• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগান

বিদেশি ক্লাবের জার্সি গায়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ হল না সন্দেশ ঝিংগানের। আবার ফিরতে হল সেই দেশের ক্লাবেই। পুরনো ক্লাব এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে চলতি মরশুমে আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে দেশের সেরা এই ডিফেন্ডারকে।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকেরগত মরশুম শেষে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচ এন কে সিবনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিংগান। সিবনিকে যোগ দেওয়ার সময় বলেছিলেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। কিন্তু সেই সুযোগই পেলেন না সন্দেশ। ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার পর একটা ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি এই ভারতীয় ডিফেন্ডার। কয়েকটা ম্যাচে অবশ্য রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন। মরশুমের শেষের দিকে আবার চোটের কবলে পড়েন সন্দেশ। চোট সারানোর জন্য তিনি দেশে ফিরে আসেন। নিজের ব্যক্তিগত ফিজিওর কাছে চিকিৎসা শুরু করেন। ফিট হওয়ার পর এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাসবুজমেরুণ কর্তারা একজন ভাল মানের ডিফেন্ডারের খোঁজে ছিলেন। হাবাস দায়িত্বে থাকার সময় দীপক টাংরিকে স্টপারে খেলাচ্ছিল। বেশ কয়েকটা ম্যাচে দলকে ডুবিয়েছেন দীপক। তাই সন্দেশ ঝিংঘানকে ফেরাতে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা রাজি হয়ে যান। বাগান কর্তারা সন্দেশকে দলে নেওয়ার আগে কোচ জুয়ান ফেরান্দোর সঙ্গে কথা বলেন।আরও পড়ুনঃ হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালির দোকান?ট্র্যান্সফার-ফি দিয়ে সন্দেশকে নিতে রাজি ছিলেন না এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তাঁরা সন্দেশকে বলেন সিবনিক থেকে রিলিজ নিয়ে আসতে। সিবনিকের কর্তাদের কাছে রিলিজ চান সন্দেশ। রিলিজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি করে জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েন। বৃহস্পতিবারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়লেও পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। কারণ এটিকে মোহনবাগানের পরের ম্যাচ ৮ জানু্যারি ওড়িশা এফ সির বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের আগে সন্দেশ ঝিংঘানের কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হবে না। ১৫ জানুয়ারি বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে অবশ্য তাঁর মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা হবে না।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ১২ সেকেন্ডের গোল, ভেঙে গেল ৪৫ বছরের পুরনো রেকর্ড, তবু সবুজমেরুনকে জেতাতে ব্যর্থ উইলিয়ামস

কোচ বদল অনেক অনেক সময় দলের পারফরমেন্সের ওপর দারুণ প্রভাব ফেলে। ফুটবলারদের মানসিকতাই বদলে দেয়। যেমন বদলে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগান শিবিরকে। আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের জায়গায় জুয়ান ফেরান্দো দায়িত্ব নেওয়ার পরই অন্য এটিকে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই সবুজমেরুণ শিবিরকে জয়ে ফিরিয়েছিলেন ফেরান্দো। পরপর দুম্যাচ জয়ের পর হায়দরাবাদ এফসির কাছে আটকে গেলেন। ম্যাচের ফল ১১।আরও পড়ুনঃ কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমানএদিন ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। সেন্টার হওয়ার পর একটা সেন্টার উড়ে আসে হুগো বোমাসের কাছে। তাঁর ব্যাকহিল ধরে ডান পায়ের দুরন্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। শটে এতটাই জোর ছিল হাত লাগিয়েও বাঁচাতে পারেননি হায়দরাবাদ এফসি গোলকিপার। ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ১২ সেকেন্ড। ভারতীয় ক্লাব ফুটবলে এটাই দ্রুততম গোল। এর আগে ১৯৭৬ সালে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডার্বিতে ১৭ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন মহম্মদ আকবর। সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন ডেভিড উইলিয়ামস। একই সঙ্গে আইএসএলেও দ্রুততম গোলের মালিক হয়ে গেলেন। আইএসএলে দ্রুততম গোল করার রেকর্ড এতদিন ছিল জেরি মাওউইমিংথাঙ্গার দখলে। ২০১৮ সালে জামশেদপুর এফসির হয়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ২৩ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন জেরি।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রীশুরুতে গোল করেও লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। ১৮ মিনিটে সবুজমেরুণ গোলকিপার অমরিন্দার সিংয়ের ভুলে সমতা ফেরায় হায়দরাবাদ এফসি। ডানদিক থেকে ভেসে আসা সেন্টার ক্লিয়ার করতে গিয়ে হায়দরাবাদের ওগবেচের সামনে ফেলে দেন অমরিন্দার। বাঁপায়ের ছোট্ট টোকায় বল জালে পাঠান ওগবেচে। ২৬ মিনিটে আরও একবার ওগবেচের সামনে বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন অমরিন্দার। এবার অবশ্য গোল করতে ব্যর্থ হন ওগবেচে। প্রথমার্ধের শেষদিকে মারাত্মক চোট পেয়ে বেরিয়ে যান এটিকে মোহনবাগানের কার্ল ম্যাকহিউ। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন জনি কাউকো।আরও পড়ুনঃ জ্বলে উঠলেন পুজারারাহানে, তবু জোহানেসবার্গে ব্যাকফুটে ভারতদ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ প্রতি আক্রমণে ম্যাচ দারুণ জমে উঠেছিল। দুই দলই গোল করার মতো সুযোগ পেয়েছিল। তবে হায়দরাবাদ এফসির থেকে এটিকে মোহনবাগান বেশি সুযোগ পেয়েছিল। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামস, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ৬৪ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের পাস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে আবার এগিয়ে দেন জনি কাউকো। ৩ মিনিট পরেই দিনের সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন লিস্টন কোলাসো। এরপরই সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে হায়দরাবাদ এফসি। ম্যাচের ৯০ মিনিটে জেভিয়ার সিভেরিও সমতা ফেরান। ড্র করে ১০ ম্যাচে ১৭ পয়েন্টে শীর্ষে থাকল হায়দরাবাদ এফসি। ১৬ পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে এটিকে মোহনবাগান।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : জ্বলে উঠলেন পুজারা–রাহানে, তবু জোহানেসবার্গে ব্যাকফুটে ভারত

টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর জন্য এটাই ছিল চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানের কাছে শেষ সুযোগ। ব্যর্থ হলেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসত এই দুই ভারতীয় মিডল অর্ডার ব্যাটারের টেস্ট জীবনে। প্রবল চাপের মুখে জ্বলে উঠলেন পুজারা ও রাহানে। তাঁদের ১১১ রানের জুটি শুধু নিজেদের টেস্ট কেরিয়ারে লাইফলাইন এনে দিল না, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের জয়ের পথও প্রশস্ত করে দিয়েছিল। শেষ বেলায় ভারতকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিলেন এলগার ও ডুসেন। জয়ের জন্য ২৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১১৮/২। বাকি দায়িত্ব এখন ভারতীয় বোলারদের হাতে।আরও পড়ুনঃ বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগেরআগের দিনের ৮৫/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর ইনিংসে অনেক ইতিবাচক ছিলেন পুজারা। দিনের প্রথম ঘন্টাতেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেন ভারতের দুই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬২ বলে ৫০ রানে পৌঁছে যান পুজারা। বিদেশের মাটিতে এটাই তাঁর দ্রুততম অর্ধশতরান। রাবাডা, এনগিডিদের বিরুদ্ধে একেবারে চরিত্রবিরোধী ব্যাটিং করে গেলেন পুজারা। আসলে টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর চাপেই তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। অবশেষে ৮৬ বলে ৫৩ রান করে রাবাডার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান পুজারা। তাঁর এই লড়াকু ইনিংস আপাতত বাঁচিয়ে দিল টেস্ট কেরিয়ার।আরও পড়ুনঃ কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমানপুজারার পাশাপাশি অজিঙ্কা রাহানের কথাও বলতে হবে। তিনিও প্রবল চাপের মুখে ছিলেন। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ইনিংসে রান না পেলে পুজারার মতো তাঁরও টেস্ট কেরিয়ার শেষ হয়ে যেত। জ্বলে উঠলেন রাহানে। ৭৮ বলে ৫৮ রান করে শুধু টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর লাইফলাইন পেলেন না, ভারতকে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দিল। পুজারা ও রাহানের ১১১ রানের জুটি ভারতে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেয়। তবে হনুমা বিহারী (অপরাজিত ৪০), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (১৬), শার্দূল ঠাকুরদের (২৮) লড়াই ভারতকে ২৬৬ রানে পৌঁছে দেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৭ রানে, লুঙ্গি এনগিডি ৪৩ রানে ও মার্কো জানসেন ৬৭ রানে ৩টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রীপ্রথম ইনিংসে ২৭ রানে এগিয়ে থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪০। দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল শুরু করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার এইডেন মার্করাম ও ডিন এলগার। চা পানের বিরতির আগেই ৭ ওভারে দুজনে তোলেন ৩৪। তৃতীয় সেশনের শুরুতেই ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে। মার্করামকে (৩১) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল ঠাকুর। এরপর এলগারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কিগান পিটারসেন। পিটারসেনকে (২৮) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন অধিনায়ক ডিন এলগার (অপরাজিত ৪৬) ও ভ্যান ডার ডুসেন (অপরাজিত ১১)। জিততে গেলে প্রোটিয়াদের এখনও তুলতে হবে ১২২। হাতে ৮ উইকেট।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bangladesh Win: ইতিহাস গড়ে মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের ড্রেসিংরুমে বেঙ্গল টাইগারদের গর্জন, ভিডিও ভাইরাল

মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের ড্রেসিংরুমে একঝাঁক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন। মোমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, এবাদত হোসেনদের কন্ঠে আমরা করব জয় একদিন। টেস্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট জয় স্বপ্ন বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ শিবিরে।আরও পড়ুনঃ টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে রূপকথা বাংলাদেশেরভোরের আলো ফোটার আগেই দেশবাসী টিভির সামনে। ইতিহাসের সাক্ষী থাকার অপেক্ষায়। মোমিনুলরা জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছনোর পরই আবেগে ভেসে যান কোটি কোটি বাঙালী। এতো গেল দেশের কথা। মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের ড্রেসিংরুমে অন্য ছবি। ধরা পড়েছে বাঙালির আবেগ। মোমিনুল, মুশফিকুরদের কন্ঠে আমরা করব জয় একদিন। আগামীর শপথ। হার না মানা জেদের বহিঃপ্রকাশ। টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস তৈরির সূচনা নিউজিল্যান্ডের মাটিতেই যেন তৈরি করলেন মোমিনুলরা। নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে নতুন প্রভাতের দিশা দেখালেন।Bangladesh Team dressing room celebrations following the historic win at Mount Maunganui.#BCB #cricket #BANvsNZ pic.twitter.com/78pGFQ30wP Bangladesh Cricket (@BCBtigers) January 5, 2022টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বসেরাদের তাদের মাটিতেই হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করে আবেগে ভাসছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। একসময় ভলি খেলতেন। সেখান থেকে ক্রিকেটে উত্তরন এবাদত হোসেনের। বাংলাদেশের জয়ের নায়ক তিনিই। ম্যাচের সেরা এবাদত হোসেন বলছিলেন, আমি বাংলাদেশ বায়ুসেনার একজন সৈনিক। কীভাবে স্যালুট করতে হয় জানি। ভলিবল খেলোয়াড় থেকে টেস্ট ক্রিকেটার হওয়ার পেছনে লম্বা ইতিহাস রয়েছে। গত ১১ বছরে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আমরা কখনও জিতিনি। আমাদের দলও কখনও জেতেনি। কিন্তু নিউজিল্যান্ড আসার আগে আমরা একটা লক্ষ্য স্থির করে নিয়েছিলাম। আমরা প্রত্যেকেই হাতে হাত মিলিয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আমাদের জিততেই হবে। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আমরা এটা করে দেখাতে পারি। সেটাই করে দেখিয়েছি। এবাদত আরও বলেন, আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়েছি। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মও আশা করছি জিতবে।আরও পড়ুনঃ গাঙ্গুলি পরিবারে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত সৌরভের কন্যা সানাটেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়েছেন, বিশ্বাসই করতে পারছেন না বাংলাদেশের অধিনায়ক মোমিনুল হক। তিনি বলেন, আমার কাছে সত্যিই অবিশ্বাস্য লাগছে। এই জয় আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। আগের রাতে ঘুমাতে পারিনি। কী হবে এটা ভেবেই টেনশনে ছিলাম। গত দুবছরে আমরা খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলিনি। আমরা টেস্ট ক্রিকেটে উন্নতি করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav-Sana : গাঙ্গুলি পরিবারে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত সৌরভের কন্যা সানা

করোনা আতঙ্কে থরহরিকম্প গোটা দেশ। ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ আরও বেশি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কিছুদিন আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। এবার করোনায় আক্রান্ত তাঁর মেয়ে সানা গাঙ্গুলি। একই সঙ্গে আক্রান্ত সৌরভের কাকা তথা সিএবির কোষাধ্যক্ষ দেবাশিস গাঙ্গুলি, খুড়তুতো ভাই শুভ্রদীপ গাঙ্গুলি ও ভ্রাতৃবধু জুঁই গাঙ্গুলি।বেশ কিছুদিন ধরে লন্ডনে ছিলেন সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলি ও সানা গাঙ্গুলি। লন্ডনে বড়দিনের ছুটি কাটিয়ে কয়েকদিন আগে দেশে ফিরেছেন। বাড়িতে ফেরার পর কয়েকদিন ধরে সামান্য অসুস্থ ছিলেন সানা গাঙ্গুলি। হালকা জ্বর ছিল। করোনার অন্যান্য উপসর্গও দেখা যায়। এরপরই তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়। মঙ্গলবার রাতে সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সানার পাশাপাশি ডোনা এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়। সৌরভের খুড়তুতো ভাই শুভ্রদীপ গাঙ্গুলি, ভ্রাতৃবধু জুঁই গাঙ্গুলিরও রিপোর্ট পজিটিভ আসে। প্রত্যেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন।কিছুদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। সৌরভ আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন। সৌরভের করোনা ধরা পড়ার পরপরই পরিবারের বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। তখন সকলেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। সানা অসুস্থ বোধ করায় তাঁর পরীক্ষা করা হয়। দ্বিতীয়বার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সৌরভকে নিয়ে গাঙ্গুলি পরিবারে এই নিয়ে পাঁচজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এল। প্রত্যেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। সৌরভ, সানা করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলির রিপোর্ট অবশ্য নেগেটিভ এসেছে। গাঙ্গুলি পরিবারে আগেই সৌরভের দাদা স্নেহাশিস এবং মা নিরূপা গাঙ্গুলি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bangladesh vs New Zealand : ‌টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে রূপকথা বাংলাদেশের

বাংলাদেশের আকাশে তখনও সূর্য ওঠেনি। ফোটেনি ভোরের আলো। তবুও জেগে উঠেছিল আপামর কোটি কোটি বাঙালী। ইতিহাসের সাক্ষী থাকার অপেক্ষায়। দেশবাসীকে হতাশ করেননি মোমিনুল হকরা। মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে তৈরি করলেন রূপকথা। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্ট জিতে ইতিহাস বাংলাদেশের। কিউয়িদের ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেলেন মোমিনুলরা। বাংলাদেশের ইতিহাস তৈরির মূল কারিগর এবাদত হোসেন। ধুলোয় মিশে গেল টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সম্মান। টানা ১৭ ম্যাচ পর টেস্ট ক্রিকেটে অপরাজিত থাকার তকমা হারাল কিউয়িরা।বাংলাদেশর জয় যে সময়ের অপেক্ষা, চতুর্থদিন শেষবেলাতেই ইঙ্গিতটা পাওয়া গিয়েছিল। এবাদত হোসেনের দুরন্ত বোলিংয়ে ভেঙে পড়েছিল নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। চতুর্থ দিনের শেষে নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ১৪৭/৫। ক্রিজে ছিলেন রস টেলর ও রাচিন রবীন্দ্র। আগের দিন যেখানে শেষ করেছিলেন পঞ্চম দিন সকালে সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন বাংলাদেশর জোরে বোলার এবাদত হোসেন। এদিন কিউয়িদের প্রথম ধাক্কা দেন তিনিই। সকালেই রস টেলরকে (৪০) তুলে নেন। এক ওভার পরেই ফেরান কাইল জামেসনকে (০)। টেলর আউট হওয়ার পরপরই এটা পরিস্কার হয়ে যায় যে কিউয়িরা আর বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারবে না। নিউজিল্যান্ডের বাকি লেজটুকু ছাঁটেন তাস্কিন আমেদ ও মেহেদি হাসান। তাস্কিন তুলে নেন রাচিন রবীন্দ্র (১৬) ও টিম সাউদিকে (০)। অন্যদিকে মেহেদি হাসান ফেরান ট্রেন্ট বোল্টকে (৮)। ৭৩.৪ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। এবাদত হোসেন ৪৬ রানে ৬টি এবং তাস্কিন আমেদ ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন।প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড তুলেছিল ৩২৮। জবাবে বাংলাদেশ তুলেছিল ৪৫৮। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০। দ্বিতীয় ওভারেই সাদমান ইসলামকে (৩) তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম ধাক্কা দেন টিম সাউদি। দলের ৩৪ রানের মাথায় আউট হন নাজমুল হোসেন (১৭)। ততক্ষনে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৬.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান তুলে মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে ইতিহাস তৈরি করে ফেলেন মোমিনুলরা। মোমিনুল ১৩ ও মুশফিকুর রহিম ৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌ছন্দ ফিরল এসসি ইস্টবেঙ্গলে, তবু এগিয়ে গিয়েও জয় অধরা

অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংয়ের হাত ধরে ছন্দ ফিরল। কিন্তু জয় অধরাই থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। আইএসএলে ৯ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও জয়ের মুখ দেখল না লালহলুদ শিবির। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ভাল খেলেও আটকে গেল। এগিয়ে গিয়েও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। ম্যাচের ফল ১১।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনদায়িত্ব পেয়েই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেননি অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিং। বিদেশিদের ওপর বেশি ভরসা করেননি। মাত্র ২ জনকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন। ভারতীয় ফুটবলাররা হতাশ করেননি রেনেডিকে। রক্ষণে রাজু গায়কোয়াড়ের পরিবর্তে আদিল খান। মাঝমাঠে সৌরভ দাস, আক্রমণভাগে হাওকিপকে শুরু থেকে মাঠে নামান রেনেডি। আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে প্রথমবার মাঠে নেমেই ম্যাচের সেরা আদিল খান। জয় না এলেও এবারের আইএসএলে এত সুসংগঠিত ফুটবল এই প্রথম খেলল এসসি ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগএদিন ম্যাচের শুরু থেকে দুই দলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করছিল। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা বেশ জমে উঠেছিল। তারই মধ্যে ১৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। বেঙ্গালুরু এফসির রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে গিয়েছিলেন লালরিনলিয়ানা হামতে। বাঁদিক দিয়ে বক্সে ঢুকে যান। মাঝখান থেকে বক্সে পৌঁছে যান হাওকিপ। কে শট নেবেন দোটানা করতেই বেঙ্গালুরু এফসির ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করে দেন। ২৮ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডানদিক থেকে লুয়াংয়ের ফ্রিকিক মাটিতে পড়ার মুখে দুরন্ত হেডে জালে পাঠান হাওকিপ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরু এফসি। ৫৬ মিনিটে রোশন নওরেমের ক্রস অঙ্কিত দাসের মাথায় লেগে লালহলুদের জালে জড়িয়ে যায়। ৮০ মিনিটে বক্সের মধ্যে খুব ভাল জায়গায় বল পেয়েছিলেন হাওকিপ। বল রিসিভ করতে পারলেই সামনে ফাঁকা গোল। কিন্তু বল রিসিভ করতে পারেননি। জয় অধরাই থেকে যায় লালহলুদের কাছে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারত

জোহানেসবার্গে সিরিজ জিতে কি ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? প্রথম ইনিংসে লোকেশ রাহুলরা ২০২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দিনে শার্দূল ঠাকুরের হাত ধরে দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত। জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল। তুলে নিলেন ৬১ রানে ৭ উইকেট। ভারতের ২০২ রানে জবাবে ২২৯ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৭ রানের বেশি লিড পেল না প্রোটিয়ারা।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগআগের দিনের ১ উইকেটে ৩৫ রানে হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম বল থেকেই দারুণ সতর্ক ছিলেন ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। যশপ্রীত বুমরার বলে এলগারকে একবার আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এলগার রিভিউ নিয়ে যে যাত্রায় বেঁচে যান। তার পরেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরারা সুবিধা করতে না পারায় শার্দূল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন লোকেশ রাহুল। এলগারকে (২৮) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনপ্রথম দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগেই ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটেছিল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেই একই অবস্থা। শার্দূল ঠাকুরের ধাক্কায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। উইকেটে জমে যাওয়া কিগান পিটারসেন (৬২) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন শার্দুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তেম্বা বাভুমা ও কাইল ভেরেইন। জুটিতে ওঠে ৬০। জুটি ভাঙতে সেই শার্দূলের দ্বারস্থ হন লোকেশ রাহুল। অধিনায়ককে হতাশ করেননি শার্দূল। ভেরেইনকে (২১) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। এক ওভার পরেই তুলে নেন বাভুমাকে (৫১)। এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পরই বড় ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষদিকে মার্কো জানসেন (২১) ও কেশব মহারাজের (২১) সৌজন্যে ২২৯ রানে পৌঁছয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬১ রানে ৭ উইকেট নেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে এদিন একাই ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল ঠাকুর। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিসবেনে ৬১ রানে ৪ উইকেট নেওয়াটা ছিল টেস্ট জীবনের সেরা বোলিং। ওই টেস্টে দুইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন শার্দূল। ব্রিসবেনে ভারত টেস্ট জিতেছিল। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাটিংয়েও দারুণ অবদান রেখেছিলেন। জোহানেসবার্গ টেস্টে তাঁর খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর পরিবর্তে উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভেবেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত শার্দূলেই আস্থা রাখে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ২ উইকেটে ৮৫। লোকেশ রাহুল ৮ রান করে মার্কো জানসেনের বলে আউট হন। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ২৩ রান করে আউট হন। চেতেশ্বর পুজারা ৩৫ ও অজিঙ্কা রাহানে ১১ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bangladesh VS New Zealand : টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ?‌ সামনে সুবর্ণ সুযোগ

টি২০ বিশ্বকাপে জঘন্য পারফরমেন্সের কারনে বাংলাদেশ দলকে নিয়ে দেশে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল। বিশ্বকাপে চূড়ান্ত ব্যর্থতার পর লাল বলের ক্রিকেটে উল্টোপুরান। নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে ইতিহাস তৈরির হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় নিউজিল্যান্ড। মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে অনুষ্ঠিত দুদেশের মধ্যে প্রথম টেস্টে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। ডেভন কনওয়ের ১২২ রানের উপর ভর করে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে তোলে ৩২৮। জবাবে বাংলাদেশ তোলে ৪৫৮। তৃতীয় দিনের শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৬ উইকেটে ৪০১। বাকি ৪ উইকেট হারিয়ে এদিন ৫৭ রান যোগ করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন মোমিনুল হক। তিনি করেন ৮৮। লিটন দাস করেন ৮৬। ট্রেন্ট বোল্ট ৮৫ রানে ৪ উইকেট নেন। নিল ওয়াগনার নেন ৩ উইকেট। ১৩০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউয়িরা। ১৪ রান করে ফিরে যান অধিনায়ক টম লাথাম। প্রথম ইনিংসে শতরানকারী ডেভন কনওয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যর্থ। মাত্র ১৪ রান করে তিনি এবাদত হোসেনের বলে আউট হন। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন উইল ইয়ং ও রস টেলর। দিনের শেষ বেলায় আবার জ্বলে ওঠেন এবাদত হোসেন। ধস নামান নিউজিল্যান্ড শিবিরে। ৫৪ তম ওভারের তৃতীয় বলে তুলে নেন উইল ইয়ংকে। ১৭২ বলে ৬৯ রান করে তিনি আউট হন। ২ বল পরেই এবাদত ফেরান হেনরি নিকোলসকে (০)। এক ওভার পরে টম ব্লান্ডেলকে (০) তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে গভীর সঙ্কটে ফেলে দেন। ১৩৬ রানেই ৩টি উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। দিনের শেষে তাদের সংগ্রহ ১৪৭/৫। ক্রিজে রয়েছেন রস টেলর (৩৭) ও রাচিন রবীন্দ্র (৬)। দুই ইনিংস মিলিয়ে নিউজিল্যান্ড ১৭ রানে এগিয়ে। ৩৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এবাদত হোসেন। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে এই টেস্ট জিতে ইতিহাস তৈরি করতে পারে বাংলাদেশ।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Laxmi Ratan Shukla : ‌করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন?‌ জানতে পড়ুন

বঙ্গ ক্রিকেটে আগেই হানা দিয়েছে করোনা। বাংলার রনজি দলের ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ারও করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তিনি আবার বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ দলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?দুদিন ধরে হালকা জ্বর ছিল লক্ষ্মীরতনের। সোমবার দুপুরে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রাতে রিপোর্ট পান লক্ষ্মী। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপর থেকেই আইসোলেশনে রয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ফোনে তিনি জানান, শরীর ভাল নেই। জ্বর আছে। বাড়িতেই আইসোলেশনে আছি। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলছি। আমার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও আমার পরিবারের বাকি সদস্যরা ঠিক আছে। তাদের কোনও সমস্যা নেই। সতর্কতা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, বুঝতে পারছে না লক্ষ্মী। এই কঠিন পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক থাকার ও করোনার নিয়মবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেছেন রাজ্যের এই প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার।আরও পড়ুনঃ রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড? বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘবাংলার সহকারী কোচ সৌরাশিষ লাহিড়ীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। রবিবার রাতে তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। এখন বাড়িতেই রয়েছেন সৌরাশিস। তিনি ফোনে জানান, আমার কোনও উপসর্গ নেই। তবে আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছি। আশা করছি দলের সঙ্গে রনজি খেলতে বেঙ্গালুরু যেতে পারব। শোনা যাচ্ছে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলেরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। একের পর এক ক্রিকেটার, কোচ, কর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় চিন্তার ভাঁজ নেমে এসেছে সিএবি কর্তাদের কপালে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?‌

ওয়ান্ডারার্সে ইতিহাসের হাতছানি ভারতীয় দলের সামনে। দ্বিতীয় টেস্ট জিতলেই দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পাবে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে চোটের জন্য ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি? যতই ফর্মে না থাকুন, কোহলির খেলা আর না খেলার মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। যেটা প্রমাণ হয়ে গেল জোহানেসবার্গে। ওয়ান্ডারার্সে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। ৬৩.১ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ২০২ রানে। সর্বোচ্চ রান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের।জোহানেসবার্গের উইকেট বরাবরই জোরে বোলারদের সহায়ক। যার ফায়দা তুলে নিলেন ডোয়েন অলিভিয়ের, মার্কো জানসেন, কাগিসো রাবাডারা। যদিও উইকেট দেখে শুরুর দিকে কিছুটা ফ্ল্যাট মনে হয়েছিল। টসে জিতে লোকেশ রাহুল ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভাল শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩৬। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২৬) তুলে নেন মার্কো জানসেন। ক্রিজে নেমে সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন চেতেশ্বর পুজারা। মাথার ওপর বাদ যাওয়ার খাঁড়া ঝুলছে। চাপ নিতে পারলেন না। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে বাভুমার হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুজারা (৩)। পরের বলেই খোঁচা দিয়ে ড্রেসিংরুমের পথে অজিঙ্ক রাহানে (০)। নিজেদের টেস্ট কেরিয়ার বাঁচাতে আর মাত্র একটা ইনিংস সুযোগ পাবেন ভারতীয় দলের এই দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার।বিরাট কোহলি চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন হনুমা বিহারী। কারণ শ্রেয়স আয়ারও অসুস্থ। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিহারী। ব্যক্তিগত ২ রানের মাথায় একবার জীবন পেয়ে ৫৩ বলে ২০ রান করে রাবাডার বলে আউট হন। ঋষভ পন্থ ১৭ রান করে মার্কো জানসেনের ভেতরে ঢুকে আসা বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।নেতৃত্বের ব্যাটন দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দিয়েছিল লোকেশ রাহুলের। শুরু থেকেই সতর্কভাবে ব্যাট করে দলকে টানছিলেন। অর্ধশতরান পূরণ করার পর মনসংযোগ হারান। মার্কো জানসেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে কাগিসো রাবাডার হাতে ধরা পড়েন। ১৩৩ বলে ৫০ রান করেন লোকেশ রাহুল। লোকেশ রাহুল আউট হওয়ার পরই ভারতের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। পরের দিকে সঙ্গী পাবেন না ভাবেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫০ বলে ৪৬)। তাঁর ও যশপ্রীত বুমরার (অপরাজিত ১৪) সৌজন্যে ২০০ রানের গন্ডি পার হয় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মার্কো জানসেন ৩১ রানে ৪টি, কাগিসো রাবাডা ও ডোয়েন অলিভিয়ের ৬৪ রানে ৪টি করে উইকেট পান।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : বেঙ্গালুরু–র বিরুদ্ধে প্রথম জয় পাবে এসসি ইস্টবেঙ্গল?‌ কী বললেন অন্তর্বতীকালীন কোচ রেনেডি সিং

৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। আইএসএলে এখনও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। ৪টি জয়, ৪টি ড্র। ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে সবার শেষে অবস্থান লালহলুদ শিবিরের। এর মধ্যে অনেক ঝড় বয়ে গেছে। একম্যাচ আগে রেফারিকে ধাক্কা মেরে নির্বাসনের কবলে দলের সেরা ফুটবলার আন্তোনীও পেরোসেভিচ। কর্তাদের চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন হেড কোচ মানোলো দিয়াজ। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে আপাতত দায়িত্বে রেনেডি সিং। নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে নতুন বছরে আলোর দিশা খুঁজতে চাইছে লালহলুদ শিবির। মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে বেঙ্গালুরু এফসি।মানোলো দিয়াজের পরিবর্তে নতুন কোচ ইতিমধ্যেই নিয়োগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। নতুন কোচ মারিও রিভেরার কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে দলের দায়িত্ব নিতে আরও কয়েকটা ম্যাচ কেটে যাবে। অন্তরবর্তীকালীন কোচ হিসেবে মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে অগ্নিপরীক্ষায় নামছেন রেনেডি সিং। দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ। লালহলুদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোচকে আশায় রাখছে আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলের ছন্দে ফেরা। জয় না এলেও আগের ম্যাচে যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছিল লালহলুদ ব্রিগেড। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে সেই ছন্দটাই ধরে রাখতে চান রেনেডি সিং।আরও পড়ুনঃ কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?তবে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে কাজটা যে বেশ কঠিন সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ। ম্যাচটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখছেন। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সামনে কঠিন কাজ। এসসি ইস্টবেঙ্গল এই মুহূর্তে যে জায়গায় রয়েছে, সেখানে কেউই থাকতে চায় না। আমাদেরও ভাল কিছু করার ক্ষমতা আছে। আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিচ্ছি। যদি ম্যাচের শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে পারি, তাহলে ভাল কিছু করা সম্ভব।খেলোয়াড় জীবনেও অনেকবার খারাপ সময়ের মধ্যে পড়েছেন। ঘুরেও দাঁড়িয়েছেন। সেই কথাই উঠে এসেছে রেনেডি সিংয়ের কথায়। তিনি বলেন, ১৯ বছরের ফুটবল জীবনে অনেক ওঠা পড়া দেখেছি। একজন খেলোয়াড়ের পক্ষে এইরকম হওয়াটা স্বাভাবিক। দলের সাপোর্ট স্টাফ, সদস্যরা খারাপ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে গেলে চলবে না। ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। দল হিসেবে পরিশ্রম করলে আশা করছি আমরা ভাল ফল করব। গত মরশুমেও আমাদের এ রকম হয়েছিল। এখন কোচদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমি তো বললামই এটা কঠিন চ্যালেঞ্জ এবং এই চ্যালেঞ্জটা আমি পছন্দ করি। শেষ পর্যন্ত লড়ব। তবে চ্যালেঞ্জ জিততে গেলে পুরো দলকেই একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আশা করি ছেলেরা তৈরি আছে।আরও পড়ুনঃ রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড? বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘনির্বাসনের কারনে আন্তোনীও পেরোসেভিচকে এই ম্যাচেও পাবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। জ্যাকিচাঁদ সিং, ফ্রাঞ্জো পিরেস, ড্যারেন এখনও পুরোপুরি চোটমুক্ত নন। অর্থাৎ তিন বিদেশিকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। রাজু গায়কোয়াড়ের জায়গায় প্রথম একাদশে খেলানো হতে পারে আদিল খানকে। এছাড়া আরও কয়েকটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : কেন জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি?‌ জানুন গোপন রহস্য

জোয়ানেসবার্গে লোকেশ রাহুলকে টস করতে যেতে দেখেই অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। বিরাট কোহলি কোথায়? বিতর্কে জেরবার হয়ে তিনি কি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন? ওয়ান্ডারার্সে টেস্ট জিতলেই ইতিহাস তৈরি হবে। এই রকম পরিস্থিতিতে কিনা প্রথম একাদশ থেকে সরে দাঁড়ালেন অধিনায়ক! আসল কারণটা জানা গেল ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের মুখে। পিঠের ওপরের দিকে ব্যাথার জন্য বিরাট কোহলি খেলতে পারছেন না। তিনি ফিজিওর পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।বিরাট কোহলি জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সত্যিই কি তিনি চোটে কাবু? না, ব্যর্থতার আতঙ্কে সরে গেলেন। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। আগের টেস্টে যেভাবে আউট হয়েছেন, তা নিয়ে সমালোচনার বন্যা বয়ে গেছে। ওয়ান্ডারার্সের সবুজ উইকেটে যদি আবার ব্যর্থ হন। সেই আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে অন্য কারণ জোরালোভাবে সামনে এসে পড়েছে।জোহানেসবার্গে মাঠে নামলে ৯৯ তম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কেপটাউনে শততম টেস্ট খেলতে নামতেন। কিন্তু জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শততম টেস্ট খেলতে হচ্ছে না বিরাট কোহলিকে। দক্ষিণ আফ্রিকার পর ভারত টেস্ট সিরিজ খেলবে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুর্বল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফর্মে ফেরার দারুণ সুযোগ পাবেন কোহলি। একদিকে ফর্মে ফেরার সুযোগ, অন্যদিকে ঘরের মাঠে শততম টেস্ট খেলার হাতছানি। এইরকম সুযোগ কেউ কি হাতছাড়া করতে চাই? এই প্রশ্নটাই জোরালো হয়ে দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, ঘরের মাঠে দুর্বল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বড় ইনিংস খেলে শততম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে চান বিরাট কোহলি। তাই পিঠের ব্যাথার অজুহাতে জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন বিরাট কোহলি।কোহলির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে কয়েকদিন আগেই বিরাট কোহলির বক্তব্য খন্ডন করেছেন নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা। তারপর কোহলি জোহানেসবার্গ থেকে সরে দাঁড়ালেন। তাহলে কি অভিমানেই অধিনায়কের এই সিদ্ধান্ত। কোহলি সরে দাঁড়ানোয় দ্বিতীয় টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। সহঅধিনায়কের দায়িত্বে যশপ্রীত বুমরা। আর কোহলির পরিবর্তে প্রথম একাদশে হনুমা বিহারী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ranji Trophy : ‌রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড?‌ বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘ

করোনার বাড়বাড়ন্তে এবছরও স্থগিত হয়ে যাবে না তো রনজি ট্রফি? দেশের এই কুলীন প্রতিযোগিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার বাতাবরণ। যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে তাতে চিন্তার ভাঁজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের কপালে। চিন্তা আরও বাড়িয়েছে বাংলা রনজি দলের ৭ জন ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে।রনজির জন্য বেশ কয়েকদিন আগেই বাংলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠে অনুশীলন করছিল বাংলা শিবির। এর মাঝেই বাংলা দলের সব সদস্যের করোনা পরীক্ষা করা হয়। রবিবার রাতে রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে দেখা যায় ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এই ৬ ক্রিকেটারের মধ্যে রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাজি জুনাইদ সইফি, গীত পুরি, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত যাদব। এদের সঙ্গে সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীর রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই জরুরি ভিত্তিতে রবিবার রাতেই বৈঠকে বসেন সিএবি কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ক্রিকেট, জেলা ক্রিকেট স্থগিত রাখা হবে। পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে মঙ্গলবার অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই স্থানীয় ক্লাব ক্রিকেটের ভবিষ্যত ঠিক করা হবে।অনুষ্টুপ মজুমদার, সৌরাশিস লাহিড়ীদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও কারও কোনও উপসর্গ নেই। শনিবার সব ক্রিকেটারই প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। কারও সমস্যা দেখা যায়নি। কিন্তু আরটিপিসিআর(RTPCR) পরীক্ষার পর জানা যায় দলের ৭ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত। বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় চিন্তায় পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে বিজয় হাজারে ট্রফি শুরুর আগে মুম্বই দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়েছিল বাংলা।রনজির ট্রফির প্রস্তুতির জন্য বাংলা দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলাতে আজই কলকাতায় আসার কথা ছিল মুম্বইয়ের। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা। প্রথমটা ৪৫ জানুয়ারি, দ্বিতীয়টা ৬৭ জানুয়ারি। কিন্তু বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় মুম্বই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করেছে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে কিনা, তা এখনও মুম্বইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।এবছর রনজি শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। দেশে হু হু করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আদৌও রনজি ট্রফি আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। কলকাতাতেও একটা গ্রুপের খেলা হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় রনজি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত বোর্ড কর্তারাও।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bright Enobakhare: কলকাতায় ফিরছেন ব্রাইট এনবাখারে? কোন ক্লাবে জানতে পড়ুন

আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে ব্রাইট এনবাখারেকে? তেমন সম্ভাবনা প্রবল হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে পুরনো ক্লাব এসসি ইস্টবেঙ্গলে নয়, লালহলুদের চিরশত্রু এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যেতে পারে ব্রাইট এনবাখারেকে। একই সঙ্গে সন্দেশ ঝিংঘানেরও এটিকে মোহনবাগানে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে।অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ফিনল্যান্ডের জনি কাউকোকে দলে নিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে মোহভঙ্গ হয়েছে সবুজমেরুন কর্তাদের। দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে তাঁকে ছেড়ে দিয়ে ব্রাইট এনবাখারেকে দলে নিতে চায় এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডের ক্লাব কোভেন্ট্রি সিটিতে খেলছেন ব্রাইট। উলভারহ্যাম্পটনের প্রাক্তন ফরওয়ার্ডকে পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইয়ান এফসি এবং এফসি গোয়াও। এই তিন দলকে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান।ব্রাইটের প্রতি আগেও নজর ছিল এটিকে মোহনবাগানের। গত মরসুমেও পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে ছিল এটিকে মোহনবাগান। পরফরম্যান্স ভাল হলে চুক্তি বাড়িয়ে ২০২৪ পর্যন্ত করা হবে বলে নাইজেরীয় ফরওয়ার্ডের এজেন্টকে জানিয়েছেন সবুজমেরুন কর্তারা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের হাত ধরে ভারতীয় ফুটবলে পা রেখেছিলেন ব্রাইট। তাঁর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল লালহলুদের। সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল তাঁর। এই মরসুমে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে কিনা, ঠিক ছিল না। তাই লালহলুদের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে কোভেন্ট্রি সিটিতে যোগ দেন ব্রাইট। কিন্তু সেখানে খেলার সুযোগ না পেয়ে রিলিজ নিয়ে নেন।এদিকে চলতি বছরের আগস্টে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচএনকে সিবেনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিঙ্গান। চোটের জন্য মাঠে নামার সুযোগ পাননি। চোট সারাতে তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁকে ফেরানোর জন্য বাগান কর্তারা প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুন কর্তাদের প্রস্তাব ভাবাচ্ছে সন্দেশকে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India Vs SA: ওয়ান্ডারার্সে ‘‌ওয়ান্ডার’‌ ঘটাতে পারবে ভারত?‌ ইতিহাস তৈরির লক্ষ্যে নামছে কোহলি ব্রিগেড

সেঞ্চুরিয়ন নাকি দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্জয় ঘাঁটি। সেই মাঠেই প্রোটিয়াদের হারিয়ে সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ভারত। সোমবার থেকে জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যান দারুণ চমকপ্রদ। ৫টেস্টে একটাও হারেনি ভারত। ২টিতে জয়, তিনটি ড্র। ৪ বছর আগে এই জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সেই টেস্ট জিতেছিল বিরাট কোহলি ব্রিগেড। পয়া মাঠে ভারতের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট জিতলে ইতিহাস তৈরি করবে কোহলির দল। কারণ এর আগে কোনও ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সিরিজ জিতে ফেরেনি।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে সেঞ্চুরিয়নের মতো বাউন্স নেই। ভারতীয় ব্যাটারদের কাছে এটাই বাড়তি সুবিধা। এটাই স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভারতীয় শিবিরকে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ভারত প্রথম টেস্ট জিতেছিল ২০০৬ সালে। সেবার দলের অধিনায়ক ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। এবার তিনিই দলের হেড কোচ। জোয়ানেসবার্গে ভারতীয় ব্যাটাররা যে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি, সেকথা জানিয়েছেন দ্রাবিড়। তিনি বলেছেন, ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে বাউন্স কম। সেই কারণে ভারতীয় ব্যাটাররা এখানে ভাল খেলে। এখানকার উইকেট যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। তবে আমরা তৈরি। আশা করছি দল ভাল ক্রিকেট উপহার দিতে পারবে।প্রথম টেস্টে বোলাররা ভাল বোলিং করলেও প্রত্যাশাপূরণে ব্যাটাররা। চেতেশ্বর পুজারা, অজিঙ্ক রাহানে রান পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁদের বাদ দিয়ে প্রথম একাদশ ভাবছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে দ্রাবিড়ের কথায়। তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবেশে ব্যাট করা যথেষ্ট কঠিন। তাছাড়া দলের সবাই একসঙ্গে রান করবে, এটা ভাবাও ঠিক নয়। অনেকেই ভাল শুরু করে বড় ইনিংস খেলতে পারছে না। আশা করছি সামনের ম্যাচে ওরা বড় ইনিংস খেলবে।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে প্রচুর ঘাস রয়েছে। স্পিনারদের কার্যকরী ভুমিকা নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সেই কথা মাথায় রেখেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে ব্যাটিং শক্তি বাড়ানোর কথা ভাবছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে হনুমা বিহারীকে খেলানো হতে পারে। বিহারীকে খেলালে তিনি অফস্পিনও করতে পারবেন। শার্দূল ঠাকুরের জায়গায় উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India SA: জোহানেসবার্গে রানে ফিরবেন বিরাট কোহলি?‌ কী বললেন ভারতীয় দলের হেডস্যার

কয়েকদিন আগেই নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে বিরাট কোহলির সমালোচনা করেছিলেন জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা। জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে বিরাট কোহলির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর নেতৃত্বে ভূয়সী প্রশংসা করলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। শুধু পাশে দাঁড়ানোই নয়, কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করে দারুণ খুশি তিনি।ওয়ান্ডারার্সে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে রবিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, কোহলি দলকে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছে। মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজেকে দুর্দান্ত নেতা হিসেবে মেলে ধরেছে। ওর নেতৃত্বের জন্যই প্রথম টেস্টে আমরা ভাল জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি দারুণ খুশি।প্রায় ২ বছর হতে চলল বিরাট কোহলির ব্যাটে বড় রান নেই। সেঞ্চুরিয়নে দুই ইনিংসেই ভাল শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ। রাহুল দ্রাবিড়ের আশা জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্টেই বড় রানে ফিরবেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। দ্রাবিড় বলেন, কোহলি ভাল শেপে রয়েছে। দুই ইনিংসেই দারুণ শুরু করেছিল। কিন্তু বড় রান করতে পারেনি। ওকে নেটে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। ভাল ছন্দে রয়েছে। আশা করছি এই টেস্টেই রানে ফিরবে।একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব বিতর্কে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন বিরাট কোহলি। তা সত্ত্বেও ফোকাস হারাননি ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক। কোহলির এই মনোবলের প্রশংসা শোনা গেছে ভারতীয় দলের হেডস্যারের মুখে। কোহলি সম্পর্কে দ্রাবিড় বলেন, গত ২০ দিন ধরে বিতর্কের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে কোহলিকে। ওকে নিয়ে নানা কথা উঠেছে। তা সত্ত্বেও যেভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে, এককথায় অসাধারণ। দলকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রথম টেস্টে দলকে জয় এনে দিয়েছে। দুটি টেস্টের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি কোহলি। কেপটাউনে জীবনের শততম টেস্ট খেলবেন। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি আসবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Vs SA: সেঞ্চুরিয়নে জিতেও সমস্যায় ভারত, কেন পয়েন্ট কাটা গেল কোহলিদের?‌

সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পের্টস পার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ হিসেবে পরিচিত। সেই মাঠেই প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে ভারত। তিনটি টেস্ট খেলে প্রথম জয়। সেঞ্চুরিয়নে জিতেও অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারত। বিরাট কোহলিদের বুকে কাঁটার মতো বিঁধছে পয়েন্ট কাটা। মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১ পয়েন্ট কাটা গিয়েছে ভারতীয় দলের। একই সঙ্গে দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারের ম্যাচ ফি কাটা গেছে ২০ শতাংশ করে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১ ওভার বল কম করেছিল ভারত। এর জন্য জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে গোটা দলকে। তবে বড় ধাক্কা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট কাটা যাওয়া। ২০২০ সালে মেলবোর্ন টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর বোলিংয়ের জন্য ৪ পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। এই পয়েন্ট কাটা যাওয়ার জন্য ভুগতে হয়েছিল অসিদের। যার জন্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারেননি টিম পাইনরা।ভারতের পয়েন্ট কাটা যাওয়ার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ১ পয়েন্ট কাটা গেছে বিরাট কোহলির দলের। নটিংহ্যাম টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য এই পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল। এই নিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে দ্বিতীয়বার পয়েন্ট কাটা গেল ভারতের। ভবিষ্যতে সতর্ক না হলে এর মাশুল দিতে হতে পারে বিরাট কোহলি ব্রিগেডকে। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী কোন দুটি দল ফাইনাল খেলবে তা ঠিক হয় সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেবের ভিত্তিতে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকলেও কিংবা নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ জিতলেও এই মুহূর্তে ভারতের ওপরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। করোনা পরিস্থিতিতে সব দেশ সমান সংখ্যক টেস্ট খেলতে পারছে না। ফলে সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেব কষেই পয়েন্ট তালিকার ক্রমপর্যায় ঠিক হচ্ছে। ফলে ওভার রেটের দিকে বাড়তি নজর রাখতে হবে বিরাটদের। ভবিষ্যতে পয়েন্ট কাটা গেলে সমস্যায় পড়তে হবে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Laxmi Ratan Shukla : বছরের প্রথম দিনে পায়ড়া উড়িয়ে কি বার্তা দিতে চাইলেন প্রাক্তন মন্ত্রী

বঙ্গ ক্রিকেটে পায়রা ওড়ানোর নেশা প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পালের রয়েছে সেকথা সকলেরই জানা। কিন্তু বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লাও যে পায়রাপ্রেমী, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। শিবশঙ্কর পালের মতো না হলেও কম নেই। নতুন বছরের শুরুতে একঝাঁক পায়রাকে রেখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আসলে পায়রা যে শান্তির প্রতীক।সময় পেলেই বাড়ির ছাদে পায়রা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন শিবশঙ্কর পাল। আগে খেলার সময় মাঠ থেকে বাড়ি ফিরেই পায়রাদের খাওয়ানো, আকাশে উড়িয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকা, অন্য জগতে চলে যেতেন বঙ্গ ক্রিকেটের ম্যাকো। লক্ষ্মীরতন অবশ্য সেদিকে ঝোঁক ছিল না। নিজে না পুষলেও বাড়ির ছাদে পায়রাকে খেতে দেওয়া তাঁর অনেকদিনের অভ্যেস। নতুন বছরের প্রথম দিন সেই ছবিও ধরা পড়েছে। আর বাড়ির ছাদে পায়রাদের খেতে দেওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা।সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ্মীরতন শুক্লার এই পোস্ট করা ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অসংখ্যা অনুরাগী যেমন লাইক করেছেন, অনেকেই আবার মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ আবার লক্ষ্মীরতনের এই পোস্ট করা ছবি শেয়ার করেছেন। লক্ষ্মীর পায়রার ছবি পোস্ট করার পেছনে অন্য কারণও আছে। পায়রা হল শান্তির প্রতীক। তাই এই ছবি পোস্টের মাধ্যমে নতুন বছরটা সকলকে সুখেশান্তিতে কাটানোর জন্য আর্জি জানিয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন অধিনায়ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Devon Conway : বিদেশ ও দেশের মাঠে জীবনের প্রথম টেস্টেই সেঞ্চুরি করে অনন্য নজির কনওয়ের

গত বছরের শেষ দিকটা একেবারেই ভাল যায়নি ডেভন কনওয়ের কাছে। টি২০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রান পাননি। ব্যর্থতায় এতটাই হতাশ হয়েছিলেন যে, ড্রেসিংরুমে ফিরে ব্যাট আছড়ে ফেলতে গিয়ে হাতে চোট পান। ফাইনালে খেলতে পারেননি। এমনকি ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন। পুরনো বছরের হতাশা কাটিয়ে নতুন বছরটা দারুণভাবে শুরু করলেন নিউজিল্যান্ডের এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেই দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে দলকে বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দিলেন। তাঁর সেঞ্চুরির সুবাদে প্রথম দিনের শেষে নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে তুলেছে ২৫৮।মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ে বাইশ গজ ঘাসে ভরা। টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ ওভারেই নিউজিল্যান্ডকে ধাক্কা দেন শরিফুল ইসলাম। তুলে নেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম লাথামকে (১)। এরপরই উইল ইয়ংকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান ডেভনন কনওয়ে। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে দেন এই দুই ব্যাটার। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে দুজনে মিলে তোলেন ১৩৮ রান। এরপর কনওয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ৫২ রান করে রান আউট হন ইয়ং। রস টেলর (৩১) খুব বেশিক্ষণ কনওয়েকে সঙ্গ দিতে পারেননি। তাঁকেও ফেরান শরিফুল ইসলাম। দলের ২২৭ রানের মাথায় মোমিনুল হকের বলে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কনওয়ে। ২২৭ বলে তিনি করেন ১২২। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১৬টি চার ও ১টি ছয়। জীবনের চতুর্থ টেস্টে সপ্তম ইনিংসে এটি কনওয়ের দ্বিতীয় শতরান। অভিষেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি লর্ডসে দ্বিশতরান করেছিলেন। টেস্টে তাঁর দুটি অর্ধশতরানও রয়েছে, ব্যাটিং গড় ৭১.৫৭। দেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরি করে দারুণ অনুভূতি কনওয়ের। কৃতিত্ব দিয়েছেন রস টেলরকে। কনওয়ে বলেন, ব্যাট করার সময় ক্রিজে রস টেলরের নানা ইতিবাচক পরামর্শে সেঞ্চুরি করেত পেরেছি। এই সেঞ্চুরি দীর্ঘদিন মণিকোঠায় থাকবে। চ্যালেঞ্জিং উইকেটের কথাও স্বীকার করেছেন কনওয়ে। তিনি বলেন, উইকেটে ঘাস আছে। সকালের দিকে ব্যাট করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। সকালের কঠিন সময় কাটিয়ে দিতে পারলে পরের দিকে ব্যাট করা সহজ হয়ে যাবে এটা জানতাম। সেটাই হয়েছে। দিনের শেষে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ২৫৮/৫। হেনরি নিকোলস ৩২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 41
  • ...
  • 73
  • 74
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal