• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

Mamata Nomination: মমতার মনোনয়ন পেশ, লড়াই শুরু 'ঘর'-এর মাঠেই

তিথি-নক্ষত্র দেখে শুক্রবার গণেশ চতুর্থীর দিনই উপনির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। একুশের নির্বাচনে পাখির চোখ ছিল নন্দীগ্রাম। দুই হেভিওয়েটের কট্টর লড়াই হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। ফল ঘোষণার দিন একটু অন্যরকম খেলা হয়। সেই খেলার ফল হিসেবে ৬ মাসের মধ্যে কোন একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। না হলে একটি সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হবে। সেক্ষেত্রে নিজের ঘর থেকেই লড়ার সিদ্ধান্ত নেন মমতা। সেদিক থেকে বিচার করলে, এবারের উপনির্বাচনের প্রধান কেন্দ্রই হল ভবানীপুর। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় শক্তি দেখাতে তৃণমূলের পদযাত্রাবুধবার কর্মিসভার মধ্যে দিয়ে প্রচারে নামেন খোদ তৃণমূল নেত্রী। কর্মিসভায় তিনি বলেন, ২০২৪-এর দিকে তাকিয়ে একটা বড় খেলা হবে। এই খেলা হয়ে গেলে সব খেলায় জিততে হবে। তিনি মনে করিয়ে দেন ভবানীপুরের উপনির্বাচনের পরই রয়েছে পুরসভা নির্বাচন। সেখানেও জয় কনফার্ম করতে হবে। নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার সময় মমতা বলেছিলেন, ভবানীপুর আমার বড় বোন আর নন্দীগ্রাম আমার মেজো বোন। তিনি জানিয়েছিলেন পারলে ভবানীপুর আর নন্দীগ্রাম দুই কেন্দ্র থেকেই লড়তে চান তিনি।ফল প্রকাশের পর নিজের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, নন্দীগ্রাম না জিতে ভালোই হয়েছে। বারবার ওখানে যেতে হত। আর এদিনের কর্মসমিতির বৈঠক শেষে বলেন, ভবানীপুরের মানুষ নিশ্চয় চেয়েছিলেন, তাই আমি আমার এখানে লড়তে পারছি। এদিকে, পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বিজেপিও। উপনির্বাচনে ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। ভবানীপুরকে ৮টি ওয়ার্ডে ভাগ করে সুব্রত বক্সী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তৃণমূলের প্রবীণ নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ দিকে ভবানীপুর কেন্দ্রে বামেদের হয়ে লড়বেন আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজনীতি

BJP Candidate: ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা

শেষমেশ ভবানীপুর উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। ওই কেন্দ্রে রাজ্য বিজেপি-র যুবনেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করল গেরুয়াশিবির।মমতার বিরুদ্ধে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে একটা দোলাচল সৃষ্টি হয় দলের অন্দরে। বিজেপি-র অনেক বড় নেতাই মুখ ফিরিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যাঁদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তীও ছিলেন। কিন্তু তিনি মমতার বিরুদ্ধে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল। ফলে কাকে দাঁড় করানো হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আইনজীবী প্রিয়াঙ্কাকেই প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল বিজেপি। যদিও প্রিয়াঙ্কাকে ওই পদে প্রার্থী করা হতে পারে বলে একটা জল্পনা চলছিল। ঘটনাচক্রে প্রিয়াঙ্কা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। সেই জল্পনাকে সত্যি করেই নাম ঘোষণা করল পদ্মশিবির।আরও পড়ুনঃ ১৬ বছর বাদে দোষী সাব্যস্ত মূল অভিযুক্ত২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেয়াল। একসময়ে বাবুল সুপ্রিয় আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে এন্টালি থেকে প্রার্থী করা হলেও সেখানে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। হাইকোর্টও তাতে মান্যতা দেয়। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁকে দাঁড় করানো একপ্রকার পুরস্কারস্বরূপই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজনীতি

Tripura TMC: ত্রিপুরায় শক্তি দেখাতে তৃণমূলের পদযাত্রা

আবার ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত দুমাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার। লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছোড়া। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুর ২টোয় আগরতলায় পদযাত্রার ডাক দিয়েছেন। এর ফলে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে।এই পরিস্থিতিতে আগরতলায় ফের পদযাত্রার পরিকল্পনা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন দলের একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়কও। এদিন কুণাল ঘোষ টুইট করে এই পদযাত্রার কথা ঘোষণা করেন। 15 সেপ্টেম্বর ত্রিপুরার আগরতলায় পদযাত্রা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির সন্ত্রাস, অপশাসন, জনবিরোধী নীতি, কথা না রাখার প্রতিবাদে এবং ত্রিপুরার প্রকৃত উন্নয়নের অভিযানকে সামনে রেখে কোভিড সতর্কতা রক্ষা করে এই পদযাত্রা করবেন তিনি। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 10, 2021কদিন আগেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। তাঁকে সামনে রেখেই ত্রিপুরা জয়ের পরিকল্পনা সাজাচ্ছে তৃণমূল। সুস্মিতা নিজে সময় দিচ্ছেন ত্রিপুরায়। এরই মধ্যে ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, অভিষেকের এ বারের আগরতলা সফরে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন এক বিজেপি বিধায়ক। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। দলের ছাত্র শাখার প্রতিষ্ঠা দিবসে অভিষেক বলেছিলেন, দেড় বছরের মধ্যে ত্রিপুরা জয় করবে তৃণমূল। বুধবারের পদযাত্রা সেই লক্ষ্যে ত্রিপুরায় তৃণমূলকে কতটা এগিয়ে দিতে পারে, সে দিকেই নজর থাকবে আগামী দিনে।আরও পড়ুনঃ আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তাতৃণমূল সূত্রে খবর, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় ত্রিপুরায় পদযাত্রা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ওই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারেন এরাজ্যের তৃণমূলের বহু শীর্ষ নেতা। ২০২৩-এর বিধানসভা ভোটকে টার্গেট করে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক জমি শক্ত করছে তৃণমূল। সেখানে ২১ জুলাই, খেলা হবে দিবস, রাখিবন্ধন উৎসব পালন করেছে রাজ্যের শাসক দল। ত্রিপুরায় দলীয় কার্য়ালয় তৈরি করতেও উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল। উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস ধরে শাসক-বিরোধী তরজায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে ত্রিপুরায়। বিরোধী তৃণমূল ও সিপিএমের অভিযোগ, বেছে বেছে তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে। আগুন লাগানো হচ্ছে পার্টি অফিসে। এর আগে ত্রিপুরায় অভিষেকের গাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছিল। যার পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেকের জীবন বিপন্ন, ছায়ার মতো ওকে অনুসরণ করছে শাহের গুন্ডারা। তৃণমূলের ছাত্রনেতারও ত্রিপুরায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরই মাঝে দলের শক্তির ঝাঁঝ বোঝাতে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: দিল্লিতে শুভেন্দুর সঙ্গে শাহ-সাক্ষাৎ

বুধবার দিল্লি গিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সাউথ ব্লকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে শুভেন্দু জানান, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েই তিনি শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন। টুইটারে তিনি লেখেন, ক্রমশ নিম্নগামী পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজ্যে যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বন্ধ হয়নি সেটাও জানিয়েছি। আরও পড়ুনঃ ভারত সেরার তালিকায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরের উপনির্বাচন। শুক্রবার মনোনয়ন জমা দেবেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দলীয় প্রার্থীর নামই ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। রাজ্য নেতারা এখনও তাকিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকে। অন্যদিকে, ত্রিপল চুরি মামলায় কিছুটা হলেও চাপে শুভেন্দু। তাঁর বিরুদ্ধে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিয়েছেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এমন আবহেই শুভেন্দুর এই অমিত শাহ সাক্ষাৎ।Its always a pleasure to meet Honourable Union Home Minister Shri @AmitShah ji. I am thankful to him for making time for me in his busy schedule.The deteriorating law order situation of WB was discussed. Hes aware that there seems to be no abatement in political violence. pic.twitter.com/CZg01jBUqP Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 9, 2021বিধানসভা নির্বাচনের পরে এই নিয়ে তিনবার দিল্লি গিয়ে শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু। তবে কোনও বারই কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি শুভেন্দু। বিজেপি সূত্রে খবর, বুধবারই শাহের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা ছিল শুভেন্দুর। সেই মতো দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সময় দিতে পারেননি শাহ। বুধবার দিল্লিতে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতীন গডকড়ি ও হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৃহস্পতিবার সারলেন শাহী বৈঠক।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: ইডি দপ্তরে ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর বিস্ফোরক অভিষেক

৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা শেষে বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা করার আছে করে নিন। তৃণমূল কোনও অবস্থাতেই মাধা নোয়াবে না। ৯ ঘণ্টা ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ চলার পর বেরিয়ে এমনটাই বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪-এ বিজেপিকে হারানোর ডাক দিলেন তিনি। ইডি, সিবিআই লাগিয়ে নয়, রাজনৈতিক পথেই লড়ার বার্তা দিলেন অভিষেক। আজ সকাল ১১ টায় দিল্লিতে ইডির জামনগরের অফিসে ঢোকার পর চলে ম্যারাথন প্রশ্নোত্তর পর্ব। একগুচ্ছ প্রশ্নের মধ্যে উঠে আসে বিনয় মিশ্র, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ। ৯ ঘণ্টা পর ইডি দপ্তর থেকে বেরোন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েই পদ্ম শিবিরকে কড়া বার্তা দেন তিনি। দিল্লি থেকে তো বটেই, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে গিয়েও তৃণমূল গেরুয়া শিবিরকে পরাজিত করবে বলে বার্তা দেন তিনি। তিনি এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, আমাদের জীবন দিয়ে দেব তবু মাথা নোয়াব না এই সব ভীতুদের কাছে, যারা রাজনৈতিকভাবে হারাতে পারে না। তাঁর কথায়, আমাদের পেটের মধ্যে আগুন আছে। আমরা ২০২৪-এ বিজেপিকে হারাবই। কথা দিয়ে গেলাম।আরও পড়ুনঃ অধীরের ইচ্ছাবদল, মমতার বিরুদ্ধে জোট-প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেসবিজেপিকে তোপ দেগে অভিষেক মনে করিয়ে দেন, বাংলার নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের ফল প্রত্যাশাজনক হয়নি। তিনি বলেন, অমিত শাহ অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন। কী অবস্থা হল দেখুন। অমিত শাহের গাড়ি ৭০-এ আটকে গেল। ৯ ঘণ্টার জিজ্ঞসাবাদে অভিষেককে যে একাধিক অস্ব্স্তিজনক প্রশ্নে তদন্তকারী আধিকারিকেরা চাপের মুখে ফেলতে চেয়েছেন, তেমনটাই সূত্রের খবর। আর সেই জেরা শেষ করে রীতি মতো গলার জোরে অভিষেক বলেন, কোন মায় কা লালের হিম্মত আছে দেখি, যে ধমকে- চমকে তৃণমূলকে চুপ করাবে। যা করার আছে করে নিন। ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স যা লাগানোর আছে লাগিয়ে দিন। কিন্তু বিজেপিকে আমরা হারাবই। পাশাপাশি অভিষেক দাবি করেছেন, বাংলায় ২৫ জন বিধায়ক এই মুহূর্তে বিজেপিতে আসার জন্য আটকে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Congress: অধীরের ইচ্ছাবদল, মমতার বিরুদ্ধে জোট-প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস

জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস। এই মর্মে এআইসিসি-কে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। সোমবার এমনটাই জানিয়ে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগে অধীরের মত ছিল ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার। সোমবার আমূল বদলে গেল বহরমপুরের সাংসদের সেই অবস্থান।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরনির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। দিন ঘোষণার পরই তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু মমতার বিরুদ্ধে কে লড়বেন তা নিয়ে এখনও দ্বিধাবিভক্ত বিরোধীরা। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, বাম-কংগ্রেস জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চান তাঁরা। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এআইসিসি। এ জন্য দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান অধীর। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে বাম প্রার্থীদের সমর্থন করবে কংগ্রেস। প্রচারে আমন্ত্রণ জানালে তাঁরা যাবেন বলেও জানান অধীর। এর আগে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার কথা বলেছিলেন অধীর। জানিয়েছিলেন, এটা তাঁর ব্যক্তিগত অভিমত। কিন্তু সোমবার নিজের ব্যক্তিগত মতকে দূরে সরিয়ে রেখে জোট প্রার্থী চেয়ে এআইসিসি-র কাছে দরবার করলেন প্রদেশ সভাপতি অধীর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, কংগ্রেস যদি ভবানীপুরে প্রার্থী দেয়, সেক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও নতুন প্রভাব পড়তে পারে। যে ভাবে গত মাসেই দিল্লি সফরে গিয়ে সনিয়া গান্ধি ও রাহুল গান্ধিদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করে আসেন। তারপর কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধেই প্রার্থী দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তেই পারে তৃণমূল শিবিরে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: 'সবরকম সাহায্য করব', ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকের

সোমবার সকাল ১১টা নাগাদই জামনগরের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর অফিসে পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঢোকার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, যে কোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। সব রকম সহযোগিতা করব। তদন্তকারী সংস্থা নিজের কাজ করছে। এক জন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমারও উচিত তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করা।আরও পড়ুনঃ দুর্নীতি প্রমাণের চ্যালেঞ্জ দিয়ে আজ দিল্লিতে ইডি-র মুখোমুখি অভিষেককয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তে গত ২৮ অগস্ট নোটিস পাঠিয়ে অভিষেককে তলব করেছে ইডি। হাজিরা দিতে রবিবারই দিল্লিতে পৌঁছন অভিষেক। দিল্লি যাওয়ার আগের কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের অভিষেক বলেছেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে হেরে গিয়ে প্রতিহিংসায় নেমেছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা ছাড়া এদের (শাসক বিজেপি) কোনও কাজ নেই। একই মামলায় অভিযেকের স্ত্রী রুজিরাকেও ১ সেপ্টেম্বর ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। অতিমারি পরিস্থিতিতে সন্তানদের কলকাতায় রেখে দিল্লি যাওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলে ইডি-কে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন রুজিরা।উল্লেখ্য, রবিবার বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরেই অভিষেক বলেন, বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা পাঁচ মিনিটের জন্যও যদি আমার সঙ্গে বসেন, তাহলে গত পাঁচ বছরে কোন কেন্দ্রীয় সংস্থা কীভাবে কাজ করেছে আমি সব দেখিয়ে দেবো। আর তা যদি প্রমাণ করতে না পারি তো রাজনীতি ছেড়ে দেবো।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: দুর্নীতি প্রমাণের চ্যালেঞ্জ দিয়ে আজ দিল্লিতে ইডি-র মুখোমুখি অভিষেক

আজ ইডি-র অফিসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারই দিল্লির উদ্দেশে উড়ে গিয়েছিলেন তিনি। আজ দিল্লিতে খান মার্কেটে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেবেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলে গিয়েছেন, আমার পিছনে ইডি-সিবিআই লাগানোর প্রয়োজন নেই। দশ পয়সার দুর্নীতিও যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে ফাঁসি মঞ্চে দাঁড়াব। তবে কলকাতার কেসে দিল্লিতে তলব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পিছনে প্রতিহিংসা পরায়ণ রাজনীতিই কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেররবিবার বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরেই তিনি বলেন, বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা পাঁচ মিনিটের জন্যও যদি আমার সঙ্গে বসেন, তাহলে গত পাঁচ বছরে কোন কেন্দ্রীয় সংস্থা কীভাবে কাজ করেছে আমি সব দেখিয়ে দেবো। আর তা যদি প্রমাণ করতে না পারি তো রাজনীতি ছেড়ে দেবো।উল্লেখ্য, ১ সেপ্টেম্বর অভিষেক-পত্নী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে হাজিরা দেননি রুজিরা। কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন রুজিরা। কিন্তু অভিষেক আর সে পথে হাঁটেননি। রবিবারই তিনি দিল্লি উড়ে গিয়েছেন।উল্লেখ্য, কয়লা-কাণ্ডে ফের সক্রিয় হয়েছে ইডি। সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে ইডি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা এবং ৬ সেপ্টেম্বর অভিষেককে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সরব হন তৃণমূল নেতারা। আর তার প্রেক্ষিতে আগে অভিষেকের মুখে শোনা যায় আক্রমণের সুরও।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতার

শনিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এদিন সকালেই, কয়লা-কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর টিএমসিপি-র মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠেই এই নিয়ে সরাসরি আক্রমণের পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিল্লি আমাদের সঙ্গে না পেরেই কেন্দ্রীয় সংস্থা লেলিয়ে দেয়। কয়লা দুর্নীতি ও অভিষেকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তিনি ইডি-র নোটিস নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দেন।টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে উঠে এ দিন মমতা বলেন, ক্ষমতায় এসে আমাদের চ্যালেঞ্জ আরও বেড়ে গিয়েছে। যেটুকু কাজ বিরোধী দলে আমাদের ছিল, তার থেকে এখন কাজ বেড়ে গিয়েছে। আমরা কখনও দমে যাইনি। মানুষের কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ। তাই দিল্লি যখন আমাদের সঙ্গে রাজনীতিকে পারে না, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার তখন এজেন্সি লেলিয়ে দেয়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট নিয়েও এ দিন কটাক্ষ করেছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আজকাল লজ্জা লাগে আমার। আমি মানবাধিকার কমিশনকে শ্রদ্ধা করি, সম্মান জানাই। এই মানবাধিক কমিশনের জন্যই আমি ২১ দিন ধরনা করেছিলাম রাস্তায়।আরও পড়ুনঃ শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যামুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের পরবর্তী সময় ফের একবার কয়লা কাণ্ডের কথা উঠে আসে। তিনি বলেন, কয়লা চুরির জন্য শুধু তৃণমূলকে ধরলে হবে? তৃণমূলের দায়িত্বে কয়লা নয়। কয়লা কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্বে। মাথায় রেখো, এটা রাজ্যের দপ্তর নয়। তোমার দপ্তর। একটা ছোট্ট নেংটি ইঁদুর বের করেছো না পকেট থেকে, ওই ইঁদুর তোমার পকেট ফাঁকা করে দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে অভিষেকের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালাও। এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি কখনও দেখিনি। আমরা এমন রাজনীতি করি না। তোমার দলের বিরুদ্ধে কতটা পদক্ষেপ করেছ? উত্তরপ্রদেশে হাথরসের ঘটনায় মানবাধিকার কমিশন পাঠিয়েছ?আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার কয়লা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তবে এ রাজ্যে নয়, তাৎপর্যপূর্ণভাবে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। সূত্রের খবর, অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠিয়েছে আর্থিক তছরুপ তদন্তকারী এই গোয়েন্দা সংস্থা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে রুজিরাকে। তদন্তের সহযোগিতারা জন্য অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ইডি, সিবিআইয়ের ধমকি দিয়ে লাভ নেই। বিজেপি-র পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে এমনটাই বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি আরও বলেন, একুশের ভোটে ছাত্র-যুবদের ভূমিকা অনবদ্য। এক বুক আবেগ অহঙ্কার নিয়ে কাজ করেছেন। আগামী দিনে লড়াইটা অনেক বড়। তৃণমূল বাংলায় আর সীমাবদ্ধ নেই। ত্রিপুরায় সংগঠন শুরু করেছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। যে বিজেপি ভাবছে বহিরাগতরা যারা বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখেছিল, তা ঘুচে গিয়েছে। ছাত্র-যুবরা বিজেপিকে ১০ গোলে হারিয়েছে। বুকের পাটা থাকলে, তৃণমূলকে আটকাও। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করছি। পাশাপাশি তিনি ত্রিপুরার জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, আপনাদের অধিকার রক্ষায় আমরা শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়ব। দেশের সব রাজ্যে তৃণমূল যাবে। কোনও মাইকা লাল থাকলে, বিজেপির হিম্মত থাকলে আটকে দেখাক।উল্লেখ্য, ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার সকালেই পড়ুয়াদের উদ্দেশে টুইটারে অভিনন্দন-বার্তা দিয়েছেন মমতা। টুইট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। On #TMCPFoundationDay, I extend my best wishes to the vibrant members of our Chhatra Parishad. We are proud of your achievements invaluable contributions to the party!Today, I urge all students to join us in the fight against forces that try to break the spirit of Democracy. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 28, 2021Our students are our pride!On #TMCPFoundationDay, I celebrate the indomitable spirit of our student community. It is time for us to unitedly take this nation to even greater heights.It is my firm belief that all of you will be immensely successful in your future endeavours. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 28, 2021চলতি বছর তৃণমূলের একুশে জুলাই কর্মসূচি গোটা দেশেই সাড়া ফেলেছিল। এ বার ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে গুরুত্ব দিয়েছে তৃণমূল। বাংলার পাশাপাশি ত্রিপুরাতেও ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করছে জোড়াফুল শিবির।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজনীতি

By Election: আজ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

সেপ্টেম্বরেই হোক উপনির্বাচন। এই দাবি নিয়ে আজ দিল্লির নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রে যে উপনির্বাচন সেই নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মতামত চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই নিয়ে মতামত জানাবে। প্রতিনিধি দলে থাকছেন সৌগত রায়, জহর সরকার, মহুয়া মৈত্র, সাজদা আহমেদ, সুখেন্দু শেখর রায়। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই কমিশনের কাছে যেতে চলেছে বিজেপি। তার আগে আজই, কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএসএদিকে, উপনির্বাচন চায় না রাজ্য বিজেপি। তাদের বক্তব্য, রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতিই নেই। আট দফা কারণ তুলে ধরে রাজ্য বিজেপি এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও। বিজেপি যুক্তি খাঁড়া করেছে, বাংলায় এখন নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি নেই। কারণ লোকাল ট্রেন বন্ধ, বাস চলছে কম লোক নিয়ে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছড়ে পড়তে চলেছে তৃতীয় তরঙ্গ। রাজ্যে যে সরকার রয়েছে, তার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ৭ টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন না হলেও সরকারের কোনও সংকট নেই, সুতরাং উপনির্বাচন এখন অপরিহার্য নয়। এরই মাঝে সব দলের থেকেই উপনির্বাচন নিয়ে মত জানতে চেয়েছে কমিশন। তৃণমূল আসলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে চাইছে। আর বিজেপি চাইছে তা পিছিয়ে দিতে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

তপসিলি জাতি-উপজাতি সম্প্রদায়ের সামগ্রিক উন্নয়নে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। বুধবার নবান্নে নবগঠিত তপসিলি জাতি-উপজাতি কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকে নিজের এই দৃঢ় সংকল্পের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এ রাজ্যে প্রথম তপসিলি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে আলাদা কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার এই শ্রেণির মানুষদের উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ১০ বছরে এই দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ ছয় গুণ বেড়েছে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরমুখ্যমন্ত্রী বলেন, তপসিলি পড়ুয়াদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে।৬ লক্ষ ২০ হাজার পড়ুয়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।৭৩ লক্ষ পড়ুয়াকে প্রি ম্যাট্রিক ও পোস্ট ম্যাট্রিক স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এসসি-এসটি ও দুঃস্থদের জন্য ১০০টি ইংরেজি ভাষার স্কুল করা হচ্ছে। বাবা সাহেব আম্বেদকরের নামে প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে।এক কোটি পড়ুয়াকে সাইকেল বিলি করা হয়েছে। তাদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন।তিনি বলেন, রাজ্য সরকার তপসিলি সম্প্রদায়ের জন্য চাকরি ক্ষেত্রে ২২ শতাংশ সংরক্ষণ চালু করেছে। বিভিন্ন শূন্যপদে ১০,২৪১ জন তপসিলিকে নিয়োগ করা হয়েছে।বিগত আর্থিক বছরে ৭৫ হাজার তপসিলি যুবত-যুবতীকে বিভিন্ন স্বনির্ভর প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, রাজ্যে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই ১৭ লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশি কাস্ট সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। পরিবারের যে কোন সদস্যের নথি পেশ করে মিলবে কাস্ট সার্টিফিকেট।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তপসিলি সম্প্রদায় মানুষকে সামাজিক সুরক্ষা দিতে একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।ইতিমধ্যেই ১৭টি সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়েছে।লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা তপসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষেরা পাবেন।আরও পড়ুনঃ নুসরত হাসপাতালে ভর্তি, তাহলে বৃহস্পতিবারই কি মা হচ্ছেন?আগামী পাঁচ বছরে আদিবাসী-তপসিলি সম্প্রদায়ের জন্য কুড়ি লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।১০.৬৯ লক্ষ তপসিলি মানুষকে সরকারি প্রকল্পে বাড়ি দেওয়া হয়েছে।রাজ্যে তপসিলি বন্ধু প্রকল্পে ৪০ হাজার তপসিলি ব্যক্তি পেনশন পাচ্ছেন। ৬০ বছর বয়স হলে এক হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়া হয়েছে।গত ১০ বছরে ১২লক্ষ জমির পাট্টা বিলি করা হয়েছে। করোনা অতিমারির সঙ্কটকালে তাদের জন্য বিনামূল্যে খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।২৭০ টি মনসা থানের উন্নয়ন করা হয়েছে।জাহের থান, মাঝি থানের উন্নয়নের জন্যও রাজ্য সরকার কাজ করে চলেছে।ব্যাংক সংক্রান্ত সংস্যা সমাধানের জন্য দুয়ারের সরকারের শিবিরে ব্যাংকেরও একটি করে কাউন্টার রাখা হচ্ছে ।দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুনর্গঠনের কথা মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন।বলাগড়ের বিধায়ক তথা দলিত সাহিত্যিক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর নেতৃত্বে কাজ করবে দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি।করোনার প্রকোপ কমলে নভেম্বর-ডিসেম্বর দলিত সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করার তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।প্রতি রাজ্যের দলিত সাহিত্যিকদের নিয়ে এই সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে । মুখ্যমন্ত্রীর লেখা বই এবং বহুভাষিক অভিধানের অনুবাদ করবে দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি।পিছিয়ে পড়া মানুষের সুরক্ষায় প্রশাসনকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন রাজ্যে দলিত সম্প্রদায়ের ওপরে হামলা বাড়তে পারে।এই ধরনের যে কোনও অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বৈঠকে উপস্থিত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তিনি নির্দেশ দেন।মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বড়মাকে শেষ জীবনে দেখভাল করেছে রাজ্য সরকার।আমি নিজে অজস্রবার ঠাকুরবাড়ি গিয়েছি।এখন কেউ কেউ বাইরে থেকে গিয়ে অশান্তি বাধাতে চাইছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: সময় চেয়ে শিশিরের পথেই হাঁটলেন মুকুল

দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে মঙ্গলবারের মধ্যেই জবাব চেয়ে পাঠানো হয়েছিল মুকুল রায়ের কাছে। সোমবার রাতেই তিনি চিঠি দিয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য এক মাস সময় চেয়ে নিয়েছেন। শিশির অধিকারীর পথেই এ বার উত্তর দিতে এক মাস সময় চাইলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়। কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় গত ১১ জুন তৃণমূলে যোগ দেন। তারপরে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৬৪ পাতার একটি আবেদন জমা দেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি শুরু করেছেন অধ্যক্ষ। ইতিমধ্যেই দুটি শুনানিও হয়েছে।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কশুনানিতে স্থির হয়, ১৭ অগস্টের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে হবে মুকুলকে। সে ক্ষেত্রে ফুল বদলানো মুকুল সশরীরে বিধায়সভায় এসে তাঁর বক্তব্য রাখতে পারেন কিংবা চিঠি পাঠিয়েও বক্তব্য জানাতে পারেন। কিন্তু দুটির কোনওটাই করেননি মুকুল। অভিযোগের জবাব দিতে এক মাস সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি।একইভাবে গত কয়েকদিন আগে শিশির অধিকারীও এরকমই একটি সিদ্ধান্ত নেন। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠিয়ে সময় চেয়ে নিয়েছেন সাংসদ তথা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপিতে যোগদানের অভিযোগ করেছে তৃণমূল। তা নিয়ে তৃণমূল শিবির লোকসভার অধ্যক্ষকে একটি চিঠিও দিয়েছিল। তার প্রেক্ষিতেই কাঁথির সাংসদের জবাব চেয়েছিল লোকসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাঁর বক্তব্য জানানোর জন্য এক মাস সময় চেয়ে নেন শিশির। এবার সেই একই পথে হাঁটলেন মুকুল রায়ও।

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Purba Bardhaman: গেষ্ঠীকলহের জেরেই কি জেলার শীর্ষে বর্ধমান শহরের কারও স্থান হয়নি? সরানো হল দুই যুব নেতাকেও

অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির মাথাতে রাখা হয়েছে প্রবীণদের। এঁদের মধ্যে তিনজনই আবার বিধায়ক। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের ওপর দল যে সন্তুষ্ট নয় তা ঘোষিত কমিটির তালিকা দেখলে কারও অনুমান করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারপূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘোষিত কমিটির নেতাদের কারও বাড়ি বর্ধমান শহরে নয়। কমিটি ঘোষণার আগে একাধিক নেতা বারে বারে ছুটেছেন কলকাতায়। কিন্তু আদপে তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি তা অন্তত এই কমিটির ঘোষণায় প্রমাণিত। তাই কেউ কেউ মুষড়ে পড়েছেন। তবে দল ভরসা রেখেছে প্রবীণ নেতৃত্বের ওপর। বরং শহরে বাড়ি দুই নেতাকে দল তাঁদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর থেকে বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএক ব্যক্তি এক পদ, এই নীতি আগেই ঘোষণা করেছিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। খেলা হবে দিবসের দিন রাজ্যব্যাপী নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে তা বাস্তবায়িত করল তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে যে সরতে হবে তা জানাই ছিল। কিন্তু সরিয়ে হল পূর্ব বর্ধমানের জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদারকেও। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতিকার আহমেদকেও (পাপ্পু)। পাপ্পু বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই সূত্রের খবর। যদিও প্রাক্তন যুব সভাপতি রাসবিহারী একটা সময় খোকনের খুব ঘনিষ্ঠ হলেও এখন সম্পর্ক যথেষ্ট তিক্ত বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে নতুন যুগ, এক নেতা-এক পদজেলা সভাপতি হিসাবে বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়ক-সহ বেশ কয়েকজন নেতা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। তাতে জল ঢেলে দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। জেলা কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বের খবর প্রকাশ হতেই বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের একটা বড় অংশ গালে হাত দিয়ে বসেছেন। নতুন সভাপতি হয়েছেন কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা যুবর সভাপতি জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, আইএনটিটিইউসির সভাপতি হিসাবে ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে দল। জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ সংঘমিত্রা চৌধুরীকেও। সেই পদে বসেছেন অশোক বিশ্বাস। মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন চন্দনা মাঝি। বর্ধমান শহরের সভাপতি হিসাবে অরূপ দাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বকে জেলা কমিটির শীর্ষে না রাখার প্রধান কারণ দলের গোষ্ঠীকলহে লাগাম টানা। শহরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে জেরবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপরাজ্যে বিধানসভার দুই আসন ও বাকি পাঁচ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তারপর রাজ্যে পুরনির্বাচন। সূত্রের খবর, বর্ধমান শহরে এখনই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব পুরসভার টিকিট পেতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। গত পুর নির্বাচনে টিকিট প্রাপ্তদের অনেককে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে মুখ পুড়েছিল দলের। বর্ধমানের মতো শহরে যাঁদের পুরসভায় প্রার্থী করা হয়েছিল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। এবার অন্তত প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দল মনযোগ দেবে বলে আশা করছে নীচুতলার কর্মীরা।

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজনীতি

TMC: তৃণমূলে নতুন যুগ, 'এক নেতা-এক পদ'

এক ব্যক্তি এক পদ নীতি-কে কার্যকর করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সাংগঠনিক পর্যায় আজ বড়সড় রদবদল করেছে। মন্ত্রী এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের সরিয়ে তার জায়গায় সংগঠনে বেশ কিছু নতুন মুখকে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে। সংগঠনকে মজবুত করতে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই জেলা সভাপতি পদে রদবদল করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার মতো বড় জেলাগুলিকে ২-৩টি ভাগে ভেঙে নতুন ব্যক্তিদের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?মুর্শিদাবাদ জেলাকে জঙ্গিপুর ও বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা থেকে বিভক্ত করে নতুন জেলা সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে নদিয়া জেলাকে ও নদিয়া উত্তর বা কৃষ্ণনগর এবং নদিয়া দক্ষিণ বা রানাঘাট নামে দুই সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাকে ভাগ করা হয়েছে ৪টি সাংগঠিক জেলায়।এগুলি হল দমদম-ব্যারাকপুর, বনগাঁ, বসিরহাট ও বারাসত। কলকাতায় উত্তর ও দক্ষিণ দুটি সাংগঠনিক জেলা তৈরি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সংগঠন ভেঙে তৈরি করা হয়েছে সুন্দরবন ও যাদবপুর-ডায়মণ্ডহারবার সাংগঠনিক জেলায়।পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সংগঠনকে তমলুক ও কাঁথি এই দুই সাংগঠনিক জেলায় এবং পশ্চিম মেদিনীপুরকে ঘাটাল ও মেদিনীপুর এই দুই সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে। বাঁকুড়া জেলা সংগঠনকে বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর এই দুই জেলায় ভাগ করা হয়েছে। হুগলি জেলা সংগঠনকে ভাগ করা হয়েছে আরামবাগ ও হুগলি-শ্রীরামপুর এই দুই সাংগঠনিক জেলায়। হাওড়া জেলা সংগঠন অবশ্য আগের মতোই হাওড়া সদর ও হাওড়া গ্রামীণ সংগঠনে বিভক্ত থাকছে। তবে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম জেলার ক্ষেত্রে নতুন করে কোনও সাংগঠিক জেলা তৈরি করা হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের এই সাংগঠনিক রদবদল যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ মুখ তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তাদের মধ্যে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মৌসম বেনজির নূর, কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী মত মুখেরাও তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন।আরও পড়ুনঃ ধুন্ধুমার ধর্মতলা, গ্রেপ্তার শুভেন্দু-দিলীপ-জয়প্রকাশরাযে সব জেলা সভাপতি এবার মন্ত্রী হয়েছেন, তাঁদের জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে নতুন মুখদের জায়গা দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা ছিল। বাস্তবেও তাই হল। সেইসঙ্গে এক একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হল। রাজ্য সহ সভাপতি করা হল ২ জনকে।রাজ্য-সহ সম্পাদক করা হল ৮ জনকে। রাজ্য কমিটিতে ১০ জনকে স্পেশ্যাল নিয়োগ করা হয়েছে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Joining: জল্পনাই সত্যি, হাত ছেড়ে জোড়া ফুলে সুস্মিতা দেব

জল্পনা সত্যি করে তৃণমূলে যোগ দিলেন অসমের প্রাক্তন কংগ্রেসনেত্রী সুস্মিতা দেব। সোমবার তৃণমূলের সরকারি টুইটার হ্যান্ডল থেকে তাঁর যোগদানের কথা জানানো হয়েছে। সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তাঁর যোগদানের ছবিও দেওয়া হয়েছে। সোমবার তিনি সোনিয়া গান্ধিকে চিঠি পাঠানোর পরই কলকাতায় এসে দেখা করেন ডেরেকও ব্রায়েনের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে যান। সেখানে তিনজন বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক করেন।আনুষ্ঠানিকভাবে সেখানেই তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে দলে স্বাগত জানান অভিষেক। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা তিনজনই যান নবান্নে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি দলে আসায় খুশি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের তরফে টুইট করে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়েছে। Will give it all I have got. @MamataOfficial thank you🙏🏻#KhelaHobe https://t.co/aa0ijNrhOk Sushmita Dev (@sushmitadevinc) August 16, 2021সনিয়াকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা বলেন, জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক শেষ করছি। আমার পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব। এ ছাড়া পথ প্রদর্শন ও সহযোগিতার জন্য সনিয়াকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুস্মিতা।২০১৪ সালে শিলচরের সাংসদ হয়েছিলেন সুস্মিতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রার্থী নির্বাচন ও দলে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। এরইমধ্যে আরও একটি জল্পনা উঠে আসে। তাহলে কী তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সুস্মিতা? ত্রিপুরার পরে অসমে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈকে দলে নিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Tripura: ত্রিপুরার রাজপথে ফুটবল খেললেন প্রসূন-শান্তনুরা

খেলা হবে দিবসে ত্রিপুরায় বল পায়ে নেমে পড়ল তৃণমূল। ফুটবল খেলতে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে গত কয়েক বছর ধরেই তিনি গোল করছেন। এবার তারই সূত্র ধরে বাংলার পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার মাটিতে ফুটবল পায়ে নেমে পড়লেন ফুটবলার-সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন, অর্পিতা ঘোষরাও। আরও পড়ুনঃ আজ দেশজুড়ে খেলা হবে দিবস পালনপশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো রাজ্যেও খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। তবে, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে অনুমতি মেলেনি। কিন্তু ত্রিপুরাকে এবার রাজনৈতিকভাবে পাখির চোখ করেছে এ রাজ্যের শাসক দল। সেই মোতাবেক আগরতলার ময়দানে ফুটবল পায়ে নেমে পড়তে দেখা গেল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ আবু তাহের ও সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে। এদিন সকালে বনমালীপুর থেকে আস্তাবল ময়দান প্রায় ৩ কিমি রাস্তা মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদ ও কর্মীরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে খেলা হবে দিবসের স্লোগান দিতে থাকেন৷ রাজপথেই ড্রিবল করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগরতলার রাস্তায় এমন ছবি বিগত ৩-৪ বছরে হয়নি বলেই মত তৃণমূল নেতাদের।তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরার একাধিক জায়গায় তাদের তরফে খেলা হবে দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বহু জায়গায় তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন সকালেই খেলা হবে জার্সি পরে আগরতলার রাস্তায় নেমে পড়েন ত্রিপুরায় হাজির তৃণমূল সাংসদরা। খেলা হবে ও জিতবে ত্রিপুরা লেখা জার্সি পড়েই মাঠে নামেন তৃণমূল কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Khela Hobe: আজ দেশজুড়ে 'খেলা হবে দিবস' পালন

আজ তৃণমূলের খেলা হবে দিবস। প্রত্যেক বছর ১৬ অগস্ট খেলা হবে দিবস পালন করার কথা আগেই সরকারিভাবে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তারও আগে বিধানসভা ভোটে খেলা হবে স্লোগান তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে অবশ্য বিপুল সাড়া পায় তৃণমূল। ক্ষমতায় এসে এ বার দেশজুড়ে খেলা দিবস পালনের কথা জানায় তারা। এ রাজ্য তো বটেই উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, ত্রিপুরা, অসম-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে এই কর্মসূচি পালনের কথা তারা জানিয়েছে। ত্রিপুরায় খেলা হবে দিবস পালনের জন্য আগে থেকেই ঘাসফুল শিবিরের আধ ডজন নেতা-মন্ত্রী সেখানে রয়েছেন। এর আগে তাদের একাধিক কর্মসূচি ঘিরে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ফলে বিজেপি শাসিত ওই রাজ্যে আজকের কর্মসূচিকে ঘিরে কী পরিস্থিতির তা-ও লক্ষ করার বিষয়। অন্যদিকে, এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে আগেই বিভিন্ন ক্লাবকে ফুটবল প্রদান করা হয়েছে। আজ ওই সব ক্লাবে ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে তৃণমূল। আবার বিজেপি এই কর্মসূচির পরিপন্থী। এর পাল্টা হিসেবে তারাও প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস-এর পালনের ডাক দিয়েছে। জেলাজুড়ে ওই কর্মসূচি পালন করবে গেরুয়া শিবির।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: ফের মুকুলের মুখে বিজেপি! নতুন কোন ইঙ্গিত দিলেন?

কৃষ্ণনগরে আবারও নির্বাচন হলে তিনিই জিতবেন। তবে তৃণমূলের টিকিটে নয়, বিজেপির টিকিটে লড়লেই জিতবেন। শুক্রবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে বললেন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বারবার তাঁর মুখে চলে আসছে বিজেপির নাম। এটা কেন, প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মুকুল বলেন, বিজেপির কাছে প্রশ্ন করা হলে, তার হিসাবেই উত্তর পাবে। অন্য রাজনৈতিক দলের কাছে প্রশ্ন করলে, সে জবাব দেবে। আমি বিজেপি দল হিসাবে বলেছি। আমি এখন স্বাভাবিকভাবে পুরোপুরি তৃণমূলে আছি।আরও পড়ুনঃ শাশুড়িকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার জামাই এদিন পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির দ্বিতীয় দিনের বৈঠক ছিল। বৈঠক শুরু হওয়ার ৩৬ মিনিট পর তিনি পৌঁছন। ১.৩০ নাগাদ তিনি বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কৃষ্ণনগর থেকে দাঁড়ালে জিতবেন কী না প্রশ্ন করা হলে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, আবারও বিপুল ভোটে জিতব। তবে বিজেপির টিকিটে দাঁড়াতে হবে। তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ালে কী হবে, সেটা মানুষ ঠিক করবে।বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, যিনি বঙ্গ রাজনীতিতে পরিচিত চাণক্য নামে। তাঁর এই মন্তব্যের পিছনে গূঢ় কোনও মানে রয়েছে কি না তা খোঁজার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা।। তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেবলই কৌতুক করতেই তাঁর এই উক্তি, নাকি এর পিছনে লুকিয়ে অন্য সমীকরণ, তা বোঝার চেষ্টা করছেন সকলেই।ত্রিপুরা ইস্যুতেও মুকুল এদিন মুখ খোলেন। সেখানে যা হচ্ছে, তা অন্যায়। তৃণমূল সেখানে ভালো ফল করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আগস্ট ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal