• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : হাবাসের পর এবার দিয়াজ?‌ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচের আসন যথেষ্ট টলমল

স্বপ্ন দেখতেই ভুলে গেছেন লালহলুদ সমর্থকরা। গত বছর আইএসএলে ব্যর্থতা। এবছরও সাফল্য পাওয়ার আশা নেই। শেষ স্থান পাওয়ার জন্য দারুণ লড়ছে। ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয় আসেনি। ৪ ম্যাচে হার, ৩টি ড্র। লিগ টেবিলে রয়েছে ১১ নম্বরে। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সদস্যসমর্থকদের মধ্যে হতাশা বেড়েই চলেছে। কোচ মানেলো দিয়াজের ওপর বিরক্ত কর্তারা। তাঁর ওপর চাপ বাড়ছে। ব্যর্থতার জন্য শনিবারই দায়িত্ব ছেড়েছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। এবার কি লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজের পালা? হাবাস পদত্যাগ করার পর তাঁকে সরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস তো ফুটবলারদের ওপর তবুও ভরসা রেখেছিলেন। খারাপ পারফরমেন্স হলেও কখনও বিরূপ মন্তব্য করেননি। এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজের তো ফুটবলারদের দক্ষতার ওপর কোনও আস্থাই নেই। প্রত্যেক ম্যাচের পরই একই কথা বলে চলেছেন, ফুটবলারদের এর বেশি দক্ষতা নেই। জিততে গেলে এইরকম পারফরমেন্স করলে হবে না। আরও উন্নতি করতে হবে। মুখে উন্নতির কথা বললেও তার রাস্তা খুঁজে বার করতে পারছেন না মানেলো দিয়াজ। কোচ হাল ছেড়ে দেওয়ায় ফুটবলারদের মনোবলও তলানিতে পৌঁছে গেছে।লালহলুদ শিবিরের অন্দরের খবর, কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের ইতিমধ্যেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগের ম্যাচে দীর্ঘক্ষণ ওয়ার্ম আপ করার পরও মাঠে না নামানোয় আদিল খান অসন্তুষ্ট হন। দলের সেরা স্ট্রাইকার পেরোসেভিচও সতীর্থদের ওপর অসন্তুষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানেলো দিয়াজকে সরানোর দাবি উঠে গেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা হয়তো চাইবেন না দিয়াজকে সরিয়ে নতুন কোনও কোচ নিয়োগ করতে। কারন, বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে থাকার কোনও পরিকল্পনা নেই। শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথায় এই বছর আইএসএলে খেলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। পরের মরশুমে কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় কোচ বদলের রাস্তায় হাঁটবে কিনা বলা কঠিন। তবে দিয়াজকে সরানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : পদত্যাগ, না অপসারিত?‌ এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব ছাড়লেন হাবাস

আইএসএল অভিযানের প্রথম ম্যাচেই কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪২ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। তারপর ডার্বিতেও দুর্দান্ত জয়। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল ৩০ ব্যবধানে। তারপর টানা ৪ ম্যাচে জয়হীন। পরপর দুটি পরাজয়ের পর দুটি ড্র। ভাল দল হাতেও পেয়েও দলের জঘন্য পারফরমেন্স। খারাপ পারফরমেন্সের দায় নিয়ে পদত্যাগ করলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বলা ভাল, টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে সমালোচিত হয়েই অপমানে দায়িত্ব ছাড়লেন তিনি। আপাতত দায়িত্ব সামলাবেন সহকারী কোচ ম্যানুয়েল কাসকালান।গতবছরের থেকেও এবছর শক্তিশালী দল গড়েছে এটিকে মোহনবাগান। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন হুগো বোমাস। দলে নেওয়া হয়েছে জনি কাউকোর মতো তারকাকে। ডেভিড উইলিয়ামস, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা তো রয়েছেনই। তা সত্ত্বেও খারাপ পারফরমেন্স এটিকে মোহনবাগানের। ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে আগের ম্যাচে ড্র করার পর হাবাস নিজেই প্লে অফে খেলা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। কোচ হিসেবে খুব একটা খারাপ পারপরমেন্স নেই হাবাসের। আইএসএলে তিনি অন্যতম সফল কোচ। দুদুবার তিনি আইএসএল খেতাব জিতেছেন। গতবছর রানার্স করেছেন এটিকে মোহনবাগানকে। এবছর তাঁর হাতে শক্তিশালী দল তুলে দিয়েছেন কর্তারা। তা সত্ত্বেও সাফল্য নেই। আসলে রয় কৃষ্ণার খারাপ ফর্ম এবং রক্ষণ সমস্যায় প্রতি ম্যাচেই ডুবতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগানকে। সব দায় নিতে হচ্ছে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। রক্ষণে সন্দেশ ঝিংঘানের না থাকাটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এটিকে মোহনবাগানের কাছে। সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচের পরই কর্তাদের রোষানলে পড়েন হাবাস। তাঁর কাছে দলের একের পর এক ব্যর্থতার কারণ জানতে চান কর্তারা। কর্তাদের আচরণে অসম্মানিত বোধ করেছিলেন হাবাস। আকার ইঙ্গিতে অপসারনের কথা বলেছিলেন কর্তারা। কিন্তু সম্মান বজায় রাখতে কর্তাদের সেই সুযোগ দিলেন না হাবাস। আপাতত তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করা ম্যানুয়েল কাসকালানা দায়িত্ব সামলাবেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগান কর্তারা নতুন কোচের সন্ধানে নেমেছেন। কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। সামনের সপ্তাহের মধ্যেই নতুন কোচ ঠিক হয়ে যাবে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : আবার হার এসসি ইস্টবেঙ্গলের, লালকার্ড দেখে দলের বিপদ বাড়ালেন পেরোসিভিচ

আইএসএলে পয়েন্ট হারানো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে কলকাতার দুই প্রধান। এই ব্যাপারে এটিকে মোহনবাগানকে বরং অনেকটাই টেক্কা দিয়ে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের দল তাও তে দুটি ম্যাচে জয় পেয়েছে। মানেলো দিয়াজের দলের জয় এখনও অধরা। তাদের থেকে লিগ টেবিলে একধাপ ওপরে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছেও হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ম্যাচের ফল ২০।আগের ম্যাচে তুলনামূলক ভাল খেলে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে ড্র করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আশায় বুক বেঁধেছিলেন সমর্থকরা। একধাপ ওপরে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে যদি জয় আসে। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হল না লালহলুদ সমর্থকদের। এদিন আরও জঘন্য ফুটবল উপহার দিলেন পেরোসিভিচরা। চোট সারিয়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। মহম্মদ রফিকও সুস্থ হয়ে প্রথম একাদশে। শুরু থেকে মাঠে চিমাও। তাতেও হাল ফেরেনি লালহলুদের।প্রথমার্ধে অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা সীমাবদ্ধ ছিল। সেই অর্থে কোনও দলই গোল করার মতো ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। তার মধ্যেই ২৯ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান ফ্রাঞ্জো পিরেস। তাঁর পরিবর্তে মানেলো দিয়াজ মাঠে নামান আমির ডার্বিসেভিচকে। তিনি মাঠে নেমেও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই অবশ্য চাপ বাড়ায় নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড। ৫১ মিনিটে ভিপি সুহেরের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬১ মিনিটে সেই সুহেরের হাত ধরেই এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। রাজু গায়কোয়াড়ের ভুল পাস ধরে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের এক ফুটবলার বল দেন সুহেরকে। তিনি এগিয়ে গিয়ে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন সুহের। ৬৮ মিনিটে ইমরান খানের দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে হেডে ২০ করেন প্যাট্ট্রিক ফ্লোটম্যান। পরের দিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সুহের। কাজে লাগাতে পারেননি। অন্য দিনের তুলনায় এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেরোসিভিচ ছিলেন নিস্প্রভ। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে রেফারিকে ধাক্কা মেরে লালকার্ড দেখে দলের বিপদ বাড়ালেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Test : খেলা চলাকালীন মাঠের পাশেই বজ্রাঘাত!‌ বন্ধ হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া–ইংল্যান্ড ম্যাচ

অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার দাপট অব্যাহত। প্রথম টেস্টে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিলেন প্যাট কামিন্সরা। দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে খবরের শিরোনামে মার্নাস লাবুশেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাশেজে প্রথম সেঞ্চুরি করলেন। তার থেকেও বড় কথা গোলাপি বলের টেস্টে তৃতীয় শতরান তাঁর। আর কোনও ব্যাটসম্যানের এই কৃতিত্ব নেই।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন ভাল শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে ২২১/২ তুলেছিল। তিনবার জীবন পেয়ে লাবুশেন ৯৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন জেমস অ্যান্ডারসনের বলে বাউন্ডারি হাকিয়ে টেস্ট জীবনের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে পৌঁছন লাবুশেন। তবে সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৩০৫ বল খেলে ১০৩ রান করে তিনি অলি রবিনসনের বলে আউট হন। ২৪১ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।লাবুশেন আউট হওয়ার পর স্টিভ স্মিথের সঙ্গে জুটি বাঁধেন ট্রেভিস হেড। যদিও তিনি বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ১৮ রান করে জো রুটের বলে বোল্ড হন। ক্যামেরন গ্রিনও (২) ব্যর্থ। এরপর অ্যালেক্স ক্যারে ও স্মিথ অস্ট্রেলিয়াকে টানেন। ৯৩ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হন স্মিথ। তিনি আউট হওয়ার পরপরি ফেরেন অ্যালেক্স ক্যারে (৫১)। মাইকেল নেসের ২৪ বলে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ৯ উইকেটে ৪৭৩ তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ক ৩৯ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ইংল্যান্ডের হয়ে স্টোকস ৩টি, অ্যান্ডারসন ২টি, ব্রড, ওকস, রবিনসন, রুট ১টি করে উইকেট পান।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। তৃতীয় ওভারেই আউট হন ররি বার্নস (৩)। মিচেল স্টার্ক তাঁকে তুলে নেন। ইংল্যান্ডের রান তখন ৭। ৩ ওভার পরেই অভিষেককারী নেসের বলে আউট হন হাসিব হামিদ (৬)। ৮.৪ ওভারে ইংল্যান্ড ১৭/২ রান তোলার পরেই মাঠের পাশে বাজ পড়ে। স্টাম্প ক্যামেরায় সেই বাজ পড়ার ছবি ধরা পড়ে। আম্পায়াররা আর ঝুঁকি নিতে চাননি। তৎক্ষণাৎ খেলা বন্ধ করে দেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : ‌কাঁটা সেই তাই জু, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায় সিন্ধুর

তাই জু যেন কাঁটা কিছুতেই সরাতে পারছেন না ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা পি ভি সিন্ধু। টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে এই তাই জুর কাছেই হেরে রুপো জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারতের ১ নম্বর মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকার। এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেও ছিটকে যেতে হল তাই জুর কাছে হেরে। খেতাব ধরে রাখার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল সিন্ধুর। তাইওয়ানের শাটলার তাই জু ২১১৭, ২১১৩ ব্যবধানে সিন্ধুকে হারিয়ে পৌঁছে গেলেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে।ম্যাচের শুরু থেকেই তাই জুর আধিপত্য ছিল। প্রথমে ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। একসময় তাই জুর পক্ষে ফল ছিল ১১৬। পরে সিন্ধু ব্যবধান কিছুটা কমিয়ে নিয়ে আসেন। ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩ পয়েন্টের। শেষ পর্যন্ত ২১১৭ পয়েন্টে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন তাই জু। দ্বিতীয় গেমে একসময় দারুণ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। ফল ছিল ১২১২। সেখান থেকে আস্তে আস্তে ব্যবধান বাড়াতে থাকেন তাই জু। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান তাইওয়ানের এই শাটলার। এই নিয়ে টানা ৫ বার তাই জুর কাছে হারলেন সিন্ধু। দুজনে মোট মুখোমুখি হয়েছেন ২০ বার। এর মধ্যে তাই জু জিতেছেন ১৫ বার। পি ভি সিন্ধু জিতেছেন ৫ বার।সিন্ধু বিদায় নিলেও পদক জয় নিশ্চিত করলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত ও লক্ষ্য সেন। পুরুষদের সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে হল্যান্ডের মার্ক ক্যালজাউকে ২১৮, ২১৭ ব্যবধানে উড়িয়ে পৌঁছে গেলেন সেমিফাইনালে। এই প্রথম ক্যালজাউয়ের বিরুদ্ধে কোর্টে নেমেছিলেন শ্রীকান্ত। অচেনা প্রতিপক্ষ হলেও দারুণ দাপট দেখান এই ভারতীয় শাটলার। প্রথম গেমে একসময় ১১৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ব্যবধান ধরে রেখে ২১৮ ব্যবধানে শেষ পর্যন্ত প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমেও একইরকম দাপট ছিল শ্রীকান্তের। ১১৩ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ২১৭ পয়েন্টে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান। অন্যদিকে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে চিনের জুন পেং ঝাউকে ২১১৫, ১৫২১, ২২২০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন লক্ষ্য সেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs Pakistan Hockey : পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় ভারতের, পৌঁছে গেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিতে শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। লিগের প্রথম ম্যাচেই কোরিয়ার কাছে আটকে যেতে হয়েছিল অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীদের। পরের ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিয়েছিল ৯০ ব্যবধানে। তৃতীয় ম্যাচেও দারুণ জয়। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকির সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ভারত। দীর্ঘদিন একে অপরের মুখোমুখি হয়নি দুই দল। শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৮ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ লিগে। ৩১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। দুই দল ফাইনালে উঠলেও ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছিল। তারপর আর দুই দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলেনি। দীর্ঘ ৩ বছর পর আবার সেই এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির লিগ পর্যায়ে মুখোমুখি হল ভারতপাকিস্তান। সেই ৩ বছর আগের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি। ৩১ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত।সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এদিন ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। শুরু থেকেই পাকিস্তানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মনপ্রীতরা। ৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হরমনপ্রীত সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুমিতের শট একবার পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আর মনপ্রীত সিংয়ের প্রয়াস রুখে দেন পাকিস্তানের গোলকিপার। ২১ মিনিটে রাজকুমার পাল গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। ম্যাচের প্রথমার্ধে ১ গোলের ব্যবধানেই এগিয়েছিল ভারত।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও সেই ভারতের আধিপত্য। ৪ মিনিটের মধ্যেই দু-দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন মনপ্রীতরী। কিন্তু পাকিস্তানের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল আসেনি। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। লাকড়া ৩ জন পাকিস্তান খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে বল সাজিয়ে দেন আকাশদীপ সিংকে। গোল করতে ভুল করেননি আকাশদীপ। মিনিট তিনেক পরেই ব্যবধান কমায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুর পাকিস্তানের হয়ে গোল করেন। তৃতীয় কোয়ার্টারে খেলার ফল থাকে ভারতের পক্ষে ২১।সমতা ফেরানোর জন্য চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরুতেই একটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৫১ মিনিটে সহজ সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন আকাশদীপ সিং। পরের মিনিটেই পেনাল্টি কর্ণার পায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুরের শট আটকে দেন ভারতের গোলকিপার। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন ভারতের ড্রাগফ্লিকার হরমনপ্রীত সিং। শেষদিকে দুই দলই একটি করে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : প্রথম জয়ের খোঁজে কেন বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজ?‌

এসসি ইস্টবেঙ্গল মাঠে নামার আগে সমর্থকরা কি আশা করেন দল জয় পাবে? নিশ্চিতভাবেই না। দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিয়েছেন লালহলুদ সমর্থকরা। কেনই বা দেখবেন? এইরকম জঘন্য ফুটবল গতবছর আইএসএলেও খেলেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। রক্ষণের এইরকম করুণ অবস্থাও দেখা যায়নি। এবছর তো গোল করেও ধরে রাখতে না পারাটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। শুক্রবার এসসি ইস্টবেঙ্গল এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে, সেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডের অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়। ৪ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে ঠিক ওপরে রয়েছে লালহলুদের। এইরকম দলের বিরুদ্ধে এবারের আইএসএলে প্রথম জয়ের সুযোগ মানেলো দিয়াজের দলের সামনে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সমর্থকরা। তার অন্যতম কারণ মানেলো দিয়াজের দলের ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরা। দুএকটা ভুল ছাড়া আগের ম্যাচে তুলনামূলকভাবে ভাল খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তাছাড়া চোটআঘাত থেকেও ফুটবলাররা বেরিয়ে আসছেন। জ্যাকিচাঁদ সিং খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। মহম্মদ রফিকও অনেকটাই ফিট। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যও মাঠে নামার জায়গায় চলে এসেছেন। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে তাঁকে খেলাতে পারেন কোচ মানেলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোয়েল অবশ্য এখনও পুরো ফিট নন। তিনি এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। দল যে এখনও পুরোপুরি তৈরি নয়, স্বীকার করে নিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তে দল গঠন করা হয়েছিল। অনেক দেরিতে আমরা প্রাকমরশুম প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। দলকে পুরোপুরি তৈরি করতে পারিনি। তাই সমস্যা হচ্ছে। আমাদের যথেষ্ট কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে খেলতে হচ্ছে। প্রতিটা ম্যাচই আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জিং। দলের বিদেশি ফুটবলারদের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট নন মানেলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আমার দল এখনও পর্যন্ত ৯টা গোল করেছে। তারমধ্যে বিদেশিরাই করেছে ৮টি। তবুও ওদের খেলায় আমি খুশি নই। ওদের কাছ থেকে আরও ভাল পারফরমেন্স আশা করছি। আশা করছি নর্থইস্টের বিরুদ্ধে দায়িত্ব নিয়ে দলকে জেতাবে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : রক্ষণের ভুলেই ডুবতে হল, আবার ড্র এটিকে মোহনবাগানের

প্রথম দুম্যাচ জিতে সদস্যসমর্থকদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের এটিকে মোহনবাগান। তারপরই ছন্দহীন। শেষ ৩ ম্যাচে জয় আসেনি। দুটিতে হার, একটাতে ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ছিল জয়ে ফেরার লড়াই। দুদুবার এগিয়ে গিয়েও জিততে ব্যর্থ এটিকে মোহনবাগান। দুর্বল রক্ষণের জন্যই ভুগতে হল হাবাসের দলকে। ম্যাচের পল ৩৩।জয়ে ফেরার লড়াই ছিল বেঙ্গালুরু এফসির কাছেও। ছন্দে না থাকা দলের সেরা স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রিকে বাইরে রেখেই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন বেঙ্গালুরু কোচ মার্কো পেজাইউলি। শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ক্লেইটন সিলভারা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। বরং সেটপিস কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ১৩ ডানদিক থেকে নেওয়া হুগো বোমাসের কর্ণারে বেঙ্গালুরুর ৩ ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে মাথা ছুঁইয়ে সবুজমেরুণকে এগিয়ে দেন শুভাশিস বসু। এই অগ্রগমন অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। মিনিট তিনেক পরেই বক্সের মধ্যে ক্লেইটন সিলভাকে ফাউল করেন লিস্টন কোলাসো। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান ক্লেইটন। ২৬ মিনিটে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেন দানিশ ফারুখ। ক্লেইটন সিলভার কর্ণারে হেডে গোল করেন তিনি। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকে। ৩৮ মিনিটে সমতাও ফেরায়। জনি কাউকো মাঝমাঠ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে দেন রয় কৃষ্ণাকে। রয় কৃষ্ণা এগিয়ে গিয়ে বক্সের ঠিক বাইরে ডিফেন্স চেরা থ্রু বাড়ান হুগো বোমাসের উদ্দেশ্যে। বাঁপায়ের দুরন্ত কোনাকুনি শটে ২২ করেন হুগো বোমাস। আগের তিনটি ম্যাচেই রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধেও প্রীতম কোটাল, তিরিরা ভরসা দিতে পারেননি আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। সব ডেড বলেই কেঁপে যাচ্ছিল এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। অপ্রয়োজনে ফাউল করছিলেন দীপক টাংরি, প্রীতম কোটালরা। যার ফলে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছিল। প্রথমার্ধে বারবার এইরকম ঘটনা দেখা যাচ্ছিল। দ্বিতীয়ার্ধেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৫৮ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন রয় কৃষ্ণা। শুভাশিস বসুকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন প্রিন্স আইবারা। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করেন রয় কৃষ্ণা। ২৭ নভেম্বর ডার্বি ম্যাচে গোল করেছিলেন। ৩ ম্যাচ পর আবার গোল পেলেন কৃষ্ণা। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরু এফসি। ৭২ মিনিটে সমতা ফেরায়। রোশন নওরেমের দুরন্ত কর্ণারে হেডে মাথা ছুঁইয়ে ৩৩ করেন প্রিন্স আইবারা। বেঙ্গালুরুর তিনটি গোলই সেটপিস থেকে। জয়ের জন্য ম্যাচের শেষদিকে মরিয়া হয়ে ওঠে দুদলই। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। রয় কৃষ্ণারা যেমন তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। তেমনই এটিকে মোহনবাগানের জালে বল ঢোকাতে পারেননি সুনীল ছেত্রিরা। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে কোস্তার হেড বারে না লাগলে ১ পয়েন্টও পাওয়া হত না হাবাসের দলের।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : অবশেষে মুখ খুললেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট, কোহলির মন্তব্য নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বিরাট কোহলির সঙ্ঘাত নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করে বুধবারই বিবৃতি দিয়েছেন কোহলি। বেশ কিছুদিন আগে সৌরভ দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি কোহলিকে টি২০ নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, কেউ তাঁকে নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেননি। কোহলির এই বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে।কোহলির মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সকলেই তাকিয়ে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতিক্রিয়ার দিকে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত সৌরভ কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। নিজের বেহালার বাড়ি থেকে বার হলেও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বার হওয়ার সময় অবশ্য আর সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যাননি সৌরভ। এদিন কোহলির মন্তব্যের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট। সৌরভ বাড়ি থেকে বার হতেই একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত সৌরভ বলেন, বিষয়টা খুবই স্পর্শকাতর। কোহলির মন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টা নিয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার, বোর্ড সঠিক সময়েই নেবে। এরপর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হলেও সৌরভ কোনও উত্তর না দিয়ে নিজের অফিসে ঢুকে যান। সৌরভের এই ছোট্ট জবাবেই পরিস্কার, উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে তিনি আর আগুনে ঘৃতাহুতি দিতে চান না। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতীয় দলের এইরকম সঙ্ঘাত নজিরবিহীন। অতীতে কখনও এই ধরণের ঘটনা ঘটেননি। কোনও অধিনায়ক সরাসরি বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করেননি। কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, টেস্ট দল নির্বাচনের বৈঠক শুরুর দেড় ঘন্টা আগে নির্বাচক কমিটির প্রধান তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানোর কথা বলেছিলেন। নেতৃত্ব হারিয়ে কোহলি যে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন, তাঁর কথাতেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অনেক কর্তাই দাবি করেছেন, কোহলি মিথ্যে কথা বলছেন। তাঁদের কাছে নাকি উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। বোর্ড কর্তাদের মতে, অধিনায়ক হিসেবে কোহলি সঠিক কাজ করেননি। সবমিলিয়ে বল কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলির কোর্টে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : ‌কোহলি প্রসঙ্গে সৌরভকেই জবাব দিতে হবে, কেন একথা বললেন গাভাসকার?‌

এইরকম নেতৃত্ব নিয়ে টানাপোড়েনের ঘটনা ভারতীয় ক্রিকেটে আগে কখনও ঘটেছে কিনা জানা নেই। কোনও অধিনায়কও নেতৃত্ব হারিয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করেছেন কিনা তাও জানা যাচ্ছে না। সৌরভ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ভাবে অভিযোগ তুলেছেন বিরাট কোহলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতি ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, ভারতীয় বোর্ড ইচ্ছে করলেই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারত। সৌরভ বলেছিলেন, বিরাট কোহলিকে টি২০র নেতৃত্ব ছাড়তে তিনি নিষেধ করেছিলেন। কোহলি সৌরভের এই বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি এও দাবি করেছেন, আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে না পারায় তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলির কথায় সৌরভের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও বুধবার রাত পর্যন্ত সৌরভের কিংবা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।ভারতীয় বোর্ড ও বিরাট কোহলির মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। তিনি মনে করছেন, কোহলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে যাবতীয় বিষয় পরিস্কার করে দেওয়া। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভাসকার বলেন, কোহলি যে মন্তব্য করেছে, তাতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে অহেতুক টেনে নিয়ে আসার দরকার নেই। ও তো শুধু সৌরভের নাম করে অভিযোগ করেছে। সৌরভ দাবি করেছিল, ওর সঙ্গে নেতৃত্ব ছাড়ার ব্যাপারে বিরাট কোহলির কথা হয়েছিল। সৌরভ যেহেতু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, তাই ওকেই জিজ্ঞেস করা উচিত কেন কোহলির সঙ্গে ওর বক্তব্যের অসঙ্গতি রয়েছে। শুধু সৌরভের কাছে জবাবদিহি চেয়ে ক্ষান্ত থাকেননি সুনীল গাভাসকার। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে দাবি করেছেন, কেন কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তা সর্বসমক্ষে জানাতে। গাভাসকার বলেন, কারও মনে যাতে কোনও রকম সংশয় তৈরি না হয়, তারজন্য স্বচ্ছ বার্তা দেওয়া দরকার। কোনও ক্রিকেটারকে কেন নেতৃত্ব থেকে সরানো হচ্ছে, কিংবা কোনও ক্রিকেটারকে কেন বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই ব্যাপারে নির্বাচক কমিটির চেয়্যারম্যানকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। বোর্ডের এক কর্তা দাবি করেছেন, কোহলিকে না জানিয়ে ওকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়নি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, কিন্তু কেন আতঙ্কে এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস?‌

আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসি একসময় ছিল সব দলের কাছেই আতঙ্ক। সুনীল ছেত্রিদের সেই ঐতিহ্য আর নেই। গত কয়েকবছর ধরে পারফরমেন্স একেবারে তলানিতে। এবছর তো যথেষ্ট করুণ অবস্থা। ৬ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়, ১টা ড্র। চারটিতে হার। লিগ টেবিলে রয়েছে নবম স্থানে। একেবারেই ছন্দে নেই বেঙ্গালুরুর দলটি। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যে কোনও প্রতিপক্ষ যে এইরকম দলকেই বেছে নেবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচকেই বেছে নিচ্ছেন।এবারের আইএসএলে দারুণ শুরু করেছিল গতবারের রানার্স এটিকে মোহনবাগান। প্রথম দুটি ম্যাচেই জয়। তার মধ্যে আবার একটা ম্যাচ ডার্বি। সমর্থকরা আশা করেছিলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জেতায় অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই ছুটবে এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু বিধি বাম। ডার্বি জেতার পর থেকেই ছন্দপতন। টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই। দুটিতে হার, একটা ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।সুনীল ছেত্রির ছন্দে নেই। এটাই সমস্যায় ফেলেছে বেঙ্গালুরু এফসিকে। তা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সুনীল ছেত্রি অনেক বড় মাপের স্ট্রাইকার। ভারতের সেরা ফুটবলার। দুএকটা ম্যাচে গোল না পেলেও সেটা কোনও ব্যাপার নয়। যে কোনও দিন জ্বলে উঠতে পারে। ওকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে শুধু ওকে গুরুত্ব দিলে চলবে না, গোটা দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। শেষ ৪ ম্যাচে জয় না এলেও বেঙ্গালুরু এফসিকে সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, দুএকটা ম্যাচে হারলেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আইএসএলের সব দলের শক্তিই উনিশবিশ। ওরাও চেষ্টা করবে ঘুরে দাঁড়ানোর। সুনীলের খারাপ ফর্ম বাড়তি কোনও সুবিধা দেবে না বলে মনে করছেন ৭এটিকে মোহনবাগান কোচ।চেন্নাইন এফসি ম্যাচের আগে তিনটি ম্যাচে রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। তিরিকে প্রথম একাদশে ফিরিয়ে ও প্রীতম কোটালকে তাঁর পাশে নিয়ে এসে রক্ষণ কিছুটা মজবুত করেছেন হাবাস। তবে রোগ এখনও পুরোপুরি সারেনি। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে রক্ষণ সংগঠনের ওপর জোর দিতে চান। মাঝমাঠের ফুটবলারদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রয়োজনে নেমে এসে রক্ষণকে সাহায্য করতে। কয়েকটা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেফারিং নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না হাবাসের।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lokesh Rahul : দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বিরাট কোহলির ডেপুটি কে? এগিয়ে এই ক্রিকেটার

অজিঙ্ক রাহানের হাতেই কি ফিরিয়ে দেওয়া হবে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়কের দায়িত্ব? না, বিরাট কোহলির ডেপুটি হিসেবে নতুন কাউকে বেছে নেওয়া হবে? দ্বিতীয় পথেই হাঁটতে চলেছেন ভারতীয় দলের নির্বাচকরা। রোহিত শর্মার পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে লোকেশ রাহুলের হাতেই দায়িত্ব দিতে চলেছে চেতন শর্মার নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচকমণ্ডলী। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য অজিঙ্ক রাহানেকে সরিয়ে কদিন আগেই রোহিত শর্মার হাতে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। টেস্ট সিরিজের জন্য মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুরলা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রস্তুতি সারছিলেন রোহিত। অনুশীলন করার সময় বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান ভারতীয় দলের এই ওপেনার। টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে যান। তাঁর পরিবর্তে ওপেনার হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে গুজরাটের প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে। প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে নেওয়া হলেও সহ অধিনায়ক কাকে করা হবে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। অজিঙ্ক রাহানের হাতে আবার সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিয়ে পেছনে ফিরে তাকাতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দলে সিনিয়র হিসেবে রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনরা। যেরকম ফর্মে রয়েছেন, তাতে প্রথম একাদশে জায়গা নিশ্চিত নয় পুজারার। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কোনও পর্যায়ে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা ভেবে যশপ্রীত বুমরার হাতে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিতে চান না নির্বাচকরা। যোগ্যতার নিরিখে লোকেশ রাহুল এগিয়ে। তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রথম একাদশেও তাঁর জায়গা নিশ্চিত। তাই সবদিক দিয়ে লোকেশ রাহুলকেই বেছে নিতে চলেছেন নির্বাচকরা।বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তার আগে মুম্বইয়ে ২দিন কোয়ারেন্টিনে ছিল। ২৬ ডিসেম্বর থেকে সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম টেস্ট শুরু। ভারতীয় দল সেঞ্চুরিয়ানে পৌঁছনোর পর সহ অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হবে। ভবিষতের নেতা হিসেবে লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থদের তৈরি করতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঋষভ পন্থের তুলনায় লোকেশ রাহুল বেশি অভিজ্ঞ হওয়ায় তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌সৌরভকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন কোহলির!‌ নেতৃত্ব হারানোর কথা জানতে পারেন দেড় ঘন্টা আগে

ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি কী মিথ্যাবাদী? দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরাট কোহলি যেরকম কথা বললেন, তাতে এটাই প্রমাণ হয় যে সৌরভ গাঙ্গুলি মিথ্যা কথা বলেছেন। তাঁকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সঙ্ঘাত লেগেই গেল বিরাট কোহলির। টি২০ ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে দাবি করেছিলেন, তা উড়িয়ে দিয়েছেন কোহলি।বিরাট কোহলি টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার পর সৌরভ দাবি করেছিলেন, কোহলিকে তিনি নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু কোহলি তাঁর সেই অনুরোধ রাখেননি। সেই প্রসঙ্গে কোহলি এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের টি২০র নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে না ছাড়ার কথা কেউ বলেলনি। সবাই আমার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিল। তখনই আমি বোর্ড কর্তাদের বলেছিলাম, টেস্ট ও একদিনের ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিতে চাই।তাঁকে যে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে ঘূর্ণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি বিরাট কোহলি। টেস্ট দল নির্বাচনের মাত্র দেড় ঘন্টা আগে কোহলি জানতে পারেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে সরিয়ে দেওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না কোহলি। তিনি বলেন, একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বর ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমার কোনও কথা হয়নি। টেস্ট দল নির্বাচনের ৯০ আগে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা আমাকে ফোন করেন। বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। ফোন ছাড়ার আগে তিনি জানান আমাকে আর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বে রাখা হবে না। তার উত্তরে আমি বলি, ঠিক আছে।কেন তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়েছে, বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি কেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে আমাকে সরানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমার কোনও কাজ দলের ক্ষতির কারণ হয়নি। আশা করছি ভবিষ্যতেও হবে না। রোহিত শর্মা ও হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় আমার পূর্ণ সহযোগিতা পাবে। সেরাটা দিয়ে দেশকে আরও উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। সব জল্পনা উড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে খেলবেন বলেও জানিয়েছেন কোহলি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Priyank Panchal : ‌‌স্বপ্নপূরণ?‌ রোহিতের পরিবর্তে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে কী বললেন প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল

ভারতীয় এ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে সদ্য বাড়ি ফিরেছেন। সোমবার সকালে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎই বেজে ওঠে মোবাইল। মোবাইল নিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে যান। বেরিয়ে এসে পরিবারের সদস্যদের সামনে স্বপ্নপূরণের খবর দেন প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে খুবই উত্তেজিত গুজরাটের এই ওপেনার। এতদিনে স্বপ্নপূরণ হওয়ায় খুশি।এর আগেও ভারতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল। চলতি বছরে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলে ছিলেন। তবে নিয়মিত সদস্য হিসেবে এই প্রথম। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য রোহিত শর্মা ছিটকে যাওয়ায় অবশ্য ভাগ্যে শিকে ছিঁড়েছে প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালের। ভারতীয় দলের সুযোগ পেয়ে গর্বিত তিনি। স্বীকৃত ওপেনার হলেও দলের প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে তৈরি প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল।গুজরাটের এই ওপেনার বলেন, প্রত্যেক ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে জাতীয় দলে খেলার। আমিও স্বপ্ন দেখতাম। ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর আমার সেই স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। আমি সত্যিই খুব উত্তেজিত। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে বাড়ি ফিরেই জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার খবর পেয়েছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের অন্যদের জানাই। দলে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।গুজরাটের হয়ে নিয়মিত ওপেন করেন। ভারতীয় এ দলের হয়েও ওপেনার হিসেবে খেলেছেন। তবে জাতীয় দলে যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে প্রস্তুত প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল। তিনি বলেন, যে কোনও পরিস্থিতিতে, যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে আমি তৈরি। একজন ক্রিকেটার হিসেবে দলের প্রয়োজনে সব সময় তৈরি থাকতে হয়। বিরাট ভাই ও কোচ রাহুল স্যার আমাকে যদি নির্দিষ্ট কোনও জায়গায় ব্যাট করতে বলে, আমি প্রস্তুত। বিরাট ভাই ও রাহুল স্যারের সঙ্গে দেখা করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। এই ভারতীয় দল দারুণ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। বিভাগেই যোগ্য ক্রিকেটার রয়েছে। এইরকম দলের সদস্য হতে পেরে গর্বিত।ভারতীয় এ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েছিলেন। টেস্টে প্রথম একাদশে সুযোগ পেলে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান। পাঞ্চাল বলেন, ভারতীয় এ দলের হয়ে সদ্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ফিরেছি। সিরিজে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারব।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : রোহিতের নেতৃত্বে খেলবেন না?‌ বোর্ডের কাছে নাকি বিশ্রাম চেয়েছেন বিরাট কোহলি

দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় ড্রেসিংরুমের অভ্যন্তরে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। ক্রিকেটাররাও দুটি শিবিরে বিভক্ত। যদিও এই কোহলিরোহিতের খারাপ সম্পর্ক কখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে ভারতীয় দলের একাধিক সদস্য এবছর ইংল্যান্ড সফর থেকেই কোহলির নামে বোর্ড কর্তাদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। একটি বিশেষ মহলের দাবি, সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা নাকি রোহিত ঘনিষ্ট। রবি শাস্ত্রী কোচ থাকার সময়ে দুজনের খারাপ সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসেনি। কোহলির হাত থেকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কেড়ে নিয়ে রোহিত শর্মার হাতে দিতেই সম্পর্কের অবনতির বিষয়টা প্রকাশ্যে এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন বিরাট কোহলি।রোহিতকে একদিনের দলের অধিনায়ক করাটা কোহলি যে মেনে নিতে পারেননি, দিনের আলোর মতোই পরিস্কার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড রোহিতের নাম ঘোষণা করার পরেও কোহলি তাঁকে শুভেচ্ছা জানাননি। এমনকি রোহিতের মুখোমুখি যাতে না হতে হয়, তারজন্য মুম্বইয়ে টিম হোটেলে কোয়ারেন্টিনেও যাননি কোহলি। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন রোহিত। ফলে টেস্টে সিরিজে মুখোমুখি হতে হবে না। আবার কোহলি যদি একদিনের সিরিজ থেকে সরে দাঁড়ান, সেক্ষেত্রে রোহিতের নেতৃত্বে আপাতত খেলতে হবে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিকেল টিমের ধারণা ৩ সপ্তাহের মধ্যে ফিট হয়ে যাবেন রোহিত।বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ না খেলে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চান বিরাট কোহলি। বোর্ডের কাছে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য অনুরোধও জানিয়েছেন। যদিও ভারতীয় বোর্ডের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। একদিনের সিরিজ এখনও অনেক দেরি আছে। তাই এই ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করে কিছু ঘোষণা করতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে কোহলির সিদ্ধান্ত নিয়ে চর্চা অব্যাহত। অনেকেই মনে করছেন রোহিতের নেতৃত্বে না খেলে সাদাবলের ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে পারেন কোহলি।একদিনের সিরিজ বিরাট কোহলি খেলবেন না বলে যে কথা জানা যাচ্ছে তাকে মান্যতা দিচ্ছে না বিসিসিআই। বোর্ডসূত্রে দাবি, এখনও বিরাটের কাছ থেকে এমন কোনও অনুরোধ বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বা সচিব জয় শাহর কাছে যায়নি। ফলে এখনও অবধি ঠিক আছে, তিনি ওয়ান ডে সিরিজ খেলবেন। তবে পরে বিরাট এমন অনুরোধ জানাবেন কিনা বা চোট পেলে তিনি ওই সিরিজ থেকে সরে দাঁড়াবেন কিনা কিংবা জৈব সুরক্ষা বলয়ের ক্লান্তির কারণে বিরতি নিতে চাইবেন, তা এখনই বলার সময় আসেনি। দেশে ফিরে ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবে। সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে খেলে ফিরে বিরাট দেশের মাটিতে সীমিত ওভারের সিরিজগুলি থেকে সরে দাঁড়ান কিনা সেটাও দেখার।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারিয়েও বিজয় হাজারে থেকে বিদায় বাংলার

আগের ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ে লাইফ লাইন পেয়েছিল বাংলা। এমন একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারালে নক আউটের ছাড়পত্র মিলবে। অঙ্কও একটা ছিল। সেক্ষেত্রে বরোদার বিরুদ্ধে তামিলনাডুকে এবং পন্ডিচেরীর বিরুদ্ধে মুম্বইকে জিততে হবে। বাংলা জিতলেও বাকি দুটি অঙ্ক মিলল না। বরোদার কাছে তামিলনাডুর হার বিজয় হাজারে ট্রফির গ্রুপ লিগ থেকেই ছিটকে দিল বাংলাকে। কর্ণাটককে ৪ উইকেটে হারিয়েও শেষরক্ষা হল না। এলিট গ্রুপ বিতে ১২ পয়েন্টে শেষ করল তামিলনাডু, কর্ণাটক, বাংলা ও পন্ডিচেরী। যদি দুটি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করত, তাহলে মুখোমুখি ফলাফলের ভিত্তিতে ঠিক হত কোন দল নক আউটে যাবে। কিন্তু ৪টি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করায় নেট রান রেট দেখা হয়েছে। নেট রান রেটে সবার ওপরে রয়েছে তামিলনাডু (+১.০৫২)। দ্বিতীয় স্থানে কর্ণাটক (+০.৭৮৯), তৃতীয় স্থানে বাংলা (-০.২৩৫), চতুর্থ স্থানে পন্ডিচেরী (-১.৩৬০)। ফলে এই গ্রুপ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়ে তামিলনাডু ও কর্ণাটক নক আউটের টিকিট পেয়েছে।নক আউটে যাওয়ার জন্য বাংলা ও কর্ণাটকের কাছে এদিনের ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কর্ণাটক অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডে। শুরুটা তেমন আহামরি হয়নি কর্ণাটকের। ১০.১ ওভারে ৩৫ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারায়। দশম ওভারে রবিকুমার সমর্থকে (১৭) তুলে নিয়ে কর্ণাটককে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। পরের ওভারেই কৃষ্ণমূর্তি সিদ্ধার্থকে (১) ফেরার ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। এরপর রোহন কদম ও অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডের জুটি কর্ণাটককে টেনে নিয়ে যায়। ৫৫ বলে ৩৭ রান করে আউট হন রোহন কদম। তাঁকে ফেরান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। দলে ১৬১ রানের মাথায় আউট হন মণীশ পাণ্ডে। ৮৫ বলে তিনি করেন ৯০। করুণ নায়ার ২৫ রান করেন। ২৯ বলে অপরাজিত ৩৭ রান করে প্রবীন দুবে কর্ণাটককে ২৫২/৮ রানে পৌঁছে দেন।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলা। ৭ ওভারেই ৫০ রানে পৌঁছে যায়। এরপরই ধাক্কা। ফিরে যান রনজ্যোৎ সিং খাইরা (৭)। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা অনুষ্টুপ মজুমদার (৮) ব্যর্থ। ৪৮ বলে ৫৮ রান করে আউট হন অভিষেক দাস। এরপর বাংলাকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৫৬ বলে ৬৩ রান করে কারিয়াপ্পার বলে আউট হন সুদীপ। ৬২ বলে ৪৯ রান করেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ২৬ বলে ২২ রান করেন শুভঙ্কর বল। বাংলাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শাহবাজ আমেদ (অপরাজিত ২৬) ও ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (অপরাজিত ১০)। ৪৮.৩ ওভারে ২৫৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। জিতেও অবশ্য নক আউটের ছাড়পত্র এল না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rohit Sharma : দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার আগে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন কোহলির ডেপুটি রোহিত

কদিন আগেই একদিনের নেতার মুকুট উঠেছে তাঁর মাথায়। খুশির রেশ কাটার আগেই বিষাদের ছায়া নেমে এল রোহিত শর্মার ওপরে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার। তাঁর পরিবর্তে টেস্ট দলে ডাকা হয়েছে গুজরাটের ওপেনার প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে। টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেও একদিনের সিরিজে রোহিত খেলতে পারবেন কিনা, তা এখনও পরিস্কার নয়।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য মুম্বইয়ের বান্দ্রাকুরলা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্র্যাকটিস করছিলেন রোহিত। প্র্যাকটিসের সময় তিনি হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। চোট খুব বেশি গুরুতর না হলেও ভারতীয় দলের মেডিকেল টিম রোহিতকে সপ্তাহ তিনেক বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ফলে টেস্ট সিরিজে তাঁর পক্ষে খেলা সম্ভব হবে না। রোহিতের পরিবর্তে প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে ডেকেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। গুজরাটের এই ওপেনার অবশ্য এই প্রথম জাতীয় দলে ডাক পেলেন না। এই বছরেই ইংল্যাল্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে তাঁকে দলে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। তবে খেলার সুযোগ পাননি।টেস্ট সিরিজ থেকে রোহিত ছিটকে যাওয়ায় ভারতীয় দলকে চরম সমস্যায় পড়তে হবে। কারণ, ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে রোহিতই এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের সেরা ব্যাটার। এই বছরে দেশের হয়ে টেস্টে সবথেকে বেশি রান এসেছে তাঁরই ব্যাট থেকে। ২০১৯ সালের ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকে সেপ্টেম্বরের ইংল্যান্ড সিরিজ পর্যন্ত ১৬ টেস্টে ১৪৬২ রান করেছেন রোহিত। গড় ৫৮.৪৮। এই ১৬টি টেস্টে ৫টি সেঞ্চুরি করেছেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওভালে ম্যাচ জেতানো ১২৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন রোহিত।রোহিত শর্মা ছিটকে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে কাকে সহ অধিনায়ক করা হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় বোর্ড। অজিঙ্ক রাহানেকে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে অথবা লোকেশ রাহুলকে বেছে নেওয়া হতে পারে। রোহিতের বদলে গুজরাটের ওপেনার প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরেই ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলে ছিলেন পাঞ্চাল। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারতীয় এ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‘‌তোমার দেখা নাই রে’‌, ভারতীয় শিবিরে যোগ না দিয়ে কোথায় গেলেন কোহলি?‌

টেস্ট সিরিজ খেলতে ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা উড়ে যাবে ভারতীয় দল। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার আগে সোমবার থেকে শুরু হল ভারতীয় দলের কোয়ারেন্টিন পর্ব। সব ক্রিকেটারই হাজির মুম্বইয়ের টিম হোটেলে অথচ দেখা নেই বিরাট কোহলির। কোহলি সোমবার সন্ধে পর্যন্ত টিম হোটেলে যোগ না দেওয়ায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই নাকি অভিমান হয়েছে বিরাট কোহলির।মুম্বইয়ে কোয়ারেন্টিন পর্ব শুরু হওয়ার আগে কয়েকদিনের জন্য প্রস্তুতি শিবিরের আয়োজন করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়া সব ক্রিকেটারকে শিবিরে যোগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিরাট কোহলি প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেননি। বোর্ড কর্তারাও তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে পারেননি। কোহলির মোবাইল নাকি সুইচ অফ। তাঁর কোচ রাজকুমার শর্মাও কোহলির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। রোহিত শর্মার হাতে বোর্ড একদিনের নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানাননি কোহলি।মোবাইল বন্ধ রাখলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় কোহলি। যুবরাজ সিংয়ের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। যুবরাজের সঙ্গে বেশকিছু ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন। অনুষ্কা ও ভামিকার সঙ্গে নিজের ছবিও পোস্ট করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি নির্বাচকরা। তবে বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণে কোহলি সোমবার টিম হোটেলে যোগ দেননি। মঙ্গলবার থেকে তিনি কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।রোহিতকে এখনও পর্যন্ত শুভেচ্ছা না জানালেও দুজনের মধ্যে সম্পর্কে কোনও অবনতি হয়নি বলে বোর্ডের একটা সূত্র জানিয়েছে। তা সত্ত্বেও দুজনের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা চলছে। মুম্বইয়ে চারদিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে ১৬ ডিসেম্বর জোয়ানেসবার্গের উদ্দেশ্যে রওনা হবে ভারতীয় দল। ২৬ ডিসেম্বর থেকে সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম টেস্ট শুরু। ৩ জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় টেস্ট জোহানেসবার্গে। তৃতীয় টেস্ট হবে কেপটাউনে, ১১ জানুয়ারি থেকে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : ‌কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ভাল খেলেও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৬ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয় পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও আটকে গেল লালহলুদ শিবির। ম্যাচের ফল ১১। অন্যদিনের তুলনায় এদিন ভাল খেলেও আটকে যেতে হল মানোলো দিয়াজের দলকে।লিগ টেবিলে কেরালা ব্লাস্টার্সও খুব একটা ভাল জায়গায় নেই। জয়ের জন্য তারাও যথেষ্ট মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছিল। শুরু থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। কিন্তু টমিস্লাভ মার্সেলা, রাজু গায়কোয়াড়রা সজাগ থাকায় সুবিধা করতে পারেননি কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলও মাঝেমাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। এর মাঝেই ১৫ মিনিটে লালহলুদের জালে বল পাঠান কেরালা ব্লাস্টার্সের আলভারো ভাজকোয়েজ। কিন্তু ভাজকোয়েজের কাছে বল যাওয়ার আগে হ্যান্ডবল হয় অমরজিৎ কিয়ামের। রেফারি গোল বাতিল করে ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন।এরপরই আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত লালহলুদ। পেরোসেভিচের বাঁপায়ের দুরন্ত শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডান দিক থেকে রাজু গায়কোয়াড়ের লম্বা থ্রো হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন টমিস্লাভ মার্সেলা। ৪৪ মিনিটে সমতা ফেরায় কেরালা ব্লাস্টার্স। রাজু গায়কোয়াড়ের মিস পাস থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেনাল্টি বক্সের বাইরে ডানদিকে বল পেয়ে ডানপায়ে শট নেন আদ্রিয়ান লুনা। তাঁর শট টমিস্লাভ মার্সেলার মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়।অন্যান্য দিনের তুলনায় কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ অনেকটাই সংগঠিত ছিল। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনাদের সেভাবে সুযোগ দেননি রাজু গায়কোয়াড়, টমিস্লাভ মার্সেলারা। একবার ছাড়া বাকি ম্যাচে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন রাজু। দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদ ডিফেন্ডারদের জন্য গোলের সুযোগ পায়নি কেরালা। অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা ঘোরাফেরা করছিল। ড্যানিয়েল চিমা এদিন একেবারে নিঃস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে আমির ডার্বিসেভিচকে মাঠে নামান এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। একই সঙ্গে মাঠে নিয়ে আসেন বিকাশ জাইরু ও লুয়াংকে। ৮১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে দারুণ শট নিয়ে ছিলেন পেরিসেভিচ। কেরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার দুর্দান্ত সেভ করে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন। ৮৯ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন পেরিসেভিচ। তাঁর পা থেকে আবার নিশ্চিত গোল বাঁচান কোরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার। শেষদিকে চাপ রাখলেও জয়ের গোল তুলতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy : ‌‌‌‌মুম্বইকে হারিয়ে বিজয় হাজারের নক আউটের লাইফ লাইন পেল বাংলা

বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট যতই তারুণ্যকে প্রাধান্য দিতে চায় না কেন, অভিজ্ঞতার যে বিকল্প নেই প্রমাণ হয়ে গেল। তামিলনাডুর বিরুদ্ধে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল বাংলাকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে সেই অভিজ্ঞতার দ্বারস্থ হতে হল টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম একাদশে ফেরানো হল অনুষ্টুপ মজুমদারকে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিং বিজয় হাজারে ট্রফিতে লাইফ লাইন দিল বাংলাকে। ভিজেডি নিয়মে মুম্বইকে ৬৭ রানে হারিয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল বাংলা। শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে বড় ব্যবধানে হারালে পরের রাউন্ডের টিকিট মিলতেও পারে সুদীপ চ্যাটার্জিদের। তবে অনেক অঙ্কের সামনে পড়তে হবে বাংলাকে।রবিবার বাংলামুম্বই ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই। যে দল হারবে, প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে। এই পরিস্থিতিতে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠায় মুম্বই। মরণবাঁচন ম্যাচে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিল বাংলা। শ্রীবৎস গোস্বামীকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। তাঁর পরিবর্তে দলে আসেন শুভঙ্কর বল। কাইফ আমেদ, সুমন্ত গুপ্তর বদলে প্রথম একাদশে অনুষ্টুপ মজুমদার ও রনজোৎ সিং খৈরা। এতদিন তাঁকে বসিয়ে রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল করেছিল, প্রমাণ করে দিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার।শ্রীবৎসর পরিবর্তে এদিন অভিষেক দাসের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ব্যাটিং অর্ডার বদলেও ছন্দে ফিরতে পারলেন না বাংলার অধিনায়ক। ৫ রান করে মোহিত অবস্তির বলে বোল্ড হন সুদীপ। এরপর ব্যাট হাতে বাইশ গজে আবির্ভাব অনুষ্টুপ মজুমদারের। আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুজনেই। ১০ ওভারেই ৮০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। এরপর আবার ধাক্কা। ৩৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন অভিষেক। ব্যাটিং অর্ডারে এগিয়ে আসা ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (৪) ব্যর্থ। শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অনুষ্টুপ। ৫২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন তিনি। ৩৫.৫ ওভারে ২০০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। ১১০ বলে সেঞ্চুরি করেন অনুষ্টুপ। শেষ পর্যন্ত ১২২ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। শাহবাজের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১২৯। এই জুটিই বাংলার বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।অনুষ্টুপ আউট হওয়ার পর ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান শাহবাজ। ৯৫ বলে ১০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। মোহিত অবস্তিকে ৬ মেরে পরের বলেই আউট হন শাহবাজ (১০৬)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৮ রান তোলে বাংলা। ২৭ বলে ৩৩ রান করেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি।জয়ের জন্য ৩১৯ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না মুম্বইয়ের সামনে। মুম্বইয়ের ব্যাটিংও তেমন শক্তিশালী নয়। একমাত্র ভরসা সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু মুম্বই ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ৩৪ বলে ৪৯ রান করে তিনি প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে স্টাম্পড হন। তার আগেই আউট হন যশস্বী জয়সোয়াল (১৯) ও আকারশীট গোয়েল (৩৩)। আরমান জাফর করেন ৪৭। ৪১ ওভারে মুম্বই ৮ উইকেটে ২২৩ রান করার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভিজেডি নিয়মে ৬৭ রানে জেতে বাংলা। বাংলার হয়ে প্রদীপ্ত প্রামানিক ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 44
  • ...
  • 73
  • 74
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal