• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

ডার্বি হেরেও গর্বিত লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা!‌ কেন?‌

একসময় আলেজান্দ্রোকে সরিয়ে মারিও রিভেরাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাত ধরেই আই লিগে দুঃসময় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এবারও আইএসএলে ঘুরে দাঁড়ানোয় আশায় সেই রিভেরার শরণাপন্ন হয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দায়িত্ব নিয়েই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জয়। কিন্তু পরের দুটি ম্যাচেই হার। লালহলুদ সমর্থকদের সবথেকে বেশি ধাক্কা দিয়ে গেছে ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে ৩১ ব্যবধানে পরাজয়। সারা ম্যাচে ভাল খেলেও কেন হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? ম্যাচের শেষ ২ মিনিটই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে দাবি করেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। রক্ষণ জমাট করে ডার্বিতে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ। লক্ষ্য ছিল প্রতিআক্রমণে গোল তুলে নেওয়া। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশি স্ট্রাইকারদের জ্বলে ওঠার সুযোগ দেননি আদিল খান, ফ্রাঞ্জো পর্চেরা। ড্যারেন সিডোয়েলের গোলে এগিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। হারলেও ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ডার্বিতে হারের পর তিনি বলেন, যে কোনও হারে হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তার ওপর ডার্বির মতো ম্যাচে হার। খুবই খারাপ লাগছে। তবে ফুটবলাররা যেভাবে গোটা ম্যাচ লড়াই করেছে, তাতে আমি গর্বিত। আমার পরিকল্পনা মতোই ওরা খেলেছে। দারুণ লড়াই করেছে।ডার্বিতে হারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দুটি কারণকে উল্লেখ করেছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, শুরুতেই অঙ্কিতের চোট সমস্যায় ফেলে দিল। রক্ষণে পরিবর্তন করা ছাড়া আমার আর অন্য কোনও উপায় ছিল না। অমরজিৎ কিয়াম দারুণ লড়াই করেছে। আমরা এগিয়ে যাওয়ার পর এটিকে মোহনবাগান সমতা ফেরায়। আমরা চেয়েছিলাম ১০ ফল ধরে রাখতে। কিন্তু ওরা দ্রুত সমতা ফেরায়। আর একটু দেরিতে প্রথম গোল করলে হয়তো আমরা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতাম। শেষ ২ মিনিটে ২ গোল করে আমার সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছিল। রিভেরা আরো বলেন, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ম্যাচটা ওপেন হয়ে গিয়েছিল। ওই সময় আমরা ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলাম। যদি ব্যবধান বাড়াতে পারতাম, তাহলে অন্যরকম ফল হত। হারলেও ফুটবলাররা গর্বিত করার খেলেছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না, ডার্বির নায়ক কিয়ানের লক্ষ্য কী?‌

ডার্বিতে দুরন্ত পারফরমেন্সের পরে অনেক ফুটবলার হারিয়ে গেছেন। অনেকেই বিস্মৃতির অন্তরালে। আসলে ফোকাসটা নড়ে যায়। শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে সতর্ক এটিকে মোহনবাগানের নতুন নায়ক কিয়ান নাসিরি। মাটিতেই পা রেখে চলতে চান সবুজমেরুণের এই নতুন স্ট্রাইকার। দলকে সাফল্য এনে দেওয়াটাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। ডার্বিতে গোল করাটা যে কোনও ফুটবলারের কাছেই স্বপ্ন থাকে। কোচ জুয়ান ফেরান্দো যখন তাঁকে মাঠে নামার জন্য ওয়ার্ম আপের কথা বলেছিলেন, স্বপ্ন দেখছিলেন মাঠে নেমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে বল ঢোকানোর। শুধু স্বপ্নপূরণই হয়নি, একেবারে হ্যাটট্রিক। কিয়ান বলেন, সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে ডার্বিতে গোল করার। আমিও মাঠে নামার আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম। সত্যি বলতে কী, ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করে আমি ঘোরের মধ্যে রয়েছি। আমি একজন উইঙ্গার ও স্ট্রাইকার। নিজের দায়িত্ব পালন করতে পেরে ভাল লাগছে।শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে তিনতিনবার বল ঢুকিয়ে ইতিহাস তৈরি করেছেন কিয়ান নাসিরি। ইতিহাস নিয়ে অবশ্য মাথা ঘামাতে নারাজ সবুজমেরুণের নতুন তারকা। তিনি বলেন, ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না। আমার কাজ হল গোল করে দলকে জেতানো। সেই কাজটা করতে পেরেছি। কোচ আমার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। সেই আস্থার মর্যাদা দিতে পেরে ভাল লাগছে। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করাটা দারুণ ব্যাপার। কিন্তু এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। দলে জায়গা পাকা করতে হবে। দল পিছিয়ে থাকার সময় কিয়ানকে মাঠে নামিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মাঠে নেমেই সমতা ফেরান কিয়ান। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের পথে এগোচ্ছে, একেবারে অন্তিম লগ্নে গোল করে দলকে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই গোলটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। নিজের তিনটি গোলের মধ্যে দ্বিতীয়টাকেই সেরা বেছে নিয়েছেন কিয়ান। তাঁর কথায়, আমার কাছে দ্বিতীয় গোলটাই সেরা। কারণ ওই গোলেই দল এগিয়ে গিয়েছিল। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক গোটা দলকে উৎসর্গ করেছেন কিয়ান।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভবিষ্যতে কি লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাবেন কিয়ান?‌ এড়িয়ে গেলেন জামশিদ নাসিরি

পড়াশোনার জন ইরান থেকে ভারতে এসেছিলেন জামশিদ নাসিরি। ভর্তি হয়েছিলেন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়ে নজরে পড়ে যান ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটারদের। লালহলুদ কর্তারা সই করিয়েছিলেন ইরানের এই ফুটবলারকে। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত দাপটের সঙ্গে খেলেছিলেন ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডানে। দুই প্রধানের জার্সি গায়ে ডার্বিতে গোলও করেছিলেন। সেই সময় বিদেশি ফুটবলার খেলানোর নিয়ম ছিল না মোহনবাগানে। ফলে ইচ্ছে থাকলেও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে দেওয়ার সুযোগ হয়নি জামশিদের। নিজের স্বপ্নপূরণ না হলেও জামশিদ নাসিরি চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে কিয়ান নাসিরি সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলুক। সবুজমেরুণ অলিন্দেই বেড়ে ওঠা কিয়ানের। একেবারে ছোট থেকেই বাবার হাত ধরে মোহনবাগান মাঠে যাতায়াত শুরু। জামশিদ একসময় সিসিএফসির অ্যাকাডেমির কোচ ছিলেন। বাবার কাছেই ফুটবলের হাতেখড়ি কিয়ানের। ছোট থেকেই বলের ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ ছিল। ১২ বছর বয়সে জুনিয়র বাংলা দলে সুযোগ। ২০১৩ সালে মোহনবাগান যুব দলে। ২০১৬তে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের হয়ে জুনিয়র আই লিগে খেলেছিলেন কিয়ান। এরপর মোহনবাগান অনূর্ধ্ব ১৯ দল হয়ে ২০১৯২০ সালে সিনিয়র দলে। কিউ ভিকুনার কোচিংয়ে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পাননি। দীর্ঘদিন ধরে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন কিয়ান। অবশেষে ডার্বিতে মাঠে নেমেই বাজিমাত। একেবারে নায়ক। মাঠের বাইরে বসে থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন কিয়ান। তবে হতাশ হয়ে পড়েননি। যেমন হতাশ হননি কিয়ানের বাবা জামশিদ নাসিরিও। গর্বিত পিতা বলছিলেন, এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ থাকলেও ভাবতাম, হয়তো ১০১৫ মিনিট খেলার সুযোগ পাবে ছেলে। প্রতিদিন টিভির সামনে বসে ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। কিন্তু আশা ছাড়িনি। জানতাম একদিন না একদিন সুযোগ পাবে। অবশেষে প্রথম সুযোগেই হ্যাটট্রিক। তাও আবার ডার্বির মতো ম্যাচে। এর থেকে ভাল অভিষেক আর হতে পারে না। আমি যা করে দেখাতে পারিনি, ছেলে সেই কাজ করে দেখিয়েছে। প্রমাণ করেছে বড় ক্লাবের জার্সি গায়ে দেওয়ার যোগ্যতা কিয়ানের রয়েছে। সত্যিই আমি গর্বিত। ছেলের এই জায়গায় পৌঁছনোর জন্য সবথেকে বেশি কৃতিত্ব দিয়েছেন কিবু ভিকুনাকে। জামশিদ বলছিলেন, দীর্ঘদিন মোহনবাগান জুনিয়র দলে ছিল। একসময় ভিকুনা জুনিয়র দল থেকে ৪ জনকে সিনিয়র দলে নিয়েছিল। তারমধ্যে কিয়ান ছিল। ভিকুনাই ঘসেমেজে ওকে তৈরি করেছে। কিয়ানের এই জায়গায় উঠে আসার জন্য সব কোচের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ। তবে সবথেকে বেশি কৃতজ্ঞ ভিকুনার কাছে। এই মুহূর্তে দেশে ভালমানের স্ট্রাইকারের অভাব। জামশিদের আশা কিয়ান ঠিকমতো সুযোগ পেলে দেশে স্ট্রাইকারের অভাব মেটাতে পারবে।সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ছেলের হ্যাটট্রিক। অন্যদিকে প্রিয় ক্লাব ইস্টবেঙ্গলের হার। ভাললাগার পাশাপাশি খারাপও লাগছে জামশিদ নাসিরির। বলছিলেন, ছেলে হয়াটট্রিক করেছে, এরথেকে ভাল কিছু আর হতে পারে না। তবে ইস্টবেঙ্গল হেরে যাওয়ায় খারাপও লাগছে। ইস্টবেঙ্গলের সামনেও গোল করার মতো অনেক সুযোগ এসেছিল। গোল করতে পারলে হয়তো ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। লালহলুদ জার্সি গায়ে অনেক ডার্বি ম্যাচ কাঁপিয়েছেন জামশিদ। সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ডার্বি অভিষেকেই চমক কিয়ানের। ছেলেকে কি ভবিষ্যতে লালহলুদ জার্সিতে দেখতে চান জামশিদ নাসিরি? প্রশ্নটা শুনেই কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে গেলেন। এড়িয়ে গেলেন প্রশ্নটা। তাহলে কি নিজের পুরনো ক্লাবের প্রতি কোনও অভিমান রয়েছে জামশিদের? জামশিদ বলছিলেন, আমি লালহলুদ জার্সি গায়ে ঘাম ঝড়িয়েছি। ও মোহনবাগানের কাছে দায়বদ্ধ। তবে আমি চাই ভবিষ্যতে কিয়ান দেশের হয়ে খেলুক।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির অভিষেকে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ানের

এলেন, দেখলেন, জয় করলেন জামশিদ নাসিরির সুপুত্র কিয়ান নাসিরি। তাঁর দুরন্ত হ্যাটট্রিকে আইএসএলের ডার্বিতে উড়ে গেল লালহলুদ। তারুণ্যের কাছে বিধ্বস্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও জয় তুলে নিল এটিকে মোহনবাগান। এবার ম্যাচের ফল ৩১। নতুন তারকার জন্ম হল এবারের আইএসএলের ডার্বিতে। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে বাজিমাত কিয়ান নাসিরির।ধারেভারে অনেকটাই এগিয়ে থেকে ডার্বিতে মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট থাকায় রয় কৃষ্ণাকে মাঠে নামাননি কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আক্রমণভাগে শুরু করেছিলেন হুগো বোমাস ও ডেভিড উইলিয়ামস। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগে ছিলেন দুই বিদেশি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও মার্সেলো রিবেইরো। বিদেশিদের ছাপিয়ে নায়ক এক ভারতীয় ফুটবলার।শুরু থেকেই ম্যাচ আক্রমণ প্রতিআক্রমণে জমে উঠেছিল। এটিকে মোহনবাগান মূলত বাঁদিক দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। লিস্টন কোলাসো বারবার ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন লালহলুদ ডিফেন্সকে। হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে রক্ষণের জন্য ডুবতে হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ফ্রাঞ্জো পর্চে একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন। ডার্বিতে পর্চেকে একেবারে অন্য মেজাজে দেখা গেল। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসদের সেভাবে জ্বলে ওঠার সুযোগ দেননি।এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের চাপ বেশি থাকলেও প্রথম গোলের সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৪ মিনিটে নওরেম মহেশ সিংয়ের মাটি ঘেঁসা শট পোস্টের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৫ মিনিটে সামনে শুধু এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিংকে একা পেয়েও বাইরে মারেন মার্সেলো রিবেইরো। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে জমে উঠলেও প্রথমার্ধে কোনও দল গোল করতে পারেনি।গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। ৪৭ মিনিটে বাঁদিক থেকে বক্সে ঢুকে ডানপায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট বারে লেগে ফিরে আসে। ২ মিনিট পরেই গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন শুভাশিস বসু। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে হেডে বল জালে রাখতে পারেননি। ৫১ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর আরও একটি দুরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।৫৪ মিনিটে ডানদিক থেকে ঢুকে গিয়ে বাঁপায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। তাঁর শট ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। পেরোসেভিচের কর্ণার বক্সের মধ্যে পেয়ে যান ড্যারেল সিডোয়েল। তাঁর শট মনবীরের গায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়।৬৪ মিনিটে সমতা ফেরায় এটিকে মোহনবাগান। সৌরভ দাসের ভুল ক্লিয়ারেন্স ধেরে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন কিয়াম নাসিরি। জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ামের এটাই প্রথম ডার্বি। ৬৫ মিনিটে লিস্টনকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন অমরজিৎ কিয়াম। পেনাল্টি পায় এটিকে মোহনবাগান। অবিশ্বাস্যভাবে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৮০ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংয়ের শট আটকে দেন অমরিন্দার সিং। ৮৬ মিনিটে কোলালোর শট গোল লাইন থেকে সেভ করেন হীরা মণ্ডল।ম্যাচের ইনজুরি সময়ে আবার জ্বলে ওঠেন কিয়ান। লিস্টন কোলাসোর সেন্টার ডেভিড উইলিয়ামস হেড করলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে দুরন্ত শটে ২১ করেন কিয়ান। ১ মিনিট পরেই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ডার্বির অভিষেকেই হ্যাট্টট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন জামশিদ নাসিরির পুত্র।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দু’‌বছর পর আবার রনজি, কী বলছেন লক্ষ্মী, সৌরাশিসরা?‌

যতই আইপিএল কিংবা অন্য ফর্ম্যাটের খেলা হোক না কেন, দেশের সেরা ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতা যে রনজি ট্রফি, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। করোনার প্রকোপে দুমরশুম রনজি ট্রফি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এই মরশুমে আবার রনজি ট্রফি আয়োজনের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে। সচিব জয় শাহ জানিয়ে দিয়েছেন এ বছর দুটি পর্যায়ে রনজি ট্রফি আয়োজন করা হবে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ঘরোয়া ক্রিকেটাররা। তেমনই বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা ও সৌরাশিস লাহিড়ীর মতো বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটাররা।বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা অনূর্ধ্ব ২৫ দলের কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলছিলেন, রনজি ট্রফি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের স্তম্ভ। দু বছর পর আবার রনজি ট্রফি হচ্ছে এর থেকে ভাল আর কিছু হতে পারে না। ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মহারাজদা ক্রিকেট প্রশাসনে আসার পর থেকেই সবসময় ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। করোনা পরিস্থিতিতেও রনজি ট্রফি আয়োজনের কথা ভেবেছ, এটা দারুণ ব্যাপার। দীর্ঘদিন মাঠে নামতে না পেরে ক্রিকেটাররা হতাশ হয়ে পড়েছিল। মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিল। এই খবরে ওরা বাড়তি উদ্যম পাবে। রনজি ট্রফি না হওয়ায় ক্রিকেটাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। লক্ষ্মীর মতে ভারতীয় বোর্ডের পদক্ষেপে ক্রিকেটাররা উপকৃত হবেন।বাংলার আর এক প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বাংলা সিনিয়র দলের সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীও রনজি ট্রফি আয়োজনের খবরে দারুণ খুশি। সৌরাশিস বলছিলেন, যতই আইপিএল হোক না কেন, রনজি ট্রফি হল দেশের সেরা ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। দেশের ক্রিকেটাররা এই প্রতিযোগিতা খেলেই উঠে আসে। রনজিতেই ক্রিকেটারদের আসল দক্ষতা বিচার হয়। দুবছর পর আবার সেই প্রতিযোগিতা ফিরছে এর থেকে ভাল কিছু আর হতে পারে না। দুবছর রনজি না হওয়ায় নতুন ক্রিকেটার উঠে আসছে না। সৌরাশিস আরও বলেন, ক্রিকেটাররা রনজি খেলার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিল। ওরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। বোর্ড প্রেসিডিন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাংলার রনজি ট্রফির প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন রিভেরা, লালহলুদকে সমীহ বাগান কোচ ফেরান্দোর

ডার্বি মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ভরা গ্যালারি। দুই দলের সদস্য সমর্থকদের বাকবিতন্ডা, ফুটবলারদের নামে জয়ধ্বনি, তুমুল উত্তেজনা। করোনার দাপটে এখন সে সব স্মৃতিতে। দেশীয় ফুটবলাররা ডার্বির আবেগ জানলেও, বিদেশি ফুটবলাররা ডার্বির উত্তেজনার আঁচ পায়নি। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ফুটবলারদের ডার্বির আবেগ বোঝাতে পুরনো ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। ফুটবলাররা এতে উদ্বুদ্ধ হবে বলে মনে করছেন তিনি।তিন বছর ধরে ডার্বিতে সাফল্য নেই লালহলুদ শিবিরের। গতবছর যেমন হারতে হয়েছিল, এবছরও প্রথম পর্বের ডার্বিতে হারতে হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। তার ওপর আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফুটবলারদের বলেছি, লিগ টেবিলে আমরা কোথায় আছি সেটা মাথায় না রাখতে। এই ম্যাচটা আমরা জিততে পারি। ডার্বি মানেই কঠিন লড়াই। সব পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলেছি। ফুটবলাররা সবাই পেশাদার। ওরা ডার্বির গুরুত্ব জানে।হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হলেও ওই ম্যাচের ফলাফল ডার্বিতে প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছেন রিভেরা। তিনি মনে করছেন, হায়দরাবাদের কাছে হার ডার্বিতে ইতিবাচক হয়ে দেখা দিতে পারে। লালহলুদ কোচের যুক্তি, বড় হারের পর ডার্বি ম্যাচ থাকলে ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাব হয় না। কারণ সবাই ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মরিয়া থাকে। ফুটবলারদের নতুন করে মোটিভেট করার দরকার হয় না। এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে বেশি চিন্তাও করছেন না রিভেরা। তাঁর ব্যাখ্যা, আমাদের তুলনায় ওরাই বেশি চাপ নিয়ে মাঠে নামবে। আমার মতে এই ম্যাচ ৫০৫০।রিভেরার ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও এই প্রথম ডার্বিতে ডাগ আউটে বসবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দুই স্প্যানিশ কোচের স্ট্র্যাটেজির লড়াই। ডার্বিতে অশ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, এইরকম ম্যাচের অংশীদার হওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই ম্যাচের আবেগ কতটা জানি। কোনও ভাবেই ফোকাস নষ্ট করা যাবে না।লিগ টেবিলের সবার শেষে থাকলেও লালহলুদকে যথেষ্ট সমীহ করছেন সবুজমেরুণ কোচ। ডার্বিতে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আগের এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এই দলকে গুলিয়ে ফেললে ভুল হবে। ওরা অনেক বদলে গেছে। আগে মনে হত চাপ নিয়ে মাঠে নামছে। এখন খোলা মনে খেলছে। দলে ছন্দ ফিরে এসেছে। নতুন বিদেশি যোগ দিয়েছে। ফলে আমাদের জিততে গেলে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হবে। তবে আমরা ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব। প্রথম একাদশ নিয়ে মুখ না খুললেও রয় কৃষ্ণার খেলার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের ডার্বিতে কোন দল হট ফেবারিট, কারাই বা আন্ডারডগ?‌

ডার্বি মানেই স্নায়ুচাপের খেলা। অতীতে দেখা গেছে, ভাল দল নিয়েও ডার্বি জেতা যায় না। ম্যাচের দিন যে দল স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে পেরেছে, তারাই ডার্বিতে বাজিমাত করে গেছে। ফলে ডার্বিতে নির্দিষ্ট কোনও দলকে এগিয়ে রাখাটা বোকামি। কিন্তু এবারের আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে হট ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে, অনেকটা পিছিয়ে থেকে শুরু করতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে।এটিকে মোহনবাগান ডার্বিতে হট ফেবারিট থাকলেও ফুটবল বোদ্ধারা হয়তো এগিয়ে রাখার ঝুঁকি নেবেন না। কারণ করোনার জন্য পরপর তিনটি ম্যাচ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় এটিকে মোহনবাগানের খেলায় ছন্দপতন হয়েছে। যার প্রভাব আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দেখা গেছে। সবুজমেরুণ ফুটবলারদের খেলার মধ্যে ধারাবাহিকতার চরম অভাব। অন্যদিকে, একের পর এক ম্যাচ হেরে এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তার ওপর প্রথম পর্বের ডার্বিতে হারতে হয়েছিল লালহলুদকে। ফলে বদলা নেওয়ার জন্য মরিয়া হবে এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় এটিকে মোহনবাগানের চাপ অনেকটাই বেশি। ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহুর্তে লিগ টেবিলে সপ্তম স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ওডিশা এফসিরর বিরুদ্ধে আগের ম্যাচটা জিতলে চার নম্বরে উঠে আসত। সেটা সম্ভব হয়নি। ডার্বি না জিতলে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে সবুজমেরুণ শিবির। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই চাপটা নেই। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে রয়েছে লালহলুদ শিবির। সেমিফাইনালে ওঠার কোনও সম্ভাবনাই নেই। ফলে চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবে মারিও রিভেরার দল।যদি দুই দলের শক্তির বিচার করা হয়, তাহলে আক্রমণভাগে অনেকটাই এগিয়ে এটিকে মোহনবাগান। ১০ ম্যাচে সবুজমেরুণ করেছে ২০ গোল। সেখানে এসসি ইস্টবেঙ্গল ১৩ ম্যাচে করেছে ১৩ গোল। কার্ড সমস্যা মিটিয়ে হুগো বোমাস ডার্বিতে প্রথম একাদশে ফিরছেন। রয় কৃষ্ণা রয়েছেন, সঙ্গে ডেভিড উইলিয়ামস। লিস্টন কোলাসোও চলতি আইএসএলে বেশ কয়েকটা গোল করেছেন। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগের ফুটবলারদের মধ্যে ধারাবাহিকতা নেই। নির্বাসন কাটিয়ে আগে ম্যাচে মাঠে ফিরলেও আন্তোনীয় পেরোসেভিচ হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারেনি। সমর্থকরা তাকিয়ে নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার মার্সোলো রিবেইরার দিকে। পেরোসেভিচের সঙ্গে তাঁকে শুরু থেকে খেলিয়ে চমক দেখাতে পারেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। এছাড়া মাঝমাঠে নতুন বিদেশি ফ্রান সোতাও তাঁর তুরুপের তাস হতে পারেন।আইএসএলের শুরু থেকেই দুই দলের রক্ষণ যথেষ্ট নড়বড়ে। গোল করেও গোল ধরে রাখতে পারেনি দুই দল। বরং রেনেডি সিং যে কটা ম্যাচে দলের দায়িত্বে ছিলেন, অনকেটাই সংঘবদ্ধ দেখিয়েছে লালহলুদ রক্ষণকে। আদিল খান অনেকটাই নির্ভরতা দিয়েছে। ড্যারেল সিডোয়েলও ছন্দে ফিরেছেন। ফলে এসসি ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ ভেদ করতে যথেষ্ট ঘাম ঝড়াতে হবে রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাসদের।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গল ডার্বি জিতলে সেটা হবে সবথেকে বড় অঘটন, কেন একথা বললেন শ্যাম থাপা?‌

শনিবার আইএসএলের মহারণ। রাত পোহালেই আবার মাঠে নামছে কলকাতার দুই প্রধান। আইএসএলের এই হাইভোল্ডেজ ম্যাচ নিয়ে আগের মতো ক্রীড়ামহলে আর তেমন উত্তেজনা নেই। সদস্যসমর্থকদের মধ্যেও সেই উন্মাদনা নেই। সবাই যেন ধরে নিয়েছেন, এটিকে মোহনবাগানের সামনে দাঁড়াতেই পারবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। বর্তমান পরিস্থিতিও সেই ইঙ্গিতও দিচ্ছে। তবুও ডার্বি বলে কথা। অনেক কিছুই তো ঘটতে পারে। কিন্তু লালহলুদকে নিয়ে আশা দেখতেন না কেউ। যেমন দুই প্রধানকে বহু ডার্বিতে উতরে দেওয়ার নায়ক শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন।আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলছিলেন, আমি তো এসসি ইস্টবেঙ্গলের জেতার কোনও আশাই দেখছি না। জেতা তো দূরের কথা, ড্র করতে পারবে কিনাও সন্দেহ। এই ইস্টবেঙ্গল টিমের কী আছে বলুন তো? একটা পজিশনেও ভাল ফুটবলার আছে, যাকে ঘিরে সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতে পারে। এটিকে মোহনবাগানের দিকে তাকান। সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার। রক্ষণ একটু কমজোরি হলেও আক্রমণভাগ খুবই শক্তিশালী। রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশি রয়েছে আক্রমণভাগে। এছাড়া লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংয়ের মতো দেশীয় ফুটবলাররা। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার এসসি ইস্টবেঙ্গলে নেই।১৯৭৮ র ডার্বি ম্যাচে শ্যাম থাপার বাইসাইকেল কিকশোনা যাচ্ছে চোটের জন্য রয় কৃষ্ণা অনিশ্চিত। তা সত্ত্বেও মোহনবাগানকে পিছিয়ে রাখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, রয় কৃষ্ণা খেলতে না পারলেও সমস্যা হবে বলে মনে করছি না। কার্ড সমস্যা মিটিয়ে হুগো বোমাস প্রথম একাদশ ফিরছে। ডেভিড উইলিয়ামস আছে। মাঝমাঠে জনি কাউকো। ডিফেন্সে তিরি, ম্যাকহিউরা আছে। স্বদেশি ফুটবলাররাও যথেষ্ট ভাল। শুনছি নাকি সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকেও খেলানো হতে পারে। সুতরাং এই এটিকে মোহনবাগানকে যদি এসসি ইস্টবেঙ্গল হারাতে পারে, সেটা হবে এই আইএসএলের সবথেকে বড় অঘটন।অতীতে দুর্বল দল নিয়েও লালহলুদের ডার্বি জেতার ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই ক্ষমতা নেই বলে মনে করছেন শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, আগে ডার্বির একটা অন্য আবেগ ছিল। এইসব বিদেশি কোচ, ফুটবলাররা মুখে যাই বলুক, ডার্বির আবেগ জানে? গুরুত্ব বোঝে? আবেগ থাকা চাই। সেটা থাকলেও দুর্বল দল নিয়ে জেতা যায়। সেটা অতীতে আমরা অনেকবার জিতেছি। কখনও ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে, কখনও এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে। সেসব দিন এখন আর নেই।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বি নিয়ে কী বললেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ মানোলো দিয়াজ?‌ জানলে চমকে যাবেন

এবারের আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে তিনিই ছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের ডাগ আউটে। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ খেলতে নামছে লালহলুদ শিবির। এবার আর ডাগ আউটে নয়, সুদূর স্পেনে বসে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে হবে মানোলো দিয়াজকে। তাঁর কোচিংয়েই প্রথম পর্বের ডার্বিতে ৩ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল লালহলুদকে। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না লালহলুদের এই প্রাক্তন কোচ।ডার্বি নিয়ে মানোলো দিয়াজের বক্তব্য, এসসি ইস্টবেঙ্গলের যা অবস্থা, এবারও ডার্বি জেতার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ভাগ্যের জোরে জিতেছিল। পরের ম্যাচেই হায়দরাবাদ এফসির কাছে হার। দলটার যদি ছন্দ ফিরে আসত তাহলে তো পরের ম্যাচেও জিতত। মানোলো দিয়াজের কোচিংয়ে প্রথম পর্বের ডার্বিতে প্রথমার্ধে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করতে হয়েছিল। ৫ গোলের রেকর্ডও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা লড়াই করে ম্যাচে ফিরেছিল লালহলুদ ব্রিগেড।মানোলো দিয়াজকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন রেনেডি সিং। তাঁর কোচিংয়ে লালহলুদ ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইটা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। যা দিয়াজের সময় দেখা যায়নি। তবুও এই স্প্যানিশ কোচের দাবি, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কয়েকজন ফুটবলার ছাড়া বাকিদের আইএসএলে খেলার যোগ্যতাই নেই। এমনকি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও ড্যারেল সিডোল ছাড়া বাকি বিদেশি ফুটবলারদের নাকি কর্তারাই পছন্দ করে দলে নিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের তিন মূলত এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দারের দিকে।রেনেডি সিং দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আদিল খান প্রথম একাদশে। নিয়মিত খেলছেন। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতাও দিচ্ছেন। তবু আদিল খানকে ভাল মানের ডিফেন্ডারের স্বীকৃতি দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আদিল খানের দক্ষতা এমন কিছু আহামরি নয়। ভাল স্ট্রাইকারের সামনে পড়লে ওর দুর্বলতা ফুটে উঠবে। ওকে না খেলানোর জন্য আমার অনেক সমালোচনা হয়েছিল। সবই শুনেছি। ওকে একটা ম্যাচে আমি খেলাতে চেয়েছিলাম। ও খেলতে রাজি হয়নি। একজন পেশাদার ফুটবলারের এইরকম আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। টিমটার মধ্যে শৃঙ্খলা ছিল না। এরজন্য কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট দায়ী।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাতীয় দলের নেতা হতে চান!‌ যশপ্রীত বুমরার পর এবার এই ভারতীয় ক্রিকেটার

সাদা বলের ক্রিকেটে রোহিত শর্মার হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরই লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। টেস্টের নেতা এখনও বেছে নেননি নির্বাচকরা, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে নতুন নেতা বেছে নেওয়া হবে। নির্বাচকদের মাথায় রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুলদের নাম ঘোরাফেরা করছে। এর মাঝেই মহম্মদ সামি জানিয়ে দিলেন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি তৈরি।কদিন আগেই যশপ্রীত বুমরা জানিয়েছিলেন, তাঁকে যদি দেশকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তিনি গ্রহন করতে তৈরি। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন মহম্মদ সামিও। তবে এখনই নেতৃত্ব নিয়ে ভাবছেন না ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মহম্মদ সামি বলেছেন, দেশকে নেতৃত্ব দিতে কে না চায়। প্রত্যেক ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার। আমারও স্বপ্ন রয়েছে। এই মুহূর্তে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া নিয়ে আমি খুব বেশি ভাবছি না। তবে আমাকে যদি দায়িত্ব দেওয়া হয়, আমি তৈরি। সব রকমভাবে দেশের হয়ে অবদান রাখার চেষ্টা করব।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল মহম্মদ সামি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজেও যশপ্রীত বুমরার সঙ্গে তাঁকেও বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। তবে সব ধরণের ক্রিকেটে মাঠে নামার জন্য তিনি তৈরি বলে জানিয়েছেন সামি। তিনি বলেন, আমি সব ধরণের ক্রিকেটের জন্য নিজেকে তৈরি রেখেছি। যখনই মাঠে নামব সেরাটা দেব। আইপিএলে আগের মরশুমে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলেছিলেন সামি। এবছর তাঁকে রিটেন করেনি পাঞ্জাব কিংস। আবার নতুন করে নিলামে উঠবেন তিনি। যে কোনও ফ্রাঞ্চাইজিতে খেলার জন্য তৈরি বলে জানিয়েছেন সামি।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ছন্নছাড়া লালহলুদকে ডার্বিতে কেন গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগানের হুগো বোমাস?‌

এই মুহূর্তে আইএসএলের লিগ টেবিলে সবার শেষে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৩ ম্যাচে জয় মাত্র একটিতে। আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৪ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছে। ডার্বিতে নামার আগে মনোবল একেবারে তলানিতে লালহলুদ শিবিরের। তা সত্ত্বেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নয় এটিকে মোহনবাগান শিবির। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে থাকলেও বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির কাছে আটকে যেতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হয়নি সবুজমেরুণ শিবিরের। ওডিশা ম্যাচের ড্র ডার্বিতে পুষিয়ে নিতে চান এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। সবুজমেরুণ শিবিরের লক্ষ্য ডার্বি জিতে লিগ টেবিলের ওপরের দিকে উঠে আসতে। দীর্ঘদিন পর মাঠে নেমে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে একেবারেই ছন্দে ছিল না এটিকে মোহনবাগান। আসলে দীর্ঘদিন ম্যাচের মধ্যে না থাকাটা সমস্যায় ফেলে দিয়েছিল। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দোর বিশ্বাস ডার্বিতে ছন্দে ফিরবে দল।ডার্বিতে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগান কোচকে স্বস্তি দিচ্ছে ফুটবলারদের চোটআঘাত ও কার্ড সমস্যা কাটিয়ে ওঠা। কার্ড সমস্যার জন্য আগের ম্যাচে খেলতে পারেননি হুগো বোমাস। ডার্বিতে তিনি মাঠে ফিরছেন। করোনামু্ক্ত হয়ে জনি কাউকোও খেলার জন্য তৈরি। এছাড়া বাকিরাও ডার্বিতে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আগের ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম পর্বের ডার্বিতে জয়ে বাড়তি আত্মবিশ্বাসী এটিকে মোহনবাগান শিবির।প্রথম পর্বের ডার্বিতে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন হুগো বোমাস। শনিবার মাঠে নামার জন্য তিনি মুখিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও জয়ের ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। ডার্বি নিয়ে বোমাসের প্রতিক্রিয়া, ডার্বির গুরুত্ব কতটা জানি। সবাই এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকে। দীর্ঘদিন অনুশীলন করতে পারিনি। তারজন্য আগের ম্যাচে সমস্যা হয়েছিল। ডার্বির আগে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। আশা করছি গোটা দল ছন্দে ফিরবে। আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে এসসি ইস্টবেঙ্গল ৪ গোল খেলেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণভাগের এই স্তম্ভ। বোমাস বলেন, প্রথম পর্বে জিতেছিলাম বলে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হালকাভাবে নেওয়ার কিছু নেই। আগের ম্যাচে হারের বদলা নেওয়ার জন্য মরিয়া হবে। জিততে গেলে আমাদের সতর্ক হয়ে মাঠে নামতে হবে। আইএসএলে ডার্বির পরিসংখ্যান অবশ্য এটিকো মোহনবাগানের অনুকূলে। একবারও জিততে পারেনি লালহলুদ শিবির।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ডার্বিতে ৫–৬ গোলের লজ্জায় পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? কী বললেন সমরেশ চৌধুরি‌

আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। শনিবার আবার দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হয়নি দুই দলের কাছে। এটিকে মোহনবাগান আগের ম্যাচে আটকে গিয়েছিল ওডিশা এফসির কাছে। অন্যদিকে, হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চলতি আইএসএলে ১৩ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটা ম্যাচে জয় পেয়েছে লালহলুদ। ৬টি হার, ৬টি ড্র। তুলনামূলকভাবে অনেক ভাল জায়গায় এটিকে মোহনবাগান। ১০ ম্যাচে চারটিতে জয়, চারটি ড্র। হার দুটি ম্যাচে। ডার্বিতে লালহলুদের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না লালহলুদ জার্সি গায়ে একসময় দাপিয়ে খেলা সমরেশ চৌধুরি।এসসি ইস্টবেঙ্গলের নাম শুনলেই রীতিমতো রেগে আগুন লালহলুদের এই ঘরের ছেলে। সমরেশ চৌধুরি বলছিলেন, এই এসসি ইস্টবেঙ্গল দল নিয়ে আলোচনা করতেই আমার ঘেন্না লাগছে। এটা কোনও দল হল? গোলকিপার থেকে শুরু করে স্ট্রাইকার, একটাও ভাল ফুটবলার আছে। আমার তো মনে হয় লালহলুদ জার্সি গায়ে দেওয়ার কোনও যোগ্যতাই এদেন নেই। কোন ফুটবলারকে নিয়ে আলোচনা করব? কাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখবে সমর্থকরা?ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গলের অনেক দল দেখেছি। এইরকম দুর্বল দল কখনও দেখিনি। দুর্বল দল নিয়েও অতীতে লালহলুদ ডার্বি জিতেছে। এবার জেতার কোনও সম্ভাবনাই দেখছি না। এমনকি ড্র করতে পারে, এমন আশাও নেই। আমার তো মনে হয় ৫৬ গোলের লজ্জায় না পড়তে হয়। আক্রমমভাগ থেকে শুরু করে রক্ষণ, সব পজিশনেই হতশ্রী অবস্থা। তাছাড়া এই দলে কজন ফুটবলার ডার্বির আবেগ বোঝে? ডার্বিতে এই এসসি ইস্টবেঙ্গল নিয়ে আতঙ্কে আছি।এটিকে মোহনবাগানকে ডার্বিতে যে আটকানো কঠিন, মেনে নিয়েছেন সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ওডিশা এফসির কাছে এটিকে মোহনবাগান আটকে গেলেও ওরা ভাল ছন্দে রয়েছে। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো ফুটবলাররা রয়েছে। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার লালহলুদে নেই। তাছাড়া প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে উড়ে গিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে সবুজমেরুণ শিবির।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের চমক নতুন বিদেশি, কে সেই বিদেশি?‌

টানা ১১ ম্যাচ পর এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জয় স্বপ্ন দেখিয়েছিল লালহলুদ সমর্থকদের। সোমবার হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৪০ গোলে হার প্রত্যাশার পারদ চুপসে গেছে। একাধিক ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। পরের ম্যাচ ২৯ জানুয়ারি এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়া মনোবল কি ডার্বিতে ফিরিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন লালহলুদ ফুটবলাররা। দলের আত্মবিশ্বাস ফেরানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ কোচ মারিও রিভেরার।আগের ম্যাচে ভাল খেলেও হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্সে হতাশ লালহলুদ কোচ। হায়দরাবাদের কাছে হারের পর তিনি বলেন, ম্যাচের ফল খুবই হতাশাজনক। একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। যদিও ফুটবলাররা সেরাটা দিয়েছিল। পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারেনি। বেশ কয়েকটা ভুল আমাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। পাশাপাশি বিপক্ষের স্ট্রাইকার বার্থোলেমিউ ওগবেচেকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে মারিও রিভেরা। তিনি বলেন, ওগবেচে আইএসএলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার। ওর কাছেই হারতে হয়েছে। সব সুযোগগুলোই কাজে লাগিয়েছে।🚨𝐀𝐍𝐍𝐎𝐔𝐍𝐂𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓🚨We are happy to announce the signing of versatile Spanish midfielder 𝐅𝐫𝐚𝐧𝐜𝐢𝐬𝐜𝐨 𝐉𝐨𝐬 𝐒𝐨𝐭𝐚 on a short term deal that will see him turn out for the red and gold brigade till the end of the season.#JoyEastBengal #WeAreSCEB #আমাগোক্লাব pic.twitter.com/u4FHeGFbNG SC East Bengal (@sc_eastbengal) January 25, 2022এসসি ইস্টবেঙ্গলের পরের ম্যাচই ডার্বি। ডার্বির আগে হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হলেও এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তিনি বলেন, সমর্থকদের কাছে ডার্বির গুরুত্ব কতটা, তা আমি জানি। ওদের জন্যই ডার্বি জিততে চাই। তবে ডার্বিতে নতুন বিদেশি ফ্রান সোতাকে পাবেন কিনা এখনও নিশ্চিত নন মারিও রিভেরা। বেশ কয়েকদিন আগেই গোয়ায় পৌঁছে গেছেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। গোয়ার হোটেলে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। মাঝে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাই অনুশীলনে নামতে পারেননি। ফ্রান সোতার আবার করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট নেগেটিভ এলে বুধবার অনুশীলনে নামবেন। আমির দারভিসেভিচখএ ছেড়ে দিয়ে তাঁকে নেওয়া হচ্ছে। এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার কেমন জায়গায় আছে তা দেখেই ডার্বিতে খেলাবেন কিনা সিদ্ধান্ত নেবেন মারিও রিভেরা। ডার্বিতে তাঁর চমক হতে পারেন ফ্রান সোতা।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‌বিশ্বকাপ জেতেনি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার?‌ কী বললেন শাস্ত্রী

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড পাওয়ার পর ভারতীয় দলকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। লালবলের ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন শীর্ষে ছিল ভারত। একদিনের ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সাফল্য। তবে একটাই আক্ষেপ, কখনও আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এরজন্য কোহলিকে অনেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। বিশ্বকাপ জেতেননি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার, এমনটা মনে করছেন না রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেডস্যার বলেন, একজন ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ জয়ের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্রিকেটার কেমন খেলছে, আইকন হয়ে উঠেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অনেক বড় বড় ক্রিকেটারও বিশ্বকাপ জেতেনি। সৌরভ, কুম্বলে, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণও তো বিশ্বকাপ জেতেনি। তাহলে এরা খারাপ ক্রিকেটার হয়ে গেল? বিশ্বকাপ জেতার জন্য শচীন তেন্ডুলকারকে ৬টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে। আমাদের দেশে মাত্র দুজন অধিনায়ক বিশ্বকাপ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা ও লালবলের ক্রিকেটে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ভারতের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এইরকম দলের কাছে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে পরাজয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। শাস্ত্রী অবশ্য মনে করছেন, এই হারে সমর্থকদের বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ভারতের এই ব্যর্থতা সাময়িক। সব ম্যাচ কখনোই জেতা সম্ভব নয়। ৫ বছর ধরে ভারত বিশ্বের একনম্বর দল ছিল। সাফল্যের অনুপাত ৬৫ শতাংশ। হঠাৎ করে তাদের পারফরমেন্স নেমে যাবে? এই ব্যর্থতা কাটিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ঘুরে দাঁড়াবে। গতবছরই টি২০ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরের দিনই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোহলির ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওর এই সিদ্ধান্তকে সবাইকে সম্মান জানাতেই হবে। সুনীল গাভাসকার, শচীন তেন্ডুলকার, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়করাও ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নেতৃত্ব ছেড়েছিল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কেন ব্যর্থ দল?‌ ব্যাখা দিলেন হেডস্যার রাহুল দ্রাবিড়

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চরম লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে ভারতকে। হোয়াইট ওয়াশের কালিমা গায়ে লেপে দেশে ফিরতে হচ্ছে লোকেশ রাহুলের দলকে। কেন এইরকম বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতকে? ভারতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় মনে করছেন, অলরাউন্ডারের অভাবেই ভুগতে হয়েছে দলকে। যোগ্য অলরাউন্ডার না থাকায় দলে সঠিক ভারসাম্য তৈরি হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে দ্রাবিড় বলেন, দলের সাফল্য ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে। এই ভারতীয় দলে সঠিক ভারসাম্য ছিল না। চোট ও ফিটনেস সমস্যার জন্য হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজার মতো অলরাউন্ডারদের পাওয়া যায়নি। এরাই এতদিন ৬৭ নম্বরে দলের ভারসাম্য বজায় রেখে এসেছে। চোট ও ফিটনেস সমস্যা কাটিয়ে ওরা ফিরে এলে দলের ভারসাম্য ও গভীরতা বাড়বে। ফিটনেস সমস্যার জন্য দল থেকে বাদ পড়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। নির্বাচকরা চেয়েছিলেন হার্দিকের পরিবর্তে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে দেখে নিতে। কিন্তু দুটি ম্যাচে সুযোগ পেলেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি ভেঙ্কটেশ। আর জয়ন্ত যাদবও রবীন্দ্র জাদেজার অভাব মেটাতে পারেননি। রাহুল দ্রাবিড় মনে করছেন চোট সারিয়ে রবীন্দ্র জাদেজা ফিরে এসে দলের অপশন অনেকটাই বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, ৬, ৭ নম্বরে রবীন্দ্র জাদেজা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। চোট সারিয়ে ফিরে এলে ৬ নম্বরে ব্যাট করবে। তখন আমাদের হাতে অপশন আরও বেড়ে যাবে। পাশাপাশি ভেঙ্কটেশ আয়ারের উন্নতির দিকেও তাকিয়ে রাহুল দ্রাবিড়। তিনি বলেন, দলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে ভেঙ্কটেশকে আরও উন্নতি করতে হবে। একই সঙ্গে দলের ব্যর্থতার জন্য মিডল অর্ডারের ব্যর্থতাকেও দায়ি করেছেন রাহুল দ্রাবিড়। লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বে ভারত একটি টেস্ট ও ৩টি ম্যাচে হারলেও দ্রাবিড় তাঁর পাশেই রয়েছেন। অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে রাহুল আরও পরিণত ও উন্নত হতে পারবেন বলে আশাবাদী দ্রাবিড়। শ্রেয়স আইয়ার বা ঋষভ পন্থের খেলায় যে তিনি সন্তুষ্ট নন তা বোঝা গিয়েছে কোচের কথায়। দ্রাবিড় বলেন, দেশের হয়ে খেলার সময় দল যদি ধারাবাহিকভাবে সুযোগ ও দলে নিরাপত্তা দেয় তাহলে বড় রান করাটাও কাম্য। তবু যতটা পারা যায় দলে স্থিতাবস্থা বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য। শ্রেয়স উইকেটে থাকার পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, বড় রানও আসেনি।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির মহড়ায় ডাহা ফেল এসসি ইস্টবেঙ্গল, বিধ্বস্ত হায়দরাবাদের কাছে

আগের ম্যাচে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় স্বপ্ন দেখিয়েছিল সমর্থকদের। পরের ম্যাচেই সেই চেনা এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার হারের মুখ দেখতে হল লালহলুদ শিবিরকে। হায়দরাবাদ এফসির কাছে হারতে হল ৪০ ব্যবধানে। অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক হওয়ার খেসারত দিতে হল মারিও রিভেরাকে। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। একেবারে ডাহা ফেল। ৫ ম্যাচের নির্বাসন কাটিয়ে এদিন মাঠে ফিরে এসেছিলেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। তাঁকে শুরু থেকেই মাঠে নামান মারিও রিভেরা। কিন্তু খেলার মতো জায়গায় থাকা সত্ত্বেও মার্সেলো রিবেইরাকে প্রথম একাদশে রাখেননি। আগের ম্যাচের মতোই এদিন ৪৩৩ ছকে দল সাজিয়ে ছিলেন রিভেরা। লক্ষ্য ছিল শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে হায়দরাবাদ এফসিকে চাপে ফেলা। কিন্তু সেই লক্ষ্যে এদিন সফল হননি। কারণ এফসি গোয়ার তুলনায় হায়দরাবাদ এফসি অনেক বেশি শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ দল। হায়দরাবাদ এফসিরও লক্ষ্য ছিল ম্যাচের শুরু থেকে আধিরপত্য বজায় রাখা। আক্রমণ ঝড় তুলে ২১ মিনিটে এগিয়েও যায় হায়দরাবাদ এফসি। সৌভিক চক্রবর্তীর কর্ণারে হেড করেন বার্থোলোমেউ ওগবেচে। তাঁর হেড এসসি ইস্টবেঙ্গলের এক ডিফেন্ডারের গায়ে গেলে গোলে ঢুকে যায়। পিছিয়ে পড়ে কুঁকড়ে থাকেনি লালহলুদ। বরং সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। একের পর এক আক্রমণও তুলে নিয়ে আসছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। ৩৯ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। খেলার গতির বিরুদ্ধে ব্যবধান বাড়ায় হায়দরাবাদ এফসি। ৪৪ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে গতিতে আদিল খান ও অমরজিৎতে পেছনে ফেলে অরিন্দমকে ভট্টাচার্যকে পরাস্ত করে ২০ করেন। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ৩০ করেন অনিকেত যাদব।দ্বিতীয়ার্ধে সেমবই হাওকিপকে তুলে নিয়ে মার্সেলো রিবেইরাকে মাঠে নামান এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তা সত্ত্বেও খেলায় ফিরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। মাঝমাঠ এদিন একেবারে ছিল নিস্প্রভ। উইং প্লেও একেবারে ভাল হয়নি। রক্ষণে ড্যান সিডোয়েলকেও জার্সি দেখে চিনতে হচ্ছিল। যখনও হায়দরাবাদ এফসি আক্রমণে উঠে এসেছে, তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে লালহলুদ ডিফেন্স। এরই মধ্যে ৭৪ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ওগবেচে। ৮৪ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। মার্সেলো রিবেইরাকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন হায়দরাবাদ এফসি গোলকিপার কাট্টিমনি। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ফ্রাঞ্জো পর্চের শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন কাট্টিমনি। বাকি সময়ে আর ব্যবধান কমাতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সুরজিৎ সেনগুপ্ত, রয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষণে

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। হালকা উপসর্গ থাকায় সোমবার তাঁকে পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকায় এই প্রাক্তন ফুটবলারকে আইসিইউতে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সেখানে তিনি ডাঃ অজয়কৃষ্ণ সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।কয়েকদিন ধরেই সর্দিকাশিতে ভুগছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। কাশির মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। শরীরের অক্সিজেনের মাত্রাও ৮০র কাছাকাছি নেমে যায়। পরিবারের লোকজন আর বাড়িতে রাখার ঝুঁকি নেননি। হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন। সেখানেই করোনা পরীক্ষা করা হয়ে তিন প্রধানে দাপিয়ে খেলা এই প্রাক্তন ফুটবলারের। করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকায় তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। সুরজিৎ সেনগুপ্তর অসুস্থ হওয়ার খবরে বাংলার ক্রীড়ামহল খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শুনেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। উন্নতমানের যাবতীয় চিকিৎসার কথা বলেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। সুরজিৎ সেনগুপ্তর চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। শনিবার প্রয়াত হয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার সুভাষ ভৌমিক। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। তিনি অসুস্থ হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে বাংলার ক্রীড়ামহলে। সকলেই সুরজিৎ সেনগুপ্তর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। অনেক প্রাক্তন ফুটবলার খেলা ছাড়ার পর কোচিংকে বেছে নিয়েছিলেন। সে রাস্তায় হাঁটেননি সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ব্যাঙ্কের চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নেওয়ার পর দীর্ঘদিন আজকাল পত্রিকার ডিরেক্টরের দায়িত্ব সামলেছিলেন। একসময় কলকাতার তিন প্রধানে দাপিয়ে খেলেছেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ফুটবলজীবনে তাঁর প্রথম বড় ক্লাব মোহনবাগান। এরপর সুরজিৎ সেনগুপ্তকে প্রায় হাইজ্যাক করে তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। তখন থেকেই ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে হয়ে ওঠেন। ১৯৭৭৭৯ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়কও ছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালে মহমেডান স্পোর্টিংয়ে যোগ দেন।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ ভারত, বিতর্কে বিরাট কোহলিও

পার্লের বোল্যান্ড পার্কে পরপর দুম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ পকেটে ভরে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতকে হোয়াইট ওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়েই তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল প্রোটিয়া শিবির। অন্যদিকে, ভারতের লক্ষ্য ছিল হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচানো। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৪ রানে হারল ভারত। হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচাতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। ভারত যেমন হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচাতে পারল না, তেননই তৃতীয় একদিনের ম্যাচে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় সব ক্রিকেটার গলা মিলিয়েছিলেন। টিভি ক্যামেরায় দেখা যায় জাতীয় সঙ্গীতে গলা না মিলিয়ে চুইংগাম চিবোচ্ছেন কোহলি। জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় তাঁর এই চুইংগাম চিবোনোর ছবি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় তোলেন নেট নাগরিকরা। অনেকেই কোহলির আচরণ নিয়ে কটাক্ষ করেন। ব্যাটিংয়েও যেভাবে দায়সারা শট খেলে আউট হয়েছেন, তাও অনেকে মেনে নিতে পারছেন না।এদিন প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল ভারত। ব্যাটিং শক্তি বাড়াতে ভেঙ্কটেশ আয়ারের পরিবর্তে সূর্যকুমার যাদবকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয়। ছন্দে না থাকে ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় দীপক চাহার, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জায়গায় জয়ন্ত যাদব, শার্দূল ঠাকুরের পরিবর্তে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে নিয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। কেপ টাউনের নিউল্যান্ডে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। তৃতীয় ওভারে জানেমান মালানকে (১) তুলে নিয়ে প্রোটিয়া শিবিরকে প্রথম ধাক্কা দেন দীপক চাহার। বাভুমাও (৮) দ্রুত ফিরলেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলতে পারেনি ভারত। কুইন্টন ডিকক ও এইডেন মার্করাম চাপ কাটিয়ে দেন।ত্রয়োদশ ওভারে মার্করামকে (১৫) তুলে নিয়ে দীপক চাহার জুটি ভাঙলেও ডিকককে টলাতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। রাসি ভ্যান ডার ডুসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডিকক। ভারতকে সামনে দেখলেই যেন জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই প্রোটিয়া উইকেটকিপারব্যাটার। ডুসেনের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১৪৪ রান। যশপ্রীত বুমরাকে মাঠের বাইরে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে শিখর ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডিকক। ১৩০ বলে ১২৪ রান করেন তিনি। ডিককের ইনিংসে রয়েছে ১২টি ৪ ও ২টি ৬। ডিকক আউট হওয়ার পরের ওভারেই ফিরে যান ডুসেন। ৫৯ বলে ৫২ রান করেন তিনি। ফেলুকায়ো (৪) আউট হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টানেন ডেভিড মিলার ও প্রিটোরিয়াস। ২০ রান করে প্রিটোরিয়াস প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। ডেভিড মিলারও (৩৯) প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর শিকার। শেষ পর্যন্ত ৪৯.৫ ওভারে ২৮৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৫৯ রানে ৩ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। দীপক চাহার, যশপ্রীত বুমরা ২টি করে উইকেট নেন। যুজবেন্দ্র চাহাল নেন ১ উইকেট। ব্যাট করতে নেমে ভারতও শুরুতে ধাক্কা খায়। নেতৃত্বের চাপ যে তাঁর ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তিনটি ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন লোকেশ রাহুল (৯)। এদিনও লুঙ্গি এনগিডির অফস্টাম্পের বাইরের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ভারতের রান তখন ১৮। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে ভালোই টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। ৭৩ বলে ৬১ রান করে ফেলুকায়োর বলে আউট হন ধাওয়ান। একই ওভারের ঋষভ পন্থকেও (০) তুলে নেন ফেলুকায়ো। ৩২তম ওভারে কেশব মহারাজের বলে দায়সারা শট খেলে আউট হন কোহলি। ৮৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি। ১৫৬ রানে ৪ উইকেট হারায় ভারত।এরপর জয়ের জন্য শ্রেয়স আয়ার ও সূর্যকুমার যাদবের দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা দল। ৩৪ বলে ২৬ রান করে মাগালার বলে ফেলুকায়োর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন শ্রেয়স। জয়ন্ত যাদব (২) ব্যর্থ হলেও ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান দীপক চাহার। ৩৪ বলে ৫৪ রান করে এনগিডির বলে প্রিটোরিয়াসের হাতে চাহার ধরা পড়তেই চাপে পড়ে যায় ভারত। ১৫ বলে ১২ রান করে ফেলুকায়োর বলে আউট হন বুমরা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান। প্রিটোরিয়াসের বলে চাহাল (২) আউট হতেই ভারতের সম্মান রক্ষার লড়াই শেষ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আক্রমণভাগে দুই বিদেশি?‌ আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল

একটা জয়ই বদলে দিয়েছে লালহলুদ শিবিরকে। একটা সময় মাঠে নামার আগে কেমন যেন কুঁকড়ে থাকত। মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বদলে গেছে ছবিটা। এফসি গোয়াকে হারানোর পর আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেছে। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই সোমবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।লালহলুদ সমর্থকদের কাছে সুখবর, দীর্ঘদিন পর আক্রমণভাগে দেখতে পাবেন দুই বিদেশিকে। নির্বাসন কাটিয়ে হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে ফিরছেন আন্তোনীও পেরোসেভিচ। নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার মার্সেলো রিবেইরাও কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে কয়েকদিন আগে অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন। তিনিও খেলার মতো জায়গায় রয়েছেন। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দুই বিদেশি স্ট্রাইকারকেই খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে লালহলুদ কোচের। তবে দুই বিদেশি স্ট্রাইকারকে একসঙ্গে মাঠে নামাবেন কিনা তা এখনও চূড়ান্ত করেননি মারিও রিভেরা। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, নির্বাসন কাটিয়ে পেরোসেভিচ মাঠে ফিরছে। মার্সেলোও মাঠে নামার জন্য তৈরি। তবে ওকে শুরু থেকে মাঠে নামাব না পরের দিকে খেলাব, তা এখনও ঠিক করিনি। তবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মার্সেলো খেলবে। ও ভাল ফিনিশার। দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে ভাল উঠতে পারে। গোলটা ভাল চেনে।আগের ম্যাচে জয় ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলে মনে দাবি করেন লালহলুদ কোচ। রিভেরার কথায়, জয় এলে যে কোনও দলের মনোবল ও আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। ভাল খেলার জন্য ফুটবলারদের তাগিদ বাড়ে। আগের ম্যাচে ছেলেরা দারুণ ডিফেন্স সামলেছে। এর থেকেই প্রমাণিত ফুটবলাররা মানসিকভাবে কতটা ভাল জায়গায় রয়েছে। এফসি গোয়া ম্যাচে লং পাসে না খেলে ছোট ছোট পাসে দ্রুত গতিতে আক্রমণ শানিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচেও একই স্ট্র্যাটেজিতে দলকে খেলাতে চান মারিও রিভেরা।হায়দরাবাদ এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ। বিপক্ষ দল সম্পর্কে রিভেরা বলেন, এবারের আইএসএলে অন্যতম সেরা দল হায়দরাবাদ এফসি। দলের মধ্যে দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। যেমন দ্রুতগতিতে আক্রমণে উঠে আসে, তেমনই আবার রক্ষণও সামলায়। এই রকম দলের বিরুদ্ধে লড়াই করা বেশ কঠিন। তবে আমার দলের ফুটবলাররাও তৈরি। আগে ম্যাচে জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন নওরেম মহেশ সিং। আক্রমণভাগে পেরোসেভিচ, মার্সেলো রিবেইরার সঙ্গে মহেশ সিংকে জুড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌অবশেষে ট্রফির খরা কাটল পিভি সিন্ধুর, মুকুটে সৈয়দ মোদি খেতাব

ইন্ডিয়ান ওপেনের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল পিভি সিন্ধুকে। সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন। মালবিকা বাঁসোদকে হারিয়ে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন পিভি সিন্ধু। সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দীর্ঘদিনের ট্রফি খরা কাটালেন ভারতের এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা।ইন্ডিয়ান ওপেনে সাইনা নেহালকে ছিটকে দিয়ে চমক দেখিয়েছিলেন মালবিকা বাঁসোদ। কিন্তু সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় পিভি সিন্ধুর সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না মালবিকা। মাত্র ৩৫ মিনিটেই তাঁকে হারিয়ে খেতাব জিতে নিলেন পিভি সিন্ধু। ম্যাচের ফল ২১১৩, ২১১৬।ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল সিন্ধুর। প্রথম গেমে একসময় ১১১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর মালবিকা কিছুটা খেলায় ফিরলেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন পিভি সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ান মালবিকা। তবে সিন্ধুর সামনে তা যথেষ্ট ছিল না। একসময় ১৩৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। ব্যবধান কমিয়ে ২০১৫ করে ফেলেন মালবিকা। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যান সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে সিন্ধু চ্যাম্পিয়ন হলেও পুরুষদের সিঙ্গলসের ফাইনাল ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল আর্নন্ড মার্কলে ও লুকাস ক্লেয়ারবাউটের। এদের মধ্যে একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যজন করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। ফলে রবিবার ফাইনাল বাতিল করা হয়। এই পরিস্থিতিতে কাকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। পুরুষদের সিঙ্গলসের বিজয়ীর ব্যাপারে আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন সংস্থা পরে সিদ্ধান্ত নেবে। মিক্সড ডাবলসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারতের ইশান ভাটনগর ও তানিশা ক্রাস্টোর জুটি। ফাইনালে এই জুটি ২১১৬, ২১১২ ব্যবধানে হারিয়েছে ভারতের টি হেমা নগেন্দ্র ও শ্রীবেদ্য জুটিকে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 32
  • ...
  • 67
  • 68
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal