• ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

লোকসভা নির্বাচনের আগে উলোট-পুরান, তৃণমূল ছেড়ে ঘরে ফিরলেন বিজেপি বিধায়ক

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় বিজেপিতে ফিরলেন। বুধবার শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে ফের গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন সৌমেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দল পরিবর্তনে নড়েচড়ে বসেছে রাজনৈতিক মহল। ২০২১-এর ভোটে কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে জিতেছিলেন বিজেপির সৌমেন রায়। কিন্তু, মাস ছয়েকের মধ্যেই বিধায়ক পদ্মফুল ছেড়ে জোড়াফুলে নাম লিখিয়েছিলেন। তবে, বিধায়ক পদ ছাড়েননি। ফলে খাতায়-কমলে থেকে যান বিজেপির বিধায়ক হয়েই। তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগ আইনে বিধায়ক পদ খারিজের আবেদনও অধ্যক্ষের কাছে জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তা এখনও কার্যকর হয়নি। উল্টে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলবদলুরা বিজেপির-ই বিধায়ক।এসবের মধ্যেই এদিন সল্টলেকের বিজেপি দফতরে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা যায় কালিয়াগঞ্জের বিধায়ককে। পরে সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা জানান, সৌমেন রায় ফের বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দুবাবুর পাশেই বসেছিলেন বিধায়ক সৌমেন। তাঁকে জোর করে ভয় দেখিয়ে বিজেপি করতে দেওয়া হয়নি বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা।দলবদল সৌমেন রায়ের কাছে নতুন নয়। সৌমেন রায় প্রথমে তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু বাকি দলবদলুদের মতো একুশের বিধানসভা ভোটের আগে তিনিও বিজেপিতে যোগ দেন। পদ্ম প্রতীকে কালিয়াগঞ্জ থেকে লড়াই করে জয় পান। এরপর ২০২১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিধায়ক পদ না ছাড়লেও তৎকালীন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টপাধ্যায়ের হাত থেকে জোড়াফুল পতাকা তুলে নেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে বলেছিলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূলে আছি। ঘটনাচক্রে আমি বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করি। কিন্তু আমার মন-প্রাণ তৃণমূল কংগ্রেসেই পড়ে ছিল।তাহলে কেন লোকসভার আগে ফের মন বদল সৌমেনের? কেন ফিরলেন বিজেপিতে? এদিন আর তা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি কালিয়াগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক।তবে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে, বিজেপির আদর্শের বিরুদ্ধে গত আড়াই বছরে বিধায়ক সৌমেন কিছু বলেননি। যতটুকু পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল বলিয়েছে সেটাই বলেছিল। অন্যদের সঙ্গে এক্ষেত্রে ওঁর তফাৎ রয়েছে। এছাড়া সাংসদ অনন্ত মহারাজ সৌমেনকে বুঝিয়েছে বিজেপি করার জন্য। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আজ বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক রয়েছে। আমি সৌমেনকে সেই বৈঠকে যোগ দিতে বলেছিলাম। ওই যোগদানের কথা দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও প্রদেশ নেতৃত্বকেও জ্ঞাত করা হয়েছে। তবে সকল দলবদলু বিধায়কদের এভাবে বিজেপিতে ফেরানো হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪
রাজনীতি

হাইকমান্ডকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা, লক্ষ্য কি গেরুয়া শিবির?

অবশেষে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। হাইকমান্ডের সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের সখ্যতা নিয়ে বারবার প্রতিবাদ করেছেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন নানা মহলে। তৃণমূল বিরোধিতায় নানা পরিস্তিতিতে তুলোধোনা করতে ছাড়েননি রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত।রাজ্যের নানা বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি কংগ্রেস হাইকমান্ডের শীতল মনোভাব নিয়ে বহুবার কড়া সমালোচনা করেছেন। গর্জে উঠেছেন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে টিভি প্যানেল ডিসকাশান অবধি। এরই পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে কৌস্তভের।২০২৩ এর মার্চ মাসে কৌস্তভের গ্রেপ্তারের অব্যবহিত পরেই শুভেন্দু অধিকারী কৌস্তভের গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন। রাজনীতির ময়দানে দুজনে চরম বিরোধী হলেও কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সম্প্রতি মমতা সরকারের দুর্নীতি, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যে কয়েকজন যুবক সোচ্চার হয়েছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ অন্যতম। তাঁর দ্রুত মুক্তির দাবি করি। পুলিশ যে কায়দায় রাত তিনটের সময় ওঁর বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়েছে তার প্রতিবাদ করছি। আমরা সোচ্চার হবো। এর পর থেকেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবী। বিশিষ্টদের ধারণা এখন হাতএ ফুল (পড়ুন পদ্ম) ধরা সময়ের অপেক্ষা।লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন, তার উত্তরে কৌস্তভ বাগচীর জানান, কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে রাজ্য তৃণমূলরেই বেশি গুরুত্ব। প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও গুরুত্বই নেই। কংগ্রেস তার রাজনৈতিক সত্তা হারিয়েছে, ঠিক সেই কারণেই পদত্যাগ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪
রাজনীতি

পূর্ব মেদিনীপুর নিয়ে বিরাট প্ল্যান শুভেন্দুর, দুই আসনেই কি অধিকারী পরিবারের প্রার্থী?

লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ করবে বিজেপি। এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর জেলার দিকে সকলের নজর।২০০৯ থেকে ২০১৯- টানা তিনবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন শিশির অধিকারী। তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী সাংসদ হয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে সেখানকার সাংসদ শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু।রাজনৈতিক মহলের খবর, এবার লোকসভা নির্বাচনে এই দুটি আসনের অন্তত একটি থেকে অধিকারী পরিবারের কাউকে প্রার্থী করতে চাইছে বিজেপি। সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার লক্ষ্যে কোনও একটি আসন থেকে দাঁড় করানোর প্রস্তাব এলেও শুভেন্দু তা নাকচ করেছেন। শুভেন্দু বারবারই বলে চলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে ছাড়বেন। ফলে দিল্লির রাজনীতিতে তিনি চলে গেলে বাংলায় যাতে তৃণমূল খোলা ময়দান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক শুভেন্দু। তাঁর বর্তমানে একটাই লক্ষ্য, রাজ্যে সরকারের পালাবদল ঘটানো।তবে কাঁথি ও তমলুক লোকসভা আসন দুটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। স্ট্র্যাটেজিও তৈরি করছেন। সূত্রের খবর, পরিবারতন্ত্রের তির যাতে তাঁর দিকে ধেয়ে না আসে, সে কারণে অধিকারী পরিবারের কেউ প্রার্থী হোন, তা চাননি শুভেন্দু। কিন্তু অনড় বিজেপি নেতৃত্ব।শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারীকে যে তৃণমূল প্রার্থী করবে না তা স্পষ্ট। শিশির অধিকারী বয়সের কারণে আর ভোটে দাঁড়াবেন না বলেই খবর। তবে তিনি ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করবে না তৃণমূল। তাঁর সমর্থন থাকবে শুভেন্দু-সহ ছেলেদের দিকেই।শিশির অধিকারীর চার পুত্র। সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তৃণমূল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চেয়েছে বলেও অভিযোগ। শুভেন্দুর ছোট ভাই জেলার নানা প্রান্তে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়।দিব্যেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানিয়েছেন। রাজ্যে মোদীর কোনও সভাতেই দিব্যেন্দু দল বদল করতে পারেন বলে জল্পনা রয়েছে। তবে তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করবে না বলেই জানা যাচ্ছে। দিল্লিতে কোনও উচ্চপদ দেওয়া হতে পারে তাঁকে।সেক্ষেত্রে দিব্যেন্দুর তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে বড় চমক থাকবে বলেই খবর। তা এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। শিশির অধিকারীর কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন সৌমেন্দু অধিকারী। জেলায় বিজেপির প্রচারে সক্রিয়ভাবে দেখা যেতে পারে বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে। যেভাবে অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে নানা কু-কথা বলেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব তাতে বীতশ্রদ্ধ শিশির, দিব্যেন্দুরা। তাঁদের নিষ্ক্রিয় করে রেখে আক্রমণ করা হয়েছে লাগাতার। বিশেষ করে দলের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে প্রভূত অবদান রেখেও যে অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে হয়েছে বিগত কয়েক বছরে, তাতে বিরক্ত শিশির অধিকারী। এই আবহে অধিকারী পরিবার যে কত বড় ফ্যাক্টর, আসন্ন লোকসভা ভোটে ফের সেই শিক্ষা তৃণমূল পাবে বলেই উপলব্ধি জেলার রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
রাজনীতি

মার্চে তৃণমূলের জণগর্জন ব্রিগেডে, কে শাহজাহান? কেন গ্রেফতার নয়? খোলসা করলেন অভিষেক

১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে জণগর্জন। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে এই সমাবেশে অন্য কোনও বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে অভিষেক জানিয়েছেন।অভিষেকের দাবি, এটা ট্রেলর। সিনেমা দেখা যাবে ভোটের সময়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ। একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপি ভোটের সময় মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে।এদিন সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে তিনি বলেছিলেন শাহজাহান কি করেছে? আজ বলেছেন, কে শাহজাহান? অভিষেক বলেন, কে শেখ শাহজাহান? পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে রেয়াত করেনি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি ব্যবস্থা নিয়েছি। আদালত স্টে অর্ডার দিয়েছে তাই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছে না শেখ শাহজাহানকে। শেখ শাহজাহানকে জুডিশিয়ারি গার্ড করছে। বিজেপিকে ফুটেজ দিতে এই কাজ করছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন। কেউ যদি অন্যায় করে তৃণমূল কংগ্রেস রেয়াত করবে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ, জণগর্জনের ডাক অভিষেকের

১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে জণগর্জন। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে এই সমাবেশে অন্য কোনও বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে অভিষেক জানিয়েছেন।অভিষেকের দাবি, এটা ট্রেলর। সিনেমা দেখা যাবে ভোটের সময়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ। একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপি ভোটের সময় মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

ফের তৃণমূলের দুুই মন্ত্রী সন্দেশখালিতে, ড্যামেজ কন্ট্রোলে মরিয়া চেষ্টা

৫১ দিনেও ধরা গেল না সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহানকে। ফুঁসছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। অগ্নিগর্ভ বেড়মজুর, ঝুপখালি অঞ্চল। ডিজি গেলেও কিন্তু ল গ্রামবাসীদের ক্ষোভে প্রলেপ পড়েনি। এলাকায় বিশাল পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় বসানো হয়েছে সিসিটিভি। সন্দেশখালির ঘটনায় শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা গারদে থাকলেও তৃণমূলের অস্বস্তি ক্রমেই যেন ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। এদিকে, সন্দেশখালিতে ঢুকতে এদিন ডিওয়াইএফআই নেত্রী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ বাম কর্মী, সমর্থকদের আটকে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েছেন এই বাম যুবনেত্রী। ১৪৪ ধারা জারির কারণেই মিনাক্ষীদের ঢুকেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাচনের অভিযোগে সোচ্চার সন্দেশখালি ও সংলগ্ন অঞ্চলের মহিলারা। লাঠি, বাঁশ হাতে তাঁদের চরম বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে। অভিযোগ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দুই তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা, উত্তম সর্দাররা বহু স্থানীয়র জমি, ভেড়ির অংশ দখল করেছে। এমনকী সেচের খালও তাদের কব্জায়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ খতিয়ে দেখে সেসব ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ক্ষোভের আগুন তাতে কমছে না।শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত সেচের কোন খাল, জমি শাহজাহান বাহিনী দখল করেছে তা দেখতেই দুই মন্ত্রীর সেখানে য়াওয়া বলে সূত্রের খবর। এসবের মধ্যেই শেখ শাহজাহানের কথা উঠতেই দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বলেছেন, আমাদের দল কাউকে রেয়াত করে না, এক্ষেত্রেও করবে না। তৃণমূল অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। ইতিমধ্যেই আমাদের কাছে আড়াইশো অভিযোগ জমা পড়েছে। দেড়শোর কাছাকাছি অভিযোগের তদন্ত হয়েছে। একশোটি অভিযোগের সমাধান আমরা করেছি। জমি ফেরত দিয়েছি। এখন গ্রাবাসীদের সঙ্গে কথা বলছি। জানছি কার কিসে ক্ষোভ।এদিকে পুলিশকে লুকিয়ে এদিন ঘুরপথে সন্দেশখালিতে ঢোকার চেষ্টা করেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ধৃত প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তিনি। এরপর সন্দেশখালিতে ঢোকার মুখে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে। পুলিশ জানায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তাঁদের আর যেতে দেওয়া হবে না। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন মিনাক্ষী। পুলিশকে তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ভয় দেখাচ্ছেন? পার্থ ভৌমিক, সুজিত বসুরা কীভাবে সন্দেশখালিতে ঘুরছেন। কীভাবে ধানি জমিতে ভেড়ি হল? এতদিন কেন জমি ফেরৎ দেওয়া হল না? দুয়ারে সরকারে কেন এগুলো হল না? দুই মন্ত্রী হলেন শিবু, শাহজাহান, উত্তমদের দলের লোক। সিপিএম আমলে এরা মাথাচাড়া দেয়নি। তৃণমূলের বারো বছরে এইসব দুষ্কৃতীরা মাথায় উঠেছে। মানুষ অতিষ্ট।সন্দেশখালিতে ব্যাকফুটে তৃণমূল? জানা গিয়েছে, এদিন তৃণমূল নেতা বিনয় সর্দারের বাবা ও ভাইকে দেখেই তেড়ে যান গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরই পুলিশ গিয়ে দুই গ্রামবাসীকে আটক করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজনীতি

দ্বিতীয় নন্দীগ্রাম সন্দেশখালী? বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

আজ দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। যাওয়ার আগে বিমান বন্দরে সন্দেশখালি নিয়ে একাধিক মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৫০ দিন পেরিয়ে গেলেও অধরা শেখ শাহজাহান এই বিষয়ে বলেন, ধরবে না। ভোট আসবে আর কালীঘাটে টাকা সাপ্লাই করবে।রাজীব কুমার সন্দেশখালিতে রাতে থাকা প্রসঙ্গে বলেন, চোর ধরতে যায়নি। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে গিয়েছিল। জমি ফেরত তো আমি করেছি। নিজের জমি নিজে নেবে এতে পুলিশ কি করবে। আর জেলিয়াখালিতে গিয়েছিলেন শিবু হাজরার ম্যানেজার হিসাবে। উনি বলেছেন শাহজাহান ইডি সিবিআইয়ের মামলা পুলিশ নট ইন্টারেস্টেড। উনি গিয়েছিলেন ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে কারণ উনি তো এখন তৃণমূলের প্রেসিডেন্ট। সুব্রত বক্সী নামেই প্রেসিডেন্টের কাজটা রাজীব কুমারকে সুব্রত বক্সী দিয়েছেন।সন্দেশখালি কি দ্বিতীয় নন্দীগ্রাম হতে চলেছে? প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, হ্যাঁ, বশ্যতা বিরোধী সংগ্রাম। নন্দীগ্রাম শুরু হয়েছিল জমি অধিগ্রন দিয়ে। এটা শুরু হয়েছে মেয়েদের উপর অত্যাচার দিয়ে। তার সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ তো রয়েছে। তবে যেটা নন্দীগ্রামে ছিল না সেটা এখানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারে আসার পরে ২০১৩ সাল থেকে কেউ ভোট দিতে পারেননি। তিনটে বড় ইস্যু নিয়ে এই সংগ্রাম।আমি ওই সম্প্রদায়কে প্রণাম জানাই। যদি কোনো ছবি দেখান যা বলবেন স্বীকার করে নেবো। ওটা ম্যানুফ্যাকচার্ড পিকচার ভয়েস ওটার সঙ্গে আমাদের দলের বা আমার কোনো সম্পর্ক নেই। শিখ পুলিশ কর্মীকে খালিস্তানি বলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানান শুভেন্দু অধিকারী।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজনীতি

খালিস্থানির পর এবার পাকিস্তানি? কি আশঙ্কা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

বাংলা ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে উঠলো খালিস্থানি বিতর্ক। বুধবারই এ বিষয়ে সোশাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অভিযুক্ত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। বৃহস্পতিবার বাংলা ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানেও এ বিষয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিশানা করলেন বিজেপিকে।দেশপ্রিয় পার্কে রাজ্য সরকারের ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী খালিস্তানি ইস্যুটি তুলে ধরেন। বলেন, একটা পাঞ্জাবি অফিসার কী অপরাধ করেছিল? সে ডিউটি করছিল। সে পাগড়ি পরেছিল বলে তাকে খালিস্তানি বলে দেবেন? কত মুসলিম অফিসার আছে, এবার তো মুসলিম অফিসারকে দেখে পাকিস্তানি বলে দেবেন।নানা সময় তাঁর নানা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কের ঝড় ওঠে। জোটে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপও। তখন অতটা কঠোর না হলেও খালিস্তানি বিতর্কে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, আমাকে তো কতবার কত কিছু বলে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। আমি নিজেরগুলোকে নিয়ে অতটা মাথা ঘামাই না। তবে দুএকজন হঠাৎ করে গজিয়ে উঠেছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। বাংলাকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে। এই জিনিস আমরা বরদাস্ত করব না। বাংলার মাথানত হতে দেব না। বাংলার অধিকার কীভাবে রক্ষা করতে হয়, আমরা জানি।মঙ্গলবার সকালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেয়। ধামাখালিতে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। সেখানেই পুলিশের ব্যারিকেডের মাঝে শিখ পুলিশ আধিকারিক জসপ্রীত সিংকে খালিস্তানি বলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরকম বলার জন্য ওই পুলিশ আধিকারিক সংবাদমাধ্যমের সামনেই প্রতিবাদে সরব হন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
রাজনীতি

মঙ্গলবার ফের সন্দেশখালির উদ্দেশে শুভেন্দু, কি নির্দেশ হাইকোর্টের?

সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারির উপর স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী সাত দিনের জন্য এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। পাশাপাশি, বিচারপতি কৌশিক চন্দ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে শর্তসাপেক্ষে সন্দেশখালি যাওয়ারও অনুমতি দিয়েছেন।সন্দেশখালির নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় যেতে পারবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।কোনও প্ররোচনা দিতে পারবেন না বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তার দায়িত্বে রাজ্য পুলিশই। নির্দেশ দেওয়া পরই তিন ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে শুভেন্দু অধিকারীকে রুট জানাতে হবে।রাজ্যকে বিচারপতির হুঁশিয়ারি যে, আপাতত ওইসব এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবা হবে।হাইকোর্টের নির্দেশের পরই বিজেপি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালেই বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে সন্দেশখালি যাবেন শুভেন্দু অধিকারী।গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলনেতা সন্দেশখলি যেতে চাইলেও তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়নি। এরপরই সন্দেশখালিতে ঢুকতে চেয়ে মামলা করেন বিরোধী দলনেতা। বিধায়কদের নিয়ে রামপুরে রাস্তার উপরেই বসে পড়েন শুভেন্দু। পরে ফিরে আসেন। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর আইনজীবীর দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, সন্দেশখলির মধ্যে নির্দিষ্ট এলাকায় জরুরি পরিস্থিতি বিচার করে ১৪৪ ধারা জারি করতে হবে। কিন্তু পুলিশ সেই নির্দেশ অমান্য করে সন্দেশখালির বাইরের এলাকাতেও ১৪৪ ধারা জারি করে শুভেন্দু অধিকারীকে আটকে দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজনীতি

রাজ্যসভায় বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা, এবার সাংসদ হচ্ছেন সাংগঠনিক নেতা

এর আগে এরাজ্য থেকে সরাসরি রাজনীতির কোনও নেতাকে রাজ্যসভায় পাঠায়নি বিজেপি। অন্য স্ট্রিম থেকে রাজনীতিতে হয়তো যোগ দিয়েছিল। এবার দলের দীর্ঘ দিনের নেতৃত্ব শমীক ভট্টাচার্যকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করছে বিজেপি। এরাজ্যে বিজেপির প্রথম বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। বিধায়ক সংখ্যার বিচারে এরাজ্য থেকে বিজেপির একটি রাজ্যসভার আসনে জয় নিশ্চিত। নানা নাম কয়েকদিন ধরেই ভাসছিল। অবশেষে জল্পনার অবসান হয়েছ। এখন রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজনীতি

শুধুই কি মতান্তর না কৌশল? ফের দলীয় বৈঠকে অভিষেক

ফের কবে দলীয় কর্মসূচিতে আগের মতই সক্রিয় হতে দেখা যাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে? যখন তৃণমূলের অন্দরেই এই প্রশ্ন জোড়াল হতে শুরু করেছে, তখনই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের অফিস থেকেই জরুরি বার্তা গেল জোড়া-ফুলের সব সাংসদ, বিধায়ক, ব্লক সভাপতিদের কাছে!অভিষেকের অফিস থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৩টের সময়ে দলের সব সাংসদ, বিধায়ক ও তৃণমূল ব্লক সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সেনাপতি। তবে, যেহেতু এক সঙ্গে প্রায় চারশ জনকে নিয়ে বৈঠক করার মতো জায়গা নেই। তাই ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে হবে ওই বৈঠক।বয়সসীমা ও দলে এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে মমতা-অভিষেক মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসে। এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত ডায়মন্ড হারবারের মধ্যে তাঁর কার্যকলাপ সীমিত রাখতে আগ্রহী। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা নির্দেশ দেবেন তা পালন করবেন। অথচ কদিন আগে দেখা যায় বীরভূম নিয়ে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন অভিষেক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র বিরোধী ধর্নামঞ্চেও তাঁকে দেখা যায়নি। ফলে কোথায় অভিষেক? তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।এরপরই জানা যায়, সংসদের বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে অভিষেক দিল্লি গিয়েছেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি সফর বাতিল করতেই দেখা যায়, মঙ্গলবার বেলায় তড়িঘড়ি রাজধানী থেকে কলকাতায় ফিরেই কালীঘাটে নেত্রীর বাড়িতে গিয়েছেন সেনাপতি। সূত্রের খবর, সেখানে মমতা-অভিষেকের প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয়। এরপরই দলীয় কর্মসূচিতে ফের সক্রিয় হওয়ার বার্তা মিলেছে অভিষেকের অফিস থেকে। তাহলে কী মঙ্গলে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের পরই বরফ গলল? লোকসভার আগে কৌতূহলের বিষয় সেটাই।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতায় ধরনা মুখ্যমন্ত্রীর, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদীকে চিঠি

এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটেছে। কলকাতায় রাজভবনের সামনে মঞ্চ বেঁধে ধরনা চলেছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে রেড রোডের পাশে ধর্নায় বসেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই মঞ্চ থেকেই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য সব মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।গত বুধবার মমতার আর্থিক বঞ্চনার জবাব দিতে আসরে নামে বিজেপি। ওইদিন সকালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে বাংলার বকেয়া টাকার দাবি জানান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরে সুদীপকে ক্যাগ রিপোর্ট পড়ে দেখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত।কী আছে সেই ক্যাগ রিপোর্টে, যা দেখে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে? গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুকান্তর দাবি, পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট-এ সরকারি প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে, এমন কথাই রয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। সুকান্তর দাবি ছিল, এটা দুর্নীতির নতুন পন্থা। সাধারণের টাকা কোথায় খরচ করা হয়েছে, তা কারও জানা নেই। বঙ্গ বিজেপি সভাপতির দাবি, রাজ্য সরকারকে যে কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয়। তাতে বোঝা যায়, যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, সেই টাকা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজেই খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার।বিজেপি নেতাদের ওই অভিযোগের বিরুদ্ধে এদিন ধরনা মঞ্চেই মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, এখান থেকেই ক্যাগ রিপোর্টের মিথ্যাচার নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্রং চিঠি দিচ্ছি এখান থেকে। ক্যাগ রিপোর্টে ২০০৩ সাল থেকে রিপোর্ট দিয়েছে। তখন কি আমরা ছিলাম? আমরা ক্ষমতায় এসেছি ২০১১ সালে। তাহলে কেন ওই সময়ের দায়িত্ব নেব? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিয়েছি। ক্যাগ রিপোর্টে সব মিথ্যা কথা। সত্য কখনও চাপা থাকে না। ক্যাগ রিপোর্ট বিকৃত সত্য ও বিজেপি লিখেছে। রাজ্যের পাওনা আটকে রেখে ক্যাগ কথা বলছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজনীতি

চ্যাং ব্যাংদের কর্তৃত্ব মানবেন না তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, বৈঠকের পরে দিলেন হুঙ্কার

কালীঘাটের বৈঠকে নেত্রীর থেকে ধমক খেয়েও ক্ষান্ত হলেন না হুমায়ুন কবীর। উল্টে জোড়া-ফুল নেতৃত্বকেই ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। মমতার শাসন থেকে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার, বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারানো, দলে যুবনেতাদের উত্থান নিয়ে শনিবার অকপট হুমায়ুন। যা কার্যত আরও চাপ বাড়াল রাজ্যের শাসক শিবিরের ওপর।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের তৃণমূল সাংসদ, বিধায়ক ও নেতৃত্বের সঙ্গে কীলাঘাটে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন অভিষেকও। সেখানেই হুমায়ুন কবীরের বেশ কিছু মন্তব্য ও কাজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নেত্রী তাঁকে ধমকে দেন।শনিবার এ সম্পর্কে হুময়ান বলেন, এটা তিরস্কারের বিষয় নয়। কথায় বলে ভালোবাসেন যিনি তিনিই শাসন করেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। আমি ভুল করলে উনি শুধরে দেন। এতে আমার কিছু বলার নেই। আমি ওনাকে যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি ও অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি।হুমায়ুন কবীরের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামকে সামনে রেখে কিছু লোক মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের পাট্টা বসে আসেন। তাদের অঙ্গুলি হেলনে চলা মেনে নেওয়া যায় না। মুর্শিদাবাদের মানুষকে যেন ভুল ট্রিটমেন্ট না করা হয়। মনে রাখতে হবে মুর্শিদাবাদ একসময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যাকে নেতৃত্ব দিয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার অভিভাবক। তিনি শাসন করতেই পারেন। কিন্তু ২৬, ২৮, ৩০ বছর বয়সী চ্যাং ব্যাংরা ৬৮-৭০ বছর বয়সী নেতাদের মূল্যায়ন করবে, কর্তৃত্ব দেখাবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। লোকসভার আগে নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব তৃণমূলে মাথাচাড়া দিয়েছে। যা নিয়ে হুঙ্কারও ছেড়েছেন তৃণমূল নেত্রী। হুমায়ুনের নিশানায় দলের কোন যুব নেতৃত্ব তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি ভরতপুরের বিধায়ক।আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তিনি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। নিজেকে যথার্থ নেতা বলে প্রমাণ করেছেন। দলের একজন কর্মী হিসাবে অভিষেকের কাছে আমার অনুরোধ, মুর্শিবাদের মানুষের প্রতি সুবিচার করুন। কারও কথা শুনে কারও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ করবেন না।আবারও মুখ খোলায় যদি তাঁকে তৃণমূল বহিষ্কার করে? জবাবে হুমায়ুন কবীর বলেন, সাসপেনশন নিয়ে আমি ভাবি না। মনে রাখতে হবে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে হুমায়ুন কবীর একটা বিরল নাম। দল আমাকে বহিষ্কার করবে কি না সেই সিদ্ধান্ত দলকেই নিতে হবে। বহিষ্কার করলে তখন সিদ্ধান্ত নেব। আমি কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসদ দলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, কাজেই আমার চিন্তার কিছু নেই।বহরমপুর অধীরের গড়। পরপর পাঁচবার সেখান থেকে সাংসদ তিনি। ইন্ডিয়া জোটের তোয়াক্কা না করে শুক্রবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের ৪২ লোকসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী দেবে তৃণমূল। অর্থাৎ অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেখা যেতে পারে জোড়া-ফুল প্রার্থীকে। এ নিয়ে হুমায়ুন কীর বলেন, বহরমপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ওপর ভরসা রাখলে আমি অধীর চৌধুরীকে ২ লক্ষের বেশি ভোটে হারাব। দেখিয়ে দেব আমাকেও নেতা বলে সকলে মানে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৪
রাজনীতি

নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ নানা প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিলেন

এবার ইডির স্ক্যানারে প্রসন্ন-আগে তাঁর বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই আগের বার তিনি জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু ইডি মনে করছে আরও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে। তাই ফের তদন্ত হচ্ছে। জাল এতো বড় যে কে যুক্ত আর কে নয়, অনেকে অজান্তে যুক্ত হয়ে পড়েছে। কে সুবিধা পেয়েছে কে পায়নি, এভাবেই বিশাল বিস্তার হয়েছে। তার কিনারা খোঁজার চেষ্টা চলছে। অবশেষে সংহতি মিছিলে আদালতের অনুমতি-আগে তৃণমূলের মধ্যে সংহতি করুন। সংহতির নামে হিন্দু বিরোধীদের এককাট্টা করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার মনে হয় না কোনও হিন্দু এই সংহতি মিছিলে যাবে। যার শরীরে হিন্দু রক্ত আছে সে রামের বিরুদ্ধে যাবে না। কিছু হারামখোর যাবে। যারা তৃণমূলের উচ্ছিষ্ট ভোগী, এই করেই যারা খাচ্ছে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এরকম কিছু লোক যাবে। আর যারা সিএএ পাস হওয়ার পর সারা বাংলায় আগুন জ্বালিয়ে ট্রেন বাস রেল জাতীয় সড়ক অচল করেছিল, সেই সমস্ত রাষ্ট্রবিরোধীদের নিয়ে এখানে রামের বিরুদ্ধে মিছিল হবে। আইএসএফের সভার অনুমতি ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই-সবাইকে আদালতে যেতে হয়। কারণ এখানে সরকার বলে কিছু নেই। আমরা খুঁজে পাইনা সরকার কোথায় আছে। অনুমতি কে দেবে? পুলিশ কোথায়? টাকা তুলতে চাঁদা তুলতে আর ফুটবল খেলতে ব্যস্ত। প্রশাসন কে চালাবে? কোর্ট আছে। ভালো মন্দ যাই হোক কোর্টের কাছেই বিরোধীদের যেতে হয়। তৃণমূলের নেতা খুন হলেও পুলিশে ভরসা না রেখে কোর্টে যেতে হয়। সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যকে রাজধর্ম মনে করালো হাইকোর্ট-আদালত বা রাজ্যপাল। এই দুটি স্তম্ভই এখন মানুষের ভরসা। সমস্যায় পড়লে মানুষ এখন আদালতে যায় বা রাজ্যপালের কাছে যায়। কারণ আর কারও কাছে আশা নেই। কেউ কানমোলা দিচ্ছে। কেউ চিঠি লিখে রাজধর্ম মনে করিয়ে দিচ্ছে। সরকার ঘুমাতে চলে গেছে। বেহায়া নির্লজ্জ দের কিছু হয় না। কুকুরের বিবাহবার্ষিকী পালন-হেমন্ত বিশ্ব শর্মা একবার গল্প করছিলেন, কেন তিনি কংগ্রেস ছেড়েছেন। রাহুল গান্ধী একবার তাকে বাড়িতে খেতে ডেকেছিলেন। রাহুল আমাদের সঙ্গে খাননি। সামনে কুকুর বিস্কুট খচ্ছিল। পশ্চিমবঙ্গে আগে জমিদারের বউরা পুতুলের বিয়ে দিত। এখন কেউ কুকুরের ডায়ালিসিস করছে। কেউ বিবাহবার্ষিকী করছে। আপনার আমার টাকায় ভূতের শ্রাদ্ধ হচ্ছে। গরীব মানুষ কিছু পায়না। এরকম লোক, যারা দাপিয়ে বেড়ায়, তারাই ফুর্তি করে। ভুয়ো জব কার্ড ধরতে কমিটি-১৪ লক্ষ ৪২ হাজার ভুয়ো জব কার্ড। হয় মালিক নেই। অথবা যার নামে কার্ড তার হাতে কার্ড নেই। এই লোকের কাজের টাকা উঠছে। কিন্তু খেয়ে ফেলছে কে? কোথায় যাচ্ছে এই টাকা? এটাও তদন্ত করে বের করার দরকার আছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজনীতি

দলের নবীন ও প্রবীণ বিতর্কের মাঝে কড়া বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার, প্রয়োজনে ছাঁটাই

দলে নবীন প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কালীঘাটে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে এই বার্তা দিয়েছেন মমতা। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকে দলীয় মুখপাত্রদের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। প্রয়োজনে ছেঁটে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠক থেকে বেরিয়ে তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়া বলেন, লদলনেত্রী ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই করার নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৪ নির্বাচনে লড়াই করে আমাদের জিততে হবে। দলনেত্রী বলেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে বাইরে মতামত প্রকাশ করা যাবে না। দলের অভ্যন্তরে বলতে হবে। এদিনের বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, ঘাটালের সাংসদ দেব হাজির ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই সতর্ক করেন দলনেত্রী।বিগত কয়েক দুন ধরে নবীব ও প্রবীণ নিয়ে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। এমনকী এই বিতর্কে শেষমেশ জড়িয়েছেন মমতা ও অভিষেক। বছরের প্রথম দিন সুব্রত বক্সীর বক্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। তারপর লাগাতার মতবিরোধ চলেছে প্রকাশ্যে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একে একে নানা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে গিয়েছেন। কিছুতেই থামছিল না বিতর্ক। এমনকী অভিষেক বলেছেন বয়স বাড়লে কর্মক্ষমতা কমে এটা স্বাভাবিক। মমতা বলেছেন। ৬০ বছর হশে গেলেও আমরা অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাই। এবার তৃণমূলের বৈঠকেই হুঙ্কার ছাড়লেন মমতা। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি বিতর্কিত কথা বলা মুখপাত্রদের দল সরিয়ে দেবে। সম্প্রতি সব থেকে বেশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কুণাল ঘোষ। পাল্টার পর পাল্টা চলেছে। প্রবীণদের তুলোধোনা করার দায়িত্ব প্রায় একাই নিজের কাঁধে নিয়েছেন অভিষেক পন্থী কুণাল। এবার দেখার বিষয় মমতার হুঙ্কারের পর আদি-নব্য বা নবীন ও প্রবীণ বিতর্ক কতটা চাপা পড়ে?

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজনীতি

তৃণমূলে প্রবীণ-নবীন বিতর্কে ইতি টানলেন অভিষেক, কটাক্ষ ব্রিগেডের সভাকে

রবিবারের ডিওয়াইএফআইয়ের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বামেদের কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পৈলানের বিষ্ণুপুরের যুব সঙ্ঘের মাঠে অভষেক বলেন, আজ রবিবার দুপুরে অনেক দল সভা করছে। আমাদের সঙ্গে সেই সব দলের ফারাক আছে। সবাই তাঁদের সভায় যান ভাষণ শুনতে। আর, আমাদের সভায় আসেন স্বপ্নকে বাস্তবায়িত হওয়া দেখার জন্য। আমি আগে ভোট, পরে কাজের কথা বলি না। আমি আগে কাজ করি। পরে ভোটের কথা বলি। এটাই আমাদের সঙ্গে অন্য দলের ফারাক। বাম-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, কেউ বলছেন ইনসাফ। কেউ বলছেন ন্যায়। কেউ বলছেন সবকা বিকাশ। আর আমরা যেটা করেছি, সেটা হল আসল ইনসাফ। সেটাই হল আসল ন্যায়। আজ ডায়মন্ড হারবারে যা হচ্ছে, সেটাই হল সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।তাঁর এই সবকা সাথ, সবকা বিকাশ সম্পর্কেও মুখ খুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এদিন তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েও যাঁরা বার্ধক্য ভাতা পাননি, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের এমন প্রবীণদের দলীয় ভাবে বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করলেন। এই প্রবীণরা প্রতিমাসে ১ হাজার টাকা করে পাবেন। এটা সরকারি বার্ধক্য ভাতা নয়। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, এটা করতে আমার মাত্র দুমাস সময় লেগেছে। ১ জানুয়ারি আমাদের দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। তাই আরও সাত দিন সময় নিয়ে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে বার্ধক্যভাতা দেওয়া হল। আগেই রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। তারপর ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। ডেটা চেক করা হয়েছে। তারপর বাড়ি বাড়ি ভেরিফিকেশন করে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে ভাতা দেওয়া হল। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের ১৬,৩৮০ স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। তাঁরা জনপ্রতি ৪-৫ জনের দায়িত্ব নিয়ে কাজগুলো করেছেন। এভাবেই আমরা ৭৬ হাজার ১২০ জনের মুখে হাসি ফোটালাম।তৃণমূলের নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়েও এদিন মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেন, তৃণমূলের মধ্যে কোথাও দ্বন্দ্বের জায়গা নেই। দল আমাকে যে দায়িত্বই দিয়েছে, আমি তা পালন করেছি। ২০২১ সালে দলকে নেতৃত্ব দিতে বলেছিল, সেই সময় দিয়েছি। ২০২৪ সালে আমাকে প্রার্থী করা হলে, দায়িত্ব দেওয়া হলেও আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সুসংহত ভাবেই দল চালাচ্ছেন। আমি সব শক্তি দিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াব। আমি শুধু বলেছি যে, বয়স হলে কর্মক্ষমতা কমে। আমি ৩৬ বছর বয়স বলেই আড়াই মাস নবজোয়ার কর্মসূচির সময় রাস্তায় থাকতে পেরেছিলাম। আমার ৭০ বছর বয়স হলে সেই ক্ষমতা কমে যাবে। এই কথা নিয়ে এত বাজার গরম করার কী আছে? তৃণমূল কংগ্রেস একসঙ্গেই লড়বে। আমার প্রায়োরিটি হয়ত ডায়মন্ড হারবার। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি আর জোড়া ফুলের ঝান্ডা নিয়ে দল যেখানে আমাকে যেতে বলবে, যে বুথে ঢুকতে বলবে, আমি যাব।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজনীতি

মমতাকে বড় চ্যালেঞ্জ অধীর চৌধুরীর, ইন্ডিয়া জোটে কি অশনি সংকেত?

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বিবাদে কি অশনি সংকেত? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়া বা আসন রফার বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলে নেত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতার।২০১৯ লোকসভা ভোটে বাংলায় বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনটি হাত শিবিরের দখলে গিয়েছিল। তৃণমূলের প্রস্তাব ওই দুই আসনই শুধু কংগ্রেসকে ছাড়া হবে। মমতা এবং কংগ্রেস হাই কমান্ডের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানিয়ে তৃণমূলের প্রস্তাব বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই বলেছেন অধীর। রাজ্যের শাসক শিবিরের এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসকে দুটো আসন (লোকসভা) দেব। কোন দুটো আসন (আসন) দেবেন? ওঁকে ও বিজেপিকে হারিয়েই তো ওই দুটো আসন নিয়েছি আমরা। ওরা আমাদের কি উপকার করছে? কে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিশ্বাস করবে? আমাদের নিজেদের ক্ষমতায় আরও অনেক আসনে আমরা লড়তে পারি।অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসকে জেতাতে মমতার দরকার নেই। কংগ্রেস নিজের দমে লড়তে পারে এবং এর থেকে (দুটো) বেশি আসন জিততে সক্ষম। আমরা দেখাবো। আমাদের এই দুটো আসনে মমতার দয়ার দরকার নেই।বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরারে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন অধীর চৌধুরী। বলেছেন, আসুন, আপনি নিজে আসুন। আপনি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বলছেন মোদীর বিরুদ্ধে লড়তে। আমি আপনাকে বলছি, আপনি আসুন এখানে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। যে কোনও মামুকে এখানে পাঠিয়ে দাও। যদি হারাতে পারে, রাজনীতি ছেড়ে দেব। কত তাগদ আছে দেখছি আপনার। মালদায় চলুন দেখছি। আপনার দয়ায় আমরা এ সব আসন জিতিনি। কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতার দাবি, মমতা জোটে থাকতে পারবেন না, কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপছন্দ করেন এমন কিছু তিনি কখনই করবেন না।বহরমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাজ্যে জোটের সম্ভাবনা নষ্ট করছেন। তিনি যা বলেছেন তা শুনলে বোঝা যাবে তিনি জোট চাননি। তাঁর দল বলছে যে তারা জাতীয়ভাবে জোটে আগ্রহী, কিন্তু বাংলায় নয়। এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জোট চান না।তৃণমূলের তরফে দেওয়া দুটি আসনের প্রস্তাব উড়িয়ে অধীর চৌধুরী। বহরমপুর, মালদা উত্তর ছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের নজরে রয়েছে রায়গঞ্জ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বসিরহাট সহ আরও বেশ কয়েকটি বাংলার লোকসভা আসন।অধীরের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অধীর চৌধুরী কেন এত দিন দক্ষিণ কলকাতায় এসে দাঁড়াননি? সুতরাং এ সব কথা অর্থহীন। আর ২০২১ সালে তৃণমূল আলাদা লড়ে সরকার গড়েছে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে অধীর পেয়েছিলেন শূন্য।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় তৃণমূলে, দলবদলের বদলায় জমজমাট বঙ্গ রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় যোগ দিলেন তৃণমূলে। গত ৩১ ডিসেম্বর শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল কমিটির দুই পদাধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। দলবদলুদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। ঘটনার পর ৭২ ঘন্টাও পুরোপুরি কাটেনি। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন খোদ নিশীথ প্রামানিকেরই দুই তুতো ভাই।বুধবার বিজেপি ছেড়ে নিশীথ প্রামানিকের দুই তুতো ভাই সুনীল ও জগদীশ বর্মন যোগ দপন রাজ্যের শাসক শিবিরে। তাঁদের হাতে জোড়া ফুলের পতাকা ধরিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এরপরই উদয়ন বলেছেন, বিজেপি মানুষের হয়ে কোনও কাজ করে না। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই তুতো ভাই তৃণমূলে যোগ দিলেন।সদ্য তৃণমূলে নাম লেখানো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ভাই সুনীল বর্মন বলেছেন, বিজেপিতে থেকে মানুষের কাজ করতে পারছিলাম না। দলে যোগ্য সম্মানও পাচ্ছিলাম না। তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম। যার প্রেক্ষিতে উদয়ন গুহ বলেন, অন্যের ঘর ভাঙার স্বপ্ন দেখলে এমনই হয়। সুনীল ও জগদীশ বর্মনের বাড়ি দিনহাটার পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে।এই শিবির বদল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারে। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে এই ধরণের ঘর ভাঙনের ঘটনাও আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
রাজনীতি

শাহ- নাড্ডা জুটি বঙ্গ সফরে, ২০২৪-এর লক্ষ্যে নয়া স্ট্র্যাটেজি

বছর শেষের আগেই ফের বঙ্গ সফরে অমিত শাহ-জে পি নাড্ডা! আজ, মঙ্গলবার দিনভর তাঁদের একগুচ্ছ কর্মসূচি। লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের কৌশল কী হবে? কীভাবে সাজানো হবে রণনীতি? সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হবে কোন কেন্দ্রগুলোতে?বিজেপি সূত্রে দাবি, একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা। যেখানে মূলত থাকবেন, বিজেপি জেলা ও সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, কোর কমিটির সদস্য ও পর্যবেক্ষকরা। মঙ্গলবারের বৈঠকের আগে লোকসভা কেন্দ্র ধরে ধরে রিপোর্ট তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।গতবার যে আসনগুলোতে বিজেপি হেরেছে, সেগুলোর জন্য নয়া রণকৌশল নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৪টে করে আসন পিছু একজন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র ধরে ধরে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা তৈরি করা হয়েছে। বিজেপি সূত্রে দাবি, কোন কোন কেন্দ্রগুলোতে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা আছে, কোথায় ভাল লড়াই দেওয়ার জন্য় তারা প্রস্তুত কোথায় সেই সম্ভাবনা কম, তার ভিত্তিতেই কেন্দ্র ধরে ধরে রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে।মাস খানেক আগেই শহরে এসেছিলেন অমিত শাহ। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপির বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রেখেছিলেন শাহ। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, লোকসভা ভোট শিয়রে তাই অগোছাল বঙ্গ বিজেপিকে চাঙ্গা করতে এবার ঘন ঘন আসবেন শাহ-নাড্ডারা। তৃণমূল নেতাদের ভাষায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করবেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতারা। তাতে অবশ্য জোড়াতাপ্পি মারা সম্ভব নয় বলে দাবি তৃণমূলের। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে জয়ী আসন কিভাবে ধরে রাখা যায় তা নিয়েও স্ট্র্যাটেজি নিচ্ছে বিজেপি। বিজেপির বঙ্গ সংগঠনে খোলনলচে সম্পর্কে অবগত রয়েছেন অমিত শাহ। নয়া সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব রয়েছে জেপি নাড্ডার। তাই এবার শাহ-নাড্ডা জুটি একযোগে অপারেশন শুরু করল বাংলায়।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

ইন্ডিয়া জোটের শোক সভা হবে, বৈঠকের পর গোয়ায় পিন্ড দান হবে, কটাক্ষ শুভেন্দুর

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠককে শোক সভা বলে কটাক্ষ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সন্ধ্যায় বীরভূমের সাঁইথিয়ায় কিষাণ মোর্চার ডাকে প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, মঙ্গলবার শোক সভা হবে। নীরবতা পালন হবে। সেমিফাইনালে হেরেছে। ছত্রিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে হেরেছে। মিটিংয়ের শেষে সবাই যাবে গয়ায় পিণ্ড দিতে।সোমবার বিকেলে সাঁইথিয়ায়র সভায় বক্তব রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, চোর মমতার মন্ত্রী সভার সদস্যরা গোটা রাজ্য জুড়ে কয়েক বছরে লক্ষ লক্ষ কৃষকের ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে ধান চুরি করেছে। গতবছর ২৯ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছিল। এবার ১১ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এক বছরে ১৮ লক্ষ কৃষক ভুত হয়ে গেল? তার মানে গত বছর ১৮ লক্ষ ভুয়ো আকাউন্ট খুলে ভারত সরকারের পাঠানো পাঁচ হাজার কোটি টাকার বড় অংশ লুঠ করেছে এই চোর মন্ত্রী সভা। গোঘাটে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথ অবরোধ করায় এক পুলিশ অফিসার কৃষককে গালি দিয়েছিলেন। কথা দিচ্ছি বিজেপি ক্ষমতায় এলে ওই পুলিশ অফিসারকে ঘাড় ধরে নিয়ে গিয়ে কৃষকের পা ধুইয়ে ঘটি জল খাওয়াব।শুভেন্দু বলেন, আমাকে হারাতে নন্দিগ্রামে গিয়ে হেরে এসেছেন উনি। আপনারা আমার উপর ভরসা রাখুন উনাকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপোকে জেলে পাঠাবই।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া নিয়ে শুভেন্দু কটাক্ষ করে বলেন, মোদি বাবার পা ধরতে দিল্লিতে গিয়েছে গাই-বাছুর। গিয়ে বলবেন মোদীবাবা টাকা দাও। তবে পিসি ভাইপো কোম্পানি দিল্লিতে গিয়ে কোন লাভ করতে পারবে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal