• ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

শাহের কড়া পোস্ট—“কিছু দল অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে”! কার দিকে ইঙ্গিত?

বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করতে নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই পদক্ষেপেই ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নাম না করলেও তাঁর আক্রমণের তির যে মমতার দিকেই ছুটে গিয়েছে, তা পরিষ্কার। শাহ অভিযোগ তুলেছেনঅনুপ্রবেশকারীদের নাকি সুরক্ষা দিচ্ছেন কিছু রাজনৈতিক দল, আর সেই কারণেই তারা ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণে বাধা দিচ্ছে।শুক্রবার স্বরাষ্ট্র দফতরের অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যমে অমিত শাহর বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে যেমন অনুপ্রবেশ রোধ করা জরুরি, তেমনই গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে ভোটার তালিকার শুদ্ধিকরণও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাঁর অভিযোগ, দুর্ভাগ্যবশত, কিছু রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে এতটাই আগ্রহী যে, তারা নির্বাচন কমিশনের কাজেরও বিরোধিতা করছে।রাজনৈতিক মহল বলছে, এই মন্তব্য সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে। কারণ কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী চিঠি লিখে কমিশনকে জানিয়েছেনএসআইআর অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। তাঁর অভিযোগ, হুট করে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া মাঠে কাজ করা বিএলওদের উপর বিরাট চাপ তৈরি করছে, অথচ তাঁদের যথাযথ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়নি। মমতার মতে, এই চাপ শুধু অযৌক্তিক নয়, বিপজ্জনকও। কারণ সাম্প্রতিক অতীতে জলপাইগুড়ির মাল এলাকায় এক বিএলওর আত্মহত্যা, মেমারিতে আরেক বিএলও-র মৃত্যুদুটো ঘটনাই প্রশ্ন তুলেছে এসআইআর প্রক্রিয়ার অতিরিক্ত চাপ নিয়ে।মমতার চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছেচলমান এসআইআর বন্ধ করা, বিএলওদের উপর জবরদস্তি বন্ধ করা এবং তাঁদের সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজ চালানো জরুরি। কিন্তু সেই চিঠির ঠিক পরেই শাহের কড়া অবস্থান কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল।তবে তৃণমূল শিবির শাহের অভিযোগ মানতে নারাজ। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার পাল্টা বলেন, এসআইআর দু বছর ধরে চললে অসুবিধা নেই। কিন্তু কেন্দ্র কেন বলছে দেড় মাসে করতে হবে? উনি কেন কমিশনের কাজে নাক গলাচ্ছেন? তাঁর মন্তব্যশাহ যে কমিশনের নামে সরাসরি রাজনৈতিক চাপ দিচ্ছেন, তা আর লুকোনো নয়।এসআইআর নিয়ে বাংলার রাজনীতিতে যে উত্তেজনা তুঙ্গে, সেই ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট হল দুই পক্ষের এই চিঠি যুদ্ধ-এ।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
দেশ

২৫ বছরে ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ! রাজনৈতিক ভূমিকম্পের মাঝে তেজস্বীর ‘শান্ত’ বার্তা

বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল কংগ্রেসআরজেডি জোট। ভরাডুবির পর ফের ক্ষমতায় ফিরে এল এনডিএ। এর মধ্যেই দশমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নীতীশ কুমার। ভোট-পরবর্তী ফলের পর এতদিন চুপ ছিলেন তেজস্বী যাদব। শেষ পর্যন্ত নীরবতা ভেঙে তিনি সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তা দিয়ে নীতীশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।তেজস্বী তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য নীতীশ কুমারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। নতুন সরকারের সকল মন্ত্রীকেও তিনি অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাঁর আশা, নতুন সরকার সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সক্ষম হবে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করবে এবং রাজ্যে ইতিবাচক বদল আনবে।পাটনার গান্ধী ময়দানে নীতীশের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ছিল প্রায় শক্তি-প্রদর্শনের মতো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা-সহ এনডিএ পরিচালিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীরা হাজির ছিলেন। নীতীশ কুমারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান।নীতীশের বিদায়ী সরকারের দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় সিনহা ফের ডেপুটি সিএম পদে শপথ নিয়েছেন। সম্রাট চৌধুরী বিহার বিজেপির সংসদীয় দলনেতা এবং বিজয় সিনহা হয়েছেন উপদলনেতা। মোট ১৯ জন মন্ত্রী শপথ নিলেও মন্ত্রিসভার গঠনেই স্পষ্ট হচ্ছে যে এনডিএ জোটে বিগ ব্রাদার এখন বিজেপিই। ১৯ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১০ জনই বিজেপি থেকে। এলজেপি(আর), হাম এবং আরএলএম পেয়েছে একটি করে মন্ত্রক। নীতীশের জেডিইউ থেকে শপথ নিয়েছেন মাত্র ছয়জন।নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে বিহারের ভবিষ্যতের দিকে এখন তাকিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

বিহারের মসনদে ফের নীতীশ কুমার, আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ

বিহারে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নীতীশ কুমার আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। গান্ধী ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি সম্পন্ন। নতুন NDA সরকারের গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা।প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক প্রভাবএবার বিধানসভা নির্বাচনে NDA একক ভাবে শক্তিশালী জয় পেয়েছে। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় তাদের ২০২টি আসন লাভ করেছে। এনডিএ ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তেজস্বী যাবদ, পিকের নয়া দলও। নীতীশ কুমারকে জোটের বিধায়করা নেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছে। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি।প্রশাসনিক এবং আনুষ্ঠানিক গঠনইতিমধ্যে নীতীশ কুমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খানকে। আজ আবার প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে বিহার সরকারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। নীতীশের নতুন মন্ত্রীসভায় প্রায় ৩৫ জন মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল ১১:৩০মিনিট নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা। থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অন্যান্য NDA নেতা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

ডাক্তারি পড়ুয়াদের দলে দলে পলায়ন! বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কি আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়?

দিল্লির ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর হঠাৎই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে আল ফলাহ ইউনিভার্সিটি। এতদিন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচিত ছিল মেডিক্যাল ও রিসার্চ পড়ানোর জন্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু ছাত্রছাত্রী এখানে এসে ডাক্তারি পড়তেন। আধুনিক অবকাঠামো আর উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য আল ফলাহ ছিল জনপ্রিয় নাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে যে গোপনে চলত মগজধোলাই, জঙ্গি কার্যকলাপ ও সন্দেহজনক বৈঠকতা সামনে আসতেই চমকে গিয়েছে সবাই।বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পড়ুয়ারা একে একে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে পালাচ্ছেন। গত দুদিনেই প্রায় ৪৫ জন মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রী এবং বেশ কয়েকজন অধ্যাপক টিসি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলেও বহু অভিভাবক বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তাঁদের সন্তানদের নিয়ে চলে গিয়েছেন। সবাই একটাই প্রশ্ন তুলছেনআল ফলাহ ইউনিভার্সিটি ভবিষ্যতে আদৌ চালু থাকবে তো? তদন্ত চলাকালীন আরও বড় কোনও ঘটনা সামনে আসবে কি?বিস্ফোরণের তদন্তে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছেআদিল, মুজাম্মিল ও শাহিনএই তিনজনই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছেদিল্লি বিস্ফোরণে মৃত্যু হওয়া চিকিৎসক উমর নবিও এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রাক্তন ছাত্র। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘরে বসেই হত গোপন বৈঠক, যেখানে পরিকল্পনা করা হত জঙ্গি সংযোগের নানা কাজ।এখন তদন্তকারীরা খুঁজে দেখছেন, এই চিকিৎসকদের কাছে এত টাকা কোথা থেকে আসত, কারা পাঠাত, আর কারা এই মডিউলকে চালাচ্ছিল। মঙ্গলবার ইডির দল আল ফলাহ ইউনিভার্সিটিতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েছে। তল্লাশির পর গ্রেফতার করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে। অভিযোগজঙ্গি মডিউলের সঙ্গে তাঁর সংযোগ ছিল এবং তিনি নেপথ্য থেকে বহু কাজ পরিচালনা করতেন।পুরো ঘটনায় আতঙ্কিত ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের পরিবার। যে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে একসময় ছিল স্বপ্ন, আজ সেখানে তৈরি হয়েছে ভয়, সন্দেহ আর অজানা ভবিষ্যতের আশঙ্কা।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

আলাস্কায় ধরা পড়া আনমোল বিষ্ণোইকে হঠাৎ কেন ডিপোর্ট করল আমেরিকা? প্রশ্নে উত্তাল রাজনৈতিক মহল

লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই এবং দেশের মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টারদের একজন আনমোল বিষ্ণোইকে অবশেষে আমেরিকা ফেরত পাঠাল ভারত। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় আটক থাকা মোট ২০০ জন ভারতীয়কে মঙ্গলবার ডিপোর্ট করা হয়েছে। সেই তালিকায় ছিল এই ভয়ঙ্কর অপরাধী আনমোল-সহ আরও দুই দাগী অভিযুক্তের নাম। রাতের অন্ধকারে আমেরিকা থেকে উড়েছে বিশেষ বিমান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে যার দিল্লিতে নামার কথা।চলতি বছরের শুরুতেই আলাস্কায় আনমোলকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন গোয়েন্দারা। আমেরিকায় সে নাকি ভুয়ো নথি নিয়ে লুকিয়ে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু তদন্তকারীদের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় হলমহারাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতা বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডের অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী অবশেষে ভারতের হাতে ফিরছে। শুধু একটাই নয়, সলমন খানের বাড়িতে হামলার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা হত্যাকাণ্ডকমপক্ষে ১৮টি ভয়ঙ্কর অপরাধের তালিকা রয়েছে আনমোলের বিরুদ্ধে। তাই NIA আগেই তাকে মোস্ট ওয়ান্টেড ঘোষণা করেছিল।আনমোলকে ডিপোর্ট করার খবর প্রথম প্রকাশ্যে আনেন বাবা সিদ্দিকির ছেলে জিশান সিদ্দিকি। তিনি জানান, তাঁদের পরিবার আমেরিকায় ভিকটিম ফ্যামিলি হিসেবে নিবন্ধিত। সেখান থেকেই তাঁরা আনমোলের বিষয়ে আপডেট পেয়ে থাকেন। জিশানের কথায়, আজ আমরা মার্কিন সরকারের ইমেল পেয়েছি১৮ নভেম্বর আনমোল বিষ্ণোইকে ভারতে পাঠানো হচ্ছে। কেন্দ্র যদি তাকে ফেরায়, তবে অবশ্যই দেশে এনে সঠিক তদন্ত করে গ্রেপ্তার করা হোক। মুম্বই পুলিশের কাছে আমার অনুরোধ, এই অপরাধী যেন আর পালাতে না পারে।২০১৩ সালের সেই রক্তাক্ত দশেরা রাত এখনও ভুলতে পারেনি মুম্বই। দলীয় কার্যালয়ের সামনে উৎসবের মাঝে গুলি চালিয়ে খুন করা হয় জনপ্রিয় নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক বাবা সিদ্দিকিকে। একসময় মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম নেতাদের একজন ছিলেন তিনি। আর এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কে? তদন্তে বেরিয়ে আসে ভয়ংকর তথ্যপরিকল্পনার শীর্ষে ছিল লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল। সে নাকি দেশ ছেড়ে পালিয়ে কানাডা ও পরে আমেরিকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল। তার আরেক ঘনিষ্ঠ জিশান আখতার এখনও কানাডাতেই লুকিয়ে রয়েছে বলে দাবি। কিন্তু তাকে ফেরানো এখনও সম্ভব হয়নি।এই প্রত্যার্পণকে তদন্তকারীরা বড় সাফল্য বলে মনে করছেন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মাটিতে ভাগাড়ে ঘুরছিল ভারতের চাওয়া এই অপরাধী। এবার দেশে ফিরেই শুরু হবে জেরা, তদন্ত, এবং আইনের কাঠগড়ায় তোলা।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

জেলেই হামলা জঙ্গি-ডাক্তারের উপর! রাইসিন মিশিয়ে গণহত্যার চক্রান্ত—অবশেষে প্রতিশোধ নিল বন্দিরা?

মানুষকে বাঁচানোর শপথ নিয়েই ডাক্তার হন কেউ। কিন্তু আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক উল্টো। বহু বছর পড়াশোনা করে চিকিৎসকের ডিগ্রি পেলেও তাঁর পথ ঘুরে যায় ভয়ংকর সন্ত্রাসের দিকে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের অভিযোগ, নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কাড়া, এমনকি জনসাধারণের পানীয় জলে মারাত্মক রাসায়নিক রাইসিন মিশিয়ে গণহত্যার পরিকল্পনাসব মিলিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় ফেলে দেয় এই ডাক্তার-জঙ্গির কাহিনি।গুজরাট পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে আদালতের নির্দেশে সাবরমতি সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়। কিন্তু জেলে ঢোকার কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটে বিপত্তি। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই তিন বন্দিএকজন খুনের অভিযুক্ত ও দুজন পকসো মামলার ধৃতহামলা চালায় ওই জঙ্গির ওপর। জেল সূত্রের দাবি, সৈয়দের বিরুদ্ধে থাকা ভারতবাসীকে মেরে ফেলার চক্রান্ত-এর কারণেই নাকি ওই তিন বন্দির ক্ষোভ চরমে ওঠে। মুহূর্তে মাটিতে ফেলে নির্মমভাবে মারতে থাকে তারা।চিৎকার শুনে জেল রক্ষীরা ছুটে এসে প্রাণে বাঁচান মহিউদ্দিনকে। গুরুতর আঘাত লাগে মাথায় ও চোখের নীচে। তাড়াতাড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। চিকিৎসার পর ফের তাঁকে জেলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে রায়পুর থানায় তিন বন্দির বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়েছে। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেল কর্তৃপক্ষের কার্যকলাপ নিয়েওকীভাবে এত বড় হামলা জেলের উচ্চ নিরাপত্তা এলাকা ভেদ করে ঘটল, সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।উল্লেখ্য, তদন্তকারীদের অভিযোগ, মহিউদ্দিন রেড়ি গাছ থেকে রাইসিন সংগ্রহ করছিল এবং দিল্লির আজাদপুর ফলের বাজার থেকে আহমেদাবাদ পর্যন্ত বিভিন্ন বাজারে রেকি করেছিল। পরিকল্পনা ছিল এক ভয়াবহ রাসায়নিক হামলা চালানোর। কিন্তু গুজরাট ATS-এর তৎপরতায় পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। গ্রেপ্তার হয় তিন জঙ্গি, যার মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত এই ডাক্তার-জঙ্গি।সব মিলিয়ে দেশের নিরাপত্তা কাঠামো ও জেল ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

জঙ্গি ঘাঁটির অভিযোগে তোলপাড়! অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা

দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নতুন মোড়। জেহাদি যোগ ও মানি লন্ডারিং অভিযোগে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেপ্তার করল ইডি। আর্থিক লেনদেনে বড় গরমিলের হদিশ।দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু হওয়ার পরই নজরে আসে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহল। জেহাদি কার্যকলাপের অভিযোগে আগে থেকেই বিতর্কে ছিল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এবার সেই সন্দেহ আরও গভীর করল তাদের আর্থিক লেনদেনের গরমিল। দীর্ঘদিনের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ইডি শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকে।দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় ছিল হরিয়ানার এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ প্রতিষ্ঠানটিকে সাসপেন্ডও করে। তার পরই দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ প্রতারণা এবং জালিয়াতির দুটি আলাদা এফআইআর দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির নামে জাল ডকুমেন্ট, বেআইনি স্বীকৃতি এবং অন্যায় আর্থিক লেনদেন চলছিল বহুদিন ধরে।ঠিক সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই মঙ্গলবার সকালে ইডি একযোগে দিল্লি এবং আরও ২৫টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ সিদ্দিকিকে সারা দিন ধরে জেরা করা হয়। নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়া এবং আর্থিক নথিতে অসংগতি ধরা পড়তেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি।এদিকে বিস্ফোরণের পর ফরিদাবাদে কয়েকজন চিকিৎসকের গ্রেপ্তারি এবং দেশজুড়ে জঙ্গি যোগে একাধিক ডাক্তার আটক হওয়ার পর আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আরও ঘনঘন সামনে এসেছে। আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উল-নবির সঙ্গেও আল ফালাহর যোগ পাওয়া গেছে বলে সূত্রের দাবি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে একটি জঙ্গি নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল, যেখানে চিকিৎসক থেকে ছাত্রঅনেকেই যুক্ত ছিল।সব মিলিয়ে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সন্দেহের মেঘ ঘনায়মান। আর্থিক জালিয়াতি, মানি লন্ডারিং, বেআইনি স্বীকৃতি, জেহাদি কার্যকলাপসব অভিযোগ একে একে সামনে আসতে শুরু করেছে। তদন্তের প্রথম পর্যায়েই প্রতিষ্ঠাতা গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

“জেডিইউ ২৫ পার করলে সন্ন্যাস”—নিজের ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত, এবার নীতীশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ পিকে’র

বিহার নির্বাচনের আগেই প্রশান্ত কিশোর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, জেডিইউ যদি ২৫টির বেশি আসন পায় তবে তিনি সন্ন্যাস নিয়ে নেবেন । কিন্তু সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করে এনডিএ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে আর জেডিইউ এককভাবে জিতেছে ৮৫টি আসন। বিপরীতে পিকে গঠিত জন সুরজ পার্টির ঝুলিতে এসেছে বিশাল শূন্য। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ-অসন্তোষে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দেশের অন্যতম ভোট-কুশলী।সাংবাদিকদের প্রশ্নে নিজের সন্ন্যাস সংক্রান্ত মন্তব্য থেকে কার্যত পিছিয়ে এসে পিকে বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক পদে নেই, তাই পদত্যাগ বা সরে দাঁড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। হার সত্ত্বেও তিনি বিহারেই থাকবেন, বিহারের গ্রাম-শহরেই ঘুরে বেড়াবেন। হাসিমুখে দাবি করেন, তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীর দ্বিতীয় অংশ অন্তত ঠিক হয়েছে, জন সুরজ যে হয় শীর্ষে থাকবে, নয়তো একেবারে নিচেঠিকই তাই হয়েছে, কারণ শূন্য আসন মানেই নিচে পৌঁছনো।কিন্তু হাসির আড়ালে লুকিয়ে ছিল তীব্র ক্ষোভ। সরাসরি নীতীশ কুমারের দিকে আঙুল তুলে পিকে অভিযোগ করেন, বিহারে টাকা বিলি করে ভোট কেনা হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচনের ঠিক আগে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনার নামে মহিলাদের কাছে ১০ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল ভোট প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, কোনও উন্নয়ন প্রকল্পে এমন তড়িঘড়ি টাকা দেওয়ার নজির নেই, তাই এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভোট-লেনদেন ছাড়া আর কিছু নয়।প্রশান্ত কিশোর এখানেই থামেননি। তিনি নীতীশকে নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যদি ছমাস পর মহিলাদের হাতে ২ লক্ষ টাকা করে প্রকৃত অর্থে তুলে দেওয়া হয়, তবে তিনি শুধু রাজনীতি নয়বিহার রাজ্যটাই ছেড়ে দেবেন। তাঁর কথায়, ভোট কেনার জন্যই সরকারি প্রকল্পের নাম করে নগদ টাকা বিলি করা হয়েছে।জন সুরজের লজ্জার হারের দায়ও নিজের কাঁধে নিলেন পিকে। তিনি স্বীকার করেন, সততার সঙ্গে লড়াই করলেও তারা মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, ফলে হারটাকে মেনে নিতে আপত্তি নেই। নির্দেশিত ২৩৮টি আসনে লড়াই করে ২৩৬টিতেই জন সুরজের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তবুও ভোট শতাংশের হিসেবে তারা বিএসপি, সিপিআই-এমএল, মিমসহ বেশ কিছু দলের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে এবং ৩.৪ শতাংশ ভোট দখল করায় পিকে তা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন।এত বড় রাজনৈতিক ধাক্কার পরও প্রশান্ত কিশোরের লড়াই থামছে না, বরং নতুন অভিযোগ, নতুন চ্যালেঞ্জে বিহারের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

২৫ জায়গায় একযোগে তল্লাশি, জেরা চেয়ারম্যান— আল ফালাহ নিয়ে কেন এত সন্দেহ?

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলছে। এবার সরাসরি তদন্তকারীদের নজর গিয়ে পড়ল ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। মঙ্গলবার সকাল হতেই ইডি দিল্লির অফিসে হানা দিয়ে শুরু করে তল্লাশি। শুধু দিল্লি নয়, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত মোট ২৫টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছেন আধিকারিকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকির বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডি। সেখানেই তাঁকে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্নে জেরা করা হচ্ছে বলে খবর।আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পিএমএলএ আইনে মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেনের বড় অংশই পরিষ্কার নয়। এমনকী কিছু টাকা বেআইনি কাজে বা জঙ্গি তৎপরতার চক্রে ঢুকে গিয়েছে কি না, সেদিকেও নজর দিচ্ছে ইডি। কারণ বিস্ফোরণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক চিকিৎসকের নাম উমর-উন-নবি, ডক্টর মুজাম্মিল, ডক্টর শাহীন সইদসহ আরও কয়েকজন। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এই চিকিৎসকদের অ্যাকাউন্টে যে মোটা অঙ্কের লেনদেন ধরা পড়েছে, তা কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে গেছে কি না। যদি গিয়ে থাকে, তা কী উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, তারও উত্তর খুঁজছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।শুধু ইডিই নয়, আলাদা ভাবে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশের আর্থিক দুর্নীতিদমন শাখা। অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থাও পরিস্থিতি খুব কাছ থেকে নজর রাখছে। ফলে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে একের পর এক প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।দিল্লির লালকেল্লার সামনে ১০ নভেম্বর ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তদন্তে নেমেছে এনআইএ। তারই মাঝেই বিশ্ববিদ্যালয়-সংক্রান্ত আর্থিক যোগসূত্র সামনে আসায় তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। বিস্ফোরণের পরবর্তী তদন্ত এখন একেবারে নতুন দিকের দিকে মোড় নিচ্ছে, এবং তাতে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা এখন তদন্তের কেন্দ্রে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

নকশাল দমন অভিযানে ঐতিহাসিক সাফল্য! নিহত কুখ্যাত মদভি হিদমা ও তার স্ত্রী

ভারতের নকশালবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাবাহিনীর মাথাব্যথার কারণ হওয়া শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার মদভি হিদমা অবশেষে নিহত। অন্ধ্রপ্রদেশের আল্লুরী সীতারামারাজু জেলার গভীর জঙ্গলে সোমবার ভোরে তুমুল বন্দুকযুদ্ধের মধ্যেই শেষ হয় দেশের সবচেয়ে কুখ্যাত নকশাল নেতাদের এক জনের অধ্যায়। হিদমার সঙ্গে তার স্ত্রী রাজে ওরফে রাজাক্কাসহ মোট ছয় মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আরও আছেন চেল্লুরি নারায়ণ ওরফে সুরেশ, এসজেডসিএম এবং টেক শঙ্কর।ঘটনাস্থল মারুদ পল্লি। পশ্চিম গোদাবরী জেলার গভীর অরণ্যের এক এমন জায়গা, যেখানে ছত্তীসগড়, তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের সীমানা মিলেছে। স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ছটা। ঘন জঙ্গলের নিস্তব্ধতা ভেঙে গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে তিন রাজ্যের মিলনসীমা। বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তাকর্মীরা রাতে থেকেই ওই এলাকায় কম্বিং অপারেশন শুরু করেছিলেন। জঙ্গলের ভেতরে মাওবাদীরা ক্যাম্প গেড়েছেএমন তথ্য পাওয়ার পরই যৌথ বাহিনী অভিযানে নামে। মুখোমুখি সংঘর্ষ শুরু হতেই দুপক্ষের মধ্যে টানা গুলির লড়াই চলে। সংঘর্ষ থামার পর ধীরে ধীরে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে হিদমাসহ ছয়জনের নিথর দেহ।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান এখনও চলছে। জঙ্গলের ভেতর আরও মাওবাদী লুকিয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ। তবে সবচেয়ে বড় খবরমদভি হিদমার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ায় নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দা মহলে স্বস্তির হাওয়া। ১৯৮১ সালে ছত্তীসগড়ের সুকমায় জন্ম হিদমার মাথার দাম ছিল ৫০ লক্ষ টাকা। সিপিআই (মাওবাদী)-র সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে একসময় তার নাম প্রথম সারিতে ছিল। কমপক্ষে ২৬টি বড় হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে বহু বছর ধরে তার সন্ধানে ছিল দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা। কয়েকটি রাজ্যের সীমান্তজুড়ে তার টিমের ত্রাসের জন্য তাকে ধরা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হত। এবার সেই অধ্যায় শেষ।এই অভিযানের পরে গোটা অঞ্চলেই নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের নিরাপদ স্থানে সরানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, এ অপারেশন নকশাল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা দেবে এবং আগামী দিনগুলোতে আরও একাধিক জঙ্গলের গভীরে একই ধরনের অভিযান চালানো হতে পারে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

ভিডিও দেখে বুঝে যাবে—উমর কীভাবে ‘শহিদি পথ’ প্রচার করছিলেন! গোয়েন্দাদের হাতে চরম প্রমাণ

লালকেল্লার একেবারে কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর যে মুখটি প্রথমে প্রকাশ্যে আসে, তিনি উমর নবি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের ঠিক আগে পার্কিং লটে ঘোরাফেরা করছেন তিনি। বিস্ফোরণের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। পরে ডিএনএ পরীক্ষায় মায়ের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া গেলে সন্দেহ দূর হয়বিস্ফোরণে মারা যাওয়া ব্যক্তি নিঃসন্দেহে কাশ্মীরের বাসিন্দা উমর নবি।পেশায় চিকিৎসক উমর উন নবী ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, যাঁকে চেনা মানুষজন এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে তিনি এমন পথে হাঁটতে পারেন। তাঁর পুলওয়ামার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। সন্দেহ ঘনাতেই নিরাপত্তাবাহিনী বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেয়। পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি, পড়াশোনায় দারুণ ভালো ছিলেন উমর, নিজের কাজে মগ্ন থাকতেন। তবে গত দুবছরে আচরণে এক অদ্ভুত পরিবর্তন টের পেয়েছিলেন তাঁরা। সেই সূত্রেই শুরু হয় তদন্ত।ঘটনার এক সপ্তাহ পর সামনে আসে একটি ভিডিয়োযাকে গোয়েন্দারা উমরের শেষ বার্তা বলেই ধরে নিয়েছেন। তাতে গম্ভীর মুখে আত্মঘাতী হামলাকে শহিদ হওয়ার পথ হিসেবে ব্যাখ্যা করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি বুঝিয়ে দিচ্ছেন কেমনভাবে আত্মঘাতী বোমা কোনও পাপ নয়, বরং সঠিক পথ। ভিডিও দেখে স্পষ্ট, নিজের কথায় অন্যদেরও প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন উমর।গোয়েন্দাদের মতে, যে কোনও নাশকতার আগে দীর্ঘদিনের মগজধোলাই কাজ করে। অল্পবয়সী ও শিক্ষিত যুবকদেরকেও বোঝানো হয় যে মৃত্যু এখানে কোনও অপরাধ নয়, বরং লক্ষ্যে পৌঁছনোর উপায়। তদন্তে উঠে এসেছে, টেলিগ্রামে বেশ কয়েকটি গোপন গ্রুপে নিয়মিত সক্রিয় ছিলেন উমর। সেখান থেকেই তাঁর মানসিকতার পরিবর্তন ঘটে বলে ধারণা গোয়েন্দাদের। অচিরেই চিকিৎসক উমর চলে যান সন্ত্রাসের অন্ধকার গহ্বরে।এই ভিডিও সামনে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠছেকীভাবে একজন মেধাবী যুবক এত অল্প সময়ে চরমপন্থার পথে চলে যেতে পারেন? আর কতজন এমনভাবে অজ্ঞাত অন্ধকারে ঢুকে যাচ্ছে, যা পরিবার পর্যন্ত টের পাচ্ছে না?

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের আগেই ‘সুইসাইড বোমার’ হওয়ার প্রস্তুতি! জেরায় ফাঁস দানিশের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। আত্মঘাতী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেনএমনই সন্দেহে পাকড়াও করা হল উমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাশির বিলাল ওয়ানিকে, যাঁকে দানিশ নামেই চিনত গোটা শ্রীনগর। এনআইএ-র একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে প্রথমে তাঁকে শ্রীনগরেই আটক করে। পরে জেরা চলতে থাকতেই উঠে আসে বিস্ফোরণের দিনেদুজনের ভূমিকাসহ একাধিক চমকে দেওয়া তথ্য। দিন তিনেক আগে অনন্তনাগে গোপনে লুকিয়ে থাকা দানিশকে পাকড়াও করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, দিল্লি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা টেবিলে বসেই উমরের সঙ্গে মিলিতভাবে তৈরি করেছিলেন তিনি। শুধু পরিকল্পনাই নয়আত্মঘাতী হামলায় অংশ নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন দানিশ নিজেও। শেষ মুহূর্তে কোনও অজানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত আর বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু তার আগেই হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় শ্রীনগরের এই যুবক।তদন্তকারীদের কাছে দানিশ স্বীকার করেছেন, কাশ্মীরের একটি মসজিদে উমরের সঙ্গে প্রথম আলাপ। সেখান থেকেই সম্পর্ক ঘনিয়ে ওঠে। উমরের প্রভাবেই তাঁর মনে জিহাদের পথে পা বাড়ানোর ইচ্ছা জন্মায়। ধীরে ধীরে আত্মঘাতী হামলার জন্য নিজের মনকে তৈরি করতে শুরু করেন তিনি। তদন্তকারীরাও বিস্মিতকারণ দানিশ বুদ্ধিমত্তায় ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় অত্যন্ত চৌকস। ড্রোন, রকেট-লঞ্চারের মতো জটিল অস্ত্র তৈরি করতে তাঁর দক্ষতার কথাও উঠে এসেছে জেরায়। এমনকি, দিল্লি বিস্ফোরণের জন্য ব্যবহৃত মারাত্মক বিস্ফোরক তৈরিও দানিশই নাকি করেছিলেন, যা পরে তিনি তুলে দেন উমরের হাতে।এখন দফায় দফায় জেরা চলছে। দানিশের কাছ থেকে বেরিয়ে আসছে বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যের অজানা সুত্র। কিন্তু ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আর-একটি পতন ঘটে দানিশের পরিবারের উপরছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গি-যোগের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে তাঁর বাবা। বাড়ির মধ্যেই আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। গোটা এলাকায় নেমে আসে স্তব্ধতা ও শোকের ছায়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

লালু পরিবারের গৃহযুদ্ধ? রোহিনির অভিযোগে সঞ্জয়-রমিজের ভূমিকা নিয়ে জোর জল্পনা

রোহিনি আচার্যর বিস্ফোরক মন্তব্যে ফের তোলপাড় আরজেডি। লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে প্রকাশ্যেই অভিযোগ তুলেছেন, দলের মধ্যে চক্রান্ত চলছে, আর সেই চক্রান্তের কেন্দ্রে রয়েছেন আরজেডি রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় যাদব এবং তেজস্বী যাদবের ঘনিষ্ঠ সহকারী রমিজ নেমত। রোহিনির কথায়, সঞ্জয় আর রমিজের নাম নিলেই বাড়ি থেকে বের করে দেবে, লোক লাগিয়ে অপমান করাবে, এমনকি চটির বাড়িও মারবে। তাঁর এই মন্তব্য সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে বিহারের রাজনীতি।২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আরজেডির খারাপ ফলের পর থেকেই দলে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু রোহিনির হঠাৎ এমন প্রকাশ্য বিস্ফোরণ সেই ভাঙনকে আরও প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে। দলের অন্দরে বহুদিন ধরেই কানাঘুষো ছিল যে সঞ্জয় যাদব এবং রমিজ নেমত তেজস্বীর ওপর অত্যধিক প্রভাব খাটান। এবার রোহিনিই সেই গুঞ্জনকে প্রকাশ্যে এনে দিলেন।কে এই সঞ্জয় যাদব?২০১৫ সাল থেকেই লালুর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে তাঁর উত্থান শুরু। শেষ দফার প্রচারে মোহন ভাগবতের সংরক্ষণনীতি পুনর্বিবেচনার মন্তব্যসেই বড় রাজনৈতিক মুডা প্রথম সঞ্জয়ই লালুকে দেখান। পরে মহাগঠবন্ধনের বিপুল জয়ে সেই মুহূর্তকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হয়। সঞ্জয় যাদবের শিক্ষাগত যোগ্যতা কম্পিউটার সায়েন্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্টে, পরিবারও রাজনৈতিক। তেজস্বী ও অখিলেশ যাদবদুজনের সঙ্গেই গভীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। তেজস্বীর ক্রিকেটপ্রীতি থেকেই তাদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়েছে।সঞ্জয়কেই ধরা হয় আরজেডির নতুন ব্র্যান্ডিংয়ের কারিগরযুব বিহারি স্লোগান, পোস্টার-ব্যানারে লালুকে ছাপিয়ে তেজস্বীকে কেন্দ্রে তুলে ধরাসবটাই তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত।কিন্তু এর সঙ্গেই বাড়ে ক্ষোভ। লালুর পুরনো সৈনিকরা বারবার অভিযোগ করেছেন, তাঁরা আর তেজস্বীর কাছে পৌঁছতেই পারেন না। তেজ প্রতাপ যাদবও বহুবার জয়চাঁদ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যেটি দলের ভিতরে সঞ্জয় যাদবের দিকেই ইঙ্গিত বলে ধরা হত।কেউ প্রকাশ্যে বলেননিতবে রোহিনিই প্রথম মুখ খুললেন।মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সামনে রোহিনির ক্ষোভ উগরে পড়েছেআমার পরিবার নেই। সঞ্জয়, রমিজ আর তেজস্বীর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন। ওরাই আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। কেউ দায় নিতে চায় না। কেউ চাণক্য সাজার চেষ্টা করলে সেই চাণক্যকেই প্রশ্ন করা হবে।এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া। বিজেপি নেতা নিশিকান্ত দুবে এক্স-এ লিখেছেনलालू प्रसाद जी का तिलिस्म उनके जीवन काल में ही ख़त्म हो गया। बेटा बहन को चप्पल से पीट रहा है? यह सामाजिक परिवर्तन है या परिवार का चारित्रिक पतन?বাংলায় বলতে গেলেলালু পরিবারের আভা শেষ, ভাই-বোনের মধ্যে নাকি চটির মার পর্যন্ত গড়িয়েছেএটাই কি সামাজিক পরিবর্তন, নাকি চরিত্রের পতন?রোহিনির অভিযোগে এখন আরজেডির অন্দরে বড়সড় ভূমিকম্প। দলের নেতাদের একাংশ মনে করছেন, এই প্রকাশ্য আক্রমণ শুধু পারিবারিক সংকট নয়, বরং আরজেডির ভবিষ্যত নেতৃত্বের লড়াইয়েরও স্পষ্ট ইঙ্গিত।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

হাওয়া অফিস নয়, গোয়েন্দারা বলছেন—আল-ফালাহ এখন ‘হাই আলার্ট’ এলাকায়

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন চমক সামনে আসছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ যে তথ্য উঠে এসেছে, তা হল আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উল-নবি আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই গোটা তদন্তের মোড় ঘুরে যায়। কারণ গত চার দিনে একের পর এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি, এবং তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গেই কোনও না কোনওভাবে জুড়ে রয়েছে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। এই সংযোগই এখন সবচেয়ে বড় ধাঁধা।দিল্লি পুলিশ ও এনআইএর সন্দেহ আরও বেড়েছে কারণ যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই উচ্চশিক্ষিত চিকিৎসক। কিন্তু অভিযোগ বলছে তাঁদের আড়ালে চলত নাশকতার পরিকল্পনা, বিস্ফোরক পরিবহন, লজিস্টিক তৈরি থেকে শুরু করে জঙ্গিদের আর্থিক সহায়তা পর্যন্ত। এই তথ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠছেতাহলে কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালেই তৈরি হতো জঙ্গি মডিউল?আরও ভয়ঙ্কর প্রশ্নএটা কি কেবল কয়েকজনের কাজ? নাকি কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক কাজ করত ক্যাম্পাসের মধ্যে? তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, আল-ফালাহ মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস থেকে নথি জব্দ করা হয়েছে, হঠাৎ গায়েব হয়ে যাওয়া ১৫ জন চিকিৎসকের ফোনও ট্রেস করা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতির পাশাপাশি নাশকতায় জড়িত থাকার সন্দেহও প্রবল হচ্ছে।দিল্লি বিস্ফোরণের দিন গাড়িতে থাকা ডঃ উমর নাকি হাওয়ালা রুটে পেয়েছিলেন ২২ লক্ষ টাকাএই তথ্য তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। টাকা কোথা থেকে এল, কে পাঠাল, কেনই বা পাঠানো হলসবই এখন তদন্তের বড় প্রশ্ন।সমগ্র ঘটনাকে ঘিরে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সাধারণ ছাত্রছাত্রী থেকে স্থানীয় মানুষ সকলের মধ্যেই আতঙ্কশিক্ষার জায়গায় কীভাবে গড়ে উঠল এমন বিপজ্জনক চক্র?

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

চেয়ারের লড়াই শুরু! চিরাগের উপমুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবি নিয়ে BJP-তে চাপ

বিহার ভোটের ফল বেরোনোর পরই যেন বদলে গেল পুরো রাজনৈতিক সমীকরণ। প্রচার পর্বের শেষদিনেই চিরাগ পাসওয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন, তিনি চান উপমুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার। অনেকেই ভেবেছিলেন, এটা হয়তো নির্বাচনী বক্তব্যের আবেগ। কিন্তু ফল বেরোতেই দেখা গেল, ছোট দল নিয়েও তিনি বড় কাজ করে ফেলেছেন। এলজেপি মাত্র ২৯টি আসনে লড়েই দখল করেছে ১৯টিযা বিহারের ক্ষমতার অঙ্কে বড় ভূমিকা রাখার মতো সাফল্য।এত বড় ফলের পর চিরাগ যে নিজের দাবি আরও জোরে তুলবেন, তা আগেভাগেই অনুমান ছিল। সেই দাবির পথেই যেন হাঁটা শুরু করে দিলেন তিনি। শনিবার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন চিরাগ। রাজনৈতিক মহলে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ যে নীতীশের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে তিনি সরাসরি বিদ্রোহ ঘোষণা করে এনডিএ ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই নীতীশের সঙ্গেই এখন উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠছে।২০২০ সালের ভোটে এলজেপি ১৩০ আসনে লড়েও মাত্র ১টিতে জয় পেয়েছিল। কিন্তু সেই ভোট কাটাকাটিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জেডিইউ। সেই সময় থেকেই নীতীশচিরাগ সম্পর্কের তিক্ততা চরমে ওঠে। কিন্তু ২০২৫এর আগে বিজেপি ফের চিরাগকে এনডিএতে ফিরিয়ে আনে এবং নীতীশের সঙ্গেও দূরত্ব কমায়। এবার সেই ঘনিষ্ঠতা বিজেপির জন্য নতুন মাথাব্যথা তৈরি করে দিতে পারে।সাক্ষাতের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসিমুখে ছবি পোস্ট করেছেন চিরাগ। সঙ্গে লিখেছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। এলজেপির প্রার্থীদের প্রতি তাঁর সমর্থন প্রশংসনীয়। রাজনৈতিক মহল বলছে, চিরাগের প্রশংসার লক্ষ্য BJPর দিকে স্পষ্ট বার্তানীতীশকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চান। আর তার সঙ্গে তাঁর নিজের দাবিও জোরদার হবেউপমুখ্যমন্ত্রীর পদ চাই তাঁর দলে।বিহারের বিদায়ী মন্ত্রিসভায় দুই ডেপুটি সিএমই বিজেপির। কিন্তু যদি চিরাগ সরাসরি উপমুখ্যমন্ত্রিত্ব দাবি করেন, তবে BJPর পক্ষে সেই দুই চেয়ার ধরে রাখা কঠিন হবে। আবার চিরাগকে রাগানোও ঝুঁকির। কারণ ভবিষ্যতে যদি BJP আর JDUর মধ্যে কোনও টানাপোড়েন দেখা দেয়, তখন ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে চিরাগই হয়ে উঠতে পারেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ।বিহার রাজনীতির অঙ্ক তাই আবারও বদলের ইঙ্গিত দিচ্ছেআর তার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন রামবিলাস পাসওয়ানের উত্তরাধিকারী, যুবা বিহারী চিরাগ পাসওয়ান।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণ! এবার উদ্ধার সেনাবাহিনীর কার্তুজ, তীব্র ধন্দে তদন্তকারীরা

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার সামনে এল এমন তথ্য, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম ক্যালিবারের তিনটি কার্তুজযার মধ্যে দুটি তাজা এবং একটি ফাঁকা শেল। সাধারণ মানুষের হাতে এ ধরনের কার্তুজ থাকে না। সাধারণত সেনাবাহিনী বা বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত সংস্থার কাছেই এই ধরনের কার্তুজ থাকে। ফলে বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য।সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছেকার্তুজগুলি কি বিস্ফোরণের সময়ই ছিল, নাকি পরে কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাখা হয়েছে তদন্তকে ঘোলাটে করতে? ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি কার্তুজ খতিয়ে দেখছেন। সেগুলির উৎপত্তি থেকে শুরু করে ব্যবহারের সম্ভাব্য সময়সবই যাচাই হচ্ছে দ্রুতগতিতে।এদিকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং এনআইএ তদন্ত আরও জোরদার করেছে। বিশেষত আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজের একাধিক কর্মীর উপর নজর বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনও যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিস্ফোরণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ১৫ জন চিকিৎসকের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।তদন্তকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখলা অফিসেও হানা দিয়েছেন এবং বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করেছেন। বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে ছিলেন ডঃ উমর। জানা গিয়েছে, তিনি বিভিন্ন হাওয়ালা রুটের মাধ্যমে ২২ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং তার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তাও এখন তদন্তের কেন্দ্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। লালকেল্লার মতো সংবেদনশীল এলাকার পাশে বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক তথ্য সামনে আসায় গোটা রাজধানীতে আবারও ছড়িয়েছে উদ্বেগ।তদন্ত যত এগোচ্ছে, রহস্য ততই গভীর হচ্ছে। কার্তুজ উদ্ধার, নিখোঁজ চিকিৎসক, হাওয়ালা লেনদেনসব মিলিয়ে বিস্ফোরণের পেছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় থাকার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এখনও পাওয়া তথ্য বরফের চূড়া মাত্র। আসল সূত্র পাওয়া গেলে উঠে আসতে পারে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণের ‘মাস্টারমাইন্ড’ চিকিৎসক আফগানিস্তানে? ইন্টারপোলের পাহারা বাড়াল ভারত

দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। তদন্তে সামনে এসেছে দক্ষিণ কাশ্মীরের এক চিকিৎসকের নামমুজাফ্ফর রাঠার। তিনি এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর থেকেই পলাতক মুজাফ্ফর পাকিস্তান পেরিয়ে আফগানিস্তানে আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারে। তাকে ধরতেই এবার ইন্টারপোলের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। লক্ষ্যরেড কর্নার নোটিস জারি।মুজাফ্ফর রাঠার হলেন আরও এক অভিযুক্ত চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাঠারের ভাই। জানা গিয়েছে, দুজনেই দক্ষিণ কাশ্মীরের কাজিগান্দ এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেছেন, ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল মুজাফ্ফরের। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে তার নাম। পাশাপাশি সামনে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য২০২১ সালে উমর নবি এবং মুজাম্মিলের সঙ্গে তুরস্কে গিয়েছিলেন মুজাফ্ফর। সেখানে গিয়েই তিনজনের প্রশিক্ষণ নেওয়ার খবর মিলেছে তদন্তে।তদন্ত অনুযায়ী, গত আগস্ট মাস থেকেই দেশছাড়া মুজাফ্ফর। সেই থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। নাম ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই জম্মুকাশ্মীর পুলিশ রেড কর্নার নোটিসের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তদন্তকারী দলের এক সদস্য জানিয়েছেন, বর্তমানে এই তদন্তের দায়িত্ব রয়েছে এসআইএ-র হাতে। তাই রাজ্য পুলিশ সরাসরি ইন্টারপোলের কাছে যেতে পারে না। কেন্দ্রীয় সংস্থার মারফতই রেড কর্নার নোটিসের আবেদন পাঠানো হবে।এর মধ্যেই লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ড আরও চাপ বাড়িয়েছে তদন্তকারীদের উপর। কয়েকদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ঐতিহাসিক লালকেল্লা চত্বর। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩ জনের। ঘটনার পর থেকেই একাধিক রাজ্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কিছু চিকিৎসক। শুক্রবার বাংলা থেকেও এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ।বিস্ফোরণের তদন্তে উঠে আসা চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে আদিল আহমেদ রাঠার, মুজাফ্ফর আহমেদ, মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সইদের। ফলে তাঁরা আর ভারতে কোনও হাসপাতাল অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা পেশা চালাতে পারবেন না। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যে সংগঠিত নেটওয়ার্ক ছিল, যার আঁতুড়ঘর কাশ্মীর থেকে বিদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

ইসলাম গ্রহণ ও পাকিস্তানে বিয়ে? নিখোঁজ সরবজিৎকে নিয়ে নতুন বিস্ফোরক দাবি

পাকিস্তান সফর শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া শিখ তীর্থযাত্রী সরবজিৎ কৌরের ঘটনা ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর দাবি। প্রকাশ্যে এসেছে একটি নিকাহনামা এবং তাঁর নামে এক পাসপোর্টের প্রতিলিপি, যেখানে বলা হয়েছেতিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং শেখুপুরার নয়া আবাদি এলাকার বাসিন্দা নাসির হুসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই নথিগুলি ভাইরাল হতে না হতেই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তৎপরতা দেখা দিয়েছে।১৩ নভেম্বর ভারতীয় জঠা পাকিস্তান থেকে ফিরলেও সরবজিৎকে আর পাওয়া যায়নি। ৪ নভেম্বর গুরু নানক দেবজির প্রকাশ উৎসব উপলক্ষে মোট ১,৯২৩ জন শিখ তীর্থযাত্রী পাকিস্তানে যান। দশ দিনের সফরে তাঁরা একাধিক গুরুদ্বারায় গমন করেন। সফর শেষে ফেরার সময়ই দেখা যায়সরবজিৎ কৌরের নাম নেই পাকিস্তানের এক্সিট লিস্টে, নেই ভারতের রি-এন্ট্রি রেকর্ডেও। তখনই শুরু হয় বড়সড় উদ্বেগ।এরপর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁর সন্ধানে নেমেছে। দুদেশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ভারতীয় হাই কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন এবং উঠেই আসছে সেই নথিগুলির সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন। ঠিক কবে, কোথায়, কীভাবে সরবজিৎ জঠা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেনএটিও তদন্তের মূল দিক হয়ে উঠেছে।এদিকে SGPC তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংস্থার দাবি, তীর্থযাত্রায় যাওয়ার ভিসা অনুমোদনে তাদের কোনও ভূমিকা নেই। সবটাই সরকারি নিয়ম মেনে হয়। SGPC জানিয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরই তারা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়। এরপর আবেদনকারীরা পাসপোর্ট জমা দেন, যা SGPC সরকারকে পাঠিয়ে দেয় মাত্র। বাকি সব যাচাই করে ভারত সরকারই ভিসা পাকিস্তান হাই কমিশনে পাঠায়।SGPC আরও জানায়, অতীতেও বহু হিন্দুশিখ তীর্থযাত্রীকে ভিসা পর্যায়ে আটকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। কোনও ভিসা তারা অনুমোদন করে না, শুধু আবেদনগুলি পৌঁছে দেয়। সরবজিতের নিখোঁজ হওয়া এবং নিকাহনামা বিতর্ক নিয়ে SGPC বলেছেধর্মীয় সফরকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধন করা নিন্দনীয় এবং এতে সংস্থার উপর সন্দেহ তৈরি হয়। এই ঘটনা সম্পর্কে তারাও প্রথমে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পেরেছে।সমগ্র ঘটনার তদন্ত এখন দুই দেশের গোয়েন্দাদের হাতে। নথিগুলি সত্যি নাকি সাজানোতা সামনে এলেই স্পষ্ট হবে সরবজিৎ কৌর কি সত্যিই পাকিস্তানে স্বেচ্ছায় থাকতে চেয়েছেন, নাকি আরও কোনও বড় রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পিছনে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, তার, জ্বালানি—গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরণের কারখানা! চাঞ্চল্যকর তথ্য

লালকেল্লার কাছে যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার তদন্তে এবার উঠে এল আরও ভয়াবহ তথ্য। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ধৃত জঙ্গি-চিকিৎসক উমর নবি নাকি আই-২০ গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি করেছিল। যে ৫০টিরও বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই কিলোগ্রামেরও বেশি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়েছিল দিল্লির ওই বিস্ফোরণে। সঙ্গে ছিল পেট্রোলিয়াম জাতীয় এক ধরনের জ্বালানি। গোয়েন্দাদের কথায় এটা ঠিক সেই ধরনের বিস্ফোরক, যা খনি এলাকায় ব্যবহৃত হয়।আই-২০ গাড়ির ধ্বংসাবশেষে মেলে সরু তার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের চিহ্ন এবং জ্বালানির দাগ। এখান থেকেই সন্দেহ প্রবল হয়গাড়িতেই কি বিস্ফোরক বানায় উমর? তদন্তকারীরা বলছেন, ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই এই ধরনের বিস্ফোরক তৈরি করা যায়। আর সব তথ্য মিলিয়ে তাঁরা এখন প্রায় নিশ্চিতগাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি হয়েছিল।তবে প্রশ্ন একটাইবিস্ফোরণ কি লালকেল্লার সামনেই করার পরিকল্পনা ছিল? নাকি আরও জনবহুল জায়গায়? সোমবার লালকেল্লা বন্ধ থাকে, তাই গোয়েন্দাদের মনে আরও সন্দেহ। পরিকল্পনা কি আসলে ছিল অন্য জায়গা টার্গেট করার?জেরায় ধৃতরা আরও স্বীকার করেছে যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশ ছাড়ার ছক ছিল মুজাম্মিল-শাহিনদের। তাঁদের লক্ষ্য ছিল কাতার বা তুরস্কে পালিয়ে অন্তত ছয় মাস লুকিয়ে থাকা। সেই উদ্দেশ্যে অনলাইনে নতুন পাসপোর্টের আবেদনও করেছিলেন তাঁরা। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই সেই পুলিশ অফিসারের সঙ্গে কথা বলছেন, যিনি আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে গিয়ে তাঁদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করেছিলেন। সব নথি আদৌ ঠিক ছিল কিনা, সেটাই এখন তদন্তের অন্যতম বড় প্রশ্ন।সূত্র বলছে, ৯-১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই শাহিন, মুজাম্মিল ও আদিল দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল। আর উমর নবি কাশ্মীরে গিয়ে জঙ্গি ডেরায় লুকোতে চেয়েছিল। জেরা করে গোয়েন্দারা আরেকটি ভয়ংকর তথ্যও পেয়েছেন৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনই তৈরি হয়েছিল এই বড় নাশকতার ছক।মুজাম্মিল ও শাহিনের নথিতে সমস্যা না থাকলেও, আদিলের নথিতে একাধিক গরমিল ধরা পড়েছে। নিজের বাড়ির ঠিকানা না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা দাখিল করেছিল আদিল, অথচ কোনও প্রমাণপত্র দিতে পারেনি। তদন্তকারীদের সন্দেহ, অধিকাংশ নথিই জাল। যে পুলিশকর্মীরা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের কাজ করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায়। এমনকি শাহিনের পাসপোর্টের ছবি তুলতে গিয়েও মোবাইলে ছবি তোলে সেই অফিসারএটিও নজরে এসেছে তদন্তকারীদের।ক্রমশ এই বিস্ফোরণকাণ্ড এক ভয়ংকর জঙ্গি-চক্রের দিকে আঙুল তুলছে, আর উঠে আসছে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা নাশকতার পরত-ওপর-পরত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

এক ঝটকায় উড়ে গেল থানার অর্ধেক অংশ! নওগাম বিস্ফোরণ নিয়ে কী বললেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

নওগাম থানার ভয়াবহ বিস্ফোরণ নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। শুক্রবার গভীর রাতে থানার একটি বড় অংশ উড়ে যায়, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপ, আর তার মাঝেই প্রাণ হারান ৯ জন। প্রায় ৩০ জনের বেশি আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে ছটফট করছেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। শুরু হয় সন্দেহএ কি আরেক নতুন নাশকতা? কারণ দিল্লির বিস্ফোরণে ব্যবহার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গেই মিল পাওয়া গিয়েছিল নওগামের বিস্ফোরকটির।কিন্তু শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে যুগ্ম কমিশনার প্রশান্ত লোখান্ডে জানিয়ে দেন, এটা কোনও নাশকতা নয়, পুরোপুরি দুর্ঘটনা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। সেই সময়ই হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। কীভাবে, কেনএই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্ত শেষ হলেই সব তথ্য জানানো হবে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে। বিশেষ বিষয়, সাংবাদিক বৈঠকে জঙ্গি হামলা বা নাশকতার কোনও উল্লেখই করা হয়নি।জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল নলীন প্রভাতও একই দাবি করেন। তিনি জানান, ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক ফরিদাবাদে এক চিকিৎসকের ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর সেটি নওগাম থানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম মাফিক খোলা জায়গায় বিস্ফোরক সুরক্ষিত ছিল। কিন্তু নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে আচমকাই ঘটে দুর্ঘটনা। এতে এক স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির আধিকারিক, তিনজন এফএসএল কর্মী, দুই ফটোগ্রাফার, দুই রেভেনিউ কর্মী এবং এক টেইলর প্রাণ হারান। আহত হন ২৭ জন পুলিশ আধিকারিক ও ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা।ডিজিপির কথায়, সমস্ত সতর্কতা নিয়েও কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেটাই এখন তদন্তের মূল প্রশ্ন। তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছিল। তার মধ্যেই রাত ১১টা ২০ মিনিটে হঠাৎ বিস্ফোরণ। এর পিছনে অন্য কোনও সন্দেহের কারণ নেই।এদিকে জঙ্গি সংগঠন প্যাফ এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করলেও সরকারিভাবে সেই দাবির কোনও ভিত্তি পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও প্রশ্ন বাড়ছেনাশকতার ছায়া থাকলে কেন তা অস্বীকার করা হলো, আর যদি দুর্ঘটনা হয়, তবে এত বড় বিস্ফোরক পরিচালনায় কী সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল?তদন্তের শেষ রিপোর্টই জানাবে সঠিক সত্য। বর্তমানে নিহতদের পরিবার শোকাহত, আহতদের চিকিৎসা চলছে, আর প্রশাসনও সর্বোচ্চ সতর্কতায় পরিস্থিতি নজরে রাখছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • ...
  • 55
  • 56
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশে সরকার বদল আর সঙ্গে সঙ্গেই বড় সিদ্ধান্ত, খুলছে ভিসার দরজা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে। তারেক রহমান নেতৃত্বে সরকার গঠনের পরই কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই আবার বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা চালু করতে চলেছে ভারত। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর স্বস্তির বার্তা পাচ্ছেন দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা।নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলাদেশএর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার বার্তা দেয় নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনী জয়ের শুভেচ্ছা জানান। শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওম বিড়লা। এরপরই কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ বাড়ে এবং ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে সব ধরনের ভিসা পরিষেবা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সিলেটের কনস্যুলার দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই পর্যটন ভিসা-সহ অন্যান্য ভিসা চালু করা হবে। বর্তমানে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা ও বিশেষ শ্রেণির ভিসা দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।উল্লেখ্য, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত বছর থেকে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে যায়। জুলাইয়ের অশান্ত পরিস্থিতি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত আগমনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে ঢাকাসহ একাধিক শহরে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রতিদিনের ভিসা অনুমোদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছিল। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের তরফেও ভারতের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে পরিষেবা সীমিত করা হয়। তবে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে এবং ভিসা পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্তকে সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মেলেনি, এবার যুব সাথীর লাইনে এমএ পাশ তরুণী

বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনের জটিলতায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠল হুগলির চুঁচুড়া এলাকার এক শিক্ষিতা যুবতীর ক্ষেত্রে। এমএ পাশ করার পরও চাকরি না পেয়ে বাড়িতে বসে রয়েছেন তানিয়া মণ্ডল দাস। তিনি জানান, পদবি পরিবর্তনের কারণে দুবার আবেদন করেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাননি। তাই নতুন আশায় এবার রাজ্যের যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন। তবে তাঁর মনে এখনও আশঙ্কা, পদবি সংক্রান্ত একই সমস্যায় এই প্রকল্পের সুবিধাও হাতছাড়া হতে পারে। তানিয়া বলেন, পড়াশোনা শেষ করেও কাজ না পাওয়ায় আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করতেও খরচ হয়, তাই এই ভাতা পেলে কিছুটা সাহায্য হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাতার থেকে চাকরি পেলে আরও ভালো হতো, কারণ কেউ অন্যের উপর নির্ভর করে থাকতে চান না। তানিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু হুগলির হুগলি মহসিন কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার মাধ্যমে। পরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিয়ের আগে তাঁর পদবি ছিল মণ্ডল, কিন্তু বিয়ের পর তা পরিবর্তিত হয়ে দাস হওয়ায় বিভিন্ন নথিতে ভিন্নতা তৈরি হয়েছে। মাধ্যমিকের প্রবেশপত্র ও ভোটার পরিচয়পত্রে পুরনো পদবি থাকলেও আধার, ব্যাঙ্কের নথি ও বিবাহের শংসাপত্রে নতুন পদবি থাকায় পরিচয় সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন বাতিল হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্থানীয় পুর প্রশাসনের তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ জানান, প্রয়োজনীয় নথির সংশোধন করলে সুবিধা পেতে অসুবিধা হবে না এবং কোনও সমস্যা হলে পুরসভা সহযোগিতা করবে। তানিয়ার মতো অনেক মহিলার ক্ষেত্রেই বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনকে ঘিরে এমন সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যা প্রশাসনিক স্তরে সমাধানের দাবি তুলছে সাধারণ মানুষ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য? বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে ফের বড় আইনি লড়াই

মহার্ঘ ভাতা মামলায় রাজ্য সরকারকে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ হয়নি বলে অভিযোগ সরকারি কর্মীদের। সেই কারণে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন এবং অনশন কর্মসূচি চালিয়েছিলেন কর্মীরা। পরে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এর বেঞ্চ বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে পঁচিশ শতাংশ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে এবং একত্রিশ মার্চের মধ্যে বাকি পঁচাত্তর শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু অভিযোগ, এই নির্দেশ কার্যকর করতে এখনও কোনও উদ্যোগ নেয়নি রাজ্য সরকার। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি জারি হওয়া আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী কে আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ জারির এক সপ্তাহ পরও বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় মামলাকারীরা ফের আইনি পথ বেছে নিয়েছেন এবং নতুন করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন। যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্য সরকারের মধ্যে শীর্ষ আদালতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদনও করা হয়নি এবং প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবেই কর্মীরা বাধ্য হয়ে আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রকল্পে নাম লিখালেন বিজেপি নেত্রী, সামনে আসতেই তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষিত যুব সাথী প্রকল্প ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভাতার রাজনীতি করে ভোটে প্রভাব ফেলতে চাইছে সরকার। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই হুগলির আরামবাগ এলাকায় যুব সাথীর ফর্ম জমা দেওয়ার লাইনে দেখা গেল বিজেপি নেত্রী সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তকে। শুক্রবার গোঘাট দুই নম্বর ব্লক অফিসে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম পূরণ করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি জানান, ছেলের জন্য ফর্ম জমা দিচ্ছেন, তবে নথিতে গ্রাহক হিসেবে তাঁর নিজের নামই দেখা যায়। ক্যামেরার সামনে তিনি বলেন, বহু শিক্ষিত যুবক এখনও বেকার, তাঁদের তথ্য নথিভুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এই অর্থ কোনও দলের নয়, সরকারের, তাই সকলের প্রাপ্য বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্প চালুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক বেকার যুবকযুবতীর চাকরির আবেদন করতে অর্থের অভাব থাকে, তাঁদের জন্য এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গোঘাট দুই ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সৌমেন দিগার বলেন, সব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করার ফলেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পে বিরোধীরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যদিও বিজেপির তরফে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটি ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ভোটের আগে এই ছবি নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শুনানিই নয়, এক ঝটকায় খারিজ আবেদন, বেলডাঙা মসজিদ ঘিরে নতুন উত্তাপ

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণ ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হলেও তা শুনতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চ আবেদনটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এর পর বাধ্য হয়ে মামলাকারী নিজের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাবরের নামে ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি বন্ধের দাবি তুলে আদালতে করা আবেদনে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছিল। মামলাকারীর আইনজীবী শুনানির সময় নির্মাণ উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিতর্কের কথাও তুলে ধরেন।তবে আদালত এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হওয়ায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই অনুযায়ী গত ছয় ডিসেম্বর বিপুল জনসমাগমের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে এগারো ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। বিধায়ক জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।সমস্ত ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয় স্তরেও মতবিরোধ স্পষ্ট হচ্ছে। আদালতের অবস্থানের পর ভবিষ্যতে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

দলের আপত্তি সত্ত্বেও মসজিদ নির্মাণে সাহায্য, নতুন করে চর্চায় তৃণমূল নেতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চায় উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। বিভিন্ন বিরোধী নেতার সঙ্গে বৈঠক এবং প্রকাশ্যে মতামত দেওয়ার পর এবার বাবরি মসজিদ ইস্যু নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এরই মধ্যে মসজিদ নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ রমজান মাসের প্রথম দিনেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য এক লক্ষ এগারো হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে মসজিদ ট্রাস্টের নামে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার নামে চেক প্রদান করা হয়। এর আগে এই মসজিদ নির্মাণের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। এবার সমর্থনের পাশাপাশি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতায় বিতর্ক আরও বেড়েছে।কয়েক দিন আগে এক সভা থেকে সফিউজ্জামান শেখ দাবি করেছিলেন, জেলার মানুষই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই অনুদান দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জেরে কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করা হয়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণের মতো বিষয় নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো দল সমর্থন করে না। তৃণমূলের তরফে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দল ভালো চোখে দেখছে না। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা নিয়েই আপত্তি রয়েছে শাসকদলের একাংশের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal