• ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

‌সামনের মরশুমে কি গুজরাটের হয়ে খেলবেন ঋদ্ধিমান?‌

বাংলা যে ছাড়ছেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু বাংলা ছেড়ে সামনের মরশুমে কোন দলের হয়ে রনজি খেলবেন ঋদ্ধিমান সাহা? এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে বিশ্বস্তসূত্রের খবর, সামনের বছর গুজরাটের হয়ে খেলতে দেখা যেতে পারে দেশের অন্যতম সেরা এই উইকেটকিপারকে। শোনা যাচ্ছে, গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নাকি প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়ে গেছে ঋদ্ধিমান সাহার।এবছর রনজি শুরুর আগে পারিবারিক কারণ ও ক্লান্তির জন্য বাংলার হয়ে রনজি না খেলার কথা জানিয়েছিলেন ঋদ্ধি। তাড়াছা জাতীয় দলে তাঁকে যে আর ভাবা হবে না, সেকথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়। তাই রনজি খেলার মোটিভেশন হারিয়ে ফেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। তাঁর রনজি না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সিএবির যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস। প্রশ্ন তুলেছিলেন ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়েও। দেবব্রত দাসের মন্তব্য ভালভাবে নেননি ঋদ্ধি। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঋদ্ধিকে। কিন্তু দেবব্রত দাস রাজি হননি। ঋদ্ধি তখনই ঠিক করেন, বাংলার হয়ে আর খেলবেন না।রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের দল গঠনের সময় ঋদ্ধিকে না জানিয়েই টিমে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। এতে আরও ক্ষেপে যান তিনি। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াকে পরিস্কার জানিয়ে দেন বাংলার হয়ে তিনি আর খেলবেন না। বাংলা থেকে ছাড়পত্র নিতে চান। অভিষেক ডালমিয়া থেকে শুরু করে বাংলার কোচ অরুণলালও ঋদ্ধিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাতেও বরফ গলেনি। আইপিএল চলাকালীনই বাংলার রনজি দলের হোয়াটসআপ গ্রুপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন ঋদ্ধি। তখনই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যায় যে, বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে তিনি অনড়।আইপিএলের ফাইনাল খেলে বুধবার কলকাতায় ফিরছেন ঋদ্ধিমান। তারপরই তিনি সিএবিতে যাবেন নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে কথা বলতে। সামনাসামনি বৈঠকে দুই পক্ষের বরফ গলে কিনা এখন সেটাই দেখার। অভিষেক ডালমিয়া যদি ঋদ্ধির মান ভাঙাতে পারেন, তাহলে বাংলারই লাভ।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত চমক, গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী গোলকিপারকে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল

গত মরশুমে গোলকিপার নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। তাই সামনের মরশুমে যাতে আর সমস্যায় পড়তে না হয় তারজন্য ভাল গোলকিপারের খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। সাফল্যও পেয়ে গেলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপার ভাস্কর রায়কে তুলে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ইতিমধ্যেই এই তরুণ গোলকিপারের সঙ্গে প্রাকচুক্তিও সেরে ফেলেছেন লালহলুদ কর্তারা।এই বছর আই লিগে রাজস্থান এফসির হয়ে তিন কাঠির নিচে দুরন্ত পারফরমেন্স করেছেন ভাস্কর রায়। রাজস্থান এফসি আই লিগে সাফল্য না পেলেও তাঁর খেলা নজরে পড়েছিল বিভিন্ন ক্লাবের কর্তাদের। এবারের আই লিগে তিনি গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন। আইএসএল ছাড়াও আই লিগের বেশ কয়েকটা ক্লাবের প্রস্তাবও ছিল ভাস্কর রায়ের কাছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লালহলুদকেই বেছে নিয়েছেন ভাস্কর। কারণ ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে খেলার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করাই ছিল ভাস্কর রায়ের লক্ষ্য। তাড়াছা ইস্টবেঙ্গলে খেলার সুবিধাও বেশি পাবেন বলে তাঁর মনে হয়েছে।মঙ্গলবারই এই বাঙালী গোলকিপারের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়েছে রাজস্থান এফসির। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে প্রাকচুক্তি করলেও অন্য ক্লাবে সই করারও পথ খোলা রয়েছে ভাস্করের সামনে। লালহলুদের থেকে তিনি যদি অন্য ক্লাব থেকে ভাল প্রস্তাব পান তাহলে প্রাকচুক্তি ভেঙে বেরিয়ে যেতে পারেন। শুধু ভাস্কর রায় নন, বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে এইরকম চুক্তি করে রেখেছে ইস্টবেঙ্গল। শুধু আইএসএলে জন্য নয়, কলকাতা লিগ, আইএফএ শিল্ড এবং ডুরান্ড কাপেও ক্লাবের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে ভাস্কর রায়কে।এদিকে ইস্টবেঙ্গলের স্টপার হীরা মণ্ডলকে বড় রকমের প্রস্তাব দিয়েছে ওড়িশা এফসি। ওড়িশা ছাড়াও আইএসএলের একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে হীরার কাছে। দেখা যাক তিনি শেষ পর্যন্ত কোন দলের প্রস্তাব গ্রহন করেন। এদিকে সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া বাংলার মিডফিল্ডার সজল বাগকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। তাঁর সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে চেন্নাইন। অর্থাৎ ২০২৫ পর্যন্ত তাঁকে চেন্নাইনের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। ইস্টবেঙ্গলেরও নজর ছিল সজলের দিকে।

মে ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হোটেলের এক ঘরে থেকে প্রেম! ইংল্যান্ড মহিলা দলে সমকামী বিয়ে

অ্যামি সাদারওয়েট-লিয়া তাহুহু এবং মারিজেন কাপ-ডেন ভ্যান নিয়েকার্কের পর ক্রিকেটে ফের নজির। আবার সমকামী বিয়ে। সমকামী বিবাহে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইংল্যান্ডের মহিলা দলের দুই ক্রিকেটার ক্যাথরিন ব্রান্ট এবং নাতালিয়া স্কিভার। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের ও দুই পক্ষের পরিবারের উপস্থিতিতে পরিণয় সপন্ন হল। পাঁচ বছর সম্পর্কে থাকার পর চার হাত এক করলেন ইংল্যান্ডের মহিলা ক্রিকেট দলের এই দুই ক্রিকেটার। নতুন এই জুটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। ইংল্যান্ড ক্রিকেটের তরফ থেকে টুইটে নতুন দম্পত্তিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট লিখেছে, আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছ ক্যাথেরিন ব্রান্ট এবং ন্যাট স্কিভারকে যারা সপ্তাহন্তে বিবাহ সম্পন্ন করেছে।ব্রিটেনে আয়োজিত ২০১৭ আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ড দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন স্কিভার এবং ব্রান্ট। নিউজিল্যান্ডে আয়োজিত ২০২২ মহিলা বিশ্বকাপ দলেও ছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালে ১২১ বলে ১৪৮ রান করেন স্কিভার। তবুও তাঁর ইনিংস কাজে আসেনি। অজি বাহিনীর কাছে হেরে রানার্স হয় ২০১৭ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের।এক বছর সম্পর্কে থাকার পরে ২০১৮ সালে স্কিভার ও ব্রান্ট বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে ব্রান্টের সঙ্গে এনগেজমেন্টের কথা ঘোষণা করেন স্কিভার। বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সেই সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের টি২০ সিরিজ হওয়ার কথা ছিল। সিরিজের মাঝেই বিয়ে করবেন ভেবেছিলেন স্কিভার ও ব্রান্ট। তখন থেকেই এই বিয়ে নিয়ে তুমুল উৎসাহ ছিল ইংল্যান্ড দলে স্কিভার-ব্রান্টের সতীর্থদের। কিন্তু কোভিডের কারণে তা পিছিয়ে যায়। এত দিনে তা সম্পন্ন হল।জাতীয় দলে স্কিভারের অনেক আগে থেকে খেলছেন ব্রান্ট। তিনি সমকামী হলেও সতীর্থের সঙ্গে তাঁর প্রেম হবে, এ কথা ভাবেননি আগে। কিন্তু স্কিভার জাতীয় দলে ঢোকার পরে দুজনের একে অপরকে ভাল লাগে। প্রথমের দিকে দল সফরে গেলে হোটেলে একই ঘরে থাকতেন স্কিভার ও ব্রান্ট। ফলে তাঁদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। ২০১৭ সালে তাঁদের সম্পর্কের কথা দলের অন্যদের বলেন ব্রান্ট। গোটা দল খুশিতে মেতে ওঠে। কেউ তাঁদের অন্য নজরে দেখেননি। সবাই সব সময় তাঁদের সমর্থন করেছেন বলেই জানিয়েছেন ব্রান্ট। তাঁদের বিয়ে নিয়ে উৎসাহ বরং সতীর্থদেরই বেশি ছিল।২৯ বছরের স্কিভার এখনও খেলা চালিয়ে যেতে চাইলেও ৩৬ বছরের ব্রান্ট এ বার সংসার করতে চান। দীর্ঘ দিন ধরে পিঠের চোটে ভুগছেন তিনি। তাই আর বেশি দিন খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন। বিয়ের পরেই ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে চান ব্রান্ট। তাতে স্কিভারের কোনও সমস্যা নেই। বরং তিনি খুশি, যে সংসার সামলানোর কেউ থাকবে। অন্য দম্পতিদের মতো সন্তান নেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। তবে সেটা কবে সেই বিষয়ে এখনও কিছু ভাবেননি দুই ক্রিকেটার।

মে ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের বিতর্কিত কোচ এবার বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দায়িত্বে

বরাবরই তিনি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন। আরও একবার চ্যালেঞ্জ নিলেন খালিদ জামিল। আইলিগ ও আইএসএলে সাফল্যের সঙ্গে কোচিং করানোর পর এবার আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনেও কোচিং করাতে চলেছেন খালিদ। এবার তাঁকে দেখা যাবে দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগের হাইপ্রোফাইল দল বেঙ্গালুরু ইউাইটেডের দায়িত্বে।২০১৬১৭ মরশুমে আইজল এফসিকে আইলিগ চ্যাম্পিয়ন করিয়ে খবরের শিরোনামে আসেন খালিদ। প্রথমে সহকারী কোচ হিসেবে নর্থইস্ট ইউনাইটেডে যোগ দিলেও পরবর্তীতে দলটির প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন খালিদ। গত মরশুমে আইএসএলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডে পূর্ণসময়ের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন খালিদ। তাঁর কোচিংয়ে সাফল্য না পেলেও খুব একটা খারাপ খেলেনি নর্থইস্ট ইউনাইটেড। প্রথম ভারতীয় কোচ হিসেবে তিনি তাঁর দল নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে আইএসএলের প্লেঅফে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার অধীনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল জন আব্রাহামের দল।যদিও তাঁর সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করেনি আইএসএলের এই দল। বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দায়িত্ব নিয়ে খালিদ খুশি। তিনি বলেন, বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি। মুখিয়ে রয়েছি ক্লাবকে আরও শক্তিশালী করে ওদের ট্রফি ক্যাবিনেট ভরিয়ে তুলতে। বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দলে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশ্রন রয়েছে। আমি মুখিয়ে রয়েছি তাদের সাথে কাজ করে আমার সমস্ত শিক্ষা শেয়ার করার জন্য। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা এক সাথে কাজ করতে পারব এবং ক্লাবকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারব।সূত্রের খবর, দুই বছরের চুক্তিতে খালিদকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। আই লিগ জয়ী কোচের সার্ভিস নিশ্চিত করার পর বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের মালিক গৌরব মাচান্দা বলেছেন, ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা কোচ খালিদ। দীর্ঘ নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা আছে। টেকনিক্যাল স্কিলো দারুণ। কোচিং অভিজ্ঞতা অনেক। আমরা নিশ্চিত ওর তত্ত্বাবধানে ক্লাব আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছবে।আইজলের মতো এক অখ্যাত দলকে ভারতীয় ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন খালিদ জামিল। তাঁর হাতে পড়ে ইতিহাস তৈরি করে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় আইজল এফসি। আইজলকে চ্যাম্পিয়ন করার পর তিনি দেশের ফুটবলের দুই স্তম্ভ ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের কোচের দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছেন। ইস্টবেঙ্গলে কোচিং করানোর সময় তিনি বিতর্কের মুখেও পড়েছিলেন।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অন্য লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছেন হার্দিক

২০১৫ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন। পাঁচ বার ফাইনালে উঠে পাঁচ বারই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য নজির গড়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। কিন্তু এবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গুরুত্বই আলাদা তাঁর কাছে। কারণ এবারই প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন আইপিএলের রঙ্গমঞ্চে। প্রথমবার নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই বাজিমাত। তবে এখানেই থেমে থাকতে চাননা হার্দিক। তাঁর এবার লক্ষ্য দেশকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া।গুজরাট টাইটান্সকে ট্রফি জেতানোর পর হার্দিক পান্ডিয়া বলেন, একসময় দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। সেই স্বপ্ন পূরম হয়েছে। দেশের হয়ে খেলার সময় সকলের সমর্থন ও ভালবাসা পেয়েছি। আমি সবসময় দেশের সাফল্যকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছি। এবার দেশকে বিশ্বকাপ জেতানোই লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই কঠোর পরিশ্রম করছি। চেষ্টা করছি সেরাটা দেওয়ার। আশা করছি সফল হব।হার্দিক আরও বলেন, আমি বরাবরই দায়িত্ব নিতে ভালবাসি, সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করি। আমি যদি সামনে দাঁড়িয়ে পতাকা বহন করতে পারি, তাহলে সতীর্থদের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারব। আইপিএলে ৫ বার ফাইনালে উঠে ৫ বারই চ্যাম্পিয়ন হলাম। এবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এবছরই প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমার আর একটা লক্ষ্য রয়েছে। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা।টি২০ ক্রিকেট নাকি ব্যাটারদের খেলা। হার্দিকের মত অবশ্য ভিন্ন। তিনি মনে করেন, ব্যাটাররা কয়েকটা ম্যাচ জেতাতে পারে। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে জিততে গেলে ভাল বোলিং শক্তি দরকার। আইপিএলের মেগা নিলামে সেই দিকেই নজর দিয়েছিলেন বলে জানান হার্দিক। তাঁর কথায়, আমি আর বোলিং কোচ আশিস নেহরা ঠিক করেছিলাম, অভিজ্ঞ বোলিং শক্তি তৈরি করব। সেই লক্ষেই সামি, রশিদ, ফার্গুসনদের দলে নিয়েছিলাম। অভিজ্ঞ বোলারদের নিয়ে দল তৈরির সুফল পেয়েছি। বোলাররা প্রতি ম্যাচেই ১০২০ রান কম দিয়েছে। ওই রানগুলোই ম্যাচের ফয়সালা করে দিয়েছে। এবছর প্রতিটি ম্যাচে গ্যালারিতে ছিলেন হার্দিকের স্ত্রী নাতাশা স্তানকোভিচ। স্ত্রী ও পরিবার তাঁর সব থেকে বড় শক্তি বলে জানিয়েছেন হার্দিক। তিনি বলেন, নাতাশা আমার লড়াইয়ের সাক্ষী। ওই আমার অনুপ্রেরণা। আমি কতটা পরিশ্রম করেছি সেটা ও জানে। আমি সফল হওয়ায় ওর খুব আনন্দ হয়েছে। উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছিল।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার

চলতি আইপিএলে কি নতুন চ্যাম্পিয়ন দেখতে পাবেন ক্রিকেটপ্রেমীরা? না, দ্বিতীয় বারের জন্য আবার রাজস্থান রয়্যালসের হাতে উঠবে ট্রফি? আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রশ্নটা রবিবাসরীয় সন্ধেয় বারবার ঘুরে ফিরে আসছিল। ঘরের দলকে সমর্থন জানাতে এদিন গ্যালারি ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। ক্রিকেটপ্রেমীদের হতাশ হতে হয়নি। দ্বিতীয় বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালসের। রাজস্থানকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে আইপিএলে অভিষেকেই চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স। প্রথমবার নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই ইতিহাস গড়লেন হার্দিক পান্ডিয়া।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ফাইনালে রাজস্থান রয়্যালস বড় রানের জন্য তাকিয়েছিল জস বাটলারের দিকে। বাটলার ব্যর্থ হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রাজস্থানের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩০ রানের বেশি তুলতে পারেননি। জয়ের জন্য ১৩১ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হার্দিক পান্ডিয়ার দল। দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলে ঋদ্ধিমান সাহার স্টাম্প ছিটকে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। ৭ বলে মাত্র ৫ রান করে আউট হন ঋদ্ধি। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে ম্যাথু ওয়েডকে তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট। ১০ বলে ৮ রান করে আউট হন ওয়েড।🏆 ➡️ 🎂 #SeasonOfFirsts #AavaDe #IPLFinal #GTvRR pic.twitter.com/eDUCgtQZgD Gujarat Titans (@gujarat_titans) May 29, 2022ওয়েড যখন আউট হন গুজরাট টাইটান্সের রান তখন ৪.৩ ওভারে ২৩/২। এরপর রাজস্থান রয়্যালসের বোলার ওপর ক্রমশ চাপ তৈরি করতে শুরু করেন হার্দিক পান্ডিয়া ও শুভমান গিল। এই দুই ব্যাটার পার্টনারশিপ গড়ে তুলে গুজরাটকে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। হার্দিক পান্ডিয়াকে তুলে নেন। ৩০ বলে ৩৪ রান করে আউট হন হার্দিক। গুজরাটের রান তখন ৮৬। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শুভমান গিল (৪৩ বলে অপরাজিত ৪৫) ও ডেভিড মিলার (১৯ বলে ৩২)। ১৮.১ ওভারে ১৩৩/৩ তুলে ম্যাচ জিতে যায় গুজরাট টাইটান্স।টস জিতে এদিন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার দুর্দান্ত বোলিং ও নেতৃত্ব একবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসকে। যশস্বী জয়সোয়ালকে (১৬ বলে ২২) তুলে নিয়ে রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন যশ দয়াল। তারপর বাইশ গজে আগুন ঝড়ান হার্দিক। তাঁর শিকারের তালিকায় সঞ্জু (১১ বলে ১৪), বাটলার (৩৫ বলে ৩৯), হেটমায়ার (১২ বলে ১১)। পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন রশিদ খান। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন হার্দিক। ১৮ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ খান। ২০ রানে ২ উইকেট নেন সাই কিশোর।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত বোলিং ও নেতৃত্ব, হার্দিক পান্ডিয়াই ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিল রাজস্থানকে

চলতি আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের ফাইনালে ওঠার পেছনে সবথেকে বেশি অবদান জস বাটলারের। একার হাতেই দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ফাইনাল বৈতরণী পার হওয়ার জন্য তাঁর দিকেই তাকিয়ে ছিল গোটা দল। ফইনালে জ্বলে উঠতে পারলেন না জস বাটলার। বাকিরাও দায়িত্ব নিতে পারলেন না। হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৩০/৯। আগের ম্যাচে আমেদাবাদের বাইশ গজে দ্বিতীয় ইনিংসে স্পিনারদের সাহায্য পেতে দেখেছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। মহম্মদ সামি ও যশ দয়ালের প্রথম দুই ওভারে তেমন সুবিধা করতে পারেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও যশস্বী জয়সোয়াল। আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে গিয়ে যশ দয়ালকে উইকেট তুলে দেন যশস্বী। ১৬ বলে ২২ রান করে তিনি সাই কিশোরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। যশস্বী আউট হওয়ার পর বাটলারের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। রাজস্থানের স্ট্র্যাটেজি ছিল বাটলার ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেবেন, বাকি ব্যাটাররা আক্রমণের রাস্তায় যাবেন। কিন্তু সঞ্জুকে ঝড় তোলার সুযোগে দেননি গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সঞ্জুকে (১১ বলে ১৪) তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে দেবদত্ত পাড়িক্কলও হার্দিক, রশিদ খানদের বিরুদ্ধে একেবারেই সাবলীল ছিলেন না। পাড়িক্কল ক্রিজে আসতেই রশিদকে আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক। সাফল্যও পান। পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন রশিদ। আইপিএলের শুরু থেকেই ব্যাট হাতে বোলারদের শাসন করে গেছেন জস বাটলার। তাঁর ব্যাটিংয়ের বৈশিষ্ট্য হল শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেন না। ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন। পরের দিকে ঝড় তোলেন। এদিন অবশ্য তাঁকে ঝড় তোলার সুযোগ দেননি হার্দিক পান্ডিয়া। হার্দিকের অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ঋদ্ধিমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাটলার। ৩৫ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। বাটলার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজস্থান রয়্যালসের বড় রানের ইনিংস গড়ার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। শিমরন হেটমায়ার (১১), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৬), ট্রেন্ট বোল্টরা (১১) দায়িত্ব নিতে পারেননি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন হার্দিক। ১৮ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ খান। ২০ রানে ২ উইকেট নেন সাই কিশোর।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্পেনের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা স্ট্রাইকার আসছে এটিকে মোহনবাগানে!‌

সামনের মরশুমে দিয়েগো কোস্তাকে কি খেলতে দেখা যাবে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে? শোনা যাচ্ছে স্পেনের এই বিশ্বকাপারকে দলে নেওয়ার জন্য আসরে নেমেছে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। বেশ কিছুধিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল দিয়েগো কোস্তাকে দলে নেওয়া হতে পারে। তাঁর এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন কর্তারা। তবে এখনও চূড়ান্ত কিছু হয়নি। কোস্তাকে দলে নিতে গেলে বিশাল অঙ্কের বেতন দিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। স্পেনের এই বিশ্বকাপার মার্কি ফুটবলার হওয়ায় আইএসএলের নিয়ম তা আটকাবে না। স্পেনের জার্সি গায়ে ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন দিয়েগো কোস্তা।বর্তমানে ফ্রি ফুটবলার হিসেবে রয়েছেন দিয়েগো কোস্তা। এই মুহূর্তে তিনি কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নন। গতবছর ব্রাজিলের অ্যাটলেটিকো মিনেইরোতে ছিলেন। এই ক্লাবের হয়ে ব্রাজিলীয় সিরি এ লিগ, কোপা ডো ব্রাজিল জিতেছিলেন। গত মরশুমে মিনেইরোর হয়ে ৭টি গোল করেছিলেন দিয়েগো কোস্তা। ব্রাজিলের প্রথম ডিভিশন থেকে ভারতে তিনি আইএসএল খেলতে আসবেন কিনা, সে নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তাছাড়া কোস্তার বিপুল বেতন এটিকে মোহনবাগান মেটাতে পারবে কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তবে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা হাল ছাড়ছেন না।আসলে ডেভিড উইলিয়ামস ও রয় কৃষ্ণার এটিকে মোহনবাগান ছাড়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গেছে। নতুন মরশুমে মুম্বই সিটি এফসিতে যোগ দিচ্ছেন তিনি। শনিবার সবুজমেরুণের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উইলিয়ামসকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। রয় কৃষ্ণার কাছেও মুম্বই সিটি এফসির প্রস্তাব আছে। এখন দেখার তিনি মুম্বইয়ের প্রস্তাব গ্রহন করেন কিনা।দিয়েগো কাস্তা ছাড়াও আরও দুজন বিদেশি ফুটবলারের দিকে নজর রয়েছে এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের। সার্বিয়ার জাতীয় দলের স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার প্রিয়োভিচ ও জাপানের ইউমা সুজুকির এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। কাশিমা অ্যান্টলার্সের হয়ে খেলা ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড সুজুকির প্রতি বেশি আগ্রহী এটিকে মোহনবাগান। তবে জাপানি সুজুকিকে আনতে বড় সমস্যা হবে ট্রান্সফার ফি। ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কাশিমা অ্যান্টলার্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ সুজুকি। তাঁকে দলে নিতে গেলে ১০ কোটি টাকার বেশি ট্রান্সফার ফি দিতে হতে পারে। জানা গিয়েছে, সবুজমেরুন কর্তারা নাকি সেই টাকা দিতে রাজি।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেন ওয়ার্নের জন্য চ্যাম্পিয়ন হতে মরিয়া রাজস্থান রয়্যালস

২০০৮ সালে শেন ওয়ার্নের নেতৃত্বে প্রথম আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। মাঝে ১৩ বছর আইপিএলের ফাইনালেই উঠতে পারেনি। এবছর আবার খেতাব জয়ের হাতছানি। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রাজস্থান শিবিরে আবার ভেসে উঠছে শেন ওয়ার্নের নাম। প্রথমন অধিনায়কের জন্যই আবার খেতাব জিততে মরিয়া রাজস্থান রয়্যালস।রাজস্থান রয়্যালস আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার তিন বছর পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের। এখন তিনিই দলের নেতৃত্বে। গুজরাটের বিরুদ্ধে ফাইনালে নামার আগে সঞ্জু স্যামসন, ২০০৮ সালে রাজস্থান রয়্যালসকে যখন খেতাব জেতান শেন ওয়ার্ন, সোহেল তনবীররা তখন আমি কেরলে একটা জায়গায় অনূর্ধ্ব ১৬ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলছিলাম। এবার শুরু থেকে আমরা শেন ওয়ার্নের জন্যই জিততে চাইছি। আমরা লক্ষ্য থেকে আর এক কদম দূরে। ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হলেও আমরা এবারের আইপিএলে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি। দলে ভালো ক্রিকেটাররা থাকায় আমার কাজটাও সহজ হয়েছে। প্রথমদিকে সকলের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের চরিত্র সম্পর্কে ধারণা করার চেষ্টা করেছি। টিম হোটেল থেকে ড্রেসিংরুমে আমাদের দলে বেশ মজাদার কয়েকজন ক্রিকেটার থাকায় জৈব সুরক্ষা বলয়ের জীবনও কঠিন মনে হয় না। নেতৃত্বও উপভোগ করছেন বলে জানিয়েছেন সঞ্জু।টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেকেই হয়তো ভাবেননি এই দুই দল শেষ পর্যন্ত খেতাবি লড়াইয়ে থাকবে। তবে, যে ভাবে হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন গুজরাট টাইটান্স এবং সঞ্জু স্যামসনের নেতৃত্বাধীন রাজস্থান রয়্যালস ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে তাতে দুই শিবিরের শক্তির প্রকাশ পায়। চলতি আইপিএলে এই দুই দল একে অপরের বিরুদ্ধে দুবার মুখোমুখি হয়েছে এবং দুটিতেই জয় পেয়েছে গুজরাট টাইটান্স।ফাইনালে কোন দল এগিয়ে? পরিসংখ্যান এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করলে বিশ্লেষণ করলে খেতাব জয়ের ক্ষেত্রে ফেভারিট আইপিএল-এ সদ্যজাত গুজরাট টাইটান্স। এই দুই দলের বিগত সাক্ষাতের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে হার্দিকের দল। তবে, রাজস্থানকে এই ম্যাচে সব রকম প্রতিকূলতার মধ্যেও লড়াইয়ে রাখবে এক এবং অদ্বিতীয় জস বাটলরারের বিধ্বংসী ফর্ম। কমলা টুপি দখলে করে নেওয়া বাটলারেরর ব্যাট প্রত্যাশা মতো কথা বললে খালি হাতে ফিরতে হতেই পারে গুজরাটকে। শেষ ম্যাচেই অপরাজিত শতরান পান জস। তবে, মনে রাখতে হবে ফাইনাল ম্যাচ সম্পূর্ণ আলাদা, এখানে লড়াই হবে খেতাব জয়ের জন্য। ফলে এই ম্যাচে কেউই এগিয়ে নয়, কেউই পিছিয়ে নয়। যে কোনও পরিস্থিতি থেকে ম্যাচের ভাগ্য বদলে যেতে পারে।

মে ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি বিশ বাঁও জলে

শ্রী সিমেন্ট সরে যাওয়ার পর আইএসএলে খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বললেও কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে ইমামি গ্রুপ স্পনসর করতে রাজি হয়েছে। তার আগে সৌরভ গাঙ্গুলি কথা বলেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে জোট বাঁধার কোনও ইচ্ছেই নাকি নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কয়েকদিন আগে সৌরভ গাঙ্গুলি নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন, ম্যান ইউয়ের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। দিন দশবারোর মধ্যে ছবিটা পরিস্কার হয়ে যাবে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের গাঁটছড়া বাঁধার পুরো বিষয়টা সৌরভই দেখছিলেন। তিনিই ছিলেন মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্বে।সৌরভ গাঙ্গুলি চুক্তির ব্যাপারে বলেছিলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ১০১২ দিনের মধ্যেই বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আগে বিষয়টা চূড়ান্ত হোক, তারপর পরিস্কারভাবে জানাতে পারব। আর ম্যাঞ্চেস্টার যদি আসে, তাহলে মালিক হিসেবেই আসবে, স্পনসর হিসেবে নয়।আরও পড়ুনঃ কীর্তি-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনিযদিও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে এখনও কোনও কিছু এগোয়নি। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত সংবাদপত্র দ্য সানএ ইস্টবেঙ্গল ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি নিয়ে একটা প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। এই বিষয়ের সত্যতা জানার জন্য ম্যান ইউকে একটি মেল পাঠানো হয়েছিল নিউজ নাইন সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে। নিউজ নাইনকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই। আইএসএলের কোনও ক্লাবের জন্য বিড করার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। বর্তমান যা পরিস্থিতি, অদূর ভবিষ্যতেও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কোনও সম্ভাবনা নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ইনভেস্টার পাওয়ার আগে থেকেই দল গোছানোর কাজ শুরু করেছিল লালহলুদ। ইমামি নয়া বিনিয়োগকারী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পর সেই কাজে আরও গতি এসেছে। নতুন উদ্যোমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

মে ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইপিএলে চতুর্থ সেঞ্চুরি!‌ ঝড় তুলে রাজস্থানকে ফাইনালে তুললেন বাটলার

চলতি আইপিএলে চতুর্থ সেঞ্চুরি। অপরাজিত রইলেন ১০৬ রানে। দুরন্ত বাটলারের ঝড়ে উড়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে আইপিএলের ফাইনালে রাজস্থান রয়্যালস। সামনে আবার সেই গুজরাট টাইটান্স। প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারের মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ।এলিমিনেটরে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখেছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু তাঁদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। গুজরাট টাইটান্সের কাছে হার মেনে নিতে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। ডেভিড মিলারের হাতে এক ওভারে পরপর তিনটি ছক্কা খাওয়াটাও হজম হয়নি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। এদিন দুরন্ত বল করে ২২ রানে নেন ৩ উইকেট। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে প্রায়াশ্চিত্য করে গেলেন। ওবেদ ম্যাকয়ও গুজরাটের বিরুদ্ধে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ফাফ ডুপ্লেসির দলের বিরুদ্ধে সব পুষিয়ে দিলেন। তিনি ২৩ রানে নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটেই প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৭/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। সর্বোচ্চ রান করেন রজত পতিদার (৪২ বলে ৫৮)।রাজস্থান রয়্যালসের যা ব্যাটিং শক্তি, জয়ের জন্য ১৫৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। তার ওপর লিগ পর্বে শেষ তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে প্রথম কোয়ালিফায়ারে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন জস বাটলার। আগের ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই এদিন শুরু করেন রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক। শুরু থেকেই চেপে বসেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বোলারদের ওপর। যশস্বী জয়সোয়ালও ভাল শুরু করেছিলেন। ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৬১। এরপরই ফিরে যান যশস্বী জয়সোয়াল। ১৩ বলে ২১ রান করে তিনি জস হ্যাজেলউডের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।যশস্বী আউট হলেও বাটলারের ঝড় অব্যাহত থাকে। মাত্র ২৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ২১ বলে ২৩ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। হাসারাঙ্গাকে স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে তিনি স্টাম্পড হন। ১৫ ওভারের চতুর্থ বলে হাসারাঙ্গাকে ৬ মেরে চলতি আইপিএলে ৮০০ রান পূর্ণ করেন বাটলার। এক বল পরেই হাসারাঙ্গাকে আবার ৬ হাঁকিয়ে ৮৮ রানে পৌঁছে যান তিনি। জয় থেকে যখন ১০ রান দুরে তখনই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ১২ বলে ৯ রান করে হ্যাজেলউডের বলে তিনি সাজঘরে ফেরেন। নিজের ছন্দ ধরে রেখে এরপর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন জস বাটলার। ৬০ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১১ বল বাকি থাকতেই ১৬১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান।

মে ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার জ্বলে উঠলেন রজত পতিদার, তবু বড় রান তুলতে ব্যর্থ র‌য়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

কথায় আছে না, কারও সর্বনাশ কারও পৌস মাস। রজত পতিদারের কপালটাই তেমন। আইপিএলের শুরুতেই লাভনিথ সিসোদিয়া চোট পেয়ে ছিটকে যান। তাঁর পরিবর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে খেলার সুযোগ রজত পতিদারের। এলিমিনেটরে তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরি ফাইনালের লাইফ লাইন এনে দিয়েছিল। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও জ্বলে উঠল রজত পতিদারের ব্যাট। তাঁর ৫৮ রানের সুবাদে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে জয়ের জন্য ১৫৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।বিরাট কোহলি রান না পেলেও বড় রানে পৌঁছতে এখন আর কোনও সমস্যা হয় না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের। আগের ম্যাচে ২৫ রান করেছিলেন কোহলি। তাসত্ত্বেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কিন্তু ২০০ রানের গন্ডি টপকে গিয়েছিল। এদিনও কোহলি ব্যর্থ। তা সত্ত্বেও লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এবছর কোহলি যদি ফাইনাল খেলার সুযোগ পান তাহলে কিন্তু রজত পতিদারের কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।আমেদাবাদের নরেন্দ্র সিং মোদি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এদিন টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম ওভারের শেষ বল ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। মনে হচ্ছিল আজ বুঝি কোহলির দিন। কিন্ত ভক্তদের হতাশ করে আবার ব্যর্থ। দ্বিতীয় ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনেরল হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কোহলি। ৮ বলে তিনি করেন মাত্র ৭ রান। প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে এক ওভারে পরপর তিনটি ৬ খেয়ে দলকে ডুবিয়েছিলেন প্রসিদ্ধ। এদিন কোহলিকে তুলে নিয়ে প্রায়াশ্চিত্য করেন।কোহলি ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি ও রজত পতিদার। ২৭ বলে ২৫ রান করে ওবেদ ম্যাকয়ের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন ম্যাক্সওয়েল। ১৩ বলে ২৪ রান করে তিনি ট্রেন্ট বোল্ডের বলে ওবেদ ম্যাকয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১ ওভার পরেই বড় ধাক্কা খায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বল গ্যালারিতে পাঠাতে চেয়েছিলেন রজত পতিদার। লং অফ বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন জস বাটলার। ৪২ বলে ৫৮ রান করে আউট হন রজত। ডেথ ওভারে দীনেষ কার্তিক (৬), শাহবাজ আমেদ (৮ বলে অপরাজিত ১০), হাসারাঙ্গারা (০) জ্বলে উঠতে না পারায় ২০ ওভারে ১৫৭/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দুরন্ত বোলিং করে ২২ রানে ৩ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন ওবেদ ম্যাকয়।

মে ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সব প্রয়াস ব্যর্থ, বাংলার হয়ে খেলবেন না ঋদ্ধিমান

বিভিন্নভাবে ঋদ্ধিমান সাহার মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছিল সিএবি। সব প্রয়াস ব্যর্থ হয়ে গেল। বাংলার হয়ে রনজি না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় ঋদ্ধিমান। বৃহস্পতিবার সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সরকারি বিবৃতিতেই তার ইঙ্গিত। এই প্রথম ঋদ্ধিমান ইস্যু নিয়ে তিনি মুখ খুললেন। বাংলার কোচ অরুণলালও ফোন করেছিলেন ঋদ্ধিমানকে। তাঁকেও না খেলার কথা জানিয়েছেন ঋদ্ধি। পারিবারিক কারণে রনজির গ্রুপ পর্যায়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন সিএবির যুগ্মসচিব দেবব্রত দাস। এই নিয়ে ঋদ্ধিমানের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। তিনি বাংলার হয়ে না খেলার কথা বলেন। এমনকি সিএবির কাছ থেকে রিলিজও চান। সিএবি চেয়েছিল ঋদ্ধিমান রনজি ট্রফির নক আউটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলার হয়ে খেলুক। এইরকম ম্যাচে দলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রয়োজন। তাই ঋদ্ধিকে দলে চেয়েছিলেন কোচ অরুণলাল এবং সিএবি কর্তা। রনজি খেলার ব্যাপারে সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ঋদ্ধিমানকে বারবার বোঝান। তিনি এও জানান, সিএবি যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের বক্তব্য সিএবির নয়। এমনকি তার দায়ও সিএবির নেই। তাতেও মন গলেনি ঋদ্ধিমানের। এমনকি বুধবার বাংলার রনজি ট্রফির জন্য তৈরি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ছেড়েও বেরিয়ে যান। তখনই পরিস্কার হয়ে যায় বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় ঋদ্ধিমান। ঋদ্ধিমান প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার অভিষেক ডালমিয়া বলেন , আমি ঋদ্ধিমানকে বলেছিলান যে তাকে রনজির নক আউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলার দরকার আছে। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য ঋদ্ধিকে অনুরোধ করেছিলাম। ঋদ্ধিমান আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং জানিয়েছেন যে সে রনজি নকআউট পর্বে বাংলার হয়ে খেলতে ইচ্ছুক নয়। সিএবিঋদ্ধিমান বিতর্ক প্রকাশ্যে আসে ১৭ মে রনজির নক আউট পর্বের জন্য বাংলা দল ঘোষণার সময়। তাঁর সঙ্গে কথা না বলেই ঋদ্ধিকে দলে রাখা হয়। দলে নাম থাকার পরেও বাংলা ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলেন ঋদ্ধি। এরুপর ঋদ্ধি বাংলা ছেড়ে যাওয়ার জন্য এনওসি চেয়ে সিএবি প্রেসিডেন্ট সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার সাথে কথা বলেন। তিনি ডালমিয়াকে বলেন , তিনি আর বাংলার হয়ে খেলতে আগ্রহী নন এবং এনওসি চান। সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের ওপর বিরক্ত হয়েই বাংলা ছাড়তে চান। কারণ দেবব্রত দাস ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অভিষেক ডালমিয়াকে ঋদ্ধি বলেন, দেবব্রত দাসকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে। সিএবি ঋদ্ধির প্রস্তাবে রাজি হয়নি।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌হর্ষল ১৪–১৫ কোটি পাওয়ার যোগ্য’‌, কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

বুধবার এলিমিনেটর ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৪ রানে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। মূলত রজত পতিদারের দুরন্ত ১১২ রানের সুবাদে ফাফ ডুপ্লেসির দল প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে তোলে ২০৭/৭। বল হাতে জস হ্যাজেলউড এবং হর্ষল প্যাটেলের ডেথ ওভারের বোলিং জয় এনে দেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে। বেঙ্গালুরুর জয়ের আসল নায়ক যদি ধরা হয়, তাহলে উঠে আসবে হর্ষল প্যাটেলের নাম। কারণ লখনউ সুপার জায়ান্টদের বিরুদ্ধে খেলায় হর্ষল অত্যন্ত মিতব্যয়ী ছিলেন। ৪ ওভারে দেন মাত্র ২৫ রান। তুলে নেন ১ উইকেট। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বীরেন্দ্র শেহবাগ এলিমিনেটরে হর্ষল প্যাটেলের চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্স নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। তাঁর মতে, পারফরম্যান্সের তুলনায় হর্ষল নিলামে অনেক কম টাকা পেয়েছেন। আইপিএলে ১৪১৫ কোটি টাকা পাওয়ার যোগ্য হর্ষল। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটের অনুষ্ঠানে বীরেন্দ্র শেহবাগ বলেন, আমরা সবসময় কথা বলি কীভাবে রাহুল তেওয়াটিয়া তার ১০ কোটি টাকার ট্যাগের প্রতি সুবিচার করে। কারণ সে গুজরাট টাইটান্সকে ম্যাচ জিতিয়েছে। হর্ষল প্যাটেল বেঙ্গালুরুর হয়ে যেভাবে বোলিং করেছে, তাতে ওর দাম এখনও বেশ কম। ও দলকে যতগুলি ম্যাচ জিতিয়েছে, তাতে আমি মনে করি, ১০.৭৫ কোটি টাকা ওর মূল্য কম। হর্ষলের ১৪১৫ কোটি টাকার ক্যাটাগরিতে থাকা উচিত। শেহবাগ আরও বলেন, হর্ষল স্লগ ওভারে বোলিং করছে, উইকেট পাচ্ছে এবং ম্যাচ বাঁচাচ্ছে। কখনও কখনও শুরুর দিকে বোলিং করে কম রান দিয়ে উইকেটও তুলে নিয়েছে। তাই আমি মনে করি হর্ষল এই শ্রেণিতে থাকার যোগ্য। এখন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর কোয়ালিফায়ার ২তে উঠেছে। এরজন্য হয়তো আরসিবি তাকে একটি বোনাস দিতে পারে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আমেদাবাদে ২৭ মে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কোয়ালিফায়ার ২এর ম্যাচ খেলবে।শুধু বীরেন্দ্র শেহবাগই নন, লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুলও মেনে নিয়েছেন তাঁর দল হর্ষল প্যাটেলের বোলিংয়ের কাছেই হেরেছে। ম্যাচের পর লোকেশ রাহুল বলেন, মাঝের ২ ওভার দুর্দান্ত বোলিং করে হর্ষল ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল। ওই সময় আমরা বড় শট খেলতে পারিনি। ডেথ ওভারেও ভাল বোলিং করেছিল। যদি মাঝের ওভারগুলিকে কয়েকটা বাউন্ডারি কিংবা ওভার বাউন্ডারি মারতে পারতাম, তাহলে আমাদের কাজটা সহজ হয়ে যেত।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইন্দোনেশিয়াকে ১৬ গোল!‌ এশিয়া কাপে এ কী করল ভারত?‌

কঠিন সময়ে জ্বলে ওঠার নজির আগেও রয়েছে ভারতীয় দলের। সেই কাজটা আবার করে দেখাল এশিয়া কাপে। অসম্ভবকে সম্ভব করে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারতীয় হকি দল।আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র করে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছিলেন বীরেন্দ্র লাকড়ারা। সেমিফাইনালে যেতে গেলে এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫০ গোলের ব্যবধানে জিততে হত ভারতীয় দলকে। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বীরেন্দ্ররা। ১৬০ ব্যবধানে জিতে পুল এ থেকে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারত। ভারতের হয়ে পাঁচটি গোল করেন দীপসন তিরকে, হ্যাটট্রিক করেন বেলিমগ্গা। দুটি করে গোল করেন সেলভম কারথি, সোমওয়ারপত, সুনীল এবং রাজভর।এশিয়া কাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ইন্দোনেশিয়াকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হত। শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বীরেন্দ্র লাখড়ারা। ভারতীয় দলের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার রক্ষণ। ম্যাচের ১০ মিনিটে রাজভর প্রথম গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ২০ করেন তিনিই। প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ১৯ মিনিটে ৪০ করেন সুনীল। প্রথমার্ধেও ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৯ গোল চাপিয়ে দেয় ইন্দোনেশিয়ার ওপর।𝗗𝗶𝗽𝘀𝗮𝗻 𝘀𝘁𝗮𝗿𝘀 𝗶𝗻 𝗜𝗻𝗱𝗶𝗮𝘀 𝘄𝗶𝗻!India beat hosts #Indonesia by a massive 16-0 margin to qualify for the semi-finals of the #HeroAsiaCup2022.Dipsan Tirkey netted 4️⃣ goals while Olympian Birendra Lakra Odia boy Nilam Sanjeep Xess scored a goal each. pic.twitter.com/IIQdkaE8xn Odisha Sports (@sports_odisha) May 26, 2022গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের সঙ্গে ১১ ড্র করে ভারত। এর পর জাপানের বিরুদ্ধে ৫২ ব্যবধানে হেরে যায়। বৃহস্পতিবার জাপান ৩২ ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। ২-৩ গোলের ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরে সুপার ফোরে ওঠার জন্য ভারতের কাছে একটাই পথ খোলা ছিল ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। ভারত ১৬টি গোল করে।এদিন শেষ ১৫ মিনিটে তিন গোল দরকার ছিল ভারতের। ভারত দেয় ৪ গোল। শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত এবং তা থেকে তিরকে গোল করে যান। এটি ছিল তাঁর ম্যাচের চতুর্থ গোল। আর এই গোলের সঙ্গে পুল এ-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে শেষ করে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ভারত ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যর্থ লোকেশের লড়াই, ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

বিরাট কোহলির ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন রজত পতিদার। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৪ রানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের দুরন্ত লড়াই ব্যর্থ হয়ে গেল। দ্বিতীয় এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে এবার রাজস্থান রয়্যালস।রজত পতিদারের অপরাজিত দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ২০৭/৪ রানের বড় স্কোর খাড়া করেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। সামনে বিশাল রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে গিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। চাপ আরও বেড়ে যায় প্রথম ওভারেই কুইন্টন ডিককের উইকেট হারানোয়। প্রথম ওভারের শেষ বলে তাঁকে তুলে নেন মহম্মদ সিরাজ। ৫ বলে ৬ রান করে আউট হন ডিকক। মনন ভোরাও দলকে বেশিদূর টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। ১১ বলে ১৯ রান করে তিনি হ্যাজেলউডের বলে শাহবাজ আমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।৪১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর লখনউকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডা। তাঁদের ৯৬ রানের জুটি লখনউকে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। দীপক হুডাকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২৬ বলে ৪৫ রান করে আউট হন দীপক হুডা। হুডা আউট হওয়ার আগেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল। চলতি আইপিএলে এটি তাঁর চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি।দীপক হুডা আউট হওয়ার পর মার্কাস স্টয়নিস জুটি বাঁধেন লোকেশ রাহুলের সঙ্গে। হর্শল প্যাটেলকে ৬ মারতে গিয়ে ডিপ কভারে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন স্টয়নিস (৯ বলে ৯)। লোকেশ রাহুল আউট হতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় লখনউর। ৫৮ বলে ৭৯ রান করে হ্যাজেলউডের বলে আউট হন রাহুল। পরের বলেই হ্যাজেলউড তুলে নেন ক্রূণাল পান্ডিয়েকে (০)। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯৩/৬ তোলে লখনউ। ৪৩ রানে ৩ উইকেট নেন হ্যাজেলউড।এদিন কোহলির টানেই এদিন ইডেন ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ কোহলি। মাত্র ২৫ রান করে আউট হন। কোহলির ব্যর্থতা ঢেকে দলকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন রজত পতিদার। ৫৪ বলে ১১২ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর সৌজন্যেই ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৭ রানে পৌঁছেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।যদিও শুরুটা ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। প্রথম ওভারেই আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি। তিনি গোল্ডেন ডাকের শিকার। এরপর দলকে টানেন কোহলি ও রজত পতিদার। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৯) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মহীপাল লোমরোর করেন ১৪। শেষদিকে ঝড় তুলে ২৩ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন দীনেশ কার্তিক।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলির মঞ্চে ইডেন মাতিয়ে নায়ক রজত পতিদার

বিরাট কোহলির আকর্ষনেই বুধবার ইডেন ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। কোহলি কিন্তু হতাশ করলেন ইডেনকে। তাঁর ব্যর্থতা ঢেকে ক্রিকেটের স্বর্গোদ্যান মাতিয়ে গেলেন রজত পতিদার। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে এলিমিনেটরের প্রথম ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ২০৭/৪। দুরন্ত সেঞ্চুরি করলেন রজত পতিদার।ইডেনের আকাশ জুড়ে কালো মেঘের ঘনঘটা। বৃষ্টিও শুরু হয়েছিল। তড়িঘড়ি গোটা ইডেন ঢাকা হয় সাদা কভারে। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, আদৌও ম্যাচ হবে তো? বৃষ্টি বন্ধ হতেই উঠল কভার। ম্যাচ শুরু হল নির্ধারিত সময়ের ৪০ মিনিট পর। টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে আউট রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। এদিন তিনি গোল্ডেন ডাকের শিকার। কোনো রান না করেই মহসিন খানের বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।ইডেনের দর্শকরা এদিন মাঠ ভরিয়েছিলেন কোহলির টানে। কোহলিপ্রেমীরা আশা করেছিলেন মাঠ মাতাবেন তাঁদের প্রিয় ক্রিকেটার। ভাল শুরুও করেছিলেন। ব্যাটে লম্বা ইনিংসের ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু ইডেনের গ্যালারির প্রত্যাশাপূরণ করতে পারলেন না কিং কোহলি। ২৪ বলে ২৫ রান করে আবেশ খানের বলে মহসিন খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ১০ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে এভিন লুইসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।দলের সেরা ব্যাটাররা আউট হলেও ইডেনের বাইশ গজে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন রজত পতিদার। ২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর তাঁকে আর আটকানো যায়নি। একবার জীবন পেয়ে রীতিমতো তান্ডব শুরু করেন। মহসিন খানকে ৬ মেরে আইপিএলে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তাঁর সেঞ্চুরি আসে মাত্র ৫১ বলে। একটা সময় মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। কিন্তু রজত পতিদারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে ২০০ রানের গন্ডি টপকে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৫৪ বলে ১১২ রান করে অপরাজিত থাকেন পতিদার। তাঁকে সহযোগিতা করেন দীনেশ কার্তিক (২৩ বলে অপরাজিত ৩৭)। মহীপাল লোমরোর করেন ১৪। লখনউর হয়ে ১টি করে উইকেট নেন মহসিন খান, ক্রূণাল পান্ডিয়া, আবেশ খান ও রবি বিষ্ণোই।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’, রাজস্থানকে উড়িয়ে ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংস ম্লান হয়ে গেল ডেভিড মিলারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অভিষেক আইপিএলেই ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। ৩ বল বাকি থাকতে ১৯১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই থেকে গেলেন বাটলার।বাটলারের দাপটে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট টাইটান্সের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। আগের বেশ কয়েকটা ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিল। ঘরের মাঠে এদিন প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারেননি ঋদ্ধি। ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নিজের আঁতুর ঘরে খালি হাতেই ফিরতে হল ঋদ্ধিকে। বল হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সামি। ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩। মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে আরও এক ঘরের ক্রিকেটার হতাশ করেন।বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই ঋদ্ধি আউট। মনে হচ্ছিল ট্রেন্ট বোল্টদের সামনে ভেঙে পড়বে গুজরাট টাইটান্স। তা কিন্তু হয়নি। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজস্থান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড। ৭ ওভারেই পৌঁছে যায় ৬৮ রানে। ওয়েডের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুভমান আউট। ২১ বলে ৩৫ রান করেন শুভমান। এরপরই ছন্দপতন। দশম ওভারের তৃতীয় বলে ওয়েডকে তুলে নেন ওবেদ ম্যাকক। ৩০ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েড।ওয়েড আউট হওয়ার পর গুজরাটের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুজনই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার ছিল গুজরাট টাইটান্সের। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম তিন বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে ফাইনালে তোলেন মিলার। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসেরও। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। যশ দয়ালের আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন সঞ্জু স্যামসন। জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তারপরই ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। ২৬ বলে ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। এই দুজনের দাপটেই গুটরাজ টাইটান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০ বলে ২৮ রান করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাজিয়াকে উড়িয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান

এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে গোকুলাম এফসির কাছে হারটা যে দুর্ঘটনা ছিল, প্রমাণ হয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে হারের পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে ৪২ ব্যবধানে জয়। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে ৫২ ব্যবধানে উড়িয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান। জোড়া গোল করে জয়ের নায়ক জনি কাউকো। ১টি করে গোল করেন রয় কৃষ্ণা, শুভাশিস বোস ও কার্ল ম্যাকহিউ।এটিকে মোহনবাগান সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে পারবে কিনা নির্ভর করছিল এদিন গোকুলাম এফসি ও বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের ম্যাচের ওপর। গোকুলাম জিতলে এটিকে মোহনবাগান ও মাজিয়া ম্যাচ নিয়মরক্ষার ম্যাচে পরিণত হত। কিন্তু প্রথম ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস ২১ ব্যবধানে জিতে যাওয়ায় ড্র করলেও চলত এটিকে মোহনবাগানের। কিন্তু মাজিয়াকে উড়িয়েই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল।এদিন ম্যাচে ২৬ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে প্রথম গোলটি করেন জনি কাউকো। এই গোলের ১১ মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। ২০ গোলে এগিয়ে যাওয়া এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাজিয়ার হয়ে ব্যবধান কমান টানা। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬ মিনিটে রয় কৃষ্ণ গোল করে এটিকে মোহনবাগানের পক্ষে লিড ডবল করেন। দুমিনিটের মধ্যে চতুর্থ গোলটি করেন শুভাশিস বসু ৫৮ মিনিটে। ৭১ মিনিটে কার্ল ম্যাকহিউ পঞ্চম গোলটি করেন এটিকে মোহনবাগানের হয়ে। ৭৩ মিনিটে টানা আরও একটি গোল মাজিয়ার হয়ে করলেও কোনও লাভ হয়নি মলদ্বীপের দলটির। শেষ পর্যন্ত এটিকে মোহনবাগানের পক্ষে ৫২ গোলেই শেষ হয় ম্যাচ।

মে ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 18
  • ...
  • 71
  • 72
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal