• ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

সাম্প্রতিককালে দেশে বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছেঃ সুপ্রিম কোর্ট

বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছে। আর এই বিষয়ে সরাসরি দেশের গণমাধ্যমগুলির উপরে সরাসরি আঙুল তুলল শীর্ষ আদালত। করোনা আবহের প্রাক্কালে দিল্লিতে যে তাবলিগি জমায়েত হয়েছিল তার রায় দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এস বোবদে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মিডিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই আবেদনের শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি জানান, সম্প্রতি বাকস্বাধীনতা সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার হচ্ছে। গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্ব নিয়ে খবর পরিবেশন করা উচিত। না হলে যেকোনও সময়ে হিংসা ছড়িয়ে যেতে পারে। আরও পড়ুনঃ ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে গণমাধ্যমের হয়ে হলফনামায় বলা হয়েছে ওই সময় খারাপ প্রতিবেদনের কোনও উদাহরণ নেই।এদিন অবশ্য এই হলফনামা তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের এক জুনিয়র অফিসার পেশ করেন। যা চূড়ান্ত অপমানজনক বলে মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট -এর প্রধান বিচারপতি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিবকে এই নিয়ে ফের হলফনামা দায়ের করতে হবে। এদিন বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন আজ যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তার যথোপযুক্ত প্রমাণ কি আপনাদের কাছে আদৌ আছে? যদি থাকে তাহলে সেটা পেশ করা উচিৎ ছিল। তাই আজকের পেশ করা হলফনামা বাতিল করা হল।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
দেশ

‘ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা’, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের

নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করা হয়নি। উত্তরপ্রদেশের ওই দলিত তরুণীকে মেরে ফেলেছেন ওঁর মা ও দাদা। পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্টকে লেখা এক চিঠিতে এমনই দাবি করেছেন হাথরাস কাণ্ডের অভিযুক্তরা। পাশাপাশি এই মামলায় যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হয়, এমনই দাবি জানিয়েছে তারা। এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ ওই চিঠিতে দাবি করেছে, ১৯ বছরের ওই তরুণীর মৃত্যুর জন্য দায়ী ওঁর পরিবার। এখন তাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। চিঠিতে সে ছাড়াও সই করেছে বাকি তিন অভিযুক্ত রামু, লবকুশ ও রবি। অভিযুক্ত সন্দীপের দাবি, তার সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মেয়েটির পরিবার এই সম্পর্ককে মেনে নেয়নি। নির্যাতিতার দাদা ও মা এ কারণে মারধরও করত ওই তরুণীকে। তার ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি অভিযুক্তের। এদিকে মঙ্গলবারই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ দাবি করে, নির্যাতিতার ভাইয়ের সঙ্গে সন্দীপের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে ফোনে কথাও হত। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টা কথোপকথন হয়েছে। যদিও তরুণীর দাদা এই দাবিকে অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সন্দীপের কখনও ফোনে কথা হয়নি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
দেশ

কেন্দ্রের শ্রম আইনের বিরোধীতায় পথে নামছে বিজেপির শ্রমিক সংগঠন

নরেন্দ্র মোদী সরকারের শ্রম আইনের বিরোধীতায় এবার পথে নামছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অনুমোদিত শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘ বা বিএমএস। কেন্দ্রের শ্রমিক বিরোধী নীতির প্রতিবাদে চলতি মাসের ২৮ তারিখে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।উল্লেখ্য, মোদি সরকারের শ্রম আইনের বিরোধিতায় আগেই প্রতিবাদে নেমেছে বাম ও কংগ্রেসের মতো বিরোধী দলগুলি। ১০টি শ্রমিক সংগঠন গত সপ্তাহেই কেন্দ্রের শ্রমিক বিরোধী নীতির প্রতিবাদ জানাতে ২৬ নভেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘট পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি সপ্তাহেই ভারতীয় মজদুর সংঘের ১৯ তম জাতীয় সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনের শেষ দিনে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত গোটা দেশের শ্রমিক-কর্মচারীদের নতুন শ্রম আইনের বিপদ সম্পর্কে বোঝানো হবে। এই কাজ শেষ হওয়ার পর শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো। তাই দুর্গাপুজোর দিনগুলি বাদ দিয়ে ২৮ অক্টোবর প্রতিবাদে পথে নামা হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে, মোদি সরকারের শ্রম আইনের বিরোধিতায় ডান ও বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলি যখন পথে নেমেছে তখন বিএমএস কেন তাদের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিবাদে সামিল হচ্ছে না? বিএমএস পরিষ্কার বলেছে, মোদি সরকার যে শ্রম আইন এনেছে তা দেশের শ্রমিকদের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর ফলে বহু মানুষ কাজ হারাবেন এই আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। মানুষের কর্মজীবনে নিশ্চয়তা চলে যাচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
দেশ

রাস্তা অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখা যায় না, শাহিনবাগ নিয়ে মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

বিক্ষোভের নামে সরকারি জায়গা বা সরকারি রাস্তা এভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য দখল করে রাখা যায় না। বিক্ষোভ দেখানো নাগরিকদের অধিকার, কিন্তু সেজন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষতিসাধন করা সম্ভব নয়।শাহিনবাগ আন্দোলনের সমালোচনা করে বুধবার একথা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কৌলের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ আজ মন্তব্য করে, জনসভা বন্ধ করা যায় না।এটা গণতন্ত্রেরই অংশ।কিন্তু তা হবে হবে নির্দিষ্ট জায়গায়। যাতায়াত অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখা যায় না। বিচারপতি আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে মেরুকরণ করা হয়। শাহিনবাগের ক্ষেত্রে তা দেখা গিয়েছে। বিক্ষোভ আন্দোলন করতে গিয়ে তা মানুষের অসুবিধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।শাহিনবাগ হোক বা অন্য যে কোনও জায়গা। এভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য সরকারি জায়গা বা রাস্তা দখল করে রাখা যায় না। প্রশাসনের উচিত ছিল আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি না চালিয়ে, নিজে থেকে ব্যবস্থা করা। আদালত বলছে, অনেক আগেই দিল্লি পুলিশের উচিত ছিল শাহিনবাগ এলাকা খালি করে দেওয়া। আরও পড়ুনঃ যুবতীর পরিবার ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট উল্লেখ্য, গতবছর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে বহু মানুষ এর বিরোধিতায় সরব হন। আর সেই আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে শাহিনবাগে। ডিসেম্বর থেকে চলতি বছর মার্চ মাস পর্যন্ত সিএএ বিরোধী আন্দোলনে চলেছে রাজধানীর ওই অঞ্চলে। শাহিনবাগে হাজার হাজার সংখ্যালঘু মহিলা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধরনাতেও বসেন। শেষমেশ করোনা পরিস্থিতির জন্য সেই ধরনা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু প্রতীকী আন্দোলন এখনও চলছে। শাহিনবাগ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লির বুকে হিংসার আগুনও জ্বলেছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
দেশ

যুবতীর পরিবার ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

হাথরস-কাণ্ডে দলিতকন্যার পরিবার ও সম্ভাব্য সাক্ষীদের সুরক্ষা যেন নিশ্চিত করা হয়।মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ সরকারকে একথা বলল সুপ্রিম কোর্ট। যুবতীর পরিবার ও মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তার বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছ থেকে ৮ অক্টোবর-এর মধ্যে এই সংক্রান্ত জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। সমাজকর্মী সত্যমা দুবে মামলার তদন্তভার সিবিআই বা বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আদালতে পিটিশন জমা দিয়েছিলেন । ঘটনার তদন্তে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের যে গাফিলতির ছবি সামনে এসেছে, তা তুলে ধরে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে পিটিশনে। আরও পড়ুনঃ আলোয়ার গণধর্ষণ মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শীর্ষ আদালত জানতে চায়, পিটিশন কেন এলাহাবাদ হাইকোর্টে জমা করা হয়নি । তার উত্তরে আইনজীবী কৃতি সিং জানান, মামলাটি এলাহাবাদ হাইকোর্টে জমা পড়ে আছে এবং তাঁরা মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তরিত করতে চান । এর উত্তরে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে বলেন, মামলাটির এলাহাবাদ হাইকোর্টে শুনানি চলছে । হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ কী তা আমরা দেখতে পারি । যদি হাইকোর্টে কোনও ভুল হয়, তবে আমরা আছি । প্রধান বিচারপতি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার কাছে জানতেও চেয়েছেন, ওই দলিত পরিবার কোনও আইনজীবী নিয়োগ করতে পারছে কিনা। তুষার মেহতা জানান, সংবাদমাধ্যম মারফত শোনা যাচ্ছে কোনও কোনও আইনজীবী ওই পরিবারের সঙ্গে তাদের হয়ে আইনি লড়াই লড়ার জন্য যোগাযোগ করেছেন।এক সপ্তাহ পরে আবার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
দেশ

আলোয়ার গণধর্ষণ মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রাজস্থানের আলোয়ারে গত বছর ঘটে যাওয়া একটি গণধর্ষণ মামলায় চার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর ওই গণধর্ষণ-এর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করার জন্য পাঁচ বছরের জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে আরেক অভিযুক্তকে। মঙ্গলবার পাঁচ অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক।মূল অভিযুক্ত ছোটে লাল (২২), হংসরাজ গুজ্জর (২০), অশোক কুমার গুজ্জর (২০) এবং ইন্দ্রজিৎ সিং গুজ্জর (২২)-এর নামে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৭,১৪৯, ৩২৩, ৩২৭ ও ৩৭৬ডি-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মঙ্গলবার আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল রাজস্থানের আলোয়ার-এর থানাগাজি এলাকায় দলিত সম্প্রদায়ের ২২ বছরের এক যুবতীকে তাঁর স্বামীর সামনেই ধর্ষণ করে এক নাবালক-সহ পাঁচজন। আর আরেকজন ব্যক্তি সেই পাশবিক ঘটনার ভিডিও তোলে। পরে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নির্যাতিতার কাছ থেকে ১০ হাজার দাবিও করে। নির্যাতিতা তা দিতে রাজি না হওয়া ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করে দেয়। এই বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ জানাতে গেলে তারা এফআইআর নিতে চায়নি।পরে মে মাসের ২ তারিখে এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। আর ১৮ মে আদালতে চার্জশিট জমা করে পুলিশ। তদন্ত চলার মাঝেই কর্তব্যে গাফিলাতির অভিযোগে আলোয়ার পুলিশ সুপার রাজীব পাছারকে সরিয়ে দেওয়া হয় ও থানাগাজি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সর্দার সিংকে বরখাস্ত করা হয়।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
দেশ

কর্নাটকের কংগ্রেস প্রধানের বাড়িতে সিবিআই হানা

কর্ণাটকের কংগ্রেস সভাপতি ডি শিব কুমার ও তাঁর ভাই ডিকে সুরেশের ১৫টি সম্পত্তিতে অভিযান চালাল সিবিআই। সো্মবার সকালে এই অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৫০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। কংগ্রসের অভিযোগ, কর্নাটকের উপ নির্বাচনগুলির প্রস্তুতি বানচাল করতেই এই হানা। গত বছর অর্থ তছরূপের অভিযোগে ৫৮ বছরের কর্নাটক কংগ্রেস প্রধানকে ৪ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করেছিল ইডি। মোদি ও ইয়েদুরাপ্পার এই রাজনৈতিক খেলা সবাই ধরে ফেলেছে বলেও কটাক্ষ করেছেন জাতীয় কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা। যদিও কংগ্রেসের এই অভিযোগ অস্বীকার করে সিবিআই আইন অনুযায়ী কাজ করছে বলে দাবি কর্ণাটক বিজেপির।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলা, শহিদ ২ জওয়ান

ফের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা। ওই হামলায় শহিদ হয়েছেন ২ সিআরপিএফ জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ৩ জওয়ানকে শ্রীনগরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামার পাম্পোরে সোমবার দুপুর নাগাদ এই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এদিন সিআরপিএফ-এর ১১০ নম্বর ব্যাটালিয়ন ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সেখানে টহল দিচ্ছিলেন। কান্দিজাল সেতুর কাছে আসতেই আচমকাই তাদের ওপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামলার পরই এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।চলে তল্লাশি।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
দেশ

জুলাইয়ে মধ্যে টিকা ২৫ কোটিকে

আগামী জুলাইয়ের মধ্যে ২৫ কোটি নাগরিককে করোনার টিকা দেওয়া হবে। রবিবার দুপুর ১টায় সানডে সংবাদ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এদিন একথা জানিয়ে বলেন, জুলাই মাসের মধ্যে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ কোটি টিকা সংগ্রহ করা পরিকল্পনা করছে সরকার।ভ্যাক্সিন একবার প্রস্তুত হয়ে গেলেই বেশির ভাগ মানুষের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র। কোন রাজ্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কত টিকা পাবে তার তালিকা তৈরি করতেও বলা হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্ব দেওয়া হবে করোনা মোকাবিলায় নিযু্ক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের। সেইসঙ্গে বেসরকারি ডাক্তার, আশাকর্মীদেরও প্রথম তালিকায় রাখা হবে। অক্টোবরের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা হবে। দেখা হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার খুঁটিনাটিও। এই কাজের দায়িত্বে রয়েছেন নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পলের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের টিম। বিদেশে তৈরি টিকা ভারতে ব্যবহারের আগে তার এখানে কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা করা হবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
দেশ

কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে কৃষি আইন বাতিলঃ রাহুল

যেদিন কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসবে, সেদিন এই কৃষি আইন বাতিল করা হবে। আমরা এই তিনটি কালা কানুনকে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলব। রবিবার কৃষদের খেতি বাঁচাও র্যালিতে যোগ দিয়ে একথা বললেন কংগ্রেস নেতা ও সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনদিন ধরে এই কর্মসূচি চলবে । পঞ্জাব থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে দিল্লিতে । এদিনের সভায় তিনি আরও বলেন, বিজেপির অন্যতম লক্ষ্য,এমএসপি ও শস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাকে ধংস করা। এছাড়াও এদিন সরাসরি মোদির মন্তব্যকে নিশানা করেন রাহুল। তিনি বলেন, এই আইনে যদি কৃষকরা খুশি হয়ে থাকেন, যেমনটা প্রধানমন্ত্রী দাবি করছেন, তাহলে তাঁরা কেন আন্দোলনে নেমেছেন? যদি কৃষকের স্বার্থেই এই আইন হয়ে থাকে, তাহলে কেন সংসদে আইন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল না? এদিনের এই প্রতিবাদে উপস্থিত ছিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। সংসদে পাশ হওয়ার পর থেকেই কৃষিবিল নিয়ে পঞ্জাবে লাগাতার আন্দোলন করছে কংগ্রেস।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
দেশ

ফের উত্তরপ্রদেশ, নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার

এক নবালিকার ক্ষত বিক্ষত দেহ উদ্ধার হল একটি ক্ষেতের মধ্যে।গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল ওই নাবালিকা।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানউর জেলার দেহাত গ্রামে।পুলিশ ওই নাবালিকার দুই আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে।নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ খুন করার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল ওই নাবালিকাকে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা দেহের বিভিন্ন অংশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, পুলিশের একটি বিশাল বাহিনী অনুর্বর মাঠের কিনারায় একটি ঝোপের দিকে মেয়েটির দেহের নানান অংশ ছড়ানো ছিটানো দেখতে পান।দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার।কানপুর দেহাত পুলিশ সুপার কে কে চৌধুরী বলেন, নাবালিকার বাবা জানিয়েছেন তাদের জমির বিরোধ ছিল এবং দুজন লোক আগেই ওই নাবালিকাকে খুন করবে বলে হুমকি দিয়েছিল।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
দেশ

হৃদপিণ্ডে অস্ত্রোপচার রামবিলাস পাসোয়ানের

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান।কিন্তু শনিবার সন্ধে থেকে নতুন কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায় গভীর রাতে তাঁর হৃদপিণ্ডে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। রবিবার কাকভোরে টুইট করে এই খবর জানিয়েছেন তাঁর ছেলে তথা লোক জনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাসোয়ান।চিরাগ আরও জানিয়েছেন, ৭৪ বছর বয়সী রামবিলাসকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা।আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাঁর আরও একটি অস্ত্রোপচার হতে পারে। বাবার কারণেই তিনি আগামী কয়েক দিনের সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করেছেন বলে জানিয়েছেন চিরাগ।রামবিলাস দীর্ঘদিনের রাজনীতিক। প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবন এই দলিত নেতার। ইউপিএ সরকারেরও ভারী শিল্প দফতরের মন্ত্রী ছিলেন তিনি।বর্তমানে নরেন্দ্র মোদী সরকারের খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান। সামনেই বিহারের ভোট। যেহেতু রামবিলাসের দল জেডিউ বিজেপির সঙ্গে জোটে রয়েছে তাই তাঁর এই অসুস্থতা এনডিএ-এর মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি করেছে।ইতিমধ্যেই বিহার ভোটে ৫০-৫০ ফর্মুলায় প্রার্থী দেওয়ার বিষয় স্থির করে ফেলেছে বিজেপি-জেডিইউ। কিন্তু রামবিলাসের লোক জনশক্তি পার্টি কত আসনে লড়বে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
দেশ

হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ যোগীর

হাথরস গণধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে চাপের মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হল উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। গোটা ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হচ্ছে সিবিআইয়ের হাতে।এমনই সিদ্ধান্তের কথা শনিবার জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ। সারা দেশ উত্তাল হাতরস কাণ্ড নিয়ে।নির্যাতিতার জন্য পথে নেমে সওয়াল করছে রাজনৈতিক -অরাজনৈতিক সব পক্ষ।হাতরস কাণ্ডে বহু বিষয়ই হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়ছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা। বেগতিক বুঝেই শনিবার বিকেলে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন যোগী আদিত্যনাথ। তার আগে ধর্ষিতা দলিত কন্যার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ডিজিপি এইচসি অস্তি এবং স্বরাস্ট্রসচিব অবিনাশ অতশী। তাদের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন মৃতার পরিবার। খবর পৌঁছয় যোগীর টেবিলে।এদিকে আজ রাহুল গান্ধি ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধি দেখা করেন হাতরস কন্যার পরিবারের সঙ্গে। দেশের নানা প্রান্তে পথে নামছে বিরোধীরা।যন্তরমন্তর থেকে গর্জন করছেন চন্দ্রশেখর আজাদের ভীম আর্মির সদস্যরা। পথে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দাবি করা হচ্ছে যোগীর পদত্যাগ।বিজেপি নেত্রী উমা ভারতীও যোগীকে এই ঘটনায় সঠিক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। এই চাপের মুখেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন যোগী আদিত্যনাথ।অন্যদিকে,পরিবারের সঙ্গে দেখা করে রাহুল গান্ধী বলেন, কোনও শক্তি আমাদের রুখতে পারবে না। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে রয়েছি। তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।প্রিয়াঙ্কা বলেন, মেয়েটির পরিবার ন্যায়বিচার না পাওয়া অবধি আমরা লড়ে যাব। যোগী আদিত্যনাথ নিজের দায়িত্বকর্তব্য ভুলে যেতে পারেন না। আর দ্ব্যর্থহীন ভাষায়ক্ষোভ উগড়ে দেন মৃতার ভাই। তিনি বলেন, জেলাশাসক আমাদের শাসিয়েছে। তাকে কেন বরখাস্ত করল না সরকার? ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমার বোনের অস্থিবিসর্জন হবে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

দলের কর্মীদের হাতে খুন মাওবাদী নেতা

দলের কর্মীদের হাতে খুন হতে হল এক মাওবাদী নেতাকে। ঘটনাটি ঘটেছে,ছত্তীসগঢ়ের বিজাপুরের চিতাভার জঙ্গলে।মৃত মাওবাদী নেতার নাম মোদিয়াম ভিজ্জা।ছত্তীসগঢ়ের পুলিশের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।গঙ্গালুর এরিয়ার ডিভিশনাল কমিটি মেম্বার ছিলেন ভিজ্জা। তাঁকেই চিতাভার জঙ্গলে খুন করা হয়েছে সম্প্রতি।ছত্তীসগঢ়ের বস্তার রেঞ্জের আইজি পি সুন্দররাজ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ভিজ্জা ও তার দলেরই গঙ্গালুর এরিয়ায় সেক্রেটারি দীনেশ মোদিয়ামের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। তাতেই খুন হন ভিজ্জা। জানা যাচ্ছে, বিজাপুরের নিরাপরাধ উপজাতিদের ওপরে মাওবাদীদের দিনের পর দিন অত্যাচারে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল দলের অন্দরে। উপজাতিদের ওপরে অত্যাচারের মাথা ছিলেন ওই ভিজ্জা। মাওবাদী ওই নেতাকে খুন করার পর তার দেহ তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে দলের ক্যাডাররা। তিনি আরও বলেন,গঙ্গালুর এলাকায় একাধিক ঘটনায় সাধারণ মানুষ খুনে নাম জড়িয়েছিল ভিজ্জার। তার মাথার দাম ধার্য হয়েছিল ৮ লাখ টাকা।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

বেসরকারিকরণের বিরোধীতায় ভারত বনধের ডাক

নয়া কৃষি বিলের কারণে এমনিতেই অস্বস্তিতে কেন্দ্রের বিজেপি শাসিত সরকার। এই নয়া কৃষি বিলের প্রতিবাদে ভারত বনধের ডাক দিয়েছিল দেশের অধিকাংশ ডান-বাম কৃষক সংগঠন। এবার কেন্দ্র সরকারের বেসরকারিকরণ নীতির বিরোধীতায়ও ভারত বনধের ডাক দিয়েছে দেশের শ্রমিক সংগঠনগুলি।জানা গিয়েছে, সরকারের বেসরকারিকরণ নীতির প্রতিবাদে আগামী ২৬ নভেম্বর ভারত বনধের আহ্বান জানিয়েছে দশটি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন। নয়াদিল্লিতে ২ অক্টোবর দশটি কেন্দ্রীয় ইউনিয়ন এবং তাদের সহযোগীদের ভার্চুয়াল ন্যাশনাল কনভেনশন চলাকালীন ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আয়কর আওতার বাইরে থাকা পরিবারকে প্রতি মাসে ৭,৫০০ টাকা ও মাথাপিছু ১০ কেজি করে খাদ্যশস্য দেওয়ার দাবি, রেগা প্রকল্পে ২০০ দিনের কাজ-সহ ৫ টি দাবি তুলে ধরা হয়েছে ওই কনভেনশনে।আগামী ২৬ নভেম্বর দেশব্যাপী এই ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছে আইএনটিইউসি, সিআইটিইউ, এআইটিইউসি, সেবা, এইচএমএস, টিইউসিসি, ইউটিইউসি, এআইসিসিটিইউ, এলপিএফ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি। শ্রমিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, জাতীয় সম্পত্তি বেসরকারি করণের জন্য তৎপর দেশের বিজেপি শাসিত সরকার। এর ফলে কয়েক লক্ষ শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের জীবনে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা।আর এরই প্রতিবাদে এই বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

অটল টানেলের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

হিমাচল প্রদেশের রোটাং পাসে অটল টানেলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ টানেল।শনিবার সকালে হিমাচল প্রদেশের রোটাং পাসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাইওয়ে টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই টানেলের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,আজকের দিন ঐতিহাসিক।আজ শুধু অটলজির স্বপ্নই পূরণ হল না, দীর্ঘদিন ধরে থাকা হিমাচল প্রদেশের মানুষদের চাহিদাও পূরণ হল।একদিন এই হিমাচলের মাটিতে অটলজির সামনে বসে আমি আর ধুমলজি যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছিলাম তা বাস্তবায়িত হল।এর ফলে এই এলাকার মানুষের জীবন ও পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের অপেক্ষা।তবে দেশের অন্য প্রকল্পের মতো অটল টানেলের কাজের গতিও প্রচণ্ড ধীরগতিতে চলছিল।২০১৪ সালের আগে মাত্র ১৩০০ মিটার কাজ হয়েছিল।কিন্তু, তারপর বাকি ৬ বছরের মধ্যে ৯.০৯ কিলোমিটার লম্বা এই টানেলটি সম্পূর্ণ তৈরি করা হয়েছে।দুবছর আগে অসমে বগিবিল ব্রিজ উদ্বোধন করেছিলাম।এর ফলে আজ উত্তর-পূর্ব ভারতে মানুষরা অত্যন্ত উপকৃত হয়েছে। আশাকরি একই ঘটনা ঘটবে হিমাচলের মানুষদের ক্ষেত্রেও। অটলজি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন যে প্রকল্পগুলি শুরু করেছিলেন পরের সরকারের আমলে তার কাজ আটকে যায়। কিন্তু, ২০১৪ সালের পর থেকে পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। গোটা দেশজুড়ে আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজে গতি এসেছে। এদিন তিনি নাম না করে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, গত ৬ বছরে তাঁর সরকার যে কাজ করেছে তা ২৬ বছর ধরে হয়নি।এদিনের এই অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত, সেনাপ্রধান এমএম নারাভানে ও বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের আধিকারিকরা। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৩ হাজার মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ৯.০৯ কিলোমিটাক দীর্ঘ এই টানেলটি তৈরি হওয়ায় এখন থেকে সারাবছর মানালির সঙ্গে লাহুল-স্পিতি উপত্যকার যোগাযোগ বজায় থাকবে।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

দেশে লাখের গণ্ডি পেরল করোনায় মৃতের সংখ্যা

ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ পার করল।আমেরিকা এবং ব্রাজিলের পর বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে এই মহামারীর কবলে পড়ে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হল ভারতে।গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ১০৬৯ জনের।শুক্রবার রাতে ১ লক্ষ ছাড়িয়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যা।ফলে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৮৪২ জন। অর্থাৎ বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে ১ লক্ষের বেশি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে ঢুকে গেল ভারত।এদিকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে ৬৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৪৫ জন। আক্রান্তের থেকেও গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যাটা উদ্বেগজনক।অন্যদিকে,সুস্থতার সংখ্যা ৫৪,১৫,১৯৭।শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একদিকে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৮১,৪৮৪ জন। শনিবার পর্যন্ত দেশ জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৬৪,৬৪,০১২।দক্ষিণের দুই রাজ্যে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে। হু-হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। কর্নাটকে একদিনে ১০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কেরালাতেও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিতের সংখ্যা ৮ হাজারেরও বেশি। দক্ষিণের এই দুই রাজ্যে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রকও।গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে নতুন করে ৮ হাজার ১৩৫ জন নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের।সবমিলিয়ে কেরলে এখনও পর্যন্ত করোনা অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৭২ হাজার ৩৩৯টি।সংক্রমণ ছড়াচ্ছে দক্ষিণের আরও এক রাজ্য কর্নাটকেও। গত ২৪ ঘণ্টায় সেই রাজ্যে নতুন করে ১০ হাজারের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে সেরাজ্যে করোনা প্রাণ কেড়েছে ১৩০ জনের।এছাড়াও তামিলনাড়ুতে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ।স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তামিলনাড়ুতে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ৬০২। একইভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশেও। সেরাজ্যেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ছুঁই ছুঁই। তেলেঙ্গনায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ছাড়িয়েছে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

উৎসবের মরশুমে ২০০টি স্পেশাল ট্রেন, ঘোষণা রেলের

করোনার জেরে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে রয়েছে।প্রায় সাত মাস হয়ে গিয়েছে স্বাভাবিকভাবে সারদেশে ট্রেনের চাকা গড়াচ্ছে না।তবে আনলক পরিস্থিতিতে বেশ কিছু রুটে স্পেশাল ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করেছে রেল।ইতিমধ্যে পাঁচটি স্পেশাল ট্রেন পেয়েছে বাংলা।সামনেই উৎসবের মরসুম।এই সময় ছুটি থাকায় প্রচুর মানুষ পরিবার পরিজনদের সঙ্গে ঘুরতে যান।ফলে অক্টোবর মাসে ট্রেনের টিকিটের চাহিদা থাকে তুঙ্গে।এবার অবশ্য পরিস্থিতি আলাদা।ঘোরাঘুরির বিশেষ সুযোগ নেই।তবে খুব প্রয়োজনে এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে পৌঁছাতেও মানুষকে সড়কপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।ফলে খরচ হচ্ছে অনেক।ট্রেন চলাচল কবে থেকে স্বাভাবিক হবে, তা এখনও পরিষ্কার করে জানাচ্ছে না ভারতীয় রেল।এরই মধ্যে সাধারণ মানুষ দাবি তুলেছেন, একের পর এক আনলক পর্বে সবই যখন খুলে দেওয়া হচ্ছে, তাহলে লোকাল ট্রেন চালু হচ্ছে না কেন। লোকাল ট্রেন চালু না হওয়ায় একগাদা টাকা খরচ করে শহরতলির মানুষকে শহরে কাজে যেতে হচ্ছে ।তবে উৎসবের মরসুমে এবার সারা দেশে ২০০টি স্পেশাল ট্রেন চালাবে বলে জানাল ভারতীয় রেল।১৫ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই স্পেশাল ট্রেনগুলি চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সিইও ভিকে প্রসাদ অবশ্য ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন,এখন ২০০টি স্পেশাল ট্রেন চালানোর কথা বলা হলেও সংখ্যাটা বাড়তে পারে। রেলের কর্তারা এই নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২০
দেশ

হাথরসে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে পড়ে গেলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন

হাথরসে নির্যাতিতার বাড়ি যাওয়ার পথে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে আটকে দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। নির্যাতিতার বাড়ি থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন । তৃণমূলের এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন সহ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, মমতাবালা ঠাকুর এবং প্রতিমা মণ্ডলেরা। শুক্রবার সকালে নির্যাতিতার বাড়ি থেকে ১.৫ কিলোমিটার দূরে আটকে দেওয়া হয় বলে তৃণমূলের এই প্রতিনিধিদলকে।শুক্রবার সকালে তৃণমূল সাংসদদের একটি দল হাথরসের উদ্দেশে রওনা দেয়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সমবেদনা জানাতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। দিল্লি থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার যাত্রা করেও ফেলেছিলেন তারা। কিন্তু, হাথরসে ঢোকার মাত্র দেড় কিলোমিটার আগে তাদের আটকে দেওয়া হয়।বাধার মুখে পড়ে পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল সাংসদরা। সেইসময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পড়ে যান ডেরেক ও ব্রায়েন।ডেরেক বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এবং সমবেদনা জানাতে হাথরস এসেছি। আমরা সমস্ত প্রোটোকল বজায় রাখছি। আমাদের কাছে তো অস্ত্রশস্ত্র নেই । তবে কেন আমাদের থামানো হচ্ছে ? এটা কী ধরনের জঙ্গলরাজ যে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেও নির্বাচিত সাংসদদের বাধা দেওয়া হচ্ছে ! নির্যাতিতার বাড়ি আর মাত্র ১.৫ কিলোমিটার পথ। হেঁটেই যাব আমরা। গতকাল হাথরসের নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে একইভাবে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধি । কিন্তু হাথরস ঢোকার আগে একাধিকবার তাঁদের আটকানো হয়। এরপর হেঁটে হাথরসে যেতে গেলে ফের বাধা দেয় পুলিশ। চলে বচসা। ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান রাহুল। পরে তাঁদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ । রাতে গৌতম বুদ্ধ নগরের ইকোটেক ওয়ান পুলিশ স্টেশনে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় ।

অক্টোবর ০২, ২০২০
দেশ

রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

শুক্রবার গোটা দেশে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫১ তম জন্মদিন পালন করা হয়। এদিন রাজঘাটে গিয়ে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, আমরা গান্ধী জয়ন্তীতে শ্রদ্ধেয় বাপুকে প্রণাম জানাই । তাঁর জীবন এবং মহৎ চিন্তা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে । সমৃদ্ধ ভারত গঠনে বাপুর আদর্শ আমাদের পথ দেখায় ।মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ লেখেন, আসুন আমরা সবাই আবার গান্ধীজয়ন্তীর শুভ উপলক্ষে সংকল্প করি যে, আমরা সত্য ও অহিংসার পথ অনুসরণ করে সর্বদা জাতির কল্যাণ ও অগ্রগতির বিষয়ে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাই৷ পরিচ্ছন্ন, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী এবং অন্তর্ভুক্ত ভারত তৈরির মাধ্যমে গান্ধীজীর স্বপ্নগুলি উপলব্ধি করার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ট্যুইট করেন, গান্ধীজয়ন্তীর দিন আমি জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর প্রতি কৃতজ্ঞ ও সবার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর সত্য, অহিংসা এবং ভালবাসার বার্তা সমাজে সম্প্রীতি ও সম্প্রীতির যোগাযোগ করে সমগ্র বিশ্বের কল্যাণের পথ সুগম করে।মহাত্মা গান্ধীকে প্রণাম জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও৷ এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি ট্যুইট করেছেন, গান্ধীজির অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং আধ্যাত্মিক জীবন বিশ্বকে শান্তি, অহিংসা এবং সম্প্রীতির পথ দেখিয়েছিল। স্বদেশীর ব্যবহার বাড়ানোর তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ মোদি জি-র স্বনির্ভর ভারতের সংকল্প নিয়ে পুরো দেশ স্বদেশী ভাবধারা গ্রহণ করছে।

অক্টোবর ০২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 70
  • 71
  • 72
  • 73
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal