয়ের জন্য ঝাঁপানো। আমি কখনও ফুটবলারদের ড্রয়ের কথা বলি না।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Chris Gayle : আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েও ফের মাঠে নামছেন ক্রিস গেল

আইপিএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ। টি২০ বিশ্বকাপেও সেই ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত। তবুও ক্রিস গেলের জনপ্রিয়তা যেন কিছুতেই কমছে না। বিশ্ব ক্রিকেটের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে এখনও তাঁর চাহিদা যথেষ্টই। টি২০ বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচের পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অবশ্য খেলা চালিয়ে যাবেন। এবার শ্রীলঙ্কার প্রিমিয়ার লিগে খেলতে দেখা যাবে ক্রিস্টোফার হেনরি গেলকে।বুধবারই লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ক্রিকেটারদের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলম্বো স্টারস তুলে নিয়েছে বিশ্বের এই সর্বাধিক জনপ্রিয় ক্রিকেটারকে। ক্রিস গেল ছাড়াও কলম্বো স্টারস দলে নিয়েছে মহম্মদ ইরফান, তাস্কিন আমেদ, আহমেদ শেহজাদকে। আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে নজর কাড়া ফাফ ডুপ্লেসিকেও খেলতে দেখা যাবে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে। দক্ষিণ আফ্রিকার এই ক্রিকেটারকে ছাড়াও জাফনা কিংস নিলামে তুলে নিয়েছে পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার ওয়াহাব রিয়াজকে। আফগান ক্রিকেটার উসমান সিনওয়ারি, রহমতুল্লা গুরবাজকেও খেলতে দেখা যাবে জাফনা কিংসের হয়। তবে জাফনা কিংসের সবচেয়ে বড় চমক পাকিস্তানেক অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক।রভম্যান পাওয়েল, বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার হয়ে নজর কাড়া চরিথ আসালঙ্কাকেও খেলতে দেখা যাবে ক্যান্ডি ওয়ারিয়র্সে। প্রোটিয়া স্পিনার ইমরান তাহির, দাসুন শনাকা, রিলে রসোর মতো ক্রিকেটারকে খেলতে দেখা যাবে ডাম্বুলা জায়ান্টসের হয়ে। অন্যদিকে গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে খেলতে দেখা যাবে মহম্মদ হাফিজ, তাবরেজ সামসি, মহম্মদ আমির, সরফরাজ আমেদের মতো ক্রিকেটারদের।এবছর লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে শ্রীলঙ্কার একঝাঁক তারকা ক্রিকেটারকে খেলতে দেখা যাবে না। নির্বাসনের কারণে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, কুশল পেরেরা, আকিলা ধনঞ্জয়, দীনেশ চন্ডীমাল, ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে নিলামে তোলা হয়নি। ৫ ডিসেম্বর থেকে পাঁচটি দলকে নিয়ে শুরু হবে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ। চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। গতবছর যে দলগুলি লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে অংশ নিয়েছিল তার মধ্যে তিনটি দলের এবার মালিকানা বদল হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন জাফনা স্ট্যালিয়নস। এবছর তারা খেলবে জাফনা কিংস নামে।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Syed Mustak Ali T20 : পাড়িক্কল, মায়াঙ্কদের উড়িয়ে সৈয়দ মুস্তাক আলির কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল বাংলা। মঙ্গলবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী কর্ণাটককে উড়িয়ে দিল ৭ উইকেটে। কর্ণাটকের বিরুদ্ধে এদিন দুর্দান্ত বোলিং করেন বাংলার বোলাররা। মুকেশ কুমারদের দাপটে কর্ণাটকের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি। বাংলাকর্ণাটক ম্যাচের আগে বরোদার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল মুম্বই। বরোদাকে মুম্বই হারানোয় বাংলাকে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে জিততেই হত। জ্বলে উঠলেন বাংলার বোলাররা। কর্ণাটক দল রীতিমতো তারকাখচিত। অনেকেই আইপিএলে রীতিমতো দাপিয়ে বেরিয়েছেন। কে নেই দলে? দেবদত্ত পাড়িক্কল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, মণীশ পাণ্ডে, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, কৃষ্ণাপ্পা গৌতম, জগদেশা সুচিথ, কেসি কারিয়াপ্পা, করুণ নায়ার। কর্ণাটকের যা শক্তি, বাংলার উড়ে যাওয়ার কথা। নাম দিয়ে যে ক্রিকেট হয় না, দেখিয়ে দিলেন বাংলার ক্রিকেটাররা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্ণাটক। এদিন ম্যাচের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (৪) তুলে নিয়ে কর্ণাটককে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন মুকেশ কুমার। ওই ওভারের শেষ বলে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (০)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মণীশ পাণ্ডে এবং করুণ নায়ার। ২৭ বলে ৩২ রান করে শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন মণীশ পাণ্ডে। করুণ নায়ার ৪৪ বলে ৪৪ রান করেন। তাঁকে ফেরান প্রদীপ্ত প্রামানিক (২/৩৩)। মণীশ পাণ্ডে ও করুণ নায়ারকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হওয়ার সুযোগ দেননি শাহবাজ আমেদ (১/১৫), আকাশ দীপরা (১/১৯)। ২০ ওভারে ১৩৪/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি কর্ণাটক। মুকেশ কুমার ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে বাংলার শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ তুলে নেন সুদীপ চ্যাটার্জিকে (৪)। তিন নম্বরে নেমে ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি ৯ বলে ১৮ রান করে আউট হন। এরপর অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও ঋদ্ধিমান সাহা বাংলাকে টেনে নিয়ে যান। ২৩ বলে ২৭ রান করে আউট হন ঋদ্ধিমান। বাংলাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অভিমন্যু ও কাইফ আমেদ। অভিমন্যু ৪৯ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। কাইফ আমেদ ২৪ বলে করেন অপরাজিত ৩৪। ২ ওভার বাকি থাকতেই ৩ উইকেটে ১৩৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। ৫ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট বাংলার। অন্যদিকে কর্ণাটকেরও পয়েন্ট ১৬। নেট রান রেটে কর্ণাটককে (০.৩৭৯) পেছনে ফেলে গ্রুপ শীর্ষে থাকে বাংলা (০.৯৯৫)। গ্রুপ শীর্ষে থাকায় সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পান সুদীপরা। আর কর্ণাটককে খেলতে হবে প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup: হেড স্যার হিসেবে শেষ দিনে শাস্ত্রী ব্যর্থতার জন্য কেন দুষলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে?‌

অবশেষে দীর্ঘ পথের যাত্রার সমাপ্তি। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যে গায়ে সেঁটে যাব প্রাক্তনের ট্যাগ। ভারতীয় দলের হেড স্যার হিসেবে সোমবারই শেষদিন রবি শাস্ত্রীর। দুদফার কার্যকালে দেশকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। সে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেই বলুন, কিংবা টি২০ ক্রিকেটে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও ব্যর্থতা। মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনে আবেগপ্রবণ রবি শাস্ত্রী। ভারতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে সোমবার টি২০ বিশ্বকাপে নামিবিয়া ম্যাচই ছিল শেষ ম্যাচ। খেলা শুরুর আগে রবি শাস্ত্রী বলেন, ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে আমার কাছে এই যাত্রাটা অসাধারণ। যখন ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, আমি নিজেকে মনে মনে বলেছিলাম, পার্থক্য করতে চাই। আমার মনে হয় কাজটি আমি করতে সক্ষম হয়েছি। জীবনে কখনও কখনও সবকিছু অর্জন করা সম্ভব হয়না। তা সত্ত্বেও এই ছেলেরা গত ৫ বছরে যা অর্জন করেছে, যেভাবে বিশ্বজুড়ে খেলে বেড়িয়েছে, এবং সব ধরণের ফর্ম্যাটে যেভাবে পারফর্ম করেছে, তাতে বিশ্বে দুর্দান্ত দল হিসেবে নিজেদের প্রতিপন্ন করেছে। এ বিষয়ে আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই। তবে এটা দুর্ভাগ্যজনক যে, আমরা এই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছি। এই ব্যর্থতা দুর্দান্ত ভারতীয় দলের কাছ থেকে কিছু নিয়ে যায়নি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যর্থতা সঙ্গী হলেও টেস্ট ক্রিকেটে নিজের দলকে এগিয়ে রেখেছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লাল বলের ক্রিকেটে সিরিজ জিতে আমরা এগিয়ে আছি। এই এগিয়ে থাকাটা আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারব। কারণ ওদের বিরুদ্ধে আবার পরের বছর সিরিজ খেলব। সাদা বলের ক্রিকেটে প্রতিটি দলকে তাদের ঘরের মাঠে পরাজিত করেছি, যা আমার প্রচেষ্টা এবং দলের প্রচেষ্টা ছিল।এই দলটা দেখিয়েছে যে তাদের আরও অনেক দক্ষতা রয়েছে। ২০১৭ সালে পাকিস্তানের কাছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত পরাজিত হওয়ার পর হেড কোচ নিযুক্ত হন রবি শাস্ত্রী। বিদেশের মাটিতে সাফল্য থেকে এক নম্বর টেস্ট দল হওয়ার লক্ষ্যপূরণ হলেও কোহলিশাস্ত্রী জুটি ভারতকে কোনও আইসিসি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেনি।রবি শাস্ত্রীর উত্তরাধিকারী হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। উত্তরসূরীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতীয় দল একজন ভাল কোচ পাচ্ছে। দ্রাবিড়কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমি মনে করি অভিজ্ঞতা দিয়ে দ্রাবিড় সময়মতো সেরাটা বার করে নিয়ে আসবে। এই দলে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়েচে যারা আরও ৩৪ বছর খেলবে। ভারতের এই দলটা রূপান্তরিত দল নয়। এটাই বড় পার্থক্য তৈরি করবে। কোহলিই এখনও দলে রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে দারুণ কাজ করেছে। গত ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে সবথেকে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। যেভাবে দলকে খেলাতে চায় এবং গোটা দল যেভাবে তাকে আঁকড়ে ধরেছে, দল সম্পর্কে যেভাবে চিন্তা করে, তার জন্য অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতা প্রসঙ্গে শাস্ত্রী বলেন, আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আর সেটা আমার বয়সের কারণে। দীর্ঘ ৬ মাস বায়ো বাবলে থেকে এই দলের ক্রিকেটাররাও শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আইপিএল এবং বিশ্বকাপের মধ্যে একটা বড় ব্যবধান থাকলে ভাল হত। যখন কোনও বড় প্রতিযোগিতা আসে, চাপ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের দরকার হয়। তবে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না। আমরা হারকে মেনে নিতে পারি, কারণ হারতে ভয় পাই না। আমরা জেতার চেষ্টা করেও পারিনি, কারণ এক্সফ্যাক্টর অনুপস্থিত ছিল। তবে এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌কোহলি–শাস্ত্রী জুটির পরিসমাপ্তি, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পরিসংখ্যান

টি২০ ক্রিকেটে ভারতীয় দলের আর্ম ব্যান্ড হাতে আর মাঠে নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন হিসেবে কোহলির ছিল শেষ ম্যাচ। কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীরও এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। শাস্ত্রীকোহলি জুটির সেরা সাফল্য ইংল্যান্ডের মাটিতে ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়। তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাটেতে দুদুবার টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে ভারত। তবে আসল জায়গায় ব্যর্থ। আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেনি এই জুটি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীর পরিসংখ্যান। ২০১৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে টি২০ ক্রিকেটে দেশের দায়িত্ব তুলে নেন বিরাট কোহলি। তারপর থেকে তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫০টি টি২০ ম্যাচে। সোমবার বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধেই কোহলির ছিল অধিনায়ক হিসেবে ৫০ তম ম্যাচ। ৫০ তম ম্যাচে দলকে জয় এনে দিলেও বিশ্বকাপে ব্যর্থতার তকমা গায়ে সেঁটেই নেতৃত্ব থেকে সরে যেতে হল কোহলিকে। দেশকে ৫০টি টি২০ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৩০টিতে জয় এনে দিয়েছেন কোহলি। হেরেছেন ১৬টিতে। ২টি ম্যাচ টাই হয়েছে। আর ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। কোহলির পূর্বসূরী মহেন্দ্র সিং ধোনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৭২ ম্যাচে। জিতেছিলেন ৪১টি ম্যাচ। ২৮টি ম্যাচে হারতে হয়েছিল। ১ট ম্যাচ টাই, ২টি ম্যাচে কোনও ফলাফল হয়নি। অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ৫০টি টি২০ ম্যাচে রান করেছেন ১৫৭০। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অধিনায়ক হিসেবে জীবনের শেষ টি২০ ম্যাচে ব্যাট হাতে মাঠে নামেননি কোহলি। টি২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী অধিনায়কদের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন তিনি। তবে অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম ১ হাজার টি২০ রানের মালিক বিরাট কোহলি। মাত্র ৩০টি ইনিংসে তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে সর্বাধিক হাফ সেঞ্চুরির মালিক ছিলেন কোহলি। এই বিশ্বকাপে তাঁকে টপকে গেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ও নিউজিল্যানন্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাকিস্তান, বাংলাদেশ বাদে সব টেস্ট খেলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ জেতারও নজির রয়েছে বিরাট কোহলির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর জুটি হিসেবে দেখা যাবে না অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীকে। কোচ হিসেবে শাস্ত্রীর জমানায় ভারত ৪৩টি টেস্ট খেলেছে। জিতেছে ২৫টি এবং হেরেছে ১৩টিতে। একদিনের ক্রিকেটে ৭৬টি ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ৫১টিতে, হেরেছে ২২টি। টি২০ ক্রিকেটে ৬৪টি ম্যাচে ভারতকে কোচিং করিয়েছেন শাস্ত্রী। জয় এসেছে ৪২টিতে এবং হার ১৮টিতে।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : লেহেঙ্গা–চোলিতে ধামাল নাচে নেটিজেনদের হৃদয় কাঁপালেন এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা

কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দারুণ ভাইরাল হয়েছিল। হলুদ সুইমিং স্যুটে সমুদ্র সৈকতে দেখা গিয়েছিল পিভি সিন্ধুকে। সুইমিং স্যুটে ভারতীয় এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকাকে অপূর্ব লাগছিল। এবার নতুন ভুমিকায় সকলকে মুগ্ধ করলেন পিভি সিন্ধু। লেহেঙ্গাচোলিতে ধামাল নাচে করলেন দেওয়ালির সেলিব্রেশন। তাঁর সেই ভিডিও দারুণ ভাইরাল হয়েছে। হৃদয় জয় করে নিয়েছে নেটিজেনদের।ওই ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দিওয়ালি সেলিব্রেশনে মেতে উঠলেন পিভি সিন্ধু। দিওয়ালি সেলিব্রেশনে অন্য চেহারায় ধরা দিয়েছেন। এইরকম ভুমিকায় আগে কখনও দেখা যায়নি ভারতীয় এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকাকে। দিওয়ালির সেলিব্রেশনে পিভি সিন্ধু এদিন পরেছিলেন ঐতিহ্যবাহী লেহেঙ্গাচোলি৷ গহনাতে সেজে উঠেছিলেন। শুধু সাজগোজ করেই থেমে থাকেননি সিন্ধু, Love Nwantiti গানে রীতিমতো নেচে দেখান। গানটি এই মুহূর্তে দারুণ জনপ্রিয়। সেই নাচের ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন পিভি সিন্ধু। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা তাঁর সেই নাচের ভিডিও শেয়ার করেছেন দিওয়ালি সিরিজে৷ পিভি সিন্ধুর অন্যান্য জনপ্রিয় ছবির পাশাপাশি এই নাচের ভিডিও ১২ লক্ষ ভিউ হয়ে গেছে।Love Nwantiti গানটি সারা পৃথিবী জুড়েই দারুণ জনপ্রিয়৷ পিভি সিন্ধুও সেই চ্যালেঞ্জেই যোগদান করলেন৷ তিনি ভারতের কয়েকজন সেলিব্রিটিদের মধ্যে একজন যাঁরা Love Nwantiti উন্মাদনায় যোগ দিয়েছেন। নাইজেরিয়ান গায়ক সিকেয়ের গানটি বর্তমানে ইউ টিউবের গ্লোবাল চার্টে এক নম্বর গান। এটি ইউটিউবে ১.১ কোটিরও বেশি ভিউ রয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ ইনস্টাগ্রাম রিল এবং টিকটক ভিডিওগুলিতে ব্যবহৃত হয়েছে।এবছর টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন পিভি সিন্ধু। আগের অলিম্পিকেও দেশকে ব্রোঞ্জ এনে দিয়েছিলেন। তাঁর এই কৃতিত্বের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবছর পিভি সিন্ধুকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেছে। এটি দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান। এর আগে ২০১৫ সালে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন দেশের সেরা এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা। ২০১৬ সালে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার পান। ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সোমবারই রাষ্ট্রপতি ভবনে পিভি সিন্ধুর হাতে পদ্মভূষণ পুরস্কার তুলে দেন।পুরস্কার নেওয়ার পর পিভি সিন্ধু বলেন, এই মুহূর্তটা আমার কাছে খুবই গর্বের। আমি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ৷ এই ধরণের সম্মান দারুণ উৎসাহ জোগায়৷ সামনে আরও ভাল পারফরমেন্স করাতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সিন্ধু আরও বলেন, আমি নিশ্চিতভাবে আরও বেশি পরিশ্রম করব। সামনে বেশ কয়েকটা প্রতিযোগিতা রয়েছে। আশা করছি সেগুলোতে ভাল পারপরমেন্স করব।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌নিময়রক্ষার ম্যাচে নামিবিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ ভারতের

রবিবারই নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান ম্যাচের পরেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের ভাগ্য। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে সোমবারের ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। সেই নিয়মরক্ষার ম্যাচে নামিবিয়াকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে এবারের টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করল ভারত। ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মাই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিলেন। তবে বোলাররাও এদিন দারুণ বোলিং করেন। টস জিতে এদিন নামিবিয়াকে ব্যাট করতে পাঠান ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩২ রানের বেশি তুলতে পারেনি নামিবিয়া। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে নামিবিয়া তোলে ৩৪/২। ৪.৪ ওভারে ৩৩ রানের মাথায় মাইকেল ভ্যান লিঞ্জেনকে তুলে নেন মহম্মদ সামি। ৫.৩ ওভারে রবীন্দ্র জাদেজা আউট করেন ক্রেগ উইলিয়ামসকে (০)। ৯.১ ওভারে ৪৭ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেট হারায় নামিবিয়া। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় বড় রান তুলতে পারেনি। ২৫ বলে সর্বাধিক ২৬ রান করেন ডেভিড উইসে। স্টিফেন বার্ড করেন ২১। অধিনায়ক এরাসমাস আউট হন ১২ রানে। জান ফ্রাইলিঙ্ক ১৫ বলে ১৫ ও রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ৬ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। রবীন্দ্র জাদেজা ১৬ রানে ৩টি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২০ রানে ৩টি, যশপ্রীত বুমরা ৪ ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট পান।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮৬। ৯.৫ ওভারের মাথায় জ্যাঁ ফ্রাইলিঙ্কের বলে আউট হন রোহিত শর্মা। ৭টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৩৭ বলে ৫৬ রান করে আউট হন রোহিত। চলতি বিশ্বকাপে এটি তাঁর দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি। এদিন বিশ্বের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে টি ২০ আন্তর্জাতিকে ৩ হাজার রানের মাইলস্টোন পেরোলেন রোহিত শর্মা। প্রথম এই কীর্তি গড়েছিলেন বিরাট কোহলি। চলতি বিশ্বকাপে মার্টিন গাপটিল ও রোহিত শর্মা টি ২০ আন্তর্জাতিকে তিন হাজার রান পূর্ণ করলেন। চলতি বিশ্বকাপে তৃতীয় তথা কেরিয়ারের ১৫তম টি ২০ অর্ধশতরান পূর্ণ করে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিলেন লোকেশ রাহুল। টি ২০ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সবচেয়ে বেশি রানও করলেন রাহুল। তবে নিজে না নেমে বিরাট কোহলি তিনে কেন সূর্যকুমার যাদবকে নামালেন তা নিয়ে চলছে চর্চা। লোকেশ রাহুল চারটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৯ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন সূর্যকুমার যাদব। ২৮ বল বাকি থাকতে ১ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। ম্যাচের সেরা রবীন্দ্র জাদেজা।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌‌পরের বছর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের জন্য কী পরামর্শ দিলেন ভিভিএস লক্ষ্মণ?‌

এবছর টি২০ বিশ্বকাপে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভারতকে যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম দুটি ম্যাচে। পাকিস্তান ম্যাচে তো একটা উইকেটও তুলতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। নিউজিল্যান্ড ম্যাচে মাত্র ২টি উইকেট তুলে নিতে সক্ষম হয়েছিল। যদি দলে ষষ্ঠ বোলার থাকত, হয়তো তাঁর হাত ধরেই ব্রেক থ্রু আসতে পারত। পরের বছর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে যাতে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভারতকে ভুগতে না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্ণণ। পাশাপাশি ষষ্ঠ বোলারের অভাব কীভাবে মেটানো যায়, সে পরামর্শও দিয়েছেন ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিভিএস লক্ষ্মণ বলেছেন, ২০২২ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে সাফল্য পেতে গেলে এমন কয়েকজন ব্যাটারকে দলে নিতে হবে, যারা বল করতে পারে। পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচে ভারতকে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভুগতে হয়েছে। হার্দিক পান্ডিয়ার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম বোলার হাতে থাকলে অধিনায়কের ওপর চাপ অনেক কমে যায়। দলে এমন ব্যাটার নিতে হবে যে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপে ২ ওভার বল করতে পারবে। অস্ট্রেলিয়ায় পরের বছর টি২০ বিশ্বকাপে এই বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তুলনায় অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশে পেসাররা বেশি সাহায্য পাবে। বল বেশি সুইং না করলেও উইকেটে গতি ও বাউন্স থাকবে। তাই ভারতকে এমন কয়েকজন পেসার দলে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন লক্ষ্ণণ, যাদের বলে গতি আছে। ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ায় বল খুব বেশি সুইং করবে কিনা সে ব্যাপারে আমি ততটা নিশ্চিত নই। তাই দলে এমন জোরে বোলার রাখতে হবে, যাদের বলে গতি আছে। যে উইকেট থেকে গতি ও বাউন্স আদায় করে নিতে পারবে। লক্ষ্ণণ মনে করছেন যার বলে বৈচিত্র্য রয়েছে, সেই জোরে বোলার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সাফল্য পাবে। পাশাপাশি ঈশান কিষানের মধ্যে ভারতের টি২০ দলের ওপেনার হওয়ার দক্ষতা আছে বলে মনে করছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে ঈশান কিষানকে তিনি ওপেনার হিসেবে দেখতে চান। লক্ষ্মণ বলেন,ঈশান যেরকম খেলে, তাতে পাওয়ার প্লের ফিল্ডিংয়ের সুবিধা নিতে পারবে। ওর মধ্যে দারুণ প্রতিভা রয়েছে। সাহসী শট খেলার ব্যাপারে যথেষ্ট দক্ষ। ভয়ডরহীন ভাবে শট খেলতে পারে। বড় ওপেনার হওয়ার সব গুন ওর মধ্যে রয়েছে। যদিও ভারতীয় দলে এই মুহূর্তে ওপেনার হিসেবে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল রয়েছে, তবে ঈশানকে টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে ব্যবহার করবে, যেটা ওদের ব্যাপার।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

t20 World Cup : দেশের খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য কোহলিদের?‌ গর্জে উঠলেন প্রাক্তন ক্রিকেট মহাতারকা

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত সেমিফাইনালে উঠতে না পারায় ফুঁসছে গোটা দেশ। ক্রিকেটপ্রেমীরা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটার, প্রত্যেকেই হতাশ। ভারতের বিপর্যয় নিয়ে তর্কবিতর্ক চলছে। শুরু হয়েছে সমালোচনা। বিরাট কোহলিদের বিদায়ে গর্জে উঠেছেন প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব। তাঁর মতে, দেশের হয়ে খেলার চেয়েও ক্রিকেটাররা আইপিএলকে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কপিলদেব বলেছেন, ক্রিকেটাররা যদি দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তখন আমরা কী বলত পারি? ক্রিকেটারদের তাদের দেশের হয়ে খেলার জন্য অবশ্যই গর্বিত হওয়া উচিত। আমি ক্রিকেটারদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানি না তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি প্রথমে দেশের হয়ে খেলাটাই প্রাধান্য পাওয়া উচিত। তারপর ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়ে খেলা। আমি বলছি না যে ক্রিকেটাররা আইপিএলে খেলবে না। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দেশের হয়ে খেলাটাকে বেশি গুরুত্ব দেয় না, আইপিএলে খেলাটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে বিষয়টি দেখতে হবে। এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব আরও ভালভাবে পরিকল্পনা করে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই টি২০ বিশ্বকাপে আমরা যে ভুল করেছি তার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সেটাই হবে আমাদের কাছে বড় শিক্ষা। পরের বছরই আবার বসবে টি২০ বিশ্বকাপের আআসর। কপিলদেব মনে করেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের উচিত পরের বিশ্বকাপের জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করা। প্রাক্তন এই বিশ্বজয়ী অধিনায়ক বলেন, এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সময়। এখন থেকেই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা শুরু করা উচিত। এমন নয় যে বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে মানেই ভারতীয় দলের ক্রিকেটও শেষ হয়ে গেছে। বসে না থেকে এখন থেকেই পরিকল্পনা করুক। আইপিএলের পরপরই বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে। ক্রিকেটাররা একেবারেই বিশ্রাম পায়নি। এই বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেরও সমালোচনা করতে দ্বিধা করেননি কপিলদেব। তিনি বলেন, আমি মনে করি আইপিএল এবং টি২০ বিশ্বকাপের মধ্যে কিছুটা ব্যবধান থাকা উচিত ছিল। যাতে ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পেত। তবে আমাদের দেশের ক্রিকেটারদের প্রচুর এক্সপোজার রয়েছে। ক্রিকেটাররা তার সঠিক প্রয়োগ করতে পারেনি। প্রত্যেক ক্রিকেটারের উচিত এই ব্যর্থতার দায় নেওয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১২ সালের পর এই প্রথম আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতা থেকে ভারত এত তাড়াতাড়ি বিদায় নিয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

সেমিফাইনালের ছাড়পত্র আগেই এসে গিয়েছিল। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ ছিল লিগ টেবিলে শীর্ষে থাকার লড়াই। বিপক্ষকে ৭২ রানে উড়িয়ে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে শেষ করল পাকিস্তান। সেমিফাইনালে পাকিস্তান খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।রবিবার স্কটল্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন বাবর আজম ও শোয়েব মালিক। এই দুজনের দাপটে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল স্কটল্যান্ডের বোলাররা। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে ৪টি অর্ধশতরানের মালিক হয়ে গেলেন বাবর। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর তালিকায় শীর্ষে পৌঁছলেন। টপকে গেলেন জস বাটলারকে। বাটলার মত রান ২৪০। অন্যদিকে বাবরের সংগ্রহ ২৬৪।স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। শুরুতে সতর্ক ছিলেন দুই পাক ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩৫। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান (১৯ বলে ১৫)। ফকর জামান (১৩ বলে ৮) দ্রুত ফিরলেও পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যান বাবর আজম ও মহম্মদ হাফিজ। হাফিজ ক্রিজে এসে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে রান তোলার গতি বাড়ানোর দিকে নজর দেন। ১৯ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। বাবর আজম ৪৭ বলে করেন ৬৬। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শোয়েব মালিক। মাত্র ১৮ বলে ৫৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১টি চার ও ৬টি ছয়। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির দিক দিয়ে ছুঁয়ে ফেললেন ভারতের লোকেশ রাহুলকে। ২০ ওভারে পাকিস্তান তোলে ১৮৯/৪।ব্যাট করতে নেমে ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। কাইল কোয়েটজারকে (৯) তুলে নেন হাসান আলি। এরপর ৫ রান করে রান আউট হন ম্যাথু ক্রস। ৩১ বলে ১৭ রান করে একাদশতম ওভারে শাদাব খানের প্রথম বলে ফিরে যান জর্জ মুনসে। এরপর স্কটল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান ব্যারিংটন ও লিয়াস্ক। ১৪ বলে ১৪ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হন লিয়াস্ক। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৭/৬ তোলে স্কটল্যান্ড। ৩৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্যারিংটন। শাদাব খান ৪ ওভারে ১৪ রানে ২ উইকেট নেন। ৫ ম্যাচে সব কটি জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পৌঁছয় পাকিস্তান। ৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে শেষ চারে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : সর্ব কনিষ্ঠ বোলার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মালিক রশিদ খান

অনেক আশা নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান। যদি কোনও রকম অঘটন ঘটানো যায়। লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেননি মহম্মদ নবিরা। কিন্তু এবারের টি২০ বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন আফগানিস্তানে লেগস্পিনার রশিদ খান। সর্ব কনিষ্ঠ বোলার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মালিক হয়ে গেলেন।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মার্টিন গাপটিলকে আউট করে ৪০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছন রশিদ খান। একই সঙ্গে এলিট লিস্টে নিজের নাম তুলে ফেললেন আফগানিস্তানের এই লেগস্পিনার। সব ধরণের টি২০ ক্রিকেট ম্যাচে রশিদ খানের আগে ৩ জন বোলার ৪০০র বেশি উইকেট নিয়েছেন। তাঁরা হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়েন ব্র্যাভো। তিনি রয়েছেন সকলের ওপরে। সব ধরণের টি২০ ম্যাচ মিলিয়ে এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার নিয়েছেন ৫৫৩টি উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভোর পর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই সুনীল নারাইন। এই ক্যারিবিয়ান রহস্যময় স্পিনারের ঝুলিতে রয়েছে ৪২৫ উইকেট। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির। এই প্রোটিয়া স্পিনারের সংগ্রহে রয়েছে ৪২০ উইকেট। ৪০০র এলিট ক্লাবে নতুন সংযোজন রশিদ খান। তবে এই কৃতিত্ব তিনি অর্জন করলেন সর্ব কনিষ্ট্ঠ হিসেবে।দেশের হয়ে খেলতে নেমে রশিদ খান ১০৩ টি উইকেট ঝুলিতে ভরেছেন। আর আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলতে নেমে ৯৩ টি উইকেট নিয়েছেন রশিদ খান। বাকি ২০৪টি উইকেট নিয়েছেন বিভিন্ন দেশে টি২০ লিগে খেলে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে বিগ ব্যাশ, তেমনই রয়েছে পাকিস্তান প্রিমিয়ার লিগ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, আফগানিস্তান টি২০ লিগ, ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি২০ ক্রিকেটে। দুরন্ত স্পিন বোলিংয়ের সুবাদে টি২০ ক্রিকেটে রীতিমতো সমীহ জাগানো নাম হয়ে উঠেছেন রশিদ খান।চলতি বিশ্বকাপে টি২০ ক্রিকেটে শুধু ৪০০ উইকেটের মালিক হননি রশিদ খান, আরও একটা নজির গড়েছেন এই আফগান স্পিনার। দ্রুততম বোলার হিসেবে টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০ উইকেট দখল করার নজিরও গড়েছেন রশিদ খান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। রশিদ খান ছাড়া মাত্র ৩ জন বোলার আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মালিক হয়েছেন। এরা হলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন জোরে বোলার লসিথ মালিঙ্গা, বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান এবং নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি। এই তালিকায় সকলের আগে রয়েছেন সাকিব আল হাসান।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : আফগানদের ৮ উইকেটে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ করল কিউয়িরা

নিউজিল্যান্ডআফগানিস্তান ম্যাচের দিকেই তাকিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। যদি কোনও ভাবে অঘটন ঘটে। ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ হল না। রবিবার আবু ধাবিতে ১১ বল বাকি থাকতে আফগানিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় দল হিসেবে গ্রুপ ২ থেকে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। আফগানিস্তানকে কিউয়িরা হারিয়ে দিতেই টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল ভারতের। ভারতের সঙ্গে ছিটকে গেল আফগানিস্তানও। নিউজিল্যান্ড জেতায় সোমবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ হয়ে দাঁড়াল নিয়মরক্ষার।রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান খেলতে নেমেছে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে। বাবর আজমের দল যদি স্কটল্যান্ডের কাছে না হারে, তাহলে গ্রুপ ২ থেকে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে যাবে দ্বিতীয় দল হিসেবে। সেক্ষেত্রে সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড খেলবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। আর পাকিস্তান মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার।২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেই ছিটকে গিয়েছিল ভারত। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও কিউয়িদের কাছেই হারতে হয়েছে বিরাট কোহলির দলকে ভারত। টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও বিরাট কোহলিদের ছিটকে দিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কেন উইলিয়ামসনদের জয়। টি২০ বিশ্বকাপসহ আইসিসি ট্রফি অধরাই থেকে গেল ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে।টস জিতে এদিন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক মহম্মদ নবি। ৮ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানরা। ৪৮ বলে সর্বাধিক ৭৩ রান করেন নাজিবুল্লাহ জারদান। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও ৩টি ছয়। গুলবদিন নঈব ১৫ ও অধিনায়ক মহম্মদ নবি ১৪ রান করেন। ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুর্দান্ত বোলিং করে তিনিই ম্যাচের সেরা। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। অ্যাডাম মিলনে, জিমি নিশাম, ইশ সোধি ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দলের ২৬ রানের মাথায় আউট হন ড্যারিল মিচেল (১২ বলে ১৭)। ৮.৫ ওভারের মাথায় আউট হন মার্টিন গাপটিল। ২৩ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন কেন উইলিয়ামসন (৪২ বলে ৪০) ও ডেভন কনওয়ে (৩২ বলে ৩৬)। ১৮.১ ওভারে ১২৫/২ তুলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • ...
  • 73
  • 74
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal