• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

রবিবার মোদির ব্রিগেডে থাকছেন 'মহাগুরু'

রবিবারের ব্রিগেডে সত্যিই বড় চমক দিতে চলেছে বিজেপি। সব ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় হাজির থাকতে চলেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। দলের শীর্ষনেতাদের দেওয়া প্রস্তাবে নাকি ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়ে দিয়েছেন মহাগুরু বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সূত্রে এমনটাই খবর।গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা আগামী রবিবার ব্রিগেড সমাবেশে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহাতারকাদের হাজির করানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। সেইমতো এই তিন মহাতারকার সঙ্গে গেরুয়া শিবির যোগাযোগ করেছে বলেও সূত্রের দাবি। তবে, সৌরভের ঘনিষ্ঠ সূত্র ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তিনি ব্রিগেড সমাবেশে হাজির হচ্ছেন না। প্রসেনজিতের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে বিজেপি সূত্রের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী রবিবারের সমাবেশে হাজির থাকার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন। যদিও, এখনই তিনি সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা সেটা স্পষ্ট নয়। তবে, আগামী দিনে বাংলার নির্বাচনে মিঠুনকে অন্যভাবে কাজে লাগাতে চাইছে গেরুয়া শিবির।উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে দেখা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। একপ্রকার হঠাৎই বসন্ত পঞ্চমীর সকালে মুম্বইয়ের মাঢ় অঞ্চলে মহাতারকার বাংলোয় হাজির হন আরএসএস প্রধান। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দুজনের। তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে মিঠুনের বিজেপি যোগ নিয়ে জল্পনা চলছে। অভিনেতা নিজে অবশ্য দাবি করেছেন, এই বৈঠক অরাজনৈতিক। ওঁর সঙ্গে আমার আধ্যাত্মিক আলোচনা হয়েছে।

মার্চ ০৫, ২০২১
রাজনীতি

উপ-নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ দাবি তৃণমূলের

ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার তথা রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুদীপ জৈনের অপসারণ চাইল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস । তৃণমূলের অভিযোগ, সুদীপ জৈন রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক থাকাকালীন একের পর এক পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। এবং তিনি পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে থাকলে রাজ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলেই দাবি তৃণমূলের। সেকারণেই ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ চেয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল নেতা ডেরেক ওব্রায়েন।বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সির যোগদান অনুষ্ঠানের পর দলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায় বলেন, আট দফার নির্বাচন শুনেই প্রতিবাদ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে আমাদের প্রতিবাদ চলছে। আমাদের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনের অপসারণ দাবি করেছেন। এই সুদীপ আগেও দায়িত্বে ছিলেন ২০১৯-এ। ওঁর পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আগেও আমরা দেখেছি। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে এই সুদীপই ভুল রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন, যায় জেরে নির্বাচনের দুদিন আগে প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দেয় কমিশন। অথচ, বিজেপি ওই দুদিনও প্রচার চালিয়ে যেতে পেরেছে। কমিশন সেই মূর্তি ভাঙা নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অমিত শাহের বিরুদ্ধেও কোনও পদক্ষেপ করেনি।এখানেই শেষ নয়, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে সুদীপ জৈন যে কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করেছিলেন, সেটা নিয়েও একাধিক অভিযোগ তৃণমূলের। সৌগত এদিন বলেন,কুইক রেসপন্স টিম গড়ে এই সুদীপ বলেছিলেন একজন সেন্ট্রাল অফিসার নেতৃত্বে থাকবে। যা সংবিধান বিরোধী। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিতে পারে না। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরিচালনা করবে রাজ্য পুলিশ।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজনীতি

শুক্রবারই পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে তৃণমূল

ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে গত সপ্তাহে। এখনও পর্যন্ত শাসক-বিরোধী কোনও শিবিরই কোনও প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি। সকলেরই চূডা়ন্ত প্রস্তুতি পর্ব চলছে। তবে সূত্রের খবর, শাসকদল তৃণমূল নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে আগামী শুক্রবারই। ২৯৪ আসনের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হতে চলেছে, যা দলের ইতিহাসে কিছুটা ব্যতিক্রম। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে তৃণমূলের তরফে। সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। বুধবারই একদফা তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। ভোটের বাকি দফাগুলোতে কে কে লড়বেন, সেই তালিকা ঘোষণা হবে শুক্রবার, এমনই শোনা গিয়েছিল দলীয় সূত্রে। কিন্তু বুধবার সন্ধে নাগাদ পরিকল্পনায় বদল গিয়েছে। জানা যায়, শুক্রবারই একদফায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে ২৯৪ আসনের জন্য। আর ৯ তারিখ প্রকাশিত হবে ইস্তেহার।

মার্চ ০৩, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী কে? উত্তর দিলেন দিলীপ

জুট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফার পরই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দুর নাম নিয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে দিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। তবে নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিপরীতে বিজেপির কে প্রার্থী হচ্ছেন তা এখনও ঘোষণা হয়নি। যদিও বিজেপির প্রার্থী হিসাবে নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর নামই বেশ ইঙ্গিতবহ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, প্রার্থী নিয়ে পর্যালোচনার পর বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়ে দিলেন, নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর নাম আলোচনায় আছে। এরপরই জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, সোমবার জেলা স্তরের কার্যকর্তাদের সঙ্গে প্রার্থী নিয়ে বৈঠক হয়েছে। সেটা পুরো টিমের সামনে রাখা হয়। আগামীকাল, বুধবার নির্বাচন কমিটির মিটিং আছে। সেখানে প্রদেশের প্রথম দুটি পর্যায়ের ভোটের প্রার্থীদের নাম নিয়ে পর্যালোচনা হবে। একএকটি কেন্দ্রে দু-তিনটে করে নাম দিল্লিতে নিয়ে যাব। তারই প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। শুভেন্দু অধিকারী কি নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন? এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁর সঙ্গে এবিষয়ে কথা হয়নি। তবে ওনার নাম এসেছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা আসনের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং ওই কেন্দ্রে প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা আছে কী না সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়নি। ৪-৫ তারিখের মধ্যে প্রথম দুই দফার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়ে যাবে। বিধানসভা ভোটকে লক্ষ্য রেখে এরাজ্যে প্রতিদিনই গেরুয়া শিবিরের কোনও না কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এরাজ্যে প্রচারে আসছেন। মঙ্গলবার মালদার গাজোলে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দিলীপ ঘোষ জানান, অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদিজি-সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোথায় কোথায় প্রচার করবেন, সে ব্যাপারেও খসরা প্রস্তাব নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ০৩, ২০২১
রাজনীতি

৮ মার্চ প্রার্থীতালিকা বাম- কংগ্রেস-আইএসএফ-এর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ৮ মার্চ ঘোষণা করতে পারে বাম-কংগ্রেস- ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) জোট। মোর্চা সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে ওই দিন পূর্ণ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জোট সূত্রের খবর, ওই দিন প্রথম দুদফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।মঙ্গলবার সিপিএমের রাজ্য দপ্তর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ নেতারা। বৈঠকে ছিলেন সিপিএমের বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, মহম্মদ সেলিম, কংগ্রেসের আব্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য এবং আইএসএফের তরফে নৌশাদ সিদ্দিকী। সেই বৈঠকেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিন নিয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, আগামী ৮ মার্চ তিন দল একসঙ্গে বসে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে। কোথায় ঘোষণা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। আগামী দুএক দিনের মধ্যে তা জানানো হবে। প্রথম দফার ভোটের জন্য ৩ মার্চ মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে। কিন্তু জোটের আসন ভাগাভাগি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে কিছুটা দেরি হবে বলে জোট সূত্রে খবর। তবে ৮ মার্চ প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতার সঙ্গে এগোতে চাইছেন জোটের নেতারা। কারণ ৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তাই ওই দিন যাতে প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দিতে কোনও সমস্যা না হয় সে দিকে নজর রাখছেন জোট নেতৃত্ব।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজনীতি

'ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম', ফাঁস করলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা

শেষমেশ তৃণমূল ছাড়লেন, যোগ দিলেন বিজেপিতে। টানা তিন মাস টালবাহানার পর আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র, পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি গেরুয়া শিবিরে ভিড়লেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বৈদ্যবাটিতে এক সভায় পদ্মপতাকা হাতে তুলে নেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদ ছাড়ার পরই কাঁকসায় তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে হাজির ছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তারপর বেসুরো বক্তব্যও রাখছিলেন তিনি। রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনার পর দলেই থেকে যান। তবে তৃণমূল তাঁকে দলে কোনও পদে রাখেনি। অন্যদিকে আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় জিতেন্দ্রর বিজেপি যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। জিতেন্দ্রর ঘটনায় মন্তব্য করায় শোকজের ঘটনাও ঘটে।বিজেপিতে যোগদানের পর জিতেন্দ্র তিওয়ারির মুখে জয় শ্রী রাম ধ্বনি শোনা যায়। তিনি বলেন, ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম। মনে এক বাইরে অনেক কথা বলতে হত। সব কথা বলতে দেওয়া হত না। সেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিজেপিকে ধন্যবাদ।জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে পুরনো বিরোধের কথা বললেও তাঁকে দলে স্বাগত জানিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। মোদিজির সঙ্গে তিনি কাজ করতে চান, জানান বাবুল।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজনীতি

ব্রিগেড সমাবেশেই গুঁতো, ভবিষ্যতে জোটের হাল কী হবে? উঠছে প্রশ্ন

বাম-কংগ্রেস ও আইএসএফের প্রথম সভাতেই জোটে যেন জট পেকে গেল। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের প্রতিষ্ঠাতা পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তাঁর বক্তব্যে নাম না করে কংগ্রসকে বিঁধেছেন। সিপিএম নেতৃত্বকে আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানকে নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। বক্তব্যে আব্বাস সিপিএম নেতাদের নাম আনলেও কংগ্রেস বা অধীর চৌধুরীর নাম পর্যন্ত মুখে আনেননি। আবার বন্দেমাতরম স্লোগান হল না জোট সমাবেশে। রবিবারের ব্রিগেডে এমন নানা কার্যকলাপ তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী জোটের বাঁধন অনেকটাই নড়বড়ে করে দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এ যেন কাকের বাসায় কোকিলের ডিম। ব্রিগেডের সভার মূল আয়োজক বামফ্রন্ট। কংগ্রেস সঙ্গে থাকবে এটাও ঘোষিত। কিন্তু আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন আসন সমঝোতা হলে ব্রিগেড সমাবেশে হাজির থাকবেন। শুক্রবার অর্থাৎ ব্রিগেড সভার দুদিন আগে তিনি জোটের কথা ঘোষণা করেন। তারপরই রবিবারের সভা। সভার আয়োজন করে রবিবার তাবড় বাম নেতৃত্ব হাজির। বক্তব্য রাখা হয়ে গিয়েছে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের। অধীর চৌধুরী বক্তব্য রাখছেন। তখনই ভাইজান সভামঞ্চে হাজির। তাঁর সমর্থকদের চিৎকারে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ভাষণ বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিও হয়।ভাইজানের বক্তব্য শেষ হতেই আইএসএফের কর্মীসমর্থকরা মাঠ ছাড়তে শুরু করেন। সীতারাম ইয়েচুরি সহ বাকিরা যখন ভাষণ দিচ্ছেন তখন ব্রিগেড ফাঁকা হতে শুরু করেছে। ভাইজান তাঁর বক্তব্যে জানিয়েও দিয়েছেন এক সপ্তাহের প্রস্তুতি থাকলেই ময়দান ভরিয়ে দিতেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই কথার মাধ্যমেও তিনি বাম-কংগ্রসকে একপ্রকার কটাক্ষই করেছেন। তবে এটাও বাস্তব আইএসএফ এই ব্রিগেডে হাজির না থাকলে ময়দান অনেকটাই ফাঁকা থাকত।সিপিএমের নীচুতলার কর্মীদের একাংশের মতে, তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধিতা করে যে জোটে দল সামিল হয়েছে তার ফলে ভবিষ্যতে আরও বড় মাশুল গুণতে হতে পারে। এর আগে ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে জোটের ফল বেশি পেয়েছিল কংগ্রেস। এবার আবার আইএসএফ জোটে সামিল হয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, প্রথম সভাতেই গুঁতো খেতে হল। এরপর তো আগামী দিন পরে রইল।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজনীতি

বঙ্গ বিজেপি দিল্লি পাঠাল ১৫০ জন প্রার্থীর নাম

বিধানসভা ভোটের জন্য বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতে চলেছে সোম বা মঙ্গলবার। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশের আগেই অন্তত ১০০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার ভাবনা চিন্তা চলছে। প্রত্যাশা মতো ধাপে ধাপেই ২৯৪ আসনের প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করা হবে বলে খবর। প্রথম দফায় রাজ্য নেতৃত্বের তরফে চূড়ান্ত সিলমোহরের জন্য প্রায় ১৫০টি আসনের প্রার্থীদের নামের তালিকা ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। বাকি আসনগুলোর জন্য তালিকাও দু-একদিনের মধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রতিটি আসনের জন্য কমপক্ষে তিনজন ও সর্বাধিক ছয়জনের নাম রাখা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্যে দলীয় শীর্ষ পদাধিকারীদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে প্রার্থী করা হচ্ছে আসন্ন বিধানসভা ভোটে।ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কারা প্রার্থী হতে চলেছেন, তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে বঙ্গ বিজেপিতে। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, ভোটের দফার সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই তালিকা প্রকাশ করবে দিল্লি। দলের বঙ্গ শাখার তরফ থেকে পাঠানো নাম নিয়ে সেখানে আলোচনাও শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী চার-পাঁচদিনের মধ্যেই দলের সংসদীয় নির্বাচনী কমিটি বৈঠক করে তালিকা ঘোষণা করবে। সূত্রের খবর, এবার বিজেপির প্রার্থী তালিকায় এক ডজনেরও বেশি তারকা স্থান পেতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজনীতি

বাবুলের টুইট বাণে বিতর্ক

বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। নতুন স্লোগানকে হাতিয়ার করে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল। এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে টুইট করে বিতর্কে জড়ালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মেয়েরা পরের সম্পত্তি, এবার বিদায় হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে এই টুইট করতেই সমালোচনার মুখে বাবুল। নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। এমনকী, খোদ দলের নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও তাঁর টুইটের সঙ্গে সহমত হননি। বিতর্ক এড়াতে শেষ পর্যন্ত টুইট মুছে ফেললেন মন্ত্রী।শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বাবুল সুপ্রিয় লেখেন, বেটি পরায়া ধন হোতি হ্যায়, ইস বার বিদা কর দেঙ্গে। লেখাটির সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। টুইট নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নেটিজেনরা। কেউ বলছেন, এই তো, আপনার নারী বিদ্বেষী স্বরূপ প্রকাশ করে ফেললেন। এই জন্যই বিজেপিতে যোগ দিতে পেরেছেন। কেউ আবার বলছেন, এই নারীবিদ্বেষী মনোভাব উত্তর ভারতের। বাংলার সংস্কৃতি নয়। আপনারা কেন এই বাংলায় বহিরাগত সেটা বার বার প্রমাণ করছেন। অনেকে আবার লিখেছেন, বাংলায় মেয়েদের পরের ঘরের সম্পত্তি ভাবা হয় না আজকের দিনে, আপনারা সেই প্রাচীন যুগে পড়ে আছেন। কেউ কেউ আবার বাবুলকে নিজের মেয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজনীতি

ভোটের মুখে বর্ধমান জেলায় নতুন বিজেপি সভাপতি

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার দিনই বর্ধমান সাংগঠনিক জেলায় সভাপতি পদে পরিবর্তন করল বিজেপি। সরানো হল সন্দীপ নন্দীকে। নতুন সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। এক বিবৃতিতে রাজ্য বিজেপি নতুন সভাপতি অভিজিৎ তা-কে দ্রুত ওই পদে নিয়োগ করতে বলেছে। এদিকে সন্দীপ নন্দীকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে রাঢ় বঙ্গ জোনের বুথ ম্যানেজমেন্ট ইনচার্জ করেছে দল।দীর্ঘ দিন ধরেই কানাঘুষো চলছিল বিজেপির বর্ধমান সাংগঠনিক জেলায় নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে। দলের অভ্যন্তরে এই দাবিও উঠছিল বলে খবর। সম্প্রতি বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। অভিযোগ, ভাঙচুর করা হয় জেলা কার্যালয়। ওই ঘটনায় জেলা সভাপতি সহ একাধিক নেতাকে শোকজ করে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেদিন বিক্ষোভ চলাকালীন দলের সভাপতি বদলের দাবিও উঠেছিল।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজনীতি

'বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়'-এর বিজেপির পালটা 'পিসিকে নয়'

শীতের পরশ ছেড়ে আবহাওয়ার উত্তাপ ছড়ানোর পাশাপাশি রাজ্যে এখন পুরোদস্তুর ভোটের উত্তাপ। স্লোগান-পালটা স্লোগানে রীতিমতো সরগরম রাজনৈতিক আবহ। এই পরিস্থিতিতে কয়েকদিন আগেই শোনা গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া স্লোগান বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। আগেই বিজেপির বিরুদ্ধে বহিরাগত অভিযোগ শেনেছে তৃণমূল। বিজেপি জিতলে রাজ্যে যাঁরাই ক্ষমতায় থাকুন না কেন, বকলমে রাজ্য চালাবে নাগপুরই। তৃণমূলের এমন খোঁচা নতুন নয়। অমিত শাহ, জেপি নাড্ডাদের রাজ্যে বারবার প্রচারে আসাকে কটাক্ষ করেও গেরুয়া শিবিরকে বিঁধতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের শাসক দলকে। তারই সম্প্রসারণ এই নয়া স্লোগান।এবার সেই স্লোগানকে পালটা খোঁচা বিজেপির। রাজ্য বিজেপির এক ফেসবুক পোস্টে বিজেপির দাবি, বাংলা তার মেয়েকেই চায়, পিসিকে নয়। সেই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির কয়েকজন বঙ্গতনয়া নেত্রীর ছবিও দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম দেবশ্রী চৌধুরী, লকেট চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, ভারতী ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পলের মতো পরিচিত মুখেরা। এদিকে শনিবারই তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর একটি টুইটে দাবি করেছেন, ফের বঙ্গকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই রাজ্যের মানুষ মসনদে দেখতে চান। বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় লেখা একটি কার্ডও শেয়ার করেছেন তিনি।One of the key battles FOR DEMOCRACY in India will be fought in West Bengal, and the people of Bengal are ready with their MESSAGE and determined to show the RIGHT CARD - #BanglaNijerMeyekeiChay(Bengal Only Wants its Own Daughter)PS: On 2nd May, hold me to my last tweet. pic.twitter.com/vruk6jVP0X Prashant Kishor (@PrashantKishor) February 27, 2021

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজনীতি

নির্বাচনের কোর কমিটি গঠন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শাসক দল নির্বাচনের কোর কমিটি গঠন করে ফেলল। কমিটির একদম সামনে থাকবেন সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া ১২ জনের কমিটিতে রয়েছেন সৌগত রায়, সুব্রত বক্সী, সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেকও ব্রায়েন, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সিএম জাটুয়া। উল্লেখ্য, এবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন আট দফায় হবে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তার বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনে তোপ দাগেন। প্রশ্ন তোলেন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

আপনার কেন্দ্রে কবে নির্বাচন? জেনে নিন ভোটের নির্ঘণ্ট

একনজরে দেখে নিন কোন দফায় কবে ভোটগ্রহণ:প্রথম দফা (৩০) নির্বাচনের দিন: ২৭ মার্চ, ২০২১পুরুলিয়া (৯), বাঁকুড়া (৪), ঝাড়গ্রাম (৪), পশ্চিম মেদিনীপুর (৬), পূর্ব মেদিনীপুর (৭)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৯ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১০ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১২ মার্চদ্বিতীয় দফা (৩০)নির্বাচনের দিন: ১ এপ্রিল, ২০২১বাঁকুড়া (৮), পশ্চিম মেদিনীপুর (৯), পূর্ব মেদিনীপুর (৯), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৪)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৫ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১২ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১৫ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১৭ মার্চতৃতীয় দফা (৩১)নির্বাচনের দিন: ৬ এপ্রিল, ২০২১হাওড়া (৭), হুগলি (৮), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১৬)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১২ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১৯ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ২০ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২২ মার্চচতুর্থ দফা (৪৪)নির্বাচনের দিন: ১০ এপ্রিল, ২০২১হাওড়া (৯), হুগলি (১০), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১১), আলিপুরদুয়ার (৫), কোচবিহার (৯)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১৬ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ২৩ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ২৪ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২৬ মার্চপঞ্চম দফা (৪৫)নির্বাচনের দিন: ১৭ এপ্রিল, ২০২১উত্তর ২৪ পরগনা (১৬), নদিয়া (৮), পূর্ব বর্ধমান (৮), জলপাইগুড়ি (৭), দার্জিলিং (৫), কালিম্পং (১)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২৩ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৩০ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৩১ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ৩ এপ্রিলষষ্ঠ দফা (৪৩)নির্বাচনের দিন: ২২ এপ্রিল, ২০২১উত্তর ২৪ পরগনা (১৭), নদিয়া (৯), পূর্ব বর্ধমান (৮), উত্তর দিনাজপুর (৯)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২৬ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৩ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৫ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ৭ এপ্রিলসপ্তম দফা (৩৬)নির্বাচনের দিন: ২৬ এপ্রিল, ২০২১মালদহ (৬), মুর্শিদাবাদ (১১), পশ্চিম বর্ধমান (৯), কলকাতা (৪), দক্ষিণ দিনাজপুর (৬)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৩১ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৭ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৮ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১২ এপ্রিলঅষ্টম দফা (৩৫)নির্বাচনের দিন: ২৯ এপ্রিল, ২০২১মালদহ (৬), মুর্শিদাবাদ (১১), বীরভূম (১১), কলকাতা (৭)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৩১ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১৭ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১৮ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২২ এপ্রিল

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

স্কুটি নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী, কী বললেন শুভেন্দু-রাজীব!

পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের গাড়িতে মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্কুটার চেপে নবান্ন গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির দুই নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।ব্যারাকপুরের সভা থেকে তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, আজ একটা নাটক দেখেছেন সকাল বেলায়। মাননীয়া স্কুটি চেপে গিয়েছেন নবান্নে। ৬০টা মোটর সাইকেল ছিল। তার মধ্যে দুটি ছিল ব্যাটারি চালিত। ৫৮টা পেট্রল চালিত। পেট্রল দেওয়া গাড়ি নিয়ে গিয়েছেন নাটক করতে। পেট্রলের ৩৬ টাকা আপনি নিচ্ছেন, একটাকা ছাড় দিলেন কেন পুরো ৩৬ টাকা ছাড় দেন। তাহলে তো বলব মাননীয়া মানবিক। কম পয়সায় পেট্রল ও ডিজেল দিতে চাইছেন। আসল কথা হল ভোটের আগে গিমিক।ব্যাটারি চালিত স্কুটি প্রসঙ্গে সমালোচনা করতে গিয়ে কলকাতার বিদ্যুৎ পরিচালন সংস্থার বিল নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, স্কুটি চালিয়েছেন ব্যাটারিতে। ব্যাটারি চার্জ হয় ইলেকট্রিকে। আপনার আমলেই সব থেকে বেশি ইলেকট্রিকের বিল দিতে হয়।এদিন বিকেলে হাওড়ার গোলাবাড়িতে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রীর স্কুটিযাত্রাকে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা রাজীব বন্দোপাধ্যায়। রাজীব বন্দোপাধ্যায় বলেন, দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে হলে রাজ্যের ট্যাক্স কমিয়ে দিলে মানুষের উপকার হবে। এইভাবে কয়েক ঘণ্টা রাস্তা আটকে বহু বাইক ও গাড়ি নিয়ে মিছিল করে কিছুই হবে না।পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে রাজীব বলেন, তৃণমূলের গোড়া কেটে দেব। মাথা কাটার দরকার নেই, গোড়া কেটে দিলেই কাজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি, বিজেপির গোড়া শক্ত করতে দল যা করতে বলবে সব কিছুই করবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজনীতি

অগ্নিমূল্য জ্বালানি, প্রতিবাদে ব্যাটারি-চালিত স্কুটারে নবান্ন যাত্রা মুখ্যমন্ত্রীর

সাধারণ মানুষের দুঃখের পাশে দাঁড়াতে, এরকম কবে কোন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছিল! এদিন অভিনব পদ্ধতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গাড়ির বদলে বাড়ি থেকে হেঁটে হাজরা মোড় আসেন তিনি। সেখান থেকে ব্যাটারি চালিত স্কুটারে নবান্নে যান মমতা। চালকের আসনে ছিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।লিটার পিছু পেট্রল-ডিজেল একশো টাকা ছুঁইছুঁই। সেই কারণে গত ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কর্মীদের রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ-মিছিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। নিজে একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে লাগাতার পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। রাজ্য সরকার পেট্রল ও ডিজেলের উপর থেকে এক টাকা করে করও কমিয়েছে। কারণ, রোজ জ্বালানির দাম বেড়েই চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অন্যতম ইস্যু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আজ, বৃহস্পতিবার অভিনব পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানালেন মমতা। ইলেকট্রিক স্কুটারে চেপে নবান্নে গেলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবাদ মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজনীতি

একাধিক কর্মসূচি আজ ফের সারাদিন কলকাতায় নাড্ডা

বুধবার রাতে কলকাতা পৌঁছেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ দিনভর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। মধ্যাহ্নভোজ সারবেন গৌরীপুরের এক জুটমিল শ্রমিকের বাড়িতে। কী কী থাকবে মেনুতে?জানা গিয়েছে, নাড্ডার মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে থাকবে ভাত, ডাল, আলুভাজা, বেগুনভাজা, করলাভাজা, পনিরের তরকারি, এঁচোড়ের তরকারি, ক্ষির, পাঁপড়, চাটনি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টা ১০ নাগাদ জুটমিলে শ্রমিক বিজেপির বুথ সভাপতি দেবনাথ যাদবের বাড়ি যাবেন জেপি নাড্ডা। উল্লেখ্য, আজ কলকাতার হেস্টিংস অফিসের সামনে থেকে লক্ষ্য সোনার বাংলা কর্মসূচির সূচনা করবেন জেপি নাড্ডা। আম জনতা কী চায় সে বিষয়ে সরাসরি জনগণের কাছ থেকেই মতামত বা পরামর্শ নিতে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে আজ থেকে ছুটে বেড়াবে ২৯৪টি ডিজিটাল মোবাইল ভ্যান বা এলইডি রথ। তাতে থাকবে সাজেশনস ড্রপ বক্স। আম জনতার সেই পরামর্শ নিয়েই তৈরি হবে বঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার। এদিন নাড্ডা যাবেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। বারাকপুরের আনন্দপুরী কালীবাড়ি মন্দির দর্শন করবেন। আনন্দপুরী খেলার মাঠে জনসভা করবেন তিনি। মঙ্গল পাণ্ডের মূর্তির পাদদেশেও যাবেন তিনি। ৬ ফেব্রুয়ারি নবদ্বীপ থেকে যে রথযাত্রার সূচনা করেছিলেন তিনি। আজ সেই রথযাত্রার সমাপ্তিও এই জনসভার মধ্যে দিয়ে করবেন। বিকেলে নিউটাউনের হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক সেরে সন্ধেয় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সভা করবেন তিনি। রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে এই সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজনীতি

গেরুয়া শিবিরে প্রাক্তন পেসার

জল্পনাই সত্যি হল। বঙ্গ ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারির তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার দিনেই তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ অশোক দিন্দাও রাজনীতিতে নামলেন। তবে তিনি যোগ দিলেন বিজেপিতে। বুধবার নেবুতলা পার্কে শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং, সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আয়োজিত ব়্যালির পরই বিজেপিতে যোগ দিলেন দিন্দা। এর পাশাপাশি এদিন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন সজল ঘোষ। তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রবীর ঘোষের ছেলেও তৃণমূলে ছিলেন। কিন্তু তিনিও দলবদল করলেন।এদিন ব়্যালির পর মঞ্চেই উপস্থিত ছিলেন দিন্দা। সেখানেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। তারপর তাঁকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতেও শোনা যায়। এসময় মঞ্চে উপস্থিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে তাঁর সঙ্গে মজা করতেও দেখা যায়।এরপরই দিন্দা বলেন, সকলকে ধন্যবাদ জানাই। বিজেপির মতো ভারতের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আমাকে গ্রহণ করেছে। আমি আজ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি। ১২-১৪ ঘণ্টা সময় দেব। এজন্যই ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছি। দল যখন যা দায়িত্ব দেবে, সেটাই পালন করব। এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই সবধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা ঘোষণা করেছিলেন দিন্দা।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার’, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতৃত্বের

হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে রেরে করে উঠেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা প্রয়োগ নিয়ে। বিজেপির কোনও নেতা টুইট করেছেন তো কেউ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছেন।বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জে জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কটাক্ষ করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে। মমতা বলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার। মমতার সভার ৪৮ ঘণ্টা আগে এখানেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। এই নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।তৃণমূলনেত্রীর হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূত কিমাকার বক্তব্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ো ফেসবুকে লেখেন, ছিঃ !!! এই একজন মূখ্যমন্ত্রীর ভাষা !! এই ভাষা বলতে আপনার যে লজ্জা করে না তা আমরা বহুদিন আগেই দেখেছিজেনেছি কিন্তু আমাদের তো লজ্জা আছে, বাঙালির তো আত্মভিমান আছে, লজ্জাও আছে !! সারা পৃথিবীর বাঙালির মাথা আপনি হেঁট করে দিচ্ছেন !! আপনি আবার নিজেকে বাংলা গর্ব বলেন???বিজেপির এই রাজ্যের কোইনচার্জ অমিত মালব্য এদিন মমতার মন্তব্যের বিরোধিতা করে টুইটে লেখেন, নিশ্চিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া হাওয়া অনুভূত হচ্ছে।পিসির তা অসহ্য লাগছে। তাই এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন। যা বাংলার সংস্কৃতি নয়। শারীরিক গঠন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন। আসলে পিসি হেরে গিয়েছেন। এদিন মধ্য কলকাতার লেবুতলা পার্কে দলীয় সভায় বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তোপ দেগেছেন। রাজীব বলেন, কখনও তুইতোকারি করছেন, কখনও বিরোধী দলের নেতার শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষ করছেন। এগুলো কী মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হওয়া উচিত?রাজনৈতিক মহলের মতে, সব কিছুকে ছাপিয়ে এবার বাঙালি, বাংলার মনীষী, বহিরাগত নিয়েই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি। একই বিষয় নিয়ে একদল আক্রমণ করছে প্রতিপক্ষ পাল্টা মন্তব্য করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত’-‘কিম্ভূতকিমাকার’, নাম না করে শাহ-মোদিকে কটাক্ষ মমতার

এখানেই দুদিন আগে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জের জনসভা থেকে নাম না করে শাহ-মোদিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্তব্য করলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার । গত সোমবার এই মাঠেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা।এই সভাতেই বাংলা চলচ্চিত্রের এক ঝাঁক তারকা তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন ঘাসফুল শিবিরে ভিড়েছেন কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া, সুদেষ্ণা রায়, মানালী দে। এছাড়াও তৃণমূলে যোগ দেন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি ও শিক্ষাবিদ অনন্যা চট্টোপাধ্যায়। এদিনও তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দিয়েছেন গোলপোস্টের নীচে তিনিই দাঁড়াবেন। একদিকে থাকবে তৃণমূল, অন্যদিকে সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি। মমতার দাবি, সব ওপর দিয়ে চলে যাবে। একটা বলও গোলপোস্টে ঢুকবে না।তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ভাবা যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। এদেশে এখন দুটো নেতা, একটা হোঁদল কুতকুত। আরেকটা কিম্ভূতকিমাকার। আমি এর ইংরেজি, হিন্দি জানি না। এদিকে মঙ্গলবারই অভিষেকের বাড়িতে কয়লাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়েছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করে সাংসদপত্নী রুজিরাকে। সিবিআই আসার আগে মমতা পৌঁছান তাঁর ভাইপোর বাড়িতে। এদিন মমতা বলেন, ঘরে ঢুকে বাইশ-তেইশ বছরের এক বউকে কয়লা চোর বলছে। আর কয়লা চোরেদের নিজেরা কোলে করে ঘুরছেন। আমার বাড়ির মা-বোনেরা কয়লা চোর? তোমার সারা গায়ে ময়লা। নোটবন্দির ময়লা।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 28
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal